Category: পড়াশোনা

Get updated Education and Career news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • CISCE Board: ২০২৪ আইসিএসই, আইএসসি-র সময়সূচি ঘোষিত, কবে শুরু পরীক্ষা?

    CISCE Board: ২০২৪ আইসিএসই, আইএসসি-র সময়সূচি ঘোষিত, কবে শুরু পরীক্ষা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিএসই এবং আইএসসি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করল সিআইএসসিই বোর্ড (CISCE Board)। আইসিএসই  হল মাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষা এবং আইএসসি হল উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষা। প্রসঙ্গত বছর ঘুরলেই রয়েছে লোকসভার ভোট। সে কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ পরীক্ষার সময়সূচি এগিয়ে এনেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে মার্চ মাস থেকেই শুরু হওয়ার কথা লোকসভা ভোট। সেই মতো দুটি (মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক) পরীক্ষার রুটিন (CISCE Board) ঘোষণা করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।

    কবে থেকে শুরু হচ্ছে পরীক্ষা?

    তবে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলির পড়ুয়া ও অভিভাবকরা অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন। কবে সিআইএসসিই বোর্ড (CISCE Board) পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করবে! অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হল। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মধ্যরাত্রে বিজ্ঞপ্তি জারি করল সিআইএসসিই বোর্ড। আইসিএসই ও আইএসসি বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের উদ্বেগ কাটল। জানা গিয়েছে, আইএসসি শ্রেণির পরীক্ষা অর্থাৎ ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের উচ্চমাধ্যমিক শুরু হচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারি, সোমবার। শেষ হবে ৩ এপ্রিল, বুধবার। অন্যদিকে আইসিএসই অর্থাৎ ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হবে ২১ ফেব্রুয়ারি, বুধবার এবং তা ২৮ মার্চ, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে।

    ফল বের হওয়ার ৪ দিনের মাথায় রিভিউ অথবা স্ক্রুটিনির জন্য আবেদন করা যাবে

    মে মাস নাগাদ দুটি পরীক্ষারই (CISCE Board) ফল বের হবে বলে জানা গিয়েছে। ফল বের হওয়ার চার দিনের মধ্যেই রিভিউ অথবা স্ক্রুটিনির জন্য আবেদন করতে পারবেন পড়ুয়ারা। ফল বের হওয়ার ৬০ দিন পর্যন্ত পড়ুয়াদের উত্তরপত্রগুলিকে সংরক্ষণ করে রাখবে বোর্ড। আরও জানা গিয়েছে, আইসিএসই পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১১টা থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশ্নপত্র বিলি করা হবে ঠিক ১০:৪৫ মিনিট নাগাদ। অন্যদিকে আইএসসির পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ৯ টায় এবং বেলা ২টোয় দুটি ধাপে। অন্যদিকে আইসিএসই এবং আইএসসির পরীক্ষার্থীদের প্রাকটিক্যাল শেষ করানোর জন্য স্কুলগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবং সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৩১ জানুয়ারি।  www.cisce.org -তে গিয়ে পরীক্ষার সময়সূচি ডাউনলোড করতে পারবেন পড়ুয়ারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • GATE 2024: আগামী বছর গেট পরীক্ষা ৩ ফেব্রুয়ারি, জারি বিজ্ঞপ্তি, আবেদন গ্রহণ কবে থেকে?

    GATE 2024: আগামী বছর গেট পরীক্ষা ৩ ফেব্রুয়ারি, জারি বিজ্ঞপ্তি, আবেদন গ্রহণ কবে থেকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হলো পরের বছরের গেট (GATE 2024) পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি। যাঁরা ২০২৪ সালে গেট পরীক্ষায় বসতে চান, তাঁরা চলতি মাস থেকেই আবেদন করতে পারবেন। এই পরীক্ষার জন্য ২৪ অগাস্ট থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছর ফেব্রুয়ারির ৩ তারিখ থেকে। মোট ৩০টি আলাদা আলাদা বিষয়ের উপর এই গেট পরীক্ষা নেওয়া হবে।  

    কোন ওয়েবসাইটে আবেদন করা যাবে (GATE 2024)?

    ২০২৪ সালের গেট পরীক্ষার আয়োজন করছে বেঙ্গালুরুস্থিত ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স (IISC)। ছাত্রছাত্রীরা কীভাবে আবেদন করবেন, সেই বিষয়ে আইআইএসসি বেঙ্গালুরু পরীক্ষার সংক্রান্ত একটি ওয়েবসাইট প্রকাশ করেছে। সেখানেই আগামী বছর ফেব্রিয়ারি মাসে পরীক্ষার সূচিপত্র প্রকাশ করা হবে। আবেদন করতে হবে ওই ওয়েবসাইটে গিয়েই। এই বছর গেট পরীক্ষায় নতুন বিষয় হিসাবে ডেটা সায়েন্স এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    কবে কখন হবে পরীক্ষা?

    জানা গেছে গেট ২০২৪ (GATE 2024) পরীক্ষা আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসের ৩, ৪, ১০ এবং ১১ তারিখে হবে। পরীক্ষার দিনগুলিতে প্রত্যেক দিন দুটো ধাপে পরীক্ষা হবে। প্রথম ধাপ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা হবে এবং দ্বিতীয় ধাপে দুপুর আড়াইটে থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা হবে।

    কারা আবেদন করতে পারবেন?

    গেট ২০২৪ (GATE 2024) পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন শাখার স্নাতক হয়েছেন এমন পরীক্ষার্থীরাই কেবল মাত্র যোগ্য। ইঞ্জিনিয়ারিং, টেকনোলজি, আর্কিটেকচার এবং এছাড়াও মানববিদ্যার বিভিন্ন শাখা থেকে পরীক্ষা দিতে পারবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    কোথায় চাকরির সুযোগ রয়েছে?

    গেটে (GATE 2024) উত্তীর্ণ র‍্যাঙ্কের উপর নির্ভর করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারি চাকরির সুযোগ। যেমন- ভারত হেভি ইলেকট্রিক লিমিটেড, কোল ইন্ডিয়া লিমিটেড, সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেম, দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন, ইলেক্ট্রনিক্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড, ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্ডিয়া লিমিটেড, ন্যাশনাল হাইওয়ে অথারিটি ওফ ইন্ডিয়া সহ একাধিক সরকারি সংস্থায় চাকরির সুবিধা রয়েছে। তাই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় কাজ করতে ইচ্ছুকরা আবেদন করতে পারেন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ICSE : ২০২৪-এই কি শেষ? ২০২৫ সাল থেকে উঠে যেতে পারে আইসিএসই, জানালেন বোর্ড সচিব 

    ICSE : ২০২৪-এই কি শেষ? ২০২৫ সাল থেকে উঠে যেতে পারে আইসিএসই, জানালেন বোর্ড সচিব 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুত্ব হারাতে চলেছে সিআইএসসিই-র দশম শ্রেণির পরীক্ষা অর্থাৎ আইসিএসই। কলকাতায় এসে তেমনই ইঙ্গিত দিলেন বোর্ডের সিইও জেরি অ্যারাথুন। জাতীয় শিক্ষানীতির বাস্তবায়নে এবার বদলে যেতে পারে পরীক্ষার ধরনও। ২০২৫ সালে দশম শ্রেণির পরীক্ষা কার্যত অনিশ্চিয়তার মুখে বলেই আভাস দিল সিআইএসসিই। 

    কী কী পরিবর্তন

    দ্য কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট একজামিনেশনস (CISCE) এর দশম শ্রেণির পরীক্ষা আইসিএসই (ICSE), দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা আইএসসি (ISC)। এই আইসিএসইর পরীক্ষা নিয়েই অনিশ্চয়তার আবহ তৈরি হয়েছে। কারণ, জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের ফলে সরাসরি দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা হওয়ার কথা। তাই মন্ত্রকের নির্দেশের অপেক্ষায় এখনও অনিশ্চিত ২০২৫ সালের আইসিএসই। সিআইএসসিই বোর্ডের সচিব জেরি অ্যারাথুন বলেন, “২০২৪ সালে দু’টো পরীক্ষাই হবে। তবে ২০২৫ থেকে কী হবে আমরা নিশ্চিত নই। শিক্ষামন্ত্রক যা বলবে তার উপর নির্ভর করবে।” 

    বার্ষিক পরীক্ষা দিয়ে একাদশ শ্রেণিতে

    জাতীয় শিক্ষানীতি (এনইপি) চালু করা নিয়ে সিআইএসসিই বোর্ডের অধীনে থাকা স্কুলগুলির প্রধান শিক্ষকদের একটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাঁচ দিন ধরে চলবে প্রশিক্ষণ। সেই প্রশিক্ষণ শিবিরেই আইসিএসই অর্থাৎ দশম শ্রেণির পরীক্ষা নিয়ে এই ইঙ্গিত দিয়েছেন জেরি। তিনি জানান, ২০২৫ সাল থেকে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা তুলে দেওয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে কেবল বার্ষিক পরীক্ষা দিয়ে একাদশ শ্রেণিতে উঠবে পড়ুয়ারা। দ্বাদশ শ্রেণিতে প্রথম বোর্ড পরীক্ষা দিতে হবে পড়ুয়াদের। যেমন, এখন সিবিএসই বোর্ডে হয়ে থাকে।

    আরও পড়ুুন: ‘কেন্দ্রীয় এজেন্সি ডাকলেই আন্দোলন কেন?’ ধনখড়ের নিশানা কাদের দিকে

    একইসঙ্গে জেরি জানান, ২০২৪ সালের পরীক্ষা থেকেই মূল্যায়ণ ব্যবস্থাতেও বদল আনা হচ্ছে। ২০২৪ সালের পরীক্ষায় প্রত্যেক বিষয়ে যুক্ত হচ্ছে ১০ নম্বরের ‘ক্রিটিকাল থিঙ্কিং’। জেরি অ্যারাথুন বলেন, “ক্রিটিকাল থিঙ্কিং অন স্কিল বেসড সাবজেক্ট। এ ছাড়াও মাল্টিপল চয়েস প্রশ্ন থাকবে। পড়ানোর ধরনে বদল আসবে, শেখার ধরনে আসবে বদল। একইসঙ্গে মূল্যায়ণ পদ্ধতিও বদলানো হচ্ছে।” তিনি জানান, গোটা প্রক্রিয়াই ধীরে ধীরে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CUET UG Result 2023: কুয়েট ইউজি-র ফল প্রকাশ করেছে এনটিএ, দেখবেন কী করে?

    CUET UG Result 2023: কুয়েট ইউজি-র ফল প্রকাশ করেছে এনটিএ, দেখবেন কী করে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুয়েট ইউজি-র (CUET UGResult 2023) ফলপ্রকাশ করেছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)। পরীক্ষার্থীরা https://cuet.samarth.ac.in/- এই ওয়েবসাইট–এ গিয়ে ২০২৩ এর সিইউইটি ইউজি পরীক্ষার ফলাফল দেখতে পারেন। সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজেদের অ্যাপ্লিকেশন নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে পরীক্ষার ফল দেখা যাবে। ভারতের ২৫৯টি শহর এবং দেশের বাইরের ৯টি শহরে ৪৮৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হয়। প্রায় ১৪,৯০০০০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেন। 

    কী করে দেখবেন ফল?

    প্রথমে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট cuet.samarth.ac.in- এ গিয়ে ‘ভিউ কুয়েট রেজাল্ট ২০২২’ লিঙ্কটিতে ক্লিক করতে হবে। 
    এর পর জন্মতারিখ এবং অ্যাপ্লিকেশন নম্বর দিয়ে লগ-ইন করতে হবে।
    এর পর ‘সাবমিট’-এ ক্লিক করতে হবে।
    এ বার রেজাল্টটি দেখতে পাওয়া যাবে স্ক্রিনে। রেজাল্টটি পরীক্ষার্থীরা ডাউনলোড করে রাখতে পারেন ভবিষ্যতের সুবিধার্থে।
    কুয়েটের মার্কশিটটি বিভিন্ন কলেজে স্নাতক স্তরে ভর্তির সময় দরকার পড়বে।

    আরও পড়ুুন: ‘ভারত-ফ্রান্স বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক’, মোদির সঙ্গে সেলফি পোস্ট আপ্লুত মাক্রঁর

    এরপর কী করতে হবে?

    ভর্তি প্রক্রিয়া: এই পরীক্ষায় (CUET UGResult 2023) যোগ্যতা অর্জনকারী প্রার্থীদের কুয়েট প্রদত্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী ভর্তি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে হবে। তাদের অতিরিক্ত ডকুমেন্টেশন সম্পূর্ণ করতে হবে, কাউন্সেলিং সেশনে যোগ দিতে হবে, অথবা তাদের ভর্তি নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তা মেটাতে হবে।

    কাউন্সেলিং এবং আসন বরাদ্দ: আসনের যোগ্যতা এবং প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করে প্রার্থীদের কাউন্সেলিং সেশনের জন্য ডাকা হবে। এই অধিবেশন চলাকালীন, তারা তাদের পদমর্যাদা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে তাদের পছন্দের কোর্স এবং কলেজ বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে।

    ফি প্রদান: একবার আসন বরাদ্দ হয়ে গেলে, প্রার্থীদের তাদের ভর্তি নিশ্চিত করার জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি প্রদানের প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করতে হবে।

    নথি যাচাইকরণ: প্রার্থীদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে তাদের কাছে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি নিজেদের কাছে রাখতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Higher Secondary: উচ্চমাধ্যমিকের রেজিস্ট্রেশনে আধার নম্বর বাধ্যতামূলক করল সংসদ

    Higher Secondary: উচ্চমাধ্যমিকের রেজিস্ট্রেশনে আধার নম্বর বাধ্যতামূলক করল সংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমবেশি সব সরকারি কাজে বাধ্যতামূলক হয়েছে আধার নম্বর। এবার উচ্চ মাধ্যমিকের (Higher Secondary) রেজিস্ট্রেশনেও তা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। বুধবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে একথা জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ শিক্ষা সংসদ। বিজ্ঞপ্তিতে সাফ জানানো হয়েছে, আধার নম্বরের রেজিস্ট্রেশন না থাকলে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসতে সমস্যা হবে। জানা গিয়েছে ২০২৪ সালের উচ্চমাধ্যমিকেই এই নতুন নিয়ম কার্যকর করতে চলেছে। ছাত্রছাত্রীদের এ বিষয়ে অবগত করতেই, এই বিজ্ঞপ্তি তারা জারি করেছে বলে জানিয়েছে সংসদ।

    উচ্চশিক্ষা সংসদের সচিব তাপস মুখোপাধ্যায় এদিন বিজ্ঞপ্তি জারি করেন

    এদিন বিজ্ঞপ্তি জারি করেন উচ্চশিক্ষা সংসদের সচিব তাপস মুখোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, ২০২২-২৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে সমস্ত ছাত্রছাত্রীর রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে এই নিয়ম চালু করা হবে। এবছরের শিক্ষাবর্ষে উচ্চ মাধ্যমিক (Higher Secondary) স্তরের পড়ুয়ারা আধার নম্বর ১৬ অগাস্ট থেকে ১০ নভেম্বরের মধ্যে সংসদের পোর্টালে অনলাইনে আপডেট করতে পারবেন। আর ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের পড়ুয়ারা আধার নম্বর আপডেট করতে পারবেন ১৬ অগাস্ট থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে।

    কিন্তু এই সময়সীমার মধ্যেও কোনও ছাত্রছাত্রী যদি অনলাইন আধার নম্বর রেজিস্ট্রেশন করাতে না পারেন? সংসদ বলছে, সে ক্ষেত্রে ৩-১০ নভেম্বরের মধ্যে জরিমানা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা যেতে পারে। শিক্ষা দফতর এদিন আরও জানিয়েছে, নতুন এই পদ্ধতি সম্পর্কে যাতে ছাত্রছাত্রীরা তাড়াতাড়ি জানতে পারেন, সেই কারণেই আধার নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশনের বিষয়টি আগে থেকেই জানানো হয়েছে।

    আধার নম্বরের রেজিস্ট্রেশন না থাকলে বসতে সমস্যা হবে উচ্চমাধ্যমিকে

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘‘কোনও পরীক্ষার্থী যদি রেজিস্ট্রেশনের সময় আধার নম্বর না দেন, তা হলে রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। এমনকি পরীক্ষায় বসার সুযোগ না-ও মিলতে পারে।’’ তাই উচ্চশিক্ষা সংসদ ছাত্র ছাত্রীদের পরামর্শ দিয়েছে, দ্রুততার সঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা যেন নিয়ম মেনে আধার নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Online College Admission: মধ্যরাত থেকেই খুলে গিয়েছে পোর্টাল, স্নাতকস্তরে ভর্তির অনলাইন প্রক্রিয়া শুরু

    Online College Admission: মধ্যরাত থেকেই খুলে গিয়েছে পোর্টাল, স্নাতকস্তরে ভর্তির অনলাইন প্রক্রিয়া শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার মধ্যরাত থেকেই চালু হয়েছে কলেজে কলেজে অনলাইনে ভর্তির প্রক্রিয়া (Online College Admission)। পোর্টালের (College Admission Portal) মাধ্যমে রাজ্যের ৫০৯টি কলেজে স্নাতকস্তরে ভর্তির প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। এ বছর থেকেই এই পোর্টোলের মাধ্যমেই কলেজে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হল। তবে, এবার কেন্দ্রীয় পোর্টাল নয়, কলেজের নিজস্ব পোর্টালের মাধ্যমে এই ভর্তি প্রক্রিয়া চলছে। 

    অনলাইন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দিনক্ষণ

    মে মাসে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত হয়। এর পর গত ২ জুন উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ২০২৩-২৪ সালে এবার অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া (Online College Admission) শুরু হবে। সেই মতো, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে অনলাইনে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে। জমা পড়া আবেদন পত্রের ভিত্তিতে মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে ২০ জুলাই। উচ্চশিক্ষা দফতরে ইচ্ছা, সমস্ত প্রক্রিয়া ৩১ জুলাইেয়র মধ্যে শেষ করতে হবে, যাতে ১ অগাস্ট থেকেই কলেজগুলিতে প্রথম সেমেস্টার শুরু করে দেওয়া যায়।

    এই বছর থেকে স্নাতক স্তরের পাঠক্রম চার বছরের। উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফে বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যে ছাত্র যে কলেজে ভর্তি হতে চাইবেন তিনি সেই কলেজে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজের পোর্টালে (College Admission Portal)  গিয়ে তিনি আবেদন করতে পারবেন। সেখানেই তাঁরা তাঁদের যাবতীয় নথি আপলোড করতে পারবেন। 

    ফর্ম ফিলআপের সময় মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি

    অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া (Online College Admission) নিয়ে উচ্চশিক্ষা দফতর বেশ কিছু নির্দেশও দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে—

       ⁕ কেবলমাত্র মেধার ভিত্তিতেই পড়ুয়াদের ভর্তি নিতে হবে। ভর্তি প্রক্রিয়ার সময় সংশ্লিষ্ট পড়ুয়াকে তাঁদের শংসাপত্র যাচাইয়ের জন্য ডাকা যাবে না। 

       ⁕ অনলাইনে পড়ুয়াদের শংসাপত্র আপলোড কিংবা যাচাইয়ের জন্য তাঁদের কাছ থেকে থেকে কোনও অর্থ আদায় করতে পারবে না সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। 

       ⁕ যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা কলেজে ভর্তির জন্য সুযোগ্য বলে বিবেচিত হবে, কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে তাঁদের ফোন অথবা ইমেল মারফত সে কথা জানাতে হবে।

       ⁕ কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়গুলি কোনও ভাবেই পড়ুয়াদের থেকে নগদে ভর্তির ফি নিতে পারবে না। অনলাইনে অথবা নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ফি প্রদান করতে পারবেন মেধাতালিকায় নাম থাকা পড়ুয়ারা।

       ⁕ শংসাপত্রে গরমিল পাওয়া গেলে পড়ুয়াদের আবেদনপত্র বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছে উচ্চশিক্ষা দফতর (Online College Admission)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • UPSC: প্রকাশিত হল ইউপিএসসি প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল, পাস করেছেন ১৪,৬২৪ জন

    UPSC: প্রকাশিত হল ইউপিএসসি প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল, পাস করেছেন ১৪,৬২৪ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা ইউপিএসসির প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হল সোমবার। প্রসঙ্গত, চলতি বছরে এই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছিল ২৮ মে। ১২ দিনের মাথায় এই ফল প্রকাশ হল। পাস করেছেন মোট ১৪৬২৪ প্রার্থী। 

    আরও পড়ুন: আরএসএস পরিচালিত স্কুলে পড়ে আজ ইউপিএসসি-তে সফল এক ডজনেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী

    কোন ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে ফলাফল?

    ইউপিএসির (UPSC) ওয়েবসাইট upsconline.nic.in এবং upsc.gov.in থেকে এই ফলাফল দেখা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, এই ফলাফলের সঙ্গেই আলাদা করে কমিশন, আইএফএস পরীক্ষা (মেইনস) এ উত্তীর্ণদের রোল নম্বরও তালিকায় রেখেছে। ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিস পরীক্ষার মেইনসের মূল পরীক্ষার ফলাফলও ইউপিএসসি প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফলের সঙ্গে একইসঙ্গে প্রকাশিত হল। প্রিলিমস উত্তীর্ণরা মেইনস-এ বসার সুযোগ পাবেন। ইউপিএসসি জানিয়েছে, মেইনস পরীক্ষায় অংশ নিতে ডিটেলড অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম ওয়ান ফিল আপ করতে হবে পরীক্ষার্থীদের। ওয়েবসাইটেই এই পরীক্ষার ফলাফলের বিস্তারিত লেখা থাকবে। মার্কস, কাট অফ মার্কস, আন্সার কি-ও থাকবে ওয়েবসাইটে। তবে তা চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরই ওয়েবসাইটে থাকবে। 

    পরীক্ষার খুঁটিনাটি…

    দেশের আমলা গড়ার এই পরীক্ষায় সারবছর ধরে প্রস্তুতিতে লেগে থাকেন প্রার্থীরা। দেশে রয়েছে বেশ কিছু জনপ্রিয় কোচিং সেন্টারও। এই পরীক্ষার মাধ্যমে আইএএস, আইপিএস, আইএফএস, ও কেন্দ্রীয় সরকারি পরীক্ষার গ্রুপ এ ও বি পদে চাকরি মেলে। বর্তমানে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারদের একাংশ এই পরীক্ষাকে বেছে নিচ্ছেন। সংরক্ষিত ক্যাটাগরির প্রার্থীরা এই পরীক্ষা ৯ বার দিতে পারেন। বাকি এসসি এবং এসটিরা যতবার খুশি বসতে পারেন। ইউপিএসসির (UPSC) পরীক্ষা তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়। সাফল্যের সঙ্গে এই তিন ধাপ উতরাতে পারলে তবেই হওয়া যায় আমলা। প্রথম ধাপ হল প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় পাস করলে বিভিন্ন বিধি ও নিয়ম মেনে উত্তীর্ণ হওয়া যায় মেইনস পরীক্ষার জন্য। প্রিলিমস এর পর  আসে ‘মেইনস’ পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় পাস করলে আসে ইন্টারভিউ পর্ব। সেই পর্বের পর বাছাই করা হয় দেশের তাবড় সরকারি অফিসার পদে নিয়োগের উপযুক্ত ব্যক্তিত্বদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • UPSC: আরএসএস পরিচালিত স্কুলে পড়ে আজ ইউপিএসসি-তে সফল এক ডজনেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী

    UPSC: আরএসএস পরিচালিত স্কুলে পড়ে আজ ইউপিএসসি-তে সফল এক ডজনেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ পরিচালিত স্কুলে পড়াশোনা করেছেন, এমন এক ডজনেরও বেশি ছাত্রছাত্রী এবার সফল হলেন ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষায়। যাঁদের মধ্যে প্রথম কুড়িতে স্থান পেয়েছেন একজন, অবিনাশ কুমার। বিহারের সরস্বতী বিদ্যা মন্দিরে পড়াশোনা করা এই ছাত্র সারা দেশে ১৭ তম স্থান অধিকার করেছেন। বিদ্যাভারতীর তরফে প্রকাশ করা তালিকায় দেখা যাচ্ছে, চলতি বছরের ইউপিএসসি পরীক্ষায় সফল হয়েছেন, এমন ১৪ জন ছাত্রছাত্রী, তাঁদের স্কুলে পড়াশোনা করতেন। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই রাহুল গান্ধী আরএসএস পরিচালিত স্কুলগুলিকে তুলনা করেছিলেন পাকিস্তানের মাদ্রাসার সঙ্গে। এ প্রসঙ্গে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভেরকর বলেন, ‘‘সঙ্ঘ হল পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে বড় স্কুল, যেখানে দেশপ্রেম শেখানো হয়। কংগ্রেসের পক্ষে এটা বোঝা সম্ভব নয়।’’ চলতি বছরে ইউপিএসসি পরীক্ষায় সঙ্ঘের স্কুলগুলির এই বিপুল সাফল্য রাহুল গান্ধীর মিথ্যাচারেরই জবাব দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    আরও পড়ুন: জুন মাসের ‘নেট’ পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া শুরু! জানুন বিস্তারিত

    সারাদেশে ১২ হাজারেরও বেশি স্কুল চালায় আরএসএস

    প্রসঙ্গত, আরএসএসের শাখা সংগঠন হল বিদ্যাভারতী। সূত্রের খবর, বর্তমানে বিদ্যাভারতী পরিচালিত স্কুলগুলিতে প্রায় ৩৪ লক্ষ ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করছে সারা দেশে। বিদ্যাভারতী পরিচালিত ১২ হাজারেরও বেশি স্কুলে প্রাক প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে। শিক্ষা প্রসারের উদ্দেশ্যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও চলে বিদ্যা ভারতীর স্কুল।

    বিদ্যাভারতীর প্রকাশ করা তালিকা

    ইতিমধ্যে বিদ্যাভারতী ইউপিএসসি (UPSC) পাশ করা ১৪ জন ছাত্র-ছাত্রীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, বিদ্যা ভারতীর স্কুলে পড়াশোনা করা ১৪ জন ইউপিএসসি পরীক্ষায় সফল হয়েছেন। তালিকায় রয়েছেন ৪ ছাত্রী এবং ১০ ছাত্র।

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, সঙ্ঘের স্কুল থেকে ইউপিএসসি-তে সফল কারা হলেন 

    ১) বিকাশ গুপ্তা, মধ্যপ্রদেশের কাটনি জেলার সরস্বতী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা এই ছাত্র চলতি বছরে ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। 

    ২) মুদিতা শর্মা, রাজস্থানের মীরা বাল মন্দিরে পড়াশোনা করা ছাত্রী মুদিতা এ বছর ইউপিএসসি পাশ করেছেন।

    ৩) শুভম সিং ঠাকুর, মধ্যপ্রদেশের সরস্বতী শিশু মন্দিরে পড়াশোনা করা ছাত্র শুভম আইপিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

    ৪) আয়ুষী জৈন, রাজস্থানের বিদ্যাভারতী পরিচালিত আদর্শ বিদ্যামন্দিরে পড়াশোনা করা এই ছাত্রী এ বছর আইএএস পরীক্ষায় ৭৩ তম স্থান অর্জন করেছেন।

    ৫) জয়ন্ত আশিয়া, রাজস্থানের আদর্শ বিদ্যামন্দিরে পড়াশোনা করা ছাত্র জয়ন্ত এ বছর আইএএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

    ৬) অভিনব দ্বিবেদী, উত্তরপ্রদেশের মথুরা জেলার সরস্বতী বিদ্যামন্দিরে পড়াশোনা করা ছাত্র অভিনব চলতি বছরের আইএএস পরীক্ষায় ১৩৭ তম স্থান অধিকার করেছেন।

    ৭) প্রতীক্ষা প্রধান, ওড়িশার সরস্বতী শিশু বিদ্যামন্দিরে পড়াশোনা করা ছাত্রী প্রতীক্ষা চলতি বছরে ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষায় সফল হয়েছেন।

    ৮) যতীন পারাশার, মধ্যপ্রদেশের গুনা জেলার সরস্বতী শিশু মন্দিরে পড়াশোনা করা এই ছাত্র চলতি বছরে ইউপিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

    ৯) উর্বশী সেঙ্গর, মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র সরস্বতী শিশু মন্দিরে পড়াশোনা করা এই ছাত্রী চলতি বছরের ইউপিএসসি-তে সফল হয়েছেন।

    ১০) বিভোর ভরদ্বাজ, উত্তরপ্রদেশের ছাত্র বিভোর স্কুল জীবনে পড়তেন শিকারপুরের সরস্বতী  বিদ্যামন্দিরে। তিনিও সফল ইউপিএসসি পরীক্ষায়।

    ১১) হরিশ কুমার, রাজস্থানের ছাত্র হরিশ স্কুল জীবনে পড়তেন সুমেরপুর আদর্শ বিদ্যামন্দিরে। এবছর আইএএস পরীক্ষায় সফল হয়েছেন তিনি।

    ১২) অবিনাশ কুমার, বিহারের অবিনাশ স্কুল জীবনে শ্রীরানী সরস্বতী বিদ্যামন্দিরে পড়তেন। এ বছরে আইএএস পরীক্ষায় ১৭ তম স্থান অধিকার করেছেন তিনি।

    ১৩) হিমাংশু কুমার, উত্তরপ্রদেশের ছাত্র হিমাংশু স্কুল জীবনে পড়তেন চাঁদপুরের সরস্বতী বিদ্যামন্দিরে। চলতি বছরের ইউপিএসসি পরীক্ষায় সফল হয়েছেন তিনি।

    ১৪) রাকেশ মীনা, রাজস্থানের ছাত্র রাকেশ স্কুল জীবনে পড়তেন আদর্শ বিদ্যামন্দিরে। চলতি বছরে ইউপিএসসি-তে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICSE and ISC Result: আইসিএসইতে দেশে প্রথম স্থানাধিকারী ৯ জনের মধ্যে বাংলার সম্বিত মুখোপাধ্যায় 

    ICSE and ISC Result: আইসিএসইতে দেশে প্রথম স্থানাধিকারী ৯ জনের মধ্যে বাংলার সম্বিত মুখোপাধ্যায় 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার আইসিএসই এবং আইএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হল। জানা গিয়েছে, চলতি বছরে প্রায় আড়াই লাখ পরীক্ষার্থী কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এগজামিনেশন (সিআইএসসিই)-এর বোর্ডের (ICSE and ISC Result 2023) পরীক্ষা দিয়েছিল। প্রসঙ্গত, এই বোর্ডের মাধ্যমিক পরীক্ষার নাম আইসিএসই এবং উচ্চ মাধ্যমিকের নাম আইএসসি। আইসিএসইতে দেশে প্রথম স্থানাধিকারী ৯ জনের মধ্যে রয়েছে বাংলার সম্বিত মুখোপাধ্যায়। অন্যদিকে, আইএসসিতে দেশে প্রথম স্থানাধিকারী ৫ জনের মধ্যে বাংলার ২ জন। আইএসসি-তে প্রথম স্থানে কলকাতার মান্যা গুপ্তা৷ কলকাতার হেরিটেজ স্কুলের ছাত্রী মান্যার প্রাপ্ত নম্বর ৩৯৯, অর্থাৎ ৯৯.৭৫%৷ মান্যার সঙ্গেই একই নম্বর পেয়ে প্রথম স্থানে বাংলার আরও এক কৃতী ছাত্র শুভম আগরওয়াল৷ জলপাইগুড়ি জেলার ভক্তিনগরে সেন্ট জোসেফ স্কুলের ছাত্র শুভম৷ প্রসঙ্গত, শনিবারই কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এগজামিনেশন (সিআইএসসিই)-এর বোর্ডের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে রবিবার ফল প্রকাশ হবে।

    গোটা দেশের মধ্যে আইসিএসই-তে প্রথম বর্ধমানের সম্বিত

    আইসিএসই-তে শীর্ষস্থান দখল পূর্ব বর্ধমানের ছাত্র সম্বিত মুখোপাধ্যায়ের। তার বাড়ি বর্ধমান শহরের পার্কাস রোডে। বর্ধমান সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের প্রধানশিক্ষক (ফাদার) মারিয়া যোশেফ সাবিয়াপ্পন জানান, সম্বিত খুব মনোযোগী ছাত্র। পড়াশুনা ছাড়াও সে অন্যান্য  নানা কাজেও দক্ষ। ভাল অ্যাঙ্কারিং-ও করে। বোর্ডের পরীক্ষায় সে ৯৯.৮০ শতাংশ নম্বর পেয়েছে। সম্বিতের বাবা মনোজ মুখোপাধ্যায় মাধ্যমকে ফোনে বলেন, ‘‘বড় হয়ে সম্বিত কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। দেশের জন্য কিছু করাই তার লক্ষ্য।’’

    পাশের হার

    জানা গিয়েছে, চলতি বছরে আইএসসি পরীক্ষায় বসেছিল ৫১,৭৮১ জন ছাত্র এবং ৪৬,৭২৪ জন ছাত্রী। যেখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৮.০১% এবং ছেলেদের ৯৫.৯৬%। অন্যদিকে, আইসিএসই পরীক্ষায় এবছর বসেছিল ১,২৮,১৩১ জন ছাত্র এবং ১,০৯,৫০০ জন ছাত্রী। ছাত্রীদের পাশের হার ৯৯.২১% এবং ছাত্রদের পাশের হার ৯৮.৭১%।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBSE: সিবিএসই-এর দ্বাদশ শ্রেণির ফল প্রকাশিত! পাশের হার ৮৭ শতাংশের বেশি

    CBSE: সিবিএসই-এর দ্বাদশ শ্রেণির ফল প্রকাশিত! পাশের হার ৮৭ শতাংশের বেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন বা সিবিএসই-এর (CBSE) দ্বাদশ শ্রেণির ফল। বোর্ডে সূত্রে জানা গেছে এবারে পাশ করেছেন ৮৭.৩৩ শতাংশ। চলতি বছরে সিবিএসই (CBSE) কোন রকমের মেধাতালিকা প্রকাশ করেনি। ১ থেকে ১০ এর মধ্যে মেধাতালিকায় কতজন রয়েছেন সে বিষয়েও কিছু জানানো হয়নি। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস অবধি চলে সিবিএসই-এর দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা। জানা গেছে, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৬ লক্ষ ৯৬ হাজার ৭০ জন। পড়ুয়াদের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা যাতে তৈরি না হয় সে কারণেই সিবিএসই (CBSE) এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে কোনও রকমের মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে না। সিবিএসই-এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যে সমস্ত পড়ুয়ারা যেসমস্ত বিষয়ে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছেন সেই ০.১ শতাংশ পড়ুয়াকে মেধা শংসাপত্র দেওয়া হবে।

    ত্রিবান্দ্রমে পাশ করেছে ৯৯.৯১ শতাংশ… 

    সারা দেশের নিরিখে সিবিএসই-এর এই ফলাফলে সবথেকে বেশি সাফল্য অর্জন করেছে ত্রিবান্দ্রম। দেখা যাচ্ছে সেখানে পাশের হার ৯৯.৯১ শতাংশ আবার বেঙ্গালুরুতে পাশের হার দেখা যাচ্ছে ৯৮.৬৪ শতাংশ। ফলাফলে রয়েছে অন্য চমকও, দেখা যাচ্ছে ছাত্রীদের পাশের হার বেশি ছাত্রদের তুলনায়। ছাত্রীদের মধ্যে পাশের হার ৯০.৬৬ শতাংশ, অন্যদিকে ছাত্রদের পাশের হার ৮৪ শতাংশের কিছু বেশি।

    ট্যুইট কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রীর…

    ছাত্রছাত্রীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্যুইট করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। পাশাপাশি যাদের রেজাল্ট আশানুরূপ হয়নি তাদের কঠিন পরিশ্রমের পরামর্শও দিয়েছেন মন্ত্রী।

LinkedIn
Share