Category: গ্যাজেট

Get updated Gadget related news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Apple iPhone: উৎপাদনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে আইফোনের নকশাও হবে ভারতে! নয়া সংস্থা গড়ল অ্যাপল

    Apple iPhone: উৎপাদনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে আইফোনের নকশাও হবে ভারতে! নয়া সংস্থা গড়ল অ্যাপল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাপল (Apple iPhone) এখন ভারতে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে স্থানীয় ডিজাইন এবং পরিকাঠামোকে বৃদ্ধি করতে উদ্যোগী হচ্ছে। এতদিন পর্যন্ত এই কোম্পানির কোনও বিশেষ ডিজাইন কাঠামো ভারতে ছিল না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন এবং ইজরায়েলের মতো দেশেই এই ধরনের কাজ বেশি হত। এবার থেকে ভারতেও হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য ভারত এখন গত ২০২৩-২৪ অর্থ বর্ষে এই স্মার্টফোন উৎপাদনে (Manufacturing) বিশেষ গুরুত্ব রাখছে। ইতিমধ্যে দেশীয় বাজার এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় উৎপাদন বিশেষ প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। দেশে কেন্দ্রের মোদি সরকারও স্থানীয় পরিকাঠামো দিয়ে কোম্পানিগুলিকে ব্যাপক সহযোগিতা করছে। 

    মূল লক্ষ্য কী (Apple iPhone)?

    স্মার্টফোন নির্মাতা অ্যাপল (Apple iPhone) ভারতে তার উৎপাদন প্রসারিত করার জন্য কাজ শুরু করেছে। ভারতের দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারিং দ্বারা স্থানীয় চাহিদা এবং মূল্য সংযোজন করার লক্ষ্যই সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য। একই ভাবে অ্যাপল দেশের অভ্যন্তরে গবেষণা, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং উন্নত ডিজাইন পরিচালনার জন্য ভিত্তি তৈরির ভাবনা রেখেছে। অ্যাপেল ভারতে স্থায়ী বাজার নির্মাণের ভিত্তি স্থাপন করতে অত্যন্ত আগ্রহী। তবে উৎপাদনের জন্য অ্যাসেম্বলি অপারেশন এবং গ্রাহকদের জন্য অফিসিয়াল স্টোর একান্ত আবশ্যক। এই দুই ব্যবস্থা স্মার্টফোনের বাজারকে আরও গতি দেবে। আইফোন উৎপাদনের জন্য সরকারের পিএলআই প্রকল্পের অন্যতম সুবিধাভোগী হবেন গ্রাহকরা। চিন, আমেরিকা, ইজারেয়েলের মতো উৎপাদনকারী দেশে পরিণত হবে ভারতও।

    অ্যাপেল অপারেটিং ইন্ডিয়া স্থাপন হয়েছে

    অ্যাপল অপারেটিং ইন্ডিয়া (Apple Operations India) নামে একটি সম্পূর্ণ মালিকানাধীন সাবসিডিয়ারি সংস্থা ভারতে স্থাপন করেছে অ্যাপল। প্রকিওরমেন্ট ম্যানেজমেন্ট, ডেভেলপিং, ম্যানুফ্যাকচারিং সাপোর্ট এবং অন্যান্য বিভিন্ন কাজ এখানে হবে। সেই সঙ্গে প্রক্রিয়াকরণ, বিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি এবং ডিজাইন সম্পর্কিত ভাবনাগুলি ব্যবসায় জড়িত থাকবে কীভাবে তাও ঠিক করা হয়েছে। প্রযুক্তির ব্যবহার, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, আর অ্যান্ড ডি (গবেষণা ও  উৎপাদন) এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা, পরীক্ষা এবং বিশ্লেষণ সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয়ে ভারত সরকার অ্যাপলের মতো কোম্পানিগুলিকে উপযুক্ত কাজের পরিবেশ গড়ে দিয়েছে।

    একই ভাবে গবেষণা, উন্নয়ন এবং ডিজাইন অপারেশন্স পরিচালনার ক্ষেত্রে স্থানীয় উপকরণ ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি, বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর স্পেসগুলির জন্য ভারত একটি প্রধান ডিজাইন হাব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। তাই এখন থেকে বেশিরভাগ স্মার্টফোন (Apple iPhone) কোম্পানি এখনও ভারতেই ডিজাইন করে প্রস্তুত করতে পারবে। একই ভাবে দেশের মধ্যে যেমন উৎপাদন কারখানা হবে, তেমনি দেশে-বিদেশে রফতানি করতেও পারবে। আন্তর্জাতিক বিশ্বে স্মার্টফোনের বাজারে ভারতের গুরুত্ব বিশেষ ভাবে বৃদ্ধি পাবে।  

    গবেষণা ইকোসিস্টেমে একটি বৃহত্তর স্থান হবে

    কেন্দ্রীয় সরকার ইলেকট্রনিক্স সেক্টরে স্থানীয় মূল্য নির্ধারণে উৎপাদনের নকশা, গুণমান দেখে বিচার করে থাকে। অবশ্য কোম্পানিগুলি তাদের অ্যাসেম্বলি অপারেশনগুলিকে স্থানীয় কারখানা নিয়ে গিয়ে একটি পরিকাঠামো ইউনিট স্থাপন করে থাকে। একই ভাবে অ্যাপলও ভারতে উৎপাদন পরিকাঠামো স্থাপন এবং গবেষণা ইকোসিস্টেমের মধ্যে একটি বৃহত্তর স্থান তৈরি করতে সাহায্য করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ দেশের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন সঞ্জীব খান্না, জেনে নিন তাঁর ট্র্যাক রেকর্ড

    বিশ্বব্যাপী উৎপাদনের ১৪ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব করে ভারত

    এক সিনিয়র সরকারি কর্তা বলেছেন, “আমাদের দেশে ইঞ্জিনিয়ারদের একটি বড় জোগান রয়েছে। যার কারণে সমস্ত বড় কোম্পানি এখানে গবেষণা ও  উৎপাদন কাজ করতে আগ্রহী হয়। এখন আমরা স্মার্টফোন (Apple iPhone) সেক্টরের ক্ষেত্রেও অনুরূপ উন্নয়ন আশা প্রকাশ করতেই পারি।” এটি আইফোনের জন্য ভারতে একটি উল্লেখযোগ্য উৎপাদন ভিত্তি তৈরি করেছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩-২৪ অনুসারে, ২০২৪ অর্থবছরে ভারত ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের আইফোন (iPhones) অ্যাসেম্বলিংয়ের কাজ করেছিল। অ্যাপলের বিশ্বব্যাপী ডিভাইসের উৎপাদনের ১৪ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব করে। এখন ভারতে অ্যাপলের প্রোডাক্টের প্রস্তুতকারক সংস্থা ফক্সকন যে ফোনগুলি তৈরি করছে তা দেশেও বিক্রি হচ্ছে এবং রফতানিও হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Foxconn: চিনের উপর আর নির্ভর নয়, ভারতেই স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলের প্রস্তুতি নিচ্ছে ফক্সকন

    Foxconn: চিনের উপর আর নির্ভর নয়, ভারতেই স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলের প্রস্তুতি নিচ্ছে ফক্সকন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের স্মার্টফোন কোম্পানিগুলির একচেটিয়া আধিপত্য দূর করতে উঠে পড়ে লেগেছে ভারত। মোদি সরকারের মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের উপর ভর করে ক্রমশ এগিয়ে চলেছে দেশ। বহু দেশ-বিদেশি সংস্থা ভারতে বিনিয়োগ করছে। এবার ফক্সকন তামিলনাড়ুতে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করার কথা ভাবছে। এই টাকা কাজে লাগিয়ে তারা একটি স্মার্টফোন ডিসপ্লে মডিউল অ্যাসেম্বলি প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই প্ল্যান্ট তৈরি হলে ভারত চিনের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে, এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

     বিশেষজ্ঞদের মত

    সম্প্রতি, বিখ্যাত বই চিপ ওয়ার-এর লেখক ক্রিস মিলার জানান, ভারতীয় কোম্পানিগুলি খুব সহজে চিনকে হারাতে পারবে। যার জন্য একটি সঠিক কৌশল থাকতে হবে। ক্রিস মিলারের কথায়, ভারত ইলেকট্রিক গাড়ি ও চিকিৎসা প্রযুক্তি খাতে যা করে দেখিয়েছে তার সঙ্গে অন্য কেউ লড়াই করতে পারবে না। তবে এ কথা ঠিক চিনের স্মার্টফোন কোম্পানিগুলোর একচেটিয়া আধিপত্য রয়েছে। তবে এর মানে এই নয় যে, ভারত তার জবাব দিতে পারবে না।

    মেক ইন ইন্ডিয়ার সুফল

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্প আসার পরই নানা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভারতে অ্যাসেম্বেল করা শুরু করেছে। আইফোন, স্যামসাংয়ের মতো জনপ্রিয় কোম্পানি দেশে স্মার্টফোন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় কোম্পানিগুলিও ধীরে ধীরে বাজারে জমি শক্ত করতে শুরু করেছে। রিপোর্ট বলছে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্মার্টফোন হাব হতে চলেছে ভারত। গত বছর,২০২৩ সালে ২৪৫ কোটি স্মার্টফোন তৈরি হয়েছে ভারতে। যার মধ্যে রয়েছে একাধিক বড় নাম যেমন অ্যাপল, শাওমি, ওপো এবং ভিভো। ২০২৩ সালে স্মার্টফোন তৈরি করে ৪.১ লক্ষ কোটি টাকা আয় করেছে সরকার। যা ২০১৪-১৫ সালে ছিল ১৮ হাজার,৯০০ কোটি টাকা। 

    চিন নির্ভরতা কমানো লক্ষ্য

    স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে চিন নির্ভরতা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন সংস্থা অ্যাপল। তাই ভারতই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য স্থান তাদের কাছে। পাশাপাশি স্যামসাংও ভারতকে প্রাধান্য দিতে শুরু করেছে। দুই কোম্পানির ক্ষেত্রেই একটি বড় বাজার ভারত। স্মার্টফোনের পাশাপাশি আরও একাধিক ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস বিক্রি করে তারা। যার মধ্যে স্যামসাং এগিয়ে রয়েছে। আগামীদিনে অ্যাপল এবং স্যামসাং হাই-এন্ড মেক ইন ইন্ডিয়া স্মার্টফোন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতিমধ্যে ভারতে আইফোন তৈরি করা শুরু করেছে অ্যাপল। ভারতীয় কোম্পানি টাটা গ্রূপের সঙ্গে একটি চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে অ্যাপল।

    আরও পড়ুন: ‘‘রাম রাজ্যের পথে এগোচ্ছে দেশ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোদি’’, বললেন ধনখড়

    ফক্সকনের বিনিয়োগ

    আমেরিকার প্রযুক্তি সংস্থা অ্যাপলের থেকে বরাত নিয়ে পণ্য তৈরি করে তাইওয়ানের ফক্সকন। তামিলনাড়ুর কারখানাটি ভারতে তাদের বৃহত্তম উৎপাদন কেন্দ্র। এখানেই তারা স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলের কথা ভাবছে। ফক্সকনকে সাহায্য করবে পেগাট্রন এবং টাটা ইলেকট্রনিক্স। কবে থেকে ফক্সকন ভারতে স্মার্টফোন অ্যাসেম্বল বৃদ্ধি করবে তা সঠিকভাবে এখনও বলা না গেলেও কোম্পানিটি “যত তাড়াতাড়ি সম্ভব” কাজ শুরু করবে। ফক্সকন অরগাডাম ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড লজিস্টিক্স পার্কে প্রায় ৫০০,০০০ বর্গফুট স্থান বেছে নিয়েছে। এখানেই তারা স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলি ইউনিট খোলার কথা ভাবছে। ফক্সকন ভারতে স্মার্টফোন উৎপাদনের উপস্থিতি বিস্তৃত করতে এবং আইসিটি, বৈদ্যুতিক যানবাহন, ব্যাটারি এবং সেমিকন্ডাক্টরের মতো অন্যান্য খাতেও বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত। 

    দৌড়চ্ছে ভারত

    ভারতে ডিসপ্লে মডিউলগুলির স্থানীয় অ্যাসেম্বলি করা গুরুত্বপূর্ণ। এখনও এই উপাদানগুলির জন্য ব্যাপকভাবে আমদানির উপর নির্ভরশীল ভারত। যা দেশের খরচ বাড়ায় এবং সরবরাহ চেনে জটিলতা সৃষ্টি করে। প্রায় ৬০-৬৫ শতাংশ ডিসপ্লে মডিউল চিন থেকে আমদানি করা হয়, দক্ষিণ কোরিয়া দ্বিতীয় বৃহত্তম সরবরাহকারী হিসাবে কাজ করে। সেখান থেকে ২০-২৫ শতাংশ নিয়ে আসা হয়। ভারতে যদি স্থানীয়ভাবে স্মার্টফোনগুলি অ্যাসেম্বল করা যায়, তাহলে খরচ কমবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Apple iPhone 16: ভারতে লঞ্চ হল অ্যাপলের আইফোন ১৬, দাম শুরু ৭৯ হাজার টাকা থেকে

    Apple iPhone 16: ভারতে লঞ্চ হল অ্যাপলের আইফোন ১৬, দাম শুরু ৭৯ হাজার টাকা থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা বিশ্বের সঙ্গে ভারতের বাজারেও অ্যাপল লঞ্চ করল আইফোন ১৬ সিরিজ (Apple iPhone 16)। সোমবার রাতে আইফোন প্রস্তুত কারক সংস্থা অ্যাপল আইফোন ১৬ সিরিজ, আইফোন ১৬ প্লাস সিরিজ এবং আইফোন ১৬ প্রো সিরিজ লঞ্চ করেছে। আইফোন ১৬-এ অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ভাইব্রেন্ট কালার, ২০০০ নিটস ব্রাইটনেসের একটি ডিসপ্লে রয়েছে। এছাড়া রয়েছে ৬.১ ইঞ্চি ডিসপ্লে এবং আইফোন ১৬ প্লাস-এ (Apple iPhone 16) রয়েছে ৬.৭ ইঞ্চি ডিসপ্লে। এতে ক্যামেরা কন্ট্রোলও পাওয়া যাচ্ছে। এটি এক ধরনের নতুন বাটন যা পাওয়ার বাটনের ঠিক নিচে দেওয়া আছে।

    ভারতে দাম (Apple iPhone 16)

    ভারতে আইফোন ১৬-এর দাম ৭৯,০০০ টাকা এবং আইফোন ১৬ প্লাস-এর দাম ৮৯,৯০০ টাকা বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, আইফোন ১৬ প্রো মডেলের দাম শুরু হচ্ছে ১,১৯,৯০০ টাকা থেকে। সবচেয়ে দামি ফোন হল আইফোন ১৬ প্রো ম্যাক্স, যার দাম ১,৪৪,৯০০ টাকা। প্রসঙ্গত, এই মডেলগুলি বুক করা যাবে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে। সেদিন থেকে প্রি-অর্ডার করতে পারবেন। বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে বুক করা যাবে। এই ফোনটি ২০ সেপ্টেম্বর থেকে বিক্রি শুরু হবে। প্রসঙ্গত, গত বছরই আইফোন ১৫ এবং ১৫ প্রো সিরিজ গত বছর লঞ্চ করা হয়েছিল। আইফোন ১৬ সিরিজে ডিজাইন থেকে শুরু করে ক্যামেরা সেন্সর এবং চিপসেটেও পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়া ব্যবহার করা হয়েছে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সও। নতুন মডেলে (Apple iPhone) রয়েছে এ১৮ চিপসেট। একইসঙ্গে আইওএস-১৮ আছে নতুন সিরিজে ৷

    ক্যামেরার বৈশিষ্ট্য (Apple iPhone 16)

    আইফোন ১৬-র ক্যামেরা সেন্সরগুলি আইফোন ১৫-র তুলনায় অনেকটাই অত্যাধুনিক। আপগ্রেড ক্যামেরা (Apple iPhone) সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে নতুন মডেলে। আইফোন ১৬-র স্ট্যান্ডার্ড ভেরিয়েন্টে একটি নতুন ৪৮ মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স পাওয়া যাবে। এর পাশাপাশি কম আলোর সেন্সরও উন্নত করা হয়েছে। আইফোন ১৬ সিরিজের ক্যামেরায় ডিএসএলআর স্টাইল শাটার বাটন ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও, একটি ১২ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা ওয়াইড ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে, যা ২এক্স টেলিফটো লেন্সের সঙ্গে আনা হয়েছে। এতে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি সাপোর্ট করে। এর সাহায্যে ৬০ এফপিএস রেটে ৪কে ভিডিও শ্যুট করা সম্ভব হবে।

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • iPhone 16 Launch: পুজোর আগেই বাজারে আসছে আই ফোন ১৬, কী কী থাকছে নয়া ফোনে?

    iPhone 16 Launch: পুজোর আগেই বাজারে আসছে আই ফোন ১৬, কী কী থাকছে নয়া ফোনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই সেপ্টেম্বরে বাজারে আসতে চলেছে আইফোনের ১৬ সিরিজ (iPhone 16 Launch)। আইফোনের বাকি সিরিজগুলির মতোই আইফোন ১৬, আইফোন ১৬ প্লাস, আইফোন ১৬ প্রো এবং আইফোন প্রো ম্যাক্স এই চারটি মডেল থাকবে নতুন সিরিজে। সঙ্গে থাকবে আরও উন্নত মানের এবং নতুন সুবিধা-যুক্ত আইপড এবং অ্যাপল ওয়াচও।

    নয়া ফোনে সুবিধা

    সূত্রের খবর নতুন আইফোন ১৬ সিরিজের (iPhone 16 Launch) প্রতিটি মডেলের ডিসপ্লে পুরনো মডেলর তুলনায় বড়ই হবে। প্রো মডেলের ডিসপ্লের আকার বেড়ে হচ্ছে যথাক্রমে ৬.৩ ইঞ্চি এবং ৬.৯ ইঞ্চি। তবে ফোনের আকার একই থাকবে। আসলে ডিসপ্লের বেজেল আরও পাতলা করা হয়েছে নতুন এই সিরিজ। তবে নন প্রো মডেল ১৬, ১৬ প্লাসের ক্ষেত্রে আকার বা বেজেলে কোনও পরিবর্তন হয়নি। নন প্রো মডেল দুটিতে ডিসপ্লের রিফ্রেশ রেট থাকতে পারে ৬০ হার্ৎজ। ক্যামেরার লেন্সে আবার পরিবর্তন এসেছে। নতুন সিরিজের ক্যামেরা সজ্জায় অ্যাপেল ফিরিয়ে আনতে চলেছে পাঁচ বছর আগের আইফোনের ক্যামেরার ধাঁচ। অর্থাৎ লেন্স দুটো থাকবে লম্বালম্বি ভাবে। যে লেন্সের একটা ৪৮ মেগাপিক্সেলের মেন সেন্সর অন্যটা ১২ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রাওয়াইড লেন্স।

    আরও পড়ুন: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদ, আগামী কর্মসূচি ঘোষণা শুভেন্দুর, পুজোয় বিশেষ ‘ডিউটি’

    ব্যাটারি পরিষেবা

    আইফোনের নতুন এই সিরিজে (iPhone 16 Launch) ব্যাটারি পরিষেবা আরও ভাল হবে বলেই আশা বিশেষজ্ঞদের। চারটি মডেলেই থাকতে পারে ‘ক্যাপচার’ বোতাম। ‘ক্যাপচার’ বোতাম ফোনের মূল ডিসপ্লের কোনও এক কোণে থাকে। ফোনের লক না খুলে সরাসরি ‘ক্যাপচার’ বাটনে ক্লিক করলেই ক্যামেরা অন হয়ে যাবে। প্রতি বারের মতোই এ বারও আপগ্রেড হচ্ছে প্রসেসর। আইফোন ১৬ আর ১৬ প্লাসে থাকবে বায়োনিক এ১৮ চিপ আর ১৬ প্রো, ১৬ প্রো ম্যাক্সে বায়োনিক এ ১৮ প্রো৷ চারটি মোবাইলেই থাকবে অ্যাপেল ইন্টেলিজেন্স।

    কত দাম হবে

    আইফোন ১৬ সিরিজের (iPhone 16 Launch) দাম কত হতে চলেছে সে সম্পর্কে অ্যাপল সংস্থার তরফে এখনও অবধি কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু আইফোন প্রেমীদের সমীক্ষা বলছে, নতুন এই সিরিজের বেস মডেলের দাম ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু হতে পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • iPhone 16 Pro: চিনের বাইরে প্রথম! এবার ভারতেও উৎপাদন হবে আইফোনের প্রো মডেল

    iPhone 16 Pro: চিনের বাইরে প্রথম! এবার ভারতেও উৎপাদন হবে আইফোনের প্রো মডেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ (Made in India) প্রকল্পের বড় জয়। শীঘ্রই ভারতে শুরু হতে চলেছে আইফোনের প্রো মডেলের ফোনের উৎপাদন। এই প্রথমবার, আইফোনের যে কোনও প্রো মডেলের উৎপাদন চিনের বাইরে শুরু করতে চলেছে অ্যাপল। আর তা হতে চলেছে ভারতে। জানা গিয়েছে, প্রথমে আইফোন ১৬ প্রো (iPhone 16 Pro) সিরিজের ফোনগুলি উৎপাদন হবে। ভবিষ্যতে, আইফোন ১৭ প্রো সিরিজের ফোনগুলি শুধুমাত্র ভারতেই উৎপাদিত হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংস্থাটি।এর ফলে, মোবাইল উৎপাদনে ভারত আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন চিনের একাধিপত্যে বিরাট বিরাট ধাক্কা দিল ভারত। সেইসঙ্গে, ভারতীয় বাজারে কোম্পানির প্রভাবকে বিশেষভাবে প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

    অ্যাপলের গ্লোবাল প্রোডাকশন ভারতে (iPhone 16 Pro models)

    জিএসএম (GSM) এরিনার একটি রিপোর্ট অনুসারে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী আত্মপ্রকাশের পরপরই ভারতে আইফোন ১৬ প্রো (iPhone 16 Pro models) এবং আইফোন ১৬ প্রো ম্যাক্স (iPhone 16 Pro Max) এর উৎপাদন শুরু করতে চলেছে ফক্সকন (Foxconn India)৷ এতদিন পর্যন্ত, শুধুমাত্র চিনেই এই উৎপাদন গত ৭ বছর ধরে সীমাবদ্ধ ছিল। এবার ভারতে উৎপাদন করে ম্যানুফাকচারিং বেসের গণ্ডি বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছে অ্যাপল। চলতি বছরের মার্চ মাসের হিসেব অনুযায়ী, অ্যাপলের মোট আইফোন উৎপাদনের প্রায় ১৪ শতাংশ তৈরি হয়েছিল ভারতে। আগামী বছরের মার্চে এই সংখ্যা বেড়ে বছরে ২৫ শতাংশ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরসঙ্গে, আইফোন ১৬ প্রো-র (iPhone 16 Pro) সিরিজ যুক্ত হলে, এই পরিসংখ্যান আরও বৃদ্ধিপাবে। 

    আরও পড়ুনঃ রাজ্যসভা উপনির্বাচন, ৯ আসনে প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    বৃহত্তর শিল্প ও কর্মসংস্থান তৈরি হবে

    ভারতে (Made in India) অ্যাপলের (Apple) আইফোন (iPhone 16 Pro models) উৎপাদনের বিষয়টি দেশের বৃহত্তর শিল্প প্রবণতাকে আরও সুনিশ্চিত করবে। আবার একই সঙ্গে ভূ-রাজনীতির অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ কোম্পানিগুলি উৎপাদনের জন্য একক ভাবে কোনও দেশের উপর খুব বেশি নির্ভর করার ঝুঁকি কমিয়ে দেবে। ভারতে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনায় অ্যাপল দেশের ক্রমবর্ধমান বাজার সম্ভাবনাকে পুঁজি করে আরও শক্তিশালী হতে চাইবে। ফলে ভারতে এই আইফোন উৎপাদন সম্প্রসারণের ফলে শুধু অ্যাপলেরই নয়, দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিগত বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিরও উপকার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • WhatsApp: হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসকে ফেসবুক স্টোরিতে শেয়ার করতে চান? জেনে নিন উপায়

    WhatsApp: হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসকে ফেসবুক স্টোরিতে শেয়ার করতে চান? জেনে নিন উপায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ব্যবহারকারীরা ব্যবহার করে থাকেন। ব্যবহারকারীদের চ্যাট এবং স্ট্যাটাস আপডেটের মাধ্যমে বন্ধুদের সাথে আরও ভালোভাবে সংযুক্ত হতে, অ্যাপটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নানা ফিচারের পরিবর্তন করে থাকে। এর ফলে একাধিক বৈশিষ্ট্য যুক্ত হয়ে যায়। বর্তমান সময়ে হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস বৈশিষ্ট্যটি খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, যা ব্যবহারকারীদের ছোট ভিডিও, ভয়েস নোট, ছবি এবং আরও অনেক কিছু পোস্ট করতে সাহায্য করে। এবার থেকে ব্যবহারকারীরা তাঁদের হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস ফেসবুক (Facebook) স্টোরিতে শেয়ার করতে পারবেন। ফলে হোয়াটসঅ্যাপ পরিচিতির বাইরের শ্রোতাদের কাছে বার্তা পৌঁছে যাবে খুব সহজেই।

    করার ধাপ (WhatsApp)

    আপনার হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) স্ট্যাটাসকে ফেসবুক (Facebook) স্টোরি হিসাবে বিনিময় করতে চাহিলে নিচের কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করুন—

    প্রথম ধাপ: আপনার হোয়াটসঅ্যাপ খুলুন এবং আপনি শেয়ার করতে চান এমন একটি ফটো, ভিডিও বা পাঠ্য সহ আপনার স্ট্যাটাস আপডেট করুন।

    দ্বিতীয় ধাপ: আপনার স্ট্যাটাস আপডেট করার পরে, স্ট্যাটাস বিভাগে তিনটি বিন্দুতে ক্লিক করুন এবং এটিকে ফেসবুক স্টোরি করার বিকল্পটি খুঁজুন।

    তৃতীয় ধাপ: স্টিকার, টেক্সট বা অঙ্কন দিয়ে আপনার স্ট্যাটাসকে আরও আকর্ষণীয় করতে কাস্টমাইজ করুন।

    চতুর্থ ধাপ: আপনার সমস্ত বন্ধু বা নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে দৃশ্যমান একটি ফেসবুক স্টোরি হিসেবে এটি ভাগ করতে বেছে নিন।

    পঞ্চম ধাপ: ফেসবুক স্টোরি হিসেবে পোস্ট করার আগে আপনার কাস্টমাইজড স্ট্যাটাস ঠিক করুন এবং নিশ্চিত করুন।

    আরও পড়ুনঃ হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত হতে লাগবে না কোনও ফোন নম্বর, শীঘ্রই আসছে নতুন ফিচার

    সম্প্রতি এসেছে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

    এদিকে, গত জুন মাসে, হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) তার চ্যানেল ফিচার চালু করেছে, যা এখন বিশ্বব্যাপী উপলব্ধ। চ্যানেল বৈশিষ্ট্যটি সম্প্রচারিত বার্তাগুলির মাধ্যমে এক থেকে একাধিক যোগাযোগের সুবিধা দেয়। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলের মালিক হিসেবে, আপনার চ্যানেল পরিচালনা করতে সাহায্য করার জন্য ১৬ জন অতিরিক্ত অ্যাডমিনকে আমন্ত্রণ করতে পাবেন। ইমোজির ধরন সহ চ্যানেলের নাম, আইকন, বিবরণ এবং সেটিংস পরিবর্তন করার ক্ষমতা অ্যাডমিনদের থাকে। অ্যাডমিনদের দ্বারা করা যেকোনও আপডেট অবিলম্বে শেয়ার করা যায় এবং চ্যানেল মালিকের কাছ থেকে অনুমোদনেরও প্রয়োজন হয় না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Make in India: মেক ইন ইন্ডিয়ায় সাড়া, ভারতেই আইপ্যাড তৈরি করবে ফক্সকন

    Make in India: মেক ইন ইন্ডিয়ায় সাড়া, ভারতেই আইপ্যাড তৈরি করবে ফক্সকন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) প্রকল্পের প্রসার ঘটছে প্রতিদিন। এবার ভারতে উৎপাদন বাড়াতে চলেছে ফক্সকন। অ্যাপলের সাপ্লায়ার এই সংস্থা কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে ইতিমধ্যেই এই বিষয় নিয়ে কথা বলেছে। সূত্রের খবর, তামিলনাড়ুর শ্রীপেরুম্বুদুরে তাঁদের কারখানায় অ্যাপলের জনপ্রিয় ট্যাবলেট, আইপ্যাড তৈরি করা হতে পারে। ফক্সকন (Foxconn) দেশে শুধু আইফোন তৈরি করে এবার তারা আইপ্যাড তৈরিতে হাত লাগাবে বলে খবর।

    দক্ষিণে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে ফক্সকন

    ধীরে ধীরে দক্ষিণ ভারতে উৎপাদন ইউনিট বাড়িয়ে নিতে দেখা যাচ্ছে ফক্সকনকে (Foxconn)। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ফক্সকন দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে উৎপাদন সংক্রান্ত ইউনিটে বিনিয়োগের পরিমাণও বাড়িয়েছে। শোনা যাচ্ছে, চেন্নাইয়ে শ্রীপেরাম্বুদুরে ফক্সকন যে ইউনিট খুলতে চলেছে, সেই বিষয়ে তামিলনাড়ু সরকারের সঙ্গে সংস্থার কথা চলছে। রিপোর্টে বলা হচ্ছে, ‘এখন পর্যন্ত তাদের অভিজ্ঞতা খুবই ভালো, এবং তারা পূর্ণ শক্তি নিয়ে আসছে। তারা আগামী কয়েক বছরে তাদের যা আছে তা দ্বিগুণ করবে, যার মধ্যে আইফোন, আইপ্যাড এবং অন্যান্য কিছু পণ্যও রয়েছে।’ সূত্রের খবর, ২০২৫ সালের শেষভাগ থেকে ভারতে আইপ্যাড তৈরি শুরু হতে পারে। এতে ফক্সকন আইটি হার্ডওয়্যারের জন্য ভারতের উৎপাদন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (পিএলআই) স্কিমের সুবিধা পাবে, যার মধ্যে ট্যাবলেটও রয়েছে।

    আরও পড়ুন: কেরল থেকে সাইকেলে প্যারিস! ৩০টি দেশ ঘুরে অলিম্পিক্সের আসরে নীরজ-ভক্ত

    চিনের বাইরে কাজ

    চিনের বাইরে আরও বেশি পণ্য উৎপাদনের প্রসার ঘটাতে চাইছে অ্যাপল। সেক্ষেত্রে ভারত অ্যাসেম্বলড পণ্যের নিরিখে বড় নাম। গত বছরই আইপ্যাডের একটি অংশ তৈরির জন্য অ্যাপল তার একটি অংশ ভিয়েৎনামে নিয়ে গিয়েছে। এছাড়াও এয়ারপড ওয়্যারলেস চার্জিং কেস প্রভৃতির উৎপাদন ভারতে আরও বাড়াতে চাইছে অ্যাপল। ভারতে (Make in India) এই ধরনের জিনিস বেশি করে উৎপাদিত হলে তা চিনের অর্থনীতিকে ধাক্কা দেবে বলাই যায়। এক্ষেত্রে ফক্সকনের (Foxconn) নয়া প্রয়াস খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • AI: জাপানের ৪০ শতাংশের বেশি সংস্থা এআই ব্যবহার করতে চায় না, কারণ কী জানেন?

    AI: জাপানের ৪০ শতাংশের বেশি সংস্থা এআই ব্যবহার করতে চায় না, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশটা প্রযুক্তি নির্ভর। অথচ নয়া প্রযুক্তিকে আলিঙ্গন করতে তাদের বড্ড অনীহা! এই দেশটির ৪০ শতাংশের বেশি কোম্পানি (Japanese Companies) এখনই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সংক্ষেপে এআই (AI) ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে না। আজ্ঞে, হ্যাঁ, শুনতে যেমন তেমন হলেও, এটাই ঘোর বাস্তব। অন্তত, সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য। এআই হল একটি কম্পিউটার বা কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবটের কাজ করার ক্ষমতা যা সাধারণত মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত। ওই সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে, জাপানের বহু সংস্থা এআই ব্যবহার করলেও, ৪০ শতাংশের বেশি কোম্পানি এখনই এআই ব্যবহার করতে রাজি নয়।

    সমীক্ষা রয়টার্সের (AI)

    সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের হয়ে সমীক্ষাটি করেছিল নিইকি রিসার্চ। জুলাইয়ের ৩ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে উদীয়মান সূর্যের দেশের ৫০৬টি কোম্পানির কাছে একগুচ্ছ প্রশ্ন রেখেছিলেন সমীক্ষকরা। উত্তর দিয়েছেন ২৫০ কোম্পানির কর্ণধাররা। নাম প্রকাশ করা হবে না এই শর্তেই তাঁরা জবাব দিয়েছেন সমীক্ষকদের নানা প্রশ্নের। তার ভিত্তিতেই তৈরি হয়েছে রিপোর্ট।

    কী বলছেন উত্তরদাতারা?

    জানা গিয়েছে, ২৪ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তাঁরা ইতিমধ্যেই তাঁদের ব্যবসায় এআই (AI) ব্যবহার করছেন। এআই ব্যবহার করার কথা ভাবছেন ৩৫ শতাংশ উত্তরদাতা। বাকি ৪১ শতাংশের এই জাতীয় কোনও পরিকল্পনাই নেই। যে দেশটা কর্পোরেট কালচারে অভ্যস্ত, সেখানেই কিনা উন্নত প্রযুক্তিকে সাদরে গ্রহণ করতে গিয়ে বস্তুত নাক সিঁটকোচ্ছেন কোম্পানির কর্ণধারদের একটা অংশ।

    আরও পড়ুন: দেশে বিপুল চাহিদা কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমের, ৫ বছরে বৃদ্ধি কত হবে জানেন?

    এআই ব্যবহার করার উদ্দেশ্য কী? প্রশ্নের উত্তরে উত্তরদাতাদের ৬০ শতাংশ জানিয়েছেন, তাঁরা শ্রমিকের ঘাটতি মোকাবিলা করার চেষ্টা করছেন। ৫৩ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তাঁদের লক্ষ্য শ্রমব্যয় কমানো। ৩৬ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তাঁরা এআই ব্যবহার করছেন গবেষণা এবং উন্নয়নের স্বার্থে।

    এআই ব্যবহার করছেন, এমন অনেকে আবার ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়েছেন। ১৫ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, গত বছর তাঁরা সাইবার হামলার শিকার হয়েছিলেন। ৯ শতাংশ উত্তরদাতা আবার জানিয়েছেন, তাঁদের ব্যবসায়িক অংশীদাররাও সাইবার হামলার শিকার হয়েছেন (Japanese Companies)। ৪ শতাংশ উত্তরদাতা আবার জানিয়েছেন, তাঁদের তথ্য ফাঁস হয়ে যাচ্ছে (AI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Google: ভ্রমণ হবে আরও সহজ, গুগল ম্যাপ আনল ৬ নতুন ফিচার, কী কী যুক্ত হল?

    Google: ভ্রমণ হবে আরও সহজ, গুগল ম্যাপ আনল ৬ নতুন ফিচার, কী কী যুক্ত হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নিয়ে  গুগল (Google) তাদের সমস্ত পরিষেবাকে আরও উন্নত করতে শুরু করেছে, এর মধ্যে অন্যতম গুগল ম্যাপ (Google Map)। অচেনা পথ চলতে লোকজনকে জিজ্ঞেস না করেও গন্তব্যে এখন পৌঁছানো যায়। সঙ্গী হিসেবে আপনার সঙ্গে থাকেন গুগল ম্যাপ। এবার এআইয়ের সাহায্যে গুগল ম্যাপ হয়ে উঠবে আপনার আরও কাছের বন্ধু। সহজ হবে ভ্রমণ। ইতিমধ্যে নতুন ৬টি ফিচার প্রকাশ করেছে গুগল। যা ম্যাপকে আরও নিখুঁত করেছে। ফলে পথ চলা আরও সহজ হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    এক নজরে দেখে নেব কোন ফিচারগুলি আনল গুগল  (Google) ম্যাপ

    চারচাকার জন্য নেভিগেশন

    সরু রাস্তায় গাড়ি নিয়ে যাওয়া সব সময়ই কঠিন। এবার গুগল এরজন্য নিয়ে এসেছে (Google) ন্যারো রোডস ফিচার। এর সাহায্যে সরু রাস্তাকে এড়িয়ে যেতে পারবেন চালকরা। দুটি বিল্ডিং-এর মধ্যে দূরত্বও দেখাবে এই ফিচার। প্রাথমিকভাবে আটটি শহরে চালু হবে এই ফিচার। এগুলি হল, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, কোয়েম্বাটুর, ইন্দোর, ভোপাল, ভুবনেশ্বর এবং গুয়াহাটি।

    ফ্লাইওভার অ্যালার্টস

    অনেক সময়ই পথে চলতে চলতে ফ্লাইওভার নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়। বিশেষত, অপরিচিত কোনও জায়গায়। এবার সেই সংশয় দূর করতে গুগলম্যাপ নিয়ে এল নয়া ফিচার। সামনে ফ্লাইওভার থাকলে এবার তাও চালকদের জানিয়ে দেবে অ্যাপ  (Google)। চারচাকা হোক বা দুচাকা, সকলের জন্যই থাকবে অ্যালার্ট। দেশের ৪০টি শহরে কাজ করবে এই ফিচার।

    ইভি চার্জিং স্টেশন

    ইলেকট্রিক ভেহিকলের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে এদেশে। কিন্তু ইভি চার্জিং স্টেশন খুঁজে পেতে অনেক সময় সমস্যা হয়। এবার গুগল ম্যাপ নিকটবর্তী স্টেশন খুঁজে দেবে। এনিয়ে গুগলের  (Google) সঙ্গে চুক্তিও হয়েছে ElectricPe, Ather, Kazam এবং Statiq-এর মতো ইভি সংস্থাগুলির সঙ্গে।

    মেট্রো টিকিট বুকিং

    দেশের বিভিন্ন শহরে এই পরিষেবা আনছে গুগল ম্যাপ (Google Map)। কোচি ও চেন্নাইয়ে তা শুরু হয়ে গিয়েছে এরই মধ্যে। অ্যাপের সাহায্যে সরাসরি মেট্রোর টিকিটও কেটে নিতে পারবেন যাত্রীরা। ফলে গাড়ি থেকে নেমে মেট্রো ধরতে হলে চিন্তা নেই।

    ট্র্যাফিকে গোলমালের অ্যালার্ট

    ট্র্যাফিকে গোলমাল হোক কিংবা কোনও নির্মাণকাজের গোলমাল, পথে কোনও সমস্যা থাকলে এবার তাও জানিয়ে দেবে গুগল ম্যাপ অ্যাপ।

    পপুলার স্পট

    বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও খেতে যাবেন বা ঘুরতে? সব খোঁজ দেবে গুগল ম্যাপ (Google Map)। নিজের প্রিয় স্পট অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করার সুযোগও থাকছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Electric Car: দেশ ছেয়ে যাবে ইলেকট্রিক গাড়িতে! প্রয়োজন ১২০০ কোটি, বললেন বিজ্ঞানী

    Electric Car: দেশ ছেয়ে যাবে ইলেকট্রিক গাড়িতে! প্রয়োজন ১২০০ কোটি, বললেন বিজ্ঞানী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দূষণ এবং তেল আমদানির খরচ কমাতে দ্রুত দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির (Electric Car) ব্যবহার বাড়াতে চাইছে কেন্দ্র। গাড়ি শিল্পের একাংশের আশা, ২০৩০ সালের মধ্যে দুই, তিন ও চার চাকার যাত্রিবাহী বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারও উল্লেখযোগ্য জায়গায় পৌঁছবে। ২০৩০ সালে মোট গাড়ির ৩০% হবে বৈদ্যুতিক এমনই অনুমান বিশেষজ্ঞদের। এরই মধ্যে ভারত সরকারের প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা অধ্যাপক অজয় ​​কুমার সুদ জানান, খুব শীঘ্রই পেট্রোল এবং ডিজেলে চলমান গাড়িগুলি হারিয়ে যাবে। তাঁর কথায়, ভারত সরকার যদি বৈদ্যুতিন গাড়ি রাস্তায় নামানোর জন্য ১২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে তাহলে পাঁচ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে, দেশে ইলেকট্রিক গাড়ি ছেয়ে যাবে।

    বিশেষজ্ঞের মত (Electric Car) 

    অধ্যাপক সুদ জানান, খুব শীঘ্রই ভারতে বৈদ্যুতিন যানবাহনগুলি পছন্দের মাধ্যম হয়ে উঠবে। সুদ বলেন, “২০২৪ সালের প্রথমার্ধে, ভারতে প্রায় ৯ লক্ষ বৈদ্যুতিক যানবাহন (Electric Car) বিক্রি হয়েছিল, কিন্তু ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৩০ শতাংশে চলে যাবে।” বৈদ্যুতিক যানবাহন সাশ্রয়ী এবং জনপ্রিয় হয়ে উঠবে, বলে আশা সুদের। তবে এর জন্য প্রয়োজন চারটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে গবেষণা চালিয়ে যাওয়া। বৈদ্যুতিক যানের জন্য  ব্যাটারি প্রযুক্তিতে অগ্রগতির প্রয়োজন রয়েছে। অধ্যাপক সুদ বলেন, “সোডিয়াম-আয়ন ব্যাটারি এবং অ্যালুমিনিয়াম-আয়ন ব্যাটারির উপর গবেষণা আশার সঞ্চার করেছে।” সস্তা, হালকা, নিরাপদ এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি তৈরি করাই ইলেকট্রিক যানের আসল চাবিকাঠি।

    আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুলকে, নিট নিয়ে সুপ্রিম-নির্দেশের পরই বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

    বাজেটে অটো-মোবাইল ক্ষেত্র

    ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Union Budget 2024) পেশের সময় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছেন যে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির দাম এবার কমানো হচ্ছে। এই লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি মূলত বৈদ্যুতিন গাড়ি (Electric Car) তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। আর এই ব্যাটারির দাম কমে গেলে গাড়ির দামও অনেকটাই কমে যাবে। দেশে বৈদ্যুতিন গাড়ির চাহিদা বাড়াতে কেন্দ্র সরকার একের পর এক পদক্ষেপ করছে। এমনকী এই ধরনের বৈদ্যুতিন গাড়ির চাহিদা বাড়াতে সরকার একটি নতুন ইভি নীতিও ঘোষণা করেছে। এই নতুন ইভি নীতিতে কোনও বৈদেশিক সংস্থা যদি ৫০ কোটি ডলারের বেশি এই দেশের অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রিতে বিনিয়োগ করে এবং ৩ বছরের মধ্যে দেশে কারখানা স্থাপন করে, তাহলে সেই সংস্থা সম্পূর্ণরূপে আমদানি করে ছাড় পাবে। প্রফেসর সুদ বলেন যে ভারতের অটোমোবাইল সেক্টর দেশের জিডিপিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেবে। বৈদ্যুতিন যানের ক্ষেত্রে বর্তমান আমদানি-নির্ভর পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে ভারতকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share