Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • India Defence: জরুরি ভিত্তিতে রাশিয়া থেকে ৩০০টি এস-৪০০ মিসাইল কিনছে ভারত, অনুমোদন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের

    India Defence: জরুরি ভিত্তিতে রাশিয়া থেকে ৩০০টি এস-৪০০ মিসাইল কিনছে ভারত, অনুমোদন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের আকাশসীমা প্রতিরক্ষাকে আরও মজবুত করতে রাশিয়া থেকে আরও ৩০০টি এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, খুব শিগগিরই রাষ্ট্রায়ত্ত রুশ সংস্থা রসোবোনএক্সপোর্ট-কে এই মিসাইল কেনার জন্য রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল পাঠাতে চলেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। পাশাপাশি, পুতিনের আসন্ন ভারত সফরের সময় আরও ৫টি অতিরিক্তি এস-৪০০ সিস্টেম কেনার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলেও জানা যাচ্ছে।

    মিসাইলের স্টক পূর্ণ করতে পদক্ষেপ

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় পাক গোলার মোকাবিলায় ভারতে দাপট দেখিয়েছিল রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০ ‘সুদর্শন চক্র’। এস-৪০০ সিস্টেম পাকিস্তানের জে-১০ সহ অন্যান্য বিমান ধ্বংস করেছিল। পাক সেনার ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র রুখতে বহু ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হয়েছিল। পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান, আর্লি ওয়ার্নিং প্ল্যাটফর্ম, নজরদারি বিমান ও সশস্ত্র ড্রোন নামাতে এই সিস্টেম ব্যাপকভাবে কাজে লাগে। সেই জায়গা ফের ভরাট করতে নতুন অস্ত্রসম্ভার মজুত করতে হবে। হাতে থাকা এস-৪০০ সিস্টেমগুলির কার্যকারিতা যাতে ১০০ শতাংশ থাকে, তার জন্যই এখন অতিরিক্ত ৩০০ মিসাইল কেনা প্রয়োজন ভারতের। এই এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের ক্ষেপণাস্ত্রের স্টক পুনরায় পরিপূর্ণ করতেই এই পদক্ষেপ।

    রিপোর্ট বলছে, ১০ হাজার কোটি মূল্যেরও বেশি খরচের এই অধিগ্রহণ পর্ব আপাতত দ্রুততার সঙ্গে এগোচ্ছে। সূত্রের খবর, ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রক্রিয়ায় কেনাকাটা এগোচ্ছে এবং চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই খরচ আলোচনাকারী কমিটি (CNC) এবং মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি (CCS)-র ছাড়পত্র পেলেই অনুমোদন মিলবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ কাউন্সিল (DAC) ইতিমধ্যেই এই কেনাকাটায় সিলমোহর দিয়েছে এবং ‘অ্যাকসেপটেন্স অফ নিড’ও অনুমোদিত হয়েছে।

    আরও পাঁচটি এস-৪০০ ইউনিট কেনার ভাবনা

    এদিকে, দেশের আকাশসীমা শত্রু দেশের রকেট, মিসাইল ও বিমান থেকে রক্ষা করতে রাশিয়া থেকে আরও পাঁচটি এস-৪০০ সিস্টেম কেনার কথাও বিবেচনায় রয়েছে। একই সঙ্গে সশস্ত্র ও ‘কামিকাজে’ ড্রোন মোকাবিলায় রুশ ‘পান্টসির’ মিসাইল সিস্টেম কেনার দিকেও নজর রয়েছে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর। সীমান্তের ওপার থেকে নিক্ষেপ করা স্বল্প এবং মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রকে এস-৪০০ এবং পান্টসির একটি দ্বৈত-স্তর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে মজবুত করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে, পঞ্চম প্রজন্মের সুখোই-৫৭ যুদ্ধবিমানের একটি প্রস্তাব ভারতের কাছে রেখেছে রাশিয়া। এর প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করেও একটি বাণিজ্যিক প্রস্তাব দিল্লির কাছে রেখেছে মস্কো। তবে তা নিয়ে সেভাবে এখনও অবস্থান জানায়নি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

  • ABVP: সদস্য সংখ্যা ৭৭ লক্ষ! নতুন রেকর্ড গড়ল বিশ্বের বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন এবিভিপি

    ABVP: সদস্য সংখ্যা ৭৭ লক্ষ! নতুন রেকর্ড গড়ল বিশ্বের বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন এবিভিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) ৭১ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশন শুরু হয়েছে দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন (Dehradun) শহরের ঐতিহাসিক প্যারেড গ্রাউন্ড ময়দানে। শুক্রবার অধিবেশনের বিশেষ পর্বে রাষ্ট্রীয় সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার বীরেন্দ্র সোলাঙ্কি বছরের প্রতিবেদন পেশ করেন। এই প্রতিবেদনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য সংখ্যা প্রায় ৭৭ লক্ষে পৌঁছে গিয়েছে বলে ঘোষণা করেছেন তিনি। এই বিরাট অঙ্কের সদস্য সংখ্যা নিজেই নিজের রেকর্ডকে ভেঙেছে বলে মনে করছেন এবিভিপি সমর্থকরা।

    পুনঃনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক বীরেন্দ্র (ABVP)

    ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) মোট সদস্য সংখ্যা হয়েছে ৭৬৯৮৪৪৮ জন। বিশ্বের বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন হিসেবে এবার এবিভিপি আরও একবার মাইল ফলক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। বিশ্বের সর্ব বৃহৎ ছাত্র সংগঠনের স্বীকৃতি আগেই পেয়েছিল। এবার সেই ধারাকে অব্যাহত রাখতে নিজেই নিজের কাছে আরেক রেকর্ড গড়ল এই ছাত্র সংগঠন। এবিভিপির রাষ্ট্রীয় অধিবেশন ২৭ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে, চলবে আগামী ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত। ২৮ নভেম্বর আরও একবার রাষ্ট্রীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন ডাক্তার বীরেন্দ্র সোলাঙ্কি। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সভাপতি হিসবে নবনির্বাচিত হয়েছেন প্রফেসর রঘু রাজ কিশোর তেওয়ারি। তবে গত বছর এবিভিপির সদস্য গ্রহণের সংখ্যা ছিল প্রায় ৫৯.৩৬ লক্ষ। এই বছর অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে।

    প্রধান অতিথি প্রাক্তন ইসরো কর্তা

    শুক্রবার দেরাদুনে (Dehradun) ৭১তম অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP) রাষ্ট্রীয় সম্মেলনে বক্তৃতা দিয়েছেন ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিজ্ঞানী এস সোমনাথ। তিনি বলেন, “বিশ্বাস এবং তথ্য একে অপরের পরিপূরক। সংস্কৃতি এবং উদ্ভাবন একসঙ্গে কাজ করে। আমাদের ঋষিরা চেতনা, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, ধাতুবিদ্যা, স্থাপত্য এবং চিকিৎসাবিদ্যা অন্বেষণ করেছিলেন। আমাদের আধ্যাত্মিক গ্রন্থগুলিতে আধুনিক বিজ্ঞানের অন্তর্দৃষ্টি এবং গোপন রহস্য রয়েছে। সমস্ত জ্ঞান আমাদের মধ্যে রয়েছে। আমাদের ঐতিহ্যে জ্ঞান, পবিত্রতা এবং তপস্যা আধ্যাত্মিক ধ্যান এর মাধ্যমে অর্জন করতে হয়েছে। বিজ্ঞান এমন একটি হাতিয়ার যার রূপান্তরের ক্ষমতা রয়েছে। আর সংস্কার হল এমন একটি উদ্দেশ্য যা বছরের পর বছর এবং প্রজন্মের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। একই ভাবে সেবা হল আমাদের মাতৃভূমির প্রতি আমাদের প্রত্যেকের কর্তব্য।”

  • PM Modi Ram Statue: গোয়া পর্যটনে নয়া তিলক, বিশ্বের সর্বোচ্চ রামমূর্তি উদ্বোধন মোদির

    PM Modi Ram Statue: গোয়া পর্যটনে নয়া তিলক, বিশ্বের সর্বোচ্চ রামমূর্তি উদ্বোধন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার পর গোয়া। রাম মন্দিরে ধ্বজা উত্তোলনের পরে বিশ্বের উচ্চতম রামের মূর্তি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার গোয়ার ক্যানাকোনায় ৭৭ ফুট লম্বা রামের মূর্তি উন্মোচন করে তিনি। গোকর্ণ জীবোত্তম মঠের ৫৫০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এই মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। গোয়ায় রামের ব্রোঞ্জের মূর্তিটি তৈরি করেছেন শিল্পী রাম সুতার। তাঁর হাতেই রূপ পেয়েছিল গুজরাটের স্ট্যাচু অফ ইউনিটি। বিশ্বের উচ্চতম রামের মূর্তির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত, রাজ্যপাল অশোক গজপতি রাজু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    পীঠের তূণীরে তির, মুখে স্নিগ্ধ হাসি

    উচ্চতম এই রাম মূর্তি পূর্ণাবয়ব। রামের বাঁ হাতে ধনুক। ডান হাতে অভয় মুদ্রা। পীঠের তূণীরে তির। মুখে স্নিগ্ধ হাসি। এ দিন মূর্তি উন্মোচনের পরে মঠ সংলগ্ন মন্দিরে পুজোও দেন প্রধানমন্ত্রী। ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন মঠগুলির মধ্যে গোকর্ণ জীবত্তোম মঠ অন্যতম। আধ্যাত্মিক তো বটেই, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রেও মঠের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। গৌড়ীয় সারস্বত ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের প্রথম মঠ এটাই। ফলে এর গুরুত্বও অপরিসীম। মঠের ৫৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২৭ নভেম্বর থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত একাধিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। জীবোত্তম মঠে তৈরি করা হয়েছে রামায়ণ থিম পার্ক।

    ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মেলবন্ধন

    এদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শ্রী সংস্থান গোকর্ণ জীবোত্তম মঠ দীর্ঘ বছর ধরে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে এসেছে, ঐতিহ্যকে আধুনিকতার সঙ্গে সংযুক্ত করে আসছে এই মঠ।” একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একটি জাতির অগ্রগতি সম্মিলিত শক্তির উপর নির্ভর করে। ফলে বিকশিত ভারতের পথ সেই ঐক্যের মধ্য দিয়েই যায়।” বিশ্বের সবচেয়ে বড় রামমন্দির উদ্বোধনের পাশাপাশি মঠের ৫৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি ডাক টিকিট ও স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করা হয়েছে সরকারের তরফে। এছাড়া এই মঠে মিউজিয়াম ও আধুনিক থ্রিডি থিয়েটার চালু করার ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

  • Vladimir Putin: আগামী সপ্তাহেই ভারতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কী নিয়ে আলোচনা?

    Vladimir Putin: আগামী সপ্তাহেই ভারতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কী নিয়ে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভারত সফরের তারিখ ঘোষণা করা হল। ক্রেমলিনকে উদ্ধৃত করে রাশিয়ার সরকারি সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, আগামী ৪ ডিসেম্বর ভারতে আসবেন পুতিন। ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ দেশে তাঁর কর্মসূচি রয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন রুশ প্রেসিডেন্ট। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকও এক সরকারি বিবৃতিতে পুতিনের সফর নিশ্চিত করেছে। সফরকালে পুতিন নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু রাশিয়ার রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানাবেন এবং তাঁর সম্মানে রাষ্ট্রপতি ভবনে একটি বিশেষ ভোজের আয়োজন করা হবে।

    কী কী নিয়ে আলোচনা

    বিদেশ মন্ত্রকের মতে, এই সফর দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের ‘বিশেষ ও সুবিধাপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ আরও মজবুত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। নেতারা ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন এবং আগামী বছরের জন্য সহযোগিতার নতুন দিশা নির্ধারণ করবেন। পাশাপাশি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক বিষয়গুলোতেও আলোচনা হবে। ২৩তম ভারত–রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই বৈঠকে প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, বাণিজ্য, মহাকাশ, বিজ্ঞানসহ একাধিক ক্ষেত্রের সহযোগিতাও গুরুত্ব পাবে বলে সরকারি মহলে আশা করা হচ্ছে।

    কৌশলগত সহযোগিতার বন্ধন

    মোদি ও পুতিনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক, কৌশলগত সহযোগিতার বন্ধন আরও দৃঢ় হবে বলে আশাবাদী নয়াদিল্লি। এছাড়া, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সমস্যা নিয়েও দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে কথা হতে পারে। রাশিয়ার কাছ থেকে খনিজ তেল কেনার কারণে ভারতের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। ফলে মার্কিন-ভারত বাণিজ্য ধাক্কা খেয়েছে। তবে আমেরিকার এই পদক্ষেপ সত্ত্বেও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যনীতিতে পরিবর্তন করেনি নয়াদিল্লি। এর ফলে দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে ভারতের হয়ে সরব হয়েছে ক্রেমলিনও। এই পরিস্থিতিতে পুতিনের সফরকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতাই আলোচনার কেন্দ্রে

    সূত্র জানিয়েছে, পাঁচটি অতিরিক্ত এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ এয়ার-ডিফেন্স স্কোয়াড্রন ক্রয়ের ভারতীয় প্রস্তাব—যা ‘অপারেশন সিনদূর’-এ অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত—এই বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে। পাশাপাশি, ইতিমধ্যেই কার্যকর এস-৪০০ সিস্টেমগুলোর জন্য অতিরিক্ত ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের বিষয়টিও আলোচনায় থাকতে পারে। এছাড়া রাশিয়ার পঞ্চম প্রজন্মের সু-৫৭ যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত করেনি ভারত। মস্কো এই বিমানকে আমেরিকান এফ-৩৫-এর সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে জোরালোভাবে তুলে ধরছে বলে জানা গিয়েছে।

    ইউক্রেন যুদ্ধও থাকবে আলোচনায়

    রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত নিয়েও দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একাধিকবার শান্তির পক্ষে অবস্থান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সম্প্রতি বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহার সঙ্গে ফোনে আলাপ করে ইউক্রেন পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছেন। ইউক্রেন সংঘাতের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁরা কথা বলেছেন। যুদ্ধের দ্রুত অবসান ও টেকসই শান্তির প্রতি ভারতের সমর্থনের কথাও জানিয়েছেন জয়শঙ্কর। উল্লেখ্য, পুতিন শেষবার ২০২১ সালে নয়াদিল্লি সফর করেছিলেন, এবং প্রধানমন্ত্রী মোদি গত বছর জুলাই মাসে বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে মস্কো গিয়েছিলেন। দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের এই ধারাবাহিক উচ্চস্তরের যোগাযোগই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দৃঢ়তার প্রমাণ বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।

  • Delhi Blast: ফল বিক্রির নামে বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল মুজাম্মিল, ৫ শহরে তল্লাশি, কাশ্মীরে গ্রেফতার ১

    Delhi Blast: ফল বিক্রির নামে বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল মুজাম্মিল, ৫ শহরে তল্লাশি, কাশ্মীরে গ্রেফতার ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে (Delhi Blast Investigation) পাঁচ শহর জুড়ে তাল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। বিস্ফোরণ মামলায় অভিযুক্ত চিকিৎসকদের মদত দিয়েচ্ছিল কারা কারা? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আরও সক্রিয় হয়ে ময়দানে নেমেছে তদন্তকারী আধিকারিকরা (NIA)। ইতিমধ্যে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের ব্যবহৃত ফোন, ডিজিটাল ডিভাইস কোথায় কোথায় সক্রিয় এবং কাদের থেকে সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে, তার সবটাই খোঁজ করছে তদন্তকারী অফিসাররা।

    মাসে ৮০০০ টাকার ঘর ভাড়া (Delhi Blast Investigation)

    বৃহস্পতিবার কাশ্মীরে অভিযান চালিয়ে ১৯ বছরের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। এই যুবকের বাড়ি ভাতিইন্ডিতে। একাধিক পাকিস্তানের হ্যান্ডলের সঙ্গে যোগ পাওয়া গিয়েছে। অনলাইনে জঙ্গি কার্যকলাপের নানা পাঠ দেওয়া হতো বলে খোঁজ মিলেছে। সেই সঙ্গে ফোনের সূত্র ধরে একাধিক পাকযোগের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে।

    ফরিদাবাদে বিস্ফোরক (Delhi Blast Investigation) উদ্ধারকাণ্ডে ধৃত মুজ্জামিল সম্পর্কে আরও চাঞ্চাল্যকর তথ্য পাওয়া গিয়েছে। মুজ্জামিলের সঙ্গে চক্রের সঙ্গে যুক্ত ডাক্তার শাহিন সইদের বিয়ায়ের তথ্য সামনে উঠে এসেছে। ফরিদাবাদে তাদের আরও দুটি গোপন ডেরা ছিল। খোরি জামালপুর গ্রামের জুম্মা খানের থেকে একটি বাড়ি মুজাম্মিল ভাড়া নিয়েছিল। সেখানে ফলের ব্যবসা করবে বলেই এই বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। অপর দিকে স্থানীয় সহযোগিতায় জায়গা নিয়ে একটি বাড়িও নির্মাণ হয়েছিল। তবে জমির মালিক ছিলেন এক কৃষক। এই বাড়িটি আল ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে গ্রামের প্রাক্তন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান জুম্মা খানের বাড়িটিকেই মুজাম্মিল ভাড়া নিয়েছিল। এই বাড়িটিতে তিনটি বেড রুম ও একটি রান্নাঘর ছিল। কাঁচামালের কারখানার উপরে  তৈরি ঘরে থাকত মুজাম্মিল। এপ্রিল থেকে জুলাই মাসের মধ্যে প্রতি মাসে মোট ৮ হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে থাকত এই অভিযুক্ত। সদ্য এনআইএ জুম্মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই সমস্ত তথ্য উদ্ধার করেছে। জেরায় জুম্মা আরও বলে, একটা সময়ের পর গরমের জন্য কাশ্মীরি ফলের ব্যবসা চালানো কষ্টকর হচ্ছে। তবে মুজাম্মিলকে আগে থেকে জুম্মাকে জানতো না বলে জানিয়েছে।

    ডক্টর টেরর মডেলের সন্ধান

    সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লি বিস্ফোরণ (Delhi Blast Investigation) মামলায় প্রত্যক্ষ মদতকারীদের খোঁজ করতে উত্তরপ্রদেশ, হারিয়ানা, জম্মু-কাশ্মীরের পাঁচটি বড় বড় শহরে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে। তার মধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA) লখনউ, কানপুর, সাহরানপুর, ফরিদাবাদ, জম্মু-কাশ্মীরে রয়েছে। তবে এই পাঁচ জায়গাকেই জঙ্গি মডিউলের আঁতুড়ঘর বলে সন্দেহ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অভিযুক্ত চিকিৎসক শাহিন সইদকে। এরপর তাকে লখনউ এবং কানপুরে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এই ডক্টর টেরর মডেলে যারা অংশ নিয়েছিল বা সহযোগিতা করেছিল, তাদের সকলকেই খোঁজ করে তদন্তের আওতায় নিয়ে আসার কাজ করছে এনআইএ।

    ডিজিটাল ডিভাইসকে উদ্ধারের খোঁজ

    আপাতত প্রাথমিক ভাবে ডিজিটাল ডিভাইসকে উদ্ধার এবং সূত্র খোঁজের ব্যাপক তল্লাশি চালচ্ছে তদন্তকারী অফিসাররা (NIA)। আগে যে সাতজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের ডিজিটাল ডিভাইস গুলিকে কোথায় কোথায় রেখে ব্যবহার করা হয়েছিল, সেই প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। চিকিৎসকদের নেটওয়ার্ককে ভালো করে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যারা উচ্চ শিক্ষিত তাদের মধ্যে নিজেদের পেশার আড়ালে অবৈধ ষড়যন্ত্রের কাজ করছেন কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই রকম বেশ কিছু উচ্চ শিক্ষিত ডাক্তার এবং গবেষকদের উপর কঠোর নজর রাখা হয়েছে। ধৃতদের ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং নেট ওয়ার্ক সম্পর্কে সমস্ত তথ্য খুঁজে বের করা হচ্ছে। উত্তর প্রদেশ এবং ফরিদাবাদের বেশ কিছু এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে।

    চলছে জিজ্ঞাসাবাদ

    তদন্তকারীদের (NIA) সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের (Delhi Blast Investigation) বেশকিছু নেটওয়ার্ক আরও অনেকগুলি শহরে এখনও সক্রিয় রয়েছে। সাহারনপুরে যে গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছে সেই একই গাড়িকে ব্যবহার করা হয়েছে বিস্ফোরণে। একই ভাবে কানপুরে গোপন আস্তানার খবর পাওয়া গিয়েছে। ফলে বিস্ফোরণের সঙ্গে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে যুক্ত এমন তালিকায় যাদের অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে তাদের সকলকেই আলাদা আলাদা ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

  • Aadhaar: চলছে সুরক্ষা অভিযান, ২ কোটির বেশি মৃত গ্রাহকের আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করল ইউআইডিএআই

    Aadhaar: চলছে সুরক্ষা অভিযান, ২ কোটির বেশি মৃত গ্রাহকের আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করল ইউআইডিএআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২ কোটির বেশি মৃত গ্রাহকের আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করেছে আধার সংস্থা। আধার (Aadhaar) কর্তৃপক্ষ ইউআইডিএআই-এর (UIDAI) তরফে এমনটাই পরিসংখ্যান পেশ করে জানিয়েছে। বিহারের পর বাংলায় ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন চলাকালীন ২ কোটির বেশি আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করেছে। তবে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, দেশ জুড়ে স্বচ্ছতা এবং সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। আধারের তথ্যকে নিরাপদ রাখতেই এই পদক্ষেপ।

    গ্রাহকের মৃত্যু হলে আধার নিষ্ক্রিয় করা জরুরি (Aadhaar)

    কেন্দ্রীয় বৈদ্যুতিন ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক জানিয়েছে, রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া, রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলির কাছ থেকে মৃত মানুষ সম্পর্কে তথ্য পেয়েছে ইউআইডিএআই। যদি কোনও গ্রাহকের মৃত্যু হয়, তাহলে সেই নম্বর অপর কোনও ব্যক্তিকে আধার (Aadhaar) নম্বর দেওয়া হয় না। গ্রাহকের মৃত্যু হলে আধার নিষ্ক্রিয় করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ফলে যে কোনও রকমের জালিয়াতি বন্ধ করা যাবে। একজনের ব্যক্তিগত তথ্য অপর আরেকজন ব্যবহার করতে পারবে না। তাই পরিবারের কেউ মারা গেলে আধার নম্বর বাতিল করা উচিত। ইউআইডিএআই নাগরিকদের তাই এই ক্ষেত্রে আধার নিষ্ক্রিয় করার বার্তা দিয়েছে। মাই আধার পোর্টালে (UIDAI)  গিয়ে এই কাজ খুব সহজেই করা যাবে। মৃত গ্রাহকের ডেথ সার্টিফিকেট বা মৃত্যু শংসাপত্র জমা দিতে হবে।

    জালিয়াতি রুখতে পদক্ষেপ

    মৃত গ্রাহকের (Aadhaar) আধার নম্বর বাতিল করতে চলতি বছরের শুরুতেই ইউআইডিএআই মাই আধার পোর্টালে ডেথ অফ এ ফ্যামেলি মেম্বার পরিষেবা শুরু করেছে। দেশের ২৫ টি রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে এই পরিষেবা রয়েছে। প্রশাসনের দেওয়া মৃত্যুর শংসাপত্র দিলে তবেই আবেদন করা যাবে আধার নিষ্ক্রিয় করার কাজ। আধারে মোট ১২টি সংখ্যার বিশেষ ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (UIDAI) থাকে। প্রত্যেকের আধার নম্বর আলাদা আলাদা হয়। সেই সঙ্গে গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ছবিও থাকে আধারে। ডিজিটাল যুগের কাজের সুবিধায় আধার নম্বর সব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। আবার অপর দিকে প্রচুর পরিমাণে জালিয়াতির খবরও পাওয়া যাচ্ছে। অন্যের তথ্য হাতিয়ে প্রতারণার অনেক অভিযোগের খবরও উঠে আসছে।

    মৃত সদস্যের আধার কীভাবে নিষ্ক্রিয় করবেন

    • প্রথমে মৃত ব্যক্তির ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করুন।
    • এর পর myAadhaar Portal-এ যেতে হবে।
    • আধার নম্বর দিয়ে প্রথমে মোবাইলে OTP নিতে হবে। এর পর, সেই OTP দিয়ে লগ ইন করুন।
    • Report Death of a Family Member অপশনটি বেছে নিন।
    • সেখানে মৃত ব্যক্তির তথ্য ভরুন। আধার নম্বর, ডেথ রেজিস্ট্রেশন নম্বর, এলাকার তথ্য লিখতে হবে।
    • ডেথ সার্টিফিকেটটি আপলোড করতে হবে এর পর।
    • সব শূন্যস্থান পূরণ করে, তথ্য একবার যাচাই করে নিয়ে রিকোয়েস্ট সাবমিট করে দিন।
    • UIDAI সেই অনুরোধ খতিয়ে দেখবে, খতিয়ে দেখবে যাবতীয় তথ্য। সেই মতো মৃত ব্যক্তির আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হবে।
  • Amit Shah: নাড্ডার নৈশভোজে ‘মিশন বেঙ্গল’ রণনীতি স্থির বিজেপির, অমিত শাহ দিলেন জয়ের টনিক

    Amit Shah: নাড্ডার নৈশভোজে ‘মিশন বেঙ্গল’ রণনীতি স্থির বিজেপির, অমিত শাহ দিলেন জয়ের টনিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার জয়ের পর বাংলাকে টার্গেট করে দিল্লিতে রণনীতি স্থির করল বিজেপি। বৃহস্পতিবার বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডার বাড়িতে নৈশভোজনে বাংলা নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষণ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ‘মিশন বেঙ্গল’-এর উল্লেখ করে বলেন, “যেখানে শক্তি কম সেখানেই যেতে হবে।” আগামী ২৬ সালের নির্বাচনে (WB Election 2026) কীভাবে বঙ্গ জয় হবে সেই রণকৌশল ঠিক করল কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। নেতাদের মধ্যে যেমন বিহার জয়ের উল্লাস ছিল, ঠিক তেমনি তৃণমূলকে সরিয়ে বিজেপির শাসন প্রতিষ্ঠার উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।

    লোকের দুয়ারে পৌঁছে যেতে হবে (Amit Shah)

    প্রবীণ বিজেপি নেতা অমিত শাহ (Amit Shah) এদিন বলেন, “এখন বাংলাকে জয় করতে আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। যেখানে আমাদের শক্তি কম সেখানে আমাদের পৌঁছাতে হবে। আরও বেশি বেশি করে লোকের দুয়ারে পৌঁছে যেতে হবে। নেতাদের ভূমিকা কেবল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়াই নয়। যেখানে যেখানে আমাদের লোকজন কম সেখানে সেখানে আমাদের কাজ বৃদ্ধি করতে হবে। সাধারণ মানুষের মনে বিশ্বাস এবং আস্থা দিতে হবে। আমাদের উপস্থিতি যে সর্বত্র তা প্রমাণ করতে হবে। কোনও নেতা মনে করবেন না কেবলমাত্র নিজেদের গুণেই জয়ী হয়েছেন। আর যদি তা ভাবেন তাহলে তাকে আত্মতুষ্টি বলতে হবে। অহংকার যেন মনে তৈরি না হয়। বিহারের পর আমরা বাংলার দিকে এগিয়ে যেতে চাইছি। যেকোনও নেতাকেই যে কোনও কাজে যে কোনও এলাকায় কাজের জন্য পাঠানো যেতেই পারেই।”

    বাংলার ভিত্তি বিরাট শক্ত

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি কয়েক দিন আগেই সংবাদ মাধ্যমকে বিশেষ বার্তা দিয়ে অমিতা শাহ (Amit Shah) বলেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাই করুন না কেন আগামী বছর নির্বাচনে (WB Election 2026) বিজেপি জয়ী হবে। বিজেপি একসময় তিনটি আসনে ছিল এখন ৭৭ আসনে জয়ী হয়েছে। শতাব্দীর প্রাচীন দল প্রায় ৫০ বছর ধরে বাংলায় ছিল কংগ্রেস, এখন সেই দল শূন্যে পৌঁছে গিয়েছে। ৩৪ বছর কমিউনিস্ট সরকার শাসন করেছে তারাও আজ শূন্য। বাংলার পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পেয়ে গিয়েছে বিজেপি। ভিত্তি স্থাপন হয়ে গিয়েছে আগেই। এবার ভিত্তির উপর নির্ভর করে বাড়ি গড়তে হবে। ২০২৬ সালের নির্বাচনে নিশ্চিত ভাবে বিজেপি জয়ী হবে। তৃণমূলের সমস্ত অপশাসন থেকে বাংলা দ্রুত মুক্ত হবে।”

  • India on Sheikh Hasina: “আইন অনুযায়ী খতিয়ে দেখা হচ্ছে”, হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে প্রথমবার প্রতিক্রিয়া ভারতের

    India on Sheikh Hasina: “আইন অনুযায়ী খতিয়ে দেখা হচ্ছে”, হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে প্রথমবার প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে (India on Sheikh Hasina) নিয়ে বাংলাদেশের করা অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বুধবার বিদেশ-মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, ভারত বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যার মধ্যে রয়েছে শান্তি,গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা এবং অন্তর্ভুক্তি। বুধবার ভারত নিশ্চিত করেছে, যে ঢাকা থেকে পাঠানো শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক অনুরোধ তারা পেয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত সপ্তাহে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর আবেদন জানিয়ে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার নতুন করে কূটনৈতিক বার্তা পাঠায় ভারতকে। সেই বার্তার পর এই প্রথম সরকারি ভাবে প্রতিক্রিয়া দিল নয়াদিল্লি।

    হাসিনাকে ফেরত চেয়ে চিঠি

    ফাঁসির সাজা ঘোষণার পর প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে (India on Sheikh Hasina) বাংলাদেশে ফেরত চেয়ে ভারতকে চিঠি দিয়েছিল সে দেশের বিদেশ মন্ত্রক। সংশ্লিষ্ট চিঠিতে লেখা হয়েছিল, ভারতীয় হাইকমিশনার যেন দিল্লির বিদেশমন্ত্রকে চিঠিটি যথাসম্ভব পৌঁছে দেন। রবিবার সেই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর এবার এই নিয়ে প্রথম মুখ খুলল ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, “হ্যাঁ আমাদের কাছে একটি অনুরোধ এসেছে। আর এই অনুরোধটি বিচারবিভাগীয় এবং আভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পুরোটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও অর্থাৎ ২০২৪-এর ডিসেম্বরে বাংলাদেশ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ভারতকে বার্তা দিয়েছিল। সে দেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরপরই ভারতে কূটনৈতিক বার্তা দেয় পড়শি বাংলাদেশ।

    হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড!

    সম্প্রতি, শেখ হাসিনা (India on Sheikh Hasina) ও প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশকর্তা আসাদুজ্জামান খানকে ফাঁসির সাজা শোনানো হয়। অন্য়দিকে পুলিশকর্তা রাজসাক্ষী হওয়ায় তাঁকে ৫ বছরের কারাদণ্ডের সাজা শুনিয়েছে বাংলাদেশের ট্রাইবুনাল। তবে, হাসিনা ও আসাদ্দুজামান বর্তমানে বাংলাদেশে নেই। হাসিনা রয়েছেন ভারতে। সেই কারণে হাসিনার জন্য চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। বস্তুত, ঢাকায় গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। দেশ ছেড়ে ভারতে এসে আশ্রয় নেন সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। তারপর থেকে এখানেই রয়েছেন তিনি। ৭৮ বছর বয়সি শেখ হাসিনাকে গত সপ্তাহে ঢাকার একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়। অভিযোগ—গত বছর ছাত্র আন্দোলনের সময় তাঁর সরকারের কঠোর দমনপীড়ন “মানবতাবিরোধী অপরাধ”-এর পর্যায়ে পড়ে।

    চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার ভারতের

    জয়সওয়াল আরও বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি এবং স্থিতিশীলতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ভারত গঠনমূলকভাবে সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে।” বাংলাদেশের তরফে দাবি করা হয়েছে, আগের অনুরোধে ভারত “কোনও জবাব দেয়নি”, তবে বর্তমানে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হয়ে শেখ হাসিনার (India on Sheikh Hasina) বিরুদ্ধে দণ্ড ঘোষিত হওয়ায় পরিস্থিতি “ভিন্ন”, এবং এবার নয়াদিল্লির কাছ থেকে উত্তর প্রত্যাশিত। গত সপ্তাহে বিচারিক ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার পর নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত সরকারকে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠায়। নয়াদিল্লি সেই বার্তার প্রাপ্তিস্বীকার করলেও তার ভিত্তিতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা প্রকাশ করেনি।

  • India slams Pakistan: “জ্ঞান দেওয়ার নৈতিক অধিকার নেই”, রাম মন্দির ইস্যুতে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত

    India slams Pakistan: “জ্ঞান দেওয়ার নৈতিক অধিকার নেই”, রাম মন্দির ইস্যুতে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় ধর্মধ্বজ প্রতিস্থাপনের পর থেকেই তেলেবেগুনে জ্বলছে পাকিস্তান। এতটাই যে, প্রতিবেশি দেশ রাম মন্দির নিয়ে কটাক্ষ করে বিবৃতি দিয়েছে। এর উত্তরে পাল্টা বিবৃতি দিয়ে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতের বিষয়ে নাক না গলিয়ে, নিজেদের ‘মানবাধিকার সংক্রান্ত ভয়াবহ রেকর্ড’-এর দিকে নজর দিক পাকিস্তান।

    বিবৃতি জারি পাক বিদেশমন্ত্রকের

    মঙ্গলবার, রাম মন্দিরের চূড়ায় ধর্মধ্বজ উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই অনুষ্ঠানটি ছিল রাম মন্দির নির্মাণের সমাপ্তি উপলক্ষে। ওই অনুষ্ঠানের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদি রাজধর্মের উল্লেখ করে বলেন ভগবান রাম কোনও ভেদাভেদ করতেন না। সেই ভাবনা নিয়েই চলছে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার, রাম মন্দিরের উদ্বোধনকে কটাক্ষ করে পাকিস্তান। এক বিবৃতি জারি করে পাক বিদেশমন্ত্রক এই ঘটনাকে ‘ইসলামফোবিয়া’ এবং ‘ঐতিহ্যের অপবিত্রতা’ বলে আক্রমণ করে। সেখানে বলা হয়, “আমরা রাম মন্দিরের উদ্বোধনের নিন্দা জানাই। বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলার পর এই মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল। ভারতে ক্রমবর্ধমান হিন্দুত্ববাদী মতাদর্শ ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং আঞ্চলিক শান্তির জন্য একটি বড় হুমকি। এর মাধ্যমে ভারত মুসলমানদের প্রান্তিক করার চেষ্টা করছে।” এই বিষয়ে তারা আন্তর্জাতিক মঞ্চ ও রাষ্ট্রসংঘের কাছেও আর্জি রাখে।

    ‘অহেতুক জ্ঞান দেবেন না’, পাল্টা ভারত

    কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় ভারত। পাকিস্তানকে তুলোধনা করে ভারতের বিদেশমন্ত্রক পাল্টা বিবৃতির মাধ্যমে পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার সহ নানান বিষয় নিয়ে পাল্টা ইসলামাবাদের দিকে তোপ দাগে দিল্লি। শেহবাজ শরিফের দেশকে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সাফ বার্তা, ‘অহেতুক জ্ঞান দেবেন না।’ বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল পাকিস্তানের বক্তব্যকে খণ্ডন করে বলেন, “আমরা পাকিস্তানের করা মন্তব্যগুলি দেখেছি এবং তাদের প্রাপ্য অবজ্ঞা সহ প্রত্যাখ্যান করছি। সংখ্যালঘুদের উপর ধর্মান্ধতা, নিপীড়ন এবং পদ্ধতিগত দুর্ব্যবহারের গভীর কলঙ্কিত রেকর্ড সহ একটি দেশ হিসেবে, পাকিস্তানের অন্যদের জ্ঞান দেওয়ার কোনও নৈতিক অধিকার নেই।” পাকিস্তানকে পাল্টা সতর্ক করে দিল্লির সাফ কথা, “‘ভণ্ডামিতে ভরা ধর্মোপদেশ’ দেওয়ার পরিবর্তে পাকিস্তানের উচিত নিজেদের মানবাধিকার সংক্রান্ত ভয়াবহ রেকর্ডের দিকে মনোনিবেশ করা।”

  • Mumbai: ২৬/১১ হামলার ১৭ বছর পূর্ণ, সেদিন মুম্বইয়ে ঠিক কী ঘটেছিল? ফিরে দেখা

    Mumbai: ২৬/১১ হামলার ১৭ বছর পূর্ণ, সেদিন মুম্বইয়ে ঠিক কী ঘটেছিল? ফিরে দেখা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ বছর পূর্ণ হল পাক-মদতপুষ্ট লস্কর-ই-তৈবা (LeT)-এর জঙ্গিদের দ্বারা ভারতের আর্থিক রাজধানী মুম্বইয়ে (Mumbai) তাণ্ডব চালানোর। এই ঘটনা ঘটেছিল ২৬ নভেম্বর, ২০০৮ সালে। ঘটনাটি ২৬/১১ নামে পরিচিত। ওই জঙ্গি হামলায় ১০ জন জঙ্গির (Terror Attacks) একটি দল সারা দেশ এবং বিশ্বে তীব্র ধাক্কা দিয়েছিল। জঙ্গিরা ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর রাতে সমুদ্রপথে মুম্বই শহরে ঢুকেছিল। চার দিনের মধ্যে তারা শহরের ব্যস্ততম এলাকায় ১৬৬ জনকে হত্যা করেছিল, জখম করেছিল ৩০০ জনকে।

    হামলার টার্গেটস্থল (Mumbai)

    হামলার টার্গেটস্থলগুলি খুব সুচিন্তিতভাবে বেছে নেওয়া হয়েছিল, যাতে সর্বাধিক ক্ষয়ক্ষতি করা যায়। এর মধ্যে ছিল,  তাজ ও ওবেরয় হোটেল, ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস, নরিম্যান হাউজে অবস্থিত ইহুদি কেন্দ্র, কামা হাসপাতাল, মেট্রো সিনেমা এবং লিওপোল্ড ক্যাফে।  কারণ এই জায়গাগুলোয় বিদেশিরা এবং মুম্বইয়ের কর্মজীবী মানুষের প্রচুর জনসমাগম হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনার রেখে যাওয়া ক্ষত আজও সেই সব মানুষকে তাড়া করে ফিরছে, যাঁরা সেই ভয়াবহ দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছিলেন এবং যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন। লিওপোল্ড ক্যাফে এবং নরিম্যান হাউজের গুলির দাগ, শহিদ সহকারী উপ-পরিদর্শক তুকারাম ওম্বলের স্মৃতির মূর্তি, যিনি একমাত্র জীবিত ধরা পড়া পাক জঙ্গি মহম্মদ আজমল আমির কাসভকে ধরতে গিয়ে প্রাণ বলি দিয়েছিলেন। দক্ষিণ মুম্বইয়ের এই রাস্তাগুলি আজও সেই নৃশংস জঙ্গি হামলার স্মৃতি জাগিয়ে রেখেছে (Terror Attacks)।

    লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি নিহত

    ন’জন লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি নিহত হয়েছিল, গ্রেফতার করা হয়েছিল কাসভকে। ২০১০ সালের মে মাসে কাসভকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। দু’বছর পরে পুনের একটি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা যুক্ত কারাগারে ফাঁসি দেওয়া (Mumbai) হয় কাসভকে। ২৬/১১ হামলা বিশেষ করে এই বছরের ১০ নভেম্বর দিল্লি বিস্ফোরণের পরিপ্রেক্ষিতে, জাতীয় নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বিষয়ে শেখা শিক্ষার একটি স্মারক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, এনএসজি মুম্বই আজ, বুধবার গেটওয়ে অফ ইন্ডিয়ায় ‘নেভারএভার’ থিমে একটি স্মরণসভা ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজন করবে, ২৬/১১ হামলার শহিদ, জীবিত এবং সকল ভুক্তভোগীদের শ্রদ্ধা জানাতে। এই অনুষ্ঠানটি আমাদের সম্মিলিত সংকল্পকে পুনর্ব্যক্ত করে যে এমন কোনও ঘটনা আর কখনও ঘটতে দেওয়া যাবে না।

    বিশেষ স্মারক অঞ্চল

    জানা গিয়েছে, একটি বিশেষ স্মারক অঞ্চল তৈরি করা হবে যেখানে বীরদের এবং সকল শহিদদের ছবি ও নাম প্রদর্শিত হবে, ফুলেল শ্রদ্ধা এবং মোমবাতি জ্বালিয়ে সম্মান জানানো হবে এবং ‘লিভিং মেমরিয়াল’ নামে একটি নতুন ধারণা উপস্থাপন করা হবে, যা শ্রদ্ধা নিবেদনের মোমবাতির মোম দিয়ে তৈরি হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করা হবে। এছাড়াও, মুম্বইয়ের ১১টি কলেজ এবং ২৬টি স্কুলে ‘নেভারএভার’ থিমের আওতায় শিক্ষার্থীদের শপথ গ্রহণ করানো হবে, যা শান্তি, সতর্কতা এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি তরুণ প্রজন্মের অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করবে (Mumbai)।

    গেটওয়ে অব ইন্ডিয়া

    এদিন রাত নামার সঙ্গে সঙ্গে গেটওয়ে অব ইন্ডিয়া সাজানো হবে তিরঙ্গা রঙের আলোয়। সেখানেও আলোকিত (Terror Attacks) হয়ে থাকবে ‘নেভারএভার’ শব্দটি। এদিকে, এনআইএ (NIA) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের কাছে ২৬/১১ মুম্বই হামলার মূল ষড়যন্ত্রী তাহাউর রানা-সংক্রান্ত মামলার বিষয়ে নতুন করে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। সূত্রের খবর, এটি করা হয়েছে মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ট্রিটি (MLAT) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অক্টোবর মাসে। রানাকে ভারতে প্রত্যর্পণের পর তার জিজ্ঞাসাবাদের কয়েক মাস পর এই অতিরিক্ত প্রশ্নগুলি তোলা হয়েছে, যা ২০০৮ সালের মুম্বই জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্র তদন্তে আরও অগ্রগতি আনতে সাহায্য করতে পারে।

    জঙ্গিদের নিকেশ অভিযান

    সেদিন জঙ্গিদের নিকেশ করতে ৬০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চালানো হয়েছিল অপারেশন (Mumbai)। অপারেশনে যোগ দিয়েছিল এনএসজি কমান্ডো, মেরিন কমান্ডো এবং পুলিশ। সেই দৃশ্যের লাইভ টেলিকাস্ট দেখেছিল তামাম বিশ্ব। বুধবার মুম্বই হামলার ১৭ বছর পূর্তিতে ট্যুইট করেছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা সাংসদ রাহুল গান্ধী। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “২৬/১১-এর ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় শহিদ সকল সাহসী সেনা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি আমার বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। দেশ তাঁদের সাহস এবং ত্যাগের কথা কোনও দিনও ভুলবে না।” এত বছর পেরিয়ে গেলেও (Terror Attacks) আজও অধরা মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ডরা। একইভাবে আজও খোলা হাওয়ায় ছড়িয়ে রয়েছে সন্ত্রাসবাদের সেই আতঙ্ক। প্রতিটি ২৬/১১ যেন সেই আতঙ্ককে আরও একবার মনে করিয়ে দিয়ে যায় (Mumbai)।

LinkedIn
Share