Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bihar Politics: নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

    Bihar Politics: নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের (Bihar) পট পরিবর্তনের ইঙ্গিত আগেই পেয়েছিল বিজেপি (BJP)। তার পরেও এনডিএর (NDA) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে (Nitish Kumar) আটকানোর চেষ্টা করেননি পদ্ম নেতৃত্ব। তার জেরেই এনডিএ সরকার পড়ে যায় বিহারে।

    জানা গিয়েছে, বিহারের পালাবদল নিয়ে মাস দুয়েক ধরে আলোচনা চলছিল লালু প্রসাদ যাদব, নীতীশ কুমার এবং কংগ্রেসের (Congress) শীর্ষ নেতৃত্বের। কোন দল কোন দফতর পাবে, সে সব কিছু চূড়ান্ত হওয়ার পরেই মঙ্গলবার আচমকাই বিজেপির হাত ছেড়ে দেন নীতীশ।

    নীতীশের এই ‘ভোলবদল’কে প্রতারণা হিসেবেই দেখছেন পদ্ম নেতৃত্ব। বারবার শিবির বদলে তিনি বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছেন বলেও দাবি তাঁদের। নীতীশ যে শিবির বদলানোর সলতে পাকাচ্ছিলেন, তা আঁচ পেয়েছিলেন বিজেপি নেতৃত্ব। তবে তার পরেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি বিজেপির কোনও নেতা। তাঁকে শিবির না বদলানোর কোনও অনুরোধও করা হয়নি গেরুয়া শিবিরের তরফে। সূত্রের খবর, নীতীশ কুমার কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। বিজেপি বিরোধী পক্ষের নেতা হওয়ার সুযোগ তাঁর সামনে আসতে পারে।

    আরও পড়ুন : বিজেপি ছেড়ে আরজেডি! মুখ্যমন্ত্রী নীতীশই, জানুন কী বলছে বিহারের নয়া সমীকরণ

    অন্য একটি সূত্রের খবর, মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ স্বয়ং ফোন করেছিলেন নীতীশকে। বিজেপির রাজ্য নেতারাও তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা করেছিলেন, তবে তাঁর মন পরিবর্তনে ব্যর্থ হয়েছিলেন তাঁরা। মঙ্গলবারই এক সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেন, বিজেপি জোট ধর্ম পালন করেছে। কিন্তু নীতীশ কুমার ‘শপিং’ করছিলেন। মাত্র ৩৬টি আসন পেয়েও মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন তিনি।অথচ বিজেপি পেয়েছিল ঢের বেশি আসন। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, মহারাষ্ট্রে যেভাবে শিবসেনা শিবিরে ভাঙন ধরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন একনাথ শিন্ডে, তেমনই কোনও কিছুর আশঙ্কা করছিলেন নীতীশ। তাই তড়িঘড়ি মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে হাত মিলিয়েছেন বিজেপি বিরোধীদের সঙ্গে।

    এদিকে, এই ভোলবদলের কারণে নীতীশকে পরজীবী বলে আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির বিহার সভাপতি সঞ্জয় জয়সওয়াল নীতীশকে পিছন থেকে ছুরি মারতেই অভ্যস্ত বলে তোপ দাগেন। তিনি বলেন, বিহারের মানুষই তাঁকে যোগ্য জবাব দেবেন। সঞ্জয় বলেন, ২০২০ সালে বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ লড়েছিল। সব চেয়ে বেশি আসন পেয়েছিল বিজেপি এবং জনতা দল(ইউনাইটেড)। আমরা ৭৪টি আসন পেয়েছিলাম। তার পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসান নীতীশকে। আজ জনতা দল ইউনাইটেড যা করল, তা বিহারবাসীকে পিছন থেকে ছুরি মারার শামিল।

     

  • T Raja Singh: গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জামিন পেলেন টি রাজা! বিজেপি সাসপেন্ড করল তেলঙ্গানার বিধায়ককে

    T Raja Singh: গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জামিন পেলেন টি রাজা! বিজেপি সাসপেন্ড করল তেলঙ্গানার বিধায়ককে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবিকে নিয়ে অসাংবিধানিক মন্তব্যের জেরে  তেলঙ্গানার (Telengana) সাসপেন্ডেড BJP বিধায়ক টি রাজা সিংয়ের (T Raja Singh) জামিন মঞ্জুর করল আদালত। নবিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই মুক্তি দেওয়া হল তেলঙ্গানার বিধায়ককে। আদালতের তরফে বলা হয়, গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে ভারতীয় আইনের অনুচ্ছেদ ৪১ মানা হয়নি,তাই তাঁর জামিনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    টি রাজার আইনজীবী করুণা সাগর জানিয়েছেন, আদালতে জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। সেকশন ৪১ এ মানা হয়নি বলে দাবি করে জামিন চেয়েছিলেন। একাধিক ধারায় মামলা হয়েছিল টি রাজার বিরুদ্ধে। যার মধ্যে ছিল ১৫৩ এ (ধর্মের নামে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা), ২৯৫ এ (কোনও বিশেষ ধর্মের ভাবাবেগে আঘাত করা), ৫০৫ (২) (হিংসা বা ঘৃণা ছড়াতে পারে এমন মন্তব্য ছড়ানো), ৫০৬ (অপরাধমূলক হুমকি)। টি রাজা সিংয়ের জামিনে উত্তাল হয়ে ওঠে হায়দরাবাদ (Hyderabad)। তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আর্জি জানিয়ে সরব হয় মুসলিম সংগঠনগুলি।  বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিচার্জ করতে হয় পুলিশকে।

    আরও পড়ুন: নিয়ম-রীতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিহারের মন্দিরে অহিন্দু মন্ত্রী! ক্ষুব্ধ বিজেপি, কী বলছে মন্দির কর্তৃপক্ষ

    অভিযোগ , একটি ১০ মিনিটের ভিডিয়োতে স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ান মুন্নাওয়ার ফারুকির সমালোচনা করেছিলেন টি রাজা। সেই ভিডিয়ো প্রকাশের পর থেকেই বিতর্ক তৈরি হয়। বিধায়ক টি রাজার বিরুদ্ধে সোমবার রাতে হায়দরাবাদের একাধিক থানায় বহু মানুষ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দ্রুত পদক্ষেপ করে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়ার পরই তাঁকে সাসপেন্ড করে বিজেপি। তাঁকে ১০ দিনের মধ্যে উত্তর দিতে বলা হয়েছে। 

     টি রাজার জামিনের প্রতিবাদ জানিয়ে মুসলিম সংগঠনের সদস্যরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুরানা পুল এলাকায় লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয় পুলিশ। চারমিনার (Charminar) চত্বরেও বিক্ষোভ অবস্থান চলে। ঘটনাস্থলে যান ডেপুটি কমিশনার এবং অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • J&K Terrorist Attack: ফের জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা, শহিদ তিন জওয়ান, নিকেশ দুই জঙ্গি

    J&K Terrorist Attack: ফের জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা, শহিদ তিন জওয়ান, নিকেশ দুই জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ। স্বাধীনতা দিবস কাছে আসতেই ফের জঙ্গি হামলা (Terrorists Attack) জম্মু কাশ্মীরে (Jammu kashmir)। বৃহস্পতিবার সকালে রাজৌরির (Rajouri) এলওসি-র (Loc) কাছে জঙ্গিদের হামলায় নিহত হয়েছেন তিন সেনা জওয়ান। আহত আরও তিন। সেনার পাল্টা গুলিতে খতম হয়েছে দুই জঙ্গিও।

    খবর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ভোরে রাজৌরির কাছে অবস্থিত পারগল (Pargal) এলাকায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওই সেনা শিবিরের উপরে আত্মঘাতী হামলার চেষ্টা করে সন্ত্রাসবাদীরা। ডিরেক্টর জেনারেল মুকেশ সিং জানান, ওই জঙ্গিরা সেনা শিবিরে ঢোকার চেষ্টা করে। যদিও ক্যাম্পে ঢোকা মাত্রই দু-পক্ষের মধ্যে তুমুল গুলির সংঘর্ষ শুরু হয়। বেশ কিছুক্ষণ গুলির লড়াই চলে। ওই দুই জঙ্গিকে নিকেশ করা সম্ভব হয়েছে। অপরদিকে সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াইয়ে শহীদ হন তিন সেনা জওয়ানও। পুলিশ সূত্রে খবর, এই জঙ্গি হামলার পেছনে লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-E-Taiba) জঙ্গিগোষ্ঠীর হাত রয়েছে। তাই আশঙ্কা করা হচ্ছে, নিহত জঙ্গিরা পাক জঙ্গিগোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবার সদস্য।

    আরও পড়ুন: অসমে জঙ্গিদের নতুন ছক! হাতিয়ার করা হয়েছে মাদ্রাসাগুলোকে, জানুন কীভাবে

    এখনও আশপাশে জঙ্গিদের তল্লাশি চলছে। জঙ্গি লুকিয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছে সেনারা। মুকেশ সিং বলেছেন, নিরাপত্তা আধিকারিকরা এলাকাটি ঘেরাও করে রেখেছেন এবং ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত টিম পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রায় কয়েক বছর ধরেই রাজৌরি জেলা এবং জম্মু অঞ্চলের অন্যান্য অংশগুলিতে অত পরিমাণে সন্ত্রাসবাদীদের দেখা যায়নি। কিন্তু গত ছয় মাস ধরে সেখানে একাধিক সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে। ২০১৮ সালের পর এই প্রথম এত বড় জঙ্গি হামলা হল জম্মু কাশ্মীরে। এই একইভাবে ২০১৬ সালেও জম্মু কাশ্মীরের উরিতে সেনা ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা, যার ফলে ১৮ জন সেনা জওয়ান প্রাণ ত্যাগ করছিলেন।

    সম্প্রতি বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সোশ্যাল মিডিয়া ইনচার্জ তালিব হুসেন শাহকে গ্রেপ্তার করেছে জম্মু পুলিশ। কারণ পুলিশ অনুমান করেছে যে, সেখানে ঘটা বিভিন্ন হামলার পেছনে তার হাত রয়েছে। বিপুল পরিমাণে অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে তার কাছ থেকে।

    জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ টুইট করে লিখেছন, “রাজৌরিতে জঙ্গি হামলার পর তিনজন সৈন্যের মৃত্যুর কথা শুনে খুবই দুঃখিত। হামলার নিন্দা করছি ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। হামলায় আহত অফিসার ও জওয়ানদের দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছি।”

  • ‘Langya’ Henipavirus: ফের নয়া ভাইরাস-আতঙ্ক চিনে! করোনার থেকেও বেশি প্রাণঘাতী ‘ল্যাংয়া হেনিপাভাইরাস’?

    ‘Langya’ Henipavirus: ফের নয়া ভাইরাস-আতঙ্ক চিনে! করোনার থেকেও বেশি প্রাণঘাতী ‘ল্যাংয়া হেনিপাভাইরাস’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাইরাসের সংক্রমণ এখনও আমাদের পিছু ছাড়ছে না। কোভিড-১৯ (Covid-19) এখনও পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়নি। অনেক রাজ্যেই করোনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। মাঙ্কি পক্সে (Monkey Pox) আক্রান্তের সংখ্যাও সারা বিশ্বে বেড়েই চলছে। এরই মধ্যে ফের নয়া প্রাণঘাতী ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে চিনে। এই ভাইরাসের নাম হল ল্যাংয়া হেনিপাভাইরাস (Langya henipavirus), যাকে LayV ও বলা হচ্ছে। চিনের হেনান ও শানডং প্রদেশে ৩৫ জনের শরীরে এই ল্যাংয়া হেনিপাভাইরাসের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। চিনের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা সোমবার এই ঘটনা সম্পর্কে জানিয়েছেন।

    জানা গিয়েছে, জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এই ভাইরাস দেখা গিয়েছে। মূলত মানবদেহের গলায় এই ভাইরাস আক্রমণ করে বলে জানা গিয়েছে। গুরুতর সংক্রমণের ক্ষেত্রে তিন-চতুর্থাংশ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিতে পারে এই ভাইরাসটি। তবে এখনও পর্যন্ত ল্যাংয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ঘটেনি কারও। বেশিরভাগ রোগীরই উপসর্গ মৃদু। রোগীদের মধ্যে ফ্লু-এর মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হল যে, এখনও এই ভাইরাসকে প্রতিহত করার জন্য কোনও টিকা বের হয়নি। এমনকি এই ভাইরাসের চিকিৎসার কোনও পদ্ধতিও নেই।

    আরও পড়ুন:মাঙ্কি পক্স নিয়ে এবার সতর্কতা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের

    কী এই ল্যাংয়া হেনিপাভাইরাস?

    ল্যাংয়া ভাইরাস বা LayV হল নিপা ভাইরাসেরই (Nipah Virus) আরও একটি অংশ। এই ভাইরাসও খানিকটা নিপা ভাইরাসের মতোই। হেনিপাভাইরাস বেশিরভাগই প্রাণী থেকে প্রাণীতে স্থানান্তরিত হয়। তবে সম্প্রতি এটি মানুষের মধ্যে শনাক্ত করা গিয়েছে। এই ভাইরাস সংক্রামক কি না, অর্থাৎ, এটি একজনের থেকে অন্য জনের দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন চিনা গবেষকরা। যদিও এখনও অবধি কোনও সংক্রমণই গুরুতর হয়নি।

    ল্যাংয়া ভাইরাসের লক্ষণ

    এই ভাইরাস সাধারণত জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যেই দেখা গিয়েছে। বেজিং ইনস্টিটিউট অফ মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড এপিডেমিওলজির গবেষকরা বলছেন, এই ভাইরাসের ক্ষেত্রে মূল উপসর্গ জ্বর। তাছাড়া কাশি, ক্লান্তি, পেশীতে ব্যথা, বমির মতো উপসর্গও লক্ষ্য করা গিয়েছে আক্রান্তদের মধ্যে।

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্সের পর এবারে চোখ রাঙাচ্ছে টোম্যাটো ফ্লু! কী এর উপসর্গ, জানুন…

    এর আগে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ল্যাংয়া ভাইরাসটি ২০১৯ সালে মানুষের মধ্যে প্রথম দেখা গিয়েছিল। তবে এই ভাইরাসে সর্বাধিক আক্রান্তের সংখ্যা এই বছর লক্ষ্য করা গিয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, নিপা ভাইরাস করোনার থেকেও বেশি মারাত্মক। কারণ আক্রান্তদের তিন-চতুর্থাংশ প্রাণ হারান। তাই এই ল্যাংয়া ভাইরাসও নিপাহ ভাইরাসের পরিবারের সদস্য হওয়ায় এটিও প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। চিনা গবেষকরা জানান, এখনও পর্যন্ত প্রায় ২% ছাগল এবং ৫% কুকুর এবং অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহেও এই ভাইরাসের সংক্রমণ মিলেছে।

  • US naval ship: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্য! এই প্রথমবার মেরামতির জন্য ভারতে মার্কিন রণতরী

    US naval ship: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্য! এই প্রথমবার মেরামতির জন্য ভারতে মার্কিন রণতরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথমবার। মেরামতির জন্য মার্কিন রণতরী (US naval ship) ভারতের উপকূলে! অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) প্রকল্পের সাফল্য প্রত্যক্ষ করছে দেশ। ভারতীয় প্রযুক্তির উপর ভরসা রাখছে বিশ্ব। এই ছবিই দেখতে চেয়েছিল আপামর ভারতবাসী।

    কূটনৈতিক মহলের অভিমত, চিনের সঙ্গে সম্পর্ক যত তিক্ত হচ্ছে, ততই ভারত-মার্কিন বোঝাপড়া দৃঢ় হচ্ছে। আর তারই অঙ্গ হিসেবে এই প্রথমবার মার্কিন রণতরী ভারতের বন্দরে এসে ভিড়ল। তাও আবার মেরামত সম্পর্কিত কাজে। ইউএসএনএস চার্লস ড্রিউ (Charles Drew) নামে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি মালবাহী জাহাজ চেন্নাইয়ের কাট্টুপল্লি বন্দরে  (Kattupalli in Chennai ) এসেছে। ওখানে মেরামতির জন্য আপাতত ১১ দিন ওই জাহাজটির থাকার কথা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসের আগে দিল্লিতে গ্রেফতার আইএস জঙ্গি! আতঙ্ক রাজধানীতে

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক কর্তা জানিয়েছেন, এই প্রথম মার্কিন নৌবাহিনীর কোনও জাহাজ ভারতের বন্দরে এসে ভিড়ল। এল অ্যান্ড টি  (Larsen & Toubro’s) জাহাজ মেরামতি কারখানার সঙ্গে ওদের একটি চুক্তি হয়েছে। যার অঙ্গ হিসেবে ভারতের ওই কোম্পানি মার্কিন জাহাজের মেরামতি ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করবে বলে জানান তিনি। একইসঙ্গে তিনি জানান, এই ঘটনায় ভারত-মার্কিন সম্পর্কের এক নতুন দিগন্ত খুলে গেল। বোঝাই যাচ্ছে, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের জাহাজ মেরামতের প্রযুক্তির উপর ভরসা করে বড় বড় দেশগুলিও। একমাত্র এদেশেই সুলভ মূল্যে অত্যাধুনিক নৌ প্রযুক্তিতে মেরামতির কাজ হয়। এখানে বিভিন্ন প্রকারের জাহাজ মেরামতির জন্য আধুনিক সরঞ্জাম ও দক্ষ কারিগরও রয়েছে।

    আরও পড়ুন: পিছিয়ে গেল চিনা জাহাজের শ্রীলঙ্কায় প্রবেশ, ভারতের অনুরোধে পাশে দাঁড়াল শ্রীলঙ্কা সরকার

    মার্কিন নৌ বাহিনীর জাহাজকে চেন্নাই বন্দরে স্বাগত জানাতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রতিরক্ষা সচিব অজয় কুমার এবং ভাইস চিফ অ্যাডমিরাল এস এন ঘোরমাড়ে। চেন্নাইয়ের মার্কিন কনসাল জেনারেল জুডিথ রাভিন এবং সেদেশের প্রতিরক্ষা দূত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাইকেল বেকারও উপস্থিত ছিলেন বন্দরে।

  • India-Srilanka: পিছিয়ে গেল চিনা জাহাজের শ্রীলঙ্কায় প্রবেশ, ভারতের অনুরোধে পাশে দাঁড়াল শ্রীলঙ্কা সরকার

    India-Srilanka: পিছিয়ে গেল চিনা জাহাজের শ্রীলঙ্কায় প্রবেশ, ভারতের অনুরোধে পাশে দাঁড়াল শ্রীলঙ্কা সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশ দেশ শ্রীলঙ্কার (Srilanka) বিপদের পাশে দাঁড়িয়েছিল ভারত (India)। কিন্তু এবারে শ্রীলঙ্কার জন্য ভারতকে বিপদের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। কারণ চিনের একটি সামরিক জাহাজ সম্প্রতি রওনা দিয়েছে শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরের উদ্দেশ্যে। আর এই জাহাজকে নিয়েই শুরু হয়েছিল জল্পনা। ফলে এই জাহাজ প্রবেশের সময় পিছিয়ে দিল শ্রীলঙ্কার নতুন সরকার রনিল বিক্রমসিংহে। আগামী সপ্তাহেই হাম্বানটোটা বন্দরে প্রবেশের কথা ছিল এই চিনা ‘গুপ্তচর জাহাজ’ ‘ইউয়ান ওয়াং-৫’-এর। অনুমান করা হয়েছে, ভারতের ওপর নজর রাখার জন্যই এই জাহাজটিকে শ্রীলঙ্কার বন্দরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছিল। তবে শ্রীলঙ্কার নতুন সরকার ভারতের কথা ভেবেই এই জাহাজ প্রবেশে কিছুসময়ের জন্য নিষেধ করেছেন।

    জানা গিয়েছে, শ্রীলঙ্কার বিদেশ মন্ত্রক কলম্বোর চিনা দূতাবাসকে জানিয়েছে যে পরবর্তী আলোচনা না হওয়া পর্যন্ত এই জাহাজ শ্রীলঙ্কার বন্দরে প্রবেশ করতে পারবে না। প্রসঙ্গত, ১২ জুলাই শ্রীলঙ্কার বিদেশ মন্ত্রক এই চিনা জাহাজ প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিল। অর্থাৎ গোটাবায়া দেশ ছাড়ার আগেই তিনি এই অনুমতি দিয়ে গিয়েছিলেন। এর ফলে যে ভারতের নিরাপত্তা, সুরক্ষায় প্রশ্ন উঠবে তা জেনেও শ্রীলঙ্কা এতে রাজি হয়েছিল। এতে ভারতের নৌবাহিনীর ওপরেও বিপদ আসতে পারে জেনেও তারা এই চিনের কথা মেনে নিয়েছিল। এর ফলেই পরে ভারত শ্রীলঙ্কার এই পদক্ষেপের বিরোধিা করে ও পরে কলম্বো চিনকে জাহাজের প্রবেশের তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

    আরও পড়ুন: ভারতের আর্থিক অবস্থা শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের মতো হবে না, দৃঢ়বিশ্বাসী রঘুরাম রাজন

    শ্রীলঙ্কার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মিডিয়া মুখপাত্র কর্নেল নলিন হেরাথ (Colonel Nalin Herath) জানিয়েছেন, চীন শ্রীলঙ্কাকে জানিয়েছে যে তারা ভারত মহাসাগরে নজরদারি ও নৌচলাচলের জন্য জাহাজটি পাঠাচ্ছে। এর ফলেই শ্রীলঙ্কার বন্দরে চিনের যুদ্ধজাহাজ আসা নিয়ে ভারত উদ্বেগে রয়েছে। আর ভারত মহাসাগরে ঢুকে শ্রীলঙ্কার কাছাকাছি এলেই চিনা জাহাজ ভারতীয় নৌসেনাদের ওপর নজরদারি চালাতে পারবে বলেই ভারত এই অবস্থায় চিন্তায় রয়েছেন।

    এর আগেও ২০১৪ সালে দু’টি চিনা ডুবোজাহাজের হাম্বানটোটা বন্দরে প্রবেশ করায় আপত্তি করা হয়েছিল নয়াদিল্লির তরফে। সেই সময়ও ভারতীয় নৌ-সেনা সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। কিন্তু এবারে আবারও জাহাজ প্রবেশের কথা উঠলে অনির্দিষ্ট কালের জন্য পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলম্বো। আর ভারত যেখানে শ্রীলঙ্কার বিপদে পাশে ছিল তেমনি এবার ভারতের অনুরোধে সাড়া দিয়েই শ্রীলঙ্কার এমন পদক্ষেপ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহলের একাংশ।

    আরও পড়ুন: রনিল বিক্রমাসিংহেকে ‘চিঠি’ দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি

     

  • Maharashtra Cabinet: সম্প্রসারিত হল শিন্ডে মন্ত্রিসভা, কে কে হলেন মন্ত্রী? 

    Maharashtra Cabinet: সম্প্রসারিত হল শিন্ডে মন্ত্রিসভা, কে কে হলেন মন্ত্রী? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন চল্লিশ দিন আগে। মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রী এই দুজনই চালাচ্ছিলেন সরকার। শেষমেশ মঙ্গলবার সম্প্রসারিত হল একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) মন্ত্রিসভার। এদিন ১৮ জন মন্ত্রীকে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে শিন্ডের মন্ত্রিসভায়। সব মিলিয়ে মন্ত্রীর সংখ্যা দাঁড়াল ২০। এদিন রাজভবনে তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল বিএস কোশিয়ারি (BS Koshyari )।

    মহাবিকাশ আঘাড়ি জোট থেকে বেরিয়ে বিজেপি সঙ্গ ধরতে চেয়েছিলেন শিবসেনা বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। তা নিয়ে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে শিন্ডের। তার পরেই শুরু হয় একপ্রস্ত নাটক। অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে প্রথমে গুজরাট ও পরে আসামে উড়ে যান শিন্ডে। চেষ্টা করেও সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারবেন না বুঝে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন উদ্ধব। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন শিন্ডে। ‘কিং মেকার’ বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ হন উপমুখ্যমন্ত্রী। তার পর থেকে গত চল্লিশ দিন ধরে সরকার চালাচ্ছিলেন তাঁরাই। এদিন রাজভবনে শপথ নেন নয়া মন্ত্রীরা। এদিন যাঁরা শিন্ডে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেয়েছেন, তাঁরা হলেন বিজেপির চন্দ্রকান্ত পাতিল, গিরিশ মহাজন, সুরেশ খাড়ে, রাধাকৃষ্ণ ভিখে পাটিল, অতুল সাভে, মঙ্গলপ্রভাত লোধা, রবীন্দ্র চৌহান, সুধীর মুঙ্গানতিওয়ার ও বিজয় কুমার গাভিট।

    আরও পড়ুন :শিবসেনা কার? উদ্ধব, শিন্ডেকে তথ্যপ্রমাণ জমা দেওয়ার নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    এঁদের মধ্যে দেবেন্দ্র ফড়নবিশের মন্ত্রিসভায় ছিলেন একমাত্র চন্দ্রকান্ত পাতিল। আর শিবসেনার তরফে যাঁরা শপথ নিয়েছেন, তাঁরা হলেন, দাদা ভুসে, শম্ভুরাজে দেশাই, সন্দীপন ভুমরে, উদয় সামন্ত, তানাজি সাওয়ন্ত, দীপক কেসারকর, আবদুল সাত্তার, গুলবো পাতিল এবং সঞ্জয় রাঠৌর। এঁদের মধ্যে উদয় সামন্ত, গুলবো পাতিল, দাদা ভুসে, সন্দীপন ভুমরে, শম্ভুরাজে দেশাই উদ্ধব ঠাকরে মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। এদিন নতুন মন্ত্রীদের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, মহারাষ্ট্র সরকারের মন্ত্রিসভায় যাঁরা শপথ নিয়েছেন, তাঁদের সাফল্য কামনা করি। এই টিমের প্রশাসনিক দক্ষতা রয়েছে, রয়েছে সুশাসন দেওয়ার ইচ্ছাও। রাজ্যবাসীর সেবা করার জন্য তাঁদের শুভেচ্ছা জানাই।

  • India export: গম, আটার পর এবার ময়দা, সুজি রফতানিতেও জারি নিষেধাজ্ঞা  

    India export: গম, আটার পর এবার ময়দা, সুজি রফতানিতেও জারি নিষেধাজ্ঞা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গম (Wheat) ও আটা (atta) রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল আগেই। এবার নিষেধাজ্ঞা জারি হল ময়দা, সুজি এবং ভূষিযুক্ত আটার রফতানিতেও। সোমবার এই মর্মে জারি হয়েছে নির্দেশিকা। আদেশ কার্যকর হবে ১৪ অগাস্ট থেকে। কেন্দ্র জানিয়েছে, বিজ্ঞপ্তি জারির আগে থেকে যদি কোনও জাহাজে পণ্য তোলা শুরু হয় কিংবা কোনও চালান শুল্কবিভাগের কাছে ইতিমধ্যেই জমা দেওয়া হয়ে গিয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে অবশ্য নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা পণ্যগুলিকে রফতানি করতে দেওয়া হবে।

    মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক বাজারে গম ও আটা রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ভারত (India)। গম রফতানির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য গঠন করা হয়েছে একটি আন্তঃমন্ত্রক কমিটি। এখন ভারত থেকে যে গম ও আটা রফতানি করা হয়, তা করা হয় এই কমিটির সুপারিশেই। ১৪ অগাস্ট থেকে দীর্ঘায়িত হবে এই তালিকায়ই। গম ও আটার পাশাপাশি এতে জুড়বে সুজি, ময়দা ও ভূষিযুক্ত আটাও। সরকারের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র আন্তঃমন্ত্রক কমিটি অনুমোদন দিলেই হবে না, তাদের অনুমোদনের পর আবার দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই এবং কলকাতা থেকে রফতানি পরিদর্শন পরিষদের দেওয়া গুণমানের শংসাপত্রও লাগবে।

    আরও পড়ুন : এদেশ থেকে কেনা গম বেচতে পারবে না আমদানিকারী দেশ, শর্ত ভারতের

    তীব্র তাপপ্রবাহের জেরে এবার শস্যের উৎপাদন হয়েছে কম। তাই দেশের বাজারে গম ও আটার দাম পৌঁছেছিল রেকর্ড উচ্চতায়। তার জেরে চলতি বছরের মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ভারত। মাস দুয়েক পরে ওই একই কারণে আটার রফতানিতেও পরানো হয় লাগাম। গম ও আটা এই দুই পণ্যই রফতানির আগে ব্যবসায়ীদের অনুমতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিদেশি রফতানি নীতির আওতায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তখনই ব্যবসায়ীরা জানান, কেবল আটা নয়, গমজাত সব পণ্যের রফতানিই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কারণ নয়া নিয়ম কেবল আটা নাকি গমজাত সকল পণ্যের ওপরই প্রয়োজ্য, সে ব্যাপারে স্পষ্ট কোনও নির্দেশিকা ছিল না। নয়া নির্দেশিকায় সেটাই স্পষ্ট হয়ে গেল। প্রসঙ্গত, গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারির জেরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ মুখর হয় ভারতের সমালোচনায়। সেই সময় অবশ্য ভারতের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছিল চিন (China)।

    আরও পড়ুন : গম, চিনির পর এবার চাল রফতানিও নিয়ন্ত্রিত করবে কেন্দ্র?

     

  • Untraceable Monuments: আচমকাই উধাও দেশের ২৪ টি স্মৃতিসৌধ! এমনটাই বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি

    Untraceable Monuments: আচমকাই উধাও দেশের ২৪ টি স্মৃতিসৌধ! এমনটাই বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবিশ্বাস্য! দেশের ২৪ টি স্মৃতিসৌধ আচমকাই উধাও! বর্তমানে এই সৌধগুলির কোনও খোঁজ নেই বলে জানাচ্ছে খোদ কেন্দ্র সরকার। সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে এই তথ্য জানান কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি (Union Culture Minister G Kishan Reddy)। ওই সৌধগুলির কাঠামো ও সৌধ সংলগ্ন এলাকা- কোনও কিছুরই খোঁজ নেই বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। দেশে সংরক্ষিত স্মৃতিসৌধের বিভিন্ন তথ্য দিতে গিয়ে এমনটাই বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: মন্দির থেকে নিলামঘরে! ৫০ বছর আগে চুরি যাওয়া দেবীমূর্তির খোঁজ মিলল নিউইয়র্কে

    তিনি এদিন জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর থেকে ১৯টি রাজ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে সুরক্ষিত সৌধগুলির সংলগ্ন জায়গা থেকে মোট ২১০ টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৯১ টি চুরি হওয়া বস্তুও উদ্ধার করা হয়েছে। আরও একজনের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, বিগত আট বছরে ৮৪৭৮টি গ্রামে ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ সার্ভে করে ২৯১৪টি গ্রাম থেকে প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছে। এছাড়াও এএসআই নিয়মিত ভাবে গ্রামে গ্রামে গিয়ে সার্ভে করে বিভিন্ন ধ্বংসাবশেষের সন্ধান চালায়। ASI দ্বারা সুরক্ষিত ভারতে মোট ৩৬৯৩টি ঐতিহ্যবাহী স্থান রয়েছে, যার মধ্যে ৭৪৩টি উত্তর প্রদেশেই রয়েছে। এইসবের তথ্য দিতে গিয়েই এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, দেশে নিখোঁজ স্মৃতিস্তম্ভের সংখ্যা ২৪টি।

    আরও পড়ুন: তাজমহলের বন্ধ ঘরে আছে বহু হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি? আদালতে তালা খোলার আবেদন

    তিনি আরও জানান, ৮৪৭৮টি গ্রামের মধ্যে পাজ্ঞাবে ও কর্ণাটকে সবচেয়ে বেশি সন্ধান চালানো হয়েছে এবং যথাক্রমে ১৩০ ও ৮৬০টি প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেয়েছে। আবার উত্তরপ্রদেশ থেকেও ১৪৪টি মন্দির সহ ৭৪৩টি স্মৃতিসৌধের সংরক্ষণের কাজ করছে এএসআই। দেশে মোট টিকিটযুক্ত এবং টিকিটবিহীন স্মৃতিসৌধের সংখ্যা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ১৯৫৮-এর অধীনে প্রাচীন স্মৃতিসৌধ এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ও ধ্বংসাবশেষ (এএমএএসআর) আইন অনুসারে,  মোট ৩৬৯৩ টি স্মৃতিসৌধ রয়েছে, যেগুলোকে জাতীয় গুরুত্ব হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে মাত্র ১৪৩টি জায়গায় প্রবেশের জন্য টাকা নেওয়া হয়। সুতরাং স্মৃতিসৌধগুলোকে সংরক্ষণ করার জন্য কেন্দ্র থেকে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ও নেওয়া হবে তা নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন জি কিষাণ রেড্ডি। হারিয়ে যাওয়া প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ সন্ধানের প্রক্রিয়া ভবিষ্যতেও বহাল থাকবে তা জানিয়েছেনে তিনি।

     

  • Amarnath Yatra: শেষ লগ্নে অমরনাথ যাত্রা, চন্দনওয়াড়ির পথে পবিত্র ছড়ি

    Amarnath Yatra: শেষ লগ্নে অমরনাথ যাত্রা, চন্দনওয়াড়ির পথে পবিত্র ছড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ লগ্নে অমরনাথ যাত্রা (Amarnath Yatra 2022)। গত চারদিন কোনও তীর্থযাত্রী অমরনাথ দর্শনে যাননি। এই নিয়ে পর পর চারদিন তীর্থযাত্রী শূন্য অমরনাথ। ৪৩ দিনের অমরনাথ যাত্রা এবার দুদিন আগে ৪১ দিনের মাথাতেই শেষ হয়েছে। ফলে, শুরু হয়েছে প্রথামাফিক ছড়ি যাত্রা। এবার মহন্ত দীপেন্দ্র গিরি মহারাজ তাঁর আরও কয়েকজন সাধু-সন্তদের নিয়ে ছড়ি যাত্রা শুরু করেছেন। ইতিমধ্যেই বেস ক্যাম্প থেকে রওনা দিয়েছেন তাঁরা। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে বুধবার পহেলগাঁও থেকে চন্দনওয়ারি অবধি যাত্রা করেছেন তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: স্থানীয়স্তরে ব্যাপক বৃষ্টি মাপার প্রযুক্তি দেশে নেই জানাল আইএমডি

    চন্দনওয়াড়িতে এক রাত কাটিয়ে বৃহস্পতিবার খুব ভোরে শেষনাগের পথে যাত্রা করবেন তাঁরা। শেষনাগে এক রাত কাটিয়ে যাবেন পঞ্চতরণীতে। সেটাই এই যাত্রার শেষ ক্যাম্প। এরপর সেখান থেকেই ১১ অগাস্ট প্রাকৃতিক উপায়ে সৃষ্ট তুষার লিঙ্গের দর্শন করবেন তাঁরা। কাশ্মীরের অনন্তনাগে ৩৮৮০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই লিঙ্গ। সেখানে সারা দিন পুজা অর্চনার পর এই সাধুর দল ফিরে আসবেন পঞ্চতরণীতে।  

    ৩০ জুন থেকে শুরু হয়েছে অমরনাথ যাত্রা । অমরনাথ গুহা একটি হিন্দু তীর্থক্ষেত্র যেটি হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অন্যতম পবিত্র শৈব তীর্থ  (Lord Shiva) হিসেবে পরিচিত। ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগর ১৪১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই তীর্থে যেতে পহেলগাও শহর অতিক্রম করতে হয়। সাধারণত জুন-জুলাই মাস থেকে শুরু হয় অমরনাথ যাত্রা। শেষ হয় জুলাই- অগাস্ট মাসে শ্রাবণী  পূর্ণিমার সময় ছড়ি যাত্রায়। পৌরাণিক মতে, পার্বতীকে গোপনে সৃষ্টি রহস্য বোঝাতে নির্জনে পাহাড়ে গুহা নির্মাণ করেন মহাদেব। করোনা অতিমারির (COVID 19 Pandemic) জেরে গত ২ বছর বন্ধ রাখা হয়েছিল এই পবিত্র যাত্রা। গ্রীষ্মকাল হলেও অমরনাথের তাপমাত্রা কিন্তু বেশ শীতল। এমনিতেই গ্রীষ্মকালে খুব কম সময়ের জন্য খোলা হয়। তারপর বরফের আচ্ছাদনেই মোড়া থাকে এই শিবলিঙ্গ। ঠান্ডা আবহাওয়া ও উচ্চতার কারণে তীর্থযাত্রাটি সকলের কাছেই চ্যালেঞ্জিং হয়ে যায়। 

    আরও পড়ুন: আতঙ্কের অবসান, ফের অমরনাথের পথে তীর্থযাত্রীরা

    সাধুদের দল ৭ অগাস্ট পহেলগাঁও পৌছেছে। এই সাধুদের সম্বর্ধনা দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পহেলগাঁও- এর শিব মন্দিরে দুই রাত কাটান এই সাধুরা। সেখানে মহন্ত জীর দর্শন করেন সাধারণ মানুষ। মহন্ত দীপেন্দ্র জী বলেন, “অমরনাথ যাত্রা শুধু হিন্দুদের জন্যে নয়। এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক।” তিনি এও জানান এই যাত্রা তিনি ৩০ বছর ধরে করে আসছেন। 

    অমরনাথে হড়পা বানে মৃতদের জন্যে শোকপ্রকাশও করেন তিনি। বলেন, এমন ঘটনা অনভিপ্রেত। তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেন, “অমরনাথ যাত্রার ক্ষেত্রে নতুন অফিসারদের দায়িত্বে না রেখে পুরোনো অফিসারদেরই দায়িত্ব দেওয়া উচিত। তাঁদের অভিজ্ঞতা এক্ষেত্রে কাজে লাগতে পারে।”

LinkedIn
Share