Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • NIA Targets Terror: স্বাধীনতা দিবসের আগে দিল্লিতে গ্রেফতার আইএস জঙ্গি!  আতঙ্ক রাজধানীতে

    NIA Targets Terror: স্বাধীনতা দিবসের আগে দিল্লিতে গ্রেফতার আইএস জঙ্গি! আতঙ্ক রাজধানীতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের এক সপ্তাহ আগে নয়াদিল্লির বাটলা হাউসে তল্লাশি চালিয়ে ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক যুবককে গ্রেফতার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (National Investigation Agency)। ১৫ অগাস্টের আগে এভাবে  রাজধানীতে আইএস (IS) মডিউলের কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তির গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ধৃতের নাম মহসিন আহমেদ।

    এনআইএ জানিয়েছে,অভিযুক্ত পটনার বাসিন্দা হলেও, বর্তমানে তিনি বাটলা হাউস অঞ্চলেই বাড়িভাড়া নিয়ে থাকছিলেন। অভিযুক্ত মহসিনের বিরুদ্ধে নেটমাধ্যমে এবং দেশের নানা প্রান্তে ইসলামিক স্টেটসের শাখা বিস্তার ও মতাদর্শ প্রচারের তথ্যপ্রমাণ হাতে এসেছে।  এনআইএ সূত্রে জানানো হয়েছে, এই সমস্ত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই অভিযুক্ত মহসিনের বিরুদ্ধে গত ২৫ জুন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দেশের নানা প্রান্তে, ইসলামিক স্টেটস-এর প্রতি সহানুভূতিশীল বিভিন্ন মানুষের থেকে অর্থসংগ্রহ করে সিরিয়ায় ও অন্যত্র পাঠাত অভিযুক্ত। ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে এই অর্থ পাচারের ঘটনা ঘটত বলে জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: পিছিয়ে গেল চিনা জাহাজের শ্রীলঙ্কায় প্রবেশ, ভারতের অনুরোধে পাশে দাঁড়াল শ্রীলঙ্কা সরকার

    এনআইএ জানিয়েছে, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মহসিন আহমেদ (২২)। সে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে মহসিনের ঘরে তল্লাশি চালানো হয় বলে জানিয়েছে এনআইএ। বাড়িতে তল্লাশির পর আইএসআইএস-এর অনলাইন এবং অন-গ্রাউন্ড কার্যকলাপ সম্পর্কিত মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও মহসিনের পরিবারের দাবি, সমস্ত অভিযোগই অসত্য। তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হবেন। মহসিনের বাবা রেলে কর্মরত। তিন বোনও রয়েছেন। 

    স্বাধীনতা দিবসের আগে দেশ জুড়ে আইএস জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। এই আবহে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই এনআইএ কর্ণাটকে আইএসআইএস হ্যান্ডলারদের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছিল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে খবর,  স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে রাজধানী দিল্লি (Delhi) এবং জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) হামলা চালাতে পারে আইএস-র সহযোগী নতুন সন্ত্রাসবাদী সংগঠন ‘লস্কর-ই-খালসা’ (Lashkar-e-Khalsa)। এ ব্যাপারে ইতিমধ্যেই সতর্ক করেছে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (Intelligence Bureau)। তাদের তথ্য অনুযায়ী, বিশেষভাবে ভারতে জঙ্গি কর্মকাণ্ড চালাতে লস্কর-ই-খালসা গঠন করেছে আইএস। সংগঠনে যোগ দিয়েছে আফগান যোদ্ধারাও।

  • CBI:  ১০০ কোটি টাকায় রাজ্যসভার আসন? চক্রের পর্দা ফাঁস সিবিআইয়ের 

    CBI:  ১০০ কোটি টাকায় রাজ্যসভার আসন? চক্রের পর্দা ফাঁস সিবিআইয়ের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটা টাকায় বিকিয়েছে সর্বভারতীয় ডাক্তারি পরীক্ষা নীটে(NEET)-র আসন। অন্তত এমনই অভিযোগ উঠেছে। এবার একই অভিযোগ উঠল রাজ্যসভার (Rajya Sabha) আসন এবং রাজ্যপালের (Governorship) পদের ক্ষেত্রেও। ১০০ কোটি টাকার বিনিময়ে রাজ্যসভার টিকিট মিলবে। দীর্ঘদিন ধরেই এমন মিথ্যে আশ্বাস দিয়ে কারবার চালাচ্ছিল একটি চক্র। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI) সূত্রেই জানা গিয়েছে এমন তথ্য। চক্রের কয়েকজন পান্ডাকেও গ্রেফতার করেছে সিবিআই।

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, অভিযোগ পাওয়ার পর গত সপ্তাহে একটি ফোনে দুই ব্যক্তির কথোপকথনকে ঘিরে সন্দেহ হয় তদন্তকারীদের কয়েকজনের। সেই সময় অর্থের বিনিময়ে রাজ্যসভার আসন নিশ্চিত করার কথা বলতে শোনা যায় ফোনের দু প্রান্তে থাকা মানুষদের। ফাঁদ পাতে সিবিআই। ছদ্মবেশে চক্রের কয়েকজনের সঙ্গে দেখা করেন সিবিআইয়ের এক আধিকারিক। টাকা হাত বদলের সময় হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের।  ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে চারজনকে। সিবিআইয়ের তরফে এদের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর-ও।

    আরও পড়ুন : পশ্চিমবঙ্গে ইডি-সিবিআই কী করছে, জানেন কি?

    ১০ জুন দেশের ১৫টি রাজ্যের ৫৭টি আসনে রাজ্যসভার নির্বাচন হয়। তার আগে থেকেই ওই চক্র সক্রিয় ছিল বলে সিবিআই সূত্রে খবর। অভিযোগের ভিত্তিতে ফোনে নজরদারি চালান গোয়েন্দারা। গ্রেফতার করা হয় চারজনকে। সিবিআই জানিয়েছে, এরা হল মহারাষ্ট্রের করমলকর প্রেমকুমার, কর্নাটকের রবীন্দ্র বিঠঠল নায়েক, দিল্লির মহেন্দ্র পাল অরোরা ও আসামের অভিষেক বরা। এফআইআরে নাম রয়েছে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত মহম্মদ আজিজ খান নামে এক ব্যক্তিরও। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, অভিষেক ও প্রেমকুমারের কাজ ছিল পদস্থ সরকারি কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা। বাকিরা চাইত টাকা। এ ব্যাপারে যাতে কোনও রাজনৈতিক নেতা বা আমলার সঙ্গে যোগাযোগ না করা হয়, সে ব্যাপারেও হুঁশিয়ারি দিত অভিযুক্তরা।

    আরও পড়ুন : কোটি কোটি টাকার লেনদেন! ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতে ৭ ইসিএল আধিকারিক

    প্রসঙ্গত, শিবসেনার বিদ্রোহী নেতা একনাথ শিন্ডের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দেওয়া আশ্বাস দিয়ে মহারাষ্ট্রের এক বিজেপি বিধায়কের কাছে চাওয়া হয়েছিল ১০০ কোটি টাকা। ওই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে রিয়াজ শেখ নামে একজনকে। এবার মোটা টাকার বিনিময়ে রাজ্যসভার টিকিট পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সিবিআইয়ের জালে চার। এই চক্রের জল কতদূর বিস্তৃত, তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।  

     

  • Asim Sarkar- Rudranil Ghosh: গানে-কবিতায় কটাক্ষে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীর্তি

    Asim Sarkar- Rudranil Ghosh: গানে-কবিতায় কটাক্ষে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত সন্দেহে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) গ্রেফতারিতে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। এবারে তৃণমূল মন্ত্রী গ্রেফতারের পরেই গান বাঁধলেন বিজেপি বিধায়ক অসিম সরকার। রীতিমতো হার্মোনিয়াম বাজিয়ে গান গাইতে দেখা গেল হরিণঘাটার বিধায়ককে। গানের প্রত্যেকটি কথায় কথায় পার্থকে কটাক্ষ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। গানের নাম ‘চোর ধরো, জেল ভরো’।

    [yt]https://youtu.be/2X9MAoetQyI[/yt]

    আরও পড়ুন: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির টাকা পৌঁছে গিয়েছে বাংলাদেশে! ইডি সূত্রে উঠে এল নতুন তথ্য

    হরিনঘাটার এই বিজেপি বিধায়ক রাজনীতি ছাড়াও তিনি সঙ্গীত জগতের সঙ্গে যুক্ত। তিনি একজন জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত শিল্পী। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির পরেই শনিবার নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এসে লাইভ করেন তিনি। সেখানেই তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন ও এরপরই পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তৃণমূলকে কটাক্ষ করে লেখা একটি গানও শোনান তিনি। এর আগেও নানা সাম্প্রতিক ও রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে গান করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমেছে বিজেপি সহ একাধিক বিরোধী শিবির। আর এরই মধ্যে একটু অন্যরকম পদ্ধতিতে, নিজে গান করে তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসিম সরকার।

    অন্যদিকে ফেসবুকে পার্থ-অর্পিতার ছবি শেয়ার করে , মমতার সরকারের প্রকল্পকে তীব্র আক্রমণ করলেন রুদ্রনীল ঘোষ। তিনি ‘দুয়ারে গর্ত’ নামে এক কবিতার মাধ্যমে তৃণমূল সহ পার্থ-অর্পিতাকে তীব্র কটাক্ষ করেন। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে রাজ্যের শাসক দলের ‘দুয়ারে’ প্রকল্প প্রসঙ্গ টেনেই রুদ্রনীল কটাক্ষ করেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। তবে এখানেই থেমে থাকেননি রুদ্রনীল ঘোষ। এর পাশাপাশি তিনি তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষকেও ব্যঙ্গ করে তাঁর ট্যুইটারের প্রসঙ্গ এনে বলেন যে, “এই টাকার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। সবই অপপ্রচার…।” অভিনেতার এই কবিতায় ২১ শে জুলাই-এর ঘটনা থেকে শুরু করে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে টাকা উদ্ধারের সমস্ত দুর্নীতির কথাই উঠে এসেছে। ফলে এভাবেই বিজেপি নেতারা তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন।

    আরও পড়ুন: পার্থর শুনানিতে প্রভাবশালী তত্ত্ব, SSKM-এ ডনের মত আচরণ করছেন পার্থ, সওয়াল ইডির

    [fb]https://fb.watch/et0dWu5Rvb/[/fb]

  • SSC Scam: ব্যাঙ্কশালে আনতেই জিজ্ঞাসা ‘টাকা কার?’ নিরুত্তর পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা

    SSC Scam: ব্যাঙ্কশালে আনতেই জিজ্ঞাসা ‘টাকা কার?’ নিরুত্তর পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও এক “ঘনিষ্ঠের” খোঁজ? রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষ্মমন্ত্রীকে ঘিরে জোর জল্পনা দানা বাঁধছে? তিনিও অধ্যাপিকা। সোস্যাল সাইটে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীকে নিয়ে হাজারো মিম-মস্করার মাঝেই উঠে এসেছে তাঁর ছবি আর নাম। শিমুরালি বিএস কলেজের এক অধ্যাপিকাকে ঘিরে জোর শোরগোল। অধ্যাপিকা শ্রীমতী চক্রবর্তীকে পেশাগত জীবনের শীর্ষে তুলতে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ অবদান আছে।

    এর আগেও কাজি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোনালিসা দাসের সঙ্গেও পার্থবাবুর বিশেষ যোগাযোগের কথা শোনা যায়। যদিও মোনালিসা দাস সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, একজন বিভাগীয় প্রধানের সঙ্গে একজন মন্ত্রীর যা সম্পর্ক থাকার কথা ততটাই সম্পর্ক পার্থবাবুর সঙ্গে।

    গত শনিবার তল্লাশি চালানোর পর ‘মন্ত্রী-ঘনিষ্ঠ’ এক অভিনেত্রী-মডেল অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের আবাসন থেকে সাড়ে ২২ কোটি টাকা, দেড় কেজি সোনার গয়না,সম্পত্তির দলিল-সহ লক্ষাধিক ডলার মূল্যের বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার করে ইডি।

    অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের কাছে এত টাকা এল কি করে? কী করতেন অর্পিতা? পার্থের সঙ্গেই বা তাঁর সম্পর্ক কেমন? এ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। সোস্যাল সাইটে অর্পিতার দাবি তিনি অভিনেত্রী। ২০০৫-এ কিছু মডেলিং-এর কাজ করতে করতেই অভিনয়ের জগতে পা। ২০১১ সালে একটি সিরিয়ালে কাজ করতে গিয়েই মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে পরিচয়। গত এগারো বছরে দুজনের ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। বাংলা ছাড়াও ওড়িশা তামিল ছবিতেও অভিনয় করতেন তিনি। নাকতলা উদয়নের পুজোর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার বা মূল মুখ ছিলেন তিনি। পার্থ অর্পিতা দুজনকে একসঙ্গে একাধিক জায়গায় দেখা যেত। সে সব ছবি এখন প্রকাশ্যে ঘুরছে সোস্যাল সাইটে। 

    রবিবারে অর্পিতাকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হল। শনিবার সন্ধ্যায় অর্পিতাকে বাড়ি থেকে বার করে জোকার ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যায় ইডি। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় অর্পিতা দাবি করেন, ‘‘আমি কোনও অন্যায় করিনি। বিজেপির চাল। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।’’ রবিবার সকালে আবারও তাঁকে জোকার ওই হাসপাতালে নিয়ে যায় ইডি। তিনটের সময় তাঁকে নিয়ে আসা হয় ব্যাঙ্কশাল কোর্টে। সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসা ‘টাকা কার?’ যদিও সে প্রশ্নের উত্তর দেননি অর্পিতা। অর্পিতার মন্তব্য “আইনের প্রতি তাঁর আস্থা রয়েছে” গতকাল সাংবাদিক বৈঠকে যে কথা বলেছিল তৃণমূল মুখপাত্র। তবে অর্পিতা জানিয়েছেন তিনি কোন দল করেন না। প্রায় চারটের সময় শুনানি শেষ হয়। ইডির পক্ষ থেকে সওয়ালে বলা হয়, ‘‘যা পাওয়া গিয়েছে, তা পেঁয়াজের মতো। খোসা ছাড়ালেই পাওয়া যাবে নতুন তথ্য।’’ তাঁর অর্থ আরও বেশি সম্পত্তির সন্ধান থাকতে পারে পার্থ চট্টোপাধ্যায় অর্পিতা মুখোপাধ্যায় যোগ সাজসে।

    মডেলিং জীবনে অর্পিতা কিছু বি়জ্ঞাপনেও কাজ করেছেন। পাশাপাশি, নেল আর্ট (নখের উপর নেলপালিশ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের নকশা করার কলা) করার বিশেষ প্রশিক্ষণও নিয়েছেন অর্পিতা। তবে ইডি সূত্রে দাবি, এই সমস্ত কাজ করে এই টাকা উপার্জন সম্ভব নয়। কিভাবে কোথা থেকে এল এত  টাকা? কত তিনি উপার্জন করেছেন, তার কোন সদুত্তর দিতে পারেননি অর্পিতা।

    সব মিলিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা তদন্তকারীরা উদ্ধার করলেও তাঁদের দাবি, যে পরিমাণ টাকা ও সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে, তা সামান্য। মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠদের বাড়ি তল্লাশি করলে আরও টাকার খোঁজ মিলতে পারে বলেই ইডির দাবি।

  • Al-Qaeda arrested: আল-কায়দা যোগ! বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার অসমের যুবক

    Al-Qaeda arrested: আল-কায়দা যোগ! বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার অসমের যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আল কায়দার (Al-Qaeda) সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে ২৪ বছর বয়সী অসমের এক যুবককে বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার করল সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের (Central Crime Branch) অফিসারেরা। রবিবার ভোর রাতে ৩০ সদস্যের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর (South Bengaluru) জয়নগরের কাছে তিলকনগরে ওই যুবকের বাড়িতে হানা দেয়। সোমবার তাকে আদালতে তোলা হয়। আদালত তাকে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। 

    প্রাথমিকভাবে জানা যায়, ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে বেঙ্গালুরু আসে আখতার হুসেন নামে ওই যুবক। সেখানে খাবার ডেলিভারির কাজ করত। অসম থেকে আসা আরও তিনজন ছেলের সঙ্গে একটি মেসে থাকত সে। বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার (Bengaluru police commissioner) সিএইচ প্রতাপ রেড্ডি জানান, হুসেনের তিন রুমমেটকেও জেরা করা হচ্ছে।

    পুলিশ সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়েই অভিযান চালানো হয়। হুসেনের সঙ্গে নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠী আল কায়দার যোগাযোগ রয়েছে। দেশে ধর্মীয় হিংসা ছড়ানো এবং দেশে জঙ্গি কার্যকলাপে মদত দেওয়ারও প্রমাণ মিলেছে আখতারের বিরুদ্ধে। তবে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সামনে আসবে, বলে দাবি পুলিশের।

    আরও পড়ুন: দেশভাগ যন্ত্রণার! এক হোক ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ, চান হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী

    হুসেনকে জেরা করে সোমবার তামিলনাড়ুর সালেম থেকে অসমের আর একজন যুবককে গ্রেফতার করে সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের অফিসারেরা। তার সঙ্গেও আল কায়দার যোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাকে সালেম থেকে বেঙ্গালুরু আনা হতে পারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।

    সম্প্রতি বাংলাদেশের ধর্মীয় গোঁড়ামি বিরোধী মুক্তমনা ব্লগার অনন্ত বিজয় দাসের খুনিকেও বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার করে কর্নাটক পুলিশের স্পেশ্যাল টাক্স ফোর্স। জাল নোটের কারবারের তদন্তে নেমে ফয়জল আহমেদ নামে আনসার উল বাংলার ওই জঙ্গিকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। বেঙ্গালুরুতে সাহেব মজুমদার নামে বসবাস করছিল সে। সঙ্গে সেখানে কাজও জুটিয়ে নিয়েছিল এই বাংলাদেশি জঙ্গি। সেও বাড়ি ভাড়া নেওয়ার জন্য অসমের কাছার জেলার বাসিন্দা বলে নথি দেখিয়েছিল।

  • PM Modi:  দেশের চেয়ে বিরোধীরা রাজনৈতিক স্বার্থকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, অভিযোগ মোদির  

    PM Modi:  দেশের চেয়ে বিরোধীরা রাজনৈতিক স্বার্থকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, অভিযোগ মোদির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দেশের তুলনায় বিরোধীরা রাজনৈতিক স্বার্থকেই (Political Interest) বেশি গুরুত্ব দিতে আগ্রহী। এদিন এই ভাষায়ই বিরোধীদের নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা (Opposition) সরকারি কাজে বাধা দিচ্ছে। গত সপ্তাহেই শুরু হয়েছে বাদল অধিবেশন। অধিবেশন শুরুর সময় শুরুর সময় থেকেই মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে সংসদের উভয় কক্ষে অধিবেশন মুলতুবি করা হয়েছে।

    এদিন সমাজবাদী পার্টির রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ হরমোহন সিংয়ের দশম মৃত্যু বার্ষিকীতে এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই নিশানা করেন বিরোধীদের। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন সময় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সরকারের কাজে বাধা সৃষ্টি করছে। কারণ তাঁরা যখন ক্ষমতায় ছিল, কাজগুলির বাস্তবায়ন করতে পারেনি। মোদি জানান, সরকার কোনও সিদ্ধান্ত নিলেই প্রশ্ন করে বিরোধীরা। মোদি বলেন, সরকারি সিদ্ধান্তগুলি যদি বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয় তবে বিরোধীরা তার বিরোধিতা করে। দেশবাসী বিরোধীদের এই আচরণ মোটেও পছন্দ করেন না বলেও জানান মোদি।

    আরও পড়ুন : ভারতকে উন্নতির শিখরে নিয়ে গিয়েছেন মোদি, মত আরএসএস নেতার

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে মতাদর্শ বা রাজনৈতিক স্বার্থকে সমাজ ও দেশের স্বার্থের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এদিন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ীর কথাও শোনা যায় মোদির মুখে। মোদি বলেন, রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব টিকে রয়েছে গণতন্ত্রের জন্য, গণতন্ত্র টিকে রয়েছে দেশের জন্য। দেশের সিংহভাগ রাজনৈতিক দল মূলত, অ-কংগ্রেসি রাজনৈতিক দলগুলি এই নীতি মেনে চলছে।

    আরও পড়ুন : দুর্নীতি মামলায় জড়িত বুলেট ট্রেন প্রকল্পের প্রধান! পদ থেকে বরখাস্ত করল মোদি সরকার

    এদিন জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গও টানেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জরুরি অবস্থার সময় যখন গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল, তখন সব গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলগুলি একযোগে রক্ষা করেছিল সংবিধানকে। এদিন অধিবেশনের শুরুতেই কংগ্রেসের চার সাংসদকে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়। সংসদের ভিতরে প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন তাঁরা। স্পিকার ওম বিড়লা প্রথমে তাঁদের সতর্ক করলেও, প্রতিবাদ চালিয়ে যান তাঁরা। কংগ্রেসের ওই চার সাসপেন্ডেড সাংসদ পরে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বিভোক্ষ দেখান।

     

  • Defence Ministry: ২৮ হাজার ৭৩২ কোটি টাকার সামরিক সরঞ্জাম কিনছে সেনা! অনুমতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের

    Defence Ministry: ২৮ হাজার ৭৩২ কোটি টাকার সামরিক সরঞ্জাম কিনছে সেনা! অনুমতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনার জন্য বড় পদক্ষেপ নিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Defrnce Ministry)। সশস্ত্র ড্রোন, কার্বাইন এবং বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট-সহ ২৮ হাজার ৭৩২ কোটি টাকার সামরিক সরঞ্জাম কেনার অনুমতি দেওয়া হল ভারতীয় সেনাকে (Indian Army)। মঙ্গলবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের (Rajnath Singh) সভাপতিত্বে ছিল প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ কাউন্সিলের বৈঠক। সেই বৈঠকেই এই অনুমতি দেয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এর ফলে আরও শক্তিশালী হবে সেনা ট্যুইটে এমনই দাবি করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    [tw]


    [/tw]

    এদিন ট্যুইটবার্তায় রাজনাথ সিং জানিয়েছেন,সেনা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হয়ে উঠতে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গত দু’বছর ধরে পূর্ব লাদাখে চিনের সঙ্গে সংঘাতের আবহের পাশাপাশি কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখায় প্রতিবেশী পাকিস্তানের নিয়মিত অনুপ্রবেশের চেষ্টার মধ্যেই ভারতের এই পদক্ষেপকে সদর্থক বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরে তৃতীয় দেশের অন্তর্ভুক্তি! কড়া সমালোচনা ভারতের

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানা যাচ্ছে,  আধুনিক যুদ্ধে ভারতীয় সেনার ক্ষমতা বাড়াতে ডিএসি দ্বারা স্বায়ত্তশাসিত নজরদারি এবং সশস্ত্র ড্রোন কেনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সামুদ্রিক নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য ১৪টি দ্রুত টহলদারির ক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ কিনতে ভারতীয় কোস্ট গার্ডের প্রস্তাবকেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এদিকে নৌবাহিনীর ১২৫০ কিলোওয়াট ক্ষমতার মেরিন গ্যাস টারবাইন জেনারেটর উন্নত করার প্রস্তাবও মেনে নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া ৪ লাখ ক্লোজ কোয়ার্টার ব্যাটল কারবাইন কেনার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, নিয়ন্ত্রণ রেখায় শত্রুর নজরদারির কথা মাথায় রেখে এবং জঙ্গি দমন অভিযানের সময় সামনাসামনি সংঘর্ষের কথা বিবেচনা করে সেনার জন্য বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট কেনারও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। 

  • Railways: প্যাসেঞ্জার ট্রেনের বেসরকারিকরণ নয়, জানালেন রেলমন্ত্রী

    Railways: প্যাসেঞ্জার ট্রেনের বেসরকারিকরণ নয়, জানালেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়মিত রুটে কোনও বেসরকারি সংস্থা ট্রেন চালাবে না। প্যাসেঞ্জার ট্রেনের বেসরকারিকরণের চিন্তা করছে না সরকার। সংসদের বাদল অধিবেশনে পরিষ্কার জানালেন রেলমন্ত্রী। রাজ্যসভায় শুক্রবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব লিখিত বিবৃতিতে জানান, রেলের বেসরকারিকরণের কোনও ভাবনাই নেই সরকারের।

    প্রসঙ্গত, অভ্যন্তরীণ পর্যটনকে জনপ্রিয় করে তোলার জন্য গত মাসেই ভারতের প্রথম বেসরকারি ট্রেন তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুর থেকে ছাড়ে। ভারত গৌরব প্রকল্পের (Bharat Gaurav scheme) অধীনে এই ট্রেনটি ত্রিপুর (Tiruppur), এরোদ (Erode), সালেম (Salem) হয়ে মহারাষ্ট্রের সিরডি (Shirdi) যায়। একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে এই ট্রেন চালানো হয়। এরপরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, তাহলে কি রেলের বেসরকারিকরণের পথে হাঁটছে সরকার। 

    সরকারি সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে রেলের বেসরকারিকরণ হবে না। সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই থাকবে রেল চলাচল। বেসরকারি উদ্যোগে পর্যটন-শিল্পে ব্যবহৃত হবে বেসরকারি রেল পরিষেবা। এরকম কয়েকটি ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে রেলের। রেলমন্ত্রী জানান, ২০২৩-২৪ সালের মধ্যে এরকম এক ডজন রেল চালানোর কথা ভাবছে সরকার। ২০২৭ সালের মধ্যে চলবে এরকম ১৫১টি ট্রেন।

    আরও পড়ুন: অরুণাচল প্রদেশে ঘন অরণ্যে ৭ শ্রমিকের খোঁজ মিলল, এখনও নিখোঁজ ১২

    কিন্তু নিয়মিত রুটে কোনও বেসরকারি সংস্থা ট্রেন চালাতে পারবে না। মূলত রেলের ‘ভারত গৌরব’ প্রকল্পের অধীনে দেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে প্যাকেজ ট্যুরের ব্যবস্থা করতে পারবে বেসরকারি সংস্থা। কোনও রাজ্য সরকারও এমন ট্রেন চালাতে পারবে। তবে সবার ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে রেল শুধু পরিকাঠামো ব্যবহার করতে দেবে। কোনও সংস্থা দু’বছরের জন্য রেলের সঙ্গে চুক্তি করতে পারবে। যে সব পথে রেল ট্রেন চালায় সেখানে বেসরকারি সংস্থার ট্রেন থাকবে না। কোথা থেকে কোথায় ট্রেন যাবে সেটা ঠিক করবে রেল। তবে বরাত পাওয়া সংস্থাই ঠিক করবে পথের কোন কোন স্টেশনে ট্রেনটি থামবে। ভাড়াও ঠিক করতে পারবে নিজেরা। তবে যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে কি না তার উপরে নজর রাখবে রেল।

  • Rashtrapatni Remark Row: অধীরের ‘রাষ্ট্রপত্নী’ মন্তব্যে তোলপাড় সংসদ, ক্ষমা চাওয়ার দাবি বিজেপির

    Rashtrapatni Remark Row: অধীরের ‘রাষ্ট্রপত্নী’ মন্তব্যে তোলপাড় সংসদ, ক্ষমা চাওয়ার দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই রাষ্ট্রপতি ভবনে পা রেখেছেন দেশের পঞ্চদশতম রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। তাঁর উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপত্নী (Rashtrapatni) মন্তব্য করার অভিযোগ উঠল কংগ্রেস (Congress) সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরীর (Adhir Chowdhury) বিরুদ্ধে। অধীরের এই মন্তব্যের জেরে রাষ্ট্রপতিকে অবমাননার অভিযোগে সরব বিজেপি (BJP)। অধীরের এই মন্তব্যের জন্য কংগ্রেসকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে লোকসভায় দাবি করেন স্মৃতি ইরানি, নির্মলা সীতারামণরা। ওই একই দাবিতে সংসদের বাইরে বিক্ষোভ দেখান পদ্ম শিবিরের সাংসদরা।

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে জেরা করছে ইডি। এনিয়ে এদিন সংসদে সরব হন বহরমপুরের সাংসদ কংগ্রেসের অধীররঞ্জন চৌধুরী। এই সময়ই অধীর দ্রৌপদী সম্পর্কে ‘রাষ্ট্রপত্নী’ শব্দটি প্রয়োগ করেন বলে অভিযোগ। অধীরের এই মন্তব্য নিয়ে লোকসভার পাশাপাশি গোল শুরু হয় রাজ্যসভায়ও। পাল্টা চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে কংগ্রেসও। একসময় উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদের উভয় কক্ষ। ঘটনার জেরে দফায় দফায় মুলতুবি হয়ে যায় দুই কক্ষের অধিবেশন।

    আরও পড়ুন : স্বাধীনতার ৭৫ বছরে তেরঙ্গা শাড়ি পরে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ দ্রৌপদী মুর্মুর

    অধীরের এহেন মন্তব্যে ভারতের মহিলা ও আদিবাসীদের অবজ্ঞা করা হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির। স্মৃতির অভিযোগ, দ্রৌপদীকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী করার পর থেকেই কংগ্রেস বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পরেও এই ধরনের মন্তব্য করে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁর। অধীরের কড়া সমালোচনা করেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যও। ট্যুইট বার্তায় তিনি বলেন, এই ধরনের মন্তব্য কেবল নারী বিদ্বেষী নয়, সেই সঙ্গে অপমান করা হয়েছে আদিবাসী সম্প্রদায়কে। এদিকে, দ্রৌপদীকে ইচ্ছে করে রাষ্টপত্নী বলেননি বলে দাবি অধীরের। তাঁর দাবি, এটি নিছকই স্লিপ অফ টাং।

    [tw]


    [/tw]

    এদিকে, লোকসভায় যখন অধীরের মন্তব্য নিয়ে হইচই হচ্ছে, তখন বিজেপি সাংসদ রমাদেবীকে সোনিয়া বলেন, অধীর চৌধুরী তো আগেই ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন, তার পরেও আমার নাম নেওয়া হচ্ছে কেন? এই সময় স্মৃতি সোনিয়াকে বলেন, আমি আপনার নাম নিয়েছিলাম। সেই সময় মেজাজ হারিয়ে সোনিয়া তাঁকে বলেন, আমার সঙ্গে কথা বোলো না। এদিকে, পরিস্থিতির মোকাবিলায় এদিনই জরুরি ভিত্তিতে দলের বৈঠক ডেকেছেন সোনিয়া। সেখানে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে অধীরকেও। থাকতে বলা হয়েছে লোকসভায় বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গেকেও। অন্যদিকে, এদিনই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে সংসদে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করেছেন অধীর।

    আরও পড়ুন : ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী দেশ! দ্রৌপদী মুর্মুর শপথগ্রহণ নিয়ে প্রতিক্রিয়া মোদির

     

  • National Flag: অমৃত-মহোৎসবে বড়সড় বদল, কিভাবে উত্তোলন করবেন জাতীয় পতাকা?

    National Flag: অমৃত-মহোৎসবে বড়সড় বদল, কিভাবে উত্তোলন করবেন জাতীয় পতাকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় পতাকা ওড়ানোর নিয়মে বদল। ১৩ থেকে ১৫ অগাস্ট রাতে আর নামাতে হবে না জাতীয় পতাকা। স্বাধীনতার ৭৫তম বার্ষিকীতে গোটা দেশে ২০কোটি ঘরে ১০০কোটি মানুষ ওড়াবেন জাতীয় পতাকা। ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তেরো থেকে পনের অগাস্ট দেশ জুড়ে উড়বে জাতীয় পতাকা। দিনে রাতে সর্বক্ষণ। রাতেও নামাতে হবে না পতাকা।  এতদিন নিয়ম ছিল সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্তই পতাকা দণ্ডের ওপর সুসজ্জিত থাকত জাতীয় পতাকা। সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে তা নামিয়ে আনা হত। আবার পরদিন সূর্যোদয়ের সঙ্গে উত্তোলন করা যেত জাতীয় পতাকা।

    স্বাধীনতার ৭৫ তম বার্ষিকীতে আনা হল বদল। এই বদল অনেকটাই নাগরিকদের দেশের পতাকা সম্পর্কে সচেতন আর দায়িত্ববোধ সম্পন্ন করার জন্য। এই সপ্তাহের শুরুতেই জাতীয় পতাকা সংক্রান্ত সংশোধনী আনা হল “দ্য ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়া ২০০২”-র নিয়মাবলীতে। সংশোধনীতে বলা হয়েছে, “Where the flag is displayed in open or displayed on the house of a member of the public, it may be flown day and night”, অর্থাৎ (জাতীয়)পতাকাটি খোলা জায়গায় উড্ডীয়মান হয় বা যে কোন সাধারণে গৃহে বা বাড়িতে ওড়ানো হলে, সেখানে জাতীয়পতাকাকে দিনরাত ওড়ানো যেতে পারে। আগে নিয়ম ছিল, প্রকাশ্যে বা জনসাধারণের বাড়িতে ছাদে বা গৃহে জাতীয় পতাকা ওড়ানো হলে, জাতীয় পতাকাকে, যে কোন আবহাওয়াতে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত উড্ডিয়মান রাখতে হবে। অর্থাৎ সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে নামিয়ে ফেলতে হবে। 

    আরও পড়ুন: এসএসসি কাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ২ দিনের ইডি হেফাজতে পাঠাল আদালত

    এর আগে ২০২১ সালের ৩০ ডিসেম্বর আরেক সংশোধনীতে আরও একটু উদারিকরণ করা হয়েছিল জাতীয় পতাকা ব্যবহারের বিধি নিষেধে। বলা হয়েছিল, জাতীয় পতাকার কোন রকম অসম্মান না করে, সাধারণ সরকারি ক্ষেত্র ছাড়াও, সাধারণ মানুষও, জাতীয় অনুষ্ঠান বা বিশেষ বিশেষ দিনে, জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে পারবেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি, বেসরকারি সংস্থাও পতাকা উত্তোলন করতে পারে। কিন্তু এমন ভাবে উত্তোলন করতে হবে যাতে, তা জাতীয় সম্মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। জাতীয় পতাকার যেন কোন রকম অসম্মান না করা হয়। তুলা, উল, সিল্ক, খাদি ছাড়াও পতাকার কাপড়ে পলিয়েস্টার ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।  

    অতএব স্বাধীনতার ৭৫ তম বার্ষিকীতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করুন। নিজের বাড়িতে লাগান। জাতীয় রঙে সেজে উঠুন সাজিয়ে তুলুন নিজের পাড়া গ্রাম শহরকে। শুধু মনে রাখতে হবে। এই পতাকা ব্যবহারের এই স্বাধীনতা আসলে আপনার ভারতীয় মন আর শিক্ষাকে আরও বেশি দায়িত্ববোধ সম্পন্ন করার।

LinkedIn
Share