Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Supreme Court on Freebies: খয়রাতির রাজনীতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন, মত সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court on Freebies: খয়রাতির রাজনীতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন, মত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতায় আসতে ফি নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দেয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে থাকে নিখরচায় নানা পরিষেবা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। এ নিয়ে কটাক্ষ করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (PM Modi)। এবার বিষয়টিকে ‘গুরুতর’ হিসেবে চিহ্নিত করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। দেশের শীর্ষ আদালতে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি এনভি রমানার (NV Ramana ) নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ বৃহস্পতিবার তাদের পর্যবেক্ষণে বলেছে, জনকল্যাণ কর্মসূচি আর বিনামূল্যে দেওয়া (Freebies) এক বিষয় নয়।

    বিজেপি ঘনিষ্ঠ জনৈক অশ্বিনী উপাধ্যায়ের দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, যাঁরা বিনামূল্যে পাচ্ছেন, তাঁরা তা পেতে চান। আবার অনেকে বলেন, তাঁদের করের টাকা প্রকৃত উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে ব্যবহার করতে হবে। তাই দু পক্ষের বক্তব্যই শোনা প্রয়োজন। এদিকে, পলিটিক্যাল ফ্রিবিজ নিয়ে নিয়ম নির্ধারণ করতে আদালতকে অনুরোধ করল কেন্দ্র। তার প্রেক্ষিতে সরকারি কোষাগারের খয়রাতি বন্ধের বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করার কথা বলেছে ওই বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন : মোদিকেই ফের প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চাইছে তামাম ভারত!

    দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ তার পর্যবেক্ষণে বলেছে, ভারতের মতো দেশে এখনও দারিদ্র রয়েছে। তাই ক্ষুধার্তদের খাদ্য দেওয়ার মতো কর্মসূচি প্রয়োজন। কিন্তু বিনামূল্যে পাইয়ে দেওয়ার প্রবণতা যাতে দেশের অর্থনীতির ক্ষতি করতে না পারে, সেদিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। দরকার খয়রাতির রাজনীতি বন্ধ করা। আদালতের তরফে এও বলা হয়, সুবিধাবঞ্চিতদের আর্থ-সামজিক কল্যাণমূলক পরিকল্পনাগুলিকে বিনামূল্যের পরিষেবা বলা যায় না। সমাজের কিছু মানুষকে নিখরচায় বিদ্যুৎ, জল এবং পরিবহণের সুবিধা দেওয়া প্রয়োজন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ অগাস্ট।

    আরও পড়ুন : ভোটারদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় অর্থনীতি, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    দোরগোড়ায় গুজরাট বিধানসভা নির্বাচন। গত মাসেই আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল গুজরাতে গিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, আপ ক্ষমতায় এলে তাঁরা বিনামূল্যে ৩০০ ইউনিট বিদ্যুৎ দেবেন। বকেয়া বিলে ছাড় দেওয়ার পাশাপাশি গোটা রাজ্যে দেওয়া হবে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পরিষেবা। একই প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাঞ্জাবের ক্ষমতা দখল করেছে অরবিন্দের পার্টি।

     

  • CBI summoned Anubrata:  ‘দিদি’ ফোন ধরছেন না, সিবিআই ডাকে বিচলিত কেষ্টর চোখে ঘুম নেই   

    CBI summoned Anubrata: ‘দিদি’ ফোন ধরছেন না, সিবিআই ডাকে বিচলিত কেষ্টর চোখে ঘুম নেই  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ টান টান কেষ্ট! দিদি তাঁর ফোন ধরছেন না। সিবিআইয়ের (CBI) ডাক এসেছে। যে দিদি তাঁকে দেখলেই বুঝে যেতেন মাথায় অক্সিজেন(Oxygen) পর্যাপ্ত নাকি কম, সেই দিদিই(DIDI) কেষ্টর বাঁশির আওয়াজ শুনতে পাচ্ছেন না। ফলে নিদ্রাহীন নিশিযাপন করছেন বীরভূমের ‘ঢাকবাদক’ অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal)।

    তৃণমূল সূত্রের খবর, আগামীকাল সোমবার গরু পাচার মামলায় ফের কেষ্টকে তলব করেছে সিবিআই। নিজাম প্যালেসে(NIZAM palace) হাজির হয়ে তাঁকে জবাব দিতে হবে তদন্তকারী সংস্থার নানা প্রশ্নের। অনুব্রতের দেহরক্ষী এখন আসানসোল জেলে। তাঁর ১০০ কোটি টাকার বেশি সম্পত্তি মিলেছে। গরু, কয়লা, বালি, পাথর পাচারের বেআইনি কারবারের নানা তথ্য সিবিআই, ইডির সংগ্রহে এসেছে। তাতেই বীরভূমের তোলাবাজির মূলপাণ্ডা হিসাবে নাম উঠে এসেছে কেষ্ট মণ্ডলের। তদন্তকারীদের হাতে এসেছে অকাট্য প্রমাণ। ফলে ডাক এসেছে সিবিআইয়ের।

    সূত্রের খবর, গত ৫ অগষ্ট সাঁইথিয়াতে এক জনসভায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu) ঘোষণা করে দিয়েছেন, মোটা পার্থর সঙ্গে এবার জেলে যাবেন মোটা কেষ্ট। বিরোধী দলনেতার এই ঘোষণার পরেই তৃণমূল শিবিরে হইহই পড়ে গিয়েছে। সাঁইথিয়ার সভার দিনেই সিবিআইয়ের এক আধিকারিক বোলপুরে নীচুপট্টির বাড়ি গিয়ে ফের হাজিরার নোটিস ধরিয়েছেন।

    ফের গরুপাচার মামলায় অনুব্রতকে তলব সিবিআইয়ের, হাজির হবেন কেষ্ট?

    তৃণমূল সূত্রের খবর, সিবিআইয়ের নোটিস (CBI Notice) পেয়ে সে দিনই পেট খারাপ হয় ঢাকবাদকের। বার বার ফোনে ধরার চেষ্টা করেন তাঁর দিদিকে। কিন্তু দিদি কেষ্টর ফোন ধরেননি। ঘনিষ্ঠ মহলে এ নিয়ে আক্ষেপও করেছেন কেষ্ট। জানিয়েছেন, এত দিনের লড়াইয়ের সঙ্গী আমি। বিপদে পড়েছি যখন, তখন দিদি আর ফোন ধরছেন না। তবে সিবিআইয়ের সামনে আর যেতে চান না অনুব্রত। তিনি সোমবারই এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ফের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে চান। তৃণমূলের এক নেতা মুচকি হেসে জানান, কেষ্টটার অবস্থা সঙ্গীন। তিনি সিবিআই দফতরে যাওয়ার চাইতে তাঁর যে কোষে পুঁজ জমেছিল, সেখানে আবার পুঁজ জমার প্রার্থনা করছেন। এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে আবার ভর্তি হতে চলেছেন তিনি।

    গরু পাচার মামলায় বিপুল সম্পত্তির হদিশ অনুব্রতর? আদালতে তথ্য দিল সিবিআই

    তৃণমূলের অনেকেই মনে করছেন, কেষ্টর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন, টুলু মণ্ডল, কেরিম খানের কাছ থেকে তল্লাশি চালিয়ে যে সব নথিপত্র উদ্ধার হয়েছে তাতে বীরভূমের কেষ্ট, তাঁর মৃত স্ত্রী এবং কন্যার নামে কয়েকশো কোটি টাকার সম্পত্তি কোথা থেকে হয়েছে, তা জানাতে হবে। সেই পরিস্থিতি এড়িয়ে চলতে চাইছেন তিনি। নিজের অ্যারেস্ট মেমোয় পরমাত্মীয় বলে মুখ্যমন্ত্রীর নাম-টেলিফোন নম্বর লিখে দিয়েছিলেন সদ্য প্রাক্তন শিল্প মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেই পার্থবাবুকে ঝেড়ে ফেলতে খুব বেশি সময় নেয়নি তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রীও নিজের দায় এড়িয়ে গিয়েছেন। এ বার কেষ্টর পালা? তাই কি কেষ্টর ফোন আর ধরছেন না তাঁর দিদি।  

     

  • Madhya Pradesh Stoneman: গ্রেফতার মধ্যপ্রদেশের তরুণ স্টোনম্যান, গ্যাংস্টার হতে চাওয়ায় বিপত্তি?  

    Madhya Pradesh Stoneman: গ্রেফতার মধ্যপ্রদেশের তরুণ স্টোনম্যান, গ্যাংস্টার হতে চাওয়ায় বিপত্তি?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ের দশকে কলকাতায় ধারাবাহিক খুন করে চলেছিল স্টোনম্যান (Stone Man)। তাকে অবশ্য ধরা যায়নি। একই কায়দায় মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) বিভিন্ন জায়গায় ‘অপারেশন’ শুরু করেছিল একজন। শেষমেশ অবশ্য শনাক্ত করা গিয়েছে খুনিকে। করা হয়েছে গ্রেফতারও। বছর আঠারোর ওই সদ্য তরুণের নাম শিবপ্রসাদ ধুরভে (Shivprasad Dhurve)। এদিন স্কুলছুট ওই তরুণকে তোলা হয় স্থানীয় আদালতে। তাকে একদিনের পুলিশি রিমান্ড পাঠিয়েছে আদালত।

    জানা গিয়েছে, এই তরুণই পরপর চারটি খুন করেছে। এর মধ্যে তিনটি খুনই করেছে সাগর (Sagar) জেলায়, একটি ভোপালে (Bhopal)। যে চারজন খুন হয়েছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই নিরাপত্তা রক্ষী, ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করা হয়েছে তাঁদের। এও জানা গিয়েছে, এদিন যখন শিবপ্রসাদকে কোর্টে তোলা হয়, তখন তাকে বিষণ্ন দেখায়নি। উল্টে পুলিশ রিমান্ডে পাঠানোর সময় সে ভিকট্রি চিহ্ন দেখিয়েছে। সাগরের এসপি তরুণ নায়েক সংবাদ মাধ্যমকে জানান, শিবপ্রসাদ যে চারজনকে খুন করেছে, তা স্বীকার করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ার দ্বারা প্রভাবিত হয়েই সে একাজ করেছে। বিখ্যাত হওয়ার জন্য সে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। তাই সে একাজ করেছে বলে জানিয়েছে।

    সাগর রেঞ্জের আইজি অনুরাগ বলেন, শিবপ্রসাদ প্রেরণা পাওয়ার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা রকম হিংসাত্মক ভিডিও দেখত। তাকে দেখে মানসিক রোগগ্রস্ত বলে মনে হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত তরুণ এও স্বীকার করেছে যে সে যখন পুণেতে থাকত, তখন সেখানেও সে একজনকে খুনের চেষ্টা করেছিল। তার বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। জামিনে ছাড়া পেয়েছে বলেও পুলিশকে জানিয়েছে এই সদ্য তরুণ। শিকারকে খুন করে সে মোবাইল, টাকাপয়সা নিয়ে পালাত বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, শিবপ্রসাদ ধনী হতে চেয়েছিল, চেয়েছিল নাম করা গ্যাংস্টার হতেও।

    আরও পড়ুন :ভোপালে সিরিয়াল কিলার আতঙ্ক, নেহাতই ‘বিখ্যাত’ হতে খুন, জানাল অভিযুক্ত

    কী বলছেন অভিযুক্ত তরুণের পরিবার? শিবপ্রসাদের ভাই বলছেন, দাদার মধ্যে কিছু বদল দেখে গত চার বছর ওর সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। অভিযুক্ত তরুণের বাবা জানান, পড়াশোনা ছেড়ে শিবপ্রসাদ ছোট থেকেই বিভিন্ন রাজ্যে কাজ করত। তবে যখনই বাড়ি আসত মায়ের কাছে টাকা চাইত। দিতে অস্বীকার করলে মাকে আত্মহত্যা করে মরতে বলত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dog Funeral: অতুলনীয় ভালোবাসা! চোখের জলে ‘রাজকীয়’ বিদায় প্রিয় পোষ্য কুকুর অঞ্জলির, ভিডিও ভাইরাল

    Dog Funeral: অতুলনীয় ভালোবাসা! চোখের জলে ‘রাজকীয়’ বিদায় প্রিয় পোষ্য কুকুর অঞ্জলির, ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : পোষ্যের প্রতি এক অপার ভালোবাসার সাক্ষী থাকল গোটা দেশবাসী। পোষ্যদের মধ্যে কুকুরকেই সবচেয়ে বেশি বিশ্বাসী বলে মনে করা হয়। কুকুরের সঙ্গে মানুষের নানান ভিডিও ভাইরাল হতে থাকে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে এবারের ভাইরাল ভিডিওটিতে মানুষের সঙ্গে কুকুরের স্বার্থহীন ভালোবাসাকে দেখা গিয়েছে। যা নেটিজেনদের মন ছুঁয়ে গিয়েছে। তবে কী এমন আছে এই ভিডিওতে? দেখা গিয়েছে, এক পরিবারের পোষ্য কুকুরের হঠাৎ মৃত্যুতে শোকে ভেঙে পড়েছে সেই পরিবার। তাই সেই মৃত কুকুরের অন্তিম যাত্রায় কোনও খামতি না রেখে ধুমধাম করে ফুল দিয়ে সাজিয়ে, ড্রাম, বাজনা বাজিয়ে, আতসবাজি ফাটিয়ে তার শেষকৃত্য পালন করেছে। আর এই ভিডিও সামনে আসতেই ঝড়ের বেগে ভাইরাল হতে শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    [tw]


    [/tw]

    ঘটনাটি ওড়িশার (Odisha) পারলেখমুন্ডি(Paralakhemundi)। পোষ্য কুকুরটির নাম অঞ্জলি। প্রায় ১৭ বছর ধরে পরিবারের সঙ্গে থেকে অঞ্জলি হয়ে উঠেছিল বাড়িরই সদস্য। এমন অবস্থায় কুকুরটির হঠাৎ মৃত্যু হলে টুন্নু গৌদা নামের ব্যক্তির পরিবারে শোকের ছায়া নেমে পড়ে। অনেক চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো যায়নি। অঞ্জলিকে শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যই মনে করত না, তাকে Lucky-Charm বলে মনে করত। কারণ তার মালিক টুন্নু গৌদা বলেছেন “সে গত ১৬ বছর ধরে আমার সাথে ছিল। অঞ্জলি আমার বাড়িতে আসার আগে আমি বেশ কিছু সমস্যায় ভুগছিলাম। তাকে আনার পরে, সবকিছু বদলে গেছে, এবং আমি কখনই কোনও আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হইনি।“

    পোষ্যের মৃত্যু সকলের কাছেই হৃদয়বিদারক ঘটনা। তাই তো টুন্নু গৌদা মানুষের মতই অঞ্জলির মৃতদেহকেও ফুল দিয়ে সাজিয়ে গাড়িতে করে নিয়ে যায় ও আতসবাজি ফাটিয়ে, বাজনা বাজিয়ে শোভাযাত্রার আয়োজন করেন। শুধু তাই নয়, সনাতন হিন্দু রীতি অনুযায়ী তার শেষকৃত্যও সম্পন্ন করেছে এই পরিবার। গৌদা পরিবারের এদিন সকলকেই কান্না ভেজা চোখে বিদায় জানাতে দেখা গিয়েছে। অন্য পশুপ্রেমীদেরও এদিন এই শেষযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে। মানুষ ও পোষ্যের এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দেখে সকলে আবেগে ভেসেছে।

  • Rajnath Singh: ছোট থেকেই সেনায় যোগ দিতে চাইতাম! আবেগপ্রবণ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    Rajnath Singh: ছোট থেকেই সেনায় যোগ দিতে চাইতাম! আবেগপ্রবণ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোটবেলা থেকেই ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। পরীক্ষাও দিয়েছিলেন। কিন্তু পারিবারিক অসুবিধার কারণে শেষ পর্যন্ত আর সেনায় যোগ দেওয়া হয়ে ওঠেনি। শুক্রবার মণিপুরের লেইমাখোংয়ে সেনার ৫৭ নম্বর মাউন্টেন ডিভিশন এবং অসম রাইফেলসের একটি যৌথ কর্মসূচিতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

    এদিন নিজের জীবনের এক অজানা অধ্যায় তুলে ধরেন রাজনাথ। তিনি বলেন, বরাবরই সেনাবাহিনীর উর্দি তাঁকে আকর্ষণ করে। এক বার সেনার শর্ট সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলাম। লিখিত পরীক্ষাও দিয়েছিলাম। কিন্তু, পারিবারিক কিছু পরিস্থিতি এবং আমার বাবার মৃত্যুর কারণে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে পারিনি।” প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কথায়, “আপনারা দেখবেন, কোনও শিশুকে সেনাবাহিনীর উর্দি দিলেই তার ব্যক্তিত্ব বদলে যায়। এই উর্দির একটা ক্যারিশমা আছে।”

    প্রসঙ্গত, ছাত্রাবস্থা থেকে সক্রিয় রাজনীতি করা রাজনাথ পেশাগত ভাবে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরের একটি কলেজের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক। সেনাদের কাজ যে কোনও পেশা ও পরিষেবার থেকে আলাদা বলেও দাবি করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টরা নিজেদের মতো করে দেশের জন্য অবদান রাখেন। তবে, আমি মনে করি আপনাদের পেশা যে কোনও পেশার এবং পরিষেবার থেকেও বেশি কিছু।” 

    আরও পড়ুন: সরকার গঠন সহজ কিন্তু দেশ গঠন…! জানুন কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    দুদিনের সফরে মণিপুরে এসেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এদিন তিনি অসম রাইফেলসের (দক্ষিণ) ইন্সপেক্টর জেনারেলের সদর দফতর পরিদর্শনে আসেন। তাঁর সফরসঙ্গী হয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ পান্ডে। অসম রাইফেলসের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বহু মানুষকে মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে প্রধান ভূমিকা নিয়েছে অসম রাইফেলস। তাই যথার্থই এই বাহিনী উত্তর-পূর্ব ভারতের ‘সেন্টিনেল’।

  • BJP on Rohingya Issue: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কোনও আপস করবে না মোদি সরকার, জানাল বিজেপিও

    BJP on Rohingya Issue: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কোনও আপস করবে না মোদি সরকার, জানাল বিজেপিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক এবং এই ইস্যুতে কোনও রকম আপস করবে না মোদি সরকার (Modi Govt.)। বুধবার সাফ জানিয়ে দিলেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। শরণার্থী রোহিঙ্গাদের (Rohingya) দিল্লিতে (Delhi) ফ্ল্যাট দেওয়ার সিধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার – এমন একটি খবরকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। তার পরেই এ ব্যাপারে অবস্থান স্পষ্ট করে দেয় পদ্ম শিবির।

    সম্প্রতি এক ট্যুইটবার্তায় কেন্দ্রীয় হাউজিং অ্যান্ড আরবান ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী (Hardeep Singh Puri) লিখেছিলেন, ভারত বরাবরই এ দেশে আশ্রয়প্রার্থীদের স্বাগত জানিয়েছে। একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দিল্লির বক্করওয়ালা এলাকার অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির জন্য তৈরি করা ফ্ল্যাটে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তাদের সাধারণ সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে এবং দিল্লি পুলিশ ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার জন্য থাকবে। বিরোধীদের কটাক্ষ করে তিনি লিখেছিলেন, যাঁরা ভারতের শরণার্থী নীতিকে সিএএ-র সঙ্গে জুড়ে বিরোধিতা করে নিজেদের কেরিয়ার তৈরি করতে অভ্যস্ত, তাঁদের জন্য দুঃসংবাদ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এহেন ঘোষণায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে সরকারকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়। তারপর বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক মুখপাত্র জানান, মিডিয়ার একাংশ যেভাবে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের কেন্দ্রের তরফে সুবিধা দেওয়ার কথা প্রচার করছে, তা ঠিক নয়। মন্ত্রকের তরফে এমন কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি বলেও জানান তিনি।

    আরও পড়ুন : রোহিঙ্গাদের ভারত থেকে বের করে দেওয়া উচিত, মত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    এদিন বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়াও বলেন, রোহিঙ্গারা দেশের সুরক্ষার পক্ষে বিপজ্জনক। তাঁর অভিযোগ, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জাতীয় সুরক্ষাকে দূরে ঠেলে, এনিয়ে রাজনীতি করছেন। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে কিছু খবর বেরিয়েছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে। জনতাকে ভুল পথে চালিত করতেই এসব করা হয়েছে। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বিষয়টি পরিষ্কার করে দিয়েছে। তিনি বলেন, অনুপ্রবেশ নিয়ে কোনওরকম আপস করতে রাজি নয় মোদি সরকার। এদিকে, প্রবল চাপের মুখে পড়ে পিছু হঠেছেন মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী স্বয়ং। বুধবার ফের এক ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন : রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন দিতে কোনও নির্দেশিকা জারি হয়নি, সাফ জানাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

     

     

  • Nitish Kumar: বিজেপি ছেড়ে আরজেডি! মুখ্যমন্ত্রী নীতীশই, জানুন কী বলছে বিহারের নয়া সমীকরণ

    Nitish Kumar: বিজেপি ছেড়ে আরজেডি! মুখ্যমন্ত্রী নীতীশই, জানুন কী বলছে বিহারের নয়া সমীকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। মঙ্গলবার দলীয় সাংসদ এবং বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন তিনি। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বিজেপির সঙ্গে জোট ভেঙে বেরিয়ে আসবে জেডিইউ। এরপরেই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে তাঁর ইস্তফাপত্র জমা দিয়ে দেন নীতীশ। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে তাঁর সদ্ধান্তের কথা জানান। এর আগে নীতীশ রাবড়ি দেবীর বাড়িও যান বলে খবর। সেখানে রাবড়ি ও লালু পুত্র তেজস্বীর সঙ্গে কথা হয় নীতীশের। রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা দিয়ে আসার পর নীতীশ জানান, এটা তাঁর একার নয় দলগত সিদ্ধান্ত।

    সূত্রের খবর, মহাজোটের সব বিধায়কের জন্য মঙ্গলবার রাবড়ি দেবীর বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাবড়ি দেবীর বাসভবন ১০ সার্কুলার রোডে অবস্থিত। অন্যদিকে, সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার কংগ্রেস কোটা থেকে একজন উপমুখ্যমন্ত্রী করার প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু তার প্রস্তাবে আরজেডি আপত্তি জানিয়েছে। আরজেডি সূত্রে জানা গিয়েছে, নীতীশ কুমারকে সমর্থন জানাবে আরজেডি। মন্ত্রীসভা গঠনে কোনও বিভেদ থাকবে না। তেজস্বী যাদব জানিয়েছেন যে, তাঁদের ১৬০ জনের সমর্থন রয়েছে।

    আরও পড়ুন: নতুন সঙ্গী আরজেডি! বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ নীতীশের, ফের ‘মহাজোট’-এর পথে বিহার?

    জেডিইউ-র সংসদীয় বোর্ডের সভাপতি উপেন্দ্র কুশওয়াহা নীতীশ কুমারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি এদিন ট্যুইটে লিখেছেন, ‘নতুনভাবে নতুন নেতৃত্বের জন্য নীতীশ কুমারকে অভিনন্দন। ‘বর্তমানে বিহার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব উপ-মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। তাঁর হাতে স্বরাষ্ট্র দফতর থাকবে। আরজেডি সূত্রে খবর, ২০১৫ সালের মতোই ১৫ জন মন্ত্রী পেতে পারে আরজেডি। স্পিকার পদে বসতে পারেন আরজেডি নেতা। 

    সূত্রের খবর, বিহার মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দেবেন ১৬ জন  বিজেপি (BJP) মন্ত্রী। ২৪৩টি আসনের বিহার বিধানসভায় এই মুহূর্তে নীতীশ কুমারের জেডিইউয়ের বিধায়ক সংখ্যা ৪৫। অন্য দিকে, বিহারে একক বৃহত্তম দল তেজস্বীর আরজেডি। তাঁর দলের ৭৯ জন বিধায়ক। দ্বিতীয় বৃহত্তম দল বিজেপি, তাদের কাছে ৭৭ জন বিধায়ক। বিহারে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন ১২২ জনের সমর্থন।

    আরও পড়ুন: ধনখড়ের প্রশ্নের মুখে মমতার ১৯ বিল, নতুন রাজ্যপাল কি আদৌ সই করবেন?

    এ ছাড়া কংগ্রেসের আছে ১৯ জন বিধায়ক। সিপিআইএমএল লিবারেশনের রয়েছেন ১২ জন বিধায়ক। জিতনরাম মাঝির হামের রয়েছে চার জন বিধায়ক। সিপিএম এবং সিপিআইয়ের রয়েছে মোট চার বিধায়ক। এক জন করে নির্দল ও এআইএমআইএম বিধায়ক। এই হিসেব অনুযায়ী পূর্বতন মহাগটবন্ধনের অঙ্ক কষলে দেখা যাচ্ছে, আরজেডি, কংগ্রেস ও জেডিইউ মিলিয়ে ১৪৩ জন বিধায়ক। যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে অনেকটাই বেশি। পাশাপাশি সিপিআইএমএল লিবারেশন, সিপিএম ও সিপিআই-ও আগের মহাগটবন্ধন সরকারে ছিল। জিতনরাম মাঝির হামের চার বিধায়ক তেজস্বী, নীতীশের পাশেই থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে। অতএব পদ্ম ছেড়ে লণ্ঠন হাতে নিয়েও অ্যানে মার্গের বাসভবনে ফেরায় কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয় নীতীশের। তিনিই মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, থাকবেনও!

  • Bihar Political Crisis: নতুন সঙ্গী আরজেডি! বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ নীতীশের, ফের ‘মহাজোট’-এর পথে বিহার?

    Bihar Political Crisis: নতুন সঙ্গী আরজেডি! বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ নীতীশের, ফের ‘মহাজোট’-এর পথে বিহার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুপুর গড়ানোর আগেই জল্পনায় যবনিকা পড়ে গেল (Bihar Political Crisis)। বিহারে বিজেপির সঙ্গে জোট ভেঙে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। রাজভবনে যাওয়ার আগেই  রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন জনতা দল ইউনাইটেডের (JDU) প্রধান।

    গত শুক্রবার থেকেই পাটনার রাজনীতিতে দোলাচল চলছিল। রবিবার দিল্লিতে নীতি আয়োগের বৈঠকে নীতীশের অনুপস্থিতি সেই জল্পনাকে আরও উস্কে দেয়। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন চলছিল বিহারে বিজেপি-নীতীশের জোট সরকারের পতন হতে পারে। সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। 

    এদিন নিজ বাসভবনে সকাল ১১টায় দলীয় বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক ডেকেছিলেন জেডিইউ প্রধান। সেখানেই নীতীশ জানিয়ে দেন, তাঁর সিদ্ধান্তের কথা। এই নিয়ে গত এক দশকে দু-দুবার বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করলেন নীতীশ। ২০১৩ সালে নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করায় তিনি এনডিএ ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন। 

    এরপর, ২০১৭ সালে লালুপ্রসাদ যাদবের দল রাষ্ট্রীয় জনতা দল ও কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তিনি বিহারে মহাজোট গঠন করে ক্ষমতায় এসেছিলেন। এরপর আরজেডির বর্তমান প্রধান তথা লালু-পুত্র তেজস্বী যাদব, যিনি সেই সময় নীতীশ মন্ত্রিসভার উপ-মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তিনি মহাজোট ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। পতন হয় শরিক সরকারের। এরপর নীতীশ বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গঠন করেন। এবার ফের একবার পদ্ম ছেড়ে হাতে লণ্ঠন নিচ্ছেন নীতীশ?

    এদিকে, পাঁচ বছর পর ফের ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে আরজেডি। তেজস্বী আগেই জানিয়েছিলেন, নীতীশ যদি বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করে, তাহলে জেডিইউ-কে সমর্থন করবে তারা। এমনকী, নীতীশই যে মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন, তাও একপ্রকার জানিয়ে দেন তেজস্বী। বিজেপি-জেডিইউ জোট শেষ হওয়ার ইঙ্গিত মিলতেই, উৎসব শুরু হয়ে যায় রাবড়ি দেবীর বাসভবনে। 

    জানা গিয়েছে, এদিন বিকেল চারটের সময়ে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে ইস্তফা দেবেন নীতীশ কুমার। সঙ্গে থাকবেন তেজস্বীও। একইসঙ্গে, তাঁরা নতুন সরকার গঠনেরও আবেদন জানাতে পারেন। সূত্রের খবর, নতুন সরকারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও স্পিকারের পদ পেতে পারে আরজেডি। হতে পারে, এবারও তেজস্বী উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদে আসীন হবেন।

  • Modi Niti Aayog: বিশ্বকে নেতৃত্ব দিক ভারত, নীতি আয়োগের বৈঠকে এমনই ইচ্ছে প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    Modi Niti Aayog: বিশ্বকে নেতৃত্ব দিক ভারত, নীতি আয়োগের বৈঠকে এমনই ইচ্ছে প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে আত্ম নির্ভর হতে হবে। কৃষি ক্ষেত্রে আগামীতে ভারতই নেতৃত্ব দেবে পুরো বিশ্বকে। রবিবারের নীতি আয়োগের (Niti Ayog) বৈঠকে এমনটাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। এদিন দেশের কৃষি ক্ষেত্রকে (Farm Sector) আরও শক্তিশালী করার বার্তা দিলেন মোদি।  

    এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দ্রুত নগরায়ণ ভারতের দুর্বলতার বদলে শক্তি হয়ে উঠেছে। জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: নীতি আয়োগের বৈঠকে হাজির মমতা, কিছু না বলেই ধরলেন কলকাতার উড়ান

    তিনি আরও বলেন, “ভোজ্য তেলের ক্ষেত্রেও ভারতকে আত্ম নির্ভর হতে হবে।” 

    আগামী বছর ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে জি-২০ (G-20) সম্মেলন। রবিবারের বৈঠকে এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা আমাদের কাছে একটা বিরাট সুযোগ। এর মাধ্যমে আমরা বিশ্বকে এটা দেখাতে পারব যে, ভারত মানে শুধু দিল্লি নয়। একাধিক রাজ্য আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়ে গড়ে উঠেছে এই দেশ। জি-২০ (G-20) সম্মেলন নিয়ে দেশজুড়ে প্রচারের কথাও বলেও তিনি। “এই সম্মেলনের আগে আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবানদের খুঁজে বের করতে হবে। যাতে তাঁদেরকে গোটা বিশ্বের সামনে তুলে ধরা যায়।” 

    আরও পড়ুন: নীতি আয়োগের পরবর্তী ভাইস চেয়ারম্যান সুমন কে বেরি

    বিগত কয়েক বছর ধরেই নীতি আয়োগের ভার্চুয়াল বৈঠক হয়ে আসছে। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শেষবার নীতি আয়োগের সামনা সামনি বৈঠক হয়েছে। এরপর বিভিন্ন কারণে ভার্চুয়াল মাধ্যমেই সারতে হয়েছে এই বৈঠক। ২০২০ সালেও করোনা সংক্রমণের কারণে ভার্চুয়াল বৈঠক হয়। করোনা পরবর্তী সময়ে এই প্রথমবার মুখোমুখি বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা।   

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ২৩ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, ৩ জন লেফটাল্যান্ট গভর্নর, ২ জন অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। 

    মূলত চারটে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় এই বৈঠকে। সেগুলি হল,

    ১) শস্যবৈচিত্র্য এবং ডাল, তৈলবীজ এবং অন্যান্য কৃষিপণ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করা।

    ২) স্কুলে শিক্ষায় জাতীয় শিক্ষা নীতির বাস্তবায়ন।

    ৩) উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষানীতির বাস্তবায়ন।

    ৪) মজবুত আর্বান প্রশাসন।

     

  • Vice President Elections: উপরাষ্ট্রপতি পদে জয়ী জগদীপ ধনখড়, জানেন তিনি কত ভোট পেলেন?

    Vice President Elections: উপরাষ্ট্রপতি পদে জয়ী জগদীপ ধনখড়, জানেন তিনি কত ভোট পেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশা মতোই উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে (Vice Presidential Elections) পদে জয়ী হলেন বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল এনডিএর (NDA) প্রার্থী  বিজেপির (BJP) জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। বিপুল ব্যবধানে তিনি হারালেন বিরোধী প্রার্থী মার্গারেট আলভাকে (Margaret Alva)। ৭২৫টি প্রদত্ত ভোটের মধ্যে যেখানে ধনখড় পেয়েছেন ৫২৮ ভোট, সেখানে বিরোধী প্রার্থীর ঘরে পড়েছে মাত্র ১৮২ ভোট। প্রদত্ত ভোটের ৭২.৮২% ভোট পেয়ে জিতলেন জগদীপ ধনখড়। 

    পেশায় আইনজীবী ধনখড়ের জন্ম ১৯৫১ সালের ১৮ মে, রাজস্থানের ঝুনঝুন জেলার কিথানায়। স্কুলের পাঠ শেষে আইনবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করেন তিনি। ১৯৭৮-৭৯ সালে রাজস্থান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি পাশ করেন ধনখড়। আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন রাজস্থান হাইকোর্ট ও পরে সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন তিনি। পরে আসেন রাজনীতিতে। ১৯৮৯ সালে রাজস্থানের ঝুনঝুন লোকসভায় জনতা দলের প্রার্থী হন ধনখড়। জয়ীও হন। তার পরের বছরই হন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত তিনি ছিলেন রাজস্থানের কিষণগড়ের বিধায়ক। ২০০৩ সালে তিনি যোগ দেন বিজেপিতে।

    আরও পড়ুন : উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ের পথে এগিয়ে ধনখড়, কেন জানেন?

    এর পর থেকে রাজনীতির পাশাপাশি চলতে থাকে সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিসও। ২০১৯ সালের ৩০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদে শপথ নেন ধনখড়। তার পর থেকে বারবার সংবাদের শিরোনামে এসেছেন তিনি। সম্প্রতি তাঁকে উপরাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেয় এনডিএ। নাম ঘোষণা হতেই রাজ্যপাল পদে ইস্তফা দিয়ে মনোনয়নপত্র পেশ করেন ধনখড়। বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে এখন তিনি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদাধিকারী।

    এদিন সকালে ভোট শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ভোট দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সহ অন্যরা। ভোটে অংশ নেয়নি তৃণমূল। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মুহূর্তে দিল্লিতে থাকা সত্ত্বেও এদিন ভোটদানে বিরত ছিল তৃণমূল। যা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। যদিও, দলের দুই সাংসদ শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী এদিনের ভোটগ্রহণে অংশ নিয়েছিলেন, যা সমান তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

    এদিকে, ধনখড়ের জয়ে খুশির হাওয়া গেরুয়া শিবিরে। ধনখড়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। অন্যদিকে বিরোধী প্রার্থী মার্গারেট আলভার হারে শোকের ছায়া বিরোধী শিবিরে।

    আরও পড়ুন : সুপ্রিম কোর্টে বরাদ্দ চেম্বার ছাড়লেন জগদীপ ধনখড়, কেন জানেন?

LinkedIn
Share