Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • National Flag: অমৃত-মহোৎসবে বড়সড় বদল, কিভাবে উত্তোলন করবেন জাতীয় পতাকা?

    National Flag: অমৃত-মহোৎসবে বড়সড় বদল, কিভাবে উত্তোলন করবেন জাতীয় পতাকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় পতাকা ওড়ানোর নিয়মে বদল। ১৩ থেকে ১৫ অগাস্ট রাতে আর নামাতে হবে না জাতীয় পতাকা। স্বাধীনতার ৭৫তম বার্ষিকীতে গোটা দেশে ২০কোটি ঘরে ১০০কোটি মানুষ ওড়াবেন জাতীয় পতাকা। ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তেরো থেকে পনের অগাস্ট দেশ জুড়ে উড়বে জাতীয় পতাকা। দিনে রাতে সর্বক্ষণ। রাতেও নামাতে হবে না পতাকা।  এতদিন নিয়ম ছিল সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্তই পতাকা দণ্ডের ওপর সুসজ্জিত থাকত জাতীয় পতাকা। সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে তা নামিয়ে আনা হত। আবার পরদিন সূর্যোদয়ের সঙ্গে উত্তোলন করা যেত জাতীয় পতাকা।

    স্বাধীনতার ৭৫ তম বার্ষিকীতে আনা হল বদল। এই বদল অনেকটাই নাগরিকদের দেশের পতাকা সম্পর্কে সচেতন আর দায়িত্ববোধ সম্পন্ন করার জন্য। এই সপ্তাহের শুরুতেই জাতীয় পতাকা সংক্রান্ত সংশোধনী আনা হল “দ্য ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়া ২০০২”-র নিয়মাবলীতে। সংশোধনীতে বলা হয়েছে, “Where the flag is displayed in open or displayed on the house of a member of the public, it may be flown day and night”, অর্থাৎ (জাতীয়)পতাকাটি খোলা জায়গায় উড্ডীয়মান হয় বা যে কোন সাধারণে গৃহে বা বাড়িতে ওড়ানো হলে, সেখানে জাতীয়পতাকাকে দিনরাত ওড়ানো যেতে পারে। আগে নিয়ম ছিল, প্রকাশ্যে বা জনসাধারণের বাড়িতে ছাদে বা গৃহে জাতীয় পতাকা ওড়ানো হলে, জাতীয় পতাকাকে, যে কোন আবহাওয়াতে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত উড্ডিয়মান রাখতে হবে। অর্থাৎ সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে নামিয়ে ফেলতে হবে। 

    আরও পড়ুন: এসএসসি কাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ২ দিনের ইডি হেফাজতে পাঠাল আদালত

    এর আগে ২০২১ সালের ৩০ ডিসেম্বর আরেক সংশোধনীতে আরও একটু উদারিকরণ করা হয়েছিল জাতীয় পতাকা ব্যবহারের বিধি নিষেধে। বলা হয়েছিল, জাতীয় পতাকার কোন রকম অসম্মান না করে, সাধারণ সরকারি ক্ষেত্র ছাড়াও, সাধারণ মানুষও, জাতীয় অনুষ্ঠান বা বিশেষ বিশেষ দিনে, জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে পারবেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি, বেসরকারি সংস্থাও পতাকা উত্তোলন করতে পারে। কিন্তু এমন ভাবে উত্তোলন করতে হবে যাতে, তা জাতীয় সম্মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। জাতীয় পতাকার যেন কোন রকম অসম্মান না করা হয়। তুলা, উল, সিল্ক, খাদি ছাড়াও পতাকার কাপড়ে পলিয়েস্টার ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।  

    অতএব স্বাধীনতার ৭৫ তম বার্ষিকীতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করুন। নিজের বাড়িতে লাগান। জাতীয় রঙে সেজে উঠুন সাজিয়ে তুলুন নিজের পাড়া গ্রাম শহরকে। শুধু মনে রাখতে হবে। এই পতাকা ব্যবহারের এই স্বাধীনতা আসলে আপনার ভারতীয় মন আর শিক্ষাকে আরও বেশি দায়িত্ববোধ সম্পন্ন করার।

  • Gaya temple: নিয়ম-রীতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিহারের মন্দিরে অহিন্দু মন্ত্রী! ক্ষুব্ধ বিজেপি, কী বলছে মন্দির কর্তৃপক্ষ

    Gaya temple: নিয়ম-রীতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিহারের মন্দিরে অহিন্দু মন্ত্রী! ক্ষুব্ধ বিজেপি, কী বলছে মন্দির কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) সঙ্গে গয়ার বিষ্ণুপাদ মন্দিরের গর্ভগৃহে গিয়েছিলেন বিহারের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মহম্মদ ইজরাইল মনসুরি। অহিন্দু  কোনও ব্যক্তি কীভাবে মন্দিরের গর্ভগৃহে ঢুকলেন? প্রশ্ন তুলল বিহার বিজেপি (BJP)। বিজেপির বিহার রাজ্য সভাপতি সঞ্জয় জয়সওয়ালের দাবি, নীতীশ কুমারকে ক্ষমা চাইতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমা না চাইলে বিজেপি কর্মীরা রাজ্যের সর্বত্র তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ করবে। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ বা রাজ্যের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী মনসুরি এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি।

    নীতীশ কুমারের সরকারি ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে গর্ভগৃহে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী দু’জনের পুজো করার ছবি পোস্ট করা হয়েছে। মন্দির থেকে বেরিয়ে মনসুরি বলেন, ‘‘বিষ্ণুপাদ মন্দিরের গর্ভগৃহে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের সঙ্গে প্রবেশ করতে পারা আমার সৌভাগ্য।’’এরপরই বিতর্ক শুরু হয়।

    মনসুরির মন্দিরে প্রবেশ নিয়ে আপত্তি তুলেছে মন্দির কমিটিও। মন্দিরের কর্তারা বলেন, আমরা জানতাম না মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রীও আসবেন। তবে ওঁর উচিত ছিল মন্দিরের নিয়ম মেনে ভিতরে প্রবেশ না করা। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, হিন্দু ছাড়া অন্য ধর্মের মানুষের মন্দিরে প্রবেশ নিষেধ। মন্দিরের গেটে সেই বিজ্ঞপ্তি লেখাও রয়েছে। তার পরেও মনসুরি মন্দিরে কী ভাবে প্রবেশ করেছেন, সেই নিয়ে তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করেছেন কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুন: বহরে বড় জাতীয় সড়ক! নয়া প্রকল্পের ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করির

    বিহার বিজেপির মুখপাত্র তথা জাতীয় সাধারণ সম্পাদক নিখিল আনন্দ বলেন, ‘‘নীতীশ কুমার হিন্দু ধর্মগ্রন্থ বা হিন্দু রীতিনীতিতে বিশ্বাস করেন না। যে ভাবে নীতীশ কুমার মন্দির চত্বর দূষিত করেছেন, তার জন্য হিন্দু ধর্মাবলম্বী এবং সনাতন ধর্মে বিশ্বাসীদের কাছে তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত। মুসলিম তোষণের জন্য নীতীশ ছবি তোলার সুযোগ খোঁজেন, এই পদক্ষেপকে ধিক্কার জানাই।’’

    বিজেপির বিহার রাজ্য সভাপতি সঞ্জয় জয়সওয়ালের প্রশ্ন, “শুধু হিন্দুদেরই কেন উদারতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে? নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) কি পারবেন মক্কায় যেতে?” প্রসঙ্গত, বিহারে মন্ত্রীদের কয়েকটি করে জেলার প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতে হয়। বিশেষ করে উন্নয়ন এবং আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে নজর রাখার দায়িত্ব থাকে মন্ত্রীদের উপর। লালুপ্রসাদের পার্টি রাষ্ট্রীয় জনতা দলের মন্ত্রী মনসুরি গয়ার দায়িত্বে আছেন। সেই কারণে মুখ্যমন্ত্রীর গয়া সফরে তিনি সঙ্গী ছিলেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Kargil Vijay Diwas: ২৩ তম কার্গিল বিজয় দিবসে বীর শহীদদের শ্রদ্ধার্ঘ্য বলিউড তারকাদের

    Kargil Vijay Diwas: ২৩ তম কার্গিল বিজয় দিবসে বীর শহীদদের শ্রদ্ধার্ঘ্য বলিউড তারকাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল কার্গিল বিজয় দিবসের ২৩ বছর পূর্ণ হল। ১৯৯৯ সালে আজকের দিনেই কার্গিল যুদ্ধে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জয়লাভ করেছিল আমাদের ভারতবর্ষ। আর যাঁরা এই জয় এনে দিয়েছিলেন, সেই সব বীর শহীদদের স্মরণে এই দিনটি আমাদের প্রতিটি ভারতীয়দের কাছে একটি স্মরণীয়। প্রতিবছর ২৬ জুলাই দিনটি কার্গিল বিজয় দিবস (Kargil Vijay Diwas) হিসেবে উদযাপন করা হয়। ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে লড়াকু ভারতীয় সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন গোটা ভারতবাসী। এদিন এর মধ্যে বলিউডের তারকারাও সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন।

    বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার ট্যুইটে লিখেছেন, অক্ষয় কুমার টুইটারে লিখেছেন, “ভারতের এই বীরদের জন্যে আজ আমরা নিরাপদ।”  

    [tw]


    [/tw] 

    অজয় দেবগণ একটি ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন, কার্গিল বিজয় দিবসে ভারতের শহীদ বীরদের আমার সেলাম। জয় হিন্দ।“

    [tw]


    [/tw]

    অভিষেক বচ্চন টুইট করেছেন, “কারগিল বিজয় দিবসে, যারা আমাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করেছেন সেই বীর শহীদদের শত-শত প্রণাম। জয় হিন্দ। কার্গিল বিজয় দিবস।”

    [tw]


    [/tw]

    অভিনেতা ফারহান আখতার তাঁর পরিচালনা করা ছবি ‘লক্ষ্য’-এর একটি ক্লিপ শেয়ার করেছেন ও কার্গিলে ভারতীয় সেনা ও শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    রাজকুমার রাও লিখেছেন, যারা ভারতের জন্য প্রাণ দিয়ছেন, সেইসব সাহসী যোদ্ধাদের স্যালুট।

     অভিনেত্রী তাপসী পান্নু ট্যুইটে কার্গিল যোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    অনুপম খের সেনাদের কিছু ছবি শেয়ার করেছেন ও হিন্দিতে একটি কবিতা লিখে তাঁদের প্রণাম জানিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

     

  • SC on Freebies: খয়রাতি ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের মধ্যে বিভাজন রেখা প্রয়োজন, মত সুপ্রিম কোর্টের

    SC on Freebies: খয়রাতি ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের মধ্যে বিভাজন রেখা প্রয়োজন, মত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খয়রাতি (Freebies) ইস্যুটি জটিল। তাই খয়রাতি ও জনকল্যাণমূলক (Welfare Schemes) প্রকল্প এবং অন্য নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যে স্পষ্ট বিভাজন রেখা টানা প্রয়োজন। মঙ্গলবার এমনই জানাল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। প্রধান বিচারপতি এনভি রামানার নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ জানান, খয়রাতির বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এবং এজন্য বিতর্কের প্রয়োজন।

    ক্ষমতায় আসতে প্রতিটি নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতির (Election Freebies) বন্যা বইয়ে দেয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে থাকে নিখরচায় নানা পরিষেবা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও। এ নিয়ে কটাক্ষ করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (PM Modi)। বিষয়টিকে ‘গুরুতর’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে দেশের শীর্ষ আদালতও। সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি এনভি রমানার (NV Ramana) নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সম্প্রতি তাদের পর্যবেক্ষণে বলেছে, জনকল্যাণ কর্মসূচি আর বিনামূল্যে দেওয়া এক বিষয় নয়। বিজেপি ঘনিষ্ঠ জনৈক অশ্বিনী উপাধ্যায়ের দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, যাঁরা বিনামূল্যে পাচ্ছেন, তাঁরা তা পেতে চান। আবার অনেকে বলেন, তাঁদের করের টাকা প্রকৃত উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে ব্যবহার করতে হবে।

    আরও পড়ুন :খয়রাতি নয়, মর্যাদার সঙ্গে রোজগার করাই বেশি পছন্দ ভোটারদের, মত সুপ্রিম কোর্টের

    মঙ্গলবার দেশের শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, সব রাজনৈতিক দলই ভোটের সময় খয়রাতির প্রতিশ্রুতি দিতে চায়। তারা এ ধরনের প্রতিশ্রুতি দেয়ও। প্রধান বিচারপতি রামানা বলেন, কিছু জিনিস যেমন মেয়েদের সাইকেল কিংবা কৃষকদের গবাদি পশু দেওয়ার প্রতিশ্রুতি এগুলিকে জনকল্যাণ মূলক কাজকর্মের সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করা যায়। তিনি বলেন, এই ইস্যুতে বিতর্ক হওয়া প্রয়োজন। এবং বিষয়টি বিবেচনার জন্য সংসদে উত্থাপনের প্রয়োজন। রামানা বলেন, গ্রামাঞ্চলে গরু-ছাগল পালন মানুষের জীবিকা। তাই এগুলিকে খয়রাতি হিসেবে দেখলে চলবে না। কেউ কেউ মেয়েদের সাইকেল দেয় শিক্ষা কিংবা ব্যবসা করার উদ্দেশ্যে। প্রশ্ন হল এখানেই, কোনটা খয়রাতি, কোনওটাই বা জনকল্যাণ?  সুপ্রিম কোর্টের আরও পর্যবেক্ষণ, গ্রামের একজন গরিব মানুষের কাছে এ জাতীয় জিনিসপত্রের প্রয়োজন খুবই। এবং সেটা নিয়ে আদালতের এই ঘরের মধ্যে বিতর্ক হতে পারে না। প্রসঙ্গত, এর আগে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, আমি মনে করি না ভোটাররা নিখরচায় নানা পরিষেবা পেতে চান। সুযোগ পেলে তাঁরা সম্মানজনকভাবেই রোজগার করতে চাইবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • PoK: পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই! জানুন কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    PoK: পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই! জানুন কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (Pakistan-Occupied Kashmir) ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কার্গিল বিজয় দিবসে (Kargil Vijay Divas) বললেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। জম্মুতে ২৩ তম কার্গিল দিবসের অনুষ্ঠানে রাজনাথ বলেন, ‘‘পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে সংসদে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা বাস্তবায়িত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল, আছে এবং থাকবে। বাবা অমরনাথ ভারতে, আর মা সারদা শক্তি নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে, এটা হতে পারে নাকি!’’ প্রসঙ্গত, শারদাপীঠ হিন্দু দেবী সরস্বতীর মন্দির। এই মন্দির এখন পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত।

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালের ৮ মে থেকে ২৬ জুলাই অবধি হয়েছিল কার্গিল যুদ্ধ। দুর্গম এলাকায় শীতের সুযোগে পাকিস্তানের সেনা ঢুকে পড়েছিল ভারতীয় ভূখণ্ডে। পাক সেনাবাহিনীর সেই অসৎ উদ্দেশ্যকে প্রতিহত করেছিলেন ভারতীয় সেনারা। দুর্গম এলাকায়, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে প্রচুর প্রাণের বিনিময়ে পাক বাহিনীকে হঠাতে সমর্থ হয়েছিল ভারত। তার পর থেকেই পালন করা হয় কার্গিল বিজয় দিবস।

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতার ৭৫ বছরে তেরঙ্গা শাড়ি পরে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ দ্রৌপদী মুর্মুর

    কার্গিল বিজয় দিবসে যুদ্ধ জয়ের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে রাজনাথের কথায়। ভারতীয় সেনাবাহিনীর বীরত্বের কথাও স্বাভাবিক ভাবেই আলোচিত হয়েছে। এ ব্যাপারে রাজনাথ বলেছেন, “আমাদের সেনারা দেশের জন্য সবথেকে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছেন। প্রচুর সাহসী সেনা ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে নিজেদের জীবন দিয়েছেন। আমি তাঁদের নতমস্তকে প্রণাম জানাই।” পাশাপাশি জম্মুতে যে সব নিরাপত্তারক্ষী দেশের জন্য প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের পরিবারের লোকেদের সঙ্গেও কথা বলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। 

  • Sonia Gandhi: সোনিয়াকে টানা ছ’ ঘন্টা জেরা ইডির, ফের তলব বুধে   

    Sonia Gandhi: সোনিয়াকে টানা ছ’ ঘন্টা জেরা ইডির, ফের তলব বুধে   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় (National Herald Case) আজ, বুধবার ফের ইডি (ED) দফতরে তলব  করা হয়েছে কংগ্রেসের (Congress) অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধিকে (Sonia Gandhi)। এনিয়ে মোট তিনবার তলব করা হল কংগ্রেসের প্রবীণ নেত্রীকে। এর আগে মঙ্গলবারও ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন সোনিয়া। এদিন ঘণ্টা ছয়েক ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বর্ষীয়ান নেত্রীকে। সূত্রের খবর, সোনিয়ার জবাবে সন্তুষ্ট নন ইডি কর্তারা। সেই কারণেই ফের মঙ্গলবার তলব করা হয় তাঁকে।

    এদিন সকাল ১১টা নাগাদ মেয়ে প্রিয়ঙ্কা ও ছেলে রাহুলকে নিয়ে ইডি দফতরে হাজির হন সোনিয়া। মায়ের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে জিজ্ঞাসাবাদের পুরো সময়টাই ইডির দফতরে বসেছিলেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা। আর ইডির দফতরে তলবের প্রতিবাদে কংগ্রেসের তরফে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেন রাহুল। সেখানে তাঁকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। জানা গিয়েছে, এদিন ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্র ও ইয়ং ইন্ডিয়ান প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে কংগ্রেস নেত্রী কতটা জড়িত, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন করা হয়। ইডি সূত্রে খবর, এর মধ্যে তিনি প্রায় ৩০টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। এদিন প্রথমে টানা আড়াই ঘণ্টা জেরা করা হয় কংগ্রেস নেত্রীকে। মাঝে মধ্যাহ্নভোজের জন্য ৯০ মিনিটের বিরতি দেওয়া হয়। দুপুর থেকে ফের শুরু হয় জেরা। চলে সন্ধে সাতটা পর্যন্ত।

    আরও পড়ুন : ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ম্যারাথন জেরা রাহুলকে, আজ ফের তলব

    ইডির অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর মণিকা শর্মার নেতৃত্বেই এদিন জেরা করা হয় সোনিয়াকে। কীভাবে ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্র চালানো হত, কোথা থেকে সংবাদপত্র চালানোর টাকা আসত, কারা কারা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সোনিয়া এবং রাহুল ন্যাশনাল হেরাল্ডের সঙ্গে কতটা যুক্ত ছিলেন এসব বিষয়ে কংগ্রেস নেত্রীকে একাধিক প্রশ্ন করা হয়। সূত্রের খবর, এদিন সোনিয়া প্রয়াত কংগ্রেস নেতা মতিলাল ভোরার নাম নেন। তাঁর দাবি, কেবল দলের পূর্বতন কোষাধ্যক্ষ মতিলাল ভোরা এই লেনদেনের বিষয়টি জানতেন। জানা গিয়েছে, ইয়ং ইন্ডিয়া কংগ্রেসকে মাত্র ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছে। যদিও ডোটেক্স মার্চেন্ডাইজ প্রাইভেট লিমিটেডের কাছে এক কোটি টাকা নেওয়া হয়েছিল। এই ডোটেক্স মার্চেন্ডাইজ কলকাতার কোনও একটি কোম্পানি বলে ইডি সূত্রে খবর।  এদিকে, ইডি সূত্রে খবর, সোনিয়ার বয়ানের সঙ্গে রাহুলের বয়ানের ফারাক কতটা, মিল-ই বা কোথায় তা যাচাই করবেন ইডি কর্তারা। প্রসঙ্গত, এই মামলায় সোনিয়ার আগে রাহুলকে বার ছয়েক তলব করেছিল ইডি। তাঁকে পঞ্চাশ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জেরা করেন ইডির আধিকারিকরা।  

    আরও পড়ুন : আজ মানিক ভট্টাচার্যকে তলব ইডি-র, পার্থ-অর্পিতার মুখোমুখি বসিয়ে জেরা?

  • Monkey Pox: দেশে চতুর্থ মাঙ্কি পক্স আক্রান্তের হদিশ, এবার দিল্লিতে

    Monkey Pox: দেশে চতুর্থ মাঙ্কি পক্স আক্রান্তের হদিশ, এবার দিল্লিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও এক মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox) আক্রান্তের হদিশ মিলল। কেরলের পরে এবার দিল্লিতে (Delhi)। এই নিয়ে দেশে চারজন আক্রান্ত হলেন মাঙ্কি পক্সে। তবে এই ব্যক্তি বিদেশ ফেরত নন। কখনও বিদেশে সফর করেননি। বিদেশ সফর না করলেও কিছুদিন আগেই হিমাচল প্রদেশের মানালিতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এই মুহূর্তে দিল্লির লোক নায়ক হাসপাতালে ভর্তি ।  

    আরও পড়ুন: বিশ্বব্যাপী জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করেছে মাঙ্কিপক্স, ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার  

    ৩৪ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি গায়ে ফোসকার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরীক্ষা করালে শনিবার রিপোর্টে ধরা পড়ে তিনি মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত। তারপরেই হাসপাতালে তাঁকে আইসোলেটেড (Isolated) করা হয়। 

    আরও পড়ুন: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, তৃতীয় আক্রান্তের হদিশ মিলল সেই কেরলেই  

    শনিবারই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organization) পক্ষ থেকে মাঙ্কি পক্স নিয়ে ‘গ্লোবাল হেলথ এমার্জেন্সি’ (Global Health Emergency) জারি করা হয়েছে। গোটা বিশ্বের ৭৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই রোগ। আক্রান্তের সংখ্যা ১৬,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই এই রোগে মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ গুলির মধ্যে ভারত এবং থাইল্যান্ডে মাঙ্কি পক্সের হদিশ মিলেছে। ভারতে মাঙ্কি পক্স নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

    দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, “ভয় পাওয়ার কারণ নেই। যারা যারা ওই রোগীর সংস্পর্শে এসেছে সবাইকে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে। সবার পরীক্ষা করা হবে।” 

    হু- এর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ডিরেক্টর পুনাম ক্ষেত্রপাল সরকারকে নজরদারি আরও বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। আরও বেশি করে পরীক্ষা করার কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, “দ্রুত ছড়াচ্ছে এই রোগ। আর এটাই দুশ্চিন্তার কারণ।” 

    ইতিমধ্যেই কেরলে তিনজন মাঙ্কি পক্স আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। তিনজনেই সম্প্রতি দুবাই থেকে দেশে ফিরেছেন। দেশে এই প্রথম কেউ আক্রান্ত হলেন যার বিদেশ সফরের রেকর্ড নেই। আর তাতেই আরও বেশি চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা।  

     

  • Amit Shah: লক্ষ্য সন্ত্রাসমুক্ত উপত্যকা, কাশ্মীরের নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করার নির্দেশ অমিত শাহের

    Amit Shah: লক্ষ্য সন্ত্রাসমুক্ত উপত্যকা, কাশ্মীরের নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করার নির্দেশ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ভারত-পাক সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করতে কী করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বৃহস্পতিবারের ওই বৈঠকে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জম্মু-কাশ্মীরের উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহা, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (Ajit Doval), কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রধান এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনীর কর্তারা।     

    জানা গিয়েছে, আগের চেয়ে ভূস্বর্গ এখন অনেক শান্ত। উপত্যকা থেকে ৩৭০ ধারা রদ হওয়ার পর বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তি হয়েছে ইতিউতি। পরে কড়া হাতে তার মোকাবিলা করে উপত্যকার প্রশাসন। সম্প্রতি শুরু হয়েছিলে টার্গেট কিলিং। বেছে বেছে হত্যা করা হচ্ছিল হিন্দু এবং শিখদের। বাদ যাননি এই দুই ধর্মের পরিযায়ী শ্রমিকরাও। প্রশাসন কড়া হাতে রাশ ধরতেই ভূস্বর্গে ফিরেছে কাঙ্খিত শান্তি। তবে এই সব হত্যা কীভাবে চিরতরে নির্মূল করা যায়, তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : গুজরাট, হিমাচল প্রদেশের সঙ্গেই নভেম্বরে ভোট হবে জম্মু-কাশ্মীরেও?

    ভারত-পাক সীমান্তে কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্তের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি এদিন শাহ বলেন, সীমান্ত পারাপারের ভয় দূর হয়েছে। বন্ধ হয়েছে অস্ত্র এবং গোলাবারুদ পাচার। জম্মু-কাশ্মীরের মানুষ প্রশাসনের সহযোগিতায় এসব বন্ধ করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতেই এদিন বৈঠকে বসেছেন শাহ। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চলতি বছর অমরনাথ যাত্রা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য তিনি বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা ও প্রশাসনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। করোনা পরিস্থিতির কারণে গত দু বছর সম্পন্ন হয়নি অমরনাথ যাত্রা।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে ওই বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, পরিকল্পনা মাফিক কাজ ও পুলিশ এবং নিরাপত্তা রক্ষীদের যৌথ প্রচেষ্টায় সন্ত্রাস বিরোধী অপারেশন জারি রাখতে হবে। যাতে করে উপত্যকা থেকে সন্ত্রাসবাদ চিরতরে নির্মূল হতে পারে। ইউএপিএ ধারায় যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই মামলাগুলিও খতিয়ে দেখা হয়েছে। সামনেই শীতকাল। প্রতি বছরের মতো এবারও জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা শুরু করেছে পাকিস্তান। সূত্রের খবর, অনুপ্রবেশ বন্ধের প্রশ্নে কোনও ধরনের গাফিলতি যাতে না হয়, সেদিকে বিশেষভাবে নজর দিতেও বলেছেন শাহ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • National Herald case: দ্বিতীয়বার ইডির সামনে সোনিয়া! রাহুল-সহ ১৭ জন কংগ্রেস সাংসদ আটক

    National Herald case: দ্বিতীয়বার ইডির সামনে সোনিয়া! রাহুল-সহ ১৭ জন কংগ্রেস সাংসদ আটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় (National Herald Case) মঙ্গলবার দ্বিতীয়বারের জন্য এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) সামনে হাজির হলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। গতকাল নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান থাকায় ইডির কাছে হাজিরা স্থগিত রাখা হয়েছিল। একাধিকবার দিন পরিবর্তনের পর ২১ জুলাই দিল্লিতে ইডি দফতরে প্রথমবার হাজিরা দেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী। এদিন ইডি দফতর পর্যন্ত সোনিয়ার সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও। সঙ্গে ছিলেন মেয়ে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা।

    গতমাসে একই মামলায় রাহুল গান্ধীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। সোনিয়াকে প্রথম জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় গত সপ্তাহে। ইডি সূত্রের খবর, রাহুলের তুলনায় সোনিয়া তাদের প্রশ্নের জবাব অনেক দ্রুত দিয়েছেন। একবারও বয়ান বদল করেননি। রাহুল একাধিকবার শুধু মৌখিক বয়ান বদল করেছেন তাই-ই নয়, তিনি আইনজীবীর পরামর্শে লিখিত বয়ানও বদলান।

    [tw]


    [/tw]

    এদিকে দলনেত্রীকে ইডির তলবের প্রতিবাদে এদিন ফের দিল্লি সহ সারা দেশে কংগ্রেস সত্যাগ্রহ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। তারা বিভিন্ন শহরে ইডি অফিসের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে। দিল্লিতে কংগ্রেস রাজঘাটে গান্ধীর সমাধিস্থলে অবস্থান কর্মসূচি নিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ তাদের আটকে দিয়েছে। রাহুল গান্ধী-সহ ১৭ জন কংগ্রেস সাংসদকে আটক করা হয়। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা সকলেই প্রায় দিল্লিতে। রাজঘাটে ঢুকতে না দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে কংগ্রেস নেতা অজয় মাকেন বলেন, আমরা দেশের প্রধান বিরোধী দল। আমাদের নেত্রীকে অন্যায়ভাবে ইডি ডেকে পাঠাচ্ছে। অথচ প্রতিবাদও করতে দেবে না সরকার। কেন্দ্রীয় সংস্থা সোনিয়া গান্ধীকে হেনস্থা করছেন এই অভিযোগে সংসদ চত্বরে সাংসদ অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে মিছিল করেছে কংগ্রেস কর্মীরা। এই প্রতিবাদ মিছিলের নাম দেওয়া হয়েছে সংসদ টু সড়ক। 

    আরও পড়ুন: আল-কায়দা যোগ! বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার আসামের যুবক

    এদিকে কংগ্রেসের এই আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে তোপ দেগেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র। তিনি বলেছেন, ‘দেশ জুড়ে যে আর্থিক দুর্নীতিতে বিরোধীরা যুক্ত তা নিয়ে তদন্ত হওয়াই উচিত।’ তিনি প্রশ্নও করেন বিরোধীদের এই বিষয়টি পছন্দ নয় বলে কি এই নিয়ে তদন্ত, জিজ্ঞাসাবাদ বন্ধ থাকবে। কংগ্রেসের প্রতিবাদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিবাদের নামে কংগ্রেস আসলে নাটক করে। রাজপথে শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ তাদের কাজ করেছে।

  • USAID chief: মূল্যবোধই ভারতের সম্পদ! অভিমত সামান্থার

    USAID chief: মূল্যবোধই ভারতের সম্পদ! অভিমত সামান্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মূল্যবোধই ভারতের সম্পদ। অর্থ, যশ , সম্পদ নয় প্রতিটি ভারতবাসীর মূল্যবোধ এবং চেতনা দেশটিকে উন্নতির শিখরে নিয়ে গিয়েছে। অভিমত ইউসেডে-এর (United States Agency for International Development) কর্তা সামান্থা পাওয়ারের (Samantha Power)। দিল্লি আইআইটিতে (Delhi IIT)  ‘বিশ্ব এক পরিবার’ শীর্ষক এক আলোচনায় একথা বলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: এসসিও-র বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে উজেবেকিস্তান যাচ্ছেন জয়শঙ্কর

    সামান্থার কথায়, অন্যায়ের সঙ্গে আপোশ করে না ভারত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত একসঙ্গে পরিবেশ রক্ষা, সন্ত্রাস দমন, সারা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করতে চায়। ভারতের সঙ্গে শক্তিশালী বন্ধন গড়ে তুলতে চায় আমেরিকা। ভারত ও আমেরিকা উভয় দেশেই গণতন্ত্র এবং ব্যক্তিস্বার্থ একসঙ্গে রক্ষিত হয় বলে জানান সামান্থা। তাঁর মতে, বহুত্ববাদের মধ্যে সারা দেশকে কীভাবে একসূত্রে বেঁধে রাখা যায় তা দেখিয়ে দিয়েছে ভারত। আমেরিকা ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস রয়েছে। পরস্পরের উপর বিশ্বাস থাকলে বন্ধুত্বে চিড় ধরে না। বছরের পর বছর ধরে আমেরিকা এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। ভারতে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র বর্তমান। আর আমেরিকা সকলের জন্য উন্মুক্ত, গোটা বিশ্বকে একটাই পরিবার বলে মনে করে ভারত ও আমেরিকা। তাই দুই দেশের মধ্যে এত মিল রয়েছে বলে জানান সামান্থা। 

    আরও পড়ুন: চিনকে রুখতে ভারতের পাশে! নয়া আইন পাশ মার্কিন সংসদে

    ভারতের বিদেশমন্ত্রী (Foreign Minister) জয়শঙ্করও (S Jaishankar) জানান সাম্প্রতিক কালে নয়াদিল্লি-ওয়াশিংটনের মধ্যে সামরিক এবং আর্থিক সহযোগিতা অনেক দৃঢ় হয়েছে। চিনের মোকাবিলায়, আমেরিকা ভারতকে সাহায্য করেছে। ইউক্রেন যুদ্ধের আবহ সেই সহযোগিতার আবহ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে কি না জানতে চাওয়া হলে জয়শঙ্কর বলেন, ‘‘আমি মনে করি না, আমেরিকা ও ভারতের সম্পর্কে চিড় ধরবে। যে কোনও পরিস্থিতিতেই ভারত তার মূল্যবোধ এবং স্বার্থের ভিত্তিতে অবস্থান নিয়েছে এবং নেবে।’’

     

LinkedIn
Share