Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Madras HC: জামাতের অনুমতি পেলেই গণেশ পুজো! নির্দেশ মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    Madras HC: জামাতের অনুমতি পেলেই গণেশ পুজো! নির্দেশ মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে গণেশ পুজো করতে গেলে জামাতের অনুমতি পত্র থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট। কলোনির সকলকে নিয়ে গণেশ পুজো করতে চেয়েছিলেন কোয়েম্বাটোরের উক্কাদামের হাউজিং বোর্ড কলোনির বাসিন্দা মহালক্ষ্মী। গণেশ চতুর্থী থেকে শুরু করে চারদিন ব্যাপী পুজোর আয়োজনের কথা ভেবেছিলেন তিনি। কিন্তু প্যান্ডেল করার জন্য থানা থেকে সম্মতি চাইতে গেলেই বাধে বিপত্তি। অঞ্চলটি মুসলিম প্রধান হওয়ায় থানা সম্মতি দিতে রাজি হয় না। থানা থেকে সম্মতি না মেলায় আদালতের দ্বারস্থ হন মহালক্ষ্মী। সেই আবেদনের  ভিত্তিতেই এই নির্দেশ।

    আরও পড়ুন: চলতি বছরেই এফএমসিজি বাজারে আত্মপ্রকাশ রিলায়েন্স রিটেলের, ঘোষণা মুকেশ-কন্যা ইশার

    মহালক্ষ্মীর আইনজীবী জানিয়েছেন, ওই এলাকাটিতে মুসলিমরা বাস করলেও পুজো-অর্চনা বা গণপতি আরাধনায় কারুর আপত্তি নেই। তাঁর আবেদনে বলা হয়েছে যে, কলোনির বাসিন্দারা গণেশের মূর্তি স্থাপন করে গণেশ চতুর্থী উদযাপন করতে চান। আশেপাশের অঞ্চলে বসবাসকারী মুসলিমদের এতে কোনও সমস্যা নেই। তারা উৎসবে অংশ নিতে চান। এমনকি ভোগ বিতরণেও তাদের সম্মতি রয়েছে। এরপরে পুলিশ-প্রশাসনের আপত্তি খাটে না।  তিনি আদালতকে অনুরোধ করেন, প্যান্ডেলের অনুমতি দেওয়ার জন্য পুলিশকে যেন নির্দেশ দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: কালীপুজোর সময়েই আসতে চলেছে জিও ৫জি! আগামী বছরেই সারা দেশে, জানুন কী বললেন মুকেশ আম্বানি

    পুলিশের তরফে আদালতে বলা হয় মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় প্যান্ডেল করে পুজো করলে আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হতে পারে। এখন না বোঝা গেলেও পরবর্তীতে সমস্যার সৃষ্টি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। দুপক্ষের কথা শুনে মাদ্রাজ হাইকোর্ট মহালক্ষ্মীকে গণেশ প্যান্ডেল স্থাপনের আগে স্থানীয় জামাতের সম্মতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের তরফে বলা হয়, ” বিনায়ক মূর্তি স্থাপনের জন্য জামাত কমিটির অনুমতি-সহ সংশ্লিষ্ট থানায় একটি হলফনামা দাখিল করতে হবে। তারপর তিনি গণেশ চতুর্থীর উৎসব পালন করুন।”  তবে পুজো অর্চনা করলেও কোনও মিছিল বা জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে আদালত। বলা হয় সমস্ত অনুষ্ঠান হাউজিং কলোনির মধ্যেই যেন সীমাবদ্ধ থাকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • ‘Har Ghar Tiranga’: ৫ কোটিরও বেশি সেলফি ‘হর ঘর তিরঙ্গা’-র ওয়েবসাইটে, দাবি কেন্দ্রের

    ‘Har Ghar Tiranga’: ৫ কোটিরও বেশি সেলফি ‘হর ঘর তিরঙ্গা’-র ওয়েবসাইটে, দাবি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের ৭৬তম স্বাধীনতা দিবস (76th Independence Day) উপলক্ষে দেশবাসীকে ‘হর ঘর তিরাঙ্গা‘ (Har Ghar Tiranga) অভিযানে সামিল হওয়ার ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ (Azadi Ka Amrit Mahotsav) -এর অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় সরকার এই অভিযানটি শুরু করেছে। ফলে জাতীয় পতাকা নিয়ে সেলফি (Selfie) বা ছবি ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) ওয়েবসাইটে (website) আপলোড (Upload) করার জন্য আহ্বান করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেখা গিয়েছে, এই আহ্বানে বিপুল সাড়া পড়েছে। কেন্দ্রের হিসেব অনুযায়ী, ‘হর ঘর তিরাঙ্গা’ ওয়েবসাইটে ৫ কোটিরও বেশি সেলফি আপলোড হয়েছে। বিষয়টিকে ‘অসাধারণ সাফল্য’ বলে অভিহিত করেছে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক।

    আরও পড়ুন: ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ অভিযানে শামিল হবেন কীভাবে? সার্টিফিকেট কী করে ডাউনলোড করবেন? জেনে নিন

    সূত্রে খবর, স্বাধীনতা দিবসের দিন বিকেল ৪টের সময় ‘হর ঘর তিরঙ্গা’-র সাইটে জাতীয় পতাকা নিয়ে ৫ কোটিরও বেশি সেলফি আপলোড হয়েছে। এই বিশেষ দিনটিকে এইভাবে উদযাপন করার জন্য দেশের সমস্ত নাগরিক ও যাঁরা দেশের বাইরে থেকেও এই দিনটিকে উদযাপন করেছে, তাঁদের কে ধন্যবাদ জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক। প্রসঙ্গত, স্বাধীনতার ৭৫ বছর উদযাপন, ১২ মার্চ, ২০২১ এ শুরু হয়েছিল এবং ১৫ অগাস্ট, ২০২৩ সাল পর্যন্ত চলবে। ফলে দেশের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’- এর আয়োজন করা হয়েছে আর এর ভিত্তিতে অনেক কর্মসূচির আয়োজন করেছে কেন্দ্র সরকার। তারই একটি অংশ ছিল ‘হর ঘর তিরঙ্গা’। এদিন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতিমন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি বলেন, ‘গোটা দেশকে ধন্যবাদ! মাতৃভূমির প্রতি ভালবাসা প্রকাশের এক বিশেষ মুহূর্ত এটি। সকলকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।’

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসে গাড়িতে পতাকা লাগানোর কথা ভাবছেন? তাহলে আগে জানুন এই নিয়ম

    এবারের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অন্য বছরের থেকে কিছুটা আলাদাই ছিল। এই হর ঘর তিরাঙ্গা উদ্যোগের ফলে যেমন সমস্ত ভারতবাসী তাঁদের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে অনুপ্রাণিত হয়েছে, তেমনি এবারে জাতীয় পতাকার চাহিদাও ছিল তুঙ্গে। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের মনে দেশাত্মবোধ তৈরি করা এবং জাতীয় পতাকার প্রতি তাঁদের আরও বেশি শ্রদ্ধাশীল করে তোলা। শুধুমাত্র সাধারণ মানুষ নয়, এবারে সরকারের এই উদ্যোগে সিনেমা জগতের অনেক তারকাদেরও এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে বা বাড়িতে পতাকা উত্তোলন করেছেন ও ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারও করেছেন।

  • India at 75: ১৫ অগাস্টকেই কেন ভারতের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে বেছে নেওয়া হল জানেন?

    India at 75: ১৫ অগাস্টকেই কেন ভারতের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে বেছে নেওয়া হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তির পর এবার ১৫ অগাস্ট (15th August) ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করবে ভারত। দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ (Azadi ka Amrit Mohatsav) কর্মসূচির ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। 

    সালটা ছিল ১৯২৯। তখন কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন জওহরলাল নেহরু (Jawaharlal Nehru)। সেই সময় ‘পূর্ণ স্বরাজ’(Purna Swaraj)- এর ডাক দেন তিনি। শুরুতে ২৬ জানুয়ারি দিনটিকে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল। ১৯৩০ থেকে ১৯৪৬ পর্যন্ত ২৬ জানুয়ারিকেই  স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করত কংগ্রেস। বর্তমানে এই দিনটিকে সাধারণতন্ত্র দিবস হিসেবে পালন করে গোটা দেশ। ১৯৫০ সালে এই দিনেই স্বাধীন ভারতের প্রথম সংবিধান কার্যকর হয়।

    আরও পড়ুন: ‘হর ঘর তেরঙ্গা’, কী ভাবে পোস্ট অফিস থেকে অনলাইনে অর্ডার করবেন দেশের পতাকা?     

    গোটা দেশে যখন পূর্ণ স্বরাজের দাবি প্রবল হয়ে ওঠে, তখন ভারত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয় ব্রিটিশ সরকার। ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্ট  লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে ১৯৪৮ সালের জুন মাস পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়। কিন্তু, গোটা দেশে যেভাবে বিক্ষোভের পরিমাণ বাড়ছিল, তাতে মাউন্টব্যাটেন বুঝতে পেরেছিলেন, ১৯৪৮ পর্যন্ত আর অপেক্ষা করা যাবে না। যত দ্রুত সম্ভব, ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। এ প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা রাজা গোপালাচারী ঐতিহাসিক মন্তব্য করেন। তিনি বলেছিলেন, “ব্রিটিশরা যদি ১৯৪৮ সালের ৩০ জুনের অপেক্ষা করত, তাহলে হস্তান্তরের জন্য ব্রিটিশের হাতে কোনও ক্ষমতাই অবশিষ্ট থাকত না।” ভাবগতিক বুঝে মাউন্টব্যাটনে স্বাধীনতা এগিয়ে আনেন  ১৯৪৭ সালের অগাস্টে। 

    আরও পড়ুন: ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ অভিযানে শামিল হবেন কীভাবে? সার্টিফিকেট কী করে ডাউনলোড করবেন? জেনে নিন

    ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ শাসক লর্ড মাউন্টব্যাটেন দাবি করেছিলেন, তিনি দাঙ্গা বা রক্তপাত চাননি। তাই ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় এগিয়ে আনেন। কিন্তু তার পরেও ভারত ভাগের সময় ব্যাপক রক্তপাতের সাক্ষী হয় গোটা দেশ। এর পরে মাউন্টব্যাটেন লিখেছিলেন, “যেখানেই সাম্রাজ্যের ক্ষমতা হস্তান্তর হয়েছে, সেখানেই রক্তপাত হয়েছে। এ দাম দিতেই হবে।”  

    কেন ১৫ অগাস্ট দিনটিকেই বেছে নিলেন, সেই জবাবে মাউন্ট ব্যাটেন বলেছিলেন,  দিনটি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের দ্বিতীয় বার্ষিকী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪৫ সালের ১৫ অগাস্ট জাপান সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল এবং মাউন্টব্যাটেন সে সময় মিত্রবাহিনীর সেনাপতি ছিলেন। তাই যখন সবাই ক্ষমতা হস্তান্তরের দিন তাঁর কাছে জানতে চান, তখন ওই দিনটির কথাই হঠাত বলে ফেলেন মাউন্ট ব্যাটেন।

    একইসঙ্গে স্বাধীন হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান। তবে পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস ১৪ অগাস্ট হলেও ভারতে স্বাধীনতা দিবস পালিত হয় ১৫ অগাস্ট। অথচ  স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী একই দিনে দুই দেশ স্বাধীন হওয়ার কথা ছিল। 

    ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস আলাদা কেন?

    আইন অনুযায়ী অবিভক্ত ভারতে ব্রিটিশ রাজ শেষ হয় একদিনেই, তা ১৫ অগাস্ট। ভারতের স্বাধীনতা বিলেও দুই দেশকেই ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দেওয়ার কথা বলা ছিল। পাকিস্তান শুরুতে ১৫ অগাস্টকেই স্বাধীনতা দিবস হিসেবে মেনে নিয়েছিল। পাকিস্তানের প্রথম ভাষণে জিন্না বলেছিলেন, “১৫ অগাস্ট স্বাধীন, সার্বভৌম পাকিস্তানের জন্মদিন”। কিন্তু ১৯৪৮ সাল থেকে পাকিস্তান ১৪ আগস্টকে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করতে শুরু করে। ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্ট রাতটি ছিল রমজান মাসের ২৭ তারিখ। সালটি ছিল ১৩৬৬ হিজরি। রমজানের ২৭ তম রাতটিকে  মুসলমানরা পবিত্র রজনী হিসেবে মনে করে। অনেকেই মনে করেন, এই বিষয় দুটিকে জুড়তেই স্বাধীনতা দিবস বদলে দেয় পাকিস্তান।    

  • Modi I-Day Speech: বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার শিখরে মোদি! ইউটিউবে ট্রেন্ডিং লালকেল্লার ভাষণ

    Modi I-Day Speech: বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার শিখরে মোদি! ইউটিউবে ট্রেন্ডিং লালকেল্লার ভাষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবসে (76th Independence Day) দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ((Narendra Modi) জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে কী বলবেন, সেদিকেই তাকিয়েছিল পুরো দেশবাসী। ফলে দেখা গিয়েছে লাল কেল্লা থেকে নরেন্দ্র মোদির ভিডিও ইউটিউবে (Youtube) ট্রেন্ডিং-এ রয়েছে। তাঁর জনপ্রিয়তা এতই যে তাঁর ভিডিও এবারে ট্রেন্ডিং-এ চলে এসেছে। এবারের স্বাধীনতা দিবস প্রত্যেকবারের তুলনায় একটু আলাদা ভাবেই উদযাপন করা হয়েছে। এবারের স্বাধীনতা দিবসে কী কী হতে চলেছে, তার জন্যও অপেক্ষা করছিল গোটা দেশবাসী।

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লালকেল্লায় (Red Fort) নবমবারের জন্য জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন ও তারপরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। প্রায় ৮৩ মিনিট ধরে জাতির উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর পতাকা উত্তোলনের ভিডিও ও তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়ার সেই ভিডিও মঙ্গলবার পর্যন্ত ইউটিউবে ট্রেন্ডিং লিস্টের প্রথমে ছিল। তাঁকে গার্ড অনার দেওয়ার ভিডিওটিতে মঙ্গলবারের সন্ধ্যে পর্যন্ত ২০ মিলিয়ন ভিউ এসেছে। অন্যদিকে পতাকা উত্তোলনের ভিডিওতে ৪.৪ মিলিয়নের মত ভিউ এসেছে। সাধারণত, কোনও সিনেমা, গান ইউটিউবের ট্রেন্ডিং লিস্টে থাকে। কিন্তু এবারে দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও ট্রেন্ডিং-এ আসায় বোঝাই যাচ্ছে যে, শুধুমাত্র নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা শুধুমাত্র আমাদের দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, পুরো বিশ্ব জুড়ে মোদির জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছে।

    আরও পড়ুন: ৫ কোটিরও বেশি সেলফি ‘হর ঘর তিরঙ্গা’-র ওয়েবসাইটে, দাবি কেন্দ্রের

    এছাড়াও দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’-এর আয়োজন করা হয়েছে। আর এরই ভিত্তিতে অনেক কর্মসূচির আয়োজন করেছে কেন্দ্র সরকার। তার একটি অংশ ছিল ‘হর ঘর তেরঙ্গা’। যেখানে জাতীয় পতাকা নিয়ে সেলফি (Selfie) বা ছবি ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) ওয়েবসাইটে (website) আপলোড (Upload) করার জন্য আহ্বান করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেখা গিয়েছে, এই আহ্বানেও বিপুল সাড়া পড়েছে। এই উদযাপনের ঝলক দেখার জন্যও পুরো বিশ্ববাসী অপেক্ষা করে ছিল।

    এছাড়াও মোদির জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার ভিডিও প্রথম ছটি ট্রেন্ডিং ভিডিও-এর মধ্যে ছিল। এদিন তাঁর ভাষণে দেশের নারীশক্তির প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। মহিলাদের সম্মানের কথা উল্লেখ করে লিঙ্গ বৈষম্য থেকে দূরে সরে আসার বার্তা দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও আগামী ২৫ বছরে দেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনেক বৃহত্তর সংকল্প গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ‘আগামী ২৫ বছরে উন্নত দেশের রূপ নেবে ভারত’! জানেন লাল কেল্লায় কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

     

     

  • Agnipath Scheme: ভারতে প্রথম মহিলা নাবিক! অগ্নিপথ প্রকল্প দেখাচ্ছে পথ

    Agnipath Scheme: ভারতে প্রথম মহিলা নাবিক! অগ্নিপথ প্রকল্প দেখাচ্ছে পথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ (Agnipath scheme) প্রকল্পের অধীনে প্রথম মহিলা নাবিক (Women Sailors) পেতে চলেছে ভারতীয় নৌবাহিনী। রবিবার, নৌবাহিনীর ভাইস অ্যাডমিরাল দীনেশ ত্রিপাঠী (Vice Admiral Dinesh K Tripathi) একথা জানান। তিনি বলেন, ”  শীঘ্রই নৌবাহিনীর নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। ২৫ জুনের মধ্যে আমাদের বিজ্ঞাপন পৌঁছে যাবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকে। এক মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। নৌবাহিনীর প্রথম অগ্নিবীর ২১শে নভেম্বর আমাদের প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে রিপোর্ট করবে। প্রাথমিকভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা নৌবাহিনীতে নারী অগ্নিবীর নিচ্ছি। এর জন্য আমাদের প্রশিক্ষণে সংশোধনী আনার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। আমি আশা করি পুরুষ ও মহিলা অগ্নিবীর আইএনএস চিল্কায় রিপোর্ট করবেন।” 

    রবিবার অগ্নিপথ প্রকল্পের অধীনে সেনা নিয়োগের সময়সূচি ঘোষণা করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল অনিল পুরি। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, সরকার অগ্নিপথ প্রকল্পের বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যুব সমাজকে আবেদন করা হচ্ছে তারা যেন আন্দোলনে এ বার রাশ টানে। এর পরই অগ্নিপথ প্রকল্প অধীনস্থ অগ্নিবীরদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে নৌবাহিনীর পরিকল্পনার বিবরণ দেন ভাইস অ্যাডমিরাল দীনেশ ত্রিপাঠী। তিনি জানান, আগামী ২৫ জুনের মধ্যে নৌবাহিনীর প্রধান কার্যালয় থেকে নিয়োগের বিস্তৃত নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে। মহিলা এবং পুরুষ—উভয়ের কাছে অগ্নিবীর প্রকল্পের অধীনে নৌবাহিনীতে যোগ দেওয়ার সুযোগ থাকছে।

    আরও পড়ুন: বায়ুসেনায় অগ্নিবীর নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু ২৪ জুন, পরীক্ষা জুলাইয়ে

    নৌবাহিনীতে প্রথম বছরে তিন হাজার অগ্নিবীর নিয়োগের কথা রয়েছে। এদের মধ্যে আনুমানিক ১০ শতাংশ মহিলা অগ্নিবীর নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। অর্থাৎ ৩০ জন মহিলা অগ্নিবীর ভারতীয় নৌবাহিনীতে আসতে চলেছে, বলে আশা প্রকাশ করেন ভাইস অ্যাডমিরাল দীনেশ ত্রিপাঠী। নৌবাহিনীতে নারীদের সমান মর্যাদা দেওয়া হবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন নৌ-সেনা প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার। তিনি বলেন, “নৌবাহিনীতে বিভিন্ন পদে মহিলারা বর্তমানে কাজ করছেন। এখানে প্রশাসনিক পদ বলে কোনও পৃথক জায়গা থাকে না। নৌবাহিনীর ইউনিটগুলির মধ্যে কিছু ইউনিট সমুদ্রে কাজ করে, আর কিছু ইউনিট স্থলভাগে কাজ করে। মহিলারা স্থলভাগে বশি কাজ করলেও এখন সমুদ্রেও কাজ করছেন।” এবার দেশের নৌবাহিনীতে নাবিক পদে দেখা যেতে পারে মহিলাদের। সৌজন্যে অগ্নিপথ প্রকল্প!

  • DGCA Fines Air India: যাত্রী হেনস্থা, এয়ার ইন্ডিয়াকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা ডিজিসিএ-র

    DGCA Fines Air India: যাত্রী হেনস্থা, এয়ার ইন্ডিয়াকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা ডিজিসিএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হল এয়ার ইন্ডিয়াকে (Air India)। বৈধ টিকিট থাকা সত্ত্বেও বিমানে উঠতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন এক যাত্রী। তার জেরেই এই শাস্তি। পরবর্তীতে এই বিমানসংস্থার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলেছেন একাধিক যাত্রী। তাঁদের দাবি, বৈধ  টিকিটসহ নির্দিষ্ট সময়ে বিমানবন্দরে চেক-ইন করার পরেও তাঁরা বিমানে ওঠার অনুমতি পাননি। অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্তের নির্দেশ দেয় ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA)। অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ এবং দিল্লিতে লাগাতার নজরদারি চালানো হয়। তারপরই এয়ার ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয় ডিজিসিএ।    

    আরও পড়ুন: বিমানে মাস্ক বাধ্যতামূলক, কেমন মাস্ক উড়ানে আদর্শ?

    একটি বিজ্ঞপ্তিতে ডিজিসিএ জানায়, তদন্তের পর এয়ার ইন্ডিয়াকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত সমস্যার সমাধান করে নিয়মাবলি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করলে আগামী দিনে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে সেকথাও জানিয়েছে ডিজিসিএ। কিছুদিন আগেই নিয়ম পালন না করার জন্য এয়ার ইন্ডিয়াকে শোকজ নোটিস ধরিয়েছিল ডিজিসিএ। জানা যায়, বিমানসংস্থাটি নির্দিষ্ট কোনও নির্দেশিকা অনুসরণ করে চলে না। এমনকী ভোগান্তির শিকার হওয়া যাত্রীদের কোনও ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয় না।    

      আরও পড়ুন: অ্যালকোহল পরীক্ষায় ফেল! সাসপেন্ড একাধিক এয়ারলাইন্সের ৯ পাইলট ও ৩২ ক্রু 
     
    [tw]


    [/tw]

    ডিজিসিএ-র নতুন গাইডলাইন অনুযায়ী, বৈধ টিকিট থাকা সত্ত্বেও যদি কোনও সংস্থা যাত্রীকে বিমানে ওঠার অনুমতি না দেয়, তাহলে হয় সংস্থাটিই অন্য বিমানে ওঠার ব্যবস্থা করে দেবে সেই যাত্রীকে বা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অন্য ফ্লাইটের ব্যবস্থা করতে পারলে যাত্রীকে ১০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বিমানসংস্থাকে। ২৪ ঘণ্টা অতিক্রম করে গেলে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক ২০ হাজার অবধি পৌঁছতে পারে।  সঙ্গে সঙ্গে অন্য ফ্লাইটের ব্যবস্থা করলে সেক্ষেত্রে যাত্রীরা কোনও ক্ষতিপূরণ পাবেন না। 

      

  • Kerala HC: পাকিস্তানকে বেশি সুন্দর ভাবলে ভুল হবে, অভিমত কেরালা হাইকোর্টের

    Kerala HC: পাকিস্তানকে বেশি সুন্দর ভাবলে ভুল হবে, অভিমত কেরালা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ভারতের থেকে পাকিস্তানের ঘাস বেশি সবুজ নয়,বিচ্ছিন্নতাবাদীদের উদ্দেশে এই অভিমত ব্যক্ত করল কেরালা আদালত। কাশ্মীরে সন্ত্রাস প্রসঙ্গে একটি মামলা চলাকালীন এই মত দেয় কে বিনোদ চন্দ্রন এবং সি জয়চন্দ্রনের ডিভিশন বেঞ্চ।
     
    বিচারপতিরা জানান, দেশভাগের পর থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে নানা প্রসঙ্গে সমস্যা চলছে ভারতের। তবু ভারতে সংখ্যালঘু  মুসলিমদের বন্দি বানানোর কোনও খবর কখনও শোনা যায়নি। তিনজন বাদে কেরালায় লস্কর-ই-তৈবার কমান্ডার নজির-সহ সবাইকে কাশ্মীরে সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

    আদালতের তরফে জঙ্গিদের ধরার জন্য এবং সন্ত্রাস দমনে পদক্ষেপের জন্য কেরালা পুলিশ এবং এনআইএ কে ধন্যবাদ জানানো হয়। একইসঙ্গে বিচ্ছিন্নতাবাদ প্রসঙ্গে আদালতের তরফে বলা হয়  ইতিহাস সাক্ষী রয়েছে, ভারতের থেকে পাকিস্তানের মাটি বেশি সুন্দর নয়। এপার থেকে ওপার প্রসঙ্গে বিচ্ছিন্নতাবাদী মুসলিমরা যা ভাবছেন তা ঠিক নয়।

    কেরলের কোচি এবং কুন্নুরের বিভিন্ন জায়গাতে তল্লাশি শুরু করে এনআইএর আধিকারিকরা বহু জঙ্গি গোষ্ঠীর খোঁজ পায়। মূলত শিক্ষিত যুবকদেরও জঙ্গি প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য টার্গেট করা হয়। অনলাইনে তাঁদের রেজিস্টার করে পাঠানো হয় সীমান্তের ওপারে। সেখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে জঙ্গিরা দেশে সন্ত্রাসাদী কাজ চালায় যা কখনওই কাম্য নয় বলে জানায় আদালত।

  • Agnipath: বায়ুসেনায় অগ্নিবীর নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু ২৪ জুন, পরীক্ষা জুলাইয়ে

    Agnipath: বায়ুসেনায় অগ্নিবীর নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু ২৪ জুন, পরীক্ষা জুলাইয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ প্রকল্পের অধীনে  বায়ুসেনায় (Indian Air Force) নিয়োগের নিবন্ধীকরণ (recruitment scheme)শুরু হবে ২৪ জুন (June 24)থেকে। প্রথম দফায় অনলাইন পরীক্ষা (Online Exam) শুরু হবে আগামী ২৪ জুলাই। রবিবার একথা জানান এয়ার মার্শাল এসকে ঝা। ইতিমধ্যেই, অগ্নিপথ প্রকল্পে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। বায়ুসেনায় নিয়োগের ক্ষেত্রে কী কী মাপকাঠি দেখা হবে? অগ্নিবীররা (Agniveer)কী সুযোগ-সুবিধা পাবেন, তা বিস্তারিত ভাবে জানানো হয় বায়ুসেনার তরফে।

    বায়ুসেনা আইন ১৯৫০-এর অধীনে ভারতীয় বায়ুসেনায় অগ্নিবীরদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তাঁদের স্বতন্ত্র পদ দেওয়া হবে। অন্য যে সমস্ত পদ রয়েছে, তার থেকে আলাদা হবে। চার বছরের মেয়াদ শেষে অগ্নিবীরদের ফেরত পাঠানো হবে। এই চার বছরের সময়কালে দক্ষতার ভিত্তিতে তাঁদের বায়ুসেনার ‘রেগুলার ক্যাডারে’ অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তবে তা ২৫ শতাংশের বেশি নয়।

    অগ্নিপথ প্রকল্পের জন্য আবেদনকারীকে ভারতীয় হতে হবে। বয়স হতে হবে সাড়ে ১৭ বছর থেকে ২৩ বছরের মধ্যে। আবেদনকারীর বয়স যদি ১৮ বছরের নীচে হয় তাহলে তাঁকে তাঁর অভিভাবকের স্বাক্ষরিত সম্মতিপত্র দেখাতে হবে। ১৮ বছরের উপরে হলে এর প্রয়োজন নেই।

    আবেদনকারী কতটা ফিট, তা যাচাই করতে চিকিৎসার যোগ্যতা নির্ণায়ক মূল্যায়নের মধ্যে যেতে হবে তাঁদের। প্রকল্পের সমস্ত শর্ত ও নিয়ম-নীতি মেনে চলতে হবে।

    অগ্নিবীর হিসাবে কাজের জন্য বায়ুসেনায় নাম নথিভুক্ত করার পর সেনার অন্য কোনও বিভাগে আর কাজের জন্য আবেদন করা যাবে না।

    আরও পড়ুন: অগ্নিপথে অটল! প্রকল্প প্রত্যাহারের প্রশ্নই নেই মত কেন্দ্রের

    অগ্নিবীরদের স্বতন্ত্র পরিচিতির জন্য ইউনিফর্ম দেওয়া হবে। ভাল কাজের জন্য তাঁদের সম্মানিত ও পুরস্কৃত করা হবে। সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বছরে ৩০টি ছুটি পাবেন অগ্নিবীররা। শারীরিক অসুস্থতার জন্যও ছুটি পাওয়া যাবে। তবে তা চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই মিলবে। সেনা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য সুবিধা পাবেন। মাসে ৩০ হাজার টাকার অগ্নিবীর প্যাকেজ দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে বছরে নির্দিষ্ট সময়ে বেতন বৃদ্ধির সুবিধা থাকবে। এ ছাড়াও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ, পোশাক ও যাতায়াতের খরচ দেওয়া হবে। ‘অগ্নিবীর কর্পস তহবিল’ গড়া হবে। প্রত্যেক অগ্নিবীরের মাসিক ৩০ শতাংশ আয় ওই তহবিলে জমা পড়বে। প্রভিডেন্ট ফান্ডের সমতুল্য সুদের হার দেবে সরকার।

     

  • Karnataka Bible: ক্লাসে আনতেই হবে বাইবেল! বেঙ্গালুরুতে নির্দেশ স্কুলের, আদালতে যাচ্ছে এক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন

    Karnataka Bible: ক্লাসে আনতেই হবে বাইবেল! বেঙ্গালুরুতে নির্দেশ স্কুলের, আদালতে যাচ্ছে এক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ  ডেস্ক: শিক্ষাপ্রাঙ্গণে হিজাব পরে প্রবেশ নিয়ে বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বাইবেল নিয়ে বিতর্ক কর্নাটকে। রাজধানী বেঙ্গালুরুর একটি স্কুলে সম্প্রতি পড়ুয়াদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ক্লাসে বাইবেল নিয়ে আসতেই হবে। পড়ুয়া যে ধর্মেরই হোক না কেন, এই নির্দেশ মানা বাধ্যতামূলক। এই মর্মে অভিভাবকদের থেকে মুচলেকাও আদায় করেছে কর্তৃপক্ষ। 

    স্কুলের ওই নির্দেশিকা জারি হওয়ার পরই বিতর্ক শুরু হয়েছে। স্কুলটি পড়ুয়াদের ধর্মীয় অধিকারে হস্তক্ষেপ করছে, এই দাবি জানিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন অভিভাবকদের একাংশ। এমনকী, বিশেষ এক রাজনৈতিক দলের সাহায্যে রাজ্যের শিক্ষা দফতরের কাছে এবিষয়ে নালিশ জানানোর পাশাপাশি আদালতে যাওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।

    বেঙ্গালুরুর ওই স্কুলটির নাম ক্ল্যারেন্স স্কুল। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্কুলটি খ্রিস্টান মূল্যবোধে বিশ্বাসী। পড়ুয়াদেরও সেই মূল্যবোধ তারা শেখাতে আগ্রহী। তারা চায়, পড়ুয়ারা সেই আবহে বেড়ে উঠুক। সেই লক্ষ্যে বাইবেল আনতে বলার সিদ্ধান্ত। যদিও বেঙ্গালুরুর একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের প্রতিনিধির দাবি, বিষয়টি অন্য ধর্মের শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় অধিকারভঙ্গের একটি ষড়যন্ত্র। তাই তাঁরা স্কুলটির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের শিক্ষা দফতরে অভিযোগ জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে আদালতেও যাবে সংগঠনটি। ওই সংগঠনের প্রধান জানান, এই বিষয়টি নিয়ে কর্নাটকের শিক্ষামন্ত্রী বিসি নাগেশের কাছে যাবেন তাঁরা। যদি রাজ্য সরকার কোনও ব্যবস্থা না নেয় তাহলে আদালতে যাবেন তাঁরা।  

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগেই কর্নাটকের একটি কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্রীদের হিজাব পরে আসায় আপত্তি জানিয়েছিল। দীর্ঘ বিতর্কের পর সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মের কোনও জায়গা নেই। 

     

  • Jahangirpuri violence: “৭০ বছরের তোষণের ফল”, দিল্লি হিংসা নিয়ে কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    Jahangirpuri violence: “৭০ বছরের তোষণের ফল”, দিল্লি হিংসা নিয়ে কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হনুমান জয়ন্তীর দিন উত্তর-পশ্চিম দিল্লিতে ঘটে যাওয়া হিংসার ঘটনায় কংগ্রেস জমানার তোষণের নীতিকেই মূল কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করল বিজেপি। দলের জাতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র জানিয়েছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে গত ৭০ বছরের তোষণের নীতি। 

    জাহাঙ্গিরপুরীর সংঘর্ষের ঘটনায় কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি সহ ১৩টি বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে দেশে সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনার নিন্দা করে একটি যৌথ বিবৃতি পেশ করা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায়, কংগ্রেস সহ বিরোধীদের একহাত নেয় বিজেপি। দলের মুখপাত্র সম্বিত পাত্র স্পষ্ট জানান, বিরোধীদের এই ‘পক্ষপাত রাজনীতি’ দেশের ক্ষতি করে চলেছে। তাঁর মতে, এই ঘটনার তদন্ত হচ্ছে এবং তাতে কী বের হচ্ছে, তার জন্য অপেক্ষা করা উচিত। 

    একইসঙ্গে, যৌথ বিবৃতি পেশ করার জন্য কংগ্রেস সহ বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করেন সম্বিত। বলেন, কয়েকজন রাজনৈতিক নেতানেত্রীর এহেন পক্ষপাতমূলক রাজনীতি দেশের জন্য উপযুক্ত নয়। এতে দেশের আখেরে ক্ষতিই হচ্ছে। সম্বিতের প্রশ্ন, আজ সোনিয়া গান্ধি মতাদর্শের কথা বলছেন। প্রশ্ন হল, কোন মতাদর্শ আজকের এই ঘটনার জন্য দায়ী? বিজেপি মুখপাত্র বলেন, এর জন্য দায়ী একটাই মতাদর্শ যা, গত ৭০ বছর ধরে চলে আসছে। তা হল, তোষণের মতাদর্শ। তোষণের এই নীতি ও রাজনীতি ভীষণই দুর্ভাগ্যজনক।

    আবার দিল্লি বিজেপির সভাপতি আদেশ গুপ্তর মতে, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী এবং রোহিঙ্গারাই জাহাঙ্গিরপুরীর হিংসার জন্য দায়ী। এই নেতার অভিযোগ, আম আদমি পার্টি এদের বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, জল, রেশন দেওয়া থেকে শুরু করে রাজনৈতিক সুরক্ষাও প্রদান করছে। যদিও এই অভিযোগ পুরোপুরি খণ্ডন করেছে আম আদমি পার্টি।

    এদিকে, জাহাঙ্গিরপুরীর সংঘাত কড়া হাতে দমনের নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লির পুলিশ কমিশনার রাকেশ আস্থানা আশ্বাস দেন, কোনও রকম প্রভাব খাটানোর প্রশ্নই নেই। একেবারে নিরপেক্ষ তদন্ত হচ্ছে। ১৪টি টিম ঘটনার তদন্ত করছে। তিনি জানিয়েছেন, জাহাঙ্গিরপুরীতে হনুমান জয়ন্তীর দিন যাঁরা অশান্তি পাকিয়েছে তাঁদের খুঁজে বের করে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। কোনও রকম রেয়াত করা হবে না।

LinkedIn
Share