Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Population Control Bill: সংসদের বাদল অধিবেশনেই পেশ হচ্ছে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল?

    Population Control Bill: সংসদের বাদল অধিবেশনেই পেশ হচ্ছে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীঘ্রই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আইন (Law for population control) আনবে কেন্দ্র। এমনই ইঙ্গিত দিলেন মোদি সরকারের দুই মন্ত্রী।

    এদিন রায়পুরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োটেক স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টে গরিব কল্যাণ সম্মেলনে যোগ দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল (Prahlad singh patel)। সেখানেই এক প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, শীঘ্রই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করবে মোদি সরকার। তিনি বলেন, চিন্তা করবেন না, শীঘ্রই আইন আনা হবে। অন্য বড় সিদ্ধান্তগুলি যখন নেওয়া হয়েছে, তখন এই সিদ্ধান্তও নেওয়া হবে। তিনি বলেন, সেবা, সুশাসন এবং দরিদ্রদের কল্যাণ কেন্দ্রীয় সরকারের মূল মন্ত্র।

    আরও পড়ুন : জিএসটি বাবদ রাজ্যগুলির প্রাপ্য মেটাল কেন্দ্র, বাংলা কত পেল জানেন?

    এদিন ছত্তিশগড়ের কংগ্রেস সরকারকে আক্রমণ শানান পটেল। কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকার অধিকাংশ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের ক্ষেত্রেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। উদাহরণ দিয়ে প্যাটেল বলেন, জল জীবন মিশনে রাজ্যে ২৩ শতাংশ কাজ হয়েছে। সেখানে জাতীয় পর্যায়ে ইতিমধ্যেই ৫০ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, এই রাজ্যে জলের উৎসের অভাব নেই। কিন্তু প্রকল্পের সঠিক দেখভাল হচ্ছে না বলেই লক্ষ্যপূরণ হচ্ছে না।

    শুধু প্যাটেল নন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আইন প্রনয়ণ করার বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন মোদি মন্ত্রিসভার আরেক সদস্য যুগল ঠাকুর। তিনি এও জানিয়ে দেন, সম্ভবত সংসদের আসন্ন বাদল অধিবেশনেই পেশ করা হবে এই বিল। এদিন প্যাটেল জানিয়ে দিলেন, শীঘ্রই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল আনবে কেন্দ্র। তাঁর মতে, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও মানুষের মৌলিক প্রয়োজনীয়তা বিপরীতভাবে সমানুপাতিক।

    আরও পড়ুন : ‘পিএম কিষান-এর টাকা ছেড়েছে কেন্দ্র, ব্যাঙ্কে ঢুকল কিনা দেখে নিন এভাবে

    ক’দিন আগেই মহারাষ্ট্র নব নির্মাণ সেনা প্রধান রাজ ঠাকরে (Raj Thackeray) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Modi) অবিলম্বে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন আনার জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলেন।  প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুতেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষে সওয়াল করেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। পরে এ ব্যাপারে সরব হন মহারাষ্ট্র নব নির্মাণ সেনা প্রধান রাজ ঠাকরে। তবে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন আনার অনুরোধও জানান।

    পুণের একটি জনসভায় রাজ বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অনুরোধ করছি, অবিলম্বে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনুন। এই সঙ্গে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনও আনা হোক। ঔরঙ্গাবাদের নাম বদলের দাবিও তুলেছে মহারাষ্ট্র নব নির্মাণ সেনা প্রধান। বলেন, ঔরঙ্গাবাদের নাম বদলে হোক শম্ভাজিনগর।

     

  • Gyanvapi Mosque Survey: অ্যাডভোকেট কমিশনারকে সরাল সুপ্রিম কোর্ট, রিপোর্ট জমা করতে দু’দিন সময় কমিশনকে

    Gyanvapi Mosque Survey: অ্যাডভোকেট কমিশনারকে সরাল সুপ্রিম কোর্ট, রিপোর্ট জমা করতে দু’দিন সময় কমিশনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল বারাণসী আদালত (Varanasi court) কর্তৃক নিযুক্ত অ্যাডভোকেট কমিশনার অজয় কুমার মিশ্রকে (advocate commissioner ajay kumar Mishra)। তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছিলেন জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) কমিটি। মঙ্গলবার বারাণসী আদালততাঁকে সরিয়ে দেয়। এদিকে, আদালতে রিপোর্ট পেশ করার জন্য অতিরিক্ত দুদিন সময়ও দেওয়া হয়েছে আদালত নিযুক্ত বিশেষ কমিশনকে।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Viswanath Temple) লাগোয়া জমিতেই রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। হিন্দুদের কয়েকটি গোষ্ঠীর দাবি, বিশ্বনাথের মন্দির ভেঙেই ঔরঙ্গজেবের (Mughal ruler Aurangzeb) আমলে গড়ে তোলা হয়েছিল মসজিদ। মসজিদের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তিও রয়েছে বলে দাবি জানায় একটি সম্প্রদায়। হিন্দুদের একাংশের দাবি, ঔরঙ্গজেবের পরবর্তীকালে রানি অহল্যাবাই বর্তমান মন্দিরটি স্থাপন করেন। হিন্দু সংগঠনের এও দাবি, যেখানে এখন মসজিদ রয়েছে, সেখানে এক সময় ছিল শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির (Shringar Gauri Temple)। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হয় হিন্দুদের কয়েকটি সংগঠন।

    ষোড়শ শতকের জ্ঞানবাপী মসজিদ ঘিরে চলা ৩১ বছরের বিতর্ক

    মন্দির-মসজিদ বিবাদের (mosque temple controversy) নিষ্পত্তি করতে আদালত নিযুক্ত বিশেষ কমিশনকে মসজিদে ভিডিওগ্রাফি সমীক্ষার করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই কমিশনে ছিলেন বারাণসী আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অ্যাডভোকেট কমিশনার অজয় কুমার মিশ্র। তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সরব হয় মসজিদ কমিটি। তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।

    শেষমেশ এদিন শীর্ষ আদালত তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেয়। কমিশন আদালতে রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছিল। রিপোর্ট পেশ করতে তাদের বাড়তি দুদিন সময় দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, এর আগে সহকারী কোর্ট কমিশনার অজয় প্রতাপ সিং বলেছিলেন, সমীক্ষার মাত্র ৫০ শতাংশ রিপোর্ট প্রস্তত, এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। এই কারণে আমরা এদিন এটি পেশ করতে পারব না। আদালতের কাছে ৩-৪ দিন সময় চাইব। সেই মতো আদালত অতিরিক্ত দুদিন সময় বরাদ্দ করে।

    এদিকে, শনিবার শুরু হওয়া ভিডিওগ্রাফির কাজ শেষ হয় সোমবার। তার পরেই মামলার হিন্দু আবেদনকারী সোহান লাল আর্য (SohanLal Arya) দাবি করেন, কমিটি মসজিদ চত্বরে একটি শিবলিঙ্গ (Shivling in Gyanvapi Mosque) খুঁজে পেয়েছে। শিবলিঙ্গটি নন্দীর প্রতীক্ষায় রয়েছে। একেই চূড়ান্ত প্রমাণ বলে দাবি করেন তিনি। তার পরেই উপস্থিত জনতাকে হর হর মহাদেব ধ্বনি দিতেও দেখা যায়।

     

  • Biplab Deb: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়লেন বিপ্লব দেব, দায়িত্বে এলেন মানিক সাহা

    Biplab Deb: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়লেন বিপ্লব দেব, দায়িত্বে এলেন মানিক সাহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরার (Tripura) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ইস্তফা দিলেন বিপ্লব দেব (Biplab Deb)। জানালেন, দলের নির্দেশেই এই সিদ্ধান্ত। এখন তিনি সংগঠনকে মজবুত করার কাজ করবেন। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হলেন মানিক সাহা। 

    শনিবার দুপুরে রাজ্যপাল এস এ আর্যর কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন ত্রিপুরার সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। বিপ্লবের স্থলাভিষিক্ত কে হবেন, তা ঠিক করতে ইতিমধ্যেই বৈঠকে বসে বিজেপি নেতৃত্ব। পরে,  শনিবার সন্ধেয় বিজেপির ত্রিপুরা রাজ্য সভাপতি মানিক সাহার (Manik saha) নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    পঁচিশ বছরের বাম জমানার অবসান অন্তে ২০১৮ সালে ত্রিপুরার ক্ষমতায় আসে বিজেপি (BJP)। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয় তরুণ নেতা বিপ্লব দেবকে। বিপ্লবের তুঙ্গ জনপ্রিয়তার কারণে কার্যত কোমর ভেঙে যায় বিরোধীদের। দলে দলে লোকজন বাম সহ বিভিন্ন দল ছেড়ে যোগ দেন গেরুয়া শিবিরে। যার জেরে ত্রিপুরা পুরনির্বাচনে জয়জয়কার হয় বিজেপির।

    [tw]


    [/tw]

    বছর ঘুরলেই ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন। সেই ভোটে বাম কিংবা তৃণমূল যাতে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে, সেজন্য কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না বিজেপি নেতৃত্ব। তাই সংগঠনের কাজে নিয়ে আসা হচ্ছে বিপ্লবকে। অন্তত ত্রিপুরার একটি সূত্রের খবর এমনই। সূত্রের খবর, খোদ অমিত শাহের নির্দেশেই এদিন রাজ্যপালের কাছে ইস্তফপত্র দেন বিপ্লব। নয়া মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন করতে বৈঠকে বসেছে পদ্ম-নেতৃত্ব।

    এদিন ইস্তফা দেওয়ার পর বিপ্লব দেব বলেন, ‘দল চায় আমি সংগঠনকে শক্তিশালী করতে কাজ করি। দল সবার ওপরে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দলের জন্য কাজ করেছি। দলের রাজ্য ইউনিটের প্রধান এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ত্রিপুরার মানুষের জন্য ন্যায়বিচারের চেষ্টা করেছি। আমি শান্তি, উন্নয়ন ও কোভিড-সঙ্কট থেকে রাজ্যকে বের করে আনার চেষ্টা করেছি। সবকিছুর একটা সময় আছে। আমি সেই সময় মেনে কাজ করি। আমাকে যেখানেই পাঠানো হয়েছে, তা সে মুখ্যমন্ত্রী হোক বা অন্য কোনও পোস্ট- সব জায়গাতেই ফিট বিপ্লব দেব।’

    [tw]


    [/tw]

    কে হবেন তাঁর উত্তরসূরি? তা নির্ধারণেই বিজেপির দুই কেন্দ্রীয় নেতা বিনোদ তাওড়ে ও ভূপেন্দ্র যাদবের উপস্থিতিতে বৈঠক বসেছিলেন বিজেপির পরিষদীয় দল। সেখানেই মানিক সাহাকে ত্রিপুরার নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বেছে নেওয়া হয়। তাঁকে উত্তরীয় পড়িয়ে স্বাগত জানান সদ্য প্রাক্তনী বিপ্লব দেব। মানিক সাহা বর্তমানে ত্রিপুরার সভাপতি ও রাজ্যসভার সাংসদ। ফলে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথের ৬ মাসের মধ্যেই বিধানসভার সজস্য হয়ে আসতে হবে তাঁকে।

    [tw]


    [/tw]

     

  • Phone Tapping Case: ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগে প্রাক্তন পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে শুরু সিবিআই তদন্ত

    Phone Tapping Case: ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগে প্রাক্তন পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে শুরু সিবিআই তদন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে নতুন করে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের (NSE) প্রাক্তন প্রধান চিত্রা রামকৃষ্ণ, রবি নারায়ণ এবং মুম্বই পুলিশের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার (Ex Mumbai Police Commissioner) সঞ্জয় পাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই। তাঁদের বিরুদ্ধে ফোনে আড়িপাতার অভিযোগ (Phone Tapping Case)  দায়ের করা হয়েছে অভিযোগ।

    আগেই চিত্রাকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। বর্তমানে তিনি বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। নারায়ণকে জেরা করা হয়েছে। আর পান্ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, মুম্বই এবং দিল্লি সহ দেশের ১৮টি জায়গায় ফোনে আড়িপাতার অভিযোগে তল্লাশি করেছে সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। এই সূত্রেই জানা গিয়েছে, পাণ্ডের ফার্মে এনএসই কর্মীদের ওপর অবৈধভাবে নজরদারি চালাতেন এনএসইর প্রাক্তন প্রধানরা। এই অভিযোগেরও পৃথকভাবে তদন্ত শুরু করেছেন সিবিআই আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন : রুজিরা নারুলাকে চেনেন না রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়, কয়লাপাচার তদন্তে গোলকধাঁধায় সিবিআই-ইডি

    সম্প্রতি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট মুম্বই পুলিশের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার পাণ্ডেকে টানা পাঁচ ঘন্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগও রয়েছে। পাণ্ডে ১৯৮৬ সালের আইপিএস অফিসার। জুন মাসের ৩০ তারিখে অবসর নেন তিনি। পাণ্ডেকে দিল্লির ইডি অফিসে ডেকে জেরা করা হয় চলতি মাসের পাঁচ তারিখে।

    সূত্রের খবর, সিবিআই কো-লোকেশন কেলেঙ্কারির তদন্ত চালানোর সময় আইসেক সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে কমিশন নেওয়ার অভিযোগ পেয়েছে। এর সঙ্গে পাণ্ডের পরিবারের লোকজনও যুক্ত। এই কো-লোকেশন কেলেঙ্কারির তদন্ত শুরু করেছে ইডি। এ ব্যাপারে অবশ্য পাণ্ডের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    আরও পড়ুন : ২০১৪ সালে টেট উত্তীর্ণদের তথ্য চাইল সিবিআই, স্কুলে স্কুলে গেল নির্দেশ

    জানা গিয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসে পাণ্ডেকে যখন পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করে এমভিএ সরকার, তখন তাঁকে একবার সিবিআই ডেকেছিল। সেই সময় মহারাষ্ট্রের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির সাক্ষী হিসেবে। এখন ফের পাণ্ডেকে জেরা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিবিআই। এখন অবশ্য অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধেই। তদন্তকারী এক আধিকারিক বলেন, পাণ্ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করাটা খুবই জরুরি। তাঁকে জেরা করলেই বহু তথ্য সামনে আসবে। 

     

  • Modi:  “এখনই বিশ্রাম নয়, আমার স্বপ্ন অনেক বড়…”, প্রবীণ সাংসদের কৌতুহল মেটালেন মোদি

    Modi: “এখনই বিশ্রাম নয়, আমার স্বপ্ন অনেক বড়…”, প্রবীণ সাংসদের কৌতুহল মেটালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী লোকসভা নির্বাচনেও (2024 Loksabha Elections) কী নিজেকে দেশের মসনদে দেখতে চান? এই প্রশ্নের উত্তরে একটি গোপন কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। তিনি বলেন, ”সম্প্রতি এক বিরোধী নেতার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল। তিনি রাজনৈতিকভাবে আমাদের বিরোধিতা করলেও আমি তাঁকে অত্যন্ত সম্মান করি। উনি আমায় বলেন, মোদিজি, এই দেশের মানুষ আপনাকে দু’বার প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসিয়েছে। আর কী চান আপনি। এই সাফল্যই যথেষ্ট।”

    গুজরাত সরকার প্রবীণ ও দরিদ্র বিধবাদের জন্য যে প্রকল্প চালু করেছে সেই প্রকল্প গ্রহণকারীদের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে গল্পের ছলে বৃহস্পতিবার একথা জানান নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ”ওই সাংসদের মতে কেউ যদি দু’বার দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে যান, তবে তাঁর সমস্ত সাফল্য অর্জন করা হয়ে যায়। কিন্তু, তিনি জানেন না মোদি অন্য ধাতু দিয়ে তৈরি। এই গুজরাতের মাটি আমায় তৈরি করেছে। আমি কোনও কিছুকেই হালকাভাবে নিই না। এখন আমার বিশ্রাম নেওয়ার সময় নয়। আমার স্বপ্ন হল উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলিকে ১০০ শতাংশ সফল করে তোলা।”

    “বাবার জন্য চিকিৎসক হতে চাই”, কিশোরীর কথা শুনে বাকরুদ্ধ আবেগতাড়িত মোদি

    যদিও সেই বিরোধী নেতার নাম প্রকাশ্যে আনেননি প্রধানমন্ত্রী। তবে অনেকেরই ধারণা ওই নেতা আর কেউ নন, শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar)। আসলে এপ্রিল মাসেই এনসিপি (NCP) প্রধান দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। শিবসেনা (Shivsena) নেতাদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অতি সক্রিয়তা নিয়ে অভিযোগও জানান তিনি। ফলে তাঁদের মধ্যে হওয়া বৈঠকে শরদ পাওয়ারই প্রধানমন্ত্রীকে একথা বলেছিলেন কি না, তা নিয়ে চর্চা চলছে।

    প্রধানমন্ত্রী তথা গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, কেন্দ্রে বিজেপি (BJP) সরকার টানা আট বছর রয়েছে। এই আট বছর ধরে সেবা, গরিবদের কল্যাণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়েছে। এটা একটা বহমান প্রক্রিয়া। উন্নয়নের কাজ ১০০ শতাংশ করাই তাঁর লক্ষ্য বলে জানান মোদি।

  • Al-Qaeda: পয়গম্বরকে অবমাননার ‘বদলা’! ভারতে নাশকতার হুমকি-চিঠি আল-কায়দার

    Al-Qaeda: পয়গম্বরকে অবমাননার ‘বদলা’! ভারতে নাশকতার হুমকি-চিঠি আল-কায়দার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পয়গম্বরকে (Prophet) নিয়ে নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) বিতর্কিত মন্তব্যের জের। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে নাশকতার হুমকি দিল জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দা (Al-Qaeda)। মহম্মদকে অবমাননার ‘বদলা’ নিতে একাধিক শহরে আত্মঘাতী হামলার (Suicide Attack) হুমকি দিল তারা।

    ৬ জুন একটি হুমকি চিঠিতে আল-কায়দা জানিয়েছে, “নবী মহম্মদের সম্মানের জন্য এই লড়াই। দিল্লি, মুম্বাই, উত্তরপ্রদেশ এবং গুজরাতের বিভিন্ন শহরে আত্মঘাতী হামলা চালানো হবে।” ইতিমধ্যেই শহরগুলিকে সতর্ক করেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। কেন্দ্রের তরফে শহরগুলিতে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। 

    জঙ্গি সংগঠনের চিঠিতে লেখা হয়েছে, “হিন্দুত্ববাদীরা আল্লার শরিয়ত বিরোধী। ভারতীয় চ্যানেলে মহম্মদ ও তাঁর স্ত্রীকে অত্যন্ত খারাপ ভাষায় অপমান করা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে সমস্ত মুসলিমের হৃদয় রক্তাক্ত হয়েছে। তাঁদের মন প্রতিহিংসায় পরিপূর্ণ। এর বদলা অবশ্যই নেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: বেঙ্গালুরুতে গ্রেফতার কাশ্মীরে নাশকতায় জড়িত হিজবুল জঙ্গি 

    চিঠিতে আরও লেখা হয়, “বিশ্বের সমস্ত উদ্ধত হিন্দুবাদী সন্ত্রাসী যারা ভারতকে কব্জা করে রেখেছে তাঁদের বিরুদ্ধে লড়ব। নবীর সম্মানের জন্য সকলকে এই লড়াইয়ে যোগ দিতে বলব। নবীর সম্মানে মৃত্যুবরণ করতে বলব। যাঁরা আমাদের প্রিয় নবীকে অসম্মান করেছে তাঁদের হত্যা করব। নিজেদের এবং শিশুদের শরীরে বিস্ফোরক বেঁধে পাঠাব। যারা আমাদের নবীকে অবমাননা করেছে তাদের নিস্তার নেই।” 

    সম্প্রতি হজরত মহম্মদ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মা। বিষয়টি নিজের হ্যান্ডেলে ট্যুইট করেন আরেক বিজেপি নেতা নবীন জিন্দাল। বিতর্ক দানা বাঁধতেই নূপুরকে সাসপেন্ড এবং নবীনকে বহিষ্কার করে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুন: যৌথবাহিনীর অভিযানে কাশ্মীরে খতম স্থানীয় হিজবুল কমান্ডার

    পয়গম্বরকে নিয়ে বিজেপি নেতা-নেত্রীর মন্তব্য নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি সরকার। এই মন্তব্যের প্রতিবাদে ভারতের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে আরবের দেশগুলি। বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য নূপুর শর্মা এবং নবীনকুমার জিন্দালকে বিজেপি ‘শাস্তি’ দিলেও বিতর্ক থামেনি। প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে ভারতকে বয়কটের হুমকি দিয়েছে কুয়েত।    
      

  • VVSS Chief On Gyanvapi: জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে নিষিদ্ধ করা হোক মুসলমানদের প্রবেশ, আদালতে ভিভিএসএস প্রধান

    VVSS Chief On Gyanvapi: জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে নিষিদ্ধ করা হোক মুসলমানদের প্রবেশ, আদালতে ভিভিএসএস প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদ (gyanvapi mosque) চত্বরে মুসলমানদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে সিভিল জজের (সিনিয়র ডিভিশন) আদালতে আবেদন করলেন বিশ্ব বৈদিক সনাতন সংঘের (Vishwa Vedic Sanatan Sangh) প্রধান জিতেন্দ্র সিং বিষেণ। মসজিদ চত্বর হিন্দুদেরকে (Hindu) হস্তান্তর করার পাশাপাশি নিয়মিত পুজো করার অনুমতিও চাওয়া হয়েছে। আবেদনের বাদি করা হয়েছে তাঁর স্ত্রী কিরণ সিংকে।

     

    বিষেণের দাবি, আদালত বিশ্ব বৈদিক সনাতন সংঘের (VVSS) আবেদন গ্রহণ করেছে। শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ২৫ মে। পাশাপাশি, জ্ঞানবাপীর ৫ প্রধান মামলাকারী মহিলার দাবিকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন বিষেণ। জ্ঞানবাপি প্রাঙ্গনে শৃঙ্গার গৌরী, ভগবান গণেশ, ভগবান হনুমান এবং নন্দীর প্রতিদিনের পুজো এবং আচার অনুষ্ঠানের অনুমতি মামলা করেন ৫ মহিলা।

    এদিকে, জ্ঞানবাপী মসজিদের ওজুখানার জলাধারে পাওয়া শিবলিঙ্গের (shivling) নিত্যপুজোর অনুমতি চেয়ে এদিনই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের প্রধান মহন্ত কুলপতি তিওয়ারি।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদ আগে মন্দিরই ছিল! বলছে ১৯৩৬ সালের নথি

    মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের (Mughal emperor Aurangzeb) আমলে কাশী বিশ্বনাথের মন্দির (Kashi Viswanath Temple) ভেঙে গড়ে তোলা হয় মসজিদ। পরে রানি অহল্যাবাই বিশ্বেশ্বরের বর্তমান মন্দিরটি গড়ে তোলেন। ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে মন্দির কর্তৃপক্ষকে নন্দীর মূর্তি উপহার দেন নেপালের রাণা। সেই মূর্তি এখনও রয়েছে।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের প্রধান মহন্তের দাবি,  শৃঙ্গার গৌরীর মন্দিরে অনাদিকাল থেকেই একটি শিবলিঙ্গ ছিল। প্রাচীরের উত্তর দিকে জ্ঞানবাপী কূপ রয়েছে। এরই পশ্চিমে রয়েছে নন্দী। বহু আগে থেকেই। তাঁর দাবি, মন্দিরের উত্তর দিকের দেওয়ালের পিছনে তিনটি দোকান ছিল। সেখানে একজন চা বিক্রেতা ও একজন মুসলিম মহিলা থাকতেন। তিনি চুড়ি বিক্রি করতেন। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আক্রমণের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। সেই সময় মন্দিরের মোহন্ত পান্না শিবলিঙ্গ নিয়ে কুয়োয় ঝাঁপ দেন। যদিও মসজিদ কমিটির দাবি, শিবলিঙ্গ নয়, মসজিদের ওজুখানার জলাধারে রয়েছে ফোয়ারা।

    আরও পড়ুন : বাহমানি দুর্গের ভিতরে সোমলিঙ্গেশ্বরের মন্দির! সংস্কারের দাবিতে সরব হিন্দুত্ববাদী সংগঠন

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ও জ্ঞানবাপী মসজিদের এই বিবাদ গড়ায় দেশের শীর্ষ আদালত পর্যন্ত। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কড়া প্রহরার ব্যবস্থা করা হয় মসজিদের ওজুখানার জলাধারে। তবে ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা যাতে মসজিদে নমাজ পড়তে পারে জেলা প্রশাসনকে সেই ব্যবস্থাও করার নির্দেশ দেয় আদালত।

    আরও পড়ুন :ম্যাঙ্গালুরুর মসজিদের অন্দরে হিন্দু মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ! পুজোর উদ্যোগ ভিএইচপি-র

    বিশ্ব বৈদিক সনাতন সংঘের প্রধান বিষেন মসজিদ চত্বরে মুসলমানদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেছেন আদালতে। হিন্দুদের মসজিদ হস্তান্তরের দাবিও জানান তিনি। নিয়মিত পুজো করার অনুমতিও চেয়েছেন বিষেন।

     

  • Gyanvapi Mosque: ষোড়শ শতকের জ্ঞানবাপী মসজিদ ঘিরে চলা ৩১ বছরের বিতর্ক

    Gyanvapi Mosque: ষোড়শ শতকের জ্ঞানবাপী মসজিদ ঘিরে চলা ৩১ বছরের বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) কি আদতে মন্দির? প্রায় তিন দশক ধরে চলা এই বিতর্ক এখন খবরের শিরোনামে। সম্প্রতি, শেষ হয়েছে  আদালতের নির্দেশে শুরু হওয়া বারাণসীর (Varanasi) কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Viswanath temple) লাগোয়া এই মসজিদের ভিডিওগ্রাফি জরিপের (videography survey) কাজ। গোটা বিষয়টি এখন সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। 

    ১৯৯১ সালে স্থানীয় কয়েকজন পুরোহিত দাবি করেন, মসজিদ তৈরি করবেন বলে মন্দিরের কিছু অংশ ভেঙে দিয়েছিলেন ঔরঙ্গজেব। পরে মালওয়া রাজ্যের মহারানি অহল্যাবাই হোলকার মন্দির পুননির্মাণ করেন। ওই পুরোহিতরা জ্ঞানবাপী চত্বরে পুজো করার অনুমতিও চেয়েছিলেন। তাঁদের দাবি, সেখানে হিন্দু দেবতার মূর্তি রয়েছে। এর পরে বিভিন্ন সময় আদালতের দ্বারস্থ হয় হিন্দুদের কয়েকটি গোষ্ঠী। সুপ্রিম কোর্টে রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ বিবাদের মীমাংসা হওয়ার পর ফের হইচই হয় বিষয়টি নিয়ে। ফের হয় মামলা। তার জেরেই আদালতের নির্দেশে শুরু হয়েছিল তিনদিন ব্যাপী মসজিদে জরিপের কাজ। ইতিহাসবিদদের একাংশ ঔরঙ্গজেবের মন্দির ধ্বংসের তত্ত্ব আওড়ালেও, অন্য একটি অংশের মতে মন্দির এবং মসজিদ পাশাপাশি গড়ে উঠেছিল পাশাপাশিই। তাঁদের দাবি, মুঘল সম্রাট আকবর তাঁর দীন-ই-ইলাহি নীতি সম্পর্কে জন সচেতনতা ছড়াতে একই চত্বরে গড়ে তুলেছিলেন মন্দির এবং মসজিদ।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের কুয়োয় মিলল ‘শিবলিঙ্গ’! এলাকা ‘সিল’ করল আদালত

    তবে লেখক অড্রি ত্রুশকে তাঁর “ঔরঙ্গজেব: দ্য ম্যান অ্যান্ড দ্য মিথ” নামক গ্রন্থে লিখেছেন,  “আমার ধারণা যে জ্ঞানবাপী মসজিদটি প্রকৃতপক্ষে ঔরঙ্গজেবের শাসনকালে নির্মিত হয়েছিল। মসজিদটি পুরানো বিশ্বনাথ মন্দিরের কাঠামোকে অন্তর্ভুক্ত করে। ঔরঙ্গজেবের নির্দেশে ধ্বংস করা হয়েছিল মন্দিরটি। মসজিদটি ঔরঙ্গজেবের আমলের, তবে আমরা জানিনা কে এটি তৈরি করেছেন। এই সব বিতর্কের (mosque-temple controversy) অবসানেই আদালতের নির্দেশে মসজিদে হয় ভিডিওগ্রাফির কাজ। অবশ্য এই ভিডিওগ্রাফির কাজ নিয়েও কম জলঘোলা হয়নি। প্রথমে মসজিদ চত্বরে জরিপ করা যাবে না বলে দাবি করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় মুসলমান সম্প্রদায়ের কয়েকজন। সুপ্রিম কোর্ট তা খারিজ করে দিলে নির্বিঘ্নেই শেষ হয় ভিডিওগ্রাফির কাজ।

     

  • Punjab Congress: “আলবিদা কংগ্রেস”,  ফেসবুক লাইভ করে সোনিয়া-সঙ্গ ছাড়লেন সুনীল জাখর

    Punjab Congress: “আলবিদা কংগ্রেস”, ফেসবুক লাইভ করে সোনিয়া-সঙ্গ ছাড়লেন সুনীল জাখর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : পঞ্জাবে (Punjab) ফের একবার জোর ধাক্কা খেল কংগ্রেস (Congress)। রাজস্থানের উদয়পুরে চলছে কংগ্রেসের চিন্তন শিবির (Chintan Shivir)। এই সময়ই ফেসবুক লাইভ (Facebook Live) করে দল ছাড়লেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সুনীল জাখর (Sunil Jakhar)। সদ্যই কংগ্রেসের হাতছাড়া হয়েছে পঞ্জাবের (Punjab) রাশ। তার পর ফের একবার রামধাক্কা খেল সোনিয়া গান্ধীর দল।

    পঞ্জাবে পরাজয়ের পর খোলনলচে বদলাতে উদ্যোগী হয় কংগ্রেস নেতৃত্ব। ঢেলে সাজানো হয় দলীয় সংগঠন। দলের সব পদ থেকে অপসারণ করা হয় প্রবীণ নেতা সুনীল জাখরকে। কংগ্রেসের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠকে সোনিয়ার অনুমোদন সাপেক্ষে অপসারণ করা হয় তাঁকে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া কোনও পদক্ষেপ নিতে রাজি হননি কংগ্রেসের অন্তবর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট। যার জেরে কংগ্রেসেই রয়ে যান সুনীল।

    এই নিয়ে কংগ্রেসকে একহাত নিতে ছাড়েননি সুনীল। তিনি বলেন, আমি তো কেবল প্রচার কমিটির প্রধান পদে ছিলাম। নির্বাচনের পর তো সেই পদই নেই। তাছাড়া সাংসদ থাকার দরুণ সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটিতে ছিলাম। সাংসদ পদ খোয়ানোর পর সেই পদেও আমি নেই। কারণ আমি কমিটির নির্বাচিত সদস্য ছিলাম না। তাঁর প্রশ্ন, তাহলে কোন পদ থেকে দল আমাকে অপসারণ করল?

    রাজনৈতিক মহলের মতে, এই অপমানের জবাব দিতেই এদিন ফেসবুক লাইভ করে কংগ্রেস ছাড়েন জাখর। তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিস (Showcause notice) দিয়েছিল শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। এই কমিটিতে ছিলেন তারিক আনোয়ার (Tariq Anwar)। জাখর বলেন, তারিক আমাকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছেন। তিনি এমন একজন ব্যক্তি, যিনি কংগ্রেস ছেড়েছেন। পরে ফিরেও এসেছেন। এক সময় দল এবং সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগও করেছিলেন।

    আরও পড়ুন : ‘বাঙালির সত্ত্বা আজ লুণ্ঠিত’, মমতাকে সাহিত্য পুরস্কার দেওয়ায় ট্যুইট-বাণ শুভেন্দুর

    ফেসবুক লাইভ চলাকালীন অম্বিকা সোনিকেও (Ambika soni) কটাক্ষ করেন জাখর। তাঁর প্রশ্ন, সোনি কীভাবে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সদস্য হতে পারেন? জাখর বলেন, ১৯৭০ সালে অম্বিকা সোনি কোথায় ছিলেন যখন কংগ্রেসের সদস্যদের সব চেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল? তিনি ছিলেন তাঁর দায়িত্ব থেকে দূরে। জাখরকে মুখ্যমন্ত্রী করা হবে বলে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে বলেছিলেন সোনি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এদিন সেই কারণেই সোনিকে নিশানা করেন জাখর।

    তিনি যে কংগ্রেসের শৃঙ্খলাবদ্ধ কর্মী, তা জানিয়ে দেন জাখর। তিনি বলেন, আমি কংগ্রেসের দাস নই, বরং একজন শৃঙ্খলাবদ্ধ কর্মী। প্রবীণ এই কংগ্রেস কর্মী বলেন, গত ৫০ বছর ধরে আমি দলের একজন সুশৃঙ্খল কর্মী হিসেবে কাজ করেছি। এদিন ফেসবুক লাইভ করে সম্পর্কের সেই সুতোটাই ছিঁড়ে ফেললেন জাখর।

     

  • IAF Officer Honey Trapped: যৌনতার ফাঁদে পা দিয়ে আইএসআই-কে তথ্য পাচার! গ্রেফতার বায়ুসেনার আধিকারিক

    IAF Officer Honey Trapped: যৌনতার ফাঁদে পা দিয়ে আইএসআই-কে তথ্য পাচার! গ্রেফতার বায়ুসেনার আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানি (Pakistan) সুন্দরীর জালে (Honey Trap) ধরা দিয়ে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে (ISI) দেশের সুরক্ষা সংক্রান্ত গোপন তথ্য পাচার করার অভিযোগ উঠল ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) এক আধিকারিকের বিরুদ্ধে। তদন্তে দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) হাতে ধরা পড়লেন বায়ুসেনার ৩২ বছর বয়সী ‘অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসিসট্যান্ট’ (Administrative Asistant) দেবেন্দ্র নারায়ণ শর্মা (Devender Narayan Sharma)। দেবেন্দ্র দিল্লির সুব্রত পার্কে বায়ুসেনার রেকর্ড বিভাগে কাজ করতেন।

    এর আগেও বহুবার ভারতের সুরক্ষা (National Security) সংক্রান্ত তথ্য আদায় করতে যৌনতার ফাঁদ পেতেছে পাকিস্তান। এর আগেও বহু সামরিক আধিকারিক এই ফাঁদে পা দিয়েছেন। বায়ুসেনার সার্জেন্ট পদে কর্মরত দেবেন্দ্রও সেই ফাঁদে পা দেন বলে অভিযোগ। দিল্লি পুলিশ জানতে পারে, যৌন ফাঁদে পা দিয়ে দেশের গোপন তথ্য পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থার হাতে তুলে দিচ্ছেন বায়ুসেনার কোন এক আধিকারিক। তদন্ত কিছুটা এগোতেই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে যায় দেবেন্দ্র শর্মার নাম। 

    তাঁকে জেরা করতেই বেরিয়ে আসে তথ্য। পুলিশের দাবি, দেবেন্দ্র স্বীকার করে নেন যে, পাকিস্তানি এজেন্টের সঙ্গে শরীরী প্রেমে মজে দেশের বিভিন্ন গোপন তথ্য তুলে দিয়েছেন আইএসআই- এর হাতে। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেও তথ্য পাঠাতেন বলেও জানিয়েছেন ধৃত বায়ুসেনা আধিকারিক। দেবেন্দ্র তথ্য পাচার করে অর্থ উপার্জনও করেছেন বলে ধারণা তদন্তকারী অফিসারদের।  

    গত ৬ মে দিল্লি পুলিশের (Delhi Police ) ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে গ্রেফতার হন বায়ুসেনার ওই আধিকারিক। গ্রেফতারের সময় তাঁর সমস্ত পরিচয়পত্র এবং ইলেক্ট্রনিক গ্যাজেট বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। গত বছর জুলাইতেও একই অভিযোগে অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্টে (Official Secret Act) এক সেনাকর্মী সহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই দুই ব্যক্তিও আইএসআই এজেন্টদের সরকারি তথ্য পাচার করছিলেন। পোখরানের বেস ক্যাম্প থেকে ৩৪ বছর বয়সী এক সবজি বিক্রেতাকে পাকড়াও করার পর বিষয়টি সামনে আসে। ওই সেনাকর্মীর থেকে তথ্য নিয়ে ওই সবজি বিক্রেতাই আইএসআই এজেন্টকে দিতেন। 

     

LinkedIn
Share