Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Kerala BJP: ‘তালিবানি’ হয়ে যাচ্ছে বাম-শাসিত কেরালা! বললেন বিজেপি নেতা

    Kerala BJP: ‘তালিবানি’ হয়ে যাচ্ছে বাম-শাসিত কেরালা! বললেন বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাম (Left Front) শাসিত কেরালা (Kerala) ক্রমেই “তালিবানি” (Talibanized) হয়ে যাচ্ছে। এমনই অভিযোগ করলেন কেরালা বিজেপি সভাপতি কে সুরেন্দ্রন (K Surendran)।

    সম্প্রতি, ওই রাজ্যের এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এক ছাত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করা হয়। তাতে বাধ সাধেন এক মুসলিম ধর্মগুরু। তাঁর নিদান, প্রকাশ্যে মঞ্চে উঠে কোনও মুসলিম ছাত্রী পুরস্কার নিতে পারবে না। ওই অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। ভিডিওর সত্যতা অবশ্য যাচাই করেনি মাধ্যম।

    সূত্রের খবর, কেরালার একটি অনুষ্ঠানে মাশিদা নামের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে সংবর্ধন দেওয়ার আয়োজন করা হয়েছিল। ক্লাসে প্রথম হওয়ার কারণে মাশিদাকে পুরস্কার দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এক মুসলিম ধর্মগুরু (Muslim creric)। পুরস্কার নিতে ওই ছাত্রীকে মঞ্চে আসার অনুরোধ জানান আয়োজকরা। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মঞ্চে উপস্থিত ওই ধর্মগুরু আয়োজকদের তিরস্কার করছেন। তিনি বলছেন, যদি কোনও মেয়েকে সম্মান দেওয়া হয়, তবে তাকে নয়, তার বাবা-মা বা অভিভাবকদের মঞ্চে ডাকতে হবে।

    এক ধর্মগুরুর এহেন মন্তব্যে ক্ষোভ উগরে দেয় কেরালা বিজেপি। পদ্ম শিবিরের কেরালা রাজ্য সভাপতি সুরেন্দ্রন বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন (Pinarayi Vijayan) একজন ছাত্রের ক্ষেত্রে এমন আচরণ হওয়া সত্ত্বেও কোনও মন্তব্য করেননি। একটি ধর্মীয় সংগঠন ওই ছাত্রীকে প্রকাশ্যে অপমান করেছে। তার পরেও মামলা দায়ের হয়নি। শিশু অধিকার কমিশনও নীরব। কেরালায় এসব কী হচ্ছে? তালিবানাইজড হচ্ছে।

    আরও পড়ুন : অফিসে ঢুকে গুলি করে খুন কাশ্মীরি পণ্ডিতকে, ফের অশান্ত ভূস্বর্গ

    এখানেই থেমে না থেকে সুরেন্দ্রন আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর সাহায্যে এবং তাঁর জ্ঞাতসারেই তালিবানদের অনুসরণ করা হচ্ছে। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী এবং সরকার সন্ত্রাসীদের মদত দিচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর বিভাগ কেরালায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী একটি বিশেষ মহলের সব স্বার্থ রক্ষা করছেন। অন্য শ্রেণির অপব্যবহার করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, খ্রিষ্টানরাও এখানে সংখ্যালঘুর মতো অনুভব করছে।

    কেরালা হাইকোর্ট লাভ জেহাদ নিয়ে ২০০৯ সালের একটি পর্যবেক্ষণের রাশ টেনে মাস কয়েক আগে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকেও বলতে শোনা গিয়েছিল, কেরালাকে মুসলিম রাজ্যে পরিণত করতে চাইছে একদল ষড়যন্ত্রকারী। সরকারে থাকা বাম জোট এই বিষয়ে কিছুই করছে না। এবার সেই একই অভিযোগ শোনা গেল আরও এক বিজেপি নেতার গলায়। এবং খোদ কেরালারই!

     

  • Madhya Pradesh: বিবাহ বিভ্রাট! এক মণ্ডপে বিয়ে হচ্ছিল দুই বোনের, হঠাৎ লোডশেডিং, তারপর যা ঘটল…

    Madhya Pradesh: বিবাহ বিভ্রাট! এক মণ্ডপে বিয়ে হচ্ছিল দুই বোনের, হঠাৎ লোডশেডিং, তারপর যা ঘটল…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একই ছাদনাতলায় একসঙ্গে বিয়ে দুই বোনের। বিয়ে চলাকালীন হঠাৎ লোডশেডিং। পুরোহিত অবশ্য মন্ত্র থামাননি। চলতে থাকে বিয়েও। আর তাতেই বিপত্তি। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চারদিক অন্ধকার। ভুল করে একে অপরের বরকে বিয়ে করলেন দুই বোন। ভিন্ন পরিবারের দুই পাত্র বিষয়টি বুঝতেও পারেননি। ঘোমটায় মুখ ঢাকা থাকায় দীর্ঘ ক্ষণ বিষয়টি বুঝতে পারেনি দুই পরিবারের সদস্যরাই। পরে জানাজানি হতেই গোল বাধে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়নীতে।

    উজ্জয়নীর রমেশলালের দুই মেয়ে নিকিতা ও করিশ্মার বিয়ে হচ্ছিল। ভোপালের ডাংওয়ারা এলাকার ভোলা ও গণেশ নামে দুই যুবকের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়েছিল দুই বোনের। বিয়ে চলাকালীন হঠাৎই বিয়ে বাড়ির বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন হয়। একই পোষাক থাকায় অন্ধকারে গুলিয়ে ফেলেন দুই পাত্র। মাল্যদান থেকে সাত পাকে ঘোরা… সব শেষ হওয়ার পর টনক নড়ে দু’পক্ষের। কনেরা ঘোমটা তোলার পর বিষয়টি পরিষ্কার হয়। কিছু ক্ষণ বাক্‌বিতণ্ডা চলার পর অবশেষে বিষয়টির মীমাংসা হয়। পর দিন সকালে আবার নিজের নিজের ঠিক করা পাত্রীর সঙ্গেই বিয়ে করেন ভোলা ও গণেশ। অতএব একই মণ্ডপে দু-দু বার বিয়ে করলেন দুই বোন।

  • Navneet Rana: নবনীত রাণার গ্রেফতারি ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের চার শীর্ষ আধিকারিককে তলব সংসদীয় কমিটির

    Navneet Rana: নবনীত রাণার গ্রেফতারি ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের চার শীর্ষ আধিকারিককে তলব সংসদীয় কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা সাংসদ নবনীত রাণার (Navneet Rana) গ্রেফতারির ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের চার শীর্ষ আধিকারিককে তলব করল সংসদীয় কমিটি। এই চারজন হলেন – মহারাষ্ট্রের মুখ্যসচিব, মহারাষ্ট্রের ডিজিপি, মুম্বাই পুলিশ কমিশনার এবং বাইকুল্লা জেলা মহিলা জেলের সুপারইন্টেনডেন্ট আগামী ১৫ জুন তলব করল সংসদের প্রিভিলেজ এবং এথিকস্ কমিটি (Parliament Privileges and Ethics Committee)। এছাড়াও সাংসদ সঞ্জয় কুমার বন্দিকে গ্রেফতারের ইস্যুতে তেলাঙ্গনার এক আধিকারিককেও তলব করা হয়েছে। 

    ২৩ এপ্রিল ‘হনুমান চালিশা’ বিতর্কে সাংসদ নবনীত রাণা এবং তাঁর বিধায়ক স্বামী রবি রাণাকে গ্রেফতার করে মুম্বাই পুলিশ। জেলে তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে একথা জানিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লেখেন নির্দল সাংসদ নবনীত রাণা। চিঠিতে নবনীত লেখেন, “২৩ তারিখ আমাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ২৩ এপ্রিলের রাত আমাকে পুরোপুরি থানার ভিতরেই কাটাতে হয়। রাতে আমি বহুবার খাওয়ার জন্য জল চেয়েছিলাম। কিন্তু, আমাকে একবারও জল দেওয়া হয়নি। এমনকী, আমাকে বলা হয়, আমি নিচু জাতের মেয়ে। তাই তাঁরা যে গ্লাসে জল খান, সেই একই গ্লাসে আমাকে জল দিতে পারবেন না। আমার সঙ্গে যা করা হয়েছে, তা আদতে মানবাধিকারবিরোধী।”  

    আরও পড়ুন: মোদির বাসভবনের সামনে নমাজ, হনুমান চালিশা পাঠ করতে চেয়ে অমিত শাহকে চিঠি এনসিপি নেত্রীর
     
    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই লাউডস্পিকার বিতর্কে উত্তাল হয় গোটা দেশ, বিশেষ করে মহারাষ্ট্র। মুসলিমদের লাউডস্পিকারে আজান পড়ার বিরোধিতা করে হিন্দু সংগঠন থেকে সাধারণ মানুষ। সেই প্রসঙ্গেই এই রাণা দম্পতি মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের বাড়ির সামনে লাউডস্পিকারে হনুমান চালিশা পড়ার হুঁশিয়ারি দেন। সেই অভিযোগেই গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। পরে জামিনও পান তাঁরা।    

    সংসদীয় কমিটি তলব করা সব সরকারি আধিকারিককেই ১৫ জুন সশরীরে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাংসদ সঞ্জয় কুমার বন্দি অভিযোগ করেন একটি মিথ্যে মামলায় তাঁকে বলপূর্বক গ্রেফতার করেন তেলাঙ্গনার পুলিশ আধিকারিক সত্যনারায়ণ। সেই অভিযোগের ভিত্ততেই সত্যনারায়ণকেও তলব করেছে কমিটি। 

    আরও পড়ুন: “ক্ষমতা আসে-যায়…” উদ্ধবকে কী হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ ঠাকরে?

  • Tata Steel Plant: জামশেদপুরে টাটার কারখানায় ভয়াবহ আগুন, আহত ৩ শ্রমিক

    Tata Steel Plant: জামশেদপুরে টাটার কারখানায় ভয়াবহ আগুন, আহত ৩ শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামশেদপুর টাটার ইস্পাত কারখানায় ভয়াবহ আগুন। আহত হয়েছেন অন্তত ৩ জন শ্রমিক। কর্তৃপক্ষের তরফে পরে জানানো হয়, ২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। একজন চিকিৎসাধীন। জানা গেছে, একটি বিস্ফোরণের পরই কারখানার কোক প্ল্যান্টে আগুন লাগে। বিস্ফোরণ ও আগুন ঘিরে আতঙ্ক কারখানা চত্বরে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকল।

     

     

    আহত তিন জনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কারখানার কাছেই টাটা মেডিক্যাল হাসপাতালে। টাটা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আরেক কর্মী বুকে ব্যথা অনুভব করায় তারও চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। অন্য এক সূত্র মারফৎ খবর, বিষাক্ত গ্যাসেও কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ বোধ করলে, তাঁদেরও চিকিৎসা শুরু হয়।

    [tw]


    [/tw]

    শনিবার বেলা ১০টা বেজে ২০ নাগাদ একটা বিস্ফোরণের শব্দে চমকে ওঠে সকলে। মূহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। কারখানা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোক প্লান্টের ব্যাটারি ৬-এর ফাইল গ্যাসের পাইপলাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। এই মুহূর্তে ব্যাটারি-৬ নিস্ক্রিয় বলে তার সরঞ্জাম খোলার কাজ চলছিল। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও সঠিকভাবে জানা যায়নি। টাটা জানিয়েছে, দায়িত্বশীল সংস্থা হিসেবে কর্মীদের নিরাপত্তাই তাদের প্রথম অগ্রাধিকার।

    দ্রুত আগুন নেভানোর কাজ চলছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ট্যুইট বার্তায় জানিয়েছেন, প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছে সরকার।

    [tw]


    [/tw]

     

  • Rahul Gandhi: রাজনৈতিক ছাড়পত্র ছাড়াই লন্ডন গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী?

    Rahul Gandhi: রাজনৈতিক ছাড়পত্র ছাড়াই লন্ডন গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনে গিয়েছিলেন। অথচ সফরের আগে কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রক থেকে প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ছাড়পত্র (political clearance) নেননি কংগ্রেস (congress) সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। বুধবার কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সূত্রেই এই দাবি করা হয়েছে। ওই সূত্র জানাচ্ছে, লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদদের বিদেশের কোনও কর্মসূচি বা অনুষ্ঠানে যোগদানের আগে বিদেশ মন্ত্রক থেকে রাজনৈতিক ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু রাহুল সেই নিয়ম না মেনেই চলতি সপ্তাহে লন্ডনে সফরে (London trip) গিয়েছিলেন।

    আইডিয়াস ফর ইন্ডিয়া (Ideas for India) সম্মেলনে যোগ দিতে লন্ডন গিয়েছিলেন রাহুল। সেখানে তিনি তীব্র ভাষায় বিজেপিকে (BJP) আক্রমণ শানান। পরে বিতর্কিত ব্রিটিশ লেবার পার্টির এক নেতার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। সরকারের একটি সূত্র জানাচ্ছে, রাহুল রাজনৈতিক ছাড়পত্র না নিলেও, জাতীয় জনতা দলের আর এক সাংসদ অধ্যাপক মনোজ ঝা, যিনি লন্ডনের ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন, তাঁর কাছে রাজনৈতিক ছাড়পত্র ছিল। রাহুলের একদিন আগেই কেমব্রিজের ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দিয়েছিলেন ওই অধ্যাপক।

    অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর ব্রিটেনের লেবার পার্টির প্রাক্তন নেতা জেরেমি করবিনের (Jeremy Corbyn) সঙ্গেও দেখা করেন কংগ্রেস সাংসদ। এই জেরেমি করবিন তাঁর ভারত-বিরোধী (Anti-India), হিন্দুত্ব-বিরোধী (Anti-Hindu) অবস্থানের জন্য পরিচিত। ইন্ডিয়ান ওভারসিজ কংগ্রেস (আইওসি) দ্বারা শেয়ার করা একটি ছবিতে জেরেমি করবিনকে আইওসির চেয়ারম্যান স্যাম পিত্রোদা (Sam Pitroda) ও রাহুল গান্ধীর সঙ্গে পোজ দিতে দেখা যায়। প্রসঙ্গত, জেরেমি করবিনকে তাঁর ‘অর্থবিরোধী’ দৃষ্টিভঙ্গির জন্য লেবার পার্টির নেতৃত্ব দল থেকে বহিষ্কার করেছিল। জেরেমি করবিন জম্মু-কাশ্মীরে পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ সমর্থকও।  

    আরও পড়ুন : কাঠমান্ডুর নাইটক্লাবে রাহুল গান্ধীর ভিডিও ভাইরাল, নিন্দায় সরব বিজেপি

    ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের প্রশ্ন, কংগ্রেস নেতা ব্রিটিশ রাজনীতিকের সঙ্গে কী করছেন, যে ব্রিটিশ নেতা প্রকাশ্যে ভারত থেকে কাশ্মীরকে আলাদা করার পক্ষে সওয়াল করেন? বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালার প্রশ্ন, জেরেমি করবিনের মতো ভারত-বিরোধী মানুষের সঙ্গে দেখা করা হোক কিংবা ডোকলামের (Doklam) সময় চিনাদের সঙ্গে দেখা করা কেন রাহুল গান্ধীর হাত সবসময় তাঁদের সঙ্গে থাকে, যাঁদের হাত ভারতের বিরুদ্ধে? যদিও কংগ্রেসের বক্তব্য, রাহুলের বিদেশ সফরের জন্য সরকারি অনুমতির কোনও প্রয়োজনই নেই।

     

  • Jammu & Kashmir: আসন বাড়ল জম্মু-কাশ্মীরে, ডিলিমিটেশন কমিশনের রিপোর্টে বিতর্ক

    Jammu & Kashmir: আসন বাড়ল জম্মু-কাশ্মীরে, ডিলিমিটেশন কমিশনের রিপোর্টে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হল জম্মু-কাশ্মীরে সীমানা পুনর্বিন্যাসের কাজ। এক লপ্তে বাড়ল আসন সংখ্যাও। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রের কাছে রিপোর্ট জমা দিয়েছে ডিলিমিটেশন কমিশন। রিপোর্ট নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছে ভূস্বর্গের রাজনৈতিক দলগুলি।

    অশান্তির জেরে প্রায় দু’দশক জম্মু-কাশ্মীরে বন্ধ ছিল সীমানা পুনর্বিন্যাসের কাজ। ক্ষমতায় এসে অশান্ত ভূস্বর্গে শান্তি ফেরাতে উদ্যোগী হয় মোদি সরকার। সংসদের উভয় কক্ষে বিল পাশ করে রদ করে দেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। ভূস্বর্গকে পরিণত করা হয় দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। তবে জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা দিতে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নেয় কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। যার জেরে শুরু হয় সীমানা পুনর্বিন্যাসের কাজ। কাজ শেষে এদিন কেন্দ্রকে সেই রিপোর্টই জমা দল ডিলিমিটেশন কমিশন।

    ভূস্বর্গের কাশ্মীর এলাকাটি মুসলিম অধ্যুষিত। হিন্দু পণ্ডিতদের বিতাড়নের জেরে এই এলাকার প্রায় সব ভোটারই মুসলিম সম্প্রদায়ের। এর ঠিক উল্টো চিত্র জম্মুতে। এলাকাটি হিন্দু অধ্যুষিত। সীমানা পুনর্বিন্যাসের জেরে আসন সংখ্যা বেড়েছে জম্মুতে। সেখানে বেড়েছে ৬টি আসন। আর কাশ্মীরে বেড়েছে একটি আসন। সব মিলিয়ে আসন সংখ্যা বেড়েছে ৭টি। আগে ছিল ৮৩টি। আসন সংখ্যা বৃদ্ধির জেরে ভূস্বর্গের আসন বেড়ে হল ৯০টি। জম্মুর আসন সংখ্যা বাড়ায় খেপেছে কাশ্মীরের রাজনৈতিক দলগুলি।

    যদিও ডিলিমিটেশন কমিশন জানিয়েছে, ২০১১ সালের জনসংখ্যার ভিত্তিতেই আসন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নয়া ব্যবস্থায় জম্মু-কাশ্মীরের যে পাঁচটি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে, তার প্রতিটিতে এবার ১৮টি করে বিধানসভা কেন্দ্র থাকবে। স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের দাবি মেনে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রের নাম বদল হয়েছে। যেমন, তানমার্গের নাম হয়েছে গুলমার্গ, জুনিমার হয়েছে জাদিবাল, শোনওয়ারের নাম হয়েছে লালচক, কাঠুয়া উত্তরের নাম হয়েছে জাসরোটা।

    ডিলিমিটেশন কমিশনের পেশ করা রিপোর্টে সন্তুষ্ট নয় কাশ্মীরের রাজনৈতিক দলগুলি। উপত্যকার বিভিন্ন দল নিয়ে গড়া গুপকর জোট জানিয়েছে, এর ফলে কাশ্মীরে যাঁরা সংখ্যাগুরু, তাঁরা রাজনৈতিক সংখ্যালঘুতে পরিণত হলেন। পুরোটাই করা হয়েছে বিজেপিকে সুবিধা করে দিতে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, যাবতীয় উদ্যোগ উপত্যকায় শান্তি ফেরাতেই করা হচ্ছে।   

  • Amit Shah: ‘সেদিন দেশবাসীর অধিকার…’, ৭৫-এর জরুরি অবস্থা প্রসঙ্গে অমিত শাহ

    Amit Shah: ‘সেদিন দেশবাসীর অধিকার…’, ৭৫-এর জরুরি অবস্থা প্রসঙ্গে অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতার জন্য কংগ্রেস (Congress) ভারতীয়দের সাংবিধানিক অধিকার (Constitutional Rights) কেড়ে নিয়েছিল। এমনই অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। দেশে জরুরি অবস্থার ৪৭ বর্ষপূর্তি। ১৯৭৫ সালের এই দিনেই দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। সেই কারণেই এদিন কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    এদিন সকালে একট ট্যুইটবার্তায় শাহ বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে কংগ্রেস ক্ষমতার জন্য প্রত্যেক ভারতবাসীর সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নিয়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছিল। তিনি বলেন, কংগ্রেস শাসন বর্বরতার দিক থেকে বিদেশি শাসনকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। তিনি সেই দেশপ্রেমিকদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন, যাঁরা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে এবং স্বৈরাচারী মানসিকতাকে পরাস্ত করতে সর্বস্ব উৎসর্গ করেছিলেন।

    আরও পড়ুন : ‘শিবের মতো বিষপান করেছেন মোদি’, গুজরাট হিংসা প্রসঙ্গে অমিত শাহ

    ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন মধ্যরাতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ফকরুদ্দিন আলি আহমেদ সংবিধানের ৩৫২ অনুচ্ছেদের অধীনে জরুরি অবস্থা জারি করেন। ১৯৭১ সালের লোকসভা নির্বাচনে ইন্দিরার জয়কে অবৈধ ঘোষণার পরে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হয় দেশ। ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়ে জারি করা হয় জরুরি অবস্থা। সেই সময় মানবাধিকার লঙ্ঘন, সেন্সরশিপ ছাড়াও বহু মানুষকে জেলবন্দি করা হয়েছিল। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর জরুরি অবস্থা জারির এই সিদ্ধান্তকে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অন্ধকারময় সময় বলে বিবেচনা করা হয়। ১৮ মাস পরে প্রত্যাহার করা হয় জরুরি অবস্থা। ১৯৭৭ সালে নির্বাচনে হেরে যায় কংগ্রেস।

    দিনটিকে অন্ধকারময় চ্যাপ্টার বলে উল্লেখ করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, ৪৭ বছর আগে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত একটি অন্ধকারময় অধ্যায়। এটা কখনওই ভোলা যাবে না।বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা বলেন, বিজেপি সেই সব বীরদের স্মরণ করে, যাঁরা ভারতের গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধ রক্ষার জন্য লড়াই করেছিলেন।

    আরও পড়ুন : আতঙ্কে ঘর ছাড়ছেন পণ্ডিতরা, জরুরি বৈঠক ডাকলেন অমিত শাহ

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেন, ২৫ জুন দিনটি ভারতের গণতন্ত্রে একটি কালো দিন। ক্ষমতার জন্য শাসক নাগরিক স্বাধীনতা খর্ব করেছিলেন।গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করেছিলেন। দুর্বল করেছিলেন বিচার বিভাগকেও।

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, জরুরি অবস্থা ভারতের গণতন্ত্রের ভয়াবহ অন্ধকার দিনগুলির কথা মনে করিয়ে দেয়।

     

     

  • LIC IPO: ৪ মে আসছে এলআইসি-র আইপিও, শেয়ারের দাম কত হবে, জানাল সেবি

    LIC IPO: ৪ মে আসছে এলআইসি-র আইপিও, শেয়ারের দাম কত হবে, জানাল সেবি

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে বাজারে আসছে এলআইসি-র আইপিও (LIC IPO)। ৪ মে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে লাইফ ইনস্যুরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার (Life Insurance Corporation) বা এলআইসি-র এই ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং (আইপিও)। 

    ভারতীয় জীবন বিমা নিগমের তরফে জানানো হয়েছে, মে মাসের ৪ তারিখ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত আইপিও কেনাবেচা চলবে। খুচরো বিনিয়োগকারী (retail investors) থেকে শুরু করে পলিসিহোল্ডার (LIC policyholders) এবং বিমা কর্মীরা (LIC employees) এই সময় আবেদন করতে পারবেন। তবে, প্রতিষ্ঠানিক এবং বড় বিনিয়োগকারীরা (institutional investors) এই সুবিধা ২ মে থেকেই লাভ করতে পারবেন। বুধবার সেবি থেকে বরাদ্দ শেয়ারের পরিমাণ-সহ আইপিও সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যও জানানো হয়েছে। ৫ শতাংশের পরিবর্তে বর্তমানে ৩.৫ শতাংশ শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে বলে আগেই জানিয়েছে সংস্থা।

    প্রতিটি ইক্যুইটি শেয়ারের (equity share) মূল্য ৯০২ টাকা থেকে শুরু করে ৯৪৯ টাকা পর্যন্ত ধার্য করেছে সংস্থা (LIC IPO price band) ৷ সেক্ষেত্রে একটি লটে থাকা ১৫টি শেয়ার কিনতেই হবে বিনিয়োগকারীদের ৷ অর্থাৎ, বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ করতে হচ্ছে ১৪ হাজার টাকার কিছু বেশি ৷ তবে, বিনিয়োগকারীরা ১৫ এবং তার গুণিতকে শেয়ারের আবেদন জানাতে পারেন। জীবনবিমাকারী গ্রাহকদের জন্য ২.২১ কোটি এবং কর্মচারীদের জন্য ১.৫৮ কোটি শেয়ার সংরক্ষিত রাখা হবে। কর্মচারীরা শেয়ারের উপর ৪৫ টাকা ও জীবনবিমাকারী গ্রাহকরা ৬০ টাকা ছাড় পাবেন।

    চূড়ান্ত জমাপত্র অনুযায়ী, ১৬ মে-র মধ্যে আবেদনকারীদের ডিম্যাট অ্যাকাউন্টে (Demat account) বিতরণ শেষ করবে সেবি। ১৭ মে থেকে এলআইসি শেয়ার বাজারে (share market) তাদের নাম নথিভুক্ত করবে এবং স্বাভাবিক লেনদেন শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    প্রাথমিকভাবে সংস্থার বাজারে সংস্থার ৩১ কোটি শেয়ার ছেড়ে তা থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা কোষাগারে আনার পরিকল্পনা ছিল সরকারের ৷ সেক্ষেত্রে সংস্থার ৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল সরকার ৷ কিন্তু বাজার অস্থিরতার কারণে সেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচিত হয় ৷ স্থির হয়, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ৫ শতাংশের বদলে ৩.৫ শতাংশ শেয়ার ছাড়া হবে।  এর ফলে ভ্যালুয়েশনও কমে দাঁড়ায় ২২.১৩ কোটি শেয়ার ৷ 

    পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আয়তনে কমলেও দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আইপিও হতে চলেছে জীবন বিমা নিগমের ৷  ডিআইপিএএম (DIPAM) সেক্রেটারি তুহিনকান্ত পাণ্ডে (Tuhin Kanta Pandey) বলেন, “আয়তন কমলেও জীবন বিমা নিগমের আইপিও-ই দেশের সর্ববৃহৎ আইপিও হতে চলেছে ৷” চলতি বছর বাজেট ঘোষণায় জীবন বিমা নিগমের শেয়ার বিক্রির কথা ঘোষণা করেছিলেন নির্মলা সীতারমণ ৷

     

     

  • Marital Rape: ‘‌বৈবাহিক ধর্ষণ’‌ নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত দিল্লি হাইকোর্ট, মামলা যেতে পারে শীর্ষ আদালতে

    Marital Rape: ‘‌বৈবাহিক ধর্ষণ’‌ নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত দিল্লি হাইকোর্ট, মামলা যেতে পারে শীর্ষ আদালতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈবাহিক ধর্ষণ (Marital Rape) কি অপরাধ? নির্দিষ্ট উত্তর দিতে পারল না দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। এই বিষয় নিয়ে বিতর্ক বহুদিনের। একের পর এক মামলা উঠেছে আদালতে। তবু সুরাহা হয়নি। এবার দিল্লি হাইকোর্টও নির্দিষ্ট কোনও রায় দিতে পারল না। দ্বিধাবিভক্ত রায় দিল আদালত। এই বিষয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারপতি রাজীব শকধের ও সি হরিশংকর আলাদা মত দিলেন। তবে আবেদনকারী সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আবেদন করতে পারেন বলেও জানিয়েছেন দুই বিচারপতি। 

    ‘‌বৈবাহিক ধর্ষণ’‌–ও অপরাধ। তাকে অপরাধের তকম দেওয়া হোক। এই দাবি জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে একের পর এক পিটিশন জমা পড়েছিল। ২০১৫ সালে ধর্ষণ আইনের একটি ব্যতিক্রমী ধারাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে প্রথম পিটিশনটি জমা পড়েছিল। ওই ধারায় প্রাপ্তবয়স্ক স্ত্রীকে যৌন সংসর্গে বাধ্য করার বিষয়টিকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, স্ত্রীর বয়স ১৮ বছরের বেশি হলে তাঁকে যৌন সংসর্গে বাধ্য করতে পারেন স্বামী। এই ধারার বিরুদ্ধেই জমা পড়েছিল পিটিশন।

    সেই মামলার শুনানিতেই ভিন্ন মত পোষণ করলেন বিচারপতি রাজীব শাকধের এবং বিচারপতি হরি শঙ্কর। বিচারপতি শাকধেরের মতে এই ব্যতিক্রম আসলে সংবিধানের ১৪, ১৯, ২১ ধারার (‌সাম্যের অধিকার, বাক এবং ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা, জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সুরক্ষা)‌‌ বিরোধিতা করে। শাকধের স্পষ্টই জানান, এই বিষয়ে তিনি সহ-বিচারপতি হরি শঙ্করের সঙ্গে একমত হতে পারছেন না। অন্য বিচারপতি সি হরিশংকর (C Harishanker) জানালেন, ধর্ষণ আইনের ব্যতিক্রমী ধারাটি সংবিধানের পরিপন্থী নয় কোনওভাবেই। কারণ, স্বামী-স্ত্রীর মতপার্থক্যের কারণেই একমাত্র এই ধরনের অভিযোগ উঠে থাকে। যাকে কখনওই সেই অর্থে অপরাধ বলে গণ্য করা ঠিক নয়। 

    বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে ধর্ষণের প্রসঙ্গ টানা যায় কিনা তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে দেশে। অনেকের মতে বিষয়টি পশ্চিমি সংস্কৃতি থেকে আমদানি করা হয়েছে। এই বিষয়ে গত ৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট কেন্দ্রের অবস্থান জানাতে চেয়েছিল। দিল্লি হাইকোর্ট কেন্দ্রকে দুই সপ্তাহ সময় দিয়ে বলেছিল, তার মধ্যে ‘‌বৈবাহিক ধর্ষণ’‌ নিয়ে তাদের মত জানাতে। যদিও কেন্দ্র এখনও পর্যন্ত তাদের মত দেয়নি। এ প্রসঙ্গে আদালত জানায়, ‘‌যদি কেন্দ্র মনে করে অনির্দিষ্টকাল আদালত এই শুনানি স্থগিত রাখবে, তাহলে তা হবে না।’‌ জবাবে কেন্দ্রের হয়ে সওয়াল করা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, এই বিষয়ে সব রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে। নয়তো নাগরিকদের সামাজিক জীবন ব্যাহত হতে পারে। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে এপ্রসঙ্গে হলফনামা দিয়ে কেন্দ্র জানিয়েছিল, ‘‌বৈবাহিক ধর্ষণ’‌–কে তারা অপরাধ বলতে রাজি নয়। এতে বিপাকে পড়তে পারে ‘‌বিবাহ প্রতিষ্ঠান’‌। এই আইন আনা হলে অনেক স্ত্রীই তাকে অস্ত্র করে স্বামীকে হেনস্থা করতে পারে।  

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত একটি মামলায় বৈবাহিক ধর্ষণ প্রসঙ্গ ওঠে কেরল হাইকোর্টে। ওই মামলায় আদালত জানায়, বিবাহ-বিচ্ছেদের মামলায় বৈবাহিক ধর্ষণ যথেষ্ট যুক্তিগ্রাহ্য কারণ। কেরল হাইকোর্টের বিচারপতিরা জানান, ভারতে বৈবাহিক ধর্ষণ দণ্ডণীয় অপরাধ নয় বটে তবে শরীর হোক বা আত্মপরিচয়, স্ত্রীর কোনও কিছুর উপরই কর্তৃত্ব চালাতে পারেন না একজন স্বামী। আদালত আরও বলে, স্ত্রীর শরীরকে স্বামী যদি সম্পত্তি ভাবেন এবং জোর করে সঙ্গমে লিপ্ত হন, তাহলে সেটি বৈবাহিক ধর্ষণই।

     

  • Gallantry Awards 2022: ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবসে বীরত্বের পুরস্কার পেলেন ১০৭ জন, মরণোত্তর কীর্তি চক্র শহিদ দুই জওয়ানকে

    Gallantry Awards 2022: ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবসে বীরত্বের পুরস্কার পেলেন ১০৭ জন, মরণোত্তর কীর্তি চক্র শহিদ দুই জওয়ানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবসে (76th Independence Day) বীরত্বের পুরস্কার (Gallantry Awards) ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার৷ রবিবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) ৩টি কীর্তি চক্র, ১৩টি শৌর্য চক্র (Shaurya Chakra) সহ ১০৭টি বীরত্ব পুরস্কারের অনুমোদন দিয়েছেন। ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সাহসিকতা এবং বিশেষ পরিষেবার জন্য তাঁদের সম্মানিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। দেশের একাধিক বীর সৈনিককে বীরত্বের পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। কোথাও জঙ্গি দমন তো কোথাও শত্রুপক্ষের সঙ্গে লড়াইয়ে প্রাণপাত করা বীর সেনা-জওয়ানেরাও পুরস্কার প্রাপকের তালিকায় রয়েছে।

    সোমবার কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতীয় সেনা বাহিনীর নায়েক দেবেন্দ্র প্রতাপ সিং ( Naik Devendra Pratap Singh) কীর্তি চক্র (Kirti Chakra) পাচ্ছেন। এছাড়াও বাকি দুই জওয়ান বিএসএফের কনস্টেবল সুদীপ সরকার (BSF constables Sudip Sarkar) ও বিএসএফের সাব-ইনস্পেক্টর পাওতিনস্যাট গুইতের (Paotinsat Guite) জন্য মরণোত্তর কীর্তি চক্র ঘোষণা করা হয়েছে। নায়েক দেবেন্দ্র চলতি বছরের জানুয়ারিতে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গিদের মুখোমুখি হয়ে লড়াই করছিলেন ও দুই জঙ্গিকে খতম করেছিলেন। আবার শহিদ সেনা জওয়ান সুদীপ সরকার ও পাওতিনস্যাট গুইতেও দুই জঙ্গিকে খতম করেছিলেন, কিন্তু গুলির লড়াইয়ে পরে তাঁরা প্রাণ ত্যাগ করেন।

    আবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ২টি বার-টু-সেনা পদক (বীরত্ব), ৮১টি সেনা পদক (বীরত্ব), ৭টি বায়ু সেনা পদক (বীরত্ব) এবং ১টি নৌ সেনা পদক (বীরত্ব) অনুমোদন করেছেন। এছাড়াও তিনি একটি সেনা কুকুর অ্যাক্সেলের জন্য একটি মরণোত্তর সহ ৪০টি সেনা পদক অনুমোদন করেছেন। এই কুকুরটি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং অভিযান চলাকালীন এর মৃত্যু হয়। ৭টি বায়ু সেনা পদকের মধ্যে একটি পদক গ্রুপ ক্যাপ্টেন রাহুল সিং (Group Captain Rahul Singh) ও একটি পদক আইএএফ হেলিকপ্টার পাইলট উইং কমান্ডার দীপিকা মিশ্রের (IAF helicopter pilot Wing Commander Deepika Misra) জন্য ঘোষণা করা হয়েছে। রাহুল সিং কাবুল থেকে ভারতীয় দূতাবাসের কর্মীদের এবং প্রবাসীদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাঁকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। আর দীপিকা মিশ্র মধ্যপ্রদেশের বন্যার সময় সাহায্য করেছিলেন, যার জন্য তাঁকে বীরত্ব পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে। অসীম সাহসিকতার সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য ভারতের সেনা জওয়ানদের বীরত্বের জন্য তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

     

LinkedIn
Share