Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Covid-19 India Update: দৈনিক আক্রান্ত ১২ হাজারের গণ্ডি পেরলো, চতুর্থ ঢেউয়ের পূর্বাভাস?

    Covid-19 India Update: দৈনিক আক্রান্ত ১২ হাজারের গণ্ডি পেরলো, চতুর্থ ঢেউয়ের পূর্বাভাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দেশে ফের ভয় ধরাচ্ছে করোনা (Coronavirus)। লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। চতুর্থ ঢেউয়ের পূর্বাভাস! ফেব্রুয়ারি মাসের পর এই প্রথমবার দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১২ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গেল। নতুন করে দেশের প্রায় সব প্রান্তেই ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। বিশেষ করে মুম্বাই, দিল্লির মতো শহরে আক্রান্ত বাড়ছে হু হু করে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পজিটিভিটি রেট। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বিশেষজ্ঞদের কপালে ভাঁজ বাড়াচ্ছে।

    [tw]


    [/tw]

    বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় (Covid 19) আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ২১৩ জন। যা গত প্রায় চারমাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর মধ্যে শুধু মুম্বাইয়েই আক্রান্তের সংখ্যা ২২৯৩। মহারাষ্ট্রজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজারের বেশি। শুধু মুম্বাই নয়, আরেক জনবহুল শহর দিল্লির অবস্থাও আশঙ্কাজনক। রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৩৭৫ জন।       

    তামিলনাড়ুতে একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭৬। পশ্চিমবঙ্গে একদিনে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩০ জন। তেলেঙ্গানায় একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ২০৫ জন। গুজরাতে একদিনে আক্রান্ত ১৮৪ জন।  

    আরও পড়ুন: করোনার ঊর্ধ্বগতি, ৯ হাজারের গণ্ডি ছোঁয়ার পথে দেশের দৈনিক সংক্রমণ

    বর্তমানে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৫৮ হাজার ২১৫ জন। গতকালের থেকে ৪ হাজার ৫৭৮ বেশি। দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ০.১৩  শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে। দৈনিক পজিটিভিটি রেট ২.৩৫ শতাংশের কাছাকাছি। একদিনে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১১ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত কোভিডে মোট মৃতের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৪ হাজার ৮০৩ জন।  

    আরও পড়ুন: ২ বছর পর ভারতীয়দের জন্য কোভিড ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলল চিন

    এখনও পর্যন্ত দেশে ৪ কোটি ২৬ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭১২ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৭ হাজার ৬২৪ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৬৫ শতাংশ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ১৯৫ কোটি ৬৭ লক্ষের বেশি টিকা (Corona Vaccine) দেওয়া হয়েছে। গতকাল টিকা পেয়েছেন ১৫ লক্ষের বেশি মানুষ।     

     

  • Traditional Medicine: প্রথাগত চিকিৎসাকে মূল ধারায় আনতে হু-এর সঙ্গে বৈঠকে ভারত 

    Traditional Medicine: প্রথাগত চিকিৎসাকে মূল ধারায় আনতে হু-এর সঙ্গে বৈঠকে ভারত 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটে বিশ্বের স্বাস্থ্য (World Health Organization) এবং মঙ্গলের স্বার্থে এবার হাত মেলাতে উদ্যোগী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ভারত। এবিষয়ে সোমবার একটি বৈঠক করেন হু-এর প্রধান টেড্রস অ্যাডানম গেব্রিয়েসাস (Tedros Adhanom Ghebreyesus) এবং ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সচিব সঞ্জয় বর্মা (Sanjay Verma)। 

    বৈঠকে মূলত ভারতের প্রথাগত চিকিৎসাশাস্ত্রকে (Traditional Medicine) মূল ধারায় ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কথা হয় দুই আধিকারিকের মধ্যে। সঞ্জয় বর্মা হু-এর প্রধানের সামনে ভারতের ঐতিহ্যবাহী প্রথাগত চিকিৎসা যেমন, যোগ, আয়ুর্বেদ, সিদ্ধার গুরুত্ব তুলে ধরেন।  

    আরও পড়ুন: আসতে চলেছে করোনার চতুর্থ ঢেউ? আশঙ্কার কথা শোনালেন হু-এর বিজ্ঞানী

    এইসব চিরাচরিত  চিকিৎসাবিদ্যা ভারতীয় সংস্কৃতি-ঐতিহ্য-ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্দ্য অংশ। হাজার-হাজার বছর ধরে ভারত প্রথাগত চিকিৎসা নিয়ে গবেষণা করেছে। যেমন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বহু বছর ধরে চলে আসছে ভারতে।  

    সিদ্ধা ওষুধ মূলত ব্যবহার হয় কেরল এবং তামিলনাড়ুতে। লেহ-লাদাখ এবং সিকিম, অরুণাচলপ্রদেশ, দার্জিলিং, লাহুল, স্পিতির মতো হিমালয় বলয়ে সোয়া-রিগপা চিকিৎসাশাস্ত্রের অনুশীলন করা হয়।   

    আরও পড়ুন: আশা কর্মীদের কুর্নিশ জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    পার্মানেন্ট মিশন অফ ইন্ডিয়া, জেনেভা একটি ট্যুইটে লিখেছে, “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানের সঙ্গে সঞ্জয় বর্মার বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে। দুই আধিকারিক ভারত এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সম্পর্ক কী করে আরও দৃঢ় করা যায়, সে বিষয়ে কথা বলেন। বিশ্বের স্বাস্থ্য এবং মঙ্গলের স্বার্থে ভারতীয় প্রথাগত চিকিৎসা এবং ডিজিটাল চিকিৎসা ব্যবস্থাকে মূল ধারায় আনতে হাত মেলাতে পারে ভারত এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।” 

    [tw]


    [/tw] 

    সম্প্রতি গুজরাতের জামনগরে ‘হু গ্লোবাল সেন্টার ফর ট্রেডিশনাল মেডিসিন’ নির্মাণ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এছাড়াও রাজস্থানের জয়পুরে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ আয়ুর্বেদের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।  

    হু-এর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী গোটা বিশ্বের জনসংখ্যার ৮০% মানুষ প্রথাগত ওষুধে ভরসা করেন। হু প্রধানের বক্তব্য, “প্রথাগত ওষুধের মূল মন্ত্র জ্ঞান, দক্ষতা এবং অনুশীলন। সময় এসেছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের প্রথাগত চিকিৎসার মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্কৃতিকে তুলে ধরা এবং গোটা বিশ্বের শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানো।”  

     

     

  • 2 jawans missing: চিন সীমান্তের কাছে নিখোঁজ দুই ভারতীয় জওয়ান

    2 jawans missing: চিন সীমান্তের কাছে নিখোঁজ দুই ভারতীয় জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’সপ্তাহ পরও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না দুই ভারতীয় জওয়ানের (Indian Soldier)। চিন (Chin) সীমান্তের কাছে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন হরেন্দ্র নেগি ও প্রকাশ সিং রানা নামের দুই জওয়ান। উত্তরাখণ্ডের ৭ম গাড়োয়াল রাইফেলসের ওই দুই জওয়ান গত ২৮ মে থেকে নিখোঁজ। ভারতীয় সেনাবাহিনী সূত্রে খবর,কোনও স্পষ্ট প্রমাণ না মিললেও মনে করা হচ্ছে অরুণাচলের অঞ্জ জেলার কাজব উপত্যকায় নদীতে পড়ে যান ওই দু’জন। অনুমান, প্রকাশ কোনওভাবে পা পিছলে নদীতে পড়ে গিয়েছিল। হরেন্দ্র তাঁর বন্ধুকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে তিনও ভেসে যান। দুজনেই উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগ জেলার উখিমঠের বাসিন্দা। 

    প্রকাশ সিং রানার স্ত্রী মমতা রানা জানান, সেনা কর্মকর্তারা ২৯ মে তাঁকে প্রথম ফোন করে জানায় যে তাঁর স্বামী ২৮ মে থেকে নিখোঁজ। দ্বিতীয় ফোনটি  আসে ১১ জুন। সেনার তরফে জানানো হয়, প্রকাশ ও তাঁর বন্ধু হরেন্দ্র দুজনেই নদীতে ডুবে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবু আশায় বুক বেঁধে আছেন মমতা এবং তাঁর দুই সন্তান অনুজ (১০)এবং অনামিকা (৭)। প্রকাশের জন্য অপেক্ষা করেই চলেছেন তাঁরা।

    এদিকে হরেন্দ্র নেগির স্ত্রী পুনম নেগির বিশ্বাসই হচ্ছে না যে তাঁর স্বামী এবং সহকর্মী নদীর কাছে গিয়েছিলেন অথচ কেউ জানত না। হরেন্দ্রর বিয়ে হয়েছে সবে তিন বছর, এক বছরের একটি সন্তান আছে তাঁদের। 

    গত ১৪ দিন ধরে নিখোঁজ চিন-অরুণাচল প্রদেশ সীমান্তে মোতায়েন থাকা দুই জওয়ান। সেনা সূত্রে খবর, তাঁদের খোঁজ চলছে। আকাশপথে খোঁজ করা হচ্ছে। অনুসন্ধানকারী কুকুরকেও ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট জানান, নিখোঁজ সেনাদের অনুসন্ধানে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। 

    প্রসঙ্গত,চলতি বছরের শুরুতেই অরুণাচল প্রদেশের এক কিশোর নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল।  এক সপ্তাহ পর জানা যায়, চিনের সেনারা তাকে বন্দি বানিয়ে রেখেছিল। পরে দুই দেশের সেনা ও কুটনৈতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমে ওই কিশোরকে ভারতে ফেরত আনা হয়। এই জওয়ানদের সঙ্গেও এরকম কিছু ঘটেছে কি না তা নিয়ে অনুসন্ধান চলছে।

  • Lok Sabha: সংসদ চত্বরে প্ল্যাকার্ড বহন ও বিক্ষোভ! বাদল অধিবেশনে সাসপেন্ড চার কংগ্রেস সাংসদ

    Lok Sabha: সংসদ চত্বরে প্ল্যাকার্ড বহন ও বিক্ষোভ! বাদল অধিবেশনে সাসপেন্ড চার কংগ্রেস সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশনে  (Monsoon Session 2022) চার কংগ্রেস সাংসদ (4 Congress MP) মানিকম ঠাকুর, রাম্য হরিদাস, যোথিমনি এবং টিএন প্রথাপনকে সাসপেন্ড (Suspended From Lok Sabha) করা হয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে বিরোধী দলের সদস্যদের প্রতিবাদের পরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে ঘরের ভিতরে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন ওই চার সাংসদ। স্পিকার তাঁদের এই অসংসদীয় আচরণ থেকে সরে আসতে বলেন। কিন্তু তাঁরা তাও বিক্ষোভ চালিয়ে যায়। এরপরই স্পিকার তাঁদের সাসপেন্ড করার কথা জানান। সংসদের বাদল অধিবেশন চলবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত। স্পিকারের এই সিদ্ধান্তের পর ওই চার সাংসদ সংসদের মাঠে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তির কাছে গিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। কংগ্রেসের তরফে বলা হয়েছে, স্পিকার তাদের সাংসদদের সাসপেন্ড করে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু কংগ্রেস ভয় পাবে না। তারা জনগনের প্রয়োজনীয়তাগুলো তুলে ধরবে।

    আরও পড়ুন: পরনে ইক্কত শাড়ি, সঙ্গে মুক্তোর দুল, সোনার চেন-বালা, আজ যেন ঘরোয়া নারী দ্রৌপদী মুর্মু

    ১৮ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে সংসদের বাদল অধিবেশন৷ আজ সোমবার ছিল তার ষষ্ঠ দিন৷ আজ উভয়কক্ষের কার্যক্রম সকাল ১১টার পরিবর্তে দুপুর ২টোয় শুরু হয়৷ আজ ভারতের ১৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন দ্রৌপদী মুর্মু। তাই পিছিয়ে দেওয়া হয় অধিবেশনের সময়ও৷ অধিবেশনের শুরুর দিন থেকেই লোকসভা এবং রাজ্যসভা উভয়ের কার্যকলাপই বিরোধী দলগুলির প্রতিবাদের কারণে ব্যাহত হয়েছে বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: আসতে চলেছে জয়েন্ট থিয়েটার কমান্ড! তিন বাহিনীর মধ্যে সংযোগ বাড়ানোই লক্ষ্য, জানালেন রাজনাথ

    মূল্যবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব, অগ্নিপথের মতো একাধিক ইস্যুতে সরব হয়েছেন বিরোধীরা৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে বারবার মুলতুবি করতে হয় দুই কক্ষের অধিবেশন।সোমবার, বাদল অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে ওম প্রকাশ বিড়লা সংসদের অভ্যন্তরে বিক্ষোভকারী সদস্যদের সাবধান করেন৷ তবে সংসদ চত্বরে প্ল্যাকার্ড বহন করা এবং বিক্ষোভ করা নিষিদ্ধ করা হলেও বিক্ষোভে অটল ছিলেন বিরোধীদলের সদস্যেরা। তাই বাধ্য হয়ে এই সিদ্ধান্ত নেন স্পিকার। 

  • Char Dham Yatra: চারধাম যাত্রাপথে তীর্থযাত্রী বোঝাই বাস খাদে, মৃত ২৫, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    Char Dham Yatra: চারধাম যাত্রাপথে তীর্থযাত্রী বোঝাই বাস খাদে, মৃত ২৫, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চারধাম যাত্রায় (Chardham yatra) বেরিয়ে রবিবার উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ২৫ জন তীর্থযাত্রী। উত্তরকাশীতে (Uttar Kashi) যমুনোত্রী জাতীয় সড়কের দামতা নামক জায়গায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ২৮ জন তীর্থযাত্রীকে নিয়ে যমুনোত্রীর পথে যাচ্ছিল বাসটি। জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার ফলে ১৫০ মিটার গভীর খাদে পড়ে যায় বাসটি। ঘটনাস্থলেই ২৫ জন তীর্থযাত্রীর মৃত্যু হয়।

    পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, বাসটিতে চালক ও সহায়ক সহ মোট ৩০ জন ছিলেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই উদ্ধারকাজ শুরু করে পুলিশ এবং রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। স্থানীয় প্রশাসন ও এসডিআরএফ দল উদ্ধার কাজে নামেন। আহত ৫ জনকে দামতার নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: লাদাখে নদীতে পড়ল সেনার গাড়ি, মৃত ৭ জওয়ান, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    ঘটনার খবর পেয়েই উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি (Pushkar Dhami) দেরাদুনের বিপর্যয় মোকাবিলা কন্ট্রোল রুমে পৌঁছে যান। তিনি বলেন “এটি একটি খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এনডিআরএফ দলকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে দিয়েছেন।” মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে ট্যুইটে জানিয়েছেন, তিনি উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগযোগে করেছেন এবং ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করার ঘোষণা করা হয়েছে। মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করে সরকার। এদিকে আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সরকার।

    [tw]


    [/tw]

     

  • Gyanvapi Case Update: নিম্ন আদালতের অবস্থান জেনেই রায় ঘোষণা, জ্ঞানবাপী মামলায় সুপ্রিম কোর্ট

    Gyanvapi Case Update: নিম্ন আদালতের অবস্থান জেনেই রায় ঘোষণা, জ্ঞানবাপী মামলায় সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Viswanath Temple) –জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) মামলায় রায় ঘোষণার আগে নিম্ন আদালতের অবস্থান জানতে চায় দেশের শীর্ষ আদালত। তাই জ্ঞানবাপী মামলায় আপাতত শুনানি স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এদিন এই মামলার শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়, এই মামলায় বারাণসী জেলা আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তাই চলতি বছরের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত এই মামলায় স্থগিতাদেশ জারি করে সুপ্রিম কোর্ট।

    সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, এদিন মসজিদের ওজুখানার জলাধারে থাকা ‘শিবলিঙ্গে’ পুজোর দাবিতে করা একটি আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। খারিজ করে দেওয়া হয়েছে ওজুখানার জলাধারে থাকা শিবলিঙ্গের বয়স জানার জন্য কার্বন ডেটিং পরীক্ষার আবেদনও।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মামলায় সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া বিচারককে হুমকি-চিঠি!

    প্রসঙ্গত, এদিন জ্ঞানবাপীর অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটির দায়ের করা একটি মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। ওই মামলায় বারাণসী দায়রা আদালতের নির্দেশে মসজিদ চত্বরে চালানো ভিডিও সার্ভের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এদিকে, এদিনই বারাণসী জেলা আদালতে জ্ঞানবাপী মামলায় হিন্দু পক্ষের দায়ের করা মামলার বিরুদ্ধে মসজিদ কমিটির আবেদনের শুনানি হয়েছে।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    ২০২১ সালের আগস্ট মাসে পাঁচ হিন্দু মহিলা জ্ঞানবাপীর মা শৃঙ্গার গৌরী ও মসজিদের ভিতরের পশ্চিম পাশের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে বলে দাবি করেন। সেখানে পুজোর অনুমতি চেয়ে তাঁরা দ্বারস্থ হন বারাণসী আদালতে। সেই মামলায় দিন কয়েক আগে বারাণসী দায়রা আদালতের বিচারক রবিকুমার দিবাকর নিযুক্ত কমিটির নির্দেশে মসজিদের ভিতরে শুরু হয়েছিল ভিডিও সার্ভে। তারই একটি ফুটেজ প্রকাশ্যে চলে আসে বলে দাবি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের। তাতে দেখা যায়, মসজিদের ওজুখানার জলাধারে শিবলিঙ্গের মতো কিছু একটা রয়েছে। হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, এটি শিবলিঙ্গই। যদিও মসজিদ কমিটির দাবি, এটি পুরানো ফোয়ারা। গত ২০ মে মামলা গড়ায় দেশের শীর্ষ আদালতে। পরে নিম্ন আদালত থেকে মামলাটি বারাণসী জেলা আদালতে পাঠিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

     

  • Prophet Row: ‘হিংসায় ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না’, মুসলিম সমাজকে আবেদন মৌলবীদের

    Prophet Row: ‘হিংসায় ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না’, মুসলিম সমাজকে আবেদন মৌলবীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিংসায় জড়িয়ে নিজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না। ঠিক এই ভাষায়ই মুসলিম (Muslim) সম্প্রদায়ের মানুষদের কাছে আবেদন জানালেন বিভিন্ন মসজিদ (Masjid) ও মুসলমান সম্প্রদায়ের নেতারা (Muslim Leaders)। আজ, শুক্রবার। জু্ম্মার নামাজ (Fryday Prayer)। তাই এদিনও যাতে ফের অশান্তির আগুন না জ্বলে, সেজন্যই এই আবেদন জানান তাঁরা।

    বিজেপির সাসপেনডেড মুখপাত্র নূপুর শর্মা সম্প্রতি হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিক মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। তাঁর ওই মন্তব্যের পরে পরেই দল তাঁকে সাসপেন্ড করে। কেন্দ্র সাফ জানিয়ে দেয়, নূপুরের মন্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত, সরকারের নয়। তার পরেও দেশজুড়ে শুরু হয় অশান্তি। গত শুক্রবার জুম্মার নমাজের পর অশান্ত হয়ে ওঠে দেশের বিভিন্ন অংশ। হিংসাত্মক আন্দোলেন যোগ দেন মুসলিম সম্প্রদায়ের হাজার হাজার যুবক। যার জেরে কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ, কোথাও আবার টায়ার জ্বালিয়ে চলতে থাকে বিক্ষোভ প্রদর্শন। পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার উলুবেড়িয়া, সলপ, পাঁচলা প্রভৃতি এলাকায় ভাঙচুরও চালানো হয় বলে অভিযোগ। পাঁচলায় বিজেপির পার্টি অফিসে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন : নূপুর শর্মা বিতর্কে অশান্তি, ঝাড়খণ্ডে মৃত ২, তপ্ত বাংলা, ভূস্বর্গে জারি কার্ফু

    আজ, শুক্রবার। ফের জুম্মার নমাজ। অশান্তির আশঙ্কায় কাঁটা প্রশাসনও। নমাজের পর যাতে অশান্তি না ছড়ায় তাই মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজনকে ভবিষ্যৎ নষ্ট না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিভিন্ন মসজিদ ও মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতারা।

    দিল্লির জামা মসজিদের ইমাম সৈয়দ আহমেদ বুখারি বলেন, যেসব সমাজবিরোধী দাঙ্গা লাগাতে চায় তাদের ওপর কড়া নজর রাখুন। তিনি বলেন, গত সপ্তাহে দেশজুড়ে যে হিংসাত্মক আন্দোলন হয়েছে, তা হওয়া উচিত ছিল না। বিক্ষোভ প্রদর্শনের আগে প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন ছিল। এটা ঠিক যে, নবীর অপমান আমাদের আঘাত করেছে, তবে প্রতিবাদের ভাষা এটা হওয়া উচিত ছিল না। তিনি বলেন, আন্দোলন হওয়া উচিত ছিল শান্তিপূর্ণ।

    আরও পড়ুন : কাশীর বিন্দুমাধব মন্দিরও হয়েছে মসজিদ! পুনর্নির্মাণের দাবি চেয়ে মামলা

    অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের সদস্য মুম্বইয়ের মৌলানা সৈয়দ আতাহার আলিও অশান্তি না ছড়ানোর আবেদন জানান। তিনি বলেন, আমরা পথে নামলে সমাজবিরোধীরা ঢুকে যাবে। অশান্তি ছড়াবে। শুক্রবার জুম্মার নমাজ। তাই ফের অশান্তি হোক, তা চাই না। আন্দোলন হোক, তবে তা হোক আইন মেনে।

     

  • India-China: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে নতুন হাইওয়ে চিনের! জানুন কোথা দিয়ে যাবে সেই রাস্তা

    India-China: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে নতুন হাইওয়ে চিনের! জানুন কোথা দিয়ে যাবে সেই রাস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (LAC) বরাবর একটি নতুন হাইওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা করছে চিন (China)। ভারতের সঙ্গে কৌশলগত অবস্থানকে শক্তিশালী করার জন্য বেজিংয়ের এই প্রচেষ্টা বলে অনুমান কূটনৈতিক মহলের।

    তিব্বতের লুঞ্জে কাউন্টি থেকে জিনজিয়াং অঞ্চলের কাশগারের মাঝা পর্যন্ত এই নতুন রাস্তাটি ২০৩৫ সালের মধ্যে তৈরি করার কথা ভাবছে বেজিং। মোট ৪৬১,000 কিলোমিটার এই হাইওয়ের যে অংশটি লুঞ্জে কাউন্টির মধ্য দিয়ে যাবে সেটা অরুণাচল প্রদেশের ভিতরে। তবে চিনের দাবি ওই অঞ্চলটি দক্ষিণ তিব্বতের অংশ। চিনেরে এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী ওই রাস্তাটি সিকিম সীমান্তবর্তী কাম্বা কাউন্টির  মধ্য দিয়ে যাবে। যা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার খুব কাছে। নেপাল সীমান্তের কাছে জি৯৫ সড়ক গির কাউন্টির মধ্য দিয়ে যাওয়ার কথা।

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়ি করিডরের কাছে চিন! ডোকলাম সীমান্তে গ্রাম বানাচ্ছে বেজিং

    পরিকল্পিত রাস্তাটি তিব্বত, নেপাল এবং ভারতের মধ্যে বুরাং কাউন্টির খুব কাছ দিয়ে চলে যাবে। নতুন রাস্তার বিশদ বিবরণ এখনও অস্পষ্ট। তবে মনে করা হচ্ছে ওই রাস্তা তৈরি হলে তা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে ডেপসাং সমভূমি, গালওয়ান উপত্যকা এবং হট স্প্রিংসের কাছাকাছিও যেতে পারে।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের মে মাস, অর্থাৎ গালওয়ান সংঘর্ষের (Galwan clash) সময় থেকেই হট স্প্রিংয়ের পেট্রোল পয়েন্ট ১৫ থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে দুই দেশের প্রায় শ’খানেক সেনা মোতায়েন রয়েছে। এর আগে একাধিক আলোচনার মাধ্যমে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় একাধিক ফ্ল্যাশপয়েন্টগুলি থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছে দুই দেশ। সমঝোতা মোতাবেক অস্থায়ী পরিকাঠামো সরিয়েছে দুই সেনাই। কিন্তু হট স্প্রিং, গোগরা ও ডেপসাং সমতলে সমস্যা এখনও মেটেনি। ডেপসাং এলাকায় ২০১৩ সাল থেকেই আগ্রাসী চিন। সেখানে ভারতকে টহলদারি করতে দিচ্ছে না লালফৌজ। ডেমচকে ঘাঁটি গেড়েছে তারা। তবে ডেপসাং ইস্যু নিয়ে সমঝোতা বেশ কঠিন কাজ বলেই মনে করে ওয়াকিবহাল মহল। তাই আপাতত গোগরা-হট স্প্রিং এলাকা থেকে চিনা সেনা প্রত্যাহারের দাবিতেই জোর দিয়েছে ভারত। এই অবস্থায় নতুন রাস্তা আবার সীমান্ত-সমস্যা দূরীকরণে বেজিংয়ের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলল। 

  • Agnipath Scheme: অগ্নিবীরদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত নয়! রয়েছে নানা সুযোগ

    Agnipath Scheme: অগ্নিবীরদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত নয়! রয়েছে নানা সুযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিবীরেরা কর্মরত অবস্থায় দক্ষতা সংক্রান্ত যে প্রশিক্ষণ পাবেন, সেই বিষয়গুলিকে আগামী দিনে তিন বছরের স্নাতক স্তরে প্রবর্তন করা হবে। এ নিয়ে একটি বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রক। ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি (IGNOU) এর মাধ্যমে এই ডিগ্রি দেওয়া হবে। ইগনু এ নিয়ে নানা পরিকল্পনাও শুরু করেছে। শীঘ্রই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলেও শিক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর। অগ্নিবীররা কর্মরত অবস্থায় তাঁদের কাজের দক্ষতার উপর ভিত্তি করে এই কোর্সের ৫০ শতাংশ নম্বর পাবেন। বাকি ৫০ শতাংশ নম্বর দেওয়া হবে  বিষয়ভিত্তিকভাবে। ভাষা, অর্থনীতি, ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, গণিত, সমাজবিজ্ঞান  প্রভৃতি বিষয় থাকবে। ইউজিসি (UGCএবং জাতীয় শিক্ষানীতি অনুসারে স্নাতকস্তরে এই নয়া কোর্স শুরু করা হবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীর তিনটি বিভাগের সঙ্গেই আলোচনা করা হবে।

    আরও পড়ুন: ভবিষ্যতে ভারতীয় সেনার অর্ধেক হবে অগ্নিবীর! দাবি সেনা উপপ্রধানের

    অগ্নিপথ প্রকল্পে চার বছরের জন্য সেনায় নিয়োগের পরবর্তী সময়ে অগ্নিবীররা কী করবেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে নানা মহলে। কিন্তু সরকারের তরফে এ বিষয়ে আশ্বাস দিয়ে বলা হয়েছে, অগ্নিবীরদের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধ পরিকর। অবসর নেওয়া অগ্নিবীরদের সমস্ত আধাসামরিক বাহিনী ও আসাম রাইফেলসে যোগদানের প্রশ্নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অগ্নিপথ প্রকল্পে সুযোগ পাওয়া অগ্নিবীরদের পুলিশ ও সহযোগী বাহিনীতে নিয়োগে অগ্রাধিকার (priority) দেওয়া হবে বলে টুইট করেছেন উত্তর প্রদেশের (uttar pradesh) মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও (Yogi Adityanath)। টুইটে যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন,অগ্নিপথ প্রকল্প যুবকদের দেশ ও সমাজের সেবার জন্য তৈরি করে দেবে। তাদের জন্য গর্বিত ভবিষ্যতের সুযোগ দেবে বলেও মন্তব্য করেছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলির সর্বোচ্চ সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়ে বলা হয়েছে, অগ্নিবীর সেনাদের অবসর-পরবর্তী চাকরির বন্দোবস্ত করার বিষয়টি নিয়ে তারা সরকারের সহযোগী হতে আগ্রহী। তাদের প্রস্তাব, কর্পোরেট নিরাপত্তার একটি ছোট কোর্সের কথা ভাবা যেতে পারে, যার মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে অগ্নিবীরদের উপযুক্ত চাকরি দেওয়া সম্ভব হবে।

  • MRFA: ১১৪ যুদ্ধবিমান কেনার পথে বায়ুসেনা, ৯৬টি তৈরি হবে ভারতেই

    MRFA: ১১৪ যুদ্ধবিমান কেনার পথে বায়ুসেনা, ৯৬টি তৈরি হবে ভারতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর ভারত (Atmanirbhar Bharat) প্রকল্পকে আরও জোরগদার করার পথে ভারত।  দেশের আকাশসীমাকে নিশ্ছিদ্র করা ও ভারতের শক্তিবৃদ্ধি করার লক্ষ্যে ১১৪টি বিদেশি যুদ্ধবিমান কেনার পথে ভারতীয় বায়ুসেনা

    ‘বায় গ্লোবাল অ্যান্ড মেক ইন ইন্ডিয়া’ (Buy Global and Make in India)-র আওতায় কেনা হবে এই মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (MRFA) যার মধ্যে ৯৬টিই তৈরি হবে দেশে। অর্থাৎ, মূল বিদেশি  নির্মাণকারী সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বিমানগুলি এদেশে তৈরি করবে এখানকার সংস্থা। এই মর্মে সম্প্রতি বিদেশি বিমান নির্মাতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বায়ুসেনা। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পটি কে কীভাবে পরিচালনা করতে চায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছে বায়ুসেনা।

    আরও পড়ুন: সেনায় ৪ বছর দিক যুবারা, “অগ্নিপথ” প্রকল্পের ঘোষণা রাজনাথের

    বায়ুসেনা সূত্রে খবর, ১১৪টি বিমানের মধ্যে প্রথম দফায় ১৮টি সরাসরি বিদেশি নির্মাতার থেকে আমদানি করা হবে। বাকি ৯৬টি তৈরি হবে ভারতেই প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে। এই ৯৬টির মধ্যে আবার দ্বিতীয় দফায় ৩৬টি বিমানের জন্য ভারতীয় এবং বিদেশি মুদ্রা যৌথভাবে খরচ করা হবে। তৃতীয় তথা শেষ দফায় ৬০টি বিমানের জন্য খরচ মেটানো হবে শুধুমাত্র ভারতীয় মুদ্রায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) ভাবনা প্রসূত ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পকে মাথায় রেখে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।

    বিদেশি সংস্থাগুলি ভারতে বা ভারতের সংলগ্ন তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে যে পণ্য বিক্রি করে, তা ভারতের মাটিতে, ভারতীয় শ্রমিকদের সাহায্য নিয়ে এবং ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে বানানোর বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে উৎসাহ জোগাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। বায়ুসেনার যুদ্ধবিমানের বরাত সেই ক্ষেত্রে বড় সুযোগ করে দেবে বলে অনুমান। খুব শীঘ্রই ভারতীয় বায়ুসেনার ডাকা টেন্ডারে অংশ নিতে চলেছে বোয়িং, লকহিড মার্টিন, সাব, মিগ, ইরকুট, দাসোর মত বিদেশি যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুন: প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর! ৭৬ হাজার কোটি টাকার সমরাস্ত্র কেনায় সায় কেন্দ্রের

LinkedIn
Share