Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Gyanvapi row: জ্ঞানবাপীকাণ্ডে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ জমিয়ত-উলেমা-ই-হিন্দ

    Gyanvapi row: জ্ঞানবাপীকাণ্ডে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ জমিয়ত-উলেমা-ই-হিন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপীকাণ্ডে (Gyanvapi mosque case) এবার সুপ্রিম কোর্টের (supreme court) দ্বারস্থ হল জমিয়ত-উলেমা-ই-হিন্দ (jamiat-ulama-i-hind)। তাদের দাবি, ঐতিহাসিক ভুলকে আদালতে ঠিক করা যায় না। ১৯৯১ সালের উপাসনাস্থল আইনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় মসজিদ কমিটির তরফে পার্টি হল জমিয়ত।

    আরও পড়ুন :জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    বারাণসীর বিশ্বনাথ মন্দির ভেঙে জ্ঞানবাপী মসজিদ তৈরি হয়েছে বলে হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের নির্দেশে ভাঙা হয়েছে মন্দির। মসজিদের পশ্চিম দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি খোদাই করা রয়েছে বলেও দাবি হিন্দুদের একাংশের। তাঁদের দাবি, এই এলাকায় পুজো হত শৃঙ্গার গৌরীর।

    এমতাবস্থায় পাঁচ মহিলা ওই এলাকায় উপাসনা করতে দেওয়ার দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়। এর পরেই মসজিদ চত্বরে ভিডিওগ্রাফির নির্দেশ দেয় আদালত। ভিডিওগ্রাফির ফুটেজ ফাঁস হয়ে যায় বলে দাবি স্থানীয় কয়েকজনের। সেই ফুটেজ থেকে জানা যায়, মসজিদের ওজুখানার জলাধারে রয়েছে শিবলিঙ্গ।

    হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, এই শিবলিঙ্গ পুজোর অধিকার দিতে হবে তাঁদের। এর পরেই আদালেতর নির্দেশে সিল করে দেওয়া হয় ওজুখানার জলাধার। যদিও মসজিদে প্রতিদিন পাঁচবার নমাজ পাঠেরও অনুমতি দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন : “মামলা খারিজ করা হোক”, আদালতে আরজি জ্ঞানবাপী মসজিদ কমিটির

    ১৯৯১ সালে উপাসনাস্থল আইন (Places of Worship Act, 1991) আনে নরসিমহা রাওয়ের সরকার। ওই আইন অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার আগে যে ধর্মীয় স্থানের চরিত্র যেমন ছিল, তেমনই থাকবে। সম্প্রতি, এই আইনের সাংবিধানিরক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন অশ্বিনী উপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি। তাঁর দাবি, মুঘল আমলে যেসব মন্দির মসজিদে পরিণত হয়েছিল, তাদের ফের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে।

    এর প্রেক্ষিতেই আইনজীবী ইজাজ মকবুলের মাধ্যমে জমিয়ত জানিয়ে দেয়, ঐতিহাসিক ভুলের সমাধান আদালতে হতে পারে না। এ ব্যাপারে অযোধ্যা মামলার রায়ের উল্লেখ করেছে জমিয়ত। ওই রায়ে বলা হয়েছিল, ইতিহাসে ঘটে যাওয়া বিষয়বস্তু বা ঘটনাবলির সঙ্গে সহমত না হওয়া কোনও ব্যক্তিকে আইনি প্রতিকার দেওয়া বা অতীতে ফিরে যাওয়ার মাধ্যম হতে পারে না আদালত।

     

  • Haryana Police Murder: খনি মাফিয়ার দাপট, হরিয়ানায় পিষে মারা হল কর্তব্যরত ডিএসপি-কে

    Haryana Police Murder: খনি মাফিয়ার দাপট, হরিয়ানায় পিষে মারা হল কর্তব্যরত ডিএসপি-কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নৃশংস ঘটনার সাক্ষী হরিয়ানা (Haryana)। কর্তব্যরত ডিএসপিকে (DSP) ট্রাকের (Truck) চাকার নীচে পিষে (Run over) মারল খনি মাফিয়ারা (Mining Mafia)। ঘটনাটি ঘটেছে নুহ জেলায়, মঙ্গলবার দুপুর ১২টায়। সেখানেই কর্মরত ছিলেন ডিএসপি পদমর্যাদার ওই পুলিশ অফিসার। নাম সুরেন্দ্রনাথ সিং তাউরু।

    ওই অঞ্চলে মাফিয়াদের দাপাদাপি বন্ধ করতে মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে তিনি ওই স্থানে যান। একটি ট্রাককে হাতেনাতে ধরেও ফেলেন। ট্রাকটিকে দূর থেকে আসতে দেখে হাতের ইশারা করে দাঁড়াতে বলেন। ট্রাকের কাগজপত্র এবং মাল খতিয়ে দেখার পরিকল্পনা ছিল ওই পুলিশ অফিসারের। কিন্তু পুলিশকে দেখেই আতঙ্কে গাড়ির গতি বাড়িয়ে দেয় ট্রাকের চালক। আর তাতেই ঘটে এই দুর্ঘটনা। পুলিশ অফিসারের ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেয় চালক। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই পুলিশ অফিসারের। আরো দুজন পুলিশ সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। বিপদ বুঝে তাঁরা রাস্তার পাশে ঝাঁপ দেন এবং প্রাণে বেঁচে যান। আর তারপরেই চম্পট দেয় ওই ট্রাকের চালক। 

    আরও পড়ুন: ৮৭ বছরে হাজতবাস! তিহাড় জেলের সবচেয়ে বর্ষীয়ান বন্দি ওম প্রকাশ চৌটালা

    পুলিশ ট্রাক চালক এবং বাকিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। হরিয়ানা (Haryana) পুলিশ অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডেলের মাধ্যমে সুরেন্দ্র সিং তাউরু মৃত্যুর ঘটনা প্রকাশ্যে এনে শোকজ্ঞাপন করা হয়। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, অপরাধীদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।  

    [tw]


    [/tw]

    হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর দোষীদের খুঁজে বের করে কড়া শাস্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল ভিজ বলেছেন, “খনি মাফিয়ারা কেউই পার পাবে না। আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। সবার শাস্তি হবে।” 

    এর আগেও বারবার হরিয়ানায় খনি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। ভূমি ও ভূমিরাজস্ব দফতরের আধিকারিকদের ওপর খনি মাফিয়ারা বারবার হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। একাধিকবার ভূমিরাজস্ব দফতরের আধিকারিকদের পিষে হত্যার চেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ। তারপরও হরিয়ানার খনি মাফিয়াদের কোনওভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন সেখানকার বাসিন্দারা।

    ২০২১-২২ সালের ৮ মার্চের হরিয়ানা ইকোনমিক সার্ভের রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজ্যে ২১ হাজার ৪৫০টি বেআইনি খননকার্যের খবর পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে আইনি কাগজপত্র ছাড়া খনিজ পরিবহন।   

     

  • Pinarai Vijayan: সোনা পাচারকাণ্ডে জড়িত পিনারাই বিজয়ন! অভিযোগের পাল্টা কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর 

    Pinarai Vijayan: সোনা পাচারকাণ্ডে জড়িত পিনারাই বিজয়ন! অভিযোগের পাল্টা কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল সোনা পাচারকাণ্ডের (Kerala Gold Smuggling Case) মূল অভিযুক্ত স্বপ্না সুরেশের (Swapna Suresh) সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করলেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন (Pinarayi Vijayan)। স্বপ্নার সব অভিযোগকে ভিত্তিহীন এবং ‘নিম্নমানের রাজনৈতিক চাল’ বলে উল্লেখ করলেন তিনি।  

    মঙ্গলবারই সোনা পাচারকাণ্ডের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন জড়িত আছেন বলে দাবি করে স্বপ্না। তার দাবি, “আরব আমিরশাহী থেকে কেরলে সোনা পাচার সম্পর্কে জানতেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন এবং তাঁর তিন মন্ত্রী। গোটা বিষয়টি নিয়ে অবগত ছিলেন কেরল বিধানসভার তৎকালীন স্পিকারও।”

    গোটা বিষয়কেই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন পিনারাই বিজয়ন। ২০২১ সালের অক্টোবরে সোনা পাচার মামলায় এনআইএ (NIA) তাকে গ্রেফতার করার পরেও একই দাবি করেছিল স্বপ্না। একটি ব্যাগ থেকে ১৫ কোটি টাকার সোনা বাজেয়াপ্ত হওয়ায় শুরু হয় মামলা।

    আরও পড়ুন: ‘তালিবানি’ হয়ে যাচ্ছে বাম-শাসিত কেরালা! বললেন বিজেপি নেতা  

    গতকাল ফের জেরা করা হয় স্বপ্নাকে। জেরায় স্বপ্না জানায়, “এই মামালায় মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন সহ তাঁর স্ত্রী কন্যারও সরাসরি যোগ রয়েছে। আমি এখনও পর্যন্ত আদালতে ১৬৪টি বক্তব্য পেশ করেছি। আমি আদালতকে এটাও জানিয়েছি কারা কারা এই মামলায় জড়িত। আদালতে আমি আমার জীবনের সুরক্ষাও চেয়েছিলাম। আদালত আমাকে তার অনুমতি দিয়েছে। আমি আদালতকে জানিয়েছি এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী কমলা, মুখ্যমন্ত্রীর কন্যা বীণা, তৎকালীন সিএমও-র মুখ্যসচিব এম শিবশঙ্কর, মুখ্যমন্ত্রীর সেক্রেটারি রবীন্দ্রণ, মুখ্যসচিব নলিনী নেত্তো এবং মন্ত্রী কেটি জটিল জড়িত।”    

    স্বপ্না সুরেশ আরও জানায়, “২০১৬ সালে দুবাইতে বিজয়নের কাছে একটা টাকা ভর্তি ব্যাগ পাঠানো হয়। ২০১৬ সালে আমি কনস্যুলেটের সেক্রেটারি ছিলাম। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী দুবাইতে ছিলেন। এম শিবশঙ্কর আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী একটা ব্যাগ নিয়ে যেতে ভুলে গেছেন। আমি যেন সেটা তাঁর কাছে পাঠিয়ে দিই। ব্যাগটি যখন কনস্যুলেটে আসে তখন আমাদের সন্দেহ হয়। আমরা ব্যাগটি পরীক্ষা করে বুঝতে পারি তার মধ্যে ভর্তি আছে টাকা। এই সব টাকাই সোনা পাচারের।” 

    স্বপ্না সুরেশের বক্তব্যের পরেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশজুড়ে। ফের এক নয়া মোড় নিয়েছে এই সোনা পাচার মামলা।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে বেশি সুন্দর ভাবলে ভুল হবে, অভিমত কেরালা হাইকোর্টের

    মূল অভিযুক্ত স্বপ্না সুরেশের বাড়ি থেকে অপর এক অভিযুক্ত সারথি পিএসকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় লোক এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগে জানিয়েছে স্বপ্না। স্বপ্না জানায়, “আমাকে খুন করা হতে পারে বলে আমি আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলাম। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনায় জড়িত বলেও আগেই জানিয়েছিলাম। আমি সামান্য মুখ খুলেছি, আর ওরা প্রতিশোধ নেওয়া শুরু করে দিল।” 
     
    এবিষয়ে পিনারাই বিজয়ন বলেন, “রাজ্য সরকারই প্রথম কেন্দ্রকে এই মামলায় তদন্ত চালাতে বলে। ওরা যদি মনে করে এইসব অপপ্রচার করে সরকার বা দলের ক্ষতি করা যাবে, তাহলে ওরা ভুল ভাবছে। এটা একটা বড় ষড়যন্ত্র। রাজ্যবাসীই এর উত্তর দেবে।” 

     

  • Teachers’ Day 2022: শিক্ষক দিবসে ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের বিষয়ে কিছু অজানা তথ্য জেনে নিন

    Teachers’ Day 2022: শিক্ষক দিবসে ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের বিষয়ে কিছু অজানা তথ্য জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ সেপ্টেম্বর গোটা দেশ জুড়ে পালিত হয় শিক্ষক দিবস (Teachers’ Day)। আজকের দিনে ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের ( Sarvepalli Radhakrishnan) জন্মদিনও, আর এই দিনটিকেই শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। কারণ শিক্ষার জগতে তাঁর অবদান অপরিসীম। তিনি একজন অত্যন্ত দক্ষ শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, দার্শনিক ছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি, দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ছিলেন। 

    আজকের এই দিনে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীরা তাদের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। কারণ শিক্ষকরা শুধু শিক্ষা দানই করেন না, জীবনের প্রথম শিক্ষার আলো যেন তাঁদের হাত ধরেই পড়ুয়াদের জীবনে আসে। এছাড়াও তাঁরা ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনে পথ চলতে শেখান, প্রতিটি পদক্ষেপে সাহস দেন। একজন ভালো মানুষ হয়ে উঠতে শিক্ষকদের অবদান কখনও ভোলার নয়। তাই এই দিনটিকে আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য উৎসর্গ করা হয়।

    তবে তাঁর জন্মদিনকে কেন শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন করা হয়, এর কারণ জানেন কী?

    শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁর অগাধ ভালবাসাই বারবার টেনে নিয়ে গেছে বিশ্বের নানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। তিনি একজন নিষ্টাবান শিক্ষক ছিলেন তো বটেই এবং তিনি যখন রাষ্ট্রপতি হন তখন তাঁর ছাত্র ছাত্রীরা তাঁর জন্মদিন পালন করার অনুমতি চাইলে তিনি তাঁর জন্মদিনকে শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন করার কথা বলেন। এরপর ১৯৬২ সাল থেকেই ৫ সেপ্টেম্বর তাঁর জন্মদিনকে শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

    ডঃ রাধাকৃষ্ণনের সম্পর্কে কিছু বিষয় জেনে নিন

    • ডঃ রাধাকৃষ্ণণ ৫ সেপ্টেম্বর, ১৮৮৮ সালে তামিলনাড়ুর তিরুত্তানি শহরের একটি তেলেগু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তাঁর পড়াশোনা শুরু করেন তিরুপতির একটি স্কুলে এরপর ভেলোরে চলে যান।
    • এরপর তিনি মাদ্রাজের খ্রিস্টান কলেজে দর্শন নিয়ে পড়াশোনা করেন। তাঁকে আজ পর্যন্ত ভারতের ইতিহাসে অন্যতম শ্রেষ্ঠ দার্শনিক বলে মনে করা হয়।
    • ডক্টর রাধাকৃষ্ণণ তাঁর ডিগ্রী সম্পন্ন করার পর, তিনি মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সি কলেজে দর্শনের অধ্যাপক হন এবং তারপর মহীশূর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনের অধ্যাপক হন।
    • ডঃ রাধাকৃষ্ণণ ১৯৫২ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি এবং ১৯৬২ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি ১৯৪৯ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। এছাড়াও তিনি ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন। ১৯৮৪ সালে, তিনি মরণোত্তর ভারতরত্ন পেয়েছিলেন।
    • তাঁর উল্লেখযোগ্য কিছু কাজের মধ্যে রয়েছে Reign of Religion in Contemporary Philosophy, Philosophy of Rabindranath Tagore, The Hindu View of Life, Kalki or the Future of Civilisation, An Idealist View of Life, The Religion We Need, India and China, and Gautama the Buddha.

     

  • India-China Border: শিলিগুড়ি করিডরের কাছে চিন! ডোকলাম সীমান্তে গ্রাম বানাচ্ছে বেজিং

    India-China Border: শিলিগুড়ি করিডরের কাছে চিন! ডোকলাম সীমান্তে গ্রাম বানাচ্ছে বেজিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-চিন সীমান্তে (India-China Border) উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে। ডোকলাম (Doklam) থেকে ৯ কিলোমিটার পূর্বে গ্রাম নির্মাণ করেছে চিন। স্যাটেলাইট চিত্রে (Satellite images) এই ছবি ধরা পড়েছে। ২০১৭ সালে ওই এলাকাতেই বিবাদে জড়িয়েছিল ভারত ও চিন। এখন সেখানেই আস্ত একটা গ্রাম গড়ে উঠেছে৷ বেজিংয়ের তরফে গ্রামটির নাম দেওয়া হয়েছে পাংডা (Pangda)। এটি ভুটান সীমান্তের (Bhutanese territory) কাছাকাছি। 

    সূত্রের খবর, এই গ্রাম ভুটানের আমো চু নদীর (Amo Chu river) তীরেই অবস্থিত৷ এমনকি ওই গ্রামের কিছু অংশ ভুটানের বলেই জানা যাচ্ছে৷ বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ওই জায়গায় চিনা ফৌজ (PLA) গ্রাম নির্মাণ করে সহজে ডোকলাম এলাকায় আধিপত্য কায়েম করতে চাইছে৷ একবার ওই এলাকা দখল করে ফেলতে পারলে শিলিগুড়ি করিডরের (Siliguri Corridor) অনেক কাছে চলে আসবে চিন। কূটনৈতিক মহলের ধারণা, শিলিগুড়ি করিডর দখল করে ধীরে ধীরে উত্তর-পূর্ব দখলের পরিকল্পনা রয়েছে চিনা ফৌজের। 

    আরও পড়ুন: তাসখন্দে মুখোমুখি জয়শঙ্কর-ওয়াং ই! চলতি মাসের শেষে ফের বৈঠক চিন ও ভারতের

    ২০১৭ সালের ২৭ জুন একটি বিতর্কিত অঞ্চলে চিন রাস্তা নির্মাণ করতে গেলে প্রতিবাদ জানায় ভুটান৷ জানা যায়, চীন জুফেরি পাহাড়ের কাছে ভুটানের সেনা ক্যাম্পের সামনে ডোকলামে রাস্তা সম্প্রসারণের চেষ্টা করছিল। টানা ৭৩ দিন মুখোমুখি অবস্থান ছিল ভারত ও চিনের৷ সেসময় চিনা ফৌজ জোমপেলরি গিরিশিরা পর্যন্ত এগিয়ে আসার চেষ্টা করলেও ভারতীয় সেনার (Indian Army) বাধায় তা সম্ভব হয়নি।

    আরও পড়ুন: কয়লা-কাণ্ডে সিবিআইয়ের চার্জশিটে ৪১ জনের নাম! জানুন কে কে সেই তালিকায়

    প্রাক্তন এক সেনাকর্তা জানিয়েছেন, পাংডা গ্রাম ও তার উত্তর ও দক্ষিণের গ্রামগুলি থেকেই বোঝা যাচ্ছে চিনারা ডোকলাম মালভূমির (Doklam Valley) জোমপেলরি গিরিশিরার উপরে বৈধ অধিকার কায়েম করতে চাইছে। এবিষয়ে এখনও অবধি ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বিদেশমন্ত্রকের তরফে কোনও বার্তা মেলেনি। যদিও সেনার তরফে জানানো হয়েছে, ওই এলাকায় সেনা চিনা ফৌজের গতিবিধির ওপর নজর রেখেছে৷ যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য ভারতীয় সেনা সর্বদা প্রস্তুত। 

  • Indian Currency Notes: এবার ব্যাঙ্কনোটে দেখা যাবে রবীন্দ্রনাথ, কালামের ‘ওয়াটার মার্ক’?

    Indian Currency Notes: এবার ব্যাঙ্কনোটে দেখা যাবে রবীন্দ্রনাথ, কালামের ‘ওয়াটার মার্ক’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় মুদ্রায় শুধুই কেন মহাত্মা গান্ধীর ছবি? কেন নেতাজির বা অন্য কোনও মনীষীর ছবি নেই সেই প্রশ্ন উঠেছে বার বার। সামাজিক মাধ্যমেও এনিয়ে বিস্তর ঝড় উঠেছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে কোনও সবুজ সংকেত আসতে দেখা যায়নি। কিন্তু এবার আসতে চলেছে সেই সবুজ সংকেত। মন বদলেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। 

    ছাপা হচ্ছে নতুন টাকা। সেখানে শুধু মহাত্মা গান্ধী নন, দেখা যাবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore), দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ‘মিসাইল ম্যান’ ডঃ এপিজে আব্দুল কালামের (Dr. APJ Abdul Kalam) ‘ওয়াটার মার্ক’। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (Reserve Bank of India) ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে অনেকদূর এগিয়ে গিয়েছে। শোনা যাচ্ছে, আগামী দিনে নোটের ই-সিরিজে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং ডঃ এপিজে আব্দুল কালামের ছবি ব্যবহার করতে পারে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।

    আরও পড়ুন: ৪০ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট বাড়ানোর ঘোষণা আরবিআই-এর, শেয়ার বাজারে ব্যাপক ধস

    জানা গিয়েছে,  রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সিকিউরিটি প্রিন্টিং অ্যান্ড মিন্টিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (SPMCI) ওয়াটারমার্ক নির্বাচনের জন্য মহাত্মা গান্ধী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এপিজে আবদুল কালামের নমুনার দুটি সেট আইআইটি-দিল্লির ইমেরিটাস অধ্যাপক দিলীপ টি সাহনির কাছে পাঠিয়েছে। এর পর এই প্রস্তাব চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মুদ্রা নোটে একাধিক ব্যক্তিত্বের ছবি অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

    মার্কিন ডলারে জর্জ ওয়াশিংটন, বেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন, টমাস জেফারসন, অ্যান্ড্রু জ্যাকসন, আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন এবং আব্রাহাম লিঙ্কন সহ ১৯ শতকের কিছু রাষ্ট্রপতির ছবি রয়েছে। এবার সেই পথেই হাঁটবে আরবিআই।  

    আরও পড়ুন: এবার কার্ড ছাড়াই ATM থেকে তোলা যাবে টাকা! কীভাবে, জেনে নিন

    ১৯৬৯ সালে সর্বপ্রথম রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ১০০ টাকার কাগজের নোটে গান্ধীর ছবি বসায়। সেই থেকে এখনও পর্যন্ত আর অন্য কোনও মনীষীর ছবি স্থান পায়নি ভারতীয় মুদ্রায়। প্রাথমিকভাবে রবীন্দ্রনাথ এবং এপিজে আব্দুল কালামের ছবি ব্যবহার করলেও, পরবর্তীতে অন্যান্য স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ছবিও ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ছাপার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। স্বাধীনতার ৭৫ বছর উপলক্ষেই এই উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে। 

  • Norovirus: কেরলে আক্রান্ত ২, করোনা-মাঙ্কিপক্সের পর নয়া আতঙ্ক নোরোভাইরাস? 

    Norovirus: কেরলে আক্রান্ত ২, করোনা-মাঙ্কিপক্সের পর নয়া আতঙ্ক নোরোভাইরাস? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা ভাইরাস, মাঙ্কিপক্সের পর নয়া আতঙ্ক নোরোভাইরাস (Norovirus)। কেরলে ইতিমধ্যেই দুজনের শরীরে এই ভাইরাসের লক্ষণ দেখা গিয়েছে। তিরুঅনন্তপুরমের প্রাইমারি স্কুলের দুই শিশুর শরীরে মিলেছে এই ভাইরাসের উপস্থিতি। তা নিয়ে প্রবল আতঙ্ক ছড়িয়েছে। 

    আরও পড়ুন: অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধের মাধ্যমে মাঙ্কিপক্সের চিকিৎসা সম্ভব, জানাল গবেষণা

    মূলত খাবার এবং জলের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এই ভাইরাস। অত্যন্ত সংক্রামক এই ভাইরাস বলে ইতিমধ্যেই সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আক্রান্তদের বমি ও ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা দিচ্ছে।  আক্রান্ত হওয়ার এক থেকে দুদিনের মধ্যেই পেট ব্যথা, জ্বর, মাথাব্যথা এবং শরীরে ব্যথা অনুভূত হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ২ শিশুর শরীরে বমি, ডায়রিয়া এবং জ্বরের উপসর্গ রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন মিড ডে মিলের খাবার থেকেই ছড়িয়েছে এই রোগ। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ভি শিভানকুট্টি স্কুলগুলিকে মিড-ডে মিল রান্নার সময়ে আরও বেশি সাবধানতা অবলম্বন করার অনুরোধ করেছেন। কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভিনা জর্জ (Veena George) এবিষয়ে বলেন, “এই ভাইরাস খুবই সংক্রামক। আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি, ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে এই ভাইরাস সম্পর্কে পড়ুয়া এবং শিক্ষকদের সতর্ক করা হয়েছে।”

    কেরল সরকার সূত্রে জানানো হয়েছে, “বারবার হাত ধোয়া, বাইরের খাবার বুঝে খাওয়া, বেশি করে জল খাওয়ার মাধ্যমে এই ভাইরাসকে দূরে রাখা সম্ভব।” এখনই এই ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ১ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যেই সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব।

    আরও পড়ুন: জরুরী বৈঠকের ডাক উদ্ধব ঠাকরের, ফের লকডাউনের পথে মুম্বাই? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, “বারবার হাত ধুতে হবে। বাইরের খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। খেলেও পরিষ্কার কোনও জায়গার খাবার খেতে হবে। বেশি করে জল খেলে ভাইরাস থেকে দূরে থাকা যাবে।”

    ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে প্রথম কেরলে নোরোভাইরাসের হদিশ মিলেছিল। সেই সময় রাজ্যের পশু চিকিৎসা কলেজের মোট ১৩ জন পড়ুয়া এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছিলেন। চলতি বছর ফের খোঁজ মিলল নোরোভাইরাসের।

     

     

  • Agnipath scheme: ৭.৫ লক্ষ আবেদন! অগ্নিপথে আগ্রহী তরুণ সমাজ, জানালেন বায়ুসেনা প্রধান

    Agnipath scheme: ৭.৫ লক্ষ আবেদন! অগ্নিপথে আগ্রহী তরুণ সমাজ, জানালেন বায়ুসেনা প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ প্রকল্পে সেনা নিয়োগে আবেদন পাঠিয়েছেন প্রায় সাড়ে সাত লক্ষ প্রার্থী৷ এর থেকেই বোঝা যায় দেশের যুবসমাজ অগ্নিপথ (Agnipath) প্রকল্প নিয়ে কতটা আগ্রহী। এমনটাই জানালেন ভারতীয় বায়ু সেনা (Indian Air Force) প্রধান ভিআর চৌধুরি (VR Chaudhari)৷ তিনি বলেন, “ভারতীয় বায়ুসেনা পরিচালিত অগ্নিপথ প্রকল্পের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে ৷ অতীতে ৬ লক্ষ ৩১ হাজার ৫২৮ জন আবেদন করেছিলেন ৷ সেই সংখ্যা ছাপিয়ে এবার ৭ লক্ষ ৪৯ হাজার ৮৯৯ জনের আবেদনপত্র গৃহীত হয়েছে ৷ এর থেকেই বোঝা যায় যতই বিরোধিতা হোক না কেন দেশের তরুণরা অগ্নিপথে আগ্রহী।” 

    দেশজুড়ে বিক্ষোভের মাঝেই ভারতীয় বায়ু সেনা অগ্নিপথ প্রকল্পে নিয়োগের বিস্তারিত প্রকাশ করেছিল ৷ বায়ু সেনায় এই প্রকল্পের আওতায় নিযুক্ত জওয়ানদের ‘ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স অ্যাক্ট ১৯৫০’ অনুযায়ী পরিচালনা করা হবে ৷ বিবৃতিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল, চার বছরের মেয়াদ শেষে অগ্নিবীররা সমাজে ফিরে যাবেন ৷ ভারতীয় বায়ুসেনার প্রকাশিত এই বিস্তারিত বিবৃতিতে প্রার্থীদের বয়সসীমা, ফিজিক্যাল ফিটনেস, মেডিক্যাল পরীক্ষা, চাকরির শর্ত, ট্রেনিং এবং মূল্যায়ন সম্বন্ধে জানানো ছিল ৷ অগ্নিবীররা বছরে ৩০ দিন ছুটি পাবেন ৷ চাকরির শুরুতেই প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা বেতন পাবেন তাঁরা ৷ প্রতি বছরে বেতন বৃদ্ধিও হবে ৷

    আরও পড়ুন: তাসখন্দে মুখোমুখি জয়শঙ্কর-ওয়াং ই! চলতি মাসের শেষে ফের বৈঠক চিন ও ভারতের

    বায়ুসেনা প্রধান জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই এই নিয়েগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। কী করে সব কাজ ঠিকমতো করে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সময়ের মধ্যে শেষ করা যাবে, সেটাই এখন চ্যালেঞ্জের। সোমবারও এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের (Defence Minister Rajnath Singh) সঙ্গে বৈঠক করে বিরোধীরা। সংসদের বাদল অধিবেশনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার কথাও বলা হয়। এর মধ্যে বায়ুসেনা প্রধানের এই অভিমত যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ৮ অক্টোবর বায়ুসেনা দিবস (Air Force Day) নিয়েও এদিন কথা বলেন এয়ার চিফ মার্শাল। তিনি জানান এবছর চণ্ডিগড়ে (Chandigarh) এয়ার ফোর্স ডে প্যারেড অনুষ্ঠিত হবে। সে নিয়েও প্রস্তুতি চলছে।

  • MiG-21: আর নয় মিগ-২১! এই যুদ্ধবিমানকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রকের

    MiG-21: আর নয় মিগ-২১! এই যুদ্ধবিমানকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়মের-কাণ্ডের জেরে মিগ-২১ (single-engine MiG-21) পুরোপুরি বাতিল করতে চলেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকরাশিয়ার (Russia) সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে তৈরি মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমানের চারটি স্কোয়াড্রন এখন রয়েছে ভারতের কাছে। ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) একটি স্কোয়াড্রনে কম-বেশি ১৬টি বিমান থাকে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর তার মধ্যে একটি, শ্রীনগরের ৫১ নম্বর স্কোয়াড্রনের (Srinagar 51 squadron) বিমানগুলিকে অবসরে পাঠানো হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে অবসরে পাঠানো হবে অন্য স্কোয়াড্রনের মিগ যুদ্ধবিমান এবং প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত বিমানগুলিকে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই অবসরের সঙ্গে গত ২৮ জুলাই বাড়মেরে মিগ দুর্ঘটনার কোনও যোগসূত্র নেই। নতুন ফাইটার জেট আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তার জেরেই এবার মিগ ২১কে বিদায় নিতে হবে। এটাই ভারতের দীর্ঘদিনের ফাইটার প্লেন। এর বয়স হয়ে গিয়েছে। তাই স্বাভাবিক নিয়মেই এগুলিকে এবার বিদায় নিতে হবে।

    আরও পড়ুন: নৌসেনার হাতে এল দেশে তৈরি প্রথম বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত, অন্তর্ভুক্তি কবে? 

    ১৯৬৩ সালে এয়ার ফোর্স প্রথম সিঙ্গল ইঞ্জিন মিগ ২১ যুদ্ধ বিমান হাতে পেয়েছিল। গত ছয় দশক জুড়ে এই বিমান ব্যবহার করছে ভারতীয় সেনা। প্রসঙ্গত, গত তিন দশকে ২০০ বারেরও বেশি দুর্ঘটনায় পড়েছে ভারতীয় বায়ুসেনার মিগ-২১। দুর্ঘটনাপ্রবণ বলে ভারতীয় বায়ু সেনা মহলে ‘উড়ন্ত কফিন’ নামে পরিচিত এই যুদ্ধবিমান। কয়েক বছর আগেই মিগ২১-কে অবসরে পাঠিয়ে পরিবর্ত হিসেবে বায়ুসেনাকে তেজস যুদ্ধবিমান দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

    আরও পড়ুন: ফের দুর্ঘটনার কবলে মিগ ২১, মৃত দুই পাইলট

    ২০১৯ সালের একটি আলোচনাসভায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে উদ্দেশ্য করে তৎকালীন বায়ুসেনা প্রধান বিএস ধানোয়া মিগ-২১-এর অবসর নিয়ে সরব হয়েছিলেন। এবার বায়ুসেনার দাবি মেনে মিগ-২১কে বিদায় জানাতে চলেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। তবে, প্রাক্তন অ্য়াসিস্ট্যান্ট চিফ অফ এয়ার স্টাফ এয়ার ভাইস মার্শাল অবসরপ্রাপ্ত সুনীল নানোদকার জানিয়েছেন, আকাশপথে পাহারার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক ফাইটার প্লেনও প্রয়োজন। তাই দ্রুত বিকল্প যুদ্ধবিমান প্রস্তুত করতে হবে।

  • BJP worker Killed: বিজেপি যুবনেতা খুনের ঘটনায় তদন্তে এনআইএ! জানুন কেন

    BJP worker Killed: বিজেপি যুবনেতা খুনের ঘটনায় তদন্তে এনআইএ! জানুন কেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) যুব মোর্চার (Yuva Morcha) নেতা-খুনের ঘটনার তদন্ত কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কর্ণাটক (Karnataka) সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই জানান, এই ঘটনায় দোষীদের ধরতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-কে (National Investigating Agency) দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “এই ঘটনায় দুটো রাজ্যের যোগ রয়েছে। কেরল এবং কর্ণাটক দুই রাজ্যের অন্তর্বর্তী ইস্যু এটি। তাই এই ঘটনার সত্য উদঘাটনে কেন্দ্রের উপরই ভরসা রাখছে রাজ্য। 

    আরও পড়ুন: বিজেপি যুবনেতা খুনের ঘটনায় বাতিল সরকারি অনুষ্ঠান! শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর

    সম্প্রতি কর্ণাটকের মেঙ্গালুরুতে মুখোশ পরা দুষ্কৃতীরা কুপিয়ে খুন (Man Stabbed to Death) বিজেপি যুব নেতা প্রবীণ নেত্তারুকে ( Praveen Nettaru)। মঙ্গলবার রাতে কর্ণাটকের দক্ষিণ জেলার বেল্লোরে মোটরবাইক সওয়ার কয়েক জন দুষ্কৃতী প্রবীণ নেত্তারু নামে ২৩ বছরের বিজেপি যুব মোর্চার ওই নেতার উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। 

    আরও পড়ুন: কর্নাটকে কুপিয়ে খুন বিজেপি যুব মোর্চার নেতা

    দুষ্কৃতীদের ধারালো অস্ত্রের এলোপাথাড়ি কোপে গুরুতর জখম ২৩ বছরের ওই যুবনেতাকে হাসাপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। স্থানীয়দের দাবি, এক মুসলিম যুবকের মৃত্যুর বদলা নিতেই এই হত্যাকাণ্ড। খুনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তে নেমে  জাকির ও শাফিক নামে দু’জন স্থানীয় বাসিন্দাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে,উপযুক্ত প্রমাণের সাপেক্ষে তাদের গ্রেফতার করা হয়। আইন-শৃঙ্খলা এডিজিপি অলোক কুমার জানিয়েছেন, গ্রেফতার হওয়া  ব্যক্তিদের পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে যোগ রয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘আমরা এই সংযোগ ও তাঁদের উদ্দেশ্য তদন্ত করে দেখছি।’ পুলিশ সূত্রের খবর, দুষ্কৃতীদের মোটরবাইকে কেরলের নম্বর প্লেট ছিল। সেই রাজ্যেও একটি অনুসন্ধানকারী দল পাঠানো হয়েছে। ধৃতদের জেরা করে আরও খবর জানার চেষ্টা চলছে।

LinkedIn
Share