Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Odisha Government: পুরীর জগন্নাথ ধামের আচার-অনুষ্ঠানের কপিরাইট নিতে চলেছে ওড়িশা সরকার! কেন জানেন?

    Odisha Government: পুরীর জগন্নাথ ধামের আচার-অনুষ্ঠানের কপিরাইট নিতে চলেছে ওড়িশা সরকার! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আচার-অনুষ্ঠান ও রীতিনীতি নিয়ে কপিরাইট নেওয়ার ভাবনা চিন্তা করছে ওড়িশা সরকার (Odisha Government)। বিষয়টি বর্তমানে আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বয়ং পুরীর সম্মানীয় রাজা ও জগন্নাথ মন্দির পরিচালন কমিটির চেয়ারম্যান গজপতি মহারাজ দিব্যসিংহ দেব। তাঁর বক্তব্য, মূল উদ্দেশ্য হল পুরীর (Puri Temple) ঐতিহ্যবাহী পুজো-পদ্ধতি ও আচার-অনুষ্ঠানকে নিরাপদ রাখা এবং তা যাতে বেহাত না হয়, তা নিশ্চিত করা। এখনই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন কেন দেখা দিল? সাধারণত কপিরাইট ব্যবহার করা হয় কোনও কিছুর নকল রোধ করতে। তাহলে কি পুরীর মন্দির বা তার ধর্মীয় রীতিনীতির নকল হওয়া শুরু হয়েছে? এখানেই দুটি বিতর্ক সামনে এসেছে (Odisha Government)। একটি দিঘার জগন্নাথ মন্দির। অপরটি রথযাত্রার নির্দিষ্ট দিনের বদলে বিদেশে অন্যদিনে ইসকনের রথযাত্রা পালন।

    দিঘার জগন্নাথ ধাম বিতর্ক

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মন্দিরের নাম তিনি ‘জগন্নাথ ধাম’ দেন। এতে তীব্র বিতর্ক ছড়ায়। সাধু-সন্ত থেকে আরম্ভ করে ধর্মবিশেষজ্ঞরা জানান যে, জগন্নাথ ধাম সারা পৃথিবীতে একটি আছে এবং তা পুরীতে। মমতা সরকারের এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হন পুরীর (Odisha Government) গোবর্ধন পীঠের শঙ্করাচার্য নিশ্চলানন্দ সরস্বতী এবং জগন্নাথ ভক্তদের বড় অংশ।

    ইসকন বিতর্ক

    অন্যদিকে, ইসকনের ক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছে যে, এই সংগঠন বিদেশে অন্য একটি তারিখে রথযাত্রা উৎসব আয়োজন করেছে, যা জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার সঙ্গে মেলেনি। এখানেই আপত্তি জানিয়েছে পুরীর জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ এবং তারা এই ধরনের কাজকে ধর্মগ্রন্থ ও প্রাচীন ঐতিহ্যের চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে (Odisha Government)।

    কী বললেন গজপতি মহারাজা দিব্যসিংহ দেব

    এ নিয়েই পুরীর রাজা এবং ভগবান জগন্নাথ দেবের প্রথম সেবক গজপতি মহারাজা দিব্যসিংহ দেব বলেন যে, ভারতে ইসকন জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা ও রথযাত্রার জন্য নির্ধারিত তারিখ মেনে চলতে সম্মত হয়েছে। আমরা মায়াপুরের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি এবং আলোচনা এখনও চলছে। এই নিয়েই তিনি পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপের মায়াপুরের কথা বলেন। প্রসঙ্গত এই মায়াপুরই (Puri Temple) হল ইসকনের সদর দফতর, যা বিশ্বব্যাপী তাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠান উদযাপনকে তত্ত্বাবধান করে (Odisha Government)।

  • India Energy: দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৫০ শতাংশই অজীবাশ্ম জ্বালানি থেকে! ‘ঐতিহাসিক’, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    India Energy: দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৫০ শতাংশই অজীবাশ্ম জ্বালানি থেকে! ‘ঐতিহাসিক’, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি ঘোষণা করেছেন যে, বর্তমামনে ভারত (India Energy) দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৫০ শতাংশ এখন আসছে অজীবাশ্ম জ্বালানির উৎস (non-fossil fuel) থেকে। প্রসঙ্গত, এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০৩০ সাল। তবে পাঁচ বছর আগেই, ২০২৫ সালেই ভারত এই লক্ষ্য পূরণ করতে পেরেছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

    এই ঘটনাকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়েছেন মন্ত্রী

    এই উপলক্ষে নিজের এক্স (পূর্বতন টুইটার) হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে তিনি ঘটনাটিকে “ঐতিহাসিক” আখ্যা দেন এবং এর কৃতিত্ব দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দিয়েছেন। ২০২৫ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত, ভারতে মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ৪৮৪.৮ গিগাওয়াট, যার মধ্যে ২৪২.৮ গিগাওয়াট অজীবাশ্ম জ্বালানি উৎস (non-fossil fuel) থেকে আসে। এর মধ্যে ১৮৪.৬ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য উৎস (সৌর, বায়ু, জৈব শক্তি প্রভৃতি) থেকে। ৪৯.২ গিগাওয়াট বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে, এবং ৮.৭ গিগাওয়াট পারমাণবিক শক্তি থেকে আসে।

    প্রধানমন্ত্রী কুসুম এবং পিএম সূর্য ঘর

    মন্ত্রী জানান, ভারতের বিদ্যুৎ (India Energy) খাতে অজীবাশ্ম জ্বালানির অংশ বৃদ্ধির পেছনে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নবায়নযোগ্য শক্তিনির্ভর কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে ‘প্রধানমন্ত্রী কুসুম’ (PM-KUSUM) এবং ‘পিএম সূর্য ঘর’ (PM Surya Ghar) প্রকল্পগুলির মাধ্যমে দেশের লক্ষ লক্ষ গ্রামীণ পরিবার এবং কৃষকদের জন্য সৌরশক্তি সহজলভ্য হয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন তাঁদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে, অন্যদিকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার সুযোগও তৈরি হয়েছে। কৃষকদের ক্ষেত্রেও সৌর পাম্পের ব্যবহার যেমন সেচ খরচ কমিয়েছে, তেমনই নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ তাদের উৎপাদনশীলতাও বাড়িয়েছে। এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, গ্রামীণ ক্ষমতায়ন ও টেকসই উন্নয়ন—উভয়ই সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। এর পাশাপাশি সৌর পার্ক, জৈব শক্তি এবং ভবিষ্যতে কৃত্রিম মেধা (AI)-র প্রয়োগ জ্বালানির পরিকাঠামোতেও গভীর প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ইন্টেলিজেন্ট এনার্জি মার্কেটপ্লেস, স্মার্ট মিটার, এবং ডিমান্ড সাইড ম্যানেজমেন্ট সম্ভব হচ্ছে। তবে, প্রহ্লাদ জোশি সতর্ক করে দিয়েছেন, এ সব কিছুর মধ্যে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে (India Energy) সাইবার নিরাপত্তাকে। কারণ ভবিষ্যতের জ্বালানি ব্যবস্থার ডিজিটাল নির্ভরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাইবার ঝুঁকিও বাড়বে।

  • Manipur: মণিপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার ১৬ জঙ্গি, উদ্ধার ৮৬টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র

    Manipur: মণিপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার ১৬ জঙ্গি, উদ্ধার ৮৬টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) সেনাবাহিনী, রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর যৌথ অভিযানে গ্রেফতার হয়েছে বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের মোট ১৬ জন কট্টরপন্থী জঙ্গিকে। জানা গিয়েছে, অভিযান চলাকালীন উদ্ধার করা হয়েছে ৮৬টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র, ১১টি আইইডি (ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস), প্রচুর গুলি এবং যুদ্ধসামগ্রী। এই অভিযানগুলি চালানো হয়েছে মণিপুরের পাঁচটি জেলাজুড়ে— কাংপোকপি, বিষ্ণুপুর, তেঙ্গনৌপাল, ইম্ফল পূর্ব ও পশ্চিমে। কাংপোকপির পাহাড়ি অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ইনসাস রাইফেল, পয়েন্ট ৩০৩, বোল্ট অ্যাকশন, পুল মেক ও একাধিক ইম্প্রোভাইজড মর্টার (Manipur News)।

    ধৃত জঙ্গিরা কোন সংগঠনের সদস্য (Manipur)

    এই অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে ছিল সেনাবাহিনীর ‘স্পিয়ার কর্পস’ এবং অসম রাইফেলস, সহযোগিতা করেছে মণিপুর (Manipur News) পুলিশ, সিআরপিএফ, বিএসএফ ও আইটিবিপি। বিস্ফোরক শনাক্তকরণে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ প্রশিক্ষিত সেনা কুকুর। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিষ্ণুপুর, থৌবল এবং ইম্ফল পশ্চিম জেলায় আরও ছয় জন জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে মণিপুর পুলিশ। ধৃতরা কেওয়াইকেএল, কেসিপি ও পিএলএ-র সক্রিয় সদস্য। এদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে অস্ত্র, মোবাইল ফোন, আধার কার্ড, দুই চাকার গাড়ি ও নানান গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র। সবকিছু হস্তান্তর করা হয়েছে পুলিশের হাতে।

    গুজব থেকে দূরে থাকতে বলল প্রশাসন

    পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত জঙ্গিরা দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মীদের কাছ থেকে জোর করে চাঁদা আদায়ে যুক্ত ছিল এবং সংগঠনে নতুন সদস্য নিয়োগেও ভূমিকা রাখছিল। বর্তমানে রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে অভিযান এবং এলাকা নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রেখেছে নিরাপত্তা বাহিনী। পাশাপাশি, নাগরিকদের (Manipur) উদ্দেশে পুলিশ বার্তা দিয়েছে— যেন কেউ ভুয়ো ভিডিও বা গুজবে বিশ্বাস না করেন। কোনও অডিও-ভিডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করতে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করে। সামাজিক মাধ্যমে ভুয়ো পোস্ট ছড়ানোর ঘটনা বেড়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে, এবং এমন কাজের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। জনগণকে আহ্বান জানানো হয়েছে, কারও কাছে লুন্ঠিত অস্ত্র বা বিস্ফোরক থাকলে তা দ্রুত স্থানীয় থানায় অথবা নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে জমা দিতে (Manipur)।

  • Bihar Poll 2025: বিহারের ভোটের তালিকায় নেপালি-বাংলাদেশিদের ‘অনুপ্রবেশ’! বাদ লক্ষ নাম, চিন্তিত মমতা?

    Bihar Poll 2025: বিহারের ভোটের তালিকায় নেপালি-বাংলাদেশিদের ‘অনুপ্রবেশ’! বাদ লক্ষ নাম, চিন্তিত মমতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী বিহারে (Bihar Poll 2025) চলছে ভোটার তালিকা সংশোধন (Special Intensive Revision of voter list)। যাকে বলা হচ্ছে ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’। অবৈধ অনুপ্রবেশকারী- সহ অযোগ্য ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রায় ৬ কোটি ৬০ লাখ ভোটার রিভিউ ফর্ম পূরণ করেছেন। যা মোট ভোটারের ৮৮.১৮ শতাংশ। ২৫ জুলাই পর্যন্ত ফর্ম পূরণের সময় রয়েছে। প্রাথমিকভাবে খবর, বিহারের (Bihar) বর্তমান ভোটার তালিকা থেকে ৩৯ লাখ ভোটারের নাম বাদ যেতে পারে। তারা ভারতীয় নন বলে কমিশনের বুথ লেভেল অফিসারের চিহ্নিত করেছে। এই নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম থেকেই সরব হয়েছেন। কেন? আসলে কী ভয়। এ রাজ্যে বিরোধীদের সঙ্গে শাসক দলের ভোটের ফারাক খানিকটা ওরকমই। তাই কী ভয় পাচ্ছেন মমতা?

    ভোটার তালিকায় বিদেশিরা

    এই বছরের অক্টোবর বা নভেম্বরে বিহারে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিধানসভা নির্বাচন। তারই প্রস্তুতিতে এখন তৎপর নির্বাচন কমিশন। ভোটার (Bihar Poll 2025) তালিকা সংশোধনের কাজ চলছে জোরকদমে। সেই প্রক্রিয়াতেই উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভোটার তালিকায় নেপাল, বাংলাদেশ ও মায়ানমার থেকে আগত বিপুল সংখ্যক মানুষের নাম রয়েছে বলে দাবি নির্বাচন কমিশনের। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকার পর্যালোচনার অংশ হিসেবে বুথ স্তরের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি পরিদর্শনে যাচ্ছেন। তাতেই তাঁদের নজরে আসে ভোটার তালিকায় এই ‘বিদেশি’ অভিবাসীদের উপস্থিতি। কমিশনের মতে, এঁদের মধ্যে কেউই ভারতে ভোটাধিকার পাওয়ার যোগ্য নন। সূত্রের খবর, ১ অগাস্টের পর থেকে কমিশন এই তালিকায় থাকা সন্দেহভাজন নামগুলি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চালাবে। সেই অনুসন্ধানের ভিত্তিতে ৩০ সেপ্টেম্বর যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে, তাতে এ ধরনের ‘অবৈধ’ ভোটারদের নাম আর থাকবে না বলেই জানানো হয়েছে।

    স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের উদ্দেশ্য

    বিহারের (Bihar Poll 2025) ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, ২০০৩-এর ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম ছিল, তাঁদের সমস্যা নেই। কিন্তু বাকিদের মধ্যে যাঁদের জন্ম ১৯৮৭ সালের আগে, তাঁদের জন্মের প্রমাণপত্র দিতে হবে। তাঁরা গত লোকসভা নির্বাচনে ভোট দিয়ে থাকলেও ছাড় নেই। ১৯৮৭ থেকে ২০০৪-এর মধ্যে যাঁরা জন্মেছেন, তাঁদের নিজেদের এবং বাবা-মায়ের মধ্যে যে কোনও এক জনের জন্মের প্রমাণপত্র দিতে হবে। ২০০৪-এর পরে জন্ম হলে নিজের ও বাবা-মায়ের দু’জনেরই জন্মের প্রমাণপত্র দিতে হবে। কমিশন সূত্রের খবর, এই ভুয়ো ভোটার বাছতে গিয়েই ভূরি ভূরি বিদেশি ভোটারের হদিশ মিলছে। এদের অধিকাংশই বাংলাদেশ বা নেপালের বাসিন্দা। কেউ কেউ রয়েছেন মায়ানমারের। সংখ্যাটা সঠিকভাবে জানানো না হলেও সেটা চমকে দেওয়ার মতো। কমিশন সূত্রের খবর, এই ধরনের ভোটারদের নাম আগামী সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত হতে চলে ভোটার তালিকায় রাখা হবে না। ওই ভোটার তালিকায় শুধু ভারতীয়দের নাম থাকবে। সেটাই স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের উদ্দেশ্য।

    সারা দেশে হবে ভোটার তালিকা সংশোধন

    এই পদক্ষেপ শুধু বিহারেই (Bihar Poll 2025) সীমাবদ্ধ থাকবে না, নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সারা দেশে ভোটার তালিকা পর্যালোচনার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে এমনই কড়া নজরদারি চালানো হবে। সন্দেহজনক ভোটারদের জন্মস্থান যাচাই করে, প্রয়োজনে তাঁদের নাম বাদ দেওয়ার দিকেই এগোবে কমিশন। বাংলায় আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে রাজ্যে ভোটার তালিকা থেকে এই বিপুল সংখ্যক ভোট বাদ পড়লে সমস্যায় পড়বে মমতা সরকার। টলমল করবে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি। তাই কী ভীত মমতা? তাই কী এই পদক্ষেপের বিপক্ষে সুপ্রিম দুয়ারে কড়া নাড়ছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।

    ৮০ শতাংশ ভোটার ফর্ম জমা দিয়েছেন

    এদিকে বিহারে (Bihar Poll 2025) ২৫ জুলাইয়ের মধ্যেই ভোটার তথ্য যাচাইয়ের কাজ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। কমিশনের দাবি, ইতিমধ্যেই প্রায় ৮০ শতাংশ ভোটার ফর্ম জমা দিয়েছেন। এরই মাঝে, সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে, ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সময় আধার কার্ড, ভোটার আইডি এবং রেশন কার্ড এই তিনটি নথিকে গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। পাশাপাশি আদালত এটাও খতিয়ে দেখবে যে, তালিকা সংশোধনের নামে আদৌ কোনও নাগরিক তাঁর ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কিনা। এই পরিস্থিতিতে বিহারে বিধানসভা ভোটের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন এখন রাজনীতির অন্যতম স্পর্শকাতর ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

  • DGCA: ডিজিসিএ-র কড়া পদক্ষেপ, সব বোয়িং বিমানের জ্বালানি সুইচ পরীক্ষা করতে বিমান সংস্থাগুলিকে নির্দেশ

    DGCA: ডিজিসিএ-র কড়া পদক্ষেপ, সব বোয়িং বিমানের জ্বালানি সুইচ পরীক্ষা করতে বিমান সংস্থাগুলিকে নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিসিএ (DGCA) বোয়িং এবং ম্যাকডোনাল্ড ডগলাস নির্মিত নির্দিষ্ট বিমান মডেলগুলোর জন্য একটি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে। বোয়িং ৭১৭, ৭৩৭, ৭৪৭, ৭৫৭, ৭৬৭, ৭৮৭ এবং এমডি-১১ ও এমডি-৯০ মডেলগুলোতে ব্যবহৃত জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ সুইচের লকিং মেকানিজম ২১ জুলাইয়ের মধ্যে পরীক্ষা করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা এই পরীক্ষা শুরু করেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৮ সালে মার্কিন FAA এসব বিমানের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ সুইচে সমস্যা থাকার সম্ভাবনার বিষয়ে সতর্ক করেছিল।

    আমেদাবাদের বিমান দুর্ঘটনা (DGCA)

    গত মাসের ১২ তারিখে আমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে উড়ানে কিছুক্ষণ পরেই এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং বিমান একটি মেডিক্যাল কলেজ ভবনের উপর ভেঙে পড়ে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় গুজরাটের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানিসহ বিমানে থাকা ২৬০ জন যাত্রীর সবাই নিহত হন। দুর্ঘটনার ফলে বিমানে আগুন ধরে যায় এবং অধিকাংশ দেহ এতটাই পুড়ে যায় যে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকারী দল মেডিক্যাল কলেজ ভবনের ছাদ থেকে বিমানের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য—বিমানের দুটি ইঞ্জিনে আচমকাই জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এই দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে বোয়িং নির্মিত বিমানগুলোর প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

    ককপিটের ভয়েস রেকর্ডারে থাকা কথোপথন

    ককপিটের ভয়েস রেকর্ডারে এক পাইলটকে (DGCA) আরেকজনকে প্রশ্ন করতে শোনা যায়, “কেন জ্বালানি বন্ধ করলেন?” — যার জবাবে বলা হয়, “আমি বন্ধ করিনি।” এই কথোপকথনের পরপরই পাইলট “মে ডে, মে ডে” বলে কন্ট্রোল টাওয়ারে জরুরি বার্তা পাঠান, তবে উত্তর আসার আগেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। এই পরিপ্রেক্ষিতে, ভারতীয় বিমান পরিবহন নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ডিজিসিএ) বোয়িং বিমান পরিচালনায় (Boeing Aircrafts) নিযুক্ত সকল এয়ারলাইনকে ২১ জুলাইয়ের মধ্যে বিমানের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ সুইচের লকিং ব্যবস্থা পরীক্ষা করে দেখার নির্দেশ জারি করেছে।

  • President Murmu: তিনজন নয়া রাজ্যপাল-উপরাজ্যপাল নিয়োগ করলেন রাষ্ট্রপতি

    President Murmu: তিনজন নয়া রাজ্যপাল-উপরাজ্যপাল নিয়োগ করলেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনজন নয়া রাজ্যপাল ও উপরাজ্যপাল নিয়োগ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Murmu)। ১৪ জুলাই, সোমবার নিয়োগ করা হয় তাঁদের। এঁদের মধ্যে বাংলা থেকে রয়েছেন একজন। তিনি প্রাক্তন অধ্যাপক আসীম কুমার ঘোষ (Prof Ghosh)। তাঁকে দেওয়া হয়েছে হরিয়ানার রাজ্যপালের দায়িত্ব। গোয়ার রাজ্যপাল পদে নিয়োগ করা হয়েছে পুসাপতি অশোক গজপতি রাজুকে। আর লাদাখের উপরাজ্যপাল করা হয়েছে কবিন্দর গুপ্তকে। হরিয়ানার বর্তমান রাজ্যপাল বন্দারু দত্তাত্রেয়র জায়গায় যাচ্ছেন অসীম। ২০২১ সাল থেকে হরিয়ানার রাজ্যপাল রয়েছেন দত্তাত্রেয়। গোয়ার রাজ্যপাল রয়েছেন পিএস শ্রীধরন পিল্লাই। তাঁর জায়গায় বসানো হচ্ছে পুসাপতি অশোক গজপতি রাজুকে।

    অসীম কুমার ঘোষ (President Murmu)

    প্রাক্তন অধ্যাপক অসীম কুমার ঘোষ পশ্চিমবঙ্গের একজন প্রবীণ বিজেপি নেতা। শিক্ষাবিদ হিসেবেও তিনি ভীষণ জনপ্রিয়। কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক হওয়ার পর তিনি দীর্ঘ সময় ধরে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন। পরে যোগ দেন রাজনীতিতে। নানা সময়ে তিনি অলঙ্কৃত করেছেন বিজেপির রাজ্য সম্পাদক, রাজ্য সভাপতি ও সহ-সভাপতি এবং ত্রিপুরার পর্যবেক্ষকের পদ। সাম্প্রতিক কালে সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরেই ছিলেন তিনি। তবে সাংগঠনিক কর্মসূচিতে প্রবীণ চিন্তক হিসেবে জায়গা পেতেন তিনি। এহেন এক শিক্ষাবিদকেই বসানো হল হরিয়ানার রাজ্যপাল পদে (President Murmu)।

    অশোক গজপতি রাজু

    পুসাপতি অশোক গজপতি রাজু টিডিপির একজন প্রবীণ নেতা। তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়নগরম রাজ পরিবারের সদস্য। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভার কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী। অন্ধ্রপ্রদেশকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে টিডিপি এনডিএ সঙ্গ ছাড়লে পদত্যাগ করেন রাজু। তিনি বিজয়নগরম থেকে বিধায়ক হয়েছিলেন সাতবার।

    কবিন্দর গুপ্ত

    প্রবীণ বিজেপি নেতা কবিন্দর গুপ্তকে দেওয়া হল লাদাখের উপরাজ্যপালের পদ। ২০০৫ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে পরপর তিনবার জম্মুর মেয়র হয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। প্রবীণ এই বিজেপি নেতা ছিলেন জম্মু-কাশ্মীরের শেষ উপমুখ্যমন্ত্রী। এখন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হয়েছে (Prof Ghosh) জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। সেই লাদাখেরই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তাঁকে (President Murmu)।

  • Love Jihad: উত্তরপ্রদেশে ফের লাভ জিহাদের পর্দা ফাঁস, হিন্দুর ভেক ধরে প্রতারণা করে চলেছিল মুসলিম যুবক

    Love Jihad: উত্তরপ্রদেশে ফের লাভ জিহাদের পর্দা ফাঁস, হিন্দুর ভেক ধরে প্রতারণা করে চলেছিল মুসলিম যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খোঁজ মিলল ‘লাভ জিহাদ’ (Love Jihad) চক্রের হদিশ। উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরের ওই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এক হিন্দু তরুণীর দাবি, মহম্মদ নাভেদ ওরফে কাসিব পাঠান (Muslim Man Arrested) তার ধর্ম গোপন করে তাঁকে ফাঁদে ফেলে এবং তারপর ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেল এবং পরে ইসলাম ধর্ম নিতে বাধ্য করে। ওই তরুণীর দাবি, বছর দুয়েক আগে ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে তাঁর পরিচয় হয় কাসিব পাঠানের সঙ্গে। পাঠান মুসলমান পরিচয় লুকিয়ে ‘শিব ভার্মা’ নাম দিয়ে একটি ভুয়ো আইডি খোলে। ওই তরুণীর সঙ্গে কথাবার্তা চলাকালীন সে সব সময় নিজেকে হিন্দু বলে পরিচয় দিত। তিলক এবং কলাওয়া পরে এবং হিন্দু দেব-দেবীর নামে শপথ নিয়ে পাঠান ওই তরুণীর বিশ্বাস অর্জন করেছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাঠানের সঙ্গে ওই তরুণীর প্রেম গাঢ় হয়।

    তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক (Love Jihad)

    অভিযোগ, বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাঠান ওই তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিল। এজন্য পাঠান শাহজাহানপুরের মহল্লা সিনজাইয়ে একটি ঘরও ভাড়া নিয়েছিল। সেখানেও সে নিজেকে শিব ভার্মা বলেই পরিচয় দিয়েছিল। ওই তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করার সময় গোপন ক্যামেরা ব্যবহার করে অশ্লীল ভিডিও তৈরি করে সে তাকে ব্ল্যাকমেলও করতে শুরু করেছিল। পাঠান ওই তরুণীকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হতেও চাপ দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। এদিকে, শারীরিক সম্পর্কের কারণে ওই তরুণী গর্ভবতী হয়ে পড়লে পাঠান ও তার পরিবারের সদস্যরা যার মধ্যে তার ভাই কাইফ ও সামান এবং তাদের বাবা-মা আলম খান এবং উজমা খান সবাই মিলে ওই তরুণীকে গর্ভপাতের জন্য চাপ দেয়। গর্ভপাত করতে অস্বীকার করলে পাঠান তাঁর পেটে লাথি মারে। তিন মাসের মাথায় গর্ভপাত হয়ে যায় ওই তরুণীর।

    ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করা হয়

    এর পর তাঁকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হয়। পাঠান তাঁর সঙ্গে মালিক এবং চাকরের সম্পর্কের মতো আচরণ করত। ওই তরুণী এর প্রতিবাদ করলে তাঁকে খুন করে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। তার পরেও নিতান্তই নিরুপায় হয়ে ওই তরুণী থেকে যান পাঠানের (Muslim Man Arrested) সঙ্গেই। ১১ জুলাই সুযোগ বুঝে ওই তরুণী পাঠানের মোবাইল পরীক্ষা করতে থাকেন। তখনই তিনি জানতে পারেন, পাঠান, তার ভাই কাইফ এবং তাদের বন্ধু আকিল হিন্দু মেয়েদের লাভ জিহাদের ফাঁদে ফেলার ষড়যন্ত্র করছিল। পাঠানের ফোনে লক্ষ্মী, মেধা এবং শত শত হিন্দু তরুণীর অশ্লীল ছবি এবং ভিডিও-ও দেখতে পান। পরে ওই তরুণী সে সব নিয়ে পাঠানকে প্রশ্ন করলে, সে তাঁকে নির্মমভাবে মারধর করে। পাঠান তাঁকে বলেছিল, হিন্দু মেয়েদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক (Love Jihad) স্থাপন করা মুসলমানদের কাছে খুবই পুণ্যের কাজ। তাই ওই তরুণী পাঠানকে নিরস্ত করতে পারবে না।

    লাভ জিহাদের মুখোশ

    পাঠানের লাভ জিহাদের মুখোশ খুলে পড়তেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী। গত ১২ জুলাই তিনি প্রধান অভিযুক্ত কাসিব পাঠান, তার দুই ভাই কাইফ ও সমন, কাসিবের বন্ধু আকিল এবং কাসিবের বাবা-মা আলম খান ও উজমা খানের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন। পাঠানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, পাঠান শিব ভার্মা নামে হিন্দু যুবকের ছদ্মবেশ ধারণ করে অন্তত ১৮ জন হিন্দু মেয়েকে লাভ জিহাদের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে এবং পরে চাপ দিয়ে ধর্মান্তরিত করে (Love Jihad)। তদন্তকারীরা এও জানতে পারেন, পাঠান একা এই কাজ করছিল না। এই চক্রের সঙ্গে (Muslim Man Arrested) জড়িত ছিল তার ভাই কাইফ এবং পরিবারের অন্য সদস্যরাও।

    পাঠানের চারটি ভুয়ো ইনস্টাগ্রামের হদিশ

    তদন্তকারীরা পাঠানের চারটি ভুয়ো ইনস্টাগ্রামের হদিশ পেয়েছেন। এগুলিতে সব মিলিয়ে ১৯০০-রও বেশি ছবি ছিল, যার অনেকগুলিতেই বিভিন্ন মেয়ের সঙ্গে পাঠানের ছবি ছিল। তাঁদের ধারণা, এই প্রোফাইলগুলি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ, যেখানে মেয়েদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা হত, মানসিকভাবে প্রভাবিত করা হত এবং পরে তাঁদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে সেই ছবি তুলে ব্ল্যাকমেল করে ধর্মান্তরিত করা হত। পুলিশ সুপার অশোক কুমার মিনা বলেন, “অভিযুক্ত পাঠান জেরায় কবুল করেছে যে সে একই কৌশলে ১৮জন হিন্দু মেয়েকে টার্গেট করেছিল।” এই চক্রের সঙ্গে সম্প্রতি বললামপুরে ধরা পড়া আর একটি গ্রুমিং চক্রের (Muslim Man Arrested) সঙ্গে যোগ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ (Love Jihad)।

  • UPI: লেনদেনের সংখ্যা মাসে ১৮০০ কোটি! ভিসাকে টেক্কা দিল ইউপিআই, আইএমএফ-এর প্রশংসা

    UPI: লেনদেনের সংখ্যা মাসে ১৮০০ কোটি! ভিসাকে টেক্কা দিল ইউপিআই, আইএমএফ-এর প্রশংসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের পেমেন্ট ইকোসিস্টেমে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে ইউপিআই। বর্তমানে দেশের একটি বড় অংশের মানুষ নিয়মিতভাবে অনলাইন পেমেন্টে এই অ্যাপ করছেন। হু হু করে বাড়ছে ইউপিআই ব্যবহারকারীর সংখ্যা। ভারতের ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস (UPI) এখন বিশ্বের কাছেও এক অনন্য উদাহরণ। সম্প্রতি একটি বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছে ইউপিআই। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেজ (UPI) অফিশিয়ালি ভিসাকে (Visa) টপকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় রিয়েল টাইম পেমেন্ট সিস্টেমে পরিণত হয়েছে। দৈনিক ৬৫০ মিলিয়ন লেনদেন এবং প্রতি মাসে প্রায় ১৮ বিলিয়ন (১৮০০ কোটি) ট্র্যানজাকশন হয় এর মাধ্যমে। ইউপিআই-এর হাত ধরে ভারত এই মুহূর্তে বিশ্বের সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে দ্রুতগতির রিটেইল ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার উদাহরণ স্থাপন করেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ভারতের এই সাফল্যের প্রশংসা করা হয়েছে।

    ইউপিআই-এর প্রশংসায় আইএমএফ

    ২০১৬ সালে ভারতে চালু হয় ইউপিআই। ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া বা এনপিসিআই ও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের যৌথ উদ্যোগে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়। কিউআর কোড বা ইউপিআই আইডির মাধ্যমে সহজে পেমেন্ট করা যায় বলে এই ব্যবস্থা এবার ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে গোটা বিশ্বে। ‘গ্রোয়িং রিটেল জিজিটাল পেমেন্টস’(Growing Retail Digital Payments: The Value of Interoperability) শীর্ষক এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে চালু হওয়ার পর থেকে ভারতের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থায় এক বিপ্লব ঘটিয়েছে ইউপিআই। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) জানিয়েছে, উন্নত দেশগুলোকেও পেছনে ফেলে এখন ভারতই এই খাতে পথপ্রদর্শক।

    ইউপিআই সাফল্যের পেছনের কারণ

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ব্যবহারকারী-বান্ধব ডিজাইন, রিয়েল-টাইম পেমেন্ট, একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যুক্ত হওয়ার সুযোগ এবং সহজ ইন্টারঅপারেবিলিটি ইউপিআই-কে সফল করেছে। কিউআর কোড, ভয়েস-নোটিফিকেশন ও সহজ ইন্টারফেস থাকায় গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে শহর, ছোট ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে প্রবীণ নাগরিক—সবাই খুব সহজেই ডিজিটাল লেনদেন গ্রহণ করতে পেরেছেন। ইউপিআই কার্যত বর্তমানে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গী হয়ে উঠেছে।

    অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তির মডেল

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৬৩২-টিরও বেশি ব্যাঙ্ক ইউপিআই (UPI) প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় এবং প্রতি মাসে ১৬.৫৮ বিলিয়নেরও বেশি লেনদেন হয়, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ২৩.৪৯ লক্ষ কোটি টাকা। এটি শুধু ডিজিটাল লেনদেন নয়, বরং আইনি স্বচ্ছতা, আর্থিক সাক্ষরতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দিক থেকেও এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সূত্রের খবর, নীতি আয়োগের প্রাক্তন চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (CEO) অমিতাভ কান্ত সম্প্রতি ইউপিআই –এর এই নয়া মাইলফলক সম্পর্কে জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘X’ –এ একটি পোস্ট করেছেন। তিনি লিখেছেন, ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেজ ভিসা কে ছাড়িয়ে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় রিয়েল টাইম পেমেন্ট সিস্টেম হয়ে উঠেছে। ইউপিআই মাত্র নয় বছরে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এই বিষয়টি ইউপিআই –এর দুর্দান্ত বৃদ্ধির ইঙ্গিত করছে। দুর্দান্ত গতিতে এই সিস্টমেটির গ্রহযোগ্যতা বেড়েছে।

    সীমান্ত পেরিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে

    শুধু ভারতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এখনও পর্যন্ত মোট ৮টি দেশে এই ইউপিআই ব্যবস্থা চালু রয়েছে। ভারতের বাইরে প্রথম দেশ হিসাবে ২০২১ সালে ইউপিআই চালু হয় ভূটানে। এর পর ওই বছরই ইউপিআই চালু হয় সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে। ২০২৪ সালে প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসাবে ইউপিআই গ্রহণ করে ফ্রান্স। ভারতের এনপিসিআই ও ফ্রান্সের লায়রা নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় সে দেশে ইউপিআই চালু হয়। এ ছাড়াও নেপাল, মরিশাস, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর ও ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোতেও চালু হয়েছে ইউপিআই। আগামীতে কাতার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ব্রিটেন, ওমান ও মালদ্বীপের মতো দেশে ইউপিআই চালু হতে পারে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এর ফলে বিদেশে ভারতীয় পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের জন্য অর্থনৈতিক লেনদেন আরও সহজ ও নিরাপদ হয়েছে।

    ভিসাকে টেক্কা ইউপিআই-এর

    সম্প্রতি ইউপিআই –এর দৈনিক ট্রানজ্যাকশনের সংখ্যা সাড়ে ৬০০ মিলিয়নে পোঁছে গিয়েছে। অপরদিকে, ভিসা –এর দৈনিক ট্রানজ্যাকশনের সংখ্যা রয়েছে ৬৩৯ মিলিয়ন। অর্থাৎ, দৈনিক লেনদেনের দৌড়ে ভিসার থেকে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে ইউপিআই। সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হল, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ২০০ টিরও বেশি দেশে ভিসার উপস্থিতি রয়েছে। সেই তুলনায় ইউপিআই –এর উপস্থিতি রয়েছে মাত্র ৮ টি দেশে। কিন্তু, তা সত্ত্বেও এই দুর্দান্ত সাফল্যের দেখা পেয়েছে পেমেন্ট সিস্টেমটি। উল্লেখ্য, ইউপিআই হল মোবাইল প্ল্যাটফর্মের জন্য ডিজাইন করা একটি ইনস্ট্যান্ট ইন্টার ব্যাঙ্ক পেমেন্ট সিস্টেম। এটিকে ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার তরফে তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে এটি প্রতি মাসে ১৮ বিলিয়ন ট্রানজ্যাকশন প্রসেস করে থাকে। সম্প্রতি ইউপিআই নিয়ে আইএমএফ-এর স্বীকৃতি ভারতের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক আর্থিক নেতৃত্বের পথে এক বড় ধাপ, যা শুধুমাত্র প্রযুক্তি নয়, আর্থিক স্বচ্ছতা, শিক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও ভারতের অবস্থানকে মজবুত করে।

  • Indian Railways: যাত্রী সুরক্ষায় বজ্র আঁটুনি! রেলের সব কামরায় বসছে সিসি ক্যামেরা

    Indian Railways: যাত্রী সুরক্ষায় বজ্র আঁটুনি! রেলের সব কামরায় বসছে সিসি ক্যামেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাত্রী সুরক্ষার (Passengers Safety) পাশাপাশি দুষ্কৃতীদের ধরতে এবার ট্রেনের সব কামরাতেই সিসি ক্যামেরা লাগাতে চলেছে রেল (Indian Railways)। রবিবার রেলমন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে এমনটাই জানানো হয়েছে। উত্তর রেলের আওতায় থাকা লোকো ইঞ্জিন এবং কামরায় পরীক্ষামূলকভাবে সিসি ক্যামেরা লাগানোর প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। সেখানে ইতিবাচক সাড়া মিলতেই এবার রেলের সব জোনের কামরা ও লোকো ইঞ্জিনে সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলমন্ত্রক।

    খতিয়ে দেখলেন রেলমন্ত্রী (Indian Railways)

    শনিবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং রেল প্রতিমন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু ট্রেনের কামরা এবং লোকো ইঞ্জিনগুলিতে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ খতিয়ে দেখেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন রেলবোর্ডের কর্তারাও। জানা গিয়েছে, অশ্বিনী বৈষ্ণবের মন্ত্রক খুব শীঘ্রই ১৫ হাজার লোকো ইঞ্জিন এবং ৭৪ হাজার কোচে সিসি ক্যামেরা লাগাবে। প্রতিটি কোচে থাকবে ৪টি করে সিসি ক্যামেরা। আর লোকোমোটিভে থাকবে ৬টি। রবিবার রেলের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের ফলে যাত্রীসুরক্ষার বিষয়টি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে। যাত্রীদের সারল্যের সুযোগ নেয় দুষ্কৃতীরা। সিসি ক্যামেরার সাহায্যে এই ধরনের ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমানো যাবে। রেলের তরফে এও জানানো হয়েছে, যাত্রীদের ব্যক্তিগত পরিসর সুরক্ষিত রাখতে ক্যামেরা লাগানো হবে কেবল কামরায় ঢোকার মুখে।

    গম্বুজ সিসিটিভি

    রেল সূত্রে খবর, লোকোমোটিভের ভেতরে, সামনে এবং পিছনের দিকে একটি করে গম্বুজ সিসিটিভি থাকবে। দুটি ডেস্ক মাউন্ট করা মাইক্রোফোনও থাকবে। রেলের এক পদস্থ কর্তা বলেন, “ট্রেনের বগিতে দুর্বৃত্তদের ঠেকাতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেলের সব জোনের কোচে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Indian Railways)।” ঘণ্টা প্রতি ১০০ কিলোমিটার গতিতে এবং কম আলোয়ও স্পষ্ট ফুটেজ দেখাবে এই উচ্চমানের ক্যামেরাগুলি। রেল সূত্রে খবর, উন্নতমানের ও আধুনিক এসটিকিউসি সার্টিফায়েড সিসি ক্যামেরায় বাড়তি জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের রেলমন্ত্রীর নির্দেশ, এমন সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো (Passengers Safety) হোক যা এআই-পাওয়ার্ড এবং ঘণ্টা প্রতি ১০০ কিলোমিটার গতিবেগেও স্থিতিশীল ভিডিও তুলতে পারে (Indian Railways)।

  • PM Modi: মিজোরামে বৈরাবি-সাইরাং রেলপথের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: মিজোরামে বৈরাবি-সাইরাং রেলপথের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বপ্ন দেখা শুরু হয়েছিল সেই ১৯৯৯ সালে, অটলবিহারী বাজপেয়ীর জমানায়। এতদিনে পূরণ হতে চলেছে স্বপ্ন, মোদি (PM Modi) জমানায়। ২৬ বছর পরে বাস্তবে রূপ নিয়েছে বহু প্রতীক্ষিত (Mizoram) বৈরাবি-সাইরাং রেলপথ। ট্রেন চলাচল চালু হয়ে গেলে ৫১.৩৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথটি মিজোরামের রাজধানী আইজলকে প্রথমবারের মতো নিয়ে আসবে ভারতের রেল মানচিত্রে। শীঘ্রই রেলপথটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পঞ্চাশ কিলোমিটারের খানিক বেশি দীর্ঘ এই রেললাইনে পড়বে ৪৮টি টানেল। প্রধান সেতু পড়বে ৫৫টি, ছোট সেতু ৮৭টি। ৫টি সড়ক ওভারব্রিজ এবং ৯টি সড়ক আন্ডারব্রিজ। রেলপথটি কুতুব মিনারের চেয়ে ৪২ মিটার বেশি উঁচু। এর উচ্চতা ১০৪ মিটার। সুউচ্চ সেতুর তালিকায় এর ঠাঁই ১৯৬ নম্বরে।

    একাধিক প্রতিবন্ধকতা (PM Modi)

    উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ির রাজ্যের রাজধানীকে রেলপথের মাধ্যমে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে জুড়তে ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বরে প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হয়। তখনই সামনে চলে আসে একাধিক প্রতিবন্ধকতা – ঘন বন, কম দৃশ্যমানতা এবং কঠিন ভূখণ্ড। প্রাথমিক সমীক্ষার কাজ করতেই কেটে যায় বেশ কিছুটা সময়। ২০০৩ সালে ফের একবার সমীক্ষা হয়। ২০১১ সালে রাইটস (RITES) কর্তৃক চূড়ান্ত প্রযুক্তিগত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। ২০০৮ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার একে একটি জাতীয় প্রকল্প হিসেবে ঘোষণা করে। তারপর আর কাজ এগোয়নি। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেই ২৯ নভেম্বর এই রেলপথের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন নরেন্দ্র মোদি। ২০১৫ সালের মধ্যেই শেষ হয়ে যায় জমি অধিগ্রহণের কাজ। নির্মাণকাজ পুরোদমে শুরু হয় ২০১৫-’১৬ সালে।

    কী বললেন প্রধান টেকনোলজিস্ট?

    প্রকল্পের (PM Modi) প্রধান টেকনোলজিস্ট বিনোদ কুমার বলেন, “এপ্রিল থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বর্ষাকালীন ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে খানিক ব্যাহত হয়েছিল নির্মাণকাজ। এই রেলপথটি গিয়েছে খাড়া পাহাড়, গভীর গিরিখাত এবং উপত্যকার মধ্যে দিয়ে। তাই প্রচুর টানেল খনন এবং সেতু নির্মাণের প্রয়োজন হয়েছিল।” জানা গিয়েছে, সোমবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে গিয়ে দেখা করেন মিজোরামের (Mizoram) মুখ্যমন্ত্রী লালডুহোমা। সেখানেই এই রেলপথ উদ্বোধন নিয়ে আলোচনা হয়। তার পরেই জানা যায় রেলপথটির উদ্বোধন করবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

LinkedIn
Share