Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Indians On Marriage: অবিবাহিত থাকতেই বেশি পছন্দ করেন ভারতীয়রা! সমীক্ষায় উঠে এল নয়া তথ্য

    Indians On Marriage: অবিবাহিত থাকতেই বেশি পছন্দ করেন ভারতীয়রা! সমীক্ষায় উঠে এল নয়া তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবাহ নিয়ে ভারতীয়দের কি মতামত তা নিয়ে এক আশ্চর্যজনক তথ্য উঠে এসেছে। সরকার দ্বারা একটি সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে যে, ভারতীয়রা বিয়ে করার থেকে না করাকেই বেশি মত দিয়েছেন। সমীক্ষায় এমনও ধরা পড়েছে যে, গত কয়েক বছরের থেকে বর্তমানে বিবাহিতের সংখ্যা তুলনামুলকভাবে অনেক কম। বেশিরভাগ ভারতীয়রাই এখন অবিবাহিত থাকতেই পছন্দ করছেন।

    সমীক্ষার তথ্য অনুসারে, ২০১১ সাল থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী ছেলে-মেয়েদের মধ্যে অবিবাহিতের সংখ্যা ১৭.২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৩ শতাংশে পরিত হয়েছে। ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকাল অফিসের (National Statistical Office) রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে অবিবাহিত যুবকদের সংখ্যা ২০.৮ শতাংশ থেকে ২৬.১ শতাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে ও অবিবাহিত মেয়েদের সংখ্যা ১৩.৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৯.৯ শতাংশ হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ১৫ বছরেই মেয়ের বিয়ে! মুসলিম আইন অনুযায়ী সম্মতি আদালতের

    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, ২০১৯ সালে সবচেয়ে বেশি অবিবাহিত যুবক-যুবতী দেখা গিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরে। এরপরেই উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি ও পাঞ্জাবের অবস্থান। যেসব জায়গায় অবিবাহিতের সংখ্যা কম রয়েছে, সেগুলো হল- কেরালা, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, হিমাচলপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ।

    অবিবাহিতের সংখ্যা তো ক্রমশ কমেই চলেছে। তবে রিপোর্টে এও দেখা গিয়েছে যে, কম বসয়েই বা তাড়াতাড়ি বিয়ে করার প্রবণতাও এখন কমে এসেছে। কম বয়সে বিয়ে করার প্রবণতা অনেকটাই কমে এসেছে ভারতীয়দের মধ্যে। এছাড়াও ভারতে পুরুষরা মহিলাদের থেকে বেশি বয়সেই বিয়ে করে থাকে।

    আরও পড়ুন: ভারতে প্রথম, মেহেন্দিতে সেজে নিজেকেই বিয়ে তরুণীর ! কী কী হল অনুষ্ঠানে?

    তবে এর ফলে সমাজে এক ইতিবাচক প্রভাব দেখা গিয়েছে। কারণ ২০০৫ সাল থেকে ২০২১ সালে ১৮ বয়সের আগে বিয়ে করার সংখ্যা ৪৭ শতাংশ থেকে ২৩ শতাংশে নেমে এসেছে। ফলে কম বয়সে গর্ভবতী হওয়ার প্রবণতাও কমে এসেছে। এর হার কমে ১৬ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশে নেমে গিয়েছে।

  • Qutub Minar Mosque: হিন্দু মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল কুতুব মিনার! প্রমাণ এএসআই রিপোর্টে

    Qutub Minar Mosque: হিন্দু মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল কুতুব মিনার! প্রমাণ এএসআই রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু (Hindu) মন্দিরের (temple) জায়গায়ই গড়ে তোলা হয়েছিল মসজিদ (mosque)!

    কুতুবমিনার (Qutub minar) চত্বরে হিন্দু মন্দিরের প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি প্রাক্তন এএসআই (ASI) কর্তার। প্রাক্তন এএসআই ডিরেক্টর ডঃ অমরেন্দ্র নাথ এএসআইয়ের রিপোর্টের তথ্যগুলি সত্য বলে দাবি করেন। তাঁর মতে, রিপোর্টে উল্লিখিত তথ্যগুলি সম্পূর্ণ সত্য।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির-জ্ঞানবাপী মসজিদ বিতর্ক এখনও চলছে। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, বিশ্বেশ্বরের মন্দির (Kashi Viswanath temple) ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আমলে। তাঁরই নির্দেশে মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি হয়েছিল। পরে রানি অহল্যবাই বর্তমান মন্দিরটি তৈরি করেন। ১৮০০ খিষ্টাব্দে নেপালের রানা মন্দির চত্বরে থাকা নন্দীমূর্তিটি মন্দির কর্তৃপক্ষকে উপহার দেন। মুসলমান সম্প্রদায়ের অনেকেই অবশ্য এই দাবি সমর্থন করেন না।

    আরও পড়ুন : অধ্যয়ন করা হবে কুতুব মিনারে পাওয়া হিন্দু ও জৈন মূর্তিগুলির! বিবেচনা সংস্কৃতি মন্ত্রকের

    দেশজুড়ে যখন কার্যত চায়ের ঠেকে চলছে জ্ঞানবাপী চর্চা, ঠিক তখনই বিতর্ক দানা বেঁধেছে কুতুব মিনারকে নিয়ে। ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, কুতুবউদ্দিন আইবক তৈরি করেছিলেন পেল্লাই মিনার। তাঁর নাম অনুসারে মিনারের নাম হয় কুতুব মিনার।

    এএসআইয়ের প্রাক্তন আঞ্চলিক পরিচালক ধরমবীর শর্মার দাবি, কুতুবউদ্দিন আইবক নন, কুতুব মিনার তৈরি করেছিলেন হিন্দু রাজা বিক্রমাদিত্য। সূর্যের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্যই তৈরি হয়েছিল মিনার। সেজন্য মিনারটি হেলে রয়েছে ২৫ ইঞ্চি।

    প্রাক্তন এএসআই ডিরেক্টর অমরেন্দ্র নাথ বলেন, ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান স্যার আলেকজান্ডার কানিংহামের তত্ত্বাবধানে ১৮৭১-৭২ সালে জেডি বেগলার এবং এসিএল কার্লেইল এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি মন্দিরের জায়গায় একটি মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল। কারণ মসজিদের ভিত্তি অনেক পুরনো। তারও আগে এখানে একটি মন্দির ছিল।

    আরও পড়ুন : খননকার্য এখনই নয়, কুতুব মিনার প্রসঙ্গে জানাল সংস্কৃত মন্ত্রক

    খননকার্যের সময় পাওয়া কাঠামোর বিন্যাসের বিশদ বিবরণ দিয়ে নাথ বলেন, তিনটি প্রধান স্তর দৃশ্যমান, যার মধ্যে মসজিদটি সবচেয়ে ওপরের স্তরে রয়েছে। তিনি বলেন, এটি (মসজিদ) ধ্বংসস্তূপের ওপর নির্মিত হয়েছিল। নাথের দাবি, স্মৃতিস্তম্ভের প্রাচীন লোহার স্তম্ভটি ‘গরুড় স্তম্ভ’ নামে পরিচিত ছিল। স্তম্ভটি পঞ্চম শতাব্দীর বলে মনে হয়। এই স্তম্ভে অনেক শিলালিপি আছে। সেখানে নিশ্চয়ই গরুড়ের মূর্তিও ছিল। তিনি বলেন, কালো পাথরের তৈরি বিষ্ণু ও লক্ষ্মীর মতো হিন্দু দেবতাদের মূর্তিও মেহরাউলিতে পাওয়া গেছে। সেগুলি রাখা হয়েছে জাতীয় যাদুঘরে।

     

  • Vice President Election: মোদিকে পাশে বসিয়ে মনোনয়নপত্র জমা জগদীপ ধনখড়ের

    Vice President Election: মোদিকে পাশে বসিয়ে মনোনয়নপত্র জমা জগদীপ ধনখড়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Modi)পাশে বসিয়ে উপরাষ্ট্রপতি (Vice President) পদে মনোনয়নপত্র (Nomination) জমা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh), কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি (Nitin Gadkari), বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda) এবং অন্যান্য বিজেপি নেতারা।  

    আরও পড়ুন: উৎসবের মেজাজে চলছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, দেখুন ভোট দিলেন কারা

    [tw]


    [/tw]

    জগদীপ ধনখড়ের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পরেই ট্যুইট করেন মোদি। তিনি লেখেন, “বিভিন্ন দলের মন্ত্রী, সাংসদ, নেতারা শ্রী জগদীপ ধনখড়কে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় সঙ্গ দিয়েছেন। আমি নিশ্চিত যে তিনি একজন চমৎকার এবং অনুপ্রেরণাদায়ী উপরাষ্ট্রপতি হবেন।” 

    আরও পড়ুন: জগদীপ ধনখড়কে সমর্থন বিজেডি-এআইএডিএমকের, ইস্তফা দিলেন রাজ্যপাল

    [tw]


    [/tw] 

    গত ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা এনডিএ-র উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের নাম ঘোষণা করে সবাইকে চমকে দেন। বাংলার রাজ্যপাল হিসেবে জগদীপ ধনখড়ের নাম গত তিনবছরে বারবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। ধনখড়ের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্কের তিক্ততা বার বার প্রকাশ্যে এসেছে। অবশেষে সেই জটিলতার অবসান। রবিবার রাতে বাংলার রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন জগদীপ ধনখড়। সাময়িকভাবে বাংলার রাজ্যপালের পদ সামলাবেন মণিপুরের রাজ্যপাল এল গণেশন। ২০১৯ সালে ৩০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ধনখড়। আগামী ৬ অগাস্ট হবে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। বর্তমানে দেশের উপরাষ্ট্রপতির পদ সামলাচ্ছেন ভেঙ্কাইয়া নাইডু।   

  • Kashmir killing: এখনও হয়নি বিয়ের অ্যালবাম! ছবিটাই সঙ্গী ছিল নিহত ব্যাঙ্ককর্মীর স্ত্রীর

    Kashmir killing: এখনও হয়নি বিয়ের অ্যালবাম! ছবিটাই সঙ্গী ছিল নিহত ব্যাঙ্ককর্মীর স্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও আসেনি বিয়ের অ্যালবাম। সবে তৈরি হয়েছে। তারই মধ্যে সন্ত্রাসবাদীদের গুলিতে মৃত্যু হল স্বামী। এখন শুধু স্বামীর ছবিটাই সঙ্গী কাশ্মীরে নিহত ব্যাঙ্ক ম্যানেজার বিজয় কুমারের সদ্যবিধবা স্ত্রীর।

    সবে তিন মাস হল বিয়ে হয়েছিল। তার মধ্যেই সব শেষ। গত ফেব্রুয়ারি মাসে বিয়ে করেন ২৯ বছরের বিজয়। রাজস্থানের হনুমানগড়ের বাসিন্দা বিজয় কুমার মাত্র এক সপ্তাহ আগেই Elaqahi Dehati Bank-এর ম্যানেজার হিসাবে কুলগাম শাখায় যোগ দিয়েছিলেন। তিনি এর আগে কেন্দ্রীয় সরকার, জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন এবং স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সহ-মালিকানাধীন ব্যাঙ্কের কোকারনাগ শাখায় কর্মরত ছিলেন। উপত্যকায় প্রতিদিন অশান্তি বাড়ছে। আতঙ্কের পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য অন্যত্র চাকরির চেষ্টাও করছিলেন। আগামী মাসের ১০-১৫ তারিখ নাগাদ রাজস্থানের বাড়িতে ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু ভাগ্যের লিখন তখনও জানা ছিল না।

    আরও পড়ুন: ফের জঙ্গি-নিশানায় হিন্দু পণ্ডিত, কাশ্মীরে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে হত্যা

    বিজয়ের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত তাঁর পরিবার। বাবা ওম প্রকাশ বেনিওয়াল স্কুলশিক্ষক। তিনি জানান, রাজস্থান বা তার আশেপাশে অন্য জেলায় ব্যাঙ্কে চাকরির খোঁজ করছিল বিজয়। তিনি বলেন, “বিজয় চলে আসতে চাইছিল। আমরাও ফিরে আসতে বলছিলাম। সম্প্রতি এখানকার একটি স্কুলে চাকরি নিশ্চিত হয়েছিল। জুলাইয়ের ১০-১৫ তারিখ ফেরার কথা বলেছিল। তা-আর হল না।” শুক্রবার বিজয়ের দেহ আসে তাঁর গ্রামের বাড়িতে। বিজয়ের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী সচিন পাইলট। 

    সাম্প্রতিককালে, বারবার জঙ্গিদের হাতে নিহত হতে হয়েছে কাশ্মীরে বসবাসকারী হিন্দুদের (Hindus Targeted in Kashmir)। তাই বাইরে থেকে সেখানে গিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়। সরকার ওখানকার পরিবেশ ঠিক করুক দাবি বিজয়ের বাবা বেনিওয়ালের। তিনি বলেন, “সকালে খেতে বসেছিলাম। তখনই খবরটা আসে। টিভি খবরে প্রথম ঘটনার কথা শুনি। বিশ্বাস করতে পারিনি। থানায় গিয়ে এ বিষয়ে নিশ্চিত হই। এই তো বিয়ে হল ছেলেটার। এখনও অ্যালবামই আসেনি।” গলা ধরে আসে সদ্য সন্তানহারা বাবার।

  • Imran khan: “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

    Imran khan: “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (pakistan) অবিলম্বে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা না হলে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। বিস্ফোরক ইমরান খান (Imran khan)।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা তেহরিক-ই ইনসাফ (Pakistan Tehreek-e-Insaf) পার্টির প্রধান বলেন, পাকিস্তান এখন দেউলিয়া হওয়ার পথে। পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা হারালে তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান। যদি চলতি সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া না হয়, তাহলে এদেশ আত্মঘাতী হতে যাচ্ছে। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে তিনি যে এখনই ফিরে আসছেন না, এদিন তাও জানান ‘কাপ্তান’। তিনি বলেন, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ফিরে আসার মানে হবে ষড়যন্ত্র স্বীকার করে নেওয়া।

    আরও পড়ুন : চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের কাজ বিশবাঁও জলে, কেন জানেন?

    ইমরানেরকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় আসে শাহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) সরকার। ইমরানের দাবি, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে দিন কয়েক আগে ইসলামাবাদে বিশাল জমায়েত করেন ইমরান। ওই জমায়েত ঠেকাতে চেষ্টার কসুর করেনি শাহবাজের সরকার। তার পরেও রোখা যায়নি প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীকে। ইসলামাবাদের বুকে জনসভা করেন তিনি।

    ওই দিনই ইমরান জানিয়েছিলেন, তিনি এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি বলেন, আমি নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ভোগ করিনি। ক্ষমতার প্রকৃত কেন্দ্রগুলি পড়ে রয়েছে অন্যত্র। সবাই জানে যে কোথায় আছে। ইমরান আরও বলেন, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আমাদের সরকার দুর্বল ছিল। তাই জোটসঙ্গী খুঁজতে হয়েছিল। তবে এরকম পরিস্থিতি আবার দেখা দিলে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠনে নির্বাচন বেছে নেবেন বলেও জানান পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : অশান্ত পাকিস্তান! ৬ দিনের মধ্যে নির্বাচন ঘোষণা করতে শাহবাজ সরকারকে হুঁশিয়ারি ইমরানের

    তাঁর সরকার ব্ল্যাকমেলের শিকার বলেও অভিযোগ করেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। ইমরান বলেন, আমাদের হাত বাঁধা ছিল। সব জায়গা থেকে আমাদের ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছিল। ক্ষমতা আমাদের সঙ্গে ছিল না। এর পরেই তিনি বলেন, আমরা দেখব তারা আমাদের আইনি ও সাংবিধানিক উপায়ে নির্বাচনের দিকে যেতে দেয় কিনা, অন্যথায় এই দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।

    এদিকে, দেশের বিরুদ্ধে নগ্ন হুমকি দেওয়ায় বৃহস্পতিবার পূর্বসূরি ইমরান খানকে পাবলিক অফিসের জন্য অযোগ্য বলে অভিযুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। পাকিস্তানের বিভাজনের বিষয়ে কথা না বলতে তাঁকে সতর্কও করেন।

     

  • India Russia Trade: পণ্য বিনিময় পদ্ধতিতে এবার রাশিয়া থেকে সার আমদানি ভারতের

    India Russia Trade: পণ্য বিনিময় পদ্ধতিতে এবার রাশিয়া থেকে সার আমদানি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বালানির পর এবার রাশিয়া (Russia) থেকে সার আমদানি করবে ভারত (India)। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Ukraine war) আবহে সারের (fertilizer) দাম বেড়েছে বিশ্বজুড়েই। তার আগেই রাশিয়া থেকে সার আমদানির ব্যাপারে আলোচনা চূড়ান্ত করে ফেলেছে নয়াদিল্লি (new delhi)। কেবল চলতি অর্থবর্ষই নয়, আগামী বেশ কয়েকটি অর্থবর্ষেও যাতে রাশিয়া থেকে সার আমদানি করা যায়, সেই ব্যবস্থাও পাকা করে ফেলেছে মোদি (Modi) সরকার।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা নিয়ে পশ্চিমি দেশগুলিকে জবাব পীযূষ গোয়েলের

    জ্বালানির মতো সারও আমদানি করতে হয় ভারতকে। কারণ ভারতের সিংহভাগ মানুষ কৃষিজীবী। তাই সারের জোগান অব্যাহত রাখা জরুরি। এদিকে কৃষ্ণসাগরের ওপর যুদ্ধের মেঘ কালো ছায়া ফেলেছে ভারতীয় অর্থনীতিতেও। দেশের ২.৭ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের অর্থনীতির ১৫ শতাংশ কৃষি নির্ভর। এই আবহে ভূ-রাজনৈতিক জটিলতা কাটিয়ে রাশিয়া থেকে সার আমদানির বিষয়টি নিশ্চিত করা নিঃসন্দেহে ভারতের একটি বড় সাফল্য।

    জানা গিয়েছে, সার রফতানি করে ভারতের থেকে ডলারের বদলে অন্য কোনও মাধ্যমে মূল্য নেবে রাশিয়া। এ ব্যাপারে রুপি-রুবেল পদ্ধতি নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে দুই দেশ। পাশাপাশি, বার্টার সিস্টেম (barter system) বা পণ্য বিনিময় পদ্ধতির মাধ্য়মেও ভারতকে সার দিতে রাজি পুতিনের দেশ। সেক্ষেত্রে, ভারতের থেকে চা, গাড়ির যন্ত্রাংশের মতো জিনিসপত্রের বদলে সার দেবে রাশিয়া। ভারত থেকে কৃষিপণ্য ও চিকিৎসা সরঞ্জামও আমদানি করবে পুতিনের দেশ।

    অস্ট্রিয়ান পররাষ্ট্র নীতি থিঙ্কট্যাঙ্ক এআইইএসের (AIES) পরিচালক ভেলিনা চাকারোভার মতে, ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সার আমদানিকারী দেশ। তারা রাশিয়া থেকে ১ মিলিয়ন টন ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট এবং পটাশ আমদানি করবে। প্রতি বছর প্রায় ৮ লক্ষ টন নাইট্রোজেন, ফরফরাস এবং পটাশিয়ামও আমদানি করবে।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিয়ে ছয় মাসের চুক্তি ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব তেল সংস্থাগুলির

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে বিশ্বজুড়েই লেগেছে মূল্যবৃদ্ধির আঁচ। প্রত্যাশিতভাবেই দাম বেড়েছে সারেরও। এহেন আবহে ২১ মে মোদি সরকার ঘোষণা করেছিল, কৃষকদের মূল্যবৃদ্ধির হাত থেকে বাঁচাতে সরকার সারে ১.১০ লক্ষ কোটিরও বেশি টাকা ভর্তুকি দেবে। অতিরিক্ত বরাদ্দের জেরে বর্তমান অর্থবর্ষে সরকারে মোট সার ভর্তুকির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে ২.১৫ লক্ষ কোটিতে।

    বিষয়টি ট্যুইট করে জানিয়েছিলেন নির্মলা সীতারামণ। তিনি লিখেছিলেন, বিশ্বব্যাপী সারের দাম বাড়লেও, আমরা আমাদের কৃষকদের এই ধরনের মূল্যবৃদ্ধির হাত থেকে রক্ষা করেছি। বাজেটে ১.০৫ লক্ষ কোটি টাকার সার ভর্তুকি ছাড়াও, আমাদের কৃষকদের আরও উপকার করার জন্য অতিরিক্ত ১.১০ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে।

    সার নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের আলোচনা হয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসে। তার পরের মাসেই জর্ডনের বিনিয়োগ মন্ত্রী খেরি ইয়াসের আবদেল-মনিম আমরের নেতৃত্বে জর্ডনের এক প্রতিনিধি দল আসেন ভারতে। এ দেশে ফসফেটিক ও পটাশ সার এবং কাঁচামাল সরবরাহের জন্য কেন্দ্রীয় রাসায়নিক ও সার মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যর সঙ্গে আলোচনাও করেছেন তাঁরা। সরকারি একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২.৭ মিলিয়ন টন এমওপি বার্ষিক সরবরাহের জন্য জর্ডনের সঙ্গে একটি দীর্ঘমেয়াদী সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। প্রসঙ্গত, বিশ্বব্যাপী মোট সারের প্রায় ১৩ শতাংশ উৎপন্ন হয় রাশিয়ায়। ভারতের একটি প্রধান সার সরবরাহকারী দেশও এটি। 

     

  • Bihar Gold Mine: জামুইয়ে মিলল দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনির হদিশ, খোঁজ দিয়েছে পিঁপড়ের দল?

    Bihar Gold Mine: জামুইয়ে মিলল দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনির হদিশ, খোঁজ দিয়েছে পিঁপড়ের দল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের জামুই (Jamui) জেলার করমটিয়া গ্রাম। অনুর্বর জমি, ধু ধু প্রান্তর। চাষ-আবাদ হয় না বলে বিশেষ লোকজনও থাকে না এই এলাকায়। কিন্তু এই অনুর্বর জমিই হয়ে যেতে পারে কুবেরের ধন। বদলে দিতে পারে গোটা দেশের অর্থনীতি। সম্ভবত, এই মাটির নীচেই লুকিয়ে আছে দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনি (Gold mine)। জামুই জেলার কর্মটিয়া (Karmatia) গ্রামে যে দেশের সবচেয়ে বড় সোনার খনি (India’s largest gold reserve) আছে, সেই জল্পনা বহুদিনের। কিন্তু এবার সরকারও সেই জল্পনাকে আমল দিয়ে জামুইয়ে সোনার খনি খোঁড়ার প্রক্রিয়া শুরু করার অনুমতি দিয়েছে।    

    প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা, জামুইয়ে এই সোনার খনিতে (Jamui gold mines) প্রায় ২৩ কোটি টন সোনার আকরিক আছে। এছাড়া রয়েছে ৩৭.৬ টন উৎকৃষ্ট খনিজ। এই বিপুল পরিমাণ আকরিক সোনা থেকে প্রচুর ধাতব সোনা তৈরি করা যেতে পারে। এছাড়াও এর সঙ্গে বহু ধরনের পণ্যদ্রব্য তৈরি হবে।

    ভারতে ইউনিকর্ন স্টার্টআপের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    এই বিপুল পরিমাণ সোনার হদিশ যদি সত্যিই পাওয়া যায়, আর সেটা যদি বাজারে আসে, তাহলে সোনার দাম রাতারাতি অনেকটা কমে আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। জেলা সদর থেকে প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই কর্মটিয়া গ্রাম৷ এর আগে ১৯৮২ সালেও এই কর্মটিয়া গ্রাম শিরোনামে এসেছিল৷ সেই সময়ও এই অঞ্চলে সোনার খনির খবর সামনে এসেছিল৷ যদিও তখন প্রশাসন তাতে গুরুত্ব দেয়নি।         
     
    ২০১১ সালেও আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার (ASI) তরফে ওই এলাকায় খননের কাজ শুরু হয়৷ কিন্তু খরচ অত্যাধিক হওয়ায় বিষয়টি তখন স্থগিত হয়ে যায়৷ এর প্রায় দশ বছর পরে ২০২১ সালে কেন্দ্রীয় খনন মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী (Prahlad Joshi) নতুন করে ওই এলাকায় খননের তোড়জোড় করেন। সংসদে তিনিই জানান, বিহারেই দেশের সবচেয়ে বড় সোনার খনিটি আছে। লিখিত প্রশ্নের জবাবে খনি মন্ত্রী জানান, বিহারে ২২২.৮৮৫ মিলিয়ন টন ধাতব সোনা আছে। যা কিনা গোটা দেশের ৪৪ শতাংশ সোনার সমান। তবে, কেন্দ্রের তরফে শেষপর্যন্ত আর কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এবার উদ্যোগী হয়েছে বিহার সরকার।  

    আরও পড়ুন: এ কি কাণ্ড আমাজনের! প্লাস্টিকের বালতি, মগ বিক্রি হচ্ছে ২৬ হাজার টাকায়!

    বিহারের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব হরজ্যোত কৌর বামরাহ জানিয়েছেন, “বিহার সরকার এই খনির প্রাথমিক অন্বেষণের প্রক্রিয়ায় ছাড়পত্র দিয়েছে। আমরা কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে একটি মউ স্বাক্ষর করব। প্রাথমিকভাবে আমরা তৃতীয় স্তরের অন্বেষণ করব। যেটা একেবারেই প্রাথমিক অন্বেষণ। সেই প্রক্রিয়া শেষ হবে মাসখানেকের মধ্যেই। তারপর দ্বিতীয় স্তরের অন্বেষণ শুরু হবে।” কৌর আরও জানিয়েছেন, জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI) এবং আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার (ASI) দেওয়া তথ্য মেনেই কর্মটিয়া, ঝাঝা এবং সোনো এলাকায় অন্বেষণ চালানো হবে। 

    জানা গিয়েছে করমাটিয়া, ঝাঝা এবং সোনো এলাকায় খনির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। মাওবাদী অধ্যুষিত এই এলাকায় যে সোনার খনি থাকতে পারে এই ধারণা কারোরই ছিল না। ৪০ বছর লেগেছে এই এলাকায় সোনার খনির সন্ধান পেতে। তাও মূলত ‘পিঁপড়ে’-এর সৌজন্য। অনেকে বলে থাকেন, এই এলাকায় আগে একটা বড় বট গাছ ছিল। পিঁপড়ের দল রোদের দাবদাহ থেকে বাঁচতে ওই গাছে নীচে বাসা তৈরি করতে খুঁড়তে শুরু করে। তখনই স্থানীয়রা মাটির সঙ্গে হলুদ রঙের ছোট ছোট কিছু বস্তু দেখতে পান। তখন থেকেই এই সোনার খনির বিষয়টি নজরে আসে।  

    এই মুহূর্তে দেশের মধ্যে কর্নাটকেই (Karnataka) সবচেয়ে বেশি পরিমাণ সোনা পাওয়া যায়। এর আগে ১৯৯৯ সালে উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রতে (Sonbhadra) সোনার খনির সন্ধান পাওয়া যায়। সেখান থেকে ৩,৫০০ টন সোনা পাওয়া যায়। যদিও অনেকেই বলেন ৩,৫০০ টন সোনা পাওয়ার কথা নিতান্তই গুজব। আদতে ১৬০ কিলোগ্রাম সোনা পাওয়া গিয়েছিল।

     

     

     

     

  • Abhilasha Barak: কী এই আর্মি অ্যাভিয়েশন কোর, যার প্রথম মহিলা কমব্যাট অ্যাভিয়েটর হলেন অভিলাষা?

    Abhilasha Barak: কী এই আর্মি অ্যাভিয়েশন কোর, যার প্রথম মহিলা কমব্যাট অ্যাভিয়েটর হলেন অভিলাষা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম মহিলা কমব্যাট অ্যাভিয়েটর হিসেবে ভারতীয় সেনার অ্যাভিয়েশন কোরে (Army Aviation Corps) যোগ দিয়ে ইতিহাস গড়লেন ক্যাপ্টেন অভিলাষা বরাক (Abhilasha Barak)। দেশের স্থলবাহিনীর যুদ্ধ হেলিকপ্টারের প্রথম মহিলা চালক হলেন হরিয়ানার রোহতকের মেয়ে ২৬ বছর বয়সী অভিলাষা। ভারতীয় সেনা জন্যে অন্যতম গর্বের দিন। ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে ট্যুইট করে জানানো হয়েছে, “ক্যাপ্টেন অভিলাষা বরাক সফলভাবে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করার পর প্রথম মহিলা কমব্যাট অ্যাভিয়েটর হিসাবে আর্মি অ্যাভিয়েশন কোরে যোগদান করেছেন।”   
     
    [tw]


    [/tw]

    কী এই আর্মি অ্যাভিয়েশন কোর, যেখানে যোগদান করলেন অভিলাষা? 

    ভারতীয় সেনাবাহিনীর সব থেকে নতুন শাখা এই আর্মি অ্যাভিয়েশন কোর। তবে ১৯৪২ সালে ব্রিটিশ শাসনের অধীনে পরাধীন ভারতে রয়্যাল বায়ুসেনাতেও ছিল বিশেষ এই দল। ১৯৪৭ সালের অগাস্ট মাসে প্রথম ‘এয়ার অবজার্ভেশন পোস্ট’ তৈরি করা হয়। ১৯৬৫ এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধে এই এয়ার অবজারভেশন পোস্টের হেলিকপ্টারগুলি শত্রুপক্ষের গতিবিধি নির্ণয় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও দক্ষ হয়ে ওঠে ভারতীয় সেনার এই শাখা।

    ২০১৯ সালে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ আর্মি অ্যাভিয়েশন কোরকে ‘প্রেসিডেন্ট কালার’ প্রদান করেন। এটি সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ অনুষ্ঠান। সেনাবাহিনীর কোনও স্কোয়াডকে তাদের ভালো কাজের পুরস্কারস্বরূপ সম্মানিত করা হয়।   

    আরও পড়ুন: অনন্য নজির! ভারতীয় সেনার প্রথম মহিলা কমব্যাট অ্যাভিয়েটর অভিলাশা বারাক

    তৈরি হওয়ার পরেই সেনাবাহিনীর এই বিশেষ দল তামিল বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কায় ‘অপারেশন পবন’- এ যোগদান করে এবং সফল হয়। কার্গিল যুদ্ধের সময়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এই স্কোয়াড। সিয়াচেনে ২০ হাজার ফিট উচ্চতা থেকে নজরদারির দায়িত্বে আছে এই বিশেষ টিম। সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী বিভিন্ন অপারেশনেও অংশ নিয়েছে এই রেজিমেন্ট। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্যান্য উদ্ধারকাজেও বিভিন্ন সময় অংশ নেয় এই দল। 

    [tw]


    [/tw]

    এর আগে এই স্কোয়াডে মহিলাদের শুধুমাত্র ‘গ্রাউন্ড ডিউটি’ দেওয়া হত। গতবছরই সেনাবাহিনী জানায়, দুজন মহিলা অফিসারকে হেলিকপ্টার চালানোর প্রশক্ষণ দেওয়া হবে। অভিলাষাই প্রথম যিনি ‘চিতা’ হেলিকপ্টার নিয়ে আকাশে উড়বেন। জুলাই থেকেই দুই মহিলা অফিসার হেলিকপ্টার ওড়ানো শুরু করবেন। 

     

     

     

     

  • Defence ministry: গত আর্থিক বর্ষে ১৩ হাজার কোটি টাকা রেকর্ড রফতানি ভারতের

    Defence ministry: গত আর্থিক বর্ষে ১৩ হাজার কোটি টাকা রেকর্ড রফতানি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) স্বপ্নের আত্মনির্ভর ভারতের দিকে আরও এক ধাপ এগোল দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রক (Defence Ministry )। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফাতানিতে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করল ভারত (India)। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, গত আর্থিক বর্ষে ১৩ হাজার কোটি টাকা রফতানি করেছে ভারত। প্রধানমন্ত্রীর আত্মনির্ভর ভারতের দিকে লক্ষ্য রেখে কেন্দ্রের তরফে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। গত ২০২১-২২ আর্থিক বর্ষে ১৩ হাজার কোটি টাকা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি করা হয়েছে বলে মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। মোট রফতানি অর্থের বেসরকারি খাত থেকে এসেছে ৭০ শতাংশ এবং ৩০ শতাংশ এসেছে সরকারি খাত থেকে।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, আগের আর্থিক বছরগুলির তুলনায় ২০২১-২২ অর্থবর্ষে রফতানি বহু গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা রেকর্ড। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, পশ্চিম এশিয়া এবং আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি করা হয়। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানির বৃদ্ধির কথা জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব সঞ্জয় জাজু (Sanjay Jaju)।

    আরও পড়ুন: পূর্ব লাদাখে নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে চিনের যুদ্ধবিমান

    প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে আরও খবর, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে রফতানি পরিমাণ বেড়েছে তার আগের বছরগুলির তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ। ২০২০-২১ আর্থিক বর্ষে রফতানির পরিমাণ ভারতীয় টাকায় ছিল প্রায় ৮ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা। ২০১৯-২০ সালে ৯ হাজার ১১৫ কোটি এবং ২০১৫-১৬ সালে এই পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৫৯ কোটি। করোনা অতিমারির জন্যই ২০২০-২১ অর্থ বর্ষে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি কিছুটা কম হয়েছিল বলে মন্ত্রক জানিয়েছে।

    আরও পড়ুন: মোদি-আবে রসায়নই কি চিন্তা বাড়িয়েছিল চিনের? ইন্দো-জাপান মধুর সম্পর্কের স্থপতি শিনজো

    প্রসঙ্গত, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর,  যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করতে কলকাতায় আসছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। ১৫ জুলাই গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্সে একটি যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করবেন তিনি। গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্স যে তিনটি ফ্রিগেজ জাহাজ নির্মাণের বরাত পেয়েছে তার মধ্যে দ্বিতীয় জাহাজ এটি। 

  • Covid-19 Maharashtra: জরুরী বৈঠকের ডাক উদ্ধব ঠাকরের, ফের লকডাউনের পথে মুম্বাই?

    Covid-19 Maharashtra: জরুরী বৈঠকের ডাক উদ্ধব ঠাকরের, ফের লকডাউনের পথে মুম্বাই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ফের মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে করোনা (Covid-19)। মুম্বাইয়ে (Mumbai) একদিনে আক্রান্ত ৭৩৯ জন। ৪ ফেব্রুয়ারির পর থেকে এই প্রথম এত বেশি সংক্রমণ নথিভুক্ত হল। কোভিডের এই বাড়বাড়ন্তে ফের লকডাউনের পথে হাঁটতে পারে মহারাষ্ট্র সরকার। আশঙ্কায় ঘুম উড়েছে মুম্বাইবাসীর। এমতাবস্থায় জরুরী ভিত্তিতে কোভিড টাস্ক ফোর্সের বৈঠকের ডাক দিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। যাতে লকডাউনের সম্ভাবনা আরও জোরালো হল। 

    মঙ্গলবার মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৫০৬ জন। বুধবারে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৩৯ জন। একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ২৩৩। এই নিয়ে পরপর দু’দিন মুম্বাইয়ের কোভিড সংক্রমণ ছিল ৫০০-র উপরে। বিষয়টিতে রীতিমতো উদ্বিগ্ন প্রশাসন। 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মাস্ক পরায় অনীহা এবং কোভিড বিধিনিষেধ মেনে না চলা এই সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের একটা বড় কারণ হতে পারে। এই মুহূর্তে স্বপ্ননগরীতে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩০০০। বহুদিন পরে প্রায় ১০০ জন কোভিডের কারণে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। টানা চার মাস এই দৃশ্য দেখেনি শহর।

    আরও পড়ুন: একবারও ছুঁতে পারেনি করোনা? অতিপ্রাকৃতিক ক্ষমতা নাকি নিপাট বিজ্ঞান?

    আরও চিন্তার খবর, বুধবারই ধারাভি বস্তিতে ১০ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে এসেছে। এই মুহূর্তে সেই বস্তিতে ৩৭ টি অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে। এই অবধি মুম্বাইয়ে মোট ১০,৬৬,৫৪১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ১৯,৫৬৬ জনের। গত ২৪ ঘণ্টার কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। 

    মুম্বাইয়ে এই মুহূর্তে করোনায় সুস্থতার হার ৯৮%। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯৫ জন। এযাবৎ ১০,৪৪,০০৫ জন করোনা থেকে সেরে উঠেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৮,৭৯২ জনের টেস্ট করানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ১৮.১৫ কোটি অব্যবহৃত টিকা রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলির জন্যে উপলব্ধ করল স্বাস্থ্য মন্ত্রক   

    আকস্মিক কোভিডের এই বাড়বাড়ন্তে স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বিগ্ন বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (BMC) কর্তারা। কোভিডের মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় টিকাকরণের নির্দেশ জারি করেছে বিএমসি। বুধবার সংবাদমাধ্যমে বিমএসি জানিয়েছে, শহরে কোভিডের দৈনিক সংক্রমণ হার বেড়েছে ৬ শতাংশ। মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্য দফতরের হিসাব অনুযায়ী,  চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি কোভিডে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫৩৬। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় তা ৭০০-র ঘর ছাড়িয়েছে।

    সংক্রমণ রুখতে কোভিড টেস্টের সংখ্যা বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে বিএমসি এবং রাজ্য প্রশাসন। পাশাপাশি, মুম্বইয়ের হাসপাতালগুলিকে জরুরি ভিত্তিতে প্রস্তুত থাকারও নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তাঁদের আশঙ্কা, ‘‘বর্ষা প্রায় আসন্ন। এর মধ্যেই আক্রান্তের সংখ্যা অত্যন্ত বেড়ে গিয়েছে। উপসর্গ আছে এমন রোগীদের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বাড়তে পারে।’’    

    কোভিডের সংখ্যায় রাশ টানতে ১২-১৮ বছর বয়সীদের টিকা দেওয়ার কর্মসূচিতে গতি আনতে চায় মহারাষ্ট্র। পাশাপাশি, বয়স্কদের বুস্টার ডোজ দেওয়ার জন্য তৎপর হয়েছে সরকার।       

    হাসপাতালগুলিকে ইতিমধ্যেই সমস্ত ব্যবস্থা নিয়ে সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সগুলিকেও সক্রিয় থাকার নির্দেশ দিয়েছে সে রাজ্যের সরকার। 

    গত সপ্তাহেই মুম্বাইয়ের গার্ডিয়ান মিনিস্টার আসলাম শেখ বলেছিলেন, কোভিডের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করলে আবার লকডাউনের পথে হাঁটতে পারে মহারাষ্ট্র সরকার। আসলাম বলেন, “যেভাবে ব্যপকহারে কোভিডের সংক্রমণ বাড়ছে আবার জনগণের ওপর নিষেধাজ্ঞা চাপাতে হতে পারে। প্লেনে যাতায়াতে এখনও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বাড়বাড়ন্ত হলে আরও নিষেধাজ্ঞা চাপাতে হতে পারে।” 

     

LinkedIn
Share