Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Kashmir Killings: আতঙ্কে ঘর ছাড়ছেন পণ্ডিতরা, জরুরি বৈঠক ডাকলেন অমিত শাহ

    Kashmir Killings: আতঙ্কে ঘর ছাড়ছেন পণ্ডিতরা, জরুরি বৈঠক ডাকলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu-Kashmir) জেহাদিদের নিশানায় হিন্দুরা। বিশেষ করে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmiri Pandit) উপর ক্রমাগত হামলা চালাচ্ছে জঙ্গিরা। অমরনাথ যাত্রার (Amarnath Yatra) আগে কাশ্মীরের উত্তপ্ত পরিস্থিতি খতিয় দেখতে শুক্রবার জরুরি বৈঠক ডাকলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (Ajit Doval), জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা  (L-G Manoj Sinha) ও পুলিশপ্রধান। থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলির শীর্ষ আধিকারিকরাও।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক আধিকারিক জানান, কাশ্মীরে কোনও অশান্তি কেন্দ্র মেনে নেবে না। উপত্যকায় বারবার সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে জঙ্গি হামলা হচ্ছে। এটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ বাড়ছে। তাঁদের নিরাপত্তা দিতে বদ্ধ পরিকর মোদি (Modi) সরকার। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নিশানা করে সংখ্যালঘুদের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে জঙ্গিরা। এই পরিস্থিতি দূর করতে আলোচনায় বসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: আবারও নিশানায় হিন্দু পণ্ডিত, কুলগামে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে গুলি

    সম্প্রতি কাশ্মীরে (Kashmir) টার্গেট কিলিং শুরু করেছে জঙ্গিরা। এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় সরকার। চলতি মাসের শেষ থেকে শুরু হবে অমরনাথ যাত্রা। তার আগে ফের কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmiri Pandit) হত্যা করা হচ্ছে ভূস্বর্গে। গত মঙ্গলবার একটি স্কুলে ঢুকে এক হিন্দু শিক্ষিকাকে গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা। মাসখানেক আগে সরকারি অফিসে ঢুকে এক কাশ্মীরি পণ্ডিতকে খুন করেছিল জঙ্গিরা। সেই ঘটনার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে কাশ্মীর (Kashmir)। পর্যবেক্ষকদের অনুমান, এবার কাশ্মীরি পণ্ডিতদের শিক্ষাব্যবস্থায় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে জঙ্গিরা। কাশ্মীরি পণ্ডিত শিশুরা যেন পড়াশোনা করতে না পারে, সেই কারণেই স্কুলে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসবাদীরা। গত মাসে ঠিক  সোপিয়ানে এক দোকানদারের উপর হামলা চালিয়েছিল দু’জন বাইক আরোহী। ওই দোকানদারও ছিলেন কাশ্মীরি পণ্ডিত।

    এই ঘটনার পর উপত্যকা জুড়ে নিরাপত্তা এবং বিচারের দাবিতে পথে নামেন হিন্দু পণ্ডিতরা। শ্রীনগরের কাশ্মীরি পণ্ডিতরা পথ অবরোধ করে শিক্ষিকা হত্যার প্রতিবাদ করেন। বিক্ষোভকারীরা দাবি করেছেন, অবিলম্বে তাঁদের কাশ্মীর থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হোক। আরও জানা গিয়েছে, একদিনের মধ্যেই কাশ্মীর ছেড়ে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাঁরা। উপায় না থাকায় পায়ে হেঁটেই কাশ্মীর থেকে জম্মুর দিকে রওনা দিয়েছেন অনেকে। প্রায় চার হাজার কাশ্মীরি পণ্ডিত উপত্যকার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছেন। তাঁদের দ্রুত জম্মুতে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি তুলেছেন অনেকে।

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে ফের জঙ্গি নিশানায় হিন্দু! কুলগামে নিহত স্কুল শিক্ষিকা

    জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা শিক্ষিকা হত্যার ঘটনার নিন্দা করে বলেন,”হামলাকারীদের এমন একটি শিক্ষা দেওয়া হবে যা তারা কখনই ভুলবে না।”সম্প্রতি জঙ্গি হামলায় নিহত টিভি অভিনেতা আমরীন ভাট (Amreen Bhatt) এবং পুলিশ কনস্টেবল সাইফুল্লাহ কাদরির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন মনোজ। তাঁদের সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি। 

  • Qutub Minar: কুতুব মিনার বানিয়েছিলেন রাজা বিক্রমাদিত্য! দাবি প্রাক্তন প্রত্নতাত্ত্বিক আধিকারিকের

    Qutub Minar: কুতুব মিনার বানিয়েছিলেন রাজা বিক্রমাদিত্য! দাবি প্রাক্তন প্রত্নতাত্ত্বিক আধিকারিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন স্মৃতি সৌধগুলি নিয়ে বিতর্ক দিন দিন বাড়ছে। অনেকেরই দাবি ভারতের ইতিহাসে সব সত্যি কথা বলা নেই। তাজমহল (Taj Mahal) বিতর্ক তো ছিলই এবার কুতুব মিনারকে (Qutub Minar) নিয়েও নতুন বিতর্কের সূত্রপাত হল। কুতুবুদ্দিন আইবক নন, সূর্যের দিক নির্ণয়ের জন্য রাজা বিক্রমাদিত্য বানিয়েছিলেন কুতুব মিনার। কোনও হিন্দুত্ববাদী সংগঠন নয়, এমন দাবি করলেন খোদ ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের (ASI) প্রাক্তন আধিকারিক ধর্মবীর শর্মা। তাঁর কথায়, “এটি আদেও কুতুবমিনার নয়, বরং সূর্যের স্তম্ভ। পঞ্চম শতাব্দীতে রাজা বিক্রমাদিত্য এটি নির্মাণ করেছিলেন। কুতুবুদ্দিন আইবক করেননি। আমার কাছে এই সংক্রান্ত অনেক প্রমাণ আছে।’ প্রসঙ্গত, এই প্রাক্তন আধিকারিক বেশ কয়েকবার কুতুব মিনার নিয়ে কাজও করেছেন। ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের দিল্লি শাখার আঞ্চলিক প্রধান ছিলেন ধর্মবীর শর্মা। ফলে তাঁর যুক্তিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হবে তা বলাই বাহুল্য।    

    আরও পড়ুনঃ জ্ঞানবাপী মসজিদের কুয়োয় মিলল ‘শিবলিঙ্গ’! এলাকা ‘সিল’ করল আদালত
     
    এবিষয়ে ধর্মবীর শর্মা বলেন, “কুতুব মিনারের মাথাটি ২৫ ইঞ্চি হেলে রয়েছে। কারণ এটি সূর্যকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। তাই, ২১ জুন অয়নকালের সময় সূর্যের অবস্থানে বিশেষ পরিবর্তন হয়। আধ ঘণ্টা সেখানে ছায়া পড়ে না। পুরো বিষয়টিই বিজ্ঞান ও প্রত্নতাত্ত্বের ওপর নির্ভরশীল।” 

    প্রাক্তন সরকারি আধিকারিক আরও বলেন “তাই এখন যাকে কুতুব মিনার বলা হয় সেটি একটি স্বাধীন পরিকাঠামো। এর সঙ্গে মসজিদের কোনও সম্পর্ক নেই। রাতে ধ্রুবতারা যাতে দেখা যায় সেজন্যে কুতুব মিনারের দরজাও উত্তরমুখী।”

    সম্প্রতি হিন্দু সংগঠন মহাকাল মানব সেবার বেশ কয়েকজন সদস্য কুতুব মিনারের বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন৷ তাঁদের দাবি কুতুব মিনারের  নাম পরিবর্তন করে ‘বিষ্ণু স্তম্ভ’ রাখতে হবে। তাঁদের যুক্তি, এটি হিন্দু রাজাদের হাতেই নির্মিত! ধর্মবীর শর্মার দাবিতে সেই যুক্তি আরও জোড়ালো হল।   

    এই বিতর্কের মাঝেই এক নয়া তথ্য সামনে এসেছে। পুরোনো হিন্দু মূর্তি পাওয়া গিয়েছে কুতুব মিনার চত্বরে। ধর্মবীর শর্মা মূর্তিটিকে সনাক্ত করেন এবং জানান মূর্তিটি নরসিংহ দেবের। কুয়াত-উল-ইসলাম মসজিতে পাওয়া গিয়েছে মূর্তিটি। এই মসজিতটি কুতুব মিনার চত্বরে অবস্থিত। তথ্যটি সামনে আসতেই প্রাক্তন প্রত্নতাত্ত্বিকের দাবিটি আরও জোড়ালো হয়।    

    দাবি করা হচ্ছে মূর্তিটি ১২০০ বছরের পুরোনো এবং প্রতিহারার রাজা অনঙ্গপালের সময়ের।  ধর্মবীর শর্মা জানান, মূর্তিটি অষ্টম বা নবম শতাব্দীতে তৈরি। ওই সময়কালেই রাজত্ব করতেন অনঙ্গপাল। মূর্তিটির ছবি এই মুহূর্তে দায়িত্বে থাকা প্রত্নতাত্ত্বিকদের পাঠানো হয়েছে। 

    আরও পড়ুনঃ তাজমহলের বন্ধ ঘরে আছে বহু হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি? আদালতে তালা খোলার আবেদন

    সম্প্রতি বেনারসের জ্ঞানবাপী মসজিতে শিবলিঙ্গ পাওয়ার দাবি করেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। তা নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। তাহমহলের বিষয়েও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। নাম পরিবর্তনের দাবিও উঠেছে। এরই মাঝে বিতর্কে জড়িয়ে গেল কুতুব মিনারের নাম।  

  • Hindu School Teacher Killed: কাশ্মীরে ফের জঙ্গি নিশানায় হিন্দু! কুলগামে নিহত স্কুল শিক্ষিকা

    Hindu School Teacher Killed: কাশ্মীরে ফের জঙ্গি নিশানায় হিন্দু! কুলগামে নিহত স্কুল শিক্ষিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সাধারণের রক্তে রক্তাক্ত ভূস্বর্গ। আবারও কাশ্মীরে জঙ্গি নিশানায় হিন্দু।

    মঙ্গলবার দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাম (Kulgam) জেলার গোপালপোড়া (Gopalpora) এলাকায় জঙ্গিদের (Terrorists) গুলিতে আহত হন এক কাশ্মীরি স্কুল শিক্ষিকা (Kashmiri School Teacher)। আজ সকাল ১০ টা নাগাদ শিক্ষিকার মাথায় গুলি করে জঙ্গিরা। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরে তাঁর মৃত্যু হয়। গোপালপোড়ার স্কুলটিতে হামলার জায়গায় দ্রুত সুরক্ষা বাহিনী গিয়ে এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    কিছুদিন আগেই বদগামে জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হন কাশ্মীরের স্থানীয় অভিনেত্রী আমরীন ভাট। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের জঙ্গি হামলার খবর পাওয়া গেল উপত্যকায়। এবারও, এক হিন্দুকে নিশানা করেছে জঙ্গিরা। হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্য়বস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

    আরও পড়ুন: জ্যাক, জন, আলফা, এই সাক্ষীদের গোপন বয়ানেই দোষী সাব্যস্ত ইয়াসিন মালিক, কারা এই সাক্ষী?

    মৃত শিক্ষিকার নাম রজনী বালা (Rajni Bala)। ৩৬ বছরের রজনী জম্মুর সাম্বার বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, মৃত শিক্ষিকা ছিলেন কাশ্মীরের সংখ্যালঘু হিন্দু পণ্ডিত (Kashmiri Pandit) গোষ্ঠীর একজন। এই নিয়ে, চলতি মাসে জঙ্গি হামলায় সাত জনের মৃত্য়ু হল কাশ্মীরে। এদের মধ্যে চারজন ছিলেন পুলিশকর্মী। বাকিরা সাধারণ নাগরিক। 

    আরও পড়ুন: ২৪-ঘণ্টার মধ্যেই কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম টিভি অভিনেত্রীর হত্যাকারী দুই লস্কর জঙ্গি

    ঘটনাতে উত্তেজনা ছড়িয়েছে কাশ্মীর উপত্যকায়। প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। রাস্তা অবরোধ করেন তাঁরা। ১২ মে কাশ্মীরি পণ্ডিত রাহুল ভাট অফিসে কর্মরত অবস্থায় জঙ্গিদের হাতে খুন হন। একের পর এক এমন ঘটনায় উপত্যকার সংখ্যালঘু হিন্দুরা ফুঁসে উঠেছেন। তাঁদের বক্তব্য ফের সংখ্যালঘু হিন্দুদের ‘টার্গেট’ করা হচ্ছে।   

    সন্ত্রাসবাদীদের হাতে নিহত রাহুল ভাটের বাবা এদিনের ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেছেন, “কোনও একটা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে টার্গেট করে খুন করা হচ্ছে।” নিহত স্কুল শিক্ষিকার এক আত্মীয় বলেন, “আমরা বিচার চাই। সরকার কড়া পদক্ষেপ নিক। বাইরে থেকে আসা কর্মচারীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করুক সরকার।”

    জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা ঘটনাটির তীব্র নিন্দা করেছেন। একটি ট্যুইটে তিনি লেখেন, “কাশ্মীরে স্কুল শিক্ষিকার ওপর জঙ্গি হামলা ন্যক্কারজনক ঘটনা। তাঁর পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যা তারা কখনও ভুলবে না।” 

     

     

  • Madhyamik Passed Mother: স্বপ্ন পূরণ, দুই মেয়ের সঙ্গে মাধ্যমিক পাশ করলেন মা 

    Madhyamik Passed Mother: স্বপ্ন পূরণ, দুই মেয়ের সঙ্গে মাধ্যমিক পাশ করলেন মা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স যে শুধুই সংখ্যা তার প্রমাণ রেখে গিয়েছে অনেকেই। সেই খাতায় নাম লেখালেন ত্রিপুরার (Tripura) এক বাসিন্দা। স্বপ্ন পূরণের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যদি জুড়ে যায় অদম্য জেদ তাহলে কোনও বাধাই যেন দমিয়ে রাখতে পারে না। আজ সেটাই করে দেখালেন পঞ্চাশোর্ধ শিলা রানি দাস (Shila Rani Das)। শৈশবের অধরা স্বপ্নকে পূরণ করলেন তিনি। জীবন পাঠশালার পাট চুকিয়ে দিলেও তাতে রাজি ছিলেন না শিলা দেবী। তাই নিজের দুই মেয়েকে পাশে নিয়ে করলেন মাধ্যমিক পাশ (secondary examination)। সঙ্গে দুই মেয়ে পেরোলেন উচ্চ মাধ্যমিকের (Higher Secondary) গণ্ডি।

    আরও পড়ুন: উপনির্বাচনে যোগীরাজ্যে গেরুয়া ঝড়, ত্রিপুরায় কুপোকাত তৃণমূল

    মাধ্যমিক পাশ করে উচ্ছ্বসিত শিলা রানি দাস জানান, “কিশোরী অবস্থায় একাধিকবার পরীক্ষায় বসার চেষ্টা করেছি। শেষবার স্বামীর মৃত্যু সবকিছু ওলটপালট করে দেয়। জেদ ছাড়িনি। তাই, আজ মাধ্যমিক পাশ করার স্বপ্ন পূরণ সম্ভব হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: পিতা-কন্যার যুগলবন্দী! ভারতীয় বায়ুসেনায় একসঙ্গে যুদ্ধবিমান চালিয়ে গড়ে তুললেন ইতিহাস      
     
    বুধবার ত্রিপুরার মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। বড়দোয়ালি মিলন সংঘ এলাকার বাসিন্দা শিলা রানি দাস(৫৩) এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করেছেন। আপাতত তিনি পুরনিগমে কর্মরত। শিলা দেবী জানান, “১৯৯৪ সালে পরীক্ষায় বসার আবেদনপত্র জমা দিয়েও, পরীক্ষা দেওয়া হয়নি। এরপর আরও দুবার চেষ্টা করেছি। স্বামী যেবার মারা গেলেন সেবারও পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। সবটা ওলটপালট হয়ে গেল। স্বামীর মৃত্যুর পর আর পরীক্ষা দেওয়া হয়নি।” তাঁর কথায়, “মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার স্বপ্ন মনের মধ্যেই পুষে রেখেছিলাম। আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

    নজরুল বিদ্যা মন্দির থেকে পরীক্ষা দিয়েছিলেন শিলা রানি দাস। তাঁর দুই মেয়ে বাণী বিদ্যাপীঠ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিলেন। মা ও দুই মেয়ের সফলতায় খুশি পরিবারের সক্কলে।


     
    ছোট মেয়ে বলেন, “মা আজ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করেছেন। ঠাকুরের অশেষ কৃপায় তা সম্ভব হয়েছে।” বড় মেয়ের কথায়, “শ্বশুর বাড়িতে থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছি। তাই মাকে বিশেষ সাহায্য করে উঠতে পারিনি। কিন্ত আজ ফলাফলে ভীষণ খুশি হয়েছি।” শিলা রাণী দাস বলেন, “মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার জন্য দুই মেয়ে সাহস যুগিয়েছে। তাই আজ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পেরেছি।” আগামীদিনে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার ইচ্ছেও রয়েছে বলে জানিছেন শিলা দেবী।

      

  • Covid Vaccine: করোনার সেকেন্ড এবং বুস্টার ডোজের মধ্যে সময় কমালো কেন্দ্র

    Covid Vaccine: করোনার সেকেন্ড এবং বুস্টার ডোজের মধ্যে সময় কমালো কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাস (Covid Vaccine) টিকার দ্বিতীয় (Second Dose) এবং বুস্টার ডোজের (Booster Dose) মধ্যে ব্যবধান কমাল কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার বিষয়টি নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ। দেশের সব রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলকে এই নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। নির্দেশ অনুযায়ী, দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ৬ মাস বা ২৬ সপ্তাহ পরেই নেওয়া যাবে বুস্টার ডোজ। এত দিন সেই সময়সীমা ছিল ৯ মাস বা ৩৯ সপ্তাহ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে , ‘ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইসরি গ্রুপ অন ইমিউনাইজেশন’ (NTAGI)- এর প্রস্তাব অনুযায়ী কোভিড টিকার দ্বিতীয় ডোজ ও বুস্টার ডোজের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান কমানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: শিশুদের মধ্যে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, স্কুল খোলা রাখার পক্ষেই সওয়াল চিকিৎসকদের
     
    দেশে কোভিড পরিস্থিতির ফের অবনতি হচ্ছে। মহামারীর মোকাবিলায় রাজ্যগুলিকে টিকাকরণে জোর দিতে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের চিঠিতে। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সকলেই নিতে পারবেন কোভিডের বুস্টার ডোজ। ১৮ বছর থেকে ৫৯ বছর বয়সীরা দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ৬ মাস পরেই বেসরকারি কোভিড টিকা কেন্দ্র থেকে বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন। ৬০ বছরের বেশি বয়সীরা সরকারি টিকা কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে পাবেন বুস্টার ডোজ। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মী এবং প্রথম সারির কর্মীরা সরকারি টিকা কেন্দ্র থেকে বুস্টার ডোজ পাবেন বলে জানিয়েছে কেন্দ্রে। কোউইন পোর্টালের মাধ্যমেই টিকা নেওয়ার নতুন সময় দেখতে পাওয়া যাবে।

    আরও পড়ুন: করোনায় আক্রান্ত হওয়া মানেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়া নয়, জানাল হু

    দেশে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ভয় ধরাচ্ছে করোনার দৈনিক সংক্রমণ। সংক্রমণ পরিস্থিতি যাতে নাগালের বাইরে না যেতে পারে, সে জন্য টিকাকরণে জোর দিতে চাইছে সরকার। আরও দ্রুত বেশি মানুষকে বুস্টার ডোজ দিয়ে সুরক্ষিত করতে চাইছে কেন্দ্র। সে জন্যই দুই ডোজের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান কমানো হল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসকদের মতে, দ্বিতীয় ডোজের পর বুস্টার ডোজ নেওয়া থাকলে বাড়বে প্রতিরোধ ক্ষমতা। এর জেরে করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করা সহজতর হবে। তাই বুস্টার ডোজ নেওয়ার বিষয়ে প্রচার চালানোর জন্য রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare)।       

     

  • Consumer Protection Authority: কড়া পদক্ষেপে ক্রেতা সুরক্ষা, কমবে অ্যাপ ক্যাব যন্ত্রণা?

    Consumer Protection Authority: কড়া পদক্ষেপে ক্রেতা সুরক্ষা, কমবে অ্যাপ ক্যাব যন্ত্রণা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাপ ক্যাব বুক করেছেন। দেখাচ্ছে দশ মিনিটের অপেক্ষা কিন্তু সময় গড়াচ্ছে ঘড়িতে। বিশ-পঁচিশ মিনিট কেটে গেলেও গাড়ির টিকি নেই। এমন অভিজ্ঞতা আমাদের অনেকেরই আছে। কিন্তু সবচেয়ে বেশি বার যে ঘটনা ঘটেছে তা হল, অ্যাপ ক্যাব ড্রাইভার ফোন করে জানতে চাইলেন কোথায় যাবেন? গন্তব্য শোনার পর ফোনটা স্রেফ কেটে দিলেন। সঙ্গে কেটে দিলেন বুকিং লিঙ্কটাও। সেই পুরানো ট্যাক্সি রিফিউজালের মত। আপনি স্তম্ভিত। কিন্তু পালাবার পথ নেই। কারণ ততক্ষণে আপনি অ্যাপ ক্যাব জালে বন্দি। কারণ অ্যাপ তখন ফের গাড়ি খুঁজছে। আপনার ডেস্টিনেশনে। আবার সেই  দীর্ঘতর অপেক্ষা এবং রিফিউজাল (Refusal) অথবা দেরি করে গাড়ি আসা। অ্যাপের ঘড়ি তখন আপনার ঘড়ির থেকে বহু ধীরে ঘুরছে।  

    অপেক্ষা আর প্রত্যাখ্যান তো আছেই। এমন আরও অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে নিত্য অ্যাপ ক্যাব ব্যবহারকারীদের। যেমন, যখন তখন বাড়তি ভাড়া বা সার্জ-প্রাইসিং (surge pricing)। যাত্রী হতবাক। পিক আওয়ার নয় তবু অ্যাপ ক্যাবের চার্জ পিকে কেন? প্রশ্ন করলে উত্তর নেই! কিন্তু গন্তব্যে যাওয়ার বাধ্যতা আছে। এরই মধ্যে আবদার আছে, “একটু বাড়তি (Extra Fare) দিয়ে দেবেন। বোঝেনই তো তেলের দাম…” এমন হাবভাব যেন আপনি নিজেই তেলের দাম বাড়িয়েছেন! সে কারণেই বুঝি খয়রাতির দায়ও আপনার!

    অনেকের আবদার ‘তেল কম এসি চলবে না’। আপনিও মেনে নেন। আগে তো সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাই। ঠান্ডা হাওয়া পরে খেলেও চলবে। এসির তাড়নায় তেল আরও কমে গেলে মাঝরাস্তায় বিপদ!  এমন আবদারও শুনেছেন নিশ্চিত, ড্রাইভার যাত্রীকে বলছে, আপনি বুকিং ক্যানসেল (ride cancel) করে দিন। আমি করব না। আপনি ক্যানসেলও করলেন না আবার গাড়িও এল না। অন্য গাড়ি বুকিং-ও হল না।

    এমন হাজারো অভিযোগ আসছিলই। এবার নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় কনজিউমার প্রোটেকশন অ্যাক্ট অথরিটি জাতীয় ক্রেতা সুরক্ষা দফতর (CCPA)। ওলা (Ola), উবার (Uber) সহ সব অ্যাপ ক্যাবের প্রত্যাখান (refusal) বাড়তি ভাড়া নেওয়া (surge pricing) ঘোষিত পরিষেবা না দেওয়া নিয়ে এবার কড়া পদক্ষেপ করতে চলছে কেন্দ্রীয় কনজিউমার প্রোটেকশন অ্যাক্ট অথরিটি (The Central Consumer Protection Authority) বা সিসিপিএ (CCPA)।

    মঙ্গলবার চিফ কমিশনার নিধি খারে বিভিন্ন অ্যাপ ক্যাব কর্তৃপক্ষকে ডেকে পাঠান। পরিষেবা নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগের ব্যাখ্যা চায়। জানা গেছে প্রায় অভিযোগের ৭১% বুকিং প্রত্যাখান নিয়ে। আর ৪৫% শতাংশের অভিযোগ প্রায় দেড় থেকে দুগুণ বাড়তি ভাড়া নিচ্ছেন ড্রাইভাররা। ৩৮%-এর অভিযোগ যাত্রীকে ক্যানসেল করতে বাধ্য করা হচ্ছে। জানা গেছে, অ্যাপ-ক্যাব কর্তৃপক্ষকে সার্জ প্রাইসিং ও রাইড বাতিল করা নিয়ে নতুন নির্দেশিকাও দিচ্ছে জাতীয় উপভোক্তা নিগম, যা মেনে চলতে হবে সব পক্ষকেই। অন্যথায় কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে উবার-ওলাকে।  

    সিসিপিএ (CCPA) ওলা-উবার পরিচালকদের কাছে ৩০ দিন সময় দিয়েছে। তারমধ্যেই রাইড বাতিল, বাড়তি ভাড়া সংক্রান্ত বিষয়ে সতর্ক হতে বলেছে। নিজেদের ডেটাবেস থেকে কত রাইড বাতিল হয়েছে কি কারণে বাতিল সব তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। আগামী তিরিশ দিনের মধ্যে যাত্রী হেনস্থার সমস্যার সমাধান না হলে উবার-ওলার ভারতীয় নিয়ন্ত্রকদের বড়সড় জরিমানার মুখে পড়তে হবে বলে সতর্ক করেছে জাতীয় ক্রেতা সুরক্ষা নিগম।

     

  • DRDO SWiFT: চালকবিহীন যুদ্ধবিমানের সফল পরীক্ষা ডিআরডিও’র! উচ্ছ্বসিত প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    DRDO SWiFT: চালকবিহীন যুদ্ধবিমানের সফল পরীক্ষা ডিআরডিও’র! উচ্ছ্বসিত প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামরিক ক্ষেত্রে আবারও সাফল্য ভারতের। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হওয়া সামরিক বিমান এবার আকাশপথে শত্রুপক্ষের উপরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে কোনওরকম চালক ছাড়াই! শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে ভারত। সাম্প্রতিককালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেও ব্যবহার হয়েছে এই ধরনের যুদ্ধবিমান। ভারতে তৈরি হওয়া স্বয়ংক্রিয় এই সামরিক বিমান সফলভাবে পরীক্ষা করা হল শুক্রবার। এই পরীক্ষামূলক স্টেলথ কমব্যাট ড্রোনের নাম দেওয়া হয়েছে স্টেলথ উইং ফ্লাইং টেস্টবেড (Stealth Wing Flying Testbed) বা সংক্ষেপে সুইফ্ট (SWiFT)। 

    কর্নাটকের চিত্রদুর্গায় এই বিমান পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতেই এমন বিমান বানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। স্বয়ংক্রিয় এই যুদ্ধবিমানের সফল পরীক্ষার পরে অভিনন্দন জানিয়ে ট্যুইট করেছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।

    [tw]


    [/tw][tw]


    [/tw]

    এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও DRDO তাদের ট্যুইটারে প্রকাশ করেছে। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের পক্ষ থেকে ট্যুইটবার্তায় জানানো হয়েছে, “আমরা একটি যুদ্ধবিমান (Indigenous Aircraft) তৈরি করার চেষ্টায় ছিলাম। এমতাবস্থায়, ভারতেই তৈরি যুদ্ধবিমানটি সফলভাবে পরীক্ষা করা হল। নিঃসন্দেহে এটি একটি বড় সাফল্য।  এই বিমানে কোনও পাইলটের প্রয়োজন নেই। পরীক্ষার সময় টেক অফ করার পরে নির্দিষ্ট জায়গা পর্যন্ত উড়ে গিয়েছে বিমানটি। তারপরে সেটি নিখুঁতভাবে মাটিতে নেমে আসে।” এই বিমানটি তৈরি করেছে ডিআরডিও-র অধীনে থাকা এরোনটিক্যাল ডেভেলপমেন্ট এসট্যাবলিশমেন্ট। একটি ছোট ফ্যানের মাপের ইঞ্জিন ব্যবহার করেই উড়তে পারে এই যুদ্ধবিমান। একে আরও কার্যকরী করে তোলার চেষ্টা করা হবে। এই পরীক্ষামূলক ছোট যানের উপর আরও গবেষণা চালানো হবে। সেই গবেষণা সফল হলে একটি বড় মডেল তৈরি করা হবে। সূত্রের খবর, সেই বড় যানের নাম দেওয়া হবে, ‘ঘাতক’। পরবর্তীকালে সেটি বায়ুসেনায় ব্যবহার করা হবে। সম্প্রতি, বায়ুসেনার তরফ থেকে জানা গিয়েছিল, এবার ভারতেই চালকবিহীন যুদ্ধবিমান তৈরি করা হবে। এই বিমান তৈরি করে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়েছে ভারত, এমনটাই দাবি করেছে ডিআরডিও। এই পরীক্ষাকে  ‘মাইলস্টোন’ আখ্যা দিয়েছে তারা।

    [tw]


    [/tw][tw]


    [/tw]

    এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। টুইট করে তিনি লিখেছেন, “ডিআরডিওকে অনেক অভিনন্দন। এই যুদ্ধবিমান চালানোর পরীক্ষা আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার পথে অন্যতম সফল প্রয়াস। ভবিষ্যতেও এমন ভাবেই ভারতীয় প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বদেশি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।”

    আরও পড়ুন: পৃথিবী থেকে নয় মহাকাশ থেকে কেমন লাগে সূর্যগ্রহণ? ছবি প্রকাশ করল নাসা

  • Maharashtra Killing: এবার অমরাবতী! নূপুর শর্মাকে সমর্থন করাতেই কি খুন? তদন্তে পুলিশ

    Maharashtra Killing: এবার অমরাবতী! নূপুর শর্মাকে সমর্থন করাতেই কি খুন? তদন্তে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানের উদয়পুরে (Udaipur Killing) ধর্মীয় উন্মাদনার শিকার এক দর্জি। সাসপেন্ডেড বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) মন্তব্যকে সমর্থন করায় উদয়পুরের কানহাইয়া লাল নামে দর্জিকে নৃশংস খুনের ঘটনায় গোটা দেশ স্তম্ভিত। তদন্তে নেমেছে জাতীয় তদন্তকারী দল (NIA)। এর মধ্যেই সামনে এল আরও একটি খুনের অভিযোগ। উদয়পুরে দর্জি কানহাইয়ালাল খুনের ঠিক সপ্তাহ খানেক আগেই ২১জুন মহারাষ্ট্রের (Maharashtra Killing) এবার অমরাবতী (Amravati )! নূপুর শর্মাকে সমর্থন করাতেই কি খুন? তদন্তে পুলিশ অমরাবতীতে  ৫৪ বছর বয়সী পেশায় কেমিস্ট (Chemist) উমেশ প্রহ্লাদরাও কোলহেকে (Umesh Prahladrao Kolhe) ছুরি মেরে হত্যা করা হয়েছে। বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার পয়গম্বর মন্তব্যকে সমর্থন করে উনিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন। 

    তদন্তকারী আধিকারিকদের ধারণা নূপুর শর্মার পয়গম্বর মন্তব্যকে সমর্থন করে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্যই  উমেশকে হত্যা করা হয়েছে। মৃত উমেশের ছেলে সংকেতের অভিযোগের ভিত্তিতে অমরাবতীর সিটি কোতোয়ালি থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই হত্যায় জড়িত সন্দেহে মুদ্দসির আহমেদ এবং তার সহযোগী শাহরুখ পাঠানকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের জেরা করে এই ঘটনায় আরও চারজনের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। যার মধ্যে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। ধৃতরা হলেন, আব্দুল তৌফিক (২৪), শোয়েব খান (২২) এবং আতিব রশিদ (২২)।

    আরও পড়ুন: বাইকের নম্বর হবে ২৬/১১! বেশি টাকা দেয় উদয়পুরের হত্যাকারীরা

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২১ জুন উমেশ রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার সময় তাঁকে খুন করা হয়। উমেশের ছেলে সংকেতের অভিযোগ, “আমরা প্রভাত চক থেকে যাচ্ছিলাম।  আমি আর বাবা দুটো আলাদা স্কুটারে ছিলাম। আমরা রাস্তায় একটা হাই স্কুলের গেটের সামনে পৌঁছতেই, বাবার স্কুটারের সামনে হঠাৎ করে মোটরসাইকেলে চড়ে দুজন ব্যক্তি এসে হাজির হয়। তারা বাবার বাইকটা জোর করে থামায়। বাবা বাইক থামালেই একজন বাবার ঘাড়ের বাঁ’দিকে  ছুরি দিয়ে আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে বাবা রাস্তায় পড়ে যান। আমি স্কুটার থামিয়ে সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে থাকি। সেই সুযোগে আততায়ীরা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়”।

     উমেশকে দ্রুত কাছের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। অমরাবতী সিটি পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, “এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে কেউ একজন তাদের ১০ হাজার টাকা এবং মটর বাইক দিয়ে সাহায্য করেছিল,তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে”। তিনি আরও বলেন,“তদন্তের সময় আমরা জানতে পেরেছি যে কোলহে হোয়াটসঅ্যাপে নূপুর শর্মাকে সমর্থন করে একটি পোস্ট করেছিলেন। যে ছুরি দিয়ে উমেশকে হত্যা করা হয়েছে সেটিও উদ্ধার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে একটি মোবাইল ফোন, খুনের কাজে ব্যবহৃত মোটরবাইক ও জামাকাপড়”। পুলিশের তরফে জানানো হয়, তদন্ত চলছে। তবে এখনই খুনের কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

  • Goa:  ধ্বংস হয়ে যাওয়া ধর্মীয় স্থানগুলিতে মিলতে পারে শিবলিঙ্গ, দাবি গোয়ার মন্ত্রীর

    Goa:  ধ্বংস হয়ে যাওয়া ধর্মীয় স্থানগুলিতে মিলতে পারে শিবলিঙ্গ, দাবি গোয়ার মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোয়ার ধ্বংস হয়ে যাওয়া ধর্মীয় স্থানগুলিতে শিবলিঙ্গ(shivlings) পাওয়া যেতে পারে। মঙ্গলবার এমনই মন্তব্য করলেন গোয়ার বিদ্যুৎমন্ত্রী সুদিন ধাবলিকর(sudin dhavalikar)। সোমবারই বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের(Gyanvapi mosjid) ওজুখানার জলাধারে শিবলিঙ্গ রয়েছে বলে দাবি করে হিন্দুত্ববাদী একটি সংগঠন। তার পরেই এই দাবি জানালেন গোয়ার বিদ্যুৎমন্ত্রী।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির(Kashi Viswanath temple) লাগোয়া এলাকায় রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। প্রতিদিন এই মন্দিরে নমাজও পড়েন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি, এক সময় এখানেই ছিল শৃঙ্গার গৌরীদেবীর মন্দির। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আমলে মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি হয়। সোমবার এই মসজিদের ওজুখানার জলাধারেই শিবলিঙ্গ মেলে বলে খবর। এদিন গোয়ার বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, যে মন্দিরগুলি ভেঙে ফেলা হয়েছিল সেই জায়গায় এই ধরনের শিবলিঙ্গ থাকতে পারে। ভারতীয় পুরাতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ বিভাগকে তা খুঁজে বের করতে হবে। তাহলেই ধ্বংস হয়ে যাওয়া ধর্মীয় স্থানগুলিতে শিবলিঙ্গ মিলতে পারে।বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদে ‘শিবলিঙ্গ আবিষ্কারে’র খবরে বিতর্ক শুরু হয়েছে গোটা দেশে। ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, ঔরঙ্গজেবের শাসনকালে কাশীতে মন্দির ভেঙে জ্ঞানবাপী মসজিদ তৈরি হয়েছিল। তাই শিবলিঙ্গ পাওয়া যাওয়ার খবর নিছক অমূলক নয়। যদিও মসজিদ কর্তৃপক্ষের দাবি, জ্ঞানবাপী মসজিদ ওখানেই রয়েছে সুদীর্ঘকাল। প্রতিদিন নমাজও পড়া হচ্ছে। তাদের দাবি, সেই কারণেই বিতর্কের অবকাশ নেই।

    গোয়ায় ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার। সেই সরকারেরই মন্ত্রী ধাভালিকার। তিনি জানান, গোয়ায় পর্তুগিজ ঔপনিবেশিক শাসনকালে ধ্বংস হওয়া মন্দিরগুলি পুনরুদ্ধারের জন্য ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ধাভালিকার এও বলেন, এই সব মন্দির পুনরুদ্ধারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত। এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ-রাম মন্দির বিতর্কের অবসান ঘটেছে বছর কয়েক আগে। রামলালার জন্মস্থলেই গড়ে উঠছে মন্দির। অন্যত্র জমি দেওয়া হয়েছে বাবরি মসজিদ কমিটিকে। তার পর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রার্থনাস্থলে ক্রমেই জোরালো হচ্ছে মন্দিরের দাবি। তাজমহল(Tajmahal) এক সময় শিবের(Lord Shiva) মন্দির ছিল বলে দাবি হিন্দুদের কারও কারও। মথুরায় শাহি ইদগাহ মসজিদ এলাকাটি আসলে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান। এহেন আবহে গোয়ার বিদ্যুৎমন্ত্রীর(power minister) দাবি তাৎপর্যপূর্ণ বই কি! 

    আরও পড়ুন : কী আছে তাজমহলের বন্ধ ঘরগুলিতে? ছবি প্রকাশ করল এএসআই

     

  • Kashmiri Pandit Killing: অফিসে ঢুকে গুলি করে খুন কাশ্মীরি পণ্ডিতকে, ফের অশান্ত ভূস্বর্গ

    Kashmiri Pandit Killing: অফিসে ঢুকে গুলি করে খুন কাশ্মীরি পণ্ডিতকে, ফের অশান্ত ভূস্বর্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে জঙ্গিবাদের বলি ফের এক কাশ্মীরি পণ্ডিত (Kashmiri pandit)। সরকারি অফিসে ঢুকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হয় রাজস্ব বিভাগের কর্মী রাহুল ভাটকে (Rahul Bhatt)। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে উপত্যকায়। জঙ্গিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে সরব হয়েছে কাশ্মীরের সংখ্যালঘু পণ্ডিত সম্প্রদায়। ঘটনাটিকে বর্বরোচিত আখ্যা দিয়েছেন লেফটেনেন্ট গভর্নর মনোজ সিনহা ((lieutenant governor Manoj Sinha)।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে অফিসে কাজ করছিলেন রাহুল। আচমকাই কয়েকজন জঙ্গি বিনা বাধায় অফিসে ঢুকে খুব কাছ থেকে তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যায়। কাশ্মীর জোন পুলিশের পক্ষ থেকে ট্যুইট করে জানানো হয়, সশস্ত্র অবস্থায় চাদুরার তহশিলদার অফিসে হানা দিয়েছিল জঙ্গিরা। তারা সংখ্যায় দুজন ছিল। রাহুলকে গুলি করে গা-ঢাকা দেয়। জঙ্গিদের খোঁজে উপত্যকায় তল্লাশি শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    [tw]


    [/tw]

     

    কেন্দ্রের তখ্তে বসে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা রদ করে নরেন্দ্র মোদি (modi) সরকার। তারপর থেকে বেশ শান্ত হয়ে গিয়েছিল উপত্যকা। পাকিস্তানে ইমরান খান সরকারের আসন টলমল করার কিছু আগে থেকেই জম্মু-কাশ্মীরে (jammu & kashmir) ফের বাড়বাড়ন্ত হয় জঙ্গিদের। মাসকয়েক ধরে জঙ্গিরা নিশানা করে চলেছে পরিযায়ী শ্রমিক ও সংখ্যালঘু পণ্ডিত সম্প্রদায়কে। ইতিমধ্যেই যার বলি হয়েছেন বেশ কয়েকজন।

    আরও পড়ুন : “কাশ্মীরে নাশকতা কার্যকলাপে জড়িত”, আদালতে স্বীকারোক্তি ইয়াসিন মালিকের

    গত অক্টোবরেই এক সপ্তাহের মধ্যে জঙ্গিদের হাতে খুন হয়েছেন পাঁচজন। তাঁরা সকলেই শিখ, পণ্ডিত কিংবা ভিন রাজ্য থেকে আসা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। নিহতদের এই তালিকায় ছিলেন কাশ্মীরের বিখ্যাত ওষুধ দোকানের মালিক মাখনলাল বিন্দ্রু। কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের অন্যতম মুখ ছিলেন তিনি। বীরেন্দর পাশোয়ান নামে এক ব্যবসায়ীকেও খুন করেছিল জঙ্গিরা। সন্ত্রাসবাদের বলি হয়েছেন সরকারি স্কুলের অধ্যক্ষ সুপিন্দর কৌর। এই তালিকায়ই এবার উঠল বদগামের রাহুলের নাম। এই এলাকায় এখনও কিছু পণ্ডিত সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন। রাহুল খুনের জেরে ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন তাঁরা। জঙ্গিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে সরব হয়েছেন পণ্ডিতরা।

    নয়ের দশকে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল ভূস্বর্গ। প্রায় প্রতিদিনই খুন হতে হচ্ছিল পণ্ডিত সম্প্রদায়ের মানুষকে। যার জেরে দলে দলে লোকজন উপত্যকা ছেড়ে চলে যান অন্যত্র। জঙ্গিদের হাতে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের বিতাড়ন-পর্ব তুলে ধরা হয় সাম্প্রতিককালে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ সিনেমায়। যা নিয়ে প্রশংসা ও সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছে গোটা দেশে। সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ভূস্বর্গে ফের হিন্দু-পণ্ডিত নিধন।

     

LinkedIn
Share