Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Nirmala Sitharaman: “অর্থনীতিতে আবার প্রাণ ফিরে আসবে’’, ভবিষ্যতে হতে পারে জিএসটি ৩.০, ইঙ্গিত সীতারামনের

    Nirmala Sitharaman: “অর্থনীতিতে আবার প্রাণ ফিরে আসবে’’, ভবিষ্যতে হতে পারে জিএসটি ৩.০, ইঙ্গিত সীতারামনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যাঁরা এক সময় জিএসটিকে গব্বর সিং ট্যাক্স বলেছিলেন, তাঁরাই আজ আবার সংস্কারের কৃতিত্ব দাবি করছেন।” কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের নিশানা করে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। তিনি বলেন, “জিএসটির (GST) প্রথম পর্যায় ছিল ঐক্যের জন্য, দ্বিতীয় পর্যায় সরলতার জন্য।” কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, এখন তিনি মূলত সবার কাছে সহজে বোধগম্য করার দিকেই নজর দিচ্ছেন। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারের জিএসটি সংস্কারকে নিয়ে নানা সময় বিজেপিকে নিশানা করেছে কংগ্রেস। তাদের দাবি, এই কর ব্যবস্থায় তাদের দলের কৃতিত্ব রয়েছে।

    সীতারামনের সাফ কথা (Nirmala Sitharaman)

    শুক্রবার সীতারামন বলেন, “আমার কাছে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল জিএসটিকে সহজ করা। সেই সহজতার প্রভাব প্রত্যেক ভোক্তাই অনুভব করবেন। আমি সেই দিকেই কাজ করছি।” রাহুল গান্ধীর দলকে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, “কংগ্রেস এতদিন ক্ষমতায় থেকেও কেন এই সংস্কার কার্যকর করতে পারেনি? প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর আমলে ভারতে আয়করের হার ছিল বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চগুলির মধ্যে একটি।” কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর দাবি, বর্তমান সরকারের কাছে এই সংস্কার একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ, যা দেশব্যাপী একক কর ব্যবস্থার মাধ্যমে রাজস্ব প্রক্রিয়াকে অনায়াস করেছে।

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর ইঙ্গিত

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর ইঙ্গিত, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই জিএসটির তৃতীয় পর্যায়ের কাঠামো নিয়ে আলোচনা শুরু হতে পারে। তবে কেমন হতে পারে সেই তৃতীয় ধাপ, সে বিষয়ে এখনই কিছু খোলসা করেননি নির্মলা। তিনি বলেন, “ব্যবসায়ী ও সংস্থাগুলিকে অবশ্যই কর হ্রাসের সুবিধা ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। ২২ সেপ্টেম্বরের পর আমাদের বড় নজরদারির কাজ শুরু হবে। কম করের সুবিধা যেন সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছয়। সরকারি সংস্থাগুলির ওপরও কড়া নজর রাখা হবে।”

    জিএসটি ৩.০-র ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে নির্মলা (Nirmala Sitharaman) বলেন, “তৃতীয় পর্যায় হবে সরলীকরণকে ধরে রাখা এবং আরও কার্যকর করে তোলা। জিএসটি ১.০-র উদ্দেশ্য ছিল ঐক্যমত হওয়া, জিএসটি ২.০ তে সহজ করা হল, আর জিএসটি ৩-র মূল লক্ষ্য হবে স্থিতিশীলতা, ন্যায়সঙ্গত কর হার এবং ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ ব্যবস্থা।” তিনি বলেন, “অর্থনীতিতে আবার প্রাণ ফিরে (GST) আসবে। এই সংস্কারের উদ্দেশ্যই হল অর্থনীতিকে রক্ষা ও চাঙা রাখা (Nirmala Sitharaman)।”

  • PM Modi: রাষ্ট্রসংঘের সভায় যোগ দিতে আমেরিকা যাবেন না মোদি! সুকৌশলে কি বার্তা ট্রাম্পকে?

    PM Modi: রাষ্ট্রসংঘের সভায় যোগ দিতে আমেরিকা যাবেন না মোদি! সুকৌশলে কি বার্তা ট্রাম্পকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুচিন্তিত পদক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে (UNGA Session) যোগ দেবেন না প্রধানমন্ত্রী। তাঁর পরিবর্তে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ভাষণ দেবেন। এর আগে ঠিক ছিল, ২৬ সেপ্টেম্বর মোদি ভাষণ দেবেন। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তাঁর পরিবর্তে বিদেশমন্ত্রী ভাষণ দেবেন ২৭ সেপ্টেম্বর। মার্কিন শুল্ক নিয়ে দ্বন্দ্বের মাঝে সুপরিকল্পিত ভাবে আমেরিকা সফর এড়িয়ে গেলন প্রধানমন্ত্রী মোদি এমনই অনুমান রাজনৈতিক মহলের।

    কেন গেলেন না মোদি

    প্রথমত, এই সময় মার্কিন সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পেরর সঙ্গে সাক্ষাৎ না করে বেরিয়ে এলে, তা সরাসরি বিরোধ বা সংঘাতের সামিল হত। যা ভারত এখনও পর্যন্ত এড়িয়ে গিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা কোনও মন্তব্যের প্রকাশ্যে প্রত্যাঘাতের পথে হাঁটেনি ভারত। পাল্টা শুল্ক চাপায়নি। শুধু চুপ করে বসে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে দিল্লি। ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা হলে করমর্দন করতে হত, সৌজন্যতা বজায়ের জন্য সেই কাজ করলে জনমানসে ভুল বার্তা যেত। বিশেষ করে, ট্রাম্প যখন ‘‘চিন রাশিয়ার কাছে ভারতকে হারিয়ে ফেলেছি’’ বলে দাবি করে বসেছেন। দ্বিতীয়ত, হতেই পারে, মোদি আমেরিকা যাচ্ছেন শুনে ট্রাম্প আগবাড়িয়ে আচমকা ঘোষণা করে বসলেন। বলে দিতেই পারেন যে, মোদির সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তাঁরা দেখা করতে চলেছেন। মোদি রাজি হয়েছেন এরকম নানা কথা। এমনকি বৈঠকের দিনক্ষণ জায়গাও প্রকাশ করে ফেলতে পারতেন। কারণ অতীতে এমন অনেক কিছুই করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বন্ধে তাঁর সক্রিয় ভূমিকার কথা বারবার দাবি করেছেন ট্রাম্প, যা আদতে মিথ্যে বলে দাবি করেছে ভারত।

    শেষ কবে রাষ্ট্রসংঘে মোদি

    জুলাই মাসে প্রকাশিত তালিকায় জানা গিয়েছিল চিন, পাকিস্তান, বাংলাদেশের প্রশাসনিক প্রধানদের সঙ্গে ২৩ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে চলা রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। কিন্তু এবার জানা গেল, মোদির পরিবর্ত হিসেবে জয়শঙ্করের কথা। প্রসঙ্গত, এবারের অধিবেশনে প্রথম বক্তব্য রাখার কথা ব্রাজিলের। এরপরই আমেরিকার প্রতিনিধি হিসেবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভাষণ দেবেন। ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের পর এটাই রাষ্ট্রসংঘে তাঁর অধিবেশন। নিউ ইয়র্কে হতে চলা ওই অধিবেশনে ট্রাম্প কী বলবেন, সেদিকে কড়া নজর থাকবে নয়াদিল্লির। তথ্য বলছে, শেষবার ২০২১ সালে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় গিয়েছিলেন মোদি। গত বছর রাষ্ট্রসংঘের হেডকোয়ার্টারেও তিনি যান। তবে সভায় যোগ দেননি। তারপর ২০২২ সাল থেকেই রাষ্ট্রসংঘের ডিবেটে ভারতের হয়ে ময়দানে নেমেছেন এস জয়শংকর। শুক্রবারই রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার উচ্চ পর্যায়ের ডিবেটে স্পিকারদের নাম প্রকাশ্যে আসে। সেখানে লেখা রয়েছে ভারতের তরফে এক ‘মন্ত্রী’ সেখানে যো দেবেন। জানা যাচ্ছে, ২৭ সেপ্টেম্বর, যেদিন দেশে দুর্গাপুজোর পঞ্চমী পালিত হবে, সেদিন রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখবেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর।

    এক ঢিলে দুই পাখি

    শুল্কযুদ্ধের আবহে ট্রাম্পের নানা বক্তব্যে ভারত-আমেরিকা সম্পর্কের বিবিধ টানাপোড়েন সামনে এসেছে। সম্প্রতি এসসিও বৈঠকে মোদিকে পুতিন ও জিনপিংয়ের পাশে দেখে ট্রাম্প সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘মনে হচ্ছে রাশিয়া ও ভারতকে অন্ধকার চিনের কাছে হারিয়ে ফেলেছি।’ বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ‘এই পোস্ট নিয়ে কিছু বলার নেই এখনও পর্যন্ত।’ এর আগে প্রাক্তন মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বল্টন বলেছেন, ট্রাম্প ও মোদির সম্পর্ক শেষ হয়ে গিয়েছে। এবার ফের ট্রাম্পকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলতে দেখা গিয়েছে। পরে ট্রাম্প ব্যাখ্যা করে বলেছেন, তাঁর এই ধরনের মন্তব্যের নেপথ্যে রয়েছে তাঁর হতাশা। এই আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মার্কিন মুলুকে পা রাখলে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে। মার্কিন কূটনীতির কারবারিরা মোদি-ট্রাম্পকে পাশাপাশি বসিয়ে আলোচনার চেষ্টা করবেন। তখন প্রধানমন্ত্রী মোদির সামনে একটা দ্বিধা-দ্বন্দ্ব-অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। মোদি সুকৌশলে সেই রাস্তাই বন্ধ করে দিলেন। একই সঙ্গে এক ঢিলে দুই পাখি মারল দিল্লি। এক, ট্রাম্পের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা এড়ানো গেল। দুই, ট্রাম্পকে ঘুরিয়ে বার্তা দেওয়া হল যে, ভারত মাথা নত করবে না।

  • PM Modi: “ওঁর অনুভূতিকে অনুভব করি”, ট্রাম্পের ‘‘বন্ধু’’ মন্তব্যের ছোট্ট প্রতিক্রিয়া মোদির

    PM Modi: “ওঁর অনুভূতিকে অনুভব করি”, ট্রাম্পের ‘‘বন্ধু’’ মন্তব্যের ছোট্ট প্রতিক্রিয়া মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় পণ্যের ওপর দু’দফায় ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ট্রাম্পের এই চড়া শুল্কনীতির জেরে এক অক্ষে চলে আসে ভারত-রাশিয়া ও চিন। এতেই প্রমাদ গোনে ট্রাম্প প্রশাসন। ঘরে-বাইরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তারপরেই তিনি বলেন, “আমি সব সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) বন্ধু। নরেন্দ্র মোদি আমার বিশেষ বন্ধু। সব সময় বিশেষই থাকবেন। আমি তাঁকে খুব পছন্দ করি।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “নরেন্দ্র মোদি আমার বিশেষ বন্ধু। সব সময় বিশেষ থাকবেন। আমি তাঁকে খুব পছন্দ করি। কিন্তু এই মুহূর্তে তিনি যা করছেন, সেটা ঠিক নয়। ভারত ও আমেরিকার মধ্যে একটা বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে।” ট্রাম্পের এহেন মন্তব্যের জেরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, তিনি ট্রাম্পের অনুভূতিকে অনুভব করেন।

    মোদির ট্যুইট বার্তা (PM Modi)

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর এহেন মন্তব্য এল এমন একটা সময়ে, যখন ট্রাম্প বলেন, তিনি সর্বদা মোদির বন্ধু থাকবেন। অথচ এর ঠিক একদিন আগেই তিনি দাবি করেছিলেন, ‘আমেরিকা ভারতকে সব চেয়ে গভীর, অন্ধকার চিনের হাতে হারিয়ে ফেলেছে।’ প্রত্যুত্তরে ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অনুভূতি ও আমাদের সম্পর্কের ইতিবাচক মূল্যায়নের গভীর প্রশংসা করি এবং সম্পূর্ণভাবে অনুভব করি। ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি অত্যন্ত ইতিবাচক এবং ভবিষ্যৎমুখী সামগ্রিক ও বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে।” তবে প্রধানমন্ত্রী যখন বললেন যে তিনি ট্রাম্পের অনুভূতির “প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন”, তখন তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে তার বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করতে এড়িয়ে গিয়েছেন। যার অর্থ হল, এই সম্পর্কের উত্তাপ শিথিল করতে হলে পেছনের দিকে কিছু কাজ করতে হবে।

    ইতিবাচক বাক্য বিনিময়

    দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে ইতিবাচক (PM Modi) এই বাক্য বিনিময় এই ধারণাকে জোরালো করে যে, ট্রাম্প ও তাঁর আধিকারিকদের ভারতবিরোধী উত্তেজক মন্তব্যের ঝড় সত্ত্বেও দুই দেশের সম্পর্ক মেরামত করার দরজা এখনও খোলা রয়েছে। ট্রাম্প ও তাঁর আধিকারিকরা একাধিকবার ভারত বিরোধী মন্তব্য (Donald Trump) করলেও, ভারত সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেনি, করেনি কোনও পদক্ষেপও। ট্রাম্পের সমালোচনাও করেনি। যদিও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে মস্কো থেকে অপরিশোধিত তেল কেনায় ভারতের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ভারতের কৃষি ও দুগ্ধ খাত আমেরিকার জন্য খোলার বিষয়ে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় আটকে গিয়েছে দুই দেশের বাণিজ্য চুক্তি, যা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে সম্পর্কের শীতলতা। শুক্রবারও ট্রাম্প ভারতকে নিশানা করে জানান, যখন তিনি চিনে অনুষ্ঠিত এসসিও (SCO) শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদির উপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তিয়ানজিনে হাসিমুখে একে অন্যের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ছবি প্রদর্শন করার পর আরও বিব্রত বোধ করেন ট্রাম্প।

    ট্রাম্পের বক্তব্য

    এর পরেই মোদি, পুতিন ও শি জিনপিংকে এক (PM Modi) সঙ্গে হাঁটতে দেখা যাচ্ছে এমন একটি ছবি পোস্ট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প লেখেন, ‘দেখে মনে হচ্ছে আমরা ভারত ও রাশিয়াকে হারিয়েছি সবচেয়ে গাঢ়, অন্ধকার চিনের কাছে। তারা যেন এক সঙ্গে দীর্ঘ ও সমৃদ্ধশালী ভবিষ্যৎ কাটায়!’ এরই কয়েক ঘণ্টা পরে ট্রাম্প ভারতের সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করেন। তিনি জানান, সম্পর্কটি এখনও ‘বিশেষ’ এবং তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে শক্তিশালী বন্ধন বজায় রেখেছেন। ট্রাম্প (Donald Trump) বলেন, “আমি সর্বদা (প্রধানমন্ত্রী) মোদির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখব। তিনি একজন মহান প্রধানমন্ত্রী। আমি সর্বদা বন্ধু থাকব। তবে আমি ঠিক এই বিশেষ মুহূর্তে তিনি যা করছেন তা পছন্দ করি না। কিন্তু ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। চিন্তার কিছু নেই। মাঝে মাঝে আমাদের মতবিরোধ হয় (PM Modi)।”

    ট্রাম্পের ভোল বদল

    সম্প্রতি ট্রাম্প ও তাঁর সহকারীরা ভারতের ব্যাপারে আরও সংযত ভাষা ব্যবহার করেছেন। অথচ গোটা সপ্তাহটা ধরে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। ভারতকে “ক্রেমলিনের লন্ড্রোম্যাট”ও বলা হয়েছিল, রাশিয়া ইউক্রেন সংঘর্ষকে বলা হয়েছিল “মোদি যুদ্ধ”। গত সপ্তাহেই ট্রাম্প বলেন, আমেরিকা ও ভারতের সম্পর্ক খুব ভালো। যদিও তিনি এই সম্পর্ককে “একতরফা” হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাণিজ্য অসমতার কারণে। আমেরিকার ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টও (Donald Trump) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্কের শক্তি এবং স্থায়ীত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় দিনের শেষে, দু’টি মহান দেশ এটি সমাধান করবে (PM Modi)।”

  • Ashoka Emblem: শ্রীনগরে দরগার ফলকে স্থাপিত ‘অশোক স্তম্ভ’ ভেঙে দিল মৌলবাদীরা, ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বলল বিজেপি

    Ashoka Emblem: শ্রীনগরে দরগার ফলকে স্থাপিত ‘অশোক স্তম্ভ’ ভেঙে দিল মৌলবাদীরা, ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীনগরের হযরত বাল দরগায় সম্প্রতি একটি ফলক (স্মারক পাথর) স্থাপন করা হয়, যেখানে ভারতের জাতীয় প্রতীক ‘অশোক স্তম্ভ’ (অশোক চিহ্ন) ছিল (Ashoka Emblem)। শুক্রবার ওই ফলকটিতে একদল মৌলবাদী হামলা চালায় এবং তা ভেঙে ফেলে। তাদের দাবি, এই জাতীয় প্রতীকের ইসলামের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই এবং জাতীয় প্রতীকের ব্যবহার করে ইসলামের ঐতিহ্যকে অবজ্ঞা করা হয়েছে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শ্রীনগরে।

    ঘটনাকে সমর্থন করলেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা তানভীর সাদিক

    ন্যাশনাল কনফারেন্সের (Srinagar) নেতা তানভীর সাদিক সংবাদমাধ্যমে জানান, ইসলামে মূর্তি পুজো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং ওই ফলকে ব্যবহৃত প্রতীক ইসলামের বিশ্বাসের পরিপন্থী (Ashoka Emblem)। নিজের সমাজ মাধ্যমে তানভীর আরও লেখেন, “ইসলামের পবিত্র স্থানগুলিতে শুধু ‘তাওহীদের পবিত্রতা’ প্রতিফলিত হওয়া উচিত, অন্য কিছু নয়।”  অনেকেই বলছেন, বোঝাই যাচ্ছে, নিজের হাতে তানভীর  ওই জাতীয় প্রতীক না ভাঙলেও, তাঁর ভয়ঙ্কর উস্কানি ছিল। এই জাতীয় প্রতীক ভাঙার ঘটনায় তিনি নিন্দা তো জানাননি, উল্টে যারা ভেঙেছে তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখাচ্ছেন। প্রসঙ্গত, ন্যাশনাল কনফারেন্সের এই নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে নিজের বাড়িতে ডেকে জঙ্গিদের খাওয়ানোর।

    বাড়িতে ডেকে জঙ্গিদের খাওয়ায় তানভীর সাদিক, অভিযোগ ডঃ আন্ধ্রাবির

    এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিজেপি নেত্রী ও জম্মু-কাশ্মীরের ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারপার্সন ডঃ দরখশান আন্ধ্রাবি। তিনি এটিকে একটি ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বলে অভিহিত করেছেন এবং দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে।যদিও তিনি সরাসরি নাম করেননি, তবে তানভীর সাদিকের ভূমিকা প্রসঙ্গে ডঃ আন্ধ্রাবি কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তাঁর অভিযোগ, তানভীর সাদিকই দরগায় অশোক স্তম্ভ (Ashoka Emblem) বসানোর বিরোধিতা করেছিলেন, এবং তিনিই এই হামলার মদতদাতা। তিনি আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন, “ওই বিধায়ক (তানভীর) নিজের বাড়িতে জঙ্গিদের খাওয়ান, আর জম্মু-কাশ্মীরের শাসক দলের গুন্ডারা এই হামলা চালিয়েছে (Srinagar)।”

  • Mumbai Police: ৪০০ কেজি আরডিএক্স-সহ ঢুকেছে ১৪ জঙ্গি, হুমকি বার্তা মুম্বই পুলিশকে , জারি হাই অ্যালার্ট

    Mumbai Police: ৪০০ কেজি আরডিএক্স-সহ ঢুকেছে ১৪ জঙ্গি, হুমকি বার্তা মুম্বই পুলিশকে , জারি হাই অ্যালার্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই পুলিশের (Mumbai Police) হোয়াটসঅ্যাপ হেল্পলাইনে আসা একটি হুমকি বার্তা নিয়ে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। ওই হুমকিবার্তায় দাবি করা হয়েছে, ১৪ জন জঙ্গি প্রায় ৪০০ কেজি আরডিএক্স-সহ শহরে প্রবেশ করেছে। আরও দাবি করা হয়, ৩৪টি মানব বোমা বহনকারী গাড়ি মুম্বইয়ের বিভিন্ন জায়গায় রাখা হয়েছে।তার বিস্ফোরণে কাঁপবে মুম্বই। এই খবর পাওয়ার পরই গোটা শহরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট। মুম্বই পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ভুয়ো হুমকি বার্তা দেওয়া হয়েছে। তবে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ মুম্বই পুলিশ। বম্ব স্কোয়াড এবং বিশেষ পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শুক্রবার মুম্বই পুলিশের (Mumbai) এক আধিকারিক জানান, হুমকি বার্তাটি বৃহস্পতিবার ট্রাফিক পুলিশের কন্ট্রোলরুমের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে আসে। এরপরই গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে চাঙ্গা করা হয়। বিশেষ করে রেলস্টেশন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় শুরু হয়েছে কড়া নজরদারি ও তল্লাশি।

    ‘লস্কর-ই-জিহাদি’ নামের সংগঠনের কথা বলা হয়

    পুলিশ সূত্রে খবর, বার্তায় ‘লস্কর-ই-জিহাদি’ নামক একটি সংগঠনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, বিস্ফোরণের জন্য ৩৪টি গাড়িতে ৪০০ কেজি আরডিএক্স রাখা রয়েছে। ওই বার্তায় (Mumbai Police) এমন কথাও লেখা রয়েছে—এই বিস্ফোরক দিয়ে গোটা দেশ কেঁপে উঠবে। এই হুমকির তদন্তে নেমেছে মুম্বই পুলিশের (Mumbai) ক্রাইম ব্রাঞ্চ। পাশাপাশি সন্ত্রাস দমন শাখা (ATS) ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় সংস্থাকেও জানানো হয়েছে।

    সতর্কতা মুম্বইজুড়ে (Mumbai Police)

    শহরে সম্ভাব্য কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে একাধিক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। উল্লেখ্য, অনন্ত চতুর্দশীর দিন শহরে লক্ষ লক্ষ মানুষ রাস্তায় নামবেন গণেশ প্রতিমা বিসর্জনের জন্য। তার আগে এমন হুমকি বার্তা ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহজনক কোনও কিছু চোখে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে থানায় জানাতে হবে। মুম্বইবাসীদের (Mumbai Police) উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে পুলিশ বলেছে, কোনও গুজবে কান দেবেন না এবং শহরের নিরাপত্তা রক্ষায় সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

  • TET: টেট পাশ না করলে শিক্ষকদের চাকরি যাবে, সুপ্রিম নির্দেশে কাদের ছাড়?

    TET: টেট পাশ না করলে শিক্ষকদের চাকরি যাবে, সুপ্রিম নির্দেশে কাদের ছাড়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষকতায় পদোন্নতি বা চাকরি চালিয়ে যেতে হলে টেট উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক – এমনই নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মাসিহের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, পাঁচ বছরের বেশি চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলেও টেট পাশ না করলে শিক্ষকতায় থাকা যাবে না। তবে যে সব শিক্ষক ২০০৯ সালের শিশুদের বাধ্যতামূলক এবং বিনামূল্যে শিক্ষা অধিকার আইন কার্যকর হওয়ার আগে নিয়োগ পেয়েছেন তাদের টেট পাশ করার জন্য ২ বছরের সময় দেওয়া হয়েছে।

    টেট নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

    সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, যে শিক্ষকরা টেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবেন না, তাঁরা চাকরি ছেড়ে দিতে পারেন বা টার্মিনাল সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বাধ্যতামূলক অবসরের জন্য আবেদন করতে পারেন। আসলে ২০১১-র ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন ঘোষণা করেছিল শিক্ষকপদে নিয়োগে যোগ্য হতে টেট বাধ্যতামূলক। কিন্তু বাস্তবের কথা মাথায় রেখে সুপ্রিম কোর্ট এও জানিয়েছে, যাঁদের অবসর পেতে আর পাঁচ বছর বাকি, তাঁদের জন্য ছাড়। তাঁরা টেট না পাশ করলেও চাকরি করে অবসর নিতে পারবেন। কিন্তু এই সময়ে পদোন্নতি পাবেন না। সুপ্রিম কোর্টের এই রায় এসেছে একাধিক মামলার প্রেক্ষিতে। তামিলনাড়ু ও মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্য সরকারও এই বিষয়ে মামলা করেছিল। প্রশ্ন ছিল – শিক্ষকতার জন্য টেট আদৌ বাধ্যতামূলক কিনা। এনসিটিই প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য যখন ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণ করেছিল, তখনই টেট চালু হয়।

    সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে করণীয়

    তবে সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রেও টেট বাধ্যতামূলক হবে কিনা, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। বিষয়টি বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, স্কুলের প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগের জন্য কয়েকটি ন্যূনতম শর্ত তৈরি করেছিল ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন (এনসিটিই)। তারপর চালু করা হয়েছিল টেট। পশ্চিমবঙ্গেও টেট পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ হয়। যদিও পরীক্ষার পর দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়া না এগোনো এবং দুর্নীতির অভিযোগে একাধিকবার বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

  • Kashmir: কাশ্মীরে ৪ হাজারের মধ্যে আড়াই হাজার কবর পরিচয়হীন জঙ্গিদের, পাক-মিথ্যাচার ফাঁস হল রিপোর্টে

    Kashmir: কাশ্মীরে ৪ হাজারের মধ্যে আড়াই হাজার কবর পরিচয়হীন জঙ্গিদের, পাক-মিথ্যাচার ফাঁস হল রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন ধরে পাকিস্তান এবং কয়েকটি ভারতবিরোধী সংগঠন এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো কিছু এনজিও — জম্মু-কাশ্মীরের (Kashmir) কবরগুলিকে দেখিয়ে দাবি করত যে, এইসব কবর সাধারণ নাগরিকদের, যাদেরকে ভারতীয় সেনাবাহিনী হত্যা করে গোপনে কবর দিয়েছে। তবে এইসব অভিযোগ আর ধোপে টিকল না (Jammu And Kashmir News)। কারণ, গত ৪ সেপ্টেম্বর ‌‘সেভ ইয়ুথ ফিউচার ফাউন্ডেশন’ নামের একটি সংস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি গবেষণা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এই গবেষণার শিরোনাম ছিল: “কাশ্মীর উপত্যকায় অচিহ্নিত এবং অজ্ঞাত কবর”। এই রিপোর্টটি তারা ছয় বছর ধরে গবেষণা করে তৈরি করেছে, এবং এতে মোট ৪,০৫৬টি কবর চিহ্নিত করা হয়েছে, যা ছড়িয়ে রয়েছে ৩৭৩টি কবরস্থানে। গবেষণায় উঠে এসেছে, এই কবরগুলোর (Kashmir) মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ — প্রায় ৬১.৫% বা ২,৪৯৩টি কবর — বিদেশি জঙ্গিদের, যারা পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর থেকে অনুপ্রবেশ করে এবং ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে নিহত হয়। অজ্ঞাত পরিচয় জঙ্গিদের অনেকের কাছেই কোনও পরিচয়পত্র ছিল না — ইচ্ছাকৃতভাবেই এমনটা করা হয়, যাতে তাদের সংগঠন ও পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠতা গোপন রাখা যায়। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এটি ছিল পাকিস্তানের যুদ্ধের দায় এড়ানোর এক কৌশল।

    এই গবেষণায় পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে কবরগুলোকে

    ১. অজ্ঞাত পরিচয় বিদেশি জঙ্গি – ২,৪৯৩ জন (৬১.৫%)
    ২. স্থানীয় জঙ্গি – ১,২০৮ জন (২৯.৮%) – যাদের নাম-পরিচয় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে
    ৩. অচিহ্নিত কবর – ২৭৬টি (৬.৮%) – মূলত বারামুলা জেলায়
    4. ভারতের নাগরিক – ৯ জন
    5. ১৯৪৭ সালের উপজাতি হামলাকারী – ৭০ জন

    ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ওয়াজাহাত ফারুক ভাট কী বললেন?

    এই গবেষণা কাশ্মীরের (Kashmir) চারটি সীমান্তবর্তী জেলা — বারামুলা, কুপওয়ারা, বান্দিপোরা ও গান্দেরবালে করা হয়। ফাউন্ডেশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এই রিপোর্ট মিথ্যাচার ও ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে প্রমাণ সমেত ভিত্তিক জবাব দিয়েছে। গবেষণার রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভারতের প্রাক্তন চিফ ইনফরমেশন কমিশনার ওয়াজাহাত হাবিবুল্লা। তিনি বলেন, “এই গবেষণা একটি জটিল সত্যকে প্রমাণ করতে পেরেছে। যা প্রশংসনীয় উদ্যোগ।” ওই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ওয়াজাহাত ফারুক ভাট বলেন, “এই কবরগুলোকে ঘিরে বহু বছর ধরে ভুল ধারণা ও সন্দেহ রয়ে গেছে। আমরা তথ্য-ভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে সমাজে সত্য প্রতিষ্ঠা করতে চাই।”

    ভারতের বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র (Jammu And Kashmir News)

    এমন অনেক গণকবরের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল যেগুলিকে কেন্দ্র করে তথাকথিত ভারত বিরোধী মানবাধিকার সংগঠনগুলো এদেশকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছিল (Kashmir)। সংগঠন যেমন — এপিডিপি (জম্মু ও কাশ্মীর নিখোঁজ ব্যক্তিদের আত্মীয়দের সংগঠন), আইপিটিকে (কাশ্মীর বিষয়ক সত্য অনুসন্ধান সংগঠন), এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল — দাবি করেছিল যে এই কবরগুলো নিঁখোজ হয়ে যাওয়া সাধারণ মানুষদের। কিন্তু সেভ ইয়ুথ ফিউচার ফাউন্ডেশন এসব দাবি যে মিথ্যা তা প্রমাণ করেছে।

    ভারতের বিরুদ্ধে গণহত্যার গল্প সাজানো হত

    সেভ ইয়ুথ ফিউচার ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ডিএনএ টেস্ট বা ফরেনসিক পরীক্ষা ছাড়াই, সব ধরনের মৃত ব্যক্তিকে একই ক্যাটাগরিতে ফেলত এই মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তারা আলাদা করে বোঝায়নি যে কেউ সাধারণ নাগরিক, কেউ স্থানীয় জঙ্গি, আর কেউ বিদেশি জঙ্গি। এভাবেই দিনের পর অপ্রচার করা হয়েছে। জঙ্গি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পার্থক্য না করে, আগের অনেক মানবাধিকার রিপোর্ট মৃতের সংখ্যা বাড়িয়ে দেখিয়েছে এবং ভারতের বিরুদ্ধে গণহত্যার গল্প সাজিয়েছে।

    কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নিয়েকেউ আওয়াজ তোলেনি

    প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের এক তদন্তে উঠে আসে যে, অনেক কবরেই বিদেশি জঙ্গিদের দেহ রয়েছে, যারা সংঘর্ষে নিহত হয়েছিল। কিন্তু এই সত্যকে উপেক্ষা করা হয়েছিল, কারণ তাদের উদ্দেশ্য ছিল ভারতের বদনাম করা, সত্য খোঁজা নয়। প্রসঙ্গত, বিশ্বজুড়ে এই অচিহ্নিত কবর নিয়ে ভারত বিরোধীরা যত আলোচনা করেছে, তার তুলনায় ১৯৮৯-৯০ সালে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের গণহত্যা নিয়ে কোনও কথা বলা হয়নি। এমনকি যেসব মুসলিম সাধারণ মানুষ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদের ওপর চালানো হত্যাকাণ্ডও (যেমন: ওন্ধামা – ১৯৯৮, চিট্তিসিংহপোরা – ২০০০, নাদিমার্গ – ২০০৩) এইসব সত্য়ও প্রকাশ পায়নি।

    এনিয়ে পাকিস্তান চালাত ছায়াযুদ্ধ

    সেভ ইয়ুথ ফিউচার ফাউন্ডেশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে এই কবর নিয়ে পাকিস্তান প্রক্সি ওয়ার বা ছায়াযুদ্ধ চালাচ্ছে। ১৯৮৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান থেকে সরে যাওয়ার পর পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই কাশ্মীরকে নতুন টার্গেট বানায়। তারা পাকিস্তানি জঙ্গিদের অস্ত্র, অর্থ, প্রশিক্ষণ এবং সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকতে সাহায্য করে। হিজবুল মুজাহিদিন, লস্কর-ই-তৈবা, জইশ-ই-মহম্মদ— এসব সংগঠন কাশ্মীরকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করে। বিদেশি জঙ্গিদের কাছে কোনও পরিচয়পত্র থাকত না, তাই তাদের অনেকেই অপরিচিত জঙ্গি হিসেবে কবর দেওয়া হয়।

  • PM Modi Hails GST 2.0: ‘শিশুদের টফিতেও কর বসিয়েছিল কংগ্রেস’, জিএসটি ২.০-এর প্রশংসা করে খোঁচা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi Hails GST 2.0: ‘শিশুদের টফিতেও কর বসিয়েছিল কংগ্রেস’, জিএসটি ২.০-এর প্রশংসা করে খোঁচা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সাধারণ পরিবারগুলির উপর মারাত্মক করের বোঝা চাপিয়েছিল কংগ্রেস। এমনকী শিশুদের টফি-লজেন্সের উপরেও কর চাপানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার ‘জাতীয় শিক্ষক পুরস্কার’ প্রাপ্তদের সভায় নতুন জিএসটি হার নিয়ে কৃতিত্ব দাবি করার পাশাপাশি, বিরোধী কংগ্রেসকে নিশানা করে এমনই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Hails GST 2.0)। কংগ্রেসকে আক্রমণ করে মোদি বলেন, কংগ্রেস সরকার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং কৃষিকাজ, এমনকী ওষুধের উপরেও উচ্চহারে কর চাপিয়েছিল। জিএসটি ২.০-এক সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত, যা দেশের মানুষের স্বার্থে গৃহীত, দাবি প্রধানমন্ত্রীর।

    কংগ্রেসকে আক্রমণ মোদির

    জিএসটি কাঠামোয় বড়সড় রদবদল ঘোষিত হয়েছে বুধবার সন্ধ্যায়। বৃহস্পতিবার সেই ইস্যুতেই কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Hails GST 2.0)। তিনি বলেন, ‘‘নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, খাদ্য এবং ওষুধ – যে কোনও কিছুর উপর কর আরোপ করেছে। এমনকি শিশুদের টফিতেও কর বসিয়েছিল কংগ্রেস। মোদি যদি এটা করতেন, তাহলে তাঁরা আমার চুল টেনে ছিঁড়ে ফেলত।’’ কংগ্রেসের তীব্র সমালচনা করে মোদি অভিযোগ করেন, “যদি সেই শাসনব্যবস্থা অব্যাহত থাকত, তাহলে ১০০ টাকার জিনিস কিনতে আপনাকে ২০-২৫ টাকা কর দিতে হত। কংগ্রেস জমানায় হোটেল বুকিংয়েও একাধিক কর নেওয়া হত। ভারতে চিকিৎসা অনেক ব্যয়বহুল ছিল। কংগ্রেস সরকার ডায়াগনস্টিক কিটের উপর ১৪% কর নিত। কংগ্রেস সরকার আলো, পাখা, টিভি, এসির ওপর ৩১% কর নিত। কিন্তু আমাদের সরকারের লক্ষ্য হল সাধারণ মানুষের জীবনে সর্বাধিক সঞ্চয় নিশ্চিত করা এবং তাঁদের জীবন উন্নত করা।”

    জিএসটি ২.০ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

    নয়া জিএসটি কাঠামোর প্রশংসা করে মোদির (PM Modi Hails GST 2.0) দাবি, দেশের উন্নতিতে জিএসটি ২.০ দ্বিগুণ সাহায্য করবে। তাঁর মতে, ভারতকে আত্মনির্ভর করার জন্য এই সংস্কার ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, জিএসটি ২.০ জাতির প্রতি সহায়তা এবং দেশের আর্থিক বৃদ্ধির ‘ডবল ডোজ’ হবে। সেই সঙ্গে জিএসটি হারের পরিবর্তন সম্পর্কে তাঁর মন্তব্য, ‘‘দেশের স্বাধীনতার পরে এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।’’ বুধবার পণ্য পরিষেবা কর (জিএসটি) কাঠামোয় বুধবার গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী তথা কাউন্সিলের চেয়ারপার্সন নির্মলা সীতারামন। জিএসটি কাউন্সিলের ৫৬তম বৈঠকের প্রথম দিনের শেষে জানিয়েছিলেন, আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে মূলত দু’টি হারে (৫, ১৮) জিএসটি কার্যকর হবে (এ ছাড়া নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে থাকবে ৪০ শতাংশ কর)। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে জিএসটি চালুর পর থেকে তাতে পাঁচটি (৫, ১২, ১৮, ২৮ এবং কিছু পণ্যে শূন্য) হার ছিল এতদিন পর্যন্ত। এ বার ১২ এবং ১৮ শতাংশ জিএসটি উঠে গেল। এই নয়া হারকে জিএসটি ২.০ বলেছেন মোদি।

    দেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi Hails GST 2.0) বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘সময়োপযোগী পরিবর্তন না হলে আজকের বিশ্ব পরিস্থিতিতে আমরা আমাদের দেশকে তার যথাযথ স্থান দিতে পারব না। আমি ১৫ অগাস্ট লালকেল্লা থেকে বলেছিলাম যে, ভারতকে স্বাবলম্বী করার জন্য পরবর্তী প্রজন্মের সংস্কারমূলক পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি দেশবাসীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে, এই দীপাবলি এবং ছট পুজোর আগে দ্বিগুণ আনন্দের ঝলক দেখা যাবে।’’ সেই প্রতিশ্রুতি তাঁর সরকার রক্ষা করেছে বলে দাবি প্রধানমন্ত্রীর। প্রধানমন্ত্রী মোদির দাবি, ‘‘এই সিদ্ধান্তে একুশ শতকে দেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন অগ্রগতি হবে। জিএসটি সংস্কারের মাধ্যমে ভারতের প্রাণবন্ত অর্থনীতিতে পাঁচটি নতুন রত্ন (পঞ্চরত্ন) যুক্ত হয়েছে।’’

    যুবকদের আয় বাড়বে

    বুধবার জিএসটি কাউন্সিলের অনুমোদিত সংস্কারে, রুটি থেকে শুরু করে চুলের তেল, আইসক্রিম এবং টিভি পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ব্যবহারের সব জিনিসের দাম কমবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও জীবনবিমার উপর করের পরিমাণ শূন্যে নামিয়ে আনা হবে বলেও জানা গিয়েছে। ফিটনেস সামগ্রীতেও কর কমানো হয়েছে। অভ্যন্তরীণ ব্যয় বৃদ্ধি এবং মার্কিন শুল্কের ধাক্কা কমাতে সমস্ত ব্যক্তিগত ব্যবহারের জিনিস এবং মধ্যবিত্তদের ব্যবহারের অন্যান্য পণ্যের দাম কমবে। এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi Hails GST 2.0) বলেন, ‘‘এখন জিএসটি আরও সহজ হয়ে গিয়েছে। মাত্র দু’টি স্ল্যাব রয়েছে এখন, ৫% এবং ১৮% – যা প্রতিটি নাগরিক এবং ব্যবসায়ীদের জন্য আরও সহজ হয়ে গেল। জিএসটি ২.০ বিশেষত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দেবে।’’ প্রধানমন্ত্রীর মতে, ‘‘জিএসটি ২.০ দরিদ্র, নব্য মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত, কৃষক, মহিলা, ছাত্র, যুবক-যুবতী সকলের জন্যই উপকারী। পনির থেকে শ্যাম্পু-সাবান সবকিছুই হবে সস্তা।’’ ১৭৫টি জিনিসের দাম কমার কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, জিএসটি শুধু কমেনি, জিএসটি সরলীকরণও করা হয়েছে। এতে যুবকদের আয় বাড়বে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শাস্তিমূলক শুল্কের আবহে ভারতের রফতানি বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ঘটনাচক্রে, সেই আবহেই এসেছে জিএসটি সরলীকরণের সিদ্ধান্ত। যা একেবারেই সময়ের দাবি বলে মত প্রধানমন্ত্রীর।

  • RSS: শুক্রবার যোধপুরে বসছে সমন্বয় বৈঠক, তার আগে সাংবাদিক সম্মেলন করল আরএসএস

    RSS: শুক্রবার যোধপুরে বসছে সমন্বয় বৈঠক, তার আগে সাংবাদিক সম্মেলন করল আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ যোধপুরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আরএসএস-এর (RSS) সমন্বয় বৈঠক। তার আগে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন আরএসএস নেতা সুনীল আম্বেকর। ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের বিজয়াদশমী পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) তার শতবর্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে। এই অনুষ্ঠান শুরু হবে নাগপুরে একটি বিজয়াদশমীর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, যেখানে সংঘের সরসঙ্ঘচালক ড. মোহন ভাগবত ভাষণ দেবেন। আরএসএস-এর (RSS) অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর জানিয়েছেন, শতবর্ষের উদযাপনে দেশজুড়ে স্বয়ংসেবকরা পথসঞ্চালন করবেন এবং বছর জুড়ে অনুষ্ঠিত হবে- হিন্দু সম্মেলন, সামাজিক সদ্ভাবনা সভা, গৃহ সংস্পর্শ কার্যক্রম। তিনি আরও জানিয়েছেন, এসব কর্মসূচির লক্ষ্য হল সংঘের কর্মকাণ্ডকে সমাজের বৃহত্তর অংশের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

    ‘পঞ্চ পরিবর্তন’-এর (RSS) কথাও এদিন বলেন সুনীল আম্বেকর

    এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে সংঘের ‘পঞ্চ পরিবর্তন’-এর কথাও তুলে ধরা হয়। জানানো হয় এনিয়েও আলোচনা চলবে সংঘের সমন্বয় বৈঠকে। এই ইস্যুতে কর্মসূচি চলবে আগামীদিনে। প্রসঙ্গত, এই ‘পঞ্চ পরিবর্তন’ হল-

    সামাজিক সম্প্রীতি (Social Harmony)

    পারিবারিক জাগরণ (Family Awakening)

    পরিবেশ সচেতনতা (Environmental Awareness)

    আত্মনির্ভরতা (Self-Reliance)

    নাগরিক কর্তব্য (Civic Duty)

     কী কী আলোচনা হবে অখিল ভারতীয় সমন্বয় বৈঠকে (Akhil Bharatiya Samanvay Baithak)?

    সংঘের (RSS) বিভিন্ন সংগঠনের কার্যক্রম পর্যালোচনা চলবে। একইসঙ্গে  ২০২৫-২৬ সালের শতবর্ষ উদযাপনের পরিকল্পনা এবং দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা, বিশেষ করে পাঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির প্রসঙ্গে।

    কারা অংশ নেবেন বৈঠকে?

    সুনীল আম্বেকর জানিয়েছেন, এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন, ড. মোহন ভাগবত (সরসংঘচালক), দত্তাত্রেয় হোসাবলে (সরকার্যবাহ), সমস্ত সহ-সরকার্যবাহগণ, সংঘের ৩২টি সংগঠনের ৩২০ জন কার্যকর্তা। উপস্থিত সংগঠনগুলোর (Akhil Bharatiya Samanvay Baithak) মধ্যে রয়েছে-রাষ্ট্র সেবিকা সমিতি, বনবাসী কল্যাণ আশ্রম, সংস্কার ভারতী, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ, ভারতীয় কিষান সংঘ, বিদ্যা ভারতী, ভারতীয় মজদুর সংঘ, বিজেপি ইত্যাদি।

  • Sin Tax: দেশজুড়ে চর্চা, এই পণ্যগুলি কিনলে বইতে হবে বাড়তি ‘পাপের বোঝা’! কী এই ‘সিন ট্যাক্স’?

    Sin Tax: দেশজুড়ে চর্চা, এই পণ্যগুলি কিনলে বইতে হবে বাড়তি ‘পাপের বোঝা’! কী এই ‘সিন ট্যাক্স’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৭ সালে চালু হয় পণ্য ও পরিষেবা কর, যাকে বলা হয় জিএসটি। ৮ বছর পর বুধবার, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জিএসটি কাউন্সিল করের স্ল্যাব পুনর্বিন্যাস করেছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন নতুন জিএসটি হার ঘোষণা করেছেন। নতুন জিএসটি কর হারের ঘোষণা হওয়া ইস্তক দেশে একজোড়া শব্দবন্ধ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হচ্ছে। তা হচ্ছে ‘সিন ট্যাক্স’ (Sin Tax)।

    জিএসটি কাউন্সিলের ঘোষণা অনুযায়ী, এ বার থেকে দু’টি হারে জিএসটি কার্যকর হবে— ৫ এবং ১৮ শতাংশ। ১২ এবং ২৮ শতাংশের যে জিএসটি স্তর ছিল, তা তুলে দেওয়া হল। এছাড়া, কিছু পণ্যকে রাখা হয়েছে ৪০ শতাংশ হারের বিশেষ তালিকায়। এই বিশেষ কর হারের তালিকাকে বলা হচ্ছে ‘সিন অ্যান্ড লাক্সারি ট্যাক্স’ (Sin Tax) আর সেই তালিকায় থাকা পণ্যগুলিকে বলা হচ্ছে ‘সিন অ্যান্ড লাক্সারি গুডস’।

    ‘সিন ট্যাক্স’-এর বাংলা অর্থ করলে বোঝায় ‘পাপের কর’। অর্থাৎ, অর্থনৈতিক ও নীতিগতভাবে এই শব্দটি একটি নির্দিষ্ট গুরুত্ব বহন করে। কারণ, মনে করা হয়, ব্যক্তি বা সমাজের ওপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে—এমন জিনিসগুলিকে এই করের আওতায় আনা হয়। অর্থাৎ, ‘সিন ট্যাক্স’-এর আওতায়। সাম্প্রতিক সময়ে জিএসটি কাউন্সিলের সভায় এই ‘সিন ট্যাক্স’-এর প্রাসঙ্গিকতা ফের একবার উঠে এসেছে, বিশেষত এই করের মাধ্যমে রাজস্ব তৈরি এবং এই করের আওতায় থাকা জিনিসগুলি কীভাবে যেকোনও মানুষের আচরণকে প্রভাবিত করে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারতবর্ষের (India) ক্ষেত্রে ‘সিন ট্যাক্স’ (Sin Tax) কিভাবে কাজ করে, তা বোঝা আমাদের পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নিয়েই আমাদের প্রতিবেদন।

    ‘সিন ট্যাক্স’ আরোপিত করা হচ্ছে এমন কতগুলি পণ্য

    শুরুর কথাতেই যেমন বলা হয়েছে, নাগরিকদের স্বাস্থ্য, সমাজ বা পরিবেশের উপর ক্ষতিকারক বলে বিবেচিত হয় এমন পণ্য ও পরিষেবার উপর আরোপিত একটি করকেই ‘সিন ট্যাক্স’ (Sin Tax) বলা হয়। এগুলি সাধারণভাবে বেশিরভাগটাই অপ্রয়োজনীয় জিনিস এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে অথবা সামাজিক ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী একটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং সমাজের ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। এবার কয়েকটি উদাহরণ সহ বোঝা যাক—যেমন, ‘সিন ট্যাক্স’-এর আওতায় পড়ছে তামাক, সিগারেট, মদ্যপান, পান মসলা, জুয়া, যেকোনও ধরনের বাজি। এর পেছনে উদ্দেশ্য হল—এই করের আওতায় থাকা জিনিসগুলি যাতে মানুষ কম ব্যবহার করেন এবং সেগুলির প্রতি মানুষের আকর্ষণ কমে যায়, সেইজন্যই সরকার এগুলির ওপর বেশি কর আরোপ করছে, জিএসটি বেশি নিচ্ছে।

    বর্তমানে সিগারেট ও তামাকজাত পণ্যের উপরে সর্বোচ্চ ২৮ শতাংশ জিএসটি রয়েছে

    দেশে বর্তমানে সিগারেট ও তামাকজাত পণ্যের উপরে সর্বোচ্চ ২৮ শতাংশ জিএসটি রয়েছে। ভারতে সিগারেটের উপরে মোট ৫২ শতাংশ কর চালু রয়েছে। বিড়ির উপরে ২২ শতাংশ কর বর্তমানে চালু রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ভারত। সেই অনুযায়ী, তামাকজাত পণ্যে ৭৫ শতাংশ কর আরোপ করতে পারে ভারত সরকার। ৪০ শতাংশ জিএসটি হওয়ায় এই করের হার ৬৪ শতাংশ হবে। উদ্দেশ্য স্পষ্ট—দাম যত বাড়বে, তত মানুষ এগুলি কিনতে চাইবেন না। বলা হচ্ছে, ভারতবর্ষের মতো দেশে জনস্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ আজ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এই চ্যালেঞ্জের অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে—তামাক ব্যবহার, অ্যালকোহল সেবন এবং জীবনযাত্রা-সম্পর্কিত নানা স্বাস্থ্য সমস্যা, যা সমাজকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে কী বলা হল?

    একই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে—তামাক ব্যবহারের ফলে ভারতে প্রচুর মানুষের মৃত্যু হয়। শুধু তাই নয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এও জানিয়েছে যে, প্রতিবছর শুধুমাত্র তামাক ব্যবহারের কারণেই ভারতে প্রায় ১৩.৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়। সারা পৃথিবীর মধ্যে ভারতের নাগরিকরাই সবচেয়ে বেশি তামাক ব্যবহার করেন। তামাক উৎপাদনকারী দেশ হিসেবেও ভারত সারা পৃথিবীতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

    ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সের প্রায় ২৬ কোটি মানুষ তামাক সেবন করে

    ২০১৬-১৭ সালের ‘গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে ইন্ডিয়া’-র তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, ভারতে ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সের প্রায় ২৬ কোটি মানুষ তামাক (Sin Tax) ব্যবহার করেন। ভারতে তামাক ব্যবহারের সবচেয়ে প্রচলিত ধরন হল ‘ধোঁয়াবিহীন তামাক’। এর মধ্যে পড়ে—খৈনি, গুটখা, পান তামাক, জর্দা ইত্যাদি। আর ধোঁয়াযুক্ত তামাকের মধ্যে পড়ে—বিড়ি, সিগারেট, হুক্কা ইত্যাদি। এই ধরনের ‘সিন ট্যাক্স’ আরোপ করে মোদি সরকার অতিরিক্ত তামাক সেবনকে রুখতে চাইছে এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত রাজস্ব সুরক্ষিত করতে চাইছে।

    এক নজরে ‘সিন অ্যান্ড লাক্সারি গুডস’-এর তালিকা

    ১) তামাকজাত পণ্য, ২) গুটখা, ৩) পানমশলা, ৪) জর্দা, ৫) অন্যান্য তামাকজাত পণ্য, ৬) সিগারেট, ৭) সিগার/চুরুট, ৮) মিষ্টি যুক্ত ঠান্ডা পানীয়, ৯) কোল্ড ড্রিঙ্কস, ১০) ক্যাফিন যুক্ত কোল্ড ড্রিঙ্কস, ১১) লাক্সারি গাড়ি, ১২) ১২০০ সিসির বেশি ইঞ্জিন ক্যাপাসিটির পেট্রল গাড়ি, ১৩) ১৫০০ সিসির বেশি ইঞ্জিন ক্যাপাসিটির ডিজেল গাড়ি, ১৪) ৩৫০ সিসির উপরে মোটরবাইক, ১৫) ইয়ট, ১৬) হেলিকপ্টার, প্রাইভেট এয়ারক্রাফট, ১৭) কয়লা, লিগনাইট, পিট, ১৮) অনলাইন গ্যাম্বলিং ও গেমিং সার্ভিস

LinkedIn
Share