Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • India Defence Modernization 2026: ২০২৬ সালে ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ— নজরে এই ১০ বড় প্রকল্প

    India Defence Modernization 2026: ২০২৬ সালে ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ— নজরে এই ১০ বড় প্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় প্রতিরক্ষার জন্য যুগান্তকারী হতে চলেছে ২০২৬ সাল। এ বছর, দেশের সামরিক ক্ষেত্রে একাধিক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ ও উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে, যা দেশের প্রতিরক্ষাকে এক অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। ২০২৬ সালকে ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর হিসেবে বর্ণনা করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের অনুমান, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা একাধিক বড় সামরিক ক্রয় ও কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রকল্প এই বছর সরকারি অনুমোদন অথবা চুক্তি স্বাক্ষরের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। যা আগামী কয়েক দশকে ভারতীয় স্থলসেনা, বায়ুসেনা, নৌবাহিনী ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কার্যকরী সক্ষমতা নির্ধারণ করবে। পাশাপাশি, এগুলি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প ও বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের ভবিষ্যৎ রূপরেখাও গড়ে দেবে। এমনই ১০টি সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে, যা নিয়ে চলতি বছর বড় সিদ্ধান্ত হতে চলেছে বলে আশাপ্রকাশ করা হচ্ছে।

    ১. মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট (MRFA) প্রকল্পে ১১৪টি যুদ্ধবিমান

    ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য ১১৪টি মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট (MRFA) কেনার বিষয়টি ২০২৬ সালে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘ মূল্যায়ন প্রক্রিয়া ও একাধিক প্রশাসনিক স্থগিতাবস্থার পর, এই প্রকল্প এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে বিক্রেতা নির্বাচন ও বাণিজ্যিক দরকষাকষি চূড়ান্ত হতে পারে। ভারতীয় বায়ুসেনার ক্রমহ্রাসমান স্কোয়াড্রন সংখ্যা মোকাবিলা করা এবং আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে সংখ্যাগত ও গুণগত ভারসাম্য বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এই প্রকল্প দ্রুত এগিয়ে নিতে আগ্রহী।

    ২. বায়ুসেনার মিডিয়াম ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফ্ট (MTA) প্রকল্পে গতি

    মিডিয়াম ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফ্ট (MTA) প্রকল্পটি ২০২৬ সালে আনুষ্ঠানিক গতি পেতে পারে। সামরিক পণ্যবাহী বিমানের সংখ্যা ও কার্যকরী ভূমিকা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হবে। এই প্রকল্পের আওতায় পুরনো অ্যান্টোনভ এএন-৩২ এবং ইলিউশিন আইএল-৭৬ বিমানের বিকল্প হিসেবে নতুন সামরিক পরিবহণ বিমান পেতে চাইছে বায়ুসেনা। এ বছর এক্ষেত্রে রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল (RFP) জারি হওয়া এবং বিক্রেতা সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে লকহিড মার্টিন সি-১৩০জে, এমব্রায়ার সি-৩৯০ ও এয়ারবাস এ৪০০এম প্রতিযোগিতায় থাকতে পারে। সামরিক এয়ারলিফ্ট সক্ষমতায় এই চুক্তি ভারতকে কৌশলগত বড় সুবিধা দেবে।

    ৩. প্রজেক্ট ৭৫আই (P-75I) সাবমেরিন প্রকল্প কেন্দ্রের অনুমোদনের পথে

    দীর্ঘ বিলম্বের পর প্রজেক্ট ৭৫আই অবশেষে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (CCS)-এর অনুমোদনের দিকে এগোচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে এয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রপালশন (AIP) প্রযুক্তিসম্পন্ন ছয়টি আধুনিক প্রচলিত সাবমেরিনের জন্য চুক্তি করা হবে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের বাড়তে থাকা নৌ-উপস্থিতির মোকাবিলা এবং পুরনো সাবমেরিন অবসর নেওয়ার ফলে সৃষ্ট ঘাটতি পূরণে এই প্রকল্পকে ভারতীয় নৌবাহিনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে। তবে, এক্ষেত্রে ফ্রান্স নির্মিত স্করপিন-সিরিজ নয়, বরং জার্মানি ও স্পেনের সংস্থার নকশা নিয়ে আলোচনাই মূল ফোকাসে রয়েছে।

    ৪. রণতরীতে দেশীয় যুদ্ধবিমান (TEDBF) প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায়

    ভারতীয় নৌসেনার জন্য দেশীয় টুইন ইঞ্জিন ডেক বেসড ফাইটার (TEDBF) প্রকল্পটি ২০২৬ সালে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির অনুমোদন পেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ভারতের বিমানবাহী রণতরী থেকে পরিচালনার জন্য বিশেষভাবে নকশা করা এই যুদ্ধবিমান ভবিষ্যতে মিগ-২৯কে বহরের স্থলাভিষিক্ত হবে এবং নৌবাহিনীর কেরিয়ার এয়ার উইংয়ের মূল স্তম্ভে পরিণত হবে। এই অনুমোদন পূর্ণমাত্রার উন্নয়ন তহবিল ছাড় করবে এবং দেশীয় নৌবিমান নির্মাণে ভারতের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে সুদৃঢ় করবে।

    ৫. অ্যামকা (AMCA) জেট ইঞ্জিন উন্নয়নে বিদেশি অংশীদারিত্ব চূড়ান্ত

    ২০২৬ সালের অন্যতম কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হবে অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফ্ট (AMCA)-এর ইঞ্জিন উন্নয়ন সংক্রান্ত অনুমোদন। যৌথ-উদ্যোগে ১১০–১৩০ কিলোনিউটন থ্রাস্ট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ইঞ্জিন উন্নয়নের জন্য ভারত সম্ভবত বিদেশি অংশীদারিত্বের কাঠামো চূড়ান্ত করবে। ফ্রান্সের সাফরান (Safran) প্রধান অংশীদার হিসেবে উঠে আসতে পারে। এই সিদ্ধান্ত পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের ক্ষেত্রে ভারতের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ৬. অতিরিক্ত এস-৪০০ (S-400) ডেলিভারি ও অর্ডার বাড়ানোর সম্ভাবনা

    ২০২৬ সাল জুড়ে এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রেজিমেন্ট অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে।চূড়ান্ত ইউনিটগুলি পূর্ণাঙ্গ আকাশ প্রতিরক্ষা বলয় সম্পূর্ণ করবে বলে আশা। একইসঙ্গে, মূল চুক্তির বাইরে অতিরিক্ত এস-৪০০ ইউনিট কেনা নিয়েও আলোচনা চলছে, যা ভারতের দীর্ঘপাল্লার আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অপারেশন সিঁদুর থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য হুমকি ও ঝুঁকির মূল্যায়ন ভারতের দীর্ঘপাল্লার আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে।

    ৭. মিডিয়াম অল্টিটিউড লং এন্ডুরেন্স ড্রোন (MALE Drone) প্রকল্প চুক্তির পর্যায়ে

    ভারতের দীর্ঘদিন ধরে চলা মিডিয়াম অল্টিটিউড লং এন্ডুরেন্স (MALE) ড্রোন প্রকল্পটি ২০২৬ সালে বাস্তব অগ্রগতি দেখতে পারে। মার্কিন এমকিউ-৯বি রিপার (MQ-9B Reaper) ড্রোন সংগ্রহ এগোলেও, এখন মূল জোর দেওয়া হচ্ছে দেশীয় তাপাস (TAPAS) বা আর্চার-এনজি (Archer-NG) প্ল্যাটফর্মের উপর, যা স্থল ও সমুদ্র উভয় ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন নজরদারি নিশ্চিত করবে। এই দেশীয় ড্রোনগুলির চুক্তি চূড়ান্ত হলে শত্রু অঞ্চলে গোয়েন্দা, নজরদারি ও রেকি— সংক্ষেপে আইএসআর (ISR) থেকে শুরু করে আঘাত হানার ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

    ৮. প্রজেক্ট-৭৭ (P-77) পারমাণবিক শক্তিচালিত অ্যাটাক সাবমেরিন (SSN)

    ২০২৬ সালে অতিরিক্ত রাজনৈতিক ও আর্থিক অনুমোদন পেতে পারে ভারতের দেশীয় পারমাণবিক শক্তিচালিত ঘাতক সাবমেরিন (SSN) নির্মাণ প্রকল্প— প্রজেক্ট-৭৭। এই সাবমেরিনগুলি বিমানবাহী রণতরীর নিরাপত্তা, শত্রু সাবমেরিন ট্র্যাকিং এবং গভীর সমুদ্রে আধিপত্য বজায় রাখতে অপরিহার্য। এই অনুমোদন ভারতের শক্তিশালী ও ভারসাম্যপূর্ণ ‘ব্লু-ওয়াটার নেভি’ গঠনের সংকল্পকে জোরালোভাবে তুলে ধরবে।

    ৯. কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (QRSAM) চুক্তি

    দীর্ঘ প্রতীক্ষিত কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (QRSAM) প্রকল্পের চুক্তি ২০২৬ সালে চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ব্যবস্থা স্থলসেনার সাঁজোয়া বাহিনীকে ড্রোন, হেলিকপ্টার ও নিচু দিয়ে উড়ে আসা বিমানের আক্রমণ থেকে রক্ষা করবে। ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড (BEL) এই সিস্টেমের জন্য উল্লেখযোগ্য অর্ডারের আশা করছে।

    ১০. আকাশ-এনজি (Akash-NG) চুক্তিতে পরবর্তী প্রজন্মের আকাশ প্রতিরক্ষা

    দেশীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সর্বশেষ সংস্করণ আকাশ-এনজি (নিউ জেনারেশন) প্রকল্পও ২০২৬ সালে বড় উৎপাদন চুক্তি পেতে পারে। ২০২৫ সালের শেষ দিকে সফল পরীক্ষার পর উন্নত রেঞ্জ, নির্ভুল লক্ষ্যভেদ ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন এই ব্যবস্থা বর্তমান আকাশ প্রতিরক্ষা স্তরকে আরও শক্তিশালী করবে।

    সব মিলিয়ে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সামনে থাকা এই সিদ্ধান্তগুলি ২০২৬ সালকে ভারতের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক বছর করে তুলতে চলেছে। এই সময়ে নেওয়া পদক্ষেপগুলি শুধুমাত্র তাৎক্ষণিক সক্ষমতার ঘাটতি পূরণ করবে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে ভারতের সামরিক কাঠামো, প্রতিরক্ষা শিল্প এবং কৌশলগত স্বনির্ভরতাকে নতুন দিশা দেবে।

  • Nyaya Setu: নিখরচায় যে কোনও আইনি পরামর্শ মিলবে হোয়াটসঅ্যাপে! কেন্দ্র চালু করল ‘ন্যায় সেতু’

    Nyaya Setu: নিখরচায় যে কোনও আইনি পরামর্শ মিলবে হোয়াটসঅ্যাপে! কেন্দ্র চালু করল ‘ন্যায় সেতু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপে (Whatsapp) ‘ন্যায় সেতু’ (Nyaya Setu) চালু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এখন থেকে যে কোনও রকম আইনি সলা-পরামর্শের জন্য এই নতুন ব্যবস্থা বিশেষ ভাবে কার্যকারী হবে। ব্যবহারকারীরা নিজের মোবাইল থাকে মেসেজ করে প্রয়োজনীয় সবরকম আইনি সাহায্য, পরামর্শ, উপদেশ পেতে পারবেন, তাও একেবারে নিখরচায়। অর্থাৎ, এর জন্য কোনও রকম অর্থ খরচ করতে হবে না উপভোক্তাদের। প্রযুক্তিবিদদের মতে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে যে কোনও ব্যক্তি অনেক সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে পারবেন।

    ভারত সরকার হোয়াটসঅ্যাপ প্ল্যাটফর্মে ‘ন্যায় সেতু’ পরিষেবাটি চালু করেছে। এর ফলে আইনি সহায়তা এখন থেকে নাগরিকদের জন্য মাত্র একটি মেসেজ করতে যত সময় লাগে এই স্বল্প সময়ের ব্যবধানে এই সুবিধা পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ‘ন্যায় সেতু’ কী এবং কীভাবে ব্যবহার করা যাবে, তার বিস্তারিত সারসংক্ষেপ নিচে দেওয়া হল-

    ‘ন্যায় সেতু’ কী (Nyaya Setu)?

    ‘ন্যায় সেতু’ হল ভারত সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রকের একটি ডিজিটাল উদ্যোগ। উল্লেখ্য এই ডিজিটাল প্রক্রিয়ার কাজ শুরু হয়েছিল ২০২৪ সালের অগাস্টে। আসুন জেনে নিই কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য এবং সুবিধার তথ্য।

    উদ্দেশ্য: নাগরিকদের জন্য আইনি সহায়তা লাভের সুযোগকে উন্নত করা এবং সহজলভ্য করা।

    সুবিধা: কোনও জটিল আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ছাড়াই জনসাধারণ দ্রুত আইনি পরামর্শ পেতে সক্ষম হবেন।

    হোয়াটসঅ্যাপে পরিষেবা লাভের সুবিধা

    ‘ন্যায় সেতু’ এখন সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপের (Whatsapp) মাধ্যমে উপলব্ধ। এই সংযোজনের ফলে উপভক্তারা যে যে সুবিধাগুলি পাবেন তা হল–

    পেশাদার আইনি সাহায্য নাগরিকদের জন্য অত্যন্ত সহজলভ্য। আপনি একটি মেসেজ করেই দ্রুত প্রতিক্রিয়া পেতে পারেন।

    আইন ও বিচার মন্ত্রকের মতে, এই আপডেটের মাধ্যমে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য পেশাদার আইনি সহায়তা সর্বদা দ্রুত এবং পরিষেবার যোগ্য হবে।

    প্ল্যাটফর্মটির ব্যাপক জনপ্রিয়তা ব্যবহার করে আইনি সংস্থান এবং নাগরিকদের মধ্যেকার ব্যবধান কমানো সম্ভব হবে।

    হোয়াটসঅ্যাপে ‘ন্যায় সেতু’ কীভাবে ব্যবহার করবেন?

    হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আইনি তথ্য বা পরামর্শ পেতে নিচের ধাপটি অনুসরণ করুন:

    ১>আপনার হোয়াটসঅ্যাপে নিচের নম্বরটিতে একটি বার্তা পাঠান

    যোগাযোগের নম্বর: ৭২১৭৭১১৮১৪

    ২> এই নম্বরটি আপনার হোয়াটসঅ্যাপে “Tele-Law” নামে প্রদর্শিত হবে।

    পরিষেবা এবং কার্যকারিতা

    সেবা: ‘ন্যায় সেতু’ (Nyaya Setu) চ্যাটবটটি আপনাকে আইনি পরামর্শ, আইনি তথ্য এবং আইনি সহায়তার জন্য বিভিন্ন বিকল্প প্রদান করবে।

    ব্যবহার প্রক্রিয়া: এটি ব্যবহারের জন্য প্রাথমিকভাবে আপনার মোবাইল নম্বর যাচাই করতে চাওয়া হবে। (তবে আপাতত যাচাইকরণ ছাড়াই কিছু প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যেতে পারে)।

    প্ল্যাটফর্ম: এই চ্যাটবটটি ভারতের সমস্ত হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য উপলব্ধ—তা সেটি অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস, বা ওয়েব যেকোনো প্ল্যাটফর্মেই হোক।

  • S Jaishankar: “সন্ত্রাসে মদতদাতা প্রতিবেশীর হাত থেকে আত্মরক্ষার অধিকার ভারতের রয়েছে”, পাকিস্তানকে বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “সন্ত্রাসে মদতদাতা প্রতিবেশীর হাত থেকে আত্মরক্ষার অধিকার ভারতের রয়েছে”, পাকিস্তানকে বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মরক্ষার প্রশ্নে ভারত যা করবে, তার জন্য কারও কাছে জবাবদিহি করবে না। সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে ফের একবার পাকিস্তানকে (India-Pakistan) কাঠগড়ায় তুললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পরে ‘অপারেশন সিঁদুর’ করেছিল ভারত। সেই উদাহরণ টেনে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানিয়েছেন, নিজের লোকদের রক্ষা করার অধিকার রয়েছে ভারতের। পাকিস্তানকে ‘খারাপ পড়শি’ বলেও তোপ দেগেছেন তিনি। তবে সরাসরি পাকিস্তানের নাম করেননি তিনি। জয়শঙ্কর বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশকেও। এ ক্ষেত্রেও সে দেশের নাম করেননি বিদেশমন্ত্রী।

    পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি, বাংলাদেশকে বার্তা

    শুক্রবার আইআইটি মাদ্রাজের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। সেখানেই তিনি জানান, নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থকে সুরক্ষিত রাখার অধিকার রয়েছে ভারতের। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা নিয়ে বাইরের কারও পরামর্শ নেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “সন্ত্রাসবাদকে মদত দেওয়া বদ প্রতিবেশী যখন থাকে, তখন ভারতকে তার জনগণকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতেই হয়। আমরা কী ভাবে সেই পদক্ষেপ করব, তা কেউ ঠিক করে দিতে পারে না। আমাদের সুরক্ষার জন্যই আমরা যা করার করব।” একই সঙ্গে বাংলাদেশের নাম না-করেই ভারতের পূর্ব দিকের প্রতিবেশী দেশটিকে বার্তা দিয়েছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “আপনাকে কেউ ভুল বুঝলে, কী ভাবে তা আটকাবেন?” নিজেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “আপনি যদি সততা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেন, তা হলে অন্য দেশ এবং সে দেশের মানুষেরাও সম্মান করবে।” এ ক্ষেত্রে কোনও দেশের উদাহরণ না-দিলেও মনে করা হচ্ছে জয়শঙ্কর বাংলাদেশের কথাই বলতে চেয়েছেন।

    সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি নিয়ে তোপ

    বৃহস্পতিবারই পাকিস্তানের (India-Pakistan) তরফে হুঁশিয়ারির সুরে বলা হয়েছিল, ১৯৬০ সালের সিন্ধু জলবণ্টন (আইডব্লিউটি) চুক্তি ভেঙে ভারত পশ্চিমমুখী নদীগুলির জলের উপর দখলদারি কায়েম করতে চাইলে, কোনও অবস্থাতেই তা বরদাস্ত করা হবে না। শুক্রবার তারও জবাব দিয়েছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “আপনি আমাদের দেশে সন্ত্রাসবাদ ছড়াবেন, আবার জলবণ্টন করার আর্জিও জানাবেন— এটা হতে পারে না।” প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু জলবণ্টন (আইডব্লিউটি) চুক্তি স্থগিত রেখেছে ভারত। জয়শঙ্কর আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের বিষয়টিকে জল-বণ্টন চুক্তি-সহ বৃহত্তর দ্বিপাক্ষিক বাধ্যবাধকতার সঙ্গেও যুক্ত করেন। ভারত কয়েক দশক আগে জল-বণ্টন চুক্তি করেছিল বলে উল্লেখ করে জয়শঙ্কর বলেন, এই ধরনের সহযোগিতা সুসম্পর্কের পূর্বশর্ত। তিনি বলেন, “অনেক বছর আগে আমরা একটি জল-বণ্টন চুক্তিতে সম্মত হয়েছিলাম, কিন্তু যদি কয়েক দশক ধরে সন্ত্রাসবাদ চলে, তবে কোনও সুসম্পর্ক থাকে না। যদি সুসম্পর্ক না থাকে, তবে সেই সুসম্পর্কের সুবিধাগুলোও পাওয়া যায় না।”

  • Tobacco Pan Masala Tax Hike: ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বহুমূল্য সিগারেট, নেশার আরও আরও কোন জিনিসের দাম বাড়ছে?

    Tobacco Pan Masala Tax Hike: ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বহুমূল্য সিগারেট, নেশার আরও আরও কোন জিনিসের দাম বাড়ছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে নেশার জন্য বাড়তি টাকা গুনতে হবে ধূমপায়ীদের! দাম বেড়ে যাচ্ছে সিগারেট, তামাক, পানমশলার (Tobacco Pan Masala Tax Hike)। কেন্দ্রীয় সরকার ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে তামাকজাত দ্রব্য ও পানমশলার উপর বাড়তি কর আরোপের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে চলেছে। জিএসটি কমপেনসেশন সেস (GST Compensation Cess) তুলে দিয়ে তার জায়গায় চালু হচ্ছে নতুন এক্সাইজ ডিউটি এবং স্বাস্থ্য ও জাতীয় নিরাপত্তা সেস (Health and National Security Cess)। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই নতুন কর কাঠামো বিদ্যমান জিএসটি হারের উপর অতিরিক্তভাবে বসবে।

    কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি, কবে থেকে কার্যকর

    প্রায় সাত বছর পরে ফের তামাকজাত পণ্যের উপরে আবগারি শুল্ক বসাতে চলেছে কেন্দ্র। লক্ষ্য রাজস্ব আদায় বাড়ানো এবং তামাকজাত পণ্যের ক্ষেত্রে করফাঁকি ঠেকানো। সম্প্রতি সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে তামাকজাত পণ্যের উপর অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক এবং পানের মশলার উপর নতুন স্বাস্থ্য ও জাতীয় নিরাপত্তা সেস কার্যকর হবে। জিএসটি হারের উপরে অতিরিক্ত হিসেবে এই নতুন কর ব্যবস্থা আরোপ করা হবে। সে ক্ষেত্রে বর্তমানে যে ক্ষতিপূরণ সেস বা কম্পেনসেশন সেস এই তথাকথিত ‘সিন গুডস’ এর উপরে নেওয়া হচ্ছিল, তা সম্পূর্ণ ভাবে তুলে নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বর মাসে সংসদে দুটি পৃথক বিল পাশ হয়, যার মাধ্যমে পানের মশলা উৎপাদনের উপর স্বাস্থ্য ও জাতীয় নিরাপত্তা সেস আরোপ এবং তামাকজাত পণ্যের উপর অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক নেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া তৈরি হয়। সেই বিলগুলির অনুমোদনের পরেই সরকার তা কার্যকর করার তারিখ ঘোষণা করল। অর্থ মন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বর্তমান জিএসটি ক্ষতিপূরণ সেস আর বলবৎ থাকবে না।

    কোন দ্রব্যে কত কর

    সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পানের মশলা (Tobacco Pan Masala Tax Hike), সিগারেট, তামাক এবং অনুরূপ তামাকজাত পণ্যের উপর ৪০ শতাংশ হারে পণ্য ও পরিষেবা কর বা জিএসটি প্রযোজ্য হবে। অন্যদিকে, বিড়ির ক্ষেত্রে জিএসটি হার নির্ধারিত হয়েছে ১৮ শতাংশ। তবে এখানেই করের বোঝা শেষ হচ্ছে না। জিএসটির পাশাপাশি পানের মশলার উপরে আরোপ করা হবে নতুন স্বাস্থ্য ও জাতীয় নিরাপত্তা সেস, আর তামাক ও তামাকজাত অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে নেওয়া হবে অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক। চিউয়িং ও জর্দা সেন্টেড তামাক এবং গুটখার উপরে যথাক্রমে ৮২ শতাংশ এবং ৯১ শতাংশ হারে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হবে। অর্থাৎ, জিএসটির বাইরে পৃথকভাবে এই কর আদায় করা হবে, যা সংশ্লিষ্ট পণ্যের চূড়ান্ত দাম আরও বাড়িয়ে দেবে। সিগারেটের ফিল্টারের আকার এবং দৈর্ঘ্যের উপর ভিত্তি করে শুল্ক ধার্য করা হবে। সে ক্ষেত্রে দাম ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের দাবি।

    কর ফাঁকি দেওয়া কঠিন

    বুধবার এই সংক্রান্ত আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। ‘চিউইং টোব্যাকো, জর্দা সেন্টেড টোব্যাকো এবং গুটখা প্যাকিং মেশিনস (ক্যাপাসিটি ডিটারমিনেশন অ্যান্ড কালেকশন অব ডিউটি) রুলস, ২০২৬’ নামে নতুন নিয়ম কার্যকর করার কথা জানানো হয়েছে। এই নিয়মে তামাক ও গুটখা উৎপাদনে ব্যবহৃত প্যাকিং মেশিনের উৎপাদন ক্ষমতার ভিত্তিতে শুল্ক নির্ধারণ ও আদায়ের একটি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। সরকারের বক্তব্য, এর ফলে কর ফাঁকি রোধ করা সহজ হবে এবং উৎপাদনের প্রকৃত পরিমাণ অনুযায়ী রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করা যাবে। এই নিয়মে, তামাকজাত পণ্য, গুটখা এবং পান মশলার প্যাকেজিং ও পাউচ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিকে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে তাদের কারখানায় যেখানে প্যাকিং মেশিন রয়েছে, সেখানে সিসিটিভি-র ব্যবস্থা করতে হবে। কমপক্ষে দু’বছরের জন্য এই সিসিটিভি-র ফুটেড সংরক্ষণ করতে হবে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে।

    জনস্বাস্থ্যেই এই পদক্ষেপ

    এর পাশাপাশি উৎপাদনকারী সংস্থাকে কারখানায় কতগুলি মেশিন রয়েছে এবং তাদের উৎপাদন ক্ষমতা কত তা আবগারি দফতরের আধিকারিকদের জানাতে হবে। কমপক্ষে ১৫ দিন কোনও মেশিন বন্ধ থাকলে তা জানিয়ে আবগারি শুল্কে ছাড়ের দাবিও জানাতে পারবে সংস্থাগুলি। সরকারের দাবি, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। তামাক ও পানের মশলা ব্যবহারের ফলে জনস্বাস্থ্যের উপরে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, তা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এই ক্ষেত্র থেকে রাজস্ব আদায়ের কাঠামো আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করাই এই পরিবর্তনের মূল উদ্দেশ্য। তবে শিল্প মহলের একাংশের আশঙ্কা, করের অতিরিক্ত বোঝার ফলে উৎপাদন খরচ ও খুচরো দাম বাড়তে পারে, যার প্রভাব পড়বে ক্রেতাদের উপরে।

  • Indian Air Force: বায়ুসেনার আধুনিকীকরণে সবুজ সংকেত কেন্দ্রের, আসছে রিফুয়েলার ও অ্যাওয়াক্স

    Indian Air Force: বায়ুসেনার আধুনিকীকরণে সবুজ সংকেত কেন্দ্রের, আসছে রিফুয়েলার ও অ্যাওয়াক্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) যুদ্ধক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা কেনাকাটায় অনুমোদন দিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এই সিদ্ধান্তের ফলে ২০২৬ সালের মধ্যেই বায়ুসেনা আরও শক্তিশালী ও আধুনিক বাহিনীতে রূপান্তরিত হবে বলে মনে করছে মন্ত্রক ও প্রতিরক্ষা মহল। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্য-আকাশে জ্বালানি ভরার বিমান, আকাশপথে আগাম সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের প্রস্তাবে ছাড়পত্র দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এর পাশাপাশি, “মেক ইন ইন্ডিয়া” উদ্যোগের আওতায় ফ্রান্স থেকে ১১৪টি মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট (MRFA) কেনার প্রক্রিয়াও দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

    ছয়টি বোয়িং ৭৬৭ মিড-এয়ার রিফুয়েলার

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (DAC) বা প্রতিরক্ষা ক্রয় পরিষদের নেওয়া প্রধান সিদ্ধান্তগুলির মধ্যে রয়েছে ইজরায়েল থেকে ছয়টি বোয়িং ৭৬৭-ভিত্তিক মিড-এয়ার রিফুয়েলার কেনার পরিকল্পনা। ইজরায়েল থেকে ছয়টি রিফুয়েলার কেনার জন্য মূল্য চূড়ান্ত করতে একটি কমিটি গঠন করছে মন্ত্রক। এই প্রকল্পের আনুমানিক খরচ প্রায় ১০,০০০ কোটি টাকা। একমাত্র দরদাতা হিসেবে ইজরায়েল এরোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ-এর (IAI) সঙ্গে আলোচনা চলছে। দাম নির্ধারণ শেষ হলে প্রস্তাবটি ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (CCS)-এর কাছে পাঠানো হবে। বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে ২০০৩ সালে অন্তর্ভুক্ত ছয়টি রাশিয়ান আইএল-৭৬এম রিফুয়েলার রয়েছে। তবে রক্ষণাবেক্ষণ ও দ্রুত প্রস্তুতির সমস্যায় এই বহর কার্যকারিতা হারাচ্ছে বলে জানিয়েছে বায়ুসেনা।

    ১২টি এমব্রেয়ারে বসবে এইডব্লু অ্যান্ড সি

    একই সঙ্গে ব্রাজিল ও ফ্রান্সের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ১২টি এইডব্লু অ্যান্ড সি (AEW&C) সিস্টেম সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বৈঠকে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক শীঘ্রই ব্রাজিল থেকে ছয়টি এমব্রেয়ার বিমান কেনার জন্য রিকোয়েস্ট ফর প্রোপোজাল (RFP) জারি করতে চলেছে। এই বিমানগুলিতে বসানো হবে ডিআরডিও-উন্নত নেত্রা মার্ক-২ এইএসএ রেডার, যা ২৭০ ডিগ্রি নজরদারি এবং উন্নত ইলেকট্রনিক ও নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক যুদ্ধে সক্ষমতা বাড়াবে।

    ৬টি এয়ারবাস হয়ে উঠবে অ্যাওয়াক্স

    একইসঙ্গে, ফ্রান্স থেকে কেনা ছয়টি এয়ারবাস এ৩১৯ বিমানে ৩৬০ ডিগ্রি রোটোডোম রেডার বসিয়ে সেগুলিকে পূর্ণাঙ্গ অ্যাওয়াক্স (AWACS) প্ল্যাটফর্মে রূপান্তর করছে মন্ত্রক। মিড-এয়ার রিফুয়েলার ও অ্যাওয়াক্স-এর ঘাটতির বিষয়টি অপারেশন সিন্দুর চলাকালীন স্পষ্টভাবে সামনে আসে, যখন পাকিস্তানের তুলনায় এই ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার অভিজ্ঞতা হয় বায়ুসেনার। পাশাপাশি,  ফ্রান্স থেকে রাফাল যুদ্ধবিমানের জন্য ৩৬টি অতিরিক্ত মিটিওর এয়ার-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র কেনার অনুমোদন দিয়েছে। কয়েকদিন আগেই, রুশ নির্মিত এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য ২৮০টি দীর্ঘ ও স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কেনার ছাড়পত্র দিয়েছিল ডিএসি।

    নজরে ১১৪টি এমআরএফএ

    এছাড়া ১১৪টি এমআরএফএ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতিমূলক কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। দেশীয় উপাদানের ব্যবহার বাড়ানোর দিকেও জোর দিচ্ছে সরকার। ভারতে রাফাল বিমানের রক্ষণাবেক্ষণের (MRO) পরিকাঠামো আগে থেকেই থাকায়, নতুন কোনও যুদ্ধবিমান ধারা চালুর বদলে বিদ্যমান ব্যবস্থাকে আরও সম্প্রসারিত করার পক্ষে মত দিয়েছেন আধিকারিকরা। সবশেষে, আকাশপথে বিভিন্ন ধরনের হুমকি মোকাবিলায় ভারত ও রাশিয়া গভর্নমেন্ট-টু-গভর্নমেন্ট পথে আরও পাঁচটি এস-৪০০ ব্যবস্থা এবং প্যান্টসির মাঝারি পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংগ্রহের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে।

  • Vande Bharat Sleeper: দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার পেল কলকাতা, গুয়াহাটি পর্যন্ত এই ট্রেনের ভাড়া কত?

    Vande Bharat Sleeper: দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার পেল কলকাতা, গুয়াহাটি পর্যন্ত এই ট্রেনের ভাড়া কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে বাংলাকে উপহার ভারতীয় রেলের। দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন পাচ্ছে বাংলা। এবার গুয়াহাটি থেকে কলকাতা রুটেও ছুটবে বন্দে ভারত। তবে তা স্লিপার ভার্সন। অর্থাৎ বসে নয়, শুয়েই দীর্ঘপথ পাড়ি দেওয়া যাবে। আজ বৃহস্পতিবার, বছরের প্রথমদিন নয়া এই রুটের ঘোষণা করেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁর কথায়, জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুয়াহাটি-কলকাতা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন।

    কবে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু

    প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পাওয়ার জন্য অনেকদিন অপেক্ষা করতে হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গকে। ২০২৬ সালের পয়লা দিনে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, কলকাতা এবং গুয়াহাটির মধ্যে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালানো হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১৮ জানুয়ারি বা ১৯ জানুয়ারি হাওড়া-গুয়াহাটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের অনুমোদন মিললেই ঠিক হয়ে যাবে যে কবে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করা হবে।

    কোন রুটে চলবে ট্রেন?

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ফলে উত্তর বা দক্ষিণ – কোনও বঙ্গের মানুষের মনেই দুঃখ থাকবে না। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, হাওড়া থেকে ব্যান্ডেল, কাটোয়া হয়ে মালদা টাউন ছুঁয়ে এনজেপি পৌঁছবে এই ট্রেন। তারপরে নিউ কোচবিহার হয়ে নিউ বঙ্গাইগাঁও হয়ে গুয়াহাটি পৌঁছবে ট্রেনটি। অসমের কামরূপ মেট্রোপলিটন, বঙ্গাইগাঁও, পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, মালদা, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া জেলা জুড়বে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন।

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ভাড়া

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, কলকাতা থেকে গুয়াহাটিতে বিমানে করে যেতে যা খরচ পড়ে, তার থেকে অনেক কম ভাড়ায় বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে যাতায়া করা যাবে। প্লেনে ভাড়া পড়ে ৬,০০০ টাকা থেকে ৮,০০০ টাকার মধ্যে। সেখানে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে থার্ড এসিতে যেতে খাবার-সহ খরচ হবে ২,৩০০ টাকার মধ্যে। আর সেকেন্ড এসির ক্ষেত্রে গুণতে হবে প্রায় ৩,০০০ টাকা। আর ফার্স্ট এসিতে প্রায় ৩,৬০০ টাকা ভাড়া পড়বে। মধ্যবিত্তের কথা মাথায় ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। ট্রেনের অন্যতম আকর্ষণ থাকবে বাঙালি ও অসমিয়া খাবার। জানা যাচ্ছে, কলকাতা থেকে ছাড়ার সময় বাঙালি খাবার এবং গুয়াহাটি থেকে ছাড়ার সময় অসমিয়া খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন যাত্রীরা।

    কতজন যাত্রা করতে পারবেন এই ট্রেনে

    দেশের অন্যতম প্রিমিয়াম ট্রেনগুলির মধ্যে একটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। যা নিঃসন্দেহে রেল পরিষেবায় গতি বাড়িয়েছে। এবার দেশের ট্র্যাকেই ছুটবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বন্দেভারতের স্লিপার ভার্সন। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, গুয়াহাটি-কলকাতার মধ্যে ছুটবে এই ট্রেন। ১৬ কোচের ট্রেনটি সম্পূর্ণ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত। শুধু তাই নয়, কবচ, ইমার্জেন্সি টক ব্যাক সিস্টেমের মতো অত্যাধুনিক সমস্ত পরিষেবাই যাত্রীরা এই ট্রেনে পাবেন বলে জানিয়েছেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। জানা গিয়েছে, ১৬টি কোচের মধ্যে ১১টি এসি থ্রি-টায়ার, চারটি এসি ২ টায়ার এবং একটি ফার্স্ট ক্লাস এসি কোচ থাকবে। একসঙ্গে ৮২৩ জন যাত্রী নয়া এই ট্রেনে যাত্রা করতে পারবেন বলেও জানা গিয়েছে।

    বন্দেভারত স্লিপারে ‘ওয়াটার টেস্ট’

    গত কয়েকদিন আগেই নয়া বন্দেভারত স্লিপারে ‘ওয়াটার টেস্ট’ করা হয়। সেই ভিডিও খোদ রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব নিজে তাঁর সমাজমাধ্যমে দিয়েছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ট্রেনটিকে ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার গতিতে চালানো হলেও গ্লাস থেকে একটুকু জল চলকে পড়ছে না। কোটা থেকে নাগদা সেকশনে ট্রেনটির পরীক্ষা করা হয়। সেখানে একেবারে ফুল মার্কস নিয়েই পরীক্ষায় পাশ করে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি।

  • RSS: জাতপাতের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যের আহ্বান সংঘ প্রধান মোহন ভাগবতের

    RSS: জাতপাতের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যের আহ্বান সংঘ প্রধান মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবাসীর কাছে জাতপাত, ভাষা ও সম্পদের ভিত্তিতে বিভাজনের মানসিকতা ছেড়ে ঐক্যের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানালেন আরএসএসের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, গোটা দেশটাই সবার, এবং এই ভাবনাই প্রকৃত সামাজিক সম্প্রীতির ভিত্তি। ছত্তিশগড়ের রায়পুর জেলার সোনপাইরি গ্রামে আয়োজিত এক হিন্দু সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভাগবত বলেন, সমাজে অন্তর্ভুক্তিমূলক মানসিকতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। তাঁর মতে, প্রকৃত সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ হল মানুষের মন থেকে বৈষম্যের বোধ দূর করা। দেশকে দেখতে হবে ঐক্যের দৃষ্টিভঙ্গিতে। মন্দির, জলাশয় ও শ্মশানঘাটের মতো জনসাধারণের পরিকাঠামো সব হিন্দুর জন্যই উন্মুক্ত থাকা উচিত।

    এই দেশ সবার (RSS)

    ভাগবত বলেন, “এই দেশ সবার। এই অনুভূতিই প্রকৃত সামাজিক সম্প্রীতি। কাউকে জাত, সম্পদ, অঞ্চল বা ভাষার ভিত্তিতে বিচার করা উচিত নয়।” তিনি সবাইকে একে অপরকে নিজের লোক হিসেবে গ্রহণ করার আহ্বান জানান। এই দৃষ্টিভঙ্গিকে তিনি ‘সামাজিক সমরসতা’ (Samajik Samrasta) বলে অভিহিত করেন। পারিবারিক বন্ধন পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি। সরসংঘচালকের মতে,  প্রতিটি পরিবারে অন্তত সপ্তাহে এক দিন সবাইর একসঙ্গে সময় কাটানো উচিত। এক সঙ্গে খাবেন, প্রার্থনা করবেন ও অর্থপূর্ণ আলোচনাও করবেন। এই ধরনের আলোচনাকে তিনি ‘মঙ্গল সংলাপ’ (Mangal Samvad) বলে উল্লেখ করেন।আধুনিক জীবনে একাকীত্বের ক্রমবর্ধমান সমস্যার প্রসঙ্গ তুলে ধরে ভাগবত বলেন, পরিবারের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ থাকলে মানুষ ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে দূরে থাকতে পারে। তাঁর কথায়, “মানুষ যখন একা (RSS) অনুভব করে, তখনই অনেক সময় কু-অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ে। পরিবারের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা ও যোগাযোগ এই প্রবণতা রোধ করতে পারে।”

    ‘কুটুম্ব প্রবোধন’

    ‘কুটুম্ব প্রবোধনে’র (Kutumb Prabodhan) উল্লেখ করে প্রত্যেক নাগরিককে আত্মসমালোচনার আহ্বানও জানান ভাগবত। প্রতিদিন কে, কতটা সমাজ ও দেশের জন্য সময় ও শ্রম দিচ্ছেন, তা ভেবে দেখার অনুরোধও করেন তিনি (Mohan Bhagwat)। ভাগবত বলেন, পারস্পরিক সংলাপ ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। ঐক্যের নামে কখনও সংঘাত বা বিবাদ হওয়া উচিত নয়। বিশ্ব উষ্ণায়ন ও পরিবেশগত ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আরএসএস প্রধান সাধারণ মানুষকে ব্যক্তিগত স্তর থেকেই পরিবেশ সংরক্ষণ শুরু করার আহ্বান জানান (RSS)। তিনি জল সংরক্ষণ, বৃষ্টির জল সংগ্রহ, একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক কমানো এবং আরও বেশি গাছ লাগানোর ওপরও গুরুত্ব দেন। ঘরে মাতৃভাষার ব্যবহার, ভারতীয় পোশাকের প্রতি সম্মান এবং ওষুধের মতো জরুরি প্রয়োজন ছাড়া দেশীয় পণ্য ব্যবহারের মাধ্যমে স্বদেশিকে সমর্থন করার কথাও বলেন সরসংঘচালক।

    কী বললেন ভাগবত

    নাগরিক শৃঙ্খলার ওপর জোর দিয়ে ভাগবত বলেন, সংবিধান মেনে চলা, প্রস্তাবনা (প্রিঅ্যাম্বল), মৌলিক কর্তব্য ও নাগরিক দায়িত্ব নিয়মিত পাঠ করা জরুরি। এই মূল্যবোধগুলিকে বয়োজ্যেষ্ঠদের সম্মান করা ও বিপন্নদের সাহায্য করার মতো ঐতিহ্যবাহী সামাজিক আচরণের সঙ্গে সমন্বয় করে চলার আহ্বানও জানান তিনি। আরএসএসের যাত্রাপথের কথা উল্লেখ করে ভাগবত জানান, নাগপুরে একটি ছোট শাখা হিসেবে শুরু হওয়া এই সংগঠন আজ সারা ভারতে বিস্তৃত। তিনি বলেন, “আজ কাশ্মীর, মিজোরাম, আন্দামান, সিকিম, কচ্ছ থেকে শুরু করে ভারতের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম—সব জায়গায়ই আরএসএস স্বেচ্ছাসেবকদের উপস্থিতি রয়েছে।” এই বিস্তারের কৃতিত্ব তিনি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারকে দেন এবং তাঁর আজীবন ত্যাগ ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন। ভাগবতের মতে, ১০০ বছর পূর্ণ হওয়াটা (RSS) বড় সাফল্য নয়, বরং সারা দেশে সংঘের কাজ পৌঁছে যাওয়াই আসল অর্জন (Mohan Bhagwat)।

  • India Defence Deals: সামরিক আধুনিকীকরণে বড় পদক্ষেপ, নতুন কার্বাইন ও হেভিওয়েট টর্পিডো কিনছে ভারত

    India Defence Deals: সামরিক আধুনিকীকরণে বড় পদক্ষেপ, নতুন কার্বাইন ও হেভিওয়েট টর্পিডো কিনছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে ৪,৬৬৬ কোটি টাকা মূল্যের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করল কেন্দ্রের মোদি সরকার। এই চুক্তির মাধ্যমে ভারতীয় সেনা ও নৌবাহিনীর জন্য ক্লোজ কোয়ার্টার ব্যাটল (CQB) কার্বাইন এবং হেভিওয়েট টর্পিডো কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

    ৪.২৫ লক্ষ সিকিউবি কার্বাইন

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতীয় সেনা ও নৌবাহিনীর জন্য ৪.২৫ লক্ষের বেশি সিকিউবি কার্বাইন ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম সরবরাহ করতে সরকার প্রায় ২,৭৭০ কোটি টাকার চুক্তি করেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ভারত ফোর্জ লিমিটেড ও পিএলআর সিস্টেমস প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। আধুনিক এই কার্বাইনগুলি পুরনো অস্ত্রের জায়গা নেবে এবং সীমিত পরিসরের যুদ্ধ ও শহুরে সংঘর্ষে সেনাদের কার্যক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, বহু প্রতিক্ষিত সিকিউবি কার্বাইন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের স্থলবাহিনী আধুনিক ও বিশ্বমানের অস্ত্রে সজ্জিত হবে এবং খুব কাছে থেকে সরাসরি মুখোমুখি সংঘাতে সেনার কার্যকারিতা বাড়বে। একইসঙ্গে, ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে সরকার এই প্রকল্পে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক মনে করছে, এই চুক্তির ফলে দেশীয় উৎপাদন বাড়বে এবং প্রতিরক্ষা খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

    ৪৮ হেভিওয়েট টর্পিডো

    অন্যদিকে, ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবমেরিন শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক প্রায় ১,৮৯৬ কোটি টাকার পৃথক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইটালির ওয়াস সাবমেরিন সিস্টেম সংস্থার সঙ্গে। এই চুক্তির আওতায় নৌবাহিনী ৪৮টি হেভিওয়েট টর্পিডো পাবে, যা কালভারি শ্রেণির (প্রজেক্ট–৭৫) সাবমেরিনে সংযুক্ত করা হবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ২০২৮ সালের এপ্রিল থেকে টর্পিডোর সরবরাহ শুরু হবে এবং ২০৩০ সালের শুরুর দিকে তা সম্পূর্ণ হবে। নতুন টর্পিডো যুক্ত হলে জলের নিচে ভারতীয় নৌবাহিনীর আক্রমণ সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে বলে মন্ত্রকের দাবি।

    প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এখনও পর্যন্ত ১,৮২,৪৯২ কোটি টাকার মূলধনী প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। মোদি সরকার জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও সেনা ও নৌবাহিনীর যুদ্ধক্ষমতা বাড়াতে আধুনিক অস্ত্র ও প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

  • PM Modi: সমৃদ্ধ ভারত গঠনের আহ্বান, দেশবাসীর সুস্থ জীবন প্রার্থনা করলেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি

    PM Modi: সমৃদ্ধ ভারত গঠনের আহ্বান, দেশবাসীর সুস্থ জীবন প্রার্থনা করলেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাগত ২০২৬! নতুন বছরে পা রাখল বিশ্ব। পৃথিবীর নানা প্রান্তে যখন নতুন বর্ষবরণের আনন্দ, সেই সময়ে দেশের মানুষকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Wishing New Year) ও রাষ্ট্রপতি (President of India) দ্রৌপদী মুর্মু। দেশকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করার বার্তা দিলেন। দেশবাসীর উন্নতিতে প্রার্থনা করলেন। আহ্বান জানালেন সমৃদ্ধ ভারত গঠনের।

    প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির বার্তা

    নতুন বছরের শুভেচ্ছা বার্তায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) ভারতে এবং ভারতের বাইরে বসবাসকারী সকল ভারতীয়কে (Indian) শুভেচ্ছা জানান। তিনি জানান, “নতুন বছর শক্তির পুণর্নবীকরণ এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতীক। একই সঙ্গে এটি আত্ম দর্শনের এবং নতুন সংকল্পেরও সুযোগ এনে দেয়। এই অবসরে জাতির উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং প্রকৃতির রক্ষায় আমাদের প্রতিশ্রুতিকে আমরা আরও শক্তিশালী করি।” নতুন বছরের শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর জন্য প্রার্থনা করেন, যেন আগামী বছর প্রত্যেকের সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসে। সেই সঙ্গে সকল প্রচেষ্টায় সফলতা ও সকল কার্যপূরণ হয়। তিনি বলেন, “আমাদের সমাজের শান্তি এবং সুখ প্রতিষ্ঠার প্রার্থনা করি। আশা রাখি ২০২৬ আমাদের জীবনে শান্তি, সুখ, সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক এবং আমাদের মধ্যে নতুন শক্তি সঞ্চারিত করুক যাতে আমরা আরও শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ ভারত গড়ে তুলতে পারি। “

    বিশ্বজুড়ে বর্ষবরণ

    নববর্ষের আগের রাত শুরু হতেই বিশ্বজুড়ে মানুষ আতশবাজি, পারিবারিক জমায়েত এবং নতুন বছরের সংকল্পের মাধ্যমে আগামী বছরকে স্বাগত জানানো শুরু করেছিলেন সকলে। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দের মুহূর্ত ভাগ করে নিয়ে সবাই উদযাপনে মেতে উঠেছিলেন। এই বিশ্বব্যাপী উদযাপনের সূচনা করে প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতি, যা ক্রিসমাস আইল্যান্ড নামেও পরিচিত। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে এখানেই আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালকে স্বাগত জানানো হয়েছে। মধ্যরাত যত এগিয়ে আসছে, ততই উৎসবের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে উঠছে ভারতের নানা শহরও। বড় শহর থেকে শুরু করে ছোট শহর—সর্বত্রই পার্টি, আলোর সাজ, আতশবাজি এবং পারিবারিক ও বন্ধুমহলের জমায়েতে উচ্ছ্বাসের আবহ। হোটেল, রেস্তোরাঁ, ক্লাব ও খোলা প্রাঙ্গণে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। অনেকেই আবার বাড়িতেই প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পরিকল্পনা করছেন। মন্দিরে প্রার্থনা, বাড়িতে বিশেষ রান্না এবং শুভেচ্ছা বার্তা আদানপ্রদানের মধ্য দিয়ে অনেক পরিবার নতুন বছরের সূচনা করতে চান।

  • RailOne: নববর্ষের উপহার! রেলওয়ান অ্যাপে অসংরক্ষিত টিকিট কেনায় ৩ শতাংশ ছাড়, ঘোষণা রেলের

    RailOne: নববর্ষের উপহার! রেলওয়ান অ্যাপে অসংরক্ষিত টিকিট কেনায় ৩ শতাংশ ছাড়, ঘোষণা রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল লেনদেনকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার উদ্দেশ্যে ভারতীয় রেলের মন্ত্রক একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছে। এখন থেকে রেলওয়ান (RailOne) মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে যে কোনও ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে অসংরক্ষিত টিকিট (Unreserved Tickets) কিনলে, যাত্রীরা টিকিটের মূল্যের উপর ৩ শতাংশ ছাড় পাবেন। এই উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য হল যাত্রীদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের দিকে আরও বেশি উৎসাহিত করা। তবে এই ছাড়টি রেলওয়ান অ্যাপের (Indian Rail) সমস্ত ডিজিটাল পেমেন্ট মোডে প্রযোজ্য হবে।

    কবে থেকে কবে ছাড় (RailOne)?

    ৩০ ডিসেম্বর ২০২৬ তারিখের এক সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থাটি ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে ১৪ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত, অর্থাৎ মোট ছয় মাস জুড়ে কার্যকর থাকবে। বর্তমানে রেলওয়ান অ্যাপ ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র অ্যাপের নিজস্ব ওয়ালেট পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে লেনদেন (Indian Rail) করলে ৩ শতাংশ ক্যাশব্যাকের সুবিধাও পাবেন। তবে রেল মন্ত্রক (RailOne) এখন এই উৎসাহমূলক সুবিধাটিকে ডিজিটাল পেমেন্টের বিস্তৃত পরিসরে প্রসারিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    ডিজিটাল বুকিংকে আরও জনপ্রিয়

    রেলে মন্ত্রক (Indian Rail) সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেম (CRIS)-কে পাঠানো এক চিঠিতে জানিয়েছে, ডিজিটাল বুকিংকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার উদ্দেশ্যে রেলওয়ান (RailOne) অ্যাপে সমস্ত ডিজিটাল পেমেন্ট মোডের মাধ্যমে অসংরক্ষিত টিকিট বুকিংয়ের উপর ৩ শতাংশ ছাড়-এর পরিষেবা দেবে। একই ভাবে রেলের প্রযুক্তিগত বিভাগ সিআরআইএ (CRIS)-কে এই নতুন সুবিধাটি চালু করার আগে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়াও হয়েছে।

    রেলের (Indian Rail) এক আধিকারিক এই প্রসঙ্গে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বিদ্যমান ৩ শতাংশ ক্যাশব্যাক অফারটি নতুন ছাড়ের প্রকল্পের পাশাপাশি চলতে থাকবে। তবে ৩ শতাংশ ছাড়ের এই নতুন সুবিধাটি শুধুমাত্র রেলওয়ান অ্যাপের মাধ্যমে করা সমস্ত ডিজিটাল পেমেন্টের জন্য প্রযোজ্য হবে। অন্য কোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে টিকিট কাটলে এই ছাড় পাওয়া যাবে না।

LinkedIn
Share