Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার তিন দেশ সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সোমে রওনা দেবেন

    PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার তিন দেশ সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সোমে রওনা দেবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় তিন দেশ সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আগামী সপ্তাহে তিনি জর্ডন, ইথিওপিয়া এবং ওমান সফর করবেন। পশ্চিম এশিয়ার এই তিন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত (West Asia) করতেই এই সফর তাঁর। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজা আব্দুল্লাহ দ্বিতীয় বিন আল হুসেইনের আমন্ত্রণে ১৫ থেকে ১৬ ডিসেম্বর জর্ডন সফর করবেন মোদি। ১৬ থেকে ১৭ ডিসেম্বর তিনি সফর করবেন ইথিওপিয়া। ১৭ তারিখে ওমানে পৌঁছবেন। ১৮ তারিখে শেষ হবে তাঁর তিন দেশ সফর।

    জর্ডন সফর (PM Modi)

    জানা গিয়েছে, জর্ডন সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী সে দেশের রাজার সঙ্গে বৈঠক করবেন। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনা করতে এবং আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে মত বিনিময়ের জন্যই করবেন এই বৈঠক। এই সফর দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫তম বার্ষিকীকে চিহ্নিত করবে। সম্পর্ক আরও মজবুত করা, পারস্পরিক উন্নয়নের জন্য নয়া সহযোগিতার পথ খুঁজে বের করা এবং আঞ্চলিক শান্তি, সমৃদ্ধি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রতি অঙ্গীকার করার সুযোগ দেবে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

    ইথিওপিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী

    ইথিওপিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী সে দেশের প্রধানমন্ত্রী আবিয় আহমেদ আলির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের সব দিক নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করবেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “গ্লোবাল সাউথের অংশীদার হিসেবে এই সফর দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর করার যৌথ প্রতিশ্রুতিকে পুনর্ব্যক্ত করবে।” এও বলা হয়েছে, মোদির ইথিওপিয়া সফর আফ্রিকার সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ইচ্ছেকে তুলে ধরে। নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বিদেশ মন্ত্রকের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “গ্লোবাল সাউথের অংশীদার হিসেবে এই সফর দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা অগ্রসর করার যৌথ প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করবে (PM Modi)।”

    মোদির ওমান সফর

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওমান সফরটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৭০ বছর পূর্তি চিহ্নিত করবে। তাঁর এই সফর হচ্ছে ২০২৩ সালের (West Asia) ডিসেম্বর মাসে ভারতে ওমানের সুলতানের রাষ্ট্রীয় সফরের পর। ভারত ও ওমান সর্বব্যাপী কৌশলগত অংশীদারিত্ব, বাণিজ্যিক সংযোগ এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সংযোগ শেয়ার করে। এই সফরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি এবং প্রতিরক্ষা-সহ দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্র পর্যালোচনা করার কথা রয়েছে। আলোচনার অন্যান্য বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তা, প্রযুক্তি, কৃষি ও সংস্কৃতি। এর পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়েও মতামত বিনিময় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

    ভারত ও ওমানের মধ্যে যৌথ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (CEPA) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা ও স্বাক্ষরিত হওয়ার আশাও করা হচ্ছে। ওমানের শূরা কাউন্সিল এই সপ্তাহে চুক্তিটি অনুমোদন করেছে। এর লক্ষ্য হল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি করা (PM Modi)। এদিকে, তিন দিনের ভারত সফরে রয়েছেন ইতালির উপপ্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি। একাধিক খাতে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব জোরদার করার লক্ষ্যে একাধিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে (West Asia)। তাঁর এই সফরে রয়েছে বড় ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধিদলও। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইতালি যে যথেষ্ট মনোযোগী, তারই প্রতিফলন আন্তোনিওর এই সফর (PM Modi)।

  • ADB: মোদি জমানায় ঊর্ধ্বমুখী ভারতের অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.২ শতাংশ করল এডিবি

    ADB: মোদি জমানায় ঊর্ধ্বমুখী ভারতের অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.২ শতাংশ করল এডিবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জমানায় যে ভারতের অর্থনীতির লেখচিত্র ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী, তার ইঙ্গিত মিলেছে দেশ-বিদেশের নানা রিপোর্টে। এবার নয়া আশার বাণী শোনাল এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্ক বা এডিবি (ADB)। সংস্থাটি ২০২৬ সালের জন্য ভারতের প্রবৃদ্ধির (India’s Growth) পূর্বাভাস ৬.৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করেছে ৭.২ শতাংশ। সাম্প্রতিক কর ছাড়ের ফলে ঘরোয়া চাহিদা বেড়ে যাওয়ায়ই এই উন্নীত পূর্বাভাসের মূল কারণ হিসেবে দেখেছে এই ব্যাঙ্ক। এই সংশোধন এশিয়া অঞ্চলের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসেও ইতিবাচক অবদান রাখছে। ২০২৫ সালের আঞ্চলিক পূর্বাভাস ৪.৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫.১ শতাংশ। ব্যাঙ্কটি জানিয়েছে, সরবরাহের ক্ষেত্রে উৎপাদন ও সেবা খাতে শক্তিশালী সম্প্রসারণ এবং চাহিদার ক্ষেত্রে ভোগ ও বিনিয়োগের সুস্থ সমন্বয় দেশের প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তবে, তাদের ২০২৭ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৫ শতাংশেই রয়ে গিয়েছে।

    এডিবির রিপোর্ট (ADB)

    এডিবির সদ্য প্রকাশিত এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (ডিসেম্বর ২০২৫) অনুযায়ী, “ভারতের ২০২৫ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.২ শতাংশ করা হয়েছে। কারণ কর কমানোর ফলে ভোক্তা ব্যয় বাড়ায় দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী হয়েছে।” জুলাই–সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে অর্থনীতি ৮.২ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গত ছয় ত্রৈমাসিকের মধ্যে দ্রুততম এবং আগের ত্রৈমাসিকের ৭.৮ শতাংশের তুলনায় বেশি। দু’টি ত্রৈমাসিক মিলিয়ে চলতি অর্থবর্ষের প্রথমার্ধেই ভারত ইতিমধ্যেই ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি করে ফেলেছে।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া

    চলতি মাসের শুরুর দিকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াও তাদের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭.৩ শতাংশ করেছে। এটি দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের আশাতীত শক্তিশালী প্রবৃদ্ধিকে প্রতিফলিত করে। তবুও তারা বছরের দ্বিতীয়ার্ধে সামান্য মন্থরের আশঙ্কা করছে। কারণ সরকারি মূলধনি ব্যয় কমবে এবং আমেরিকার চড়া শুল্ক নির্দিষ্ট রফতানি খাতে চাপ সৃষ্টি করবে। তাদের আশা, তৃতীয় ত্রৈমাসিকে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ এবং চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ৬.৫ শতাংশ হবে।

    প্রত্যাশার চেয়েও বেশি প্রবৃদ্ধি

    এডিবি আরও উল্লেখ করেছে যে, “তৃতীয় ত্রৈমাসিকে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধির পর ভারতের ২০২৫ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস (ADB) ০.৭ শতাংশ পয়েন্ট বাড়িয়ে ৭.২ শতাংশ করা হয়েছে, যা মূলত সাম্প্রতিক কর কমানোর ফলে শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ ভোগ বৃদ্ধির দ্বারা চালিত।” প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ঝুঁকি মোটের ওপর সামঞ্জস্যপূর্ণ রয়ে গিয়েছে। বলা হয়েছে, “ঝুঁকি সামঞ্জস্যপূর্ণ রয়েছে, যেখানে বাণিজ্য উত্তেজনা তীব্র হলে এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত ধাক্কা এলে নিম্নমুখী ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে, আর যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় ভারতের জন্য শুল্ক হার কমে, তবে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে (India’s Growth)।”

    মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাসও কমানো হয়েছে। ২০২৬ সালের অনুমান ৩.১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২.৬ শতাংশ করা হয়েছে। কারণ এতে অবদান রয়েছে অনুকূল বর্ষা, শক্তিশালী কৃষি উৎপাদন এবং জিএসটি হার সমন্বয়ের প্রভাবের। যদিও শাক-সবজি ও ডালের দাম কমায় সাম্প্রতিক সময়ে হেডলাইন-ভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতি নেমে এসেছে। এডিবি এই বলে সতর্ক করেছে যে, ২০২৭ সালের শুরুর দিকে বেস এফেক্ট ক্ষীণ হয়ে এলে এই প্রবণতা ফের ঘুরে দাঁড়াতে পারে (ADB)।

  • Modi-Trump Talk: পুতিন-সফরের পরেই মোদির সঙ্গে ফোনালাপ ট্রাম্পের! ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের উষ্ণতায় কি শঙ্কিত আমেরিকা?

    Modi-Trump Talk: পুতিন-সফরের পরেই মোদির সঙ্গে ফোনালাপ ট্রাম্পের! ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের উষ্ণতায় কি শঙ্কিত আমেরিকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত–মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। এই আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Modi-Trump Talk) বৃহস্পতিবার ফোনে কথা বলেন। দুই নেতা বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তাসহ নানা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয় নিয়ে কথা বলেন। দুই নেতা ভারত-মার্কিন কৌশলগত অংশীদারিত্বের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছেন। পাশাপাশি সকল ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ধারাবাহিকভাবে জোরদার করার বিষয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মনে করা হচ্ছে ভারত-রাশিয়া সখ্য বৃদ্ধিতে চাপ বেড়েছে আমেরিকার। আলোচনার সময়, প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দুই নেতাই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিজেদের প্রচেষ্টা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।

    কী কী নিয়ে আলোচনা দুই নেতার মধ্যে

    প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (Modi-Trump Meeting) দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেছেন। এই বিষয়গুলি ভারত-মার্কিন কমপ্যাক্ট-এর মূল উপাদান। এর লক্ষ্য একবিংশ শতাব্দীর জন্য সামরিক অংশীদারিত্ব, দ্রুত বাণিজ্য এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতার সুযোগগুলিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। দুই নেতা বিশ্বব্যাপী ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ঘটনা নিয়েও আলোচনা করেছেন। পাশাপাশি, দুই দেশের অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় একসঙ্গে কাজ করার গুরুত্বের উপরও জোর দিয়েছেন তাঁরা। দুই পক্ষই যোগাযোগ অব্যাহত রাখার মাধ্যমে অভিন্ন স্বার্থকে এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে জোর দিয়েছেন।

    উষ্ণ ও অর্থবহ আলোচনা

    মনে করা হচ্ছে, পুতিনের ভারতের সফরের পরেই নড়েচড়ে বসেছে ওয়াশিংটন। সফরের মাঝেই ঘোষণা করা হয়, বাণিজ্য চুক্তির আচলনার জন্য ভারতে আসবে মার্কিন দল। এবার দুই নেতার ফোনালাপ। সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দু’দেশের অংশীদারিত্বে অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন মোদি ও ট্রাম্প এবং বিশেষভাবে বাণিজ্যের ওপর জোর দিয়ে বলেন যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির প্রচেষ্টার গতি বজায় রাখা জরুরি। নেতারা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও যৌথ স্বার্থ অগ্রসর করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘এক্স’-এ পোস্ট করে ফোনালাপকে “উষ্ণ ও আন্তরিক” বলে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে অত্যন্ত উষ্ণ ও অর্থবহ আলোচনা হল। আমরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য একসঙ্গে কাজ করে যাবে।”

    ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক-চাপে ট্রাম্প

    রাশিয়ান তেল কেনার জন্য ভারতকে যুক্তরাষ্ট্রের তরফে ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত জরিমানা—আগেই থাকা ২৫ শতাংশ শুল্কের সঙ্গে—গত ২৭ অগাস্ট থেকে কার্যকর হওয়ার পর দিল্লি–ওয়াশিংটন সম্পর্কের টানাপোড়েন বেড়েছে। ভারত বারবার বলছে, এই শুল্ক “অন্যায্য”, কারণ রাশিয়ান তেলের সর্বাধিক ক্রেতা চিন এবং এলএনজি কেনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এ অবস্থায়, রাশিয়া সফরে ভ্লাদিমির পুতিন ও মোদির ঘনিষ্ঠতা এবং তাদের একসঙ্গে গাড়ি করে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে যাত্রা যুক্তরাষ্ট্রে বহু সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসেও এই ছবি দেখিয়ে ট্রাম্পের বিদেশনীতি নিয়ে সমালোচনা করেন ডেমোক্র্যাট সদস্য সিডনি কামলাগার-ডোভ। তিনি বলেন, “ট্রাম্পের ভারতনীতি যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থের ক্ষতি করছে এবং দুই দেশের বিশ্বাসের সম্পর্ক নষ্ট করছে।” এরপর মোদি-ট্রাম্প ফোনালাপের সময়টিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধি দল দিল্লিতে রয়েছে সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য।

    ডেডলাইন মেনে আলোচনা নয়

    অন্যদিকে, বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি না হলে বেশি হারে শুল্ক চাপানোর হুঁশিয়ারি দিয়ে থাকেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Modi-Trump Meeting)। তাঁর সেই ‘ডেডলাইন’ নিয়ে এ বার বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভার সদস্য পীযূষ গোয়েল। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ বলেন, “ডেডলাইন মেনে আমরা আলোচনা চালাই না!” ঘটনাচক্রে, নয়াদিল্লির সঙ্গে বাণিজ্য-বৈঠক করতে মঙ্গলবারই ভারতে এসেছে ওয়াশিংটনের প্রতিনিধি দল। প্রথম দফায় আমেরিকার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা সফল হয়নি।

    ভালো ও ফলপ্রসূ কথা-বার্তা

    চলতি বছরের শুরু থেকে দফায় দফায় বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে ভারত ও আমেরিকার। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রস্তাবিত এই চুক্তির লক্ষ্য ছিল, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য বর্তমানে ১৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নিয়ে যাওয়া। গত ২৩ অক্টোবর ভার্চুয়াল মাধ্যমেও আলোচনা হয়েছিল দুই দেশের। এ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়াল বৃহস্পতিবার বলেন, আলোচনা “খুব ভালো ও ফলপ্রসূ” হলেও কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। তিনি মন্তব্য করেন, “যখন দুই পক্ষই লাভবান হয়, তখনই একটি চুক্তি সম্পন্ন হয়। সময়সীমার চাপে আলোচনা করা উচিত নয়, তাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।” মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের মন্তব্য—ভারত তাদের “এতদিনের সেরা” প্রস্তাব দিয়েছে—উল্লেখ করে গোয়াল বলেন, “যদি সত্যিই তাই হয়, তাহলে ট্রাম্প প্রশাসন এখনই সই করে দিতে পারে।”

  • India’s Desi GPS: দেশীয় জিপিএস ‘নাবিক’ তৈরি করেছে ভারত, কোথায় ব্যবহার হচ্ছে জানেন?

    India’s Desi GPS: দেশীয় জিপিএস ‘নাবিক’ তৈরি করেছে ভারত, কোথায় ব্যবহার হচ্ছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে এখন দেশীয় উৎপাদনে বিরাট সাফল্য অর্জন করেছে। তারই একটি উদাহরণ হল স্বদেশীয় জিপিএস সিস্টেম— নেভিগেশন থ্রু ইন্ডিয়ান কনস্টিলেশন বা ‘নাবিক’ (India’s Desi GPS), যা তৈরি করেছে ভারতের তুখোড় প্রযুক্তিবিদরা। এই অত্যাধুনিক জিপিএস সিস্টেম এখন ১৫ লক্ষ গাড়ি থেকে শুরু করে ১০ হাজার ট্রেনে, ৩০ হাজারের বেশি মাছ ধরার ট্রলারে, ৬০টির বেশি স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হচ্ছে। গবেষকরা মনে করছেন, এই প্রযুক্তি বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে আরও একধাপ।

    মহাকাশ বিভাগ সম্প্রসারিত করেছে (India’s Desi GPS)

    লোকসভায় এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেন, “মহাকাশ বিভাগ দেশব্যাপী নাবিক (India’s Desi GPS) প্রযুক্তির ব্যবহারকে সম্প্রসারিত করছে। নাবিকক ব্যবহারে করা হচ্ছে একাধিক কর্মকাণ্ড। এই সিস্টেমের মধ্যে রয়েছে পাইলট প্রকল্প, ভারতীয় শিল্পে প্রযুক্তি স্থানান্তর, প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগ এবং পরীক্ষামূলক সহায়তা। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এখন ডিওএস বা মহাকাশ বিভাগ কাজ করে চলেছে। ধারাবাহিক, নিরবচ্ছিন্ন এবং পণ্য পরিবহণকে সরল এবং সহজ করতে এই প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে। এই জন্য নাবিককে অত্যাধুনিক ভাবে তৈরি করা হয়েছে। গ্লোবাল পজিশন সেট করতে বিরাট ভূমিকা পালন করবে দেশীয় উৎপাদন নাবিক।”

    পিএনটি অ্যাপ্লিকেশন নাবিকের

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেন, “জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নাবিককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার নির্মিত ৬০টির বেশি অতিরিক্ত স্মার্ট মোবাইলে নাবিককে যুক্ত করা হয়েছে। এই নাবিককে ব্যবহার করে যে যে ক্ষেত্রে কাজ করা যাবে তাঁর মধ্যে হল ১> রিয়েল টাইম ট্রেন ট্র্যাকিং (India’s Desi GPS)। এখানে ১০ হাজারের বেশি ট্রেনে নাবিক ট্র্যাকিং ডিভাইস রয়েছে। ২> মাছ ধরার ট্রলার ট্র্যাকিং, যেখানে ৩০ হাজারের বেশি জাহাজে নাবিক ট্রান্সপন্ডার রয়েছে। পাবলিক এবং বাণিজ্যিক যানবাহন পরিচালনায় ট্র্যাকিং যেখানে ১৫ লক্ষের বেশি গাড়িতে স্থাপন করা হয়েছে নাবিক।” তবে সরকার ভারতীয় স্মার্টফোন বা ইলেকট্রনিক্স কোম্পানিগুলির তৈরি ডিভাইসগুলিতে নাবিকের ক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত করেছে। তবে নাবিককে এখনও বাধ্যতামূলক করা হয়নি। পজিশন, নেভিগেশন এবং টাইমিং অর্থাৎ পিএনটি অ্যাপ্লিকেশনের জন্য নাবিকের অসামরিক সিগন্যালগুলি অবাধে ব্যবহার করতে সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

  • Delhi: সুরক্ষিত দিল্লির আকাশ! দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক দুই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে পাহারায় ডিআরডিও

    Delhi: সুরক্ষিত দিল্লির আকাশ! দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক দুই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে পাহারায় ডিআরডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির আকাশকে আরও সুরক্ষিত করতে ঢেলে সাজানো হচ্ছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দিল্লি ও দিল্লি এনসিআরকে আকাশ হামলা থেকে বাঁচাতে রাজধানীতে মোতায়েন করা হচ্ছে ইন্ট্রিগ্রেটেড এয়ার ডিফেন্স উইপন্স সিস্টেম (IADWS)। মূলত ড্রোন হামলা থেকে রাজধানীকে বাঁচাতেই এই ব্যবস্থা। অপারেশন সিঁদুরের সময় একের পর ড্রোন হামলা করেছিল পাকিস্তান। অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গেই সেই হামলা প্রতিহত করেছিল ভারত। তার পরেও রাজধানীর জন্য নেওয়া হচ্ছে এই সাবধানতা। এই নেটওয়ার্কে দুই ধরনের দেশীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গোটা বিশ্বের কাছে ভারতের সক্ষমতাও আরও একবার তুলে ধরবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    দেশীয় প্রযুক্তির উপর জোর

    আমেরিকার কাছ থেকে ন্যাশনাল অ্যাডভান্সড সারফেস টু এয়ার মিসাইল সিস্টেম কেনার ব্যাপারে কথাবার্তা বলছিল ভারত। আমেরিকার রাজধানী এই মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম দ্বারাই সুরক্ষিত থাকে। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ওই কথাবার্তা আপাতত থমকে রয়েছে কারণ ওই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের জন্য বিপুল দাম চাইছিল আমেরিকা। তার পরই বিদেশি নির্ভরতা কাটিয়ে উঠে ভারত নিজের প্রযুক্তিতে তৈরি এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করতে চাইছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ক্যুইক রিঅ্য়াকশন সার্ফেস টু এয়ার মিসাইল (QRSAM) ও ভেরি শর্ট রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমে (VSHORADS) যুক্ত থাকবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমটি চালনা করবে ভারতীয় বায়ুসেনা। এটি আটকে দেবে সুপারসনিক, সাবসনিক ক্রুজ মিসাইল থেকে শক্তিশালী সব ড্রোনের হামলাও। এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম চোখের পলকে কান ধরে নিচে নামাতে পারে শত্রুর ফাইটার জেটকে। এগুলির স্ট্যাটিক লঞ্চার সম্ভবত ব্যাটারির বদলে কনস্ট্যান্ট পাওয়ার সাপ্লাই পাবে। ফলে প্রযুক্তিগত দিক থেকে এটি অন্যদের থেকে আরও কয়েকধাপ এগিয়ে রয়েছে।

    কীভাবে কাজ করবে এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, দিল্লির উপরে তৈরি করা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমে থাকবে ৩টি স্তর। একেবারে ভেতরের স্তরে থাকবে ৬ কিলোমিটার উচ্চতার উড়তে থাকা ড্রোন ও কপ্টার ধ্বংস করার মতো পরিকাঠামো। দিল্লি আয়রন ডোমের মাঝের স্তরে থাকছে এমন এক ব্যবস্থা যা ফাইটার জেট, ক্রুজ মিসাইল ও আনম্যানড ভেহিকেলস ৩০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত ধ্বংস করতে পারবে। একটি সেন্সরের সাহায্য়ে দুটি স্তরের সমন্বয় বজায় থাকবে। এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি মাত্র তিন থেকে ৫ সেকেন্ডের মধ্যে যে কোনও আসন্ন হুমকি ধরে ফেলতে পারে। এমনকী ধরার সঙ্গে সঙ্গে পাল্টা প্রত্যাঘাতী ক্ষেপণাস্ত্রও ছুড়ে দিতে পারে। ফলে আকাশেই খতম হয়ে যাবে শত্রুর খেলা। গোটা ব্যবস্থাটাই দেখাশোনা করছে ডিআরডিও। উল্লেখ্য, ডিআরডিও ইতিমধ্য়েই তৈরি করেছে কিউআরস্যাম ও মিডিয়াম রেঞ্জের সারফেস টু এয়ার মিসাইল (MRSAM)। পাশাপাশি রাশিয়ার কাছ থেকে ভারত এস-৫০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কেনার চেষ্টা করছে। এই নতুন মাল্টিলেয়ার্ড এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম চালু হলে দিল্লির আকাশসীমা আরও নিরাপদ হবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

  • Anurag Thakur: সংসদে বসেই ই-সিগারেটে সুখটান তৃণমূল সাংসদের! স্পিকারকে নালিশ অনুরাগের

    Anurag Thakur: সংসদে বসেই ই-সিগারেটে সুখটান তৃণমূল সাংসদের! স্পিকারকে নালিশ অনুরাগের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার তৃণমূল সাংসদদের (Parliament) কুকর্মের সীমা নেই। কেউ প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির বিকৃতি করেন, কেউ আবার ‘ছু কিত কিত’ খেলেন। এবারে খোদ লোকসভায় বসে নিষিদ্ধ ই-সিগারেট খাওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগে সরব হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur)। যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি হলেন তৃণমূলেরই এক বিতর্কিত সাংসদ। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে অভিযোগ করে কড়া শাস্তির কথা ঘোষণা করেছেন সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর। ইতিমধ্যে লোকসভার স্পিকার তৃণমূল সাংসদকে কড়া ভাষায় সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “ভবিষ্যতে আরও কোনও অভিযোগ পেলে রেহাই পাবেন না।”

    সিগারেটে অনুমতি নেই (Anurag Thakur)

    লোকসভায় বসে ই-সিগারেট কেন খাচ্ছেন? কার্যত তৃণমূল সাংসদ নাম উল্লেখ না করেই প্রশ্ন তোলেন হিমাচলের সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur)। ধূমপানের মতো বিধিনিষেধের মতো বিষয় অপরাধ কিনা, তা জানতে চেয়ে নিজের আসন থেকে উঠে দাঁড়িয়ে অনুরাগ প্রশ্ন তোলেন। স্পিকারকে বলেন, “দেশজুড়ে তো ই-সিগারেট নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছে। আপনি কি সাংসদকে অনুমতি দিয়েছেন?” উত্তরে স্পিকার বলেন, “কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি।” আবার অনুরাগ বলেন, “তৃণমূলের সাংসদ (Parliament) তো রোজই খাচ্ছেন। অনেক দিন ধরে খাচ্ছেন। আপনি বিষয়টি ভালো করে যাচাই করুন।”

    সামাজিক মাধ্যমে ই-সেগারেট ভাইরাল

    স্পিকার এরপর লোকসভার অধিবেশনে উপস্থিত সকল সাংসদদের (Parliament) উদ্দেশে বলেন, “সংসদের সকল সদস্যের প্রতি আমার অনুরোধ আপনারা সংসদীয় পরম্পরা, নিয়ম মেনে কাজ করুন। পরবর্তী সময়ে যদি অভিযোগ আসে তাহলে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হব।” তবে অনুরাগ (Anurag Thakur) জোর দিয়ে বলেন “আপনি এখনই পরীক্ষা করুন। যাচাই করুন।” শেষে বিজেপি এবং তৃণমূল পক্ষের সাংসদের মধ্যে বিরাট তর্ক বাধে। যদিও গোটা ঘটনায় লোকসভায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে সংসদে অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকেই ওই সাংসদকে কয়েকদিন ধরে সিগারেট খেতে দেখেছেন অনেকেই। কেউ কেউ আবার নিষেধও করেন। কিন্তু ওই সাংসদ কান দেননি। তৃণমূলের এক প্রবীণ সাংসদ বলেছেন, “কিছু দিন আগে দলের এক মহিলা সাংসদও সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তিনি শোনেননি।”

    তবে তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে বিরাট শোরগোল ফেলে দিয়েছে। বিজেপি সংসদের একটি ভাষণের ভিডিওটিকে তুলে ধরে দিয়ে লেখা হয়, “সংসদে কোন তৃণমূল সাংসদ সিগারেট খাচ্ছিলেন? দয়া করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি তাঁর নাম প্রকাশ করবেন?”

  • PM Modi: মোদিকে ফোন নেতানিয়াহুর, দীর্ঘক্ষণ কথা দুই রাষ্ট্রনেতার, কী আলোচনা হল?

    PM Modi: মোদিকে ফোন নেতানিয়াহুর, দীর্ঘক্ষণ কথা দুই রাষ্ট্রনেতার, কী আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ফোনালাপ হল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর (Netanyahu)। অক্টোবর মাসের পর এই প্রথম দুই রাষ্ট্রপ্রধানের কথা হল। সেই সময় নেতানিয়াহু ব্যস্ত ছিলেন মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে। ওই বৈঠক চলাকালীনই তিনি ফোনে কথা বলেছিলেন মোদির সঙ্গে। এবারের ফোনালাপ হল এমন একটা সময়ে, যখন ইজরায়েল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত গাজা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    মোদিকে ফোন (PM Modi)

    বুধবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করেন নেতানিয়াহু। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “প্রধানমন্ত্রী মোদি ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টাকে ফের একবার সমর্থন জানিয়েছেন, যার মধ্যে গাজা শান্তি পরিকল্পনার দ্রুত বাস্তবায়নও রয়েছে।” বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উভয় রাষ্ট্রনেতাই ভারত-ইজরায়েল কৌশলগত অংশীদারত্বের ধারাবাহিক অগ্রগতিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং পারস্পরিক স্বার্থে এই সম্পর্ক আরও মজবুত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “দুই নেতা সন্ত্রাসবাদের কঠোর নিন্দা করেছেন এবং সন্ত্রাসবাদের সব ধরনের রূপ ও প্রকাশের বিরুদ্ধে তাঁদের জিরো টলারেন্স নীতির অবস্থান ফের নিশ্চিত করেছেন।” এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দুই নেতা পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে রাজিও হয়েছেন।

    খুব শীঘ্রই সাক্ষাৎ!

    এদিকে, নেতানিয়াহুর দফতর ফের জানিয়েছে, দুই রাষ্ট্রপ্রধান খুব শীঘ্রই সাক্ষাৎ করবেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং নেতানিয়াহুর মধ্যে টেলিফোনিক আলোচনার সময়টি কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি গাজা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়ের আগে অনুষ্ঠিত হয়েছে (PM Modi)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রসংঘের দূত মাইক ওয়াল্ট্জ আগেই জানিয়েছিলেন, তিনি গাজায় শান্তি পরিকল্পনার অগ্রগতির বিষয়ে দ্রুত ঘোষণার ব্যাপারে আশাবাদী। তিনি আরও বলেন, এই কাঠামোর আওতায় ওয়াশিংটন হামাসকে পুনর্গঠিত হতে দেবে না।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রসংঘের দূতের বক্তব্য

    ওয়াল্টজ বলেন, “আমরা এখন সেই অনুমোদন পেয়েছি। আমার মনে হয় আমরা শীঘ্রই সেই ঘোষণার কথা শুনতে পাব প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন পিস বোর্ডের মাধ্যমে। এর মূল উপাদানগুলির মধ্যে রয়েছে একটি প্রযুক্তিনির্ভর প্যালেস্তাইন কর্তৃপক্ষ, যাঁরা গাজায় জল, গ্যাস, নিকাশি এবং অন্যান্য মৌলিক সেবাগুলি ফের চালু করবে। এর মধ্যে অবশ্যই রয়েছে মালিকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য একটি অর্থায়ন ব্যবস্থা এবং তার পরে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীও (Netanyahu)।” তিনি এও বলেন, “আমি যা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, হামাসকে সরতেই হবে (PM Modi)।”

    নেতানিয়াহুর বক্তব্য

    ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু জানান, তিনি চলতি মাসের শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং দাবি করেন যে গাজা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায় ঘনিয়ে এসেছে। পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপ নিয়েও আলোচনা চলছে।চলতি বছরের অক্টোবর মাসে ইজরায়েল এবং হামাস গাজা শান্তি পরিকল্পনার প্রথম পর্যায়ে রাজি হয়েছিল। প্রথম পর্যায়ে গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি, ইজরায়েলি বন্দিদের মুক্তি এবং প্যালেস্তাইনি বন্দিদের মুক্তিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। সোমবার ইজরায়েলি পার্লামেন্টে ভাষণ দিতে গিয়ে নেতানিয়াহু দেশের ব্যাপারে নিজের অবস্থান দৃঢ়ভাবে তুলে ধরে বলেন, ইহুদি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বাড়তে থাকা ইহুদি-বিরোধী মনোভাব সত্ত্বেও বহু দেশ এবং নেতার, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির, নজিরবিহীন সমর্থন ইজরায়েল পেয়ে  যাচ্ছে (PM Modi)।

    ‘৪০-স্বাক্ষর বিতর্ক’

    ‘৪০-স্বাক্ষর বিতর্ক’ নামে পরিচিত (Netanyahu) এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে নেতানিয়াহু তাঁর সরকারের নীতির কথা তুলে ধরেন, বিশেষ করে ইজরায়েলের বৈদেশিক সম্পর্ক এবং বিভিন্ন দিক থেকে তাকে দৃঢ়ভাবে রক্ষা করার কথা। উল্লেখ্য যে, ‘৪০-স্বাক্ষর বিতর্ক’ এমন একটি সংসদীয় প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রীকে মাসে একবার কনেসেটের (ইজরায়েলের পার্লামেন্ট) সামনে হাজির হতে বাধ্য করতে পারে। তিনি বলেন, “আরও কিছু বিশ্বশক্তি আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে। আমি প্রায়ই আমার বহুদিনের বন্ধু, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলি। আমাদের শীঘ্রই সাক্ষাৎ করার কথা হয়েছে, এবং আমি আপনাদের বলতে চাই, ভারত, দেড়শো কোটি মানুষের বিশাল দেশ। তারাও আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী।”

    ভারত-ইজরায়েল সম্পর্ক

    প্রসঙ্গত, ভারত ও ইজরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক বহু পুরানো। প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কও রয়েছে। বিদেশনীতি থেকে শুরু করে আঞ্চলিক শান্তির ক্ষেত্রেও দুই দেশ একে অন্যকে সমর্থন ও সাহায্য করেছে। ২০১৭ সালে ভারত সফরে এসেছিলেন নেতানিয়াহু। সেই সময় (Netanyahu) দুই রাষ্ট্রনেতা দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের ওপর বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, মোদি-নেতানিয়াহুর ফোনালাপ আরও একবার প্রমাণ করল যে ভারত ও ইজরায়েলের সম্পর্ক শুধুই আনুষ্ঠানিক নয়, কৌশলগতভাবেও গুরুত্বপূর্ণ (PM Modi)।

  • Amit Shah on SIR: ‘বিদেশিদের ভোট হারানোর ভয়েই কি এসআইআর-এর বিরোধিতা?’, নাম না করে মমতাকে তোপ শাহের

    Amit Shah on SIR: ‘বিদেশিদের ভোট হারানোর ভয়েই কি এসআইআর-এর বিরোধিতা?’, নাম না করে মমতাকে তোপ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী সংস্কার নিয়ে দু’দিনের আলোচনার শেষে জবাবি ভাষণে অনুপ্রবেশ প্রশ্নে সরব হলেন অমিত শাহ (Amit Shah on SIR)। কংগ্রেস ও তৃণমূল নেতৃত্ব অনুপ্রবেশকারীদের সুরক্ষা কবচ দিতেই এসআইআর-এর বিরুদ্ধে সরব। এমনই দাবি করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, ‘‘একজনও বিদেশিকে ভোট দিতে দেব না। আমাদের নীতি হল, ডিকেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট।’’ একই সঙ্গে ২২১৬ কিলোমিটার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের এখনও ৫৬৩ কিলোমিটার বেড়া না হওয়ায় দায়ী করলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারকেই।

    ভিনদেশিরা কেন ভোট দেবেন?

    লোকসভায় ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) আলোচনা-পর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ- প্রশ্ন তোলেন, বিরোধীরা কেন এসআইআর নিয়ে বিরোধিতা করছেন? ভিনদেশি ভোটারদের কি ভারতের প্রধানমন্ত্রী বেছে নেওয়ার অধিকার আছে? কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বেছে নেওয়ার অধিকার রয়েছে? বিরোধীদের কটাক্ষ করে শাহ বলেন, ‘‘এসআইআর আর কিছু নয়, এটা স্রেফ ভোটার তালিকার সংশোধন। আমি মেনে নিচ্ছি যে এটার কারণে কয়েকটি রাজনৈতিক দলের ঘা লাগবে। ওই দলগুলির প্রতি একদিক থেকে আমার সহানুভূতিও আছে। কারণ দেশের ভোটাররা তো ভোট দেন না। কয়েকটি ভোট বিদেশিরা দিয়ে দিতেন, সেটাও চলে যাবে। কিন্তু ভারতীয় হিসেবে আমাদের ঠিক করতে হবে যে এই দেশের সাংসদদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে, রাজ্যের বিধায়কদের নির্বাচনের জন্য বিদেশিদের ভোটাধিকার দেওয়া উচিত কি? আমাদের মতে, সেটা দেওয়া উচিত নয়।’’

    ভোটে হারলেই নির্বাচন কমিশনকে দোষ কেন?

    নাম না করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন শাহ। তিনি বলেন যে বিজেপিও নির্বাচনে হেরেছে। কিন্তু ভোটে হারলেই নির্বাচন কমিশনকে দোষারোপ করেনি। এখন মমতা, হেমন্ত সোরেন, এমকে স্টালিনরাও কমিশনের দিকে আঙুল তুলেছেন। আগে শুধু কংগ্রেস সেই কাজটা করত। কিন্তু বন্ধুত্বের ছোঁয়া লেগে গিয়েছে ইন্ডি জোটের দলগুলিতেও। তারইমধ্যে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর উপরে চটে যান শাহ। বুধবার লোকসভায় শাহ অভিযোগ করেছেন যে, বিরোধীরা এসআইআর নিয়ে মিথ্যা প্রচার করছে। বুধবার লোকসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় শাহ বাংলার সীমান্তে অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গ তোলেন। রাজ্যের দিকে অনুপ্রবেশকারী তোষণের অভিযোগ তোলেন তিনি।

    ‘অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গের’ স্বপ্ন শীঘ্রই পূর্ণ হবে

    পাশাপাশি, ‘অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গের’ স্বপ্ন খুব শীঘ্রই পূর্ণ হবে বলেই এদিন বার্তা দিলেন শাহ। এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত হয়ে এদেশে অনুপ্রবেশকারীরা ঢুকে পড়ছে। আমাদের বাংলাদেশের সঙ্গে মোট ২ হাজার ২১৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্য়ে ১ হাজার ৬৫৩ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতার বসানোর কাজ শেষ। কিন্তু ৫৬৩ কিলোমিটার এখনও বাকি। অসম, ত্রিপুরায় কাজ শেষ। শুধু বাংলা এখনও বাকি।’ এই কাঁটাতার না বসানোর নেপথ্যে অনুপ্রবেশকারী তোষণকেই দায়ী করেছেন শাহ। তাঁর দাবি, ‘রাহুলের মতো অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করলে তৃণমূলেরও ওদের মতোই অবস্থা হবে। বিজেপি জয় ছিনিয়ে নেবে।’ অবশ্য শুধু অনুপ্রবেশ ইস্যুতেই থেমে থাকেননি শাহ। ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন নিয়ে আলোচনায় রাজ্য থেকে তৃণমূলকে ‘সাফ’ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শাহের কথায়, ‘এসআইআর বিরোধিতা করলে বিহারের মতো বাংলা-তামিলনাড়ুতেও সাফ হয়ে যাবে।’

    রাহুল ও শাহের মধ্যে তীব্র বিতর্ক

    এর পাশাপাশি বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধীর অতীতে করা অভিযোগেরও এদিন জবাব দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কংগ্রেস সাংসদ হরিয়ানায় ভোটচুরির অভিযোগও করেছিলেন। এই নিয়ে রাহুল ও শাহের মধ্যে তীব্র তর্ক-বিতর্ক হয়। রাহুল সংসদে দাঁড়িয়ে শাহকে সাংবাদিক বৈঠক করা নিয়ে বিতর্কের চ্যালেঞ্জ জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শাহ বলেন, ‘‘সংসদ এভাবে চলবে না। আমি যে ক্রমে কথা বলব তা আমি সিদ্ধান্ত নেব। আমি এটি পরিষ্কার করতে চাই যে আমি ৩০ বছর ধরে বিধানসভা এবং সংসদে নির্বাচিত হয়েছি। সংসদীয় ব্যবস্থা নিয়ে আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।’’

    নেহরু-গান্ধী পরিবারকে নিশানা শাহের

    নেহরু-গান্ধী পরিবারকে নিশানা করে ভোটচুরি প্রসঙ্গে এদিন শাহ বলেন, ‘‘আপনার পরিবার ভোটচোর। স্বাধীনতার পরে কংগ্রেসের অন্দরে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল ২৮টি প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সমর্থন পেয়েছিলেন, যেখানে নেহরু পেয়েছিলেন মাত্র দু’টি। কিন্তু প্যাটেলের বদলে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন নেহরু। এটিই ছিল দেশের প্রথম ভোটচুরি।’’ নেহরু প্রসঙ্গের পরে জরুরি অবস্থার কথা টেনে শাহ নিশানা করেন ইন্দিরাকে। তিনি বলেন, ‘‘এলাহাবাদ হাইকোর্ট ইন্দিরা গান্ধীর নির্বাচন বাতিল করে দিয়েছিল। তখন তিনি গদি বাঁচাতে সংবিধান সংশোধন করেছিলেন। এটি ছিল গণতন্ত্রের উপর আঘাত এবং ভোটচুরির দ্বিতীয় নির্লজ্জ উদাহরণ।’’ তাঁর নিশানা থেকে বাদ পড়েননি রাহুলের মা সোনিয়া গান্ধীও। শাহ অভিযোগ করেন, ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় নাম তুলেছিলেন সোনিয়া। তিনি বলেন, ‘‘সোনিয়া গান্ধী ভারতের নাগরিক হওয়ার আগে কী ভাবে ভোটার হয়েছিলেন? ভোটচুরির এই তৃতীয় উদাহরণটি সম্প্রতি দেওয়ানি আদালতেও গিয়েছে।’’

  • India-US Trade Deal: ভারত থেকে চাল আমদানিতে শুল্ক জারির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের! আমেরিকারই ক্ষতি বেশি, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    India-US Trade Deal: ভারত থেকে চাল আমদানিতে শুল্ক জারির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের! আমেরিকারই ক্ষতি বেশি, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে চাল আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোর হুমকি ভারতীয় রফতানিতে বড় কোনও প্রভাব ফেলবে না। এমনই অভিমত ভারতীয় চাল রফতানিকারকদের। বিশেষ করে বাসমতি রফতানিতে এই সিদ্ধান্তের উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়বে না বলেই তাদের মত। রফতানিকারকরা মনে করেন, শুল্ক বাড়লে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের নয়, বরং মার্কিন ভোক্তাদেরই বেশি দামে চাল কিনতে হবে। তাঁদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় চালের একটি স্থায়ী চাহিদা রয়েছে। চালের দাম বাড়লে মার্কিন ক্রেতারাই সমস্যায় পড়বেন।

    চাহিদাই চালাচ্ছে মার্কিন বাজার

    ইন্ডিয়ান রাইস এক্সপোর্টার্স ফেডারেশনের (IREF) সহ-সভাপতি দেব গর্গ জানান, যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় চালের চাহিদা সম্পূর্ণই বাজার-চাহিদা নির্ভর। ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার খাবারের জনপ্রিয়তা মার্কিন মুলুকে ক্রমশই বাড়ছে। এর ফলে আমেরিকায় ভারতীয় চালের চাহিদাও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলেন, “ভারতীয় চালের স্বাদ, গন্ধ, রং ও গঠন এমন, যা আমেরিকায় উৎপাদিত চালের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই আমেরিকান চাল ভারতীয় চালের বিকল্প হতে পারে না।” গর্গের দাবি, ভারত যুক্তরাষ্ট্রে চাল “ডাম্প” করছে না; বরং মার্কিন বাজারে এই চালের একটি স্থায়ী ও অপরিহার্য চাহিদা রয়েছে। তিনি বলেন, “ওয়াশিংটনের বাড়তি শুল্ক ভোক্তার চাহিদা কমাতে পারেনি; বরং এই বাড়তি খরচ বহন করতে হচ্ছে মার্কিন জনগণকেই। এতে যুক্তরাষ্ট্রে খাদ্যমূল্যস্ফীতি বেড়েছে।”

    আমেরিকার বাজারে সস্তায় ভারতীয় চাল

    কম দামে বিদেশি কৃষিপণ্য ঢুকে পড়ায় ক্ষুব্ধ মার্কিন চাষিরা। তাঁদের অভিযোগের পরই ভারতীয় চাল (Indian Rice in US Market) ও কানাডার সারের উপর নতুন শুল্ক আরোপের ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US President Donald Trump)। হোয়াইট হাউসে চাষিদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি জানান, মার্কিন বাজারে যে দেশগুলো কম দামে পণ্য ঢুকিয়ে স্থানীয় উৎপাদনকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, তাদের বিরুদ্ধে এবার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকায় কৃষকদের (US Farmers) জন্য ১২ বিলিয়ন ডলারের প্যাকেজ ঘোষণা করতে গিয়ে ট্রাম্প (Donald Trump) সরাসরি বলেন, ভারত, চিন এবং তাইল্যান্ড থেকে কম দামে চাল আমদানির অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হবে। কৃষকরা বৈঠকে দাবি করেছেন, ভর্তুকির সাহায্যে বিদেশি চাল আমেরিকার বাজারে সস্তায় ঢুকছে, ফলে দেশীয় চালের দাম পড়ে যাচ্ছে।

    ‘যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে কোনও উপকার করছে না’

    ইন্ডিয়ান রাইস এক্সপোর্টার্স ফেডারেশনের (IREF) সহ-সভাপতি দেব গর্গ আরও বলেন, ভবিষ্যতে শুল্ক আরও বাড়লে তার প্রভাব ভারত নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই বেশি পড়বে। তাঁর দাবি, “এটি ভারতকে কোনও উপকার নয়; এটি মার্কিন বাজারের নিজস্ব প্রয়োজন।” তাঁর মতে, ভারতীয় চালের চাহিদা যুক্তরাষ্ট্রে এখনও “মজবুত ও স্থিতিশীল।” বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই শুল্ক হুমকি মূলত মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিবেচনা থেকেই এসেছে, কোনও বড় নীতিগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত নয়। গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ (GTRI) জানিয়েছে, ৮ ডিসেম্বর ট্রাম্পের এই মন্তব্য এবং নতুন কৃষক সহায়তা প্যাকেজ একসঙ্গেই আমেরিকান কৃষকদের আশ্বস্ত করার রাজনৈতিক পদক্ষেপ।

    ভারতের চাল রফতানির চিত্র

    বিশেষজ্ঞদের কথায়, “ট্রাম্প ভারতীয় চালের ওপর শুল্ক বাড়ানোর হুমকি দিলেও এটি নীতি নয়, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বক্তব্য।” তাদের মূল্যায়ন, নতুন শুল্ক আরোপ হলেও ভারতীয় রফতানিকারকদের ওপর মোট প্রভাব সীমিতই থাকবে, কারণ বিশ্ববাজারে ভারতীয় চালের চাহিদা শক্তিশালী। বরং ক্ষতিগ্রস্ত হবেন মার্কিন ভোক্তারা—ভারতীয় চালের ওপর নির্ভরশীল আমেরিকান পরিবারকে উচ্চমূল্য গুনতে হবে। ইন্ডিয়ান রাইস এক্সপোর্টার্স ফেডারেশনের (IREF) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের বাসমতি রফতানির পরিমাণ ছিল ২,৭৪,২১৩ মেট্রিক টন, যার মূল্য ৩৩৭.১০ মিলিয়ন ডলার—এই হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাসমতির চতুর্থ বৃহত্তম বাজার। একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের নন-বাসমতি চাল রফতানি ছিল ৬১,৩৪১ মেট্রিক টন, মূল্য ৫৪.৬৪ মিলিয়ন ডলার। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাই শুল্ক নিয়ে ট্রাম্পের হুমকিতে ভারতীয় চাল রফতানিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

  • Amazon: ৫ বছরে ভারতে ৩৫০০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে অ্যামাজন, আরও ১০ লক্ষ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

    Amazon: ৫ বছরে ভারতে ৩৫০০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে অ্যামাজন, আরও ১০ লক্ষ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের সব ব্যবসায় ৩৫ বিলিয়ন (৩৫০০ কোটি) মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করবে বলে ঘোষণা করল অ্যামাজন (Amazon)। মঙ্গলবার এর মাধ্যমে ভারতীয় ডিজিটাল অর্থনীতি, এআই-নির্ভর রূপান্তর এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তাঁদের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি আরও গভীর হবে। এই নয়া বিনিয়োগ গত ১৫ বছরে ভারতে (India) ইতিমধ্যেই করা প্রায় ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ১০ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত অ্যামাজন সম্ভব সামিটের ষষ্ঠতম অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা করা হয়। এই অনুষ্ঠানে পরামর্শক সংস্থা ‘কিস্টোন স্ট্র্যাটেজি’ প্রণীত একটি অর্থনৈতিক প্রভাব সংক্রান্ত প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হয়।

    পরিকাঠামোর উন্নয়ন (Amazon)

    ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিকাঠামো উন্নয়ন ও কর্মী পারিশ্রমিক-সহ অ্যামাজনের মোট বিনিয়োগ তাকে ভারতের সবচেয়ে বড় বিদেশি বিনিয়োগকারী, ই-কমার্স রফতানির সব চেয়ে বড় সহায়ক এবং দেশের অন্যতম প্রধান কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। কোম্পানি জানিয়েছে, তাদের ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ তিনটি কৌশলগত স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠবে, এআই-চালিত ডিজিটাইজেশন, রফতানি বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ। এটি ভারতের বৃহত্তর ডিজিটাল ও অর্থনৈতিক অগ্রাধিকারগুলির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। অ্যামাজন বলেছে, তারা সারা ভারতে ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ করে ফিজিক্যাল ও ডিজিটাল – উভয় ধরনের পরিকাঠামো তৈরি করেছে, যার মধ্যে রয়েছে ফুলফিলমেন্ট সেন্টার, পরিবহণ নেটওয়ার্ক, ডেটা সেন্টার, ডিজিটাল পেমেন্ট পরিকাঠামো ও প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম (Amazon)।

    একাধিক ক্ষেত্রে চাকরি

    কিস্টোন রিপোর্ট অনুযায়ী, অ্যামাজন এখন পর্যন্ত ১ কোটি ২০ লাখেরও বেশি ক্ষুদ্র ব্যবসাকে ডিজিটাইজ করেছে, ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমষ্টিগত ই-কমার্স রফতানি সক্ষম করেছে এবং ২০২৪ সালে বিভিন্ন শিল্পে প্রায় ২৮ লক্ষ সরাসরি, পরোক্ষ, প্রভাবিত এবং অস্থায়ী কর্মসংস্থানকে সাহায্য করেছে (India)। এই চাকরিগুলি প্রযুক্তি, অপারেশনস, লজিস্টিকস এবং কাস্টমার সাপোর্ট-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত, যেখানে প্রতিযোগিতামূলক বেতন, স্বাস্থ্যসেবা এবং আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ-সহ নানা সুবিধা দেওয়া হয়। আমাজনের অর্থনৈতিক প্রভাব তাদের প্রত্যক্ষ কর্মীপরিসীমার অনেক বাইরে পর্যন্ত বিস্তৃত। প্যাকেজিং, লজিস্টিকস, উৎপাদন এবং প্রযুক্তি-সংক্রান্ত সেবাখাতে বিপুল কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি তাদের মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে হাজার হাজার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে জাতীয় এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ করে দিয়েছে (Amazon)।

    অ্যামাজনের বক্তব্য

    ২০৩০ সালের মধ্যে অ্যামাজন ভারতে অতিরিক্ত ১০ লাখ প্রত্যক্ষ, পরোক্ষ, প্রভাবিত এবং অস্থায়ী চাকরি সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছে। যে সব ব্যবসা চলছে, তার সম্প্রসারণ, ফুলফিলমেন্ট এবং ডেলিভারি নেটওয়ার্কের বিস্তার, এবং প্যাকেজিং, উৎপাদন ও পরিবহণ-সহ সংশ্লিষ্ট খাতে বাড়তি চাহিদা – এসব মিলিয়েই এই নয়া কর্মসংস্থান তৈরি হবে। এ ব্যাপারে অ্যামাজনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (ইমার্জিং মার্কেটস) অমিত আগরওয়াল বলেন, “ভারতে কোম্পানির বৃদ্ধি দেশের ডিজিটাল লক্ষ্যগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।”

    ডিজিটাল রূপান্তর

    তিনি বলেন, “গত ১৫ বছরে ভারতের ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রার অংশ হতে পেরে আমরা সম্মানিত। ভারতে অ্যামাজনের বৃদ্ধি ‘আত্মনির্ভর’ এবং ‘বিকশিত ভারতে’র স্বপ্নের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমরা ভারতের ছোট ব্যবসার জন্য ভৌত ও ডিজিটাল পরিকাঠামো গড়ে তুলতে বিরাট পরিমাণে বিনিয়োগ করেছি, লাখো চাকরি সৃষ্টি করেছি এবং মেইড-ইন-ইন্ডিয়াকে বিশ্ববাজারে পৌঁছে দিয়েছি (Amazon)।” দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে অ্যামাজন জানিয়েছে, তারা সমগ্র ভারতে এআই প্রবেশাধিকারকে গণতান্ত্রিক করতে চায়, যাতে ব্যবসা, ভোক্তা এবং শিক্ষার্থীরা সহজেই এআই টুলস ব্যবহার করতে পারে (India)।

    বহু-ভাষিক ইন্টারফেস

    ২০৩০ সালের মধ্যে কোম্পানিটি ১.৫ কোটি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর কাছে এআইয়ের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে। বর্তমানে অ্যামাজন.ইনের বিক্রেতারাই সেলার অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং পরবর্তী প্রজন্মের সেলিং সলিউশন-সহ বিভিন্ন এআই-চালিত টুল ব্যবহার করছেন। একই সঙ্গে, শত শত মিলিয়ন গ্রাহকের কেনাকাটার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কোম্পানি এআই-ভিত্তিক উদ্ভাবন, যেমন, লেন্স এআইয়ের মাধ্যমে ভিজ্যুয়াল ডিসকভারি, রুফুসের মাধ্যমে কথোপকথনভিত্তিক শপিং, এবং সাক্ষরতার বাধা দূর করতে বহু-ভাষিক ইন্টারফেস আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা করেছে (Amazon)।

    স্কুল শিক্ষার্থীকে এআই শিক্ষা

    অ্যামাজন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা ৪০ লাখ সরকারি স্কুল শিক্ষার্থীকে এআই শিক্ষা ও কেরিয়ার অনুসন্ধানের সুযোগ করে দেবে। এর মধ্যে থাকছে কাঠামোগত পাঠ্যক্রম সহায়তা, প্রযুক্তি কেরিয়ার ভ্রমণ, হাতে-কলমে এআই স্যান্ডবক্স অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ। এই কর্মসূচি ভারতের জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০–এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও বেসরকারি সংস্থার অংশীদারিত্বের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে বলেই সংস্থা সূত্রে খবর।

    রফতানির ক্ষেত্রে অ্যামাজন

    রফতানির ক্ষেত্রে অ্যামাজন জানিয়েছে, তারা ভারত থেকে ই-কমার্স রফতানির মোট পরিমাণ ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চায়—যা বর্তমানে ২০ বিলিয়ন ডলার। আগরওয়াল বলেন, “আগামী দিনের দিকে তাকিয়ে আমরা উচ্ছ্বসিত যে আমরা ভারতের প্রবৃদ্ধির একটি অনুঘটক হিসেবে (India) কাজ চালিয়ে যেতে পারব, এআই–এর সুবিধা লাখো ভারতীয়ের কাছে পৌঁছে দিতে, ১০ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে এবং দশকের শেষ নাগাদ ই-কমার্স রফতানি ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নিয়ে যেতে (Amazon)।”

LinkedIn
Share