Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Boycott Turkey: বিমান পরিষেবা থেকে চকোলেট, পাক-বন্ধু তুরস্কের পণ্য বয়কটে ব্যাপক সাড়া দেশে

    Boycott Turkey: বিমান পরিষেবা থেকে চকোলেট, পাক-বন্ধু তুরস্কের পণ্য বয়কটে ব্যাপক সাড়া দেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে সরাসরি ইসলামাবাদের পক্ষ নেয় তুরস্ক। ২০২৩ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্পে তুরস্কে ত্রাণ সামগ্রী পাঠানো থেকে উদ্ধার কাজ চালায় ভারত। অপারেশন দোস্ত নামে সেই অভিযানের মাধ্যমে উদ্ধার কাজ চালিয়ে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচায় ভারত। সেটা বেমালুম ভুলে অকৃতজ্ঞ, বিশ্বাসঘাতক তুরস্ক (Boycott Turkey) পাকিস্তানকে সেনা, ড্রোন সরবরাহ করে দেয়। এই আবহে দেশের কম বেশি সমস্ত মহলেই দাবি উঠেছে তুরস্কের পণ্য বয়কটের। ব্যবসায়ী, গ্রাহক, নির্মাতা সংস্থা- প্রত্যকেই এই একই দাবি জানিয়েছে। এই আবহে তুরস্কের এক সংস্থা, সেলেবি, যারা বিমানবন্দরে পরিষেবা দেয়, তাদেরকে বাতিল করা হয়েছে। তুরস্ক থেকে আসা ফল, চকলেট পোশাক- এই সমস্ত কিছুই বয়কটের দাবি উঠেছে। কোন কোন ক্ষেত্রে ভারতীয়রা তুরস্কের পণ্য এবং পরিষেবা বয়কট করছেন, সেনিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করা হল এই প্রতিবেদনে।

    বিমান বন্দরের পরিষেবা প্রদানকারী সেলেবির ছাড়পত্র বাতিল

    বিমান বন্দরের পরিষেবা প্রদানকারী তুরস্কের সংস্থা সেলেবির ওপর উপর প্রথম পদক্ষেপ করা হয় (Boycott Turkey) ১৫ মে। ভারত সরকারের সংস্থা ব্যুরো অফ সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি এই পদক্ষেপ করে। বিমানবন্দরে পরিষেবা প্রদানকারী তুরস্কের সংস্থা সেলেবির নিরাপত্তা সংক্রান্ত ছাড়পত্র বাতিল করে দেয় তারা।

    তুরস্কের পাশাপাশি আজারবাইজানেও ভ্রমণ বাতিল করছেন ভারতীয়রা

    অন্যদিকে, ভ্রমণ সংস্থা মেক মাই ট্রিপ জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে তুরস্ক এবং আজারবাইজানে ফ্লাইট বুকিং ৬০ শতাংশ কমেছে। একই সঙ্গে ফ্লাইট বাতিল করার সংখ্যা ২৫০ শতাংশে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে তারা। প্রসঙ্গত, তুরস্কের পাশাপাশি আজারবাইজানও পাকিস্তানকে সরাসরি সমর্থন করেছিল। এ নিয়ে মেক মাই ট্রিপ-এর একজন আধিকারিক জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহে ভারতীয় ভ্রমণকারীদের মধ্যে দেশের প্রতি এক তীব্র অনুভূতি দেখা গিয়েছে। এর ফলে আজারবাইজান এবং তুরস্কের বুকিং ৬০ শতাংশ কমে গিয়েছে। একইসঙ্গে বিমান বাতিলের (Boycott Turkey) পরিমাণ ২৫০ শতাংশ বেড়েছে।

    ‘অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউটর ফেডারেশন’-এর আহ্বান

    সাম্প্রতিক প্রকাশিত রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বয়কট তুরস্ক আন্দোলন ব্যাপক গতি পাচ্ছে ভারতে। তাদের প্রতিবেদন অনুসারে, সাড়ে চার লক্ষ ডিস্ট্রিবিউটর নিয়ে গঠিত ‘অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউটর ফেডারেশন’, তারা বেশ কয়েকটি তুরস্কের পণ্যের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্পূর্ণ বয়কট (Boycott Turkey) করার আহ্বান জানিয়েছে। এই বিরাট সংগঠনের আহ্বানে বেশ চাপেও পড়ে গিয়েছে তুরস্ক। এই নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার (Boycott Turkey Movement) ফলে তুরস্কের চকোলেট, ওয়েফার, জ্যাম, সিরাপ, চা, কফি, কুকিজ, প্যাকেটজাত মিষ্টি, বডি ওয়াশ, প্রসাধনী, ত্বকের যত্নের মতো পণ্যগুলিও নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পণ্য বয়কটের আহ্বানের ফলে তুরস্কের ২,০০০ কোটি টাকার খাদ্য পণ্যের ক্ষতি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    পোশাক বয়কটও চলছে সমানতালে

    রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন অনুসারে জানা যাচ্ছে, ফ্লিপকার্টের নিয়ন্ত্রিত Myntra এবং রিলায়েন্স নিয়ন্ত্রিত Ajio তুরস্কের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পোশাক বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। জানা যাচ্ছে, জাতীয় স্বার্থেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। Myntra বর্তমানে যাঁরা সার্চ করছেন, তাঁরা তুরস্কের Trendyol, LC Waikiki প্রভৃতি ব্রান্ডগুলি খুঁজে পাননি। একইভাবে, রিলায়েন্সের Ajio সংস্থা তুরস্কের কোম্পানিগুলির পণ্যগুলিকে ‘স্টক আউট’ করে দিয়েছে। Trendyol, Koton, LC Waikiki প্রভৃতি ব্রান্ড সেখানে দেখা যাচ্ছে না।

    তুরস্কের ফল বয়কট, পাক-বন্ধুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা

    অন্যদিকে, ভারতে যে সমস্ত ব্যবসায়ী এবং গ্রাহকরা রয়েছেন, তাঁরা তুরস্ক থেকে আসা ফল সম্পূর্ণভাবে বর্জন করছেন। হরিদ্বারের গ্রাহকরা বলছেন যে ভারতে সমস্ত তুরস্কের ফল বর্জন করা উচিত। একজন গ্রাহক এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘আমরা কীভাবে একটি দেশকে সমর্থন করতে পারি! যারা আমাদের শত্রু দেশের সঙ্গে রয়েছে। সাধারণ মানুষ সমস্ত কিছু বর্জন করছে ওই দেশের। তাই আমাদেরও এটি বর্জন করতে হবে।’’ একই চিত্র দেখা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে, সেখানে ফল ব্যবসায়ীরা সম্মিলিতভাবে তুরস্কের (Boycott Turkey Movement) আপেল বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আগে হিমাচলপ্রদেশের কৃষকরা তুরস্কের আপেল আমদানি নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছিলেন। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারকে একশো শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

    শিক্ষাক্ষেত্রেও চলছে বয়কট

    দেশজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলিতেও তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সে দেশে সঙ্গে শিক্ষা সংক্রান্ত যে কোনও কর্মসূচি তারা বাতিল করছে। এই আবহে এগিয়ে এসেছে আইআইটি মুম্বই, জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়, জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া সহ শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলিও। একই সঙ্গে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলি যেমন মৌলানা আজাদ জাতীয় উর্দু বিশ্ববিদ্যালয়, চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়, লাভলী প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি এমন পরিস্থিতিতে তুরস্কের সঙ্গে সমস্ত রকম শিক্ষা সংক্রান্ত সম্পর্ক তারা ছিন্ন করেছে।

    সেলেবির মামলায় উঠে এল জাতীয় স্বার্থের কথা

    এদিকে, সোমবারই দিল্লি হাইকোর্ট তুরস্কের সংস্থা সেলেবি এয়ারপোর্ট সার্ভিসের মামলার শুনানিতে বলেছে, সেলেবির বিরুদ্ধে যে সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে তা জাতীয় স্বার্থেই নেওয়া হয়েছে। কারণ তুরস্ক সরাসরি পাকিস্তানকে সমর্থন করেছে এবং ভারতের এয়ার স্ট্রাইকের বিরোধিতা করেছে।’’ প্রসঙ্গত, এই মামলাটি ওঠে বিচারপতি শচীন দত্তের এজলাসে। এখানেই দেশের সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা কেন্দ্রের পক্ষে সওয়াল করেন এবং তিনিও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘‘শত্রুরা ১০ বার প্রচেষ্টা করতে পারে আঘাত হানার, তাদেরকে একবার সফল হতে হয়। কিন্তু নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে দশবারই সফল হতে হয়। তাই এখানেই জাতীয় সুরক্ষা খুবই প্রয়োজনীয়। বিশেষত বেসরকারি বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে।

    ‘‘সাবধানের মার নেই’’, পর্যবেক্ষণ আদালতের

    অন্যদিকে, সেলেবির পক্ষ থেকে এই মামলার সওয়াল জবাব করেন মুকুল রোহতগি। তিনি বলেন, ‘‘একতরফাভাবে কথা শোনা হয়েছে এবং তাঁর কোম্পানিকে কোনও কিছু বলতেই দেওয়া হয়নি।’’ সেলেবির আইনজীবী বলেন, ‘‘১৭ বছর ধরে এই সংস্থা কাজ করছে এবং বিভিন্ন বিমানবন্দরে পরিষেবা দিয়ে আসছে।’’ কিন্তু সলিসেটার জেনারেল তুষার মেহতা বারবার জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টির উপরে জোর দেন। এর পরই আদালতের পর্যবেক্ষণ, ‘‘সাবধানের মার নেই’’। জানা গিয়েছে, সেলেবি তাদের সঙ্গে কেন্দ্রের চুক্তি সিল করা খামে জমা দিয়েছে। আদালতে বুধবার পরবর্তী শুনানি রয়েছে এই মামলার।

  • India Pakistan Ceasefire: যুদ্ধবিরতিতে ট্রাম্পের ভূমিকা থেকে পাকিস্তানের পরমাণু হুমকি, সব খোলসা করলেন মিস্রি, কী বললেন?

    India Pakistan Ceasefire: যুদ্ধবিরতিতে ট্রাম্পের ভূমিকা থেকে পাকিস্তানের পরমাণু হুমকি, সব খোলসা করলেন মিস্রি, কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে (India Pakistan Ceasefire) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনও ভূমিকা ছিল না। অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) পর সামরিক সংঘর্ষ বিরতির সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে হয়েছে বলে দাবি করলেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি (Vikram Misri)। সোমবার সংসদীয় কমিটির বৈঠকে বিদেশ সচিব জানান, গত ১০ মে দুই দেশের ডিজিএমও আলোচনার মাধ্যমে সংঘর্ষিবিরতিতে সায় দেন।

    ট্রাম্পের দাবিকে মান্যতা নয়

    সংঘর্ষবিরতির কথা প্রথম ঘোষণা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ভারত এবং পাকিস্তানের (India Pakistan Ceasefire) তরফে আনুষ্ঠানিক সংঘর্ষবিরতির ঘোষণায় তাঁর নাম উল্লেখ না থাকা সত্ত্বেও বারাবর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সমঝোতার কারিগর হিসেবে নিজেকেই তুলে ধরেছেন। এই নিয়ে কেন্দ্রকে প্রশ্ন করে বিরোধী দলগুলি। সংসদীয় কমিটির বৈঠকেও সেই প্রসঙ্গ উত্থাপন হয়। সংসদীয় কমিটির এক সদস্য প্রশ্ন করেছিলেন, ‘অন্তত ৭ বার প্রকাশ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতি সম্ভব হয়েছে তাঁরই জন্য। ভারত চুপ কেন?

    তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা নেই

    এদিন বিদেশসচিব স্পষ্ট বলেন, “ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির (India Pakistan Ceasefire) সিদ্ধান্ত একান্তভাবেই দুই দেশের সম্মতির ভিত্তিতে হয়েছে। এতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনও তৃতীয় পক্ষের কোনও ভূমিকা নেই।” বিক্রম মিস্রি জানান, সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাত ছিল পুরোপুরি প্রচলিত যুদ্ধবিধির মধ্যে। তাঁর কথায়, “পাকিস্তানের তরফে কোনও পরমাণু সংকেত দেওয়া হয়নি। সংঘর্ষের সময় তাদের ব্যবহৃত চিনা প্রযুক্তির অস্ত্র নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন নই। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল— আমরা তাদের বায়ুসেনা ঘাঁটিগুলিতে কঠোরভাবে আঘাত করেছি।” বিদেশ সচিবের এই বক্তব্য ভারতের অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করে, যে কাশ্মীর ইস্যুতে কোনও তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা ভারত গ্রহণ করবে না।

    যুদ্ধবিমানের ক্ষয়ক্ষতি

    সূত্রের খবর, পাকিস্তানের এইচ-কিউ ৯ মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কথাও উঠে আসে কমিটির আলোচনায়। তবে বিদেশসচিব জানান, অস্ত্রের উৎস নয়, আঘাতের কার্যকারিতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সংসদীয় কমিটির একাধিক সদস্য জানতে চান, পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কি ভারতের কয়েকটি যুদ্ধবিমান গুলি করে নামিয়েছে। বিশেষ করে ফ্রান্সের রাফাল যুদ্ধবিমানের ক্ষয়ক্ষতির প্রসঙ্গ উঠে আসে। তবে বিদেশ সচিব জাতীয় নিরাপত্তার কারণে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে চাননি। তিনি জানান, এটা প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিষয়, তিনি এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। উল্লেখ্য বিদেশ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ শশী তারুর। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেসের রাজীব শুক্ল, দীপেন্দর হুডা, বিজেপির অপরাজিতা ষড়ঙ্গী, অরুণ গোভিল এবং এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসিও উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে।

    বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে এক ভিডিও ক্লিপে বলতে শোনা গিয়েছিল, “অভিযানের শুরুতেই আমরা পাকিস্তানকে একটি বার্তা দিয়েছিলাম, জানিয়ে দিই যে আমরা সন্ত্রাসী শিবিরে হামলা করছি।” এই বক্তব্য ঘিরে উত্তাল হয় রাজনীতি। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী একে ‘অপরাধ’ বলে কটাক্ষ করেন। তিনি এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে প্রশ্ন তোলেন, ‘কে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে? এর ফলে আমাদের বিমানবাহিনী কতটি বিমান হারিয়েছে?’ বিদেশ সচিব কমিটিকে জানান, বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “অপারেশনের শুরুতে নয়, সুনির্দিষ্ট আঘাতের পর পাকিস্তানকে জানানো হয়েছিল।” সূত্রের খবর, সোমবারের স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে মিস্রি জানিয়েছেন, ‘অপারেশন সিঁদুর’–এর প্রথম অভিঘাতের পরে পাকিস্তানকে জানানো হয়েছিল, ভারতের টার্গেট জঙ্গিঘাঁটি, কোনও পাকিস্তানি মিলিটারি ইনস্টলেশন নয়, তাই পাক সেনা যেন ভারতের অপারেশনে বাধা না দেয়। কিন্তু পাকিস্তানি সেনা সেই পরামর্শ শোনেনি, তাই তাদের ফল ভুগতে হয়েছে। অপারেশন শুরুর আগে পাকিস্তানকে কিছুই জানানো হয়নি বলে দাবি মিস্রির।

    তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক

    পাকিস্তানকে সামরিক সাহায্যের অভিযোগ উঠেছিল তুরস্কের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে তুরস্কের সঙ্গে ইতিমধ্যেই একাধিক লেনদেনের সম্পর্ক ছিন্ন করেছে ভারত। ভারত–তুরস্কের সম্পর্ক এখন কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে? সূত্রের খবর, এক্ষেত্রে মিস্রি বলেন, ‘আপনারা ইতিহাস ঘেঁটে দেখে নিন, পাকিস্তান এবং তুরস্ক— দু’দেশের সঙ্গেই আমাদের সম্পর্ক কোনও দিন বিশেষ ভালো ছিল না। ফলে, নতুন করে সম্পর্কে অবনতির বিষয় নেই।’ মিস্রি ও তাঁর পরিবারকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ট্রোল করা হয়েছিল, এ দিনের বৈঠকে স্ট্যান্ডিং কমিটি সর্বসম্মত ভাবে তার নিন্দা করেছে।

  • Allahabad High Court: সম্ভল মসজিদ মামলায় কমিটির আবেদন খারিজ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Allahabad High Court: সম্ভল মসজিদ মামলায় কমিটির আবেদন খারিজ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মসজিদ কমিটির আবেদন খারিজ করে দিল উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High Court)। সোমবার উত্তরপ্রদেশের সম্ভালে অবস্থিত শাহি জামে মসজিদের সমীক্ষার নির্দেশ বহাল রাখল তারা। গত নভেম্বরে ট্রায়াল কোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন (Sambhal Survey Order) মসজিদ কমিটি। প্রসঙ্গত, হিন্দু পক্ষের দাবি, মুঘল যুগে একটি মন্দির ভেঙে নির্মাণ করা হয়েছিল এই মসজিদ।

    সম্ভলে ব্যাপক হিংসা (Allahabad High Court)

    গত ২৪ নভেম্বর সম্ভলে ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটে। সেদিন পাঁচশো বছরের পুরানো ওই মসজিদে সমীক্ষার কাজ চালাতে এসেছিল অ্যাডভোকেট কমিশনের দল। তাদের বাধা দেয় জনতার একাংশ। তার পরেই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় তাদের।ট্রায়াল কোর্টের সমীক্ষার নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে ট্রায়াল কোর্টের নির্দেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অতিরিক্ত কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না।

    পুজো করার অধিকার দাবি

    প্রসঙ্গত, সিভিল কোর্টে মূল মামলাটি দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী হরিশঙ্কর জৈন এবং আরও সাতজন। তাঁদের দাবি, এখন যেখানে মসজিদটি গড়ে উঠেছে, সেখানে আগে ছিল হরিহর মন্দির। মূল মন্দিরের জায়গায় তাঁরা পুজো করার অধিকারও চান। জানা গিয়েছে, বিচারপতি রোহিত রঞ্জন আগরওয়ালের সিঙ্গল বেঞ্চের এই নির্দেশের পর সমীক্ষা মামলাটি সম্ভল জেলা আদালতে চলবে।

    মসজিদ কমিটি একটি দেওয়ানি পুনর্বিবেচনার আবেদন দায়ের করেছে। এতে জেলা আদালতে চলা বর্তমান মামলার কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়। তাদের দাবি, সমীক্ষার নির্দেশটি তড়িঘড়ি করে এবং আগে কোনও নোটিশ না দিয়েই জারি করা হয়েছিল। তারা আরও উল্লেখ করেছে, মসজিদটি ইতিমধ্যেই দু’বার সমীক্ষা করা হয়েছে – একবার নির্দেশের দিনই, আর একবার ২৪ নভেম্বর, যেদিন হিংসা ছড়িয়ে পড়েছিল (Allahabad High Court)।

    ভারতের পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ আদালতে জানিয়েছে, মসজিদটিকে একটি কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। একে জনসাধারণের উপাসনার স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। কারণ এই দাবির স্বপক্ষে কোনও নথি মেলেনি।

    এদিকে, অ্যাডভোকেট কমিশনার রমেশ রাঘব, যিনি (Sambhal Survey Order) এই সমীক্ষার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তিনি ইতিমধ্যেই সিল করা সমীক্ষার রিপোর্ট জমা দিয়েছেন ট্রায়াল কোর্টে (Allahabad High Court)।

  • Supreme Court: ‘‘ভারত কোনও ধর্মশালা নয়’’, শ্রীলঙ্কার নাগরিকের এদেশে থাকার আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: ‘‘ভারত কোনও ধর্মশালা নয়’’, শ্রীলঙ্কার নাগরিকের এদেশে থাকার আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার (Sri Lankan National) এক নাগরিক ভারতে আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছিলেন। সোমবার তা খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে যে, ভারত কোনও ধর্মশালা নয়। এদিন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই এমন মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত, আবেদনকারীকে শ্রীলঙ্কায় সক্রিয় সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লিবারেশন টাইগার্স অফ তামিল ইলম (এলপ্রটিটিই)-এর সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে ২০১৫ সালে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

    ২০১৮ সালে দোষী সাব্যস্ত হয় ওই ব্যক্তি (Supreme Court)

    ২০১৮ সালেই, ট্রায়াল কোর্ট অভিযুক্ত এই শ্রীলঙ্কার নাগরিককে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের অধীনে দোষী সাব্যস্ত করে। এরপর তার ১০ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। ২০২২ সালে, মাদ্রাজ হাইকোর্ট তাঁর সাজা কমিয়ে সাত বছর করে। এর পাশাপাশি নির্দেশে উল্লেখ ছিল যে, সাজা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দোষীকে ভারত ছেড়ে চলে যেতে হবে। তবে ওই দোষী দিন কয়েক একটি শরণার্থী শিবিরে থাকার সুযোগ পাবেন।

    কী বললেন বিচারপতি?

    আবেদনকারী সুপ্রিম কোর্টকে (Supreme Court) জানিয়েছিলেন যে- নিজের দেশে তাঁর জীবন ঝুঁকির মধ্যে থাকায় তিনি ভিসা নিয়েই ভারতে এসেছিলেন। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানরা ভারতেই রয়েছেন। তিনি প্রায় তিন বছর ধরে এখানে আটক রয়েছেন বলেও জানান ওই শ্রীলঙ্কার নাগরিক। এরপরেই তিনি ভারতে থাকার আবেদন জানান। জবাবে, বিচারপতি দত্ত বলেন, ‘‘ভারত কি সারা বিশ্ব থেকে আসা শরণার্থীদের আশ্রয় দেবে? এ দেশে এমনিতেই ১৪০ কোটি মানুষের বসবাস। এটি কোনও ধর্মশালা নয় যেখানে আমরা সারা বিশ্বের বিদেশি নাগরিকদের আতিথেয়তা দিতে পারি।’’ এক্ষেত্রে আবেদনকারীর আইনজীবী সংবিধানের ২১ (জীবন ও স্বাধীনতার সুরক্ষা) এবং অনুচ্ছেদ ১৯ ধারা উল্লেখ করেন। এই ধারা গুলির মাধ্যমে যেকোনও ভারতীয় বাকস্বাধীনতা এবং চলাফেরার স্বাধীনতা-সহ মৌলিক অধিকার ভোগ করেন। এক্ষেত্রে বিচারপতি দত্ত বলেন, ‘‘আবেদনকারীর আটক ২১ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করে না কারণ তাঁকে আইন অনুসারে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।’’

  • ISI: গোপন তথ্য দিতেন পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে! এ বার গ্রেফতার উত্তরপ্রদেশের শাহজাদ

    ISI: গোপন তথ্য দিতেন পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে! এ বার গ্রেফতার উত্তরপ্রদেশের শাহজাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ফের গ্রেফতার করা হল একজনকে। শনিবারই উত্তরপ্রদেশের রামপুর জেলা থেকে সন্ত্রাসদমন শাখা (এটিএস) গ্রেফতার করে শাহজাদ নামের একজনকে। তাঁকে আপাতত নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, একাধিকবার পাকিস্তানেও গিয়েছেন শাহজাদ। সেখানে আইএসআই কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও হত তাঁর। সন্ত্রাস দমন শাখার আরও চাঞ্চল্যকর দাবি, শাহজাদ রামপুর ও উত্তর প্রদেশের অন্যান্য অংশ থেকে সাধারণ মানুষদের পাকিস্তানে পাঠাত আইএসআই-র হয়ে কাজ করার জন্য।

    শাহজাদের ওপর নজরদারি চালাচ্ছিল পুলিশ

    জানা গিয়েছে, শাহজাদ পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর (ISI) হাতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা গোপন তথ্য তুলে দিতেন। আইএসআই-এর শীর্ষকর্তাদের একাংশের সঙ্গেও তাঁর সরাসরি যোগাযোগ ছিল বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। গোপন সূত্রে এমন খবর পেয়ে বিগত কয়েক দিন ধরেই শাহজাদ নামের ওই যুবকের উপর নজরদারি চালাচ্ছিল পুলিশ। শনিবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ১৪৮ ও ১৫২ ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    শাহজাদ একাধিক বার পাকিস্তানে গিয়েছিলেন

    আরও জানা যাচ্ছে, শাহজাদ একাধিক বার পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। সেখানেই আইএসআই-এর (ISI) মদতে তিনি সীমান্ত পেরিয়ে নানা জিনিস চোরাচালান করতেন বলে জানা যাচ্ছে। চোরাচালানের কারবারের আড়ালেই এই চরবৃত্তি চলত বলে জানতে পেরেছেন তদন্তরকারীরা। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানে আইএসআই-এর (ISI) লোকজনকে ভারতের সিমকার্ড দেওয়া, এদেশে আইএসআই এজেন্টদের থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    জ্যোতির পরে হরিয়ানায় গ্রেফতার নোমান ইলাহী

    জ্যোতি মলহোত্রার পরেই পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির (ISI) অভিযোগে হরিয়ানা থেকে নোমান ইলাহী নামে এক তরুণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা যাচ্ছে, তিনি উত্তরপ্রদেশের শামলীর বাসিন্দা তবে কর্মসূত্রে থাকতেন হরিয়ানায়। হরিয়ানার পানিপথে একটি কারখানায় নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করতেন নোমান। কাজের আড়ালেই চলত চরবৃত্তি। প্রসঙ্গত, চরবৃত্তির অভিযোগে কয়েক দিন আগে গ্রেফতার হয়েছেন হরিয়ানার বছর পঁচিশের এক পড়ুয়াও।

  • Golden Temple: স্বর্ণমন্দির লক্ষ্য করে মিসাইল-ড্রোন হামলা পাকিস্তানের! কীভাবে রুখল ভারত, ভিডিও প্রকাশ সেনার

    Golden Temple: স্বর্ণমন্দির লক্ষ্য করে মিসাইল-ড্রোন হামলা পাকিস্তানের! কীভাবে রুখল ভারত, ভিডিও প্রকাশ সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমৃতসরের বিখ্যাত স্বর্ণমন্দির (Golden Temple) ধ্বংসের লক্ষ্যে হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু ঐতিহাসিক এই মন্দিরের গায়ে একটি আঁচড়ও লাগেনি। কারণ পাক মিসাইল আর ড্রোন হামলার সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। অপারেশন সিঁদুরের জবাবে ভারতে পাল্টা হামলার ছক কষেছিল পাকিস্তান। ড্রোন হামলার চেষ্টা হয়েছিল স্বর্ণ মন্দিরেও। গত ৮ মে ভোররাতে পাকিস্তান ড্রোন ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালায়। তবে ভারতীয় সেনা আগে থেকেই প্রস্তুত থাকায় তা প্রতিহত হয়। ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা বলয় এক ইঞ্চিও ক্ষতি হতে দেয়নি পবিত্র এই ধর্মস্থানের।

    কীভাবে প্রতিহত হল হামলা

    পাক সেনার ছক প্রতিহত করেছে ভারত। ভারতের প্রত্যাঘাতে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে লাহোরের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ভয় পেয়েছে ইসলামাবাদ। ৫১তম ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং পদে থাকা মেজর জেনারেল কার্তিক সি শেষাদ্রি জানান, “আমরা জানতাম পাকিস্তান নির্দিষ্ট কোনও টার্গেট পাবে না হামলা চালানোর জন্য। তাই ওরা ভারতীয় সেনার ঘাঁটি এবং জনবসতিতে হামলা করবে। জনবসতির মধ্যে থাকা ধর্মস্থানেও পাক হামলার প্রবল সম্ভাবনা ছিল। ধর্মস্থানের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত স্বর্ণমন্দির (Golden Temple)। তাই ৮ মে অমৃতসর লক্ষ্য করে হামলা শুরু হতেই আমরা স্বর্ণমন্দির সুরক্ষিত রাখতে একটি ছাতা গড়ে তুলি।” মেজর জেনারেল শেষাদ্রি আরও জানান, মূলত ড্রোন এবং দূরপাল্লার মিসাইলের মাধ্যমে ওইদিন হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু সেটা রুখতে পুরোপুরি তৈরি ছিল সেনা। তাঁর কথায়, “আমাদের সাহস এবং সতর্কতা পাক সেনার জঘন্য ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে। পাকিস্তানের প্রত্যেকটি ড্রোন এবং মিসাইলকে গুলি করে নামানো হয়েছে। স্বর্ণমন্দিরের কোনও ক্ষতি হয়নি।”

    ভিডিও প্রকাশ সেনার

    কীভাবে পাক হানা রুখে দেওয়া হল, তার বিশদ বিবরণ দিয়ে সোমবার একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয় সেনার তরফে। সেখানে আকাশ মিসাইল সিস্টেম, এল-৭০ এয়ার ডিফেন্স গানের ব্যবহার দেখানো হয়েছে। অমৃতসর-সহ পাঞ্জাবের অন্যান্য শহরগুলিকে রক্ষা করেছিল এই সিস্টেমই। কীভাবে পাক হামলার সামনে দুর্ভেদ্য প্রাচীর গড়েছে সেনা, তুলে ধরা হয়েছে সেনার প্রকাশিত এই ভিডিওতে। পাকিস্তান মূলত ড্রোন, লয়টারিং মিউনিশন ও দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালায়। কিন্তু ভারতের প্রতিরক্ষা গঠনতন্ত্র ২৪ ঘণ্টা নজরদারি ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখাতে সক্ষম হওয়ায় সব ধরনের হুমকিকে আগেভাগেই ধ্বংস করে দেয়। ভারতের ৩৬ জায়গায় হামলার চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান। প্রতি বারই পাকিস্তানের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ করেছে ভারতীয় বাহিনী। ৩০০ থেকে ৪০০ বার ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছে পাকিস্তান। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে সেই হামলা প্রতিহত করেছে ভারতীয় সেনা। বেশ কয়েকটি পাক ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।

  • Jyoti Malhotra: জ্যোতিকে চর হিসেবে গড়ে তুলছিল আইএসআই! জানুয়ারিতেই গিয়েছিলেন পহেলগাঁও, উঠে এল তদন্তে

    Jyoti Malhotra: জ্যোতিকে চর হিসেবে গড়ে তুলছিল আইএসআই! জানুয়ারিতেই গিয়েছিলেন পহেলগাঁও, উঠে এল তদন্তে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানার ট্রাভেল ভ্লগার জ্যোতি মালহোত্রা। পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির (Pak Agents) অভিযোগে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে। রবিবারই এই খবর সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের গোয়েন্দাদের কাছে গোপন তথ্য পাচার করতেন জ্যোতি (Jyoti Malhotra)। শুধু তাই নয়, পুলিশে তরফে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে, যে পহেলগাঁও হামলার আগে জানুয়ারি মাসেই সেখানেই ঘুরতে যান জ্যোতি। অপারেশন সিঁদুরের আবহেও পাকিস্তানি এজেন্টদের সঙ্গে জ্যোতি মালহোত্রা যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। তবে প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত কোনও তথ্য তিনি পাননি, কারণ ততদূর পর্যন্ত পৌঁছানোর ক্ষমতা তাঁর ছিল না। জানা যাচ্ছে, জ্যোতিকে ‘অ্যাসেট’ বা চর হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিল পাকিস্তান।

    কী জানালেন হিসারের পুলিশ সুপার

    এ নিয়ে সামনে এসেছে হিসারের পুলিশ সুপার শশাঙ্ক কুমার শাওনের বিবৃতি। রবিবারই উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন যে,  জ্যোতি মালহোত্রাকে (Jyoti Malhotra) পাকিস্তানের ভ্রমণে নিয়ে যায় সে দেশের গোয়েন্দারা। তাঁদের টাকাতেই একাধিকবার পাকিস্তানের গিয়েছেন জ্যোতি। পুলিশ সুপার আরও জানিয়েছেন যে, পহেলগাঁও হামলায় যদি কোনও যোগসূত্র থাকে, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে তদন্তে। পুলিশ সুপারের দাবি, আধুনিক যুদ্ধ কেবলমাত্র সীমান্তে গুলি-বারুদের লড়াইতেই হয় না। পাকিস্তানি এজেন্টরা (Pak Agents) তাঁদের নিজেদের বক্তব্য প্রচারের জন্য এদেশের সোশ্যাল মিডিয়ায় যাঁরা প্রভাবশালী রয়েছেন, তাঁদের ‘অ্যাসেট’ (গুপ্তচর দুনিয়ার পরিভাষায় বিদেশে থাকা চর) হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। সেই লক্ষ্যেই জ্যোতিকে তারা গড়ে তুলছিল পাকিস্তান।

    চিন সফরও করে পাকিস্তানের চর জ্যোতি (Jyoti Malhotra)

    হিসারের পুলিশ সুপার আরও জানিয়েছেন, জ্যোতি মালহোত্রা সাম্প্রতিককালে একবার চিন সফরও করেছেন। জ্যোতি মালহোত্রার ভ্রমণের যে ব্যয় তা তাঁর আয়ের থেকে অনেক বেশি বলে দেখা যাচ্ছে। এনিয়েই এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, ‘‘আমরা জ্যোতি মালহোত্রা আর্থিক বিবরণটা বিশ্লেষণ করছি। ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষের সময় জ্যোতি মালহোত্রা পাকিস্তানি এজেন্টদের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগে ছিলেন। দেখা যাচ্ছে, তাঁর ভ্রমণের যে অর্থ ব্যয় করেছেন তিনি, তা তাঁর মোট আয়ের থেকেও বেশি। এই টাকা তিনি কোথা থেকে পেয়েছেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’

    অপারেশন সিঁদুরের সময়ও পাক এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল জ্যোতির

    প্রসঙ্গত, জ্যোতি মালহোত্রার (Jyoti Malhotra) চ্যানেলের নাম হল ‘ট্রাভেল উইথ জো’। শনিবারই জ্যোতিকে গ্রেফতার করা হয়। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির তরফ থেকে গোপন তথ্য পাওয়ার পরেই এই কাজ করে হরিয়ানা পুলিশ। পাকিস্তানের এজেন্টদের সঙ্গে জ্যোতির যোগাযোগ অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিল বলে জানিয়েছে প্রশাসন। যাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিল এহসান-উর-রহিম। যাঁর অপর নাম দানিশ। এই পাকিস্তানি এজেন্ট নয়া দিল্লিতে পাক হাই কমিশনের একজন কর্মচারী বলেই জানা গিয়েছে।

    পাক হাইকমিশনের ইফতার পার্টিতেও ছিল জ্যোতি

    গত বছরে ড্যানিসের সঙ্গেই পাক হাইকমিশন একটি বিশেষ ইফতার পার্টিতেও যোগদান করেছিলেন জ্যোতি মালহোত্রা। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ভারতের অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রশাসন মনে করছে, এই মামলায় আরও অনেকেই জড়িত থাকতে পারে। গ্রেফতারের পর জ্যোতিকে আদালতে তোলা হলে তাঁকে পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

    চিন-বাংলাদেশ-পাকিস্তানের হাইকমিশনের কর্মীদের ওপর কড়া নজর রাখে দিল্লি

    অন্যদিকে, এই ঘটনায় জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন ডিজিপি, শেস পল বৈদ্য জানিয়েছেন যে পাকিস্তানি গুপ্তচরের কাছে হানি ট্রাপে পড়েছিলেন জ্যোতি। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে পহেলগাঁওয়ে গিয়েছিলেন তিনি। প্রাক্তন ডিজিপি আরও জানিয়েছে, বর্তমান কালে আমাদের দেশে পাকিস্তান, চিন এবং বাংলাদেশের হাইকমিশনের কর্মীরা কোথায় কোথায় যাচ্ছেন তা কড়া নজরদারিতে রাখেন আমাদের গোয়েন্দারা।

    ২০২৩ সালে প্রথম পাকিস্তানে যান জ্যোতি

    পাকিস্তান গিয়ে জ্যোতি একাধিক আইএসআই এজেন্ট এবং কর্তার সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের মধ্যে শাকির আর রান শাহবাজ নামের দুই পাক এজেন্টের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। গত তিন বছরে হরিয়ানা এবং পাঞ্জাবে বড় চর নেটওয়ার্ক তৈরি করেন জ্যোতি। জানা যাচ্ছে, পাক এজেন্টদের মোবাইল নম্বর অন্য নামে সেভ করা রয়েছে তাঁর ফোনে। নিয়মিত যোগাযোগ থাকত এঁদের সকলের সঙ্গে। সূত্রের খবর, কথা চলত হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম এবং স্ন্যাপচ্যাটে। হরিয়ানা থেকে গ্রেফতার হওয়া জ্যোতি মালহোত্রার বিভিন্ন ডিভাইস ঘেঁটে উঠে আসছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য। ২০২৩ সালে প্রথম পাকিস্তান যান জ্যোতি। সেই সময়েই নয়াদিল্লিতে পাকিস্তান হাই কমিশনের আধিকারিক এহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। বাড়ে ঘনিষ্ঠতা। উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহেই এই দানিশকে ভারতে অবাঞ্ছিত বলে ঘোষণা করে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

  • Mohan Bhagwat: ‘‘শক্তিশালী হলে তবেই বিশ্ব আমাদের ভালোবাসার ভাষা শুনবে’’, বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘‘শক্তিশালী হলে তবেই বিশ্ব আমাদের ভালোবাসার ভাষা শুনবে’’, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘এই বিশ্ব ভালোবাসার ভাষা তখনই শুনবে যদি তোমার শক্তি থাকে। ভারত (Bharat) হল পৃথিবীর সবথেকে প্রাচীনতম সভ্যতা। বর্তমানে আমরা কাজ করছি বিশ্ব শান্তি এবং সম্প্রতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।’’ রাজস্থানের জয়পুরে এমনই মন্তব্য করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সর সংঘচালক চালক ডঃ মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। সে রাজ্যের জয়পুরে রবিনাথ আশ্রমে একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন সংঘপ্রধান। সেখানেই তাঁকে এই কথাগুলি বলতে শোনা যায়। একইসঙ্গে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, ‘‘এদেশের ইতিহাস আত্মত্যাগের ইতিহাস। ভগবান রামচন্দ্র থেকে ধামাশাহ আমরা প্রত্যেকেই তাঁদের পুজো করি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারতের কর্তব্য হল, গোটা বিশ্বকে ধর্ম শিক্ষা দেওয়া। কিন্তু তার জন্য অবশ্যই শক্তি খুব গুরুত্বপূর্ণ।’’ অপারেশন সিঁদুর সফল হওয়ার পরে সংঘ প্রধানের এমন বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।পাকিস্তানে প্রত্যাঘাত করে ভারত যে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে তাতে গোটা বিশ্ব এদেশের সামরিক শক্তি প্রত্যক্ষ করেছে।

    এ দেশ কারও ক্ষতি করতে চায় না (Mohan Bhagwat)

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) আরও বলেন, ‘‘এ দেশ কারও ক্ষতি করতে চায় না। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমাদেরকে শক্তিশালী হতে হবে। কারণ শক্তিশালী হলেই গোটা বিশ্ব আমাদের ভালোবাসার ভাষা শুনবে। কারণ এটাই বিশ্বের প্রকৃতি। এই প্রকৃতিকে কখনও পরিবর্তন করা যাবে না। যে কারণে পৃথিবীর কল্যাণের জন্য আমাদেরকে শক্তিশালী হতে হবে এবং সারা বিশ্ব সাক্ষী থাকবে আমাদের শক্তির।’’

    জাতির কর্তব্য হল সারা বিশ্বকে ধর্ম শিক্ষা দেওয়া

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) আরও বলেন, ‘‘সমস্ত দিক দিয়ে ভারত বর্তমানে এগিয়ে চলেছে। বর্তমানে আমাদের জাতির কর্তব্য হল, সারা বিশ্বকে ধর্ম শিক্ষা দেওয়া। কারণ পৃথিবীর কল্যাণই আমাদের ধর্ম। বিশেষত হিন্দু ধর্মে এটা আমাদের পবিত্র কর্তব্য। এটা প্রাচীন ভারতীয় প্রথার মধ্যেও রয়ে গিয়েছে। আমরা ঋষি মুনিদের আমল থেকেই তা দেখতে পাচ্ছি। বর্তমানেও সেই একই ধারা প্রবাহিত রয়েছে।’’

  • ISIS Terror Plan: হায়দরাবাদে হামলার ছক! মজুত করা হচ্ছিল বিস্ফোরক, গ্রেফতার ২ আইসিস জঙ্গি

    ISIS Terror Plan: হায়দরাবাদে হামলার ছক! মজুত করা হচ্ছিল বিস্ফোরক, গ্রেফতার ২ আইসিস জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অল্পের জন্য রক্ষা পেল হায়দরাবাদ (Bomb plot in Hyderabad)। দক্ষিণের এই শহরে বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল আইসিস জঙ্গিদের (ISIS Terror Plan)। গোপনসূত্রে খবর পেয়ে বড়সড় এই হামলার থেকে শহরকে রক্ষা করল পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে দুই সন্ত্রাসবাদীকে। উদ্ধার হয়েছে বিস্ফোরকও। তেলঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশের যৌথ অভিযানেই ওই দুই সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম সিরাজউর রহমান (২৯) ও সঈদ সমীর (২৮)।

    সদা সতর্ক পুলিশ

    পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর দেশ জুড়ে আরও সতর্ক হয়েছে পুলিশ। সম্ভাব্য যে কোনও খবর পেলেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চলছে তল্লাশি অভিযান। সন্ত্রাসের সঙ্গে কোনওরকম আপস নয়। মোদি সরকারের নীতি মেনেই নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কঠোর করা হচ্ছে। দেশের নানা প্রান্তে জঙ্গিদের খোঁজে সক্রিয় রয়েছে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। সোমবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হায়দরাবাদের (Hyderabad) বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযুক্ত দুজনকে আটক ও পরে গ্রেফতার করা হয়। সিরাজ ভিজিনগ্রামের বাসিন্দা, সমীর হায়দরাবাদেরই ছেলে। জানা গিয়েছে, এদের দুইজনেরই আইসিস জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। আইসিসের (ISIS Terror Plan) নির্দেশেই হায়দরাবাদে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের।

    বিস্ফোরণের ছক তৈরি ছিল

    জেরায় জানা গিয়েছে, সৌদি আরবের আইসিস মডিউল থেকে তাদের হামলা চালানোর যাবতীয় নির্দেশ দেওয়া হচ্ছিল। হায়দরাবাদে কীভাবে বোমা বিস্ফোরণ করতে হবে, সেই নির্দেশও দিচ্ছিল আইসিস জঙ্গিরা। আগে তাদের ‘ডামি’ বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল বলেই জানা গিয়েছে। ওই প্ল্যান সফল হলে, তারপর করা হত বড় হামলা। ভিজিনগ্রাম থেকে সিরাজ বিস্ফোরকের সামগ্রী নিয়ে এসেছিল। জেরায় পুলিশ জানতে পেরেছে, এই ২জন বড় সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করেছিল দেশজুড়ে। সিরাজ ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে চাকরির চেষ্টা করছিল, সমীর একটি লিফট অপারেটিং সংস্থায় কর্মরত। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এই ২ জন অল হিন্দ ইত্তেহাদুল মুসলিমিন সংগঠনের (ISIS Terror Plan) সঙ্গে যুক্ত ছিল।

  • Operation Sindoor: বদলা নয়, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর উদ্দেশ্য বিচার, ভিডিও প্রকাশ ভারতীয় সেনার

    Operation Sindoor: বদলা নয়, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর উদ্দেশ্য বিচার, ভিডিও প্রকাশ ভারতীয় সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁওকাণ্ডের পর পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে প্রত্যাঘাত চালায় ভারত। শুরু হয় অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor)। সেনাবাহিনী, নৌ সেনা, বায়ুসেনার একযোগে এরপর শুরু করে পাকিস্তানে প্রত্যাঘাত। এবার নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে একটি নতুন ভিডিও পোস্ট করল ভারতীয় সেনা। সেখানে তারা সাফ জানাল, বদলার মনোভাব থেকে ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযান নয়, এর পিছনে উদ্দেশ্য একটাই- বিচার।

    ৫৪ সেকেন্ডের ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে (Operation Sindoor)

    ওয়েস্টার্ন কমান্ড- ইন্ডিয়ান আর্মির (Indian Army) এক্স হ্যান্ডেলে ৫৪ সেকেন্ডের ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। তারই ক্যাপশনে লেখা, পরিকল্পিত, প্রশিক্ষিত এবং বাস্তবায়িত। ভিডিও-র শুরুতে দেখা যাচ্ছে একদল সেনাকে। তাঁদেরই একজনকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘‘পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার (Pahalgam Terror Attack) জেরে এর (অপারেশন সিঁদুর) শুরু হয়েছে। রাগ ছিল না, একটাই লক্ষ্য ছিল, এবার উচিৎ শিক্ষা দিতে হবে যাতে আগামী দিনে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম মনে রাখবে (Operation Sindoor)।’’

    পহেলগাঁওকাণ্ড (Operation Sindoor)

    প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর (Indian Army) হামলা চালায় জঙ্গিরা। এর জেরে মৃত্যু হয় ২৫ পর্যটক ও এক স্থানীয় বাসিন্দার। এই হামলার দায় স্বীকার করে লস্কর-ই-তইবার শাখা সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’। এরপরই ৬ ও ৭ মে, মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে ভারত শুরু করে অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor)। পাকিস্তানের ৯ জঙ্গিঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত করে ভারত। পাল্টা সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে ড্রোন হামলার চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। যদিও সবকটি হামলা প্রতিহত করে ভারতের উন্নত এয়ার ডিফেন্স। ১০ মে পাকিস্তান-ভারত সংঘর্ষ বিরতিতে রাজি হয়।যদিও সেদিনই আবার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করে পাকিস্তান সীমান্তে গোলাবর্ষণ করে পাকিস্তান। প্রসঙ্গত,পহেলগাঁও হামলার (Pahalgam Attack) পরেই ভারত সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এবার দেশের সাংসদরা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে যাবেন পাকিস্তানের মদতে চলা সন্ত্রাসবাদ নিয়ে বক্তব্য রাখবেন।

LinkedIn
Share