Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • New Income Tax Bill: নয়া আয়কর বিলে অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার, জানুন বিশদে

    New Income Tax Bill: নয়া আয়কর বিলে অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া আয়কর বিলে অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Union Cabinet)। আয়কর আইন ১৯৬১-এর বদলে আনা হচ্ছে এই বিল (New Income Tax Bill)। ভারতের কর ব্যবস্থাকে সরলীকরণ ও আধুনিকীকরণ করাই এর লক্ষ্য। নয়া বিলটি আইনি ভাষাকেও সহজ করবে যাতে করদাতারা সহজে বুঝতে পারেন বিধানগুলি। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, নয়া আইনটি বর্তমানের চেয়ে ৫০ শতাংশ ছোট হবে। এর প্রধান লক্ষ্য হল মামলার সংখ্যা কমানো। বিলটিকে যাতে করদাতা-বান্ধব করে তোলা যায়, তাই বিলটিতে কিছু অপরাধের ক্ষেত্রে কর জরিমানার প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (New Income Tax Bill)

    ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেট বক্তৃতায় তিনি এই বিলের কথা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “১৯৬১ সালের আয়কর আইনের পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা ৬ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। সংশোধিত আয়কর আইনটি সরল, স্পষ্ট ও সহজে বোধগম্য হবে।” ২০২১-২৬ অর্থবর্ষ থেকে নয়া কর কাঠামো লাগু হবে। আয়করদাতারা এই সিস্টেমের আওতায় আসবেন ২০২৬-’২৭ অ্যাসেসমেন্ট ইয়ারে। এবারের বাজেটে বার্ষিক আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা এক লাফে পাঁচ লাখ টাকা বাড়িয়ে ১২ লাখ টাকা করার কথা ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। অর্থাৎ, কারও আয়কর এক লাখ টাকার মধ্যে হলে এক পয়সাও আয়কর দিতে হবে না। অর্থনীতিবিদদের মতে, এর ফলে সাধারণ মানুষের হাতে টাকার জোগান বাড়বে, ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে। স্বাভাবিকভাবেই চাঙা হবে অর্থনীতি (New Income Tax Bill)।

    নয়া বিলের সুবিধা

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক নয়া বিলের সুবিধাগুলি –

    নতুন করের প্রয়োজন নেই: বিলটিতে কোনও নতুন কর প্রবর্তন করা হবে না। তবে চালু কর আইন সরলীকরণের ওপর জোর দেওয়া হবে।

    সরলীকৃত ভাষা: আইনি ভাষা আরও সহজলভ্য করা হবে। এতে করদাতারা জটিলতা ছাড়াই বিধানগুলি বুঝতে পারবেন।

    সংক্ষিপ্ত আইন: অপ্রয়োজনীয় বিধান বাদ দিয়ে এবং অস্পষ্টতা হ্রাস করে নতুন আইনটি বিদ্যমান আইনের চেয়ে ৫০ শতাংশ ছোট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    কম শাস্তি: কর ব্যবস্থাকে আরও করদাতা-বান্ধব করে তুলতে কিছু অপরাধের জন্য কম শাস্তি প্রবর্তনের বিধান থাকতে পারে।

    মামলা-মোকদ্দমা হ্রাস: অপব্যবহার-বিরোধী বিধানের ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্তগুলি স্পষ্ট করে এবং পুরানো ধারাগুলি অপসারণ করে। নতুন বিলের লক্ষ্যই হল কর বিরোধ হ্রাস করা।

    নয়া আয়করের স্ল্যাব

    নয়া আয়কর স্ল্যাবটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    বার্ষিক ৪ লাখ পর্যন্ত কোনও কর দিতে হবে না।

    ৪ লাখ থেকে ৮ লাখ টাকা পর্যন্ত দিতে হবে ৫ শতাংশ। ৮ লাখ থেকে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত দিতে হবে ১০ শতাংশ, ১২ লাখ থেকে ১৬ লাখ পর্যন্ত ১৫ শতাংশ, ১৬ লাখ থেকে ২০ লাখ পর্যন্ত ২০ শতাংশ, ২০ লাখ থেকে ২৪ লাখ পর্যন্ত ২৫ শতাংশ, ২৪ লাখের ওপর হলে ৩০ শতাংশ।

    প্রত্যাশিত সংস্কার

    নয়া কর বিলে প্রত্যাশিত যে সব সংস্কার করা হয়েছে, সেগুলি হল –

    একীভূত কর ব্যবস্থা: বর্তমানে, ব্যক্তি, এইচইউএফ, এওপি, বিওআই এবং কোম্পানিগুলির ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর ব্যবস্থা প্রযোজ্য। নয়া বিলটি এগুলিকে একটি একক কর কাঠামোর মধ্যে প্রবাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে কমবে সম্মতির বোঝা। নিশ্চিত করবে কর নিশ্চিতকরণ।

    উইথহোল্ডিং ট্যাক্স রেশেনালাইজেশন: ব্যবসা ও ব্যক্তিদের জন্য সম্মতি সহজ করার জন্য একটি সরলীকৃত কর উইথহোল্ডিং কাঠামো চালু করা যেতে পারে (Union Cabinet)।

    ব্যবসা করা হবে সহজ: নতুন আইনে প্রকৃত লেনদেনের অপ্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই রোধ করতে অপব্যবহার বিরোধী বিধানের ব্যতিক্রম নির্দিষ্ট করা যেতে পারে (New Income Tax Bill)।

    অপ্রয়োজনীয় বিধান বাতিল: কর আইনকে আরও সুনির্দিষ্ট এবং বস্তুনিষ্ঠ করতে পুরানো এবং যেসব ধারা প্রয়োগ করা হয় না, সেগুলি অপসারণ করা হবে।

    প্রসঙ্গত, নয়া কর ব্যবস্থা ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ থেকে কার্যকর হবে। এটি ২০২৬-২৭ মূল্যায়ন বছর থেকে করদাতাদের ওপর প্রভাব ফেলবে।

    এই আপডেটগুলির মাধ্যমে, সরকার আরও স্বচ্ছ এবং দক্ষ কর ব্যবস্থা তৈরি করার লক্ষ্য নিয়েছে। এতে একদিকে যেমন বিরোধ হ্রাস পাবে, তেমনি ব্যবসা এবং ব্যক্তি উভয়ের সম্মতির সহজতা উন্নত করবে (New Income Tax Bill)।

    প্রসঙ্গত, আয়কর আইনের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করতে ২২টি বিশেষ সাব কমিটি গঠন করা হয়েছে। আয়কর আইন পর্যালোচনার জন্য বিভিন্ন পক্ষের কাছ থেকে আয়কর বিভাগ সাড়ে ৬ হাজারটি পরামর্শ পেয়েছে (Union Cabinet)।

  • Delhi Election: প্রাথমিক গণনায় ম্যাজিক ফিগার পার, দিল্লিতে বিপুল জয়ের পথে বিজেপি, ধরাশায়ী আপ

    Delhi Election: প্রাথমিক গণনায় ম্যাজিক ফিগার পার, দিল্লিতে বিপুল জয়ের পথে বিজেপি, ধরাশায়ী আপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭ বছর পরে দিল্লি বিধানসভা (Delhi Election) দখলের পথে বিজেপি (BJP), গেরুয়া ঝড়ে বেসামাল আম আদমি পার্টি। ২০২৫ সালের বিধানসভা ভোটের প্রাথমিক ফলাফল যা দেখা যাচ্ছে তাতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এমন ফলাফলের জন্য নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের বিপুল কর্মযজ্ঞ যেমন ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেছে, একইভাবে আম আদমি পার্টির দুর্নীতি সমান ভাবে দায়ী। প্রসঙ্গত, আবগারি দুর্নীতিতে জেলে যেতে হয় আম আদমি পার্টির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল এবং উপমুখ্যমন্ত্রী মণীষ সিসোদিয়াকে। সেই প্রতিফলনই ইভিএমে পড়েছে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল।

    বিজেপি এগিয়ে ৪৪ আসনে, পিছিয়ে আপের মুখ্যমন্ত্রী

    সকাল দশটা পর্যন্ত যে প্রাথমিক ফলাফল দেখা যাচ্ছে, সেখানে স্পষ্ট ছবি উঠে আসছে যে ৭০ আসন বিশিষ্ট দিল্লি বিধানসভায় (Delhi Election) বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৪৪ আসনে, আম আদমি পার্টি এগিয়ে রয়েছে ২৬ আসনে। কংগ্রেস এখনও পর্যন্ত কোথাও খাতা খুলতে পারেনি। এই প্রাথমিক ফলাফল আম আদমি পার্টির জন্য একটি বড় ধাক্কা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, দিল্লি বিধানসভায় (Delhi Election) পিছিয়ে রয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তথা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের স্ত্রী অতিশী মারলেনা।

    ৫০.৪২ লক্ষ পুরুষ এবং ৪৪.০৮ লক্ষ মহিলা ভোট দান করেছেন দিল্লিতে

    দিল্লি বিধানসভার (Delhi Election) ভোট গণনা চলছে ১৯টি কেন্দ্রে। গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি বিধানসভার ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এর পরবর্তীকালে সামনে আসে জনমত সমীক্ষা। প্রত্যেকটি জনমত সমীক্ষাতে বিজেপিকে এগিয়ে রাখা হয়েছিল। সেই জনমত সমীক্ষারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে গণনার দিনে। প্রসঙ্গত, পাঁচ ফেব্রুয়ারি দিল্লি বিধানসভা ভোটে ভোট দান করেছিলেন ৬০.৫৪ শতাংশ ভোটার। ২০২০ সালে তুলনায় যা ছিল ২.৫ শতাংশ কম। ভারতের নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয় দিল্লি বিধানসভার (Delhi Election) ভোটে ভোট দিয়েছেন ৫০.৪২ লক্ষ পুরুষ এবং ৪৪.০৮ লক্ষ মহিলা।

  • India-Bangladesh Relation: ‘হাসিনার মন্তব্য ব্যক্তিগত, ভারতের কোনও ভূমিকা নেই’, সাফ জানাল বিদেশমন্ত্রক

    India-Bangladesh Relation: ‘হাসিনার মন্তব্য ব্যক্তিগত, ভারতের কোনও ভূমিকা নেই’, সাফ জানাল বিদেশমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) মন্তব্য তাঁর ‘ব্যক্তিগত’। তার সঙ্গে ভারতের (India-Bangladesh Relation) কোনও সম্পর্ক নেই। শুক্রবার বিবৃতি দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। বাংলাদেশের সঙ্গে সদর্থক, গঠনমূলক, এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্কও বজায় রাখতে চায় ভারত ৷ শুক্রবার নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে ডেকে এই কথাও জানিয়ে দিল সাউথ ব্লক ৷

    কেন তলব রাষ্ট্রদূতকে

    বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে বাংলাদেশের (India-Bangladesh Relation)  ধানমন্ডিতে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম নায়ক মুজিবুর রহমানের বাড়িতে তাণ্ডব, ভাঙচুর চলে৷ পরদিন সকালে সেই ঐতিহাসিক বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা ৷ এদিকে সেদিনই ভার্চুয়ালি বাংলাদেশবাসীর উদ্দেশে বক্তৃতা দেন গণঅভ্যুত্থানের জেরে দেশছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৷ ভারতও মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডির ঐতিহাসিক বাড়ি ভাঙার ঘটনাকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে উল্লেখ করে। এর জন্য ভারতের সমালোচনা করে ইউনুস সরকার। এরপরই শুক্রবার নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নুরল ইসলামকে সমন পাঠিয়ে সাউথ ব্লকে তলব করা হয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে তলবের বিষয়টি নিশ্চিত করে বিবৃতি দেয় বিদেশ মন্ত্রক।

    ভারতের অবস্থান স্পষ্ট

    বিবৃতি অনুযায়ী, বাংলাদেশের (India-Bangladesh Relation)  রাষ্ট্রদূতকে জানানো হয়েছে, ভারত একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক সম্পর্ক চায় বাংলাদেশের সঙ্গে। সম্প্রতি দু’দেশের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বার বার এই বিষয়টি ব্যক্ত করা হয়েছে। তবে এটা দুঃখজনক যে, বাংলাদেশ প্রশাসনের নিয়মিত বিবৃতিতে ভারতকে নেতিবাচক ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। সে দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যার জন্য ভারতকে দায়ী করা হচ্ছে। বাংলাদেশের এ ধরনের বিবৃতি দু’দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটাচ্ছে। হাসিনার সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়ে নয়াদিল্লি আরও এক বার নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হাসিনা (Sheikh Hasina) নিজের ক্ষমতাবলে মন্তব্য করছেন। এখানে ভারতের কোনও ভূমিকা নেই। হাসিনার মন্তব্যের সঙ্গে ভারত সরকারকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নতিতে সাহায্য করবে না। বিদেশ মন্ত্রক আরও বলেছে, ‘‘ভারত সরকার পারস্পরিক ইতিবাচক সম্পর্কের জন্য চেষ্টা করছে। আমরা আশা করি, বাংলাদেশও সেই পরিবেশ নষ্ট না-করে একই রকম ভাবে হাত বাড়িয়ে দেবে।’’

  • Mahakumbh 2025: এখনও বাকি ১৮ দিন! মহাকুম্ভে পবিত্র স্নান সারলেন ৪০ কোটিরও বেশি ভক্ত

    Mahakumbh 2025: এখনও বাকি ১৮ দিন! মহাকুম্ভে পবিত্র স্নান সারলেন ৪০ কোটিরও বেশি ভক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগেই জানানো হয়েছিল যে প্রথম ২৪ দিনেই মহাকুম্ভে (Mahakumbh 2025) ভক্ত সংখ্যা ছুঁয়েছে ৩৮.২৯ কোটি। মাঘী পূর্ণিমার আগেই তা ৪০ কোটিতে পৌঁছে যাবে। ঠিক তেমনটাই হল। ১২ ফেব্রুয়ারি রয়েছে মাঘী পূর্ণিমা। তার আগেই চল্লিশ কোটি ভক্ত স্নান সেরে ফেললেন মহাকুম্ভে, গঙ্গা-যমুনা ও অন্তঃসলিলা সরস্বতী নদীর সঙ্গমস্থলে (Triveni Sangam)। রিপোর্ট বলছে গতকাল অর্থাৎ ৭ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৭৮.৭৮ লক্ষ ভক্ত পবিত্র স্নান সেরেছেন এবং এভাবেই ভক্ত সংখ্যা পার করল ৪০ কোটি। মহাকুম্ভের এখনও বাকি রয়েছে ১৮ দিন। মনে করা হচ্ছে এই সময়ের মধ্যে ৫০ কোটিরও বেশি ভক্ত সংখ্যা স্নান করবেন মহাকুম্ভে।

    মৌনী অমাবস্যায় হাজির ৮ কোটি ভক্ত (Mahakumbh 2025)

    প্রসঙ্গত, প্রথম দিকে মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে প্রশাসনের তরফ থেকে অনুমান করা হয়েছিল ৪০ থেকে ৪৫ কোটি ভক্ত স্নান সারবেন প্রয়াগরাজে। কিন্তু প্রশাসনের সেই অনুমানকেও ছাপিয়ে গিয়েছে ভক্ত সংখ্যা। পরপর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অমৃত স্নান, অর্থাৎ মকর সংক্রান্তির স্নান, মৌনী অমাবস্যা স্নান এবং বসন্তী পঞ্চমীর স্নানে এর পরেও ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে রয়েছে। এখনও পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ ভক্ত প্রতিদিন হাজির হচ্ছেন প্রয়াগরাজে। তাঁরা রীতি মেনে স্নান করছেন। একটি হিসেব বলছে, মৌনী অমাবস্যাতে সবথেকে বেশি ভক্ত হাজির হয়েছিলেন এবং সেই দিন পবিত্র স্নান সেরেছেন ৮ কোটি ভক্ত।

    বসন্ত পঞ্চমীতে স্নান ২.৫৭ কোটি ভক্তের (Mahakumbh 2025)

    অন্যদিকে মকর সংক্রান্তির দিনে হাজির হয়েছিলেন সাড়ে তিন কোটি ভক্ত এবং গত ৩০ জানুয়ারি ও ১ ফেব্রুয়ারি হাজির হয়েছিলেন ২ কোটি ভক্ত। বসন্ত পঞ্চমী তিথিতে হাজির হয়েছিলেন ২.৫৭ কোটি ভক্ত। মহাকুম্ভ যেন সব কিছুর মেলবন্ধন হয়ে উঠেছে, বলিউড থেকে রাজনীতি। সবাই স্নান করছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ছাড়াও বলিউডের হেমা মালিনী, অনুপম খের, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব সাইনা নেহওয়াল, ক্রিকেটার সুরেশ রায়না- প্রত্যেকেই হাজির হয়েছেন কুম্ভে।

  • Swami Avdheshanand Giri: ‘‘সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ জনজাতি সমাজ’’, মত অবধেশানন্দ গিরির

    Swami Avdheshanand Giri: ‘‘সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ জনজাতি সমাজ’’, মত অবধেশানন্দ গিরির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামী অবধেশানন্দ গিরি মহারাজ (Swami Avdheshanand Giri) মহাকুম্ভের এক ধর্মীয় সভায় বক্তব্য রাখেন এদিন এবং সেখানেই তিনি জনজাতি সমাজকে সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বর্ণনা করেন। প্রসঙ্গত, অখিল ভারতীয় বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের তরফ থেকে প্রয়াগরাজে যুব কুম্ভের আয়োজন করা হয়েছিল এবং সেখানে স্বামী অবধেশানন্দ গিরি মহারাজ (Swami Avdheshanand Giri) বলেন, ‘‘জনজাতি সমাজের সঙ্গে সম্প্রীতি ছাড়া মহাকুম্ভ কখনও সম্পূর্ণতা পেতে পারে না।’’ তিনি বলেন, ‘‘যেভাবে জনজাতি সমাজের ভাই ও বোনেরা মহাকুম্ভে এসেছেন নিজেদের রীতি, প্রথা, সংস্কৃতি- এই সমস্তকে সঙ্গে নিয়ে, তা প্রশংসনীয়। সমস্ত সন্তের উচিত বনে যাওয়া উচিত এবং সেখানকার পরিবেশ দেখা। সেখানকার সরল সাধারণ বনবাসীদের জীবনকে উপলব্ধি করা।’’ স্বামী অবধেশানন্দ গিরি মহারাজ আরও (Swami Avdheshanand Giri) বলেন, ‘‘যে সমস্ত সন্ন্যাসীরা যাঁরা একনও বুঝে উঠতে পারেন নি আরণ্যক সংস্কৃতি, তাঁদেরকে একবার বনে যেতে হবে।’’

    কারা হাজির ছিলেন?

    প্রসঙ্গত, এই অনুষ্ঠানে (Sanatan Dharma) হাজির ছিলেন মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী রঘুনাথ বাপ্পাজি মহারাজ, কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্গাদাস উইকি, বনবাসী কল্যাণ আশ্রমে জাতীয় সভাপতি সত্যেন্দ্র সিং, প্রাক্তন ন্যাশনাল কমিশন ফর সিডিউল ট্রাইপসের সভাপতি হর্ষ চৌহান সমেত অন্যান্যরা। নিজের বক্তব্যে হর্ষ চৌহান বলেন, ‘‘মহাকুম্ভ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই অনুষ্ঠান এক কথায় আরণ্যক সংস্কৃতির প্রতিফলন করে।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    অন্যদিকে রঘুনাথ বাপ্পাও জনজাতি সমাজকে সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন,‘‘জনজাতি সমাজ হল সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং কোনওভাবেই একে সনাতন ধর্ম থেকে পৃথক করা যাবে না।’’ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দুর্গাদাস উইকি বলেন, ‘‘কিছু সমাজবিরোধী শক্তি সর্বদাই লেগে রয়েছে যে কিভাবে জনজাতি সমাজকে ছোট করা যায়, যুব সমাজকে এর বিরুদ্ধে এগিয়ে আসতে হবে।’’ প্রসঙ্গত, দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে যুবকুম্ভে হাজির হয়েছিলেন অসংখ্য জনজাতি সমাজের প্রতিনিধি। প্রতিনিধিরা এই যুবকুম্ভে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

  • Ram Janmabhoomi: রাম মন্দির আন্দোলনের ‘প্রথম করসেবক’ কামেশ্বর চৌপাল প্রয়াত, শোক প্রকাশ মোদির

    Ram Janmabhoomi: রাম মন্দির আন্দোলনের ‘প্রথম করসেবক’ কামেশ্বর চৌপাল প্রয়াত, শোক প্রকাশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Janmabhoomi) ট্রাস্টি কামেশ্বর চৌপাল প্রয়াত হলেন। দীর্ঘদিন কিডনি সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। অবশেষে ৬৮ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন তিনি। রিপোর্ট অনুযায়ী , চৌপাল দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের এক্স মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘এক অনন্য রামভক্ত ছিলেন কামেশ্বর চৌপাল (Kameshwar Chaupal), তাঁর প্রয়াণে আমি দুঃখিত।’’ প্রসঙ্গত, কামেশ্বর চৌপালকে ‘প্রথম করসেবক’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৯৮৯ সালে তিনি রাম জন্মভূমিতে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য প্রথম ইট স্থাপন করেছিলেন বলে জানা যায়। তিনি বিহারের প্রাক্তন এমএলসি ছিলেন। তাঁর প্রয়াণে এদিন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এক্স হ্যান্ডেলে শোক প্রকাশ (Ram Janmabhoomi) করা হয়। শোক প্রকাশ করেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

    কামেশ্বর চৌপাল বিহারের সুপৌল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন

    সূত্রের খবর, চৌপালের মেয়ে তাঁকে আগে একটি কিডনি দান করেছিলেন। কিন্তু সেই প্রতিস্থাপন ফলপ্রসূ হয়নি (Ram Janmabhoomi)। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার সকালে মারা গেলেন তিনি। প্রসঙ্গত, ১৯৫৬ সালের ২৪ এপ্রিল কামেশ্বর চৌপাল বিহারের সুপৌল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন বলে জানা যায়। তিনি একজন বিশিষ্ট সমাজকর্মী ছিলেন। এর পাশাপাশি বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বনবাসী কল্যাণ কেন্দ্র, আরএসএস এবং এবিভিপি সহ সঙ্ঘ পরিবারের একাধিক সংগঠনে কাজ করেন তিনি।

    শোক প্রকাশ অমিত শাহের

    প্রসঙ্গত, কামেশ্বর চৌপালের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন অমিত শাহ। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Ram Janmabhoomi) লিখেছেন, ‘‘শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের স্থায়ী সদস্য এবং বিজেপির সিনিয়র নেতা কামেশ্বর চৌপাল জি’র প্রয়াণ অত্যন্ত দুঃখজনক। শ্রীরাম জন্মভূমি আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন। সামাজিক কাজ ও বঞ্চিতদের কল্যাণের জন্য বিশেষ কাজ করেছিলেন কামেশ্বর চৌপাল। প্রভু শ্রীরাম তাঁর আত্মাকে শ্রীচরণে স্থান দিন এবং তাঁর শোকগ্রস্ত পরিজনদের মানসিক শক্তি প্রদান করুন।’’

  • Su 57 Fighter Jets: এদেশেই ‘সু-৫৭’ উৎপাদন, ‘অ্যামকা’ তৈরিতে সহযোগিতা! ভারতকে প্রস্তাব রাশিয়ার

    Su 57 Fighter Jets: এদেশেই ‘সু-৫৭’ উৎপাদন, ‘অ্যামকা’ তৈরিতে সহযোগিতা! ভারতকে প্রস্তাব রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে পৌঁছল রাশিয়ার পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান ‘সু-৫৭ই’ (Su 57 Fighter Jets)। বেঙ্গালুরুতে বসতে চলেছে এরো ইন্ডিয়া ২০২৫-এর (Aero India 2025) আসর। বিভিন্ন দেশের যুদ্ধবিমান সেখানে অংশগ্রহণ করবে এবং প্রদর্শনীতে অংশ নেবে। সেখানেই থাকবে এই অত্যাধুনিক রুশ যুদ্ধবিমান। ইতিমধ্যে, ভারতে এই যুদ্ধবিমান তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। তার পর থেকেই এই যুদ্ধবিমানকে ঘিরে আগ্রহ আরও বেড়ে গিয়েছে জনমানসে।

    ভারত বনাম আমেরিকা যুদ্ধবিমানের ডুয়েল!

    এশিয়ার বৃহত্তম এরোস্পেস প্রদর্শনী হল এরো ইন্ডিয়া (Aero India 2025)। এ বছর এই অনুষ্ঠান ১৫ বছরে পড়ল। বেঙ্গালুরুর ইয়ালাহাঙ্কা এয়ারবেসে আগামী ১০ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি হবে বিভিন্ন যুদ্ধবিমানের প্রদর্শনী ও মহড়া। এ বছর এই শোয়ের অন্যতম বড় আকর্ষণ হতে চলেছে সুখোই সু-৫৭ই যুদ্ধবিমান (Su 57 Fighter Jets)। এই শোয়ে অংশগ্রহণ করার কথা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেলথ প্রঞ্চম প্রজন্মের এফ-৩৫এ যুদ্ধবিমানের। কিন্তু, সূত্রের খবর অনুযায়ী, হয়ত মার্কিন জেট এবার অংশগ্রহণ করবে না। একইভাবে, আপগ্রেডেড এফ-১৬ যুদ্ধবিমানেরও প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও, তা সম্ভবত আসছে না বলে খবর। ফলে, রাশিয়া বনাম আমেরিকার আধুনিকতম যুদ্ধবিমানকে একসঙ্গে চাক্ষুষ করার সুযোগ থাকছে না। যে কারণে, রুশ যুদ্ধবিমান (Su 57 Fighter Jets) নিয়ে আগ্রহ আরও কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে।

    ভারতে সু-৫৭ যুদ্ধবিমান উৎপাদনের প্রস্তাব

    ইতিমধ্যেই, ভারতের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পঞ্চম প্রজন্মের সু-৫৭ যুদ্ধবিমান (Su 57 Fighter Jets) ভারতেই উৎপাদন করার প্রস্তাব নয়াদিল্লিকে দিয়েছে মস্কো। তবে, ভারত নিজস্ব পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ‘অ্যামকা’ (Indian FGFA) তৈরি করছে। সেই প্রক্রিয়া অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। ফলে, ভারত কতটা এই প্রস্তাবে আগ্রহ দেখাবে তা নিয়ে সন্দেহ। আর এই বিষয়টা বিলক্ষণ জানে রাশিয়াও। তাই, অ্যামকা তৈরি করার ক্ষেত্রেও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে রেখেছে মস্কো। রুশ সংবাদসংস্থা স্পুটনিকের দাবি, সু-৫৭ যুদ্ধবিমান রাশিয়ায় তৈরি করে ভারতে উড়িয়ে আনা বা পরে এদেশে যৌথ উদ্যোগে তৈরি করা এবং অ্যামকা (Indian FGFA) তৈরি করার ক্ষেত্রে কারিগরি সহযোগিতা— নয়াদিল্লিকে পাঠানো প্রস্তাবে জানিয়েছে মস্কো। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, অতীতে এই দুই দেশ যৌথ উদ্যোগে এই যুদ্ধবিমানকেই (পিএকে-এফএ) তৈরি করার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল (Su 57 Fighter Jets)। কিন্তু, দাম, কার্যকারিতা, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও অংশীদারিত্ব নিয়ে সমস্যা তৈরি হওয়ায়, ওই প্রকল্প থেকে সরে আসে ভারত। ফলে, এত বছর পর, ভারতকে রাজি করানো সহজ নয় রাশিয়ার।

  • RBI Repo Rate: কম হবে ইএমআই! রেপো রেট কমাল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, স্বস্তি আমজনতার

    RBI Repo Rate: কম হবে ইএমআই! রেপো রেট কমাল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, স্বস্তি আমজনতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’বছর পর অবশেষে রেপো রেট বদল করল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI Repo Rate)। শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমানোর কথা ঘোষণা করেন আরবিআইয়ের গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা। ফলে রেপো রেট ৬.৫ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়াল ৬.২৫ শতাংশ। পাঁচ বছরে এই প্রথমবার রেপো রেট (Repo Rate) কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আরবিআই।

    সুদের হার কমায় লাভ কী

    গত ২ বছর রেপো রেট অপরিবর্তিত রেখেছিল আরবিআই। ২০২০ সালের মে মাসে শেষ বার সুদের হার হ্রাস করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। যে সুদের হারে সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত এবং বেসরকারি ব্যাঙ্ককে আরবিআই ঋণ দিয়ে থাকে তাকেই বলে রেপো রেট। এটি কমলে এর সঙ্গে যুক্ত সমস্ত বহিরাগত বেঞ্চমার্ক ঋণে সুদের হার কমে যায়। বলা বাহুল্য এর জেরে স্বস্তি পাবেন ব্যাঙ্ক ঋণ নেওয়া আমজনতা। কমবে তাঁদের মাসিক কিস্তির অঙ্ক। সস্তা হবে হোম লোন, গাড়ি লোন (Car Loan), শিক্ষা ঋণ (Education Loan) এবং ব্যক্তিগত ঋণের (Personal Loan) সুদের হার। অর্থনৈতিক মহলের ধারণা, এটি ব্যবসা ও গ্রাহকদের জন্য ঋণের খরচ কমিয়ে দেবে। গৃহ ও ব্যবসায়িক ঋণের ইএমআই কমানো মানুষের আর্থিক স্বস্তি দেবে। তাদের নিষ্পত্তিযোগ্য আয় বাড়বে ও উপভোক্তাদের ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে বাজারে নগদের পরিমাণ বাড়বে, যা ব্যবসায়িক বিনিয়োগ বাড়াবে। পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতি দেবে।

    কত হবে ইএমআই

    ধরুন কেউ যদি ২৫ লাখের হোম লোন নেন, তাহলে তাকে ৮.৭৫ শতাংশ সুদের হারে ২২,০৯৩ টাকার ইএমআই দিতে হবে। কিন্তু রেপো হারে এক চতুর্থাংশ শতাংশ কমানোর পরে, সুদের হার ৮.৫০ শতাংশে নেমে আসবে এবং এখন ২১,৬৯৬ টাকা ইএমআই হিসাবে দিতে হবে। অর্থাৎ প্রতি মাসে ৪০৩ টাকা সাশ্রয়। এক্ষেত্রে এক বছরে, ইএমআই আকারে ৪,৮৩৬ টাকা সাশ্রয় হবে। এদিন গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্র বলেন, ‘‘সর্বসম্মতিতে রেপো রেট ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আরবিআইয়ের মুদ্রা নীতি কমিটি। ঋণকে সস্তা করা এবং আর্থিক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’

  • Mahakumbha 2025: মহাকুম্ভে তৈরি হওয়ার পথে চার-চারটে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড, জানেন কী কী?

    Mahakumbha 2025: মহাকুম্ভে তৈরি হওয়ার পথে চার-চারটে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড, জানেন কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহাকুম্ভ। বিগত ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে কুম্ভমেলা (Mahakumbha 2025) চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ১৪৪ বছর পরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহাকুম্ভ। বিভিন্ন পরিসংখ্যান বলছে মাঘী পূর্ণিমার আগেই ভক্তদের সংখ্যা সেখানে ৪০ কোটি পৌঁছে যাবে। প্রথম ২৪ দিনেই কুম্ভ মেলায় ভক্ত সংখ্যা ছুঁয়েছে ৩৮.২৯ কোটি। কুম্ভ মেলা যেন সব কিছুকেই এক করে দিয়েছে। সাধারণ ভক্ত থেকে রাষ্ট্রনেতা থেকে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা। পুণ্য অর্জনের লক্ষ্যে পবিত্র স্নান সারছেন। এমন ঘটনা বিশ্বের কোথাও আর দেখা যায় না। ভারতের প্রধানমন্ত্রী গত বুধবার মাঘী অষ্টমী বা ভীষ্ম অষ্টমী তিথিতে পুণ্যস্নান সেরেছেন। স্নান করেছেন ভুটানের রাজাও। মহাকুম্ভ (Guinness World Records) পৃথিবীর সবথেকে বড় ইভেন্টে পরিণত হয়েছে। এই আবহে আরও উল্লেখযোগ্য খবর সামনে এসেছে।

    মহাকুম্ভে (Mahakumbha 2025) তৈরি হচ্ছে ৪ নয়া রেকর্ড

    মহাকুম্ভে (Mahakumbha 2025) তৈরি হতে চলেছে চারটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড। এর মধ্যে প্রথমটি হল ১৫ হাজার সাফাই কর্মী একসঙ্গে মহাকুম্ভের ঘাটগুলি পরিষ্কার করবেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি এই নয়া রেকর্ড তৈরি হতে চলেছে মহাকুম্ভে। এর আগে ২০১৯ সালের অর্ধ কুম্ভে এমন চিত্রই দেখা গিয়েছিল। সে সময় দশ হাজার সাফাই কর্মী একসঙ্গে ঘাট পরিষ্কার করেছিলেন। অর্থাৎ ভারত তার নিজের রেকর্ডই ভাঙছে। ২০১৯ সালে অর্ধকুম্ভের যে রেকর্ড তৈরি করেছিলেন সাফাই কর্মীরা, তাঁরাই আবার নিজেদের রেকর্ড ভাঙছেন ২০২৫ সালে। মহাকুম্ভে এই ঘটনা অত্য়ন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকে।

    দ্বিতীয় ও তৃতীয় রেকর্ড (Mahakumbha 2025)

    অন্যদিকে, দ্বিতীয় যে রেকর্ড হতে চলেছে হতে চলেছে সেটি ১৫ ফেব্রুয়ারি সবার নজরে আসবে। ওইদিন তিনশোর বেশি মানুষ একসঙ্গে ত্রিবেণী সঙ্গমের জলকে পরিষ্কার করবেন। এমনভাবেই ওই তিনশো কর্মী গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে মহাকুম্ভকে স্থান দেবেন। এরপরে ১৬ ফেব্রুয়ারি ফের নয়া একটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম তুলবে মহাকুম্ভ। জানা গিয়েছে, ওই দিন ১০০০-এরও বেশি ই-রিকশা হাজির হবে কুম্ভের প্রাঙ্গণে। এরপরে তারা প্যারেড করবে। এটিও একটি নয়া ওয়ার্ল্ড রেকর্ড। দেখা যাচ্ছে ২০১৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ৫০০ বাস প্যারেড করেছিল অর্ধকুম্ভে। তার নিয়ন্ত্রণকর্তা ছিল উত্তরপ্রদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন। সেই সময় উত্তরপ্রদেশ সরকারের এমন উদ্যোগ নয়া গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড স্থাপন করে, ‘ লার্জেস্ট প্যারেড অফ বাসেস’। এবার সেটি হতে চলেছে লার্জেস্ট প্যারেড অফ ই-রিস্কা। প্রসঙ্গতই বাসগুলি চলে ছিল ৩.২ কিলোমিটার এক সঙ্গে। এর আগে বাসের প্যারেডের রেকর্ড ছিল আবুধাবিতে। সেটি ২০১০ সালে তৈরি হয়েছিল এবং সে সময় ৩৯০টি বাস একসঙ্গে চলেছিল।

    তৃতীয় রেকর্ড

    প্রসঙ্গত, এর পরের রেকর্ডটি তৈরি হতে চলেছে ১৭ ফেব্রুয়ারি। ওইদিন ১০ হাজার লোক একসঙ্গে নয়া ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তৈরি করবেন। জানা গিয়েছে, ১০,০০০ লোক একসঙ্গে হ্যান্ড প্রিন্টিং করবেন আট ঘণ্টা ধরে, গঙ্গা প্যান্ডেলের মধ্যে। বর্তমানে এই ওয়ার্ল্ড রেকর্ড রয়েছে কুম্ভের নামেই। ২০১৯ সালে একসঙ্গে বসে ৭,৬৬৪ জন হ্যান্ড পেইন্টিং করেছিলেন। ৬ বছর আগে অর্ধকুম্ভের প্রয়াগরাজে যে রেকর্ড তৈরি হয়েছিল, তা এবার ভাঙছে ২০২৫ সালে। এই রেকর্ড নতুন ভাবে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান পাচ্ছে।

    কী বলছেন আধিকারিক?

    মহাকুম্ভের গোটা ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখছেন উচ্চপদস্থ আমলা বিজয় কিরণ আনন্দ। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘চারটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে মহাকুম্ভ নাম তুলতে চলেছে। এটি সত্যিই খুব আনন্দের এবং যার শুরু হতে চলেছে ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে। প্রথমটি স্বচ্ছতায়। পরেরটি নদী পরিষ্কার করাতে, এরপরে একটি ই-রিক্সার ক্ষেত্রে এবং সর্বশেষটি হ্যান্ড প্রিন্টিং-এর ক্ষেত্রে।’’ এই সমস্ত ইভেন্টগুলির প্রস্তুতিপর্ব ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজয় কিরণ আনন্দ।

    বিদেশি ভক্তদেরও আকর্ষণের কেন্দ্রে মহাকুম্ভ

    ১৪৪ বছর পরে হওয়া এই মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) পর্যটকদের জন্য একটি প্রধান আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দু হয়ে উঠেছে। পর্যটক বলতে আধ্যাত্মিক পর্যটক, যাদের আমরা তীর্থযাত্রীও বলতে পারি। এখনও পর্যন্ত, ৩৮ কোটির বেশি পুণ্যার্থী সঙ্গমে স্নান করেছেন। পবিত্র স্নানের উদ্দেশেই ভক্তরা এখানে সমবেত হচ্ছেন। বিশ্বাস, কুম্ভের ডুব জীবনে আনে অপার শান্তি ও সুখ। মহাকুম্ভে এই ব্যাপক পরিমাণে ভক্তদের আগমন শুধুমাত্র ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে না, অর্থাৎ ভারতীয়রা শুধুমাত্র যে প্রয়াগরাজে হাজির হচ্ছেন এমনটা নয়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও বিপুল পরিমাণে তীর্থযাত্রী ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দিতে প্রয়াগরাজের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন। পরিসংখ্যান বলছে যে, আধ্যাত্মিক উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করার ৪৮ শতাংশ ভিসা মহাকুম্ভের (Mahakumbh 2025) দিকেই যাচ্ছে।

  • Mujibur Rahman: ‘‘শেখ মুজিবুরের বাড়ি বাঙালির কাছে গর্ব’’! বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    Mujibur Rahman: ‘‘শেখ মুজিবুরের বাড়ি বাঙালির কাছে গর্ব’’! বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ মুজিবুর রহমানের (Mujibur Rahman) শেষ স্মৃতিটুকুও মুছে ফেলার চেষ্টা বাংলাদেশি মৌলবাদীদের। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের (Mujibur Rahman) ধানমন্ডির বাসভবন। এই বাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ইতিহাস, এমনটাই জানিয়েছেন হাসিনা। তাঁর ভার্চুয়াল ভাষণে হাসিনা জানান, এই বাড়িতেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। আবার ১৯৭৫ সালে এই বাড়িতেই তাঁকে হত্যা করা হয় পরিবার সমেত। ইউনূসের বাংলাদেশে এই বাড়িকেই ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল মৌলবাদীরা। এইভাবে ইতিহাস, ঐতিহ্য ধ্বংস করা দেখে চুপ থাকতে পারল না ভারত সরকার (India)। কড়া নিন্দা জানাল বিদেশমন্ত্রক।

    শেখ মুজিবুরের (Mujibur Rahman) বাড়ি বাঙালির কাছে গর্ব

    বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল মুজিবের বাড়ি ধ্বংস করার ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেন, “শেখ মুজিবুরের (Mujibur Rahman) বাড়ি বাঙালির কাছে গর্ব। দখলদারি-নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক। এই ধরনের ধ্বংসলীলা কঠোরভাবে নিন্দনীয়।” প্রসঙ্গত, বুধবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে ধানমন্ডির বাড়ি ভাঙার ঘটনায় খুবই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন হাসিনা। হাসিনা বলেন, ‘‘কী অপরাধ করেছি আমি? এই দেশ কী ছিল আর কী হয়েছে। কোন কাজটা আমি বাকি রেখেছি।’’ হাসিনা বলেন, ‘‘ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটি একটি ঐতিহাসিক স্মারক। ওই বাড়ি থেকে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ওই বাড়িতেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল। সেই মানুষটির বাড়িতে কেন আগুন দেওয়া হল? কেন ভেঙে ফেলা হল?’’

    বাড়ি ধ্বংস করা অত্যন্ত দুঃখজনক

    নিজের এক্স মাধ্যমে তিনি ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র আরও লেখেন, “যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে গুরুত্ব দেন, তারা জানেন বাংলাদেশের কাছে এই বাড়িটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এই বাড়ি দখলদারি ও নিপীড়নের (Mujibur Rahman) বিরুদ্ধে লড়াই-প্রতিরোধের চিহ্ন ছিল। সেই বাড়ি ধ্বংস করা অত্যন্ত দুঃখজনক।” অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই আবহে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ইউনূস সরকার। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভারতে বসে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় সম্বন্ধে মিথ্যা মন্তব্য করছেন হাসিনা। তাঁর ওপরে যেন রাশ টানা হয়, এই দাবিই জানাচ্ছে বাংলাদেশ দিল্লির কাছে।

LinkedIn
Share