Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Maha Kumbh 2025: মহাকুম্ভে মিলন মেলা, পবিত্র প্রয়াগে পুণ্য-স্নান পাকিস্তানের ৬৮ পুণ্যার্থীর

    Maha Kumbh 2025: মহাকুম্ভে মিলন মেলা, পবিত্র প্রয়াগে পুণ্য-স্নান পাকিস্তানের ৬৮ পুণ্যার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান-ভারত দুই দেশের রাজনৈতিক দূরত্ব সত্ত্বেও, ওয়াঘার ওপার আর এপারে রয়েছে আত্মার টান। পাকিস্তান (Pakistani Hindus) থেকে দেবভূমি ভারতের মহাকুম্ভে (Maha Kumbh 2025) যোগ দিলেন সিন্ধু প্রদেশের ৬৮ জন হিন্দু ভক্তের একটি দল। বৃহস্পতিবার প্রয়াগরাজে পৌঁছে সঙ্গমের পবিত্র জলে ডুব দিলেন তাঁরা। উত্তরপ্রদেশের প্রশাসন সূত্রের খবর ভক্তরা গঙ্গা, যমুনা এবং পৌরাণিক সরস্বতীর পবিত্র সঙ্গমস্থলে তাঁদের পূর্বপুরুষদের জন্য প্রার্থনা করে আচার অনুষ্ঠান করেন।

    মহাকুম্ভে মোক্ষলাভ

    পাকিস্তানের (Pakistani Hindus) করাচিতে অবস্থিত শ্রী পঞ্চমুখী হনুমান মন্দির সমিতির অধ্যক্ষ শ্রীরামনাথ মিশ্র মহারাজের নেতৃত্বে ওই দলটি পাকিস্তান থেকে কলসবন্দি করে নিয়ে এসেছেন ৪০০ হিন্দুর অস্থি। উদ্দেশ্য, মহাকুম্ভের (Maha Kumbh 2025) পুণ্যলগ্নে মা গঙ্গায় মোক্ষের সন্ধান। গত ৮ বছর ধরে প্রিয়জনের অস্থি রাখা হচ্ছিল পাকিস্তানের শ্মশানেই। প্রিয়জনের অস্থি গঙ্গায় বিসর্জন দিতেই এত বছরের অপেক্ষা। মহাকুম্ভের পুণ্যলগ্নে এই সব অস্থি ভারতে আনার জন্য বিশেষ ভিসা দেওয়া হয় বিদেশমন্ত্রকের তরফে। ভিসা পেয়েই গত সোমবার ওয়াঘা সীমান্ত দিয়ে ৪০০ পাকিস্তানি হিন্দুর কলসবন্দি অস্থি নিয়ে আসা হয় ভারতে।

    মহাকুম্ভে অভিভূত পুণ্যার্থীরা

    মহন্ত রামনাথ জানান, মহাকুম্ভে (Maha Kumbh 2025) আসার আগে তাঁরা প্রথমে হরিদ্বার যান। সেখানে তাঁদের পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে ভস্ম বিসর্জন দেন। তার পর ত্রিবেণী সঙ্গমে পুণ্যস্নান করেন সকলে। গত বছর এপ্রিল মাসে পাকিস্তান থেকে ২৫০ জন প্রয়াগরাজে গিয়ে গঙ্গায় স্নান করেছিলেন। এ বার সিন্ধু প্রদেশের ঘোটকি, সুক্কুর, খাইরপুর, শিকারপুর, কারকোট এবং জটাবল জেলা থেকে ৬৮ জন পুণ্যার্থী এসেছেন। যার মধ্যে ৫০ জন প্রথমবার কুম্ভে এলেন। ওই দলের এক সদস্যা সংবাদসংস্থাকে বলেন, ‘‘এটা খুবই আনন্দের অনুভূতি। প্রকাশ করার মতো কোনও ভাষা আমার কাছে নেই। আগামিকাল আমরা ফের পুণ্যস্নান করব। এখানে থাকা আমাদের সনাতন ধর্মের ঐতিহ্যের জন্য আমরা গর্বিত।’’ সিন্ধু থেকে আসা এক গৃহবধূ বলেন, ‘‘ভারতে এবং মহাকুম্ভে এলাম আমার প্রথমবার। এখানে আমাদের সনাতন সংস্কৃতি উপলব্ধি করাটা এক ঐশ্বরিক অভিজ্ঞতা। আমরা সিন্ধুতে জন্মগ্রহণ করেছি এবং বেড়ে উঠেছি। সেখানে হিন্দুদের প্রতি খুব বেশি বৈষম্য নেই। তবে ভারতে আমাদের ঐতিহ্য প্রত্যক্ষ করা এক অতুলনীয় অভিজ্ঞতা।’’

  • Modi in Rajya Sabha: পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ, দেশে নয়া মডেল! রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণে কী কী বললেন মোদি?

    Modi in Rajya Sabha: পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ, দেশে নয়া মডেল! রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণে কী কী বললেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘কংগ্রেসের নীতি হল, পরিবার প্রথম৷’’ রাষ্ট্রপতির ভাষণের ধন্যবাদজ্ঞাপন বক্তৃতায় স্বভাব-সিদ্ধ ভঙ্গিতেই কংগ্রেসকে কড়া আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Rajya Sabha) ৷ রাজ্যসভায় তাঁর আক্রমণ শুরু হয় বিজেপি সরকারের ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ মডেল দিয়ে৷ জবাবি ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানান দেশবাসী ২০১৪ সালের পরে একটা নতুন মডেল পেয়েছে, আদর্শ পেয়েছে। যা নিয়ে অমৃতকালের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত। তিনি বিজেপি সরকারের সাফল্যের কথাও বলেন।

    পরিবারতন্ত্র নিয়ে কটাক্ষ

    এদিন জবাবি ভাষণে দেশের সবচেয়ে পুরনো জাতীয় দলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে প্রধানমন্ত্রী (Modi in Rajya Sabha) বলেন, “কংগ্রেসের থেকে সবকা সাথ, সবকা বিকাশ আশা করাই উচিত নয়। এটা যেমন ওদের ধারণার বাইরে, ঠিক তেমনই ওদের দলের আর্দশের মধ্য়ে পড়ে না। কারণ গোটা দলটাই টিকে আছে পরিবারতন্ত্রের উপর ভিত্তি করে।” জরুরি অবস্থার সময়ে দেশের পরিস্থিতির কথা স্মরণ করিয়ে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ওই সময় দেশবাসীর বাক্‌স্বাধীনতা হনন এবং সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করা হয়েছিল। বেশ কিছু উদাহরণও তুলে ধরে মোদির অভিযোগ, শিল্পীদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি সেই সময়। জরুরি অবস্থাকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানাতে রাজি না হওয়ায় দেবানন্দের সিনেমা দূরদর্শনে সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তোলেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যাঁরা এখন সংবিধানের কথা বলছেন, তাঁরা বছরের পর বছর সংবিধানকে নিজেদের পকেটে ঢুকিয়ে রেখে দিয়েছিলেন।”

    আম্বেদকরকে স্মরণ

    আম্বেদকর-প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী (Modi in Rajya Sabha) বলেন, “কংগ্রেস সরকার বিআর আম্বেদকরকে ভারতরত্ন দেয়নি ৷ তাঁকে ভারতরত্নের যোগ্য মনেই করা হয়নি ৷ কিন্তু আজ তারা ‘জয় ভীম’ বলতে বাধ্য হচ্ছে৷ ভীমরাও আম্বেদকরের প্রতি কংগ্রেসের ঘৃণা, রাগের কথা ইতিহাসে খুব ভালোভাবেই নথিবদ্ধ রয়েছে৷ তাঁর প্রতিটি কথায় কংগ্রেস বিরক্ত হয়ে যেত। এর সব তথ্য রয়েছে। বাবাসাহেবকে দু’বার নির্বাচনে হারানোর জন্য তারা কী করেনি! তবে দেশবাসী আম্বেদকরের ভাবনাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। তাই আজ বাধ্য হয়ে কংগ্রেসকে জয় ভীম বলতে হয়। এ কথা বলতে গিয়ে তাদের গলা শুকিয়ে আসে।”

    সংরক্ষণ ইস্যুতে কংগ্রেসকে তোপ

    মোদির (Modi in Rajya Sabha) বক্তৃতায় উঠে আসে আদিবাসী, দলিত, তফশিলি জাতি, জনজাতি এবং অন্য পিছিয়ে পড়া শ্রেণির প্রসঙ্গ। তাঁর সরকার যে সাধারণ শ্রেণির গরিব মানুষদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ এনেছে, সে কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উঠে আসে বিশেষ ভাবে সক্ষমদের জন্য সুবিধা, তৃতীয় লিঙ্গকে আইনি স্বীকৃতির কথাও। মোদি বলেন, “গত বেশ কয়েকবছর ধরে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর আওতাভুক্ত সাংসদরা দাবি করছেন, যেন ওবিসি কমিশনকে সাংবিধানিক মর্যাদা দেওয়া হয়। কিন্তু বারংবারই সেই আবেদন খারিজ হয়ে এসেছে। অবশেষে আমরা সেই সম্প্রদায়ের দাবিকে সম্মান জানিয়ে তাদের আবেদন রাখতে চলেছি।”

    দেশে এক নয়া মডেল

    প্রধানমন্ত্রী (Modi in Rajya Sabha) দাবি করেন, কংগ্রেস আমলে জাতপাত প্রচারেরও চেষ্টা হয়েছে৷ তিনি বলেন, “জাতপাতের বিষ ছড়ানোর চেষ্টাও হয়েছে৷ সংরক্ষণের বিষয়টি যখনই সামনে এসেছে, তখনই দেশে একটা ঝড় উঠেছে৷ আমরা প্রথম বার, একটা মডেল দিয়েছি দেশকে৷ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে পিছিয়ে থাকা শ্রেণিকে আমরা ১০ শতাংশ সংরক্ষণ দিয়েছি। তাদের কাছ থেকে কিছু ছিনিয়ে না নিয়েই আমরা সংরক্ষণের এই মডেল দিয়েছি৷ এসসি, এসটি, ওবিসি-রা তাকে স্বাগত জানিয়েছে৷ কারও কোনও সমস্যা হয়নি৷ এর আগে বিশেষত কংগ্রেসের সময় তোষণ ছিল সবকিছু ৷ সেটাই রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল৷ এতে কয়েকটি ছোট দলের অনেক সুবিধা হয়েছে৷ কিন্তু অন্যরা বঞ্চিত হয়েছে৷ নির্বাচনের সময় তারা মিথ্যা আশা জাগিয়েছিল৷ মানুষকে বোকা বানানোর রাজনীতি করেছে ওরা।”

    এনডিএ সরকারের উদ্যোগ

    বিজেপি দেশের সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের দিকে লক্ষ্য রেখেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী (Modi in Rajya Sabha) ৷ তিনি বলেন, “আমরা সম্পৃক্তকরণের দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছি ৷ চেয়েছি, প্রকল্পগুলির একশো শতাংশই রূপায়িত হোক৷ কেউ যেন বঞ্চিত না হয়, কাউকে যেন হতাশার দিকে ঠেলে দেওয়া না হয়৷ বিগত দশকগুলিতে প্রতিটি স্তরে আমরা ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ কার্যকর করার চেষ্টা চালিয়েছি৷ এখন তার ফলাফল দেখতে পাচ্ছি ৷” তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্প এবং উদ্যোগের কারণে দরিদ্র শ্রেণির মানুষকে মধ্যবিত্তের পর্যায়ে উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে। দরিদ্র থেকে মধ্যবিত্ত শ্রেণিতে উঠে আসা মানুষদেরই তিনি ব্যাখ্যা করছেন ‘নব্য মধ্যবিত্ত’ বলে। মোদির কথায়, “কেন্দ্রীয় সরকার মধ্যবিত্ত এবং নব্য মধ্যবিত্তের পাশে সব সময় রয়েছে। আমরা মধ্যবিত্তদের একটি বড় অংশের জন্য আয়কর শূন্য করে দিয়েছে। ২০১৩ সালে (মোদি জমানা শুরুর আগে) বার্ষিক ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর ছাড় ছিল। আজ আমরা বার্ষিক ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপরে করে ছাড় দিয়েছি।”

    কেন্দ্রের একগুচ্ছ প্রকল্প

    রাজ্যসভায় মোদির (Modi in Rajya Sabha) বক্তৃতায় উঠে আসে আয়ুষ্মান যোজনা, আবাস যোজনার মতো প্রকল্পগুলির কথাও। আয়ুষ্মান যোজনায় সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধদের চিকিৎসা বিমা দেয় কেন্দ্র। মোদির দাবি, এই প্রকল্পে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন দেশের মধ্যবিত্ত প্রবীণেরাই। পাশাপাশি, মধ্যবিত্তদের জন্য কেন্দ্রের তরফে ৪ কোটি বাড়িও তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দেশের পর্যটন প্রসারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মধ্যবিত্তেরা উপকৃত হচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, অতীতে বিদেশিরা ভারত বলতে দিল্লি, মুম্বই বা বেঙ্গালুরুকেই চিনতেন। তবে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে জি-২০ বৈঠক আয়োজন করানোর ফলে এখন বিশ্ববাসী ভারতকে নতুন করে চিনেছেন। দেশীয় পর্যটনেও আকর্ষণ বৃদ্ধি পেয়েছে। পর্যটনের সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসাও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মধ্যবিত্তেরাই এর সুবিধা পাচ্ছেন বলে মত প্রধানমন্ত্রীর।

  • Central Government: ৩০ হাজার টাকায় আজীবন টোল পাস! বড় ভাবনা মোদি সরকারের, কতটা সুবিধা হবে?

    Central Government: ৩০ হাজার টাকায় আজীবন টোল পাস! বড় ভাবনা মোদি সরকারের, কতটা সুবিধা হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়মিত যাঁরা ভ্রমণ করেন বা প্রতিনিয়ত দূর-দূরান্তে যাত্রা করেন, তাঁদের জন্য বড় উদ্যোগ নিতে চলেছে মোদি সরকার। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government), এক নতুন প্রকল্প আনছে যেখানে আজীবন টোল পাস ব্যবস্থা চালু হবে। এর পাশাপাশি একটি গোটা বছরের জন্য টোল পাস ব্যবস্থা চালু থাকবে। মনে করা হচ্ছে এর ফলে দূর দূরান্তে ভ্রমণকারীদের খুবই সুবিধা হবে।

    দুটি বিকল্প কী কী (Central Government)?

    জানা গিয়েছে, গাড়ির মালিক অথবা যাঁরা প্রায়ই দূরদূরান্তে যাতায়াত করেন সেই সমস্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দুটি বিকল্প দেওয়া হবে। একটি হল বার্ষিক পাস, অপরটি ১৫ বছরের জন্য বৈধ থাকবে, এটি হবে আজীবন টোল পাস। বার্ষিক টোল পাসের জন্য প্রদান করতে হবে ৩,০০০ টাকা এবং আজীবন টোল পাসের জন্য প্রদান করতে হবে ৩০ হাজার টাকা এককালীন অর্থ। বিভিন্ন সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক (Central Government) এই প্রস্তাবগুলি নিয়ে ইতিমধ্যে একটি খসড়া রচনা করে ফেলেছে এবং তা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যে কোনওদিনই এই নিয়ে ঘোষণা করা হতে পারে।

    বর্তমানে কী ব্যবস্থা চালু রয়েছে?

    বর্তমানে যে ব্যবস্থা চালু রয়েছে সেখানে মাসিক এবং বার্ষিক এই দুইভাবে টোলপাস নেওয়া যায়। মাসিক টোল পাসের (Highway Toll Pass) জন্য দিতে হয় ৩৪০ টাকা। অন্যদিকে যাঁরা দূরদূরান্তে সারা বছর ধরে যাতায়াত করেন, তাঁদের জন্য বার্ষিক টোল পাসের পরিমাণ হল ৪,০৮০ টাকা। এই জায়গা থেকেই কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক (Central Government) দেশজুড়ে একটি বার্ষিক পাস চালু করার কথা বিবেচনা করছে। যার জন্য দিতে হবে তিন হাজার টাকা। এর মাধ্যমে কোনও গাড়ির মালিক বা ভ্রমণকারী সারা দেশেই ভ্রমণ করতে পারবেন। অনেকেই মনে করছেন নতুন যে নীতি চালু হতে চলেছে তা যথেষ্ট সাশ্রয়ী এবং অনেকের কাছে এটি অত্যন্ত পছন্দের এবং আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন যে যাত্রীরা শীঘ্রই সড়ক মাধ্যমে টোল ট্যাক্সে ছাড় পাবেন।

  • Sukanta Majumdar: পড়ে রয়েছে কেন্দ্রের টাকা, সড়ক সম্প্রসারণে নিষ্ক্রিয় রাজ্য, অভিযোগ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: পড়ে রয়েছে কেন্দ্রের টাকা, সড়ক সম্প্রসারণে নিষ্ক্রিয় রাজ্য, অভিযোগ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাজেটে (Budget) নাকি পশ্চিমবঙ্গকে বঞ্চনা করা হয়েছে, এমনই অভিযোগ তুলেছিল তৃণমূল। শাসক দলের অভিযোগ যে একেবারেই মিথ্যা তা নিয়েই পালটা প্রচারে নামল বিজেপি। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় প্রকল্প রূপায়ণে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে সরব হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাঁর অভিযোগ, গাজোল – হিলি জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য কেন্দ্র বরাদ্দ করেছিল ১,৩০০ কোটি টাকা। কিন্তু বিগত ২ বছর ধরে ওই টাকা পড়ে থাকলেও কোনও তা নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই তৃণমূল সরকারের। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে উন্নয়ন ইস্য়ুতে রাজনীতি না করতেও অনুরোধ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    ভিডিও বার্তায় কী বলেছিলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘গাজোল – হিলি ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য গত ২ বছর ধরে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের প্রায় ১,৩০০ কোটি টাকা পড়ে রয়েছে। জমি অধিগ্রহণ বা রাস্তা কোথা দিয়ে যাবে তা চিহ্নিত করতে কোনও তৎপরতা দেখাচ্ছে না রাজ্য সরকার। এই রাস্তা সম্প্রসারিত হলে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মানুষ ব্যাপক উপকৃত হবেন। আর এই প্রকল্পে রাজ্য সরকারকে এক পয়সাও খরচ করতে হবে না। তৃণমূল নেতাদের প্রতি সুকান্তবাবুর আহ্বান, উন্নয়ন নিয়ে রজনীতি করবেন না। উন্নয়নের থেকে রাজনীতিকে দূরে রাখুন।’’

    গুরুতর অভিযোগে ব্যাকফুটে তৃণমূল

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় বাজেটে পশ্চিমবঙ্গের প্রতি উদ্দেশপ্রণোদিতভাবে বঞ্চনা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। পালটা গেরুয়া শিবির দাবি করে, কেন্দ্র – রাজ্য সম্পর্কের সৌজন্য বজায় রাখেনি শাসক দল। তখন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেছিলেন, যারা বিজেপি করলে আবাস যোজনার ঘর দেয় না তারা কী করে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের প্রত্যাশা করে? এই আবহেই সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) আরও গুরুতর অভিযোগ তুললেন। এতে বেশ ব্যাকফুটে পড়ে গেল তৃণমূল এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। দক্ষিণ দিনাজপুরে জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণে রাজ্য সরকারের নিষ্ক্রিয়তা জনমানসে তৃণমূলের আসল ছবি তুলে ধরবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

  • Maha Kumbh 2025: মাঘী পূর্ণিমার আগেই মহাকুম্ভে ভক্ত সংখ্যা ছাড়াবে ৪০ কোটি!

    Maha Kumbh 2025: মাঘী পূর্ণিমার আগেই মহাকুম্ভে ভক্ত সংখ্যা ছাড়াবে ৪০ কোটি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই মহাকুম্ভের (Maha Kumbh 2025) ভক্ত সংখ্য ৪০ কোটিতে পৌঁছাবে। ১২ ফেব্রুয়ারি রয়েছে মাঘী পূর্ণিমার অমৃত স্নান। মনে করা হচ্ছে তার আগেই চল্লিশ কোটির গণ্ডি অতিক্রম করে যাবে মহাকুম্ভ। একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী জানা গিয়েছে, মহাকুম্ভ শুরু হওয়ার পরে বিগত ২৪ দিনে পবিত্র স্নান সেরেছেন ৩৮.২৯ কোটি ভক্ত। হিসেব বলছে, ৫ ফেব্রুয়ারি, বুধবার দুপুর দুটো নাগাদ পবিত্র সঙ্গমে ভক্ত সংখ্যা ছুঁয়ে যায় ৫৯.২৪ লক্ষে। হিসেব বলছে, প্রতি দুই ঘণ্টায় আড়াই থেকে তিন লক্ষ ভক্ত স্নান করছেন। এভাবেই মহাকুম্ভ একটি রেকর্ড স্থাপন করেছে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইভেন্টে পরিণত হয়েছে। একইসঙ্গে কুম্ভমেলার যে অভূতপূর্ব্যবস্থা সেটারও প্রশংসা ঝরে পড়ছে ভক্তদের মুখে, তীর্থযাত্রীদের মুখে (Magha Purnima)। তাঁরা যোগী ও মোদি- এই দুই সরকারেরই প্রশংসা করছেন।

    লখনউ থেকে এসেছিলেন প্রমেশ্বর ত্রিপাঠী

    লখনউ থেকে এসেছিলেন প্রমেশ্বর ত্রিপাঠী। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্নানের কারণে কোনওরকমের বিঘ্ন ঘটেনি। সবকিছুই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ভক্তদেরকে প্রটোকলের নামে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি। অন্যদিকে, মুম্বই থেকে আগত ভক্ত অদিতি শ্রীবাস্তব এবং তাঁর পরিবার প্রশংসায় ভরিয়ে তোলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে। এর পাশাপাশি, প্রশাসনেরও ব্যাপক প্রশংসা করেন। তাঁরা জানান, কোনও ভিভিআইপি আসছেন বলে তাঁদেরকে কোথাও থামানো হয়নি। কোনও সমস্যার সম্মুখীন তাঁরা হননি (Maha Kumbh 2025)। অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে সবকিছু সম্পন্ন হচ্ছে।

    মাদুরাই থেকে এসেছিলেন ভক্ত রঙ্গনাথন

    মাদুরাই থেকে এসেছিলেন ভক্ত রঙ্গনাথন। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান যে, ভুটানের রাজা এসেছেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী এসেছেন, কূটনীতিক আধ্যাত্মিক সন্ন্যাসী- সকলেই এই মহাকুম্ভে স্নান করেছেন। এটা কেবলমাত্র ভারতেই ঘটছে। মোদি-যোগীর কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে। তিনি পুলিশকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন। তার কারণ তিনি সঙ্গে এনেছিলেন ৭২ বছর বয়সি মাকে। তিনি হাঁটতে পারছিলেন না। তাই পুলিশ ট্রাই সাইকেলের মাধ্যমে তাঁকে পবিত্র স্নান করিয়েছেন। প্রসঙ্গত, মহাকুম্ভ (Maha Kumbh 2025) শুরু হয়েছে ১৩ জানুয়ারি, ২৬ ফেব্রুয়ারি মহাশিবরাত্রির পর্যন্ত তা চলবে।

  • PM Modi: ‘‘সনাতন ধর্মের প্রসারে আন্তরিক প্রধানমন্ত্রী মোদি’’, মত মহাকুম্ভের সন্ন্যাসীর

    PM Modi: ‘‘সনাতন ধর্মের প্রসারে আন্তরিক প্রধানমন্ত্রী মোদি’’, মত মহাকুম্ভের সন্ন্যাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্ম প্রচার ও পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভূয়সী প্রশংসা করলেন গীতা মণিষী মহামণ্ডলেশ্বরের স্বামী জ্ঞাননন্দজি মহারাজ। প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার ৫ ফেব্রুয়ারি মহাকুম্ভে (Mahakumbh 2025) পবিত্র স্নান করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ নিয়ে এই স্বামী জ্ঞাননন্দজি মহারাজ জানিয়েছেন, এভাবেই প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি সনাতন ধর্মের প্রচার এবং পালন করছেন। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী জ্ঞাননন্দজি মহারাজ প্রয়াগরাজের পবিত্র কুম্ভে প্রধানমন্ত্রীর স্নান (Modi Kumbh Holy Dip) ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘‘এটা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মহাকুম্ভে প্রধানমন্ত্রীর পবিত্র স্নানে (MahaKumbh Holy Dip) সনাতন ধর্ম ধর্মাবলম্বীরা গর্বিত হয়েছেন। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বার্তাও দিয়েছেন যে সনাতন ধর্মের প্রচারে এবং প্রসারে তিনি ঠিক কতটা আন্তরিক। পবিত্র স্নান করতে তিনি আলাদা কোনও সুযোগ নেননি। তাঁর এই পবিত্র স্নানে প্রতিফলন দেখা গিয়েছে হয়ে প্রাচীন ভারতীয় সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের।’’

    সনাতন ধর্মের সকল গুণ রয়েছে মোদির (PM Modi) মধ্যে

    স্বামী জ্ঞাননন্দজি মহারাজ, এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) আন্তরিকতা, মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং ভক্তিরও প্রশংসা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে সেই সমস্ত গুণগুলি আছে যেগুলি একজন সনাতনীর মধ্যে থাকা প্রয়োজন। স্বামী জ্ঞাননন্দজি মহারাজ আরও বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী পবিত্র স্নান (Mahakumbh 2025) করতে হাজির হয়েছেন, অন্তরের গভীর ভক্তির সঙ্গে। সাধারণ তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে তিনি স্নান করেছেন। এত বড় উচ্চপদে অধিষ্ট যিনি, তাঁর মধ্যেও সনাতন ধর্মের প্রতি এমন গভীর আস্থা লক্ষ্য করা গিয়েছে।’’

    দেশের প্রয়োজন মোদির (PM Modi) মতো নেতা

    তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারতবর্ষের এখন সত্যিই প্রয়োজন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতো নেতা। যাঁর মধ্যে এমন মানবতা দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে। তার সঙ্গে সঙ্গে যার মধ্যে থাকবে আধ্যাত্মিকতা এবং বিশেষত ভারতবর্ষের সনাতন ঐতিহ্য-পরম্পরার প্রতি আস্থা (Mahakumbh 2025)। এর পাশাপাশি জয়া বচ্চনের বিতর্কিত মন্তব্যেরও উত্তর দিয়েছেন জ্ঞাননন্দজি মহারাজ। জয়া বচ্চন সম্প্রীতি মন্তব্য করেন যে কুম্ভে পদপৃষ্টের ঘটনায় বহু দেহকে গঙ্গা জলে ফেলে গায়েব করা হয়েছে। এ নিয়ে জ্ঞাননন্দজি মহারাজ বলেন, ‘‘পদপিষ্টের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা সত্যিই গভীর দুঃখ পেয়েছি। যে সমস্ত ভক্তরা নিহত হয়েছেন তাঁদের জন্য। কিন্তু এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়।’’

  • Delhi Election: দিল্লি বিধানসভার কুর্সিতে এবার পদ্ম, বলছে জনমত সমীক্ষা

    Delhi Election: দিল্লি বিধানসভার কুর্সিতে এবার পদ্ম, বলছে জনমত সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দল আপকে নির্বাসনে পাঠাচ্ছেন দিল্লিবাসী (Delhi Election)! অন্তত একাধিক জনমত সমীক্ষায় (Exit Poll) উঠে এসেছে এমনই তথ্য। ৫ ফেব্রুয়ারি এক দফায় হয়েছে দিল্লির ৭০ আসনে নির্বাচন। নির্বাচনের ফল বের হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। তার আগে বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায় প্রকাশ, দিল্লিতে এবার ফুটছে পদ্ম।

    জনমত সমীক্ষার ফল (Delhi Election)

    জেভিসির এক্সিট পোল বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৩৯ থেকে ৪৫টি আসন। আপের ঝুলিতে যেতে পারে ২২ থেকে ৩১টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ০ থেকে ২টি আসন। পি মার্কের জনমত সমীক্ষা বলছে দিল্লিতে বিজেপি পেতে পারে ৩৯ থেকে ৪৯টি আসন। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আপ পেতে পারে ২১ থেকে ৩১টি আসন। কংগ্রেসের অবস্থা শোচনীয়। সোনিয়া-রাহুল গান্ধীর দল পেতে পারে ০ থেকে ১টি আসন।

    দিল্লি পদ্মময়

    পিপলস ইনসাইটের এক্সিট পোলের (Delhi Election) রিপোর্ট অনুযায়ী, বিজেপি পেতে পারে ৪০ থেকে ৪৪টি আসন। আপ পেতে পারে ২৫ থেকে ২৯টি আসন। আর কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ০ থেকে ১টি আসন। পিপলস প্লাসের জনমত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৫১ থেকে ৬০টি আসন। কেজরিওয়ালের দল পেতে পারে ১০ থেকে ১৯টি আসন।

    চাণক্যস স্ট্র্যাটেজি বলছে, পদ্ম পার্টির ঝুলিতে যেতে পারে ৩৯ থেকে ৪৪টি আসন। আপ পেতে পারে ২৫ থেকে ২৮টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২ থেকে ৩টি আসন। ম্যাট্রিজের জনমত সমীক্ষা বলছে, দিল্লিতে বিজেপি পেতে পারে ৩৫ থেকে ৪০টি আসন। আপের ঝুলিতে যেতে পারে ৩২ থেকে ৩৭টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে মাত্র ১টি আসন।

    জনমত সমীক্ষার ইঙ্গিত বাস্তবায়িত হলে এবার দিল্লি হবে পদ্মময়। অবসান হবে আপ জমানার। তবে সাতটি জনমত সমীক্ষার ফল বলছে, খাস দিল্লিতেই কংগ্রেসের অবস্থা করুণ। তারা বড়জোর পাবে ১ থেকে ৩টি আসন। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এদিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিল্লিতে (Exit Poll) ভোট পড়েছে ৫৭.৭০ শতাংশ (Delhi Election)।

  • AB-PMJAY Scheme: প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় বিপুল সাড়া, প্রকল্পের অধীনে সাড়ে ৮ কোটির বেশি মানুষ

    AB-PMJAY Scheme: প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় বিপুল সাড়া, প্রকল্পের অধীনে সাড়ে ৮ কোটির বেশি মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়ুষ্মান ভারত – প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (AB-PMJAY Scheme) প্রকল্পে বিপুল সাড়া মিলেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda) মঙ্গলবার রাজ্যসভায় জানান, চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত আয়ুষ্মান ভারত – প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (AB-PMJAY Scheme) প্রকল্পের অধীনে ৮.৫ কোটির বেশি মানুষ চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে পাবলিক ও প্রাইভেট দুই সেক্টরই রয়েছে। পাবলিক সেক্টরে ৪.২ কোটি এবং প্রাইভেট সেক্টরে ৪.৩ কোটি মানুষ চিকিৎসা পরিষেবা নিয়েছেন।

    আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা কী

    ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এই প্রকল্পে বছরে ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ পায় কোনও পরিবার। গত ২৯ অক্টোবর পরিবারের প্রবীণ সদস্যের জন্য আলাদা স্বাস্থ্যবিমার ঘোষণা করেন মোদি। তিনি জানান, কোনও পরিবারে ৭০ বছর কিংবা তার বেশি বয়সি সদস্য আলাদা করে স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ পাবেন। তিনিও বছরে ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমা পাবেন। এর সঙ্গে ওই পরিবারের স্বাস্থ্যবিমার কোনও সম্পর্ক নেই। প্রবীণ নাগরিকদের আয়ুষ্মান ভায়া বন্দনা কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করা হবে না। দেশের সমস্ত প্রবীণ নাগরিকই এই কার্ড পাবেন।

    কী বললেন নাড্ডা

    সংসদে একটি প্রশ্নের উত্তরে নাড্ডা (JP Nadda) জানান যে, ভারতের ৪০ শতাংশ আর্থিকভাবে দুর্বল জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের জন্য এই প্রকল্প অমৃত সুধার মতো। সম্প্রতি, এই প্রকল্পে ৭০ বছর বা তার উপরের ৬ কোটি প্রবীণ নাগরিককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি দেশব্যাপী তিন স্তরের মডেলে বাস্তবায়িত হচ্ছে— জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ (এনএইচএ), রাজ্য স্বাস্থ্য সংস্থা (এসএইচএ) এবং জেলা বাস্তবায়ন ইউনিট (ডিআইইউ)। রাজ্য পর্যায়ে প্রকল্পের কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য রাজ্য সরকারগুলি এসএইচএ গঠন করেছে। এই সংস্থা প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ করে। এই প্রকল্প এখন ২৫টি রাজ্যে ইউটিতে ট্রাস্ট মোডে, ৭টি রাজ্যে ইউটিতে বিমা মোডে এবং ২টি রাজ্যে হাইব্রিড মোডে বাস্তবায়িত হচ্ছে। নতুন নতুন হাসপাতালকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে।

  • US Military Aircraft: ১০৪ অবৈধ অভিবাসী নিয়ে অমৃতসরে এল মার্কিন সামরিক বিমান, এরপর কী?

    US Military Aircraft: ১০৪ অবৈধ অভিবাসী নিয়ে অমৃতসরে এল মার্কিন সামরিক বিমান, এরপর কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০৪ জন অবৈধ অভিবাসী নিয়ে অমৃতসরের (Amritsar) শ্রী গুরু রামদাসজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করল একটি মার্কিন সামরিক বিমান (US Military Aircraft)।

    অবতরণ করল মার্কিন সামরিক বিমান (US Military Aircraft)

    বুধবার ১.৫৫ মিনিটে বিমানটি অবতরণ করেছে। এদিন যাদের ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ৩০ জন পাঞ্জাবের, ৩৩ জন হরিয়ানার ও গুজরাটের। মহারাষ্ট্র ও উত্তরপ্রদেশে তিনজন করেও রয়েছেন। রয়েছেন চণ্ডীগড়ের দুজনও। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রশাসন তাদের পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় নিজেদের বাড়িতে ফেরানোর ব্যবস্থা করেছে। এদিন যাঁদের ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাঁদের পরিবারের কেউই তাঁদের নিতে বিমানবন্দরে আসেননি।

    ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগ

    প্রসঙ্গত, মার্কিন সামরিক বিমান সি-১৭-তে করে ট্রাম্প প্রশাসন ভারতে ফেরত পাঠাল প্রথম দফার অবৈধ অভিবাসীদের। ২০ জানুয়ারি ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেন ট্রাম্প। তার পরেই দেশটির আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা শুরু করে। অনেক পাঞ্জাবি, যারা লাখ লাখ টাকা খরচ করে “ডাঙ্কি রুট” বা অন্যান্য অবৈধ উপায়ে আমেরিকায় প্রবেশ করেছিলেন, মূলত তাঁদেরই তাড়াচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন।

    অপরাধের রেকর্ড থাকলে পাঠানো হচ্ছে ডিটেনশন সেন্টারে

    জানা গিয়েছে, পাঞ্জাব পুলিশ ও ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো যৌথভাবে পরীক্ষা চালাচ্ছে। যাঁদের বিরুদ্ধে কোনও অপরাধমূলক অতীত বা রেকর্ড নেই, তাঁদেরকে সঙ্গে সঙ্গেই চলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে (US Military Aircraft)। তবে, যাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক রেকর্ড রয়েছে, পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য তাঁদের নিয়ে যাওয়া হবে ডিটেনশন সেন্টারে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট রাজ্যের যাচাই প্রক্রিয়া চলছে। আমেরিকা থেকে যাঁদের ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাঁদের অফিসিয়াল নিশ্চিতকরণের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। প্রসঙ্গত, এর আগে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, মার্কিন সামরিক বিমানে করে ভারতে পাঠানো হচ্ছে ২০৫ জন অবৈধ অভিবাসী। আমেরিকা থেকে ভারতে এই প্রথম পাঠানো হল অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীদের ব্যাচ।

    প্রেসিডেন্ট পদে বসার পর থেকেই মার্কিন মুলুকে বসবাসকারী অবৈধ অভিবাসীদের স্বদেশে ফেরত পাঠাতে উদ্যোগী হয়েছেন ট্রাম্প। এই অভিবাসীদের চিহ্নিত করে ধরপাকড়ও শুরু করেছে মার্কিন প্রশাসন। ইতিমধ্যেই আমেরিকায় (Amritsar) বসবাসকারী বেশ কয়েকটি দেশের অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠাতে শুরু করেছে আমেরিকা। তার মধ্যে রয়েছে ভারতও (US Military Aircraft)।

  • Gyan Bharatam Mission: পান্ডুলিপি সংরক্ষণে ‘জ্ঞান ভারতম মিশন’ চালুর কথা কেন্দ্রীয় বাজেটে, কেন তাৎপর্যপূর্ণ

    Gyan Bharatam Mission: পান্ডুলিপি সংরক্ষণে ‘জ্ঞান ভারতম মিশন’ চালুর কথা কেন্দ্রীয় বাজেটে, কেন তাৎপর্যপূর্ণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে ‘জ্ঞান ভারতম মিশন’ চালুর কথা। ২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এই মিশন চালুর কথা ঘোষণা করেন (Indias Ancient Knowledge)। এই মিশনে এক কোটি পান্ডুলিপি সংরক্ষণ ও নথিভুক্ত করা হবে (Gyan Bharatam Mission)। এই উদ্যোগটি ভারতের বিশাল বৌদ্ধিক ঐতিহ্যকে রক্ষা ও সমৃদ্ধ করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছে। এটি প্রাচীন জ্ঞানকে আধুনিক শিক্ষা ও প্রযুক্তির সঙ্গে সংযুক্ত করার মোদি সরকারের বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

     কী বললেন সীতারামন? (Gyan Bharatam Mission)

    শনিবার বাজেট বক্তৃতায় সীতারামন বলেন, “আমাদের পান্ডুলিপি ঐতিহ্যের সমীক্ষা, নথিভুক্তকরণ এবং সংরক্ষণের জন্য জ্ঞান ভারতম মিশন চালু করা হবে। এটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জাদুঘর, গ্রন্থাগার এবং ব্যক্তিগত সংগ্রাহকদের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে এক কোটি পান্ডুলিপি অন্তর্ভুক্ত করবে।”  সীতারামন এও ঘোষণা করেন, ভারতীয় জ্ঞানতন্ত্রের জন্য একটি জাতীয় ডিজিটাল ভান্ডার স্থাপন করা হবে, যা জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ করে দেবে। নয়া এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত বলেন, “২০২৫ সালের বাজেট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সভ্যতাগত উত্তরাধিকারের সংরক্ষণ ও প্রচারের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।”

    শেখাওয়াতের বক্তব্য

    তিনি (Gyan Bharatam Mission) বলেন, “একটি নতুন কেন্দ্রীয় খাত প্রকল্প, ‘জাতীয় পান্ডুলিপি মিশন’ বা ‘জ্ঞান ভারতম মিশন’, আমাদের পান্ডুলিপি ঐতিহ্যের সমীক্ষা, দলিলীকরণ ও সংরক্ষণের জন্য চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ কোটিরও বেশি পান্ডুলিপি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভারতীয় জ্ঞান ব্যবস্থার একটি জাতীয় ডিজিটাল সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে আমাদের সরকার আমাদের ‘বিরাসত’ রক্ষার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে আমরা ‘বিকশিত ভারত’-এর পথে এগিয়ে যেতে পারি।”

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশাসন ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের জন্য বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে। এই প্রচেষ্টাগুলির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল ২০২০ সালে চালু হওয়া ‘জাতীয় শিক্ষা নীতি’, এটি ভারতীয় সংস্কৃতির মূল্যবোধ ও জ্ঞানকে শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বিত করার লক্ষ্য নিয়েছে (Indias Ancient Knowledge)। এই নীতির সমর্থনে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে ‘ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরা বিভাগ’ প্রতিষ্ঠা করে (Gyan Bharatam Mission)।

LinkedIn
Share