Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Republic Day: প্রজাতন্ত্র দিবসে ‘ত্রিশক্তি’! প্রথমবার একসঙ্গে কুচকাওয়াজ করবে সেনার তিন বাহু

    Republic Day: প্রজাতন্ত্র দিবসে ‘ত্রিশক্তি’! প্রথমবার একসঙ্গে কুচকাওয়াজ করবে সেনার তিন বাহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাসে প্রথমবার দিল্লির রাজপথে এক সঙ্গে শক্তিপ্রদর্শন করবে দেশের তিন বাহিনী। সাধারণতন্ত্র দিবসের প্যারেডে এবার বিরাট বদল। ২৬ জানুয়ারির বিশেষ দিনে প্রতি বছর প্যারেডে আলাদা আলাদা ভাবে পরাক্রম দেখায় স্থল, নৌ ও বায়ুসেনা। এবার সেই ছবিতে বদল আসতে চলেছে। দেশের তিন সেনাবাহিনীর ঐক্য প্রদর্শনের লক্ষ্যে অভিনব এই পদক্ষেপ নিয়েছে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ও ইন্ট্রিগ্রেটেড ডিফেন্স স্টাফ (IDS)। এবারের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে সামরিক বাহিনীর তিন বাহুর (ট্রাই-সার্ভিস) সমন্বিত ট্যাবলো।

    কেন এই পদক্ষেপ

    এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হল, দেশের তিন বাহিনীর একে অপরের প্রতি সহযোগিতা ও বোঝাপড়া দৃঢ় করা। দেশের নিরাপত্তা বিপদের মুখে পড়লে একজোট হয়ে ‘ত্রিশূল’-এর মতো শত্রুর উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে ভারতের তিন বাহিনী, এমনই স্বপ্ন দেশবাসীর। ভারতের তিন বাহিনীকে একছাতার নিচে আনতে ইতিমধ্যেই উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এতে তিন সেনাবাহিনীর মধ্যে একে অপরের মধ্যে বোঝাপোড়া যেমন বাড়বে, তেমনই যুদ্ধক্ষেত্রে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়তে সুবিধা হবে। এই লক্ষ্যেই তিন সেনাবাহিনীর মাথায় নতুন পদ তৈরি হয়েছে যার নাম ‘চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ’ (CDS)। 

    আরও পড়ুনঃ সইফ আলি খানের হামলাকারী বাংলাদেশি, ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ

    এক অনন্য নজির

    প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর কেন্দ্রীয় সরকার একটি নির্দিষ্ট থিম নির্বাচন করে দেয়। ২০২৫ সালে থিম ‘স্বর্ণিম ভারত’। এই বছরের থিমটি দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং এর প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের যাত্রাকে তুলে ধরে। ২০২৫ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসে পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, চণ্ডীগড়, গোয়া, গুজরাট, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, কর্নাটক এবং মধ্যপ্রদেশ সহ ১৫টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ট্যাবলো কার্তব্য পথ কুচকাওয়াজে প্রদর্শিত হবে। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কেরাও উপস্থিত থাকতে পারেন ওই দিন।প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে রাজপথে তিন বাহিনীর এই পরাক্রম শত্রুপক্ষের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা। সেনা কর্তাদের মতে, ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আসতে চলেছে আমূল বদল। যেখানে তিন বাহিনীর আধুনিকীকরণ তো বটেই, কৃতিত্ব এবং সহযোগিতামূলক ক্ষমতা প্রদর্শনের এক অনন্য নজির দেখবে ২৬ জানুয়ারি রাজপথ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Oxfam Global Report: ১৭৬৫ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে ভারত থেকে ৬৫ লক্ষ কোটি ডলার সম্পদ লুট করে ব্রিটিশরা!

    Oxfam Global Report: ১৭৬৫ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে ভারত থেকে ৬৫ লক্ষ কোটি ডলার সম্পদ লুট করে ব্রিটিশরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি অক্সফাম গ্লোবালের (Oxfam Global Report) একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, তাতে দেখানো হয়েছে ভারত আর্থিক ভাবে কতটা সমৃদ্ধ ছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরাধীন ভারত থেকে প্রায় ৬৫ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলার সম্পত্তি লুট করে নিয়ে গিয়েছে ব্রিটিশরা। মূলত, ১৭৬৫ থেকে ১৯০০ সালের মধ্য়ে এই লুট করেছে তৎকালীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। এর মধ্যে প্রায় ৩৪ লক্ষ কোটি টাকা শুধুমাত্র ইংল্যান্ডের ১০ শতাংশ ধনীর কাছে পৌঁছেছে। আজকের দিনের মূল্য বিচার করলে, ৫০ পাউন্ডের নোট দিয়ে গোটা লন্ডন শহরকে চারবার মুড়ে ফেলা যাবে ওই লুটের টাকা দিয়ে। ফলে ভারতের ধনে যে তারা ধনী হয়েছিল একথা আরও একবার প্রমাণিত হয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    তবে ভারতবর্ষ সুপ্রাচীনকাল থেকেই জ্ঞানচর্চা, আধ্যাত্মিক চিন্তা-চেতনা, সাহিত্য, প্রযুক্ত্যি বিদ্যা, চারুকলা, অর্থনীতির এবং বাণিজ্য ক্ষেত্রে এক কথায় পরম পরম বৈভবশালী ছিল। ভারতের সভ্যতা যখন বিকশিত হয়ে চরম উৎকর্ষের জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল। সেই সময়ে পশ্চিমের দেশে ভালো করে সভ্যতার বিকাশই হয়নি। ভারত কোনও সময়েই ঔপনিবেশিকতার মানসিকতার আঙ্গিকে বিশ্বকে দেখেনি, উল্টে ভারতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইউরোপ থেকে বার বার আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে। ৭২০ সালের মহম্মদ বিন-কাশেম থেকে ১৭৫৭ সালের রবার্ড ক্লাইভ (British) পর্যন্ত সকলেই আক্রমণকারী ছিলেন। তাঁরা অমানবিক লুট, হত্যা, ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং সম্পদ হরণ করে নিয়ে গিয়েছেন। অকাতরে এই দেশের পার্থিব সম্পত্তির লুট হলেও শেষ হয়ে যায়নি ভারতীয় সংস্কৃতির প্রভাব। অথচ দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে যাঁরা ইতিহাস রচনা করেছেন তাঁরা কেবল ভারতের কী ছিল না, কতটা খারাপ আর গরীব ছিল সেই কথাই খোঁজ করেছেন। ভারত যে আর্থিক ভাবেও বিশ্বকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রেখেছিল তার উল্লেখ কোনও ইতিহাসবিদ সন্ধান করতে চাননি। অক্সফাম গ্লোবালের প্রতিবেদন প্রমাণ করে ভারতের অর্থনীতি কতটা প্রভাবশালী ছিল।

    ব্রিটিশদের ১০ শতাংশ ধনী ভারতের সম্পদের ধনবান (Oxfam Global Report)

    অক্সফাম গ্লোবালের (Oxfam Global Report) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৭৬৫ সাল থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে ব্রিটিশদের (British) কেবলমাত্র ১০ শতাংশ ধনী ভারত থেকে আজকের বর্তমান সময়ের ৩৩.৮ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলার সমান সম্পত্তি লুট করেছিল। এই বিপুল পরিমাণে সম্পদ ৫০ পাউন্ডের নোটে পরিণত করলে তা লন্ডন শহরকে ওই নোটের কার্পেট দিয়ে চার বার ঢাকতে পারবে। এই প্রতিবেদনের লেখক উৎসা পট্টনায়েক এবং প্রভা পট্টনায়েক বলেন, পরাধীন ভারতে ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যের যুগে ইংরেজরা ভারত থেকে ৬৪.৮২ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের সম্পত্তি লুট করেছিল। ইংল্যান্ডে বড় বড় ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে এই সম্পদ পারিবারিক সূত্রে প্রবাহিত হয়েছে। তবে এই বিরাট পরিমাণ টাকা বা সম্পত্তি ঔপনিবেশিক শাসনকে কায়েম রাখতে ব্যবহার করা হতো। মূলত দাস কেনা-বেচা এবং নতুন বিনিয়োগে ব্যবহার হতো। পরবর্তী সময়ে গোটা বিশ্বসাম্রাজ্যকে ধরে রাখাতে এই অর্থকে ব্যবহার করা হয়েছিল। ফলে রিপোর্ট থেকে অনুমান করা যেতেই পারে ভারতে থেকে উপার্জিত বা আয়ের টাকা বাকি বিশ্বে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করত ইংরেজরা। ফলে ভারতের সম্পত্তি ছিল না, কোনও অর্থনীতি সুব্যবস্থা ছিল না এই যুক্তি অনেক গবেষক আলোচ্য প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে মানতে নারাজ।

    ১৭৫০ সালে বিশ্বের মোট উৎপাদনে ভারতের ছিল ২৫ শতাংশ

    এই প্রতিবেদনে (Oxfam Global Report) আরও বলা হয়েছে যে বর্তমানে আমরা যে বহুজাতিক সংস্থাগুলিকে দেখছি তা আদতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকাতার ফল। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির (British) সম্পূর্ণ শাসন এবং ব্যবস্থা ছিল আজকের দিনে বহুজাতিক সংস্থার অনুরূপ। তারা নিজেরাই আইন করে সাম্রাজ্যকে চালাতেই সমগ্র শাসন ব্যবস্থাকে তৈরি করেছিল। ১৭৫০ সাল নাগাদ গোটা বিশ্বের বাজারে উৎপাদনের বিচারে ভারতীয় উপমহাদেশ বা অখণ্ড ভারত মোট শিল্প উৎপাদনের প্রায় ২৫ শতাংশের অধিকারী ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশদের অত্যাচার, লুটপাট এবং দেশীয় উৎপাদন ব্যবস্থাকে নষ্ট করার ফলে ১৯০০ সাল থেকে ২ শতাংশ কমে গিয়েছিল। খুব স্পষ্ট ভাবে এবং কৌশল করে ভারতের উৎপাদন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে ব্রিটিশরা। ইংরেজরা নিজেদের বস্ত্রকলগুলিকে বিশ্ববাণিজ্যে আরও বিস্তার করতে ভারতীয় এবং এশিয়া মহাদেশের কাপড়ের কলগুলিকে কাঁচামাল, আর্থিক জোগান এবং শ্রমিকের কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে সকল উৎপাদন পদ্ধতিকে সমূলে নিকেশ করেছে। ফলে ২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসনে আনুমানিক ৬৪.৮২ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলার লুট করেছে।

    খুব দ্রুত ভারত

    রিপোর্টে (Oxfam Global Report) আরও বলা হয়, ২০২৪ সালে বিশ্বের ধনকুবেরদের সম্পত্তি ২ লক্ষ কোটি বৃদ্ধি হয়েছে। বিশ্বের ধনীদের তালিকায় ভারতের ২০৪ জন সংযুক্ত হয়েছেন নতুন ভাবে। প্রত্যেক সপ্তাহে ৪ জন করে ভারতীয় ধনবান তালিকায় যুক্ত হচ্ছেন। গত বছরেই এই গবেষণা সংস্থা ভারতকে ট্রিলিয়ন অর্থনীতিতে পৌঁছানোর ইঙ্গিত দিয়েছে, এবারেও আগামী একদশকে পাঁচ ট্রিলিয়নে পৌঁছাবে ভারতীয় অর্থনীতি, ঠিক এমনটাই জানিয়েছে এই গবেষণা।

          

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Philippine Relation: চিনকে ঠেকাতে ভারত থেকে ৯টি অ্যান্টি শিপ ব্যাটারি কিনতে আগ্রহী ফিলিপিন্স

    India Philippine Relation: চিনকে ঠেকাতে ভারত থেকে ৯টি অ্যান্টি শিপ ব্যাটারি কিনতে আগ্রহী ফিলিপিন্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ চিন সাগরে একাধিপত্য স্থাপনে মরিয়া চিন। ফলে ফিলিপিন্স-সহ একাধিক দেশের সঙ্গে সীমান্ত বিবাদে জড়িয়েছে কমিউনিস্ট দেশটি। এহেন পরিস্থিতিতে বেজিংয়ের চাপ বাড়িয়ে ফিলিপিন্সকে অত্যাধুনিক ব্রহ্মস মিসাইলের জোগান দিল নয়াদিল্লি। এবার ভারত (India Philippine Relation) থেকে ৯টি অ্যান্টি শিপ ব্যাটারির দাবি জানিয়েছে ফিলিপিন্স। 

    ব্রহ্মস চুক্তির সম্প্রসারিত অংশ

    ফিলিপিন্স ২০২২ সালে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য ভারতের (India) সঙ্গে একটি চুক্তি করে। ৩৭.৫ কোটি মূল্যের এই চুক্তির অধীনে, ভারত ফিলিপিন্সের কাছে ল্যান্ড-বেসড ব্রহ্মোস মিসাইলের পাশাপাশি তার ব্যাটারি, লঞ্চার এবং অন্যান্য সরঞ্জাম হস্তান্তর করবে। ২০২৪ সালের এপ্রিলে, ভারত ফিলিপিন্সের কাছে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম ব্যাচ হস্তান্তর করেছিল।  ফিলিপিন্স হল ভারত থেকে ব্রহ্মোস কেনার প্রথম দেশ। বর্তমানে এই মিসাইল ভিয়েতনাম থেকে শুরু করে ইন্দোনেশিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে রফতানি করার জন্যও আলোচনা চলছে। অতীতের চুক্তির সম্প্রসারিত অংশ হিসেবেই অ্যান্টি শিপ ব্যাটারি দাবি করেছে ফিলিপিন্স।

    আরও পড়ুন: প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ায় অভিনন্দন, জয়শঙ্করের হাত দিয়ে বন্ধু ট্রাম্পকে চিঠি মোদির

    চিনকে আটকাতে সক্রিয় ফিলিপিন্স

    রাশিয়া ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে ব্রহ্মস মিসাইল। এর গতিবেগ ২.‌৮ ম্যাক। অর্থাৎ শব্দের থেকেও তিনগুণ দ্রুতগতিতে মিসাইলটি উড়তে সক্ষম। প্রতি সেকেন্ডে এক কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে পারে ব্রহ্মস। যে কোনও টার্গেটে ৯৯.৯৯ শতাংশ নিখুঁত হামলা চালাতে পারে। একবার এই মিসাইল লঞ্চ করা হয়েছে গেলে শত্রুর পক্ষে একে আটকানো কার্যত অসম্ভব। এবার ফিলিপিন্স অ্যান্টি শিপ ব্যাটারি চাইছে। এমন সময়ে ভারতের কাছ থেকে এই ব্যাটারি চাইছে তারা যখন চিনের সঙ্গে সেদেশের বিরোধ চলছে। ধারণা করা হচ্ছে চিনা সেনাবাহিনীর হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতেই যুদ্ধ সামগ্রী কিনেছে সে দেশ। দক্ষিণ চিন সাগরের বেশ কয়েকটি দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এসব দ্বীপ নিয়ে দুই দেশের উপকূলরক্ষী বাহিনী একাধিকবার মুখোমুখি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ফিলিপিন্সের হাতে আধুনিক অস্ত্র থাকলে চিন কিছুটা হলেও পিছপা হবে, এমনই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hindenburg: বিপাকে হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ, বাজারে কারসাজি ও সিকিউরিটিজ প্রতারণার অভিযোগ

    Hindenburg: বিপাকে হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ, বাজারে কারসাজি ও সিকিউরিটিজ প্রতারণার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়তি পর্যবেক্ষণের মুখে হেজ ফান্ড আনসন ফান্ডস ও হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের প্রতিষ্ঠাতা নাথান অ্যান্ডারসন (Hindenburg)। তাঁদের বিরুদ্ধে বাজারে কারসাজি এবং সিকিউরিটিজ প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। আদালতের নথিপত্রে দেখা গেছে, আনসন ফান্ডস নাকি অ্যান্ডারসনের সঙ্গে একত্রে কাজ করে লক্ষ্যমাত্রাভিত্তিক শর্ট-সেলিং ক্যাম্পেইন চালিয়েছে। মার্কেট ফ্রডস ওয়েবসাইটে শেয়ার করা নথির স্ক্রিনশট থেকে জানা যায় যে, আনসন ফান্ডস হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টের বিষয়বস্তু ঠিক করে দিত, যা প্রমাণ করে যে সংস্থাটি স্বাধীনভাবে গবেষণা পরিচালনা করেনি। এই ঘটনাগুলোর তদন্ত করছে মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (US SEC)-এর মতো নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলি। তাদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অভিযোগ আনার প্রক্রিয়া (Mahua Moitra) চলছে।

    চাঞ্চল্যকর তথ্য (Hindenburg)

    আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্যও উঠে এসেছে। জানা যাচ্ছে, তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র এবং আনসন ফান্ডসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মোয়েজ কাসামের স্ত্রী মারিসা সিগাল কাসামের মধ্যে যোগাযোগের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দুজনেই আগে জেপি মর্গানে কাজ করেছেন। মহুয়া প্রায় ১২ বছর ধরে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। পরে যোগ দেন রাজনীতিতে। আর মারিসা লন্ডন, হংকং এবং নিউইয়র্কে জেপি মর্গানের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের এই যোগাযোগ আদানি গ্রুপের ওপর হামলার পেছনে উদ্দেশ্য এবং সম্পর্কগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। প্রসঙ্গত, এর আগে ওপিইন্ডিয়া রিপোর্ট করেছিল, আদানির বিরুদ্ধে সংসদে প্রশ্ন তোলার জন্য মহুয়া মৈত্র নাকি ঘুষ নিয়েছিলেন।

    নিশিকান্ত দুবের অভিযোগ

    অ্যানসন ফান্ডসের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলির (Hindenburg) মধ্যে সংগঠিত অপরাধের সঙ্গে যোগসূত্র এবং ম্যানিপুলেটেড স্টক মূল্য পতনের মাধ্যমে মুনাফা অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি আদালতের নথি এবং তদন্তমূলক প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে ওপিইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে অভিযুক্ত করেছেন যে তিনি ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে নগদ অর্থ এবং উপহার গ্রহণ করেছিলেন। এর বিনিময়ে তিনি সংসদে এমন প্রশ্ন উত্থাপন করেছিলেন, যা হিরানন্দানির ব্যবসায়িক স্বার্থকে সুবিধা করে দিয়েছিল। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, মহুয়া লোকসভায় পারাদীপ পোর্ট এবং আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে যে প্রশ্নগুলো তুলেছিলেন, সেগুলো হিরানন্দানির প্রকল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিশেষ উল্লেখযোগ্য প্রশ্নগুলোর মধ্যে ছিল পোর্ট চুক্তি, টেলিকম পরিষেবা এবং প্রাকৃতিক গ্যাস বিতরণ সম্পর্কিত বিষয়।

    আরও পড়ুন: বাহিনীর গুলিতে খতম ১৪ মাওবাদী, ‘‘শেষ নিঃশ্বাস নিচ্ছে নকশালরা’’, মন্তব্য শাহের

    এও অভিযোগ উঠেছে যে আদানি পরিচালিত পোর্ট এবং জ্বালানি নীতির বিষয়ে তাঁর প্রশ্নগুলো হিরানন্দানির প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়িক স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। মহুয়া কোনও অন্যায় করার অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। তিনি তাঁর স্বাধীনতার কথা জানিয়েছিলেন। তবে, ওপিইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে সংসদীয় কার্যকলাপ এবং হিরানন্দানির ব্যবসায়িক স্বার্থের মধ্যে কিছু মিল পাওয়া গেছে, যা তার উদ্দেশ্য নিয়ে আরও প্রশ্ন তুলেছে। এই অভিযোগগুলির পাশাপাশি অ্যানসন ফান্ডসের সহ-প্রতিষ্ঠাতার স্ত্রী মারিসা সিগেল কাসামের সঙ্গে মৈত্রের সম্ভাব্য সংযোগ, আদানি গ্রুপকে ঘিরে আর্থিক এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

    হিন্ডেনবার্গ রিসার্চে ঝাঁপ

    সম্প্রতি হিন্ডেনবার্গ রিসার্চে (Hindenburg) ঝাঁপ ফেলার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল সংস্থার তরফে। সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা-প্রধান ন্যাথন অ্যান্ডারসন বলেছিলেন, “আমাদের লক্ষ্য পূরণ হয়েছে”। তিনি জানিয়েছিলেন, হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ তাঁর জীবনের একটা অধ্যায়, গোটা জীবন নয়। ভেবেচিন্তেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ন্যাথামের যুক্তি, কাজের চাপে ব্যক্তিগত জীবনে সময় দিতে পারছিলেন না। জীবনে ভারসাম্য আনতেই আপাতত সংস্থা বন্ধ করছেন। কিন্তু তাঁর হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কোনও প্রভাব কাজ করেছে কিনা, তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের গোড়ার দিকে কারচুপি করে শেয়ারের দর বাড়ানো এবং কর ফাঁকি-সহ বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এনেছিল মার্কিন সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ। এ নিয়ে কেন্দ্রকে ধারাবাহিকভাবে নিশানা করেছিল বিরোধীরা। যৌথ সংসদীয় কমিটির তদন্তের দাবিও উঠেছিল। শেয়ার বাজারে আদানিকাণ্ডের প্রভাব খতিয়ে দেখতে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। যদিও সেই তদন্তে আদানিদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

    জানা গিয়েছে, কানাডার আদালতে পেশ হওয়া একটি নথির জেরে চাপে পড়ে যান হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের প্রতিষ্ঠাতা। অভিযোগ, ইচ্ছে করে ভুল রিপোর্ট তৈরি করে বিভিন্ন সংস্থার শেয়ারের দর (Mahua Moitra) কমাতো ন্যাথানের সংস্থা (Hindenburg)।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Neeraj Chopra Wedding: চুপিসারে বিয়ে সারলেন অলিম্পিক্সে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়া, পাত্রীর পরিচয় জানেন?

    Neeraj Chopra Wedding: চুপিসারে বিয়ে সারলেন অলিম্পিক্সে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়া, পাত্রীর পরিচয় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেবারে চুপিসারে বিয়ে সারলেন অলিম্পিক্সে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়া। পাত্রী টেনিস খেলোয়াড় হিমানি মোর। তাঁর সঙ্গে বিয়ের মুহূর্তের ছবি পোস্ট করেছেন নীরজ (Neeraj Chopra Wedding)। টোকিও এবং প্যারিস, পর পর দু’টি অলিম্পিক্সে (Olympics Gold Medalist) পদক জিতেছিলেন নীরজ। প্রথম ভারতীয় হিসাবে অলিম্পিক্সে জ্যাভলিনে সোনা এনে দিয়েছিলেন দেশকে। পরের অলিম্পিক্সে পেয়েছিলেন রুপো। দেশের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় এ বার নতুন জীবন শুরু করলেন।

    নিজেই পোস্ট করে দিলেন সুসংবাদ (Neeraj Chopra Wedding)

    বিয়ের পর রবিবার রাতের দিকে নিজেই পোস্ট করে দিলেন সুসংবাদ। বরবেশে নিজের ছবি পোস্ট করেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনটি ছবি পোস্ট করে ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্রীড়াবিদ (Neeraj Chopra Wedding) লেখেন, ‘‘নিজের পরিবারের সঙ্গে জীবনের নয়া অধ্যায় শুরু করলাম। আমাদের একসূত্রে গেঁথে দেওয়ার জন্য প্রত্যেকটা আশীর্বাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। ভালোবাসায় আবদ্ধ। চিরকালের সঙ্গে বন্ধনে যুক্ত হলাম। নীরজ লাভ হিমানি (মোর)।’’ ‘লাভ’-টা ইমোজি হিসেবে দেন নীরজ। নীরজের বিয়ের অনুষ্ঠানে শুধু দুই পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। হালকা গোলাপি রঙের পোশাকে সেজেছিলেন পাত্র নীরজ। মাথায় ছিল গোলাপি পাগড়ি। গলায় গোলাপি গোলাপের মালা পাত্রী হিমানিও পরেছিলেন হালকা গোলাপি রঙের পোশাক।

    পাত্রী কে?

    নীরজের (Neeraj Chopra Wedding) স্ত্রী হিমানি টেনিস খেলোয়াড়। অল ইন্ডিয়া টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইটিএ) ওয়েবসাইট অনুযায়ী, হিমানির কেরিয়ারের সেরা জাতীয় র‍্যাঙ্কিং ছিল ৪২। আর কেরিয়ারের সেরা ডাবলস র‍্যাঙ্কিং ছিল ২৭। আপাতত আমেরিকায় ম্যাককরম্যাক আইসেনবার্গ স্কুল অফ ম্যানেজমেন্ট থেকে ‘সায়েন্স ইন স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ নিয়ে পড়াশোনা করছেন।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বসতি স্থাপনে মদত দিচ্ছে তৃণমূল, বিস্ফোরক অভিযোগ সুকান্তর

    নীরজকে শুভেচ্ছা জানালেন কারা?

    নীরজের (Neeraj Chopra Wedding) পোস্ট করা ছবিতে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ক্রিকেটার সুরেশ রায়না, অভিনেতা গজরাজ রাও, অ্যাথলিট ধারুন আয়াসামি, বক্সার বিজেন্দ্র সিংহের মতো ব্যক্তিত্বেরা। উল্লেখ্য, ২০২১ সালে টোকিও অলিম্পিক্সে সোনা জিতেছিলেন নীরজ। ৮৭.৫৮ মিটার দূরে জ্যাভলিন ছুড়ে সোনা জিতেছিলেন তিনি। পরের অলিম্পিক্সে থামতে হয় রুপো নিয়ে। সে বার ৮৯.৪৫ মিটার ছুড়লেও সোনা জিততে পারেননি। পাকিস্তানের আরশাদ নাদিম ৯২.৯৭ মিটার দূরে জ্যাভলিন ছুড়ে সোনা জিতে নিয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Saif Ali Khan: মেঘালয় হয়ে ভারতে ঢোকে সইফের হামলাকারী, বাংলায় এসে শরিফুল হয় বিজয় দাস

    Saif Ali Khan: মেঘালয় হয়ে ভারতে ঢোকে সইফের হামলাকারী, বাংলায় এসে শরিফুল হয় বিজয় দাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেঘালয় দিয়েই ভারতে প্রবেশ করেছিল সইফের (Saif Ali Khan) ওপর হামলাকারী। তারপরেই সে সোজা চলে আসে পশ্চিমবঙ্গে। এমনই তথ্য উঠে এল পুলিশি তদন্তে। জানা যাচ্ছে, তদন্তের স্বার্থে ধৃত শরিফুল ইসলাম শেহাজাদকে বলিউড তারকা সইফ আলি খানের (Saif Ali Khan) বাড়ি নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছে মুম্বই পুলিশ। জেরায় ধৃত জানিয়েছে, মেঘালয় সীমানার ডাউকি নদী সাঁতরে পার হয় সে। যে অংশ দিয়ে বাংলাদেশ থেকে সে ভারতে প্রবেশ করেছে, নদীর ওই অংশটি ২০০ মিটার চওড়া। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সীমানা এড়িয়ে গেল কেন শরিফুল? জেরায় এর উত্তরও দিয়েছে হামলাকারী। পুলিশকে সে জানিয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েনের জন্যই সীমানায় কড়া নজর রাখছে বিএসএফ। ধরা পড়ার ভয়েই সে এড়িয়ে যায়, ভারত-বাংলাদেশ সীমানা।

    বাংলায় এসে নাম নেয় বিজয় দাস  

    সে বাংলায় এসে নাম নেয় বিজয় দাস। কেনে সিম কার্ডও। গত রবিবারই বান্দ্রা আদালতে পেশ করানো হয়েছিল ধৃত শরিফুলকে। সে দিনই তার আইনজীবী সন্দীপ শেরানি দাবি আদালতে দাবি করেন, পুলিশের হাতে এমন কোনও নথি নেই, যাতে প্রমাণ হয় ধৃত ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক। তবে গতকাল সোমবার মুম্বই পুলিশ (Saif Ali Khan Attacker) জানিয়েছে, ধৃত শরিফুল বাংলাদেশি নাগরিক, তার প্রমাণ ইতিমধ্যে মিলেছে। সে দেশে ধৃতের এক আত্মীয়ের সঙ্গেও কথা বলেছে মুম্বই পুলিশ। মুম্বই পুলিশের অপরাধ দমন শাখার ডিসিপি দীক্ষিত গেদাম আগেই জানিয়েছিলেন, শরিফুল গত পাঁচ-ছ মাস ধরে মুম্বইয়ে বসবাস করছিল।

    মুম্বইয়ে কাজ খুঁজতে সাহায্য করে অমিত পাণ্ডে নামের ব্যক্তি

    পুলিশের আরও দাবি, কয়েক সপ্তাহ পশ্চিমবঙ্গে থেকে আধার কার্ড তৈরির চেষ্টা করেছিল শরিফুল। তবে তার সে চেষ্টা একেবারেই সফল হয়নি। মুম্বইয়ে গিয়ে একের পর এক কাজের সন্ধান করতে থাকে হামলাকারী। এ বিষয়ে তাকে সাহায্য করেছিল অমিত পান্ডে নামে এক ঠিকাদার। পুলিশের আরও দাবি, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে শরিফুল একাধিক অ্যাপ ব্যবহারও করেছিল। বেনামে কেনা সিম কার্ড থেকে ফোনও করেছিল বাংলাদেশে। আরও জানা গিয়েছে, শরিফুল বাংলাদেশে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। পুলিশের তরফ থেকে  দাবি করা হয়েছে, সইফের বাড়ি ঢোকার আগে বান্দ্রা এলাকায় আরও এক তারকার বাংলোর সামনে ঘোরাফেরা করেছে হামলাকারী (Saif Ali Khan)। সেখানেও দেখা গিয়েছিল তাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: মহাকুম্ভে অগ্নিকাণ্ডের পরে ত্রিবেণী সঙ্গম পরিদর্শন যোগীর, দিলেন একগুচ্ছ নির্দেশিকা

    Yogi Adityanath: মহাকুম্ভে অগ্নিকাণ্ডের পরে ত্রিবেণী সঙ্গম পরিদর্শন যোগীর, দিলেন একগুচ্ছ নির্দেশিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভে (Maha Kumbh) অগ্নিকাণ্ডের পরে মেলার নিরাপত্তা সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যবস্থা তদারকি করলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। প্রসঙ্গত, রবিবারের অগ্নিকাণ্ডের ফলে মেলা প্রাঙ্গণে ১৮টি তাঁবু সম্পূর্ণ হবে ধ্বংস হয়ে যায় এবং একজন ব্যক্তি অল্পবিস্তর আহত হন বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পর উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফোন করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে৷ দুই নেতার মধ্য়ে বেশি কিছুটা সময় কথা হয়। আগুন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে দেন যোগী। রবিবারই আদিত্যনাথ হাজির হয়ে যান ত্রিবেণী সঙ্গমে এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন। এর পরেই যোগী আদিত্যনাথ নতুন কিছু নির্দেশিকা চালু করেন। 

    প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে (Yogi Adityanath)

    মৌনী অমাবস্যাকে মহাকুম্ভের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ বলে মনে করা হয়। কারণ এই সময়ে বিভিন্ন আখড়ার সন্ন্যাসী ও সন্ন্যাসিনীদের দীক্ষা দান চলে। একই সঙ্গে মৌনী অমাবস্যার স্নানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে হিন্দু ধর্মে। এই সময়ে পুরো দেশ থেকে ব্যাপক সংখ্যায় ভক্তরা ভিড় জমাতে পারেন বলেই মনে করছে প্রশাসন। সে কারণেই আগত তীর্থযাত্রীদের কোনওরূপ অসুবিধা যাতে না হয় তাই সর্বদা প্রশাসনকে সজাগ থাকতে বলেছেন যোগী আদিত্যনাথ। প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে।

    যোগীর নির্দেশিকা (Yogi Adityanath)

    একইসঙ্গে, রবিবার যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) জানিয়েছেন, মৌনী অমাবস্যার স্নানে যাতে কারও থাকার অসুবিধা না হয় সেদিকে যেমন নজর রাখতে হবে, তেমনই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানীয় জলের ব্য়বস্থাও রাখতে হবে। এর পাশাপাশি, মেলা চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতেও বলেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। তীর্থযাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে শৌচাগারের বন্দোবস্ত করা হবে বলেও জানিয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ। রবিবার তিনি প্রশাসনকে আরও নির্দেশ দিয়েছেন যে, স্নানের সময় ঘাটগুলিতে যেন নিরাপত্তা বন্দোবস্ত করা হয়। কারণ সেখানেই পবিত্র ডুব দেবেন তীর্থযাত্রীরা, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ যে, এত বিপুল পরিমাণে ভক্ত স্নান করবেন, এখানে যেন কোনও রকমের দুর্ঘটনা না ঘটে। অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) এমন নির্দেশিকার লক্ষ্য হল মহাকুম্ভ মেলাকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Delhi Election: দিল্লি ভোটে ফের ইশতেহার প্রকাশ বিজেপির, ছাত্র-যুব-মহিলাদের জন্য বড় আশ্বাস

    Delhi Election: দিল্লি ভোটে ফের ইশতেহার প্রকাশ বিজেপির, ছাত্র-যুব-মহিলাদের জন্য বড় আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দরজায় কড়া নাড়ছে দিল্লির নির্বাচন (Delhi Election)। এই আবহে সোমবার দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করল বিজেপি। যার পোশাকি নাম সংকল্প পত্র-২। দিল্লিতে বিজেপির প্রদেশ দফতরে সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেবা এবং পার্টির সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর সাংবাদিক সম্মেলন করে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেন। প্রসঙ্গত, নির্বাচনী ইশতেহারের প্রথম দফার সংকল্প পত্র প্রকাশ করেছিলেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। দ্বিতীয় দফার সংকল্প পত্র প্রকাশ করলেন বিজেপির সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর।

    জনকল্যাণমুখী একাধিক প্রকল্পের আশ্বাস  

    নির্বাচনী ইশতেহারে জনকল্যাণমুখী প্রচুর প্রকল্পের কথা বলা হয়েছে। সেখানে ঘোষণা করা হয়েছে, বিজেপি (Delhi Election) ক্ষমতায় এলে এর সবগুলিই বাস্তবায়িত করা হবে। সংকল্প পত্রে সাফ লেখা রয়েছে, ‘‘আমরা একটি উন্নত ভারতবর্ষের কল্পনা করি। ভারতবর্ষের উন্নয়নের ক্ষেত্রে দিল্লির উন্নয়ন যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা সংকল্প পত্রের প্রথম পর্ব প্রকাশ করেছেন। আমরা আজ দ্বিতীয় পর্ব প্রকাশ করলাম।’’ 

    বিজেপির তরফ থেকে দেওয়া আশ্বাস (Delhi Election)

    প্রতিটি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গরিব পড়ুয়ারা একেবারে কিন্ডারগার্ডেন থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা পাবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যে সমস্ত যুবক-যুবতীরা অংশগ্রহণ করবেন, তাঁদের এককালীন ১৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। বিজেপি তাদের সংকল্প পত্রে জানিয়েছে, দিল্লির আপ সরকারের আমলে যে অপশাসন এবং দুর্নীতি বাসা বেঁধেছে, ক্ষমতায় এলে সে বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে এবং এসআইটি গঠন করে তদন্ত চলবে। তপশিলি জাতির ছাত্র-ছাত্রীদের মাসিক হাজার টাকা করে বৃত্তি দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছে বিজেপি।

    একই সঙ্গে দিল্লিতে (Delhi Election) যাঁরা অটো এবং ট্যাক্সি চালক রয়েছেন, তাঁদের জন্য একটি বোর্ড গঠনের কথা বলা হয়েছে, ওই সংকল্প পত্রে। এখানে ১০ লাখ টাকার জীবন বীমা, পাঁচ লাখ টাকা দুর্ঘটনা বীমা, সন্তানদের জন্য বৃত্তি, ছয় মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটির কথাও বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Naxalism: বাহিনীর গুলিতে খতম ১৪ মাওবাদী, ‘‘শেষ নিঃশ্বাস নিচ্ছে নকশালরা’’, মন্তব্য শাহের

    Naxalism: বাহিনীর গুলিতে খতম ১৪ মাওবাদী, ‘‘শেষ নিঃশ্বাস নিচ্ছে নকশালরা’’, মন্তব্য শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশা-ছত্তিশগড় সীমানায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে রাতভর গুলির লড়াই মাওবাদীদের। নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে নিকেশ হল ১৪ মাওবাদী (Naxalism)। জানা গিয়েছে, এদের মধ্যে একজনের মাথার দাম ছিল ১ কোটি টাকা। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র। জানা গিয়েছে, মৃত মাওবাদীদের তালিকায় রয়েছে সেন্ট্রাল কমিটির সদস্য মনোজ ও স্পেশাল জোনাল কমিটির সদস্য গুড্ডুও। এই মনোজেরই মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা ও গুড্ডুর মাথার দাম ছিল ২৫ লাখ টাকা। এই ঘটনার পরেই এক্স মাধ্যমে পোস্ট করেন অমিত শাহ। সমাজমাধ্যমে তাঁর মন্তব্য, ‘‘শেষ নিঃশ্বাস নিচ্ছে নকশালরা।’’

    এক্স হ্যান্ডলে শুভেচ্ছা জানালেন অমিত শাহ (Amit Shah) 

    এই অভিযানকে (Naxalism) মাওবাদীদের বিরুদ্ধে বড় সাফল্য বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ‘‘আমাদের নিরাপত্তাবাহিনী মাওবাদীমুক্ত ভারত গড়তে আরও একটা বড় সাফল্য পেল। সিআরপিএফ, ওড়িশার এসওজি, ছত্তিশগড় পুলিশের যৌথ অভিযানে ওড়িশা-ছত্তিশগড় সীমানায় ১৪ মাওবাদী নিহত হয়েছে। শেষ নিঃশ্বাস নিচ্ছে নকশালরা।’’

    কয়েকদিন ধরেই চলছে অভিযান (Naxalism)

    প্রসঙ্গত, গত কয়েক দিন ধরেই মাওবাদী (Naxalism) দমনে আন্তঃরাজ্য অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত ১৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে এই অভিযান। সিআরপিএফ এবং পুলিশের যৌথবাহনী মিলে এই অভিযান চালাচ্ছে বলে খবর। সোমবার ওড়িশার নওপাড়া এবং ছত্তিশগড় গরিয়াবন্দের সীমানায় মাওবাদীদের জড়ো হওয়ার খবর গোপন সূত্রে পায় বাহিনী। এরপরে সোমবার রাতেই তল্লাশি অভিযানের সময় বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে মাওবাদীরা। তখন মাওবাদীদের ঘিরে ফেলে পাল্টা জবাব দেয় যৌথবাহিনীও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IITian Baba: আখড়া থেকে বহিষ্কৃত ‘আইআইটি বাবা’, কী প্রতিক্রিয়া দিলেন অভয় সিং?

    IITian Baba: আখড়া থেকে বহিষ্কৃত ‘আইআইটি বাবা’, কী প্রতিক্রিয়া দিলেন অভয় সিং?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভে (Maha Kumbh) চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ‘আইআইটি বাবা’ (IITian Baba) অভয় সিংকে আখড়া থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে! এনিয়ে অবশ্য আইআইটি বোম্বের প্রাক্তন এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ার অভয় সিংয়ের পাল্টা বিবৃতিও সামনে এসেছে। বহিষ্কারের খবর নিয়ে পাল্টা মুখও খুলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, আখড়ার সাধুরা তাঁর জনপ্রিয়তা সহ্য করতে না পেরে, তাঁর বিরুদ্ধে গুজব ছড়াচ্ছে।

    অভয় (IITian Baba) আদৌ সাধু নন, ভবঘুরে দাবি জুনা আখড়ার সদস্যর

    জানা গিয়েছে, অভয় সিংয়ের (IITian Baba) জুনা আখড়ার শিবির ও তার আশপাশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু কেন বহিষ্কার? অভিযোগ, তিনি তাঁর গুরু মহন্ত সোমেশ্বর পুরীর বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা ব্যবহার করেছেন। আর ঠিক এই কারণে জুনা আখড়ার এক সদস্য জানিয়েছেন, অভয় সিং আদৌ তাঁদের সঙ্গে যুক্তই ছিলেন না। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে ওই সদস্য বলেন, ‘‘অভয় আদৌ সাধু নন, ভবঘুরে। টিভিতে যা খুশি বলতেন। তাঁকে বের করে দেওয়া হয়েছে।’’ আরও দাবি করা হয়েছে যে, তিনি (অভয় সিং) কারও শিষ্যও ছিলেন না।

    বহিষ্কারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভয়

    অভয় সিং অবশ্য এই বহিষ্কারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সংবাদমাধ্যমে তিনি দাবি করেন, আখড়ার সাধুরা তাঁর বিরুদ্ধে গুজব ছড়াচ্ছে। অভয় (IITian Baba) বলেন, ‘‘ওঁরা মনে করছেন, আমি বিখ্যাত হয়ে গিয়েছি এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কিছু ফাঁস করতে পারি। তাই তাঁরা মিথ্যা বলছে। এসব বাজে কথা।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বিজ্ঞান জীবনের দৈহিক দিকটি ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে, কিন্তু তার গভীর অধ্যয়ন মানুষকে আধ্যাত্মিকতার দিকে নিয়ে যায়। জীবনের সত্যিকারের উপলব্ধি মানুষকে আধ্যাত্মিকতার কাছাকাছি নিয়ে আসে।’’

    শৈশবের কথা 

    দিনকয়েক আগে অভয় সিং একটি একান্ত সাক্ষাৎকারে তাঁর শৈশবের কথা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘‘আমার পরিবারে মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা ছিল। আমার বাবা-মার মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হত। এটি একটি শিশুর মনে গভীর প্রভাব ফেলে। স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে আমি ঘুমিয়ে যেতাম, কারণ ঝগড়ার আওয়াজ থেকে পালাতে চাইতাম। মধ্যরাতে উঠতাম, দরজা বন্ধ করে শান্তিতে পড়াশোনা করতাম।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share