Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Railway Station Collapsed: হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল কনৌজ রেলস্টেশনের একাংশ, আটকে শ্রমিক

    Railway Station Collapsed: হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল কনৌজ রেলস্টেশনের একাংশ, আটকে শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ দুর্ঘটনা কনৌজ রেলস্টেশনে (Railway Station Collapsed)। হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল স্টেশনের একটা অংশ। স্টেশনটি (Uttar Pradesh) যখন ভেঙে পড়ে, তখন সেখানে কাজ করছিলেন ২০ থেকে ২৫ জন শ্রমিক। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে অনেক শ্রমিকের আটকে থাকার শঙ্কা।

    যুদ্ধকালীন তৎপরতা (Railway Station Collapsed)

    যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে উদ্ধার কাজ। রেলের উদ্ধারকারী দলের পাশাপাশি হাত লাগিয়েছে উত্তরপ্রদেশের বিশেষ বিপর্যয় বাহিনীও। একযোগে চলছে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারের কাজ। সংবাদ মাধ্যমের একাংশের দাবি, ধ্বংসস্তূপ থেকে ইতিমধ্যেই উদ্ধার করা হয়েছে কয়েকজন শ্রমিককে। তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। বাকি কোনও শ্রমিক আটকে রয়েছেন কিনা, তা জানতে কাজে লাগানো হয়েছে পুলিশ কুকুর। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে আসেন রেলের পদস্থ কর্তারা। চলে আসেন স্থানীয় প্রশাসনের আধিকারিকরাও। কীভাবে স্টেশনের নির্মীয়মান অংশ ভাঙল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক অনুমান, যে সংস্থা কাজ করছিল, তারা নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করছিল। দুর্ঘটনার কারণ জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    অমৃত ভারত প্রকল্পে চলছিল কাজ

    অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় দেশের একাধিক স্টেশনের মানোন্নয়নের কাজ চলছে। এই প্রকল্পেই কাজ হচ্ছিল কনৌজ স্টেশনের। দিন তিনেক আগেই একটি পিলার বসানো হয়েছিল। শনিবার বিকেলে (Railway Station Collapsed) আচমকাই লোহার শাটারিং-সহ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে পিলারটি। রাজ্যের মন্ত্রী অসীম অরুণ বলেন, “কনৌজ রেল স্টেশনের নিউ টার্মিনালের কাজ চলছিল। সেই সময় নির্মীয়মান একটি অংশ ভেঙে পড়ে। ২০ জনের হালকা আঘাত লেগেছে। তিনিজনের আঘাত (Uttar Pradesh) গুরুতর। তাঁদের লখনউয়ে পাঠানো হয়েছে (Railway Station Collapsed)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbha 2025: কুম্ভমেলায় যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন, কত খরচ জেনে নিন

    Mahakumbha 2025: কুম্ভমেলায় যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন, কত খরচ জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষা আর মাত্র কয়েকদিনের। তার পরই প্রয়াগরাজে শুরু হচ্ছে মহাকুম্ভ। সারা দেশ থেকে সাধু সন্তদের আগমণ হচ্ছে পূণ্যতীর্থ প্রয়াগে। ভারতীয় রেলওয়ে মহাকুম্ভের (Mahakumbh 2025) সময় প্রায় ৩০০০ বিশেষ ট্রেন চালাবে। সঙ্গে ১ লক্ষেরও বেশি যাত্রীদের থাকার জন্য আশ্রয়ের ব্যবস্থা করছে। মহাকুম্ভ উপলক্ষে ভক্তদের জন্য রাজকীয় বন্দোবস্ত করল আইআরসিটিসি। পাশাপাশি সরকারি, বেসরকারি উদ্যোগে সেখানে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভারতীয় রেল এবং পর্যটন বিভাগ যৌথভাবে প্রয়াগরাজে ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মহাকুম্ভ মেলা উপলক্ষে বিশেষ ব্যবস্থা করেছে। এবার আইআরসিটিসি ত্রিবেণী সঙ্গমের কাছে আরাইল উপকূলে একটি বিলাসবহুল তাঁবুর শহর ‘মহাকুম্ভ গ্রাম’ তৈরি করেছে।

    মহাকুম্ভ গ্রামে কী রয়েছে? (Mahakumbh 2025)

    ত্রিবেণী সঙ্গম থেকে সাড়ে ৩ কিলোমিটার দূরে সেক্টর ২৫ এর আড়াইল রোডে তৈরি হয়েছে এই গ্রাম। এখান থেকে ঘাটে যাওয়ার সুবিধা রয়েছে। পর্যটকদের জন্য সবরকম সুবিধা রয়েছে এই গ্রামে। রয়েছে আধুনিক সব ব্যবস্থা। বিশেষত ত্রিবেণী ঘাট খুবই কাছে, ফলে পুন্যর্থীদের বিশেষ সুবিধা (Mahakumbh 2025) হবে। কুম্ভ গ্রাম হল একটি অত্যাধুনিক আবাসন। সেখানে পর্যটকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এবং সমস্ত আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সজ্জিত। ত্রিবেণী ঘাটের সঙ্গে তাঁবুর শহরের স্নান করতে ইচ্ছুক অতিথিদের জন্য একটি অতিরিক্ত সুবিধা থাকবে এখানে। সুপার ডিলাক্স তাঁবু ও ভিলা তাঁবু তৈরি করা হয়েছে। এগুলো আধুনিক সুযোগ- সুবিধা দিয়ে সজ্জিত। সহজেই এই তাঁবু বুকিং করা যাবে। এখানে সিসিটিভি নজরদারি থাকবে অতিথিদের নিরাপত্তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। মহাকুম্ভ গ্রামে প্রাথমিক চিকিৎসার সুবিধা এবং সর্বক্ষণ জরুরি সহায়তাও থাকবে। IRCTC -র তরফে মহাকুম্ভ গ্রামে পুন্যর্থীদের আহ্বান জানানোর জন্য সব প্রস্তুতি শেষ।

    আরও পড়ুন: দার্জিলিং থেকে পুরুলিয়ার ফারাক মাত্র দেড় ডিগ্রি! ১২ ডিগ্রিতে নামল কলকাতার তাপমাত্রা

    কীভাবে IRCTC মহাকুম্ভ গ্রামে তাঁবু বুকিং করবেন?

    ১। প্রথমে আপনাকে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.irctctourism.com/mahakumbhgram এ যেতে হবে।

    ২। সেখানে আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

    ৩। আপনার যদি ইতিমধ্যে একটি অ্যাকাউন্ট না থাকে, আপনি আপনার ইমেল ঠিকানা এবং ফোন নম্বর প্রদান করে “অতিথি ব্যবহারকারী” হিসাবে লগইন করতে পারেন।

    ৪। এরপর বুক নাও তে ক্লিক করুন। মহাকুম্ভ গ্রাম পৃষ্ঠার হোমপেজে, “এখনই বুক করুন” বোতামটি সন্ধান করুন এবং বুকিং ফর্মটি পূরণ করুন। আপনার যাবতীয় তথ্য দিন এবং লগ ইন (প্রবেশ) এবং লগ আউটের (প্রস্থান) দিনক্ষণ লিখুন।

    ৫। আপনার পছন্দ এবং বাজেটের উপর ভিত্তি করে তাঁবুর দুটি বিভাগ থেকে নির্বাচন করুন- সুপার ডিলাক্স তাঁবু এবং ভিলা তাঁবু। আপনার পুরো নাম, যোগাযোগের নম্বর, ইমেল ঠিকানা এবং আপনার যে কোনো বিশেষ প্রয়োজনীয়তা সহ প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য লিখুন।

    ৬। ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, নেট ব্যাঙ্কিং, UPI, বা ডিজিটাল ওয়ালেটের মতো নিরাপদ বিকল্পগুলির থেকে বেছে নিয়ে অর্থ প্রদান করুন। এরপরই আপনার বুকিং নিশ্চিত হয়ে যাবে। মহাকুম্ভ গ্রাম সম্পর্কিত আরও তথ্যের জন্য www.irctctourism.com/mahakumbhgram এই পেজটিতে যান। IRCTC মহাকুম্ভ গ্রাম তাঁবু গুলিকে অনন্যভাবে সজ্জিত করে তুলেছে। এখানে তাঁবু বুকিং করা যাবে। বুকিংয়ের পাশাপাশি IRCTC-এর রেল ট্যুর প্যাকেজ এবং ভারত গৌরব ট্রেনের মাধ্যমে, পরিষেবা প্রদান এবং সুবিধা নিশ্চিত করবে। মহাকুম্ভ গ্রামে, পর্যটকদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা সুবিধা সহ বিশ্বমানের আবাসন ও খাবারের সুবিধা দেওয়া হবে। চারটি ক্যাটাগরির আলাদা আলাদা তাঁবুর দাম রয়েছে। ডিলাক্স, প্রিমিয়াম, ডিলাক্স অন রয়‍্যাল বাথ, প্রিমিয়াম অন রয়‍্যাল বাথ। আইআরসিটিসির ওয়েবসাইট থেকে এগুলি বুক করা যাবে।

    কোনটির কত খরচ?

    জানা গিয়েছে, ডিলাক্স রুমের (Mahakumbh 2025) জন্য একজনের জন্য ভাড়া ১০,৫০০ টাকা, দুজনের জন্য ভাড়া ১২ হাজার টাকা (ব্রেকফাস্ট সহ)। আর প্রিমিয়াম রুমের জন্য একজনের জন্য ভাড়া ১৫,৫২৫ টাকা, দুজনের জন্য ভাড়া ১৮ হাজার টাকা (ব্রেকফাস্ট সহ)। আর ডিলাক্স রুম অন রয়‍্যাল বাথে একজনের জন্য ভাড়া ১৬,১০০ টাকা, দুজনের জন্য ভাড়া ২০ হাজার টাকা (ব্রেকফাস্ট সহ)। প্রিমিয়াম রুম অন রয়‍্যাল বাথে একজনের জন্য ভাড়া ২১,৭৩৫ টাকা, দুজনের জন্য ভাড়া ৩০ হাজার টাকা (ব্রেকফাস্ট সহ)। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত বেডের জন্য ডিলাক্স রুমে লাগবে ৪২০০ টাকা এবং প্রিমিয়াম রুমের জন্য লাগবে ৬৩০০ টাকা ভাড়া। আর রাজকীয় স্নানের দিনে ডিলাক্স রুমে আপনাকে বেডের জন্য ৭০০০ টাকা এবং প্রিমিয়াম রুমে আপনাকে ১০,৫০০ টাকা ভাড়া দিতে হবে।

    কম খরচের ঘরও রয়েছে

     মহাকুম্ভের (Mahakumbh 2025) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট mahakumbh.in-এ গিয়ে থাকার জন্য জায়গা বুকিং করতে পারেন আগে থেকে। এক্ষেত্রে নিজের জন্য ট্যুরও বুক করতে পারবেন আপনি। এক্ষেত্রে নিজের জন্য ট্যুরও বুক করতে পারবেন আপনি। এমনকী kumbh.gov.in ওয়েবসাইট থেকে বুকিং করলে আপনি অনেক কম খরচে ১৫০০ টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়ায় ঘর বুক করতে পারেন।

    ৪৪টি বিলাসবহুল তাঁবু

    এছাড়া কুম্ভমেলায় থাকার জায়গা হিসেবে প্রথমেই (Mahakumbh 2025) আসে দ্য আল্টিমেট ট্রাভেলিং ক্যাম্প। এই ক্যাম্পসাইটে ৪৪টি বিলাসবহুল তাঁবু রয়েছে যেখানে দুজনের থাকার ভাড়া প্রতিদিনের জন্য ১ লক্ষ টাকা করে। বাটলার, রুম হিটার, গিজার সহ আরও অনেক সুবিধে রয়েছে। এই তাঁবুগুলির বেশিরভাগই ১৪ জানুয়ারি, ২৯ জানুয়ারি এবং ৩ ফেব্রুয়ারি জন্য বুকিং হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Liquor Policy Case: আবগারি দুর্নীতিতে ক্ষতি ২০২৬ কোটি! ভোটের মুখে সিএজি রিপোর্টে আরও বিপাকে কেজরি

    Delhi Liquor Policy Case: আবগারি দুর্নীতিতে ক্ষতি ২০২৬ কোটি! ভোটের মুখে সিএজি রিপোর্টে আরও বিপাকে কেজরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের আগে বিপাকে দিল্লির আপ সরকার (Delhi Liquor Policy Case)। দিল্লিতে আম আদমি পার্টি (আপ) সরকারের জমানায় আবগারি লাইসেন্স বণ্টন সংক্রান্ত নীতিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠে এল ‘ফাঁস’ হওয়া সিএজি রিপোর্টে (CAG Report)। সেই রিপোর্টে দাবি, এর ফলে দিল্লি সরকারের অন্তত ২০২৬ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে আপ সরকারকে নিশানা করেছে বিজেপি।

    নতুন আবগারি নীতি কার্যকরের ক্ষেত্রে অনিয়ম

    ২০২১-২২ সালে দিল্লির আবগারি নীতি (Delhi Liquor Policy Case) বদল করেছিল তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার। ২০২১ সালের নভেম্বরে তা কার্যকর হয়েছিল। ‘ফাঁস’ হওয়ায় সিএজি রিপোর্ট (CAG Report) বলছে, দিল্লির তৎকালীন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা আবগারি মন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ উপেক্ষা করে নতুন আবগারি নীতি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, দিল্লির উপরাজ্যপাল (লেফটেন্যান্ট গভর্নর) ভিকে সাক্সেনা ২০২২ সালের জুলাই মাসেই অভিযোগ করেছিলেন, নতুন আবগারি নীতি কার্যকর করার ক্ষেত্রে অনিয়ম হচ্ছে। নতুন আবগারি নীতি কার্যকরের ক্ষেত্রে অসম্মতি জানানোর পাশাপাশি তিনি এ বিষয়ে সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেছিলেন।

    ক্যাগ রিপোর্টে দাবি

    সিএজি রিপোর্ট (CAG Report) বলছে, দিল্লিতে (Delhi Liquor Policy Case) আপ যে আবগারি নীতি চালু করেছিল তা রাজধানীর কোষাগারে বড় ধাক্কা দিয়েছে। অন্তত ২ হাজার ২৬ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে দিল্লি সরকারের। যদিও সিএজির এই রিপোর্ট এখনও দিল্লি বিধানসভায় পেশ হয়নি। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ওই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আপ সরকারের আমলে ঘোষিত ওই আবগারি নীতিতে প্রচুর ত্রুটি ছিল এবং সেটা প্রকশ্যে আসার পরও ব্যবস্থা নেয়নি দিল্লি সরকার। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার নেতৃত্বের মন্ত্রীদের কমিটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অগ্রাহ্য করে। যথেচ্ছাচারে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। দিল্লির ক্যাবিনেট ও লেফটেন্যান্ট গভর্নরের অনুমোদন উপেক্ষা করা হয়েছে। লাইসেন্স পুনর্নবীকরণের সমস্যা, জরিমানা না করা, নিয়ম লঙ্ঘন, দিল্লি বিধানসভাতেও প্রয়োজনীয় অনুমোদন মানা হয়নি। যেসব লাইসেন্স সারেন্ডার করা হয়েছে, সেগুলির ক্ষেত্রে রিটেন্ডার করা হয়নি। যার জেরে ৮৯০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ।  

    আরও পড়ুন: ব্রহ্মস থেকে পিনাকা, রোবট কুকুর! প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে থাকবে আর কোন চমক?

    ইতিমধ্যেই আবগারি দুর্নীতি (Delhi Liquor Policy Case) মামলায় সরাসরি অভিযুক্ত হিসাবে দেখানো হয়েছে আম আদমি পার্টিকে। যা ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা।  এই মামলায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল, প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া সহ কয়েকজন হেভিওয়েটকে জেল খাটতে হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবগারিকাণ্ডে ফের অস্বস্তিতে আপ সরকার।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: ১৯৭৮ সালের সম্ভল হিংসা মামলা পুনরায় খোলার নির্দেশ যোগী আদিত্যনাথের

    Yogi Adityanath: ১৯৭৮ সালের সম্ভল হিংসা মামলা পুনরায় খোলার নির্দেশ যোগী আদিত্যনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৪৭ বছরের পুরানো একটি হিংসার (Sambhal Riot) রিপোর্ট চাইল উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) সরকার। উত্তরপ্রদেশেরই সম্ভল এলাকায় সেই হিংসার ঘটনা শুরু হয়েছিল ১৯৭৮ সালের ২৯ মার্চ। দুই গোষ্ঠীর হিংসার জেরে প্রাণ গিয়েছিল বহু মানুষের।

    মৃত্যুর দীর্ঘ তালিকা

    সরকারি রিপোর্ট বলছে, হিংসায় মৃত্যু হয়েছিল ২৪ জনের। যদিও সেই হিংসার হাত থেকে যাঁরা বেঁচে গিয়েছিলেন, তাঁদের বিবৃতি ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সাম্প্রতিক বক্তব্য থেকে জানা গিয়েছে, ১৮৪ জন হিন্দুকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। দখল করে নেওয়া হয়েছিল ঘরবাড়ি, দোকানদানি। হিংসার জেরে গৃহহীন হয়েছিলেন বহু মানুষ। এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারে নামে প্রশাসন। দু’মাসের জন্য জারি করা হয়েছিল কারফিউ। দায়ের হয়েছিল ১৬৯টি মামলা। যদিও সিংহভাগ অভিযুক্তকেই চিহ্নিত করা যায়নি।   

    আরও পড়ুন: গোধরাকাণ্ডের পর কীভাবে নিজের আবেগ সামলেছিলেন, পডকাস্টে খোলসা করলেন মোদি

    নথি হস্তান্তরের নির্দেশ

    ২০২৫ সালের ৮ জানুয়ারি মোরাদাবাদ কমিশনার অঞ্জনেয় সিং সম্ভলের জেলাশাসক রাজেন্দ্র পেনসিয়াকে ওই হিংসার সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্ত নথি হস্তান্তরের নির্দেশ দেন। এই নির্দেশ দেওয়া হয় ৭ জানুয়ারি সম্ভল পুলিশ সুপার (এসপি) কেকে বিষ্ণোইয়ের একটি চিঠির প্রেক্ষিতে। এই চিঠিতে তিনি উত্তরপ্রদেশের আইন পরিষদের সদস্য শ্রীচন্দ্র শর্মার পুনঃতদন্তের দাবির কথা জানান। শর্মার চিঠিতে হিংসায় হতাহতের সংখ্যা এবং এর পরিণতি নিয়ে বিশদ তদন্ত দাবি করা হয়। পুলিশের এক আধিকারিক জানান, এই বিষয়টি নিয়ে সম্ভল পুলিশের কাছে দুটি চিঠি এসেছে। এর একটি পাঠানো হয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের সহ-সচিবের কার্যালয়ের তরফে। অন্য চিঠিটি পাঠানো হয়েছে পুলিশ সুপার (মানবাধিকার) এর পক্ষ থেকে। এর পরেই পুলিশ সুপার ও জেলাশাসকের মধ্যে এ নিয়ে চিঠি চালাচালি হয়। পরে স্থির করা হয়, একটি সম্পূর্ণ রিপোর্ট তৈরি করে রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হবে। পুলিশের দাবি, আঠাত্তরের হিংসা নিয়ে আরও গভীর তদন্ত করতেই এই রিপোর্ট (Sambhal Riot) চাওয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তা জমা করা হবে।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    বিধানসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সম্ভলের সাম্প্রদায়িক হিংসার একটি ঐতিহাসিক ধারার কথা তুলে ধরেন। যা শুরু হয়েছিল সেই ১৯৪৭ সালে, স্বাধীনতার সময়। তিনি জানান, সম্ভলে সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা ঘটেছিল ১৯৪৭, ১৯৪৮ এবং ১৯৫৮ থেকে ১৯৬২ সালের মধ্যে। ১৯৭৮ সালের হিংসা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “১৯৭৮ সালে ১৮৪ জন হিন্দুকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। কয়েক মাস ধরে কারফিউ জারি ছিল। এরপর ১৯৮০-১৯৮২, ১৯৮৬ এবং ১৯৯০ সালেও আবারও হিংসার ঘটনা ঘটে। যেখানে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্তও হয়েছিলেন বহু মানুষ।”

    বিরোধীদের তুলোধনা

    বছরের পর বছর নীরব থাকায় এদিন বিরোধীদের তুলোধনা করেন যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেন, “সম্ভলের বজরংবলী মন্দির, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বন্ধ রাখা হয়েছে সেই ১৯৭৮ সাল থেকে।” ১৯৭৮ সালের ওই মর্মান্তিক ঘটনা অসংখ্য বেঁচে থাকা মানুষকে ঠেলে দিয়েছিল এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে। অনেকের অভিযোগ, সাম্প্রদায়িক ওই হিংসার সময় তাদের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করা হয়েছিল (Sambhal Riot)। তাদের প্রয়োজনীয় আইনি সুরক্ষাও দেওয়া হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলি ভিটেছাড়া হওয়ার মানসিক যন্ত্রণা এবং তাদের ক্ষতির প্রতি উপেক্ষার অভিযোগও করেছেন।

    স্থানীয়দের বক্তব্য

    স্থানীয় (Yogi Adityanath) বাসিন্দারা জানান, আনুষ্ঠানিক মৃত্যুর সংখ্যা প্রকৃত ট্র্যাজেডির মাত্রার চেয়ে যথেষ্ট কম করে দেখানো হয়েছে। বেঁচে থাকা ব্যক্তিরা দাবি করেছেন যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অপরাধীদের রক্ষা করা হয়েছিল এবং প্রমাণ লোপাট করা হয়েছিল, তার ফলে কয়েক দশক ধরে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি আবারও সাম্প্রদায়িক সংবেদনশীলতাকে উদ্দীপিত করেছে। গত ডিসেম্বর মাসে প্রশাসন শহরের একটি “প্রাচীন মন্দিরের দ্বার ফের খুলে দেয় পুণ্যার্থীদের জন্য। তা নিয়েও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। এছাড়াও, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে শাহী জামা মসজিদের একটি আদালত নির্দেশিত সমীক্ষায় বাধা দেওয়া হয়। সেখানে মুসলিম জনতার বিরোধিতার মুখে পড়েন কর্তৃপক্ষ। মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ এই ঘটনাগুলিকে সম্ভলের শান্তি বিঘ্নিত করার এবং ন্যায়বিচারের প্রচেষ্টা নষ্ট করার চেষ্টার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন।

    এসপি কেকে বিষ্ণোই বলেন, “একটি সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করার জন্য সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে।” তিনি বলেন, “আমরা আদালত ও পুলিশের রেকর্ড থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছি, যাতে মামলাগুলি এবং মৃত্যুর কারণ পুনর্মূল্যায়ন করা যায়।” কমিশনার বলেন, “বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের উত্থাপিত জমিজমা-সম্পর্কিত যে কোনও বিরোধ আইনি উপায়ে সমাধান করা হবে। যদি সম্পত্তি অন্যায়ভাবে অধিগ্রহণ করা (Sambhal Riot) হয়, তাহলে সেগুলি প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে (Yogi Adityanath)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • National Youth Day 2025: যুব সমাজের প্রতি স্বামীজির বার্তা আজও প্রাসঙ্গিক, তাঁর জন্মদিনেই পালিত হয় জাতীয় যুব দিবস

    National Youth Day 2025: যুব সমাজের প্রতি স্বামীজির বার্তা আজও প্রাসঙ্গিক, তাঁর জন্মদিনেই পালিত হয় জাতীয় যুব দিবস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরাধীন ভারতের বীর সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ (National Youth Day 2025) উন্নত স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন দেখতেন। পরাধীনতার অন্ধকারে নিমজ্জিত গোটা জাতির বিবেক চেতনা জাগ্রত হবে, এই আকাঙ্খা ছিল স্বামী বিবেকানন্দের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। তাঁর লক্ষ্য ছিল দেশবাসীর মধ্যে জাত্যাভিমান বাড়ানো, দেশপ্রেম জাগানো। নিদ্রিত দেশের চেতনার উদয় না হলে দেশের উন্নতি সম্ভব নয় বলে জানিয়েছিলেন স্বামীজি। দেশের যুবশক্তির প্রতি স্বামীজির অমর বাণী, “উত্তিষ্ঠত জাগ্রত প্রাপ্য বরান্ নিবোধত।” অর্থাৎ “ওঠো! জাগো! এবং লক্ষ্য অর্জন না করা পর্যন্ত থেমো না।” তাঁর বাণী এখনও দেশের যুব সম্প্রদায়ের কাছে সমান প্রাসঙ্গিক। তাই সারা দেশে প্রতি বছর স্বামীজির জন্মদিন ১২ জানুয়ারি জাতীয় যুব দিবস পালিত হয়। রাষ্ট্রসংঘ ১৯৮৪ সালে ‘আন্তর্জাতিক যুব বর্ষ’ ঘোষণা করে। তারপর থেকেই ভারত সরকার প্রতি বছর স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীকে জাতীয় যুব দিবস হিসাবে উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

    যুব দিবসের ইতিহাস

    বিখ্যাত দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক নেতা স্বামী বিবেকানন্দের (National Youth Day 2025) জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় যুব দিবস পালিত হয়। ১৯৮৫ সালে প্রথমবার জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত হয়। স্বামী বিবেকানন্দ বলতেন যে, তরুণরা হল জাতির মেরুদণ্ড। দেশের যুব সম্প্রদায় সামাজিক, রাজনৈতিক এবং আধ্যাত্মিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম। সমাজ সংস্কারক, আধ্যাত্মিক নেতা, দার্শনিক এবং প্রেরণাদায়ক বক্তা স্বামী বিবেকানন্দের চিন্তাধারা আজও তরুণদের অনুপ্রাণিত করে চলেছে। এই দিন সারা দেশে যুবকদের উদ্দেশে বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) জীবন, কাজ এবং তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির স্মৃতিচারণ করা হয়।

    জাতীয় যুব দিবসের গুরুত্ব

    ১২ জানুয়ারি সারা দেশে জাতীয় যুব দিবস (National Youth Day 2025) পালিত হয়। এ উপলক্ষে তরুণদের কেন্দ্র করে নানা ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাতীয় যুব দিবস উদযাপনের উদ্দেশ্য হল ভারতের যুব সমাজকে স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ ও মহান চিন্তা সম্পর্কে সচেতন করা। প্রতি বছর একটি বিশেষ প্রতিপাদ্য নিয়ে যুব দিবস পালিত হয়। 

    জাতীয় যুব দিবস ২০২৫ থিম 

    জাতীয় যুব দিবস ২০২৫ এর থিম (National Youth Day 2025) হল “জাতি গঠনের জন্য যুব ক্ষমতায়ন”। এবার যুব দিবসে যে কর্মসূচিই থাকুক না কেন, জাতি গঠনে তরুণদের তাদের সামর্থ্য ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হবে। যুব দিবস পালনের জন্য স্থানীয়ভাবে কোনও ইভেন্টে অংশগ্রহণ করুন। যেখানে দক্ষতা উন্নয়ন, পরিবেশ সচেতনতা এবং সামাজিক কল্যাণের উপর জোর দেওয়া হবে। এই বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুপ্রেরণামূলক উদ্ধৃতি, গল্প এবং বার্তা শেয়ার করুন। স্বামী বিবেকানন্দের শিক্ষার উপর কিছু সময় চিন্তা করুন এবং কীভাবে সেগুলো আপনার দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ করা যায়, তা নির্ধারণ করুন। জাতীয় যুব দিবস যুবসমাজকে দেশের উন্নতি ও সমাজের কল্যাণে আরও অনেক বড় ভূমিকা নিতে উৎসাহিত করে।

    জাতীয় যুব দিবসের কর্মসূচি

    এবছর নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপে বিকশিত ভারত ইয়ং লিডার্স ডায়ালগ ২০২৫ (Viksit Bharat Young Leaders Dialogue 2025)-এ অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অনুষ্ঠানে সারা দেশের তিন হাজার গতিশীল তরুণ নেতার সঙ্গে মিলিত হবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী দশটি বিষয়ের উপর অংশগ্রহণকারীদের লেখা সেরা প্রবন্ধের একটি সংকলনও প্রকাশ করবেন। প্রবন্ধের অন্তর্গত মূল থিমগুলি হল প্রযুক্তি, স্থায়িত্ব, নারীর ক্ষমতায়ন, উৎপাদন এবং কৃষির মতো বিভিন্ন ক্ষেত্র। দেশের যুব সমাজকে বারবার দেশ গঠনের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। স্বামীজির আদর্শে দেশের তরুণ সম্প্রদায়কে উদ্বুদ্ধ হওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    স্বামীজির বার্তা

    যুব সমাজের প্রতি স্বামীজির বার্তা (Swami Vivekananda) ছিল “ওঠো , জাগো এবং লক্ষ্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত থেমো না।” কাজ সম্পর্কে বিবেকানন্দের বার্তা, “সারাদিন চলার পথে যদি কোনও সমস্যার সম্মুখীন না হও, তাহলে বুঝবে তুমি ভুল পথে চলেছ।” শিকাগোর বক্তৃতা রাখতে গিয়ে বিবেকানন্দ শুরু করেছিলেন, ‘ভাই ও বোন’ বলে সম্বোধন করে। তাঁরই বক্তব্য, “জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।” চরিত্র গঠন সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য ছিল, “নিজের উপর বিশ্বাস না এলে, ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস আসে না।’ তাঁর কথায়, “যে রকম বীজ আমরা বুনি, সে রকমই ফসল আমরা পাই। আমরাই আমাদের ভাগ্য তৈরি করি, তার জন্য কাউকে দোষারোপ করার কিছু নেই, কাউকে প্রশংসা করারও কিছু নেই।” সঙ্গে ভয়ডরহীন হয়ে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়ে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন,  “ভয়ই মৃত্যু, ভয়ই পাপ, ভয়ই নরক, ভয়ই অসাধুতা, ভয়ই ভুল জীবন। এই বিশ্বের সমস্ত নেতিবাচক চিন্তা-ভাবনা ও ধারণা এই ভয়ের অসৎ শক্তি থেকেই সৃষ্টি হয়েছে।” স্বামী বিবেকানন্দের প্রতিটি বাণী এখনও সমান প্রাসঙ্গিক। তাঁর আদর্শ দেশের যুব সমাজকে তৈরি করতে পারে। তাঁর আদর্শে চলে উন্নত-আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলাই যুব-দিবস ২০২৫ এর লক্ষ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Varanasi: এক শতাব্দী বন্ধ থাকার পর ফের খুলেছে বারাণসীর এই মহাদেব মন্দির, হবে বিশেষ পুজো

    Varanasi: এক শতাব্দী বন্ধ থাকার পর ফের খুলেছে বারাণসীর এই মহাদেব মন্দির, হবে বিশেষ পুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের বারাণসীর (Varanasi) সিদ্ধেশ্বর মহাদেব মন্দির এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে তালাবন্ধ অবস্থায় পড়ে ছিল। স্থানীয় ও প্রশাসনিক সহায়তায় পুনরায় তা খুলেছে সনাতন রক্ষা দল। কিন্তু এবার নতুন করে মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়ায় মন্দিরের ভিতরে পুরাতন তিনটি শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে। পুরোহিতদের সঙ্গে পরামর্শ করে আগামী ১৪ জানুয়ারি শুভমুহূর্তে পুজো শুরু করা হবে বলে জানা গিয়েছে। শিবভক্তদের মধ্যে এখন বিরাট উচ্ছ্বাস।

    কাশী বিদ্যা পরিষদ, অন্নপূর্ণা মন্দিরের তরফে অংশ গ্রহণ থাকবে

    উত্তরপ্রদেশের (Varanasi) এই পুরাতন শিব মন্দিরটি রয়েছে একটি মুসলিম জনবহুল এলাকায়। আনুমানিক এক শতাব্দী সময় ধরে তালবন্ধ অবস্থায় থাকার পর এবার হিন্দু সমাজের দাবিতে প্রশাসন মন্দির খুলে দেওয়ার কাজ করেছে। এরপর এখন এই মন্দিরে পুজোর উদ্বোধন মুহূর্ত হিসেবে আগামী ১৪ জানুয়ারিকে ঠিক করা হয়েছে। ইতিমধ্যে একই কর্মকাণ্ডে কাশী বিদ্যা পরিষদ, অন্নপূর্ণা মন্দির, এবং অন্যান্য পণ্ডিতেরা অংশ গ্রহণ করবেন।

    আরও পড়ুনঃ আজ প্রাণপ্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষপূর্তি, পঞ্চামৃত অভিষেক সম্পন্ন হল রামলালার

    তিনটি ক্ষয়িষ্ণু শিবলিঙ্গের পুজো হবে

    কাশীর (Varanasi) ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ গৌরব বনসাল বলেন, “মন্দিরটি শতাব্দীর বেশি সময় ধরে তালাবন্দি অবস্থায় পড়ে ছিল। এখন উদ্ধার কাজ চলছে। প্রাচীন বেশকিছু প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান উদ্ধার করা হয়েছে। তিনটি ক্ষয়িষ্ণু শিবলিঙ্গেরও সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এখন সকল ধ্বংসস্তূপগুলিকে পরিষ্কার করা হচ্ছে।” অতিরিক্ত জেলা শাসক আলোক ভার্মা বলেন, “মন্দিরটিকে উদ্ধারকাজে এবং পুনরায় খুলে দেওয়ার সময় কোনও প্রকার বিবাদ হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা বেশ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। দেওয়াল এবং ভূ-মণ্ডলের উপরে জমে থাকা ২ ফুটের বেশি মাটির শক্ত আবরণের স্তরকে পরিষ্কারের কাজ করা হচ্ছে। মন্দিরে পুজো যত দ্রুত সম্ভব এখন চালু করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Economy Growth 2025: ২০২৫ সালেও বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি হবে ভারত, বলছে রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট

    Economy Growth 2025: ২০২৫ সালেও বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি হবে ভারত, বলছে রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় দ্রুত উন্নতির পথে দেশ। অর্থনীতির ভিত ক্রমেই হচ্ছে মজবুত। ২০২৫ সালেও যে অব্যাহত থাকবে ভারতীয় অর্থনীতির লেখচিত্র, তা জানিয়ে দিল রাষ্ট্রসংঘ (Economy Growth 2025)। রাষ্ট্রসংঘের অনুমান, বিগত বছরের মতো, এ বছরও বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি হিসেবে ভারত তার অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হবে। হামিদ রাশিদের নেতৃত্বাধীন রাষ্ট্রসংঘের বিশ্ব অর্থনৈতিক পর্যবেক্ষণ ইউনিটের প্রকাশিত রিপোর্টের মতে, এ বছর ভারতের অর্থনীতি বৃদ্ধি পাবে ৬.৬ শতাংশ হারে। বুধবার রাষ্ট্রসংঘের (UN Report) এক রিপোর্টেই এমনতর দাবি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ভারতের অর্থনৈতিক শক্তিবৃদ্ধি দক্ষিণ এশিয়ার আর্থিক অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করবে।

    রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট (Economy Growth 2025)

    রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতি হল ভারত। তাই ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে এই অঞ্চলের আর্থিক অগ্রগতিতে অবদান থাকবে নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কার মতো দেশগুলিরও। কীভাবে হবে ভারতের অর্থনৈতিক ‘শ্রীবৃদ্ধি’? সেই ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রসংঘের ওই রিপোর্টে। বলা হয়েছে, মূলত শক্তিশালী বেসরকারি খরচ ও বিনিয়োগের জন্যই ২০২৫ সালে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ৬.৬ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

    ভারতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড

    পরিষেবা এবং নির্দিষ্ট পণ্য, বিশেষ করে ওষুধ ও বৈদ্যুতিন সরঞ্জামের ক্ষেত্রে রফতানি বৃদ্ধি পাবে বলেও দাবি করা হয়েছে ওই রিপোর্টে (Economy Growth 2025)। এর জেরে শক্তিশালী হবে ভারতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। উৎপাদন ও পরিষেবা খাতের সম্প্রসারণও চালিত করবে ভারতীয় অর্থনীতির চাকাকে। গত বছর ভালো বর্ষা হয়েছে। তাই কৃষিক্ষেত্রেও বৃদ্ধি ভালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: “হিন্দুরা জোটবদ্ধ না হলে এখানেও বাংলাদেশের মতো সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন”, বার্তা শুভেন্দুর

    ২০২৪ সালে ভারতীয় অর্থনীতি বৃদ্ধি পেয়েছে ৬.৮ শতাংশ। এ বছর ৬.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। আগামী বছর ভারতীয় অর্থনীতি ফের ৬.৮ শতাংশ বৃদ্ধিতে ফিরে আসবে বলে অনুমান। রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে আশা করা হয়েছে, পরিকাঠামো উন্নয়নে মূলধন ব্যয় আগামী বছরগুলিতে অর্থনৈতিক বৃদ্ধির ওপর শক্তিশালী বহুমুখী প্রভাব ফেলবে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ভারতে লেবার ইন্ডিকেটর ২০২৪ সালে ভালো ছিল। আগামী বছরও (UN Report) ভালো থাকবে। এ বছর বেকারত্বের হার থাকবে ৬.৬ শতাংশ (Economy Growth 2025)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

     

  • Ayodhya Ram Mandir: আজ প্রাণপ্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষপূর্তি, পঞ্চামৃত অভিষেক সম্পন্ন হল রামলালার

    Ayodhya Ram Mandir: আজ প্রাণপ্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষপূর্তি, পঞ্চামৃত অভিষেক সম্পন্ন হল রামলালার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার (Ramlala Pran Pratishtha) প্রথম বর্ষ পূর্তি উদযাপন হচ্ছে। ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, পৌষ মাসের শুক্ল দ্বাদশীতে হয়েছিল রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা (Ramlala Pran Pratishtha)। যাকে কুর্ম দ্বাদশীও বলে। সেই তিথি পড়েছে আজ, শনিবার। এদিন দুধ, দই, ঘি, মধু সহকারে পঞ্চামৃত অভিষেক সম্পন্ন হয় রামলালার। এরপর গঙ্গাজলে রামের মূর্তিকে স্নান করানো হয়। জানা যাচ্ছে, কমপক্ষে ৫ হাজার ভক্তকে রাম-কথা শোনানোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir)।

    শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোদি 

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রামলালার বর্ষপূর্তি (Ramlala Pran Pratishtha) উপলক্ষে এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘সবাইকে শুভকামনা। দীর্ঘদিনের ত্যাগ, তপস্যা ও লড়াইয়ের পর এই মন্দির আমাদের সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতার দিকটিই তুলে ধরে।’’‌

    সকাল থেকেই বৈদিক রীতি মেনে চলছে পুজো-পাঠ 

    সকাল থেকেই বৈদিক রীতি মেনে চলছে পুজো-পাঠ। ৬ লক্ষ বার শ্রীরামের মন্ত্রোচ্চারণ হবে এদিন। একইসঙ্গে পাঠ করা হবে রামরক্ষা স্তোত্র ও হনুমান চালিশা। শনিবার মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) একতলায় দুপুর ৩-৫টা পর্যন্ত চলবে রাগসেবা। এরপর ৬টা থেকে শুরু হবে ভজন-কীর্তন অনুষ্ঠান। ভক্তদের জন্য ভোগের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। রাম মন্দির ট্রাস্টের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার রামলালার (Ramlala) জন্য ৫৬ রকমের ভোগ তৈরি করা হয়েছে। রামলালার পুজো সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পরেই সেই ভোগ ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ৫০ কুইন্টাল ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে অযোধ্যাকে (Ayodhya)

    প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আরও নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir)। এদিনই লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী ভিড় করেছেন অযোধ্যায়। কোথাও তিল ধারণের জায়গা নেই। এত ভক্তের ভিড় সামাল দিতে পুলিশি নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে। ৫০ কুইন্টাল ফুলদিয়ে সাজানো হয়েছে গোটা রাম মন্দিরকে (Ramlala Pran Pratishtha)। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট জানিয়েছে, বছরের পয়লা দিনে ২ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়েছিল অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir)। এবার সংখ্যাটা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভের নাগা সন্ন্যাসীদের জীবন দর্শন কেমন? কীভাবে পিন্ডদান করে পুণ্যলাভ হয় জানেন?

    Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভের নাগা সন্ন্যাসীদের জীবন দর্শন কেমন? কীভাবে পিন্ডদান করে পুণ্যলাভ হয় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভের (Mahakumbh Mela 2025) আধ্যাত্মিক সাধনার ভরকেন্দ্রে রয়েছেন নাগা সন্ন্যাসীরা (Naga)। ভারতীয় আধ্যাত্মিক সাধনায় নাগাদের জীবন দর্শন কেমন তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে একটা কৌতূহল রয়েছে। সাধুদের জীবন অভিপ্রায় কেমন? তাঁদের সাধ্য-সাধনতত্ত্বের বিষয়বস্তু কেমন? কীভাবে সাধনা করেন? সারা বছর কীভাবে জীবন অতিবাহিত করেন? লোক সমাজের অন্তরালে কীভাবে সাধনায় অবিচল থাকেন?— ইত্যাদি এই রকম নানা জানা-অজানা প্রশ্নে রহস্য জড়িয়ে রয়েছে কুম্ভমেলার সাধুদের জীবন। সাধারণত কুম্ভে সকল আগত দর্শনার্থী বা তীর্থযাত্রীদের কাছে আকর্ষণীয় দর্শনীয় বিষয় থাকে নাগা সাধুদের শোভাযাত্রা এবং প্রদর্শনী। আসুন এবার নাগা সাধুদের সম্পর্কে কিছু অজানা কথা জেনে নিই।

    শঙ্কারাচার্যের অদ্বৈতবাদের দ্বারা প্রভাবিত (Mahakumbh Mela 2025)

    বলা হয়ে থাকে, নাগারা আদিগুরু শঙ্করাচার্য, অদ্বৈত বেদান্তের মতবাদ দ্বারা অনুপ্রাণিত এবং দীক্ষিত। নাগাদের একটি বিশেষ আখড়া বা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় উত্থান, মন্দির ও আধ্যাত্মিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রক্ষা তথা সর্বোপরি ধর্মরক্ষা-ধর্মসংরক্ষণের জন্য নাগা সাধুর বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকেন। সাধারণত ১২ বছর অন্তর অন্তর মহাকুম্ভ পালিত হয় উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বার, উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ, মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িন এবং মহারাষ্ট্রের নাসিকে। এই বছর পূর্ণ মহাকুম্ভ হবে প্রয়াগরাজে। কুম্ভে কোটি কোটি ভক্ত, সাধু এবং সন্ন্যাসীদের মধ্যে নাগারা বিশেষ রূপ বহন করে থাকেন। তাঁদের ছাই ভস্ম মাখা উলঙ্গ দেহে চলাচল এবং তাঁদের হাতে অস্ত্র কিংবা ত্রিশূল অনন্যরূপে কুম্ভমেলার (Mahakumbh Mela 2025) মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। তাঁদের শোভাযাত্রা এবং অস্ত্র প্রশিক্ষণ শিবিরগুলিতে আগত পুণ্যার্থিদের ভিড় চোখে পড়ার মতো থাকে।

    নাগাদের উৎপত্তি

    ভারতের ইতিহাস এক বৈচিত্র্যপূর্ণ জীবন দর্শন। সনাতন হিন্দু ধর্মের নানা রূপে ভগবান বিরাজিত হন। পথ অনেক হলেও শেষ পর্যন্ত সমুদ্রেই নিমজ্জিত হয় নদী। প্রধান পাঁচটি ধর্মীয় শাখা হল— শৈব, শাক্ত, বৈষ্ণব, সৌর এবং গাণপত্য। এই পাঁচ শাখার মধ্যে নাগারা (Naga) হলেন পরম শৈব। তাঁরা শিবের উপাসক। বলা হয়ে থাকে ভারতীয় প্রাচীন ধর্মীয় রূপগুলির মধ্যে শৈব প্রধান মত। পণ্ডিতদের মতে, সংস্কৃতে ‘নাগা’ শব্দের অর্থ ‘পর্ব’, পাহাড়ী অঞ্চলে বসবাসকারী লোকদের বোঝায়, যাঁদের ‘পাহাড়ি’ বা ‘নাগা’ বলা হয়ে থাকে। এই সন্ন্যাসী সম্প্রদায়ের ভৌগলিক এবং সাংস্কৃতিক শিকড় অনেক গভীরে। অনেকটা দিগম্বর জৈনদের মতো। পোশাক না পরিধান করে নগ্ন অবস্থায় থাকেন তাঁরা। শৈব দর্শন হল তাঁদের মূল সাধন মার্গ। কুম্ভে (Mahakumbh Mela 2025) সাধুরা সনাতনী ভাবনাকেই বার বার ফুটিয়ে তুলতে সচেষ্ট থাকেন।

    পিন্ডদানের আচার পালন করতে হয়

    নাগা (Naga) সাধু হওয়া কোনও সহজ সাধনা নয়। নিজেকে জাগতিক সকল সুখ-ভোগ বিষয় ঐশ্বর্যকে ত্যাগ করতে জয়। সাধুদের প্রথমে ব্রহ্মচর্য এবং আধ্যাত্মিক অনুশাসন পালন করতে হয়। প্রতিশ্রুতি বদ্ধ হয়ে ১২ বছর ধরে কঠোর সাধনায়রত থাকেন সাধকরা। পার্থিব আনন্দ থেকে মুক্ত হয়ে ব্রহ্মচর্য পালন করতে হয়। পঞ্চগুরু, পিন্ডদানের আচার পালন করতে হয়। পিন্ডদানের মাধ্যমে পূর্ব পুরুষদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া করা হয়ে থাকে। সনাতন ধর্মের পাঁচটি মার্গের দর্শনকে গভীরভাবে আত্মস্থ করতে হয়। এরপর গুরুরা দীক্ষা দিয়ে নির্দেশিকা দিয়ে থাকেন। তবে এই মতে দীক্ষা নিলে নতুন করে আবার পুনর্জন্মও হয়। এটাই নাগাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য, করা হয় সেই সঙ্গে নামকরণও। মেলায় (Mahakumbh Mela 2025) তাঁদের ধর্মীয় লৌকিক এবং অলৌকিক বাস্তবতার প্রয়োগও চোখে পড়ে।

    আরও পড়ুনঃ জমি মাফিয়াদের বোর্ড হল ওয়াকফ, তীব্র আক্রমণ যোগী আদিত্যনাথের  

    ভিক্ষাকরে জীবন অতিবাহিত করতে হয়

    অঙ্গকে কঠোর সংযম এবং সাধনার বলে আসক্তিকে মুক্ত করতে হয়। আখড়ার পতাকার নিচে দাঁড়িয়ে ২৪ ঘণ্টা উপবাসে নিমগ্ন হয়ে থাকতে হয় নাগাদের। তাঁদের মাথার চুল কামানো যায় না, মাথায় জটাধারী চুল হল শিবের প্রতীক। স্বয়ং ভোলানাথের কেশ ছিল জটাবৃত। তীব্রভাবে শারীরিক এবং মানসিক দিক থেকে যে কোনও কামনা-বাসনাকে ত্যাগ করতে হয়। তাঁদের কাছে আধ্যাত্মিক জ্ঞান এবং পরম ঈশ্বর প্রাপ্তি হল প্রধান লক্ষ্য। মূলত তাঁদের ভিক্ষা করে জীবন অতিবাহিত করতে হয়। এক দিনে ৭ বাড়ির বেশি ভিক্ষা করা যায় না, আর যদি ওই দিন ভিক্ষা না পেয়ে থাকেন তাহলে ক্ষুদাকে আলিঙ্গন করতে হয়। তাঁদের মাটিতে বিছানা করে ঘুমাতে হয়। বিলাসিতা এবং সকল স্বাচ্ছন্দ্যকে বর্জন করতে হয়। নাগারা একই ভাবে মনের অহং ভাবনাকে সম্পূর্ণভাবে ত্যাগ করে পরমশক্তিমান শিবের আরাধনা করে থাকেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: গোধরাকাণ্ডের পর কীভাবে নিজের আবেগ সামলেছিলেন, পডকাস্টে খোলসা করলেন মোদি

    PM Modi: গোধরাকাণ্ডের পর কীভাবে নিজের আবেগ সামলেছিলেন, পডকাস্টে খোলসা করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সেখানে যন্ত্রণাদায়ক দৃশ্যের সম্মুখীন হই।” গোধরাকাণ্ডে এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জেরোধার সহ-প্রতিষ্ঠাতা নিখিল কামাথের সঙ্গে প্রথম পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হই। ২৭ ফেব্রুয়ারি বিধানসভায় ছিলাম। সেই সময় ট্রেনে আগুন লাগার খবর পাই, মৃত্যুর খবর পাই। সঙ্গে সঙ্গে গোধরা (Godhra) উড়ে গিয়েছিলাম আমি।” তিনি বলেন, “সেখানে যন্ত্রণাদায়ক দৃশ্যের সম্মুখীন হই। সব অনুভূতিই ছিল ভিতরে, কিন্তু যে পদে অধিষ্ঠিত ছিলাম, তার গুরুত্ব বিবেচনা করে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হচ্ছিল।”

    গোধরা পৌঁছনোর অভিজ্ঞতা (PM Modi)

    অকুস্থলে পৌঁছতে যে তাঁকে হিমশিম খেতে হয়, তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “একটাই মাত্র হেলিকপ্টার ছিল। ওএনজিসির সিঙ্গল ইঞ্জিনের হেলিকপ্টার। বলা হয়, ভিআইপি ওই হেলিকপ্টারে উঠতে পারবেন না।” তিনি বলেন, “আমি তর্ক করি। জানাই, আমি ভিআইপি নই। যা ঘটেছে, তার দায় আমার। তার পরেই গোধরা উড়ে যাই।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সামনে তখন যন্ত্রণাদায়ক দৃশ্য, ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে মৃতদেহ। কিন্তু স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দমন করতে হয়েছিল, সরিয়ে রাখতে হয়েছিল ব্যক্তিগত আবেগ।”

    কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা কীভাবে

    মোদি (PM Modi) গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন পাঁচটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটেছিল। সেই সময়ও তাঁকে কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়েছিল। তিনি বলেন, “পুলিশকে বলেছিলাম, কন্ট্রোল রুমে থাকতে চাই। কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে তা করা যায়নি। পরে হাসপাতালে আহতদের সঙ্গে দেখা করতে যাই। ভিতরে অসম্ভব অস্থিরতা ছিল, উৎকণ্ঠায় ছিলাম। আমার অন্যরকম অভিজ্ঞতা হয়েছিল।”

    আরও পড়ুন: পর্নস্টারকে ঘুষ মামলায় নিঃশর্ত রেহাই ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বলল আদালত?

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমি কখনও জীবন-মৃত্যুর কথা ভাবিনি। যারা হিসেবি জীবন যাপন করেন, তাঁদের এমনটা মনে হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর অবাক হয়েছিলাম, কী করে মুখ্যমন্ত্রী হলাম, এই ভেবে।” তিনি বলেন, “আমার ব্যাকগ্রাউন্ডটাই এমন যে আমি যদি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকও হতাম, তাহলে আমার (Godhra) মা পাড়ায় গুড় বিলি করতেন (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share