Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভে ‘কল্পবাস’ পালন করবেন স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন! জানেন হিন্দু ধর্মে এই রীতির মাহাত্ম্য?

    Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভে ‘কল্পবাস’ পালন করবেন স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন! জানেন হিন্দু ধর্মে এই রীতির মাহাত্ম্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কয়েকদিনের মধ্যেই শুরু হচ্ছে মহাকুম্ভ  মেলা (Mahakumbh Mela 2025)। ইতিমধ্যেই প্রয়াগরাজে গঙ্গা, যমুনা এবং পৌরাণিক নদী সরস্বতীর সঙ্গমে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন পুণ্যার্থীরা। জানা গিয়েছে সম্ভবত ১৩ জানুয়ারি, মেলার প্রথমদিনই মহাকুম্ভে যোগ দেবেন ‘অ্যাপল’ সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রাক্তন সিইও, প্রয়াত স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন পাওয়েল জোবস। এ বারের মহাকুম্ভে ‘কল্পবাস’ পালন করবেন বিশ্বের অন্যতম ধনী মহিলা লরেন।

    কল্পবাস কী?

    কল্পবাস হল, হিন্দুধর্মের একটি অতি প্রাচীন রীতি। এই রীতি পৌষ পূর্ণিমা থেকে মাঘী পূর্ণিমায় আয়োজিত হয়। যাঁরা তা পালন করেন, তাঁদের কল্পবাসী বলা হয়। এই সময়কালে কল্পবাসীরা প্রতিদিন গঙ্গায় পূণ্যস্নান করেন। সন্ন্যাসীদের আখাড়ায় ভ্রমণ করেন। সাধু, সন্ন্যাসীদের ধর্মীয় বাণী শোনেন। এছাড়াও ভজন, কীর্তনে অংশ নেন। হিন্দু শাস্ত্রে মনে করা হয়, আধ্যাত্মিক বিকাশের ক্ষেত্রে এই কল্পবাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জানা যায়, এই সময় অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতে হয়। হিন্দু ধর্মে মাঘ মাসকে (Magh Month) কল্পবাস (Kalpvas) বলা হয়। কল্পবাসের ঐতিহ্য অনেক পুরনো। ‘কল্প’ তাঁকেই বলা হয় যে একই রুটিন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সম্পূর্ণ ব্রহ্মচর্যের সঙ্গে ভগবানের প্রতি ভক্তি সহকারে পালন করে। 

    যুধিষ্ঠিরের কল্পবাস

    মহাভারতের (Mahabharata) যুদ্ধে নিহত স্বজনদের মুক্তির জন্য যুধিষ্ঠির কল্পবাস করেছিলেন। এটা বিশ্বাস করা হয় যে, যদি সঙ্গমে (Sangam) কল্পবাস করা হয়, তাহলে ব্যক্তির শরীর ও আত্মা নতুন হয়ে ওঠে। এই কারণেই প্রতি বছর প্রয়াগে মাঘ মাসে কল্পবাসের আয়োজন করা হয়। এ সময় ভক্তরা পৌষ পূর্ণিমা (Purnima) থেকে মাঘ মাসের পূর্ণিমা পর্যন্ত এক মাস এখানে থাকেন এবং কঠোর নিয়ম-কানুন ও দৃঢ়তার সঙ্গে জীবন অতিবাহিত করেন।

    কল্পবাসের নিয়ম খুব কঠিন

    কল্পবাস হল নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার এবং নিজেকে শুদ্ধ করার প্রচেষ্টা। বেদ থেকে শুরু করে রামচরিত্রমানস ও মহাভারতে পর্যন্ত এটি বিভিন্ন নামে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সময়ে একজন ব্যক্তিকে তপস্বীর মতো জীবনযাপন করতে হয়। একমাস কাম, ক্রোধ, আসক্তি, মোহ থেকে দূরে থাকার সংকল্প নেওয়া হয় এবং নিয়ম ও সংযমের সঙ্গে গঙ্গা-যমুনা সঙ্গমের তীরে নির্জনে উপবাস, পুজো ও স্নান-দান করা হয়। দিনে তিনবার গঙ্গায় স্নান করা এবং সকালে উদিত সূর্যকে অর্ঘ্য নিবেদন করতে হয়। ভক্তরা ভজন-কীর্তন করে, দান করে এবং মাটিতে ঘুমায়। ২৪ ঘণ্টায় শুধুমাত্র একবার খাবার পরিবেশন করা হয়। একবার কল্পবাস শুরু হলে, এই ঐতিহ্য টানা ১২ বছর ধরে অনুসরণ করা হয়।

    কল্পবাসের গুরুত্ব

    কথিত আছে, সঙ্গমের বালিতে এক মাস কল্পবাস করলে মানুষ সেই ফল পায়, যা অন্নভোগ না করে ১০০ বছর তপস্যা করলে পাওয়া যায়। কল্পবাস দ্বারা মানুষের সকল প্রকার পাপ দূর হয়ে যায়। সমস্ত হিন্দু ধর্মীয় গ্রন্থে কল্পবাসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি কল্পবাস করে সে যত ত্যাগ স্বীকার করে তার সমান পুণ্য পায়। কল্পবাস এমন একটি সাধনা যা একজন মানুষকে জন্মের পর জন্ম থেকে মুক্তি দিতে পারে। কল্পবাসকে ৫০ বছর পূর্ণ করা ব্যক্তিদের জন্য সর্বোত্তম বলা হয়, কারণ জীবনের সমস্ত কর্তব্য সমাপ্ত করার পরে, জীবনে ত্যাগের অবস্থা আসে।

    মহাকুম্ভে কল্পবাস

    সনাতন ধর্মের শাস্ত্রে বর্ণিত আছে যে মাঘ মাসে দেবতারা প্রয়াগরাজ ভূমিতে অধিবাস করেন। এ কারণে মাঘ মাসে কল্পবাসের বিধান রয়েছে। এমনও একটি বিশ্বাস আছে যে কল্পবাস করলে পরিবারে সুখ-শান্তি সহ মানুষ জন্ম-মৃত্যুর বন্ধন থেকে মুক্তি পায়। ভক্তরাও মোক্ষলাভের আকাঙ্ক্ষায় কল্পবাস করেন। সঙ্গমের তীরে গঙ্গার বালিতে প্রতি বছর কুম্ভ, মহা কুম্ভ এবং মাঘ মেলার সময় কল্পাবাস পালনের প্রথা বহু শতাব্দী ধরে চলে আসছে। এমনও বিশ্বাস করা হয় যে প্রয়াগরাজে কল্পবাস করলে মা গঙ্গার আশীর্বাদ পরিবারে থাকে, যার ফলে ঘরে সুখ শান্তি থাকে এবং মায়ের ভক্তরাও মোক্ষ লাভ করে। এই কারণেই দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে হাজার হাজার পরিবার প্রতি বছর প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ ও মাঘ মেলায় কল্পবাস করতে আসে।

    আরও পড়ুন: বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত চর্চায় যুক্ত হচ্ছে দেশের মেয়েরা, এক দশকে হার বৃদ্ধি ৪ শতাংশ

    কল্পবাসে লরেন পাওয়েল জোবস

    দূর-দূরান্তের সাধু-সন্ন্যাসী ও সাধারণ মানুষের পাশাপাশি মহাকুম্ভে অংশ নিতে চলেছেন বহু ভিভিআইপি-ও। এই মেলার প্রধান আকর্ষণ হাজার-হাজার ‘কল্পবাসী’। সাধারণত, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, ঝাড়খণ্ড এবং বিহারের গ্রামের পুরুষ ও মহিলারাই ‘কল্পবাসী’ হিসেবে যোগ দেন মহাকুম্ভে। এবার তাঁদের সঙ্গে যোগ দেবেন ‘অ্যাপল’ সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রাক্তন সিইও, প্রয়াত স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন। নিরঞ্জনী আখড়ার স্বামী কালিয়াশানন্দের শিবিরে থাকার কথা তাঁর। ১৩ থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি মহাকুম্ভে (Mahakumbh Mela 2025) কবেন। আর পাঁচ জন কল্পবাসীর মতো লরেনও সঙ্গমে ডুব দিয়ে পুন্যস্নান করবেন এবং নিয়মিত ধর্মোপদেশ শুনবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh Mela: ৬ হাজার মাইল উজিয়ে ফ্রান্স থেকে মহাকুম্ভে এসেছেন প্রৌঢ়া, কেন জানেন?

    Maha Kumbh Mela: ৬ হাজার মাইল উজিয়ে ফ্রান্স থেকে মহাকুম্ভে এসেছেন প্রৌঢ়া, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মসূত্রে তিনি ফরাসি। ফ্রান্সই (French Woman) তাঁর মাতৃভূমি। তবে যিশুর ভক্ত নন। তাঁর আরাধ্য দেবতা শিব! সনাতন ধর্মের প্রতি তাঁর অদম্য আকর্ষণ। সেই টানেই ৬ হাজার মাইল উজিয়ে তিনি এসে পৌঁছেছেন উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে, পূর্ণকুম্ভ (Maha Kumbh Mela) চাক্ষুষ করবেন বলে। ‘আত্মার শুদ্ধিকরণে’ গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতীর সঙ্গমে স্নানও করবেন তিনি। বছর পঁয়ষট্টির এই ফরাসি মহিলার নাম পাসকাল। পূর্ণকুম্ভ শুরু হচ্ছে ১৩ জানুয়ারি। চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

    হিন্দুধর্মের প্রেমে পড়েছিলেন সেই কবে (Maha Kumbh Mela)

    পাসকাল হিন্দুধর্মের প্রেমে আজ পড়েননি, পড়েছিলেন সেই ১৯৮৪ সালে। সেবার প্রথম ভারতে এসে হিন্দুধর্মের প্রতি অনুরক্ত হয়ে পড়েন। হিন্দু ধর্মকে ভালোভাবে আত্তীকরণ করতে পুরাণ পড়েছেন, পড়েছেন ভগবদ গীতাও। তার পর থেকে যত দিন গিয়েছে হিন্দু ধর্মের প্রতি পাসকালের টান বেড়েছে। তাঁর হৃদয় মন্দিরে ততদিনে ঠাঁই নিয়েছেন দেবাদিদেব মহাদেব। ফরাসি এই প্রৌঢ়া বলেন, “আমি এখানে এসে খুব খুশি। আমি কুম্ভ মেলার গল্প জানি। এটি আত্মাকে শুদ্ধ করার জন্য একটি পবিত্র স্থান। এখানে এসে অনেক যোগী, সাধু এবং হিন্দু মানুষের সঙ্গে দেখা হয়েছে। আমি হিন্দুধর্মকে ভালোবাসি এবং ভগবান শিবের প্রতি বিশ্বাস রাখি।” তিনি বলেন, “কুম্ভে যে সমুদ্র মন্থন হয়েছিল, সে সম্পর্কেও আমার কাছে সম্পূর্ণ তথ্য রয়েছে। আমার কাছে অমৃতের ফোঁটা সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য রয়েছে।”

    আরও পড়ুন: “আসুন, এক সঙ্গে উদযাপন করি ভারতীয়ত্ব, আমাদের সংস্কৃতি”, প্রবাসীদের বললেন মোদি

    রুদ্রাক্ষ আমায় রক্ষা করে

    দিন ঘনিয়ে আসছে মহাকুম্ভের। প্রয়াগরাজে জমতে শুরু করেছে থিকথিকে ভিড়। সেই ভিড়ে রয়েছেন পাসকালও। হিন্দু ধর্মের প্রতি টানের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হিন্দু ধর্ম ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। এটি আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে আসা অনুভূতি।” কুম্ভে যে কারও থাকা-খাওয়ার চিন্তা নেই, তা ভালো লেগেছে এই ফরাসি মহিলার। বলেন, “এত বড় আয়োজন। এত মানুষের থাকা-খাওয়ার চিন্তা নেই। সবই নিখরচায় আয়োজন করা হয়েছে।” পাসকাল (Maha Kumbh Mela) বলেন, “এখানে সাধু-সন্ন্যাসী ও হিন্দুদের সঙ্গে দেখা করতে পছন্দ করি।” পাসকালের গলায় ঝুলছে রুদ্রাক্ষ। সেটি দেখিয়ে ফরাসি এই প্রৌঢ়া বলেন, “আমি গলায় যে রুদ্রাক্ষের মালা পরে রয়েছি, সেটি আমার এক বন্ধু আমায় উপহার দিয়েছিল। এটা গলায় থাকলে মনে হয়, এটি আমায় সর্বদা রক্ষা করছে (French Woman)।”

    মহাকুম্ভের এও এক প্রাপ্তি!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India China Relation: চিনা মদতেই ইউটিএ-র হুমকি! উপেক্ষা করা উচিত নয়, বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা

    India China Relation: চিনা মদতেই ইউটিএ-র হুমকি! উপেক্ষা করা উচিত নয়, বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা

    মুখে মিষ্টতা। আর আস্তিনে লুকনো বাঘনখ! এভাবেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে চাইছে চিন! অন্তত আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা তেমনই। এভাবেই তারা ক্রমশ কবজা করতে চাইছে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ অরুণাচলপ্রদেশকে। আজ তৃতীয় তথা শেষ কিস্তি…

     

                                                                                      অরুণাচলপ্রদেশে ড্রাগনের থাবা-৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউটিএ (UTA) যে হুমকি দিচ্ছে, তাকে উপেক্ষা করা (India China Relation) উচিত নয়। বলছেন দ্য অরুণাচল টাইমসের প্রবীণ সাংবাদিক তথা বিশ্লেষক বেঙ্গিয়া আজুম। তিনি বলেন, “ইউটিএ জনগণের মধ্যে সিএপিএফ এবং রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের বিরুদ্ধে অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে ক্ষুব্ধ যুবকদের নিজেদের দলে টানার চেষ্টা করবে।” আজুম বলেন, “ইউটিএ গঠনের (Arunachal Pradesh) ঘোষণা হয়েছিল এমন একটা সময়ে যখন এনএইচপিসি (NHPC)-র কর্তাদের জন্য নিরাপত্তা দিতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী এবং রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। এনএইচপিসি সিউম্প (SUMP)-এর জন্য প্রি-ফিজিবিলিটি স্টাডি পরিচালনা করছে। ওপরের সিয়াং, সিয়াং এবং পূর্ব সিয়াং জেলাগুলির জনগণ, যারা এই প্রকল্প দ্বারা প্রভাবিত হবে, তারা অসন্তুষ্ট। ইউটিএ তাদের ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে দলে টানতে পারে। লাভ করতে পারে স্থানীয় সমর্থনও।

    উপমুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (India China Relation)

    ইউটিএ রাজ্যে মেগা ড্যাম নির্মাণের বিরোধিতা করার পাশাপাশি আর একটা আবেগজনিত ইস্যু সমর্থন করেছে, যা রাজ্যের অনেক মানুষকে উত্তেজিত করেছে। যেসব আদিবাসী মহিলা অ-আদিবাসী পুরুষদের বিয়ে করেছেন, তাঁদের সন্তানদের তফসিলি উপজাতির মর্যাদা দেওয়া। রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী চৌনা মেইন বলেন, “যদিও এনএলসিটি (NLCT) কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি, তবুও এদের হুমকি উপেক্ষা করা ঠিক নয়।” তিনি বলেন, “এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যুগে মানুষ সহজেই বিভ্রান্ত হতে পারে। সেক্ষেত্রে ইউটিএ গুরুতর হুমকি তৈরি করতে পারে। তবে সরকার এ বিষয়ে সচেতন এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে (Arunachal Pradesh)।”

     এই সিরিজের প্রথম দুই কিস্তি…

    ভারতের বাঁধ নির্মাণে বাধা দিতে অরুণাচলপ্রদেশে উগ্রপন্থীদের মদত দিচ্ছে চিন! (প্রথম কিস্তি)

    ভারতের বাড়া ভাতে ছাই দিতে অরুণাচলপ্রদেশে উগ্রপন্থীদের মদত দিচ্ছে চিন! (দ্বিতীয় কিস্তি)

    টিক টিক টাইম বোমা

    এদিকে, নামচা বারওয়ায় চিনের প্রস্তাবিত মেগা ড্যাম ভারতের জন্য একটি টিক টিক টাইম বোমার মতো। মানোহর পার্রিকর ইনস্টিটিউট অফ ডিফেন্স স্টাডিজ অ্যান্ড অ্যানালাইসিসের একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, চিন যে ইয়ারলুং সাংপো নদীর ওপর বাঁধ নির্মাণ করছে, সেগুলি এত বড় যে স্টোরেজ ড্যাম হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। চিন এই বাঁধগুলি সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহার করতে পারে। এতে বিপাকে পড়বে ভারত। গরমের সময় জলের জন্য হা-পিত্যেশ করতে হবে। আর বর্ষায় বানের জলে ভেসে যাবে অরুণাচল প্রদেশ এবং অসম।

    বড় স্টোরেজ ড্যাম

    সিউম্প-এর পরিকল্পনায় সিয়াং নদীর ওপর একটি বড় স্টোরেজ ড্যাম নির্মাণের কথা রয়েছে। এটি চিনের (India China Relation) পক্ষ থেকে ইয়ারলুং সাংপো নদীর জল অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার বিরুদ্ধে ভারতের বীমা হিসেবে কাজ করবে। যদি চীন ইয়ারলুং সাংপো নদীর জলের প্রবাহ কমিয়ে দেয়, তবে সিউম্প জলাধার থেকে জল ছেড়ে সিয়াং এবং ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহ বজায় রাখা সম্ভব হবে। একইভাবে, চিন যদি অতিরিক্ত জল ছেড়ে দেয়, তবে সিউম্প জলাধার অতিরিক্ত জল ধরে রাখতে পারবে এবং অরুণাচল প্রদেশ ও নামনি অসমে বন্যা প্রতিরোধ করতে পারবে (Arunachal Pradesh)। নামচা বারওয়ার প্রস্তাবিত মেগা ড্যাম ছাড়াও, চিন ইতিমধ্যে ইয়ারলুং সাংপোর উঁচু জায়গায় ২০১০ সালে ঝাংমু ড্যাম নির্মাণ করেছে। জিয়েক্সু, জিয়াচা এবং দাগু নামে আরও তিনটি বাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে। যদিও চিনের দাবি, এগুলি সবই ‘রান অফ দ্য রিভার’ প্রকল্প এবং এগুলি ইয়ারলুং সাংপো নদীর জলের প্রবাহে কোনও প্রভাব ফেলবে না, তবে বেজিংয়ের দাবিকে অবিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

    জলযুদ্ধের বিরুদ্ধে সতর্কতা নিতে হবে

    প্রবীণ রাজনীতিবিদ নিনং এরিং, যিনি ইউপিএ -২ সরকারের সময় সংখ্যালঘু বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন এবং বর্তমানে পূর্ব সিয়াং জেলার পাসিঘাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক, বলেন, চিনকে কখনওই বিশ্বাস করা যায় না। আপনি কখনওই জানবেন না তারা (চিন) ভারতের ক্ষতি করার জন্য কী করবে। আমাদের অবশ্যই চিনের সম্ভাব্য জলযুদ্ধের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সতর্কতা নিতে হবে। এটা ঠিক যে এই সুরক্ষাগুলোকেই, যেমন সিউম্প, চিন বিপথে চালিত করতে চায়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলির বিশ্বাস, চিন ইউটিএ সৃষ্টি করেছে যাতে সিউম্প এবং অন্যান্য বড় বাঁধের বিরুদ্ধে বিরোধিতা উসকে দেওয়া যায়। এই বাঁধগুলি সেই রাজ্যে নির্মাণ করা হচ্ছে, যে রাজ্য চিন অধিকৃত তিব্বত এবং মায়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত শেয়ার করে (Arunachal Pradesh)।

    বিরোধিতার জিগির 

    চিন গোপনে অরুণাচলপ্রদেশ ও অসমের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মাধ্যমে অরুণাচলপ্রদেশে বড় বাঁধগুলির বিরুদ্ধে বিরোধিতার জিগির জাগিয়ে রেখেছে। যেসব পরিবেশবিদ ও নাগরিক গোষ্ঠী যারা অরুণাচলপ্রদেশে (India China Relation) এই বৃহৎ বাঁধগুলির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও আন্দোলন করছে, তাঁরা চিনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সংস্থা থেকে সমর্থন মায় আর্থিক সহায়তা পেয়েছে বলেও অনুমান।

    ড্রাগনের লক্ষ্য

    চিনের উদ্দেশ্য হল, তিব্বতি মালভূমি থেকে ভারতের দিকে প্রবাহিত হওয়া ইয়ারলুং ত্সাংপো নদীকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা। কিন্তু অরুণাচলপ্রদেশে প্রস্তাবিত বৃহৎ বাঁধগুলো সেই অস্ত্রকে নিষ্ক্রিয় করে বেজিংয়ের কুটিল উদ্দেশ্যকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। তাই চিন নাগরিক গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে অরুণাচল প্রদেশে বৃহৎ বাঁধগুলির বিরুদ্ধে (Arunachal Pradesh) বিরোধিতা উসকে দিচ্ছে (India China Relation)।

    শেষ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “আসুন, এক সঙ্গে উদযাপন করি ভারতীয়ত্ব, আমাদের সংস্কৃতি”, প্রবাসীদের বললেন মোদি

    PM Modi: “আসুন, এক সঙ্গে উদযাপন করি ভারতীয়ত্ব, আমাদের সংস্কৃতি”, প্রবাসীদের বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উৎসবের সময় ভারতের মাটিতে প্রবাসীদের উপস্থিতি তাঁদেরকে দেশের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেয়।” বৃহস্পতিবার অষ্টাদশতম ‘প্রবাসী ভারতীয় দিবসে’ (Pravasi Bharatiya Divas 2025) বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রবাসীদের মূল্যবোধেরও প্রশংসা করেন তিনি। বলেন, “এই মূল্যবোধের কারণেই তাঁরা বিশ্বে সহজেই মিশে যান, এগিয়ে নিয়ে যান ভারতীয় সংস্কৃতিকে।”

    আনন্দিত প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ শুরু হবে। মকর সংক্রান্তি, মাঘ বিহুর উৎসবও আসন্ন। সর্বত্র একটি আনন্দময় পরিবেশ রয়েছে। আমাদের জন্য এটি সেই দিন ছিল ১৯১৫ সালে, যখন মহাত্মা গান্ধী বহু বছর বিদেশে থাকার পর ভারতে ফিরে এসেছিলেন। এমন একটি সুন্দর সময়ে আপনারা ভারতে উপস্থিত থাকায় উৎসবের আনন্দ আরও বাড়ছে।” সঙ্কটের সময় প্রবাসীদের সাহায্য করাও যে সরকারের দায়িত্ব, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “আপনারা যেন সুবিধা ও স্বাচ্ছন্দ্য পান, তা আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখি। আপনাদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সঙ্কটের সময় পৃথিবীর যেখানেই থাকুন না কেন, আপনাদের সাহায্য করা আমরা আমাদের দায়িত্ব বলে মনে করি।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এটি আজকের ভারতের বিদেশনীতির অন্যতম প্রধান নীতি। গত এক দশকে আমাদের দূতাবাস ও অফিসগুলি বিশ্বজুড়ে সংবেদনশীল ও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আগে অনেক দেশে মানুষকে কনস্যুলার পরিষেবার জন্য অনেক দূর ছুটতে হত, সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করতে হত। এখন এই সমস্যাগুলি সমাধান করা হচ্ছে। গত দু’বছরে ১৪টি দূতাবাস ও কনস্যুলেট খোলা হয়েছে। ওসিআই কার্ডের পরিধিও বাড়ানো হয়েছে। এটি এখন মরিশাসের সপ্তম প্রজন্মের পিআইওদের জন্যও প্রযোজ্য।”

    আরও পড়ুন: আফগান ভূমে পাক হামলার নিন্দার পরেই আলোচনার টেবিলে নয়াদিল্লি-কাবুল

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এ বছরের প্রবাসী ভারতীয় দিবস একটি অতিরিক্ত কারণে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আমরা অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মশতবার্ষিকীর পরে একত্রিত হয়েছি। এই অনুষ্ঠানের পেছনে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এটি ভারত ও তার প্রবাসীদের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় করার একটি প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে। এক সঙ্গে আমরা উদযাপন করি—ভারত, ভারতীয়ত্ব, আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের অগ্রগতি, এবং আমাদের শিকড়ের (Pravasi Bharatiya Divas 2025) সঙ্গে সংযোগ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Women: বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত চর্চায় যুক্ত হচ্ছে দেশের মেয়েরা, এক দশকে হার বৃদ্ধি ৪ শতাংশ

    Indian Women: বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত চর্চায় যুক্ত হচ্ছে দেশের মেয়েরা, এক দশকে হার বৃদ্ধি ৪ শতাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী শিক্ষায় উন্নতির জন্য লাগাতার চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্র সরকার। ক্রমাগত চলছে প্রচার। বেটি-বাঁচাও, বেটি-পড়াও প্রকল্পে মিলেছে সাড়া। চলছে নারীর (Indian Women) ক্ষমতায়ন বৃদ্ধির চেষ্টা। তারই ফল স্বরূপ ভারত বৈজ্ঞানিক এবং শিক্ষামূলক ক্ষেত্রে একটি রূপান্তরমূলক পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছে। যেখানে ‘স্টেম’— সায়েন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ম্যাথমেটিক্স (STEM), অর্থাৎ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত চর্চার ক্ষেত্রে স্নাতক স্তরে মেয়েদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের বৈজ্ঞানিক সম্ভাবনা শক্তিশালী করতে এবং সারা বিশ্বে প্রতিযোগিতামূলক স্তরে লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণে ভারতকে এগিয়ে দিয়েছে মেয়েদের এই সাফল্য।

    এক দশকে পালাবদল

    ভারতে বিজ্ঞানও গণিত চর্চার ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ শুধু প্রতীকী নয়, এটি পরিমাপযোগ্যও। দশ বছর আগে, মেয়েদের এই বিভাগে অংশগ্রহণ ছিল ৩৮.৪ শতাংশ। গত বছরে, এই হার ৪২.৬ শতাংশে পৌঁছেছে। প্রফেসর এম জগদীশ কুমার জানান, ভারতে মেয়েদের এই অগ্রগতি দেশকে এই ক্ষেত্রে বৈশ্বিক নেতা হয়ে ওঠার ইঙ্গিত দেয়। প্রফেসর এম জগদীশ কুমার বলেন, ‘‘এই শতাংশ বিশ্বব্যাপী কোন অঞ্চলের তুলনায় সর্বোচ্চ, যা দেশের নারী ক্ষমতায়নের এবং বৈজ্ঞানিক শক্তির সৃজনশীলতার প্রতীক।’’

    প্রধানমন্ত্রী মোদির সক্রিয় পদক্ষেপ

    শিক্ষাবিদদের মতে,  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে নারী শিক্ষার (Indian Women) এবং বিজ্ঞানক্ষেত্রে সমতা প্রতিষ্ঠার জন্য নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলেই এই পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে। সরকারে উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘বেটি বাচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্প, যা ছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষায় এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে। কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গ সমতা রক্ষার জন্য সরকার সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে। বেসরকারি ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে মেয়েদের কাজের সুযোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষাক্ষেত্রে কন্যাসন্তানদের এগিয়ে দিয়েছে পরিবার। দেশে মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর মনোভাব পরিবর্তিত হয়েছে। এছাড়াও কিশোরী শক্তি যোজনার মাধ্যমে কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করা হয়েছে। মেয়েদের প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা হয়েছে।

    নারী শিক্ষায় কেন্দ্রের নানা স্কলারশিপ

    উচ্চশিক্ষায় মেয়েদের জন্য রয়েছে একগুচ্ছ স্কলারশিপও। নারী শিক্ষার উন্নতিতে স্কলারশিপে জোরে দিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। পরিবারের একমাত্র কন্যাসন্তানের জন্য রয়েছে একাধিক বৃত্তির ব্যবস্থা। সিবিএসই বোর্ডের ছাত্রীরা মাসে ৫০০ টাকা করে স্কলারশিপ পায়। তবে তার জন্য দশমের পরীক্ষায় ৬০ শতাংশ নম্বর পেতে হয় তাদের। আবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে গবেষণায় নিযুক্ত মহিলাদেরও বৃত্তি দিয়ে থাকে কেন্দ্র। 

    ইন্সপায়ার-শি স্কলারশিপ: কেন্দ্রের বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর স্তরের মহিলা শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ইনোভেশন ইন সায়েন্স পারস্যুইট ফর ইন্সপায়ারড রিসার্চ’ (ইন্সপায়ার) স্কিম চালু করা হয়েছে। এটি কেন্দ্রের বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি মন্ত্রকের স্কলারশিপ ফর হায়ার এডুকেশন (শি)-স্কিমের অন্তর্ভুক্ত। যাঁরা স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর স্তরে বিজ্ঞানের যে কোনও বিষয় নিয়ে পাঠরত, শুধু মাত্র সেই মহিলা শিক্ষার্থীদের জন্যই এই বৃত্তির ব্যবস্থা। 

    এআইসিটিই প্রগতি স্কলারশিপ ফর গার্লস: যে মহিলারা অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন (এআইসিটিই) স্বীকৃত কোনও প্রতিষ্ঠানে কোনও বিষয়ে টেকনিক্যাল ডিপ্লোমা বা ডিগ্রি কোর্সের প্রথম বর্ষে পাঠরত, তাঁদের আর্থিক ভাবে সাহায্য করার জন্য প্রগতি স্কলারশিপ ফর গার্লস চালু করা হয়েছে। প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত এই বৃত্তির আবেদন প্রক্রিয়া চলে।

    সিবিএসই মেরিট স্কলারশিপ স্কিম ফর সিঙ্গল গার্ল চাইল্ড: সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই)-এর তরফেও পরিবারের একমাত্র কন্যাসন্তানের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা রয়েছে, যার নাম— সিবিএসই মেরিট স্কলারশিপ স্কিম ফর সিঙ্গল গার্ল চাইল্ড। যে পড়ুয়ারা সিবিএসই স্বীকৃত স্কুল থেকে দশম শ্রেণির পরীক্ষায় ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে বর্তমানে একই স্কুলে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছে, শুধু মাত্র তারাই এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।প্রতি মাসে বৃত্তি বাবদ মিলবে ৫০০ টাকা।

    ওয়েমেন সায়েন্টিস্ট স্কিম-বি (ডব্লিউওএস-বি): কেন্দ্রের বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে মহিলা বিজ্ঞানী এবং প্রযুক্তিবিদদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা রয়েছে। মূলত, যে মহিলাদের বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির কোনও বিষয়ে ডিগ্রি রয়েছে, বয়স ২৭ এবং ৫৭ বছরের মধ্যে এবং কর্মজীবন থেকে বিরতি নিয়ে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কোনও উদ্ভাবনী কাজে যুক্ত হতে চান, তাঁদের জন্যই এই স্কলারশিপ। এর জন্য পড়ুয়ারা online-wosa.gov.in/wosb -এ গিয়ে আবেদন করতে পারবেন।  এছাড়াও প্রগতি স্কলারশিপ ফর গার্ল স্টুডেন্টস ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন, ইউজিসি পোস্ট-ডক্টরাল ফেলোশিপ ফর উইমেন ক্যান্ডিডেটস-সহ অন্যান্য সরকারি স্কলারশিপের ব্যবস্থাও রয়েছে।

    আরও পড়ুন: সাত দিন বিনামূল্যে চিকিৎসা, ৮ ঘণ্টার বেশি ড্রাইভিং নয়, পথ দুর্ঘটনা রুখতে সক্রিয় কেন্দ্র

    নারী ক্ষমতায়নে জোর সরকারের

    বিজ্ঞান-প্রযুক্তি-গবেষণা ক্ষেত্রে নারীদের (Indian Women) উপস্থিতি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। মহিলারা এখন মহাকাশ অণ্বেষণ, জৈবপ্রযুক্তি ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। ভারতের এই অর্জন বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মডেল হিসেবে কাজ করছে, যা নারী ক্ষমতায়ন এবং বৈজ্ঞানিক ও শিক্ষাক্ষেত্রে সমতার ক্ষেত্রে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে, ভারত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতার স্তরে উন্নীত হয়েছে। সেখানে নারী শক্তির ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Maldives Relation: উন্নতি হচ্ছে ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কের, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্যের আশ্বাস রাজনাথের

    India Maldives Relation: উন্নতি হচ্ছে ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কের, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্যের আশ্বাস রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় সাহায্য করতে ভারত প্রস্তুত। দ্বীপরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মহম্মদ ঘাসান মৌমুনকে এই মর্মে আশ্বস্ত (India Maldives Relation) করলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। সম্প্রতি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয় রাজনাথের সঙ্গে মলদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর। সেখানে দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা তাঁদের সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করেন।

    কী বলছে প্রতিরক্ষামন্ত্রক? (India Maldives Relation)

    প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, রাজনাথ মলদ্বীপের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির সক্ষমতা বাড়াতে ভারতের প্রস্তুতি ফের নিশ্চিত করেছেন, যা জাতীয় অগ্রাধিকার এবং ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতি এবং  ‘সিকিউরিটি অ্যান্ড গ্রোথ ফর অল ইন দ্য রিজিয়ন’ (সংক্ষেপে ‘সাগর’) দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রতিরক্ষা প্ল্যাটফর্ম ও সম্পদের ব্যবস্থা করে। প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদার করার সিদ্ধান্তটি গৃহীত হয়েছে প্রায় আট মাস পরে, যখন ভারতের সামরিক কর্মীদের মলদ্বীপ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট চিনপন্থী মহম্মদ মুইজ্জুর অনুরোধে প্রত্যাহার করা হয়েছিল সামরিক কর্মীদের। ২০২৩ সালের নভেম্বরে তিনি ক্ষমতায় আসার পর ভারত ও মলদ্বীপের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

    মুইজ্জুর চিন-প্রেম

    মুইজ্জু প্রশাসন মলদ্বীপে অবস্থানরত ৮৫ জনেরও বেশি ভারতীয় সামরিক কর্মীকে অপসারণের দাবি জানায়। এই সামরিক কর্মীরা সে দেশে একটি বিমান এবং দুটি হেলিকপ্টার পরিচালনার জন্য মোতায়েন ছিলেন। এই পদক্ষেপের পরে পরে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট চিনের দিকে বেশি করে ঝুঁকতে শুরু করেন। মলদ্বীপের ক্ষমতায় এসেই সে দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা প্রথমে ভারত সফরে আসেন। সেই রীতি ভেঙে মুইজ্জু চিন সফরে চলে যান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কটূক্তি করায় ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্ক (India Maldives Relation) আরও তলানিতে ঠেকে। পরে অবশ্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে জোর দেয় মলদ্বীপ প্রশাসন। তার পর এই হল দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বৈঠক। জানা গিয়েছে, দুই দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীরা তাঁদের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। ভারত-মলদ্বীপ বিস্তৃত অর্থনৈতিক ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার অংশীদারিত্বে তাঁদের অভিন্ন প্রতিশ্রুতিও ফের নিশ্চিত করেন।

    আরও পড়ুন: তিরুপতি মন্দিরে হুড়োহুড়ি, পদপিষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৬, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    রাজনাথের এহেন প্রতিশ্রুতির পর ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মৌমুন। ভারতকে তিনি মলদ্বীপের “প্রথম সাড়া প্রদানকারী” রাষ্ট্রের মর্যাদা দেন। মলদ্বীপের পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা কর্মীদের (Rajnath Singh) প্রশিক্ষণে সাহায্য করতে ভারতের ভূমিকার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি (India Maldives Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Nitin Gadkari: সাত দিন বিনামূল্যে চিকিৎসা, ৮ ঘণ্টার বেশি ড্রাইভিং নয়, পথ দুর্ঘটনা রুখতে সক্রিয় কেন্দ্র

    Nitin Gadkari: সাত দিন বিনামূল্যে চিকিৎসা, ৮ ঘণ্টার বেশি ড্রাইভিং নয়, পথ দুর্ঘটনা রুখতে সক্রিয় কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথ দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য নয়া প্রকল্প আনছে মোদি সরকার। আহতদের জন্য ‘নগদহীন চিকিৎসা’-র (Cashless Treatment Scheme) কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari)। তিনি জানান, পথ দুর্ঘটনায় আহতদের সাত দিনের চিকিৎসার জন্য দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ বহন করবে সরকার। শুধু তা-ই নয়, ধাক্কা মেরে পালানোর ঘটনায় মৃতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণও ঘোষণা করলেন গড়করি।

    কেন্দ্রের নয়া ঘোষণা

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) জানান, পথ দুর্ঘটনায় (Cashless Treatment Scheme) কেউ আহত হলে, এক সপ্তাহ তাঁর চিকিৎসা চালাবে কেন্দ্র। চিকিৎসার খরচবাবদ সর্বোচ্চ ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ করা হবে এই প্রকল্পের আওতায়। তবে আহত ব্যক্তির হাতে ওই টাকা দেওয়া হবে না। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশের কাছে পথ দুর্ঘটনার বিষয়ে জানানো হলে সরকার আহতদের চিকিৎসার খরচ বহন করবে। চিকিৎসা হবে ক্যাশলেস অর্থাৎ নগদহীন প্রক্রিয়ায়। চলতি বছরের মার্চ মাসের মধ্যেই নয়া এই প্রকল্পের সূচনা হবে বলে জানালেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী।

    কীভাবে কাজ করা হবে

    দুর্ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা (Cashless Treatment Scheme) পরিষেবা প্রদান সরকারের লক্ষ্য। তাই নয়া প্রকল্প আনা হচ্ছে। ন্যাশনাল হেলথ অথরিটি (NHA) এই প্রকল্প কার্যকর করবে। পুলিশ, হাসপাতাল এবং রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবে এই কেন্দ্রীয় সংস্থা। গোটা প্রকল্পটি প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালনা করা হবে। সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের কাছে দুর্ঘটনার রিপোর্ট থাকবে, থাকবে চিকিৎসা খাতে লেনদেনের তথ্যও। জাতীয় সড়ক থেকে হাইওয়ে, যে কোনও রাস্তায় মোটরযান দুর্ঘটনায় পড়লেই, আহতরা এই চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন বলে জানিয়েছেন নিতিন। 

    পরীক্ষামূলকভাবে চালু প্রকল্প

    অসম, চণ্ডীগড়, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, পুদুচেরি, হরিয়ানায় পরীক্ষামূলকভাবে সাফল্য পেয়েছে প্রকল্পটি (Cashless Treatment Scheme)। পরীক্ষামূলক ভাবে প্রকল্পটি কার্যকর করার পর এখনও পর্যন্ত ৬ হাজার ৮৪০ জন মানুষ উপকৃত হয়েছেন। এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন হলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা পরিষেবার মাধ্যমে বছরে ৫০ হাজার মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে বলে আশাবাদী নিতিন। মঙ্গলবার দিল্লির ভারত মণ্ডপমে রাজ্যগুলির সড়ক পরিবহণমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন গড়করি (Nitin Gadkari)। এই বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্কের উন্নতি এবং পরিবহণ সম্পর্কিত নীতিগুলি নিয়ে আলোচনা করা। সেই বৈঠকেই নতুন প্রকল্পের কথা জানান তিনি।

    কেন্দ্রের উদ্বেগ

    শুধু ২০২৪ সালেই দেশে পথ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার। পরিসংখ্যান উল্লেখ করে গড়করি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এ বিষয়ে গড়করি (Nitin Gadkari) জানান, গত এক বছরে শুধু হেলমেট না পরার কারণেই মৃত্যু হয়েছে ৩০ হাজার জনের। ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সিদের মধ্যেই এই দুর্ঘটনা বেশি ঘটেছে বলে দাবি গড়করির। পাশাপাশি, স্কুল ও কলেজের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রবেশ এবং প্রস্থানের জায়গাতেও অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। সঠিক পরিকল্পনার অভাবে পথ দুর্ঘটনায় ১০ হাজার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সংখ্যা কমানোর চেষ্টা করছে সরকার, এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: আত্মনির্ভর ভারত, এবার দেশেই প্যারাসিটামল উৎপাদন প্রযুক্তির উদ্ভাবন

    কেন্দ্রের আরও পরিকল্পনা

    নিতিন জানিয়েছেন, পথ দুর্ঘটনা রুখতে একাধিক পদক্ষেপ করছে সরকার (Modi Govt)। গাড়ির চালকদের যাতে বেশি ক্ষণ খাটতে না হয়, ক্লান্তি, অবসন্নতা যাতে তাঁদের কাবু করে না ফেলে, তার জন্যও নীতি নির্ধারণ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাঁদের দিয়ে আট ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালানো যাবে না। এর জন্য আধার নম্বর সম্বলিত নয়া প্রযুক্তি আনা হবে, যাতে চালকরা কত ঘণ্টা গাড়ি চালাচ্ছেন, তা বোঝা সম্ভব হবে। দুর্ঘটনাগ্রস্তদের প্রাণ বাঁচানোর ক্ষেত্রে পুরস্কারের অঙ্কও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন নিতিন। বর্তমানে দুর্ঘটনায় প্রাণ বাঁচানো ব্যক্তিকে ৫০০০ টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ পঞ্জাবে পরীক্ষামূলক ভাবে এই প্রকল্প কার্যকর করা হয়। আরও ছয় রাজ্যেও পরীক্ষানিরীক্ষা চলে। সব শেষে গোটা দেশের জন্য প্রকল্পটি কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tirupati Temple:  তিরুপতি মন্দিরে হুড়োহুড়ি, পদপিষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৬, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    Tirupati Temple: তিরুপতি মন্দিরে হুড়োহুড়ি, পদপিষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৬, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি মন্দিরে (Tirupati Temple) পদপিষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৬। গুরুতর আহতের সংখ্যা ১৫। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। আহতদের উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু। বৃহস্পতিবার আহতদের সঙ্গে দেখা করতে তিরুপতি যাচ্ছেন তিনি। 

    বৈকুণ্ঠদ্বার দর্শনের সুযোগ (Tirupati Temple)

    বৈকুণ্ঠ একাদশীর দিন বৈকুণ্ঠদ্বার দর্শনের সুযোগ পান ভক্তরা। তিরুপতি মন্দিরের বৈকুণ্ঠদ্বার দর্শনের জন্য আগে থেকে টিকিট কাটতে হয়। বুধবার সকাল থেকে ওই টিকিট জোগাড় করতে ভিড় করেন প্রচুর মানুষ। সন্ধ্যায় বৈরাগী পট্টিতা পার্কে টিকিট বিলির আগে কাউন্টারের সামনে অন্ততপক্ষে সাড়ে চার হাজার মানুষ ভিড় করেছিলেন। কাউন্টার খুলতেই শুরু হয়ে যায় টিকিট পেতে হুড়োহুড়ি। ভিড়ের চোটে মাটিতে পড়ে যান অন্তত ৬০ জন। অনেকে উঠে দাঁড়াতে পারলেও, পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় অন্তত ছজনের। মৃতের সংখ্যা আরও বড়তে পারে বলেই খবর। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। আহতদের উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর রামনারায়ণ রুইয়া হাসপাতালে (Tirupati Temple)।

    আরও পড়ুন: ক্ষমতার চিটে গুড়ে পা আটকে ইউনূসের! তাই কি ক্ষুব্ধ খালেদার বিএনপি?

    শোক প্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    ঘটনায় শোক জ্ঞাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, তিরুপতিতে পদদলিত হয়ে অনেক ভক্তের প্রাণহানির খবর শুনে আমি মর্মাহত। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির প্রতি আমার গভীর সমবেদনা জানাই এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।

    শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার রাতে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তরফে লেখা হয়েছে, ‘তিরুপতির (Tirupati Temple) ঘটনায় শোকাহত। নিহতদের পরিবারের পাশে আছি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার সব রকম সাহায্যের জন্য প্রস্তুত (Andhra Pradesh)।’

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “তিরুপতির ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত। নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানাই। মৃতদের আত্মা শান্তি পাক। এই ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা ভেবেই আমি হতবাক। আহতরা যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন এই প্রার্থনা করছি।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramlala: ৫০ হাজারের ‘স্পাই’ চশমায় লাগানো গোপন ক্যামেরা! রামলালার ছবি তুলে ধৃত যুবক

    Ramlala: ৫০ হাজারের ‘স্পাই’ চশমায় লাগানো গোপন ক্যামেরা! রামলালার ছবি তুলে ধৃত যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চশমায় গোপন ক্যামেরা লাগিয়ে রামলালার (Ramlala) ছবি তোলার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনা নজরে আসতেই অভিযুক্তকে আটক করে অযোধ্যা পুলিশ। পরে অবশ্য ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতেই রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রাণ প্রতিষ্ঠার বর্ষপূর্তি তিথি পড়েছে আগামী ১১ জানুয়ারি। ওই দিন রামলালার অভিষেক করবেন যোগী আদিত্যনাথ। এই আবহে সামনে এল গোপন ক্যামেরায় রামলালার (Ramlala) ছবি তোলার ঘটনা। অযোধ্যার (Ayodhya) এসপি সিকিউরিটি বলরামচারি দুবে জানিয়েছেন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন চশমাটির মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা।

    গর্ভগৃহের মধ্যে ক্যামেরার ফ্ল্যাশ লাইট জ্বলে ওঠে বারবার

    প্রসঙ্গত, রাম মন্দিরে (Ramlala) ঢোকার মুখে নিরাপত্তারক্ষীরা সকল দর্শনার্থীদের ওপর কড়া নজর রাখেন। সব চেকিং পয়েন্ট পার করে ঢুকতে হয় মূল মন্দিরে। অভিযুক্ত যুবকের চোখে ছিল সানগ্লাস। প্রাথমিকভাবে কেউই তাঁকে সন্দেহ করেনি। তবে এরপরেই নিরাপত্তারক্ষীরা লক্ষ্য করেন, গর্ভগৃহের মধ্যে ক্যামেরার ফ্ল্যাশ লাইট জ্বলে উঠছে বারবার। তখনই ওই যুবককে দেখে এক নিরাপত্তারক্ষীর সন্দেহ হয়। তৎক্ষণাৎ তাঁকে আটক করে বাজেয়াপ্ত করা হয় ‘স্পাই’ চশমাটি। খতিয়ে দেখার পর জানা গিয়েছে, চশমার মধ্যেই ছিল গোপন ক্যামেরা। প্রসঙ্গত, মন্দিরের নিয়ম অনুযায়ী, গর্ভগৃহের ছবি কেউই তুলতে পারবেন না।

    গুজরাটের ভাদোদরার বাসিন্দা ওই যুবকের নাম জানি জয়কুমার

    জানা গিয়েছে, গুজরাটের ভাদোদরার বাসিন্দা ওই যুবকের নাম জানি জয়কুমার। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। সোমবার বিকেল ৩টে নাগাদ মন্দিরের সিংহদুয়ারের ভিতরে তিনি প্রবেশ করেন বলে জানা যায়। অভিযোগ, সেই সময় অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি চশমার গোপন ক্যামেরা (Ramlala) দিয়ে বালক রামের ছবি তোলেন তিনি। পুলিশ এসে অভিযুক্তকে আটক করে। তল্লাশি চালানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গোপন ক্যামেরার সাহায্যে রামলালার বেশ কয়েকটি ছবি তুলেছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: “নৈরাজ্যের স্পষ্ট প্রদর্শন”, আম আদমি পার্টিকে নিশানা বিজেপির

    BJP: “নৈরাজ্যের স্পষ্ট প্রদর্শন”, আম আদমি পার্টিকে নিশানা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নৈরাজ্যের স্পষ্ট প্রদর্শন।” ঠিক এই ভাষায়ই আপকে (AAP) আক্রমণ শানাল বিজেপি (BJP)। বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে মোতায়েন থাকা দিল্লি পুলিশের কর্মীদের সঙ্গে আপ নেতাদের সংঘাত হয়। সেই সংঘাতকেই নৈরাজ্যের স্পষ্ট প্রদর্শন আখ্যা দিয়েছে বিজেপি।

    পদ্ম সাংসদের বাক্য-বাণ (BJP)

    পদ্ম সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “দুর্নীতির স্মৃতিস্তম্ভের বাস্তবতা মানুষের সামনে আসছে। আজ যা ঘটছে এবং আপ সংসদ সদস্য সঞ্জয় সিং ও দিল্লির মন্ত্রী সৌরভ ভরদ্বাজ যেভাবে নিজেদের চরিত্র প্রদর্শন করছেন, তাঁরা যতই চেষ্টা করুন না কেন, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দুর্নীতির জাদুঘর, ‘শিশমহল’, বাঁচাতে পারবে না।” তিনি বলেন, “আজ তাঁরা যা করেছেন, তা সম্পূর্ণ অরাজকতার প্রকাশ।”

    ‘শিশমহল’-এর দাবির বিরোধিতা

    দিল্লির মন্ত্রী সৌরভ ভরদ্বাজ ও রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং বিজেপির ‘শিশমহল’-এর দাবির বিরোধিতা করতে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের দিকে মিছিল করেছিলেন এদিন। পুলিশ কর্মীরা তাঁদের বাসভবনে প্রবেশ করতে বাধা দেন। ভরদ্বাজ বলেন, “আমরা এখানে এসেছি ‘তোমার বাড়ি, আমার বাড়ি’ বিতর্কে যবনিকা টানতে। আমরা বলেছিলাম যে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন এবং মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন উভয়ই মানুষকে দেখানো উচিত। তাই, আমরা এখানে এসেছি।” পুলিশ প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে ধর্নায় বসেন ভরদ্বাজরা। পরে তাঁরা বাগানবাড়ির বাইরে মোতায়েন করা পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। ত্রিবেদী বলেন, “আজ আপ যা করেছে তা তাদের দায়িত্বজ্ঞানহীন, উন্মাদ এবং অরাজক আচরণের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।”

    আরও পড়ুন: ক্ষমতার চিটে গুড়ে পা আটকে ইউনূসের! তাই কি ক্ষুব্ধ খালেদার বিএনপি?

    দিল্লি বিজেপির (BJP) প্রধান বীরেন্দ্র সচদেবা সঞ্জয় ও সৌরভকে নিশানা করে বলেন, “আপ নেতারা নাটক করছেন। শিসমহল নির্মাণে হওয়া দুর্নীতি ও অনিয়ম থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা করছেন। কেন তাঁরা আগেই শিসমহল দেখানোর কথা ভাবেননি? এখন প্রশাসন যখন আদর্শ আচরণবিধি লাগু করেছে, তখন সেখানে যাওয়ার জন্য জোর দিচ্ছেন?” প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার সময় ৪০ কোটি টাকা খরচ করে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনটি সংস্কার করিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাকে শিসমহল বলে কটাক্ষ করেছেন (AAP) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্বয়ং (BJP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share