Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Cow Dung: গোবর থেকে তৈরি হচ্ছে ত্বক-বান্ধব রং, ভয় ছাড়াই মাতুন হোলিতে

    Cow Dung: গোবর থেকে তৈরি হচ্ছে ত্বক-বান্ধব রং, ভয় ছাড়াই মাতুন হোলিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই দোল উৎসব। রংয়ের এই উৎসবে শামিল হয়ে অনেকেই আক্রান্ত হন ত্বকের রোগে। মাত্রাতিরিক্ত কেমিক্যাল মেশানোর ফলেই অনেকেই স্কিন ডিজিজে ভোগেন। তবে এবার স্কিন ডিজিজের ভয় ছাড়াই (Cow Dung) মাততে পারবেন রংয়ের উৎসবে (Uttar Pradesh)। আজ আপনাদের শোনাব সেই গল্পই।

    গোবর থেকে গুলাল (Cow Dung)

    উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে রয়েছে শ্রী শাকম্ভরী কানহা উপভন গোশালা। এবাই গোবর থেকে গুলাল তৈরি করেছে। এই রং ব্যবহার করলেও চামড়ার কোনও ক্ষতি হবে না। গোশালা কর্তৃপক্ষ এই রং পাঠাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে।

    প্রাকৃতিক গোবর গুলাল’

    পুর নিগমের দাবি, এটি রাজ্যের প্রথম গোশালা যেখানে ‘প্রাকৃতিক গোবর গুলাল’ তৈরি করে এমন একটি অনন্য পরীক্ষা চালানো হয়েছে। মিউনিসিপ্যাল কমিশনার সঞ্জয় চৌহানের তত্ত্বাবধানে এই গুলাল তৈরি করা হয়েছে। গোবর থেকে তৈরি এই গুলাল হোলিতে সিন্থেটিক রঙের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে মানুষকে রক্ষা করবে। রাজ্যের নগর উন্নয়ন মন্ত্রী এ কে শর্মাকেও এই গুলাল পাঠানো হবে বলে জানান কর্মকর্তারা। চৌহান জানান, শ্রী শাকম্ভরী কানহা উপভন গোশালা একটি আইএসও সার্টিফাইড প্রতিষ্ঠান, যা দেশজুড়ে তার নতুন নতুন পরীক্ষার জন্য পরিচিত। গোবর থেকে তৈরি বিভিন্ন পণ্যের পাশাপাশি এখানে পরিবেশবান্ধব রংও তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেন, “কানহা উপভন গোশালা রাজ্যের প্রথম গোশালা যেখানে গোবর থেকে গুলাল প্রস্তুত করা হয়েছে (Cow Dung)।”

    গৌশালা চিফ ইঞ্জিনিয়ার (নির্মাণ) বিকে সিং জানান, “গৌশালায় প্রস্তুত গুলালে গোময় গুঁড়ো, অ্যারারুট, সুগন্ধি, ফলের রঙ, বিটরুট, পালং শাক এবং হলুদের মতো প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে কোনও রাসায়নিক নেই, তিনি জানিয়েছেন, এটি একটি উচ্চমানের প্রাকৃতিক গুলাল। সিং জানান, প্রাকৃতিক গোময় গুলাল চারটি রঙে প্রস্তুত করা হচ্ছে — গোলাপি, সবুজ, হলুদ এবং নীল। গৌশালার দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং কর্পোরেশনের ভেটেরিনারি ওয়েলফেয়ার অফিসার ডঃ সন্দীপ মিশ্র জানান, এই গুলাল ব্যবহারে ত্বকের কোনও ক্ষতি হবে না (Uttar Pradesh)। এই গুলাল পুরসভার স্টল, বাজার এবং অনলাইনেও পাওয়া যাবে। গুলাল মিলবে ১০০ গ্রাম, ২৫০ গ্রাম এবং ৫০০ গ্রামের প্যাকেটে (Cow Dung)।

  • Haryana: হরিয়ানার খুন ২২ বছরের মহিলা কংগ্রেস কর্মী, ‘দলের লোকেরাই করেছে’, দাবি নিহতের মায়ের

    Haryana: হরিয়ানার খুন ২২ বছরের মহিলা কংগ্রেস কর্মী, ‘দলের লোকেরাই করেছে’, দাবি নিহতের মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানায় (Haryana) খুন ২২ বছরের মহিলা কংগ্রেস কর্মী। গতকাল শনিবার রোহতক-দিল্লি হাইওয়ের সাম্পলা বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি স্যুটকেসে ওই মহিলার দেহ উদ্ধার হয়। এই মৃত্যু নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন নিহতের মা। তাঁর দাবি, দলের লোকেরাই এই কাজ করেছে। জানা যায়, মৃত মহিলা হরিয়ানা সোনিপতের কাঠুরা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর নাম হিমানী নারওয়াল। কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রায় অংশ নিতেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এর পাশাপাশি রোহতকের সাংসদ দীপেন্দর হুডার সঙ্গেও নানা অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা গিয়েছে। কংগ্রেসের বিভিন্ন সমাবেশ এবং সামাজিক অনুষ্ঠানে হরিয়ানার লোকশিল্পীদের সঙ্গে পারফর্ম করতেও দেখা যেত হিমানীকে।

    কী বলছেন নিহতের মা (Haryana)?

    নিহতের মা সবিতা নারওয়াল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘মেয়ের সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল গত ২৭ ফেব্রুয়ারি। আমার মেয়ে কংগ্রেসের জন্য অনেক আত্মত্যাগ স্বীকার করেছে। দলের সদস্যরা আমাদের বাড়িতে প্রায়ই আসতেন। দলের কিছু লোক এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে, কারণ হিমানির দ্রুত উত্থানে তারা ভীত ছিল।’’

    পরিত্যক্ত একটি স্যুটকেস লক্ষ্য করেন বেশ কয়েকজন বাসযাত্রী

    রিপোর্ট অনুযায়ী, হরিয়ানার (Haryana) সাম্পলা বাসস্ট্যান্ড থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে পরিত্যক্ত একটি স্যুটকেস লক্ষ্য করেন বেশ কয়েকজন যাত্রী। তখনই বিষয়টি জানানো হয় পুলিশকে। রোহতক পুলিশের অন্যতম কর্তা সানি লৌরা বলেন, ‘‘স্যুটকেস খোলার পরেই কর্মকর্তারা হিমানী নারওয়ালের দেহটি দেখতে পান। তাঁর গলায় আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট ছিল। যা থেকে বোঝা যায় যে তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।’’

    সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে (Haryana)

    অন্যদিকে সাম্পলা থানার এসএইচও বিজেন্দর সিং সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রমাণ সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে ফরেনসিক দলকে ডাকা হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের ধারণা, তাঁর লাশ স্যুটকেসে ভরে এখানে ফেলে দেওয়ার আগে তাঁকে অন্যত্র হত্যা করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে, কখন স্যুটকেসটি ঘটনাস্থলে ফেলে রাখা হয়েছিল।’’

  • AAP: ভাড়া চাইলেই খুনের হুমকি, আপের অফিসে তালা ঝোলালেন বাড়ির মালিক

    AAP: ভাড়া চাইলেই খুনের হুমকি, আপের অফিসে তালা ঝোলালেন বাড়ির মালিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টিটা (AAP) কি উঠেই যাবে এবার? এমনই প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে (Bhopal)। প্রশ্ন ওঠার একাধিক কারণও রয়েছে। এর এক নম্বর কারণ যদি হয় দিল্লিতে দলের গোহারা হার, তবে দু’নম্বর কারণ পঞ্জাবে দলের টালমাটাল পরিস্থিতি। এমতাবস্থায় মধ্যপ্রদেশের ভোপালে আবার কেজরিওয়ালের দলের অফিস সিল করে দেওয়ার মতো বিষফোঁড়াও রয়েছে।

    অফিসের দরজায় মোটা তালা (AAP)

    ঘটনাটি তবে খুলেই বলা যাক। ভোপালের সুবাস নগর এলাকায় রয়েছে আম আদমি পার্টির অফিস। যে বাড়িতে অফিসটি রয়েছে, সেটি ভাড়া বাড়ি। বাড়ির মালিক মঙ্গলানি। জানা গিয়েছে, এই বাড়িরই ভাড়া মেটায়নি দল। দেওয়া হয়নি বিদ্যুতের বিলও। তাই অফিসের দরজায় মোটা একটা তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন বাড়ির মালিক। বাড়ির মালিকের অভিযোগ, পার্টির সদস্যরা বারবার ভাড়া ও বিল দেওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিচ্ছিলেন। তাঁকে না জানিয়ে গোপনে অফিস থেকে কিছু জিনিসপত্রও নিয়ে চলে গিয়েছেন পার্টির লোকজন।

    বাড়ির মালিকের পাওনা

    তাঁর দাবি, তিন মাসের বাড়ি ভাড়া বাবদ ৬০ হাজার টাকা এখনও পাওনা তাঁর (AAP)। বাকি রয়েছে বিদ্যুতের বিলও। ছ’মাসের বিদ্যুৎ বিল বাবদ পার্টির কাছে বাড়ির মালিকের পাওনা ১৩ হাজার টাকা। তিনি বলেন, “চার-পাঁচ মাস আগে আমার বাড়িটা লিজে নিয়েছিল আম আদমি পার্টি। তার পর থেকে অনেক কষ্টে তারা মাত্র দু’মাসের ভাড়া দিয়েছে। বকেয়া রয়েছে তিন মাসের ভাড়া। তারা রাতে চোরের মতো এসে আমার অনুমতি ছাড়াই সব জিনিসপত্র নিয়ে চলে যাচ্ছে।”

    তাঁর অভিযোগ, “ফোন করে বকেয়া ভাড়া চাইলেই আমাকে তারা হুমকি দেয়।” তিনি বলেন, “আমি আইনত সঠিক অবস্থানেই রয়েছি। আমি কোনও ভুল করিনি। ভাড়ার জন্য ফোন করলেই তারা আমাকে হুমকি দেয়। আমাকে বলেই তারা বাড়ি খালি করে দেবে বলেও আশ্বাস দেয়।” তিনি বলেন, “তারা কেজরিওয়ালের নাম করেই আমাকে ভয় দেখায়। তারা বলে, সরকার কাউকে হত্যা করতে পারে। আর সেটা (Bhopal) কেউ জানতেও পারবে না।” স্থানীয় থানায় এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করেছেন বাড়ির মালিক (AAP)।

  • UP Health Minister: মহাকুম্ভের স্নানে চর্মরোগের গুজব! প্রতিক্রিয়া দিলেন যোগী সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    UP Health Minister: মহাকুম্ভের স্নানে চর্মরোগের গুজব! প্রতিক্রিয়া দিলেন যোগী সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভের (Mahakumbh) স্নানে নাকি ছড়াচ্ছে চর্মরোগ! এমনই গুজব রটানো হয়। এনিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানালেন উত্তরপ্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী (UP Health Minister) তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক। শনিবারই এক সাংবাদিক সম্মেলনে ব্রজেশ পাঠক জানান, মহাকুম্ভ চলাকালীন পবিত্র সঙ্গমে স্নান করার পর একজনও ব্যক্তির চর্মরোগের খবর পাওয়া যায়নি।

    শনিবারই লখনউতে একটি অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন পাঠক

    শনিবারই লখনউতে একটি বেসরকারি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ব্রজেশ পাঠক (UP Health Minister)। সেখানেই তিনি সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব সহ বিরোধী নেতাদের উদ্দেশে এই মন্তব্য করেন। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি অখিলেশ যাদব মন্তব্য করেছিলেন সঙ্গমে স্নান করার পর বেশ কয়েকজন তীর্থযাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এনিয়েই ব্রজেশ পাঠক বলেন, ‘‘অনেক সংখ্যক তীর্থযাত্রী হাজির হয়েছিলেন কিন্তু চর্মরোগের কোনও ঘটনা ঘটেনি।’’ গঙ্গার জল যে সম্পূর্ণভাবে বিশুদ্ধ তাও জোর দিয়ে বলেন পাঠক (UP Health Minister)।

    মহাকুম্ভের সাংস্কৃতিক তাৎপর্য

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী (UP Health Minister) মহাকুম্ভের সাংস্কৃতিক তাৎপর্যের উল্লেখ করে বলেন,  ‘‘ভারত এবং ভারতীয়ত্ববোধের একটি বিশ্বব্যাপী প্রতীক হল মহাকুম্ভ। এই উৎসব ধনী শিল্পপতি থেকে শুরু করে গ্রামবাসী পর্যন্ত সকল স্তরের মানুষকে একত্রিত করতে পেরেছে। কোনও ভেদাভেদ ছাড়াই।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমাদের হিন্দু সংস্কৃতিতে মানুষকে শ্রেষ্ঠ বলে মনে করা হয়, এমনকি প্রাণী এবং গাছকেও আমাদের পরিবারের অংশ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। সমগ্র সৃষ্টি আমাদের পরিবার, এবং এটিই সনাতনের সারমর্ম।’’

    ৬৬ কোটি ভক্তের অংশগ্রহণে মহাকুম্ভ গড়ল নয়া ইতিহাস, জেনে নিন খুঁটিনাটি

    – মহাকুম্ভ নগর তৈরি করা হয়েছিল ৪,০০০ হেক্টর অঞ্চলজুড়ে।
    – এর পাশাপাশি মহাকুম্ভকে ভাগ করা হয়েছিল ২৫টি সেক্টরে।
    – শুধু তাই নয় ১২ কিমি জুড়ে তৈরি করা হয়েছিল শুধু স্নানের ঘাট।
    – ১,৮৫০ হেক্টর জায়গা জুড়ে তৈরি ছিল গাড়ি পার্কিং-এর ব্যবস্থা।
    – এর পাশাপাশি মহাকুম্ভ নগরীজুড়ে ছিল ৬৭ হাজার স্ট্রিট লাইট।
    – দেড় লাখেরও বেশি টয়লেট গড়ে তোলা হয়েছিল।
    – ২৫ হাজারেরও বেশি অস্থায়ী আবাস তৈরি করা হয়েছিল মানুষজনের থাকার জন্য।

  • Mahakumbh: মহাকুম্ভ গতি বাড়িয়েছে আধ্যাত্মিক পর্যটনের, ভক্তদের সুবিধায় যোগী সরকার গড়ছে ৫ করিডর

    Mahakumbh: মহাকুম্ভ গতি বাড়িয়েছে আধ্যাত্মিক পর্যটনের, ভক্তদের সুবিধায় যোগী সরকার গড়ছে ৫ করিডর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভ (Mahakumbh) ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে যোগী রাজ্যের আধ্যাত্মিক পর্যটনকে। বিশ্বের বৃহত্তম উৎসবের কারণে আধ্যাত্মিক পর্যটনের মানচিত্রে উত্তরপ্রদেশ একেবারে শীর্ষস্থানে পৌঁছে গিয়েছে বলে খবর। ১৪৪ বছর পরে মহাকুম্ভ অনুষ্ঠিত হয় ২০২৫ সালে। শুরু হয় গত ১৩ জানুয়ারি, সম্পন্ন হয় ২৬ ফেব্রুয়ারি মহা শিবরাত্রির দিন। এই আবহে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার পাঁচটি আধ্যাত্মিক করিডরকে গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। যার ফলে রাজ্যের আধ্যাত্মিক পর্যটন আরও নতুন মাত্রা পাবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এই করিডর গুলির মাধ্যমে যোগী রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থানগুলি দর্শন করা যাবে।

    ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রয়াগরাজ সফর করেন যোগী

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রয়াগরাজ পরিদর্শন করেন উত্তরপ্রদেশের (Mahakumbh) মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেখানেই তিনি পুলিশকর্মী, সাফাই কর্মী, স্বাস্থ্যকর্মী, নৌকোর মাঝি, সাংবাদিক এবং পরিবহণ বিভাগকে কৃতজ্ঞতা জানান। মহাকুম্ভকে (Mahakumbh) সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য। সেখানেই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ৫ আধ্যাত্মিক করিডরের কথা বলেন।

    এই পাঁচটি করিডর কোনগুলি (Spiritual Tourism)

    প্রয়াগরাজ-বিন্ধ্যাঞ্চল-কাশী করিডর

    এই করিডরের মাধ্যমে ভক্তরা প্রয়াগরাজ থেকে বিন্ধ্যাঞ্চলে দেবী ধাম এবং তারপরে কাশীর বিশ্বনাথ ধাম পর্যন্ত সফর করতে পারবেন। এটি একটি উল্লেখযোগ্য করিডর। কারণ এখানে শক্তি এবং শিব এই দুটি তীর্থ সম্পন্ন হবে।

    প্রয়াগরাজ-অযোধ্যা-গোরক্ষপুর করিডর

    এই করিডরের মাধ্যমে ভক্তরা অযোধ্যার রাম মন্দির থেকে গোরক্ষপুর ধাম পর্যন্ত সফর করতে পারবেন। মাঝখানে (Spiritual Tourism) তাঁরা ত্রিবেণী সঙ্গমে পবিত্র ডুবও দিতে পারবেন।

    প্রয়াগরাজ-লখনৌ-নৈমিষারণ্য করিডর

    এই করিডরের মাধ্যমে ভক্তরা প্রয়াগরাজ থেকে নৈমিষারণ্য পর্যন্ত যেতে পারবেন ভায়া লখনউ হয়ে। প্রসঙ্গত, নৈমিষারণ্য ভারতবর্ষের ৮৮টি পবিত্র তীর্থস্থানের মধ্যে অন্যতম। এই তীর্থস্থানের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে হিন্দু ধর্মের ভগবান ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর এবং দেবী সতীর কাহিনী।

    প্রয়াগরাজ-রাজাপুর-চিত্রকূট করিডর

    এই করিডরের মাধ্যমে ভক্তরা তুলসী দাসের জন্মভূমি রাজাপুর থেকে চিত্রকূট ধাম পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবেন। প্রসঙ্গত, গোস্বামী তুলসীদাস রামচরিত মানস সহ একাধিক হিন্দু শাস্ত্রের রচয়িতা।

    প্রয়াগরাজ-মথুরা-বৃন্দাবন-শুক করিডর (ভায়া বুন্দেলখণ্ড এক্সপ্রেসওয়ে)

    এই করিডরের মাধ্যমে ভক্তরা বুন্দেলখণ্ড এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে মথুরা বৃন্দাবন সহ শুক তীর্থ দর্শন করতে পারেন। প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশে শুক তীর্থ বিখ্যাত হয়ে রয়েছে মহর্ষি শুক্রাচার্যের ভূমি হিসেবে। অন্যদিকে শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে সম্পর্কিত স্থান হল মথুরা ও বৃন্দাবন।

  • BJP: বিজেপিতে নাড্ডার উত্তরসূরী কে? জাতীয় সভাপতি পদে ‘দক্ষিণের সুষমা স্বরাজ’!

    BJP: বিজেপিতে নাড্ডার উত্তরসূরী কে? জাতীয় সভাপতি পদে ‘দক্ষিণের সুষমা স্বরাজ’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিতে (BJP) শেষ হতে চলেছে নাড্ডা জমানা। চলতি মাসের ১৫ বা ১৬ তারিখে ঘোষণা হতে পারে পদ্ম-পার্টির নয়া জাতীয় সভাপতির নাম। নাড্ডার উত্তরসূরি (New President) কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনার অন্ত নেই। জানা গিয়েছে, এবার কোনও পুরুষ নন, বিজেপির জাতীয় সভাপতি হতে পারেন কোনও মহিলা।

    দৌড়ে দুই মহিলা (BJP)

    গেরুয়া শিবিরের এক শীর্ষ কর্তার কথায়, “যা প্রত্যাশিত, পার্টি এই শীর্ষ পদে একজন মহিলাকে নিয়োগ করতে চায়। দক্ষিণ ভারত থেকেই কাউকে বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এতে দক্ষিণী রাজ্যগুলির জনগণের কাছে শক্তিশালী সাংগঠনিক বার্তা দেওয়া যাবে।” যদি দক্ষিণ ভারত থেকে কোনও মহিলাকে বেছে নেওয়া হয় জাতীয় সভাপতি পদে, তাহলে ওই পদে বসতে পারেন অন্ধ্রপ্রদেশ বিজেপি প্রধান দগ্গুবতী পুরন্দেশ্বরী। বিজেপির মহিলা মোর্চার জাতীয় সভাপতি তথা কোয়েম্বাটুরের বিধায়ক বনাথি শ্রীনিবাসনও রয়েছেন জাতীয় সভাপতি পদের দৌড়ে।

    দায়িত্ব সামলাচ্ছেন নাড্ডা

    জাতীয় সভাপতি পদে নাড্ডার মেয়াদ শেষ হয়েছে আগেই। তার পরেও দলের দায়িত্বভার সামলাচ্ছেন তিনি। বিজেপির সাংগঠনিক নিয়মবিধি অনুযায়ী, যতক্ষণ না পর্যন্ত তাদের রাজ্য সভাপতি নির্বাচনের কাজ শেষ হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচনের কাজে হাত দেওয়া যাবে না। জানা গিয়েছে, দেশের অন্তত ৫০ শতাংশ রাজ্যে সভাপতি নির্বাচনের পরেই ঘোষণা করা হবে সর্বভারতীয় সভাপতির নাম। পার্টি সূত্রে খবর, জেপি নাড্ডার উত্তরসূরি বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত অভ্যন্তরীণ ঐক্যমত্য গড়ে তুলেই নেওয়া হবে।

    পদ্ম-পার্টি (BJP) সূত্রে খবর, জাতীয় সভাপতি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন পুরন্দেশ্বরী। বছর ছেষট্টির পুরন্দেশ্বরী ২০১৪ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি অন্ধ্রপ্রদেশ বিজেপির প্রধান। তিনি ‘দক্ষিণের সুষমা স্বরাজ’ নামে পরিচিত। তিনি বাগ্মী। পাঁচটি ভাষায় সাবলীলভাবে বক্তৃতা দিতে পারেন তিনি। বিজেপির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতাও তুঙ্গে।

    দৌড়ে রয়েছেন বনাথি শ্রীনিবাসনও। বিজেপির এক নেতার কথায়, “তাঁর নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি জনসংযোগ কর্মসূচি সফল হয়েছে। তিনি দলের কৌশলবিদও। তাঁর ওপর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।” বিজেপির এক প্রবীণ নেতার কথায়, যদি কোনও মহিলা প্রার্থী জাতীয় সভাপতি পদে নির্বাচিত না হন, তাহলে (New President) দৌড়ে রয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, ভূপেন্দ্র যাদব এবং বিনোদ তাওড়ে। তবে ঠিক কে হবেন নাড্ডার উত্তরসূরি, তা জানা যাবে আর সপ্তাহ দুয়েক পরেই (BJP)।

  • PM Modi: “ভারতকে জানতে চায় বিশ্ব, খবর তৈরি করার প্রয়োজন নেই”, বললেন মোদি

    PM Modi: “ভারতকে জানতে চায় বিশ্ব, খবর তৈরি করার প্রয়োজন নেই”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতকে জানতে চায় বিশ্ব। সারা বিশ্ব থেকে মানুষ ভারতে আসতে আগ্রহী।” শনিবার এনএক্সটি কনক্লেভ ২০২৫-এ ভাষণ দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “আজ ভারত এমন একটি দেশ, যেখানে প্রতিদিন ইতিবাচক খবর তৈরি হয় – এটি আলাদা করে তৈরি করার কোনও প্রয়োজন নেই।” ভারতের বৃহৎ পরিসরের অনুষ্ঠানগুলিকে দক্ষতার সঙ্গে আয়োজন করার ওপরও জোর দেন তিনি। মহাকুম্ভের মতো অনুষ্ঠানের উল্লেখ করে তিনি বলেন, “প্রতিদিন নতুন নতুন খবর গড়া হচ্ছে। তাই ভারতের খবর তৈরি করার প্রয়োজন নেই (NXT Conclave 2025)।”

    বিশ্ব বিস্মিত (PM Modi)

    ২৬ ফেব্রুয়ারি ছিল মহা শিবরাত্রি। এদিন প্রয়াগরাজের পূর্ণকুম্ভে অমৃতস্নান করেন কয়েক কোটি ভক্ত। সে প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কীভাবে কোটি কোটি মানুষ নদীর তীরে একটি অস্থায়ী শহরে একত্রিত হয়ে পবিত্র স্নান করেন, তা দেখে বিশ্ব বিস্মিত। এটি ভারতের সংগঠনের দক্ষতা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতার পরিচয় বহন করে।” প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ শুরু হয়েছিল গত ১৩ জানুয়ারি। শেষ হয়েছে ২৬ ফেব্রুয়ারি, মহা শিবরাত্রির দিন। গঙ্গা-যমুনা ও সরস্বতীর ত্রিবেণী সঙ্গমে সব মিলিয়ে স্নান করেছেন ৬৬.২১ কোটি পুণ্যার্থী।

    এআই নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী প্রধানমন্ত্রীর

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অর্থনীতিতে ভারতের বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান প্রভাবের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত এআই সম্মেলনের সহ-আয়োজক ছিল (PM Modi)। এটি ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এখন পরবর্তী এআই সম্মেলন আয়োজক হিসেবে ভারতের পালা। এআইয়ের মাধ্যমে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কৃষি খাতে বিপ্লব ঘটিয়ে লাখ লাখ মানুষের জীবন বদলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

    তিনি বলেন, “ভারত এখন সেমিকন্ডাক্টর এবং এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ার তৈরি করছে এবং এর সুপারফুড যেমন মাখানা এবং শ্রীঅন্ন (মিলেট), আয়ুষ পণ্য এবং যোগ সারা বিশ্বে গ্রহণ করা হচ্ছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত এখন প্রধান অটোমোবাইল উৎপাদক দেশ হিসেবেও উঠে এসেছে। এর প্রতিরক্ষা রফতানি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।” তিনি বলেন, “ভারত যেমন আছে, তাকে তেমনভাবেই উপস্থাপন করা উচিত, কোনও রং ছাড়াই (NXT Conclave 2025)। এর কোনও সাজসজ্জার প্রয়োজন নেই। এই দেশের প্রকৃত গল্পগুলো তামাম বিশ্বে পৌঁছানো উচিত (PM Modi)।”

  • Amit Shah: দিল্লিতে অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান, বিশেষ নির্দেশ শাহের

    Amit Shah: দিল্লিতে অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান, বিশেষ নির্দেশ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে দিল্লিতে অবৈধ বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা অভিবাসীদের চিহ্নিত করে তাদের দেশ থেকে বহিষ্কার করার নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। রাজধানীতে আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এই কঠোর পদক্ষেপের কথা জানান শাহ। দিল্লিতে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তটি গৃহীত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নবনির্বাচিত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত, দিল্লির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশিস সুত, দিল্লি পুলিশের কমিশনার সঞ্জয় আরোরা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (MHA) উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

    দিল্লিতে অনুপ্রবেশ রুখতে শাহ-নামা

    বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তাদের মতে, অমিত শাহ স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন যে দিল্লিতে অবৈধ বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা অভিবাসীদের অনুপ্রবেশ, ডকুমেন্টেশন এবং বসবাসের নেটওয়ার্কটি অবিলম্বে ভেঙে ফেলা উচিত। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘অবৈধ অনুপ্রবেশ জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। এটি কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে। শহরে অবৈধ অভিবাসীদের চিহ্নিত করে তাদের বহিষ্কার করা উচিত।’’ তিনি আরও বলেন যে, ‘‘উপর থেকে নীচ পর্যন্ত একটি পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে, যাতে অবৈধ বসবাসের সমস্যা সমাধান করা যায়।’’ তিনি এই অভিযানে শুধুমাত্র অভিবাসীদের নয়, বরং যারা তাদের অবৈধ বসবাসে সহায়তা করেছে, তাদেরও কঠোর শাস্তি দেওয়ার কথা বলেন। দালালি, ভুয়া ডকুমেন্ট তৈরি বা সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, বলে জানান শাহ।

    দ্রুত গতিতে কাজ

    এই বৈঠকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত উপস্থিত ছিলেন, যিনি ফেব্রুয়ারি ২০ তারিখে দিল্লির চতুর্থ মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। অমিত শাহ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সরকারের “ডবল গতিতে” কাজ করার কথা বলেন তিনি। দিল্লিতে অবৈধ অভিবাসী, অপরাধমূলক গ্যাং এবং প্রশাসনিক অদক্ষতা দূর করতে একযোগভাবে কাজ করার কথাও বলেন। রেখার কথায়, ‘‘দিল্লির জনগণ যেন নিশ্চিন্ত থাকে যে নতুন সরকার অবৈধ বসবাসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে। ডাবল ইঞ্জিন সরকার ডাবল গতিতে কাজ করবে।’’

    অবৈধ অভিবাসন রুখতে সক্রিয় পুলিশ

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) দিল্লি পুলিশের কাছে আন্তঃরাজ্য গ্যাংগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘‘রাস্তায় অপরাধ মানুষের নিরাপত্তার অনুভূতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলে। দিল্লি পুলিশকে এই গ্যাংগুলো নির্মূল করতে কোনও অনুরোধের সুযোগ ছাড়াই কাজ করতে হবে।’’ দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, বর্তমানে এমন কিছু কলোনি চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশী এবং রোহিঙ্গা জনগণের সংখ্যা বেশি। সেখানকার একটি বিস্তারিত নিরীক্ষণ চলছে এবং অবৈধ বাসিন্দাদের উৎখাত করা হবে।

    অবৈধ অভিবাসী খুঁজতে অভিযান

    ইতিমধ্যে বেশ কয়েক জন অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীকে পাকড়াও করেছে দিল্লি পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে বেশ কয়েক জনকে এ দেশ থেকে বিতাড়নের প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে। দিল্লির কোথায় কত অভিবাসী অবৈধ ভাবে বসবাস করছেন, তার খোঁজে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। ডিসেম্বর থেকে লাগাতার সেই অভিযান চলছে। স্থানীয় থানাগুলির পুলিশকর্মী এবং অন্য আধিকারিকদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে একটি বিশেষ দলও। বিভিন্ন বস্তি এলাকা এবং শ্রমিক কলোনিতে ঘুরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে সেই দল। সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, দিল্লিতে প্রায় ১৭৫ জন বাংলাদেশিকে অবৈধ অভিবাসী সন্দেহে চিহ্নিত করেছে পুলিশ।

    মহারাষ্ট্রেও অভিযান

    শুধু দিল্লিতেই নয়, মহারাষ্ট্র থেকেও সম্প্রতি অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীরা ধরা পড়েছেন। তাঁদের থেকে পাওয়া গিয়েছে জাল নথিপত্র। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের বেশির ভাগই ভুয়ো আধার কার্ড ব্যবহার করে এ দেশে থাকতে শুরু করেছিলেন। কেউ অবৈধ ভাবে সীমান্ত পার করে এ দেশে এসেছেন, আবার কেউ অন্য কোনও উপায়ে ভারতে এসেছেন। তবে পুলিশি অভিযানে তাঁদের কারও থেকেই ভারতে থাকার কোনও বৈধ নথি পাওয়া যায়নি। ধৃতদের মধ্যে অনেকেও এ দেশে জাল নথি দেখিয়ে ভুয়ো পরিচয়ে শ্রমিকের কাজে বা অন্য কোনও কাজে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁদের পাকড়াও করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর কাজ শুরু করেছে পুলিশ।

    দিল্লি পুলিশকে শাহি নির্দেশ

    অমিত শাহ দিল্লি পুলিশ স্টেশনের তেমন কাজ না করা থানাগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, পুলিশিংকে আরও সক্রিয় ও প্রো-একটিভ করতে হবে এবং ডিসিপি-লেভেল কর্মকর্তাদের নিয়মিত জনশুনানি এবং অভিযোগ নিরসন করতে হবে। ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গা সম্পর্কিত দীর্ঘকালীন আইনি প্রক্রিয়াগুলোর ব্যাপারে অমিত শাহ নির্দেশ দেন যে, দিল্লি সরকার যেন বিশেষ পিপি নিযুক্ত করে যাতে দাঙ্গা সম্পর্কিত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হয় এবং আইনি ঝামেলা কমে।

    মেট্রো-ব্যস্ততা, জলের সমস্যা

    অমিত শাহ দিল্লির ট্রাফিক জটের স্থানে জরিপ করারও নির্দেশ দেন। এছাড়া, বর্ষাকালে জলের সমস্যা মেটানোর জন্য দিল্লি সরকারকে একটি “বর্ষাকাল পরিকল্পনা” প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া, তিনি ঘোষণা করেন যে দিল্লি পুলিশ এখন থেকে নির্মাণ সংক্রান্ত বিষয়ে অনুমোদন দেবে না। শহরের উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে, এমন সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

  • India: জানুয়ারিতে দেশে বাড়ল জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ, কত হল জানেন?

    India: জানুয়ারিতে দেশে বাড়ল জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে বাড়ল জিএসটি সংগ্রহের (GST Collections) পরিমাণ। গত জানুয়ারি মাসে গ্রস এবং নিট দুটি ক্ষেত্রেই বেড়েছে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ। গত ডিসেম্বরে এই বৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ৭.৩ শতাংশ এবং ৩.৩ শতাংশ। এনসিএইআর-এর মাসিক পর্যালোচনা অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ ছিল (India) যথাক্রমে ১২.৩ এবং ১০.৯ শতাংশ। উৎপাদন ক্ষেত্রেও ব্যাপক উন্নতি হয়েছে।

    পিএমআই বৃদ্ধি পেয়েছে (India)

    জানুয়ারিতে এই ক্ষেত্রে পিএমআই বৃদ্ধি পেয়েছে ৫৭.৭ শতাংশ। এটি আরও বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। যদিও পরিষেবা ক্ষেত্রের পিএমআই রয়ে গেছে ৫৬.৫ শতাংশে। এনসিএইআর-এর ডিরেক্টর জেনারেল পুনম গুপ্তা বলেন, “মূল্যস্ফীতির মডারেশন আরও নীতিগত সুযোগ সৃষ্টি করেছে। কৃষি ক্ষেত্রেও বহুল প্রতীক্ষিত স্থিতিশীলতা প্রদর্শন করছে, যা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য আশাব্যঞ্জক।” ২০২৪-২৫ রবি মরশুমে গত ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বপন স্বাভাবিক, বপন এলাকার ১০৪ শতাংশে পৌঁছেছে, যেখানে ধান ও ডাল জাতীয় শস্যের বপন যথাক্রমে ১০১.২ শতাংশ ও ১০০.৩ শতাংশে পৌঁছেছে।

    প্রবৃদ্ধির হার

    তবে ব্যাঙ্ক ঋণের প্রবৃদ্ধির হার ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ১১.২ শতাংশে সীমাবদ্ধ ছিল। তার আগের ডিসেম্বরে এই হার ছিল ২০.২ শতাংশ। ব্যাঙ্কগুলি থেকে এনবিএফসি-তে ঋণও কমে গিয়ে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে ১৫ শতাংশ থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ৬.৭ শতাংশে নেমে আসে। গুপ্ত বলেন, “এনবিএফসি-র মাধ্যমে ভোক্তা অর্থায়ন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (SME) খাতে অর্থায়নের (India) একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে, ঋণের এই ধীর প্রবৃদ্ধির হার দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে।”

    এর প্রেক্ষিতে, নির্ধারিত বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির এনবিএফসি-তে প্রদত্ত এক্সপোজারের ওপর ঝুঁকি পুনরুদ্ধারের সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে তিনি স্বাগত জানান। এনসিএইআরয়ের ডিরেক্টর জেনারেল বলেন, “আর একটি বিষয় যা নজরে রাখা প্রয়োজন, তা হল বিদেশি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগের প্রবাহের ধারাবাহিক বহির্গমন।” তিনি বলেন, “প্রায়োগিক গবেষণা দেখায় যে এফআইআই প্রবাহ প্রধানত বাহ্যিক কারণ দ্বারা চালিত হয়, অভ্যন্তরীণ কারণের তুলনায়, এবং এই কারণে এটি যথেষ্ট অস্থির প্রকৃতির। অতীতের মতো, ভারতের এফআইআই প্রবাহের বর্তমান বিপরীত প্রবণতা একটি বৈশ্বিক ঘটনা এবং এটি অন্যান্য অনেক (GST Collections) উদীয়মান বাজার থেকে বিনিয়োগ প্রত্যাহারের সঙ্গেও সম্পর্কিত (India)।”

  • JP Nadda: ‘‘২০২৫ সালেই ভারত থেকে যক্ষ্মাকে নির্মূল করা সম্ভব’’, লক্ষ্যপূরণে প্রত্যয়ী জেপি নাড্ডা

    JP Nadda: ‘‘২০২৫ সালেই ভারত থেকে যক্ষ্মাকে নির্মূল করা সম্ভব’’, লক্ষ্যপূরণে প্রত্যয়ী জেপি নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরেই ভারতবর্ষ থেকে যক্ষ্মা নির্মূল করা হবে। এই ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী (Union Health Minister) জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। শুক্রবার, জেপি নাড্ডা হাজির ছিলেন নবম জাতীয় সম্মেলন সামিট অন গুড অ্যান্ড রেপ্লিকেবল প্র্যাকটিস অ্যান্ড ইনোভেশন-এ। সেখানেই তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নির্ধারিত সময়সীমার পাঁচ বছর আগেই যক্ষ্মামুক্ত ভারত গড়া সম্ভব।

    যক্ষ্মামুক্ত ভারত ২০২৫ সালেই

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা বলেন, ‘‘Sustainable development goals-এর কর্মসূচি অনুযায়ী, ভারতবর্ষকে যক্ষ্মামুক্ত করার কথা ২০৩০ সালের মধ্যে। কিন্তু আমরা মনে করছি, সেই লক্ষ্যমাত্রা ২০২৫ সালের মধ্যেই আমরা পূরণ করে নেব।’’ জেপি নাড্ডা (JP Nadda) যদি নিজের বক্তব্যে সম্পূর্ণ তথ্য ও পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন, ‘‘২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ভারতবর্ষে ১৭.৭ শতাংশ টিবি বা যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা কমেছে। প্রসঙ্গত, এই সময়ের মধ্যে বিশ্বজুড়ে যক্ষ্মা রোগের সংখ্যা কমেছে ৮.৩ শতাংশ।’’ একথা জানিয়ে জেপি নাড্ডা বলেন, ‘‘পৃথিবীর যে গড় তার চেয়ে দ্বিগুণ হারে আমরা যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা কমাতে পেরেছি। একথা উল্লেখ্য, ২০১৪ সালেই ক্ষমতায় আসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকার। তারপর থেকেই এই উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। নিজের বক্তব্যে জেপি নাড্ডা আরও বলেন, ‘‘করোনা কালে সারা ভারত যখন লকডাউন আক্রান্ত ছিল, তখনও আমাদের যক্ষ্মা রোগীর নির্মূলের কর্মসূচি চলেছিল।’’

    ১০০ দিনে পাঁচ লাখেরও বেশি যক্ষ্মা রোগী চিহ্নিত

    নিজের বক্তব্যে জেপি নাড্ডা (JP Nadda) বলেন, ‘‘বিগত ১০০ দিনে আমরা এখনও পর্যন্ত পাঁচ লাখেরও বেশি যক্ষ্মা রোগীকে চিহ্নিত করেছি। তাঁদের যথাযোগ্য চিকিৎসা চলছে। এর পাশাপাশি যক্ষ্মা মুক্ত ভারতের প্রচার অভিযানও চলছে। ৪৫৫টি জেলাতে যক্ষ্মা মুক্ত ভারতের প্রচার অভিযান চলছে। আমরা ব্লক স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছি এবং সেখানেও টিবি মুক্ত ভারতের প্রচার অভিযান চলছে। ২০২৫ সালের মধ্যেই যক্ষ্মা মুক্ত ভারত নির্মাণে আমরা সংকল্পবদ্ধ।’’ প্রসঙ্গত, এই সম্মেলন দুদিন ধরেই চলবে এবং আয়োজন করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক। এই সম্মেলনে হাজির ছিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাজি ও ওড়িশার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডক্টর মুকেশ মাহালিং। এর পাশাপাশি হাজির ছিলেন বিজেপি নেতা সম্বিত পাত্র যিনি পুরী লোকসভার সাংসদ।

    কমেছে ম্যালেরিয়াও

    এই সম্মেলনে বিভিন্ন গবেষকরা নিজেদের প্রদর্শনী দেখান এবং যক্ষ্মা মুক্ত ভারত নির্মাণ করতে তাঁরা কী কী উদ্যোগ নিয়েছেন, সেই সমস্ত নথিও তাঁরা দেখান। নিজের বক্তব্যে জেপি নাড্ডা (JP Nadda) তুলে ধরেন মোদি জমানায় ভারতবর্ষের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনগুলিকে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজের বক্তব্যে আরও তুলে ধরেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট। তিনি জানান যে বিশ্ব সংস্থা স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২৪ সালে ম্যালেরিয়া সংক্রান্ত যে রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে সেখানেও ভারতবর্ষে উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা গিয়েছে। এদেশে কমেছে ম্যালেরিয়া রোগীর সংখ্যা। মোদি জমানায় ২০১৪ সাল থেকে ভারত স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি লাভ করছে বলেও জানান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি ২০১৭ সালের কথা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৭-র নীতি অনুযায়ী আমরা প্রিভেন্টিভ প্রোমোটিভ ও কম্প্রিহেনসিভ পদ্ধতিতে দেশের মানুষের স্বাস্থ্য উন্নত করার চেষ্টা করছি।

    আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের কথাও উঠে আসে নাড্ডার বক্তব্যে

    জেপি নাড্ডা (JP Nadda) নিজের বক্তব্য বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় সরকার সর্বদাই দায়বদ্ধ হয়ে রয়েছে সারা দেশ জুড়ে সকলকে একটি ভালো স্বাস্থ্যপরিষেবা দেওয়ার জন্য।’’ এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের কথা। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের এই প্রকল্পের মাধ্যমে কীভাবে দেশবাসীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে, সে কথাও নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারতবর্ষে শিশু মৃত্যুর ঘটনা কমেছে মোদি জমানায়।’’ এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে আশা কর্মীদের কথা এবং একেবারে নিচুস্তরে যাঁরা স্বাস্থ্য কর্মী আছেন তাঁদের কথা তুলে ধরেন তিনি। জেপি নাড্ডা বলেন, ‘‘পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রামীণ ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করা হবে। যে রোগগুলি সংক্রামিত নয় সেগুলি সম্পর্কে বলতে গিয়ে জেপি নাড্ডা বলেন, ‘‘এক্ষেত্রে আমাদেরকে জীবনশৈলীর বদল করতে হবে।’’ এ প্রসঙ্গে জেপি নাড্ডা উল্লেখ করেন যে কীভাবে তাঁরা ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন ও তিন ধরনের ক্যান্সার এর মোকাবিলা করছেন। জেপি নাড্ডা আরও বলেন, ‘‘এদেশের প্রতিটি জেলাতে একটি করে ক্যান্সার সেন্টার গড়ে তোলা হবে আগামী তিন বছরের মধ্যে। আমরা লক্ষ্যমাত্রারে রেখেছি যে ২০০ জেলাকে এর আওতায় আনব।’’

LinkedIn
Share