Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh Attacks on Hindu: প্রতিবাদ কাশ্মীরি সংখ্যালঘুদের, বাংলাদেশে হিন্দু নিধনের বিরুদ্ধে ভারতজুড়ে বিক্ষোভ

    Bangladesh Attacks on Hindu: প্রতিবাদ কাশ্মীরি সংখ্যালঘুদের, বাংলাদেশে হিন্দু নিধনের বিরুদ্ধে ভারতজুড়ে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর একের পর এক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। একদিকে আওয়ামি লিগের নেতা কর্মীরা যেমন আক্রান্ত হয়েছেন, ঠিক তেমনি নাগরিকদের দুর্বল অংশ সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হয়ে চলেছে। শাসকদলের নেতারা ফতোয়া জারি করেছে, অত্যাচারের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারবে না। কেউ ভারতের পক্ষে কথা বলতে পারবে না। বাজারে বাজারে ভারতীয় পণ্য বর্জনের নির্দেশ দিচ্ছে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা। পদ্মা পাড়ে হিন্দুদের উপর হওয়া অত্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়েছে কাশ্মীরি সংখ্যালঘুুরা। আসমুদ্র-হিমাচল হয়েছে প্রতিবাদে মুখর। 

    শ্রীনগরে প্রতিবাদ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে চলমান অত্যাচারের নিন্দা জানিয়ে শ্রীনগরে একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের আয়োজন করে কাশ্মীরি সংখ্যালঘুরা। বিক্ষোভকারীরা আন্তর্জাতিক ও সরকারি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহার কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। সামাজিক কর্মী অনিতা চাঁদপুরী এই বিষয়ে ভারত সরকার, মানবাধিকার কমিশন এবং রাষ্ট্রসঙ্ঘের নীরবতার সমালোচনা করেছেন, উদ্বেগের সমাধান না হলে বৃহত্তর দেশব্যাপী মিছিলের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের অবস্থার সঙ্গে একদা কাশ্মীরে বসবাসকারী হিন্দু-ব্রাহ্মণদের অবস্থর তুলনা করেছেন অনেকে। গত ৩৫ বছর ধরে কাশ্মীরে হিন্দুরা এরকম অত্যাচার দেখেছেন বলেও মত অনেকের।

    ভারতের নানা প্রান্তে অসন্তোষ

    শুধু কাশ্মীর নয়, বাংলাদেশে হিন্দু বিরোধী সহিংসতা নিয়ে ভারতের নানা প্রান্তে অসন্তোষ চোখে পড়েছে। নয়ডা, গাজিয়াবাদে বিক্ষোভ সংগঠিত হয়েছে। হিন্দু সংগঠনগুলি থানে জেলায় বাংলাদেশের পরিস্থিতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে৷ নভি মুম্বাইয়ে বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার প্রতিবাদে নেতৃত্ব দিচ্ছে সাকাল হিন্দু সমাজ৷ হিন্দুদের উপর হামলার প্রতিবাদে কলকাতা-সহ সারা বাংলায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে নৃশংসতার প্রতিবাদে হিন্দু সংগঠনগুলি শিমলায় সমাবেশ করেছে। ভারতীয় সনাতন সোসাইটি জামশেদপুরে বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে। বিক্ষোভ সংগঠিত হয়েছে লখনউ, মোরাদাবাদেও।

    জার্মানিতেও প্রতিবাদ

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘু, মায় হিন্দুদের ওপর চলমান অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের আওয়াজ ভারতের সীা ছাড়িয়ে বিদেশেও আছড়ে পড়ছে। জার্মানির হিন্দু সংগঠনও এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক স্তরে এই বিষয়টি তুলে ধরার কথা বলেছে তারা। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বহু হিন্দু মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বাড়ি ও দোকানে লুটপাট, এমনকি আগুন ধরিয়ে দেওয়ার খবর প্রতিদিন সামনে আসছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিতে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। এই অঞ্চলগুলি হল চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, দিনাজপুর ঠাকুরগাঁও, চাপাই নবাবগঞ্জের মতো প্রত্যন্ত ও মফস্বল অঞ্চলে। বাদ নেই ঢাকা ও ঢাকার শহরতলি এলাকাগুলিও। এই ধারাবাহিক অত্যাচারের জন্য মূলত অভিযোগ উঠেছে খালেদার নেতৃত্বাধীন বিএনপি (বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টি) এবং জামাত-ই-ইসলামির বিরুদ্ধে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি জামাত-ই-ইসলামির মৌলবাদী শক্তির হিংসা ও লালসার শিকার হয়েছেন এই আক্রান্তরা। দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে প্রায় ৩০টি জেলাতে হিংসার ঘটনা বেশি ঘটছে। 

    আরও পড়ুনঃ চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবি জানিয়ে ইউনূসকে চিঠি দিল বাংলাদেশের রামকৃষ্ণ মঠ-মিশন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবি জানিয়ে ইউনূসকে চিঠি দিল বাংলাদেশের রামকৃষ্ণ মঠ-মিশন

    Bangladesh: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবি জানিয়ে ইউনূসকে চিঠি দিল বাংলাদেশের রামকৃষ্ণ মঠ-মিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভু এখন বাংলাদেশের (Bangladesh) জেলে রয়েছেন। তাঁর জামিনের মামলার পরবর্তী শুনানি হবে নয়া বছরে। এদিকে চিন্ময় প্রভু যাতে কোনও রকম আইনি সহায়তা না পান, তার জন্যে ক্রমাগত হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে চট্টগ্রামের আইনজীবীদের একটা অংশ। এমনকী, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের হয়ে কোনও আইনজীবী যদি আদালতে সওয়াল করেন, তাহলে সেই আইনজীবীকে গণপিটুনি দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এই আবহের মধ্যে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের হয়ে এবার চিঠি লিখলেন ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ ও সম্পাদক স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ। এই নিয়ে সেদেশের সরকারের মুখ্য উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসকে চিঠি লিখেছেন স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ। তাতে চিন্ময় কৃষ্ণের মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।

    চিঠিতে কী বলা হয়েছে? (Bangladesh)

    রামকৃষ্ণ মিশনের লেখা চিঠিতে বলা হয়েছে, হিন্দু সন্ন্যাসীকে মুক্ত করলে অন্তর্বর্তী সরকারেরই ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, সেই চিঠিতে রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসী লেখেন, ‘‘সম্প্রতি দেশের (Bangladesh) সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শ্রীচিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে কারামুক্তি প্রদান করলে আপনার সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে বলে আমরা মনে করি। আশা করি, এবিষয়ে আপনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের আশ্বস্ত করবেন। ’’ এর আগে, এই গ্রেফতারের বিরুদ্ধে ভারতের রাম জন্মভূমি মন্দিরের প্রধান পুরোহিত সরব হয়েছিলেন। চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবি জানিয়েছিলেন। অন্যদিকে, আগামী ১৩ ডিসেম্বরও সনাতনীদের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল বাংলাদেশে। কিন্তু সূত্রের খবর, বর্তমান পরিস্থিতির জেরে সেটিও বাতিল করা হয়েছে।

    ইসকন কলকাতার ভাইস প্রেসিডেন্ট কী বললেন?

    এদিকে বাংলাদেশের (Bangladesh) অশান্তি আবহ প্রসঙ্গে চরম আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইসকন কলকাতার ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস। তিনি বলেছেন, ‘‘খুব বিপজ্জনক। আমাদের ভক্তরা খুব চিন্তিত। সবচেয়ে চিন্তার বিষয়, যদি এই রকম মৌলানারা পুরো বাংলাদেশে ঘুরে, এই রকম সভা করছে যেখানে হাজার হাজার মানুষ তাঁদের শুনছে। সোশাল মিডিয়াতে যখন পোস্ট করা হচ্ছে, লক্ষ লক্ষ ভিউ পাচ্ছে। একসঙ্গে এত মানুষের যদি মগজ ধোলাই হয়, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পুলিশ, সেনা যদি ভাবে আমরা সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দেব, এত লক্ষ লক্ষ মানুষকে কেউ সামলাতে পারবে না। ওরা যেটা বলছে, গণহত্যা যদি শুরু করে দেয়, এটা কারও নিয়ন্ত্রণে থাকবে না।’’ ইসকনকে নিষিদ্ধ করার কোনও পরিকল্পনা তাদের নেই বলে, ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে ইউনূস সরকারের পক্ষ থেকে। তাহলে কার মদতে ইসকনকে মুছে ফেলার ডাক দিচ্ছে মৌলবাদীরা? কোন সাহসে অস্ত্র হাতে তুলে নিতে বলছে? এবার কি ওই সব কট্টরপন্থীর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেবে ইউনূসের প্রশাসন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Voronezh Radar System: ৮ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত ক্ষেপণাস্ত্রের হদিশ মিলবে! ভারতে আসছে রুশ ‘ভরোনেঝ’ রেডার

    Voronezh Radar System: ৮ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত ক্ষেপণাস্ত্রের হদিশ মিলবে! ভারতে আসছে রুশ ‘ভরোনেঝ’ রেডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার সঙ্গে ৪ বিলিয়ন ডলারের (৩৩ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকা) একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি (India Russia Defence Deal) স্বাক্ষর করতে চলেছে ভারত। এই চুক্তির আওতায় রাশিয়া ভারতকে অত্যাধুনিক রেডার সিস্টেম সরবরাহ করবে। এর ফলে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তকরণ এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেক বেশি শক্তিশালী হবে। ভারত রাশিয়া থেকে ‘ভরোনেঝ’ সিরিজের রেডার (Voronezh Radar System) কিনতে যাচ্ছে। এটি ৮ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত শত্রুপক্ষের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা যুদ্ধবিমানকে শনাক্ত করতে পারে। শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র ট্র্যাক করার এই ধরনের ক্ষমতা বিশ্বের মাত্র কয়েকটি দেশের হাতেই রয়েছে।

    এই রেডার সিস্টেম নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ

    এই চুক্তি (India Russia Defence Deal) ভারতের চলমান বিমান প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ প্রচেষ্টার অংশ। দেশের নিরাপত্তার জন্য যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই রেডার সিস্টেমের প্রায় ৬০ শতাংশ উপাদান ভারতেই তৈরি করা হবে। যা আত্মনির্ভর ভারতের অবস্থান শক্ত করবে। ভারত-রাশিয়া প্রতিরক্ষা সম্পর্ককেও আরও শক্তিশালী করবে এই চুক্তি। এই রেডার সিস্টেমটি (Voronezh Radar System) কর্নাটকের চিত্রদুর্গে স্থাপন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখানে ইতিমধ্যেই অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা এবং উন্নত এরোস্পেস পরিকাঠামোর সুবিধা রয়েছে। এই চুক্তি নিয়ে ইতিমধ্যেই ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গে রেডার সিস্টেমের নির্মাতা আলমাজ-আন্তের নেতৃত্বে রুশ প্রতিনিধি দলের আলোচনা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ‘কলকাতা দখল! একটা রাফালই যথেষ্ট’, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব শুভেন্দুর

    ‘ভরোনেঝ’ রেডার সিস্টেমের বিশেষত্ব (Voronezh Radar System) 

    ‘ভরোনেঝ’ রেডার সিস্টেমের প্রধান কাজ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের গতি অনেক বেশি হওয়ায় দ্রুত এটি শনাক্ত করা জরুরি যাতে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এটি মহাকাশ-সীমার কাছাকাছি উড়ন্ত আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে পারে (India Russia Defence Deal)। এছাড়াও, এই রেডার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং যুদ্ধবিমান সহ অন্যান্য আকাশপথে হুমকি সম্পর্কেও তথ্য সরবরাহ করে। ‘ভরোনেঝ’ রেডার সিস্টেমের (Voronezh Radar System) একটি স্টেশন ৬ হাজার কিলোমিটার দূরত্ব এবং ৮ হাজার কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত কোনও কিছুকে শনাক্ত করতে পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tripura Hotels: হিন্দু নির্যাতনের মাশুল! বাংলাদেশিদের জন্য বন্ধ ত্রিপুরার হোটেলের দ্বার

    Tripura Hotels: হিন্দু নির্যাতনের মাশুল! বাংলাদেশিদের জন্য বন্ধ ত্রিপুরার হোটেলের দ্বার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন চলছেই। এমতাবস্থায় বাংলাদেশিদের জন্য বুকিং নেওয়া বন্ধ করে দিল অল ত্রিপুরা হোটেল (Tripura Hotels) অ্যান্ড রেস্তরাঁ মালিক সমিতি। সমিতির তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে অল ত্রিপুরা হোটেল অ্যান্ড রেস্তরাঁ মালিক সমিতির অফিস সেক্রেটারি ভাস্কর চক্রবর্তী বলেন, “২ ডিসেম্বর আমরা আমাদের সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে এদিন থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য কোনও হোটেলে পরিষবা সেবা উপলব্ধ থাকবে না। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের প্রতিবেশী রাজ্যে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার প্রতি একটি কঠোর প্রতিক্রিয়া।

    রেস্তরাঁ মালিক সমিতির ঘোষণা (Tripura Hotels)

    অল ত্রিপুরা হোটেল অ্যান্ড রেস্তরাঁ মালিক সমিতির ঘোষণা, বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ত্রিপুরা রাজ্যে সেবা প্রদান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশে হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বাড়তে থাকা নির্যাতনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে অল ত্রিপুরা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি বলেন, “এহেন সিদ্ধান্তের প্রধান কারণ বাংলাদেশে আমাদের জাতীয় পতাকার প্রতি দেখানো অসম্মান। বাংলাদেশের হাই কমিশনকে ঘিরে ঘটনার ঘটনাও এই সিদ্ধান্ত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন (Tripura Hotels) করেছে।”

    বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা

    তিনি বলেন, “আর একটি কারণ হল এখানে আগত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা। যদি কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে যা কোনও বাংলাদেশি অতিথির সঙ্গে সম্পর্কিত, তাহলে এর সম্পূর্ণ দায়ভার হোটেল মালিকের ওপর পড়বে। এমন জটিলতা এড়ানোর জন্য, আমরা চলতি মাসের ২ তারিখে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আমরা বাংলাদেশি নাগরিকদের ঘর দেব না।”
    তিনি বলেন, “২ ডিসেম্বরের আগে যারা এখানে চেক-ইন করেছেন, তাঁরা থাকতে পারবেন। কিন্তু আমরা নতুন করে আর বুকিং নেব না। এও সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, যদি কেউ চিকিৎসার প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র-সহ জরুরি পরিস্থিতিতে আসে, তাহলে তাদের ঘর দেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: “কলকাতা দখল কি হাতের মোয়া? পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম সেনা ভারতে”, মৌলবাদীদের তোপ সুকান্তর

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ক্রমাগত হিংসা বাড়ছে। শুক্রবার ও শনিবারের মাঝে রাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় লক্ষ্মী-নারায়ণ মন্দিরে। এসব কারণে বাংলাদেশিদের (Bangladeshi Citizens) জন্য দ্বার বন্ধ হয়ে গেল ত্রিপুরার হোটেলে (Tripura Hotels)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh 2025: নারীর ক্ষমতায়ন! ত্রিবেণী সঙ্গমের মহাকুম্ভে ক্যান্টিন চালাবেন গ্রামের মহিলারা

    Mahakumbh 2025: নারীর ক্ষমতায়ন! ত্রিবেণী সঙ্গমের মহাকুম্ভে ক্যান্টিন চালাবেন গ্রামের মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ত্রিবেণী সঙ্গমে হবে মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025)। এই মেলাই হতে চলেছে গ্রামীণ মহিলাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মসংস্থানের উৎস (Economic Growth)। রাজ্য জীবিকা মিশনের অধীনে গ্রামীণ অঞ্চলের স্ব-সহায়ক গ্রুপগুলির মহিলাকে মহাকুম্ভ প্রাঙ্গণে বিভিন্ন স্টল এবং দোকান বরাদ্দ করা হবে।

    গ্রামীণ মহিলাদের ক্ষমতায়ন (Mahakumbh 2025)

    রাজ্য জীবিকা মিশনের দ্বারা পরিকল্পিত পুরো পরিকল্পনাটি শুধুমাত্র গ্রামীণ মহিলাদের ক্ষমতায়নের দিকে লক্ষ্য রেখে করা হয়েছে। মাঘ মেলা, কুম্ভ মেলা বা মহাকুম্ভের মতো অনুষ্ঠানগুলি লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থীকে আকর্ষণ করে। এই সব আচার-অনুষ্ঠানে খাবার, স্ন্যাকস ও গৃহস্থালীর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটায় ব্যস্ত থাকে। এই মিশনের লক্ষ্য গ্রামীণ মহিলাদের মহাকুম্ভের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করা।

    ক্যান্টিন পরিচালনার দায়িত্ব

    ডেপুটি কমিশনার এনআরএলএম রাজীব কুমার সিং জানান, পরিকল্পনাটির মধ্যে মহিলাদের মেলা প্রাঙ্গণে পাঁচটি ক্যান্টিন পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “কুম্ভ মেলা কর্তৃপক্ষের কাছে এই মহিলাদের জন্য প্রতিটি সেক্টরে ১০টি করে দোকান বরাদ্দ করার একটি প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মেলার সরস হাট সেকশনে ৪০টিরও বেশি দোকান রয়েছে। এই উদ্যোগটি ৫,০০০-এরও বেশি গ্রামীণ মহিলার জন্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।” তিনি বলেন, “মহাকুম্ভে (Mahakumbh 2025) গ্রামীণ মহিলাদের তৈরি স্টল এবং দোকানে বিক্রি হওয়া পণ্যগুলি প্রয়াগরাজ মহাকুম্ভের ব্র্যান্ডিংকে প্রচারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হবে, যা শহর থেকে শুরু করে প্রতিটি গ্রাম্য রাস্তায় এর পরিচিতি ছড়িয়ে দেবে।”

    আরও পড়ুন: সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও দেশপ্রেমের প্রতি শ্রদ্ধা, পতাকা দিবস তহবিলে দান করার আবেদন শাহের

    উপজেলা কমিশনার রাজীব কুমার সিংয়ের মতে, এই স্টলগুলিতে বিভিন্ন ধরণের বহুমুখী পণ্য থাকবে। মহাকুম্ভের সময় ঠান্ডা আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে মহাকুম্ভের লোগো এবং স্লোগান সহ মাফলার তৈরি করা হচ্ছে যাতে উষ্ণতা বজায় থাকে। তিনি বলেন, “তরুণ প্রজন্মের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা সেলফি ক্যাপ তৈরি করা হচ্ছে, যা শীত থেকে সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি সেলফির জন্য স্টাইলিশ টাচ প্রদান করবে।”

    একলব্য আজীবিকা মহিলা সমূহের তরফে নেহা নিশাদ বলেন, আমার গ্রুপের মহিলারা এই পণ্যগুলো তৈরি করছেন। প্রতিটি (Economic Growth) পণ্যে কুম্ভের লোগো থাকবে। প্রসাদের জন্য প্রস্তুত করা ঝুড়িগুলিতে রাখা অঙ্গবস্ত্রেও মহাকুম্ভের লোগো এবং স্লোগান থাকবে (Mahakumbh 2025)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: সীমান্তে ১,৩০০ কোটি টাকার সোনা-রুপো বাজেয়াপ্ত, ১৫টি মানবপাচার বিরোধী ইউনিট গঠন

    BSF: সীমান্তে ১,৩০০ কোটি টাকার সোনা-রুপো বাজেয়াপ্ত, ১৫টি মানবপাচার বিরোধী ইউনিট গঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সোনা ও রুপোর চোরাচালান ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছর অক্টোবর মাসের শেষে প্রায় ১,৩০০ কোটি টাকা মূল্যের এই মূল্যবান ধাতু আটক করেছে বিএসএফ (BSF)।

    আটক সোনা-রুপো (BSF)

    বিএসএফের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাহিনী ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত (India Bangladesh Border) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মোট ১৭২.৮২৮ কেজি সোনা ও ১৭৮.৮০৫ কেজি রুপো আটক করা হয়েছে। গত বছর এই সময় আটক করা হয়েছিল ১৬৩.৩২৫ কেজি সোনা। এছাড়াও, বিএসএফ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ১১,৮৬৬.৭৮৮ কেজি মাদকদ্রব্য, ৩,২৬৫,৭০০টি জালনোট, ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৫৭৪ রাউন্ড গোলাবারুদ আটক করেছে। বিএসএফ ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সীমান্তে ৪,১৬৮ জনকে গ্রেফতার করেছে। ২২ জন চোরাচালানকারীকে নিউট্রিলাইজ করা হয়েছে।  

    মানবপাচার বিরোধী ইউনিট গঠন

    বার্ষিক প্রেস মিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিএসএফের (BSF) ডিরেক্টর জেনারেল দলজিত সিং চৌধুরী বলেন, “বাহিনী ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান এবং গ্রেফতারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।” তিনি বলেন, “বিএসএফ (BSF) ১৫টি মানবপাচার বিরোধী ইউনিট গঠন করেছে, যা স্থানীয় পুলিশ এবং সরকারি রেল পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ে রেলওয়ে স্টেশন এবং বাস স্ট্যান্ডে কাজ করছে।” তিনি জানান, অতিরিক্ত জনবল, বিশেষ পর্যবেক্ষণ সরঞ্জাম এবং যানবাহন মোতায়েন করে নজরদারি শক্তিশালী করার জন্য বিস্তারিত দুর্বলতা মানচিত্রও প্রস্তুত করা হয়েছে, যা অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালান রোধে সহায়ক হবে।

    আরও পড়ুন: সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও দেশপ্রেমের প্রতি শ্রদ্ধা, পতাকা দিবস তহবিলে দান করার আবেদন শাহের

    তিনি বলেন, “ইলেকট্রনিক সার্ভেইল্যান্স অফ ভানরেবল প্যাচেস (ESVP) প্রকল্পের অধীনে, সিসিটিভি এবং পিটিজি ক্যামেরা, আইআর সেন্সর এবং ইনফ্রারেড এলার্ম-সহ কমান্ড এবং কন্ট্রোল সিস্টেম সজ্জিত সমন্বিত পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি আন্তর্জাতিক সীমান্তের দুর্বল এলাকাগুলিতে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করার জন্য স্থাপন করা হয়েছে।”

    ডিরেক্টর জেনারেল বলেন, “অনুপ্রবেশের অঞ্চল চিহ্নিত করা হয়েছে, সন্দেহভাজন রুটগুলিতে নজরদারি করা হচ্ছে এবং গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক ও যোগাযোগের মাধ্যমে সমন্বয় সাধন করা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “রাতের সময় বেড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক গাড়ি প্যাট্রোলিংও করা হয়, মোবাইল চেকপোস্ট স্থাপন করা হয় গভীর এলাকায় (India Bangladesh Border) এবং সংযোগ পয়েন্টগুলিতে (BSF)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: কংগ্রেস আমলের থেকে মোদি জমানায় রেল দুর্ঘটনা অনেক কমেছে, তথ্য দিয়ে দাবি রেল মন্ত্রকের

    Indian Railways: কংগ্রেস আমলের থেকে মোদি জমানায় রেল দুর্ঘটনা অনেক কমেছে, তথ্য দিয়ে দাবি রেল মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের আমলে রেল (Indian Railways) দুর্ঘটনা ৬০ শতাংশ কমেছে। রাজ্যসভায় এই মর্মে বিশেষ রিপোর্ট জমা পড়েছে। সংসদের উচ্চকক্ষে রেল মন্ত্রক জানিয়েছে, দুর্ঘটনা (Accident) রুখতে গত ১০ বছরে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ২০১৪ সাল থেকে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি পরিচালিত এনডিএ সরকার। গত কয়েক দশকের কংগ্রেস শাসিত সরকারের তুলনায় নরেন্দ্র মোদি পরিচালিত সরকার রেলের যে অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটিয়েছে, তা রাজনীতির অধিকাংশ মানুষ মনে করছেন।

    ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এখনও পর্যন্ত মৃত ৩৬২ জন(Indian Railways)

    রাজ্যসভায় রেল দুর্ঘটনার (Accident) বিস্তৃত জবাব দিয়েছে ভারতীয় রেল মন্ত্রক (Indian Railways)। সেখানে মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০২১ সালের এপ্রিল মাস থেকে এখনও পর্যন্ত সারা ভারতে মোট ১৫২টি গুরুতর রেল দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই সব দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে মোট ৩৬২ জনের এবং মোট আহতদের সংখ্যা ৯৫৮ জন। নিহতদের মধ্যে রেল বিভাগের মোট কর্মচারী রয়েছেন ১১ জন। এই সব দুর্ঘটনাকে মাথায় রেখে রেলের তরফ থেকে একাধিক অত্যাধুনিক ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ফলে আগের থেকে রেল দুর্ঘটনা অনেক পরিমাণে কমে গিয়েছে।

    ২০২৩-২৪ আর্থিক বর্ষে মোট দুর্ঘটনার সংখ্যা ৪০টি

    একই সঙ্গে তথ্য দিয়ে রেল মন্ত্রক (Indian Railways) জানিয়েছে, ২০১৪-১৫ আর্থিক বছরে সারা দেশে রেল বিপত্তির ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে ১৩৫টি। অপর দিকে ২০২৩-২৪ আর্থিক বর্ষে মোট রেল দুর্ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে মাত্র ৪০টি। একই ভাবে রেলের ব্যবস্থা যে ঢেলে সাজানো হচ্ছে সেই বিষয়ও জানানো হচ্ছে। তার মধ্যে রয়েছে, রেললাইন, রেলের কামরায় নানা সমস্যার কথা, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ইত্যাদি।

    আরও পড়ুনঃ সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও দেশপ্রেমের প্রতি শ্রদ্ধা, পতাকা দিবস তহবিলে দান করার আবেদন শাহের

    নিরাপদ যাত্রায় রেল বদ্ধপরিকর

    প্রসঙ্গত, রেলের (Indian Railways) গত কয়েক মাসে রেল দুর্ঘটনার (Accident) পিছনে যে রেল জেহাদিদের একটা ষড়যন্ত্রের কৌশল রয়েছে, তা উপেক্ষার নয়। উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, দিল্লি, কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপূর্ব ভারতে নানা সময় পাথর, ইট, লোহা, গ্যাসের সিলিন্ডার, লাইনের তার-সহ একাধিক উপাদান দিয়ে বড়সড় নাশকতার ছক বাঞ্চালের তথ্য উঠে এসেছে। ঠিক এই পরিস্থিতিকে কাটিয়ে বন্দে ভারত, বন্দে ভারত স্লিপার, কবচ ৫.০, হাই স্পিড ট্রেন, বুলেট, হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন-সহ আধুনিক ট্রেনের খবর প্রতিনিয়ত আসছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে সময় ও দূরত্বকে কমিয়ে রেলকে আরও অত্যাধুনিক এবং নিরাপদ যাত্রার পরিষেবা দিতে ভারত সরকার যে বদ্ধপরিকর, সেই বিষয়েও জানানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও দেশপ্রেমের প্রতি শ্রদ্ধা, পতাকা দিবস তহবিলে দান করার আবেদন শাহের

    Amit Shah: সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও দেশপ্রেমের প্রতি শ্রদ্ধা, পতাকা দিবস তহবিলে দান করার আবেদন শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সশস্ত্র বাহিনী পতাকা দিবস উপলক্ষে শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও দেশপ্রেমের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দেশবাসীকে সশস্ত্র বাহিনী (Armed Forces) পতাকা দিবস তহবিলে দান করার আহ্বানও জানান।

    কী লিখলেন শাহ (Amit Shah)

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেখেন, “সশস্ত্র বাহিনীর পতাকা দিবসে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অমর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা। তাদের বীরত্ব ও দেশপ্রেমের মাধ্যমে, আমাদের শহিদরা জাতির সম্মান রক্ষা করতে সর্বোচ্চ ত্যাগের অমর কাহিনি সৃষ্টি করেছেন।” তিনি লেখেন, “আমাদের সশস্ত্র বাহিনী ও তাদের পরিবারের কল্যাণের জন্য সশস্ত্র বাহিনী পতাকা দিবস তহবিলে অবদান রাখার জন্য সবার প্রতি আমার আবেদন।” এই উপলক্ষে, সশস্ত্র বাহিনী কল্যাণ ও পুনর্বাসন, গুজরাট রাজ্যের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-কে একটি ক্ষুদ্র পতাকা দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়। পোস্টে তিনি আরও লেখেন, “আমাকে ক্ষুদ্র পতাকা দিয়ে সংবর্ধিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী কল্যাণ ও পুনর্বাসন, গুজরাট রাজ্যের প্রতিনিধিদলকে হৃদয়ের গভীর থেকে ধন্যবাদ জানাই।”

    মোদির শ্রদ্ধা

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাহসী সৈনিকদের প্রতি (Amit Shah) শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং মানুষকে সশস্ত্র বাহিনী ফ্ল্যাগ ডে তহবিলে দান করার আহ্বান জানান। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদী লিখেছেন, “সশস্ত্র বাহিনী ফ্ল্যাগ ডে আমাদের সাহসী সৈনিকদের বীরত্ব, দৃঢ়সংকল্প এবং ত্যাগকে শ্রদ্ধা জানানোর দিন। তাঁদের বীরত্ব আমাদের অনুপ্রাণিত করে, তাঁদের ত্যাগ আমাদের বিনম্র করে এবং তাঁদের নিবেদন আমাদের সুরক্ষিত রাখে। আসুন, আমরা সশস্ত্র বাহিনী ফ্ল্যাগ ডে তহবিলে দান করি।”

    আরও পড়ুন: “ভারতকে টুকরো টুকরো করব, মানচিত্র বদলে দেবো”, মিছিল করে ঢাকায় বেলাগাম স্লোগান

    শনিবার সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীও সশস্ত্র বাহিনী পতাকা দিবস তহবিলে অনুদান দিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। পোস্টে লেখা হয়েছে, “সশস্ত্র বাহিনী পতাকা দিবসের প্রাক্কালে, সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষে সশস্ত্র বাহিনী পতাকা দিবস তহবিলে অনুদান দেন। কেন্দ্রীয় সেনিক বোর্ডের সচিব সিওএএসের ওপর সশস্ত্র বাহিনী পতাকা পরিয়ে দেন।” প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংও জনগণকে ওই তহবিলে উদারভাবে (Armed Forces) দান করার আহ্বান জানান (Amit Shah)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: বিএপিএসের স্বেচ্ছাসেবীদের অবদান বিশাল অনুপ্রেরণার উৎস, যা ভোলার নয়, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: বিএপিএসের স্বেচ্ছাসেবীদের অবদান বিশাল অনুপ্রেরণার উৎস, যা ভোলার নয়, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বোচাসনবাসি শ্রী অক্ষর পুরুষোত্তম স্বামীনারায়ণ” (বিএপিএস) সংস্থার স্বেচ্ছাসেবকরা (Religious Groups Volunteers) তাঁদের নিঃস্বার্থ সেবার মাধ্যমে সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলছেন।” শনিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভারতীয় সংস্কৃতিতে সেবাকে সবচেয়ে বড় ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিরও উল্লেখ করেন তিনি।

    অনুপ্রেরণার উৎস (PM Modi)

    এদিন আমেদাবাদে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে কার্যকার সুবর্ণ মহোৎসবে ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বিএপিএসের স্বেচ্ছাসেবকরা সমাজের সবচেয়ে প্রান্তিক মানুষকে ক্ষমতায়িত করছেন, যা মানুষের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণার উৎস।” তিনি মনে করিয়ে দেন, ফেব্রুয়ারি ২০২২-এ সংঘাত শুরু হওয়ার পর ইউক্রেন থেকে সরিয়ে আনা ছাত্রদের সহায়তায় বিএপিএসের উদ্যোগগুলি উল্লেখযোগ্য ছিল।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যখন ইউক্রেনে যুদ্ধ বাড়তে শুরু করেছিল, তখন ভারত সরকার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে আটকে পড়া ভারতীয়দের সরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপরে, বিপুল সংখ্যক ভারতীয় পোল্যান্ডে পৌঁছাতে শুরু করে। কিন্তু যুদ্ধের পরিবেশে পোল্যান্ডে পৌঁছে যাওয়া ভারতীয়দের জন্য সর্বোচ্চ সাহায্য কীভাবে প্রদান করা যায়, তা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।” তিনি বলেন, “সেই সময় আমি বিএপিএসের একজন সাধুর সঙ্গে কথা বলি এবং আমি মনে করি এটা রাত ১২ বা ১টা ছিল। আমি তাঁকে অনুরোধ করি যে, পোল্যান্ডে পৌঁছানো বিপুল সংখ্যক ভারতীয়কে সাহায্য করার জন্য আপনার সমর্থন প্রয়োজন এবং আমি দেখেছি কীভাবে আপনার সংস্থা সারা ইউরোপের বিএপিএস কর্মীদের একরাতে একত্রিত করেছিল।”

    আরও পড়ুন: “ভারতকে টুকরো টুকরো করব, মানচিত্র বদলে দেবো”, মিছিল করে ঢাকায় বেলাগাম স্লোগান

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমাদের সংস্কৃতিতে সেবা সর্বোচ্চ ধর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি শুধুমাত্র কথার কথা নয়, বরং এটি জীবনের একটি মূল্যবোধ।” তিনি বলেন, “আমি আনন্দিত যে হাজার হাজার বিএপিএস স্বেচ্ছাসেবক নিষ্ঠা এবং আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা কার্যক্রমে নিযুক্ত রয়েছেন, যা কোনও সংগঠনের জন্য একটি বড় পাওনা। আমি আপনাদের অভিনন্দন জানাই এবং আমার শুভকামনা জানাই।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিএপিএস স্বেচ্ছাসেবকরা তাঁদের নিঃস্বার্থ সেবার মাধ্যমে সারা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলছেন। গভীর নিষ্ঠার সঙ্গে তাঁরা সমাজের সবচেয়ে প্রান্তিক মানুষদের ক্ষমতায়িত করছেন (Religious Groups Volunteers)। এটি আপনাদের অনুপ্রেরণার, সম্মানের এবং গভীর শ্রদ্ধার এক উৎস করে তুলেছে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ফের প্রাণনাশের হুমকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে

    PM Modi: ফের প্রাণনাশের হুমকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যবধান মাত্র এগারো দিনের। ফের প্রাণনাশের হুমকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। বোমা বিস্ফোরণে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে খুনের হুমকি বার্তা (Death Threat) পেল পুলিশ। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীকে খুনের হুমকি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ পেয়েছে মুম্বই পুলিশ। প্রসঙ্গত, এর আগে ২৭ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দিয়ে ফোন এসেছিল মুম্বই পুলিশের কাছে। 

    কী বলছে পুলিশ? (PM Modi)

    পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন যে নম্বরটি থেকে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তাটি এসেছে, সেটি রাজস্থানের আজমিরের। যার নম্বর থেকে হুমকি এসেছে, তাকে ধরতে পুলিশের একটি দল রওনা দিয়েছে আজমিরের উদ্দেশে। জানা গিয়েছে, এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে খুনের হুমকি বার্তায় দুজন আইএসআই এজেন্টের কথা জানানো হয়। আরও জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নিশানা করে বোমা বিস্ফোরণের ছক কষা হচ্ছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের অনুমান, এই মেসেজ যে পাঠিয়েছে, হয় সে মানসিকভাবে অসুস্থ, আর নয়তো সে মদ্যপ অবস্থায় এই মেসেজ পাঠিয়েছে।

    হুমকি এসেছিল আগেও

    গত ২৭ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ফোন এসেছিল মুম্বই পুলিশের প্রধান কন্ট্রোল রুমে। পরের দিনই বছর চৌত্রিশের এক মহিলাকে আটক করে পুলিশ। ফোন কলারের লোকেশন ট্র্যাক করে এক মহিলাকে আটক করে পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে, নিছক মজার ছলেই সে এই হুমকি ফোন করেছিল। তার পর এল এদিনের (PM Modi) ফোন।

    আরও পড়ুন: হিন্দু বিক্ষোভের জের, অন্তর্বাস থেকে ভগবান গণেশের ছবি সরাল ওয়ালমার্ট

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার হামলা ও নির্যাতনের আবহে এই হুমকিবার্তাকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। প্রসঙ্গত, কয়েক দিন ধরে আজমিরের খাজা মইনুদ্দিন চিস্তির মুঘল আমলের দরগা শিবমন্দির ছিল বলে বিতর্ক ছড়িয়েছে। বিষয়টি গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। তার পরেও নেই হুমকি ফোন আসার বিরাম। প্রসঙ্গত, মুম্বই ট্রাফিক পুলিশের কাছেই আগে এসেছিল এক (Death Threat) বিমানে ও বিমানবন্দরে বোমা রাখার মেসেজ এসেছিল (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share