Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • BJP: “মুসলিম তোষণ করতেই সাম্ভালে যাওয়ার চেষ্টা রাহুলের”, তোপ বিজেপির

    BJP: “মুসলিম তোষণ করতেই সাম্ভালে যাওয়ার চেষ্টা রাহুলের”, তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুসলিম তোষণ করতেই সাম্ভালে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। বুধবার এমনই অভিযোগ করল বিজেপি (BJP)। এদিন সাম্ভালে যাওয়ার চেষ্টা করেন কংগ্রেস সাংসদ। দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ সীমান্তে দিল্লি পুলিশ আটকে দেয় তাঁকে।

    রাহুলকে নিশানা মৌর্যের (BJP)

    রাহুলের এই সফরকে নাটক বলেও কটাক্ষ করেছে পদ্ম-পার্টি। উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য এ নিয়ে নিশানা করেন রাহুলকে। উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অখিলেশ ও রাহুল দুজনেই মুসলিম ভোট পাওয়ার জন্য রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন। তাঁরা একটি নাটক মঞ্চস্থ করছেন। সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেসের পতন নিশ্চিত। এসপি ‘সমাপ্তবাদী পার্টি’ হয়ে যাবে এবং ভারত কংগ্রেস-মুক্ত হবে।” তিনি বলেন, “২৪ নভেম্বর সংঘটিত সাম্ভাল হিংসা – যেখানে চারজনের মৃত্যু হয়েছে – তা সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক এবং সাংসদের দ্বন্দ্বের ফল।”

    কী বলছেন বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র

    বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “রাহুল গান্ধী প্রাশসনকে আগে থেকে না জানিয়েই সাম্ভাল দেখতে যেতে চেয়েছিলেন।” তিনিও বলেন, “কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টি মুসলিম ভোটের জন্য লড়াই করছে। রাহুল গান্ধী ইন্ডি জোটে তার অংশীদারকে তাঁর সঙ্গে না নিয়েই সেখানে গিয়েছিলেন শুধুমাত্র মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। দুই দলের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব চলছে, সেটাও স্পষ্ট।”

    বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র বলেন, “রাহুল গান্ধী কোনও সহানুভূতির কারণে সাম্ভাল পরিদর্শনের চেষ্টা করেননি। তিনি বরং সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এবং তাঁর (BJP) দলের সহযোগী সমাজবাদী পার্টির নেতাদের তুলনায় ভালো ছবি তোলার সুযোগ পেতে চেয়েছিলেন।” তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধী লোকসভায় বিরোধী দলের নেতা। তাঁর এই সফরের বিষয়ে প্রশাসনকে আগে থেকেই জানানো প্রয়োজন ছিল। কারণ প্রধানমন্ত্রীর পরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পান তিনিই।”

    আরও পড়ুন: ফড়ণবীশেই সিলমোহর, বৃহস্পতিতে জমকালো অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ দেবেন্দ্রর

    সুধাংশু বলেন, “রাহুল গান্ধীর কাছে জেড-প্লাস এএসএল  সুরক্ষা রয়েছে। এএসএল মানে অ্যাডভান্সড সিকিউরিটি লিয়াজ়ন। এটি প্রধানমন্ত্রীর পর সবচেয়ে উচ্চতর স্তরের সুরক্ষা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছাড়া অন্য কেউ এই সুরক্ষা পান না।” তিনি বলেন, “যদি আপনি সত্যিই সেখানে (সাম্ভালে) যেতে চাইতেন এবং তার প্রতি কিছু সহানুভূতি থাকত, তাহলে আপনি আগেই প্রশাসনকে একটি তথ্য দিতেন… আপনি সেখানে যাওয়ার কোনও ইচ্ছে দেখাননি। আপনি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা (Rahul Gandhi) পালন করলেন এবং তারপর ফিরে এলেন (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Devendra Fadnavis: ‘‘এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়’’, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে কী বার্তা দিলেন ফড়ণবীশ?

    Devendra Fadnavis: ‘‘এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়’’, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে কী বার্তা দিলেন ফড়ণবীশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগপুরের কাউন্সিলার থেকে তৃতীয়বারের জন্য মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ। মাত্র ৫৪ বছরের জীবনে রাজনৈতিক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে চাণক্য-বুদ্ধিতে পথের নানান কাঁটা উপড়ে ফেলে ফের মুখ্যমন্ত্রীর পাগড়ি পরতে চলেছেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে, তিনি জোট একতার উপর জোর দিলেন। বুধবার বিধান পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ার পরেই দেবেন্দ্র বলেন, ‘‘এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়।’’

    মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়

    বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার আগে ফড়ণবীশ বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সবসময় বলেন সমস্ত ধর্মগ্রন্থের চেয়ে ভারতের সংবিধানই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ তাঁর কাছে। ভোটের ফলাফলে আমি খুশি। আমার উপর এক নয়া দায়িত্ব কাঁধে চাপল। আবার একবার প্রমাণ হল, মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়।’’ উল্লেখ্য, এবার রাজ্যে ১৪৯টি আসনে লড়াই করে ১৩২টি আসনে জিতেছে বিজেপি। যা রাজ্যের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এছাড়াও তদারকি মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের শিবসেনা ৫৭টি এবং অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীর এনসিপি ৪১ আসনে জয়ী হয়।

    এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়

    ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থা জারির সময় তাঁর বাবা গঙ্গাধররাও ফড়ণবীশকে জেলে পাঠিয়েছিল তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। যা কিশোর দেবেন্দ্রর মনে তিক্ত ছাপ ফেলেছিল। নাগপুরের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম। ছাত্র বয়স থেকেই রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্য হিসেবে তাঁর রাজনীতিতে হাতেখড়ি। সেই থেকে রাজনীতি করে ১৯৮৯ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে কনিষ্ঠতম কাউন্সিলর নির্বাচিত হন এবং মাত্র ২৭ বছর বয়সে নাগপুরের কনিষ্ঠতম মেয়র হন দেবেন্দ্র। ২০১৪ সালে রাজ্যের অষ্টাদশ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে গদিতে বসেন। তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে তাঁর কথায়, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী কেবল একটা টেকনিক্যাল নাম। আসলে আমি, একনাথ শিন্ডে ও অজিত পাওয়ার একসঙ্গে জোট বেঁধে যে কোনও কাজ করব। সবার মত নিয়েই সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। এক থেকে মহারাষ্ট্রকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এই সরকার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: ‘আপনার লজ্জা পাওয়া উচিত’, জামিন চেয়ে সুপ্রিম দুয়ারে ভর্ৎসিত পার্থ

    Partha Chatterjee: ‘আপনার লজ্জা পাওয়া উচিত’, জামিন চেয়ে সুপ্রিম দুয়ারে ভর্ৎসিত পার্থ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে সুপ্রিম দুয়ারেও (Supreme Court) ধাক্কা খেলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সরাসরি একজন দুর্নীতিবাজ বলে উল্লেখ করলেন বিচারপতি। এই ধরনের দুর্নীতিবাজদের জামিন দিলে সমাজে কী প্রভাব পড়বে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বাকি সবাই জামিন পেলে পার্থ কেন পাবেন না, শীর্ষ আদালতে প্রশ্ন তোলেন পার্থর আইনজীবী। এই প্রশ্ন শুনেই তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিচারপতি সূর্যকান্ত শর্মা। জানিয়ে দেন, বাকিরা কেউ শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন না। তাই অন্যদের সঙ্গে নিজের তুলনা করা উচিত নয় পার্থর।

    আদালতে সওয়াল-জবাব

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জামিন চেয়ে আদালতে সওয়াল করছিলেন পার্থর আইনজীবী। অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্যরা জামিন পেলে পার্থ কেন পাবেন না, আদালতে পার্থর হয়ে সওয়াল করেন তিনি। এতেই কড়া মন্তব্য করেন বিচারপতি সূর্যকান্ত। পার্থর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘আপনি নিজেকে অন্যদের সঙ্গে তুলনা করবেন না। সবাই শিক্ষামন্ত্রী ছিল না, আপনি ছিলেন। অন্যদের সঙ্গে তুলনা করার আগে আপনার লজ্জিত হওয়া উচিত। এঁরা সবাই আপনার সঙ্গেই কাজ করেছেন। আপনি মন্ত্রী ছিলেন।’’ বিচারপতি বলেন, ‘‘একজন মন্ত্রী হয়েও একাধিক লাভজনক সংস্থায় যুক্ত ছিলেন। তাঁর ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের মালিকানাধীন সংস্থার নামে সম্পত্তি কেনা হয়েছে। তিনি ভুয়ো সংস্থা খুলে তাতে ভুয়ো ডিরেক্টর নিয়োগ করেছেন। উনি খুব ভালো করে জানতেন যে তিনি নিজেই মন্ত্রী। তাই এর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা আর কারও নেই। আর তিনি নিজে তো নিজের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেবেন না। আদালত ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তৎপরতায় এই সব তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।’’ এদিন কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, গোটা মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকা খতিয়ে দেখে জামিনের ব্যাপারে বিবেচনা করা হোক।

    আরও পড়ুন: ‘‘নৌসেনার অঙ্গীকার দেশের সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করে’’, নৌ-দিবসে কুর্নিশ মোদি-শাহের

    রায়দান স্থগিত

    কলকাতা হাইকোর্টে জামিন না পেয়েই সর্বোচ্চ আদালতে গিয়েছিলেন পার্থ। তাঁর আইনজীবীর যুক্তি ছিল, পার্থ গ্রেফতার হওয়ার পর আড়াই বছর কেটে গিয়েছে। অথচ এখনও চার্জশিটই জমা পড়েনি। এই মামলায় সর্বোচ্চ সাত বছর জেল হতে পারে, যার এক তৃতীয়াংশের বেশি সময় জেলে কাটিয়ে ফেলেছেন পার্থ। এ প্রসঙ্গে পার্থর বয়স, শারীরিক অসুস্থতার কথাও আদালতে তুলে ধরেন পার্থর আইনজীবী। কিন্তু জামিনের সেই শুনানিতেই এদিন পার্থকে ভর্ৎসনা করল আদালত। এদিন এই মামলার শুনানি শেষ হলেও, রায়দান স্থগিত রেখেছে আদালত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kavach 5.0: ভারতে উচ্চ-গতি সম্পন্ন ট্রেন হবে কবচ ৫.০, প্রতি ঘণ্টায় ছুটবে ২৮০ কিমি বেগে

    Kavach 5.0: ভারতে উচ্চ-গতি সম্পন্ন ট্রেন হবে কবচ ৫.০, প্রতি ঘণ্টায় ছুটবে ২৮০ কিমি বেগে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবচ ৫.০ ট্রেন (Kavach 5.0) ভারতে ২৮০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে ছুটবে। ভারতীয় রেলের আরও এক হাই—স্পিড ট্রেন (Train) চালু হবে। উল্লেখ্য ভারতের রেল ব্যবস্থায় মোদির আমালে বিরাট পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করছেন যাত্রীদের একাংশ। এক দিকে বুলেট ট্রেন, বন্দে ভারত ট্রেন এবং অপর দিকে অত্যাধুনিক উন্নত সিগন্যালিং সিস্টেম, যা রেল যোগাযোগে এক আমূল পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছে দেশ।

    ৩২০ কিমির বেশি রেলপথে কাজ সম্পন্ন প্রায় (Kavach 5.0)

    কবচ ৫.০ ট্রেন (Kavach 5.0) একটি দেশীয় উচ্চ-গতি সম্পন্ন ট্রেন। এই ট্রেনের (Train) বিশেষত্ব হল উচ্চ গতি সম্পন্ন। অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও রয়েছে ট্রেনে। আপাতত মুম্বই-আমেদাবাদ রুটে এই ট্রেন চালানো হবে। ইতিমধ্যে ৩২০ কিমির বেশি রেলপথের জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়েছে এবং কাজ চলছে জোর কদমে। খুব দ্রুত এই রেলপথে এই ট্রেন ছুটবে। উল্লেখ্য মহারাষ্ট্রে এনডিএ সরকার গঠনের পর থেকে রেলের প্রকল্পে ব্যাপক প্রচার প্রসার লাভ করেছে।

    রেলের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, “এমএএইচএসআর প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হল, ভারতে উচ্চগতি সম্পন্ন রেল পথের বিস্তার করা। ভারত দ্রুত বুলেট ট্রেন করিডোরে সজ্জিত হবে। ২৫০ কিমি রেলপথ এবার ঘন্টায় ২৮০ কিমি গতিবেগে চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে বুলেট ট্রেনের মাধ্যমে। এই ট্রেন উন্নত বগি এবং পাওয়ার ট্রেন যুক্ত রেলের বডি থাকবে। এই প্রকল্প শেষ হতে আরও ৩ বছর সময় লাগবে।”

    আরও পড়ুনঃ এক অ্যাকাউন্টে চার নমিনি! ব্যাঙ্কিং আইন সংশোধনী বিল পাশ লোকসভায়

    জাপানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভারত

    কবচ ৫.০ (Kavach 5.0) ট্রেন প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে, ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি (ICF) এবং ভারত আর্থ মুভার্স লিমিটেড (BEML) এই হাই-স্পিড ট্রেনগুলি তৈরি করার জন্য চালু করা হয়েছে। ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট, টুলিং এবং টেস্টিং সুবিধা সহ বিইএমএল (BEML) প্রতি ইউনিট ২৭.৮৬ কোটি টাকায় কোচ তৈরি করবে, যার মোট খরচ হবে ৮৬৬.৮৭ কোটি টাকা। জাপানের শিনকানসেন সিস্টেমের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভারতের কোম্পানিগুলি একত্রে কাজ করবে। এমএএইচএসআর (MAHSR) করিডোরের জন্য লাইনের কাজ ইতিমধ্যেই ৫০ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়েছে। এই ভাবনা একটি শক্তিশালী অগ্রগতির ইঙ্গিত। ৩২০ কিমি ঘণ্টা গতিতে চলা এই হাই-স্পিড ট্রেনটি (Train) মুম্বই এবং আমেদাবাদের মধ্যে ৫০৮.১৭ কিমি দূরত্ব মাত্র দুই ঘন্টায় অতিক্রম করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shamsi Shahi Masjid: বদায়ুঁর শামসি শাহী মসজিদ আসলে নীলকণ্ঠ মহাদেবের মন্দির, কীভাবে ভাঙা হয়েছিল জানেন?

    Shamsi Shahi Masjid: বদায়ুঁর শামসি শাহী মসজিদ আসলে নীলকণ্ঠ মহাদেবের মন্দির, কীভাবে ভাঙা হয়েছিল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের বদায়ুঁর শামসি শাহী মসজিদ (Shamsi Shahi Masjid) হল হিন্দু নীলকণ্ঠ মহাদেবের মন্দির (Nilkanth Mahadev Mandir)। ঐতিহাসিক তথ্য এবং প্রমাণ তুলে ধরে হিন্দুরা মসজিদ থেকে মন্দির উদ্ধারের জন্য দাবি তুলেছেন। ইতিমধ্যে মামলা আদালতে গড়ালে আইনি লড়াইকে দ্রুত নিস্পত্তি করতে ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠন করা হয়। ৩ ডিসেম্বর মামলার শুনানি ছিল আদালতে কিন্তু মুসলিম পক্ষ উপস্থিত না থাকায় আগামী ১০ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়। সম্ভলের মসজিদ যেমন হরিহর মন্দির ঠিক, একই ভাবে শামসিও শৈব মন্দির। আসুন জেনে নিই এই মন্দিরের ইতিহাস।

    প্রত্নতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণের তরফ থেকে সংরক্ষণ করা হয়েছে (Shamsi Shahi Masjid) 

    হিন্দু পক্ষ থেকে মুকেশ প্যাটেল দাবি তুলে বলেন, “বদায়ুঁর শামসি শাহী মসজিদের (Shamsi Shahi Masjid) বিতর্কিত কাঠামোটি আদতে শিবের মন্দির। প্রথমে সিভিল জজ সিনিয়র ডিভিশন ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে বাদী-বিবাদী পক্ষ নিজেদের বিষয় রাখবেন। মুসলিম পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখার কথা ছিল। কিন্তু তাঁরা উপস্থিত ছিলেন না। মন্দিরের (Nilkanth Mahadev Mandir) সম্পূর্ণ এলাকা প্রত্নতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণের তরফ থেকে সংরক্ষণ করা হয়েছে। মামলার বিষয় যেহেতু ধর্মীয় সংবেদনশীলতায় পূর্ণ তাই নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।” আবার হিন্দুপক্ষের আইনজীবী বেদ প্রকাশ সাহু বলেন, “মুসলিমপক্ষের আইনজীবীদের উদ্দেশ্য মামলাটি দীর্ঘায়িত করা। একই ভাবে তাঁরা মামলায় যুক্তির নামে আমাদের সময় এবং আদালতের সময় নষ্ট করতে চাইছে।”

    আরও পড়ুনঃ স্বর্ণমন্দিরে অকালি প্রধান সুখবীর সিং বাদলকে লক্ষ্য করে চলল গুলি, ধৃত হামলাকারী

    হিন্দু-মুসলিম পক্ষের বক্তব্য

    প্রসঙ্গত স্থানীয় হিন্দু পরম্পররা ইতিহাস সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জামে মসজিদ শামসি (Shamsi Shahi Masjid) তৈরি হয়েছে হিন্দু দেবতা নীলকণ্ঠ মহাদেবের মন্দিরটিকে (Nilkanth Mahadev Mandir) ভেঙে ফেলার মাধ্যমে। এক সময় এই মসজিদ কাঠামোর উপর শৈব মন্দির দাঁড়িয়ে ছিল। আবার পাল্টা মুসলিম পক্ষের দাবি, মসজিদ যে মন্দির ভেঙে নির্মাণ করা হয়েছে তার কোনও উল্লেখ নেই। এই শামসি মসজিদটি সুফি সাধক বাদশা শামসুদ্দিন আলতামাশ নির্মাণ করেছিলেন। এই এলাকায় আল্লার ইবাদত করতে এই মসজিদ স্থাপন হয়েছিল।

    মসজিদের ছোট খোদাই করা স্তম্ভ মন্দিরের অংশ

    উত্তরপ্রদেশে বদায়ুঁ জেলার গেজেটিয়ারের মতো ঐতিহাসিক নথি এই মন্দির বিতর্কটিকে ব্যাপকভাবে চাঞ্চাল্য তৈরি করেছে। গেজেটিয়ার থেকে জানা গিয়েছে, শামসি শাহী মসজিদটি (Shamsi Shahi Masjid) মন্দিরের (Nilkanth Mahadev Mandir) ভাঙা পাথরের উপর নির্ভর করে গড়া হয়েছে। শহরের মৌলভি টোলা এলাকার উচু জায়গায় রয়েছে। আগে এই এলাকায় প্রচুর হিন্দু বসবাস করত। এখানেই উঁচু স্থানে মন্দির প্রথমে ছিল, যা পরে মসজিদের জন্য জায়গা নির্ধারিত করা হয়। এখানকার প্রথম গভর্নর শামস-উদ্দিন ইলতুৎমিশ ১২০২ থেকে ১২১০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তাঁর শাসনামলে মসজিদের নির্মাণ হয়। মসজিদের মিহরাবের পাশে ছোট খোদাই করা স্তম্ভ, যা পুরানো হিন্দু মন্দিরের অংশ। উত্তর থেকে দক্ষিণে মোট বিস্তৃতি হল আনুমানিক ৮৫.৩ মিটার।

    মহিপাল দ্বারা নির্মিত হরমান্দর মন্দিরকে ভাঙা হয়

    ভারতীয় পুরাতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণের সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, প্রাচীন মন্দিরের বেলে পাথরের ব্লকগুলি মসজিদ (Shamsi Shahi Masjid) নির্মাণের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। একই ভাবে দুই পাশে দণ্ডায়মান স্তম্ভগুলি হিন্দু ভবন থেকে নেওয়া হয়েছে। তবে মসজিদের জন্য কিছুটা ছোট করা হয়েছে। একইভাবে গাঙ্গেয় প্রদেশ ভ্রমণের রিপোর্ট (১৮৫৭-৭৬ এবং ১৮৭৭-৭৮) সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মসজিদ হল আদতে পালরাজা মহিপাল দ্বারা নির্মিত হরমান্দর নামে একটি মন্দির। খুব পরিকল্পনার সঙ্গে ইসলামি আক্রমণের সময় মন্দিরটিকে ভেঙে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল। একই ভাবে মসজিদের গাত্রে হিন্দু শৈলী, শিল্পকলা, নকশা এবং নানাবিধ উপকরণ লক্ষ্য করা গিয়েছে। এত সব প্রমাণের উপর নির্ভর করে হিন্দু পক্ষের দাবি এই মসজিদ আগে হিন্দু মন্দিরই (Nilkanth Mahadev Mandir) ছিল।

    হিন্দু সংস্কৃতির পুনঃজাগরণ

    উল্লেখ্য এই মামলায় ভারতীয় পুরাতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক মন্ত্রককে পক্ষ করা হয়েছে। এই মসজিদ (Shamsi Shahi Masjid) কাঠামো বিতর্কে ২০২২ সালে প্রথম মামলা দায়ের করা হয়েছিল। একই ভাবে গত ২৪ নভেম্বর সম্ভলে মসজিদ জরিপ করতে গেলে সরকারি কাজে বাধা দিয়ে উস্কানি ছড়ায় উন্মত্ত মুসলমানরা। তদন্তে দুষ্কৃতীরা যে অস্ত্র ব্যবহার করেছেন তাতে পাকিস্তান-আমেরিকার নাম এসেছে। ফলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন মসজিদের কবল থেকে মন্দিরকে (Nilkanth Mahadev Mandir) পুনঃপ্রতিষ্ঠা যথার্থ ভাবে হিন্দু সংস্কৃতির পুনঃজাগরণ বটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘নৌসেনার অঙ্গীকার দেশের সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করে’’, নৌ-দিবসে কুর্নিশ মোদি-শাহের

    PM Modi: ‘‘নৌসেনার অঙ্গীকার দেশের সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করে’’, নৌ-দিবসে কুর্নিশ মোদি-শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌবাহিনীর অঙ্গীকার দেশের সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করেছে। নৌবাহিনী দিবসে (Indian Navy Day 2024) বাহিনীর জওয়ানদের সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানিয়ে এই কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রতি বছর ৪ ডিসেম্বর নৌবাহিনী তার প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করে। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে পাকিস্তানের করাচি বন্দরে নৌবাহিনীর হামলার স্মরণে এই প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হয়। এদিন নৌসেনাদের স্যালুট জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi), কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-সহ অন্যান্যরা।

    প্রধানমন্ত্রীর কুর্ণিশ

    বুধবার সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) লিখেছেন, “নৌবাহিনী দিবসে, আমরা ভারতীয় নৌবাহিনীর বীর জওয়ানদের অভিবাদন জানাই, যাঁরা অতুলনীয় সাহস এবং নিষ্ঠার সঙ্গে আমাদের সমুদ্র রক্ষা করেন। তাঁদের অঙ্গীকার আমাদের দেশের সুরক্ষা, নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করেছে। ভারতের সমৃদ্ধ সামুদ্রিক ইতিহাসেও আমরা গর্ব করি।”

     স্যালুট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও (Amit Shah) টুইট বার্তায় ভারতীয় নৌবাহিনীর অভূতপূর্ব সাহস এবং কৌশলগত দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘‘আমাদের নৌবাহিনী কেবল সমুদ্রপথ রক্ষা করে না বরং বৈদেশিক নীতির উন্নতিতেও সাহায্য করে। নৌবাহিনী দিবসে, আমি আমাদের সাহসী নৌ কর্মীদের এবং তাদের পরিবারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমরা আমাদের সামুদ্রিক সীমান্ত রক্ষায় নৌবাহিনীর বীরত্ব, নিষ্ঠা ও অঙ্গীকারকে অভিনন্দন জানাই।’’

    সবসময় পাশে নৌসেনা

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও (Rajnath Singh) নৌসেনাদের কুর্নিশ জানান। তিনি লেখেন, ‘‘ভারতীয় নৌবাহিনীর অবদান শুধু দেশের নিরাপত্তায় নয়, বিদেশ নীতিকেও শক্তিশালী করে। আমাদের সমুদ্রপথের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে প্রাকৃতিক দুর্যোগে সহায়তা, মানবিক কাজে নৌবাহিনীর অবদান অতুলনীয়। এই দিনটি নৌবাহিনীর আত্মত্যাগ এবং তাদের অনন্য কর্মকে স্মরণ করার এক অভাবনীয় সুযোগ। ভারতীয় নৌবাহিনীর ইতিহাস সমৃদ্ধ ও গৌরবময়। স্বাধীনতা সংগ্রামেও ভারতীয় নৌবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। আজও তারা আমাদের সামুদ্রিক এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Banking Laws Amendment Bill 2024: এক অ্যাকাউন্টে চার নমিনি! ব্যাঙ্কিং আইন সংশোধনী বিল পাশ লোকসভায়

    Banking Laws Amendment Bill 2024: এক অ্যাকাউন্টে চার নমিনি! ব্যাঙ্কিং আইন সংশোধনী বিল পাশ লোকসভায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে একজন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টধারী সর্বোচ্চ চারজনকে নমিনি রাখতে পারবেন। কোন নমিনি কত শতাংশ টাকা পাবেন, তাও উল্লেখ করা যাবে। মঙ্গলবারই লোকসভায় পাশ হয়েছে ব্যাঙ্কিং আইন (সংশোধনী বিল), ২০২৪ (Banking Laws Amendment Bill 2024)। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন, যে কোনও আমানতকারীর আইনি উত্তরাধিকারীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এমন পদক্ষেপ।

    নয়া আইনে কী সুবিধা

    ১৯৪৯ সালের ব্যাঙ্কিং রেগুলেশন আইনের ৪৫ জেডএ (১) ধারা অনুযায়ী একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এক জনের বেশি নমিনি করা যেত না। কিন্তু এবার সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতেই নমিনির সংখ্যা বাড়ানোর পক্ষেই সায় দিয়েছে মোদি সরকার। শুধুমাত্র ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নয়, লকারে রাখা সামগ্রির ক্ষেত্রেও একাধিক নমিনি রাখার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নয়া ব্যাঙ্কিং আইন সংশোধনীতে। এছাড়াও নতুন বিলে সমবায় ব্যাঙ্কগুলিতে পরিচালকদের মেয়াদ ৮ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করার প্রস্তাব পাশ করা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাঙ্কের এক জন পদমর্যাদার আধিকারিককে রাজ্য সমবায় ব্যাঙ্কের বোর্ডে নিয়োগের কথাও জানানো হয়েছে।

    সুরক্ষা ও নিরাপত্তাই লক্ষ্য

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা জানান, ২০১৪ সাল থেকে সরকার এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ব্যাঙ্কগুলিকে স্থিতিশীল রাখতে কাজ করছে। তাই সারা দেশে ব্যাঙ্কগুলো এখন নিরাপদ এবং স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এই সংশোধনীগুলি ব্যাঙ্কিং (Banking Laws Amendment Bill 2024) খাতে শাসনব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং মনোনয়ন সংক্রান্ত গ্রাহক সুবিধা আরও বাড়াবে যাতে বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা জোরদার হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Devendra Fadnavis: ফড়ণবীশেই সিলমোহর, বৃহস্পতিতে জমকালো অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ দেবেন্দ্রর

    Devendra Fadnavis: ফড়ণবীশেই সিলমোহর, বৃহস্পতিতে জমকালো অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ দেবেন্দ্রর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমের খবরেই পড়ল সিলমোহর! মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) নয়া মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়ণবীশই (Devendra Fadnavis)। বুধবারের বৈঠকে তাঁর নামেই সিলমোহর দিল পদ্ম-পার্টির পরিষদীয় দল। বিধানসভায় বিজেপির নেতাও তিনি। ৫ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন ফড়ণবীশ।

    ফড়ণবীশের নামেই সিলমোহর

    মুখ্যমন্ত্রী পদে কাকে বসানো হবে, তা ঠিক করতে এদিন মুম্বইয়ে বৈঠকে বসে বিজেপির পরিষদীয় দল। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দুই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক – কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ও গুজরাটের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি। এই বৈঠকেই ফড়ণবীশের নাম প্রস্তাব করেন রূপানি। তাতে সায় দেন সকলেই। এই বৈঠকেই পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবেও বেছে নেওয়া হয় মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রীকেই (Devendra Fadnavis)। এদিনই বিকেলে ফড়ণবীশের নেতৃত্বাধীন বিজেপি বিধায়কদের একটি দল রাজভবনে যাবে। রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণণের কাছে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন তাঁরা। বিজেপির সঙ্গে এনসিপির অজিত গোষ্ঠীরও নেতারাও রাজভবনে যাবেন বলে খবর।

    জমকালো শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আজাদ ময়দানে হবে শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান। এদিন ফড়ণবীশের সঙ্গে উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন শিবসেনার একনাথ শিন্ডে এবং এনসিপির অজিত পাওয়ারও। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নাম ঘোষণার পর দলীয় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফড়ণবীশ প্রধানমন্ত্রীর ‘এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়’ স্লোগানটির উল্লেখ করেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, মহাযুতি জোট একত্রিত।

    আরও পড়ুন: স্বর্ণমন্দিরে অকালি প্রধান সুখবীর সিং বাদলকে লক্ষ্য করে চলল গুলি, ধৃত হামলাকারী

    মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮। তার মধ্যে বিজেপি প্রার্থী দিয়েছিল ১৪৯টি আসনে। পদ্ম ফুটেছে ১৩২টি কেন্দ্রে। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট (মহারাষ্ট্রে মহাযুতি জোট নামে পরিচিত)-এর বাকি দুই শরিক শিবসেনার একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠী পেয়েছে ৫৭টি আসন। আর এনসিপির অজিত পাওয়ার গোষ্ঠী পেয়েছে ৪১টি আসন। শিন্ডেই ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী পদে। তাই তাঁর দলের নেতা-কর্মীরা চেয়েছিলেন শিন্ডেকেই ফের বসানো হোক মুখ্যমন্ত্রী পদে। তবে যেহেতু বিজেপিই একক বৃহত্তম দল এবং জোটের মধ্যে তারই ঝুলিতে রয়েছে সব চেয়ে বেশি আসন, তাই মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার ছিল বিজেপিই। সেই দাবিতেই পড়ল সিলমোহর। মুখ্যমন্ত্রী পদে (Maharashtra) বসানো হচ্ছে গৈরিক শিবিরের ফড়ণবীশকে (Devendra Fadnavis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sambhal Violence: সম্ভল হিংসায় উদ্ধার হওয়া কার্তুজে পাকিস্তান, আমেরিকা যোগ! বলছে ফরেনসিক রিপোর্ট

    Sambhal Violence: সম্ভল হিংসায় উদ্ধার হওয়া কার্তুজে পাকিস্তান, আমেরিকা যোগ! বলছে ফরেনসিক রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে (Sambhal Violence) কট্টর মুসলমানদের দ্বারা সংগঠিত হিংসার ঘটনায় ফরেনসিক দল তদন্ত করে জানিয়েছে, সেদিনের হামলায় পাকিস্তান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি কার্তুজ ব্যবহার করা হয়েছিল। পুলিশ সবরকম যোগসূত্রের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার কার্তুজগুলিকে পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে সেগুলি পাকিস্তান (Pakistan) অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে তৈরি হয়েছে। ফলে সম্ভলে মসজিদ বিতর্ক এবং হিংসার পিছনে আন্তর্জাতিক চক্রের সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠেছে। উল্লেখ্য, হিন্দু পক্ষের দাবি, এই সম্ভলের জামা মসজিদ আদতে ভগবান বিষ্ণুর কল্কির মন্দির। মন্দির ভেঙে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল মুঘল আমলে।

    রাস্তার ড্রেন থেকে উদ্ধার কার্তুজ (Sambhal Violence)!

    ফরেনসিক রিপোর্টের তথ্য তুলে ধরে ঘটনায় যে পরিকল্পিত এবং বৃহৎ ষড়যন্ত্র জড়িত রয়েছে তা তুলে ধরে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) শ্রীশ চন্দ্র বলেন, “মঙ্গলবার ফরেনসিক দল কোট গারভি (Sambhal Violence) পাড়ায় পৌঁছেছিল। এখানেই গত ২৪ নভেম্বর শাহি জামা মসজিদদের জরিপ চলাকালীন হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। একটি বিশেষ দুষ্কৃতীর দল ইট-পাথর বর্ষণ করেছিল। তদন্তকারী দল রাস্তার পাশের ড্রেন থেকে ছয়টি কার্তুজ উদ্ধার করেছে। এই খালি কার্তুজের মধ্যে একটি পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা হয়েছে।” এই তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই এলাকার মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। 

    মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করে তল্লাশি অভিযান চলছে

    পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, পাকিস্তানের তৈরি হওয়া অস্ত্র ভারতের মধ্যে ব্যবহার করে এদেশের শান্তি-শৃঙ্খলাকে বিঘ্নিত করা হচ্ছে।  ভারতের বাইরে থেকে পাচার হয়ে আসা অস্ত্র দিয়ে ভারতের ক্ষতি সাধনের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র আরও প্রকট হয়েছে। ইতিমধ্যে দেশের নিরপাত্তায় থাকা বাহিনী এবং সংস্থাগুলিকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই এলাকার (Sambhal Violence) বিভাগীয় কমিশনার অঞ্জনেয়া সিং বলেন, “একটি কার্তুজের গায়ে ‘পিওএফ’ (অর্থাৎ পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি) লেখা রয়েছে। এটি একটি ৯ মিমি কার্তুজ। বুলেটটি বন্দুক থেকে নিক্ষিপ্ত। অর্থাৎ এটি ফায়ার করা হয়েছিল। এটি সম্ভবত পাকিস্তানে (Pakistan) তৈরি। ‘টু স্টার উইথ এফএল’ সহ আরেকটি ৯ মিমি কার্তুজ সম্ভবত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি। এছাড়াও, দুটি ১২-বোরের এবং দুটি ৩২-বোরের খোল পাওয়া গিয়েছে। পুলিশের দল এখনও মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। অভিযানে আমরা পুর নিগমের সহায়তা নিচ্ছি।”

    দুটি তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে

    সম্ভল (Sambhal Violence) মসজিদ জরিপের কাজে সরকারী কর্মীদের উপর হামলা করার পর ব্যাপক হিংসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যোগী সরকার দুটি বিশেষ তদন্ত দল এসআইটি গঠন করেছে। সম্ভলের পুলিশ সুপার কৃষাণ কুমার বলেন, “আন্তর্জাতিক কার্তুজ উদ্ধার পুলিশের জন্য চমকপ্রদ ঘটনা এবং তদন্ত সংস্থার সহায়তায় এটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করা হবে। অতীতে, এনআইএ দেশবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত অপরাধীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে স্থানীয় পুলিশের সহায়তা নিয়েছিল। আমরা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সব অপরাধীর ইতিহাস খতিয়ে দেখব এবং হিংসার সঙ্গে জড়িত কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা হবে। এমনকী, পাকিস্তানে (Pakistan) তৈরি কার্তুজগুলি হিংসাকে উস্কে দেওয়ার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুনঃ স্বর্ণমন্দিরে অকালি প্রধান সুখবীর সিং বাদলকে লক্ষ্য করে চলল গুলি, ধৃত হামলাকারী

    সংঘর্ষে ৪ বন্দুকবাজের মৃত্যু হয়েছিল

    গত ১৯ নভেম্বর উত্তর প্রদেশের সম্ভলে (Sambhal Violence) জামা মসজিদে আদালতের নির্দেশে জরিপের কাজ শুরু হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টে বিষ্ণু শঙ্কর জৈন এবং সাতজন বাদী পক্ষের দায়ের করা মামলার পিটিশনের জবাবে মসজিদ জরিপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের দাবি, আদতে এই মসজিদ হল ভগবান বিষ্ণুর হরিহর দেবতার মন্দির। মুসলমান শাসক বাবর এই মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি করেন। মসজিদ কাঠামোটি বেআইনি, এই নিয়ে হিন্দু পক্ষ তীব্র আপত্তি জানায়। কিন্তু ২৪ অগাস্ট সম্ভলে দ্বিতীয়বার জরিপের কাজ করতে গেলে উত্তেজিত মুসলিম দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে। ইট-পাথর বর্ষণ করে হত্যা করতে পরিকল্পনা করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামানো হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। এতে ২০ জন পুলিশ কর্মী গুরুতর আহত হন। একই ভাবে দুষ্কৃতীদের বন্দুক থেকে গুলির আঘাতে ৩ জন মানুষের মৃত্যু হয়। আবার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ৪ বন্দুকবাজের মৃত্যু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Digital Arrest: ৬ লক্ষ সিম, ৫৯ হাজার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ব্লক, ‘ডিজিট্যাল অ্যারেস্ট’ রুখতে কঠোর কেন্দ্র

    Digital Arrest: ৬ লক্ষ সিম, ৫৯ হাজার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ব্লক, ‘ডিজিট্যাল অ্যারেস্ট’ রুখতে কঠোর কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আতঙ্কের অপর নাম এখন ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’। কয়েকদিন আগেই ইডি জানিয়েছিল, গত ১০ মাসে এই প্রতারণার শিকার হয়ে ২,১৪০ কোটি টাকা খুইয়েছেন সাধারণ মানুষ। তাইল্যান্ড, হংকং, লাওসের মতো একাধিক দেশ থেকে ভারতের মাটিতে চলছে এই প্রতারণা। ডিজিট্যাল অ্যারেস্টের ঘটনা রুখতে ভারত সরকারও বদ্ধপরিকর। মঙ্গলবার লোকসভায় সেই বার্তা দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এদিন লোকসভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, ‘ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টার’ ১,৭০০টিরও বেশি স্কাইপে আইডি এবং ৫৯,০০০টিরও বেশি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করে সেগুলিকে ‘ব্লক’ করেছে। এই অ্যাকাউন্টগুলি ডিজিট্যাল অ্যারেস্টের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল।

    ডিজিটাল অ্যারেস্ট নিয়ে প্রচার

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এদিন সংসদে একটি লিখিত বিবৃতি পেশ করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, ‘ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ডিজিট্যাল অ্য়ারেস্ট নিয়ে একটি সামগ্রিক প্রচার কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। সেই কর্মসূচির আওতায় বহু ব্যবস্থাপনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেমন – ডিজিট্যাল অ্যারেস্ট সংক্রান্ত দুর্নীতি নিয়ে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশ, দিল্লি মেট্রোয় এই বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত ঘোষণা, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের মাধ্যমে এই বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো, প্রসার ভারতী এবং বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমে ডিজিট্যাল অ্যারেস্ট নিয়ে প্রচার ইত্যাদি।…’

    আরও পড়ুন: ঘুম ছুটবে শত্রুদের! ভারতীয় সেনার হাতে এল দেশে তৈরি ৪৮০টি আত্মঘাতী ‘নাগাস্ত্র’ ড্রোন

    ডিজিটাল অ্যারেস্ট রুখতে পদক্ষেপ

    মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ১৫ নভেম্বরের মধ্যে ৬ লক্ষ ৬৯ হাজারেরও বেশি সিম কার্ড এবং প্রায় ১ লক্ষ ৩২ হাজার আইএমইআই নম্বর চিহ্নিত করে সেগুলিকে ব্লক করা হয়েছে। এগুলি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ডিজিট্যাল অ্য়ারেস্ট কিংবা কোনও ধরনের সাইবার ক্রাইমে ব্যবহার করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ডিজিট্যাল অ্যারেস্টের ক্ষেত্রে এমন কিছু নম্বর ব্যবহার করা হচ্ছে, যেগুলি আদতে বিদেশি নম্বর, কিন্তু সেগুলির মাধ্যমে যখন ভারতের কোনও গ্রাহকের মোবাইলে কল করা হচ্ছে, তখন সেই নম্বর দেখে যে কারও মনে হবে, সেগুলি ভারতীয় নম্বর। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দাবি, ‘সিটিজেন ফিন্যান্সিয়াল সাইবার ফ্রড রিপোর্টিং অ্য়ান্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’-এর মাধ্যমে সাইবার জালিয়াতির খবর পাওয়ামাত্র এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকার লেনদেন তৎক্ষণাৎ বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। যার জেরে ২০২১ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ৩,৪৩১ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ৯.৯৪ লক্ষেরও বেশি অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করে এই সাফল্য এসেছে। ডিজিটাল অ্যারেস্ট, সাইবার অপরাধ রুখতে সরকারের তরফে প্রত্যেকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, এনসিবি, সিবিআই, আরবিআই-সহ সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগ ও সংস্থাগুলিকেও সতর্ক করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share