Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • BJP Manifesto Committee: দুয়ারে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন, বৈঠকে বিজেপির ইস্তাহার কমিটি

    BJP Manifesto Committee: দুয়ারে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন, বৈঠকে বিজেপির ইস্তাহার কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন (Delhi Assembly Elections)। প্রস্তুতি শুরু করে দিল বিজেপি। সোমবার বৈঠকে বৈঠকে বসল পদ্ম-পার্টির ইস্তাহার কমিটি (BJP Manifesto Committee)। দলের নেতা রামবীর সিং বিধুরির সভাপতিত্বে হয়েছে বৈঠক। সদ্যই মহারাষ্ট্রে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট। দুরমুশ করে দিয়েছে বিরোধীদের। প্রত্যাশিতভাবেই উল্লসিত গেরুয়া শিবির। তার পর এদিন বৈঠকে বসল ইস্তাহার কমিটি।  

    কী বললেন সচদেব? (BJP Manifesto Committee)

    দিল্লি বিজেপির সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেব বলেন, “দলটি দিল্লিতেও বিপুল ভোটে জয়ী হবে।” সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণ দিল্লির বিজেপি কর্মীদের উজ্জীবিত করেছে। এখন দিল্লিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে এমন লোকদের উপযুক্ত জবাব দেওয়ার সময় এসেছে।” তিনি বলেন, “জনগণ একটি পরিচ্ছন্ন, দুর্নীতিমুক্ত দিল্লি চায়। মহারাষ্ট্র এবং হরিয়ানার পর, জনগণ দিল্লিতেও বিজেপি সরকার বেছে নেবে। আসন্ন দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি বিশাল জনসমর্থন পাবে।”

    দুর্নীতিমুক্ত সরকার

    ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে হওয়ার কথা (BJP Manifesto Committee) দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন। গেরুয়া শিবিরের কাছে এটি প্রেস্টিজ ফাইট। প্রেস্টিজ ইস্যু আম আদমি পার্টির কাছেও। সচদেব বলেন, “জনগণ চায় দুর্নীতিমুক্ত একটি সরকার। মহারাষ্ট্রে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন মহাযুতি জোট বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হয়েছে। দিল্লিতেও তেমনই হবে।” মহারাষ্ট্রে বিজেপির বিপুল ভোটে জয় অক্সিজেন জুগিয়েছে বিজেপির উত্তুঙ্গ আত্মবিশ্বাসে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং বিজেপি-নেতৃত্বাধীন মহাযুতি জোটের বিজয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্রের জনগণ নেতিবাচক ও পরিবারভিত্তিক রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।”

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে গ্রেফতার নিপীড়িত হিন্দুদের মুখ চিন্ময় প্রভু

    উত্তর-পূর্ব দিল্লির সাংসদ বিজেপির মনোজ তিওয়ারিও পদ্ম-পার্টির এই জয়কে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “যেমন প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, ৫০ বছরের মধ্যে প্রথমবার, একটি দল বা জোট এত বড় ম্যান্ডেট পেয়েছে। মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে দলের এই জয় ঐতিহাসিক… জনগণ তাদেরই বেছে নিচ্ছে যাদের জন্য জাতি আজ সর্বাগ্রে।” প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮। এর মধ্যে বিজেপি একাই পেয়েছে ১৩২টি আসন (Delhi Assembly Elections)। জোট শরিক শিবসেনা ও এনসিপি পেয়েছে যথাক্রমে ৫৭ ও ৪১টি আসন (BJP Manifesto Committee)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PAN Card QR Code: প্যান কার্ডে জুড়ছে কিউআর কোড, সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, আরও বাড়বে সুরক্ষা

    PAN Card QR Code: প্যান কার্ডে জুড়ছে কিউআর কোড, সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, আরও বাড়বে সুরক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যান কার্ড (Pan Card) কার্যত এখন দেশের প্রতিটি নাগরিকের জীবনের অন্যতম অঙ্গ হয়ে গিয়েছে। এবার সেই প্যান কার্ডে বড় বদল আসতে চলেছে। প্যান কার্ডকে আরও আধুনিক, আরও স্মার্ট করার লক্ষ্যে আয়কর বিভাগের বিশেষ প্রকল্প অনুমোদন করল মোদি মন্ত্রিসভা (Modi Cabinet)। এই প্রকল্প অনুযায়ী, এবার থেকে প্যান কার্ডে কিউআর কোড যুক্ত হবে (PAN Card QR Code)। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সম্পর্কিত ক্যাবিনেট কমিটির (সিসিইএ) বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্যান ২.০’ (PAN 2.0)। এই প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বরাদ্দ করা হয়েছে ১৪৩৫ কোটি টাকা।

    নতুন প্রকল্পে কী কী সুবিধা

    প্যান কার্ডে কিউআর কোড (PAN Card QR Code) ছাড়া আর কী কী সুবিধা থাকবে তা নিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Modi Cabinet)। প্যান কার্ডে কিউআর কোড  থাকার ফলে আয়করদাতাদের আর্থিক লেনদেন অনেক সহজ এবং স্বচ্ছ হয়ে উঠবে। পাশাপাশি, উন্নত মানের এবং দ্রুত পরিষেবা পাওয়া যাবে। ব্যক্তিগত তথ্য এবং অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত থাকবে। আর্থিক জালিয়াতির ভয় কিছুটা হলেও কমবে। এই প্রকল্পের ফলে সাধারণ মানুষের আর্থিক সুরক্ষা ও নিরাপত্তা আরও উন্নত হবে বলেও দাবি করা হচ্ছে। গ্রাহকেরা একেবারে বিনাপয়সা আপগ্রেড করে নিতে পারবেন এই প্যান কার্ডের। এই নতুন সিস্টেম (PAN Card QR Code) হবে একেবারে পেপারবিহীন। এর মাধ্যমে কিউআর কোড স্ক্যানিংয়ের সুবিধা মিলবে।

    স্বচ্ছ, সহজ, উন্নত পরিষেবা 

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক্স হ্যন্ডলে লেখেন, “প্যান ২.০ প্রকল্পের মাধ্যমে আয়করদাতাদের অনেক সুবিধা হবে। তাঁরা নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে স্বচ্ছ, সহজ এবং উন্নত পরিষেবা পাবেন।” তবে, কবে থেকে নতুন প্যান কার্ডের (PAN Card QR Code) এই পরিষেবা চালু হবে তা নিয়ে এখনও কিছু জানায়নি কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Cabinet)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Constitution Day: আজ সংবিধান দিবস, সংসদের যৌথ কক্ষের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি

    Constitution Day: আজ সংবিধান দিবস, সংসদের যৌথ কক্ষের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর গৃহীত হয়েছিল ভারতের সংবিধান। চলতি বছর সংবিধান দিবসের (Constitution Day) ৭৫তম বর্ষপূর্তি। এই দিনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Murmu) সংসদের যৌথ কক্ষের অধিবেশনে বক্তব্য রাখবেন। জানা গিয়েছে, আজ মঙ্গলবার সংস্কৃত এবং মৈথিলি ভাষাতেও সংবিধান প্রকাশ করবেন রাষ্ট্রপতি। এই অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, দেশের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় এবং লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবারই কেন্দ্রীয় সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে https://constitution75.com ওয়েবসাইট, এর মাধ্যমে দেশের জনগণকে উৎসাহিত করা হচ্ছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আরও বেশি করে সংবিধানকে জানার জন্য। একইসঙ্গে, ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনা বিভিন্ন স্কুল, শহর এবং গ্রামে পর্যন্ত যাতে প্রত্যেকে পড়তে পারেন সে বিষয়ে উদ্যোগও নিচ্ছে মোদি সরকার।

    ২০১৫ সাল থেকে পালিত হচ্ছে সংবিধান দিবস (Constitution Day)

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সাল পর্যন্ত ২৬ নভেম্বরকে পালন করা হত আইন দিবস হিসেবে। কিন্তু তারপরে এই নামকরণ পরিবর্তন করা হয় ২০১৫ সালে। সে বছর থেকে ২৬ নভেম্বরকে সংবিধান দিবস (Constitution Day) হিসেবে পালন করা শুরু হয়। ১৯৪৬ সালের ৯ ডিসেম্বর সংবিধান সভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংবিধান তৈরি করতে মোট সময় লেগেছিল ২ বছর ১১ মাস ১৭ দিন। ১৯৪৯ সালে সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া গ্রহণ করা হয়। এর পর, ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে তা কার্যকর হয়। প্রসঙ্গত, দেশের সংবিধান নির্মাতা ছিলেন ভীমরাও বাবাসাহেব অম্বেডকর। বাবাসাহেব অম্বেডকর ছিলেন সংবিধানের খসড়া কমিটির চেয়ারম্যান। ভারতের সংবিধানকে তৈরি করতে তাঁর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল।

    অম্বেডকরের মূর্তি উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

    এদিন (Constitution Day) বাবাসাহেব অম্বেডকরের একটি মূর্তি দেশের সুপ্রিম কোর্টের সামনে উদ্বোধন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদীর মুর্মু। মূর্তিটি সাত ফুট লম্বা এবং তিন ফুট চওড়া। এছাড়া আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের সংবিধান দিবসের (Constitution Day) অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই বক্তব্য রাখবেন তিনি। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন মেঘওয়াল, শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচারপতি বি আর গাভাই ও বিচারপতি সূর্যকান্ত মিশ্র সহ সুপ্রিম কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট কপিল সিব্বল।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Constitution Day 2024: মঙ্গলে সংবিধান দিবস, সুপ্রিম কোর্টে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    Constitution Day 2024: মঙ্গলে সংবিধান দিবস, সুপ্রিম কোর্টে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবস (Constitution Day 2024)। দিনটিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে। এই উপলক্ষে এদিন সুপ্রিম কোর্টে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় সংবিধান। ২০১৫ সাল থেকে ২৬ নভেম্বর দিনটিকে ‘সংবিধান দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। এদিন সেন্ট্রাল হলে সংবিধান গৃহীত হওয়ার ৭৫তম বার্ষিকী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়।

    সুপ্রিম কোর্টে বক্তব্য রাখবেন যাঁরা (Constitution Day 2024)

    সুপ্রিম কোর্টের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন মেঘওয়াল, ভারতের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচারপতি বি.আর. গাভাই, বিচারপতি সূর্যকান্ত, এবং সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কপিল সিবাল। এদিকে, বিরোধী জোটের বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য (Constitution Day 2024) লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি লিখে অনুরোধ করেছেন যে সংবিধান দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে উভয় কক্ষের বিরোধী দলের নেতাদের বক্তৃতা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হোক।

    আরও পড়ুন: “অফিসিয়ালি শুরু হয়ে গিয়েছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”, দাবি ইউক্রেনের প্রাক্তন কমান্ডারের

    কী বলছেন বিরোধীরা

    স্পিকারকে লেখা বিরোধীদের চিঠিতে লেখা হয়েছে, “আমরা সংবিধান সভা ভবনের সেন্ট্রাল হলে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিতব্য অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গে এই চিঠি লিখছি, যা ভারতের সংবিধান গৃহীত হওয়ার ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে। আমরা জানি যে এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবেন। আমরা মনে করি যে সংসদীয় গণতন্ত্রের সেরা ঐতিহ্য এবং স্বার্থ বজায় রাখতে উভয় কক্ষের বিরোধী দলের নেতাদের এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া (PM Modi) উচিত।” বিরোধীদের লেখা এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন টিআর বালু, তিরুচি শিবা, কানিমোঝি, সুপ্রিয়া সুলে, রাঘব চাড্ডা, পি সন্তোষ কুমার, ইটি মোহাম্মদ বশির, কে রাধাকৃষ্ণন, রামজি লাল সুমন এবং এনকে প্রেমচন্দ্রন (Constitution Day 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sabarimala Temple: ৯ দিনে শবরীমালা দর্শন ছয় লাখের বেশি ভক্তের, মন্দিরের রাজস্ব ছুঁয়েছে ৪১ কোটি টাকা!

    Sabarimala Temple: ৯ দিনে শবরীমালা দর্শন ছয় লাখের বেশি ভক্তের, মন্দিরের রাজস্ব ছুঁয়েছে ৪১ কোটি টাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয় দিনে ছয় লাখের বেশি ভক্ত শবরীমালা (Sabarimala Temple) দর্শন করেছেন। মন্দিরের রাজস্ব ছুঁয়েছে ৪১ কোটি টাকা। দেশব্যাপী দর্শনার্থীদের (Devotees) জন্য ভান্দিপেরিয়ার সাথরাম, ইরুমেলি এবং পাম্বাতে তিনটি স্পট অনলাইন বুকিং কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে পুণ্যার্থীদের মধ্যে আয়াপ্পান দর্শনকে ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে। উল্লেখ্য কেরলের এই মন্দিরের দেবতা হলেন কুমার কার্তিক ঠাকুর। তাঁকে ঘিরে ২ মাস ধরে চলে মণ্ডলম-মাকারাভিলাক্কু তীর্থযাত্রা। এই সময়ে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয় মন্দির-চত্বরে।

    বোর্ড সভাপতির বক্তব্য(Sabarimala Temple)

    ত্রাভাঙ্কোর দেবস্বম বোর্ড (টিডিবি) সভাপতি (Sabarimala Temple) পিএস প্রশান্ত বলেন, “মন্দিরের দরজা ১৬ নভেম্বর (বৃশ্চিকম ১) খোলা হয়েছিল, বর্তমান সময়ের মধ্যে ৬,১২,২৯০ জন তীর্থযাত্রী মন্দির দর্শন করেছেন। গত বছরের একই সময়সীমায় আগত ভক্তের (Devotees) সংখ্যা ছিল ৩০৩৫০১ জন। ফলে এই বছর ভক্তদের সংখ্যা রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সংগৃহীত রাজস্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১.৬৪ কোটি টাকায়, যা গতবারের তুলনায় ১৩.৩৩ কোটি বেশি। তবে সবটাই হয়েছে আগত দর্শনার্থীদের নানা সুযোগ-সুবিধা এবং পরিষেবার ব্যবস্থা করার ফলে। ভক্তদের ক্রমবর্ধমান চাপ সামলানোর জন্য পাম্বার মনাপুরাম অনলাইন বুকিং কেন্দ্রে নানা ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘দায়ী প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়’! মহারাষ্ট্রে উদ্ধবদের বিপর্যয় নিয়ে মন্তব্য সঞ্জয় রাউতের

    আগত ভক্তদের সকলেই দর্শন করতে পারবেন

    মন্দির (Sabarimala Temple) কর্তৃপক্ষের তরফে দাবি করা হয়েছে, এমন আর এমন কোনও পরিস্থিতি নেই যাতে আগত দর্শনার্থীদের মন্দির দর্শন না করেই ফিরে যেতে হবে। অনলাইন বুকিং বিশেষ ভাবে কার্যকর হয়েছে। তবে যাঁরা অনলাইনে বুকিং করে আসবেন, তাঁদের স্পট বুকিংয়ের জন্য আধার কার্ডের নকল কপি রাখতে হবে। সকল দর্শনার্থীদের প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্য বর্জনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে পিএস প্রশান্ত আরও বলেন, “মন্দিরের পাশে অবস্থিত পাম্বা নদীতে কাপড় ফেলে যাওয়ার সঙ্গে পুজোর রীতির কোনও সম্পর্ক নেই। তা নদীকে অনেকটাই দূষিত করে। তাই ভক্তদের (Devotees) অপ্রয়োজনীয় বিষয় ত্যাগ করতে হবে।” মন্দিরের ট্রাস্টের সঙ্গে আরও ২০টি সরকারি বিভাগের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মন্দির দর্শনে বিশেষ পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra: ‘দায়ী প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়’! মহারাষ্ট্রে উদ্ধবদের বিপর্যয় নিয়ে মন্তব্য সঞ্জয় রাউতের

    Maharashtra: ‘দায়ী প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়’! মহারাষ্ট্রে উদ্ধবদের বিপর্যয় নিয়ে মন্তব্য সঞ্জয় রাউতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্র (Maharashtra) বিধানসভা নির্বাচনে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে বিজেপি। এই নির্বাচলের ফলের পরিপ্রেক্ষিতে শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা সঞ্জয় রাউত বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তিনি মহা বিকাশ অঘাড়ীর (এমভিএ) পরাজয়ের জন্য ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়কে দায়ী করেছেন। ভোটে হেরে যাওয়ার পর বিরোধী দলের নেতাদের ‘মাথা খারাপ হয়েছে’ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বিজেপির এই সাফল্য বিরোধী দলের নেতারা মেনে নিতে পারছে না। তাই, ফল বের হওয়ার পর বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য প্রকাশ্যে রাখছেন। যা নিয়ে জোর চর্চা চলছে।

    ঠিক কী বলেছেন শিবসেনা নেতা?(Maharashtra)

    জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি, শিন্ডেসেনা ও ইজিত পওয়ারের এনসিপির ‘মহাযুতি’ জোট। তারা ২৩৫টি আসন পেয়েছে। আর বিরোধী শক্তি এমভিএ মাত্র ৪৯টি আসনে জয়ী হয়েছে। ফলাফলের পর সঞ্জয় রাউত সাংবাদ মাধ্যমের সামনে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পুনর্মূল্যায়নের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে কাগজের ব্যালটের মাধ্যমে মহারাষ্ট্রে আবার নির্বাচনের দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘‘এই নির্বাচনে ইভিএম একটি বড় সমস্যা হয়েছে। এই ফলাফলটি থাকুক। কিন্তু কাগজের ব্যালট দিয়ে আবার নির্বাচন পরিচালনা করুন এবং তারপরে আমাদের একই ফলাফল দেখান, তাহলে বুঝব মানুষের রায়ে ক্ষমতায় এসেছেন।’’ সেখানেই থামেননি সেনা ইউবিটি নেতা। তিনি প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির দিকে তাঁর ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ‘‘এই ফলাফলের জন্য প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় দায়ী।’’

    আরও পড়ুন: যোগীরাজ্যে ৬৫ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত আসনে লক্ষাধিক ভোটে জয়ী বিজেপির হিন্দু প্রার্থী

    কারচুপির অভিযোগ করছে বিরোধীরা!

    উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা (উদ্ধব) গোষ্ঠী মাত্র ২০টি আসন পেয়েছে। আর একনাথ শিন্ডের (Maharashtra) নেতৃত্বাধীন শিবসেনা (শিন্ডে) ৫৭টি আসনে জয়লাভ করেছে। এনডিএ-র ঐতিহাসিক এই জয় এমভিএ-র মধ্যে দোষারোপের খেলাকে আরও তীব্র করেছে। হেরে যাওয়ার পর বিরোধী দলের নেতারা নির্বাচনী প্রক্রিয়া, দলীয় কৌশল এবং বিচার বিভাগীয় পরিসংখ্যান সহ একাধিক কারণের দিকে আঙুল তুলছেন। অনেকে আবার মহারাষ্ট্রে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য এনডিএকে ইভিএম কারচুপি করার জন্য দায়ী করেছেন। আদিত্য ঠাকরে মহারাষ্ট্রে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ-এর জয়কে “আশ্চর্যজনক” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এই নির্বাচনে জনগনের রায়ে হয়েছে, না ইভিএমে কারচুপির কারণে হয়েছে তা স্পষ্ট নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: ১১ মাসে ২১০ জনের বেশি মাওবাদী নিকেশ, বাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিষ্ণু দেও সাই

    Chhattisgarh: ১১ মাসে ২১০ জনের বেশি মাওবাদী নিকেশ, বাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিষ্ণু দেও সাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১১ মাসে ২১০ জনের বেশি মাওবাদী নিকেশ, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই (Vishnu Deo Sai)। দেশের মধ্যে গড়ে ওঠা দেশ-বিরোধী শক্তিকে কড়া হাতে দমন করতে সেনাকর্মীদের সাহসিকতাকে বিশেষ ভাবে জোর দিয়েছেন তিনি। নিরাপত্তা এবং সুরক্ষাকে দৃঢ় করে নাগরিক জীবনকে নিরাপদ করাই যে রাজ্যের বিজেপি সরকারের প্রধান লক্ষ্য, সেই কথাও এদিন নিজের ভাষণে উল্লেখ করলেন এই মুখ্যমন্ত্রী।

    ‘বাহিনীর ক্যাম্পে সময় কাটিয়েছি আমি’ (Chhattisgarh)

    গত ২৪ নভেম্বর, রবিবার ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) মাওবাদী দমনে সেনা জওয়ান এবং স্থানীয় প্রশাসনের কৃতিত্বকে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু (Vishnu Deo Sai)। নাগরিক সমাজের কাছে ভয়ের বাতাবরণকে মুক্ত করার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, “রাজ্যে সরকার গঠনের পর থেকেই নিরাপত্তা বাহিনী মাওবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভাবে লড়াই করে যাচ্ছেন। মাওবাদী এবং নকশালদের নির্মূল করাই আমাদের প্রধান এবং একমাত্র লক্ষ্য। আমি নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে সময় কাটাতে চেয়েছিলাম। তাঁরা ঠিক কোন পরিস্থিতি এবং কতটা ঝুঁকির মধ্যে অপারেশন করেন, সেই দিকে নজর রাখতে চেয়েছিলাম। এরপর আমি একটি বাহিনীর ক্যাম্পে সময় কাটিয়েছি। সেখানে আমি একটি বৃক্ষের চারা গাছও রোপণ করেছিলাম। আমার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত অভিনব ছিল। আমি তাঁদের স্যালুট জানাই, গত ১১ মাসে ২১০ জনের বেশি মাওবাদীকে খতম করেছে বাহিনী।”

    আরও পড়ুনঃ ‘‘মতাদর্শ আলাদা হতে পারে, দেশের স্বার্থ সবার ঊর্ধ্বে’’, বললেন লোকসভার অধ্যক্ষ

    মাওবাদী দমনে জিরো টলারেন্স নীতি

    উল্লেখ্য গত ২২ নভেম্বর শুক্রবার, সুকমা (Chhattisgarh) জেলায় একটি সেনা অভিযানে কমপক্ষে ১০ জন মাওবাদীকে নির্মূল করা হয়েছে। সেনা কর্মীদের এই কাজেও ব্যাপক ভাবে প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই (Vishnu Deo Sai)। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বলেন, “নিরাপত্তা বাহিনীর কাজ অত্যন্ত প্রশংসারযোগ্য। রাজ্য সরকার মাওবাদী দমনে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। বস্তার অঞ্চলের উন্নয়ন, শান্তি এবং সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা আমাদের সরকারের অগ্রাধিকার।” উল্লেখ্য আবার গত ২০ নভেম্বর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মাওবাদী দমনের অগ্রগতির পর্যালোচনা করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তিনি তারপর আশা প্রকাশ করে বলেন, “আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে রাজ্যজুড়ে চলা লাল সন্ত্রাস মুক্ত হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chennai Vladivostok Maritime Corridor: চেন্নাই-ভ্লাদিভস্তক সামুদ্রিক করিডর চালু, আরও মজবুত হবে ভারতীয় অর্থনীতি

    Chennai Vladivostok Maritime Corridor: চেন্নাই-ভ্লাদিভস্তক সামুদ্রিক করিডর চালু, আরও মজবুত হবে ভারতীয় অর্থনীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও মজবুত হল ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের (India Russia Relation) গাঁটছড়া। সমুদ্রপথে এবার নয়া করিডর (Chennai Vladivostok Maritime Corridor) ব্যবহার শুরু করল দুই দেশ। এতদিন রাশিয়া থেকে পণ্য আমদানি করতে বা সেদেশে পণ্য রফতানি করতে হলে ভারতকে পার হতে হত সুয়েজ খাল। এই খাল সদা ব্যস্ত। ‘ট্রাফিক জ্যাম’ এড়াতে নতুন ‘বাইপাস’ ব্যবহার শুরু করেছে নরেন্দ্র মোদির ভারত। এতে লাভ হচ্ছে দু’দিক থেকে। একদিকে, যেমন এড়ানো যাবে জ্যাম, তেমনি অন্যদিকে ফাঁকায় ফাঁকায় অল্প সময়েই পৌছে যাওয়া যাবে পুতিনের দেশে। তাতে কমবে পরিবহণ খরচ। বিশেষজ্ঞদের মতে, নয়া এই বাইপাস চালু হওয়ায় আরও পোক্ত হবে ভারতীয় অর্থনীতির ভিত। ভারতীয় অর্থনীতিতে এটি হয়ে থাকবে একটি মাইলফলক।

    ‘সাগর মন্থন’ (Chennai Vladivostok Maritime Corridor)

    গত ১৮ নভেম্বর ‘সাগর মন্থন’ সম্মেলনে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন কেন্দ্রীয় বন্দর, নৌ পরিবহণ এবং জলপথমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল। সেখানেই তিনি জানিয়েছিলেন, চেন্নাই-ভ্লাদিভস্তক সামুদ্রিক করিডর পুরোপুরিভাবে চালু হয়েছে। এই বাইপাস ব্যবহার করে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে পণ্য পরিবহণও। সুয়েজ খাল ধরে ইউরোপে বাণিজ্য করতে যেতে জাহাজগুলির সময় লাগে ৪০ দিন। এরই বিকল্প হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল নয়া এই সামুদ্রিক করিডর। এর ফলে রাশিয়া যাতায়াতে কমবে সময়, বাঁচবে খরচ। এতদিন ধরে ভারত ইউরোপের সঙ্গে জলপথে যে বাণিজ্য করত, তা হত সুয়েজ খাল ধরে (Chennai Vladivostok Maritime Corridor)। এই পথে বাণিজ্য করতে গেলে পাড়ি দিতে হয় ৮ হাজার ৬৭৫ নটিক্যাল মাইল। 

    কমবে সময়, অর্থ খরচ

    সুয়েজ খালের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে মিশরের হাতে। তাই এ পথে বাণিজ্য করতে হলে মোটা টাকা ফি দিতে হয় মিশরকে। এর পরিমাণ নেহাত কম নয়, জাহাজপিছু প্রায় ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। চেন্নাই-ভ্লাদিভস্তক সামুদ্রিক করিডর ব্যবহার করলে আর এই কড়ি গুণতে হবে না। শুধু তাই নয়, নয়া সামুদ্রিক করিডর ধরে যদি কোনও জাহাজ রাশিয়ার ভ্লাদিভস্তকে পৌঁছতে চায়, তার সময় লাগবে ১৬ থেকে ২০ দিন। চেন্নাই থেকে এই বন্দরের দূরত্ব ৫ হাজার ৬৪৭ নটিক্যাল মাইল। তাই স্বাভাবিকভাবেই সময় লাগবে কম। রাশিয়ার শহর (India Russia Relation) ভ্লাদিভস্তকের কৌশলগত গুরুত্ব বিস্তর। এখানেই রয়েছে রাশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় সবচেয়ে বড় সমুদ্র বন্দর। এই বন্দর থেকে চিনের দূরত্ব খুব বেশি হলে ৫০ কিলোমিটার। এই পথেই যাতায়াতের কালে পার হতে হবে জাপান সাগর, দক্ষিণ চিন সাগর, মলাক্কা প্রণালী, বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান ও নিকোবরের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক এলাকা (Chennai Vladivostok Maritime Corridor)।

    অনায়াস যোগাযোগ

    ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। তার জেরে রাশিয়া থেকে তেল কেনায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে পশ্চিমের বিভিন্ন দেশ। নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আমেরিকাও। সেসব রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই রাশিয়া থেকে তেল কিনে চলেছে ভারত। এবং সেই জীবাশ্ম জ্বালানি আসছে নয়া আবিষ্কৃত সামুদ্রিক করিডর বেয়ে। রাশিয়া থেকে অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীও আসছে এই সমুদ্রপথে। আবার ভারত থেকে রাশিয়ায় চলে যাচ্ছে চা, বস্ত্র, ফার্মা, মেশিনের যন্ত্রপাতি এবং ইঞ্জিনিয়ারিং সামগ্রী। এই সামুদ্রিক করিডর চালু হওয়ার সুবিধা অনেক। ওড়িশার পারাদ্বীপ এবং অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম সমুদ্র বন্দরের সঙ্গেও যোগাযোগ হবে অনায়াস। ফলে এই দুই জায়গা থেকেও সিভিএমসির মাধ্যমে অনায়াসেই রফতানি সামগ্রী পাঠিয়ে দেওয়া যাবে রাশিয়া-সহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে।

    রেয়াত করতে হবে না কাউকেই

    এহ বাহ্য। মিশরের সঙ্গে চিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। আবার ভারতের সঙ্গে বেজিংয়ের সম্পর্ক অম্লমধুর। তাই অদূর ভবিষ্যতে যদি চিনের কথায় মিশর ভারতের জন্য সুয়েজ খালের পথ বন্ধ করে দেয়, তখন আর বিপাকে পড়তে হবে না ভারতকে। কারণ বিকল্প রুট তার খোলাই রয়েছে। তাই সুয়েজ-নির্ভরতা কমালে আদতে লাভবান হবে ভারত এবং রাশিয়া দুই দেশই। সেক্ষেত্রে আর মিশর কিংবা চিন কাউকেই আর রেয়াত করে চলতে হবে না ভারতকে। নয়া আবিষ্কৃত করিডর দিয়ে ভারত বাণিজ্য করবে নিজের শর্তেই। এসব বিষয় মাথায় রেখেই দীর্ঘদিন ধরে বিকল্প পথের সন্ধান (Chennai Vladivostok Maritime Corridor) করে চলেছিল নয়াদিল্লি। শেষমেশ মিলল বিকল্প রুটের সন্ধান। এই পথে বাণিজ্য করলে আদতে লাভবান হবে ভারত এবং রাশিয়া দুই দেশই। ভারতের পাশাপাশি গতি আসবে রুশ অর্থনীতিতেও।

    আরও পড়ুন: ‘‘এঁরাই সংসদে হাঙ্গামা বাধাচ্ছেন’’, অধিবেশন শুরুর আগে তোপ মোদির, নিশানায় কারা?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সোনওয়াল বলেন, “এই সামুদ্রিক করিডরের মাধ্যমে ভারত ও রাশিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্কের নতুন করে সংজ্ঞায়িত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মাধ্যমে (India Russia Relation) পশ্চিমের আধিপত্য এবং ঐতিহ্যগত সাপ্লাই চেইনের ওপর নির্ভরতা কমাতে পেরেছি আমরা (Chennai Vladivostok Maritime Corridor)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Speaker Om Birla: ‘‘মতাদর্শ আলাদা হতে পারে, দেশের স্বার্থ সবার ঊর্ধ্বে’’, বললেন লোকসভার অধ্যক্ষ

    Speaker Om Birla: ‘‘মতাদর্শ আলাদা হতে পারে, দেশের স্বার্থ সবার ঊর্ধ্বে’’, বললেন লোকসভার অধ্যক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘মতাদর্শ আলাদা হতে পারে, দেশের স্বার্থ সবার ঊর্ধ্বে’’, এমনই কথা বলতে শোনা গেল লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে (Speaker Om Birla)। প্রসঙ্গত, ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর গৃহীত হয় ভারতের সংবিধান। আজ সোমবার ২৫ নভেম্বর শুরু হল সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। এদিন ওম বিড়লা (Speaker Om Birla) বলেন, ‘‘সংবিধান দিবস থেকে আমাদের প্রত্যেককে প্রেরণা নিতে হবে এবং সেভাবেই বিতর্ক এবং আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে হবে।’’ ভাষা, ধর্ম ভেদে যে যে পার্থক্য দেখা যায় সংসদে, সেগুলিই গণতন্ত্রকে মজবুত করে বলে মন্তব্য করেন ওম বিড়লা (Om Birla)।

    দেশের প্রাচীন যে কোনও প্রথা বা রীতি থেকেও আমরা প্রেরণা নিতে পারি

    তিনি (Speaker Om Birla) আরও বলেন, ‘‘দেশের প্রাচীন যে কোনও প্রথা বা রীতি থেকেও আমরা প্রেরণা নিতে পারি। সংসদের উভয় কক্ষে বিতর্ক করার জন্য আমাদের মধ্যে মতামতের পার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু আমরা সকলে এক হয়েছি দেশের কাজ করার জন্য।’’

    আমরা সর্বদাই সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ

    এদিন ওম বিড়লা (Speaker Om Birla) নিজের পূর্বসূরিদেরও কথা উল্লেখ করেন এবং তিনি জানান, তাঁর পূর্বসূরিরা প্রত্যেকেই সংবিধানের প্রতি অত্যন্ত দায়বদ্ধ ছিলেন এবং সংবিধানের নির্দেশ মেনেই তাঁরা কাজ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমরা সর্বদাই সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ এবং সংবিধানের নির্দেশ মেনেই আমরা কাজ করি। কোনও সরকার অথবা কোনও রাজনৈতিক দলই, গণতন্ত্রের এই মহান আদর্শকে শেষ করতে পারবে না। নানা সময়ে সংবিধানের সংশোধন হয়েছে কিন্তু তারপরেও মজবুত থেকেছে জনগণের অধিকার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ABVP: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ কলেজ ছাত্র সংসদের ১৪৮টি পদে জয় এবিভিপির

    ABVP: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ কলেজ ছাত্র সংসদের ১৪৮টি পদে জয় এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ (Delhi Universitys college) ছাত্র সংসদে বিজয়ী হয়েছে এবিভিপি (ABVP)। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ এই কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ১৪৮টি পদে জয়ী হয়েছে। এখন এবিভিপির প্রধান লক্ষ্য হল আসন্ন ডুসু নির্বাচন। ছাত্র সংসদের এই নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক ভাবে আশাবাদী এই ছাত্র সংগঠন। ইতিমধ্যে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে। 

    ২৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল (ABVP)

    বিদ্যার্থী পরিষদ দাবি করে থাকে বিশ্বের সর্ব বৃহৎ ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচন আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। গত ২৭ সেপ্টেম্বর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু প্রায় ২ মাস পর এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। কিরোরি মাল কলেজ (Delhi Universitys college), শ্রীঅরবিন্দ কলেজ, দীনদয়াল উপাধ্যায় কলেজ, স্বামী শ্রদ্ধানন্দ কলেজ, বিবেকানন্দ কলেজ, রামানুজন কলেজ, পিজিডিএভি কলেজ, হংসরাজ কলেজ, বিআর আম্বেদকর কলেজ এবং শহিদ রাজগুরু বিজ্ঞান কলেজ-সহ বেশ কিছু কলেজে এবিভিপি উল্লেখযোগ্যভাবে জয়ী হয়েছে। ছাত্র সংগঠনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই জয় আমাদের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডুসু নির্বাচনের জয়কে আরও সুনিশ্চিত করবে।

    আরও পড়ুনঃ যোগীরাজ্যে ৬৫ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত আসনে লক্ষাধিক ভোটে জয়ী বিজেপির হিন্দু প্রার্থী

    প্রভাবিত করবে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে

    দিল্লি রাজ্যের এবিভিপি (ABVP) সম্পাদক হর্ষ আত্রি এবিভিপির সাফল্য নিয়ে অত্যন্ত উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “এটা সম্পূর্ণ ভাবে সংগঠনের সাফল্য এবং ছাত্র-ছাত্রীদের কৃতিত্ব। ধারবাহিক কাজের ফলে আমদের এই সাফল্য এসেছে। দেশের সুরক্ষা এবং সামাজিক চাহিদাকে ছাত্র সমাজের কাছে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছি আমরা। আমরা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি পড়ুয়াদের জন্য দায়বদ্ধ। এবিভিপি জাতীয় শিক্ষা নীতির দ্রুত বাস্তবায়ন চায়। সেই সঙ্গে প্রত্যেক ক্যাম্পাসকে শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ নির্মাণে সবসময় কাজ করে চলেছে। আমাদের এই সাফল্য দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে ব্যাপক ভাবে প্রভাবিত করবে।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share