Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladeshi Hindus: চট্টগ্রামে হিন্দুদের ওপর হামলা, ঢাকাকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানাল ভারতের বিদেশমন্ত্রক

    Bangladeshi Hindus: চট্টগ্রামে হিন্দুদের ওপর হামলা, ঢাকাকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানাল ভারতের বিদেশমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রামে হিন্দুদের (Bangladeshi Hindus) ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানাল ভারত সরকার। এক বিবৃতিতে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, এই ধরনের ঘটনা সে দেশের সংখ্যালঘুদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক সাংবাদিক সম্মেলনে বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘আমরা লক্ষ্য করেছি, হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর চট্টগ্রামে ব্যাপক হামলা হয়েছে। তাঁদের সম্পত্তি লুট করা হয়েছে। তাঁদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলিতেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এই ধরনের ঘটনায় যেন বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করে এবং উগ্র মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।’’

    ঘৃণা ছড়ানো হচ্ছে সমাজমাধ্যমে (Bangladeshi Hindus)

    হিন্দুদের (Bangladeshi Hindus) সুরক্ষার জন্য তিনি আরও বলেন, ‘‘এটা বোঝাই যাচ্ছে যে উগ্র মৌলবাদীরা সে দেশে সমাজ মাধ্যমে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াচ্ছে।’’ প্রসঙ্গত বাংলাদেশের (Bangladesh) বন্দর শহর হল চট্টগ্রাম। সেখানেই হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে, একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে। ওই পোস্টের মাধ্যমে হিন্দুদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ইসকনের বিরুদ্ধে উস্কানি দেওয়া হয়। এরপর থেকেই সেখানে উত্তেজনা ছড়ায়। বৃহস্পতিবারই পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয় যে পুলিশ এবং সেনাবাহিনীকে যৌথভাবে সেখানে অপারেশন চালাতে হয়।

    শূন্যে গুলি চালায় যৌথবাহিনী

    জানা গিয়েছে, চট্টগ্রামের একজন স্থানীয় বাসিন্দা (যার নাম ওসমান) ফেসবুকে দাবি করে, ইসকনকে (Bangladeshi Hindus) নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হোক। বাংলাদেশের হিন্দু সংগঠনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ এবং সেনার যৌথ বাহিনী ১০০ জনেরও বেশি সন্দেহজনকে আটক করেছে। কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের প্রথম সারির সংবাদপত্র প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যৌথ বাহিনীর ওই অপারেশনে শূন্যে গুলিও চালানো হয়েছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র আরও বলেন, ‘‘দুর্গাপুজোর সময় বিভিন্ন পুজো মণ্ডপ ও কালী মন্দির হামলা চালানো হয়েছে।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Prakash Javadekar: ওয়াকফ জমির তালিকা প্রকাশের দাবি! কেরলের এলডিএফ এবং ইউডিএফকে কটাক্ষ প্রকাশ জাভড়েকরের

    Prakash Javadekar: ওয়াকফ জমির তালিকা প্রকাশের দাবি! কেরলের এলডিএফ এবং ইউডিএফকে কটাক্ষ প্রকাশ জাভড়েকরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল (Kerala) সরকারের কাছে ওয়াকফ জমির পূর্ণ তথ্য প্রকাশের দাবি জানালেন বিজেপির প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর (Prakash Javadekar)। মঙ্গলবার পলাক্কাদে এক সভায় বিজেপির এই প্রভাবশালী নেতা জানিয়েছেন, এই তথ্যের মধ্যে সরকারি জমি, ব্যক্তিগত জমি, কৃষকদের জমি, এবং অন্য ধর্মের মানুষের জমি—সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, রাজ্য সরকারের কাছে এসব তথ্য ইতিমধ্যেই রয়েছে । সরকারের উচিত ২০ নভেম্বরের মধ্যে তা প্রকাশ করা।

    ওয়াকফ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

    ওয়াকফকে কেন্দ্র করে প্রাক্তন মন্ত্রী বলেন, এটি বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ওয়াকফ বোর্ড যে কোনও সম্পত্তির দাবি করতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, মন্দির বা চার্চের বিষয়ে যদি কোনও বিতর্ক থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষ আদালতে যেতে পারে। কিন্তু ওয়াকফের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে, তা আদালতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এটি দেশের মধ্যে দুটি ভিন্ন আইন ব্যবস্থা সৃষ্টি করছে, যা কেরলের জনগণ উপলব্ধি করতে পারছে। তাঁর কথায়, ওয়াকফ একটি সাম্প্রদায়িক সমস্যা নয়, বরং এটি অসাম্প্রদায়িক সমাজের বিরুদ্ধে একচেটিয়া মনোভাবের প্রকাশ (Prakash Javadekar)। 

    মুনাম্বাম এলাকায় ওয়াকফ বোর্ডের ভূমিকা

    মুনাম্বাম এলাকায় ওয়াকফ বোর্ডের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রকাশ (Prakash Javadekar)। সম্প্রতি ওই অঞ্চলে জমির অধিকার নিয়ে বিতর্ক চলছে। তিনি কেরল (Kerala) সরকারের কাছে জানতে চান, মুনাম্বামের জমি কি ওয়াকফের অন্তর্গত? ওখানে প্রায় ৬০০ খ্রিস্টান পরিবারের বাস। ওয়াকফ বোর্ডের তরফে তাদের উঠে যেতে বলা হচ্ছে। দাবি করা হচ্ছে ওই জমি নাকি ওয়াকফের অন্তর্গত। এই ঘটনায় মুনাম্বামে আন্দোলন চলছে। এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে বিজেপি। দলের সাংসদ সুরেশ গোপি এই বিষয়ে কেরালার শাসক জোট (এলডিএফ) এবং বিরোধী জোট (ইউডিএফ)-এর মুসলিম সম্প্রদায়কে তোষণনীতির সমালোচনা করেছেন। বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি শোভা সূরেন্দ্রন অভিযোগ করেছেন, এলডিএফ এবং ইউডিএফ মুনাম্বামের মানুষদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং তারা ওয়াকফ সংশোধনী বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট না করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ১০ বছরে সন্ত্রাস কমেছে ৭০ শতাংশ, শীঘ্রই আসছে জাতীয় সন্ত্রাস-দমন নীতি, জানালেন অমিত শাহ

    Amit Shah: ১০ বছরে সন্ত্রাস কমেছে ৭০ শতাংশ, শীঘ্রই আসছে জাতীয় সন্ত্রাস-দমন নীতি, জানালেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দশ বছরে সন্ত্রাসবাদ ৭০ শতাংশ কমেছে। মোদি জমানায় সন্ত্রাস দমনে এমনই সাফল্যের কথা শোনালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বৃহস্পতিবার তিনি জানান, খুব তাড়াতাড়ি জাতীয় সন্ত্রাস-দমন নীতি (National counter terrorism policy) আসতে চলেছে। প্রসঙ্গত, দিল্লিতে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি আয়োজিত সন্ত্রাস-বিরোধী সম্মেলন-২০২৪-এ যোগদান করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানেই তাঁকে একথা বলতে শোনা যায়।

    কী বললেন অমিত শাহ (Amit Shah)? 

    অমিত শাহ বলেন, ‘‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজ রাজ্য সরকারের ওপর ন্যস্ত। রাজ্য সরকারগুলির নিজস্ব ভৌগোলিক সীমানা রয়েছে এবং তাদের সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। কিন্তু সন্ত্রাসবাদের কোনও ভৌগোলিক সীমা নেই। তাই কেন্দ্র ও রাজ্যের নিরাপত্তা এজেন্সিগুলিকে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়িয়ে কাজ করতে হবে, সন্ত্রাসের মোকাবিলা করার জন্য। এদিনের সন্ত্রাস-বিরোধী সম্মেলনে হাজির ছিলেন বিভিন্ন রাজ্যের ডিজিপি পদমর্যাদার আধিকারিকরা। তাঁদেরকে উদ্দেশ্য করে অমিত শাহ বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় এজেন্সি এনআইএ সন্ত্রাস দমন মামলায় ইউএপিএ আইনকে ব্যবহার করে এবং তার ফলাফল যথেষ্ট ভালো। এখনও পর্যন্ত ৬৩২টি মামলার মধ্যে ৪৯৮টিতেই শাস্তি হয়েছে এই আইনে অভিযুক্ত ৯৫ শতাংশেরই।

    নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দেশ অবিশ্বাস্যভাবে এগিয়ে চলেছে

    অমিত শাহ (Amit Shah) আরও বলেন, ‘‘আমরা এরপর আর একটি পদক্ষেপ করব, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য। এই কারণে আমরা খুব শীঘ্রই নিয়ে আসব জাতীয় সন্ত্রাস-দমন নীতি (National counter terrorism policy), যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কিন্তু আমি যেটা বারবার বলছি, পুলিশ হল রাজ্যের অধীনে। তাই সন্ত্রাস-বিরোধী বেশি লড়াই রাজ্যকেই করতে হবে। সমস্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তাদেরকে সাহায্য করবে, তথ্য দিয়ে।’’ তিনি আরও বলেন, নতুন এই সন্ত্রাস-দমন নীতি কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়াবে। নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দেশ অবিশ্বাস্যভাবে এগিয়ে চলেছে এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সাফল্য পেয়েছে। আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সন্ত্রাসকে শেষ করার বিষয়ে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jet Airways: জেট এয়ারওয়েজের ওড়ার স্বপ্ন শেষ, সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ শীর্ষ আদালতের 

    Jet Airways: জেট এয়ারওয়েজের ওড়ার স্বপ্ন শেষ, সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ শীর্ষ আদালতের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর আকাশ ছোঁয়া হবে না জেট এয়ারওয়েজের (Jet Airways)। বৃহস্পতিবার দেশের এক সময়ের অন্যতম বড় বিমান সংস্থা জেট এয়ারওয়েজের সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালত এদিন জানিয়ে দেয়, এছাড়া আর রাস্তা নেই। সংবিধানে উল্লিখিত ১৪২ ধারা প্রয়োগ করে জেটের সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ দিয়েছে আদালত (Supreme Court)। ঝুলে থাকা ওই মামলায় ‘সম্পূর্ণ ন্যায়’ যাতে মেলে, তার জন্যই সংবিধান প্রদত্ত অধিকার প্রয়োগ করেছে আদালত।

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ

    গত বছর জুলাই মাসে এয়ার অপারেশন সার্টিফিকেট পেয়েছিল জেট এয়ারওয়েজ (Jet Airways)। ন্যাশনাল কোম্পানি ল অ্যাপিলেট ট্রাইবুনালের তরফে এর আগে বিমান সংস্থাকে পুনরুজ্জীবনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সম্পূর্ণ ঋণ পরিশোধ না করলেও, যাতে মালিকানা হস্তান্তর করা যায়, তার স্বপক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, কোম্পানি ল অ্যাপিলেট ট্রাইবুনালের সেই সিদ্ধান্ত এদিন খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। এদিন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, যে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল, তা প্রয়োগ করা যেহেতু আর সম্ভব নয়, তাই সম্পত্তি বিক্রিতে বিনিয়োগকারীদেরও রাখতে হবে, শেষ অবলম্বন হিসেবে। বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা, বিচারপতি মনোজ মিশ্রকে নিয়ে গঠিত বেঞ্চ স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক-সহ যারা সংস্থাকে ঋণ দিয়েছিল, তাদেরও এতে যুক্ত করতে বলেছে। উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালে চালু হয়েছিল জেট এয়ারওয়েজ। বিগত কয়েক দশকে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল এই উড়ান সংস্থা। ২০১৯ সালে যাত্রী পরিষেবা বন্ধের আগে ৬৫টি ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক রুট বিমান চালাত সংস্থাটি।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা নিয়ে দুর্নীতি! হাইকোর্টে ব্যর্থতা মেনে নিল রাজ্য

    কেন এই অবস্থা

    প্রসঙ্গত, জেট এয়ারকে (Jet Airways) ফের আকাশে ওড়াতে ৪৭৮৩ কোটির প্যাকেজের দর হেঁকেছিল জালান-কালরক কনসোর্টিয়াম। পাঁচ বছরে দফায় দফায় সেই টাকা দেওয়ার কথা ছিল জালান-কালরকের। এদিকে এসবিআই-এর নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়াম জানায়, জালান-কালরকের সেই দর গৃহীত হওয়ার দুই বছর পরও প্রথম দফার ৩৫০ কোটি পায়নি তারা। পরে সেই মামলা গড়িয়েছিল আদালতে। এরই মাঝে গত মার্চ মাসে ন্যাশনাল কোম্পানি ল’ অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল নির্দেশ দিয়েছিল, পারফরম্যান্স ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি বাবদ ১৫০ কোটি টাকা দিতে হবে জালান-কালরক কনসোর্টিয়ামকে। আর ৯০ দিনের মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তরেরও নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাইবুনাল। তবে ট্রাইবুনালের নির্দেশ খারিজ করে দিয়ে আজ সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিল, জেট এয়ারওয়েজের লিকুইডেশন করতে হবে এবং সম্পত্তি নিলাম করে দিতে হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: ‘ওয়ান ‌র‌্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন’ প্রকল্পের ১০ বছর পূর্ণ, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: ‘ওয়ান ‌র‌্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন’ প্রকল্পের ১০ বছর পূর্ণ, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ রক্ষার গুরু দায়িত্ব তাঁদের কাঁধে। তাই তাঁদের ভালোমন্দের দিকে সর্বদাই তীক্ষ্ণ নজর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। সেনাবাহিনীর প্রতি কেন্দ্র যে দায়বদ্ধ, সে কথাই ‘ওয়ান ‌র‌্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন’ প্রকল্পের দশম বর্ষপূর্তির দিনে ফের একবার মনে করিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    ওয়ান ‌র‌্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন প্রকল্প (PM Modi)

    সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সদস্যদের জন্য যে ওয়ান ‌র‌্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন প্রকল্প (One Rank One Pension Scheme) চালু করা হয়েছে, তাও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “আজকের দিনে ওয়ান ‌র‌্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন’ প্রকল্প চালু হয়েছিল। যাঁরা দেশের জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই ওয়ান ‌র‌্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন প্রকল্প। দীর্ঘদিনের দাবি মেনেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছিল।” তিনি জানান, এই ওয়ান ‌র‌্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন প্রকল্পের জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হয়েছেন।

    প্রকল্পের খুঁটিনাটি

    আগে নিয়ম ছিল, যে লেফট্যানেন্ট ১৯৯৫ সালে অবসর নিয়েছেন, তাঁর পেনশন ২০০৬ সালে অবসর নেওয়া কর্নেলের পেনশনের চেয়ে কম। অবসরের তারিখ অনুযায়ী, পেনশনও হত ভিন্ন ভিন্ন (PM Modi)।২০১৪ সালে কেন্দ্রের কুর্সিতে বসে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। প্রধানমন্ত্রী পদে বসেন নরেন্দ্র মোদি। ওই বছরই তিনি চালু করেন ওয়ান ‌র‌্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন প্রকল্প। আজ ১০ বছর পূর্ণ করল এই প্রকল্প।

    আরও পড়ুন: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী ট্রাম্প, সমস্যায় পড়তে পারেন কানাডার ট্রুডো

    এই প্রকল্প অনুযায়ী, একজন সেনা জওয়ান, যখনই অবসর নিন না কেন, র‌্যাঙ্ক যাই হোক না কেন, একই পেনশন পাবেন। তিনি বলেন, “এটা আপনাদের সবাইকে খুশি করছে এক দশক ধরে। লাখ লাখ পেনশনার্স ও তাঁদের পরিবার উপকৃত হচ্ছেন এই প্রকল্প থেকে।” ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, এই প্রকল্প (One Rank One Pension Scheme) চালু হওয়ায় উপকৃত হচ্ছেন ২৫ লাখ অবসরপ্রাপ্ত। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে সেনার তরফে ধন্যবাদও জানানো হয়েছে (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ৩৭০ ধারা ফেরানোর প্রস্তাব নিয়ে ধুন্ধুমার জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভায়, কড়া প্রতিক্রিয়া পদ্মের

    BJP: ৩৭০ ধারা ফেরানোর প্রস্তাব নিয়ে ধুন্ধুমার জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভায়, কড়া প্রতিক্রিয়া পদ্মের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কোনও আইনি বৈধতা নেই।” ৩৭০ ধারা ফেরানোর প্রস্তাবের কপি ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলে এমনই মন্তব্য করলেন জম্মু-কাশ্মীরের বিজেপি (BJP) বিধায়করা। ৬ নভেম্বর, বুধবার জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) ফের ৩৭০ ধারা ফেরাতে চেয়ে প্রস্তাব পাশ হয় জম্মু-কাশ্মীর বিধাসভায়। প্রস্তাবটি পেশ করে রাজ্যের শাসক দল ন্যাশনাল কনফারেন্স। প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন পদ্ম বিধায়করা। দু’পক্ষের চিৎকার-চেঁচামেচিতে তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা। পরে অবশ্য ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে যায় প্রস্তাবটি। সেই প্রস্তাবটিরই কোনও আইনি বৈধতা নেই বলেই দাবি গেরুয়া শিবিরের।

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা? (BJP)

    জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বিজেপির সুনীল শর্মা বলেন, “প্রস্তাবটি দিনের কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত না করেই পেশ করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “লেফটেন্যান্ট গভর্নরের ভাষণ নিয়ে আলোচনা করার কথা ছিল। কিন্তু সরকার কৌশলে এবং হঠাৎ করে এই প্রস্তাবটি নিয়ে এল।” তিনি এই প্রস্তাবটিকে ‘অবৈধ’ ও ‘অসাংবিধানিক’ আখ্যা দেন। তিনি বলেন (BJP), “এর কোনও আইনি বৈধতা নেই। কারণ এই (জম্মু-কাশ্মীর) বিধানসভা সংসদ বা সুপ্রিম কোর্টের ঊর্ধ্বে নয়।” ৩৭০ ধারাকে ইতিহাস বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এখন আর কেউ এই ইতিহাস পরিবর্তন করতে পারবে না।”

    অমিত মালব্যের বক্তব্য

    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “প্রস্তাবটি একটি মজার পরিবর্তন, যা শাসক ন্যাশনাল কনফারেন্সের নতুন দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটায়।” তিনি লেখেন, “৩৭০ ধারা সম্পূর্ণভাবে পুনর্বহালের ওপর জোর দেওয়ার পরিবর্তে, প্রস্তাবটি এই বিষয়ে উন্মুক্ত আলোচনার আহ্বান জানায়— যা ৫ আগস্ট ২০১৯-পরবর্তী বাস্তবতাকে স্বীকার করে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।”

    আরও পড়ুন: জয়ের পরই ‘বন্ধু’ ট্রাম্পকে ফোন মোদির, ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্টের মুখে নমো-প্রশস্তি

    উত্তপ্ত জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা

    এদিকে, ৩৭০ ধারা নিয়ে বৃহস্পতিবারই উত্তপ্ত হয় জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা। এদিন রীতিমতো হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন শাসক ও বিরোধী দলের বিধায়করা। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় মার্শালদের।এদিন অধিবেশন শুরুর সময় আওয়ামি ইত্তেহাদ পার্টির বিধায়ক খুরশিদ আহমেদ শেখ ৩৭০ ধারার সমর্থনে একটি পোস্টার তুলে ধরেন। এ নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক হইচই। এর পর প্রথমে শাসক-বিরোধী দু’পক্ষে শুরু হয় ধস্তাধস্তি, পরে তা গড়ায় হাতাহাতিতে। পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, ওই বিধায়কের পাশে দাঁড়িয়েছে রাজ্যের শাসক দল এবং কংগ্রেস। বিজেপির (BJP) জম্মু-কাশ্মীর সভাপতি রবীন্দ্র রায়না ন্যাশনাল কনফারেন্স-কংগ্রেস জোটকে নিশানা করে বলেন, “ওরা পাকিস্তানের হাত শক্ত করছে। জঙ্গিদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Donald Trump: নতুন বছরে ভারতে হবে কোয়াড সম্মেলন, আমেরিকার প্রতিনিধিত্ব করবেন ট্রাম্প

    Donald Trump: নতুন বছরে ভারতে হবে কোয়াড সম্মেলন, আমেরিকার প্রতিনিধিত্ব করবেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়োজক দেশ ‘বন্ধু’ ভারত। আর ভারতের পড়শি দেশ চিনের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক অম্ল-মধুর। ২০২৫ সালে ভারতে হচ্ছে কোয়াড সম্মেলন (QUAD Summit)। এই সম্মেলনে যোগ দিতে পারেন ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, চিনকে চাপে রাখতেই কোয়াডের সদস্য দেশগুলির সঙ্গে বন্ধুত্বের গাঁটছড়া আরও পোক্ত করতে চান ট্রাম্প। সেই কারণেই তিনি যোগ দিতে পারেন ভারতের আয়োজনে হতে চলা কোয়াড সম্মেলনে। তিনি যে এই সম্মেলনে যোগ দেবেন, তার ইঙ্গিত মিলেছিল প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার ঢের আগেই।

    কোয়াডের গুরুত্ব (Donald Trump)

    কোয়াড হল একটি আনুষ্ঠানিক কৌশলগত ফোরাম, যেখানে চারটি দেশ রয়েছে। এগুলি হল ভারত, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান। কোয়াডের প্রধান উদ্দশ্যেগুলির অন্যতম হল একটি উন্মুক্ত, সমৃদ্ধশালী এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য কাজ করা। এই প্যাসিফক অঞ্চলেই ইদানিং ‘খবরদারি’ করে বেড়াচ্ছে চিন। সেই কারণেই কোয়াড সম্মেলনে ট্রাম্পের যোগদান তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আয়োজক দেশ ভারত

    এ বছরই সেপ্টেম্বর মাসে কোয়াড সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল ভারতে। শীর্ষ নেতাদের সময়সূচির (Donald Trump) সমস্যার কারণে এই সম্মেলন হয়েছিল নিউ ইয়র্কে। তাই ২০২৫ সালে কোয়াড সম্মেলনের আয়োজক দেশ ভারত। সেপ্টেম্বরের ওই সম্মেলনে যোগ দিতে আমেরিকা গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে কোয়াডের সদস্য দেশগুলির সঙ্গে বৈশ্বিক নানা বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ‘সুপার অ্যাপ’ আনছে রেল, এক অ্যাপেই সব মুশকিল আসান, কী কী সুবিধা মিলবে?

    নয়াদিল্লিতে কোয়াড সম্মেলন হলেও, কবে হবে, সে ব্যাপারে এখনও কিছু জানা যায়নি। ২০২১ সাল থেকে শুরু করে এখনও পর্যন্ত কোয়াডের কোনও সম্মলেন নতুন বছরের গোড়ার দিকে হয়নি। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্টরা সাধারণত শপথ নেন ২০ জানুয়ারি। তাই ধরেই নেওয়া যায় যে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেওয়ার পরেই হবে কোয়াড সম্মেলন। সে ক্ষেত্রে ইচ্ছেপূরণ হবে ট্রাম্পেরও। কোয়াড সম্মলেনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। ভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আগামী বছরের কোয়াড সম্মেলনে (QUAD Summit) আমেরিকার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন ট্রাম্পই (Donald Trump)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: ‘সুপার অ্যাপ’ আনছে রেল, এক অ্যাপেই সব মুশকিল আসান, কী কী সুবিধা মিলবে?

    Indian Railways: ‘সুপার অ্যাপ’ আনছে রেল, এক অ্যাপেই সব মুশকিল আসান, কী কী সুবিধা মিলবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের আমলে রেলে সব চেয়ে বেশি যে দিকটায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, সেটা হল যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য। যাত্রীরা যাতে ভারতের ‘লাইফ লাইনে’ চড়ে আরামদায়ক সফর করতে পারেন, সেদিকেই নজর দিয়েছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। এই যাত্রীদেরই সুবিধার্থে এবার নয়া একটি মোবাইল অ্যাপ আনছে তারা। রেল সূত্রে খবর, এই ডিসেম্বরেই রেলের যাত্রীরা ব্যবহার করতে পারবেন এই ‘সুপার অ্যাপ’ (Super App)। এই একটা অ্যাপেই মিলবে ট্রেনের টিকিট বুকিং, প্ল্যাটফর্ম টিকিট, খাবার অর্ডার, ট্রেনের শিডিউল মনিটর ইত্যাদি যাবতীয় সুবিধা।

    আসছে সুপার অ্যাপ (Indian Railways)

    রেলের সুপার অ্যাপ তৈরি করেছে সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন। বর্তমানে নানা পরিষেবা দিতে বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ রয়েছে রেলের। এক্সপ্রেস ট্রেনের বুকিং, ক্যান্সেল এবং মডিফিকেশনের কাজ হয় আরআরসিটিসি রেল কানেক্ট (Rail Connect) অ্যাপের মাধ্যমে। ট্রেনে সফর করার সময় খাবার অর্ডার দেওয়ার জন্য রয়েছে আইআরসিটিসি ই-কেটারিং ফুড অন ট্র্যাক অ্যাপ (IRCTC e-Catering Food on Track)। রেল পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ জানাতে রয়েছে রেল মদত (Rail Madad) অ্যাপ। রেলের অসংরক্ষিত টিকিট মেলে ইউটিএস (UTS) অ্যাপের মাধ্যমে। ট্রেনের রানিং স্টেটাস জানা যায় ন্যাশনাল ট্রেন এনকোয়্যারি সিস্টেম অ্যাপের মাধ্যমে (Indian Railways)। এই সব পরিষেবাই এবার মিলবে একটি মাত্র অ্যাপে, রেল যার নাম দিয়েছে ‘সুপার অ্যাপ’।

    আরও পড়ুন: জয়ী হতে চলেছেন ট্রাম্প, সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূস

    কী বলছে রেল

    রেলের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “সিআইআইএস এবং যাত্রীদের মধ্যে ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করবে আইআরসিটিসি। পরিকল্পিত সুপার অ্যাপ এবং আইআরসিটিসির মধ্যে ইন্টিগ্রেশনের কাজ চলছে।” তিনি জানান, এই অ্যাপ চালু হলে রেলের বিভিন্ন পরিষেবা এক ছাতার তলায় চলে আসবে। বর্তমানে প্রচুর মানুষ রেলের অ্যাপগুলি ব্যবহার করেন। শুধু আইআরসিটিসি রেল কানেক্ট অ্যাপ ডাউনলোড হয়েছে ১০ কোটিরও বেশি। সুপার অ্যাপে যেহেতু আরও বেশি পরিষেবা মিলবে, তাই বাড়বে ব্যবহারকারীর সংখ্যাও। রেলের ওই কর্তা বলেন, “সুপার অ্যাপকে (Super App) নয়া রোজগারের রাস্তা হিসেবে দেখছে আইআরসিটিসি (Indian Railways)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: ৩৭০ ধারা ফেরাতে প্রস্তাব পাশ জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভায়

    Jammu And Kashmir: ৩৭০ ধারা ফেরাতে প্রস্তাব পাশ জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভূস্বর্গে (Jammu And Kashmir) দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, “পৃথিবীর কোনও শক্তিই আর ৩৭০ ধারা ফেরাতে পারবে না।” আর ৬ নভেম্বর, বুধবার জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) ফের ৩৭০ ধারা ফেরাতে চেয়ে প্রস্তাব পাশ হল জম্মু-কাশ্মীর বিধাসভায়। এদিন সভায় প্রস্তাবটি পেশ করে রাজ্যের শাসক দল ন্যাশনাল কনফারেন্স।

    বিধানসভায় হট্টগোল (Jammu And Kashmir)

    প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন বিজেপি বিধায়করা। দু’পক্ষের চিৎকার-চেঁচামেচিতে বিধানসভা কার্যত পরিণত হয় হট্টমেলায়। পরে অবশ্য ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে যায় প্রস্তাবটি। এনিয়ে এদিন বিধানসভায় কোনও আলোচনাই হয়নি। ছ’বছর পরে গত সোমবার অধিবেশন বসে জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভায়। প্রথম দিনেই ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বিধানসভায়। সেদিন বিধানসভার স্পিকার ন্যাশনাল কনফারেন্স বিধায়ক রহিম রাঠেদার জানিয়েছিলেন এই ধরনের প্রস্তাব তিনি অনুমোদন করছেন না। সেদিন প্রস্তাবটি পেশ করেছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতির দল।

    প্রস্তাব পেশ উপমুখ্যমন্ত্রীর

    বুধবার শাসক দলের তরফে প্রস্তাবটি পেশ করেন উপমুখ্যমন্ত্রী সুরিন্দর কুমার চৌধুরী। তিনি বলেন, “কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা লোপের কারণে বাইরের লোকজনও সেখানকার জমি কিনছেন। তাই অসুবিধার মুখ পড়তে হচ্ছে স্থানীয়দের।” প্রস্তাবের বিরোধিতা করে (Jammu And Kashmir) রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সুনীল শর্মা বলেন, “উপরাজ্যপালের ভাষণ নিয়ে আলোচনার পরিবর্তে প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।” এনসির আনা প্রস্তাবকে সমর্থন করে কংগ্রেস। বিরোধিতা করে বিজেপি। পদ্ম-বিধায়করা স্লোগান দিতে থাকেন ‘অগাস্ট ৫ জিন্দাবাদ’, ‘জয় শ্রীরাম’, ‘বন্দে মাতরম’, ‘জাতীয় বিরোধী অ্যাজেন্ডা নেহি চলেগা’, ‘পাকিস্তানি অ্যাজেন্ডা নেহি চলেগা’।

    আরও পড়ুন: জয়ী হতে চলেছেন ট্রাম্প, সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূস

    প্রস্তাবে কেন্দ্রের কাছে ৩৭০ ধারা ফেরানোর বিষয়ে জম্মু-কাশ্মীরের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার আর্জি জানানো হয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সুনীল শর্মা সরব হয়েছেন স্পিকারের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে (Jammu And Kashmir)। তিনি বলেন, “আমাদের কাছে খবর আছে যে আপনি গতকাল মন্ত্রীদের একটি বৈঠক ডেকেছিলেন এবং নিজেই প্রস্তাবের খসড়া তৈরি করেছেন।”

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ নম্বর ধারা বাতিল করে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ অধিকার লোপ করেছিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। সেই মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, ৩৭০-এ জম্মু ও কাশ্মীরকে যে বিশেষ অধিকার দেওয়া হয়েছিল (Article 370), তা সাময়িক (Jammu And Kashmir)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Share Market: ট্রাম্প জিততেই ফুলেফেঁপে উঠল ভারতের শেয়ার বাজার, রকেট গতিতে সেনসেক্স ৮০ হাজার পার

    Share Market: ট্রাম্প জিততেই ফুলেফেঁপে উঠল ভারতের শেয়ার বাজার, রকেট গতিতে সেনসেক্স ৮০ হাজার পার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ আমেরিকা। সেই দেশেরই প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে গড়লেন রেকর্ডও। আর ফল প্রকাশ হতেই ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেল ভারতের শেয়ার বাজারে (Share Market)। চড়চড়িয়ে বাড়ছে সেনসেক্স-নিফটির সূচক।

    সেনসেক্সের সূচকও বেড়ে ৮০,৫০০ অঙ্কে পৌঁছেছে (Share Market)

    প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল কী হতে চলেছে, সকাল থেকেই তার দিকে নজর ছিল শেয়ার বাজারের (Share Market)। দুপুর ১টা নাগাদ পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম সামনে আসতেই হু হু করে বাড়তে থাকে শেয়ার সূচক। তথ্যপ্রযুক্তি থেকে শুরু করে অটো, ধাতু, পিএসইউ ব্যাঙ্কের শেয়ার সূচকগুলি চড়চড়িয়ে বাড়তে থাকে। নিফটি মিডক্যাপ ও নিফটি স্মলক্যাপ ১০০ দারুণ পারফর্ম করছে। নিফটির সূচক ২৪,৫০০ পয়েন্টে পৌঁছেছে। সেনসেক্সের সূচকও এক লাফে ১০০০ পয়েন্ট বেড়ে ৮০,৫০০ অঙ্কে পৌঁছেছে। বিটকয়েনের মূল্যও হু হু করে চড়েছে। মার্চের রেকর্ড ভেঙে বিটকয়েনের মূল্য ৭৫০৬০ ডলারে বেড়ে দাঁড়িয়েছে। বুধবার, ৬ নভেম্বর সেনসেক্স ও নিফটিতে এক শতাংশের বেশি বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। এই নিয়ে পরপর দু’দিন ঊর্ধ্বমুখী হল স্টক বাজার। যা লগ্নিকারীদের মুখের হাসি চওড়া করেছে।

    আরও পড়ুন: হোয়াইট হাউসে ফিরছেন ট্রাম্প, “আমেরিকাকে আবার শ্রেষ্ঠ করব”, প্রতিশ্রুতি ভাবী-প্রেসিডেন্টের

    কোন স্টকের কী অবস্থা?

    বিএসইতে এদিন ২৫টি স্টক সবুজ জোনে (Share Market) শেষ করেছে। সবচেয়ে লাভ করেছেন টিসিএস, ইনফোসিস, টেক মাহিন্দ্রা, এইচসিএল টেক ও আদানি পোর্টের লগ্নিকারীরা। আর দর কমেছে টাইটান, ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্ক, হিন্দুস্তান ইউনিলিভার লিমিটেড, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক ও এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের শেয়ারের। বিএসইতে ছোট ও মাঝারি পুঁজির সংস্থাগুলির সূচক যথাক্রমে ২.২৮ এবং ১.৯৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিএসইতে তালিকাভুক্তি সংস্থাগুলির সামগ্রিক বাজার মূলধন আগের সেশনের চেয়ে প্রায় ৪৫৩ লক্ষ কোটি টাকা বেড়েছে। মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর এই অঙ্ক ছিল ৪৪৫ লক্ষ কোটি। একদিনে লগ্নিকারীরা চার লক্ষ কোটি টাকা আয় করেছেন। এনএসইতে তেল ও গ্যাস এবং রিয়েল এস্টেট সংস্থাগুলির শেয়ারের দাম তিন শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া গাড়ি নির্মাণকারী সংস্থা, ফার্মা, সংকর ধাতু, মিডিয়া এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের স্টকের দর এক শতাংশের বেশি চড়েছে।

    কমেছে টাকার দাম

    এদিন সকাল থেকে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট দলের কমলা হ্যারিসের থেকে এগিয়ে ছিলেন। বেলা গড়াতেই তিনি যে দ্বিতীয় বারের জন্য প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে বসতে চলেছেন, তা স্পষ্ট হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এর সরাসরি প্রভাব পড়ে বম্বে ও ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে। এই দুই শেয়ার বাজারের সূচকও রকেট গতিতে চড়তে থাকে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিনে শেয়ার বাজারে (Share Market) রকেট গতি দেখা গেলেও ফের কমেছে টাকার দাম। এ দিন ডলারের নিরিখে ৮৪.১৯-এ নেমে আসে ভারতীয় মুদ্রা। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) অবশ্য ৮৪.১৩-তে নেমে গিয়েছিল ভারতীয় টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share