Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Indian Railways: বড় ঘোষণা রেলের, দীপাবলি ও ছটপুজোর মরসুমে ছুটবে ৭ হাজার বিশেষ ট্রেন

    Indian Railways: বড় ঘোষণা রেলের, দীপাবলি ও ছটপুজোর মরসুমে ছুটবে ৭ হাজার বিশেষ ট্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেল হল দেশের লাইফ লাইন (Indian Railways)। তীর্থস্থান ভ্রমণ, ঘুরতে যাওয়া কিংবা প্রতিদিনকার যাতায়াত-দেশের সবচেয়ে বড় অংশের মানুষ রেলের ওপরেই নির্ভরশীল। রেলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানও। বিশেষ উৎসবগুলিতে অতিরিক্ত ট্রেনও চালায় ভারতীয় রেল। দীপাবলি ও ছটপুজোর মরসুমে দেশবাসীর জন্য সুখবর দিল ভারতীয় রেল (Indian Railway)। রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই দুই মরসুমে ৭ হাজার অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে।

    গত বছরের তুলনায় ৪,৪২৯টি বেশি ট্রেন (Indian Railways) 

    প্রসঙ্গত, দেশব্যাপী দীপাবলি ও ছট পুজো পালনের এই সময়ে বহু মানুষ কর্মক্ষেত্রে ছুটি পান। তাঁরা বাড়ি ফিরে আসেন। আবার উৎসব শেষ হয়ে গেলে তাঁদের কাজের স্থানে ফিরতে হয়। তাই অন্য সময়ের থেকে এই সময়ে ট্রেনের চাহিদাও ব্যাপক বাড়ে। সে কথা মাথায় রেখে, অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রেন চালানোর কথা ঘোষণা করল রেল (Special Train)। ভারতের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বৃহস্পতিবারই, এই বিশেষ ট্রেন চালানোর কথা ঘোষণা করেছেন। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, গত ১ অক্টোবর থেকে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতীয় রেলের (Special Train) যাত্রী সংখ্যা হবে প্রায় এক কোটি। রেলমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, গত বছরের তুলনায় ৪,৪২৯টি বেশি ট্রেন চালানো হবে এ বছরে। জানা গিয়েছে, গত বছরের তুলনায় ষাট শতাংশ বেশি ট্রেন চলবে, যাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবে।

    দীপাবলির সময় প্রতিদিন ১৩৬টি করে অতিরিক্ত ট্রেন 

    প্রসঙ্গত, এই সময় মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ডে বিধানসভার ভোটও রয়েছে। সেই ভোটের কথা মাথায় রেখেও বিশেষ ট্রেন (Indian Railways) চালানো হচ্ছে। রেলমন্ত্রী হিসেব দিয়ে জানিয়েছেন, দীপাবলির সময় প্রতিদিন ১৩৬টি করে অতিরিক্ত ট্রেন চালানো হবে। আর এই অতিরিক্ত ট্রেনগুলি থামবে বেশ কিছু স্টেশনেও। এরজন্য থাকবে অতিরিক্ত টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থা, কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পানীয় জলের ব্যবস্থা। এছাড়া ছট পুজোর কারণে আগামী ২, ৩ ও ৪ নভেম্বর প্রতিদিন ১৪৫টি করে অতিরিক্ত ট্রেন চালানো হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cabinet-Approves: রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রসারে ৬৭৮৯ কোটি টাকার অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

    Cabinet-Approves: রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রসারে ৬৭৮৯ কোটি টাকার অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী পাঁচ বছরে যোগাযোগ আরও বৃদ্ধি করতে, আনুষঙ্গিক খরচ এবং কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন কমাতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Cabinet-Approves) ৬৭৮৯ কোটি টাকার প্রকল্পের অনুমোদন করেছে। দীপাবলির আগে এই বরাদ্দ দেশবাসীর জন্য সুখবর। জানা গিয়েছে, বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানায় যোগাযোগকে আরও মজবুত করা হবে। একই ভাবে দুটি বিশেষ রেল প্রকল্প (Several Project) বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।

    পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলে ব্যাপক সহায়ক হবে (Cabinet-Approves)

    সামনেই দীপাবলি। দেশবাসী আলোর উৎসবে মেতে উঠবেন। ঠিক তার আগে কেন্দ্রের মোদি সরকারের কমিটি অফ ইকনমিক অ্যাফেয়ার্স (সিসিএ) একাধিক জনমুখী প্রকল্পের (Several Project) অনুমোদন করে দেশবাসীর জন্য উৎসর্গ করেছে। এই প্রকল্পে দুটি রেল সংযোগকে বাস্তবায়ন করার কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে একটি হল, নারকাতিয়াগঞ্জ-রক্সৌল-সীতামারি-দ্বারভাঙা অংশের সঙ্গে আরও ২৫৬ কিমি সংযুক্ত করে প্রকল্পের বাজেট দ্বিগুণ করা হয়েছে। এই পথ উত্তর-পূর্ব ভারত এবং সীমান্ত অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগকে আরও শক্তিশালী করবে। পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলে ব্যাপক সহায়ক হবে। এর ফলে আঞ্চলিক স্তরে আর্থিক প্রগতি-উন্নতির গতি আরও বাড়বে।

    ৮টি জেলাকে সংযুক্ত করে ৩১৩ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত হবে

    অপর আরেকটি রেল প্রকল্প হল, অমারাবতী হয়ে এরুপালেম এবং নাম্বুরু হয়ে এনটিআর বিজয়ওয়াড়া, গুন্টুর, খাম্মাম জেলার মধ্যে একটি নতুন লাইন পাতার কাজ চলছে। এই রেল যোগাযোগও সুদুরপ্রসারী হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এই সংযোগ মোট ৩টি রাজ্যের ৮টি জেলাকে সংযুক্ত করে ৩১৩ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। নতুন এই রেল লাইন প্রকল্পে (Cabinet-Approves) মোট ৯টি নতুন স্টেশন সহ প্রায় ১৬৮টি গ্রাম এবং প্রায় ১২ লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষভাবে সুবিধা পাবেন। অপর দিকে সীতামারি থেকে মুজফফরপুর পর্যন্ত রেলের বিস্তারে ৩৮৮টি গ্রাম এবং প্রায় ৯ লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবেন।

    আরও পড়ুনঃ দানা মোকাবিলায় প্রস্তুত ভারতীয় নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনী, কী কী ব্যবস্থাগ্রহণ?

    ৩১ এমটিপিএ মালবাহী ট্রেন চলাচল করবে

    এই রেলপথের বিস্তারে (Cabinet-Approves) কৃষিপণ্য, সার, কয়লা, লোহা আকরিক, ইস্পাত, সিমেন্ট ইত্যাদির মতো পণ্য পরিবহণের মাধ্যমে দ্রুত সরবরাহ করা যাবে। এই রুটে আনুমানিক ৩১ এমটিপিএ মাত্রার অতিরিক্ত মালবাহী ট্রেন চলাচল করতে সক্ষম হবে। একই ভাবে রেলকে পরিবেশবান্ধব, দূষণমুক্ত করতে বিশেষ নজর রাখা হবে। জলবায়ু এবং পরিবেশে যাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে, কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন যাতে কম হয়, সেই বিষয় সম্পর্কেও অভিনব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।   

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: নজরে এবার  লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আনমোল, মাথার দাম ১০ লক্ষ  টাকা ঘোষণা করল এনআইএ

    NIA: নজরে এবার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আনমোল, মাথার দাম ১০ লক্ষ টাকা ঘোষণা করল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাইকে ধরতে মরিয়া এনআইএ (NIA)। লরেন্সের ভাই আনমোল বিষ্ণোই ওরফে ভানুর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তিনি ভুয়ো পাসপোর্টের মাধ্যমে ভারত ছেড়েছেন। প্রথমে চলে গিয়েছিলেন কেনিয়ায়। চলতি বছর তাঁকে শেষ বার দেখা যায় কানাডায়। মহারাষ্ট্রের এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকি খুনের সঙ্গেও আনমোলের যোগ রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, সিদ্দিকির শুটারদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন লরেন্সের ভাই।

    মাথার দাম ১০ লক্ষ টাকা (NIA)

    এনআইএ (NIA) সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে পঞ্জাবের সঙ্গীতশিল্পী সিধু মুসেওয়ালা এবং বাবা সিদ্দিকি হত্যা মামলা-সহ বেশ কয়েকটি অপরাধের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে তাঁর। বলিউড অভিনেতা সলমন খানের বাড়ির বাইরে গুলি চালানোর জন্য যে বন্দুকধারীকে আটক করা হয়েছিল, সেও জানিয়েছিল আনমোল বিষ্ণোই (Anmol Bishnoi) তাকে এই কাজের ভার দিয়েছিল। তাঁর মাথার দাম ঘোষণা করা হল ১০ লক্ষ টাকা। ২০২২ সালে নথিভুক্ত দুটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে এনআইএ। কর্তৃপক্ষ অনমোল বিষ্ণোইয়ের অবস্থান সম্পর্কে যে কাউকে তথ্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছে। সংগঠিত অপরাধ নির্মূল করা এবং তাদের কার্যক্রমের তদন্তে আনমোলকে ধরাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে এনআইএ। এর আগে গত জানুয়ারিতে, পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি এবং চণ্ডীগড়ের ৩২টি স্থানে অভিযান চালিয়ে দুটি পিস্তল, গোলাবারুদ এবং ৪.৬০ লক্ষ নগদ উদ্ধার করা হয়েছিল। তার প্রায় ন’মাস পর এই ঘোষণা করল এনআইএ।

    আরও পড়ুন: রাস্তায় যুবতীকে চুম্বন ‘মদ্যপ’ মহিলা পুলিশকর্মীর! ভাইরাল ভিডিও, আক্রমণ বিজেপির

    বিদেশে সক্রিয় আনমোল!

    লরেন্স বিষ্ণোই এবং গোল্ডি ব্রার-সহ তার সহযোগীদের পরিচালিত এই অপরাধ সিন্ডিকেট (NIA) দেশিয় এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মাফিয়া-ধাঁচের নেটওয়ার্ক স্থাপন করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই অপরাধমূলক নেটওয়ার্কগুলি পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালা, সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন এবং অস্ত্র চোরাচালান-সহ সেলিব্রিটিদের হত্যার মতো গুরুতর অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। তদন্তকারীদের ধারণা, আমেরিকা এবং কানাডা থেকে এখনও সক্রিয় আনমোল। সিদ্দিকিকে খুনের জন্য যে শুটারদের আনা হয়েছিল, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন আনমোল। ‘স্ন্যাপচ্যাটে’ তার প্রমাণ মিলেছে। সূত্রের খবর, শুটারদের তিনি সিদ্দিকির পুত্র জিশানের একটি ছবিও পাঠিয়েছিলেন ওই অ্যাপের মাধ্যমেই। অনুমান করা হচ্ছে, তাঁদের লক্ষ্য ছিলেন জিশানও। গত ১২ অক্টোবর মুম্বইয়ের বান্দ্রায় জিশানেরদফতরের সামনে গুলি করে খুন করা হয় সিদ্দিকিকে। তিনজন আততায়ী তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। তাদের মধ্যে দু’জন ধরা পড়েছে। তবে এখনও এক জন পলাতক। সিদ্দিকি খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও তিনজনকে খুঁজছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদির দেখানো পথেই গাজা-ইউক্রেনে শান্তি সম্ভব, মত জার্মান চ্যান্সেলর শোলৎজের

    PM Modi: মোদির দেখানো পথেই গাজা-ইউক্রেনে শান্তি সম্ভব, মত জার্মান চ্যান্সেলর শোলৎজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক সমাধান না মেলার ফলেই ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ চলছে। অশান্ত হয়ে উঠেছে মধ্য প্রাচ্য। এই পরিস্থিতি থেকে নিষ্কৃতি পেতে আলোচনাই একমাত্র সমাধানের পথ। শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমেই রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান মেলে। ভারত যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই যুদ্ধ বন্ধ করতে আগ্রহী, আগে একাধিক বার সে কথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন মোদির নীতির ভূয়সী প্রশংসা করলেন জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎজ। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তিনি।

    কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা

    দু’দিনের ভারত সফরে বৃহস্পতিবার দিল্লি এসে পৌঁছেছেন জার্মান চ্যান্সেলর। শুক্রবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে প্রাতরাশ বৈঠকে সৌজন্য সাক্ষাৎ হয় তাঁদের। এর পরে নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে সরকারি প্রতিনিধিস্তরের সপ্তম দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে হাজির ছিলেন দুই রাষ্ট্রনেতা। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, মোদির সঙ্গে শোলৎজের বৈঠকে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, শক্তি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলি স্থান পেয়েছে। উঠেছে রাশিয়া-ইউক্রেন এবং পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রসঙ্গও। বৈঠকের পরে শোলৎজ বলেন, ‘‘আমরা আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষে কথা বলেছি। কারণ এই পদ্ধতি উন্নয়ন, সমৃদ্ধি এবং বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা রক্ষা করার ক্ষেত্রে অপরিহার্য।’’ ২০২২ সালে বার্লিনে জি৭ রাষ্ট্রগোষ্ঠীর বৈঠকে ‘পর্যবেক্ষক’ হিসাবে যোগ দিয়েছিল ভারত। সেখানে প্রকাশ্যে আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেন সমস্যার সমাধানের উপর জোর দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন সেই একই সুর শোনা গেল শোলৎজের কথায়।

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনকে চাপে ফেলতে ভারতের সঙ্গে অক্ষ তৈরি করতে আগ্রহী জার্মানি। সেই উদ্দেশ্যেই নয়াদিল্লির সঙ্গে সামরিক বোঝাপড়া বাড়াতে চাইছেন শোলৎজ। ২০২১ সালে চ্যান্সেলর নির্বাচিত হওয়ার পরে এই নিয়ে তৃতীয় বার ভারতে এলেন তিনি। বরাবরই যুদ্ধ বন্ধে শান্তিপূর্ণ আলেচনার কথা বলেছে ভারত। এবার একই সুর শোনা গেল জার্মান চ্যান্সেলরের গলায়। শোলৎজ বলেন, ‘‘রাজনৈতিক সমাধান না মেলার কারণেই মধ্যপ্রাচ্য (পশ্চিম এশিয়া) আজ অগ্নিগর্ভ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JNU: পশ্চিম এশিয়া নিয়ে তিন আলোচনা সভা বাতিল করল জেএনইউ

    JNU: পশ্চিম এশিয়া নিয়ে তিন আলোচনা সভা বাতিল করল জেএনইউ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক অচলাবস্থা নিয়ে আয়োজিত তিনটি পৃথক আলোচনা সভা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিল দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU)। কেন পশ্চিম এশিয়া নিয়ে তিন আলোচনা সভা বাতিল করা হল, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে কিছু জানাননি। এই সেমিনারে যোগ দেওয়ার কথা ছিল ভারতে নিযুক্ত ইরান, প্যালেস্টাইন ও লেবাননের রাষ্ট্রদূতদের। তাঁরাও সেমিনার বন্ধ প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করেননি।

    কোন কোন সভা বাতিল

    জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (JNU) এই আলোচনা সভার আয়োজক ছিল জেএনইউয়ের ‘সেন্টার ফর ওয়েস্ট এশিয়ান স্টাডিজ’। তিনটি পৃথক দিনে তিন দেশের রাষ্ট্রদূতদের আসার কথা ছিল। গত বুধবার ছিল প্রথম আলোচনা সভা। আসার কথা ছিল ইরানের রাষ্ট্রদূত ইরাজ ইলাহির। পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাবলি ইরান কী চোখ দেখছে, সেটাই ছিল আলোচনার বিষয়বস্তু। সময় নির্ধারিত ছিল বেলা ১১টা। কিন্তু সকাল আটটাতেই আলোচনা সভার সমন্বয়ক সীমা বৈদ্য ইরানি রাষ্ট্রদূতকে ইমেল করে জানিয়ে দেন, অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। সেই একই বার্তা পাঠানো হয় প্যালেস্টাইন ও লেবাননের রাষ্ট্রদূতদেরও। 

    আরও পড়ুনঃ দানা’র দাপটে উত্তাল দিঘা-মন্দারমণি, ভোর-রাত থেকেই নাগাড়ে বৃষ্টি কলকাতায়

    কেন সভা বাতিল

    প্যালেস্টাইনের রাষ্ট্রদূত আদনান আবু আল হাইজার আসার কথা ছিল ৭ নভেম্বর। লেবাননের আলোচনা সভার সময়সূচি ছিল ১৪ নভেম্বর। সেখানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল, সে দেশের রাষ্ট্রদূত রাবিই নার্সের। ইরান ও লেবানন দূতাবাসের তরফে বলা হয়েছে, কী কারণে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা তাঁরা জানেন না। আলোচনা সভার সমন্বয়ক সীমা বৈদ্যও কারণ জানাতে চাননি। যদিও জেএনইউ (JNU) সূত্রে খবর, ‘স্কুল অব ইন্টারন্যাশন্যাল স্টাডিজ’–এর (সিস) শীর্ষ ফ্যাকাল্টি সদস্যরা এই আলোচনা সভাতে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আশঙ্কা, আলোচনা সভা হলে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বিক্ষোভ হতে পারত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hoax Bomb Threat: মোট ঘটনার সংখ্যা ২৫০ পার! ফের ৯৫ বিমানে ভুয়ো বোমাতঙ্ক, কড়া পদক্ষেপের ভাবনা

    Hoax Bomb Threat: মোট ঘটনার সংখ্যা ২৫০ পার! ফের ৯৫ বিমানে ভুয়ো বোমাতঙ্ক, কড়া পদক্ষেপের ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পর পর বিমানে ভুয়ো বোমাতঙ্ক (Hoax Bomb Threat)! ইন্ডিগো, এয়ার ইন্ডিয়া, ভিস্তারা, স্পাইসজেট, অ্যালায়েন্স এয়ার এবং আকাসা এয়ারের অন্তত ৯৫টি বিমানে বোমা হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। আর এরপরেই বিভিন্ন বিমানবন্দরে একাধিক বিমানের জরুরি অবতরণ করানো হয়েছে বলে খবর। শুধু তাই নয়, দমদম বিমানবন্দরেও ৭টি বিমানের (Flights) জরুরি অবতরণ করানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই নিয়ে গত ১০ দিনে প্রায় আড়াইশোর বেশি বিমানে বোমা সংক্রান্ত হুমকি তথ্য গিয়েছে।

    কত বিমানে বোমাতঙ্ক? (Hoax Bomb Threat)

    জানা গিয়েছে, আকাসা এয়ারের ২৫টি বিমানে (Flights) বৃহস্পতিবার এই ধরনের হুমকি গিয়েছে। পাশাপাশি এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো এবং ভিস্তারা উড়ান সংস্থার ২০টি করে বিমানে হুমকি গিয়েছে। স্পাইস জেট এবং অ্যালায়েন্স এয়ারেরও পাঁচটি করে বিমানে হুমকি গিয়েছে। বৃহস্পতিবারের এই বোমাতঙ্কগুলির আগে পর্যন্ত ১৭০টি বিমানে বোমা থাকার ভুয়ো হুমকি ছিল। এই ঘটনায় বিমানে ভুয়ো বোমাতঙ্কের (Bomb Threat) ঘটনা বৃদ্ধি পেয়ে হল অন্তত ২৬৫। সাম্প্রতিক এই বোমাতঙ্কগুলির বেশির ভাগই ছড়িয়েছিল সমাজমাধ্যম থেকে। যার জেরে একাধিক বিমান বাতিল হয়েছে। কোনওটির যাত্রাপথ বদল হয়েছে। পরে দেখা গিয়েছে, সবই ভুয়ো বোমাতঙ্ক (Hoax Bomb Threat)। সাম্প্রতিক এই ঘটনাগুলিতে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রও। ভুয়ো বোমাতঙ্কে অভিযুক্তদের উড়ান সংস্থার ‘নো ফ্লাই লিস্ট’-এ অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনাও চলছে। এই তালিকায় থাকার অর্থ সংশ্লিষ্ট উড়ান সংস্থার কোনও বিমানে (Flights) তাঁরা উঠতে পারবেন না। জানা গিয়েছে, ভুয়ো বোমাতঙ্কের ঘটনায় দিল্লি পুলিশ এখনও পর্যন্ত আটটি মামলা রুজু করেছে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির প্রেক্ষিতে বিভিন্ন উড়ান সংস্থাকে নিয়ে বৈঠকও করেছে অসামরিক বিমান নিরাপত্তা সংস্থা ব্যুরো অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিওরিটি।

    আরও পড়ুন: রাস্তায় যুবতীকে চুম্বন ‘মদ্যপ’ মহিলা পুলিশকর্মীর! ভাইরাল ভিডিও, আক্রমণ বিজেপির

    যাত্রীরা আতঙ্কিত

    সরকারি সূত্রে জানা যাচ্ছে, আকাসা এয়ারের ২৫টি ফ্লাইট, এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো ও ভিস্তারার ২০টি এবং স্পাইসজেট ও অ্যালায়েন্স এয়ারের পাঁচটি ফ্লাইটকে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। একদিনে ৩৫টি বিমানে বোমা রাখার হুমকি (Hoax Bomb Threat), ফের হইচই যার বেশিরভাগটাই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও বিমানেই সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। এমনকী বৃহস্পতিবারও দীর্ঘ তল্লাশি অভিযানে তেমন কিছু উদ্ধার হয়নি বলেই খবর। এই ঘটনায় বিমানে থাকা যাত্রীদের (Flights) মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

    আকাসা এয়ার সংস্থার এক আধিকারিক?

    আকাসা এয়ার সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, ‘‘আমাদের একাধিক বিমানের বোমা হুমকি (Hoax Bomb Threat) দেওয়া হয়। এরপরেই জরুরি ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। জরুরি অবতরণ করা হয় বিমানগুলিকে। নিরাপত্তা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, স্থানীয় প্রশাসন এবং নিরাপত্তা-সুরক্ষা সংক্রান্ত সমস্ত এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।’’

    কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান মন্ত্রী  কী বলেছিলেন?

    তবে, যেভাবে এই ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে তা রীতিমত উদ্বেগের জায়গায় পৌঁছে যাচ্ছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে প্রশাসনের তরফেও। গত কয়েকদিন আগেই এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান মন্ত্রী রামমোহন নায়ডু বলেন, ‘‘বিমানে ভুয়ো বোমাতঙ্ক (Hoax Bomb Threat) ছড়ানো অপরাধ হিসেবে গ্রাহ্য হবে। হুমকি দেওয়ার ঘটনাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। কে বা কারা দোষী তাও দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে। এমনকী তাঁদের বিমানে (Flights) ওঠার উপরেও নিষেধাজ্ঞা সরকার জারি করবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Gold: ব্রিটেন থেকে ১ লক্ষ কেজি সোনা ফিরিয়ে আনল ভারত, দেশের অর্থনীতি আরও মজবুতের দিকে

    India Gold: ব্রিটেন থেকে ১ লক্ষ কেজি সোনা ফিরিয়ে আনল ভারত, দেশের অর্থনীতি আরও মজবুতের দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেন থেকে ১ লক্ষ কেজি সোনা (India Gold) ফিরিয়ে আনল ভারত (RBI)। ১৯৯১ সালের পর ভারতে এতটা বিশাল পরিমাণ সোনা হস্তান্তরের খবরে শোরগোল পড়েছে দেশে। ভারত সহ বিশ্বের বড় মাপের অর্থনীতিবিদরা বিশেষ অগ্রগতির চলনকে ইঙ্গিত করেছেন। এই সোনা ব্রিটেন থেকে ভারতের রিজার্ভ ব্যঙ্কে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মোদি সরকারের প্রশংসায় ওয়াকিবহাল মহল। ভারত দ্রুত পঞ্চম বৃহৎ অর্থনীতি থেকে তৃতীয় অর্থনীতিতে পরিণত হবে বলে আশাবাদী বিশেষজ্ঞরা।

    মোদির আমলে বিরাট সাফল্য (India Gold)

    ১৯৯১ সালে দেশের বেহাল আর্থিক দশার কারণে ১০০ টন সোনা বন্ধক রাখতে হয়েছিল আরবিআইকে (RBI)। ওই সময়ে ভারতের আর্থিক পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত দুর্বল। এবার বর্তমান মোদি সরকারের আমলে দেশের অর্থনীতি অনেকটাই চাঙ্গা হয়েছে। ফলে এই বিপুল পরিমাণ সোনা (India Gold) নিজের দেশে ফিরিয়ে আনতে পেরে ভারতের অর্থনীতিকে যে আরও গতি প্রদান করা সম্ভব হবে, একথা অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করছেন। এই পদক্ষেপের সঙ্গে দেশে মজুত সোনা পরিচালনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রের কৌশলগত পরিবর্তনের একটা বিশেষ ইঙ্গিতও নজরে পড়েছে। এই সোনা দেশে ফিরেছে বিভিন্ন দফতরের সুপরিকল্পনা, সমন্বয় এবং নেতৃত্বের কারণেই।

    অনেক খরচ কমবে

    আরবিআই-এর বেশিরভাগ সোনাই বিদেশের মাটিতে রাখা আছে। সেই জন্য বিদেশের ব্যাঙ্কগুলিতে স্টোরেজের খরচ দিতে হয়। ব্রিটেন থেকে এই সোনা ফিরিয়ে আনার ফলে এবার থেকে বেশ কিছু খরচও বাঁচবে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশের জাতীয় সম্পদ রক্ষায় এই কৌশল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    আরও পড়ুনঃ দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন সঞ্জীব খান্না, শপথ নেবেন ১১ নভেম্বর

    ২০২৩ সালে ২৭.৫ টনের বেশি সোনা কিনেছিল ভারত

    আরবিআই (RBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, “এখন মোট ৮২২.১ টন সোনা (India Gold) মজুত রয়েছে ভারতের। বিশ্বের আর্থিক মন্দার কারণে অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সোনার ভাঁড়ার বাড়ানোর দিকে ঝুঁকেছে। ভারতের আরবিআই একই ভাবে কাজ করছে। আরবিআই তাই বেশি বেশি সোনা কিনছে। ২০২৩ সালে আগের বছর তুলনায় ২৭.৫ টন বেশি সোনা কিনেছিল। এই ভাঁড়ার বৃদ্ধির ফলে কোনও একক বৈদেশিক মুদ্রার উপর ভারতের নির্ভরতা কমেছে। মুদ্রার দর ওঠা-নামা আর্থিক অস্থিরতার সঙ্গে সম্পর্কিত ঝুঁকিগুলি কমেছে। ব্রিটেন থেকে সোনা ফিরিয়ে আনা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার একটি পদক্ষেপ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IMF: দ্রুততম হারে বাড়তে থাকা অর্থনীতির তকমা ধরে রাখবে ভারত, জানাল আইএমএফ

    IMF: দ্রুততম হারে বাড়তে থাকা অর্থনীতির তকমা ধরে রাখবে ভারত, জানাল আইএমএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বে দ্রুততম হারে বাড়তে থাকা অর্থনীতির তকমা ভারত ধরে রাখতে পারবে বলে জানাল আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার (আইএমএফ)। এর কারণ হিসেবে ভালো বর্ষার প্রভাবে কৃষিফলনের উন্নতি এবং গ্রামাঞ্চলে খরচের ক্ষমতা বৃদ্ধিকেই সামনে এনেছে আইএমএফ। বৃহস্পতিবার এক রিপোর্ট সামনে এসেছে, সেখানেই আইএমএফ (IMF) জানিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষে (২০২৪-২৫) জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে পারে ৭ শতাংশ। অন্যদিকে, মার্কিন পরামর্শদাতা সংস্থা ডেলয়েট ইন্ডিয়া জানিয়েছে, চলতি বছরে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির হার হতে পারে ৭ শতাংশ থেকে ৭.২ শতাংশ। এদিনই মার্কিন সফরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন দাবি করেছেন, পরিকাঠামো, লগ্নি এবং উদ্ভাবনের মতো বিষয়গুলির ওপরে জোর দিয়ে ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত উন্নত অর্থনীতি হয়ে উঠবে।

    ভারতের অর্থ ব্যবস্থা বেশ শক্তপোক্ত জায়গায় রয়েছে

    আইএমএফের (IMF) এশিয়া-প্যাসিফিক ক্ষেত্রের নির্দেশক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন জানিয়েছেন, ভারতের অর্থ ব্যবস্থা বেশ শক্তপোক্ত জায়গায় রয়েছে, দীর্ঘ নির্বাচন প্রক্রিয়া সত্ত্বেও। রাজকোষ ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে ও বিদেশি মুদ্রা ভান্ডার ভালো জায়গায় রয়েছে বলেই জানিয়েছেন কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন। তাঁর মতে, ‘‘ভারতে বেশি সংখ্যায় কাজ তৈরি করা দরকার। আমার মতে, ২০১৯-২০ সালে পাশ হওয়া শ্রমবিধি কার্যকর করা উচিত। তাতে কর্মীদের সামাজিক সুরক্ষা বৃদ্ধির পাশাপাশি, শ্রমের বাজার নমনীয় হবে।’’

    কৃষি এবং ভূমি সংস্কারের দিকে মনোনিবেশের পরামর্শ দেন আইএমএফের ডিরেক্টর (IMF)

    কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন বলেন, ‘‘আমি বলব যে সংস্কারের কাজ চালিয়ে যান। পরিকাঠামো বৃদ্ধি, তা ভৌত পরিকাঠামোই হোক বা ডিজিটাল পরিকাঠামো, সেটা তো করে যেতেই হবে। এটা অন্যতম বড় অর্জন। কিন্তু এর বাইরে গিয়ে, আমি বলব আপনাকে কৃষি এবং ভূমি সংস্কারের দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। শিক্ষা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আপনাকে আরও ভাবতে হবে। যে অর্থনীতিতে পরিষেবা খাতে অনেক বেশি চাকরি তৈরি হয়, সেখানে সঠিক ধরনের দক্ষতা থাকা গুরুত্বপূর্ণ৷ তাই, শিক্ষায় বিনিয়োগ করা, শ্রম বাহিনীকে দক্ষ করে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীকে শক্তিশালী করা আরও একটি সংস্কার।’’

    বেকারত্বের হার কমেছে

    বেকারত্বের হার ৪.৯ শতাংশে নেমে এসেছে উল্লেখ করে তিনি জানান, শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ এবং কর্মসংস্থান-জনসংখ্যার অনুপাত বাড়ছে। তিনি (Krishna Srinivasan) বলেন, ‘‘শ্রমবাজারে অংশগ্রহণের হার ৫৬.৪ শতাংশ এবং কর্মসংস্থান-জনসংখ্যার অনুপাত প্রায় ৫৩.৭ শতাংশ। গত শতাব্দীর চারের দশকের তুলনায় এটা অনেকটাই বেড়েছে। বেশিরভাগ উন্নতি হয়েছে স্ব-নিযুক্ত কর্মীদের ক্ষেত্রে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pulse Price: মুগ-মুসুর ডাল মিলবে ২৫ শতাংশ কম দামে, দীপাবলির আগে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    Pulse Price: মুগ-মুসুর ডাল মিলবে ২৫ শতাংশ কম দামে, দীপাবলির আগে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে ২৫ শতাংশ কম দামে মুগ-মুসুর ডাল পাওয়া যাবে। দেশের মধ্যবিত্ত মানুষকে স্বস্তি দিতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বড় পদক্ষেপ। বুধবার কেন্দ্রের ক্রেতা সুরক্ষা দফতর এই ডাল বিক্রি (Pulse Price) প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছে। উল্লেখ্য, রাজ্যের পুজোর আগে থেকে মাছ, মাংস, সবজি থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জীবন নাজেহাল হয়ে উঠছে। অগ্নিমূল্যের জেরে নিচুতলার মানুষের পকেটে রীতিমতো টান পড়েছে। অপর দিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর গঠিত বিশেষ টাস্ক ফোর্সের দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা নেই বলে দাবি আমজনতার। এখন কেন্দ্রের উদ্যোগে ডালের দামে ছাড় মেলায় কিছুটা পরিত্রাণ মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বাফার স্টক থেকে ডাল বিক্রির পরিকল্পনা (Pulse Price)

    কেন্দ্রীয় সরকার ভারত ব্রান্ডের নামে ভর্তুকিযুক্ত দামে ছোলা, মুগ এবং মুসুরের ডাল (Pulse Price) বিক্রি করে থাকে। এইবার এই প্রকল্পের আওতায় প্রাপ্ত ডালের মূল্যের উপর ভর্তুকির মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা হয়েছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। কম দামে ভালো ডাল মিলবে বলে এখন ক্রেতারা উচ্ছ্বসিত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি বলেন, “ডালের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে বাফার স্টক থেকে ডাল বিক্রির পরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকার মোট ৩ লক্ষ টন চানা বা ছোলার ডাল এবং ৬৮ হাজার টন মুগ ডাল রিলিজ করেছে বাফার স্টক থেকে।”

    আরও পড়ুন: ‘দানা’র দাপটে উত্তাল দিঘা-মন্দারমণি, ভোর-রাত থেকেই নাগাড়ে বৃষ্টি কলকাতায়

    ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে কেনা হচ্ছে ডাল

    ভারত ব্রান্ডের অধীনে গোটা ছোলার ডাল ৫৮ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাবে। ভাঙা ছোলার ডালের (Pulse Price) দাম রয়েছে কেজি প্রতি ৭০ টাকা। এছাড়া মুসুর ডাল ৮৯ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাবে। বিভিন্ন সরকারি কো-অপারেটিভ কেন্দ্রগুলিতে ওই ব্রান্ডের ডাল পাওয়া যাবে। এই ডালের মূল্য হবে খুচরো বা অনলাইনে বিক্রিত মূল্যের তুলনায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কম। ভারত ব্রান্ডের ডাল বিক্রির মাধ্যমে একদিকে যেমন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে, ঠিক তেমনি ভাবে উৎসবের মরশুমে বাজারের পর্যাপ্ত জোগানও থাকবে ডালের। কেন্দ্রীয় সরকারে বক্তব্য, “ডালের উৎপাদন বাড়াতে গত খরিফ মরশুমেই কৃষকদের ভাল গুণমানের বীজ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে অরহর, উরদ ও মুগ ডাল কেনা হচ্ছে কৃষকদের কাছ থেকে। কৃষকদের সার্বিক উন্নয়নই একান্ত লক্ষ্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Dana: ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’য় ক্ষতিগ্রস্ত বহু এলাকা তবে প্রাণহানি হয়নি, জানালেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী

    Cyclone Dana: ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’য় ক্ষতিগ্রস্ত বহু এলাকা তবে প্রাণহানি হয়নি, জানালেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় দানা (Cyclone Dana) কাঁপাল বাংলা ও ওড়িশা (Odisha)। গত কয়েক বছরে ঘূর্ণিঝড় আর ওড়িশা যেন সমার্থক হয়ে উঠেছে। বারবার ওড়িশা উপকূল তছনছ করেছে বিভিন্ন সাইক্লোন। ঘটেছে প্রাণহানি। তবে এবার, ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র প্রভাবে ওড়িশায় বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হলেও, কোনও প্রাণহানি ঘটেনি। আগেভাগে সতর্কতা অবলম্বন করে উপকূলভাগ থেকে মানুষদের নিরাপদ দূরত্বে শরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল রাজ্যের বিজেপি সরকার। সজাগ ছিল প্রশাসন। তাই এড়ানো গিয়েছে হতাহতের ঘটনা। ওড়িশা সরকারের ‘জিরো ক্যাজুয়ালটি মিশন’ সফল হয়েছে, বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি (Mohan Charan Majhi)।

    ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সক্রিয় সরকার

    শুক্রবার সকালে দুর্যোগ-পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ওড়িশার (Odisha) মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাতেই ঘূর্ণিঝড় (Cyclone Dana) মোকাবিলায় তাঁর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার কী কী পদক্ষেপ করেছে, তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জানানো হয়েছে। কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ প্রচেষ্টায় ‘জিরো ক্যাজুয়ালটি মিশন’ সফল হয়েছে। এদিন সকাল সাড়ে ৭টায় ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগে ঢোকার প্রক্রিয়া (ল্যান্ডফল) শেষ হয়। ‘ল্যান্ডফলের’ এই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী (Mohan Charan Majhi)। তিনি বলেন, “প্রশাসনিক নজরদারি এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির কারণে কারও মৃত্যু হয়নি। সরকারের লক্ষ্য ছিল, আমরা কাউকে মারা যেত দেব না। আমরা কথা রাখতে পেরেছি।”

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে সেনার গাড়িতে হামলা! গুলমার্গে শহিদ দুই জওয়ান সহ ৪

    নিরাপদ আশ্রয়ে ৫.৮ লক্ষ মানুষ

    ওড়িশার (Odisha) মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি জানিয়েছেন, মোট ৫.৮ লক্ষ মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তার জন্য বিপর্যয় (Cyclone Dana) মোকাবিলা দফতরের ৩৮৫টি দল কাজ করেছে৷ স্থানান্তরিতদের মধ্যে ছিলেন ৬০০০ সন্তানসম্ভবাও। তাঁদের তড়িঘড়ি বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি হওয়া ১৬০০ জন প্রসূতি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী (Mohan Charan Majhi)। ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানি রুখতে আগেই ৮৩২২টি সাইক্লোন সেন্টার প্রস্তুত রেখেছিল ওড়িশা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার মধ্যে দুর্গতদের অন্তত ৬০০৮টি সেন্টারে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার রাত সওয়া ১১টা নাগাদ ওড়িশার ভিতরকণিকা এবং ধামারার মধ্যবর্তী হাবালিখাটি নেচার ক্যাম্পের কাছে স্থলভাগে আছড়ে পড়েছিল ‘দানা’। এর জেরে বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছে ওড়িশার ধামারা। প্রচুর গাছ ভেঙে পড়ে রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সকাল থেকে সেই গাছ কেটে রাস্তা সাফ করার কাজে নেমে পড়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। ভুবনেশ্বরের কন্ট্রোল রুমে বসে পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি (Mohan Charan Majhi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share