Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • India China Relation: পূর্ব লাদাখ থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু ভারত-চিনের, মোদি-জিনপিং বৈঠকের সুফল?

    India China Relation: পূর্ব লাদাখ থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু ভারত-চিনের, মোদি-জিনপিং বৈঠকের সুফল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-চিন সীমান্তে (India China Relation) দুই দেশের সেনা সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হল শুক্রবার। এদিন সকাল থেকে পূর্ব লাদাখের ডেমচোক এবং ডেপসাং এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করা শুরু করল ভারত ও চিন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Rajnath Singh) সূত্রে খবর, দুই দেশের মধ্যে চুক্তি অনুসারে, ভারতীয় সৈন্যরা সংশ্লিষ্ট এলাকার পিছনের অবস্থানে সামরিক সরঞ্জামগুলি ফিরিয়ে আনতে শুরু করেছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে, চিনেরও সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।

    শুরু হল সেনা সরানোর প্রক্রিয়া

    পূর্ব লাদাখের ভারত-চিন (India China Relation) সীমান্তবর্তী প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বিভিন্ন অংশে, গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে সামরিক অচলাবস্থা চলছিল। দুই পক্ষেরই সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম রেখে দেওয়া হয়েছিল ওই সব এলাকায়। অবশেষে সেই অচলাবস্থার অবসান ঘটছে। গত সোমবারই ভারত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর টহল দেওয়ার বিষয়ে চিনের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছনো গিয়েছে। বেজিংয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বরফ গলার ইঙ্গিত দেন চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র, লিন জিয়ান-ও। এরপর বুধবার, রাশিয়ায় কাজানে ব্রিকস সম্মেলনের সমান্তরালে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং-এর মধ্যে। সেই বৈঠকে দুই রাষ্ট্রনেতাই পূর্ব লাদাখে প্রকৃ নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর টহলদারি এবং সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে ভারত-চিনের চুক্তিকে সমর্থন করেন। 

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে সেনার গাড়িতে হামলা! গুলমার্গে শহিদ দুই জওয়ান সহ ৪

    আলোচনার মধ্য দিয়েই অগ্রগতি

    ভারত ও চিনের (India China Relation) মধ্যে থাকা আন্তর্জাতিক সীমান্তের যে জায়গাগুলি নিয়ে দু’দেশের মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং ঐকমত্যে পৌঁছেছে দু’দেশ৷ বৃহস্পতিবার চাণক্য ডিফেন্স ডায়লগ অনুষ্ঠানে এই কথা জানান কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংও (Rajnath Singh)৷ তিনি জানান, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (এলএসি) কয়েকটি জায়গায় সেনার প্রহরা দেওয়া এবং গবাদি পশুদের বিচরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং ঐকমত্যে পৌঁছেছে দু’দেশ ৷ এই চুক্তি আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিরক্ষা বিষয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ৷ রাজনাথ সিং বলেন,“প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলএসি) কয়েকটি নির্দিষ্ট জায়গা নিয়ে ভারত ও চিনের মধ্যে মতভেদ ছিল৷ এই বিবাদ মেটাতে দুই দেশ সামরিক এবং কূটনৈতিক স্তরে নিজেদের মধ্য়ে আলোচনা করেছে৷ এই কথোপকথনের ফলেই বাস্তবের মাটিতে বৃহত্তর ক্ষেত্রে একমত হয়েছে দু’দেশ৷ সমানাধিকার এবং পারস্পরিক নিরাপত্তার নীতিতে এই চুক্তি হয়েছে৷ এর মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় সেনার প্রহরা এবং গবাদি পশুদের বিচরণের বিষয় দু’টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে৷ এটাই নিরবচ্ছিন্ন আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার শক্তি৷ কারণ আজ হোক বা কাল, সমাধান মিলবেই৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Space Start Up: ৩০-৩৫টি স্পেস স্টার্টআপ চালু করতে ১০০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন মোদি সরকারের

    Space Start Up: ৩০-৩৫টি স্পেস স্টার্টআপ চালু করতে ১০০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩০ থেকে ৩৫টি স্পেস স্টার্টআপ চালু করার জন্য ১,০০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন করল মোদি সরকার (Modi Government)। বৃহস্পতিবারই এই সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘‘আমাদের মূল লক্ষ্য হবে স্টার্টআপগুলিকে (Space Start Up) বাণিজ্যিকীকরণ পর্যায়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। যে কোনও স্টার্টআপের প্রথম দিকটাই সবচেয়ে জটিল হয় এবং এই সময়ে স্টার্টআপগুলিকে লালন পালন করলে, তারা এগিয়ে যায় এবং সাফল্যের সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়।’’ জানা গিয়েছে, যে তহবিল কেন্দ্রীয় সরকার তৈরি করেছে, সেখান থেকে প্রতিটি স্টার্টআপ ১০ কোটি থেকে ৬০ কোটি টাকার মধ্যে সহায়তা পাবে। এই অনুদানের মাধ্যমে স্টার্টআপগুলির উন্নয়ন সম্ভব হবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Government)।

    দেশে এই মুহূর্তে ২৫০টি মতো স্পেস স্টার্টআপ (Space Start Up) রয়েছে

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারের এমন পদক্ষেপ সারা বিশ্বের নিরিখে মহাকাশ গবেষণায় একটি বড় জায়গা তৈরি করতে পারবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে মহাকাশ খাতে ব্যয় করা হয় ৮.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, এরই পরিমাণ বাড়িয়ে ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার করা হবে বলে শোনা যাচ্ছে। ২০২০ সাল থেকেই মহাকাশ গবেষণায় ভারত উদারীকরণের পথ নেয়। জানা গিয়েছে, দেশে এই মুহূর্তে ২৫০টির মতো স্পেস স্টার্টআপ রয়েছে।

    কয়েক হাজার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ চাকরিরও সুযোগ তৈরি হবে

    প্রসঙ্গত, সরকার যে এমন উদ্যোগ নিতে চলেছে, তা চলতি বছরের বাজেট অধিবেশনেই ঘোষণা করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে কয়েক হাজার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ চাকরিরও সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই তহবিলের মাধ্যমে মহাকাশ স্টার্টআপগুলি (Space Start Up), স্যাটেলাইট প্রযুক্তি, তার উৎক্ষেপণের পাশাপাশি আরও অন্যান্য বিষয়ে গবেষণা চালাতে পারবে। কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব আরও বলেন, ‘‘অন্যান্য দেশের মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে যে ধরনের ইকোসিস্টেম তৈরি করা হয়েছে, আমাদের এমন পদক্ষেপ (Space Start Up) তারই সমতুল্য।’’

    কী বলছেন ইন্ডিয়ান স্পেস অ্যাসোসিয়েশনের ডিজি?

    ইন্ডিয়ান স্পেস অ্যাসোসিয়েশনের ডিজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল একে ভাট বলেন, ‘‘এই মুহূর্তে শিল্পের অন্যতম প্রধান প্রয়োজনীয়তা হল আর্থিক সহায়তা। আমরা বিশ্বাস করি, কেন্দ্রীয় সরকারের এমন তহবিল, শুধুমাত্র ভারতীয় মহাকাশ ইকোসিস্টেমের বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করবে না, একই সঙ্গে অন্যান্য বিনিয়োগকারীরাও এই সেক্টরটিকে বিনিয়োগক্ষেত্র হিসেবে বেছে নেবেন এবং ধীরে ধীরে ভারতের মহাকাশ গবেষণা আরও সাফল্যের মুখ দেখবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে সেনার গাড়িতে হামলা! গুলমার্গে শহিদ দুই জওয়ান সহ ৪

    Jammu Kashmir: কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে সেনার গাড়িতে হামলা! গুলমার্গে শহিদ দুই জওয়ান সহ ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) আবারও জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গুলমার্গের (Gulmarg) কাছে নিয়ন্ত্রণ রেখার অদূরে বুটাপাথরির কাছে সেনার এক গাড়িতে অতর্কিত হামলা হয়। এই ঘটনায় দুই সেনা জওয়ান-সহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও চারজন আহত হয়েছেন। সেনা সূত্রে খবর, এলওসি থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে এই ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার পিছনে পাকিস্তানের বর্ডার অ্যাকশন টিম (ব্যাট) রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তারাই এই ধরনের ক্রস-বর্ডার হামলা চালাতে দক্ষ। ঘাতক জঙ্গিদের নিকেশ করতে এই মুহূর্তে অভিযান জারি রেখেছে ভারতীয় সেনা।

    জঙ্গিদের খোঁজে সেনা

    সেনা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, গুলমার্গের (Gulmarg) নাগিন পোস্টের কাছে বুটাপাথরি এলাকায় সেনা গাড়িটি লক্ষ্য করে অতর্কিতে গুলি চালাতে শুরু করেছিল সন্ত্রাসবাদীরা। এলাকাটি গুলমার্গ স্কি-রিসর্ট থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে এবং নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছে অবস্থিত। এখানে অনুমতি ছাড়া অসামরিক ব্যক্তিদের চলাচল করতে দেওয়া হয় না। এলাকাটি জঙ্গিমুক্ত বলেই পরিচিত এবং প্রকৃতিপ্রেমীদের অত্যন্ত পছন্দের। আক্রান্ত গাড়িটি ১৮ নম্বর রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ছিল বলে জানা গিয়েছে। সেটি বুটাপাথরিতেই আসছিল। গাড়িটি একটি সেনা কনভয়ের অংশ ছিল। এক সন্ত্রাসবাদীও এই ঘটনায় আহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এক পুলিশ কর্তা বলেছেন, “এলাকাটি ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং জঙ্গিরা যাতে ঘন জঙ্গলের মধ্যে পালাতে না পারে, তার জন্য ওই এলাকায় বিশাল বাহিনী পাঠানো হয়েছে।” 

    এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার ত্রাল এলাকায় একজন পরিযায়ী শ্রমিককে গুলি করেছিল সন্ত্রাসবাদীরা। প্রীতম সিং নামে উত্তর প্রদেশের ওই বাসিন্দা গুরুতর আহত হন। এর আগে কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) গান্ডেরবালে সুড়ঙ্গ নির্মাণের শ্রমিকদের খুন করার চেষ্টা হয়েছিল। সেই ফুটেজ সামনে এসেছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে গান্ডেরবালের গগনগির এলাকায় দুই পাক জঙ্গি শ্রমিক শিবিরে ঢুকেছিল। তাদের হাতে ছিল একে ৪৭ ও এমকে-১ এর মতো অত্যাধুনিক মার্কিন রাইফেল। যা দেখে সস্পষ্টত বোঝা যাচ্ছে পাকিস্তানি জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Justice Sanjiv Khanna: দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন সঞ্জীব খান্না, শপথ নেবেন ১১ নভেম্বর

    Justice Sanjiv Khanna: দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন সঞ্জীব খান্না, শপথ নেবেন ১১ নভেম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হতে চলেছেন সঞ্জীব খান্না (Justice Sanjiv Khanna)। প্রসঙ্গত, আগামী ১০ নভেম্বর বর্তমান প্রধান বিচারপতি (CJI) ডিওয়াই চন্দ্রচূড় অবসর নিচ্ছেন। সূত্রের খবর, ঠিক এর পরের দিনই, ১১ নভেম্বর শীর্ষ আদালতের ৫১তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। গতকাল বৃহস্পতিবারই, তাঁর নিয়োগে অনুমোদন দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সমাজমাধ্যমে এ কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়াল।

    আইনমন্ত্রককে চিঠি পাঠিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়

    আগেই দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হিসেবে বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার (Justice Sanjiv Khanna) নাম প্রস্তাব করেছিলেন বর্তমান প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। নিয়ম অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রকে নিজের উত্তরসূরির নাম প্রস্তাব করে পাঠান তিনি। সেই সময়ই জানা যায়, বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার নাম প্রস্তাব করেছেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়।

    আগামী বছরের ১৩ মে অবসর নেবেন বিচারপতি সঞ্জীব খান্না 

    প্রসঙ্গত, বিচারপতি খান্না (Justice Sanjiv Khanna) ২০১৯ সালের ১৮ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হওয়ার আগে অবশ্য তিনি কোনও হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন না। এবার তিনিই শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি হতে চলেছেন। তবে তাঁর কাজের মেয়াদ হবে ছ’মাস। আগামী বছরের ১৩ মে তাঁর অবসর নেওয়ার কথা। ৩৭০ ধারা বিলোপ, নির্বাচনী বণ্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ মামলার বেঞ্চের সদস্য ছিলেন তিনি।

    বিচারপতি খান্না (Justice Sanjiv Khanna) আইন পেশায় যোগদান করেন ১৯৮৩ সালে

    জানা যায়, ফৌজদারি আইন বিষয়ে খুবই অভিজ্ঞ বিচারপতি খান্না দীর্ঘদিন আয়কর বিভাগ এবং দিল্লি সরকারের স্থায়ী আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন। বিচারপতি খান্না আইন পেশায় যোগদান করেন ১৯৮৩ সালে। প্রথমে, দিল্লির নিম্ন আদালতে আইনজীবী হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। বিচারপতি খান্নার আরও একটি পরিচয় হল, তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি হংসরাজ খান্নার ভাইপো। তাঁর পিতা দেবরাজ খান্না দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Dana: ওড়িশায় ভয়ঙ্কর তাণ্ডব চালাচ্ছে দানা, তুমুল ঝড়বৃষ্টি, রাস্তাঘাট জনমানবশূন্য

    Cyclone Dana: ওড়িশায় ভয়ঙ্কর তাণ্ডব চালাচ্ছে দানা, তুমুল ঝড়বৃষ্টি, রাস্তাঘাট জনমানবশূন্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যরাতের কিছুটা আগে ওড়িশায় আছড়ে পড়েছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’। ওড়িশায় (Odisha) চলছে তীব্র বেগে ঝড়। তার সঙ্গে, পাল্লা দিয়ে বৃষ্টির পরিমাণও বাড়ছে। ‘দানা’-র (Cyclone Dana) ব্যাপক তাণ্ডবে রাস্তাঘাট একেবারেই জনমানব শূন্য। সবমিলিয়ে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি ওড়িশায়।

    ‘দানা’-র ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া সম্পন্ন

    বৃহস্পতিবার রাত সওয়া এগারোটা নাগাদ ল্যান্ডফল হয় ঘূর্ণিঝড়ের। শুক্রবার সকাল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ মৌসম ভবন জানিয়েছে, ‘দানা’-র টেল বা লেজের অংশ এখনও স্থলভাগে প্রবেশ করেছে। অর্থাৎ, (এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত) ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পথে। যা জানা যাচ্ছে, ভিতরকণিকা এবং ধামারার মধ্যবর্তী হাবালিখাটি নেচার ক্যাম্পের কাছ থেকে স্থলভাগ অতিক্রম করে ঘূর্ণিঝড়ের শেষ অংশ। ঝড় বইছে ১০০ কিলোমিটার বেগে। ছত্তিশগড় ও মধ্যপ্রদেশের অভিমুখে এগোবে এই ঝড়। ‘দানা’-র প্রভাবে ভদ্রক, বালেশ্বর, পুরীসহ ওড়িশার বিভিন্ন জায়গার পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে, বলে জানা গিয়েছে। ধামারাতে প্রথমেই তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে ‘দানা’। ভিতরকণিকার পরিস্থিতিও ভয়ঙ্কর হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ঝড় (Cyclone Dana) বইছে ১০০-১১০ কিমি বেগে

    ‘দানা’-র তাণ্ডবে (Cyclone Dana) ওড়িশার একাধিক জায়গাতে গাছ উপড়ে পড়তে দেখা যায়। এর ফলে রাস্তায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ওড়িশাতে বর্তমানে ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইছে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ওড়িশার বিজেপি সরকারের দুর্যোগ মোকাবিলা মন্ত্রী সুরেশ পূজারী জানিয়েছিলেন, দশটি এমন জেলা রয়েছে যেগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সেখানকার স্থানীয় মানুষজনদেরকে ইতিমধ্যে সরানো হয়ে গিয়েছে।

    দানা (Cyclone Dana) মোকাবিলায় তৈরি করা হয়েছে ৭,৩৬৭ ত্রাণ শিবির 

    জানা গিয়েছে, ‘দানা’-র (Cyclone Dana) প্রভাব পড়তে চলেছে ওড়িশার ৬০টি ব্লক, ২১৩১ গ্রাম এবং ১২টি পুরসভার ৫৫টি ওয়ার্ডে। বুধবার থেকেই সেখানকার মানুষজনকে সরানোর বন্দোবস্ত শুরু করে ওড়িশা (Odisha) সরকার। দানা মোকাবিলায় তৈরি করা হয়েছে ৭,৩৬৭ ত্রাণ শিবির। মানুষ ছাড়াও ত্রাণ শিবিরগুলিতে এখনও পর্যন্ত রাখা হয়েছে ৬,৪৫৪টি পশুকে। দানা মোকাবিলায় কাজ করছে ২১৩টি বিভিন্ন মেডিক্যাল দল। বৃহস্পতিবারই পরিস্থিতির খোঁজ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কথা বলেন, ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির সঙ্গে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Dana: ‘চোখ’ না থাকলেও বাংলা-ওড়িশার উপকূলে ব্যাপক তাণ্ডব চালাবে দানা

    Cyclone Dana: ‘চোখ’ না থাকলেও বাংলা-ওড়িশার উপকূলে ব্যাপক তাণ্ডব চালাবে দানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার রাতেই ওড়িশার উপকূলে ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যেতে পারে ঘূর্ণিঝড় দানার (Cyclone Dana)। শুক্রবার ভোররাত পর্যন্ত চলতে পারে তাণ্ডব। তবে এই ঘূর্ণিঝড়ের কোনও চোখ থাকবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে ভালোই ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। মৌসুম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, চোখ না থাকলেও ব্যাপক তাণ্ডব চালাবে দানা এবং এর বেশিরভাগই হবে ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal)। উপকূলে ভারী বৃষ্টি এবং প্রবল বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কবার্তার কথা শুনিয়েছে হাওয়া অফিস। ল্যান্ডফলের পরে দানা দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে বাঁক নিতে শুরু করবে এবং ধীরে ধীরে তা শক্তি হারাবে বলে জানাচ্ছেন হাওয়া অফিসের কর্তারা।

    তাণ্ডব চালাবে দানা (Cyclone Dana)

    মৌসুম ভবনের তরফ থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে (প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত) ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Dana) কেন্দ্রে হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৯৫ থেকে ১০৫ কিলোমিটার রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় বর্তমানে সমুদ্রে রয়েছে এবং সেখানেই এই বেগে বইছে হাওয়া। ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে বর্তমানে ঝড়ের গতি রয়েছে ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার। রাত যত বাড়বে ঝড়ে তীব্রতার ততই বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। জানা গিয়েছে উপকূলবর্তী এলাকায় ঝড়ের সর্বোচ্চ গতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার।

    দানার (Cyclone Dana) কোনও চোখ থাকবে না 

    দানার (Cyclone Dana) কোনও চোখ থাকবে না বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিসের আধিকারিকরা। এর কারণ হিসেবে তাঁরা জানাচ্ছেন, ঘূর্ণিঝড় ঘুরতে ঘুরতে যখন স্থলভাগের দিকে এগোতে থাকে, তখন তার কেন্দ্রে একটি আপাত, শান্ত অঞ্চল তৈরি হয়ে যায়। সেখানে হাওয়ার গতিবেগ তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কম থাকে। ল্যান্ডফলের সময় ঝড়ের ঐ কেন্দ্র যখন স্থলভাগে প্রবেশ করে, তখন ওই ঘূর্ণিঝড়ের দাপট সব থেকে বেশি হয়। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, অনেক ক্ষেত্রেই চোখ তৈরি হয় না ঘূর্ণিঝড়ের। দানার ক্ষেত্রেও সেরকম কোনও চোখ থাকছে না। অন্যদিকে দানার তাণ্ডবে, পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়, এমনটাই জানা যাচ্ছে।

    বাংলা-ওড়িশা ছাড়াও ৫ রাজ্যে জারি সতর্কতা

    এর পাশাপাশি হাওয়া অফিসের কর্তারা আরও জানিয়েছেন, ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও আরও পাঁচ রাজ্যে প্রভাব পড়বে ঘূর্ণিঝড় দানার (Cyclone Dana)। সেই রাজ্যগুলিতে ইতিমধ্যেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৌসমভবনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও দানার তাণ্ডব চলবে অন্ধ্রপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়, বিহার এবং তামিলনাড়ুতে। ইতিমধ্যেই বিহারের ১২ জেলায় সতর্কবার্তা জারি করেছে রাজ্য প্রশাসন। সেই ১২ জেলার মধ্যে রয়েছে ভাগলপুর, বাঁকা, জামুই, মুঙ্গের, শেখপুরা, নালন্দা, জেহানাবাদ, লখিসরাই, নওয়াদা, গয়া, কাটিহার, পুর্ণিয়া এবং কিসানগঞ্জ। জানা গিয়েছে, এই জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। তামিলনাড়ুতেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: শাহের দরবারে জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর, রাজ্যের তকমা ফেরানো নিয়ে কথা

    Jammu and Kashmir: শাহের দরবারে জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর, রাজ্যের তকমা ফেরানো নিয়ে কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসেছেন ওমর আবদুল্লা। জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা, উপত্যকাকে (Jammu and Kashmir) রাজ্যের তকমা দেওয়ার পক্ষে প্রস্তাব পাশ করে ফেলেছে। এর পরেই গতকাল বুধবার দিল্লি গিয়ে ওমর আবদুল্লা দেখা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। ২০১৯ সালেই জম্মু-কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বদলে দিয়েছিল কেন্দ্র। তারপর থেকে চলতি বছরেই প্রথম বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরে। ভোটে জিতে ক্ষমতায় এসেছে ওমর আবদুল্লার ন্যাশনাল কনফারেন্স। তার পরেই গত সপ্তাহে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) মন্ত্রিসভা রাজ্যের মর্যাদা ফেরানোর দাবিতে একটি রেজোলিউশন পাশ করেছে।

    আধ ঘণ্টার বৈঠক 

    সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, অমিত শাহের (Amit Shah) তরফে জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) সরকারকে রাজ্যের তকমা ফেরাবার উদ্যোগে সম্পূর্ণরূপে সমর্থনের বার্তা দেওয়া হয়েছে। সূত্রের দাবি, আধঘণ্টার এই বৈঠকে কেন্দ্রের তরফে এই আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে যে, জম্মু ও কাশ্মীরকে ফের রাজ্যের তকমা ফিরিয়ে দিতে উদ্যোগ নেবে কেন্দ্র।

    আরও পড়ুন: আসছে ‘দানা’! ১৪ ঘণ্টা পরিষেবা বন্ধ শিয়ালদা দক্ষিণে, হাওড়ায় বাতিল একগুচ্ছ ট্রেন

    কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) সন্ত্রাসবাদী হানার আবহে, এমন বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ 

    সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) লেফ্টন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা বলেন, ‘‘রাজ্যের তকমা ফিরে পাওয়াটা ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার মতো প্রক্রিয়া। সাংবিধানিক অধিকার পুনরুদ্ধার করা এবং জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের পরিচয় রক্ষা করার জন্য এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।’’ প্রসঙ্গত, জম্মু-কাশ্মীরে, গত ১ সপ্তাহের মধ্যে পর পর জঙ্গি হামলার খবর সামনে এসেছে। গান্দেরবালের পর ত্রালেও ভিন রাজ্যের শ্রমিকদের ওপর গুলি চালনা হয়েছে কাশ্মীরে। তারপরই দিল্লি ছুটে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Amit Shah) সঙ্গে ওমর আবদুল্লার বৈঠক বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ওমর আবদুল্লা এনিয়ে বলেছেন, ‘‘প্রশাসনকে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে, যাতে এমন ঘটনা আর না ঘটে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Dana: আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’! দিঘা-ওড়িশায় যুদ্ধ জিততে প্রস্তুত এনডিআরএফ

    Cyclone Dana: আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’! দিঘা-ওড়িশায় যুদ্ধ জিততে প্রস্তুত এনডিআরএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার ভিতরকণিকা পার্ক এবং ধামরা বন্দরের মাঝে আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’ (Cyclone Dana)। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার ভোরের মধ্যেই শতাধিক কিলোমিটার বেগে স্থলভাগে ঢুকে পড়বে ‘দানা’। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, ওড়িশায় ‘দানা’ যতটা প্রভাব ফেলবে, অনেকটা তার কাছাকাছি প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা লাগোয়া পূর্ব মেদিনীপুরেও। ঝড়-জলে বিপর্যস্ত হতে পারে এই জেলার বিস্তীর্ণ অংশের জনজীবন। ইতিমধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ে বিপদগ্রস্ত মানুষদের উদ্ধারে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। এনডিআরএফ-এর (NDRF Team) ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল মোহসেন শাহেদি বৃহস্পতিবার জানান যে, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ওড়িশায় ২০টি এবং পশ্চিমবঙ্গে ১৭টি টিম মোতায়েন করা হয়েছে। 

    ওড়িশায় সক্রিয়তা

    দানার (Cyclone Dana) হানা মোকাবিলা করতে ইতিমধ্যেই তৎপর হয়েছে ওড়িশা প্রশাসন। মনে করা হচ্ছে ওড়িশার প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ দানার প্রকোপের মুখে পড়তে পারেন। তার মধ্যে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে তিন লক্ষ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি। বাকিদেরও সুরক্ষিত আশ্রয়কেন্দ্রে সরানোর কাজ চলছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ওড়িশার বিজেপি সরকার ১৪টি জেলায় রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ৫১টি দল, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর (NDRF Team) ২০টি দল এবং দমকল বাহিনীর ১৭৮টি দল মোতায়েন করেছে। এনডিআরএফ-এর ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল শাহেদি বলেন, “এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ সবচেয়ে বেশি পড়বে। ওড়িশার ভদ্রক জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে হচ্ছে। ওড়িশার ১০টি উপকূলবর্তী জেলা ব্যাপকভাবে আক্রান্ত হবে। এর মধ্যে আক্রান্ত এলাকা থেকে ১.৭ লক্ষের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: ‘দানা’র দাপটে লণ্ডভণ্ড হতে পারে ওড়িশার তিন জেলা, কোথায়, কত বেগে বইবে ঝড়?

    সতর্কতা পূর্ব মেদিনীপুরে

    ঝড়-জলে বিপর্যস্ত হতে পারে বাংলার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিস্তীর্ণ অংশের জনজীবন। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, অতি ভারী বৃষ্টি হবে সেখানে। উঠতে পারে প্রবল ঝড়ও। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইতিমধ্যেই পথে নেমেছে প্রশাসন। সমুদ্রের ধারেকাছে ঘেষতে দেওয়া হচ্ছে না সাধারণ মানুষকে। সম্ভাব্য দুর্যোগের কথা মাথায় রেখে দিঘা এবং সংলগ্ন এলাকায় কাজে নেমে পড়েছে এনডিআরএফও। ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর (NDRF Team) জুড়ি মেলা ভার। এবার তারাই সহায় দিঘা, মন্দারমনির স্থানীয় বাসিন্দাদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sardar Vallabhbhai Patel: দু’বছর ধরে বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকী পালন করবে কেন্দ্র

    Sardar Vallabhbhai Patel: দু’বছর ধরে বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকী পালন করবে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে (Sardar Vallabhbhai Patel) শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী (Birth Anniversary) পালন করবে কেন্দ্রীয় সরকার। দেশজুড়ে দু’বছর ধরে হবে নানা অনুষ্ঠান। দেশে তাঁর অসাধারণ কৃতিত্ব এবং যে ঐক্যের প্রতীক তিনি ছিলেন, তাকে শ্রদ্ধা জানাতেই দু’বছর ধরে হবে অনুষ্ঠান।

    শাহি বার্তা (Sardar Vallabhbhai Patel)

    এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লিখেছেন, “বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্থপতি হিসেবে সর্দার প্যাটেলজির অবিনশ্বর উত্তরাধিকার ও কাশ্মীর থেকে লক্ষদ্বীপ পর্যন্ত ভারতকে একত্রিত করতে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা চিরস্মরণীয়। তাঁর বিশাল অবদানকে সম্মান জানাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে ভারত সরকার ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত তাঁর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হবে দু’বছর ধরে। এই উদযাপন তাঁর অসাধারণ কৃতিত্ব ও যে ঐক্যের প্রতীক তিনি ছিলেন, তা স্মরণ করাবে।” ৩১ অক্টোবর জন্মেছিলেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। তাঁর জন্মদিনটিকে জাতীয় ঐক্য দিবস বা রাষ্ট্রীয় একতা দিবস হিসেবে পালন করে কেন্দ্রীয় সরকার।

    গত বছর কী লিখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী

    গত বছর রাষ্ট্রীয় একতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছিলেন, “সর্দার প্যাটেলের (Sardar Vallabhbhai Patel) জয়ন্তীতে আমরা তাঁর অদম্য চেতনা ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়কত্ব ও অসাধারণ উৎসর্গের কথা স্মরণ করি। যার সঙ্গে তিনি আমাদের জাতির ভাগ্য গঠন করেছিলেন। জাতীয় সংহতির প্রতি তাঁর প্রতিশ্রুতি আমাদের পথ দেখায়। তাঁর সেবায় আমরা চির ঋণী।”

    আরও পড়ুন: কানাডার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইলেন তাঁরই দলের সাংসদরা! ঘোর বিপাকে ট্রুডো

    সেদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লিখেছিলেন, “ভারতের ঐক্য ও সমৃদ্ধি ছিল সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। তাঁর দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কঠোর পরিশ্রম দিয়ে প্যাটেল ভারতকে ৫৫০টিরও বেশি রাজ্যে বিভক্ত করে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি তৈরি করতে কাজ করেছিলেন। দেশের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সর্দার সাহেবের দেশ ও জাতি গঠনের কাজে নিবেদিত প্রাণ আমাদের সব সময় অনুপ্রাণিত করবে। লৌহমানব সর্দার প্যাটেলকে (Birth Anniversary) তাঁর জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা ও রাষ্ট্রীয় একতা দিবসে সমস্ত দেশবাসীকে শুভেচ্ছা (Sardar Vallabhbhai Patel)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Dana: ‘দানা’র দাপটে লণ্ডভণ্ড হতে পারে ওড়িশার তিন জেলা, কোথায়, কত বেগে বইবে ঝড়?

    Cyclone Dana: ‘দানা’র দাপটে লণ্ডভণ্ড হতে পারে ওড়িশার তিন জেলা, কোথায়, কত বেগে বইবে ঝড়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র (Cyclone Dana) ভয়ে কাঁপছে ওড়িশা। মৌসম ভবন জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি ওড়িশার (Odisha) ভিতরকণিকা এবং ধামারা দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে। বৃহস্পতিবার রাতে আছড়ে পড়ার সময় ঝড়ের গতি হতে পারে ঘণ্টায় ১০০-১১০ কিলোমিটার। সর্বাধিক গতি পৌঁছতে পারে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার। এই ঝড়ের তাণ্ডব সবচেয়ে বেশি দেখা যাবে বালেশ্বর, ভদ্রক এবং কেন্দ্রাপাড়ায়। এই তিন জেলাতে তাই বেশি ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঝড়ের মোকাবিলায় সক্রিয় রয়েছে ওড়িশার বিজেপি সরকার। উপকূলবর্তী অঞ্চলে মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে।

    ঝড়ের গতি কোথায় কত কিমি বেগে

    মৌসম ভবনের ভুবনেশ্বর (Odisha) আঞ্চলিক অফিসের তথ্য বলছে, বালেশ্বর, ভদ্রক এবং কেন্দ্রাপাড়ায় ঝড়ের গতিবেগ হতে পারে ১১০-১২০ কিলোমিটার। ময়ূরভঞ্জ জেলায় ঝড়ের গতিবেগ হতে পারে ৮০-৯০ কিলোমিটার। জগৎসিংহপুর, কটক, জাজপুর জেলায় এই গতিবেগ হতে পারে ৬০-৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। অন্যদিকে, পুরী, খুরদা, ঢেঙ্কানল এবং কেওনঝড়ে ‘দানা’র গতি হতে পারে ঘণ্টায় ৬০-৭০ কিলোমিটার, সুন্দরগড়ে ৫০-৬০ কিমি, গঞ্জাম নয়াগড়, আঙ্গুল, দেওগড় এবং সম্বলপুরে এই ঝড়ের গতি হতে পারে ৪০-৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি এই জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।

    মুষলধারে বৃষ্টি ধামরায়

    ধামরাতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে অঝোরে বৃষ্টি। সঙ্গে ঝোড়ো বাতাস (Cyclone Dana)। সেই বাতাসের বেগ এতটাই বেশি যে সোজাভাবে দাঁড়ানোও অসম্ভব হয়ে উঠছে। প্রতিবেদন লেখার সময় পারাদ্বীপ থেকে ২৬০ কিমি,  ধামরা থেকে ২৯০ কিমি এবং সাগরদ্বীপ থেকে ৩৫০ কিমি দূরে অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড় দানা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধামরায় বৃষ্টির দাপটও বেড়েছে। বর্তমানে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে ধামরা বন্দর এলাকায়। কালো মেঘে চারিদিক অন্ধকার। তুমুল বৃষ্টির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বাতাসের দাপট। ঝড়-বৃষ্টির জেরে দৃশ্যমানতা কমছে, দূরে কিছু দেখা যাচ্ছে না।  

    আরও পড়ুন: শিকল দিয়ে বাঁধা ক্রেন! ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কায় সতর্ক হলদিয়া, বন্ধ বিমান ওঠা-নামাও

    সরকারের পদক্ষেপ

    সাইক্লোনের পাশাপাশি ধামরায় ভয় বাড়াচ্ছে জোয়ার। আজ রাতে যে সময়ে ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Dana) ল্যান্ডফল হওয়ার কথা, সেই সময়ে জোয়ার আসে। ইতিমধ্যেই ফুঁসছে সমুদ্র। ফুলেফেঁপে উঠছে সমুদ্রের জল। দ্রুত জলস্তর বাড়ছে। এভাবেই জল বাড়তে থাকলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। ধামরা বন্দর লাগোয়া মৎসজীবীদের গ্রাম। তা জলের তলায় ডুবে যেতে পারে বলেই আশঙ্কা। ইতিমধ্যেই ওড়িশার (Odisha) বিজেপি সরকার এলাকা খালি করে দিয়েছে। বাসিন্দাদের ত্রাণকেন্দ্র ও নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সবসময় মানুষের পাশে রয়েছে সরকার। কেন্দ্রের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। ধামরা ও ভিতরকণিকায় রয়েছে একাধিক দ্বীপ, যেখানে মানগ্রোভ অরণ্য রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে মানগ্রোভ অরণ্যের। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share