Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Shivraj Singh Chouhan: দেশের ৯৫ শতাংশ জমি ডিজিটাইজড হয়ে গিয়েছে, জানালেন শিবরাজ সিং চৌহান

    Shivraj Singh Chouhan: দেশের ৯৫ শতাংশ জমি ডিজিটাইজড হয়ে গিয়েছে, জানালেন শিবরাজ সিং চৌহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর স্বপ্ন ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’র। তাঁর স্বপ্নের ভারতকে ডিজিটাল করতে একাধিক পদক্ষেপও করেছেন তিনি। তাঁরই মস্তিষ্কপ্রসূত ইউপিআই দেশ তো বটেই, বিদেশেও সমাদৃত হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন যাতে আরও বেশি আয়েশি করা যায়, দিনরাত তারই চেষ্টা করে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ‘৯৫ শতাংশ গ্রামের জমিই ডিজিটাইজড’ (Shivraj Singh Chouhan)

    প্রধানমন্ত্রীর সেই স্বপ্নের ডিজিটাইজেশনের (Bhu AADHAAR) প্রভাব কতদূর পৌঁছেছে, তা জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান (Shivraj Singh Chouhan)। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “দেশের ৯৫ শতাংশ গ্রামের জমিই ডিজিটাইজড করা হয়েছে।” এতদিন ছিল কাগুজে নথি। এবার থেকে জমি সংক্রান্ত হিসেব নিকেশের তথ্য মিলবে ডিজিটাল মাধ্যমেও। তাই জমি সংক্রান্ত নথি পেতে আর অযথা ঝক্কি পোহাতে হবে না জমির মালিকদের। শিবরাজ জানান, দেশের মোট ৬ লাখ ২৬ হাজারটি গ্রামের জমি ডিজিটালাইজড করা হয়েছে। ২০১৬ সাল থেকে শুরু হয়েছে এই প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, “দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ গ্রামে সরকারি খরচে সব তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছে। কমপক্ষে ৫ হাজার সাব রেজিস্ট্রার অফিসে এই জমির রেকর্ড থাকছে।”

    আরও পড়ুন: নাসরাল্লার পর সপ্তাহ তিনেক আগেই নিকেশ হাসেম সফিদ্দিন, দাবি ইজরায়েলের

    ভূ-আধার

    জানা গিয়েছে, ২২.৩ মিলিয়ন ম্যাপের ডিজিটাইজেশন হয়েছে। তৈরি হয়েছে ১৪০ মিলিয়ন ইউনিক ল্যান্ড পার্সেল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর বা ভূ-আধার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে আমরা অ্যাকিউরেসি ইমপ্রুভ করতে পারি, পারি স্বচ্ছতা বজায় রাখতে, দেশজুড়ে কোটি কোটি মানুষের ল্যান্ড রেকর্ডও রাখতে পারি অনায়াসেই।”  মন্ত্রী (Shivraj Singh Chouhan) জানান, দেশের প্রায় সব গ্রামের নথিগুলো ডিজিটাইজ করার পাশাপাশি সরকার প্রায় ৫ হাজার সাব রেজিস্ট্রার অফিসকে কম্পিউটারাইজড করেছে। এতে জমি রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া আরও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে। জানা গিয়েছে, দেশের প্রায় ১৪০ কোটি অনন্য জমি পার্সেল শনাক্তকরণ নম্বর, যা ভূ-আধার (Bhu AADHAAR) নামে পরিচিত, জারি করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় উপকৃত হবেন জমির মালিক, ক্রেতা এবং অন্যান্য অংশীদাররা (Shivraj Singh Chouhan)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jamia Millia Islamia: প্রাক দীপাবলির অনুষ্ঠানে প্যালেস্টাইন জিন্দাবাদ স্লোগান, তাল কাটল জামিয়া মিলিয়ায়

    Jamia Millia Islamia: প্রাক দীপাবলির অনুষ্ঠানে প্যালেস্টাইন জিন্দাবাদ স্লোগান, তাল কাটল জামিয়া মিলিয়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলি উৎসব উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় (Jamia Millia Islamia) চত্বর সাজানো হয়েছিল সুদৃশ্য রঙিন রঙ্গোলিতে। সেই সঙ্গে জ্বালানো হয়েছিল নয়নাভিরাম দিয়া। দীপাবলি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাবে, তাই তার আগে আনন্দ করছিলেন পড়ুয়াদের একাংশ। রাষ্ট্রীয় কলা মঞ্চের ব্যানারে আয়োজন করা হয়েছিল ওই অনুষ্ঠানের। নাম দেওয়া হয়েছিল ‘জ্যোতির্ময় ২০২৪’।

    ‘প্যালেস্টাইন জিন্দাবাদ’! (Jamia Millia Islamia)

    সাংস্কৃতিক এই অনুষ্ঠানে শিল্পীরা গাইছিলেন গান। রঙ্গোলি প্রতিযোগিতাও হচ্ছিল। জ্বালানো হয়েছিল হাজারো দিয়া। অনুষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীরা যখন আনন্দে আত্মহারা, তখনই কাটল তাল। হঠাৎই ইসলামিক স্লোগান (Islamic Slogans) দিতে থাকেন কয়েকজন ছাত্র। প্রতিবাদ জানান অনু্ষ্ঠানের। স্লোগান দিতে থাকেন, ‘নারা-ই-তকবীর’, ‘প্যালেস্টাইন জিন্দাবাদ’। ঘটনাটিকে দ্রুত মোবাইল বন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন কয়েকজন ছাত্র। দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে, হিন্দু-মুসলমানের সংঘর্ষ হচ্ছে। ঘটনার সময় হিন্দুরা দিতে থাকেন ‘জয় শ্রীরাম ধ্বনি’।

    জামিয়া মিলিয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছে আগেও

    হিন্দু উৎসবের বিরোধিতার সাক্ষী এর আগেও হয়েছে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশ হোলি উৎসব পালন করছিলেন। অনুষ্ঠানের নাম ছিল ‘রঙ্গোৎসব’। আয়োজন করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। আচমকাই অনুষ্ঠানের বিরোধিতায় নেমে পড়েন কয়েকজন ছাত্র। শুরু হয় অশান্তি। সেই সময় এক্স হ্যান্ডেলে এক ছাত্র লিখেছিলেন, “সহিহ হাদিস থেকে বোঝা যায় যে, কাফেরদের উৎসবে অংশগ্রহণ করা জায়েজ নয়। ভারতে হিন্দুরা যখন শুধু গরু খাওয়ার কারণে মুসলমানদের অত্যাচার করছে এবং জীবন্ত পুড়িয়ে মারছে, তখনও আপনি তাদের সঙ্গে উৎসব পালন করতে চান?” ইসলামে হিন্দুদের উৎসব (Jamia Millia Islamia) পালন করা হারাম বলে বিবেচিত হয়। তার জেরে এই বিশ্ববিদ্যালেয় নানা সময় হিন্দুদের উৎসব পালনের বিরোধিতা করেছে পড়ুয়াদের একাংশ।

    আরও পড়ুন: নাসরাল্লার পর সপ্তাহ তিনেক আগেই নিকেশ হাসেম সফিদ্দিন, দাবি ইজরায়েলের

    হনুমান জয়ন্তী পালন, রাম নবমী উৎসব এবং নবরাত্রি উৎসব কিংবা সরস্বতী পুজো, সব সময়ই অশান্তি পাকিয়েছে পড়ুয়াদের একাংশ। ভাঙচুর, ইটের টুকরো ছোড়া, এসব ঘটনাও ঘটেছে। প্যালেস্টাইনের সমর্থনে ক্যাম্পাসে স্লোগানও আগে দিয়েছে পড়ুয়াদের একাংশ। ২০২৩ সালের অক্টোবরে এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই একদল পড়ুয়া হামাসের সমর্থনে (Islamic Slogans) ব্যাজ পরে বিশ্ববিদ্যালয়েও এসেছিলেন (Jamia Millia Islamia)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kartarpur Sahib Corridor: ভারতীয়দের জন্য বন্ধ হবে না কার্তারপুর সাহিব করিডর, চুক্তি বাড়ল আরও ৫ বছর

    Kartarpur Sahib Corridor: ভারতীয়দের জন্য বন্ধ হবে না কার্তারপুর সাহিব করিডর, চুক্তি বাড়ল আরও ৫ বছর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয়দের জন্য বন্ধ হবে না কার্তারপুর সাহিব দরজা (Kartarpur Sahib Corridor)। শিখদের অন্যতম প্রধান পবিত্র ধর্মস্থল হল এই কার্তারপুর। শিখ ধর্ম মতে এই স্থানের গুরু নানক জীবনের শেষ ১৮ বছর কাটিয়েছেন। তাঁর স্মৃতি বিজড়িত জায়গা শিখ ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পুণ্যস্থান। দেশ ভাগের পর এই স্থান পশ্চিম পাঞ্জাব তথা পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এবার ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি পুনরায় স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    শত্রুতার খানিকটা অবসান (Kartarpur Sahib Corridor)

    পাকিস্তানের শত্রু মনোভাব এবং ভারতের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক কাজের জন্য উভয় দেশের সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়। সংখ্যালঘু হিন্দু-শিখের ওপর অত্যাচারে পাকিস্তানের ভূমিকা অত্যন্ত লজ্জাজনক। এবার এই শত্রুতাকে ভুলে, দুই দেশের মধ্যে শিখ ধর্মাবলম্বীদের কথা মাথায় রেখে কার্তারপুর (Kartarpur Sahib Corridor) ধর্মস্থলে চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধিতে স্বাক্ষর হয়েছে। এই কার্তারপুর করিডর চুক্তির মেয়াদ আরও ৫ বছর বাড়ানো হল। দুই দেশই এই চুক্তির মাধ্যমে শত্রুতার খানিকটা অবসান ঘটাতে পেরেছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশেজ্ঞরা। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর চুক্তির কথা তাঁর এক্স হ্যান্ডলে জানিয়েছেন।

    পাকিস্তান সরকার ২০ ডলার ফি নেয়

    মাত্র কয়েকদিন আগেই জয়শঙ্কর সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানিজেশনের একটি বৈঠকে যোগদান করেছেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এবনহ উপ-প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। এই সফরের পর দুই দেশের মধ্যে কার্তারপুর করিডর নিয়ে চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে ইসলামাবাদের জোর করে অতরিক্ত ফি বাড়ানো নিয়ে দুইদেশের মধ্যে আলোচনা করা চলছে।

    আরও পড়ুনঃ কল্যাণের ‘নাটক’! ওয়াকফ সংশোধনী বিল বিতর্কে নিজেই কাচের বোতল ভেঙে রক্তাক্ত

    জয়শঙ্করের বক্তব্য

    ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর থেকে ভারতের বাইরে চলে যায় পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশ। এরপর থেকে শিখ ধর্মের পুণ্যার্থীরা দাবি করেন, কার্তারপুরের (Kartarpur Sahib Corridor) গুরুদোয়ারায় যেন দর্শন করতে যেতে পারা যায়, সেই ব্যবস্থা করা হোক। এরপর কেন্দ্রের মোদি সরকারের উদ্যোগে ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়। পাকিস্তান সরকার একটি করিডরের মধ্যে দিয়ে কার্তারপুর দর্শনের সুযোগ করে দেয়। এই চুক্তির মেয়াদ মঙ্গলবার থেকে ৫ বছর আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই ধর্মস্থলে যেতে পাকিস্তান সরকার ২০ ডলার ফি নেয়। এবার থেকে এই ফি মুকুব করার প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “আগামী ৫ বছরের জন্য শ্রীকর্তারপুর সাহিব করিডরের চুক্তির মেয়াদ বাড়াল ভারত-পাকিস্তান। শিখদের পবিত্র ধর্মীয়স্থানে যাতায়াতের সুযোগ তৈরির লক্ষ্য়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার কাজ করে চলেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Aaadhaar: “মানুষ সরাসরি সরকারি সুবিধাগুলি পাচ্ছেন”, আধারের ভূয়সী প্রশংসায় নোবেলজয়ী পল রোমার

    Aaadhaar: “মানুষ সরাসরি সরকারি সুবিধাগুলি পাচ্ছেন”, আধারের ভূয়সী প্রশংসায় নোবেলজয়ী পল রোমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে দেশ জুড়ে চালু করা হয়েছে আধার কার্ড। এখন সরকারি স্তরের সব ক্ষেত্রে আধার অপরিহার্য। কেন্দ্রীয় সরকারের এই আধার (Aadhaar) চালু করার উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করলেন নোবেলজয়ী পল রোমার। একই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই উদ্যোগ গ্রহণ করেও তাতে সফল হয়নি বলে তিনি জানিয়েছেন।

    ঠিক কী বলেছেন নোবেলজয়ী? (Aadhaar)

    সোমবার একটি বৈদ্যুতিন মাধ্যমের ওয়ার্ল্ড সামিটে বক্তৃতা দিতে গিয়ে রোমার বলেন, “আধার (Aadhaar) এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা। এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে, যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি সরকারি সুবিধাগুলি পাচ্ছেন। একই ধরনের প্ল্যাটফর্ম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও চালু করার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু তা করা যায়নি। কারণ, সেখানে এই ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার একচেটিয়া আধিপত্য ছিল।” নোবেল পুরস্কারজয়ী আরও বলেন, “ভারত সরকার ইউপিআই এবং ডিবিটি-র মতো উদ্যোগে এটা ব্যবহার করতে ভয় পায়নি। আধার প্রকল্পের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে অনেক মামলা থাকা সত্ত্বেও, ভারতে সরকার এই ধারণাটিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে এবং অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে।” রোমার মতো নোবেলজয়ী আধার নিয়ে প্রশংসা করায় কেন্দ্রীয় সরকারের এই উদ্যোগ যে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ, তা আরও স্পষ্ট হল।

    আরও পড়ুন: স্কুলে ছুটি ঘোষণা, সতকর্তা দিঘা, বকখালি, সাগরদ্বীপে! ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র আতঙ্কে কাঁপছে বাংলা

    চিন-রাশিয়া নিয়ে ভারতের অবস্থানও স্পষ্ট করলেন রোমার

    নোবেলজয়ী আরও বলেন, “আসন্ন মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কে জিতবে, তা বলা খুব কঠিন।” কমলা হ্যারিস এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমেরিকায় পছন্দ একজন প্রাক্তন প্রসিকিউটর এবং একজন “অভ্যাসগত অপরাধী”র মধ্যে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি “খুব খারাপ”। বিশ্বব্যাঙ্কের প্রাক্তন প্রধান অর্থনীতিবিদ রোমার বলেন, “চিন ও রাশিয়া উভয়ের লক্ষ্য প্রভাব বাড়ানোর জন্য সাম্রাজ্য বিস্তার করা। ভারতের বলা উচিত আমরা সাম্রাজ্য পছন্দ করি না। এই অবস্থানই দেশের ভারসাম্য রক্ষা করবে।”  রোমার আরও বলেন, “নগরোন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে আসে জমি সমাবেশের চ্যালেঞ্জ। আপনি যদি যথেষ্ট পরিমাণ জমি একত্রিত করতে পারেন, তাহলে আপনি সেই জমি খুব কম মূল্যে নিতে পারেন এবং সেখানে একটি আধুনিক শহর তৈরি করে এটিকে অসাধারণ মূল্যবান জমিতে পরিণত করতে পারেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Meeting: কল্যাণের ‘নাটক’! ওয়াকফ সংশোধনী বিল বিতর্কে নিজেই কাচের বোতল ভেঙে রক্তাক্ত

    Waqf Meeting: কল্যাণের ‘নাটক’! ওয়াকফ সংশোধনী বিল বিতর্কে নিজেই কাচের বোতল ভেঙে রক্তাক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ বিল (Waqf Meeting) নিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটি থেকে বরখাস্ত করা হল তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ওয়াকফ কমিটির বৈঠকে কাচের বোতল ভেঙে নিজেই আহত হন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ। তার আগে কল্যাণ (Kalyan Banerjee) বিজেপি সাংসদ তথা কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিতর্কে জড়ান। কমিটির চেয়ারপার্সন, বিজেপি সাংসদ জগদম্বিকা পালের সম্পর্কে অসংসদীয় শব্দ প্রয়োগের অভিযোগও রয়েছে কল্যাণের বিরুদ্ধে। 

    কল্যাণের কু-কথা

    গত ৮ অগাস্ট লোকসভায় ওয়াকফ সংশোধনী বিল (Waqf Meeting) পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। বিরোধীরা বিলটির বিরোধিতা করলে ঐক্যমতের লক্ষ্যে বিলটি যৌথ সংসদীয় কমিটির (জেপিসি) কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। সূত্রর খবর, মঙ্গলবার জগদম্বিকা পালের সভাপতিত্বে, ওয়াকফ বিল সম্পর্কে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এবং আইনজীবীদের মতামত শুনছিল কমিটি। ওড়িশার কটকের ‘জাস্টিস ইন রিয়েলিটি’ এবং ‘ওড়িশা বাণী মণ্ডলী’র উপস্থাপনা চলাকালীন, চেয়ারপার্সনের অনুমতি না নিয়েই নিজের মতামত প্রকাশ করতে যান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। তারও আগে অনুমতি না নিয়ে তিনবার কথা বলেছিলেন কল্যাণ। বারবার তিনি এইভাবে উপস্থাপনায় বাধা দেওয়ায়, আপত্তি তোলেন বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কল্যাণের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এতেই উত্তেজিত হয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কটু ভাষা ব্যবহার করেন তৃণমূল সাংসদ। 

    আরও পড়ুনঃ ইতিহাস তৈরি বিজেপির, সদস্য সংখ্যা পৌঁছল ১০ কোটির ঘরে, এবার লক্ষ্য ১১ কোটি

    বোতল ভেঙে নিজেই আহত

    এর আগে যখন অভিজিৎ ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিত, তখন আইনজীবী কল্যাণের সঙ্গে আদালত কক্ষে একাধিক বার বিতণ্ডা হয়েছে। দু’জন দু’জনের উদ্দেশে কটাক্ষ ছুড়ে দিতেন। মঙ্গলবার সংসদের যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠকে পুরনো ‘বিতণ্ডা’ নতুন করে ফিরে আসে। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকস্থলে রাখা একটি কাচের জলের বোতল হাতে তুলে নিয়ে টেবিলে ছুড়ে মারেন। বোতলটি ভেঙে চুরচুর হয়ে যায়। বোতল ভাঙা কাচে তিনি নিজেই আহত হন। তাঁর ডানহাতের বুড়ো আঙুল ও তর্জনিতে আঘাত লাগে। বিজেপি সদস্যদের অভিযোগ, এরপর কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) ভাঙা বোতলটি চেয়ারম্যান জগদম্বিকা পালের দিকে ছুড়ে দেন। এই ঘটনার জেরে বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে কল্যাণকে কমিটি (Waqf Meeting) থেক বরখাস্ত করার প্রস্তাব দেন। ৯ জন সাংসদ কল্যাণকে বরখাস্ত করার পক্ষে ভোট দেন, ৮ জন বিপক্ষে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Landlside in North Sikkim: সড়কপথে বিচ্ছিন্ন উত্তর সিকিম! চুংথাং থেকে লাচেন যাওয়ার রাস্তায় ধস

    Landlside in North Sikkim: সড়কপথে বিচ্ছিন্ন উত্তর সিকিম! চুংথাং থেকে লাচেন যাওয়ার রাস্তায় ধস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ধস নামল উত্তর সিকিমে। মঙ্গলবার সিকিমের মুন্সিথাংয়ে (Munshethang) বড় ধরনের ধস (Landslide) নামে। ফলে কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় চুংথাং-লাচেন রাস্তার (Chungthang-Lachen road) একটা বড় অংশ। আপাতত গ্যাংটক থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে উত্তর সিকিমের লাচেন। এর ফলে (Landlside in North Sikkim) ভরা মরশুমে সিকেমে পর্যটন পুনরায় ধাক্কা খেল।

    বন্ধই থাকছে উত্তর সিকিম!

    মঙ্গলবার সকালে চুংথাং থেকে লাচেন যাওয়ার রাস্তায় পাহাড়ের উপর থেকে নেমে আসে (Landlside in North Sikkim) পাথর এবং মাটি। এই মর্মে ধসের একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। অবরুদ্ধ হয়ে যায় গোটা রাস্তাই। এই ধস নামার কারণে গোটা উত্তর সিকিম বাকি রাজ্যের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ল বলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে সরকারি ভাবে উত্তর সিকিমে পর্যটকদের যেতে দেওয়া হয় না। তবে পূর্ব সিকিম হয়ে উত্তর সিকিমের কিছু দ্রষ্টব্য স্থানে যেতেন পর্যটকেরা। তবে এই পথ ছিল যেমন দুর্গম, তেমনই ব্যয়সাপেক্ষ। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছিল, বহু দিন পরে চলতি বছরের শেষে ফের উত্তর সিকিমে যাওয়ার রাস্তা পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তবে নতুন করে ধস নামায় সেই সম্ভাবনা কার্যত রইল না বলেই মনে করা হচ্ছে। কেননা বিকল্প কোনও রাস্তা নেই। 

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by The Voice Of Sikkim (@thevoiceofsikkim)

    ব্যাহত পর্যটন

    ইতিমধ্যেই সিকিমে শুরু হয়েছে তুষারপাত সেই কারণে দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন প্রচুর পর্যটক। পর্যটনের ভরা মরশুমে রাস্তায় ধস পরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে যান চলাচল স্বাভাবিক ভাবেই চিন্তায় মাথায় হাত পড়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। উল্লেখ্য, গত বছরের ৪ অক্টোবর সাউথ লোনাক লেক বিপর্যয়ের জেরে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় উত্তর সিকিম। ওই সময় থেকেই প্রায় এক বছর ধরে উত্তর সিকিমে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু গত মাসেই এক বৈঠকে উত্তর সিকিমের লাচেন, লাচুংয়ের মত জায়গাগুলিতে ফের পর্যটকদের প্রবেশে অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সিকিম প্রশাসন। সেই বৈঠকে ঠিক হয়, লাচেন, লাচুং খুলে দেওয়া হলেও পর্যটকদের গাড়ির সংখ্যা বেধে দেওয়া হবে। উত্তর সিকিম খুলে যাবে এই খবরে আশার আলো দেখা দিয়েছিল পর্যটন মহলে। কিন্তু সেই আশায় বাধ সাধল এই ধস (Landlside in North Sikkim)। ধসের ব্যাপকতা দেখে অনেকেরই অনুমান ধ্বংসস্তূপ সরাতে সময় লাগবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Taslima Nasreen: ভারতে থাকার অনুমতি মিলল? শাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিলেন তসলিমা

    Taslima Nasreen: ভারতে থাকার অনুমতি মিলল? শাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিলেন তসলিমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাড়া মিলল কেন্দ্রের তরফে। বর্ধিত সময়ের জন্য ভারতে থাকার অনুমতি পেলেন বাংলাদেশের সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। একদিন আগে শেষ চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর ভারতে বসবাসের জন্য পারমিট রিনিউ করার আবেদন নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি আর্জি জানান যে ভারতেই যেন তাঁকে থাকতে দেওয়া হয়। অবশেষে অনুমতি মিলল, বলেই অনুমান তসলিমার অনুরাগীদের। তারপরেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদে ভরালেন তসলিমা।

    কী বললেন তসলিমা

    ভারতে থাকার অনুমতিপত্রের মেয়াদ শেষ হওয়া নিয়ে লাগাতার কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানিয়ে আসছিলেন তসলিমা। একদিন আগেও সোশ্যাল মিডিয়ায় শাহকে আর্জি জানান তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘‘অমিত শাহজি, আমি ভারতে থাকি কারণ এই মহান দেশকে ভালবাসি আমি। গত ২০ বছর ধরে ভারত আমার দ্বিতীয় বাড়ি। কিন্তু গত ২২ জুলাই থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আমার বসবাসের অনুমতিপত্রের মেয়াদ বাড়ায়নি। আমি খুব চিন্তিত।’’

    এর পরই, মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় শাহকে ধন্যবাদ জানান তসলিমা। লেখেন, ‘‘অমিত শাহ, দুনিয়ার সব ধন্যবাদ আপনাকে।’’ শাহের উদ্যোগে তাঁর ভারতে থাকার অনুমতিপত্রের মেয়াদ বর্ধিত করা হয়েছে কি না যদিও খোলসা করেননি তসলিমা। তবে, একদিন আগে জরুরি ভিত্তিতে তাঁর ওই আবেদন এবং তার পর দিনই শাহকে ধন্যবাদজ্ঞাপন, ইতিবাচক ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

    আরও পড়ুন: প্রশাসনের পদক্ষেপ সদর্থক নয়, নির্যাতিতার মা-বাবার অনুরোধে অনশন প্রত্যাহার জুনিয়র ডাক্তারদের

    বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিনের লেখা বই ওপার বাংলায় ভয়ঙ্কর শোরগোল ফেলেছিল এবং যার জেরে ১৯৯৪ সালে তাঁর বিরুদ্ধে ফতেয়া জারি করা হয়েছিল। বাংলাদেশ ছাড়া হয়ে তিনি ভারতে আশ্রয় নেন। দীর্ঘসময় কলকাতায় ছিলেন তিনি। এরপর রাজস্থানের জয়পুর হয়ে শেষ পর্যন্ত দিল্লিতেই বসবাস করছেন লং টার্ম রেসিডেন্সি পারমিটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NDA: “সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই ঝাড়খণ্ডে সরকার গড়বে এনডিএ”, দাবি জিতন রামের

    NDA: “সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই ঝাড়খণ্ডে সরকার গড়বে এনডিএ”, দাবি জিতন রামের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই ঝাড়খণ্ডে সরকার গড়বে এনডিএ (NDA)।” এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতন রাম মাঝি (Jitan Ram Manjhi)। তিনি বলেন, “ইন্ডি জোট যখন জোটের বাঁধন মজবুত করতেই ব্যস্ত, তখন বিজেপি জয়ের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছে। প্রচারও শুরু করে দিয়েছে।”

    ‘এনডিএ সরকার গড়বে’ (NDA)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা হিন্দুস্থান আওয়াম মোর্চা (হাম) নেতা বলেন, “সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই এনডিএ সরকার গড়বে। আমাদের এনডিএতে সব কিছুই একটা স্ল্যাবে হয়ে যায়। অথচ ইন্ডি জোটে এখনও আলোচনা চলছে। শুরুতেই যদি তারা এটা করে, তার অর্থ হল, তারা ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে।” 

    কী বলছেন বিজেপি প্রার্থী সীতা সোরেন

    ঝাড়খণ্ডের বিজেপি নেত্রী সীতা সোরেনও ২০ অক্টোবর দাবি করেছিলেন, পরিবর্তন আনতে ঝাড়খণ্ডে সরকার গড়বে বিজেপি। তিনি বলেন, “দল আমার ওপর আস্থা রেখেছে। জামতাড়া আসনে প্রার্থীও করেছে। সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে জিততে আমি কঠোর পরিশ্রম করব। ঝাড়খণ্ডবাসী বিজেপি সরকারকেই (NDA) পছন্দ করবেন।”

    সীতা আরও বলেন, “রাজ্যের বর্তমান সরকার কেবল দুর্নীতি এবং অপরাধ করেই চলেছে। রাজ্যের সব প্রধান শহরে দিনের আলোয় চলছে অপরাধমূলক কাজকর্ম। আমাদের সরকার রাজ্যের ক্ষমতায় আসবে এবং পরিবর্তন আনবে।” তিনি বলেন, “প্রথমে তারা (শাসক দল) যুবকদের ব্যবহার করেছিল। এখন তারা ‘মাইয়া সম্মান যোজনা’র মাধ্যমে মহিলাদের ভোলাতে চাইছে। ডিসেম্বরের পরে এই প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে। মহিলাদের অ্যাকাউন্টে কেবল তিন মাস পয়সা জমা হবে।”

    আরও পড়ুন: ২০৩০ সালেই ভারত হবে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি, ইঙ্গিত এস অ্যান্ড পি-র

    প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    সীতা রাজ্যের শাসক দল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার প্রাক্তন বিধায়ক। তিনি হেমন্ত সোরেনের প্রয়াত দাদার স্ত্রী। গত ১৯ মার্চ বিজেপিতে যোগ দেন সীতা। লোকসভা নির্বাচনে দুমকায় প্রার্থীও হয়েছিলেন তিনি। হেরে যান। এবার তাঁকেই জামতাড়ায় প্রার্থী করেছে পদ্মশিবির। প্রসঙ্গত, শনিবারই বিজেপি ঝাড়খণ্ডে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। ওই তালিকায় নাম রয়েছে ৬৬ জন প্রার্থীর। বিজেপির এই তালিকায় (Jitan Ram Manjhi) ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন এবং বাবুলাল মারান্ডির নামও রয়েছে (NDA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vehicle exports India: বিশ্বে ব্যাপক চাহিদা মেড-ইন-ইন্ডিয়া গাড়ির, প্রথম ত্রৈমাসিকেই বিক্রি বৃদ্ধি ১৪ শতাংশ

    Vehicle exports India: বিশ্বে ব্যাপক চাহিদা মেড-ইন-ইন্ডিয়া গাড়ির, প্রথম ত্রৈমাসিকেই বিক্রি বৃদ্ধি ১৪ শতাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বে দ্রুত চাহিদা বাড়ছে মেড-ইন-ইন্ডিয়া গাড়ির (Vehicle exports India)। অটো শিল্পে বিরাট পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে। ভারতীয় উৎপাদনের উপর ক্রমেই ভরসা বাড়ছে বিশ্বের। ২০২৪ সালের প্রথম ত্রৈমাসিক অর্থাৎ, এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর, এই তিন মাসে ভারতে নির্মিত গাড়ির চাহিদা গত বছরের তুলনায় ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে। এই সময়ে ভারত থেকে মোট গাড়ি রফতানি করা হয়েছে ২৫,২৮,২৪৮টি। 

    ২০২৩-২৪ বর্ষে রফতানি কেমন ছিল গাড়ির (Vehicle exports India)?

    তবে, ২০২৩-২৪ আর্থিক বর্ষে গাড়ি রফতানি গত বছরের তুলনায় ৫.৫ শতাংশ কমেছিল। ওই বছর মোট রফতানি হয়েছিল ৪৫,০০,৪৯২৫টি গাড়ি। যানবাহনের চার প্রকারের মধ্যে তিন প্রকারেই মন্দা ছিল। তবে একমাত্র রফতানি বেড়েছিল যাত্রীবাহী গাড়ির (Made-in-India)। ওই বছর মোট ৬,৭২,১০৫টি যাত্রীবাহী গাড়ি রফতানি করা হয়েছিল। দুই চাকার গাড়ি রফতানি হয়েছিল ৩৪,৫৮,৪১৬টি। যার রফতানি কমেছিল ৫.৩ শতাংশ। তিন-চাকার গাড়ি রফতানি হয়েছিল ২,৯৯,৯৭৭টি। হার কমেছিল ১৭.৯ শতাংশ এবং বাণিজ্যিক গাড়ি ৬৫,৮১৬টি রফতানি হয়েছিল। এর হার কমেছিল ১৬.৩ শতাংশ।

    ২০২৪-২৫ বর্ষে রফতানি কত হয়েছে (Vehicle exports India)?

    জানা গিয়েছে, ২০২৪-২৫ বর্ষে ভারত থেকে মোট ৩,৭৬,৬৭৯টি যাত্রীবাহী গাড়ি (Vehicle exports India) রফতানি হয়েছে। আগের বারের তুলনায় বেড়েছে ১২ শতাংশ। এই যাত্রীবাহী গাড়িগুলির ৪৩ শতাংশ, বা ১,৬৭,৭৫৭টি ছিল ইউটিলিটি ভেহিকল। এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি রফতানি হয়েছে মারুতি সুজুকি ইন্ডিয়ার গাড়ি। টানা চার বার প্রথম হয়েছে এই সংস্থার গাড়ি। ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১,৪৭,০৬৩টি যাত্রীবাহী গাড়ি রফতানি হয়েছে। এছাড়া হুন্ডাই মোটর ইন্ডিয়া রফতানি করেছে ৬২,১৬২টি যাত্রীবাহী গাড়ি, ভোক্সওয়াগেন ইন্ডিয়া ৩৫,০৭৯টি গাড়ি।

    শেয়ারের বিচারে সবথেকে বেশি হন্ডা মোটর্স

    ভারতের টু-হুইলার মার্কেটে রয়েছে মোটরসাইকেল, স্কুটার, মোপেড। টু-হুইলার (Vehicle exports India) মার্কেট বেড়েছে ১৬ শতাংশ। তার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে বাজাজ অটো। রফতানির বাজারে শেয়ার বেড়েছে হন্ডার। এপ্রিল-সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে মোটরসাইকেল রফতানি হয়েছে ১৬,৪১,৮০৪টি, স্কুটার রফতানি হয়েছে ৩,১৪,৫৩৩টি। ৭,৬৪,৮২৭টি টু-হুইলার রফতানি করে শীর্ষস্থানে রয়েছে বাজাজ অটো। বাজাজের শেয়ার ৪৩ থেকে ৩৯ শতাংশে নেমেছে। আবার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে টিভিএস মোটর্স। শেয়ারের বিচারে সব থেকে বেশি হয়েছে হন্ডা মোটরসাইকেল অ্যান্ড স্কুটার ইন্ডিয়ার। ১০ থেকে ১৪ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে তাদের বিক্রির ভাগ।

    বাজাজ আটো থ্রি-হুইলার রফতানিতে শীর্ষে

    একই ভাবে আবার রফতানি কমেছে থ্রি-হুইলারের (Vehicle exports India)। বাজাজ আটো ৫৭ শতাংশ শেয়ার নিয়ে থ্রি-হুইলার রফতানিতে (Made-in-India) শীর্ষে রয়েছে। তাদের মোট রফতানি ইউনিট ৮৭,৯০৭টি। ২০২৪ অর্থবর্ষে থ্রি-হুইলার রফতানি হয়, অবশ্য তার আগের বছরের তুলনায় ১৮ শতাংশ কমেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের প্রথম ছয় মাসে ১,৫৩,১৯৯ ইউনিট রফতানি হয়েছে। এই বার গত বারের তুলনায় চাহিদা অনেক বেড়েছে। টিভিএস এবং ফোর্স মোটর্স ছাড়া বাকি সকল ওইএম-এরই গত বছরের তুলানয় বৃদ্ধি ঘটেছে। বাজারের ৫০ শতাংশ ছিল বাজাজ আটোর দখলে। এবার গত বছরের তুলানয় তাদের রফতানি বেড়েছে ১৩ শতাংশ, বাজারের দখল বেড়ে হয়েছে ৫৭ শতাংশ। অপর দিকে টিভিএস মোটর কোম্পানির রফতানি ১৮ শতাংশ কেমছে। অপরদিকে, যানবাহনের এই বিভাগের নতুন করে চাহিদা বেড়েছে। ২০২৪ অর্থবর্ষে ৩৫,৭৩১টি বাণিজ্যিক যানবাহন রফতানি করা হয়েছে। গতবারের তুলনায় রফতানি বেড়েছে ১২ শতাংশ।

    আরও পড়ুনঃ ইতিহাস তৈরি বিজেপির, সদস্য সংখ্যা পৌঁছল ১০ কোটির ঘরে, এবার লক্ষ্য ১১ কোটি

    সরকার দেশীয় উৎপাদনে সক্রিয়

    উল্লেখ্য, ২০১৯ সাল থেকেই কেন্দ্রের মোদি সরকার আত্মনির্ভর ভারতের স্লোগান দিয়েছিলেন। এরপর দেশীয় উৎপাদনের উপর সরকার বিশেষ নজর দিতে শুরু করে। বাইরের বাজারকে ভারতের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে একাধিক প্রকল্প এবং বিনিয়োগের জন্য বিশেষ ভাবে উৎসাহ দেখিয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। দেশীয় উৎপাদন এবং দেশীয় চাহিদাকে সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়াই বিকশিত ভারত নির্মাণের লক্ষ্য, আর একথা নরেন্দ্র মোদি একাধিক বার বলেছেন নিজের ভাষণে। তাই নিরাপত্তা সরঞ্জাম, অস্ত্র, গোলাবারুদ, আধুনিক বন্দুক, যানবাহন, মোবাইল, ইলেকট্রনিক দ্রব্য, বাচ্চাদের খেলনা, পোশাক, খাবার ইত্যাদির উপর দেশীয় (Made-in-India) উৎপাদনের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। লোকাল ফর ভোকাল এবং এক জেলা এক পণ্যের আহ্বান জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “বিশ্রাম নেওয়ার সময় নেই, ভারতের স্বপ্ন সফল করতে হবে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “বিশ্রাম নেওয়ার সময় নেই, ভারতের স্বপ্ন সফল করতে হবে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিশ্রাম নেওয়ার সময় নেই। ভারতের স্বপ্ন সফল করতে আমার সরকার কাজ করছে।” কথাগুলো বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড সামিটে (NDTV World Summit) অংশ নিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই তিনি তাঁর দিনরাত পরিশ্রমের কারণ ব্যাখ্যা করেন।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    তিনি বলেন, “আমি অনেক লোকের সঙ্গে মিশেছি, তাঁরা আমায় বলেছেন ভারত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় পাঁচ নম্বরে রয়েছে। অনেক মাইলস্টোনও আমরা ছুঁয়েছি। সংস্কার সাধনও হয়েছে। তাহলে আপনি কেন এত পরিশ্রম করছেন?” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গত ১০ বছরে ১২ কোটি টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে, ১৬ কোটি বাড়িতে গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হয়েছে… এটাই কি যথেষ্ট? আমার উত্তর হল, না। এটা যথেষ্ট নয়। আজ বিশ্বের তারুণ্যে ভরপুর দেশগুলির অন্যতম ভারত। এই যৌবন, এই তারুণ্য আমাদের আকাশে নিয়ে যেতে পারে।”

    ‘শিথিলতার কোনও জায়গা নেই’

    তিনি বলেন, “আমরা যে স্বপ্ন দেখেছি, যে অঙ্গীকার করেছি, সেখানে বিশ্রাম নেওয়ার সময় নেই, শিথিলতার কোনও জায়গা নেই। ভারতের স্বপ্ন সফল করতে হবে।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “ভারত এখন ‘লুক ফরওয়ার্ড’ অ্যাপ্রোচ নিয়ে এগিয়ে চলেছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রচলিত প্রথা হল যে প্রতিটি সরকার তার কাজের তুলনা করে আগের সরকারের সঙ্গে। আমরাও এই পথেই হাঁটতাম। কিন্তু এখন আর আমরা অতীত ও বর্তমানের তুলনা করে সন্তুষ্ট থাকতে পারি না। সাফল্যের মাপকাঠি এখন থেকে হবে ‘আমরা কী অর্জন করতে চাই’, তা।” এর পরেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত এখন একটি সামনে তাকাও নীতি গ্রহণ করেছে। ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি উন্নত ভারতের স্বপ্নও এই মানসিকতার অংশ।”

    আরও পড়ুন: ২০৩০ সালেই ভারত হবে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি, ইঙ্গিত এস অ্যান্ড পি-র

    এদিন বক্তৃতার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) গত পাঁচ বছরে গোটা বিশ্ব কী কী সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে, তা তুলে ধরেন। তাঁর কথায় ঘুরে ফিরে এসেছে অতিমারির কথা, মূল্যবৃদ্ধির কথা এবং অবশ্যই বেকারত্বের কথা। উঠে এসেছে বিশ্বের বিভিন্ন পকেটে হওয়া যুদ্ধের কথাও। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতে আমরা ভারতের সেঞ্চুরি নিয়ে আলোচনা করছি। গ্লোবাল ক্রাইসিসে ভারত আশার আলো। ভারতের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে (NDTV World Summit)। কিন্তু আমরা সেগুলিকে সদর্থক দৃষ্টিভঙ্গীতে দেখি (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share