Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Jammu Kashmir: মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সই উপরাজ্যপালের, ভূস্বর্গ পাচ্ছে রাজ্যের মর্যাদা!

    Jammu Kashmir: মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সই উপরাজ্যপালের, ভূস্বর্গ পাচ্ছে রাজ্যের মর্যাদা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পাচ্ছে জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir)। জম্মু-কাশ্মীরকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব পাশ করেছিল (Statehood Resolution) ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লার মন্ত্রিসভা। পরে তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহার কাছে। বর্তমানে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে রয়েছে জম্মু-কাশ্মীর। এবার তোড়জোড় চলছে রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পাওয়ার।

    রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব (Jammu Kashmir)

    বৃহস্পতিবারই প্রথম বৈঠকে বসে ওমর মন্ত্রিসভা। এদিনের বৈঠকে পাশ হয় জম্মু-কাশ্মীরকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব। মুখ্যমন্ত্রী ওমর ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ডেপুটি সুরিন্দর চৌধুরী, মন্ত্রী সাকিনা মাসুদ ইতু, জাভেদ আহমেদ রানা, জাভেদ আহমেদ দার ও সতীশ শর্মা। মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উপরাজ্যপাল স্বাক্ষর করার পরে সেটি পাঠানো হবে দিল্লিতে। আগামী সপ্তাহেই দিল্লি যাওয়ার কথা ওমরের। সেখানেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত প্রস্তাব তুলে দেবেন ওমর। আর্জি জানানো হবে জম্মু-কাশ্মীরকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার।

    সরকারি আধিকারিকের বক্তব্য

    জম্মু-কাশ্মীরের এক সরকারি আধিকারিক জানান, মন্ত্রিসভার পাশ করা প্রস্তাবে বাড়তি কিছু যোগ করেননি উপরাজ্যপাল। মন্ত্রিসভায় গৃহীত প্রস্তাব তাঁর কাছে আসতেই তিনি তাতে স্বাক্ষর করে দেন। তিনি বলেন, “এই প্রস্তাবের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীরের বাসিন্দারা ফিরে পাবেন তাঁদের পরিচিতি ও সাংবিধানিক অধিকার।” ওমর সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুশির হাওয়া উপত্যকায়। তবে সরকারের এই পদক্ষেপের নিন্দা করেছে বিরোধী পিডিপি-সহ একাধিক দল। তাদের দাবি, ন্যাশনাল কনফারেন্স ৩৭০ ধারা ও বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। ক্ষমতায় আসতে ন্যাশনাল কনফারেন্স ৩৭০ ধারা নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করছে না বলেও অভিযোগ বিরোধীদের।

    আরও পড়ুন: মণিপুরে ফের অশান্তির আগুন, দফায় দফায় গুলির লড়াই

    ২০১৯ সালে জম্মু-কাশ্মীরে রদ করা হয় ৩৭০ ধারা। তার পরেই ভূস্বর্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০২৩ সালে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক নয়। যদিও সঠিক সময়ে জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে (Statehood Resolution) আশ্বাস দেয় কেন্দ্র (Jammu Kashmir)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur Violence: মণিপুরে ফের অশান্তির আগুন, দফায় দফায় গুলির লড়াই

    Manipur Violence: মণিপুরে ফের অশান্তির আগুন, দফায় দফায় গুলির লড়াই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তি ছড়াল মণিপুরে (Manipur Violence)। মাসখানেকের বিরতির পর শনিবার ভোর থেকে দফায় দফায় গুলির লড়াই হয় (Militants Attack) জিরিবাম জেলায়। মেইতেই ও কুকি সশস্ত্র বাহিনীর লড়াইয়ের জেরে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে রাজ্যে। হামলা হয়েছে বরোবেকেরা থানায়ও।

    কুকি জঙ্গিদের হামলা (Manipur Violence)

    জানা গিয়েছে, জিরিবামের জেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বরোবেকেরায় হামলা চালায় কুকি জঙ্গিরা। এলাকাটি পাহাড়-জঙ্গল ঘেরা। কুকি জঙ্গিদের রুখতে প্রতিরোধ গড়ে তোলে মেইতেই সশস্ত্র বাহিনী আরাম্বাই টেঙ্গলের যোদ্ধারা। দুপক্ষে দফায় দফায় গুলি বিনিময় হয়। এই সময় কুকিদের একাংশ হামলা চালায় বরোবেকেরা থানায়। মাসখানেক আগেও একবার জিরিবাম জেলায় গুলির লড়াই হয়েছিল কুকি এবং মেইতেইদের। দুপক্ষের সেই লড়াইয়ে হত হয়েছিলেন পাঁচজন। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের অশান্তির আগুন ছড়াল চিত্রাঙ্গদার দেশে।

    গোড়ার কথা

    মণিপুরে অশান্তির (Manipur Violence) সূত্রপাত ২০২৩ সালের ৩ মে। সেদিন জনজাতি ছাত্র সংগঠন অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুরের মিছিল ছিল। মেইতেইদের তফশিলি জাতির মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করার নির্দেশ রাজ্য সরকারকে দিয়েছিল মণিপুর হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এই নির্দেশের বিরোধিতায় পথে নেমেছিল জনজাতি ছাত্র সংগঠন অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর। সংঘাতের শুরু সেখানেই। মণিপুরের আদি বাসিন্দা মেইতেইরা হিন্দু। অন্যদিকে, তাদের বিরুদ্ধে যারা লড়ছে, সেই কুকি, জো-সহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠী। এদের সিংহভাগই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। দুপক্ষের এই লড়াইয়ে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২০০ জনের। আহত হয়েছেন প্রচুর মানুষ। আতঙ্কে ঘর ছেড়েছেন হাজার ষাটেক মানুষ।

    আরও পড়ুন: কোটার মধ্যে কোটা ব্যবস্থা, দেশে প্রথম চালু হতে চলেছে হরিয়ানায়

    মণিপুর পুলিশের ডিজি রাজীব সিং বলেন, “ আজও জিরিবাম জেলা সহ কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্ত গোলাগুলি চলছে। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে  এসেছে। অশান্তির আগুন (Militants Attack) যাতে অন্যত্র ছড়িয়ে না পড়ে, তাই মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী (Manipur Violence)।” মণিপুরে শান্তি ফেরাতে চেষ্টার কসুর করছে না কেন্দ্র। শান্তি ফেরাতে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর বিধায়কদের নিয়ে দিল্লিতে বৈঠকে বসতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। এই বৈঠক হওয়ার কথা চলতি সপ্তাহে। এরই মধ্যে নতুন করে অশান্তির আগুন লাগল উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে (Manipur Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Internship Scheme: পিএম ইন্টার্নশিপ আবেদনে বিরাট সাড়া, সর্বাধিক আবেদন এই দুই সংস্থায়

    PM Internship Scheme: পিএম ইন্টার্নশিপ আবেদনে বিরাট সাড়া, সর্বাধিক আবেদন এই দুই সংস্থায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী ইন্টার্নশিপ স্কিমে (PM Internship Scheme) এবার ২১ থেকে ২৪ বছর বয়সি যুবক-যুবতীদের বিভিন্ন কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়ার যোজনা করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় মোট ১.২৫ লক্ষ যুবাদের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়া চলবে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। কর্মসংস্থান এবং স্বনির্ভর করার জন্য এই প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের সুবিধা নিতে বিভিন্ন দেশীয় সংস্থা এগিয়ে এসেছে। বহু সংস্থায় নাম নথিভুক্ত করছেন দেশের তরুণ-তরুণীরা। তবে, আবেদনকারীদের মধ্যে সবচেয়ে উৎসাহ দেখা গিয়েছে মারুতি ও ওএনজিসিতে (Maruti-ONGC) প্রশিক্ষণ নেওয়ার ক্ষেত্রে।

    ২৫০টি কোম্পানিতে আবেদন (PM Internship Scheme)

    শুক্রবার রাত পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ইন্টার্নশিপ স্কিম পোর্টালে (PM Internship Scheme) ২৫০টি কোম্পানিতে আবেদনে সাড়া ফেলেছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক আবেদন এসেছে নিম্নলিখিত সেক্টরগুলিতে। এই সেক্টর হল-তেল, গ্যাস, জ্বালানি, অটোমোটিভ, ভ্রমণ-হাসপাতাল, ব্যাঙ্ক-অর্থনীতি, ধাতু-খনি। সরকারি সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যসূত্রে দেখা গিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত মারুতিতে (Maruti-ONGC) ১০ হাজার ৯৬০টি আবেদন ইন্টার্নশিপের জন্য পাওয়া গিয়েছে। তারপরে আইশার মোটর্সে ৪২৬০টি, হিরো মোটোকর্পে ১৭৪৪টি, মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রায় ১০টি, টাটা মোটর্সে ৮৩৮টি করে আবেদন জমা পড়েছে। তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস সেক্টরে পাবলিক সেক্টরের উদ্যোগে ওএনজিসিতে ৬০০০টি আবেদন জমা পড়েছে। তারপরেই পাওয়ার গ্রিড হিসেবে ৪০০৪টি, এনটিপিসি ৩৫৭০টি, ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনে ২৯৯১টি এবং আরইসি লিমিটেডে ১৭০০টি আবেদন জমা পড়েছে।

    আরও পড়ুনঃ আপনি কি পিএম ইন্টার্নশিপ স্কিমে প্রশিক্ষণ নিতে চান? আজই আবেদন করুন

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সরঞ্জাম ব্যবহারেও স্কিম

    এই স্কিমে (PM Internship Scheme) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সরঞ্জাম ব্যবহার করার মতো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও থাকবে বলে জানা গিয়েছে। এই প্রকল্প বা যোজনাগুলি ২ ডিসেম্বর থেকে চালু করা হবে। ১২ মাসের প্রশিক্ষণের জন্য ইন্টার্নদের ৫০০০ টাকা করে মাসিক সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রতি মাসে কোম্পানি তার সিএসআর তহবিল থেকে প্রতিটি ইন্টার্নকে ৫০০ করে টাকা দেবে।  কোম্পানি প্রথমে ওই অর্থপ্রদান করলে, সরকারও ইন্টার্নদের আধার সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি আরও ৪৫০০ টাকা প্রদান করবে। এই স্কিমে আবেদন করতে হলে নিম্নলিখিত যোগ্যতা একান্ত প্রয়োজন। যথা- প্রার্থীরা হাইস্কুল, উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন। এছাড়াও আইটিআই থেকে একটি শংসাপত্র আছে, পলিটেকনিক থেকে ডিপ্লোমা করেছেন বা বিএ, বিএসসি, বিসিএ, বিবিএ, বি ফার্মা ইত্যাদি সহ স্নাতকরাও আবেদন করতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kangana Ranaut: সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেল কঙ্গনা রানাউতের ‘ইমার্জেন্সি’, কী বললেন অভিনেত্রী?

    Kangana Ranaut: সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেল কঙ্গনা রানাউতের ‘ইমার্জেন্সি’, কী বললেন অভিনেত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কঙ্গনা রানাউত (Kangana Ranaut) অভিনীত ‘ইমার্জেন্সি’ অবশেষে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) ছাড়পত্র দিয়েছে। অভিনেত্রী নিজেই এই তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে এই ছবিটি ৬ সেপ্টেম্বর বড় পর্দায় আসার কথা ছিল। তবে, সেন্সর বোর্ড ছবিটিকে মুক্তির জন্য সবুজ সঙ্কেত না দেওয়ায় এতদিন তা ঝুলে ছিল। এবার সব জটিলতা কাটিয়ে ছবিটি মুক্তি পেতে চলেছে বলে অভিনেত্রীর দাবি।

    ‘ইমার্জেন্সি’র জন্য সেন্সর সার্টিফিকেট (Kangana Ranaut)

    কঙ্গনা (Kangana Ranaut) তাঁর ভক্তদের সঙ্গে খবরটি শেয়ার করেন এক্স হ্যান্ডেলে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা ঘোষণা করতে পেরে আনন্দিত যে, আমাদের সিনেমা ‘ইমার্জেন্সি’র (Emergency) জন্য সেন্সর সার্টিফিকেট পেয়েছি। আমরা শীঘ্রই মুক্তির তারিখ ঘোষণা করব। আপনার ধৈর্য এবং সমর্থনের জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।’’

     

    ২১ মাসের জরুরি অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে

    সেপ্টেম্বরের শুরুতে একটি সাক্ষাৎকারে ছবিটির মুক্তি দেরি হওয়ার প্রসঙ্গে কঙ্গনা (Kangana Ranaut) বলেছিলেন,  ‘‘আমি জানি কীভাবে আমি এই ছবিটি তৈরি করেছি। আমি চলচ্চিত্র শিল্প থেকে কোনও সমর্থন পাইনি। এটি একটি বিশাল বাজেটে তৈরি করা হয়েছে। এখন সিনেমাটি রিলিজ হতে দেরি হওয়ায় সবাই একটি বিশাল ক্ষতি বহন করছে। আমি মনে করি, সেন্সর বোর্ডের উচিত দ্রুত এই ছবিটি মুক্তি দেওয়ার দায়িত্ব নেওয়া।’’ প্রসঙ্গত, এই সিনেমাটি রাজনৈতিক থ্রিলার ধর্মাবলম্বী। ইন্দিরা গান্ধীর জীবনকে তুলে ধরা হয়েছে। যিনি ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত ২১ মাসের জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন। জি স্টুডিও এবং মণিকর্ণিকা ফিল্মস দ্বারা প্রযোজিত ছবিটি ভারতের সবচেয়ে উত্তাল রাজনৈতিক সময়ের একটির পটভূমিতে তৈরি করা হয়েছে। ঐতিহাসিক ঘটনাগুলির চিত্রিত হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Haryana: কোটার মধ্যে কোটা ব্যবস্থা, দেশে প্রথম চালু হতে চলেছে হরিয়ানায়

    Haryana: কোটার মধ্যে কোটা ব্যবস্থা, দেশে প্রথম চালু হতে চলেছে হরিয়ানায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবারই দ্বিতীয়বারের জন্য হরিয়ানার (Haryana) মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন বিজেপির নয়াব সিং সাইনি। তার পরেই যুগান্তকারী একটি সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন বছর চুয়ান্নর সাইনি। কোটার মধ্যে কোটা (Quota Within Quota) চালু করতে চলেছে সাইনি সরকার। এটা চালু হলে, হরিয়ানায়ই হবে প্রথম রাজ্য যারা এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ করতে চলেছে। এর আগে বিজেপিরই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর সরকার রাজ্যের যুবক-যুবতীদের চাকরির সুযোগ দিতে নয়া আইন প্রণয়নে উদ্যোগী হয়েছিল। ওই আইনের প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, এ বার থেকে বেসরকারি ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে চাকরি সংরক্ষিত রাখা হবে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য। খট্টরের পর রাজ্যের ক্ষমতায় আসে সাইনি সরকার। তারা চালু করতে চলেছে কোটার মধ্যে কোটা ব্যবস্থা।

    কোটার মধ্যে কোটা

    বৃহস্পতিবার শপথ নেওয়ার পরে শুক্রবার প্রথম বৈঠকে বসে সাইনি সরকার (Haryana)। সেখানেই তফসিলি জাতি ও উপজাতি সংরক্ষণের উপ-শ্রেণিকরণ সম্পর্কিত সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে মেনে নেওয়ার ও অবিলম্বে তা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্ত বিদ্যমান সংরক্ষণ ব্যবস্থার মধ্যে নিশ্চিত করবে সুষ্ঠু বণ্টন। বর্তমানে হরিয়ানায় তফশিলি জাতির জন্য ১৫ শতাংশ এবং তফশিলি উপজাতির জন্য সাড়ে ৭ শতাংশ সংরক্ষণ রয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হরিয়ানা এই সাড়ে ২২ শতাংশ সংরক্ষণের নির্দিষ্ট কোটা বরাদ্দ করতে পারবে তফশিলি জাতি-উপজাতির মধ্যের সেই উপ-গোষ্ঠীগুলির জন্য, যাদের কর্মসংস্থান ও শিক্ষায় কম প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ১ অগাস্টই সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে, ইতিবাচক পদক্ষেপের সুবিধা দেওয়ার জন্য সংরক্ষিত বিভাগ গোষ্ঠীর মধ্যে একটি উপ-শ্রেণিবিভাগ অনুমোদিত হবে। শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে। তার পর দেশের মধ্যে এই প্রথম তা কার্যকর করতে চলেছে হরিয়ানা (Haryana) সরকার।

    ‘বঞ্চিত তফশিলি জাতি’

    এর আগে রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে তফশিলি জাতির জন্য নির্দিষ্ট যে কোটা, তাকে দুভাগে ভাগ (Quota Within Quota) করতে বিল পাশ করা হয়েছিল। নাম দেওয়া হয়েছে, বঞ্চিত তফশিলি জাতি। এই বিভাগে রয়েছে বাল্মীকি, বাজিগর, দেহা, সানসি, ধানক এবং সাপেরা-সহ ৩৬টি সম্প্রদায়। ওই বিলে বলা হয়েছিল, যে কোনও সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য এসসিদের জন্য সংরক্ষিত ২০ আসনের পঞ্চাশ শতাংশ আলাদা করে রাখা হবে বঞ্চিত তফশিলি জাতির জন্য। হরিয়ানায় (Haryana) অন্যান্য তফশিলি জাতির জনসংখ্যা রাজ্যের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১১ শতাংশ। কিন্তু হরিয়ানার সরকারি পরিষেবাগুলিতে প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ গ্রুপ এ, বি এবং সিতে যথাক্রমে ১১ শতাংশ, ১১.৩১ শতাংশ এবং ১১.৮ শতাংশ। তফশিলি জাতির উপশ্রেণির মধ্যে সব মিলিয়ে যেমন ৩৬টি সম্প্রদায় রয়েছে, তেমনি ওবিসি গ্রুপে রয়েছে চামার, জাতিয়া চামার, রেঘার, রায়গর, রামদাসী, রবিদাসী এবং জাঠ। এ রাজ্যে এই জাঠেদের আর্থ-সামাজিক প্রতিনিধিত্ব ওবিসি গ্রুপের অন্যান্য সম্প্রদায়ের চেয়ে ঢের ভালো।

    উপশ্রেণিকরণ

    সাইনি ঘোষণা করেন, রাজ্য মন্ত্রিসভা (Haryana) উপশ্রেণিকরণের প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছে। তিনি বলেন, “মন্ত্রিসভায় আজ সিদ্ধান্ত হয়েছে তফশিলিদের দুটি গোষ্ঠীতে ভাগ করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত মেনেই এটা করা হচ্ছে। এই উপশ্রণিকরণের সিদ্ধান্তটি প্রযোজ্য হবে আজ থেকেই।” সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “রাজ্যে তফশিলি জাতির জন্য যে ২০ শতাংশ কোটা রয়েছে, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে তার মধ্যে ৫০ শতাংশ সংক্ষরিত থাকবে বঞ্চিত তফশিলি জাতির জন্য। শীঘ্রই এ ব্যাপারে নোটিফিকেশন জারি করবে রাজ্যের মুখ্যসচিব।” সাইনি সরকারের এহেন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন হরিয়ানার বাসিন্দারা। এই সিদ্ধান্তের রাজনৈতিক প্রভাবও বেশ গভীর। 

    আরও পড়ুন: দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য কানাডা! কীভাবে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপের আঁতুড়ঘর হয়ে উঠল?

    হরিয়ানাবাসীকে উপহার বিজেপির

    সম্প্রতি হরিয়ানা (Haryana) বিধানসভা নির্বাচনের সময় বিজেপি উপশ্রেণিকরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তফশিলি জাতি ভোটের সিংহভাগই যাতে গেরুয়া ঝুলিতে পড়ে, তাই এই ব্যবস্থা। তৃতীয়বারের জন্য হরিয়ানার কুর্সিতে বসেছে বিজেপি। সাইনির ক্ষেত্রে এটা হল দ্বিতীয়বার শপথ নেওয়ার অনুষ্ঠান। ৯০ আসন বিশিষ্ট বিধানসভার হরিয়ানায় নির্বাচনোত্তর বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষায় বিজেপির পরাজয়ের ইঙ্গিত উঠে এসেছিল। কিন্তু, সব সমীক্ষাকে ভুল প্রমাণিত করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় হরিয়ানায় (Haryana)  ক্ষমতা দখল করে বিজেপি। এ রাজ্যে তফশিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ১৭টি। তার মধ্যে বিজেপি একাই জয়ী হয়েছে ৮টিতে। উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে সব মিলিয়ে বিজেপি জিতেছিল এ রাজ্যের ৫টি তফশিলি সংরক্ষিত আসনে। সেটাই এবার বেড়ে হয়েছে ৮। তাই এই সম্প্রদায়কে কিছু দেওয়ার ছিল বিজেপির। গেরুয়া-পার্টির হয়ে যে উপহারটা (Quota Within Quota) দিয়ে দিলেন দ্বিতীয় বার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসা সাইনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RSS: আরএসএসের সর্বভারতীয় বৈঠক যোগ দিতে ১০ দিনের মথুরা সফরে মোহন ভাগবত

    RSS: আরএসএসের সর্বভারতীয় বৈঠক যোগ দিতে ১০ দিনের মথুরা সফরে মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারই ১০ দিনের সফরে মথুরা পৌঁছেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সর সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। প্রসঙ্গত, আগামী বছরেই শতবর্ষ পূর্তি হতে চলেছে সংগঠনের। সেই আবহে মথুরার এই বৈঠক খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। কারণ সারা দেশ থেকেই আরএসএসের নেতারা হাজির হবেন এই বৈঠকে। প্রসঙ্গত, শতবর্ষকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজ্যে সফর করছেন মোহন ভাগবত।

    কী বলছেন সুনীল আম্বেকর?

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সর সঙ্ঘচালকের (Mohan Bhagwat) মথুরা সফর নিয়ে সংগঠনের প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর বলেন, ‘‘মথুরার কাছেই পারখম গ্রামে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। আগামী বছরেই আরএসএস তার শতবর্ষ পূরণ করবে। সেই লক্ষ্যেই দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, তা নিয়েই আলোচনা চলবে বৈঠকে।’’

    ১০ দিনে ঠাসা বৈঠক করবেন মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)

    আরএসএস (RSS) সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ১০ দিনে ঠাসা বৈঠক করবেন মোহন ভাগবত। ২৫ ও ২৬ অক্টোবর সঙ্ঘের কার্যকরী মণ্ডলের বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। মথুরার পারখম গ্রামের এই বৈঠক নিয়ে আরএসএস নেতা তথা সহ প্রান্ত প্রচারক কীর্তি জানিয়েছেন, ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোহন ভাগবত থাকবেন এখানে। ৮ থেকে ৯ দিন ঠাসা বৈঠক চলবে। যা শুরু হচ্ছে রবিবার থেকে।

    ২৩ ও ২৪ অক্টোবর প্রশিক্ষণ পর্ব চলবে

    জানা যাচ্ছে, আরএসএসের (RSS) বিভিন্ন পদাধিকারী ও দেশের ৪৬টি সাংগঠনিক প্রান্তের সঙ্ঘ নেতারা হাজির থাকবেন বৈঠকে। জানা যাচ্ছে, ২২ অক্টোবরই দেশের বিভিন্ন রাজ্যের আরএসএস নেতারা হাজির হবেন মথুরায়। ২৩ ও ২৪ অক্টোবর প্রশিক্ষণ পর্ব চলবে। আরএসএস সূত্রে খবর, প্রতিবছর দীপাবলীর আগেই এমন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মোহন ভাগবত ছাড়াও এই বৈঠকে হাজির থাকবেন সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে। এই বৈঠকে প্রান্ত প্রচারক, সহ প্রান্ত প্রচারক, কার্যবাহ এবং অন্যান্য প্রচারকরাও হাজির থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: রবিবার বারাণসীতে দেশের সবচেয়ে চওড়া রেল-সড়ক যুগ্মসেতুর শিলান্যাস করবেন মোদি

    Narendra Modi: রবিবার বারাণসীতে দেশের সবচেয়ে চওড়া রেল-সড়ক যুগ্মসেতুর শিলান্যাস করবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল, রবিবার ২০ অক্টোবর, বারাণসীতে (Varanasi) ভারতের দীর্ঘতম প্রশস্ত রেল-সড়ক ডবল ডেকার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সেই সঙ্গে তিনি এই সফরে উত্তরপ্রদেশের জন্য ১৩০০ কোটি টাকার মোট ২৩টি প্রকল্পের শিলান্যাসও করবেন বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, মোদির লোকসভা সংসদীয় ক্ষেত্র হল বারাণসী কাশীধাম। তাই এলাকার মানুষের মধ্যে মোদির সফরকে ঘিরে তীব্র উৎসাহের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

    আনুমানিক ব্যয় করা হবে প্রায় ২৬৪২ কোটি টাকা (Narendra Modi)

    জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi), যোগী রাজ্যে ‘সিগনেচার ডাবল-ডেকার সেতু’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবে। এই রেল ও সড়ক পথের যুগ্মসেতুটি বারাণসী (Varanasi) এবং চৌন্ডালী জেলার গঙ্গার উপরে দুই তীরের সংযোগ স্থাপন করবে। এটিকে দেশের সবচেয়ে প্রশস্ত রেল সেতু বলা হয়েছে। এর উপর রয়েছে ছয় লেনের রাস্তা। এই সপ্তাহের শুরুতে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা গঙ্গার উপর প্রশস্ত সেতুর অনুমোদন দিয়েছে। প্রকল্পটির জন্য আনুমানিক ব্যয় করা হবে প্রায় ২৬৪২ কোটি টাকা এবং তা আগামী চার বছরের মধ্যে এটি সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আত্মনির্ভর ভারত নির্মাণে এই প্রকল্পকে উৎসর্গ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এতে পরিবহণ ব্যবস্থায় আর্থিক প্রগতির গতিকে আরও তরান্বিত করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে এই প্রকল্পের ফলে প্রায় ১০ লাখ মানুষের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে কর্মসংস্থান হবে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনে এনডিএ-র আসন রফা চূড়ান্ত, বিজেপি লড়বে ৬৮ আসনে

    কী বললেন অশ্বিনী বৈষ্ণব?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই দীর্ঘতম প্রশস্ত সেতুর ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, “বর্তমানে যে সেতু রয়েছে সেই মালভিয়া সেতু ১৩৭ বছরের পুরনো। সেতুর মধ্যে এক জোড়া রেলপথ এবং দুই লেন বিশিষ্ট সড়কপথ যুগ্মভাবে রয়েছে। তবে, ক্ষমতার চেয়ে প্রায় দেড়গুণ ভার বহন করছে সেতুটি। তাকেও সংস্কার করা হবে। এই নতুন রেল ও রোড ব্রিজের চারটি রেললাইন এবং একটি ছয় লেনের জাতীয় সড়ক থাকবে। মোদিজির (Narendra Modi) নেতৃত্বে অভূতপূর্ব এই সেতুর সংযোগে গঙ্গার দুই পাড়ের, মানুষের যাতায়েত অনেক সুগম হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand Assembly Election: ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনে এনডিএ-র আসন রফা চূড়ান্ত, বিজেপি লড়বে ৬৮ আসনে

    Jharkhand Assembly Election: ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনে এনডিএ-র আসন রফা চূড়ান্ত, বিজেপি লড়বে ৬৮ আসনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আসনরফা চূড়ান্ত করেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। শুক্রবার তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঝাড়খণ্ড বিধানসভার মোট ৮১টি আসনের মধ্যে সিংহভাগ কেন্দ্রেই লড়বেন বিজেপি প্রার্থীরা। ভোট যুদ্ধে সংগ্রামের জন্য বিজেপির আসন সংখ্য়া ৬৮। তবে, প্রাথমিকভাবে এদিন প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করে দেওয়া হলেও তাতে প্রয়োজনে বদল আনা হতে পারে।

    কে কত আসনে লড়বে

    বিজেপির তরফে যে আসনরফা ঘোষণা করা হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, আগের বারের তুলনায় এবার গেরুয়া শিবির ১১টি কম আসনে লড়বে। ৮১ আসনের মধ্যে বিজেপি প্রার্থী দেবে ৬৮টিতে। ১০টি আসন ছাড়া হচ্ছে জোট সঙ্গী অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্ট ইউনিয়ন অর্থাৎ আজসুর জন্য। বিহার লাগোয়া ঝাড়খণ্ডে বিহারের দুই জোটসঙ্গী জেডিইউ এবং এলজেপি রামবিলাসকেও জায়গা দিয়েছে গেরুয়া শিবির। নীতীশ কুমারের দল লড়বে দুই আসনে। একটি আসনে লড়বে চিরাগ পাসওয়ানের এলজেপি (রামবিলাস)। গত মঙ্গলবারই ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেই অনুসারে, দুই দফায় এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দফার ভোট গ্রহণ হবে আগামী ১৩ নভেম্বর। আর, দ্বিতীয় দফার ভোট হবে আগামী ২০ নভেম্বর।

    আসন-রফা নিয়ে সহমত জোট শরিকেরা

    এদিন আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা উপলক্ষে রাঁচিতে অবস্থিত রাজ্য বিজেপির সদর কার্যালয়ে একটি যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়। সেই বৈঠকে বিজেপির পাশাপাশি আজসুর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দেন বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা তথা অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি বলেন, ‘‘আমরা আসন ভাগাভাগি নিয়ে সকলে সহমত হয়েছি। সেই অনুসারে, স্থির করা হয়েছে, আজসু ১০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। জেডিইউ লড়াই করবে দু’টি আসন থেকে। আর এলজিপি প্রার্থী দেবে একটি আসনে। বাকি সবক’টি আসনেই বিজেপি প্রার্থীরা ভোটে লড়বেন।’’ প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডে বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের অন্যতম হলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর পাশেই ছিলেন আজসু প্রধান সুদেশ মাহাত। সেইসঙ্গে, ঝাড়খণ্ডে এনডিএ-র অন্য়ান্য শরিকদলের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Flights: চারদিনে দেশের ২০ বিমানে বোমাতঙ্ক, মিলল লন্ডন-জার্মানি যোগ! কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র

    Flights: চারদিনে দেশের ২০ বিমানে বোমাতঙ্ক, মিলল লন্ডন-জার্মানি যোগ! কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝ আকাশে বোমাতঙ্ক ছড়ানোয় তৎপরতার সঙ্গে অবতরণ করতে হচ্ছে, এমন ঘটনা নতুন নয়। ভারতের একাধিক বিমানবন্দরে (Flights) এভাবে বিমান অবতরণ করতে দেখা গিয়েছে। এই ধরনের ঘটনায় বারবার হয়রানির শিকার হতে হয় যাত্রীদের। ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) ব্যবহার করেই গত চার দিনে ২০টি বিমানে হুমকিবার্তা (Bomb Scare) পাঠানো হয়েছে। আর সে কারণেই ওই বার্তা প্রেরকদের দ্রুত চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক সূত্রে অন্তত তেমন দাবিই করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Flights)

    গত সোমবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে দেশের ২০টি বিমানে (Flights) হুমকিবার্তা পাঠানো হয়। তার মধ্যে আন্তর্দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বিমানও ছিল। সোমবার তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। মঙ্গলবার আরও ১০টি বিমানে, বুধ এবং বৃহস্পতি মিলিয়ে আরও সাতটি বিমানে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। কিন্তু প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে সেগুলি ভুয়ো। লাগাতার চার দিন ধরে বিমানে বোমাতঙ্কের ঘটনায় একটি সন্দেহভাজন এক্স হ্যান্ডলকে চিহ্নিত করেছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, ‘স্কিজ়োবম্বার ৭৭৭’ নামে ওই অ্যাকাউন্টটি এই ঘটনার কয়েক দিন আগেই বানানো হয়েছিল। ওই অ্যাকাউন্ট থেকে সাতটি হুমকিবার্তা পাঠানো হয়। তার পরই সেটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাদের যাতে কোনও ভাবে চিহ্নিত করতে না পারা যায়, তার জন্য অবস্থান গোপন করতে ভিপিএন ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। মোট ১৪টি বিমানসংস্থায় থ্রেট মেসেজ এসেছে শুধুমাত্র শুক্রবারই। গত এক সপ্তাহে বোমাতঙ্কের ভুয়ো মেসেজের সংখ্যা ৩৪।

    আরও পড়ুন: ইএসআই হাসপাতালে আগুন, ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু ১ রোগীর

    ইউকে-জার্মানির আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার

    সূত্রের খবর, প্রাথমিক তদন্তে বার্তা প্রেরকদের আইপি অ্যাড্রেস চিহ্নিত করা হয়েছে। দেখা গিয়েছে, হুমকিবার্তা (Flights) পাঠাতে যে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলি লন্ডন এবং জার্মানির। কিন্তু ভিপিএন ব্যবহার করায় বার্তাপ্রেরকদের চিহ্নিত করতে বেগ পেতে হচ্ছে। সূত্রের খবর, তাই তদন্তকারী সংস্থাগুলি এই সব হুমকি ফোনের উৎস খুঁজতে ভিপিএন পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলির সাহায্য চেয়েছে। যে এক্স হ্যান্ডলগুলি থেকে এই হুমকিবার্তা পাঠানো হচ্ছে সেগুলি চিহ্নিত করতে ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার (১৪সি), ইন্ডিয়ান কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (সার্ট ইন) একযোগে কাজ করছে।

    আইনি পদক্ষেপের উদ্যোগ

    বিমানে (Flights) বোমাতঙ্ক ছড়ালে আজীবন বিমানযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর প্রেক্ষিতে এবার এই বিষয়ে আইন সংশোধনীর পথে হাঁটছে অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক। আইনে নতুন শাস্তির রূপরেখা ঠিক কী হবে, তা ঠিক করতে আলোচনা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, আইন মন্ত্রক এবং অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক এই বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে। এতদিন পর্যন্ত বিমানের অভ্যন্তরে অভব্য আচরণ এবং বিমানে থাকাকালীন বোমাতঙ্ক ছড়ালে নো ফ্লাই লিস্ট- এ নাম অন্তর্ভুক্তি হত। এবার বাইরে থেকে ফোন কল, সোশ্যাল মিডিয়া, বা ইমেলের মাধ্যমে বোমাতঙ্ক ছড়ালেও বিমানযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি হবে, এমন আইন সংশোধনীর পথেই হাঁটছে সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডে খাবার বিক্রেতাদের পরতে হবে মাস্ক-গ্লাভস, থাকতে হবে ফটো আইডি

    Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডে খাবার বিক্রেতাদের পরতে হবে মাস্ক-গ্লাভস, থাকতে হবে ফটো আইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যোগী রাজ্যের পরে এবার উত্তরাখণ্ড (Uttarakhand)। সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি, খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে বড় নির্দেশিকা জারি করলেন। উত্তরপ্রদেশের মতো এবার উত্তরাখণ্ডেও খাদ্য বিক্রেতাদের ফটো আইডি পরে থাকা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। যে কোনও ধরনের খাবারের দোকান, রেস্টুরেন্ট, হোটেল, ধাবা- সমস্ত ক্ষেত্রে এই নির্দেশিকা পালন করতে হবে বলে জানিয়েছে উত্তরাখণ্ড প্রশাসন (Food Safety Guidelines)। একইসঙ্গে, খাবার বিক্রেতাদের মাস্ক, গ্লাভস ইত্যাদিও ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ধাবা, রান্নাঘরগুলিতে ক্যামেরা ইনস্টল করার কথাও নির্দেশিকায় জানিয়েছে পুস্কর সিং ধামির প্রশাসন  (Uttarakhand)।

    মুসৌরিতে (Uttarakhand) খাবারে থুতু দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দেরাদুন পুলিশ, মুসৌরিতে একটি চায়ের পাত্রে থুতু ফেলার জন্য দুজনকে গ্রেফতার করে। ঠিক এর পরেই অন্যান্য জায়গা থেকেও খাবারে থুতু ফেলা বা প্রস্রাব মেশানোর মতো ঘটনাগুলি (Food Safety Guidelines) সামনে আসতে থাকে। এরপরেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার ভাবনা-চিন্তা করে উত্তরাখণ্ড সরকার। প্রসঙ্গত, একইসঙ্গে মাংস ব্যবসায়ীদের জন্যও নির্দেশিকা জারি করেছে উত্তরাখণ্ড প্রশাসন এবং তাদেরকেও ফটো আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি বিক্রি করা মাংস, হালাল নাকি ঝটকা, তা সাইনবোর্ডের মাধ্যমে লিখে রাখতে বলা হয়েছে।

    নির্দেশ অমান্য করলে জরিমানা  (Uttarakhand)

    ওই নির্দেশিকায় আরও জানানো হয়েছে, এ সংক্রান্ত নির্দেশ অমান্য করলে অপরাধীদের ২৫ হাজার টাকা থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুণতে হবে। উত্তরাখণ্ডের প্রশাসনিক আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, খাদ্য নিরাপত্তার মান বজায় রাখা নিশ্চিত করতে রাজ্যজুড়ে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে, বিভিন্ন হোটেল রেঁস্তোরাগুলিতে ঢুকে খাবারের নমুনাও নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে উত্তরাখণ্ড প্রশাসন খাবার বিক্রির দোকানগুলিতে স্বাস্থ্য বিষয়ক নির্দেশিকাও জারি করেছে। সেখানে অপরিহার্য বিষয় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, কোনও সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে খাদ্য তৈরি বা পরিবেশন সহ যে কোনও কাজে যুক্ত রাখা যাবে না। একই সঙ্গে ওই নির্দেশিকাতে আরও বলা হয়েছে, খাবার বিক্রেতারা তাঁদের লাইসেন্সগুলিকে স্পষ্টভাবে দোকানের সামনে রেখে দেবেন এবং কোথা থেকে কাঁচামাল ব্যবহার করা হচ্ছে, কিভাবে খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং কত পরিমাণ খাবার বিক্রয় হচ্ছে, তার দৈনিক হিসাবও তাঁরা রাখবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share