Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • NDA: ঐক্যবদ্ধ জোটের ছবি চণ্ডীগড়ে, এনডিএ শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক মোদির

    NDA: ঐক্যবদ্ধ জোটের ছবি চণ্ডীগড়ে, এনডিএ শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার এনডিএ (NDA) শাসিত রাজ্যেগুলির মুখ্যমন্ত্রী ও উপ-মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানা গিয়েছে, এই বৈঠকে জাতীয় স্তরের নানা ইস্যু সমেত দারিদ্র দূরীকরণ কর্মসূচি নিয়েও বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। বৈঠক শেষে এনডিএ-এর ঐক্যবদ্ধ চেহারাও সামনে আসে। জোটের মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে ছবি তোলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও হাজির ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা-সহ কেন্দ্রীয় বিজেপির একাধিক নেতা। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির ১৩ জন মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। বিজেপি ছাড়াও এনডিএ-তে (NDA) থাকা মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, সিকিম, নাগাল্যান্ড, মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীরাও হাজির ছিলেন। 

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট 

    বৈঠকের পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) লেখেন, ‘‘সুশাসন এবং মানুষের জীবন-জীবিকার উন্নয়নের নানা ইস্যু নিয়েই আমরা বিস্তৃত আলোচনা করেছি। এনডিএ জোট (NDA) দেশের অগ্রগতি এবং গরিবদের জীবন জীবিকার উন্নয়নের প্রশ্নে বদ্ধপরিকর।’’

    কী বললেন নাড্ডা

    প্রসঙ্গত, বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা বলেন, ২০২৫ সালে জরুরি অবস্থার ৫০ বছর পূর্তি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই ঘটনাকে গণতন্ত্রের হত্যা বলে উল্লেখ করে প্রস্তাবও পাশ করেন।’’ এর পাশাপাশি নাড্ডা আরও জানিয়েছেন, বৈঠকে (NDA) আত্মনির্ভর ভারত, ডিজিটাল ইন্ডিয়া, দেশের অর্থনীতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nayab Singh Saini: হরিয়ানায় হ্যাটট্রিক বিজেপির, মোদির উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ সাইনির

    Nayab Singh Saini: হরিয়ানায় হ্যাটট্রিক বিজেপির, মোদির উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ সাইনির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের জন্য হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নয়াব সিং সাইনি (Nayab Singh Saini)। তৃতীয়বার সরকার তৈরি হল বিজেপির। এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও হাজির ছিলেন এনডিএ-র শরিক দলের নেতারা। কেন্দ্রের মন্ত্রী তথা জেডিইউ-এর সদস্য রাজীবরঞ্জন সিং ওরফে লালন সিং, কেন্দ্রের মন্ত্রী, লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস)-এর সদস্য চিরাগ পাসোয়ান, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নায়ডু, উপ-মুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ এবং মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেকে দেখা যায় এদিনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে। বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে হাজির ছিলেন অসমের হিমন্ত বিশ্বশর্মা, গুজরাতের ভূপেন্দ্র প্যাটেল, উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ।

    হরিয়ানার পঞ্চকুলার শালিমার মাঠে হয় শপথ গ্রহণ (Nayab Singh Saini)

    হরিয়ানার পঞ্চকুলার শালিমার মাঠে এদিন রাজ্যপাল বন্দারু দত্তাত্রেয় শপথ বাক্য পাঠ করান মুখ্যমন্ত্রী (Nayab Singh Saini) সমেত ১২ জন বিজেপির মন্ত্রীকে। মাঠে হাজির ছিলেন প্রায় ৫০ হাজার দর্শক। সামনের সারিতে বসে ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। প্রসঙ্গত, হরিয়ানা বিধানসভার আসনসংখ্যা রয়েছে ৯০টি। নিয়ম অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী-সহ মন্ত্রিসভায় সর্বোচ্চ ১৩ জন সদস্য থাকতে পারেন।

    বিপুল জয় বিজেপির (Haryana)

    ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৯০ আসনের হরিয়ানা বিধানসভায় ৪৮টি আসন জেতে গেরুয়া শিবির, যাদুসংখ্যা যেখানে ছিল ৪৬। টানা এক দশক ক্ষমতায় থাকার পরে ফের উন্নয়নের প্রশ্নে বিজেপিকেই বেছে নেন হরিয়ানার জনগণ। বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ কংগ্রেসকে থামতে হয় ৩৭টি আসনেই। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমপ্রকাশ চৌটালার ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল লোকদল (আইএনএলডি) দু’টি এবং নির্দল প্রার্থীরা তিনটি আসনে জিতেছেন। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চ মাসেই মনোহরলাল খট্টরকে সরিয়ে দলের ওবিসি ‘মুখ’ সাইনিকে (Nayab Singh Saini) মুখ্যমন্ত্রী করেছিল বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস এবং বিজেপি-দু’দলই হরিয়ানায় পাঁচটি করে আসনে জিতেছিল। বিধানসভায় কংগ্রেসকে এগিয়ে রাখে বেশিরভাগ জনমত সমীক্ষাই। তবে সেসবকে উড়িয়ে দিয়ে বাজিমাত করে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: ভ্রমণপ্রিয়দের জন্য খুশির খবর, ৬০ দিন আগেই মিলবে দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিট

    Indian Railways: ভ্রমণপ্রিয়দের জন্য খুশির খবর, ৬০ দিন আগেই মিলবে দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মরশুমে বড়সড় পরিবর্তন আনল রেল। ট্রেনে আসন সংরক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট সময় কমিয়ে দেওয়া হল। আর চারমাস নয়। এবার দূরপাল্লার ট্রেনে টিকিট বুকিং করা যাবে দু-মাস আগে। বুধবারই এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল (Indian Railways) বোর্ড ও রেল মন্ত্রক। নতুন নিয়মে ১২০ দিনের পরিবর্তে ৬০ দিন আগে টিকিট কাটার ব্যবস্থা হলে অনেকেরই সুবিধা হবে বলেই মনে করছে রেল।

    নতুন নিয়মে কী রয়েছে? (Indian Railways)

    এখনও পর্যন্ত যে নিয়ম রয়েছে তাতে ট্রেন ছাড়ার দিনটি বাদ দিয়ে ১২০ দিন আগে কোনও ট্রেনের টিকিট (Ticket) সংরক্ষণ শুরু হয়। এর ফলে অনেক আগে থেকে ভ্রমণের পরিকল্পনা করে ফেলতে হয়। এ বার সেই অগ্রিম পরিকল্পনার মেয়াদ কমানোর সুবিধা করে দিচ্ছে রেল। এখন যদি কেউ ফেব্রুয়ারি মাসের টিকিট বিক্রি শুরুর দিনেই কাটতে চান, তবে যে দিন ট্রেন ছাড়বে সে দিন থেকে ১২০ দিন আগে কেটে নিতে হবে। কিন্তু সেই নিয়ম বদলে যাবে ১ নভেম্বর। বৃহস্পতিবার রেলের (Indian Railways) তরফে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১২০ দিন আগে টিকিট বুকিংয়ের যে নিয়ম লাগু ছিল পয়লা নভেম্বর থেকে তাতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। ১ নভেম্বর থেকে বেড়াতে যাওয়ার দু-মাস আগে দূরযাত্রার জন্য টিকিট কাটা যাবে। তবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত আগের নিয়মে অর্থাৎ ১২০ দিন আগেই সংরক্ষিত আসনের জন্য টিকিট কাটা যাবে। রেলের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, টিকিট ক্যানসেল করার ক্ষেত্রেও এই ৬০ দিনের সময়সীমাই মানতে হবে। তবে তাজ এক্সপ্রেস, গোমতী এক্সপ্রেস-এই দুটি ট্রেনে আসন সংরক্ষণের জন্য মানতে হবে ১২০ দিনের সময়সীমাই। একই ভাবে বিদেশি নাগরিকেরা এখনকার মতো ৩৬৫ দিন আগেই কোনও ট্রেনের টিকিট কেটে রাখতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: কৃষ্ণনগরে তরুণীকে ধর্ষণ করে খুন! সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাইকোর্টে নির্যাতিতার মা

    খুশি ভ্রমণপ্রিয় মানুষ

    রেলের (Indian Railways) এমন সিদ্ধান্তে খুশি ভ্রমণপ্রিয় মানুষজন। তাঁদের বক্তব্য, অনেক সময়ই চারমাস আগে ভ্রমণের পরিকল্পনা করা যায় না। কিন্তু শুধুমাত্র টিকিট কাটার জন্য তা করতে বাধ্য হতেন। কারণ, চারমাস সময়ের মধ্যে ভালো-মন্দ অনেক কিছু হতে পারে। অনেক সুবিধা-অসুবিধা হতে পারে। এখন টিকিট কাটার সময় কমে দু-মাস হওয়ায় এই সমস্যা অনেকটাই মিটবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 6A Of The Citizenship Act: নাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারার সাংবিধানিক বৈধতা মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট

    6A Of The Citizenship Act: নাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারার সাংবিধানিক বৈধতা মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারার (6A Of The Citizenship Act) সাংবিধানিক বৈধতা মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। বৃহস্পতিবার এই রায় দিল শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি ছাড়াও এই বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি এমএম সুন্দ্রেশ, বিচারপতি মনোজ মিশ্র এবং বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা।

    সাংবিধানিক বেঞ্চে দ্বিমত (6A Of The Citizenship Act)

    প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়-সহ চার বিচারপতি এই ধারার সাংবিধানিক বৈধতা মেনে নিলেও, দ্বিমত পোষণ করেন সাংবিধানিক বেঞ্চের সদস্য বিচারপতি পারদিওয়ালা। ৬-এ ধারাকে তিনি ‘অসাংবিধানিক’ আখ্যা দেন। এদিন রায় ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, অসম চুক্তি মেনে অবৈধ অভিবাসনের সমস্যার এটি একটি রাজনৈতিক সমাধান। বেআইনি অনুপ্রবেশ সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানসূত্র অসম চুক্তি। সেই চুক্তি সূত্রে নাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারার যৌক্তিকতা রয়েছে বলে রায় আদালতের। স্থানীয় জনগণের স্বার্থ রক্ষার্থে ও ভারসাম্য বজায় রাখতে এমন ধারা তৈরি করার আইনি ক্ষমতা সংসদীয় ব্যবস্থার রয়েছে।

    ৬-এ ধারা

    ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চকে ভিত্তি করে প্রয়োগ করা হয় ৬-এ ধারাটির। ওই দিনই শেষ হয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ। তাই ওই ধারাটিকে বাংলাদেশ যুদ্ধের প্রেক্ষিতেই দেখতে হবে। সেই কারণে ওই তারিখটিকে ভিত্তি করে ধারাটির প্রয়োগ যথাযথ বলে অভিমত শীর্ষ আদালতের। সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী, ১৯৬৬ সালের ১ জানুয়ারির আগে যারা অসমে এসেছে, তাদের ভারতীয় নাগরিক হিসেবে ধরতে হবে। ১৯৬৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের মধ্যে যারা এসেছে, তারা অন্যান্য যোগ্যতা পূরণ করতে পারলে ভারতীয় নাগরিকত্ব চাইতে পারেন। কিন্তু ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পরে আসা সবাইকেই বেআইনি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে আটক করে ফেরত পাঠাতে হবে বাংলাদেশে।

    আরও পড়ুন: যত নষ্টের গোড়া ট্রুডো! নিজ্জর খুনে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তুলোধনা ভারতের

    অসমের জন্যই ৬-এ ধারা

    কেবলমাত্র অসম রাজ্যের জন্যই নাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারাটি তৈরি করা হয়েছিল। অসমে অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের পরে ১৯৮৫ সালে ভারত সরকার ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে হওয়া অসম চুক্তির অঙ্গ হিসেবে নাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারা তৈরি করা হয়েছিল। কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর যেসব বাংলাদেশি অসমে অনুপ্রবেশ করেছে, তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না। কেন্দ্রের যুক্তি ছিল, পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন বাংলাদেশে রূপান্তরিত হওয়ার পরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে ঘোষণা করেছিলেন, ১৯৭১ এর পর দেশ ছেড়ে যাওয়া সবাইকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। সেই জন্যই ৬-এ ধারায় ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চকে বেছে নেওয়া হয়েছে (Supreme Court)। কারণ (6A Of The Citizenship Act) বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ।

    সুপ্রিম কোর্টে আবেদন

    অসমে অবৈধ অভিবাসন সংক্রান্ত ওই ধারা অসাংবিধানিক বলে দাবি করে সুপ্রিম কোর্টে মোট ১৭টি আবেদনপত্র জমা পড়েছিল। সেগুলিই একত্রিত করে শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়েছিল গত বছরের ডিসেম্বর মাসের শুরুতে। আবেদনকারীদের বক্তব্য, অসম চুক্তিকে ২৫৩ ধারার অধীনে বৈধতা দিতে কোনও পদক্ষেপ করেনি সংসদ। তাই অসম চুক্তিরই বৈধতা নেই। কিন্তু এদিন কেন্দ্রের আবেদন মেনে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ সায় দিয়েছে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চকে সময়সীমা ধার্য করার ব্যবস্থাকেই।

    অসম চুক্তি

    অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী আন্দোলন শুরু হয় অসমে। আন্দোলনে ইতি টানতে ১৯৮৫ সালে হয় অসম চুক্তি। চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় আন্দোলনকারী ও ভারত সরকারের মধ্যে। এই অসম চুক্তিরই অঙ্গ হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল নাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারা। এই ধারা অনুযায়ীই ১৯৬৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত অসমে অনুপ্রবেশ করা বাংলাদেশিদের ভারতীয় নাগরিকত্বের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলাদেশের সঙ্গে অসমের সীমান্তের দৈর্ঘ্য অনেক বেশি। অন্যান্য সীমান্তবর্তী রাজ্যের তুলনায় অসমে অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা স্থানীয় জনগণের চেয়ে বেশি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অসমে মোট জমির পরিমাণ পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে কম। তাই পশ্চিমবঙ্গে ৫৭ লাখ অনুপ্রবেশকারী থাকলেও, অসমে ৪০ লাখ অনুপ্রবেশকারীর জন্য ওই ধারার প্রয়োগ যথাযথ, অভিমত আদালতের।

    আবেদনকারীদের অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, আবেদনকারীদের অভিযোগ, ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারা ভারতীয় সংবিধানের ১৪ নম্বর ধারাকে লঙ্ঘন করছে। ওই ধারা অনুযায়ী, অসমে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিকেই প্রমাণ করতে হয় তিনি ভারতীয় নাগরিক। ভারতীয় সংবিধানের ১৪ নম্বর ধারায় সাম্যের অধিকারের কথা বলা হয়েছে। এই ধারা অনুয়ায়ী, দেশি, বিদেশি কিংবা অ-নাগরিক হয়েও যদি কেউ ভারতে বাস করেন, তিনিও সংবিধানে বর্ণিত সাম্যের অধিকার ভোগ করবেন। সুপ্রিম কোর্টের সাফ কথা, শরণার্থীদের আশ্রয়ের প্রসঙ্গ নয়, এ ক্ষেত্রে বিচার করা হয়েছে (Supreme Court) নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়টির সাংবিধানিক বৈধতা (6A Of The Citizenship Act)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sky Marshal: বোমাতঙ্ক-ছিনতাইয়ের হুমকি! এবার বিমানেই থাকবেন কমান্ডোরা, ভাবনা এনএসজি-র

    Sky Marshal: বোমাতঙ্ক-ছিনতাইয়ের হুমকি! এবার বিমানেই থাকবেন কমান্ডোরা, ভাবনা এনএসজি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অসামরিক বিমানগুলির নিরাপত্তা বাড়াতে স্কাই মার্শাল মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিল এনএসজি। যে সমস্ত অসামরিক বিমান দেশের বিভিন্ন সংবেদনশীল অঞ্চলে যায়, তাদের নিরাপত্তা বাড়াতে এই স্কাই মার্শাল বা সশস্ত্র কমান্ডোদের গোপনে মোতায়েন করা হবে। আন্তঃদেশীয় এবং আন্তর্জাতিক – উভয় রুটেই এই স্কাই মার্শালদের মোতায়েন করা হবে। সরকারি সূত্রে খবর, ‘ব্ল্যাক ক্যাট’ কমান্ডোদের ৫২ স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপ (এসএজি) থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কর্মীদের এর জন্য নিয়োগ করা হবে। 

    বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মী নিয়োগ

    দেশে সন্ত্রাস মোকাবিলায় ১৯৮৪ সালে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড বা এনএসজি গঠন করা হয়। তাদের ভিতর থেকেই বিশেষভাবে কাউন্টার-হাইজ্যাক মিশনের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় আরও একটি দলকে। এরা বিশেষত বিমান-সুরক্ষার দায়িত্বেই মোতায়েন থাকে। জাতীয় সুরক্ষা গার্ড (এনএসজি) ‘স্কাই মার্শাল’-এর সংখ্যা বর্তমানে ৪০। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই সংখ্যা বাড়িয়ে ১১০-এরও বেশি করা হবে বলে খবর। এই কমান্ডোরা ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলিতে বিচক্ষণতার সঙ্গে কাজ করবে, গোপন অস্ত্র এবং বিশেষ সরঞ্জাম নিয়ে এঁরা সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে মিশে যাবে। তাঁদের প্রাথমিক ভূমিকা হল হাইজ্যাকারদের বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং সম্ভাব্য হুমকির সময় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ‘স্কাই মার্শাল’-দের পরিচয় গোপন রাখা হয় এবং কেবলমাত্র ফ্লাইটের পাইলট ইন কমান্ড (পিআইসি) তাঁদের চেনেন।

    আরও পড়ুন: যত নষ্টের গোড়া ট্রুডো! নিজ্জর খুনে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তুলোধনা ভারতের

    কেন স্কাই মার্শাল নিয়োগ

    সন্ত্রাসী হামলা বা অপহরণ ঠেকাতে বাণিজ্যিক বিমানে নিযুক্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্কাই মার্শাল বলা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে পরিচালিত হয় ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড বা এনএসজি। তারাই স্কাই মার্শালদের তৈরি করে। সারা বিশ্বে বিমান অপহরণের ঘটনা ক্রমে বাড়ছে। তাই এই বাহিনী বাড়ানোর চিন্তা করা হয়েছে। দেশের ভিতরে পশ্চিমমুখী বিমানে স্কাই মার্শালের সংখ্যা বেশি। দেশের বাইরেও বিভিন্ন রুটে স্কাই মার্শাল নিয়োগ করা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CJI DY Chandrachud: অবসর নেবেন চন্দ্রচূড়, উত্তরসূরির নাম প্রস্তাব করলেন দেশের প্রধান বিচারপতি

    CJI DY Chandrachud: অবসর নেবেন চন্দ্রচূড়, উত্তরসূরির নাম প্রস্তাব করলেন দেশের প্রধান বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময় ঘনিয়ে আসছে অবসর গ্রহণের। তার আগে প্রথা মেনে নিজের উত্তরসূরির নাম প্রস্তাব করলেন দেশের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় (CJI DY Chandrachud)। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার (Sanjiv Khanna) নাম প্রস্তাব করেছেন তিনি। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রককে চিঠিও দিয়েছেন চন্দ্রচূড়।

    বিচারপতি খান্না (CJI DY Chandrachud)

    ১০ নভেম্বর অবসর নেবেন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়। তিনি অবসর নেওয়ার পর দেশের ৫১তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেবেন বিচারপতি খান্না। খান্নার কার্যকালের মেয়াদ খুবই অল্প সময়ের। ২০২৫ সালের ১৩ মে অবসর নেবেন তিনি। দিল্লির জেলা আদালতে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন খান্না। পরে হন দিল্লি হাইকোর্টের আইনজীবী। ২০০৪ সাল পর্যন্ত আয়কর বিভাগের সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন তিনি। পরের (CJI DY Chandrachud) বছরই নিযুক্ত হন দিল্লি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে। স্থায়ী বিচারপতি হন ২০০৬ সালে। ২০১৯ সালে হন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি। ৩৭০ ধারা বিলোপ কিংবা নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চের অন্যতম সদস্য ছিলেন বিচারপতি খান্না। তিনি সেই ব্যতিক্রমী কয়েকজন বিচারপতির অন্যতম, যাঁরা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি না হয়েও, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হয়েছেন।

    কেন্দ্রকে চিঠি দিলেন চন্দ্রচূড়

    সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি অবসর গ্রহণ করলে সেই পদে বসেন শীর্ষ আদালতের প্রবীণতম বিচারপতি। তবে রীতি অনুযায়ী, উত্তরসূরির নাম জানিয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দেন বিদায়ী প্রধান বিচারপতি। গত সপ্তাহেই দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নাম প্রস্তাব করার আর্জি জানিয়ে চন্দ্রচূড়কে চিঠি দিয়েছিল কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রক। সেই চিঠির প্রেক্ষিতেই বিচারপতি খান্নার নাম জানিয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দিলেন চন্দ্রচূড়।

    আরও পড়ুন: যত নষ্টের গোড়া ট্রুডো! নিজ্জর খুনে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তুলোধনা ভারতের

    ১০ তারিখে অবসর নেবেন শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়। তার পরের দিনই প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেবেন বিচারপতি খান্না। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। প্রধান বিচারপতি হিসেবে চন্দ্রচূড়ের কার্যকাল ছিল দু’বছরের। সেই জায়গায় ওই পদে বিচারপতি খান্নার (Sanjiv Khanna) মেয়াদ হবে মাত্রই কয়েকটা মাসের (CJI DY Chandrachud)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: “কংগ্রেস অপ্রাসঙ্গিক, তাই ঠাঁই হয়নি ওমর মন্ত্রিসভায়”, কটাক্ষ বিজেপির

    Jammu And Kashmir: “কংগ্রেস অপ্রাসঙ্গিক, তাই ঠাঁই হয়নি ওমর মন্ত্রিসভায়”, কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেস অপ্রাসঙ্গিক। তাই ঠাঁই হয়নি ওমর আবদুল্লার (জম্মু-কাশ্মীর) মন্ত্রিসভায় (Jammu And Kashmir)।” রাহুল গান্ধীর দলকে এই ভাষায়ই আক্রমণ শানাল বিজেপি (BJP)। এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপির মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি লিখেছেন, “জম্মু-কাশ্মীরের নয়া মন্ত্রিসভায় কংগ্রেসের ঠাঁই হয়নি। ন্যাশনাল কনফারেন্স এখন বুঝতে পেরেছে যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কংগ্রেস অপ্রাসঙ্গিক। এই ঘটনা ইন্ডি জোটের ভঙ্গুরত্ব প্রদর্শন করে। তাদের জোট ভেঙে গিয়েছে। এই জোটে কংগ্রেস একটা জোকে পরিণত হয়েছে। তাদের প্রতি কারও শ্রদ্ধাও নেই।”

    অমিত মালব্যর খোঁচা (Jammu And Kashmir)

    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “কেবল হরিয়ানা নয়, জম্মু-কাশ্মীরেও কংগ্রেসের ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর ন্যাশনাল কংগ্রেস তাদের (কংগ্রেসকে) সরকারে নেয়নি। রাহুল গান্ধীর দল ৬টি আসনে জিতেছে (সপ্তম প্রার্থী জয়ী হয়েছে নির্দল হিসেবে), যদিও তারা প্রার্থী দিয়েছিল ৩২ আসনে।” জনতা দল (ইউনাইটেড) মুখপাত্র রাজীব রাজন প্রসাদ সংবাদ মাধ্যমে বলেন, “কংগ্রেসের যোগ দেওয়া উচিত ছিল। প্রধান ইস্যুগুলিতে ন্যাশনাল কনফারেন্সের সঙ্গে কংগ্রেসের মতপার্থক্য হতে পারে। কিন্তু তাদের সরকারে যোগ দেওয়া উচিত ছিল। সরকারে যোগ না দিয়ে তারা মানুষকে আঘাত করল।”

    কটাক্ষ প্রহ্লাদ জোশীরও

    ন্যাশনাল কনফারেন্সের সঙ্গে জোট না হলে, ভূস্বর্গে কংগ্রেস একটা আসনও পেত না বলেন দাবি (Jammu And Kashmir) করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের নির্বাচনে কংগ্রেস কোথাও ছিল না। ন্যাশনাল কনফারেন্সের সঙ্গে জোট করায় তারা ৬টি আসন পেয়েছে। তা না হলে একাধিক রাজ্যের মতো জম্মু-কাশ্মীরে শূন্য হয়ে যেত কংগ্রেস।” উপত্যকার বিধানসভা নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পেয়েছে বিজেপি। সেখানকার ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “ভোট গণতন্ত্রের সব চেয়ে বড় উৎসব। জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের রায়কে আমরা সম্মান জানাচ্ছি। সর্বোপরি, এই নির্বাচনে জয় হয়েছে গণতন্ত্রের।”

    আরও পড়ুন: যত নষ্টের গোড়া ট্রুডো! নিজ্জর খুনে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তুলোধনা ভারতের

    জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার আসন সংখ্যা ৯০টি। এর মধ্যে ৪২টি আসনে জয়ী হয়েছে ন্যাশনাল কনফারেন্স। পদ্ম ফুটেছে ২৯টি কেন্দ্রে। কংগ্রেসের ঝুলিতে গিয়েছে ৬টি আসন। বুধবারই শের-ই-কাশ্মীর ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে মুখ্যমন্ত্রী পদে (BJP) শপথ নেন ওমর (Jammu And Kashmir)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NSG: এনএসজির বদলে এবার ভিভিআইপিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবে সিআরপিএফের বিশেষ দল

    NSG: এনএসজির বদলে এবার ভিভিআইপিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবে সিআরপিএফের বিশেষ দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে আর ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডো বাহিনীর (NSG) নিরাপত্তা পাবেন না দেশের ৯ ভিভিআইপি (VIP Security)। এনএসজি (ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড), এরাই ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডো নামে পরিচিত)-র পরিবর্তে এঁদের প্রহরায় থাকবে সিআরপিএফের বিশেষ দল। আগামী মাস থেকেই ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডোর বদলে ওই ৯ জন ভিভিআইপির নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে সিআরপিএফ। এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে কয়েক বছর আগেই। এবার তা কার্যকর করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    যাঁদের এনএসজি প্রত্যাহার করা হল (NSG)

    যে ৯ জন ভিআইপির এনএসজি  প্রত্যাহার করা হল, তাঁরা হলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রী এলকে আডবাণী, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা টিডিপি সুপ্রিমো চন্দ্রবাবু নাইডু, উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিএসপি সভানেত্রী মায়াবতী, জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো ফারুক আবদুল্লা, জম্মু-কাশ্মীরের আর এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা দলত্যাগী কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল এবং ছত্তিশগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিং। এঁদের মধ্যে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ ও সোনোয়ালের জন্য থাকবে সিআরপিএফের উন্নত সুরক্ষা যোগাযোগ (অ্যাডভান্সড সিকিউরিটি লিয়েজন) প্রোটোকলও। বর্তমানে এই প্রোটোকলের আওতায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং গান্ধী পরিবারের তিন সদস্য – সোনিয়া, রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা।

    এনএসজি

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আগেই জানিয়েছিল, এনএসজিকে (NSG) পুরোপুরি কাজে লাগানো হবে জঙ্গি ও সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে। এদেরই বিকল্প হিসেবে সিআরপিএফের ভিআইপি সিকিউরিটি উইংয়ের একটি ব্যাটেলিয়ান গড়া হয়েছে। সেই ব্যাটেলিয়নই প্রহরায় থাকবে ওই ৯ জন ভিভিআইপির।

    আরও পড়ুন: ঘুচল অন্ধত্ব, হাতে তরোয়ালের জায়গায় সংবিধান, নব কলেবরে ‘লেডি অফ জাস্টিস’

    প্রায় তিন দশক ধরে ভিভিআইপিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন এই ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডোরা। ১৯৮৪ সালে যখন এই বাহিনী গড়ে তোলার কথা ভাবা হয়েছিল, তখন তাদের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হয়নি এনএসজিকে। পরে ভিআইপি প্রহরার দায়িত্ব দেওয়া হয় ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডোদের। যেসব নেতার প্রাণনাশের ঝুঁকি রয়েছে, তাঁদের সুরক্ষার উদ্দেশ্যেই বিভিন্ন কেন্দ্রীয় পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষিত জওয়ানদের নিয়ে গড়া হয়েছিল স্পেশাল রেঞ্জার গ্রুপ। অন্যদিকে, সন্ত্রাস দমন, বিমান ছিনতাই মোকাবিলা ও ঝটিকা হানাদারির জন্য (VIP Security) সেনার কমান্ডোদের নিয়ে এনএসজি (NSG) গড়েছিল স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Supreme Court: ঘুচল অন্ধত্ব, হাতে তরোয়ালের জায়গায় সংবিধান, নব কলেবরে ‘লেডি অফ জাস্টিস’

    Supreme Court: ঘুচল অন্ধত্ব, হাতে তরোয়ালের জায়গায় সংবিধান, নব কলেবরে ‘লেডি অফ জাস্টিস’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাপড়ের ফেট্টি দিয়ে চোখ বাঁধা। ডান হাতে দাঁড়িপাল্লা। বাঁ হাতে ধরা তরোয়াল। এতদিন ‘লেডি অফ জাস্টিসে’র (Lady Of Justice Statue) এই ছবিই দেখা গিয়েছে সর্বত্র (Supreme Court)। চির-চেনা এই ছবিটাই এবার গেল বদলে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের লাইব্রেরিতে বসানো হল ‘লেডি অফ জাস্টিসে’র নয়া মূর্তি। এই মূর্তির চোখ খোলা। ডান হাতে দাঁড়িপাল্লা ধরা রইলেও, বাঁ হাতে তরোয়ালের জায়গায় ধরা সংবিধান। লেডি অফ জাস্টিসের এই নয়া মূর্তি দেখলে আর কেউ বলতে পারবে না আইন ‘অন্ধ’, বরং খোলা চোখে সংবিধান মেনে তুল্যমূল্য বিচার করে আদালত।

    ‘লেডি অফ জাস্টিসে’র মূর্তি (Supreme Court)

    জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নির্দেশে বদলে গিয়েছে ‘লেডি অফ জাস্টিসে’র মূর্তি। প্রধান বিচারপতি এর মাধ্যমে এই বার্তা দিতে চেয়েছেন, আইনের চোখ বাঁধা নয়। বরং আদালত সকলকে সমদৃষ্টিতে দেখে বিচার করে। ‘লেডি অফ জাস্টিসে’র বাঁ হাতে ধরা তরোয়ালের পরিবর্তে সংবিধান রাখার (Supreme Court) ক্ষেত্রেও কাজ করছে এই যুক্তি। তরোয়ালটি হিংসার দ্যোতক। প্রধান বিচারপতির বার্তা, আইনের চোখে হিংসার কোনও স্থান নেই। বরং আদালত বিচার করে সংবিধান অনুযায়ী, রায়ও দেয় সেই মতো। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তরোয়ালের পরিবর্তে ‘লেডি অফ জাস্টিসে’র হাতে সংবিধান রেখে এই বার্তাও দেওয়া হয়েছে, দেশের আইন কেবল শাস্তির প্রতীক নয়, বরং ন্যায় বিচারের প্রতীক।

    হাতে ধরা দাঁড়িপাল্লা

    ‘লেডি অফ জাস্টিসে’র পুরানো মূর্তির ডান হাতে আগে যেমন দাঁড়িপাল্লা ছিল, নয়া মূর্তিতেও তেমনই রয়েছে। তাতে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। এই দাঁড়িপাল্লা সমাজের ভারসাম্যের প্রতিফলন ঘটায়। বাদী ও বিবাদী উভয়পক্ষের যুক্তি শুনে বিচার করে আদালত। পাল্লা কোনও একদিকে ঝুঁকে থাকে না। আইন যে নিরপেক্ষভাবে বিচার করে, এই ছবি তারই প্রতিফলন। 

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে দাঁড়িয়েই সন্ত্রাসবাদকে নিশানা করলেন জয়শঙ্কর

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, প্রধান বিচারপতির এই পদক্ষেপে দেশের গা থেকে ঔপনিবেশিকতার গন্ধ মুছতে চেয়েছেন প্রধান বিচারপতি। যেভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের নাম ‘ইন্ডিয়া’র বদলে ‘ভারত’ ব্যবহার করতে শুরু করেছেন, যেভাবে ভারতীয় দণ্ডবিধির বদলে ন্যায় সংহিতা চালু করা হয়েছে, তেমনই (Supreme Court) বদলে ফেলা হল ‘লেডি অফ জাস্টিসে’র মূর্তি (Lady Of Justice Statue)।

    ক্রমেই ‘বিকশিত’ হচ্ছে ভারত!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nayab Saini: হরিয়ানা বিজেপির পরিষদীয় নেতা নির্বাচিত সাইনি, বৃহস্পতিতে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ

    Nayab Saini: হরিয়ানা বিজেপির পরিষদীয় নেতা নির্বাচিত সাইনি, বৃহস্পতিতে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বিজেপি নেতা নয়াব সিং সাইনি (Nayab Saini)। তার আগে তাঁকে হরিয়ানা বিজেপির পরিষদীয় পার্টির নেতা নির্বাচন করল বিজেপি (Haryana CM)। এদিন চণ্ডীগড়ে বৈঠকে বসেন বিজেপি নেতৃত্ব। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    শাহি-সঙ্গে রাজভবনে (Nayab Saini)

    এদিন ভাবী মুখ্যমন্ত্রী সাইনিকে সঙ্গে নিয়ে বিজেপি নেতারা চণ্ডীগড়ে রাজভবনে পৌঁছান। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন অমিত শাহও। সেখানে রাজ্যপালের কাছে সরকার গড়ার দাবি জানান তাঁরা। প্রসঙ্গত, হরিয়ানায় এই নিয়ে পর পর তিনবার সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক অনিল ভিজ বলেন, “বিজেপি পরিষদীয় পার্টির নেতা হিসেবে সমস্ত বিধায়ক নয়াব সিং সাইনিকে (Nayab Saini) নেতা নির্বাচন করেছেন। আগামিকাল (বৃহস্পতিবার) তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। পার্টি আমায় যে দায়িত্ব দিয়েছিল, আমি সেগুলো পালন করেছি। আগামিকালের প্রোগ্রাম হবে ঐতিহাসিক।”

    সমর্থন করছেন নির্দলরাও

    সাইনি (Nayab Saini) সরকারকে সমর্থন করবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিন নির্দল প্রার্থী সাবিত্রী জিন্দাল, রাজেশ জুন এবং দেবেন্দর কাডিয়াঁ। হিসার বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন সাবিত্রী। তিনি বলেন, “কোনও শর্ত ছাড়াই আমি হরিয়ানা সরকারকে সমর্থন করছি। আমরা হিসার এবং হরিয়ানার উন্নয়ন চাই। মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনি যে উন্নয়ন করবেন, সে বিষয়ে আমার পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে।” বাহাদুরগড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন রাজেশ জুন। সাইনি সরকারকে সমর্থন করছেন তিনিও। বলেন, “আমি বিজেপিকে সমর্থন করেছি। কারণ বিজেপির নীতি আমার ভালো লাগে। আমার এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেও আমি বিজেপিকে সমর্থন করেছি।”

    আরও পড়ুন: “ইভিএম একশো শতাংশ ফুলপ্রুফ”, ফের একবার জানিয়ে দিলেন রাজীব কুমার

    সাইনি (Nayab Saini) বলেন, “হরিয়ানাবাসী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিশ্বাস রেখেছেন। সেই কারণেই এ রাজ্যে তৃতীয়বার সরকার গড়ছে বিজেপি। ২০৪৭ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী মোদি যে উন্নত ভারত গড়ার স্বপ্ন দেখছেন, তা আমরা পূরণ করব।” তিনি বলেন, “আমি অমিত শাহকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, আমরা প্রত্যেককে এগিয়ে নিয়ে যাব। হরিয়ানা এবং ভারতের উন্নয়নে একযোগে কাজ করব। হরিয়ানাবাসীকে যেসব প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছি (Haryana CM), সেগুলো পূরণ করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share