Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Supreme Court: এবার খোরপোশ দাবি করতে পারবেন ডিভোর্সি মুসলিম মহিলারাও, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    Supreme Court: এবার খোরপোশ দাবি করতে পারবেন ডিভোর্সি মুসলিম মহিলারাও, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধ-সকালে ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। এবার থেকে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে প্রাক্তন স্বামীর কাছ থেকে খোরপোশ দাবি করতে পারবেন মুসলিম মহিলারাও (Divorced Muslim Women)। এদিন এমনই রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। রায় দিয়েছে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি বিভি নাগারত্ন এবং বিচারপতি অগাস্টাইন জর্জ মাসিহ-র ডিভিশন বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের জেরে এতদিন যে সুযোগ-সুবিধা পেতেন হিন্দু বিবাহবিচ্ছিন্ন মহিলারা, এবার থেকে সেই একই সুযোগ পাবেন মুসলমান ডিভোর্সি মহিলারাও।

    ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ (Supreme Court)

    সুপ্রিম কোর্টের এই বেঞ্চ জানায়, মুসলিম মহিলা (বিবাহ বিচ্ছেদ অধিকার সংরক্ষণ) আইন, ১৯৮৬ সেকুলার আইনের ঊর্ধ্বে হতে পারে না। ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সব বিবাহিত মহিলাই খোরপোশের দাবি করতে পারেন, তা তিনি যে ধর্মেরই হোন না কেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নাগারত্ন বলেন, “কিছু স্বামী এটা বুঝতেই পারেন না যে তাঁর স্ত্রী, যিনি গৃহবধূ, তিনি মানসিক ও অন্যান্য দিক থেকে তাঁর ওপরে নির্ভরশীল। তাই সময় এসেছে, ভারতীয় পুরুষদের গৃহবধূদের ভূমিকা ও আত্মত্যাগকে স্বীকার করে নেওয়ার।”

    ‘অনুচ্ছেদ ১২৫ প্রত্যেক মহিলার ক্ষেত্রেই কার্যকর’

    বিবাহ বিচ্ছেদের পর প্রাক্তন স্ত্রীকে খোরপোশ দিতে অস্বীকার করেছিলেন এক মুসলিম ব্যক্তি। নিম্ন আদালতের খোরপোশের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তিনি দ্বারস্থ হন সুপ্রিম কোর্টের। এদিন তাঁর সেই পিটিশন খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দেয়, ফৌজদারি আইনের ১২৫ নম্বর ধারায় বিবাহ বিচ্ছিন্ন মুসলিম মহিলারাও খোরপোশ দাবি করতে পারেন তাঁর প্রাক্তন স্বামীর কাছ থেকে।

    আর পড়ুন: দেশে নয়া কর্মসংস্থান হয়েছে ৪ কোটি ৭০ লাখ, বলছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

    সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য, “অনুচ্ছেদ ১২৫ প্রত্যেক মহিলার ক্ষেত্রেই কার্যকর। কেবলমাত্র বিবাহিত হিন্দু মহিলাই নন, প্রত্যেক মহিলার ক্ষেত্রেই কার্যকর।” আদালত (Supreme Court) এ-ও জানিয়েছে, খোরপোশ কোনও দান-খয়রাত নয়। প্রত্যেক বিবাহিত মহিলার অধিকার। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, খোরপোশের আবেদন মুলতুবি থাকাকালীনও যদি বিবাহ বিচ্ছেদে সিলমোহর পড়ে যায়, তাহলে সেক্ষেত্রে ২০১৯ সালের আইন অনুযায়ী এগোতে (Divorced Muslim Women) পারবেন সংশ্লিষ্ট মহিলা। সেক্ষেত্রেও ১২৫ নম্বর ধারায় রয়েছে প্রতিকারের ব্যবস্থা (Supreme Court)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kerala: কেরলে ৩৫৩৩৬ জন মহিলা নিখোঁজ! প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ

    Kerala: কেরলে ৩৫৩৩৬ জন মহিলা নিখোঁজ! প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কেরল রাজ্যে ৩৫৩৩৬ জন নিখোঁজ মহিলাদের নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। পরিসংখ্যান এবং তদন্ত নিয়ে দারুণ চিন্তার ভাঁজ পড়েছে রাজ্য প্রশাসনের কপালে। নারী নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি একেবারে মর্মান্তিক গল্পের মতো সামনে উঠে এসেছে। বাম শাসিত এই রাজ্যের সামাজিক দুর্বলতা এবং চ্যালেঞ্জগুলি আরও একবার প্রকাশিত হয়েছে। আসুন দেখে নিই একটি পরিসংখ্যান কী বলছে?

    মহিলার দেহ সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলা হয় (Kerala)

    আশ্চর্যজনকভাবে, প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, এই মহিলাদের মধ্যে ১৭০ জনের কেস খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এই রাজ্যে (Kerala)। তাঁদের মামলাগুলি প্রায়ই অধিকাংশ স্বেচ্ছায় তুলে নেওয়া হয়েছে বা নিখোঁজ হওয়ার অনুমানে বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। তবে নিখোঁজ মহিলাদের একটা বড় অংশ অন্য দেশে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে কেরলের আলাপ্পুঝা জেলার মান্নার থেকে একজন মহিলার নিখোঁজ সহ সাম্প্রতিক ঘটনাবলী দ্বারা এই সমস্যাটি এখন আলোচনা মূল ভরকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। অভিযোগ উঠে এসেছে, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে এবং দেহাবশেষ একটি সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেওয়া হয়েছে। নিখোঁজ মহিলাদের মামলার তদন্ত ভার দেওয়া হয় ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) পুলিশের জেলা সি শাখাকে। একই ভাবে রাজ্যের উদ্বেগজনক কেন্দ্রগুলির মধ্যে রয়েছে কোল্লামে ২৪টি কেস, পাথানামথিট্টা ১২টি কেস এবং কাসারগোডে ৬টি কেস। মোট এই ৪২ জন মহিলা নিখোঁজের সন্ধানে তদন্ত চলছে। এই মামলাগুলির মধ্যে অনেকগুলি প্রেমের সম্পর্ক এবং পালিয়ে যাওয়ার মতো বিষয়গুলির সঙ্গেও যুক্ত।

    কী কী কারণে নিখোঁজ?

    সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, অপহরণের ঘটনা জটিল করে তুলেছে রাজ্যের (Kerala) নারী সুরক্ষার বিষয়টি। ২০১৬ সালে ১৫৫০টি এবং এই বছর এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৩৮টি রিপোর্ট করা হয়েছে। ভিক্ষাবৃত্তির অসাধুচক্র এবং শরীরের অঙ্গ পাচারের মতো কার্যকলাপে জড়িত নানান নেটওয়ার্কের সংযোগগুলিকে নিয়ে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। নারী (Women) নিখোঁজের কিছু কারণ যেমন–সমাজ বিরোধী পুরুষের সঙ্গে নারীদের পলায়ন, স্বামী বা আত্মীয়দের দ্বারা সংগঠিত হত্যাচারের শিকার মহিলাদের, দূরবর্তী জায়গায় চাকরি বা কাজের খোঁজ, সন্ত্রাসী বা জঙ্গি গোষ্ঠীতে মগজ ধোলাই করে নিয়োগ এবং মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়া সহ আরও একাধিক কারণ রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ দুধের গাড়িতে ধাক্কা, উল্টে গেল বাস, উত্তরপ্রদেশে পথ দুর্ঘটনায় মৃত অন্তত ১৮

    গত ৫ বছরের পরিসংখ্যান

    কেন্দ্রীয় সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা গিয়েছে কেরলে (Kerala) ৫ বছরে নারী নিখোঁজের সংখ্যা ৩৫৩৩৬। যার প্রতিবছর সংখ্যা হল, ২০১৭ সালে ৬০৭৬ জন, ২০১৮ সালে ৭৮৩৯ জন, ২০১৯ সালে ৮৮৪৩ জন, ২০২০ সালে ৬৩৯৫ জন, ২০২১ সালে ৬১৮৩ জন। আবার নারী অপহরণের পরিসংখ্যান দেখলে দেখা যাবে, ২০১৬ সয়ালে ১৬৬ জন, ২০১৭ সালে ১৮৪ জন, ২০১৮ সালে ১৭৩ জন, ২০১৯ সালে ২২৭ জন, ২০২০ সালে ১৫১, ২০২১ সালে ১৭৯ জন, ২০২২ সালে ২৪১ জন, ২০২২ সালে ২৪১, ২০২৩ সালে ১৯১ জন এবং ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ৩৮ জন মহিলা। এই পরিসংখ্যান অত্যন্ত চিন্তার বিষয়।

    রাজ্যে ক্রমবর্ধমান জনরোষ এবং আন্দোলনের চাপে রাজ্যের পুলিশ প্রধান ডিজি, মহিলা (Women) ও শিশু নিখোঁজ সংক্রান্ত অভিযোগগুলিকে অস্বীকার করতে পারেনি। তাই রাজ্য সরকারের উপর বেশ চাপ তৈরি হয়েছে। সরকারের জবাবদিহি এবং তাত্ক্ষণিক পদক্ষেপের উপর জোর দিয়ে ইতিমধ্যে নির্দেশ জারি করা হয়েছে। এই পরিসংখ্যানকে অস্থির করে তুলেছে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তা সুরক্ষার বিষয়কে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Terrorists Attacked: দেশের সেবায় ২ মাসে শহিদ ২ ভাই! শোকে পাথর উত্তরাখণ্ডের নেগি পরিবার

    Terrorists Attacked: দেশের সেবায় ২ মাসে শহিদ ২ ভাই! শোকে পাথর উত্তরাখণ্ডের নেগি পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জঙ্গি হামলা জম্মু-কাশ্মিরে (Jammu and Kashmir)। ৩০ এপ্রিলের পর ৭ জুলাই। প্রথম শোক সামলে উঠতে না উঠতেই এল দ্বিতীয় দুঃসংবাদ। দু’মাসের ব্যবধানে শহিদ হলেন একই পরিবারের দুই সন্তান। ঘটনার জেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে সমগ্র পরিবার। শোকে কার্যত পাথর হয়ে গিয়েছেন বাবা-মা।  

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Terrorists Attacked)

    জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে কাঠুয়া (Kathua) জেলার মাছেদি এলাকায় রুটিন টহলদারি চালাচ্ছিল সেনাবাহিনী। ঠিক সেই সময় সেনার কনভয় লক্ষ্য করে অতর্কিতে হামলা (Terrorists Attacked) চালায় একদল জঙ্গি। এই হামলায় শহিদ হন ৫ সেনা জওয়ান। তাঁদেরই একজন ২৬ বছরের আদর্শ নেগি। 
    আর এর আগে ৩০ এপ্রিল রাতে উত্তরাখণ্ডের গ্রামের বাড়িতে এসেছিল এই একই দুঃসংবাদ। শোকে পাথর হয়ে গিয়েছিল নেগি পরিবার। আদর্শর খুড়তুতো দাদা অর্থাৎ পরিবারের বড় সন্তান ৩৩ বছরের মেজর প্রণয় নেগি আর নেই। লেহতে ডিউটি করার সময় অক্সিজেনের অভাবে শহিদ (Terrorists Attacked) হয়েছিলেন তিনি। আর তাঁর মৃত্যুর দুমাসের মধ্যেই ফের দুঃসংবাদ পেল নেগি পরিবার।

    বিএসসি পাশ করে সেনায় যোগ 

    ২০১৮ সালে গারওয়াল রাইফেলসে যোগ দিয়েছিলেন আদর্শ। তাঁর বাবা কৃষক। পরিবারে রয়েছে মা, ভাই ও দিদি। পরিবার তরফে জানা গিয়েছে, ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় অত্যন্ত ভালো ছিলেন তিনি। গারওয়াল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি পাশ করে সেনায় যোগ দেন রাইফেলম্যান হিসেবে। শারীরিক দিক থেকেও ছিলেন দারুণ ফিট। এবার সেই তরুণের আকস্মিক শহিদ (Terrorists Attacked) হওয়ার খবরে ভেঙে পড়েছে গোটা নেগি পরিবার। 

    আরও পড়ুন: দুধের গাড়িতে ধাক্কা, উল্টে গেল বাস, উত্তরপ্রদেশে পথ দুর্ঘটনায় মৃত অন্তত ১৮

    শোকে পাথর পরিবার (Terrorists Attacked) 

    এদিন আদর্শর মৃত্যুর খবর তাঁর উত্তরাখণ্ডের গ্রামে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে নেগি পরিবার। দু’মাসের ব্যবধানে দুই সন্তানকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ উত্তরাখণ্ডের তেহরি জেলার থাটি দেগার গ্রাম। এ প্রসঙ্গে আদর্শের কাকা বলবন্ত সিং নেগি বলেন, ”মাত্র দু’মাস আগে দেশ রক্ষায় নিয়োজিত পরিবারের এক সন্তানকে হারিয়েছি। সে ছিল মেজর। আর সোমবার আদর্শকে হারালাম।”
    অন্যদিকে, আদর্শ নেগির বাবা দলবীর সিং নেগি বলেন, “গত রবিবার ওর সঙ্গে কথা বললাম। ও তখন খাচ্ছিল। বলল-এখনই দৌড়তে হবে। বিয়েবাড়ির জন্য শেষবার ছুটি নিয়ে গ্রামে এসেছিল ছেলে। যদিও মার্চ মাসে বিয়ে মিটলে ও আবার সেনাবাহিনীতে ফিরে গিয়েছিল।”  তিনি আরও বলেন, ”দু’মাসের ব্যবধানে দুই সন্তানকে হারালাম। গাড়ওয়াল এবং কুমায়ুন থেকে যাঁরা সেনায় কাজ করতে যান, তাঁরা প্রায়ই শহিদ হন। সরকারকে বলব এই নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Accident in Unnao: দুধের গাড়িতে ধাক্কা, উল্টে গেল বাস, উত্তরপ্রদেশে পথ দুর্ঘটনায় মৃত অন্তত ১৮

    Accident in Unnao: দুধের গাড়িতে ধাক্কা, উল্টে গেল বাস, উত্তরপ্রদেশে পথ দুর্ঘটনায় মৃত অন্তত ১৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোরবেলায় ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ে (Accident in Unnao)। প্রাণ গেল অন্তত ১৮ জনের। তাঁদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। বুধবার ভোররাতে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) উন্নাওয়ের লখনউ-আগ্রা এক্সপ্রেসওয়েতে একটি দোতলা বাস দুধবাহী ট্যাঙ্কারে ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় বহু যাত্রীর। জখম হয়েছেন অনেকে। তাঁদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। পুলিশ সূত্রে খবর, যাত্রীবাহী দোতলা বাসটি বিহার থেকে দিল্লি যাচ্ছিল। 

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা (Accident in Unnao)

    প্রশাসনিক সূত্রে খবর, বুধবার ভোরে ৫টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দূরপাল্লার বাসটি মঙ্গলবার রাতে বিহার থেকে ছাড়ে। ভোরবেলা লখনউ-আগ্রা এক্সপ্রেসওয়ে (Uttar Pradesh) দিয়ে দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময়ই বাসটি দুর্ঘটনার (Accident in Unnao) কবলে পড়ে। বেহতা মুজাওয়ার এলাকায় এসে একটি দুধের ট্যাঙ্কারে ধাক্কা মারে বাসটি। ট্যাঙ্কার এবং বাস, দুটোই উল্টে যায় রাস্তার উপর। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছেন স্থানীয় মানুষও। প্রথমে স্থানীয়রাই নীয়েরা। তাঁরাই প্রথম উদ্ধারকাজে হাত লাগান। বাসের জানলা ভেঙে যাত্রীদের বার করার কাজ শুরু করা হয়।

    মৃত ও আহতরা অধিকাংশই বিহারের (Accident in Unnao)

    ঘটনাস্থলে আসেন এসডিএম নম্রতা সিং। দুর্ঘটনাস্থলে (Accident in Unnao) পৌঁছে গিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) উপ মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক। তিনি জানিয়েছেন, আহতদের উন্নাওয়ের জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এলাকার সমস্ত হাসপাতালকে সতর্ক করা হয়েছে। ট্রমা কেয়ার সেন্টারগুলিকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। মৃত ও আহতদের অধিকাংশই বিহারের বাসিন্দা। সেই রাজ্যের প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। নম্রতা জানান, কী ভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হবে। যাত্রীদের উদ্ধার করাই এখন প্রাথমিক কাজ। তিনি বলেন, ‘‘বিহার থেকে দিল্লি যাচ্ছিল বাসটি। বাসে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন। প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে, বাস চালাতে চালাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন চালক। সেই কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহত এবং আহতদের পরিচয় জানার চেষ্টাও চলছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi In Russia: ভারতে আরও ৬টি পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র গড়বে রাশিয়া!

    PM Modi In Russia: ভারতে আরও ৬টি পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র গড়বে রাশিয়া!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে পারমাণবিক শক্তিতে (nuclear power units) সমৃদ্ধ করতে চায় রাশিয়া! অন্তত এমনই ইঙ্গিত মিলল মঙ্গলবার, রাশিয়ান স্টেট নিউক্লিয়ার এনার্জি কোম্পানি রোসাটমের কথায়। সংস্থাটি জানিয়েছে, ভারতে আরও ছ’টি পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে তারা। সোমবারই দু’দিনের সফরে রাশিয়ায় গিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi In Russia)।

    পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার (PM Modi In Russia)

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণেই রাশিয়ায় গিয়েছেন মোদি। সেখানে মোদি-পুতিনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা। এই বৈঠকেই সস্তায় শক্তি সরবরাহ রবহার এবং অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। লো-কার্বন শক্তির উৎস হিসেবে বিশ্বে ক্রমেই বাড়ছে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার। ২০২৯ সালের মধ্যে এর ব্যবহার আরও বাড়বে। ইউরেনিয়ামের চেয়েও সস্তা হওয়ায় তামাম বিশ্ব ঝুঁকছে পারমাণবিক শক্তির দিকে।

    ভারতে ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে দুটি ইউনিট

    মোদির এই সফর ভারত-রাশিয়ার ২২তম শীর্ষ সম্মেলন। ১৯তম দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত চুক্তি মোতাবেক ২০১৮ সালেই ভারতে ছ’টি নয়া পারমাণবিক কেন্দ্র (PM Modi In Russia) নিয়ে চলছে আলোচনা। ভারতকে ১০০ থেকে ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন মডিউলার রিঅ্যাক্টর দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে পুতিনের দেশ। ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে ৬ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সাহায্য করছে রাশিয়া। ভারতে প্রথম দু’টি ইউনিট চালু হয় যথাক্রমে ২০১৩ ও ২০১৬ সালে। দু’টি কেন্দ্রই হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন। শেষের পথে আরও দু’টি ইউনিট নির্মাণের কাজ। ২০২১ সালেও শুরু হয়েছে আরও দু’টি পারমাণবিক কেন্দ্র নির্মাণের কাজ।

    আর পড়ুন: ভিক্ষের ঝুলি নিয়ে ঘুরছে পাকিস্তান, অথচ ভিক্ষুকদের পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত!

    ভারতের বিদেশ সচিব বিনয় মোহন কোয়াত্রা আগেই বলেছিলেন, “কুদানকুলাম পারমাণবিক পাওয়ার প্ল্যান্ট ইউনিট এক এবং দুই ইতিমধ্যেই কাজ করতে শুরু করেছে। ইউনিট তিন এবং ছয়ের কাজও চলছে জোরকদমে।” তিনি বলেন, “ভারতের শক্তি সুরক্ষা এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে রাশিয়া বরাবরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।” প্রসঙ্গত, ২০২২ ও ২০২৩ সালে রাসাটম কুদানকুলামে পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ করেছিল। তবে শক্তির জন্য ভারত কেবল রাশিয়ার ওপরই নির্ভর করে (nuclear power units) নেই। জ্বালানি সংগ্রহের জন্য নয়াদিল্লি স্পট চুক্তি করেছে কাজাখস্তান, ফ্রান্স, উজবেকিস্তান এবং কানাডার সঙ্গেও (PM Modi In Russia)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kathua Terror Attack: সেনার উপর ফের হামলা, জবাব দেওয়া হবে হুংকার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

    Kathua Terror Attack: সেনার উপর ফের হামলা, জবাব দেওয়া হবে হুংকার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Kashmir) সেনার কনভয়ে হামলাকে (Kathua Terror Attack) কাপুরুষোচিত বললেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর প্রতিক্রিয়া পাল্টা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সমাজ মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ভবনের এক্স হ্যান্ডেল থেকে লেখা হয়, “কাপুরুষোচিত হামলার নিন্দা জানাচ্ছি। এর পাল্টা যোগ্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যে সমস্ত বীর সেনারা লড়াই করে নিজেদের প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের সঙ্গে আমাদের সমবেদনা রয়েছে। যারা আহত হয়েছেন তাঁদের দ্রুত সুস্থতার কামনা করি।”

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বয়ান (Kathua Terror Attack)

    প্রসঙ্গত সোমবার জম্মু-কাশ্মীরের (Kashmir) কঠুয়ার বদনোটা এলাকায় সেনার কনভয়ের উপরে অতর্কিত আক্রমণ করে জঙ্গিরা। এই হামলায় ৫ সেনাবাহিনীর জওয়ান নিহত হয়েছেন। এবছর এ নিয়ে মোট দশটি জঙ্গি হামলার সাক্ষী হয়েছে এই কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল। এক মাসের মধ্যেই শেষ পাঁচটি হামলা হয়েছে। জৈশ-এ-মোহম্মদের শাখা সংগঠন ‘কাশ্মীর টাইগার্স’ এই হামলার দায়িত্ব নিয়েছে। হামলার পর কড়া বয়ান এসেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, “যে সমস্ত বীর জওয়ানরা তাঁদের সর্বোচ্চ বলিদান দিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের পাশে আমরা আছি। তাঁদের এই বলিদান দেশ ভুলবে না। এবং দুষ্ট শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে। এই কাপুরুষোচিত হামলার জবাব দেওয়া হবে।”

    পাল্টা জবাব দেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছে

    দেশে সরকার গঠনের আগে জম্মু-কাশ্মীরের (Kashmir)  তীর্থ যাত্রীদের উপর হামলা হয়েছিল। এরপর ঘাটি জুড়ে সার্চ অপারেশন শুরু হয়। বহু জঙ্গি নিকেশ করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। কিন্তু তারপরও পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা যেভাবে একের পর এক আক্রমণ চালাচ্ছে, তাতে দেশবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ পুঞ্জিভূত হচ্ছে। দাবি উঠছে, যেভাবে অতীতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এবং এয়ার স্ট্রাইকের মাধ্যমে পাকিস্তানকে জবাব দেওয়ার পর দীর্ঘদিন জঙ্গি কার্যকলাপ বন্ধ ছিল, সরকার ঠিক সেভাবেই পাকিস্তানকে তার ভাষাতেই যোগ্য জবাব দিক।

    সেনার বিবৃতি

    সেনার তরফে জানানো হয়েছে, “হেলিকপ্টার এবং ইউএভি নজরদারির পাশাপাশি গ্রাউন্ড সার্চ দলগুলি অনুসন্ধান অভিযান চালাচ্ছে। এতে স্নিফার ডগ ও মেটাল ডিটেক্টরেরও সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। এই এলাকার ঘন জঙ্গলে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: বঙ্গের ৪ সহ সাত রাজ্যের ১৩ বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন বুধবার, লড়াইয়ে কারা?

    সেনাবাহিনী, (Kashmir) পুলিশ এবং সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ) মাচেদি, বদনোট, কিন্ডলি এবং লোহাই মালহার এলাকা ঘিরে রেখেছে এবং (Kathua Terror Attack) অনুসন্ধান অভিযান শুরু করেছে। ”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • By-Poll 2024: বঙ্গের ৪ সহ সাত রাজ্যের ১৩ বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন বুধবার, লড়াইয়ে কারা?

    By-Poll 2024: বঙ্গের ৪ সহ সাত রাজ্যের ১৩ বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন বুধবার, লড়াইয়ে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সাত রাজ্যের ১৩ বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের চারটি আসনে উপনির্বাচন (By-Poll 2024) হবে। রায়গঞ্জ, রানাঘাট দক্ষিণ (SC), বাগদা (SC) এবং মানিকতলা। বিহারের রূপাউলি, পাঞ্জাবের জলন্ধর পশ্চিম, হিমাচল প্রদেশের দেরা, হামিরপুর এবং নালাগড়, উত্তরাখণ্ডের বদ্রীনাথ ও মঙ্গলৌর, মধ্যপ্রদেশের অমরওয়ারা এবং তামিলনাড়ুর বিক্রভান্দি।

    বঙ্গে সংখ্যাতত্বের নিরিখে এগিয়ে বিজেপি (By-Poll 2024)

    মূল লড়াইগুলির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে, ২০২১ সালে বিজেপি এই ৪টির মধ্যে ৩টি আসন জিতেছিল। মানিকতলা আসনটি ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) হাতে। বাকি আসন ছিল বিজেপির হাতে। রায়গঞ্জ এবং রানাঘাট দক্ষিণে, কৃষ্ণ কল্যাণী এবং মুকুট মণি অধিকারী, যারা আগে বিজেপিতে ছিলেন, তাঁরা এবার তৃণমূলের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। মানিকতলায় বিজেপির কল্যাণ চৌবের সঙ্গে লড়াই হবে প্রয়াত সাধন পান্ডের স্ত্রী সুপ্তি পান্ডের সঙ্গে। বাগদায় তৃণমূল প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুরের সঙ্গে সরাসরি টক্কর হবে বিজেপি প্রার্থী বিনয় বিশ্বাসের। রাণাঘাট দক্ষিণে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসা মুকুট মণি অধিকারীর বিপরীতে বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন মনোজ কুমার বিশ্বাস। উত্তরবঙ্গের রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন মানস কুমার ঘোষ। এখানে তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী। কৃষ্ণ কল্যাণী এবং মুকুট মণি অধিকারী লোকসভার তৃণমূল হয়ে লড়ে পরাজিত হয়েছিলেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রায়গঞ্জ, রাণাঘাট দক্ষিন ও বাগদায় সাংগঠনিক অবস্থা ভাল। লোকসভাতেও এই সমস্ত অঞ্চল আমরা জিতেছিলাম। ভাল ভাবে (By-Poll 2024) ভোট হলে আমরাই জিতব। মানিকতলাতেও আমরা ভাল জায়গায় আছি। রাজ্যের পুলিশকে ভোট করালে তাঁরা শাসকদলের (TMC) হয়ে কাজ করবে। আমরা হাল ছাড়ছি না। লড়াই হবে।”   

    উত্তরাখণ্ডে কংগ্রেসের অ্যাসিড টেস্ট

    অন্যদিকে উত্তরাখণ্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য। বদ্রীনাথ একটি পবিত্র স্থান যেখানে একটি চরধাম মন্দির রয়েছে এই আসনে প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক, রাজেন্দ্র ভান্ডারি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি কংগ্রেসের প্রার্থী লখপত বুটোলার বিরুদ্ধে বিজেপির টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ফিরে আসেন। অন্যদিকে এই রাজ্যে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন মঙ্গলৌরে, কংগ্রেস প্রবীণ নেতা কাজী নিজামউদ্দিনকে প্রার্থী করেছে, যিনি এই আসন থেকে তিনবার জয়ী হয়েছেন। উত্তরাখণ্ড তৈরির পর থেকে বিজেপি কখনও মঙ্গলৌর আসনে জয়ী হয়নি এবং এই আসনে বিজেপি কর্তার সিং ভাদানাকে প্রার্থী করেছে। অন্যদিকে হিমাচল প্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখুর স্ত্রী কমলেশ ঠাকুরকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস।

    আরও পড়ুন: নেপথ্যে পাক-যোগ! জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়ায় সেনা কনভয়ে হামলা, শহিদ ৫ জওয়ান

    পাঞ্জাবের জলন্ধর পশ্চিমে, মুখ্যমন্ত্রী ভাগবত মান ব্যক্তিগতভাবে আপ প্রার্থী মহিন্দর ভগতের পক্ষে (By-Poll 2024) প্রচার করছেন।

    তামিলনাড়ুতে ভোট বয়কট এআইএডিএমকে-র  

    বিহারে, লড়াই আরজেডি এবং জনতা দল ইউনাইটেডের মধ্যে জোর লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উভয়েই রূপাউলি আসনে (By-Poll 2024) প্রার্থী দিয়েছে। মধ্যপ্রদেশে, বিজেপি প্রার্থী কমলেশ শাহে কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা কমল নাথের নির্বাচনী এলাকায় ধাক্কা দেওয়ার জন্য লড়াই করছে। আদিবাসী অধ্যুষিত আসনে কংগ্রেস ধীরেন শাহ ইনভাতিকে প্রার্থী করেছে। তামিলনাড়ুতে, এআইএডিএমকে বিক্রভান্দিতে নির্বাচন বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chaukori: কুমায়ুন হিমালয়ের চৌকোরি থেকে তুষারধবল শৃঙ্গ দর্শন এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা

    Chaukori: কুমায়ুন হিমালয়ের চৌকোরি থেকে তুষারধবল শৃঙ্গ দর্শন এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুমায়ুন হিমালয়ের (Kumaon Himalayas) পিথোরাগড় জেলার এক অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর পার্বত্য পর্যটন কেন্দ্র চৌকোরি (Chaukori)। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০১০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত ওক, পাইন, দেওদার, রডোডেনড্রন, ফার গাছের জঙ্গলে ঢাকা এই চৌকোরি প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকের এক অত্যন্ত প্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। চৌকোরি থেকে নন্দাদেবী, পঞ্চচুল্লি প্রভৃতি হিমালয়ের তুষারধবল শৃঙ্গগুলি দর্শন করা এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা।

    কাছেই প্রচুর দর্শনীয় স্থান (Chaukori)

    মূলত এই অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দূরন্ত আকর্ষণের জন্যই বারবার এখানে ছুটে আসেন পর্যটকরা। একই সঙ্গে ঘুরে নেওয়া যায় চৌকোরি থেকে প্রায় ৩-৪ কিমি দূরের মাস্ক ডিয়ার রিসার্চ সেন্টার, মহাত্মা গান্ধীর সুযোগ্য শিষ্যা সরলা বেনের আশ্রমও। চৌকোরি থেকে প্রায় ১০ কিমি দূরে রয়েছে আরও একটি জনপ্রিয় এবং মনোরম পর্যটন কেন্দ্র বেরিনাগ। ২৪ কিমি দূরে গঙ্গোলী হাট। চৌকোরি থেকে পাতাল ভুবনেশ্বর যাওয়ার পথে অবস্থিত এই গঙ্গোলী হাট হল কুমায়ুনী শিল্প-সংস্কৃতির এক অন্যতম পীঠস্থান। এখানে রয়েছে মহাকালী মন্দির।

    ঘুরে আসুন পাতাল ভুবনেশ্বর

    আবার ইচ্ছে এবং হাতে সময় থাকলে ঘুরে নেওয়া যায় চৌকোরি (Chaukori) থেকে প্রায় ৩৮ কিমি দূরে পাতাল ভুবনেশ্বরও। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৩৫০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত পাতাল ভুবনেশ্বরের অন্যতম খ্যাতি শৈবতীর্থ হিসেবে। স্বয়ং আদি শঙ্করাচার্যর পদধূলিধন্য এই পাতাল ভুবনেশ্বর। এখানকার প্রাচীন গুহা মন্দিরটি কুমায়ুন অঞ্চলের অন্যতম পবিত্র ও প্রসিদ্ধ শৈবতীর্থ। প্রচলিত বিশ্বাস, এখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের ৩৩ কোটি দেবতার আবাস। এখানে একাধিক গুহায় জল চুঁইয়ে স্ট্যালাকটাইট এবং স্ট্যালাগমাইটে সৃষ্টি হয়েছে বেশ কিছু অবয়ব। অনেকটা অন্ধ্রপ্রদেশের বোরহালু কেভ বা বোরহা কেভের মতোই চমৎকার সব সৃষ্টি। চৌকোরি থেকে সকালে বেরিয়ে পাতাল ভুবনেশ্বর ঘুরে আবার চকৌরিতেই রাত্রিবাস করা যায়। 

    যাতায়াত এবং থাকা-খাওয়া (Chaukori)

    যাতায়াত-ট্রেনে এলে নামতে হবে কাঠগুদাম। এখান থেকে গাড়িতে যেতে হবে চৌকোরি। দূরত্ব প্রায় ১৯৮ কিমি। আসা যায় লালকূয়া বা হলদোয়ানি থেকেও। সরাসরি গাড়ি নিয়ে আসা যায় ৮৬ কিমি দূরের আলমোড়া বা ১৭৩ কিমি দূরের নৈনিতাল থেকেও।
    থাকা-খাওয়া-চৌকোরিতে (Kumaon Himalayas) আছে কেএমভিএন (KMVN)-এর ট্যুরিস্ট রেস্ট হাউস ফোন-০৮৬৫০০০২৫৪২) এবং বেশ কিছু বেসরকারি হোটেল। আর পাতাল ভুবনেশ্বরে থাকতে চাইলে এখানেও আছে কেএমভিএনের ট্যুরিস্ট রেস্ট হাউস (ফোন-০৮৬৫০০০২৫৪৩) এবং কিছু বেসরকারি হোটেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand Assembly Polls: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরাই প্রধান ইস্যু আসন্ন ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে?

    Jharkhand Assembly Polls: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরাই প্রধান ইস্যু আসন্ন ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরই হওয়ার কথা ঝাড়খণ্ড বিধানসভার নির্বাচন (Jharkhand Assembly Polls)। এই নির্বাচনে অন্যতম ইস্যু হতে পারে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা (Bangladeshi Infiltration)। এ রাজ্যের জনজাতি অধ্যুষিত এলাকা, বিশেষ করে সাঁওতাল পরগনা বিভাগে ঢুকে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিড়ে মিশে যাচ্ছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশ থেকে তারা ঢুকছে পড়ছে ভারতে। তারপর শাসক দলের নেতাদের একাংশের বদান্যতায় তারা তৈরি করে ফেলছে জাল নথিপত্র। সেইসব কাগজ নিয়েই অনুপ্রবেশকারীরা মিশে যাচ্ছে সাঁওতাল পরগনার জনারণ্যে।

    অনুপ্রবেশের বিপদ (Jharkhand Assembly Polls)

    সাঁওতাল পরগনা এলাকাটি পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া। তাই অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে পড়া বাংলাদেশিরা অনায়াসেই চলে আসছে ঝাড়খণ্ডে। খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এ রাজ্যে কাজও পেয়ে যাচ্ছে তারা। তাই পেটে টান পড়ছে জনজাতিদের। এমতাবস্থায় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের বিষয়টিকেই হাতিয়ার করতে চাইছে ঝাড়খণ্ডের রাজনৈতিক দলগুলি। এ রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। নেতৃত্বে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। সম্প্রতি ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের তরফে রাজ্য সরকারকে সাঁওতাল পরগনার ভিড়ে মিশে যাওয়া বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের এই নির্দেশ নিয়েই দড়ি টানাটানি শুরু হয়েছে রাজ্যের শাসক দল এবং বিরোধী দলের মধ্যে।

    মাথাব্যথা যখন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা

    কেন্দ্রীয় সরকারের হিসেব বলছে, এ দেশের (Jharkhand Assembly Polls) ভিড়ে মিশে রয়েছে কয়েক কোটি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে তারা। ঝাড়খণ্ডের সাঁওতাল পরগনায়ও রয়েছে এদেরই একটা বড় অংশ। গোড্ডা, দুমকা, দেওঘর এবং জামতাড়া এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছে তারা (Bangladeshi Infiltration)। যার জেরে বদলে গিয়েছে এই সব এলাকার ডেমোগ্রাফি। পাকুড় এবং সাহেবগঞ্জে জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছেন যথাক্রমে ২৬ ও ৪২ শতাংশ। মুসলমানদের হার যথাক্রমে ৩৫ ও ৩৪ শতাংশ।

    দ্রুত বদলে যাচ্ছে ডেমোগ্রাফি

    নিরন্তর অনুপ্রেবেশ চলতে থাকায় দ্রুত বদলে যাচ্ছে শতাংশের এই হিসেবও। কেবল তাই নয়, এদেশে ডেরা বেঁধে অনুপ্রবেশকারীরা বিয়ে করে নিচ্ছে উপজাতি সম্প্রদায়ের  মেয়েদের। তাঁদের নামে থাকা জমি অনুপ্রবেশকারীরা লিখিয়ে নিচ্ছে নিজেদের নামে। অবিরাম চলছে ধর্মান্তকরণের কাজও। স্বাভাবিকভাবেই এই সব অঞ্চলে অচিরেই রক্তাল্পতায় ভুগতে পারে হিন্দুধর্ম। এই অনুপ্রবেশকারী জামাইদের বাড়বাড়ন্তে সাঁওতাল পরগনার অনেক জায়গার নামই বদলে হয়েছে ‘জামাইটোলা’।

    মুসলমানদের বাড়বাড়ন্তে উদ্বেগ

    রাজ্যে মুসলমানদের বাড়বাড়ন্তে উদ্বেগে ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারান্ডিও। গত সপ্তাহেই (Jharkhand Assembly Polls) তিনি বলেছিলেন, “উপজাতীয় জনসংখ্যার ক্রমাগত হ্রাস ও সাঁওতাল পরগনা অঞ্চলে মুসলমান জনসংখ্যার অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধি সতর্কতার একটি সঙ্কেত।” এক্স হ্যান্ডেলে এ বিষয়ে বার্তাও দিয়েছেন তিনি। সাঁওতাল পরগনার পাকুড়ে যে ক্রমেই ক্ষইছে জনজাতির জনসংখ্যা, তা জানিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, ২০০১ থেকে ২০১১ এই দশ বছরে এই এলাকায় জনজাতি সম্প্রদায়ের হার কমেছে ৪ শতাংশ। এলাকায় মুসলমানদের বাড়বাড়ন্তের জন্য ঝাড়খণ্ডের জোট সরকারের বিরুদ্ধে তুষ্টিকরণের রাজনীতির অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। মারান্ডির মতে, যে সময় পাকুড়ে জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষের উপস্থিতি কমেছে ৪ শতাংশ, সেই পর্বে এই এলাকায় মুসলমানের সংখ্যা বেড়েছে ৩ শতাংশ। পাকুড়, সাহেবগঞ্জ-সহ ঝাড়খণ্ড-বাংলা সীমানা-সংলগ্ন এলাকায় ডেমোগ্রাফি দ্রুত বদলে যাচ্ছে বলেও জানান মারান্ডি।

    ঝাড়খণ্ড বিধানসভার আসন

    গত মে মাসের শেষ সপ্তাহে দুমকায় এক লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জেএমএমের বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশকারীদের লালনপালন করার (Jharkhand Assembly Polls) অভিযোগ এনেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, এই অনুপ্রবেশকারীরা উপজাতির মহিলাদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল। প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ড বিধানসভার নির্বাচন হওয়ার কথা নভেম্বর-ডিসেম্বরে। এ রাজ্যের বিধানসভার আসন সংখ্যা ৮১। এর মধ্যে এসটিদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে ২৮টি আসন। এর মধ্যে আবার ১৮টি আসন রয়েছে সাঁওতাল পরগনায়। উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে এর মধ্যে চারটি আসনে জয়ী হয়েছিল বিজেপি।

    আর পড়ুন: অস্ট্রিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি, কতটা তাৎপর্যপূর্ণ? কী কী বিষয়ে আলোচনা?

    রোটি, বেটি এবং মাটি বাঁচাতে লড়াই

    কিছুদিন আগেই সমাজ কর্মী ড্যানিয়েল ড্যানিশ ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টে দায়ের করেছিলেন জনস্বার্থ মামলা। তাতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, গত কয়েক বছর ধরে সাঁওতাল পরগনায় জনসংখ্যার ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে। কীভাবে বাড়ছে অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা, কীভাবেই বা জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগতে শুরু করেছেন, তাও আদালতে জানিয়েছিলেন ড্যানিয়েলের আইনজীবী রাজীব কুমার।

    আদালতকে তিনি জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের (Jharkhand Assembly Polls) একটি নিষিদ্ধ সংগঠন সাঁওতাল পরগনার অনেক জায়গায় আদিবাসী মেয়েদের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করছে। তার জেরেই বদলে যাচ্ছে এলাকার ডেমোগ্রাফি। রাজ্যের বিজেপি নেতা অমর কুমার বাউড়ি বলেন, “সাঁওতাল পরগনা এলাকায় দ্রুত (Bangladeshi Infiltration) বদলে যাচ্ছে ডেমোগ্রাফি। জামাইপাড়া তৈরি করে জনজাতিদের জমি দখল করে নিচ্ছে বাংলাদেশিরা।” তিনি বলেন, “হিন্দুরাই যদি সংখ্যালঘু হয়ে পড়ে তাহলে না বাঁচবে সংবিধান, না টিকবে গণতন্ত্র।” পদ্ম-নেতা বলেন, “বিধানসভা নির্বাচনে (Jharkhand Assembly Polls) আমরা লড়ব রোটি, বেটি এবং মাটি (খাবার, কন্যা সন্তান এবং জমি) বাঁচাতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bullet Train Corridor: যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যে জোর! বুলেট ট্রেনের করিডরে বসছে অত্যাধুনিক শব্দ রোধক

    Bullet Train Corridor: যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যে জোর! বুলেট ট্রেনের করিডরে বসছে অত্যাধুনিক শব্দ রোধক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেনের (Bullet Train Corridor) রুটে শব্দ দূষণ রোধ করতে ন্যাশনাল হাইস্পিড রেল কর্পোরেশন (NHSRCL) অত্যাধুনিক যন্ত্র স্থাপন করছে। এগুলি শব্দ দূষণে বাধা দেবে। এই শব্দ রোধক যন্ত্রগুলি ২ মিটার লম্বা এবং ১ মিটার চওড়া বলে জানা গিয়েছে। জাপানের সংস্থা শিনকানসেন প্রযুক্তির দ্বারা এগুলি তৈরি করা হয়েছে। ট্রেন যাত্রার মধ্যে শব্দ দূষণ যাত্রীদের অস্বস্তির কারণ হয়। একনাগাড়ে কানে বেজে চলে ট্রেনের হর্ণ থেকে চাকা ও ট্র্যাকের ঘর্ষণের আওয়াজ। সেসব থেকেই মুক্তি দিতে এমন ব্যবস্থা নিচ্ছে ন্যাশনাল হাইস্পিড রেল কর্পোরেশন। এর পাশাপাশি ঘন বসতিপূর্ণ এলাকা দিয়ে বুলেট ট্রেনে যাওয়ার সময় সেখানেও কাজ করবে এই অত্যাধুনিক যন্ত্র (Bullet Train Corridor)। প্রসঙ্গত, মুম্বই-আহমেদাবাদ হাই-স্পিড রেল ট্র্যাকের দৈর্ঘ্য ৫০৮ কিমি। এরমধ্যে ৪৬৫ কিমিতে থাকবে এই শব্দ রোধক ব্যবস্থা।

    ২০১৭ সালেই বুলেট ট্রেন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে

    ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে দুজনে মিলেই আহমেদাবাদের সবরমতিতে বুলেট ট্রেন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেছিলেন। গত সাত বছরে অনেকখানি এগিয়ে গিয়েছে প্রকল্পটি। জানা গিয়েছে, বুলেট ট্রেন ছুটবে প্রতি ঘণ্টায় ৩২০ কিলোমিটার স্পিডে (NHSRCL)। ২ ঘণ্টার মধ্যে মুম্বই থেকে আহমেদাবাদ পৌঁছে যেতে পারবেন যাত্রীরা। বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি মহারাষ্ট্রে রয়েছে ১৫৫.৭৬ কিমি, দাদরা ও নগর হাভেলিতে ৪.৩ কিমি, গুজরাটে রয়েছে ৩৪৮.০৪ কিমি। মুম্বই থেকে আহমেদাবাদ যাত্রার পথে মোট ১২টি স্টেশন পড়বে। এর মধ্যে গুজরাটে রয়েছে ৮টি স্টেশন (সবরমতি, আহমেদাবাদ, আনন্দ, ভাদোদরা, ভরুচ, সুরাট, বিলিমোরা এবং ভাপি) ও মহারাষ্ট্রের হয়েছে ৪টি স্টেশন  (বোইসার, ভিরার, থানে এবং মুম্বই)।

    বুলেট ট্রেন প্রকল্পের (Bullet Train Corridor) প্রথম ভূগর্ভস্থ স্টেশন তৈরি হচ্ছে মুম্বইয়ের বান্দ্রা কুর্লা কমপ্লেক্সে

    বুলেট ট্রেনের (Bullet Train Corridor) জন্য ইতিমধ্যেই তৈরি করা হয়েছে আলাদা করিডর। এই করিডরে আছে নদীর ওপর দিয়ে ২৪টি সেতু, ২৮টি স্টিলের সেতু এবং ৭টি টানেল। মাস কয়েক আগে নির্মাণ কাজের ঝলক দিয়ে ভিডিও পোস্ট করা রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। জানা গিয়েছে, বুলেট ট্রেন প্রকল্পের প্রথম ভূগর্ভস্থ স্টেশন তৈরি হচ্ছে মুম্বইয়ের বান্দ্রা কুর্লা কমপ্লেক্সে। ৪.৮৫ হেক্টর এলাকা জুড়ে তৈরি হচ্ছে এই স্টেশনটি। জানা গিয়েছে, মাটির নীচে তিনতলা হবে এই স্টেশন। এর প্ল্যাটফর্ম মাটি থেকে ২৪ মিটার গভীরে হবে এবং স্টেশনের গোটা কাঠামো মাটি থেকে ৩২ মিটার পর্যন্ত গভীর থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share