Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • NEET UG 2024: নিট-ইউজির কাউন্সেলিং কবে শুরু জানেন?

    NEET UG 2024: নিট-ইউজির কাউন্সেলিং কবে শুরু জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট-ইউজির (NEET UG 2024) কাউন্সেলিং কবে হবে, তা নিয়ে কৌতূহলের অন্ত নেই পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে। তবে এই কাউন্সেলিং (Counselling) কবে হবে জানানো হবে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন কটি আসন রয়েছে, তা জানানোর পর। জুলাই মাসের তৃতীয় সপ্তাহে তারা এই ঘোষণা করবে। শনিবার এ খবর জানাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। প্রথমে ঠিক ছিল, নিট ইউজি (NEET UG 2024) ২০২৪ সালের কাউন্সেলিং হবে ৬ জুলাই। সেটাই আপাতত স্থগিত হয়ে গিয়েছে। কতগুলি আসন রয়েছে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন তা জানালে তবেই শুরু হবে কাউন্সেলিং।

    নিট ইউজি পরীক্ষা (NEET UG 2024)

    নিট ইউজি পরীক্ষা নিয়েছিল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি। দেশের সব ধরনের বড় পরীক্ষাই নেয় এরা। তবে চলতি বছর এই সংস্থার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে। এর মধ্যে রয়েছে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগও। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের অধীন। লিখিত পরীক্ষা নেয় এরাই। আর কাউন্সেলিং প্রক্রিয়াটি সম্পাদন করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক এবং ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার। শুক্রবার এই মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নিট-ইউজি-র কাউন্সেলিংয়ের তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তাই এটি পিছিয়ে যাচ্ছে বলে যে খবর ছড়াচ্ছে, সেটি ভুল।’

    আর পড়ুন: কাজের চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করল রোবট!

    কী বলা হয়েছে বিবৃতিতে?

    এই বিবৃতিতেই আরও বলা হয়েছে, ‘মেডিক্যাল কাউন্সেলিং কমিটির অধীনে থাকা ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ হেল্থ সার্ভিসের তরফে এখনও নিট ইউজি এবং পিজি ২০২৪ সালের কাউন্সেলিং সিডিউল ঘোষণা করা হয়নি। নিট পিজি ২০২৪ পরীক্ষা জুন থেকে পিছিয়ে নিয়ে গিয়ে করা হয়েছে অগাস্টে।’ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক এবং ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ারের তরফে জারি করা ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এমসিসি তাদের ওয়েবসাইটে নিট ইউজি এবং পিজির কাউন্সেলিংয়ের সিডিউল ঘোষণা করবে। ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন কতগুলি আসন রয়েছে তা জানাবে এবং পরীক্ষা প্রক্রিয়া (Counselling) সম্পূর্ণ হওয়ার পর এই নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে (NEET UG 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Hindus Under Attack: ভারতে কি শুরু হয়ে গেল হিন্দু ‘নিধন যজ্ঞ’?

    Hindus Under Attack: ভারতে কি শুরু হয়ে গেল হিন্দু ‘নিধন যজ্ঞ’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে কি হিন্দু ‘নিধন যজ্ঞ’ শুরু হয়ে গেল? গত এক সপ্তাহে ভারত (India) এবং বহির্ভারতে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) ওপর অত্যাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই উঠছে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের এই প্রশ্ন। কখনও জোর করে ধর্মান্তকরণ, কখনও আবার বেছে বেছে হিন্দুদের খুন-মারধর, কখনও আবার হিন্দুদের জমি জোর করে কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা, মন্দিরে ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ এবং যৌন হিংসার ঘটনা শুরু হতেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি হিন্দু ধর্মের ওপর ফের নেমে এল অত্যাচারীদের খড়্গ-কৃপাণ? এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ৩০ জুন থেকে ৬ জুলাই- এই এক সপ্তাহের ঘটনাপ্রবাহ।

    হিন্দু নির্যাতনের ঘটনাপ্রবাহ (Hindus Under Attack)

    মহারাষ্ট্রের ঠানেতে এক হিন্দু মহিলাকে নির্যাতন করার অভিযোগ ওঠে এক মুসলমানের বিরুদ্ধে। আফসানা পারভিন এই মিথ্যে পরিচয়ে দিল্লির এক তরুণকে ফাঁদে ফেলা হয়েছিল। তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরের সিএসআই ইমানুয়েল চার্চে রবিবারের প্রার্থনাসভায় হিন্দু-বিরোধী মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে প্রিন্স কেলভিনের বিরুদ্ধে। প্রার্থনাসভাটি পরিচালনা করছিলেন তিনিই (Hindus Under Attack)। অসমের গুয়াহাটিতে এক কুখ্যাত যুবকের প্রেম-প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় অপহরণ করা হয় এক আইনের ছাত্রীকে। এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় আশরাফ জামান নামে এক যুবককে।

    তালিকায় হরিয়ানা, রাজস্থান…

    হরিয়ানার ফরিদাবাদে জনতা কলোনি এলাকার এক কালী মন্দিরের সামনে নিদারুণভাবে নির্যাতন করা হয় মন্দিরের পুরোহিত রবি কাশ্যপকে। জখম অবস্থায় তাঁকে ফেলে রেখে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। রাজস্থানের মহাত্মা গান্ধী পার্ক এলাকায় কর্মসূচি পালন করছিলেন আরএসএসের স্বয়ংসেবকরা। অদূরেই ক্রিকেট খেলছিল কয়েকজন মুসলমান ছেলে। স্বয়ংসেবকদের ওপর হামলার অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করে ৬ জন ইসলাম ধর্মাবলম্বীকে।

    আর পড়ুন: দুর্গাপুজোর প্রচলন এখানেই! বাংলাদেশের মেধস মুনির আশ্রমের জমি দখলের অভিযোগ

    উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে দুই মুসলিম যুবক তানিম এবং ফৈজান হিন্দুদের কয়েকটি দোকানে ঢুকে পড়ে মারধর করে দোকানদার ও তাঁদের কর্মীদের। কর্ণাটকের কালাবুর্গি এলাকায় ভীমশঙ্কর দাশারা নামে এক তরুণকে বেধড়ক মারধর করে কয়েকজন মুসলমান যুবক। পাঞ্জাবে শিবসেনা প্রধান সন্দীপ থাপারের ওপর কয়েকজন শিখ তরোয়াল নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে এক মুসলমান ফল বিক্রেতা পাথরের আঘাতে একটি চোখ নষ্ট করে দেয় নিতু সিং নামে একজনের। কেবল ভারত নয়, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশেও এই জাতীয় ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে (India) বলে অভিযোগ।

    সনাতনীদের ওপর এহেন আক্রমণ কেন (Hindus Under Attack)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Brain Eating Amoeba: ব্রেন-খেকো অ্যামিবার সংক্রমণ বাড়ছে কেরলে, দুই মাসে মৃত ৩

    Brain Eating Amoeba: ব্রেন-খেকো অ্যামিবার সংক্রমণ বাড়ছে কেরলে, দুই মাসে মৃত ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুকুর বা নদীতে নেমে স্নান, এরপরেই শুরু হচ্ছে সংক্রমণ। শেষ পরিণতি হচ্ছে মৃত্যু! কেরলে (Kerala) দিন দিন বাড়ছে ব্রেন-খেকো অ্যামিবার সংক্রমণ (Brain Eating Amoeba)। গত ৪ জুলাই ১৪ বছরের এক কিশোরের মৃত্যুর কারণও ছিল ব্রেন-খেকো অ্যামিবার সংক্রমণ। এখন আরও এক কিশোর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ঠিক কী কারণে এই বিরল সংক্রমণ বাড়ছে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এনিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, আক্রান্তদের প্রাথমিকভাবে দেওয়া হয়, অ্যামফোটেরিসিন বি, অ্যাজিথ্রোমাইসিন, ফ্লুকোনাজোল, রিফাম্পিন, মিল্টেফোসিন, ডেক্সামেথাসোন এই জাতীয় ওষুধ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সংক্রমণ (Brain Eating Amoeba) বেশি হয়ে গেলে রোগীর বাঁচার সম্ভাবনা খুব কমে আসে।

    মে মাস থেকে কেরলে আক্রান্ত  ৪, তারমধ্যে মৃত ৩ (Brain Eating Amoeba)

    জানা গিয়েছে, গত মে মাস থেকে এখনও পর্যন্ত ৪জন এমন রোগে আক্রান্ত হয়েছে কেরলে (Kerala)। তাদের মধ্যে তিনজনেরই মৃত্যু হয়েছে। বেশিরভাগ রোগীর বয়সই ছিল ১৮ বছরের কম। বর্তমানে আরও এক ১৪ বছরের কিশোর সঙ্কটজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। কিন্তু কেন আচমকা এই বিরল রোগের প্রকোপ বাড়ছে রাজ্যে তা বুঝে উঠতে পারছে না অনেকেই। তবে চিকিৎসক মহলের একটা বড় অংশের ধারণা, দূষিত জল থেকেই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে।

    দূষিত জলে থাকে এই অ্যামিবা (Brain Eating Amoeba) 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সাধারণত দূষিত জলে থাকে এই অ্যামিবা। দেশের একাধিক নদী, পুকুরের জলে এই ধরনের অ্যামিবার খোঁজও মিলেছে। চিকিৎসকরা তাই পরামর্শ দিচ্ছেন, কোনও জায়গায় স্নান করতে নামার আগে সতর্ক হতেই হবে। স্নানের সময়ই অজান্তে অ্যামিবা মানবশরীরে প্রবেশ করে। নাক বা কানের ফুটো দিয়ে প্রবেশ করে অ্যামিবা। তারপর তা সোজা মস্তিষ্কে গিয়ে ব্রেনের অংশ খেতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, অ্যামিবা হল এককোষী প্রাণী। বিজ্ঞানের ভাষায় অ্যামিবা হল থার্মোফিলিক। উষ্ণ প্রস্রবণ বা গরম জলেই প্রাণীকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। অনুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখা যায় অ্যামিবাকে (Brain Eating Amoeba)। ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ভাল থাকে এই অ্যামিবারা। সে জন্য হট ওয়াটার লেকে এদের দেখা মেলে অনেক বেশি।

    কেরলের পুকুর জলাশয়গুলি পরিষ্কারের কাজ চলছে

    পরিস্থিতি এতটাই ভয়ের যে গত শুক্রবার এ নিয়ে বৈঠক ডেকেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। সূত্রের খবর ওই বৈঠকের পরেই তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, যে সমস্ত জায়গার পুকুর বা নদীর জল পরিষ্কার নয় সেখানে স্নান করা যাবেনা। পর্যটকদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও এই নিয়ম মেনে চলতে হবে। বিধি নিষেধ না মানলে ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, রাজ্যের পুকুর বা জলাশয়গুলিকে দ্রুত পরিষ্কার করার কথাও বলা হয়েছে ওই বৈঠকে। একই সঙ্গে তিনি বিভিন্ন সুইমিং পুলের জলের দিকেও পর্যাপ্ত নজর দিতে বলেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kargil War: কার্গিল যুদ্ধের নায়ক বীর যোগেন্দ্র সিং যাদবকে চেনেন?

    Kargil War: কার্গিল যুদ্ধের নায়ক বীর যোগেন্দ্র সিং যাদবকে চেনেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীনগর থেকে কার্গিল এবং তার বাইরে ভ্রমণ করার সময় অন্যতম দ্রষ্টব্য স্থান হল দ্রাস। এখানে কার্গিল যুদ্ধের স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে এটি একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠেছে। শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে বাঁদিকে দেখা যায় একটি উঁচু পাহাড়। এটাই টাইগার হিল। ২৫ বছর আগে কার্গিল যুদ্ধের (Kargil War) সময়, এই পর্বত এবং তার চারপাশে মাইলের পর মাইল বিস্তীর্ণ এলাকা তখন পরিণত হয়েছিল রণাঙ্গনে। এই কার্গিল যুদ্ধেরই অন্যতম নায়ক যোগেন্দ্র সিং যাদব। আসুন, জেনে নিই তাঁর টাইগার হিল জয়ের কাহিনি। 

    কার্গিল যুদ্ধ কেন প্রয়োজন ছিল? (Kargil War)

    ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য টাইগার হিল দখল করা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ এটি শ্রীনগর-কারগিল-লে লাদাখ মহাসড়কের জন্য সংযোগকারী একটি স্থান। এই রাস্তায় যানচলাচল, ওপর থেকে বোমাবর্ষণ এবং শত্রুদের ওপর নজর রাখার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল টাইগার হিল। তখনকার লে-লাদাখের জন্য এই সড়ক একপ্রকার লাইফলাইন ছিল। কিন্তু তা পাকিস্তান জোর করে দখল করে নিয়েছিল। এই জায়গা ভারতের কাছে ফিরে পাওয়া ছিল একটি কঠিন কাজ। তাই ১৮ জনের একটি বাহিনীর ইউনিটকে এখানে বিশেষ অভিযানে পাঠানো হয়েছিল। ৩ জুলাই,, ১৯৯৯ সালে এই অপারেশন (Kargil War) শুরু হয়েছিল। যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন যোগেন্দ্র সিং যাদব।

    টাইগার হিল দখল ছিল মূল লক্ষ্য

    যাদবের অবদানের কথা মাথায় রেখে তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান পরমবীর চক্র দেওয়া হয়েছিল। পুরস্কার দেওয়ার সময় ভুল করে বলা হয়েছিল, যোগেন্দ্রকে মরণোত্তর পরমবীর চক্র সম্মান দেওয়া হচ্ছে। সকলে তাই তাঁকে মৃত বলেই মনে করেছিলেন। পরে ভ্রম সংশোধন করা হয়। গুরুতর আঘাত পাওয়ায় একটি সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। পরে সুস্থও হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর মৃত্যু সংবাদের জন্য বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। গ্রেনেডিয়ার যোগেন্দ্র ১৯৯৯ সালের ৩-৪ জুলাই রাতে টাইগার হিল দখলের দায়িত্বপ্রাপ্ত দল প্লাটুনের নেতৃত্বে ছিলেন। পাহাড়ের শীর্ষে পৌঁছানোর পথটি ছিল খাড়া, তুষারাবৃত, পাথুরে। গ্রেনেডিয়ার যোগেন্দ্র ঝুঁকি রয়েছে জেনেও পিছপা হননি। তাঁর নেতৃত্বেই ওপরে ওঠার চেষ্টা করে বাহিনী। তাঁদের গতি রুদ্ধ করতে শত্রুরা (Kargil War) স্বয়ংক্রিয় গ্রেনেড, রকেট ও আর্টিলারি ফায়ার করে। শহিদ হন এক কমান্ডার সহ মোট তিনজন। এরপর প্লাটুনটি সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়।

    পরমবীরচক্রের সর্বকনিষ্ঠ প্রাপক 

    পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে, গ্রেনাডিয়ার যাদব শত্রুদের মোকাবিলা করতে শত্রুরা যেখানে অবস্থান করছে, সেখান পর্যন্ত হামাগুড়ি দিয়ে ওপরে উঠেছিলেন। সেই সময়ই পান একাধিক আঘাত। শত্রুপক্ষ পাথর বর্ষণ করছিল ওপর থেকে। এমতাবস্থায় বন্দুক দিয়ে ক্রমাগত গুলি চালিয়ে চার শত্রু সৈন্যকে বধ করেছিলেন যোগেন্দ্র। একাধিক আঘাত সত্ত্বেও, রণক্ষেত্র থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে অস্বীকার করেছিলেন তিনি। তাঁর অসম সাহস এবং বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্যই টাইগার হিল দখল মুক্ত (Kargil War) হয়েছিল। চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাহস, অদম্য বীরত্ব, দৃঢ়তা এবং সংকল্পের প্রতি নিষ্ঠা প্রদর্শন করেছিলেন তিনি। যোগেন্দ্র এখনও পর্যন্ত পরমবীর চক্রের সর্বকনিষ্ঠ প্রাপক। তিনি যখন এই পুরস্কার পেয়েছিলেন তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৯।

    যোগেন্দ্রের বাবাও সেনাকর্মী ছিলেন

    ২০২০ সালে, অমিতাভ বচ্চন কৌন বনেগা ক্রোড়পতির একটি বিশেষ শো হোস্ট করেছিলেন। এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন যাদবকে। যাদব ওই শো-য়ে ২৫ লক্ষ টাকা জয়ী হয়েছিলেন। সেই অর্থ তিনি দান করেছিলেন সেনা কল্যাণ তহবিলে। কার্গিল যুদ্ধের (Kargil War) ঘটনা নিয়ে বলিউডে কয়েকটি সিনেমাও তৈরি হয়েছে। যাদবের জন্ম ১০ মে, ১৯৮০ সাল। উত্তর প্রদেশের বুলন্দশহর জেলার ঔরঙ্গাবাদের আহির এলাকায় তাঁর গ্রামের বাড়ি। তাঁর বাবা করণ সিং যাদব কাজ করেছিলেন কুমায়ুন রেজিমেন্টে। অংশগ্রহণ করেছিলেন ১৯৬৫ এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরের কুলগামে গুলির লড়াই, খতম ৪ জঙ্গি, শহিদ ২ জওয়ান

    ৬০ ফুট উপরে উঠে যুদ্ধ করেছিলেন

    টাইগার হিলে তিনটি শত্রু বাঙ্কার দখলমুক্ত (Kargil War) করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল যাদবের ইউনিট ১৮ গ্রেনেডিয়ারকে। এই বাঙ্কারগুলি ছিল ১০০০ ফুট (৩০০ মিটার) খাড়া পাহাড়ের ওপরে। এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন যাদব। তিনিই প্রথম চড়েছিলেন খাড়া পাহাড়ে। দড়ি ফেলে উঠতে সাহায্য করেছিলেন সতীর্থদের। ওপরে ওঠা এবং শত্রু দমনে দৃঢ় সঙ্কল্পবদ্ধ হয়ে উঠেছিলেন যোগেন্দ্র। যুদ্ধের তাঁর কুঁচকি এবং কাঁধে একাধিক গুলি লাগে। সেই অবস্থায়ও পিছু না হটে পাহাড়ের ৬০ ফুট (১৮ মিটার) ওপরে উঠে শীর্ষে পৌঁছেছিলেন। বাঙ্কারগুলি দখল করলে, হার স্বীকার করে পাক সেনা। ১২-১৩ জুন, ১৯৯৯ সালে টোলোলিং দখল করার পর টাইগার হিলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে শ্রীনগর-কারগিল সড়ককে আয়ত্তে আনে ভারতীয় সেনা। যোগেন্দ্রদের অদম্য সাহস এবং বীরত্বের কারণে ভারতীয় সেনা কার্গিল জয় করে। টাইগার হিলের দখল পায়। এই বছর, কার্গিল জয়ের ২৫ বছর পূর্তি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Russia Relation: রাশিয়া-ভারত বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন মোদি, কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে জানেন?

    India Russia Relation: রাশিয়া-ভারত বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন মোদি, কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরির খোঁজে গিয়ে না জেনেই ভারতীয়রা জড়িয়ে যাচ্ছেন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ নয়াদিল্লি (India Russia Relation)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আসন্ন রাশিয়া সফরে এই বিষয়ে আলোচনা হতে পারে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে। বিদেশ সচিব বিনয় কাটোয়া এ খবর জানান। ৮ জুলাই দু’দিনের সরকারি (Annual Summit) সফরে রাশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে রাশিয়ার প্রসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন তিনি। এই বৈঠকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

    ভারতীয়দের জুড়ে দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধে (India Russia Relation)

    মোটা অঙ্কের মাইনের টোপ দিয়ে ভারত (India Russia Relation) থেকে রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কর্মপ্রার্থীদের। পরে তাঁদেরই প্রশিক্ষণ দিয়ে ভিড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে রাশিয়ান বাহিনীর সঙ্গে। এঁদের সিংহভাগকেই মোতায়েন করা হচ্ছে রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্ত প্রহরায়। নিজেদের অজান্তেই কর্মপ্রার্থীরা জড়িয়ে পড়ছেন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে। কেবল কর্মপ্রার্থীরা নন, রাশিয়ায় যাঁরা পড়াশোনা করতে যাচ্ছেন, তাঁদেরও বিপথে চালিত করে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধে। কেবল ভারত নয়, পড়শি দেশ নেপাল থেকেও লোকজনকে চাকরির টোপ দিয়ে যুতে দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধে। গত মে মাসেই এই পাচার চক্রে জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অথচ এই ঘটনারও মাস তিনেক আগে ভারত সরকার দেশবাসীকে জানিয়ে দিয়েছিল তাঁরা যেন কোনওভাবেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়েন। পরিসংখ্যান বলছে, তার পরেও রুশ সেনা বাহিনীতে নাম লিখিয়েছেন অনেক ভারতীয়।

    আর পড়ুন: রথযাত্রায় জগন্নাথদেবকে দেওয়া হয় বিশেষ ছাপ্পান্ন ভোগ, কী এর মাহাত্ম্য?

    আসছে অকাল মৃত্যুর খবরও 

    যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়ে অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার খবরও আসছে। চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি বছর তেইশের এক তরুণের মৃত্যু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন রণাঙ্গনে। তিনি ছিলেন গুজরাটের বাসিন্দা। গত ডিসেম্বরেই সিকিউরিটি হেল্পার হিসেবে তিনি যোগ দিয়েছিলেন রাশিয়ান বাহিনীতে। এই তালিকায় রয়েছে ভারতেরই আরও কয়েকজন। বিদেশ সচিব জানিয়েছেন, মোদি এবং রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্বার্থ নিয়ে আলোচনা করবেন। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হবে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। তিনি জানান, শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা এবং পিপল টু পিপল বন্ধন নিয়েও আলোচনা হবে। তিনি বলেন, “ভারত-রাশিয়া বার্ষিক সম্মেলন (Annual Summit) হচ্ছে তিন বছর পর। তাই আমরা একে ভীষণ গুরুত্ব দিচ্ছি (India Russia Relation)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Temple Economics: ভারতের মন্দির অর্থনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় জিডিপিতে, বলছে রিপোর্ট

    Temple Economics: ভারতের মন্দির অর্থনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় জিডিপিতে, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মচর্চা, আধ্যাত্মিকতা, মানতপুরণ, দেবতার উদ্দেশ্যে পূজা নিবেদন- এসব কিছুর কেন্দ্র হল মন্দির (Temple Economics)। হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ ভারতবর্ষে মন্দিরের সংখ্যা নেহাত কম নয়, প্রায় কুড়ি লক্ষ। এগুলির মধ্যে এমন অনেক মন্দির রয়েছে যেগুলি বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রতিদিনই গড়ে সেখানে হাজার হাজার ভক্তরা ভিড় করেন। চলতি বছরেই উদ্বোধন হয়েছে রাম মন্দিরের। কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, প্রতিদিন গড়ে এক লাখেরও বেশি তীর্থযাত্রীর পা পড়েছে রাম মন্দির চত্বরে। ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে মন্দিরকে কলা, সংস্কৃতি, শিক্ষা, সামাজিকতা এবং বাণিজ্যের কেন্দ্র বলে মনে করা হয়। বৈচিত্রের দেশ আমাদের ভারতবর্ষ। এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে পা দিলেই নজরে পড়ে আলাদা প্রথা, কাস্টম, রীতি। সেই সমস্ত অঞ্চলভিত্তিক রীতির ওপরেই গড়ে ওঠে মন্দির। জীবনে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধির কামনায় প্রার্থনা করেন ভক্তরা। জীবনে চলার পথে বাধা যাতে ভগবান দূর করেন সে প্রার্থনাও করেন তাঁরা। এক ভক্তের সঙ্গে অপর ভক্তের মনের ভাব বিনিময়ের স্থানও হল মন্দির। মন্দিরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে পর্যটনও। মন্দিরকেন্দ্রিক অর্থ ব্যবস্থা টানে এলাকার অর্থনীতিকেও (Temple Economics)। হাজার হাজার দর্শনার্থীদের ভিড়ে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয় হোটেলগুলিও। তীর্থযাত্রীদের থাকা-খাওয়া সমস্ত কিছুর বন্দোবস্ত হয় সেখানে। এর পাশাপাশি ভক্তদের যেকোনও প্রয়োজনীয়তা মেটায় ছোটখাটো দোকানগুলিও। ফুল, তেল, প্রদীপ, সিঁদুর ছবি বিক্রি হয় স্থানীয় দোকান থেকে।

    ধর্মীয় যাত্রাতে (Temple Economics) গড়ে প্রতিদিন মাথাপিছু খরচ হয় ২,৭১৭ টাকা

    মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্টন স্টেইন ভারতবর্ষের মন্দির অর্থনীতির ওপর গবেষণা করেন। ১৯৬০ সালে তিনি একটি রিপোর্টও জমা দেন এ নিয়ে। তাঁর ‘দ্য ইকোনমিক ফাংশন অফ মেডিভিয়াল সাউথ ইন্ডিয়ান টেম্পেল’- শীর্ষক লেখা প্রকাশিত হয়েছিল এশিয়ান স্টাডিসে। সাম্প্রতিককালে একটি তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ‘ন্যাশনাল স্যাম্পেল সার্ভে অফিসে’র দেওয়া ওই তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ৫৫ শতাংশ হিন্দু যাঁরা বিভিন্ন মন্দিরে তীর্থযাত্রী হিসেবে পরিভ্রমণ করেন, তাঁরা সাধারণভাবে মধ্যমানের অথবা ছোট হোটেলে থাকেন। যেকোনও ধরনের ধর্মীয় যাত্রাতে (Temple Economics) গড়ে প্রতিদিন মাথাপিছু খরচ হয় ২,৭১৭ টাকা। যেখানে অন্যান্য যে কোনও সামাজিক যাত্রায় মাথাপিছু খরচ হয় ১,১১৮ টাকা। শিক্ষামূলক ভ্রমণে মাথা পিছু খরচ হয় ২,২৮৬ টাকা। এখানেই বোঝা যাচ্ছে ধর্মীয় যাত্রার অর্থনীতি ঠিক কতখানি এগিয়ে।

    প্রতিবছর ৪.৭৪ লক্ষ কোটি টাকা খরচ হয় শুধুমাত্র ধর্মীয় যাত্রার কারণে 

    রিপোর্ট বলছে, প্রতিবছর এভাবেই ৪.৭৪ লক্ষ কোটি টাকা খরচ হয় শুধুমাত্র ধর্মীয় যাত্রার কারণে। ন্যাশনাল স্যাম্পেল সার্ভে অফিসের ওই ডেটাতে আরও বলা হচ্ছে, ভারতবর্ষের মন্দির অর্থনীতির (Temple Economics) পরিমাণ হল ৩.০২ লক্ষ কোটি টাকা অর্থাৎ ভারতবর্ষের জিডিপির (GDP) ২.৩২ শতাংশই আসে মন্দির অর্থনীতি থেকে। ভারত সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, এদেশের পর্যটনের ৮৭% হলেন দেশের নাগরিক। অন্যদিকে ১৩ শতাংশ বিদেশি নাগরিক। সরকারের প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, দেশের মধ্যে মাত্র ছ’টি বড় মন্দিরের আয় বছরে ২৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে বেশিরভাগই দিল্লি-আগ্রা-বারাণসী-জয়পুরকেন্দ্রিক। অন্যদিকে দক্ষিণ ভারতের মাদুরাই, মহাবলীপুরম, তিরুপতিতে মন্দির দর্শন করেছেন ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ৯ কোটি বিদেশি নাগরিক। বর্তমানে তাই মন্দির অর্থনীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে জিডিপিতে (GDP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরের কুলগামে গুলির লড়াই, খতম ৪ জঙ্গি, শহিদ ২ জওয়ান

    Jammu And Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরের কুলগামে গুলির লড়াই, খতম ৪ জঙ্গি, শহিদ ২ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) অব্যাহত সেনা জওয়ানদের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াই। গুলির লড়াইয়ে খতম করা গিয়েছে ৪ জঙ্গিকে (Terrorists Shot Dead)। অন্যদিকে শহিদ হয়েছেন দুই জওয়ান। আরও চার জঙ্গির সন্ধানে জারি রয়েছে তল্লাশি অভিযান। কুলগামে জঙ্গিদের উপস্থিতি নিয়ে আগেই খবর ছিল সেনার কাছে। সেই মতোই শনিবার একদম সকাল থেকে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে সেই তল্লাশি চলাকালীন শুরু হয় সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই।

    কুলগাম জেলার মদেরগাম গ্রামে লুকিয়েছিল জঙ্গিরা (Jammu And Kashmir)

    সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, কুলগাম জেলার মদেরগাম নামের গ্রামে যৌথ তল্লাশি অভিযান করে সিআরপিএফ জওয়ান এবং স্থানীয় পুলিশ। গ্রামে ঢুকতেই সেনাবাহিনীর ওপর একের পর এক গুলি বর্ষণ করতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা গুলি চালান জওয়ানরাও। তবে সেই গুলির লড়াইয়ে এক জওয়ান গুরুতর আহত হন। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    ড্রোনের ফুটেজে দেখা যায় জঙ্গিদের দেহ

    অপরদিকে, কুলগ্রামেরই ফ্রিসাল এলাকা থেকে একটি ড্রোনের ফুটেজ হাতে আসে জওয়ানদের। সেই ফুটেজ থেকেই দেখা যায় চার জঙ্গির দেহ পড়ে রয়েছে মাটিতে। আরও একজন জওয়ান শহিদ হয়েছেন। তবে এত গুলিবর্ষণের মধ্যে ওই জঙ্গিদের দেহ (Terrorists Shot Dead) উদ্ধার করা যায়নি বলেই জানানো হয়েছে। সেনা বাহিনীর অনুমান (Jammu And Kashmir) এলাকায় আরও কয়েকজন সন্ত্রাসবাদী লুকিয়ে রয়েছে। তাদের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান চলছে। প্রসঙ্গত, এর আগে জুন মাসে একাধিকবার হামলা হয়েছিল কাশ্মীরে। প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণের দিনও হামলা হয়েছিল, সেই ঘটনায় পুণ্যার্থীদের বাসের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। তার কয়েকদিনের (Jammu And Kashmir) মাথাতেই জোড়া হামলা হয়। কাঠুয়া এবং দোদা জেলায় ওই হামলা হয়েছিল। ওই ঘটনায় জখম হয়েছিলেন সাধারণ নাগরিকও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Building Collapses: গুজরাটের সুরাটে ভেঙে পড়ল ৬ তলা বিল্ডিং, নিহত ৭, চলছে উদ্ধারকাজ

    Building Collapses: গুজরাটের সুরাটে ভেঙে পড়ল ৬ তলা বিল্ডিং, নিহত ৭, চলছে উদ্ধারকাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার গুজরাটের সুরাটে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল ৬ তলা বিল্ডিং (Building Collapses)। রবিবার সকালে পাওয়া খবর অনুযায়ী, ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৭। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান উদ্ধারকারীদের। অনেকেই সেই ভেঙে পড়া বিল্ডিংয়ের তলায় চাপা পড়ে গিয়েছেন বলে খবর। সংবাদ সংস্থা এএনআই ও পিটিআই জানিয়েছে, শনিবার গুজরাটের সুরাটে একটি ছয়তলা ভবন ধসে (Building Collapses) পড়ে। বেশ কয়েকজন আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার খবর পাওয়ামাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও দমকল বাহিনী। উদ্ধারকাজ চলছে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত। 

    জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের বিবৃতি

    সুরাটের (Surat) জেলা শাসক সৌরভ পারধি সংবাদমাধ্যমকে শনিবারই বলেন, ‘‘আমরা খবর পেয়েছি একটি ছয়তলা ভবন ধসে পড়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, প্রায় ৪-৫টি ফ্ল্যাট ভেঙে গিয়েছে। এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ উভয় দলই তাদের উদ্ধারের জন্য কাজ করছে।’’ সুরাটের পুলিশ কমিশনার অনুপম সিং গহলৌত বলেন, ‘‘শনিবার বিকেল তিনটে নাগাদ সচিন এলাকায় একটি ছ’তলা বাড়ি ভেঙে (Building Collapses) পড়ে। ওই ভবনে বসবাসকারী অনেকেই ভেতরে আটকা পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও দমকল।’’ প্রসঙ্গত, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে সফলভাবে শনিবারই এক নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে। ভবনের ভেতরের ৩০টি ফ্ল্যাটের মধ্যে ৪-৫টা ফ্ল্যাটে লোকজন থাকলেও বাকিগুলো ফাঁকা ছিল। অনেকে কাজের কারণে বাইরে ছিলেন।

    সুরাটের সচিন নামক এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি (Building Collapses) ঘটে

    সুরাটের (Surat) সচিন নামক এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। উল্লেখ্য, বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই সুরাটে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এরই মাঝে এই বিপর্যয় ঘটে। এদিকে উদ্ধার অভিযান শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই এক মহিলাকে সেখান থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল। পরে তিন জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় গভীর রাতে। পরে আরও চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এখনও সেখানে বেশ কয়েকজন আটকে আছে বলে জানিয়েছেন সুরাট পুলিশের কমিশনার অনুপম সিং গেহলট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর! কুলগামে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ, হত এক জওয়ান

    Jammu Kashmir: ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর! কুলগামে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ, হত এক জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) কুলগামে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে (Jammu Kashmir) শহিদ হলেন এক সেনা জওয়ান। শনিবার কুলগাম (Kulgam) জেলার মদেরগাম গ্রামে জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়ে যৌথ অভিযান শুরু করেছিল সিআরপিএফ জওয়ান এবং স্থানীয় পুলিশ। গ্রামে বাহিনী ঢোকার খবর পেয়েই গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। সেই সময় এক সেনা জওয়ান গুরুতর জখম হন। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি নিহত হন। 

    চলছে তল্লাশি অভিযান (Kulgam)

    পুলিশ সূত্রে খবর, কুলগাম জেলায় মোদারগাও গ্রামে দুই, তিনজন জঙ্গির লুকিয়ে থাকার খবর পায় গোয়েন্দা বিভাগ। এরপর সিআরপিএফ, সেনাবাহিনী এবং স্থানীয় পুলিশ একসঙ্গে অভিযান চালায়। জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়েই শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। এই ঘটনা প্রসঙ্গে কাশ্মীর (Jammu Kashmir) জোন পুলিশের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানান হয় যে, ‘‘কুলগামে গুলি চলেছে। পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত।’’ সেনা সূত্রে খবর, সাময়িকভাবে গুলির লড়াই বন্ধ থাকলেও জঙ্গিদের খোঁজে এলাকায় তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে সেনা।

    আরও পড়ুন: তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ ২৩ জুলাই

    জঙ্গি দমনে অভিযান (Jammu Kashmir)

    সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) জঙ্গিদের দাপট বেড়েছে। গত জুন মাসেও ডোডা জেলায় সেনা ও জঙ্গিদের গুলির লড়াই হয়। আর তাতে ৩ সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যু হয়েছিল বলে জানা যায়। প্রসঙ্গত, কুলগাম-সহ (Kulgam) দক্ষিণ কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ অংশে সম্প্রতি সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এই অঞ্চলকে জঙ্গিদের প্রভাবমুক্ত করতে একের পর এক অভিযানে নামছে সেনাও। গত মাসেই সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার ‘রেসিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’-এর দু’জন কম্যান্ডার সেনার সঙ্গে গুলির লড়াই চলার সময়ে পুলওয়ামা জেলার একটি বাড়িতে লুকিয়ে ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Puri Ratna Bhandar: রথযাত্রার পরেই খুলবে পুরীর রত্নভান্ডারের দরজা! কবে? সিদ্ধান্ত ৯ জুলাই

    Puri Ratna Bhandar: রথযাত্রার পরেই খুলবে পুরীর রত্নভান্ডারের দরজা! কবে? সিদ্ধান্ত ৯ জুলাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রথযাত্রার পরেই সম্ভবত খুলবে জগন্নাথের শ্রীমন্দিরের রত্নভান্ডারের (Puri Ratna Bhandar) তালা। শনিবার রত্নভাণ্ডার সম্পর্কিত নতুন তদারকি কমিটির বৈঠক হয়েছে। ওড়িশা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বিশ্বনাথ রথের (Justice Biswanath Rath) নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের নতুন কমিটির ওই বৈঠকে ঠিক হয়েছে আগামী ৯ জুলাই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তার পরেই চূড়ান্ত হবে কবে খুলবে এই ‘রহস্যময়’ রত্নভান্ডার। 

    তালা ভেঙে খোলা হতে পারে রত্নভান্ডার (Puri Ratna Bhandar) 

    এ প্রসঙ্গে বিচারপতি রথ (Justice Biswanath Rath) স্পষ্টভাবে জানান, রত্নভাণ্ডারের ডুপ্লিকেট চাবি কোষাগারেই রয়েছে। শ্রীজগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষের মুখ্য প্রশাসক ৯ জুলাই উচ্চপর্যায়ের কমিটির কাছে সেই চাবি তুলে দেবেন। তবে দীর্ঘদিন অব্যবহারে জীর্ণ তালা যদি সেই চাবিতে না খোলা যায়, তাহলে তালা ভাঙা হবে। এবিষয়ে একটি কার্যাবলি প্রস্তুত করে তা সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। বিচারপতি আরও জানান, রত্নাবলির মূল্য নির্ধারণ ও কোনটি কোন ধাতু বা রত্ন, তা চেনার কাজে সাহায্য করার জন্য জহুরির সাহায্য নেওয়া হবে। তবে তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস উল্টোরথের আগেই রত্নভাণ্ডার খোলার চেষ্টা করা হবে। উল্লেখ্য, হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে গত ফেব্রুয়ারি মাসে বিজেডি সরকার রত্নভান্ডারের (Puri Ratna Bhandar) মূল্যবান সামগ্রীর তালিকা প্রস্তুতের জন্য ১২ সদস্যের কমিটি গঠন করেছিল। নেতৃত্বে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অরিজিৎ পাসায়াত। শুক্রবার তাদের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে তার আগেই নতুন প্যানেলের কথা জানায় বিজেপি সরকার।

    আরও পড়ুন: বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে ব্রহ্মপুত্র! অসমের বন্যায় মৃত বেড়ে ৫২

    রহস্যময় রত্নভান্ডার 

    পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের গর্ভগৃহের কাছেই রয়েছে রত্নভান্ডার (Puri Ratna Bhandar)। এটাই মন্দিরের সবথেকে দামি প্রকোষ্ঠ। যুগ যুগ ধরে এখানে জমা হয়ে রয়েছে, জগন্নাথদেব, বলভদ্র ও সুভদ্রার রত্নরাজি। এই  রত্নভান্ডার নিয়ে নানা বিষ্ময়কর বিশ্বাস রয়েছে। ভক্তদের বিশ্বাস, পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারে যা সম্পত্তি রয়েছে, তা দেশ-বিদেশের কোথাও নেই। মনে করা হয়, পুরীর রত্নভান্ডারে এমন সব মণিমাণিক্য আছে, যার দিকে তাকালেই নাকি চোখে ঝলমলিয়ে ওঠে। বৈদুর্যমণি, নীলকণ্ঠমণি-সহ একাধিক মূল্যবান রত্ন রয়েছে জগন্নাথধামের ভান্ডারে, এমনই দাবি পাণ্ডাদের। নীলাচলবাসীর বিশ্বাস মহাপ্রভুর এই বিপুল ঐশ্বর্যর পাহারায় রয়েছে বিষধর সাপ। তবে এ সবই গল্পকথা নাকি আসলেই সব সত্যি, তা জানা যাবে রত্ন ভান্ডার খুললেই।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share