Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Hathras Stampede: বিলাসবহুল আশ্রমে প্রাইভেট রুম-ক্যাফে! কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক ভোলে বাবা

    Hathras Stampede: বিলাসবহুল আশ্রমে প্রাইভেট রুম-ক্যাফে! কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক ভোলে বাবা

    নিউজ ডেস্ক: হাথরসের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার (Hathras Stampede) পর থেকেই বেপাত্তা স্বঘোষিত ধর্মগুরু ভোলে বাবা। তাঁর বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগ দায়ের না হলেও পুলিশ ভোলে বাবা এবং অনু্ষ্ঠানের আয়োজকদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। সেই তদন্তের প্রেক্ষিতেই ভোলে বাবার বেশকিছু নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেইসব নথি ও তথ্য দেখেই চোখ কপালে উঠেছে তদন্তকারীদের। সম্প্রতি হাথরসের সৎসঙ্গে পদপিষ্ট হয়ে ১২১ জনের মৃত্যুর পর ভোলে বাবা ওরফে নারায়ণ হরি সরকার ওরফে সুরজ পালের নামে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসছে। আর তদন্তের মধ্যেই এবার মিলল তাঁর বিপুল সম্পত্তির (Bhole Baba assets) হদিশ। 

    কত টাকার মালিক ভোলে বাবা? (Hathras Stampede) 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার বাজেয়াপ্ত হওয়া নথিগুলি থেকে প্রমাণ মিলেছে, ভোলে বাবা বিপুল সম্পত্তির (Bhole Baba assets) অধিকারী। উত্তর প্রদেশের মইনপুরীতে তাঁর একটি ১৩ একরের পাঁচতারা আশ্রম রয়েছে। যার বাজারদর বর্তমানে ৪ কোটি টাকা। যে আশ্রমের খোঁজ পুলিশ পেয়েছে তাতে অন্তত ১৫-২০টি ঘর রয়েছে। তার মধ্যে ৬টি ঘর শুধুমাত্র ভোলে বাবার নিজস্ব কাজের জন্য ছিল। বাকি ৬-৭টি ঘর বরাদ্দ ছিল আশ্রমের কমিটির সদস্য এবং ভলেন্টিয়ারদের জন্য। ভোলে বাবার লাক্সারি লাইফ এখানেই শেষ হচ্ছে না। এই আশ্রমে আসার জন্য একটি প্রাইভেট রাস্তাও ছিল বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। পাশাপাশি এলাহি এক ক্যাফিটেরিয়াও রয়েছে আশ্রমে। এছাড়াও জানা গিয়েছে, এমন আরও একাধিক সম্পত্তি দেশজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে ভোলে বাবার নামে। তাদের দাম অন্তত কোটি টাকার কাছাকাছি। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানায়, ‘ভোলে বাবা রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ২৪টি আশ্রমের তত্ত্বাবধান করেন। যদিও তাঁর মূল বাসস্থান মইনপুরীর এই আশ্রমই।’
    হাথরাসের ঘটনা (Hathras Stampede) নিয়ে ইতিমধ্যে দেশের রাজনৈতিক মহল আন্দোলিত। ওই ঘটনায় যাদের মৃত্যু হয়েছে তার মধ্যে বেশিরভাগই হলেন শিশু এবং মহিলা। ইতিমধ্যেই কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে? তা নিয়ে উঠে আসছে নানান তত্ত্ব। কীভাবে একজন স্বঘোষিত ধর্মগুরু এমন অনু্ষ্ঠান করার অনুমতি পেলেন, কেন আগে থেকে প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি, সেই প্রশ্ন উঠছে বারবার।

    আরও পড়ুন: সাঁওতাল মেয়েদের ধর্মান্তরণ! অবৈধ বাংলাদেশিদের তাড়ানোর নির্দেশ ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের

    যৌন হেনস্তার অভিযোগও রয়েছে ভোলে বাবার বিরুদ্ধে

    যদিও শুরু থেকেই সাধু ছিলেন না সুরজ পাল। তাঁর দাবি, একটা সময় পর্যন্ত তিনি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোতে চাকরি করতেন। ধর্মীয় উপদেশ দেওয়ার জন্য তিনি নাকি চাকরি ছেড়ে দেন। ভোলে বাবার বিরুদ্ধে এর আগে যৌন হেনস্তার অভিযোগও উঠেছিল। কিন্তু তখনও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি তাঁর বিরুদ্ধে। এখন হাথরাসের এই ঘটনার (Hathras Stampede) পর তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া পুরনো মামলাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kerala: কেরলের সরকারি চাকরিতে দ্রুত সংখ্যা বাড়ছে সংখ্যালঘুদের, বলছে পরিসংখ্যান

    Kerala: কেরলের সরকারি চাকরিতে দ্রুত সংখ্যা বাড়ছে সংখ্যালঘুদের, বলছে পরিসংখ্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলে ৩১.৫% সরকারি চাকরি রয়েছে মুসলিম ও খ্রিষ্টানদের হাতে। বিধানসভায় সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী রাজ্যে ৫,৪৫,৪২৩ জন সরকারি কর্মচারী (Govt Jobs) কাজ করেন। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী (Kerala) রাজ্যে ৭৩,৭৭৪ জন মুসলিম সরকারি কর্মচারী রয়েছেন। অন্যদিকে রাজ্যে ৭৩,৭১৪ জন উচ্চ বর্ণের খ্রিস্টান সরকারি কর্মচারী রয়েছেন।

    কেরলে সরকারি চাকরি কাদের হাতে (Kerala)

    জানা গিয়েছে ল্যাটিন চর্চার সদস্য ২২,৪৫২ জন কর্মী কেরল সরকারের বিভিন্ন দফতরে (Govt Jobs) কাজ করছেন। এদের মধ্যে ২৩৯৯ জন খুব অল্প সময়ে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন। ৯২৯ জন কর্মীকে নাদার খ্রিস্টান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মোট ৯৯,৪৯৯ জন খ্রিস্টান কেরলের (Kerala) বিভিন্ন ধরনের সরকারি কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত। অর্থাৎ সরকারি কর্মীদের মধ্যে ১৮.২৫% খ্রিস্টান সরকারি কাজের সঙ্গে যুক্ত। বাইবেল না কুরান অনুসারে খ্রিস্টান এবং ইসলাম ধর্মে বর্ণবৈষম্য না থাকলেও কেরলে খ্রিস্টান ও মুসলিমদের মধ্যে চরম বর্ণ বৈষম্য রয়েছে। মুসলিম ও খ্রিস্টান মিলিয়ে সরকারি কাজের সঙ্গে যুক্ত ১,৭৩,২৬৮ জন কর্মী অর্থাৎ সরকারি কর্মীদের ৩১.৫% ব্যক্তি এই দুই ধর্মের সঙ্গে যুক্ত। জৈন ধর্মের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সংখ্যা মাত্র ২৭। তফসিলি জনজাতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সংখ্যা ১০,৫১৩। তফসিলি জাতির সরকারি কর্মীদের সংখ্যা ৫১,৭৮৩। এই রাজ্যে ৭,১১৩ জন ব্রাহ্মণ সরকারি কর্মী রয়েছেন। অর্থাৎ তাদের সংখ্যা মাত্র ১.৫%। এই রাজ্যের যাদব ২৬ জন এবং ২৮ জন ক্ষত্রিয় সরকারি কর্মী রয়েছেন। প্রায় ১,১৫,০০০ এঝাভা জাতির যুক্ত সরকারী কর্মী রয়েছেন। এই জাতি এই রাজ্যে দলিত সম্প্রদায়ভুক্ত। এবং নায়ের সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সংখ্যা প্রায় ১,০৮,০০০।

    কেরলে বাড়ছে ধর্মপরিবর্তন

    প্রসঙ্গত কেরলে ৪৯ শতাংশ মানুষ এব্রাহিমিক ধর্মে বিশ্বাস করেন। এদের মধ্যে প্রায় ২২ শতাংশ খ্রিস্টান এবং ২৭ শতাংশ ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী। প্রসঙ্গত কেরলে বিরোধীরা বাম-কংগ্রেস জোট সরকারকে তাদের রাজ্যের দুর্বল অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য নিয়মিত বিধানসভায় আক্রমণ করে। প্রসঙ্গত কেরলে শিক্ষিতদের সংখ্যা বেশি হলেও ধর্ম পরিবর্তন একটি বড় সমস্যা হতে দাঁড়িয়েছে। খ্রিস্টান মিশনারি এবং বেশ কিছু তাবলিগ ইসলামী সংস্থা নিম্ন বর্ণের মানুষদের ধর্ম পরিবর্তনের জন্য প্রলোভন ও চাপ দেয় বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই সংবাদমাধ্যমে এই ধরনের বহু ঘটনা সামনে এসেছে।

    আরও পড়ুন: সাঁওতাল মেয়েদের ধর্মান্তরণ! অবৈধ বাংলাদেশিদের তাড়ানোর নির্দেশ ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের

    এমনকি কেরলের (Kerala) একটি অংশের মানুষের মস্তিষ্কে উগ্রপন্থাও ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে বহু সংগঠন। এ নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই কেন্দ্র সরকারকে রিপোর্ট দিয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladeshi Infiltrators: সাঁওতাল মেয়েদের ধর্মান্তরণ! অবৈধ বাংলাদেশিদের তাড়ানোর নির্দেশ ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের

    Bangladeshi Infiltrators: সাঁওতাল মেয়েদের ধর্মান্তরণ! অবৈধ বাংলাদেশিদের তাড়ানোর নির্দেশ ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিল ঝাড়খণ্ড আদালত। সম্প্রতি ঝাড়খণ্ড হাইকোর্ট (Jharkhand Highcourt) রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, যে বাংলাদেশিরা (Bangladeshi Infiltrators) অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে, যত দ্রুত সম্ভব তাদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠাতে হবে। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি সুজিত নারায়ণ প্রসাদ ও বিচারপতি এ কে রাইয়ের বেঞ্চ ড্যানিয়েল ড্যানিশের আবেদনের শুনানির পর ৩ জুলাই এই রায় দেন, যেখানে আদালতকে বলা হয়েছিল যে, বাংলাদেশ সংলগ্ন সাঁওতাল পরগনা সহ বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিবেশী দেশের নিষিদ্ধ সংগঠনগুলো এসটি (তফসিলি উপজাতি)-দের ধর্মান্তরিত করছে। রাজ্যের মেয়েদের ইসলামের নামে বিয়ে করে নিজেদের ধর্মে রূপান্তরিত করছে। এরম ঘটনা একটা নয় একাধিক। ঘটনাগুলো পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে তাই যত দ্রুত সম্ভব এগুলির অবসান ঘটানো জরুরি।    

    ঠিক কী জানিয়েছে আদালত? (Bangladeshi Infiltrators)

    আদালত তরফে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের সাঁওতাল পরগনার জেলাগুলিতে হঠাৎ করেই উল্লেখযোগ্যভাবে মাদ্রাসার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন করে সেখানে ৪৬টি মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে। আর নবনির্মিত সেই মাদ্রাসাগুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে দেশবিরোধী কার্যকলাপের জন্য। এছাড়াও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা স্থানীয় নারীদের শোষণের পাশাপাশি জমিও দখল করছে। তাই এবার পরিস্থিতি এর থেকে খারাপ হওয়ার আগে আদালত (Jharkhand Highcourt) সরকারকে দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে একটি চার্জশিট জমা দিতে বলেছে, যেখানে বাংলাদেশের কতজন অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করা গিয়েছে, তাদের কতজনকে আটকানো হয়েছে এবং কতজনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে তা উল্লেখ করার নির্দেশ দিয়েছে।  

    একইসঙ্গে এর পাশাপাশি আরও জানা গিয়েছে, বাংলাদেশি (Bangladeshi Infiltrators) নিষিদ্ধ সংগঠনটি সাঁওতাল পরগনার অনেক অংশে স্থানীয় আদিবাসী মেয়েদের ফাঁদে ফেলে ‘লাভ-জিহাদ’-এর অধীনে বিয়ে করছে। বিয়ের পরে, তারা মেয়েদের পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে দাঁড় করিয়ে তাদের মাধ্যমে সরকারী তহবিল বন্ধ করে দেশবিরোধী কার্যকলাপ প্রচার করে।

    আরও পড়ুন: গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য! ভারতের বড় শহরগুলিতে ৭ শতাংশ মৃত্যুর কারণ বায়ু দূষণ

    ভারতীয়দের ধর্মান্তরণ অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত

    যদিও এর আগে এলাহাবাদ হাইকোর্ট ধর্মান্তরের বিষয়ে মতামত প্রকাশ করে সতর্ক করেছিল যে, এইভাবে ধর্মান্তরিত হলে জাতির সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যা শেষ পর্যন্ত সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি রোহিত রঞ্জন আগরওয়ালের বেঞ্চ তাৎপর্যপূর্ণ বিবৃতি দিতে জানিয়েছিল যে, ‘ভারতীয়দের ধর্মান্তরণ অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত।’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Air Pollution: ভারতের বড় শহরগুলিতে ৭ শতাংশ মৃত্যুর কারণ বায়ুদূষণ! গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য

    Air Pollution: ভারতের বড় শহরগুলিতে ৭ শতাংশ মৃত্যুর কারণ বায়ুদূষণ! গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য। দূষণের (Air Pollution) কারণে প্রতি বছর ভারতে মৃত্যু হচ্ছে ৩৩ হাজার মানুষের। সম্প্রতি ‘দ্য ল্যানসেট প্ল্যানেটারি হেলথ জার্নাল’-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দূষণ সংক্রান্ত সমীক্ষার রিপোর্টে এমনই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, কলকাতা সহ ভারতের বড় বড় ১০টি শহরে (Indian Cities) প্রতি বছর বায়ুদূষণের বলি হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। তাই দূষিত বায়ুর (Air Pollution) বিপদ থেকে নাগরিকদের বাঁচানোর জন্য অবশ্যই হু-র দেওয়া নির্দেশিকা মেনে চলা উচিত ভারতের, এমনটাই জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। গবেষণাটি সাসটেইনেবল ফিউচার কোলাবোরেটিভ, অশোকা ইউনিভার্সিটি, সেন্টার ফর ক্রনিক ডিজিজ কন্ট্রোল, সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট, হার্ভার্ড এবং বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য গবেষকদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।

    ঠিক কী জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে? 

    সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে, ভারতের বড় বড় ১০টি শহরে বায়ুদূষণের (Air Pollution) কারণে প্রতিবছর ৩৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ওই ১০টি গুরুত্বপূর্ণ শহরে বায়ুদূষণের কারণে দৈনিক মৃত্যুর হার ৭ শতাংশেরও বেশি। এই শহরগুলির (Indian Cities) তালিকায় রয়েছে কলকাতা, আমেদাবাদ, ব্যাঙ্গালুরু, চেন্নাই, দিল্লি, হায়দরাবাদ, মুম্বই, পুণে, সিমলা, এবং বারাণসী। সমীক্ষায় দেখা গেছে, বায়ুদূষণের কারণে মৃত্যুর নিরিখে শীর্ষে রয়েছে ভারতের রাজধানী শহর দিল্লি, যেখানে প্রতি বছর ১২ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মুম্বই। এখানে মৃত্যু সংখ্যা ৫ হাজার ১০০। আর কলকাতায় সেই সংখ্যা ৪ হাজার ৭০০। অন্যদিকে,  চেন্নাইয়ে বায়ুদূষণের কারণে বছরে ২ হাজার ৯০০ জন মানুষ মারা যান। বেঙ্গালুরুতে সেই সংখ্যা ২ হাজার ১০০ এবং বারাণসীতে ৮৩০। মৃত্যুর নিরিখে তালিকায় সবচেয়ে নিচে রয়েছে সিমলা, যেখানে বছরে বায়ুদূষণের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে কম, মাত্র ৫৯।  

    আরও পড়ুন: শিবের মাথায় জল দেবেন ভক্তরা, কানওয়ার যাত্রার রাস্তায় মাংস বিক্রি বন্ধ করলেন যোগী

    এর থেকে বাঁচার উপায় কী? (Air Pollution) 

    এ প্রসঙ্গে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সহ-লেখক জোয়েল শোয়ার্টজ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ”এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে ভারতের যা পরিস্থিতি সেখানে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণই একমাত্র পথ। একমাত্র বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই প্রতি বছর কয়েক হাজার জীবন বাঁচাতে পারে। অন্যান্য দেশে যেভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণ হয়, সে সব পদ্ধতিগুলি ভারতে জরুরীভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন।” বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’ জানিয়েছে যে, পৃথিবীতে প্রায় সকলেই বায়ুদূষণের (Air Pollution) প্রস্তাবিত পরিমাণের চেয়ে বেশি পরিমাণে দূষিত বায়ু গ্রহণ করে, যা স্ট্রোক, হৃদরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর এর ফলেই উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। 
      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: শিবের মাথায় জল দেবেন ভক্তরা, কানওয়ার যাত্রার রাস্তায় মাংস বিক্রি বন্ধ করলেন যোগী

    Yogi Adityanath: শিবের মাথায় জল দেবেন ভক্তরা, কানওয়ার যাত্রার রাস্তায় মাংস বিক্রি বন্ধ করলেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রাবণ মাসে শিবের মাথায় যাতে ভক্তরা নির্বিঘ্নে জল ঢালতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপ করল যোগী সরকার (Yogi Adityanath)। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য কানওয়ার যাত্রার (জল নিয়ে হাঁটা) রাস্তায় সমস্ত মাংসের দোকানের প্রকাশ্যে বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে থাকছে আঁটোসাটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মহিলা শিবভক্তদের নিরাপত্তায় আলাদা করে জোর দিচ্ছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। প্রচুর মহিলা পুলিশ মোতায়েন থাকবে। চলতি বছরের কানওয়ার যাত্রা (Kanwar Yatra) শুরু হচ্ছে ২২ জুলাই।

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

    সম্প্রতি, মন্ত্রিসভার বৈঠকে কানওয়ার যাত্রার পথে মাংস বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সরকার। শ্রাবণ মাস শুরু হচ্ছে ২২ জুলাই। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সরকারের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি ঘোষণা করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শ্রাবণী শিবরাত্রি, নাগপঞ্চমী, রাখী বন্ধন চলতি মাসেই অনুষ্ঠিত হবে। এর পাশাপাশি হবে চিরাচরিত কানওয়ার যাত্রাও। জগন্নাথের রথযাত্রা রয়েছে ৭ থেকে ৯ জুলাই। মহরম রয়েছে ১৭-১৮ জুলাই। গুরু পূর্ণিমা রয়েছে ২১ জুলাই। তাই এই উৎসবগুলিকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সমস্ত প্রশাসনিক শীর্ষ আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ।

    সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে পুলিশকে (Kanwar Yatra)

    এর পাশাপাশি পুলিশকে সদা সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য। জানা গিয়েছে, যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) মন্ত্রিসভার বৈঠকে আরও জানিয়েছেন, কানওয়ারযাত্রা যে রাস্তাগুলির উপর দিয়ে যায় যথা গাজিয়াবাদ, মিরাট, অযোধ্যা, বরেলী, প্রয়াগরাজ, বারাণসী- এই সমস্ত জায়গাগুলিতে বেশি করে নজরদারি চালাতে হবে। এর পাশাপাশি তিনি (Yogi Adityanath) আরও নির্দেশ দিয়েছেন যে মহরমের শোভাযাত্রায় বড় বড় তাজিয়াগুলি যা দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে সেগুলিকে অনুমতি দেওয়া যাবে না।

     

    আরও পড়ুনঃ হাথরস কাণ্ডে গ্রেফতার ৬, মধুকরকে ধরতে লাখ টাকার পুরষ্কার
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  •  Assam-Manipur floods: অসম-মণিপুরের বন্যা পরিস্থিতি আরও সংকটজনক, মৃত বেড়ে ৪৮

     Assam-Manipur floods: অসম-মণিপুরের বন্যা পরিস্থিতি আরও সংকটজনক, মৃত বেড়ে ৪৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম ও মণিপুরের (Assam-Manipur floods) বন্যা পরিস্থিতি আরও সংকটজনক! লাগাতার ভারী বর্ষণে উত্তর-পূর্বের এই দুটি রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮। এই দুই রাজ্যে মানুষ প্রাণ যেমন হারিয়েছে, তেমনি বন্যায় ঘরবাড়ি, চাষের জমি এবং গবাদিপশুর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। হাজার হাজার মানুষকে ত্রাণ শিবিরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ এবং উদ্ধার কাজে নেমেছে প্রশাসন। 

    উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে লাল সতর্কতা (Assam-Manipur floods)!

    অসমএবং মণিপুর (Assam-Manipur floods) উভয় রাজ্যের নানা জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত এখনও অব্যাহত রয়েছে। ভারতের আবহাওয়া দফতর (IMD) এই সপ্তাহে সমস্ত উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির জন্য লাল সতর্কতা জারি করেছে৷ ইতিমধ্যে নৌকায় করে সেনাবাহিনী, অসম রাইফেলস, রাজ্য পুলিশ, মণিপুর ফায়ার সার্ভিস, এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ কর্মীরা সহ স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা বন্যা-দুর্গত মানুষকে উদ্ধার করার পাশাপাশি প্যাকেটজাত পানীয় জলের বোতল এবং খাবার বিতরণ করছে।

    ১৬ লক্ষের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ!

    এখনও পর্যন্ত অসমে (Assam-Manipur floods) ৪৬ জন এবং মণিপুরে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার অসমে বন্যায় ডুবে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। অসমের সামগ্রিক বন্যা পরিস্থিতি এখনও সংকটজনক, কারণ ২৯টি জেলার ১৬.২৫ লাখেরও বেশি মানুষ বন্যার কবলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতিমধ্যে, মণিপুরের ২০০০ জনেরও বেশি মানুষকে বন্যা কবলিত এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ২৮০০টি গ্রাম এখনও প্লাবিত হয়েছে এবং বন্যার জলে (Heavy Rain) ৩৯৪৫১.৫১ হেক্টর চাষের জমি প্লাবিত হয়ে রয়েছে। আসামে ৩.৮৬ লাখেরও বেশি মানুষকে, ২৪টি বন্যা কবলিত জেলায় প্রশাসনের দ্বারা নির্মিত ৫১৫টি ত্রাণ শিবির কেন্দ্রে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ হাথরস কাণ্ডে গ্রেফতার ৬, মধুকরকে ধরতে লাখ টাকার পুরষ্কার

    ইম্ফল নদীর বাঁধ ভেঙে গিয়েছে

    গত ২৪ ঘণ্টায় বন্যার জল (Heavy Rain) মণিপুর ও অসম (Assam-Manipur floods) উভয় রাজ্যে শতাধিক রাস্তা, কয়েক ডজন সেতু এবং হাজার হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ব্রহ্মপুত্র নদ ও এর উপনদীর জলের স্তর এই সপ্তাহে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে, যার ফলে আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চলছে। ইম্ফল নদীর পশ্চিমের সিংজামেই ওইনাম থিঙ্গেলে তার বাঁধ ভেঙ্গেছে। বৃষ্টির মধ্যে কংবা ইরং এবং ইম্ফল পূর্বের কেইরাওয়ের কিছু অংশে কংবা নদী বন্যার জলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে। একই ভাবে উত্তর-পূর্ব রাজ্য যেমন মেঘালয় এবং অরুণাচল প্রদেশও ত্রাণ পাঠিয়ে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hathras Incident: হাথরস কাণ্ডে গ্রেফতার ৬, মধুকরকে ধরতে লাখ টাকার পুরষ্কার

    Hathras Incident: হাথরস কাণ্ডে গ্রেফতার ৬, মধুকরকে ধরতে লাখ টাকার পুরষ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাথরস কাণ্ডে (Hathras Incident) গ্রেপ্তার হলেন ৬ জন। এরা সকলেই সৎসঙ্গের সেবাদার। হাথরসে মহিলা ও শিশু মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ১২১। বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত গ্রেফতার হননি স্বঘোষিত ধর্মগুরু সুরজ পাল সিং ওরফে নারায়ণ সাকার হরি ওরফে ভোলে বাবা। তাঁর খোঁজে আশ্রমে তল্লাশি চালায় উত্তর প্রদেশ (UP) পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (SOG) । তবে বাবা ছাড়াও এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত ভোলে বাবার প্রধান সেবাদার দেব প্রকাশ মধুকরের এখনও খোঁজ মেলেনি।

    মূল অভিযুক্ত মধুকর পলাতক (Hathras Incident)

    উত্তর প্রদেশ পুলিশের আইজি সালাভ মাথুর বলেন, যে ৬ জন গ্রেফতার হয়েছেন তাঁরা সকলেই সৎসঙ্গের সেবাদার। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ভোলে বাবা এবং অভিযুক্ত দেবপ্রকাশ মধুকরকে ধরার জন্য এক লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হবে। এদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হবে। তদন্তে (Hathras Incident) যেমন প্রয়োজন হবে সেই অনুযায়ী গ্রেফতার করা হবে।

    ভিডিও বিবৃতি জারি করলেন ভোলে বাবা

    মঙ্গলবার হাথরসের ফুলরাই গ্রামে ভোলেবাবার সৎসঙ্গের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন আড়াই লক্ষ ভক্ত। কিন্তু সেই তুলনায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। অনুষ্ঠানের পর গুরুর পায়ের ধুলো নেওয়ার জন্য হুটাপুটি পড়ে যায়। পদপিষ্ট (Hathras Incident) হয়ে মারা যান ১২১ জন। এদের মধ্যে অধিকাংশই মহিলা ও শিশু। এই ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন মধুকর এবং ভোলেবাবা। একটি ভিডিও বিবৃতি দিয়ে ভোলে বাবা সমাজ বিরোধীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাঁর দাবি সমাজ বিরোধীরাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।

    আরও পড়ুন: যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু ভোলে বাবা!

    বুধবার আহতদের দেখার জন্য হাসপাতাল এবং পরবর্তীতে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান উত্তরপ্রদেশের (UP)  মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি এই ঘটনার জন্য দায়ী সকলের আইনের আওতায় শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন। ঘটনার তদন্তের বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: সন্ত্রাস দমনে সক্রিয় সরকার, জম্মু-কাশ্মীরে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৯৬০ জন পুলিশ নিয়োগ

    Jammu Kashmir: সন্ত্রাস দমনে সক্রিয় সরকার, জম্মু-কাশ্মীরে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৯৬০ জন পুলিশ নিয়োগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) সীমান্ত সুরক্ষার জন্য ৯৬০ জন বিশেষ প্রশিক্ষিত পুলিশ নিয়োগ করল সরকার। এদের মার্কিন মেরিনদের মতো করে তৌরি করা হয়েছে। সেভাবেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। এদের মধ্যে ৫৬০জনকে জম্মুর সীমান্ত বরাবর ও বাকিদের উপত্যকার বিভিন্ন প্রান্ত পাঠানো হবে। এই দলটি শুধুমাত্র অনুপ্রবেশ রোধে এবং সন্ত্রাস দমনে (Combat Terror) কাজ করবে। এদের পুলিশের অন্য কোনও কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

    এই দলের বৈশিষ্ট্য (Jammu Kashmir)

    জম্মু কাশ্মীর (Jammu Kashmir) পুলিশের ডিজিপি আর আর সোয়াইন জানান, এই দলে জম্মুর বিভিন্ন তহসিল থেকে খুব অল্পবয়সী ছেলেদের নেওয়া হয়েছে। এঁরা একেবারে স্থানীয় হওয়ায় নিজের নিজের এলাকা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা রয়েছে। স্থানীয়স্তরে কোনও রকম অসাধু পদক্ষেপ শুরু হলেই তা এদের নজরে পড়বে। এই কর্মীরা “সীমান্ত গ্রামের” “খুব অল্পবয়সী” লোক বলে উল্লেখ করে, সোয়াইন বলেন, “এই ছেলেরা এলাকাটি ভালভাবে জানেন এবং শত্রুর কৌশলও বোঝেন। এরা আমাদের নিজের ছেলে। জম্মু ও কাশ্মীরের বাইরের জায়গা থেকে আসেনি। শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট সীমান্ত তহসিল থেকে এদের নেওয়া হয়েছে।” এই দলটি শুধুমাত্র পাক অনুপ্রবেশ রুখতে কাজ করবে। সন্ত্রাস দমনে নিরাপত্তারক্ষী ও সেনাদের সাহায্য করবে।

    আরও পড়ুন: নিষিদ্ধ স্মার্টফোন, রাম মন্দিরের পুরোহিতদের পোশাকের রং গেরুয়া থেকে হলুদ

    সন্ত্রাস দমন শেষ পর্যায় (Jammu Kashmir)

    রাজ্যসভার ভাষণে জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) সন্ত্রাস দমন ইস্যুতে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, যে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদের (Combat Terror) বিরুদ্ধে লড়াই প্রায় শেষ পর্যায়ে। সেখানে অবশিষ্ট সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক নির্মূল করতে সরকার বহুমুখী কৌশল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এই প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত পুলিশ নিয়োগ তারই এক ধাপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। উল্লেখ্য, গত জুন মাসে একই সপ্তাহে পর পর একাধিক জঙ্গি হামলার ঘটনায় তপ্ত ছিল ভূস্বর্গ। এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদে ফের শপথ নিয়েই অমিত শাহ ওই হামলা প্রসঙ্গে হাইভোল্টেজ বৈঠক ডাকেন। ‘মিশন মোডে’ কাজ করতে নানান নির্দেশ দেওয়া হয় সেনা ও গোয়েন্দা বিভাগকে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Zika Alert:  বাড়ছে জিকা ভাইরাস, রাজ্যগুলিকে সতর্ক করল কেন্দ্র

    Zika Alert:  বাড়ছে জিকা ভাইরাস, রাজ্যগুলিকে সতর্ক করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২ জুলাই পুণেতে এক ৫৫ বছর বয়সি মহিলা জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপর থেকে মাত্র দুদিনে মহারাষ্ট্রে ৭ জন জিকা ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন। এমতাবস্থায় কেন্দ্র সরকার রাজ্যগুলিকে সতর্ক (Zika Alert) করেছে। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলাদের উপর নজর রাখতে বলা হয়েছে। তাঁরা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে জিকা ভাইরাসে টেস্ট করতে বলা হয়েছে।

    মহারাষ্ট্রে বাড়ছে জিকা ভাইরাস আক্রান্তদের সংখ্যা (Zika Alert)

    মহারাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি এলাকায় জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক দেশের সবকটি রাজ্যেকে অ্যাডভাইজারি পাঠিয়ে সতর্ক করেছে। গর্ভবতী মহিলারা জিকা (Zika Alert) আক্রান্ত হলে ভ্রূণের বিকাশ ঠিকভাবে হচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

    কিভাবে জিকা আক্রান্ত হতে পারেন

    জানা  গিয়েছে, এডিস (Aedes) মশার কামড়ে জিকা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে ডঃ অতুল গোয়েল জানিয়েছেন, শুধুমাত্র এডিস মশার কামড়েই জিকা ভাইরাস হয়। এই মশার কামড়ে এই ডেঙ্গি এবং চিকুনগুনিয়া হয়। এই ভাইরাসের খবর প্রথমবার ১৯৪৭ সালে উগান্ডায় পাওয়া যায়। জিকা ভাইরাস সংক্রমিত মশা কামড় ছাড়াও এই ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির যৌন সম্পর্ক, রক্তের সংক্রমণ এবং প্রসবের সময় মা থেকে শিশুর মধ্যে প্লাসেন্টার মাধ্যমে (Zika Alert) ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে গর্ভবতী মহিলাদের প্রথম তিন মাসের মধ্যে আল্ট্রা সাউন্ড করানোর সময় সাবধান থাকা উচিত।  

    আরও পড়ুন: হাজির বর্ষা, সঙ্গে এসেছে হরেক ব্যাধিও, কী কী রোগ হতে পারে জানেন?

    জিকা ভাইরাসের লক্ষণ

    সাধারণত জিকা ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমিত ৮০% ব্যক্তির মধ্যে এর সংক্রমণের কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। কিন্তু ২০% ক্ষেত্রে জ্বর, হাঁটু ও মাংসপেশিতে ব্যথা সহ কঞ্জাক্টিভাইটিসের মত লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এই ধরনের উপসর্গ টানা এক সপ্তাহের বেশি সময় যদি দেখা দেয় তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সংক্রামক মশার কামড়ের বহু দিন পরে মানবদেহে (Zika Alert) উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Poverty Declines: মোদি জমানায় ভারতে দারিদ্রের হারে ব্যাপক হ্রাস, বলছে নয়া সমীক্ষা

    Poverty Declines: মোদি জমানায় ভারতে দারিদ্রের হারে ব্যাপক হ্রাস, বলছে নয়া সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পড়শি দেশ পাকিস্তান যখন দারিদ্রের জ্বালায় জ্বলছে, তখন ভারত থেকে ক্রমেই হঠছে গরিবি। অতিমারি-পর্বের গেরো কাটিয়েও ভারতে নিত্য কমছে দারিদ্রের হার (Poverty Declines)। ২০১১-১২ সালে ভারতে দারিদ্রের হার ছিল ২১.২ শতাংশ। সেটাই ২০২২-২৪ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ৮.৫ শতাংশে। অর্থনৈতিক থিঙ্কট্যাঙ্ক এনসিএইআরের সদ্য প্রকাশিত রিপোর্টেই (Think Tank Report) বলা হয়েছে এই কথা।

    দারিদ্র কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে (Poverty Declines)

    এই গবেষণাপত্রের নাম দেওয়া হয়েছে ‘রি-থিঙ্কিং সোশ্যাল সেফটি নেটস ইন আ চেঞ্জিং সোশ্যাইটি’। লেখক সোনালদে দেশাই। এনসিএইআরের এই কর্তা এই গবেষণাপত্রে যে ডেটা ব্যবহার করেছেন, তা প্রকাশিত হয়েছিল ‘ওয়েভ থ্রি অফ ইন্ডিয়া হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট সার্ভে’তে। ‘ইন্ডিয়া হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট সার্ভে ওয়ান’ এবং ‘টু’য়ের ডেটাও ব্যবহার করা হয়েছে। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ‘ইন্ডিয়া হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট সার্ভের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ২০০৪-২০০৫ সালে এবং ২০১১-১২ সালে দেশে দারিদ্র কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। হ্রাসের হার ৩৮.৬ থেকে কমে হয়েছে ২১.২ শতাংশ। ২০১১-১২ থেকে ২০২২-২৪ এর মধ্যে এই হার ২১.২ থেকে কমে হয়েছে ৮.৫ শতাংশ। করোনা অতিমারির চ্যালেঞ্জ সামলেও গরিবি হ্রাসে সফল হয়েছে ভারত’। প্রসঙ্গত, এই সময়সীমার একটা বড় অংশই নরেন্দ্র মোদির জমানা। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী পদে বসেন তিনি।

    ভারতের কাছে চ্যালেঞ্জ

    এই গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং দারিদ্র হ্রাস একটি গতিশীল আবহ তৈরি করে। যার জন্য প্রয়োজন সামাজিক সুরক্ষা প্রোগ্রামগুলি দ্রুত কার্যকর করা। সমীক্ষাপত্রটিতে (Poverty Declines) আরও বলা হয়েছে, নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাগুলিকে চালিয়ে নিয়ে যাওয়াটা ভারতের কাছে অন্যতম প্রধান একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। সেই পর্ব কাটিয়ে (Think Tank Report) ভারত এগিয়েছে তরতর করে।

    আর পড়ুন: হাজির বর্ষা, সঙ্গে এসেছে হরেক ব্যাধিও, কী কী রোগ হতে পারে জানেন?

    অর্থনৈতিক বৃদ্ধির যুগে যখন সুযোগ বেড়েছে, তখন দীর্ঘ মেয়াদি দারিদ্রের নির্ধারকগুলি কমতে পারে। বিশেষত যখন অ্যক্সিডেন্ট অফ লাইফ সম্পৃক্ত প্রাকৃতিক বিপর্যয়, অসু্স্থতা এবং মৃত্যুর সঙ্গে। প্রসঙ্গত, তেন্ডুলকর কমিটির রিপোর্টে যে দারিদ্র রেখার কথা বলা হয়েছে, সেটা হল, গ্রামীণ এলাকায় ৪৪৭ টাকা, আর শহরাঞ্চলে ৫৭৯ টাকা (Poverty Declines)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share