Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Foreign Travel: বিদেশ ভ্রমণে গত পাঁচ বছরে সাড়ে তিনগুণ বেশি খরচ করেছেন ভারতীয়রা, উল্লেখ রিপোর্টে

    Foreign Travel: বিদেশ ভ্রমণে গত পাঁচ বছরে সাড়ে তিনগুণ বেশি খরচ করেছেন ভারতীয়রা, উল্লেখ রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু ঘুরতে গিয়েই বিলিয়ন ডলার উড়িয়ে দিচ্ছেন ভারতীয়রা (Foreign Travel)। সেই তুলনায় শিক্ষা খাতের খরচ কিন্তু অনেকটাই কম। ২০২৪ সালের অর্থবর্ষে রেমিট্যান্স স্কিমের (RBI) অধীনে ভারতীয়রা বিদেশে রেকর্ড ৩১.৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। এটি ২০২৩ সালের অর্থবছরে রেকর্ড করা ২৭.১ বিলিয়ন ডলার থেকে প্রায় ১৭ শতাংশ বেশি। পাঁচ বছর আগে ভারতীয়রা বিদেশ ভ্রমণে যতটা খরচ করতেন তা বর্তমানে সাড়ে তিন গুণ বেড়ে গিয়েছে। একটি রিপোর্টে (Foreign Travel) এমনটাই প্রকাশ পেয়েছে।

    ভ্রমণ ও পর্যটন উন্নয়ন সূচকে ভারতের স্থান ৩৯তম

    বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ভ্রমণ ও পর্যটন উন্নয়ন সূচক ২০২৪ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পর ২০২৪ সালের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে রয়েছে স্পেন, জাপান, ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়া। শীর্ষ দশে ব্রিটেন, চিন, ইতালি ও সুইজারল্যান্ডের পর জার্মানি রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। ভারত ৩৯ তম স্থানে পৌঁছেছে। ২০২১ সালে প্রকাশিত তালিকায় ভারত ৫৪তম স্থানে ছিল। অর্থাৎ এগিয়ে এসেছে ১৫ ধাপ। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের মতে, এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। দক্ষিণ এশীয় এবং নিম্ন- মধ্যম আয়ের দেশের অর্থনীতির মধ্যে ভারতের স্থান এখন সর্বোচ্চ।

    মহামারির নিষেধাজ্ঞা ওঠার পরেই একেবারে গতি পেয়েছে পর্যটন (Foreign Travel)

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে রেমিট্যান্স স্কিমের অধীনে বিদেশ ভ্রমণের জন্য ২০২৩-২৪ আর্থিক বর্ষে মোট ১ লক্ষ ৪১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছিল। প্রসঙ্গত, ভারতীয়দের বিদেশ ভ্রমণ অনেকটাই কমে গিয়েছিল করোনার সময়কালে এবং সে সময়ে পর্যটন ব্যবস্থা দেশে-বিদেশে অনেকটাই মার খাচ্ছিল। কিন্তু তার পরবর্তীকালে মহামারির নিষেধাজ্ঞা ওঠার পরেই অনেকটাই গতি পেয়েছে পর্যটন (Foreign Travel)।

    ব্যাঙ্ক অফ বরোদার প্রতিবেদন

    ব্যাঙ্ক অফ বরোদার একটি প্রতিবেদন সামনে এসেছে, সেখানে তারা লিখছে, গত ১০ বছরে ভারতীয়রা গড়ে ১৫ শতাংশ অর্থ খরচ করেছেন, তাঁদের আত্মীয়দের ভরণপোষণের জন্য। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে উপহার কিনতে এবং এডুকেশন সেক্টরে খরচ কমেছে। এর পাশাপাশি অন্য একটি রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ভারতের বসবাসকারী নাগরিকরা বিদেশে বেশি পরিমাণে বিনিয়োগ করছেন। দেখা যাচ্ছে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে তাঁরা প্রতি মাসেই গড় ১০০ মিলিয়ন ডলার বিদেশে বিনিয়োগ করেছেন ভারতীয়রা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vijay Mallya: জামিন অযোগ্য ধারায় মাল্যের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি সিবিআই আদালতের

    Vijay Mallya: জামিন অযোগ্য ধারায় মাল্যের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি সিবিআই আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৮০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে শোধ না করার অভিযোগে জামিন অযোগ্য ধারায় পরোয়ানা জারি করল মুম্বইয়ের সিবিআই (CBI) আদালত। এই পরোয়ানা জারি করা হয়েছে বিদেশে পলাতক ভারতীয় ব্যবসায়ী বিজয় মাল্যের (Vijay Mallya) বিরুদ্ধে। ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়েছিলেন মাল্য। অভিযোগ, সেই দেনা শোধ না করেই ‘হাওয়া’ হয়ে গিয়েছেন তিনি। এই অভিযোগেই মাল্যের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি হয় ২৯ জুন।

    সিবিআই আদালতের পরোয়ানা (Vijay Mallya)

    পরোয়ানা জারি করেন সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের বিচারক এসপি নায়েক নিম্বলকর। পরোয়ানার খবরটি প্রকাশ্যে আসে সোমবার রাতে। জানা গিয়েছে, মাল্য (Vijay Mallya) বর্তমানে ব্রিটেনে রয়েছেন। তাঁকে দেশে ফেরাতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তার পরেও মাল্য রয়েছেন অধরা। সিবিআইয়ের পরোয়ানায় বলা হয়েছে, বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংফিশার এয়ারলাইন্সের মালিক মাল্য সরকারি ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেন। ঋণ নেওয়া হয়েছে ২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে।  তবে তা শোধ করেননি তিনি। ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্কের আর্থিক ক্ষতি করেছেন। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার দাবি, মাল্য প্রতারণা করার অভিপ্রায়েই ঋণ নিয়ে তা শোধ করেননি।

    মাল্যকে পলাতক ঘোষণা

    প্রসঙ্গত, আর্থিক জালিয়াতি মামলায় ইতিমধ্যেই পলাতক ঘোষণা করা হয়েছে মাল্যকে। তবে তিনি রয়েছেন লন্ডনে। ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে যে চুক্তি রয়েছে, সেই চুক্তি মোতাবেক অর্থনৈতিক অপরাধে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তপ্রক্রিয়া চললে এক দেশ অন্য দেশের সঙ্গে তদন্ত সংক্রান্ত তথ্য আদানপ্রদান করবে। মাল্যকে প্রত্যর্পণের চেষ্টা করা হলেও, আইনি জটিলতার কারণে এখনও ভারতে ফেরানো যায়নি এই শিল্পপতিকে। মাল্যের বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের অভিযোগে চলছে ইডির মামলাও। বছর আটষট্টির পলাতক মদ ব্যবসা সাম্রাজ্যের কোটি কোটিপতি ব্যবসায়ী মাল্যের পরোয়ানা জারি করতে গিয়ে সিবিআই বলেছে, উনি যেহেতু পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, সেহেতু বিজয় মাল্যের বিরুদ্ধে খোলা নন-বেলেবল ওয়ারেন্ট জারি করা যেতে পারে। মাল্যের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের (CBI) অভিযোগ, মোট ঋণের মধ্যে ৩৮.৩০ কোটি টাকার ঋণকে শেয়ারে পরিণত করেছিলেন মাল্য (Vijay Mallya)।

    আর পড়ুন: “লোকসভায় রাহুল গান্ধীর মতো আচরণ করবেন না”, এনডিএ-র বৈঠকে বললেন মোদি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam Flood: ভাসছে অসম, ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ৬ লক্ষ বাসিন্দা! প্রধানমন্ত্রীর ফোন, উদ্ধারে বায়ুসেনা 

    Assam Flood: ভাসছে অসম, ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ৬ লক্ষ বাসিন্দা! প্রধানমন্ত্রীর ফোন, উদ্ধারে বায়ুসেনা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যায় ভাসছে গোটা অসম (Assam Flood)। লখিমপুর, ডিব্রুগড়ের অবস্থা ভয়ঙ্কর। সব বড় রাস্তাই সেখানে জলের তলায়। বন্ধ যান চলাচল। একমাত্র উপায় নৌকা। একসময় যেখানে সরগরম থাকতো বাজার চত্বর, এখন সেখানেই বন্ধ দোকানের পর দোকান। অসমে বন্যার জেরে প্রায় সাড়ে ৬ লক্ষ বাসিন্দা ক্ষগ্রতিগ্রস্ত হয়েছেন। বিপর্যস্ত অবস্থা ২০টি জেলার। ভেসে গেছে জমির পর জমি। ধস নেমে প্রাণ কেড়েছে বহু মানুষের। গত কয়েকদিনে ৪৫ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে। কাজিরাঙা (Kaziranga) অভয়ারণ্য জলের তলায়।

    অরুণাচলে বৃষ্টিই বন্যার কারণ (Assam Flood)

    অরুণাচল প্রদেশে লাগাতার বর্ষণের জেরে অসমে (Assam Flood) বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদীর গ্রাসে চলে গিয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা। ফুঁসছে একাধিক নদী। বিপদ বাড়াচ্ছে লাগাতার বৃষ্টি। অসমের ২০ জেলায় ৭টি রেভেনিউ সার্কেলে প্রায় ৬ লাখ ৭১ হাজার ১৬৭ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।  ১২৭৫ গ্রাম জলের তলায়। ১১টি জেলায় ৭২টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন মোট ৮ হাজার ১৪২ জন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসমের বরাক ভ্যালি। করিমগঞ্জ জেলা এবং আপার অসমের তিনসুকিয়া, লখিমপুর, ডিব্রুগড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। শুধু ব্রহ্মপুত্র নয় অন্যান্য নদী যেমন ডিসাং, সুবনসারি, দেখাহো, বুড়িদেহিং, বেকি এবং বরাক নদীর জলও বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। এদিকে বৃষ্টি থামার নাম নেই। উল্টে বর্ষণ আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    ভাসছে কাজিরাঙা (Assam Flood)

    ব্রহ্মপুত্র নদের সংলগ্ন এলাকাতেই রয়েছে অসমের সবচেয়ে বড় অভয়ারণ্য কাজিরাঙা (Kaziranga)। একশৃঙ্গ গণ্ডারের জন্য কাজিরাঙা অভয়ারণ্য বিখ্যাত। ব্রহ্মপুত্রের জলে জঙ্গলের ২৬ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বন্য প্রাণিরা প্রাণ বাঁচাতে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে বলে জানা গিয়েছে। বন্যায় বন্য প্রাণীর মৃত্যুর আশঙ্কাও করা হচ্ছে। তাঁদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ চলছে। কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানে ২৩৩টি শিবিরের ৯৮টি ফরেস্ট ক্যাম্প বর্তমানে জলের তলায়। প্রচুর বন্যপ্রাণী ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়ক পেরিয়ে পার্শ্ববর্তী কার্বি আংলং পাহাড়ের দিকে চলে গিয়েছে, বলে খবর।

    প্রধানমন্ত্রীর ফোন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাস (Assam Flood)

    ইতিমধ্যেই অসমের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মাকে ফোন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। অসমের (Assam Flood) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, বন্যা বিধ্বস্ত এলাকায় আকাশ পথে খাবার বিলি হচ্ছে। নেওয়া হচ্ছে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব। উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন ভারতীয় সেনাবাহিনী। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে এগোচ্ছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁকে জানিয়েছেন, প্রয়োজনে উদ্ধারকাজে রাজ্য প্রশাসনকে সাহায্য করবে ভারতীয় সেনা ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। ভারতীয় বায়ু সেনার তরফে ১৩ জন মৎস্যজীবীকে ডিব্রুগড় জেলা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “লোকসভায় রাহুল গান্ধীর মতো আচরণ করবেন না”, এনডিএ-র বৈঠকে বললেন মোদি

    PM Modi: “লোকসভায় রাহুল গান্ধীর মতো আচরণ করবেন না”, এনডিএ-র বৈঠকে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “লোকসভায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর মতো আচরণ করবেন না।” মঙ্গলবার এনডিএ-র (NDA) পার্লামেন্টারি বৈঠকে সাফ জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর এই প্রথম এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মোদি। সেখানেই লোকসভায় কী রকম আচরণ করতে হয়, নয়া সাংসদদের সেই বিষয়ে পরামর্শ দিতে গিয়ে রাহুলের প্রসঙ্গ টানেন প্রধানমন্ত্রী।

    বিরোধীদের কটাক্ষ মোদির (PM Modi)

    একজন চা-বিক্রেতা কীভাবে পর পর তিনবার প্রধানমন্ত্রী পদে বসলেন, কীভাবেই বা তিনি ছুঁয়ে ফেললেন স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহর লাল নেহরুর রেকর্ড, এদিনের বৈঠকে সেই কাহিনিও শোনান নব নির্বাচিত এনডিএ সাংসদদের। বিরোধীদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “বিরোধীপক্ষের সদস্যদের পূর্বপুরুষ (নিশানায় নেহরু-গান্ধী পরিবার) প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাই তাঁরা নিজেদের বৃত্তের বাইরের লোকজনকে খুব একটা মান্যতা দেন না।”

    সাংসদদের কী পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী?

    তিনি বলেন, “আপনারা সবাই পড়াশোনা করে এসে যে কোনও বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলুন, আলোচনায় অংশ নিন।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “সাংসদদের তাঁদের এলাকায় জনসাধারণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে।” জনকল্যাণে কেন্দ্রীয় সরকার যেসব প্রকল্প চালু করেছে, সেগুলি সম্পর্কেও জনগণকে অবহিত করার পরামর্শও দেন প্রধানমন্ত্রী। কোনও না কোনও ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনের পরামর্শও এনডিএ (NDA) সাংসদদের দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ভাষণের পর সংসদের উভয় কক্ষে ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। এরই মাঝে এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আর পড়ুন: রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন মোদি, আমেরিকাকে ঠিক কোন বার্তা দিতে চাইছে ভারত?

    বৈঠকের শেষে, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, “এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সাংসদদের অনেক পরামর্শ দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “পার্লামেন্টে রাহুল গান্ধীর ভাষা ঠিক ছিল না। তাই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সংসদে আমাদের এমন আচরণ করা উচিত নয়।” তিনি বলেন, “নিয়ম মেনে প্রত্যেক সাংসদকে হাউসে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের কাজকে বেশি করে গুরুত্বও দিতে বলেছেন তিনি।”

    রিজিজু বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আজ আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্র দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশের সেবা করতেই জনগণ নির্বাচন করেছেন সাংসদদের। তাই দলমত নির্বিশেষে দেশের কাজকেই তাঁদের প্রাধান্য দেওয়া উচিত।” পরিবেশ, সমাজ, রাজনীতি – যাঁর যে বিষয়ে আগ্রহ, তাঁর সেই বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলেও মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন মোদি, আমেরিকাকে ঠিক কোন বার্তা দিতে চাইছে ভারত?

    PM Modi: রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন মোদি, আমেরিকাকে ঠিক কোন বার্তা দিতে চাইছে ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে ‘আক্রমণাত্মক খেলতে’ চাইছে নরেন্দ্র মোদির সরকার (PM Modi)। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের সিংহভাগের মতে, সেই কারণেই তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হয়েই রাশিয়া (Russia) সফরে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি।

    ভারত-রাশিয়ার পুরানো বন্ধুত্ব (PM modi)

    রাশিয়া ভারতের দীর্ঘদিনের পুরানো বন্ধু। ঠান্ডা যুদ্ধের যুগে যে বন্ধুত্বের সূচনা হয়েছিল, সেই বন্ধুত্ব আজও অটুট। অথচ এই সময়ের মধ্যে বদলেছে বিশ্বের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি। পরিবর্তন হয়েছে বৈশ্বিক রাজনীতির প্রেক্ষাপট। শুরু হয়েছে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ। ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভর করে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে রাশিয়ার অর্থনীতি, ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় সেই তেল কেনা বন্ধ করে দিয়েছে পাশ্চাত্যের বহু দেশ। ভারত যাতে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল না কেনে, সে চেষ্টাও করেছিল জো বাইডেনের দেশ।

    অপ্রতিরোধ্য মোদির ভারত!

    অবশ্য তার পরেও রোখা যায়নি নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভারতকে। বিপদের সময় স্বার্থপরের মতো ছেড়ে দেয়নি মস্কোর বন্ধুত্বের হাত। বরং আমেরিকার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে নিয়মিত তেল কিনে গিয়েছে নয়াদিল্লি। এবং এখনও তেল কিনে চলেছে। যার জেরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বের সম্পর্ক হয়েছে আরও মজবুত। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই কারণেই তৃতীয়বার দিল্লির কুর্সিতে বসেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাচ্ছেন রাশিয়া সফরে। এতে এক ঢিলে অনেকগুলি পাখি মারার চেষ্টা করছেন পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদ নরেন্দ্র মোদি। তাঁর এই রাশিয়া সফরে এক দিকে যেমন বার্তা দেওয়া যাবে আমেরিকাকে, তেমনি রাশিয়াকে বুঝিয়ে দেওয়া যাবে ফিকে হয়ে যায়নি ভারত-রাশিয়ার সম্পর্কও।

    ভারতকে পাশে পেতে মুখিয়ে সবাই

    মোদি জমানায় ভারত (PM Modi) হয়ে উঠেছে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর রাষ্ট্রশক্তি। তাই মোদির ভারতকে পাশে পেতে মুখিয়ে বিশ্বের বহু দেশ। ভারতের মজবুত অর্থনীতি, এ দেশের বিশাল বাজার, তরুণ কর্মশক্তির প্রতুলতা এবং অবশ্যই উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে বর্তমানে ভারতকে সমঝে চলতে শুরু করেছে বিশ্বের বহু দেশ। এহেন আবহেই তৃতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হয়েই মোদি ছুটছেন মস্কোয়। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হয়েও মোদি গিয়েছিলেন রাশিয়ায়। বৈঠক করেছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে। আগামী ৮ জুলাই আবারও রাশিয়া সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। মস্কোভা নদীর (Russia) পাড়ে ফের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে মোদি-পুতিনের।

    নয়াদিল্লি-ওয়াশিংটন সম্পর্ক তলানিতে

    উনিশে মোদির রাশিয়া সফরের পরেই ভারতের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ঘনিষ্ঠ হয়েছিল বন্ধুত্ব। প্রেসিডেন্ট পদে বাইডেন বসার পরে মজবুত হয়েছিল সেই বন্ধুত্বও। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই পর্বে আমেরিকা ও রাশিয়া দুই দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রেখে চলেছিল নয়াদিল্লি। তাল কাটল মাস কয়েক আগে। খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেতা গুরুপতবন্ত সিং পান্নুনকে খুনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ভারতের দিকে আঙুল তোলে আমেরিকা। পান্নুনকে হত্যার পরিকল্পনা কারা করেছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে বাইডেন প্রশাসন। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই এক ভারতীয়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই মামলার চার্জশিটে তদন্তকারীরা ভারত সরকারের এক পদস্থ আধিকারিকের কথাও উল্লেখ করেছেন। যদিও নাম না করে চার্জশিটে তাঁকে সিসি-১ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই সিসি-১ এর পরিচয় প্রকাশ না করে ভারতকে চাপে রাখতে চাইছে ওয়াশিংটন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এমতাবস্থায় শপথ নিয়েই প্রথমে রাশিয়া সফরের সিদ্ধান্ত নিয়ে বাইডেন প্রশাসনকে বার্তা দিল নরেন্দ্র মোদির সরকার (PM Modi)।

    ‘বন্ধুত্বে’র চুক্তি!

    ২০০০ সালে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে। এই চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছর একবার করে দেখা করবেন দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। ২০১৯ সাল পর্যন্ত একবারের জন্যও ব্যত্যয় হয়নি এই চুক্তির। অতিমারীর কারণে ২০২০ সালে এই বৈঠক হয়নি। তবে তার পরের বছরই ভারত সফরে এসেছিলেন পুতিন। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছিলেন মোদি-পুতিন। তার পরেই ছেদ পড়ে এই প্রথায়। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, পান্নুনকাণ্ডের জেরে যখন ভারতকে চাপে রাখার কৌশল নিয়েছে বাইডেন প্রশাসন, তখন রাশিয়া সফরের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে ওয়াশিংটনকে পাল্টা চাপে রাখতে চাইছে মোদি সরকার। এর পাশাপাশি ভারত যে নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক নীতির পক্ষেই সেই বার্তাও দিয়ে দিল নয়াদিল্লি।

    আর পড়ুন: এবছর জগন্নাথ ধামে হবে না ‘নব যৌবন’ দর্শন, বিকেলে গড়াবে রথের চাকা, কেন জানেন?

    এই সফরেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন মোদি-পুতিন। দুই দেশই চাইছে প্রতিরক্ষা ছাড়াও অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রসারিত হোক বাণিজ্যিক সম্পর্ক। জ্বালানি, ওষুধপত্র, পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও দুই দেশই বাড়াক সহযোগিতার হাত। এমন ব্যবস্থা হোক, যাতে সুরক্ষিত হয় ভারত-রাশিয়া দুই দেশেরই স্বার্থ। মোদির এ বারের রাশিয়া সফরে আরও একটি বিষয় প্রাধান্য পেতে পারে। রাষ্ট্রসংঘে স্থায়ী সদস্যপদের দাবিদার ভারত। তবে চিনের ‘ভেটো’ প্রয়োগের জেরে বারংবার বাড়া ভাতে ছাই পড়ছে ভারতের। অথচ রাশিয়া চাইছে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হোক নয়াদিল্লি। এই বিষয়েও এবার আলোচনা হতে পারে দুই দেশের। আলোচনায় উঠতে পারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি এবং স্পেস টেকনোলজি নিয়েও। এই সব বিষয়ে ভারত-রাশিয়া (Russia) সহযোগিতার হাত বাড়ালে তা যে আমেরিকার চক্ষুশূল হবে, তা বলাই বাহুল্য। কারণ মস্কোর পাশাপাশি ওয়াশিংটনও যে মোদির (PM Modi) হাত ধরতে ব্যাকুল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Rath Yatra: এবছর জগন্নাথ ধামে হবে না ‘নব যৌবন’ দর্শন, বিকেলে গড়াবে রথের চাকা, কেন জানেন?

    Rath Yatra: এবছর জগন্নাথ ধামে হবে না ‘নব যৌবন’ দর্শন, বিকেলে গড়াবে রথের চাকা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার তিথির ফেরে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে (Jagannath Temple) প্রভু জগন্নাথের ‘নব যৌবন’ আচারের রীতিতে ছেদ পড়তে চলেছে। মন্দিরের রীতি অনুযায়ী স্নানযাত্রার পর ১৫ দিন ধরে জ্বরে অসুস্থতার লীলা করে থাকেন জগন্নাথদেব। এর দুদিন বাদে হয় রথযাত্রা (Rath Yatra)। মাঝে মন্দিরের অন্দরে নেত্র উৎসব ও নবযৌবন উৎসব আয়োজিত হয়। কিন্তু এবার তিথির ফেরে একই দিনে নেত্র উৎসব, নবযৌবন বেশ ও রথযাত্রার অনুষ্ঠান পড়েছে। ফলে চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন জগন্নাথ মন্দিরের ভক্ত ও সেবায়েতরা।  

    তিথির ফেরে আয়োজনে সমস্যা (Rath Yatra) 

    শ্রী মন্দিরের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মাধব পূজাপান্ডা বলেন, “তিথির ফেরে এবার অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে। স্নানযাত্রার ১৫ দিন বাদেই আষাঢ়ের শুক্লা দ্বাদশী বা রথযাত্রার (Rath Yatra) তিথি। ফলে সেবাইয়েতরা একযোগে ঠিক করেছেন, এবছর আর মন্দিরে ঢুকে ভক্তরা প্রভুর নবযৌবন দর্শন করবেন না। জগন্নাথ দেবের পহুন্ডি বিজে বা রথে আরোহনের অনুষ্ঠান দেখার টিকিট বিক্রি করা হবে না। তবে একই দিনে এত অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে গেলে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে হওয়ার প্রভূত সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে জগন্নাথ দেবের রথের রশিতে টান পড়তে বিকেল হয়ে যেতে পারে। অতীতেও সব আচার সম্পন্ন করে রথচলা শুরু করতে দেরি হয়েছে। ১৯০৯ এবং ১৯৭১ সালেও একই দিনে নবযৌবন দর্শন এবং রথযাত্রা পড়েছিল। আগে রথ চলার পথে সারদা নদী ছিল। সেই নদী পেরিয়ে যেতেও অনেক সময় লাগত। এখন সেই নদী বুজিয়ে ফেলা হয়েছে। ফলে একই দিনে তিনটি রথ তিন কিলোমিটার দূরে গুন্ডিচা মন্দিরে পৌঁছে যায়। 

    মাহেশে হবে নবযৌবন দর্শন 

    মন্দিরের (Jagannath Temple) প্রবীণ সেবাইত রামচন্দ্র দ্বৈতপতি, রাজেশ দ্বৈতপতিরা জানান, রথটানা শুরু হতে দেরি হলে সূর্যাস্তের সময় কিছুদূর এগিয়ে রথ থেমে অপেক্ষা করবে। পরের দিন আবার রথ টানা হবে। এটা মাথায় রেখেই রাজ্য প্রশাসন দুদিন ধরে রথযাত্রার (Rath Yatra) সামলানোর ব্যবস্থা করছে। সাধারণত পুরীর রথ চলতে শুরু করলেই পথে নামে মাহেশের রথ। ফলে যে সমস্ত রথ পুরীর জগন্নাথ দেবের রথ ছাড়ার পর চলবে, সেই সমস্ত রথ কখন চলচবে তা এখনও ঠিক হয়নি। 

    আরও পড়ূন: পাঁচ মাসের কারাদণ্ড মেধা পাটকরকে, কেন জানেন?

    মাহেশের মন্দিরের সম্পাদক পিয়াল কৃষ্ণ অধিকারী বলেন, “এবার বিকেল চারটে নাগাদই রথযাত্রা শুরু হবে। আমরা সেভাবেই প্রস্তুতি করে রাখছি। পুরী বা মাহেশ, কোথায় কখন রথ টানা হবে সবই প্রভুর ইচ্ছে। তবে মাহেশের মন্দিরে নবযৌবন দর্শন রথযাত্রার আগের দিন সম্পন্ন হবে।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hindenburg: আদানি গ্রুপ সংক্রান্ত রিপোর্টকাণ্ডে হিন্ডেনবার্গকে কারণ দর্শানোর নোটিশ সেবির

    Hindenburg: আদানি গ্রুপ সংক্রান্ত রিপোর্টকাণ্ডে হিন্ডেনবার্গকে কারণ দর্শানোর নোটিশ সেবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চকে শোকজ নোটিশ পাঠাল সেবি। আদানি গ্রুপ সংক্রান্ত যে রিপোর্ট হিন্ডেনবার্গ প্রকাশ করেছিল সে বিষয়েই এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নোটিশ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছে সংস্থা। এ বিষয়ে তাদের ব্লগে পোস্টও করা হয়েছে আজ অর্থাৎ ২ জুলাই। মোট ৪৬ পাতার ওই শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে গত ২৭ জুন। এটাই জানিয়েছে হিন্ডেনবার্গ (Hindenburg)।

    নোটিশের সারমর্ম

    জানা গিয়েছে, ওই নোটিশের সারমর্ম হল, শর্ট-সেলার বিষয়ে ভারতের নিয়মবিধিকে লঙ্ঘন করা। ওই নোটিশে হিন্ডেনবার্গ সংস্থার সঙ্গে আদানি গ্রুপে বিনিয়োগকারী এক ব্যক্তির সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ওই নোটিশে আরও বলা হয়েছে, সেবির নিয়মবিধি লঙ্ঘন করেছে হিন্ডেনবার্গ। সেবির প্রতারণামূলক এবং অন্যায্য ব্যবসায়িক পন্থা অবলম্বন রোধ নিয়ন্ত্রণ আইনকে হিন্ডেনবার্গ লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ।

    সেবি (SEBI) কোনও অনিয়ম খুঁজে পায়নি

    হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ (Hindenburg) আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে শেয়ারের দাম প্রভাবিত করা সহ অনেক গুরুতর অভিযোগ এনেছিল। এরপর হিন্ডেনবার্গ বিতর্কের জল অনেক দূর গড়ায়। প্রভাব পড়ে আদানিদের একাধিক সংস্থাতেও। বিষয়টি বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে বাজার নিয়ন্ত্রক সেবি তদন্ত করেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ রিপোর্টে করা আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে আনা অনিয়মের অভিযোগ সত্য নয়।

    এই হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ কারা? 

    এক কথায় বলতে গেলে হিন্ডেনবার্গ (Hindenburg) রিসার্চ একটি বিনিয়োগ গবেষণা সংস্থা। তাদের মূল লক্ষ্য হল শর্ট-সেলিংয়কে কাজে লাগিয়ে মুনাফা করা। সংস্থার প্রতিষ্ঠাতার নাম নাথান অ্যান্ডারসন। সংস্থার সদর দফতর নিউ ইয়র্কে। ১৯৩৭ সালে মার্কিন বাজারে একটি আর্থিক কেলেঙ্কারি সংঘটিত হয়। তার নাম ছিল ‘হিন্ডেনবার্গ কাণ্ড’। জানা যায়, সেই ঘটনার সূত্রেই নিজের সংস্থার নাম দিয়েছেন নাথান। সংস্থার লক্ষ্য, এমন সব আর্থিক ফাঁক খুঁজে বের করা, যা ধরতে পারলে, আগে থেকেই বিপর্যয়ের সম্ভাবনা চিহ্নিত করা যায়।

    ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সামনে আসে হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট

    ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে আমেরিকার শেয়ার লেনদেন এবং গবেষণাকারী সংস্থা হিন্ডেনবার্গ (Hindenburg) রিসার্চ কৃত্রিম ভাবে শেয়ার দর বাড়িয়ে প্রতারণা এবং বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ তুলেছিল আদানি গোষ্ঠির সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে। তারপর থেকেই তদন্তে নামে শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক সেবি। চলতি বছরের মে মাসে এই প্রেক্ষিতে গৌতম আদানির নথিভুক্ত ১০টি সংস্থার মধ্যে সাতটির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিস জারি করে সেবি (SEBI)। ঠিক তার দুমাসের মাথায় হিন্ডেনবার্গকে নোটিশ ধরাল সেবি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Medha Patkar: পাঁচ মাসের কারাদণ্ড মেধা পাটকরকে, কেন জানেন?

    Medha Patkar: পাঁচ মাসের কারাদণ্ড মেধা পাটকরকে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে মেধা পাটকরকে (Medha Patkar)! সোমবার এমনই নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির সাকেত আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাঘব শর্মা। ২০০১ সালে মামলাটি দায়ের করেছিলেন বিনয় কুমার সাক্সেনা। বর্তমানে তিনি দিল্লির উপ-রাজ্যপাল। কারাদণ্ডের পাশাপাশি বিনয়কে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশও দিয়েছে আদালত।

    আদালতের নির্দেশ

    ম্যাজিস্ট্রেট জানান, কারাদণ্ডের এই আদেশটি স্থগিত থাকবে ৩০ দিনের জন্য। মেধা যাতে উচ্চ আদালতে মামলা করতে পারেন, তাই এই সময় বলে ধারণা আইনজ্ঞদের। প্রসঙ্গত, গত ২৪ মে এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল মেধাকে (Medha Patkar)। এদিন ঘোষণা করা হল সাজা। ২০০০ সালে ‘ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ সিভিল লিবার্টিজ’ নামে এক সংগঠনের সভাপতি পদে ছিলেন বিনয়। সেই সময় ‘নর্মদা বাঁচাও’ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন মেধা। আন্দোলন জোরদার করতে এই সময় মেধা একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন বলে অভিযোগ।

    মেধার বিরুদ্ধে গুচ্ছ অভিযোগ

    পরে বিনয়কে ‘কাপুরুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছিলেন মেধা। হাওয়ালা লেনদেনে বিনয়ের যোগ রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন নর্মদা বাঁচাও আন্দোলনের নেত্রী। বিনয়কে গুজরাট সরকারের দালাল বলেও অভিহিত করেছিলেন তিনি। মেধার আরও অভিযোগ, গুজরাটের জনগণ ও তাঁদের সম্পদকে বিদেশি স্বার্থের কাছে বন্ধক রাখা হয়েছে। এসবেরই প্রেক্ষিতে ২০০১ সালে আহমেদাবাদের এক আদালতে মেধার (Medha Patkar) বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন বিনয়। ২০০৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মামলাটি স্থানান্তরিত হয়েছিল দিল্লিতে।

    আর পড়ুন: আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য, তৃণমূল সাংসদের জরিমানা ৫০ লাখ

    ২৪ মে এই মানহানি মামলায় মেধাকে দোষী সাব্যস্ত করার সময় বিচারক বলেছিলেন, ‘ইচ্ছাকৃতভাবেই এবং অঙ্ক কষেই মেধা পাটকর ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন। এর মাধ্যমে বিনয় সাক্সেনার মানহানি করার উদ্দেশ্য ছিল তাঁর’। বিচারক আরও বলেছিলেন, ‘বিনয়কে অবৈধ ও অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত বলায়, তাঁর খ্যাতি ও মানের বড় ক্ষতি হয়েছে। মেধার কাছে এই সব অভিযোগের কোনও উপযুক্ত প্রমাণ নেই।’ আদালত জানিয়েছে, বিনয়ের বিরুদ্ধে করা মেধার অভিযোগগুলির নেপথ্যে ছিল জনগণের ক্ষোভ উসকে দেওয়ার উদ্দেশ্য। রায় শুনে মেধার (Medha Patkar) প্রতিক্রিয়া, “আমরা আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Saket Gokhale: আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য, তৃণমূল সাংসদের জরিমানা ৫০ লাখ

    Saket Gokhale: আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য, তৃণমূল সাংসদের জরিমানা ৫০ লাখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫০ লাখ টাকা জরিমানা তৃণমূল সাংসদের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী ও তাঁর স্ত্রী তথা প্রাক্তন কূটনীতিক লক্ষ্মী পুরীর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের সাকেত গোখেলের (Saket Gokhale) বিরুদ্ধে। সেই কারণেই তাঁকে জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)।

    সাকেতকে আদালতের নির্দেশ (Saket Gokhale)

    সোমবার দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি অনুপ জয়রাম ব্রহ্মাণীর বেঞ্চের নির্দেশ, লক্ষ্মীর কাছে ক্ষমা চেয়ে সাকেতকে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করতে হবে। আদালতের নির্দেশ, অন্তত ছমাস সাকেতের (Saket Gokhale) ওই পোস্ট থাকতে হবে এক্স হ্যান্ডেলে। এর পাশাপাশি একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিকে লক্ষ্মীর কাছে ক্ষমা চেয়ে বার্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ব্রহ্মাণীর বেঞ্চ। ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালের জুন মাসে। লক্ষ্মী ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ তুলে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছিলেন সাকেত। পোস্টে তৃণমূলের এই সাংসদ লিখেছিলেন, লক্ষ্মী পুরী সুইৎজারল্যান্ডে সম্পত্তি কিনেছেন। লক্ষ্মী ও তাঁর মন্ত্রী স্বামীর আয়ের উৎস নিয়েও সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিকবার পোস্ট করেছিলেন তৃণমূলের এই সাংসদ।

    মানহানির মামলা দায়ের

    এর পরেই সাকেতের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন লক্ষ্মী। দাবি করেন পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণও। তাঁর ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যে, অসত্য ট্যুইট ডিলিট করার নির্দেশ সাকেতকে দিতে আদালতে আবেদন জানান লক্ষ্মী। ওই বছরেরই ১৩ জুলাই লক্ষ্মীর বিরুদ্ধে করা সমস্ত পোস্ট চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ডিলিট করার নির্দেশ সাকেতকে দিয়েছিল দিল্লি হাইকোর্ট। লক্ষ্মীর বিরুদ্ধে আর কোনও মানহানিকর পোস্ট করা থেকেও সাকেতকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

    আর পড়ুন: ইভিএম নিয়ে ভুয়ো খবর, মিড ডে-র রিপোর্টার সহ একাধিক ব্যক্তির নামে এফআইআর

    লক্ষ্মীর মতো প্রাক্তন আমলা তাঁর স্বামী হরদীপও। তিনি ১৯৭৪ ব্যাচের আইএফএস। ব্রাজিল, জাপান, ব্রিটেন-সহ বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেছেন। চাকরিজীবন শেষে ২০১৩ সালে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। বর্তমানে হরদীপের কাঁধে রয়েছে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের দায়িত্ব। এহেন এক আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করার খেসারত দিতে হবে (Delhi High Court) তৃণমূলের সাংসদকে (Saket Gokhale)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RSS: শিক্ষায় দখলের অভিযোগ খড়্গের! পাল্টা তোপ ধনখড়ের

    RSS: শিক্ষায় দখলের অভিযোগ খড়্গের! পাল্টা তোপ ধনখড়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দিনেও রাজ্যসভায় শাসক বিরোধী তরজা অব্যাহত। এদিন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) ও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের মধ্যে প্রথমে মজার ছলে কথোপকথন শুরু হয়। কিন্তু খাড়গে তাঁর বক্তব্য আরএসএস (RSS) কেন্দ্রিক করতেই উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় দুজনের মধ্যে। নিটের বিষয়ে আলোচনা ইস্যুতে আরএসএসকে অহেতুক জড়িয়ে তির্যক মন্তব্য করেন কংগ্রেস সভাপতি। পাল্টা জবাব দিতে সময় নষ্ট করেননি জগদীপ ধনখড়।  

    ঠিক কী হয়েছিল?

    এদিন রাজ্যসভায় মল্লিকার্জুন খাড়গে অভিযোগ করেন, নিটের ৭০ টি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সাত বছরে লিক হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সবকিছু জেনেও চুপ থেকেছে মোদি সরকার। এর সঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের লোকেরা (RSS) দেশের পঠন-পাঠন সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি সংস্থায় ঢুকে পড়েছে। তাঁর অভিযোগ এনসিইআরটি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর পদে আরএসএস-এর লোকেরা বসে আছেন।

    জগদীপ ধনখড়ের পাল্টা জবাব (RSS)

    পাল্টা জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) প্রশ্ন করেন, আরএসএস করা কি অপরাধ? আরএসএস করলে কি কোনও ব্যক্তির কোনও সংস্থার প্রবেশাধিকার নষ্ট হয়ে যায়। আরএসএসের (RSS) প্রশংসা করে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “আরএসএস রাষ্ট্রের অগ্রগতির জন্য দায়বদ্ধ। রাষ্ট্রের উন্নয়নে স্বয়ংসেবকদের অবদান অনস্বীকার্য।” সোমবার কংগ্রেস সভাপতি আরও অভিযোগ করে বলেন, রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ ভাষণের প্রস্তাবের আড়ালে সরকার তাদের ব্যর্থতা লুকোতে চাইছে। রাষ্ট্রপতির ভাষণে গরীব, দলিত ও সংখ্যালঘুদের কথা উল্লেখ করা হয়নি। বিরোধীরা যখন সাধারণ মানুষের কথা বলছে, সেই সময় মোদি শুধু মন কি বাত করে যাচ্ছেন।

    আরও পড়ুন: ইভিএম নিয়ে ভুয়ো খবর, মিড ডে-র রিপোর্টার সহ একাধিক ব্যক্তির নামে এফআইআর

    প্রধানমন্ত্রীকে নির্বাচনের সময় বিভাজনমূলক বক্তব্য রাখার জন্য অভিযুক্ত করে খাড়গে বলেন, “এর আগে দেশের কোনও প্রধানমন্ত্রী এ কাজ করেননি।” কংগ্রেস পার্টির ম্যানিফেস্টোকে যেভাবে ধর্মের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছিল তা অবাঞ্ছিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share