Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: ‘‘সংখ্যার খেলা চলতেই থাকবে’’, দ্বিতীয় এনডিএ সরকারের শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠকে মোদি

    PM Modi: ‘‘সংখ্যার খেলা চলতেই থাকবে’’, দ্বিতীয় এনডিএ সরকারের শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠকে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার পদত্যাগপত্র জমা দিলেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি। আশা করা হচ্ছে শনিবার ৮ জুন শপথ নেবেন তিনি। পদত্যাগের আগে শেষবার মোদি ২.০ কেবিনেটের সঙ্গে বৈঠক (Modi Emotional Speech) করেন। বৈঠকে তিনি ক্যাবিনেটের মন্ত্রীদের উদ্দেশে (PM Modi) বলেন, ‘‘জয় পরাজয় রাজনীতির অঙ্গ।’’ ২০১৯-এর তুলনায় ২০২৪-এ আশাতীত ফল না হওয়ার জন্যই প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন বলে মনে করা হচ্ছে।

    শেষ ক্যাবিনেট বৈঠকে আবেগপ্রবণ ভাষণ মোদির

    ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) আরও বলেন, “জয় পরাজয় রাজনীতির অঙ্গ। মোট প্রাপ্ত আসনের সংখ্যা কখনও বেড়েছে কখনও কমেছে। সংখ্যার খেলা চলতেই থাকবে। আমরা দশ বছরে ভালো কাজ করেছি এবং আগামী দিনেও সেই কাজ করে যাব। আপনারা সকলেই ভাল কাজ করেছেন এবং আগামী দিনেও দিশা দেখাবেন।” সূত্রের খবর ক্যাবিনেটের শেষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদি ৩.০ কীভাবে কাজ করবে সে বিষয়ে মন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেন(Modi Emotional Speech)।

    তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হলে রেকর্ড ছোঁবেন মোদি

    প্রসঙ্গত মঙ্গলবার লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল বের হয়। শেষ দুবার বিজেপি একার দমে ২৭২ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতার সংখ্যা পেরিয়ে যায়। কিন্তু এবার এনডিএ জোট সরকার হিসেবে ক্ষমতায় আসার ইঙ্গিত দিয়েছে (Modi Emotional Speech) । সবচেয়ে বড় দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেও ২৭২ এর ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে পারেনি ভারতীয় জনতা পার্টি। অন্যদিকে এখনও সংখ্যাগরিষ্ঠতার থেকে অনেক দূরে খিচুড়ি জোটের সংখ্যা। তা সত্ত্বেও জোটের নেতারা আস্ফালন দেখালেন। তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হবেন জেনেও মোদির (PM Modi) মুখে শান্তির লেশমাত্র যেন ছিল না।

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দিলেন পদত্যাগপত্র, ৮ জুন প্রধানমন্ত্রী পদে তৃতীয়বার শপথ মোদির

    তবে আরেকটা রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জওহরলাল নেহেরুর পর তিনিই হবেন দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী যিনি তিনবার দেশের মসনদে বসবেন।প্রসঙ্গত বুধবার দুপুরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাতে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদি। ইস্তফা দিলেও পরবর্তী সরকার গঠন না হওয়া অবধি তিনিই থাকবেন দেশের কার্যনির্বাহী প্রধানমন্ত্রী। বড় অঘটনা না ঘটলে এনডিএ দেশের সরকার গড়বে আগামীতে এটাই প্রায় নিশ্চিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lucknow: ‘ভোট-প্রতিশ্রুতি’র ১ লক্ষ টাকা নিতে লখনউ কংগ্রেস দফতরে ভিড় জমালেন মুসলিম মহিলারা

    Lucknow: ‘ভোট-প্রতিশ্রুতি’র ১ লক্ষ টাকা নিতে লখনউ কংগ্রেস দফতরে ভিড় জমালেন মুসলিম মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই প্রকাশিত হয়েছে ২০২৪ লোকসভা ভোটের ফলাফল। ফলাফলে ইন্ডিয়া জোট অপ্রত্যাশিতভাবে উত্তর প্রদেশে বিজয়ী হয়েছে। আর সেই ফল প্রকাশের পরেই বুধবার লখনউ (Lucknow) এর একটি কংগ্রেস অফিসের বাইরে প্রচারের সময় প্রতিশ্রুত ‘গ্যারান্টি কার্ডের’ দাবিতে ভিড় জমায় অসংখ্য মহিলা। কারন নির্বাচনের আগে প্রচারের সময় কংগ্রেস অনেক পরিবারকে ‘গ্যারান্টি কার্ড’ বিতরণ করেছিল। একইসঙ্গে প্রতি দরিদ্র পরিবারের মহিলা প্রধানকে বার্ষিক ১ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল। আর এদিন সেই প্রতিশ্রুতির দাবি নিয়েই কংগ্রেস অফিসের (Congress office) বাইরে ভিড় জমান অসংখ্য মহিলা। 

    প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ (Lucknow)

    সম্প্রতি একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে এই গরমে রোদ মাথায় নিয়ে বেশ কিছু সংখ্যক মুসলিম মহিলা লখনউতে কংগ্রেস অফিসের (Congress office)  বাইরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। তাদের মধ্যে কিছু মহিলা ‘গ্যারান্টি কার্ড’ দাবি করেছেন। অন্যদিকে যারা ইতিমধ্যে তাদের গ্যারান্টি কার্ড পেয়েছেন তারা তাদের অ্যাকাউন্টে প্রতিশ্রুত অর্থ জমা দেওয়ার জন্য ফর্ম জমা দিয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেছেন যে তারা তাদের ফর্ম জমা দেওয়ার পরে কংগ্রেস অফিস থেকে রসিদ পেয়েছেন।

     

    ‘ঘর ঘর গ্যারান্টি’ কর্মসূচি  

    নির্বাচনের আগেই কংগ্রেস ২৫টি গ্যারান্টি কার্ড সহ প্রায় ৮ কোটি পরিবারের কাছে পৌঁছানোর জন্য ‘ঘর ঘর গ্যারান্টি’ কর্মসূচি চালু করেছিল। এর মধ্যে ছিল মহালক্ষ্মী স্কিম, যা দারিদ্র্য সীমার নীচে (বিপিএল) পরিবারের মহিলা প্রধানদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি প্রতি মাসে ৮,৫০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। এই প্রকল্পটি আসলে কর্ণাটকের কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন গৃহ লক্ষ্মী প্রকল্পের অনুরূপ। যদিও কর্ণাটকে দরিদ্র পরিবারের মহিলা প্রধানদের ২,০০০ টাকা প্রদান করে এই স্কিম।  

    আরও পড়ুন: সপ্তাহের শেষে শিয়ালদহ ডিভিশনে বাতিল বহু ট্রেন! আবারও ভোগান্তির আশঙ্কা নিত্য যাত্রীদের

    অন্যদিকে ইন্ডি জোট ক্ষমতায় এলে এসব সুযোগ সুবিধা পাওয়ার লক্ষ্যে সম্প্রতি অনেক মহিলা বেঙ্গালুরুর জেনারেল পোস্ট অফিসে অ্যাকাউন্ট খুলতে ছুটে এসেছেন। কারন তাঁরা আশা করেছিলেন যদি ইন্ডি জোট কেন্দ্রে ক্ষমতা পায় তাহলে মাসিক ৮,৫০০ টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে জমা হবে। তবে ফলাফল প্রকাশের পর দেখা গেছে ইন্ডি জোট এক্সিট পোলকে মিথ্যে করে দিয়ে ২৩৪টি আসনে জয়ী হয়েছে। একইসঙ্গে এনডিএ পরবর্তী সরকার গঠনের জন্যও প্রস্তুত করেছে নিজেদের। কারন বিজেপির (BJP) নেতৃত্বাধীন এনডিএ ২৯২টি আসন লাভ করে, ২৭২টি আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অতিক্রম করেছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: প্রেমের ফাঁদ পাতা বাংলাদেশে! হিন্দুদের নিয়ে গিয়ে চলছে ইসলামে দীক্ষিতকরণ

    Love Jihad: প্রেমের ফাঁদ পাতা বাংলাদেশে! হিন্দুদের নিয়ে গিয়ে চলছে ইসলামে দীক্ষিতকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গ থেকে অপহরণ করে বাংলাদেশে নিয়ে চলে যাওয়া হচ্ছে হিন্দু নারী-পুরুষ-শিশুদের। পরে জোর করে তাঁদের করা হচ্ছে মুসলমান ধর্মে ধর্মান্তকরণ (Love Jihad)। জানা গিয়েছে, পাচারকারীরা নানা অছিলায় হিন্দু তরুণীদের নিয়ে চলে যাচ্ছে বাংলাদেশে। সেখানেই চলছে জোর করে ধর্মান্তকরণ। সম্প্রতি এমনই ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় তাজ্জব প্রশাসন।

    অপহৃত হিন্দু কিশোরী (Love Jihad)

    কিছু দিন আগেই বাংলাদেশের সিপাহিজেলা থেকে অপহৃত হয় বছর পনেরোর এক হিন্দু কিশোরী। জনৈক সাব্বির আহমেদ ও তার বাবা তাকে অপহরণ করে বলে অভিযোগ। এর পরেই বাংলাদেশ প্রশাসন বর্ডার গার্ডকে (বিবিজি) এ ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়। ভারত থেকে অপহৃত মহিলা কিংবা তরুণীকে বাংলাদেশে নিয়ে আসার সময় পাকড়াও করার নির্দেশও দেওয়া হয়। বিবিজিকে এই নির্দেশ দেওয়া হলেও, স্থানীয় ম্যারেজ রেজিস্ট্রার এবং আদালতকে এ ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হয়নি। তার জেরেই বন্ধ হয়নি তরুণী অপহরণ কিংবা জোর করে ধর্মান্তকরণ (Love Jihad)। ফলশ্রুতি হিসেবে বাংলাদেশে বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে লভ জিহাদ ও হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তকরণ।

    অপহৃত ১১ জন গ্রেফতার

    এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটছে বলে ২০২০ সালে বাংলাদেশের কিছু মিডিয়া খবর করে। সেই সংবাদ প্রতিবেদনের লিঙ্ক শেয়ার করা নিষিদ্ধ করে দেয় ফেসবুক, কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘনের অজুহাতে। বাংলাদের নামী দৈনিক ‘যুগান্তর’ ও নিউজ পোর্টাল ‘জাগো নিউজ’ একটি প্রতিবেদনে জানায়, রামগঞ্জ উপজিলার লক্ষ্মীপুর জেলা থেকে স্থানীয় পুলিশ গ্রেফতার করেছে ১১ জন ভারতীয় নাগরিককে। এদের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশে অপহরণ করে নিয়ে আসা হয়েছিল, করা হয়েছিল ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তকরণও। মৌলবাদী ঘৃণা প্রচারক মিজানুর রহমান আজহারি স্বয়ং ধর্মান্তকরণের অনুষ্ঠান করেছিল। এই প্রতিবেদন থেকেই জানা গিয়েছিল, ২০০৬ সালে মাত্র চোদ্দ বছর বয়সে নিখোঁজ হয়ে যায় স্থানীয় কাউন্সিল সদস্য ফতেমা বেগম ও মোজিবল হকের ছেলে মনির হোসেন।

    ওপার বাংলার মনির এপারে এসে শঙ্কর!

    পশ্চিমবঙ্গে এসে সে যোগ দিয়েছিল তবলিঘি জামাতে। শঙ্কর অধিকারী নাম নিয়ে দিব্যি সে বাস করছিল এপার বাংলায়। এখানেই সে এক হিন্দু তরুণীকে বিয়ে করে। এক দশকেরও বেশি সময় এ দেশে বসবাস করার পর মনির ও তাঁর স্ত্রী ফাঁদে পড়ে তবলিঘি জামাতের। ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। জামাতের তরফে মনির ওরফে শঙ্করের সঙ্গে বাংলাদেশের এক ব্যক্তির পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। বাংলাদেশি এই নাগরিক মনিরকে হিন্দু তরুণী ও মহিলাদের বাংলাদেশের পাচারের অফার দেয়। তাঁদের ইসলামে দীক্ষিত করাতে হবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়। তার বিনিময়ে মনিরকে ওই বাংলাদেশি মোটা টাকা মিলবে বলেও টোপ দেয়। টোপ গেলে মনির। জানা গিয়েছে, এ রাজ্যের ছ’জন মহিলা, যাঁদের অধিকাংশই তার স্ত্রীর (যিনি আদতে হিন্দু) আত্মীয়, তাঁদের ভিসা দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বাংলাদেশে। মনিরের স্ত্রী ও দুই সন্তানকেও পাঠানো হয় তাঁদের সঙ্গে। সেখানে তাঁদের প্রত্যেককেই জোর করে মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত করা হয়।

    লভ জিহাদের ফাঁদ

    ‘যুগান্তরে’র অন্য এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচাং উপজিলার হিন্দু মহিলা করফুল সরকারকে লভ জিহাদের ফাঁদে ফেলে জোর করে ধর্মান্তকরণ করা হয়। সে পড়েছিল কাজল মিঞার খপ্পরে। প্রেমের জালে (Love Jihad) জড়িয়ে তাঁকে মুসলমান করার পর ফের হিন্দু ধর্মে ফিরে আসেন করফুল। এতেই খেপে যান স্থানীয় মুসলমান নেতারা। তাঁকে তাঁর বাবার বাড়ির বাইরে বসবাস করতে বাধ্য করেন। শর্ত দেওয়া হয়, তাঁর বাবা-সহ পরিবারের অন্য সদস্যদের হিন্দু ধর্ম ছেড়ে মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত হলে, তবেই মিলবে এক সঙ্গে বসবাসের অনুমতি।

    হিন্দু পরিবারকে মুসলমান হতে চিঠি!

    বাংলাদেশের এক প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক শামিম আহমেদ। সে-ও এক হিন্দু তরুণীকে অপহরণ করে বিয়ে করে জোর করে দীক্ষিত করে মুসলমান ধর্মে। পরিবারের তরফে অভিযোগ দায়ের করায় গ্রেফতার করা হয় শামিমকে। ২০২৩ সালের অগাস্টে কয়েকজন মুসলমান ঐশী বণিক নামে এক হিন্দু তরুণীকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হতে বাধ্য করে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার নামকরা বাংলা দৈনিক ‘ইত্তেফাকে’র একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ, সে দেশের কয়েকজন মুসলমান মাগুরা জেলার ৫০টি হিন্দু পরিবারকে মুসলিম ধর্মে দীক্ষিত হতে হবে বলে চিঠি দেয়। ওই ঘটনায় চারজন মুসলমানকে গ্রেফতার করেছিল বাংলাদেশের প্রশাসন। যদিও তারা প্রত্যেকেই জামিন পেয়ে যায়।

    অন্য একটি সংবাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, সৌদি আরবে ৩ লাখ ৪৭ হাজার হিন্দুকে ইসলামি গ্রুপের তরফে মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার টোপ দেওয়া হয়। ৩ লাখ ৪৭ হাজার হিন্দু ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন বলে ভুয়ো খবরও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পাকিস্তান এবং আরও কয়েকটি দেশেও রমরমিয়ে চলছে জোর করে ধর্মান্তকরণের ব্যবসা।

    আর পড়ুন: রেকর্ড গড়ল বিজেপি, বিরোধীশূন্য মধ্যপ্রদেশ পদ্মময়

    বাংলাদেশেরই আর একটি সংবাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ক্রমাগত চাপের কাছে নতি স্বীকার করে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশের মাদারিপুরের হিন্দু দম্পতি অশোক মিত্র ও তাঁর স্ত্রী পার্বতী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। এই মাসেই জনৈক সাগরিকা দাস লভ জিহাদের খপ্পরে পড়ে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হতে বাধ্য হন। চেন্নাই পুলিশ কীভাবে আন্তর্জাতিক লভ জিহাদের একটি ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে দিয়েছিল, সে খবর ফাঁস করে বাংলাদেশের নিউজ পোর্টাল ‘বাংলা ট্রিবিউন’।

    ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় যখন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ হিসেবে, তখন জীবন ও জীবিকা বাঁচাতে মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিল অনেক হিন্দু পরিবার। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৫৪ বছর আগে। যদিও আজও সেই ট্র্যাডিশন সমানে (Love Jihad) চলছে…

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Delhi Liquor Scam: আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির চার্জশিটে বিপদ বাড়ল বিআরএস নেত্রী কে কবিতার

    Delhi Liquor Scam: আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির চার্জশিটে বিপদ বাড়ল বিআরএস নেত্রী কে কবিতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে উঠে এলে মারাত্মক অভিযোগ। বিআরএস (BRS) নেত্রী কে কবিতা ১ হাজার ১০০ কোটি টাকার (Delhi Liquor Scam) নয়ছয়ে যুক্ত বলে চার্জশিটে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ। ইডির আইনজীবীর তরফে বিচারক কাবেরী বেওয়েজার কাছে এই চার্জশিট জমা দেওয়া হয়, যিনি সোমবার কবিতার বিচারবিভাগীয় হেফাজত ৩ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়েছিলেন।

    সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে মারাত্মক অভিযোগ (Delhi Liquor Scam)

    তেলঙ্গানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও (কেসিআর)-এর কন্যা কে কবিতার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করার আদেশের অনুসরণে আদালতে হাজির করার পর বিচারক তাঁর জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়িয়েছিলেন। ২৯ মে এই মামলায় বিআরএস নেত্রীর (K Kavitha) বিরুদ্ধে চার্জশিট আসার পর আদালত এই জেল হেফাজতের মেয়াদ বৃদ্ধি করে। আদালত তিন সহ-অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রিন্স, দামোদর এবং অরবিন্দ সিংকেও ইতিমধ্যে জামিন দিয়েছে। ইডি (Delhi Liquor Scam) তদন্তের সময় গ্রেপ্তার না করেই ওই তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছিল। “এখন পর্যন্ত তদন্ত অনুসারে, চিহ্নিত অপরাধের ১,১০০ কোটি টাকা নয়ছয় হয়েছে যার মধ্যে , যার মধ্যে ২৯২.৮ কোটির সরাসরি নয়ছয়ের সঙ্গে যুক্ত কবিতা। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কার্যকলাপের মাধ্যমে যেমন কবিতা, চমপ্রীত সিং, প্রিন্স কুমার, দামোদর শর্মা এবং অরবিন্দ সিং, অপরাধের বিপুল অর্থ উপার্জন করা হয়েছে, “চার্জশিটে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে যে কবিতা ২৯২.৮ কোটির নয়ছয়েতে জড়িত ছিল। যার মধ্যে কতিপয় নেতাদের ১০০ কোটির কিকব্যাক দেওয়া হয়েছিল। “কবিতা সাউথ গ্রুপের সদস্যদের সঙ্গে এবং কতিপয় নেতাদের সাথে মিলে অভিযুক্ত বিজয় নায়ারের মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা কিকব্যাক দিতে এবং অযাচিত সুবিধা পাওয়ার ষড়যন্ত্র করেছিল,” চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে।

    তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও সাক্ষীদের প্রভাবিত করার অভিযোগ কবিতার বিরুদ্ধে

    কবিতা, তাদের মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে সরকারী কর্মকর্তাদের কিকব্যাক প্রদান করে, ১০০ কোটি টাকার প্রুফ অফ কন্সেপ্ট তৈরিতে অংশ নিয়েছে, চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে যে তিনি তারপরে সরকারী কর্মকর্তাদের কাছে এই পিওসি স্থানান্তরে অংশ নিয়েছিলেন। কবিতার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি তাঁর মোবাইল ফোনের সমস্ত প্রমাণ মুছে ফেলেছেন। তিনি পরীক্ষার জন্য নয়টি ফোন উপস্থাপন করেছিলেন, যেগুলি ফরম্যাট করা হয়েছিল এবং ফোনে কিছু ছিল না। তিনি ফোন কেন ফর্ম্যাট করা হয়েছিল তাঁর কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

    আরও পড়ুন: বিজেপি ফের চারে-চার! হিমাচল প্রদেশে দাগ কাটতে পারল না কংগ্রেস

    ইডি আরও অভিযোগ করেছে যে, কবিতা সাক্ষীদের প্রভাবিত করার কাজেও জড়িত ছিল। কথিত (Delhi Liquor Scam) কেলেঙ্কারিতে ইডি এবং সিবিআই দায়ের করা দুটি মামলায় ৪৬ বছর বয়সি বিআরএস নেত্রী বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। “কেলেঙ্কারি” ২০২১-২২ এর জন্য দিল্লি সরকারের আবগারি নীতি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে কথিত দুর্নীতি এবং অর্থ পাচারের সাথে সম্পর্কিত যা পরে বাতিল করা হয়েছিল। ১৫ মার্চ কবিতাকে হায়দরাবাদের বানজারা হিলসের বাড়ি থেকে ইডি গ্রেফতার করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দিলেন পদত্যাগপত্র, ৮ জুন প্রধানমন্ত্রী পদে তৃতীয়বার শপথ মোদির

    PM Modi: রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দিলেন পদত্যাগপত্র, ৮ জুন প্রধানমন্ত্রী পদে তৃতীয়বার শপথ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তৃতীয় বারের জন্য শপথ নিতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জানা গিয়েছে আগামী শনিবার, ৮ জুন রাত ৮টা নাগাদ শপথ নিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ (Lok Sabha Election Results) হয়েছে। কেন্দ্রে এবারও ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। তাই এবার সরকার গঠনের পালা। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেস নেতা জওহরলাল নেহরুর পর মোদি তৃতীয় মেয়াদে সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। 

    বর্তমান পদ থেকে ইস্তফা মোদির (PM Modi)

    সরকার গঠন নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে বুধবার দুপুরে নরেন্দ্র মোদি ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করতে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছন। রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন নরেন্দ্র মোদি। রাষ্ট্রপতির হাতে পদত্যাগপত্র তুলে দেন তিনি। রাষ্ট্রপতি তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করেছেন। একই সঙ্গে নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত এই পদের দায়িত্ব সামলাতে মোদিকে (PM Modi) অনুরোধ করেছেন মুর্মু। 
    প্রসঙ্গত, এবারের লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election Results) বিজেপি ২৪০টি আসনে জয়ী হয়েছে, যা ৫৪৩ আসনের লোকসভায় সরকার গড়ার পক্ষে যথেষ্ট নয়। লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ২৭২টি আসন। কিন্তু সবমিলিয়ে এনডিএ জোট পেয়েছে ২৯২টি আসন। ফলে সরকার গঠনে ৩২টি আসনের জন্য শরিক দলগুলির উপর নির্ভর করতে হচ্ছে বিজেপি-কে। এই প্রথম বার সহযোগীদের সমর্থনের উপর নির্ভর করে সরকার গড়তে হবে বিজেপিকে (BJP)। যেখানে শরিকদলগুলির বড় ভূমিকা থাকবে। 

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে ৯০ শতাংশের বেশি প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

    বুধেই বৈঠক এনডিএ দলগুলির   

    বুধবার বিজেপির শরিকদলগুলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটা বৈঠক রয়েছে। যেখানে চন্দ্রবাবু নাইডু, নীতীশ কুমার সহ একাধিক এনডিএ শরিক উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার ফলাফল প্রকাশের (Lok Sabha Election Results) পরেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার বাড়িতে যান শাহ। সেখানে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক হয়। আর সেই বৈঠকের পরেই আজ বুধবার বৈঠক হতে চলেছে এনডিএ (NDA) দলগুলির মধ্যে। যেখানে আগামী কৌশল এবং মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court on Promotion: পদোন্নতি সাংবিধানিক অধিকার নয়, স্পষ্ট জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court on Promotion: পদোন্নতি সাংবিধানিক অধিকার নয়, স্পষ্ট জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদোন্নতি সাংবিধানিক অধিকার নয়। সম্প্রতি একটি মামলায়, (Supreme Court on Promotion) ভারতের সুপ্রিম কোর্ট (SC) বলেছে, যে সরকারি কর্মচারীরা তাঁদের অধিকার হিসাবে পদোন্নতি  দাবি করতে পারে না। ভারতের প্রধান বিচারপতি (Chief Justice) ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি মনোজ মিশ্র এবং বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালার বেঞ্চ জানিয়েছে, “ভারতে, কোনও সরকারি কর্মচারী পদোন্নতিকে তাঁদের অধিকার হিসাবে দাবি করতে পারে না। কর্মসংস্থানের প্রকৃতি অনুযায়ী কর্মচারী যে কাজগুলি পালন করবেন বলে আশা করা হবে তার উপর ভিত্তি করে সংস্থা বা দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা পদোন্নতিমূলক পদে শূন্যপদ পূরণের পদ্ধতি নির্ধারণ করতে পারে। পদোন্নতির জন্য গৃহীত নীতি ‘সেরা প্রার্থী’ নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত কিনা তা সিদ্ধান্ত নিতে আদালত পর্যালোচনায় বসতে পারে না। এটি সংবিধানের ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে সমান সুযোগের নীতি লঙ্ঘন করে।

    সিভিল বিচারকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত মামলা

    দেশের সর্বোচ্চ আদালতে বিষয়টি উঠেছিল গুজরাটের জেলা বিচারকদের ক্যাডারে সিভিল জজদের (সিনিয়র ডিভিশন) পদোন্নতি প্রক্রিয়াকে ঘিরে। এক্ষেত্রে, গুজরাট স্টেট জুডিশিয়াল সার্ভিস রুলস, ২০০৫ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সিভিল জজ পদমর্যাদার দুই বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদের অধীনে শীর্ষ আদালতের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। গুজরাট হাইকোর্টের বিরুদ্ধে তাঁদের অভিযোগ ছিল যে, ২০২২ সালে সিভিল জজদের (সিনিয়র বিভাগ) বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা জজ পদে পদোন্নতির জন্য গৃহীত নিয়োগে ‘মেরিট-কাম-সিনিয়রিটি’নীতিটি ভুলভাবে প্রয়োগ করেছে। ২০০৫ সালের বিধি নং ৫(১) নিয়মে বলা হয়েছে যে পদোন্নতি ‘মেরিট-কাম-সিনিয়রিটি’ নীতির ভিত্তিতে হওয়া উচিত।

    সর্বোচ্চ আদালতের রায় (Supreme Court on Promotion)

    শীর্ষ আদালতের সাফ কথা, ভারতে কোনও সরকারি কর্মীই পদোন্নতিকে নিজেদের অধিকার বলে দাবি করতে পারে না। কারণ সরকার সংবিধানে এই ধরনের কোনও বিধান নেই। এটা সম্পূর্ণ আইনসভা ও নির্বাহী কর্মকর্তাদের বিষয়। সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতির অধিকারের বিষয় আইনসভা, কেন্দ্রের ক্ষেত্রে সংসদ এবং রাজ্য সরকারের ক্ষেত্রে বিধানসভার এক্তিয়ারে পড়তে পারে। সংসদ ও বিধানসভাই এ সংক্রান্ত আইন পাশ করার অধিকারী।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে ৯০ শতাংশের বেশি প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত!

    পদোন্নতির বিষয়টিতে আদালত যে হস্তক্ষেপ করতে পারে না, সেটাও স্পষ্ট করে দিয়েছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। সুপ্রিম কোর্ট নির্দিষ্ট করে জানিয়েছে, সংবিধানে কোনও বিধি লিপিবদ্ধ নেই সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে। প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, ভারতে সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতির অধিকার নিয়ে কোনও সাংবিধানিক অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া নেই। কার পদোন্নতি হবে বা হবে না এ নিয়ে পর্যালোচনাও করবে না সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court on Promotion)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Himachal Pradesh: বিজেপি ফের চারে-চার! হিমাচল প্রদেশে দাগ কাটতে পারল না কংগ্রেস 

    Himachal Pradesh: বিজেপি ফের চারে-চার! হিমাচল প্রদেশে দাগ কাটতে পারল না কংগ্রেস 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চারে-চার! হিমাচল প্রদেশের (Himachal Pradesh) চারটি আসনেই জয়ী বিজেপি প্রার্থীরা। হিমালয়ের রঙ শুধুই গেরুয়া। দাগ কাটতে পারল না কংগ্রেস। জেতা আসনও হাত থেকে বেরিয়ে গেল! নেপথ্যে বিজেপির বহু চর্চিত তারকা প্রার্থী তথা বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। মাণ্ডী আসনটিতে ৭৪ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন বলিউড কুইন। যা পাল্টে দিয়েছে হিমাচলের অঙ্ক। রাজ্যে কংগ্রেস ক্ষমতাসীন থাকলেও ২০১৪ সালের পর থেকে হিমাচলের চারটি লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্রে সে ভাবে তারা দাগ কাটতে পারেনি।

    হিমাচলের হাওয়া

    হিমাচলের (Himachal Pradesh) চারটি কেন্দ্রেই ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে একতরফা জয় পেয়েছিল বিজেপি। দু’বারই ভোটের ফল ছিল চারে চার। তবে এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে সমীকরণটা ছিল অন্যরম। বিজেপির দখলে ছিল তিনটি আসন— হামিরপুর, কাংড়া এবং শিমলা। মাণ্ডী আসনটি কংগ্রেসের দখলে। ২০২১ সালে মাণ্ডীর সাংসদ রামস্বরূপ শর্মার মৃত্যুর পর উপনির্বাচনে জিতেছিলেন কংগ্রেসের প্রতিভা সিং। তবে এ বার তিনি প্রার্থী হননি। বদলে কংগ্রেস টিকিট দিয়েছিল প্রতিভার পুত্র বিক্রমাদিত্যকে। তাঁকে হারিয়ে দিয়েছেন কঙ্গনা। এই প্রথম বার ভোটে লড়লেন বলিউড কুইন।

    বিজেপির দাপট

    মাণ্ডী ছাড়া হামিরপুর, শিমলা এবং কাংড়া নিয়ে বিশেষ সংশয় ছিল না বিজেপির। হামিরপুরে বিজেপি প্রার্থী তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর ১ লক্ষ ৮২ হাজার ভোটে জিতেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কংগ্রেস প্রার্থী করেছিল সৎপাল রায়জাদাকে। কাংড়ায় বিজেপির টিকিটে এবার লড়েছিলেন রাজীব ভরদ্বাজ। তিনি কংগ্রেসের আনন্দ শর্মাকে আড়াই লক্ষ ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন। শিমলায় বিজেপির সুরেশ কুমার কাশ্যপও প্রায় ৯০ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন।

    আরও পড়ুন: পর পর তিনবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পদে মোদি, বিশ্ব নেতাদের শুভেচ্ছা বার্তা

    অনুরাগে অনুগামী

    হিমাচলে (Himachal Pradesh) গত দুই লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) ফলাফল দেখলে বোঝা যাচ্ছে, হামিরপুরে ২০১৪ সালে ৫৩.৬ শতাংশ ভোট পেয়েছিল বিজেপি। কংগ্রেস প্রার্থী রাজেন্দ্র সিং রানাকে হারিয়ে বিজেপির অনুরাগ জিতেছিলেন ৯৮ হাজারেরও বেশি ভোটে। পরের বার ব্যবধান চোখে পড়ার মতো বাড়িয়ে ফেলেন অনুরাগ। ২০১৯ সালে হামিরপুরে প্রায় ৪ লক্ষ ভোটে জেতে বিজেপি। অনুরাগের বিরুদ্ধে সে বার কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলেন রামলাল ঠাকুর। ভোট পড়েছিল ৭০.৮৩ শতাংশ।

    হামিরপুরে এখন মোট ভোটার ১৪.১১ লক্ষ। অনুরাগ বর্তমানে কেন্দ্রীয় তথ্য এবং সম্প্রচারমন্ত্রী। ক্রীড়া এবং যুব বিষয়ক মন্ত্রকও সামলান তিনি। ২০০৮ সালে এই কেন্দ্র থেকে প্রথম বার উপনির্বাচনে লড়ে জয় পেয়েছিলেন অনুরাগ। পরে ২০০৯, ২০১৪ এবং ২০১৯ সালেও জেতেন তিনি। হামিরপুরকে বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত করে ফেলেছিলেন অনুরাগ। এবারও তাঁর ব্যতিক্রম হল না। একই কেন্দ্র থেকে পাঁচবার সাংসদ হলেন অনুরাগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election Result: রেকর্ড গড়ল বিজেপি, বিরোধীশূন্য মধ্যপ্রদেশ পদ্মময়

    Lok Sabha Election Result: রেকর্ড গড়ল বিজেপি, বিরোধীশূন্য মধ্যপ্রদেশ পদ্মময়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশে ঐতিহাসিক জয় বিজেপির। মঙ্গলবার অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election Result) ফল বের হলে দেখা যায়, এ রাজ্যের সবকটি আসনেই জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা। এর মধ্যে রয়েছে কংগ্রেসের শক্তঘাঁটি ছিন্দেওয়াড়াও। মধ্যপ্রদেশে লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে ২৯টি। সবক’টিতেই বিজেপির কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন বিরোধীরা। উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, ফগ্গন সিংহ কুলাস্তে এবং বীরেন্দ্র কুমার।

    বিপুল ভোটে জয় (Lok Sabha Election Result)

    অবিভক্ত মধ্যপ্রদেশে এরকম ফল হয়েছিল চল্লিশ বছর আগে, ১৯৮৪ সালে। সেবার ৪০টি আসনেই জয়ী হয়েছিল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের মতে, ইন্দিরা হত্যার সহানুভূতির হাওয়ায় জিতেছিল কংগ্রেস (Lok Sabha Election Result)। পরে ভাগ হয় মধ্যপ্রদেশ। তার পর এই প্রথম রাজ্যের ২৯টি আসনেই ফুটেছে পদ্ম। এ রাজ্যে ১ থেকে ৫ লাখ ভোটের ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থীরা জিতেছেন ২৬টি আসনে। ভিন্দ, গ্বয়ালিয়র এবং মোরেনা কেন্দ্রে পদ্ম ফুটেছে এক লাখের কিছু কম ভোটে। এ রাজ্যে চমকে দেওয়ার মতো ফল করেছেন ইন্দোরের শঙ্কর লালওয়ানি। তিনি জয়ী হয়েছেন ১১ লাখ ৭৫ হাজার ০৯২টি ভোটে।

    চোখ ধাঁধানো ফল বিদিশায়ও

    বিজেপি চোখ ধাঁধানো ফল হয়েছে বিদিশায়ও। এখানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পদ্ম-প্রার্থী শিবরাজ সিংহ চৌহান জিতেছেন ৮ লাখ ২১ হাজার ভোটে। খাজুরাহো, গুণা, ভোপাল এবং মান্দসাউরে বিজেপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন পাঁচ লাখেরও বেশি ভোটে। এ রাজ্যে বিজেপির আরও একটি চোখ ধাঁধানো সাফল্য হল ছিন্দওয়াড়ার রাশ হাতে নেওয়া। ১৯৯৭ সালের পর এবার এই কেন্দ্রে ফুটল পদ্ম।

    এখানে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন বান্টি বিবেক সাহু। তিনি বিদায়ী সাংসদ নকুল নাথকে হারিয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ৬১৮ ভোটে। দীর্ঘদিন এই কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন কংগ্রেসের কমল নাথ। এবার দল প্রার্থী করেছিল তাঁর ছেলে নকুলকে। সেই নকুলকেই গোহারা হারিয়ে ছিন্দওয়াড়ার রাশ হাতে নিয়ে নিল বিজেপি।

    আর পড়ুন: দিল্লিতে বৈঠকে বসছে এনডিএ, কারা উপস্থিত থাকছেন জানেন?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপির জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এবং ফগ্গন সিংহ কুলাস্তেও বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন যথাক্রমে গুণা ও মান্ডলায়। রাজনৈতিক মহলের সিংহভাগের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বহু শোভাযাত্রা-প্রচার-সমাবেশ এবং কৌশলের কাছে এ রাজ্যে পরাস্ত হয়েছেন বিরোধীরা (Lok Sabha Election Result)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Suresh Gopi: সুরেশ গোপীর হাত ধরে কেরলে খাতা খুলল বিজেপি, জানুন এই ব্যক্তি সম্পর্কে

    Suresh Gopi: সুরেশ গোপীর হাত ধরে কেরলে খাতা খুলল বিজেপি, জানুন এই ব্যক্তি সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথম কেরলের কোনও লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হল বিজেপি (BJP)। ত্রিশুর (Thrissur) লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী সুরেশ গোপী (Suresh Gopi)। এক্ষেত্রে বলে রাখা ভাল দীর্ঘদিন ধরে কেরলে চেষ্টা করেও পা জমাতে পারছিল না গেরুয়া শিবির। সঙ্ঘ পরিবার দীর্ঘদিন ধরে মাটি তৈরি করার কাজ করলেও এই প্রথম তারকা প্রার্থী সুরেশ গোপি ৭৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে তাঁর নিকটতম বাম দলের (CPI) প্রার্থী বিএস সুনীল কুমারকে পরাজিত করেছেন। এর আগে ২০১৯-এর লোকসভা এবং ২০২১-এর বিধানসভা ভোটে বিজেপি তাঁকে প্রার্থী করেছিল। কিন্তু দুবারই জয় অধরা থেকে গিয়েছিল এই দক্ষিণী তারকার। শেষ পর্যন্ত ২৪-এর নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) শেষ হাসি হাসলেন তিনিই।

    কে এই সুরেশ গোপী ?

    ১৯৫৮ সালের ২৬ জুন কেরলের আলাপুজায় জন্মগ্রহণ করেন সুরেশ। ৬৫ বছর বয়সে বিজেপি প্রার্থী ১৯৬৫ সাল থেকে শিশু শিল্পী হিসেবে নিজের অভিনয় কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। তিনি ইংরেজি সাহিত্যের স্নাতক করেছেন। বহু দক্ষিনী সিনেমায় তাঁর অভিনয় নজর কেড়েছে দর্শকের। ভোটের (Lok Sabha Election 2024) হলফনামাতেও পেশা হিসেবে অভিনয়ের কথাই উল্লেখ করেছেন ওই বিজেপি নেতা (Suরesh Gopi) । ২০১৬ সালের অক্টোবরে, গোপীকে বিজেপি সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় মনোনীত করেছিল। পার্টিতে যোগদানের পর, গোপী কেরলের তারকা প্রচারক হয়েছেন।

    ত্রিশুরে ত্রিমুখী লড়াইয়ে জয়ী সুরেশ (Suresh Gopi)

    এবার ত্রিশুরে ত্রিমুখী লড়াই হয়েছিল বিজেপি কংগ্রেস-সিপিআই-এর মধ্যে (Lok Sabha Election 2024)। লোকসভা নির্বাচনের প্রচার চলাকালীন স্থানীয় নেতারা হুংকার দিয়েছিলেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বাধীন এনডিএ কেরলে একটিও আসন পাবে না। অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ সুরেশ গোপী (Suresh Gopi) অবশেষে কেরলে পদ্ম ফুটিয়েই ছাড়লেন। অন্যদিকে হারতে হারতে বেঁচেছেন তিরুঅনন্তপুরমের কংগ্রেস প্রার্থী শশী তারুর। সেখানেও বিজেপির জেতার সম্ভাবনা ছিল।

    আরও পড়ুন: নীতীশ এনডিএতেই, বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছেন দিল্লিও, জানিয়ে দিল দল

    শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসলেন অভিনেতা

    জয়ী (Lok Sabha Election 2024) হওয়ার পর মালয়লাম অভিনেতা মামুট্টি এবং মোহনলাল তাঁদের সহ অভিনেতা সুরেশ গোপীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সুরেশ গোপীর এই জয়ের সঙ্গে বিজেপি (BJP) অবশেষে কেরল রাজ্যে খাতা খুলেছে। তিনি এখন সংসদে রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করবেন। তিনি অনেক সেলিব্রিটি এবং তার উৎসাহী ভক্তদের থেকে (Suresh Gopi) অভিনন্দনও পেয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Lok sabha election: দিল্লিতে ৯০ শতাংশের বেশি প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত!

    Delhi Lok sabha election: দিল্লিতে ৯০ শতাংশের বেশি প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে লোকসভা (Delhi Lok sabha election) আসনের সংখ্যা মাত্র সাতটি। কিন্তু দেশের ক্ষমতায় থাকার জন্য রাজধানীতে নিজেদের অবস্থান ভালো রাখতে চায় যে কোনও রাজনৈতিক দলই। সে ধারাবাহিকতায় কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টির (আপ) জোটকে পেছনে ফেলে এবারের লোকসভা ভোটে দিল্লির ৭ আসনেই জয়ী হল বিজেপি। দেশের বেশির ভাগ রাজ্যে ইন্ডি জোট ভালো ফল করলেও দিল্লিতে (Delhi) কিন্তু দাঁত ফোটাতে পারেনি তারা। ফলাফল এতটাই হতাশা জনক হয় যে ৯১ শতাংশ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। অর্থাৎ রাজধানীতে অবস্থান ধরে রাখার লড়াইয়ে এবার এগিয়ে গেল বিজেপি।  
    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনে দিল্লির সাতটি আসনের ১৬২ জনের মধ্যে ১৪৮ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত (security deposits) হয়েছে। এর মধ্যে চাঁদনি চক থেকে ২৩ জন, নিউ দিল্লি থেকে ১৫ জন, দক্ষিণ দিল্লি থেকে ২০ জন, পূর্ব দিল্লি থেকে ১৮ জন, পশ্চিম দিল্লি থেকে ২২ জন, উত্তর পূর্ব দিল্লি থেকে ২৬ জন এবং উত্তর পশ্চিম দিল্লি থেকে ২৪ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।    

    কী কারনে এই সিদ্ধান্ত? (Delhi Lok sabha election)  

    নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুসারে, একজন প্রার্থীকে তাঁর জামানত রক্ষার জন্য নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটের কমপক্ষে এক-ষষ্ঠাংশ অর্থাৎ ১৬.৬৭ শতাংশ ভোট অর্জন করতে হবে। তা না হলে সাধারণের জন্য ২৫,০০০টাকা এবং তফসিলি জাতি প্রার্থীদের জন্য ১২,৫০০ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হবে। আসলে নির্বাচনী আইনে প্রার্থী হওয়াতে কোনও সংখ্যা বেঁধে দেওয়া নেই। তবে ইচ্ছামতো বা সখে প্রার্থী হওয়া আটকানোর একমাত্র উপায় হল, জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া। অর্থাৎ নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা অর্থ ফেরত না পাওয়া। এবার নির্বাচন কমিশনের সেই আইনেই দিল্লির ৯১ শতাংশ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: উত্তরে ভারী বৃষ্টি আর দক্ষিণে চরম অস্বস্তি! আবারও ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ

    সাত আসনেই জয়ের ধারা অব্যাহত বিজেপির

    প্রসঙ্গত, এ বার দিল্লিতে (Delhi) ৪-৩ সমীকরণে আসন সমঝোতা হয়েছিল আপ এবং কংগ্রেসের মধ্যে। তা-ও আবার একেবারে শেষ মুহূর্তে। ছাড়বে না, ছাড়বে না করেও আপ শেষমেশ কংগ্রেসকে ৩টি আসন দিয়েছিল। আপ লড়েছিল ৪টি আসনে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল আপ এবং কংগ্রেস কেউই খাতা খুলতে পারল না। সবকটি আসনে (Delhi Lok sabha election) জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল বিজেপিই।
    উল্লেখ্য, সাতটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের (Delhi Lok sabha election) মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে বিজেপি, দ্বিতীয় স্থানে ইন্ডি জোট আর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন বিএসপির প্রার্থীরা। ১৪ জন বিজয়ী এবং দ্বিতীয় স্থানাধিকারী ছাড়া অন্য প্রার্থীদের কেউই ২০,০০০ ভোটের সংখ্যা অতিক্রম করতে পারেনি। চাঁদনি চক থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী অশোক কুমার গুপ্ত মাত্র ১৪০ ভোট পান, যা সাতটি আসনে ভোটের সংখ্যার মধ্যে সর্বনিম্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share