Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Union Budget: আজ সপ্তম বার বাজেট পেশ করবেন নির্মলা সীতারামন, কার রেকর্ড ভাঙবেন জানেন?

    Union Budget: আজ সপ্তম বার বাজেট পেশ করবেন নির্মলা সীতারামন, কার রেকর্ড ভাঙবেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তমবার বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। অর্থমন্ত্রী হিসেবে সাতবার (Union Budget) বাজেট পেশ করলে রেকর্ড গড়বেন তিনি। এর আগে মোরারজি দেশাই ৬ বার বাজেট পেশ করেছেন। সেই রেকর্ড আগেই ছুঁয়ে ফেলেছেন নির্মলা। সোমবার থেকে শুরু হয়েছে সংসদের বাদল অধিবেশন। ২৩ জুলাই, বাজেট পেশ করে নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) প্রথম অর্থমন্ত্রী হবেন যিনি সাত বারের জন্য বাজেট পেশ করবেন।

    ৬ বার বাজেট পেশ করেছেন মোরারজি দেশাই (Union Budget)

    ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৪ সাল অবধি মোরারজি দেশাই ভারতের অর্থমন্ত্রী ছিলেন তিনি ছটি বাজেট প্রস্তাব পেশ করেছিলেন। এর মধ্যে পাঁচটি পূর্ণ প্রস্তাব এবং একটি অন্তর্বর্তী বাজেট ছিল। এবারের বাজেট (Union Budget) প্রস্তাব আগের বারের মতোই কাগজবিহীন বাজেট হবে। চলতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করা হয়েছিল। নির্বাচনের পর ফের ক্ষমতায় এসেছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট সরকার। এবারের বাজেট পেশ করার আগে অর্থ মন্ত্রকের আধিকারিক সহ দেশের বিভিন্ন অর্থনীতি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলেছিলেন অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman)। ২০ জুন তিনি বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়ন, শিক্ষা স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধি, লঘু ও ভারী শিল্প উদ্যোগ সহ বিভিন্ন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন। কথা হয় বাজির ঘাটতি এবং সরকারের খরচ কমানোর নিয়েও।

    বাড়বে সরকারের খরচ (Nirmala Sitharaman)

    যদিও কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি আশা প্রকাশ করেছে, সরকারের খরচ বৃদ্ধি হবে এবারের বাজেটে (Union Budget)। ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে মনে করে তাঁরা। এবার বিভিন্ন কৃষি সংগঠন অর্থমন্ত্রীর (Nirmala Sitharaman) কাছে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে। ১২ অগাস্ট পর্যন্ত বাদল অধিবেশনে ১৯ দিন সংসদ খোলা থাকবে। আশা করা হচ্ছে এবার সরকার কেন্দ্রীয় সরকার সাতটি বিল পেশ করতে চলেছে। তার মধ্যে অন্যতম এয়ারক্রাফট বিল।

    আরও পড়ুন: বাজেটের আগেই সংসদে পেশ হবে অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্ট

    এছাড়াও জম্মু-কাশ্মীরের বাজেটের জন্য সংসদের সম্মতিও উল্লেখযোগ্য বিষয়। ২৩ জুলাই সংসদে বাজেট পেশ ছাড়াও, ফিন্যান্স বিল নিয়ে আলোচনা হবে। জানা গিয়েছে, এবারের অধিবেশনে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট আইন, ভারতীয় বায়ুযান বিল, ২০২৪ বয়লার্স বিল, কফি ও রবার প্রমোশন বিল পাশ করানোর চেষ্টা করবে সরকার।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: ভূস্বর্গে ঢুকেছে পাক জঙ্গি, ব্যবস্থা নিতে মোতায়েন ৫০০ কমান্ডো

    Jammu And Kashmir: ভূস্বর্গে ঢুকেছে পাক জঙ্গি, ব্যবস্থা নিতে মোতায়েন ৫০০ কমান্ডো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) অনুপ্রবেশ করেছে প্রশিক্ষিত পাকিস্তানি জঙ্গি। সেই কারণেই আরও আঁটসাঁট করা হল ভূস্বর্গের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর (Indian Army), প্রায় ৫০০ প্যারা স্পেশাল ফোর্স কমান্ডো মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পাকিস্তান থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে ৫০ থেকে ৫৫ জন প্রশিক্ষিত জঙ্গি। এলাকায় অশান্তির ছক কষেছে তারা। এদেরই দমন করতে মোতায়েন করা হচ্ছে ওই কমান্ডোদের।

    গোয়েন্দা তৎপরতা তুঙ্গে (Jammu And Kashmir)

    অভিযান চালানোর আগে জঙ্গিদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে তথ্য সংগ্রহ করছেন গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকরা। এই অঞ্চলে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দাদের তৎপরতাও। এই জঙ্গিদের কারা সাহায্য করছে, কোথা থেকেই বা রসদ জোগাড় করছে, সেসবও জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। ভারতীয় সেনার তরফে টহলদারির জন্য অতিরিক্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে। এই বাহিনীতে রয়েছেন সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার দক্ষ সেনা। জঙ্গি দমনের ছকও কষে নিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    জঙ্গি মোকাবিলায় গুচ্ছ ব্যবস্থা

    জানা গিয়েছে, অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ও উন্নত কমিউনিকেশন ডিভাইস রয়েছে এই জঙ্গিদের হাতে। তাদের হাতে চলে এসেছে আফগানিস্তানে নেটো ও মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া অত্যাধুনিক সব অস্ত্র (Jammu And Kashmir)। জঙ্গিদের সেই অস্ত্রচালনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাকর্তারা। এদের মোকাবিলায় তাই মোতায়েন করা হয়েছে দক্ষ সেনা। এই এলাকায় সন্ত্রাস-বিরোধী পরিকাঠামোও সম্প্রতি গড়ে তুলেছে ভারতীয় সেনা। যাতে রয়েছে রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের দুটি ব্যাটেলিয়ন – রোমিও এবং ডেল্টা ফোর্স। এর পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন রেগুলার ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনও।

    আরও পড়ুন: ‘‘জনজাতিদের জমি ও অধিকার রক্ষা করবে বিজেপি’’, ঝাড়খণ্ডে বললেন অমিত শাহ

    জম্মু-কাশ্মীরে শুরু হয়েছে উন্নয়ন যজ্ঞ। জঙ্গি কার্যকলাপ ছড়িয়ে দিয়ে সেই উন্নয়ন যজ্ঞই ব্যাহত করতে চাইছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই কারণেই ভারতে জঙ্গি ঢুকিয়ে অশান্তি জিইয়ে রাখতে চায় পাক সরকার। এতে লাভ হয় দু’দিক থেকে। এক, ‘হা-ভাতে’র দেশ পাকিস্তানে অনায়াসেই মেলে জঙ্গি হওয়ার জন্য তাজা রক্ত। আর দুই, ‘যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা’ চালিয়ে গেলে দেশে বয়ে যায় দেশপ্রেমের বন্যা। তখন আর অনাহার-অপুষ্টি নিয়ে (Indian Army) বিশেষ মাথা ঘামায় না কেউ। তাই ভূস্বর্গে (Jammu And Kashmir) নিরন্তর জ্বলতে থাকে অশান্তির গনগনে আগুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madhya Pradesh: স্ত্রী ও বাবা-মায়ের মধ্যে আর্থিক সাহায্যের সমান ভাগ, ‘নেক্সট টু কিন’ প্রকল্পে বড় ঘোষণা মধ্যপ্রদেশে

    Madhya Pradesh: স্ত্রী ও বাবা-মায়ের মধ্যে আর্থিক সাহায্যের সমান ভাগ, ‘নেক্সট টু কিন’ প্রকল্পে বড় ঘোষণা মধ্যপ্রদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রী এবং বাবা-মায়ের মধ্যে আর্থিক সাহায্যের সমান ভাগের কথা জানিয়ে ‘নেক্সট টু কিন’ বিতর্কের মধ্যে মধ্যপ্রদেশ (Madhya Pradesh) সরকার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি ভারতীয় সেনাকর্মী অংশুমান সিং-এর মরণোত্তর সম্মান ‘কীর্তি চক্র’ নিয়ে তাঁর বাবা-মা দাবি করেছিলেন, এই সম্মাননা নিয়ে পুত্রবধূ বাড়ি থেকে চলে গিয়েছেন। একই ভাবে ‘নেক্সট অফ কিন’ নীতি বদলের কথাও তুলেছেন তাঁরা। ঠিক এমন অবস্থায় মধ্যপ্রদেশের মোহন যাদবের সরকার ঘোষণা করেছেন, কর্তব্যরত অবস্থায় কোনও পুলিশকর্মীর মৃত্যু হলে আর্থিক সহায়তা তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে বাবা-মাকেও দেওয়া হবে। রাজ্যের পুলিশ বিভাগে এই নির্দেশ কার্যকর হবে।

    ‘নেক্সট অফ কিন’ প্রকল্পে সরকারের ঘোষণা (Madhya Pradesh)

    মধ্যপ্রদেশের বীরগতি প্রাপ্ত জওয়ান অংশুমানের বাবা-মা ‘নেটক্স অফ কিন’ প্রকল্পে বদলের দাবি করেছিলেন। মাত্র কয়েক দিনের মাথায় মধ্যপ্রদেশ সরকার এই নির্দেশিকা জারি করেছে। এই প্রকল্পে বলা হয়েছে, কোনও পুলিশকর্মী যদি কর্তব্যরত অবস্থায় মৃত্যু হয়, তাহলে পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। এই আর্থিক সাহায্যের পরিমাণ ১ কোটি টাকা। এতদিন পর্যন্ত পুলিশ কর্মী বিবাহিতা হলে এই আর্থিক সাহায্যের সম্পূর্ণ টাকা পেতেন কেবলমাত্র তাঁর স্ত্রী। কিন্তু এবার থেকে নতুন ঘোষণায় স্ত্রী এবং বাবা-মায়ের মধ্যে সমান ভাবে ভাগ করে দেওয়া হবে। বাবা-মা পাবেন ৫০ লাখ এবং স্ত্রী পাবেন ৫০ লাখ টাকা। একই সঙ্গে বিশেষ সম্মান পেলে তার উপরও অধিকার থাকবে বাবা-মায়ের।

    আরও পড়ুনঃ নিট প্রশ্ন ফাঁসের ‘মাস্টারমাইন্ড’ শশী সহ আরও দুই ‘সলভার’ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জালে

    নমিনির নিয়মে পুনর্বিবেচনা করুক

    মাত্র কয়েকদিন আগেই ক্যাপ্টেন অংশুমান সিং-এর (Madhya Pradesh) কীর্তি সম্মান নিয়ে ব্যাপক ভাবে চর্চা হয়েছিল। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে সিয়াচিনের এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে উদ্ধার করতে গিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন তিনি। উদ্ধার কাজ করতে গিয়ে নিজে নিহত হয়েছিলেন। এরপর এই বছর ৫ জুলাই তাঁর এই কাজের সম্মানে ‘কীর্তি চক্র’ প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এই সম্মান গ্রহণ করতে রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়েছিলেন অংশুমানের স্ত্রী স্মৃতি এবং মা মঞ্জু। এরপর এই সম্মান পুরস্কার নিজের বাবার বাড়ি নিয়ে চলে যান স্মৃতি। পাল্টা সরব হন অংশুমানের বাবা-মা। বাবা প্রতাপ সিং বলেছেন, “আমরা চাই সরকার নমিনির নিয়মে পুনর্বিবেচনা করুক। অভিভাবকদের যাতে কষ্ট করতে না হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Economic Survey: বাজেটের আগেই সংসদে পেশ হবে অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্ট

    Economic Survey: বাজেটের আগেই সংসদে পেশ হবে অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩ জুলাই সংসদে পেশ হবে তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Budget 2024)। তার আগের দিন সোমবার সংসদে অর্থনৈতিক সার্ভে (Economic Survey) রিপোর্ট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। ভারতীয় অর্থনীতির রিপোর্ট কার্ডও বলা যেতে পারে একে। গত অর্থবর্ষে দেশের বৃদ্ধির হার কেমন ছিল, তাও জানা যাবে এই ইকনোমিক সার্ভে থেকে।

    ইকনোমিক সার্ভের রিপোর্ট (Economic Survey)

    প্রতি বছর কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের আগেই পেশ হয় ইকনোমিক সার্ভের রিপোর্ট। তা থেকেই জানা যায় দেশের অর্থনীতির হাল কেমন, সমৃদ্ধিই বা কেমন, আর্থিক নীতিতে কোনও বদল হল কিনা, এই সব। সার্ভে রিপোর্টটি বানিয়েছে মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরণের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞদের একটি দল। ইকনোমিক এই সমীক্ষার রিপোর্ট থেকেই জানা যায় দেশে কর্মসংস্থানের হার কত, জিডিপি গ্রোথই বা কেমন, মুদ্রাস্ফীতি এবং বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ সম্পর্কে।

    অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার

    ভারতের গায়ে সেঁটে গিয়েছে দ্রুততম অর্থনৈতিক উন্নয়নশীল দেশের তকমা। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের জায়গা হয়েছে পাঁচে। দীর্ঘকাল যে জায়গাটা দখলে রেখেছিল ইংল্যান্ড। বিভিন্ন সমীক্ষার সার্ভে রিপোর্ট বলছে, অচিরেই জাপানকে সরিয়ে ভারত চলে আসবে ওই তালিকার চার নম্বরে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের ভবিষ্যদ্বাণী, ২০২৫ অর্থবর্ষে ভারতের (Economic Survey) অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ৭ শতাংশ। চলতি বছরের জুন মাসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াও জানিয়েছিল, অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ৭.২ শতাংশ। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক দেখেছে, ভারতে জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে চলেছে ৮ শতাংশ। আরবিআইয়ের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বলেন, “২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে বৈশ্বিক বৃদ্ধিতে ভারতের অবদান ছিল ১৮.৫ শতাংশ।”

    আরও পড়ুন: “পৃথিবী ছিল না, নিবিড় আঁধার, তখন কেবল মা নিরাকার মহাকালী—মহাকালের সঙ্গে বিরাজ করছিল”

    বাজেট অধিবেশনে ৬টি বিল

    এদিকে, ২২ জুলাই, সোমবার শুরু হওয়া বাজেট অধিবেশনে ৬টি বিল পাশ করানোর পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রের এনডিএ সরকার। সংসদের এই অধিবেশন চলবে ১২ অগাস্ট পর্যন্ত। সংসদের উভয় কক্ষেই পেশ হবে নয়া বিলগুলি। এই বিলগুলি হল, অর্থনৈতিক বিল, বিপর্যয় মোকাবিলা (সংশোধনী) বিল, বয়লার্স বিল, বায়ুযান বিধেয়ক বিল (Budget 2024), কফি (প্রচার ও উন্নয়ন) বিল এবং রাবার (প্রচার ও উন্নয়ন) বিল (Economic Survey)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • NEET-UG: নিট প্রশ্ন ফাঁসের ‘মাস্টারমাইন্ড’ শশী সহ আরও দুই ‘সলভার’ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জালে

    NEET-UG: নিট প্রশ্ন ফাঁসের ‘মাস্টারমাইন্ড’ শশী সহ আরও দুই ‘সলভার’ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট (NEET-UG) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জালে এবার মাস্টারমাইন্ড। গতকাল শনিবার সিবিআই (CBI) এক বিটেক উত্তীর্ণ এবং দুই এমবিবিএস পড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত হল প্রথম জন এবং বাকি দ্বিতীয়রা নিটের প্রশ্ন ফাঁসের ক্ষেত্রে সমাধানকারী বা সলভার হিসেবে ভূমিকা পালন করেছিল। সম্প্রতি ডাক্তারি প্রবেশিকার সর্ব ভারতীয় পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের কেলেঙ্কারিতে গোটা দেশ উত্তাল হয়ে গিয়েছিল।

    মাস্টার মাইন্ড শশী (NEET-UG)!

    সংবাদসংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, যে ডাক্তারি পড়ুয়াদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা রাজস্থানের ভরত মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র। ধৃতরা হল কুমার মঙ্গলম বিষ্ণোই এবং দীপেন্দুর কুমার। টেকনিক্যাল সার্ভেল্যান্স টিম হাজারিবাগে ঘটনার দিন তাদের উপস্থিতির প্রমাণ পেয়েছে। প্রশ্ন ফাঁসের (NEET-UG) মাস্টারমাইন্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বিটেক ছাত্র শশী কুমার পাসওয়ানকে। গোটা প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডের কিংপিন হিসেবে অভিযুক্ত এই পড়ুয়া। ধৃত এই যুবক জামশেদপুরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে পড়াশুনা করত। এই শশী সম্পূর্ণ দুর্নীতিকাণ্ডের প্রধানচক্রী। ইতিমধ্যে তাদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসবাদ শুরু করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত তদন্তকারী সংস্থা মোট গ্রেফতার করেছে ২১ জন অভিযুক্তকে।

    আরও পড়ুনঃ অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, নিরাপদে থাকতে ভারতে আসছেন বহু বাংলাদেশি

    ৫ মে হয়েছিল নিট পরীক্ষা

    ৫ মে সারা দেশে নিট ইজি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখে হাজারীবাগে দুই সলভার উপস্থিত থাকার প্রমাণ মিলেছে। জামশেদপুরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে বি টেক (ইলেক্ট্রিক্যাল) পাসআউট কুমার এবং রকির সঙ্গে এই শশীর কার্যকলাপের বিষয়ে যোগসূত্র উঠে এসেছে। তবে বিহার পুলিশ এই মামলার তদন্ত সিবিআইকে (CBI) হস্তান্তর করার পর গ্রেফতারি আরও বেড়েছে। সিবিআই আগেই পঙ্কজ কুমারকে গ্রেফতার করে ছিল, যিনি প্রশ্ন ফাঁসে করেছিলেন এবং রাজু সিং  নামক ব্যক্তি প্রক্রিয়ায় তাকে সাহায্য করেছিল। রকিকে অবশ্য আগেই এজেন্সি গ্রেফতার করেছে।

    নিট ইউজি, এনটিএ-এর মাধ্যমে এমবিবিএস, বিডিএস, এবং আয়ুষ অন্যান্য সম্পর্কিত কোর্সে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য প্রবেশিকার পরীক্ষা নিয়ে থাকে। এ বছর ৫ মে ৫৭১টি শহরের ৪ হাজার ৭৫০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা (NEET-UG) অনুষ্ঠিত হয়। ২৩ লাখেরও বেশি প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Tensions: অশান্ত বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় আরও পড়ুয়া, মানবিক সাহায্য সরকারের

    Bangladesh Tensions: অশান্ত বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় আরও পড়ুয়া, মানবিক সাহায্য সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্র বিক্ষোভের জেরে অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh Tensions)। দেশজুড়ে (Indian Students) জারি করা হয়েছে কারফিউ। অশান্তির আঁচ থেকে বাঁচতে প্রায় প্রতিদিনই ভারতে ফিরছেন সে দেশে পড়তে যাওয়া ছাত্রছাত্রীরা। শনিবারও ত্রিপুরায় ফিরলেন বাংলাদেশে পড়তে যাওয়া ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা। এই দফায় ফিরলেন ৩৭৯জন।

    কী বলছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী? (Bangladesh Tensions)

    এনিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। লিখেছেন, “অনেক ভারতীয় পড়ুয়া ত্রিপুরা হয়ে বাংলাদেশ থেকে ফিরছেন দেশে। তাঁদের পরিবহণ এবং থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও করেছে ত্রিপুরা সরকার। অন্যান্য প্রয়োজনীয় সাহায্যও করা হচ্ছে সরকারের তরফে। মানবিক দিক থেকেই এটা করা হচ্ছে।” প্রতি বছর ভারত থেকে বহু ছাত্রছাত্রী বাংলাদেশে পড়তে যান। সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে ছাত্র বিরোধী আন্দোলনের জেরে অশান্ত হয়ে উঠেছে ভারতের পড়শি এই দেশ। বিক্ষোভ সামাল দিতে দেশজুড়ে কারফিউ জারি করেছে শেখ হাসিনা সরকার।

    পড়ুয়াদের বক্তব্য

    খালি করে দেওয়া হয়েছে সে দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল। বাধ্য হয়ে দেশে ফিরছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা। ত্রিপুরা তো বটেই, কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা এবং অন্যান্য রাজ্য থেকে পড়তে যাওয়া ছাত্রছাত্রীরাও ফিরছেন আগরতলা ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট (ICP) হয়ে। ভারতে ফিরতে যাওয়া পড়ুয়াদের স্বাগত জানাচ্ছে বিএসএফ। আখুরা ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট পার হয়ে বাংলাদেশ থেকে ফিরতে হয় ভারতে। বাংলাদেশের (Bangladesh Tensions) এই আখুরার সঙ্গেই যোগ রয়েছে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার।

    আরও পড়ুন: ‘‘জনজাতিদের জমি ও অধিকার রক্ষা করবে বিজেপি’’, ঝাড়খণ্ডে বললেন অমিত শাহ

    যাঁরা এই চেক পোস্ট দিয়ে ভারতে ফিরছেন, তাঁদের দেওয়া হচ্ছে গরম খাবার, পানীয় জল। তাঁদের বিশ্রামের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আখুরা চেক পোস্ট দিয়ে ত্রিপুরায় আসা এক ভারতীয় ছাত্র বলেন, “কলেজের প্রিন্সিপাল এবং ভারতীয় হাই কমিশন আমাদের দেশে ফেরার অনুমতি দিয়েছে। আমরা নিরাপদেই ভারতে ফিরেছি।” বিএসএফের গোকুলনগর সেক্টর হেডকোয়ার্টারের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল রাজীব অগ্নহোত্রী বলেন, “বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেক ভারতীয় পড়ুয়া সে দেশ থেকে ভারতে ফিরছেন। এঁদের অনেকেই চলে এসেছেন, শীঘ্রই আসবেন আরও (Indian Students) কিছু। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রেখে চলেছে বিএসএফ (Bangladesh Tensions)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nipah Virus: কেরলে ফিরে এল নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক, রাজ্যে জারি অ্যালার্ট

    Nipah Virus: কেরলে ফিরে এল নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক, রাজ্যে জারি অ্যালার্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলে ছড়াচ্ছে নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক। মল্লপুরম এলাকায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর নিপা (Nipah Virus) আক্রান্ত হয়েছে। এই ভাইরাস যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য রাজ্য জুড়ে অ্যালার্ট করা হয়েছে। কেরলের (Kerala) স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীনা জর্জ শনিবার রাজ্যের স্বাস্থ্য আধিকারিক, প্রশাসনিক আধিকারিক ও চিকিৎসকদের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন। ভাইরাস যাতে মহামারির আকার না নেয়, তার জন্য কী কী করনীয়, তা আলোচনা হয় এই বৈঠকে। মল্লপুরমের সরকারি বিশ্রামাগারে ২৪ ঘন্টার কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

    মল্লপুরমে নিপা ঠেকাতে উদ্যোগে (Nipah Virus)

    জানা গিয়েছে, ওই কিশোরের সংস্পর্শে যারা এসেছিলেন, তাঁদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং তাঁদেরও রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। মল্লপুরমের যে জায়গায় নিপা ভাইরাসের সব থেকে বেশি ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা রয়েছে, তার তিন কিলোমিটার এলাকাকে সীমাবদ্ধ অঞ্চল ঘোষণা করার চিন্তা ভাবনা করছে প্রশাসন। ওই এলাকা থেকে বেরোনো এবং এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করার চিন্তা ভাবনা চলছে। ইতিমধ্যেই একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার সদস্যরা (Nipah Virus) ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার উপর নজর রাখবে। একইসঙ্গে এই ভাইরাসকে ঠেকানোর জন্য করনীয় পদক্ষেপের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

    বাদুড়ের সংস্পর্শ এড়ানোর নির্দেশ (Kerala)

    জেনে গিয়েছে, যে কিশোরের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে তাঁকে বর্তমানে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাঁকে কোঝিকোড় মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। রাজ্যের (Kerala) স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীনা জর্জ ঘোষণা করেছেন, নিপা ভাইরাস (Nipah Virus) ঠেকানোর জন্য যে পরিকল্পনা করা হয়েছে, তা সেপ্টেম্বর মাসে জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে যে সকল এলাকায় বাদুড় এবং চামচিকির বসবাস সেখান থেকে মানুষকে দূরে সরে যেতে বলা হয়েছে।  তাঁদের বাসস্থান নষ্ট করতে নিষেধ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নয়া আতঙ্ক চণ্ডীপুরা ভাইরাস! সংক্রমণ ছড়াচ্ছে শিশুর শরীরে, জানেন কী এটি?

    বাদুড়ের এবং চামচিকির সংস্পর্শ ঠেকানোর পাশাপাশি, তাঁদের খাওয়া ফল মানুষকে খেতে নিষেধ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত ২০১৮ সালে নিপা ভাইরাসের জেলে কোঝিকোড় এবং মল্লপুরমে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এবারও যাতে সেই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য আগেভাগেই চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘‘জনজাতিদের জমি ও অধিকার রক্ষা করবে বিজেপি’’, ঝাড়খণ্ডে বললেন অমিত শাহ

    BJP: ‘‘জনজাতিদের জমি ও অধিকার রক্ষা করবে বিজেপি’’, ঝাড়খণ্ডে বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) ঝাড়খণ্ডে গিয়ে বলেন যে অনুপ্রবেশের কারণেই সে রাজ্যের উপজাতীয় জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। তিনি এও দাবি করেন যে বিজেপি (BJP) যদি রাজ্য সরকার গঠন করে তবে আদিবাসীদের জমির অধিকার রক্ষার জন্য শ্বেতপত্র প্রকাশ করবে। অমিত শাহ বলেন, ‘‘জনজাতিদের জমি ও অধিকার রক্ষা করবে বিজেপি।’’ প্রসঙ্গত, বিগত লোকসভা নির্বাচনে ঝাড়খণ্ডের ৮১টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৫২টিতেই এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সে প্রসঙ্গ উল্লেখ করে অমিত শাহ বলেন, ‘‘ঝাড়খণ্ডে বিজেপির (BJP) সরকার গঠন সময়ের অপেক্ষা।’’

    হেমন্ত সোরেনকে নাম না করে তাঁর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (BJP) 

    প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডে বিজেপির বর্ধিত কার্যকারিণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কর্মীদের সম্মোধন করে তিনি বলেন, ‘‘ঝাড়খণ্ডের সরকার গঠন করার পরে আমরা উপজাতীয় মানুষ, তাঁদের জমি ও অধিকার রক্ষার জন্য একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করব।’’ এদিন হেমন্ত সোরেনকে নাম না করে তাঁর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ আনেন যে মুখ্যমন্ত্রী ভোটব্যাঙ্ক ও তোষণের রাজনীতি করছেন। এই কারণে লাভ জিহাদ ও ল্যান্ড জিহাদের ঘটনাগুলি ঘটছে। এর প্রভাবে ঝাড়খণ্ডের ডেমোগ্রাফিক বদল হচ্ছে বলেও জানান অমিত শাহ। অমিত শাহ এদিন আরও অভিযোগ করেন, ‘‘হাজার হাজার অনুপ্রবেশকারী ঝাড়খণ্ডে এসে ঘাঁটি গেড়ে বসেছে। তাঁরা জনজাতি মহিলাদের বিয়ে করছে এবং এভাবেই তাঁরা সার্টিফিকেট পাচ্ছেন ও জমি কিনছেন।’’ 

    রাহুল গান্ধী সমেত ইন্ডি জোটের নেতাদেরও আক্রমণ

    রাহুল গান্ধী সমেত ইন্ডি জোটের নেতাদেরও আক্রমণ করেন এদিন অমিত শাহ (Amit Shah)। সংসদে রাহুল গান্ধীর আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং তিনি বলেন, ‘‘দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নির্বাচনে জয়ী নেতাদের মধ্যেও এই ধরনের ঔদ্ধত্য ছিল না যতটা রাহুল গান্ধীর মধ্যেই ছিল।’’ তিনি বলেন, ‘‘অনেকেই জেতার পরে অহংকারী হয়ে ওঠে কিন্তু আমি প্রথম দেখলাম পরাজয়ের পর কেউ এমন অহংকার দেখাচ্ছেন।’’ অমিত শাহ এদিন আরও বলেন, ‘‘২০১৪-২০১৯-২০২৪ সালের নির্বাচনে কংগ্রেসের সম্মিলিতভাবে যে আসন পেয়েছে এই লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি (BJP) তার চেয়ে বেশি আসন পেয়েছে।’’

    ঝাড়খণ্ডে কেলেঙ্কারি 

    ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতৃত্বাধীন জোট দেশের মধ্যে অন্যতম দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার বলেও তোপ দাগেন অমিত শাহ। অমিত শাহ এদিন ঝাড়খণ্ডে বিভিন্ন কেলেঙ্কারির কথাও তুলে ধরেন তাঁর বক্তব্যে। যার মধ্যে ১০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি শুধু ১০০ দিনের কাজেই হয়েছে বলে দাবি করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এর পাশাপাশি ৩০০ কোটি টাকা জমি কেলেঙ্কারিও হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। কয়লা খনির কেলেঙ্কারির পরিমাণও হাজার কোটির বেশি বলে জানিয়েছেন তিনি এবং ৪০ কোটি টাকার মদ কেলেঙ্কারিরও উল্লেখ করেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ITR Filing: ডেডলাইন পার হওয়ার আগেই দাখিল করুন আয়কর রিটার্ন, না হলে জরিমানা

    ITR Filing: ডেডলাইন পার হওয়ার আগেই দাখিল করুন আয়কর রিটার্ন, না হলে জরিমানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘনিয়ে আসছে রিটার্ন দাখিলের (ITR Filing) ডেডলাইন। এই ডেডলাইন পার হয়ে যাওয়ার পর যিনি রিটার্ন দাখিল (Income Tax) করবেন, তাঁকে গুণতে হবে জরিমানা। মনে রাখতে হবে, রিটার্ন দাখিল করা কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে। ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন হল সংক্ষিপ্ত নথি, যা থেকে জানা যায় আয়কর দাতা একটা অর্থবর্ষে কত টাকা রোজগার করেছেন।

    রিটার্ন দাখিল (ITR Filing)

    এই রিটার্ন দাখিল করলেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, আয়কর দাতাকে কত কর দিতে হয়েছে, কিংবা আয়কর দফতর থেকে তিনি কিছু ফেরত পাবেন কিনা। আয়কর দফতর বিভিন্ন রোজগারের মানুষের জন্য নানা রকম কর দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। কোনও ব্যক্তি যদি রিটার্ন দাখিল না করেন, তাহলে তাঁকে জরিমানা দিতে হবে। আয়কর দাতাদের রিটার্ন দাখিলের বিষয়টি মনে করিয়ে দিতে আয়কর দফতর মেসেজ পাঠায়। রিটার্ন দাখিল করতে গিয়ে কোনও সমস্যায় পড়লে কিংবা ইচ্ছে করে রিটার্ন দাখিল না করলে, জরিমানা দিতে হবে।

    গুণতে হবে জরিমানা

    অর্থবর্ষ শেষ হয়েছে ৩১ মার্চ, ২০২৪। তবে চলতি অর্থবর্ষে আইটি রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩১ জুলাই। রিটার্ন দাখিল (ITR Filing) করাটা বেশ সমস্যার, বিশেষত যাঁরা একা একাই ট্যাক্স দেন (অর্থাৎ, কোম্পানি নয়, ট্যাক্স দিতে হয় ব্যক্তি মানুষকে)। অফিস-কাছারির কাজ শেষ করে প্রয়োজনীয় নথি জোগাড় করে রিটার্ন দাখিল করাটা বেশ চাপের। এই সব করতে গিয়েই অনেকে ডেডলাইন মিস করে ফেলেন। পরে যখন রিটার্ন দাখিল করেন, তখন দিতে হয় গচ্চা।

    আরও পড়ুন: “অসমে দ্রুত বাড়ছে মুসলমান, জীবন-মরণের সমস্যা”, বললেন হিমন্ত

    রোজগারের বহরের ভিত্তিতে ঠিক হয়, জরিমানা বাবদ আপনাকে দিতে হবে ঠিক কত টাকা। কাউকে দিতে হবে হাজার টাকা, কারও ক্ষেত্রে আবার জরিমানার পরিমাণ দাঁড়াবে গিয়ে পাঁচ হাজার টাকায়। এর পর রয়েছে সুদ। তিনি কত দেরিতে রিটার্ন দাখিল করছেন, তার ওপর ভিত্তি করে দিতে হবে সুদ। মনে রাখতে হবে, যাঁদের বার্ষিক রোজগার পাঁচ লাখ টাকার নীচে, রিটার্ন দাখিলে দেরি হলে তাঁদের জরিমানা দিতে হবে এক হাজার টাকা। পাঁচ লাখ টাকার ওপর বার্ষিক আয় হলে, জরিমানার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে পাঁচ হাজার টাকা। তাই ডেডলাইন (Income Tax) পার হওয়ার আগেই দাখিল করুন রিটার্ন (ITR Filing)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Himanta Biswa Sarma: “অসমে দ্রুত বাড়ছে মুসলমান, জীবন-মরণের সমস্যা”, বললেন হিমন্ত

    Himanta Biswa Sarma: “অসমে দ্রুত বাড়ছে মুসলমান, জীবন-মরণের সমস্যা”, বললেন হিমন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অসমে দ্রুত বাড়ছে মুসলমান জনসংখ্যা। আর এটাই অসমিয়াদের কাছে জীবন-মরণের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” দিন কয়েক আগে ঝাড়খণ্ডে সাংবাদিক বৈঠকে এমনই দাবি করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। তিনি জানান, অসমে মুসলমান জনসংখ্যা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে (Changing Demography)। ১৯৫১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, অসমে মুসলমান ছিলেন মোট জনসংখ্যার ১২ শতাংশ। সেটাই এখন বেড়ে হয়েছে ৪০ শতাংশ। মুসলমানদের এই বাড়বাড়ন্তের কারণে বদলে গিয়েছে অসমের ডেমোগ্রাফি। এনিয়ে ওই বৈঠকে উদ্বেগও প্রকাশ করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ডেমোগ্রাফি বদল উদ্বেগের বই কি! এটি কোনও রাজনৈতিক ইস্যু নয়, বরং আমার কাছে এটি জীবন-মরণের সমস্যা।”

    অসমের ডেমোগ্রাফি বদল (Himanta Biswa Sarma)

    গত কয়েক দশকে কীভাবে অসমের ডেমোগ্রাফি বদলে গিয়েছে, সেই ছবিও তুলে ধরেন এই বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, “১৯৫১ সালে অসমে মুসলিম জনসংখ্যার হার ছিল ১২ থেকে ১৪ শতাংশ। এখন এটাই বেড়ে হয়েছে ৪০ শতাংশ।” তিনি বলেন, “আমরা অনেকগুলো জেলা হারিয়েছি (এই জেলাগুলিতে বর্তমানে মুসলমানরাই সংখ্যাগুরু। বোধহয় এই বিষয়টিই বোঝাতে চেয়েছে হিমন্ত)। অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ডেমোগ্রাফি বদলে যাওয়াটা আমার কাছে একটা বড় ইস্যু।” ব্যাপক হারে অনুপ্রবেশের ফলেই যে রাজ্যে মুসলমানদের এই বাড়বাড়ন্ত, তাও মনে করিয়ে দেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “বাংলাদেশের মুসলমানদের ব্যাপক হারে অনুপ্রবেশের ফলেই মুসলমানদের সংখ্যা এত বেড়ে গিয়েছে। আমাদের সরকার প্রতিদিন প্রচুর অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাচ্ছে।”

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি

    ডেমোগ্রাফি বদলে যাওয়ার নেপথ্যেও যে তুষ্টিকরণের রাজনীতি রয়েছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন হিমন্ত। বলেন, “আমি মনে করি, অসমের জনসংখ্যার সমস্যার সমাধান করা কংগ্রেসের দায়িত্ব। কারণ রাজ্যের সংখ্যালঘুরা কংগ্রেস নেতাদের কথা শোনেন। তাঁরা নরেন্দ্র মোদি ও রাহুল গান্ধীর মধ্যে রাহুলকেই বেছে নেবেন। তাঁরা আমায় শত্রু মনে করেন।” তিনি (Himanta Biswa Sarma) বলেন, “রাহুল গান্ধী জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ অভিযানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হলে, আগামিকাল থেকেই অসমের জনসংখ্যা বৃদ্ধি কমবে ব্যাপকভাবে।”

    হু হু করে বাড়ছে মুসলমান

    রীতিমতো তথ্য দিয়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের রাজ্যে প্রতি দশ বছরে মুসলমান জনসংখ্যা বাড়ছে ৩০ শতাংশ করে। সেই হিসেবে ২০৪১ সালে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে উঠবেন মুসলিমরাই। এটাই বাস্তব। কেউ থামাতে পারবে না।” তিনি বলেন, “দশ বছরে ১৬ শতাংশ করে হিন্দু জনসংখ্যা বাড়ছে এ রাজ্যে। আমাদের সরকার মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে জনসংখ্যা কমাতে পদক্ষেপও করছে।”

    বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ

    বাংলাদেশি মুসলমানদের অনুপ্রবেশের ফলে যে আদিবাসী অধ্যুষিত ঝাড়খণ্ডের ডেমোগ্রাফিও বদলে যাচ্ছে, দিন কয়েক আগেই সে সংবাদ পরিবেশন করেছিল মাধ্যম। সেই প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছিল, কীভাবে পশ্চিমবাংলা দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করে জাল নথি বানিয়ে বাংলার সীমানায় থাকা ঝাড়খণ্ডে ঢুকে পড়ছে অনুপ্রবেশকারীরা। সেখানকার আদিবাসী মহিলাদের বিয়ে করে তারা জমি হাতিয়ে নিচ্ছে বলেও জানানো হয়েছিল ওই প্রতিবেদনে। এই অনুপ্রবেশের ফলেই যে ঝাড়খণ্ডের ডেমোগ্রাফিও বদলে যাচ্ছে, তারও খতিয়ান পেশ করা হয়েছিল মাধ্যমের ওই প্রতিবেদনে।

    হিমন্তর আশ্বাস

    অসমের মতো ঝাড়খণ্ডেও যে অনুপ্রবেশকারীরাই মাথাব্যথার কারণ, তা ভালোই বুঝেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sarma)। বলেন, “রাজ্যে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতৃত্বাধীন জোট সরকার রয়েছে। অনুপ্রবেশ রুখতে তারা কোনও কঠোর পদক্ষেপ করছে না। উপজাতির তরুণীদের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করছে তারা। পরে করছে ধর্মান্তকরণ। সরকার এসব জেনেশুনেও কোনও পদক্ষেপ করছে না।” ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে সরকার বদলের ডাকও দেন হিমন্ত। আসন্ন ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর পদক্ষেপ করবে বলেও আশ্বাস দেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী।

    ঝাড়খণ্ড সরকার হাত গুটিয়ে কেন?

    তিনি বলেন, “এ রাজ্যেও ঝাড়খণ্ডের বাইরে থেকে আসছে অনুপ্রবেশকারীরা। আদিবাসী তরুণীদের প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ে করছে। এসবই ঘটছে জেএমএম-কংগ্রেস জোট শাসকের ছত্রছায়ায়। অসমও সীমান্ত ঘেঁষা রাজ্য। সেখানেও আমি প্রতিদিন লড়াই করছি অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে। তাহলে লাগাতার অনুপ্রবেশ চলতে থাকলেও ঝাড়খণ্ড সরকার কেন হাত গুটিয়ে বসে রয়েছে?” অনুপ্রবেশকারীদের স্বদেশে ফেরানোটা যে রাজ্য সরকারেরই কর্তব্য, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন হিমন্ত (Himanta Biswa Sarma)।

    আরও পড়ুন: জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রাক্তন এসএসজি কমান্ডোরা!

    প্রসঙ্গত, পয়লা জুলাইও কোনও ধর্মের নাম না করেই একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের এক শ্রেণির মানুষকে নিশানা করেছিলেন (Changing Demography) অসমের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেছিলেন, অসমের অপরাধমূলক কাজকর্মকে প্রশ্রয় দিচ্ছে এরাই। তিনি অবশ্য এ-ও বলেছিলেন, “আমি বলছি না যে একটি নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষই কেবল অপরাধ করছে। যদিও অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের পরে যেসব ঘটনা ঘটছে, তা রীতিমতো উদ্বেগের বিষয় (Himanta Biswa Sarma)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share