Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Amit Shah: “৩০ সেপ্টেম্বরের আগেই জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার নির্বাচন”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “৩০ সেপ্টেম্বরের আগেই জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার নির্বাচন”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নে সাঙ্গ হয়েছে লোকসভা নির্বাচন। ভূস্বর্গে ভোটও পড়েছে ব্যাপক হারে। এতেই উৎসাহিত কেন্দ্র। কেন্দ্রের এই উচ্ছ্বাস ধরা পড়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কথায়। তিনি বলেন, “৩০ সেপ্টেম্বরের আগেই হবে জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচন।”

    জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা (Amit Shah)

    সংবাদ সংস্থায় সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেলেই জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফেরানোর প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে যাবে।” শাহ বলেন, “ভূস্বর্গে লোকসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে মিটেছে। যা থেকে প্রমাণ হয়, মোদি সরকারের কাশ্মীর নীতি সফল।” তিনি বলেন, “আমি সংসদেও বলেছি, কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেলে আমরা রাজ্যের মর্যাদা ফেরানোর প্রক্রিয়াও শুরু করে দেব। অনগ্রসর শ্রেণিগুলির সমীক্ষা, বিধানসভা ও লোকসভা কেন্দ্রগুলিতে আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন- সব পরিকল্পনামাফিক চলছে। আসন পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে। তা না হলে শ্রেণি অনুযায়ী সংরক্ষণ দেওয়া সম্ভব হত না। কাশ্মীরে লোকসভা নির্বাচনও হয়ে গিয়েছে। বাকি শুধু বিধানসভা ভোট, তা-ও হয়ে যাবে।”

    ‘সুপ্রিম রায় মেনেই হবে ভোট’

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট যে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে, তার আগেই ওই প্রক্রিয়া আমরা শেষ করব।” প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছিল, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যেই জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন করাতে হবে। শাহ বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরে ভোটের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে বলেছিলেন, উপত্যকার মানুষ ভারতের সংবিধানে বিশ্বাস করেন না। কিন্তু এই নির্বাচনটি ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী হয়েছে। কাশ্মীরের সংবিধান আর সেখানে নেই। যাঁরা উপত্যকায় পৃথক দেশ চান, যাঁরা পাকিস্তানে চলে যেতে চান, তাঁরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন। এটা গণতন্ত্রের জয়। মোদি সরকারের কাশ্মীর নীতির জয়।”

    আর পড়ুন: “বিজেপি কখনওই সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলাবে না”, বললেন রাজনাথ

    ২০১৯ সালে দ্বিতীয়বার কেন্দ্রের কুর্সিতে বসেই মোদি সরকার ভূস্বর্গ থেকে রদ করেন ৩৭০ ধারা। যার জেরে বিশেষ রাজ্যের অধিকার এবং রাজ্যের মর্যাদা হারায় জম্মু-কাশ্মীর। তার তিন বছর আগেই অবশ্য ভেঙে দেওয়া হয়েছিল বিধানসভা। সেই নির্বাচনই হবে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যেও। উল্লেখ্য, অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন সম্পন্ন হবে সাত দফায়। ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। ভূস্বর্গে লোকসভার আসন পাঁচটি। পাঁচ দফায় হয়েছে নির্বাচন (Amit Shah)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “মোদির সঙ্গে চায়ের সম্পর্ক ভীষণ নিবিড়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “মোদির সঙ্গে চায়ের সম্পর্ক ভীষণ নিবিড়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শৈশবে চায়ের কাপ-প্লেট ধুতে ধুতে কৈশোরে পৌঁছেছি। পরে চা পরিবেশন করেছি। মোদির সঙ্গে চায়ের সম্পর্ক ভীষণ নিবিড়।” রবিবার উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সমাজবাদী পার্টিকে ভোট দেওয়া মানে যে ভোট নষ্ট, তাও মনে করিয়ে দেন তিনি। বলেন, “সমাজবাদী পার্টিকে ভোট দিয়ে কেউ তাঁর ভোট নষ্ট করতে চান না। কেউই তাঁকে ভোট দেন না, যিনি ক্রমেই তলিয়ে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষ তাঁকেই ভোট দেবেন, যাঁর সরকার গড়াটা প্রায় নিশ্চিত।”

    মোদির নিশানায় ‘ইন্ডি’ জোট (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশ ইন্ডি জোটের নেতাদের ভালো করে চিনে ফেলেছেন। এই মানুষগুলো ভয়ঙ্করভাবে সাম্প্রদায়িক। এরা নিদারুণভাবে বর্ণবাদী, চূড়ান্তভাবে পরিবারবাদী। যখনই তাদের সরকার গঠিত হয়, তখনই এসবের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।” এদিনের সভায় সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবকেও নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, “যাদব সম্প্রদায়ের মধ্যেও অনেকেই রয়েছেন যাঁরা প্রতিশ্রুতিমান। কিন্তু তিনি (অখিলেশ) কেবল বেছে বেছে তাঁর পরিবারের সদস্যদেরই নির্বাচনের টিকিট দিয়েছেন।”

    ‘মাফিয়াদের স্বর্গ ছিল’

    তিনি বলেন, “এই সমাজবাদী পার্টির লোকজন ধৃত জঙ্গিদেরও মুক্তি দিয়েছিল। যেসব পুলিশ কর্মী এটা করতে চাইতেন না, তাঁদের সাসপেন্ড করে দিত। তারা গোটা উত্তরপ্রদেশ ও পূর্বাঞ্চলকে মাফিয়াদের স্বর্গ বানিয়ে ফেলেছিল। সেটা জীবন-মাফিয়া হোক বা জমি-মাফিয়া। কেউ জানতেন না কখন কাকে কিংবা কার জমি মাফিয়ারা ছিনিয়ে নেবে। সমাজবাদী পার্টির সরকারের ভোটব্যাঙ্কই ছিল মাফিয়ারা।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যোগী আদিত্যনাথ মুখ্যমন্ত্রী হয়ে সাহসের সঙ্গে স্বচ্ছতা অভিযান শুরু করেছিলেন। সমাজবাদী পার্টির সরকারের আমলে যারা ক্ষমা পেত, বিজেপি সরকারের জমানায় সেই মাফিয়ারাই ভয়ে কাঁপছে।”

    আর পড়ুন: “বিজেপি কখনওই সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলাবে না”, বললেন রাজনাথ

    তিনি বলেন, “আমাদের দেশের পবিত্র সংবিধানও তাদের (ইন্ডি জোটের) লক্ষ্য। এসসি-এসটি-ওবিসির সংরক্ষণ লুট করতে চায় তারা। আমাদের সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে, ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ হতে পারে না। অথচ ২০১২ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের সময় সমাজবাদী পার্টি ইস্তাহারে বলেছিল, দলিত এবং ব্যাকওয়ার্ড শ্রেণির মতো মুসলমানদেরও সংরক্ষণ আওতায় আনা হবে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Exit Poll 2024: ভোট শেষে বুথ ফেরত সমীক্ষা কখন জানা যাবে? জেনে নিন

    Exit Poll 2024: ভোট শেষে বুথ ফেরত সমীক্ষা কখন জানা যাবে? জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছয় দফা নির্বাচন শেষ হয়েছে। ১ জুন সপ্তম দফা নির্বাচন শেষ হলেই সময় আসবে বুথ ফেরত সমীক্ষার (Exit Poll 2024)। ৪ জুন হবে গণনা। জানা যাবে দিল্লির মসনদে কে বসবে। ফল প্রকাশের আগে প্রকাশ্যে আসবে বুথ ফেরত সমীক্ষার রিপোর্ট। একাধিক সংস্থার ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী জানা যাবে এক্সিট পোল। জেনে নিন কখন থেকে দেখা যাবে এই বুথ ফেরত সমীক্ষা?  

    বুথ ফেরত সমীক্ষার নির্ঘন্ট (Exit Poll 2024)

    নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী ১ জুন সন্ধ্যা ৬:৩০ এর আগে কোনওভাবেই এক্সিট পোল প্রকাশ করা যাবে না। এই সময় পেরিয়ে গেলে বিভিন্ন চ্যানেলের পর্দায় ভেসে উঠবে বুথ ফেরত সমীক্ষা। ভারতে বিভিন্ন নিউজ চ্যানেল ও এক্সিট পোল সংস্থাগুলি যৌথভাবে সমীক্ষা চালিয়ে থাকে। আবার বেশ কিছু সমীক্ষক সংস্থা একাই সমীক্ষা চালায়। বিভিন্ন নিউজ চ্যানেল ছাড়াও সি ভোটার, সিএনএক্স, জন কী বাত, ইটিজি রিসার্চ, এক্সিস মাই ইন্ডিয়া, পোল স্টার্টের মত সংস্থাগুলি এবারও দর্শকদের জন্য তাঁদের সমীক্ষা (Exit Poll 2024) তুলে ধরবে।  

    বুথ ফেরত সমীক্ষা কী?

    এক্সিট পোল এক ধরনের ওপিনিয়ন পোল। এই সমীক্ষায় মূলত ভোটারদের থেকে তাঁদের পছন্দের প্রার্থী এবং দল সম্পর্কে জানার চেষ্টা করা হয়। ভোট দিয়ে বুথ থেকে বেরোনোর পর ভোটারদের কাছ থেকে তাঁদের মতামত জানতে চাওয়া হয়। বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে ভোটারদের মতামত বোঝার চেষ্টা করা হয়। ভোট দেওয়ার আগেও অনেক সময় ভোটারদের মন বোঝার চেষ্টা করা হয়। সব মিলিয়ে একটি সমীক্ষা রিপোর্ট তৈরি করা হয়। এই সমীক্ষার অন্তিম রিপোর্টকে বুথ ফেরত সমীক্ষা বা এক্সিট পোল (Exit Poll 2024) বলা হয়। এই সমীক্ষা গোটা বিশ্বে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় পূর্বাভাস হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তবে সব সময় বুথ ফেরত সমীক্ষা পুরোপুরি মিলে যায় এমনটা নয়।

    আরও পড়ুন: “বিজেপি কখনওই সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলাবে না”, বললেন রাজনাথ

    ঠিক যেমন ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। সেবার বিজেপি ক্ষমতায় আসবে, এমনটা অধিকাংশ বুথ ফেরত সমীক্ষায় দেখানো হয়েছিল। অন্যদিকে কেউ কেউ তৃণমূল ১৫০ এর কাছাকাছি থাকবে, এমনটাই দেখিয়েছিলেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে এই সমীক্ষা মিলে যায়। ২০১৪ এবং ২০১৯ এর নির্বাচনে মোদি ক্ষমতায় আসবেন, এমনটাই বুথ ফেরত সমীক্ষায় দেখানো হয়েছিল এবং মিলেও গিয়েছিল।

    লোকসভা নির্বাচনের বৃত্তান্ত

    এবার লোকসভা নির্বাচন শুরু হয়েছিল ১৯ এপ্রিল। তখন থেকে ৭ দফায় ১৮তম সাধারন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৯ এপ্রিল প্রথম দফায় ১০২ টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়। দ্বিতীয় দফায় ২৬ এপ্রিল ভোট গ্রহণ হয় ৮৯ টি আসনে। তৃতীয় দফায় ৭ মে ভোট গ্রহণ হয় ৯৪ টি আসনে। ১৩ মে চতুর্থ দফায় ভোট গ্রহণ হয় ৯৬ টি আসনে। পঞ্চম দফায় ২০ মে ভোট গ্রহণ হয় ৪৯ টি আসনে। ষষ্ঠ দফায় শনিবার ভোট গ্রহণ হয় ৫৭ টি আসনে। সপ্তম দফায় ভোটগ্রহণ হবে ৫৭ টি আসনে। সেদিন সন্ধায় প্রকাশিত হবে বুথ ফেরত সমিক্ষা (Exit Poll 2024)। ৪ জুন জানা যাবে ভারতের মসনদে কে বসবে। সেদিন সকাল আটটা থেকে শুরু হবে গণনা। দুপুরবেলা গড়াতেই চিত্রটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uniform Civil Code: আগামী ৫ বছরের মধ্যে কার্যকর হবে অভিন্ন নাগরিক বিধি, জানালেন অমিত শাহ

    Uniform Civil Code: আগামী ৫ বছরের মধ্যে কার্যকর হবে অভিন্ন নাগরিক বিধি, জানালেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বারের জন্য মোদি সরকারের গঠন হলে সারাদেশে কার্যকর হবে অভিন্ন নাগরিক বিধি বা ইউনিফর্ম সিভিল কোড (Uniform Civil Code)। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এর পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ‘‘মোদি সরকার তৃতীয়বারের মেয়াদে এক দেশ-এক নির্বাচনকেও বাস্তবায়ন করবে। কারণ সারা দেশে একসঙ্গে নির্বাচন হওয়ার সময় এসেছে।’’ এর কারণ হিসেবে অমিত শাহ বলেন, ‘‘দেশের সমস্ত ভোট এক সঙ্গে হলে নির্বাচনের খরচ অনেক কমে আসবে।’’ প্রসঙ্গত, ভারতীয় জনতা পার্টির পূর্বতন ভারতীয় জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই পার্টির অ্যাজেন্ডার মধ্যে রয়েছে ইউসিসি (Uniform Civil Code)। সম্প্রতি, বিজেপি শাসিত উত্তরাখণ্ডে তা চালুও হয়েছে।

    অভিন্ন নাগরিক বিধি

    অভিন্ন নাগরিক বিধি বা ইউসিসি (Uniform Civil Code) নিয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘‘অভিন্ন নাগরিক বিধিকে কার্যকর করা আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব।’’ তিনি আরও জানিয়েছেন, দেশের স্বাধীনতার পরেই সংবিধান সভা আমাদের জন্য যে নীতিগুলি নির্ধারণ করেছে, তার মধ্যে রয়েছে অভিন্ন নাগরিক বিধিও। অমিত শাহের আরও সংযোজন, ‘‘সংবিধান সভার কেএম মুন্সি, রাজেন্দ্র প্রসাদ, বিআর আম্বেদকরের মতো আইনজ্ঞরা জানিয়েছিলেন যে একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশে, ধর্মের ভিত্তিতে আইন থাকা উচিত নয়। এখানে একটি অভিন্ন নাগরিক বিধি চালু হওয়া উচিত।’’

    এক দেশ-এক নির্বাচন

    সাধারণভাবে দেশের বেশিরভাগ নির্বাচনই হয় গ্রীষ্মকালে। এপ্রিল মে মাস নাগাদ। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক কর্মী থেকে শুরু করে প্রশাসন, সাধারণ ভোটার ও প্রার্থীদের বেশ কষ্ট হয়, গরমের মধ্যে প্রচার সারতে, ভোটের কাজ করতে। তাই শীতকালের সময় বা বছরের অন্য কোনও সময় নির্বাচন করা সম্ভব কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে অমিত শাহ বলেন, ‘‘আমরা এটা নিয়ে ভাবতে পারি।’’ বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিবছরই দেশের কোনও না কোনও রাজ্যে নির্বাচন হয়। এতে বিপুল খরচ হয়। এক দেশ-এক নির্বাচন বাস্তবায়িত হলে খরচ বাঁচবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ayodhya Ram Mandir: উদ্বোধনের ৫ মাসের মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত, রাম মন্দিরে প্রবেশ করা যাবে না মোবাইল নিয়ে

    Ayodhya Ram Mandir: উদ্বোধনের ৫ মাসের মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত, রাম মন্দিরে প্রবেশ করা যাবে না মোবাইল নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখে উদ্বোধন হয় রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir)। তারপর থেকেই সেখানে ভক্তদের ঢল নামতে দেখা গিয়েছে। তীর্থযাত্রীদের জন্য এবার বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল রাম মন্দির কর্তৃপক্ষ। এনিয়ে জারি করা হল নিয়মবিধিও। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট ও অযোধ্যা প্রশাসনের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, রাম মন্দিরে মোবাইল নিয়ে কোনওভাবেই প্রবেশ করা যাবে না। অর্থাৎ উদ্বোধনের ৫ মাসের মাথায় রাম মন্দির চত্বরে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ হল মোবাইল ফোনের ব্যবহার।

    কী জানাল তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট?

    প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ভক্তদের সুবিধা ও মন্দিরের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের (Ayodhya Ram Mandir) সদস্য অনিল মিশ্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রত্যেকজনকেই এমন নিয়ম মেনে চলতে হবে। জানা গিয়েছে, মন্দির চত্বরে যে ক্লোক রুম রয়েছে সেখানেই মূল্যবান জিনিসপত্রের সঙ্গে মোবাইল ফোন জমা রেখে ঢুকতে হবে ভক্তদের। রামলালা দর্শনের পরে তাঁরা নির্দিষ্ট জায়গা থেকে নিজেদের মোবাইল ফোন নিয়ে নিতে পারবেন।

    মন্দির সম্পূর্ণ হলে একসঙ্গে প্রবেশ করতে পারবেন ২৫ হাজার ভক্ত

    অন্যদিকে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই জানিয়েছেন, মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) বাকি অংশের নির্মাণ কাজ এখনও চলছে। মন্দির চত্বর জুড়ে প্রায় ১৪ ফুটের প্রাচীর তৈরি করা হয়েছে। আগেই জানানো হয়েছিল, রাম মন্দির চত্বরে আরও ছোট ছয়টি মন্দির তৈরি করা হয়েছে। এগুলিতে শিব থেকে হনুমানজি প্রতিষ্ঠিত হবেন। জানা গিয়েছে, সম্পূর্ণভাবে রাম মন্দির নির্মাণ হয়ে গেলে একসঙ্গে প্রবেশ করতে পারবেন প্রায় ২৫ হাজার ভক্ত। রাম মন্দির তিন তলা বিশিষ্ট হতে চলেছে একথা আগেই জানিয়েছিলেন রাম মন্দিরের তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, রাম মন্দিরে মোট ৩৯২টি স্তম্ভ ও ৪৪টি দরজা থাকবে। এর পাশাপাশি থাকবে পাঁচটি মন্ডপ। এগুলি হল, নৃত্য মন্ডপ, সভা মন্ডপ, রঙ্গ মন্ডপ, প্রার্থনা মন্ডপ ও কীর্তন মন্ডপ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “বিজেপি কখনওই সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলাবে না”, বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: “বিজেপি কখনওই সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলাবে না”, বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিজেপি কখনওই ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলাবে না। পরিবর্তন করবে না সংরক্ষণনীতিও।” সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কথাগুলি বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ (Rajnath Singh)। ১৯৭৬ সালে কংগ্রেস সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলে দিয়েছিল বলেও দাবি তাঁর।

    রাজনাথের নিশানায় ইন্দিরা (Rajnath Singh)

    তিনি বলেন, “অথচ ওরাই (কংগ্রেস) অযথা বিজেপিকে টার্গেট করছে। একে নির্বাচনী ইস্যু করছে।” রাজনাথ বলেন, “১৯৭৬ সালে প্রথমবার ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলে দেওয়া হয়েছিল। সেই কাজটি করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।” তিনি (Rajnath Singh) বলেন, “আমাদের গণপরিষদ তখন এ ব্যাপারে ঐক্যমত্য হয়েছিল যে সংবিধানে প্রয়োজনে সংশোধন করা যেতে পারে। কংগ্রেস এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দল এসব একাধিকবার করেছে। কিন্তু সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলের প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু তারা এটা করেছিল। এবং এখন আমাদের দোষারোপ করছে। বিজেপি এটা মনেই ঠাঁই দেয়নি।”

    ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ নয়

    বিজেপি ক্ষমতায় ফিরলে সংবিধান ছিঁড়ে ফেলে ছুড়ে ফেলে দেবে বলে নানা সময় নির্বাচনী প্রচারে দাবি করেছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। কংগ্রেসের কয়েকজন নেতা আবার একধাপ এগিয়ে বলেছিলেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা থেকে বিজেপি ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দটি বাদ দিয়ে দেবে। কাস্ট ভিত্তিক সংরক্ষণ বন্ধে বিজেপির যে কোনও পরিকল্পনা নেই, তাও জানান রাজনাথ। পাশাপাশি এও জানিয়ে দেন, ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ নৈব নৈব চ। তিনি বলেন, “কেন আমরা সংরক্ষণ তুলে দেব? ওবিসি, এসটিদের জন্য সংরক্ষণ এ দেশে প্রয়োজন। ওরা (বিরোধীরা) ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ করতে চায়। কিন্তু আমরা সাফ জানিয়ে দিচ্ছি, যেহেতু আমাদের সংবিধান ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ অনুমোদন করে না, তাই কোনও পরিস্থিতিতেই আমরা ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ হতে দেব না।”

    আর পড়ুন: “৪০০ পার নিছক স্লোগান নয়…”, সাক্ষাৎকারে বললেন রাজনাথ

    দেশে চলছে অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন। ভোটগ্রহণ হচ্ছে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছে ১৯ এপ্রিল। ২৫ মে হয়েছে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। সপ্তম তথা শেষ দফার নির্বাচন হবে ১ জুন। ফল ঘোষণা হবে ৪ জুন। এবার ৪০০-র বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরবে বিজেপি, দাবি পদ্ম-পার্টির। তবে নির্বাচনের ফল ঠিক কী হবে, তা জানতে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েকটা দিন (Rajnath Singh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “৪০০ পার নিছক স্লোগান নয়…”, সাক্ষাৎকারে বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: “৪০০ পার নিছক স্লোগান নয়…”, সাক্ষাৎকারে বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগেই বলেছিলেন চলতি লোকসভা নির্বাচনে ৪০০ আসন পাবে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। এবার প্রধানমন্ত্রীর সেই কথারই প্রতিধ্বনি শোনা গেল প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের (Rajnath Singh) মুখেও।

    ৪০০ আসন পার… (Rajnath Singh)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “বিজেপি এবং তার জোটসঙ্গীরা লোকসভা নির্বাচনে ৪০০ আসন পাবে।” শনিবারই দেশে হয়েছে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। ভোট হয়েছে ৫৮টি আসনে। সপ্তম তথা শেষ দফার নির্বাচন হবে পয়লা জুন। প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি বিজেপির অন্য শীর্ষ নেতারাও প্রত্যয়ী, এবার ৪০০ আসন পাবে বিজেপি। এবার লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির স্লোগান ছিল, ‘অব কি বার, ৪০০ পার’। এ প্রসঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “এটা নিছকই আমাদের প্রচারের স্লোগান নয়, এটা আমাদের প্রতিজ্ঞা। আজ, ষষ্ঠ (২৫ মে) দফার নির্বাচন শেষে আমরা খুবই কনফিডেন্ট যে ৪০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা পেরিয়ে যাব আমরা।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    গত ১২ মে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার (Rajnath Singh) দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “এবার পূর্ব ভারতেও বিজেপি দাপিয়ে বেড়াবে। যার জেরে এনডিএ অনায়াসেই ৪০০ আসনের লক্ষ্মণরেখা অতিক্রম করে যাবে।” তিনি বলেছিলেন, “আমি ভারতের প্রায় সব কেন্দ্রেই গিয়েছি। আমি বলতে পারি, বিজেপিতে অনেক রং যোগ করেছে বিহার। তাই এনডিএর যে ৪০০ পারের রেজ্যুলিউশন, তা অতিক্রম করবে এনডিএ। কেবল বিহার নয়, এ ছবি কমবেশি গোটা দেশের একই।”

    আর পড়ুন: “কাঁথি-তমলুক বিজেপি জিতছে”, দিনভর তদারকি করে প্রত্যয়ী শুভেন্দু

    এবারও উত্তরপ্রদেশের লখনউ আসনে লড়ছেন রাজনাথ। তিনি এই কেন্দ্রের দু’বারের সাংসদ। এক সময় এই আসনেই জয়ী হয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত অটলবিহারী বাজপেয়ী। ২০১৪ সালে কেন্দ্রের কুর্সিতে বসে বিজেপি। উনিশের নির্বাচনে তার চেয়ে বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফেরে পদ্ম-পার্টি। রাজনাথকে দেওয়া হয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের গুরুদায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারতে’র স্লোগান মাথায় রেখে রাজনাথ ২০২০ সালেই ১০১টি প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সরঞ্জাম বিদেশ থেকে আমদানি করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। তার পরের বছরও ১০৮টি মিলিটারি অস্ত্র এবং সিস্টেম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন রাজনাথ (Rajnath Singh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Rajkot Gaming Zone Fire: রাজকোটের গেমিং জোনে অগ্নিকাণ্ড, দমকলের ছাড়পত্র নেই, বের হওয়ার দরজা একটাই

    Rajkot Gaming Zone Fire: রাজকোটের গেমিং জোনে অগ্নিকাণ্ড, দমকলের ছাড়পত্র নেই, বের হওয়ার দরজা একটাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজকোটের গেমিং জোনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এদের মধ্যে রয়েছে নয় জন শিশু। ইতিমধ্যে ওই গেমিং জোনের নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। গেমিং জোনের (Rajkot Gaming Zone Fire) ব্যবস্থা এবং কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ওই গেমিং জোন থেকে বাইরে যাওয়ার জন্য কেবলমাত্র একটি দরজা ছিল। সবথেকে বড় অভিযোগ, গেমিং জোনের বিরুদ্ধে, সেখানে কোনও ফায়ার লাইসেন্স ছিল না অর্থাৎ দমকল কেন্দ্র কোনও রকমের ছাড়পত্র দেয়নি। তারপরেও কীভাবে এত বড় গেমিং জোন গড়ে উঠল, সে নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। 

    শনি ও রবিবার বেশি ভিড় হতো

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন শনি এবং রবিবার সব থেকে বেশি ভিড় হতো এই গেমিং জোনে। তিল ধারণের জায়গা (Rajkot Gaming Zone Fire) সেখানে থাকতো না। সেই রকম একটি জায়গাতে কীভাবে বের হওয়ার একটি রাস্তা থাকল এবং দমকলের ছাড়পত্র থাকল না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শনি ও রবিবার অভিভাবকরা তাঁদের শিশুদের নিয়ে এই গেমিং জোনে আসতেন এবং এখানে ঢোকার জন্য গুনতে হতো ৯৯ টাকা। গতকাল সন্ধ্যায় আচমকাই সেখানে আগুন লেগে যায়, আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে গোটা গেমিং জোনে। প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। দরজা কেবলমাত্র একটি হওয়ায় বিপদ আরও বাড়ে।

    দমকলের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক কী বলছেন? 

    দমকলের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের কথায় (Rajkot Gaming Zone Fire), ‘‘আগুনের কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। গেমিং ‌জ়োনের অস্থায়ী কাঠামোগুলি ভেঙে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। একই সঙ্গে হাওয়া বইতে থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে।’’ রাজকোটের মেয়র নয়না পেধাদিয়া ফায়ার লাইসেন্স না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘কী ভাবে এত বড় একটা গেমিং জ়োন এনওসি ছাড়া চলছিল, তা আমরা তদন্ত করে দেখব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Rajiv Kumar: “সন্দেহ সৃষ্টি করা কিছু মানুষের কাজ”, বললেন রাজীব কুমার

    Rajiv Kumar: “সন্দেহ সৃষ্টি করা কিছু মানুষের কাজ”, বললেন রাজীব কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্দেহ সৃষ্টি করা কিছু মানুষের কাজ। তবে একথা বলতে পারি আমাদের সিস্টেম খুব স্ট্রং।” শনিবার ষষ্ঠ দফার নির্বাচনের শেষে কথাগুলি বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার (Rajiv Kumar)। তিনি বলেন, “কেবল আজ বলতে আজ নয়, গত ৭০-৭২ বছর ধরেই সিস্টেম স্ট্রং রয়েছে।”

    স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আর্জি খারিজ (Rajiv Kumar)

    গত পাঁচ দফার নির্বাচনে বিভিন্ন লোকসভা কেন্দ্রে কত ভোট পড়েছে, সেই তথ্য প্রকাশ করা হয় এদিন। এরই একদিন আগে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আর্জি খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।  সংস্থার দাবি ছিল, প্রতিটি বুথে কত ভোট পড়ছে, তা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ওই আবেদন খারিজ করে দেওয়ার পরের দিনই নির্বাচন কমিশনের কর্তার (Rajiv Kumar) এহেন মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভোটদানের হার জানাতে ডেটা ফরম্যাট করবে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা থাকবে প্রতিটি লোকসভা কেন্দ্রের চূড়ান্ত ভোটার সংখ্যা।

    কী বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার?

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন ছিল। শেষমেশ শীর্ষ আদালত রায় দিয়ে দিয়েছে।” এর পরেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আমি কেবল এটুকুই বলতে পারি এ ব্যাপারে কোনও ভুল নেই। কোনও ভুল হতেও পারে না। তার পরেও কেন সন্দেহ দানা বাঁধবে? সেগুলো কীভাবে সৃষ্টি করা হচ্ছে? ভোট এবং ভোট-আবহের ওপর কীভাবে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, কীভাবে আমাদের সম্পূর্ণ শক্তি ডাইভার্ট হয়ে যাবে, তা সবার জানা প্রয়োজন। একদিন দেশবাসীকে আমরা এ ব্যাপারে সব বলব।”

    আর পড়ুন: “আমার ছেলেকে মেরে দেবে, নিয়ে যাও”, হিরণের হাত ধরে কাতর আর্জি মহিলার

    কোনও একটি লোকসভা কেন্দ্রে কত ভোট পড়েছে, তা শতাংশের হিসেবে প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। যদিও প্রতি দফায় প্রকৃতপক্ষে কত ভোট পড়েছে, কমিশন যাতে সেটাই জানায় সেই আবেদন নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটি। সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে কমিশনকে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, ওয়েবসাইটে ফর্ম ১৭-সি আপলোড করুন। এই ফর্ম পূরণ করলেই জানা যাবে প্রতিটি বুথে কত ভোট পড়েছে (Rajiv Kumar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।      

     

  • Delhi Fire: মধ্যরাতে দিল্লির শিশু হাসপাতালে আগুন, মৃত্যু ৭ সদ্যোজাতের! জখম বেশ কয়েকজন

    Delhi Fire: মধ্যরাতে দিল্লির শিশু হাসপাতালে আগুন, মৃত্যু ৭ সদ্যোজাতের! জখম বেশ কয়েকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির এক শিশু হাসপাতালে শনিবার মধ্যরাতে আগুন (Delhi Fire) লাগায় দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হল সাত সদ্যোজাতের। দমকল গিয়ে আগুনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অনেক শিশুকেই উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীকালে চিকিৎসা চলাকালীনই ছয়জনের মৃত্যু হয়। রবিবার সকালেই মৃত্যুর খবর মিলেছে আরেকটি শিশুরও। প্রসঙ্গত, শনিবার রাতেই ১২ জন শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছিল। তখনই ছয়জনের মৃত্যু হয় হাসপাতালে। দমকলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, দুটি বিল্ডিংয়ে আগুন লেগেছিল। হাসপাতাল ও তার পার্শ্ববর্তী একটি বহুতলের দোতলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

    পূর্ব দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার ঘটনা

    জানা গিয়েছে, পূর্ব দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার ঘটনা এটি। সেখানকার একটি শিশু সুরক্ষা কেন্দ্র থেকে শনিবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ দমকলকে ফোন করা হয় এবং আগুন (Delhi Fire) লাগার কথা বলা হয়। তবে হাসপাতালে কীভাবে আগুন লাগল তা এখনও জানা যায়নি। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত তা বিভিন্ন ওয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে দমকলের আটটি ইঞ্জিন পৌঁছায়। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    আরও পড়ুন: প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে ‘রেমাল’, শুরু বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর দুর্যোগের পূর্বাভাস

    আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অভিভাবকরা

    হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, শনিবার রাতেই অনেক সদ্যোজাত শিশু চিকিৎসাধীন ছিল এবং দমকল কর্মীরা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে। আগুন লাগার ঘটনায় আতঙ্কে উদ্বেগে দিশেহারা (Delhi Fire) হয়ে পড়েন অভিভাবকরাও। নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদেরও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share