Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Jagdish Tytler: শিখ বিরোধী দাঙ্গা, জগদীশ টাইটলারের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের নির্দেশ দিল্লির আদালতের

    Jagdish Tytler: শিখ বিরোধী দাঙ্গা, জগদীশ টাইটলারের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের নির্দেশ দিল্লির আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৮৪ সালের শিখ বিরোধী দাঙ্গায় (1984 Anti Sikh Riots) অন্যতম অভিযুক্ত কংগ্রেস নেতা জগদীশ টাইটলারের (Jagdish Tytler) বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের নির্দেশ দিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। গতকাল শুক্রবার ৩০ অগাস্ট আদালত এই নির্দেশ দিয়েছে, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইকে। বিচারপতি রাকেশ সিয়াল বলেন যে জগদীশ টাইটলারের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, যাতে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালানো যায়।

    কোন কোন ধারায় চার্জ গঠন (Jagdish Tytler) 

    প্রসঙ্গত, দেশে বর্তমানে চালু রয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী যে সময়ে ঘটনা ঘটেছে, সেই সময়ের আইন অনুযায়ী বিচার প্রক্রিয়া চলবে। এভাবেই জগদীশ টাইটলারের (Jagdish Tytler) বিরুদ্ধে লাগু হতে চলেছে আইপিসি-এর অনেকগুলি ধারা। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারা (বেআইনি জমায়েত), ১৪৭ ধারা (দাঙ্গা), ১৫৩ এ ধারা (দুটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ বাধানো), ১৮৮ ধারা (সরকারি কর্মীকে কাজে বাধা দান), ২৯৫ ধারা (ধর্মস্থান অবমাননা), ৪৩৬ ধারা (অগ্নিসংযোগ), ৪৫১ ধারা (অবৈধভাবে বাড়িতে প্রবেশ ও লুট), ৩৮০ ধারা (চুরি), ১৪৯ ধারা (সাধারণ উদ্দেশে বেআইনি জমায়েত), ৩০২ ধারা (খুন) ১০৯ ধারা (অপরাধে উস্কানি) ইত্যাদি ধারায় মামলা দায়ের করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

    কংগ্রেস নেতার (Jagdish Tytler) প্ররোচনা

    চলতি বছরের গোড়াতেই ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে সিবিআই দাবি করেছিল যে অনেক প্রত্যক্ষদর্শী রয়েছেন, যাঁরা নিজের চোখে দেখেছেন জগদীশ টাইটলার একটি ভিড়কে উস্কানি দিচ্ছেন, দাঙ্গা করার প্ররোচনা দিচ্ছেন ১৯৮৪ সালে। জানা যায়, জগদীশ টাইটলারের এই উস্কানির ফলেই দিল্লির গুরুদুয়ারায় তিনজন মানুষকে খুন করা হয়। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের মে মাসেই সিবিআই তাদের চার্জশিটে জানিয়েছিল যে জগদীশ টাইটলারের বিরুদ্ধে দাঙ্গায় উস্কানি দেওয়া, প্ররোচনা দেওয়ার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে যা সংঘটিত হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ১ নভেম্বর দিল্লিতে। এরপরেই ১ লাখ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পান জগদীশ টাইটলার ২০২৩ সালের অগাস্ট মাসে। প্রসঙ্গত, ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পরেই দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে শিখ-বিরোধী দাঙ্গা। এই দাঙ্গা চলে ১৯৮৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত। অজস্র কংগ্রেসী নেতা এই দাঙ্গায় অভিযুক্ত হন। এই সময়ে ৩,৩৫০ জন সাধারণ শিখ নাগরিককে (1984 Anti Sikh Riots) নির্মমভাবে হত্যা করে কংগ্রেস সমর্থকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: কেরলের পালক্কাড়ে শুরু হল আরএসএস-এর সমন্বয় বৈঠক, চলবে তিনদিন

    RSS: কেরলের পালক্কাড়ে শুরু হল আরএসএস-এর সমন্বয় বৈঠক, চলবে তিনদিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার ৩১ অগাস্ট কেরলের (kerala) পালক্কাড়ে শুরু হল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) তিন দিনের অখিল ভারতীয় সমন্বয় বৈঠক। বৈঠকে যোগ দিয়েছেন আরএসএস-এর সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত, আরএসএস-এর সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবালে সমেত অন্যান্য নেতারা। যোগ দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডাও। শনিবার বৈঠকে শুরুতেই কেরলের (Kerala) ওয়ানাড়ে ভূমিধসের বিশদ বিবরণ ও আরএসএস-এর (RSS) স্বয়ংসেবকদের উদ্যোগে প্রদত্ত সহায়তা প্রদানের বিষয়ে উপস্থিত প্রতিনিধিদের অবগত করা হয়।

    সুনীল আম্বেকরের সাংবাদিক সম্মেলন

    গতকাল শুক্রবার রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ৩২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের অন্যান্য শাখা সংগঠন থেকে ২৩০ জন এবং জাতীয় স্তরের আরএসএসের ৯০ জন পদাধিকারী এই বৈঠকে হাজির থাকবেন। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের বিভিন্ন শাখা সংগঠনের প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে তাঁদের কার্যকলাপ ও সমাজের কাজে তাঁদের অভিজ্ঞতা নিয়ে বক্তব্য পেশ করবেন। এর পাশাপাশি এই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে বর্তমানে দেশের পরিস্থিতি নিয়েও। আলোচনা চলবে বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতেও। শুক্রবার সংবাদমাধ্যমকে সুনীল আম্বেকর বলেন, ‘‘জাতীয় স্তরের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু, দেশের নিরাপত্তা, সামাজিক ইস্যু, বর্তমানের ঘটনা প্রবাহ, রাজ্যস্তরের বিভিন্ন ইস্যুগুলি নিয়েই আলোচনা করা হবে।’’

    ২০২৫ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS) পা দিচ্ছে ১০০ বছরে

    প্রসঙ্গত, আগামী ২০২৫ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ পা দিচ্ছে ১০০ বছরে। এই সময়ে একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে দেখা যাবে সঙ্ঘকে। ইতিমধ্যেই আরএসএস ঘোষণা করেছে ২০২৫ সালের বিজয়া দশমীতে নেওয়া হবে পঞ্চ পরিবর্তন কর্মসূচি, যা চলবে ২০২৬ সালের বিজয় দশমী পর্যন্ত। পঞ্চ পরিবর্তনের বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে সামাজিক সম্প্রীতি, কুটুম্ব প্রবোধন যার অর্থ হল পরিবারকে শক্তিশালী করা, পরিবেশ সংক্রান্ত ইস্যু, আত্মনির্ভরতা-এক্ষেত্রে ঔপনিবেশিক চিহ্নগুলিকে মুছে ফেলার কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে, সব শেষে রয়েছে সিভিক ডিউটিস বা নাগরিক কর্তব্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: নারী নির্যাতনের মামলায় ‘দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি’, বিচারপতিদের বার্তা মোদির

    PM Modi: নারী নির্যাতনের মামলায় ‘দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি’, বিচারপতিদের বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা নাড়া দিয়েছে গোটা দেশকে। গত রবিবারই নারী সুরক্ষার ওপর মহারাষ্ট্রে দীর্ঘ ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। শনিবার ফের একবার মহিলাদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দিল্লিতে জেলা বিচার বিভাগের জাতীয় সম্মেলনের অনুষ্ঠানে তিনি জানালেন, দেশে মহিলাদের নিরাপত্তার জন্য অনেক কঠোর আইন রয়েছে। তবে নারী নির্যাতন রোধ করতে সেই আইনগুলিকে আরও সক্রিয় করা প্রয়োজন। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং অন্য বিচারপতিরা। দিল্লির অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘নারী নির্যাতন, শিশুদের নিরাপত্তার (Women Safety) মতো বিষয়গুলি এখন সমাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দেশে অনেক কঠোর আইন তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু সেই আইনগুলিকে আরও সক্রিয় করে তোলা প্রয়োজন। মহিলাদের বিরুদ্ধে নৃশংসতার ঘটনায় যত দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে, নিরাপত্তার (Women Safety) ক্ষেত্রে তত বেশি নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে।’’

    ১০ বছরে মোদি সরকার একাধিক পদক্ষেপ করেছে

    দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে গত ১০ বছরে তাঁর সরকার একাধিক পদক্ষেপ করেছে, এমনটা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনের অনুষ্ঠানে তারও খতিয়ান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, ‘‘বিচার ব্যবস্থার বিলম্ব দূর করতে গত এক দশকে অনেক পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিচার ব্যবস্থার পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য সরকার ১০ বছরে আট হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বিচার ব্যবস্থার পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য গত ২৫ বছরে যে অর্থ খরচ করা হয়েছিল, তার ৭৫ শতাংশ ১০ বছরেই খরচ করেছে বিজেপি সরকার।’’

    দেশের শীর্ষ আদালতের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 

    দিল্লির ‘ভারত মণ্ডপম’ থেকেই বিচার ব্যবস্থার উদ্দেশে এই বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। দেশের শীর্ষ আদালতের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল সেখানেই প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্টের ৭৫ বছর। এটি শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের যাত্রা নয়, এ হল ভারতের সংবিধানের এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধের অগ্রগতি। এটি গণতন্ত্র হিসাবে ভারতের আরও পরিণত হওয়ার যাত্রা।’’ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই উত্তাল রাজ্য। আদালতের নির্দেশ মতো ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। বিচারের দাবিতে দিকে দিকে চলছে বিক্ষোভ, আন্দোলন। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) এমন মন্তব্য যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Helicopter Crash in Kedarnath: এয়ারলিফ্‌ট করতে গিয়ে সমস্যা, কেদারনাথে বিকল কপ্টার ছিঁড়ে পড়ল মন্দাকিনীর ধারে

    Helicopter Crash in Kedarnath: এয়ারলিফ্‌ট করতে গিয়ে সমস্যা, কেদারনাথে বিকল কপ্টার ছিঁড়ে পড়ল মন্দাকিনীর ধারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুলস্থুল কাণ্ড কেদারনাথে। মাঝ আকাশ থেকে মন্দাকিনীর ধারে ছিঁড়ে পড়ল বিকল হেলিকপ্টার (Helicopter Crash in Kedarnath)। শনিবার সকালে কেদারনাথ ধামে অবতরণের সময় যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে বিকল হয়ে গিয়েছিল একটি হেলিকপ্টার। সেটিকে এয়ারলিফ্‌ট করে ফিরিয়ে আনছিল উদ্ধারকারী এমআই-১৭ চপার। সেটির সঙ্গে চেন দিয়ে বেঁধে নিয়ে আসা হচ্ছিল বিকল হেলিকপ্টারটি। সেই সময়েই মাঝ আকাশ থেকে ছিঁড়ে পড়ে ওই হেলিকপ্টার। ভাগ্যক্রমে সেই হেলিকপ্টারে কেউ ছিল না। ওই দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। দুর্ঘটনার মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি হয়েছে। যা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

    কখন, কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা

    প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, কেদারনাথ ও গৌচরের মাঝে ভীমবালির কাছে লিঞ্চোলিতে দুর্ঘটনাটি (Helicopter Crash in Kedarnath) ঘটেছে। এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “কেদারনাথ থেকে এয়ারলিফ্‌ট করে আনার পথে একটি হেলিকপ্টার চেন থেকে ছিঁড়ে লিঞ্চোলিতে থারু শিবিরের কাছে নদীতে পড়ে গিয়েছিল। অল্প দূরত্ব পার করতেই এমআই-১৭ ভারসাম্য হারায়, হাওয়ার ধাক্কায় স্ট্রাপ ছিঁড়ে যায়। স্থানীয় থানা থেকে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দলের কাছে সেই তথ্য যায়। বিপর্যয় মোকাবিলা দল ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।” জানা গিয়েছে, ওই হেলিকপ্টারটি একটি বেসরকারি সংস্থার। 

    এই ধরনের হেলিকপ্টারে (Helicopter Crash in Kedarnath) করেই কেদারনাথ মন্দিরে পুণ্যার্থীদের নিয়ে যাওয়া হয়। উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই থেকে আচমকাই কেদারনাথ ধামে পুণ্যার্থীদের সংখ্যা কমে গিয়েছে। প্রবল বৃষ্টি এবং ট্রেকিংয়ের রুটে ঘনঘন ধস নামার কারণে মন্দিরে যাওয়ার ঝুঁকি নিতে রাজি নন অনেকেই। সম্প্রতি নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে গৌরীকুণ্ড থেকে কেদারনাথ যাওয়ার পথে বহু মানুষ আটকে পড়েন। ভারতীয় বায়ুসেনার চিনুক এবং M-17 চপারের সাহায্যে তাদের উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়াও উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত হয়েছে একাধিক বেসরকারি চপারও। চলতি বছর ১০ মে শুরু হয়েছিল চারধাম যাত্রা। এখনও পর্যন্ত ৩৩ লক্ষ পুণ্যার্থী কেদারনাথ, বদ্রীনাথ, গঙ্গোত্রী এবং যমুনোত্রী গিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদিকে দেওয়া মমতার চিঠিতে তথ্যগত ভুল রয়েছে, সাফ জানাল কেন্দ্র

    PM Modi: মোদিকে দেওয়া মমতার চিঠিতে তথ্যগত ভুল রয়েছে, সাফ জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে যে দ্বিতীয় চিঠিটি দিয়েছেন, তাতে তথ্যগত ভুল রয়েছে।” শুক্রবার এ কথা জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী। তাঁর মতে (PM Modi), এটি রাজ্যে ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশাল কোর্ট চালু করার ক্ষেত্রে যে অযথা দেরি হচ্ছে, তা ঢাকা দেওয়াই এই চিঠির লক্ষ্য।

    কী বলছেন মমতা? (PM Modi)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই চিঠিটি এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লেখার পরে। ওই চিঠিতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য ছিল, মামলাগুলির বিষয়ে কঠোর কেন্দ্রীয় আইন প্রণয়নের জন্য তাঁর প্রথামিক আবেদনের প্রেক্ষিতে কোনও প্রতিক্রিয়া না পাওয়ায় হতাশ তিনি। তাঁর চিঠিতে মমতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আগের চিঠি মারফত দেওয়া উত্তরকে অপর্যাপ্ত ও সাধারণ বলে সমালোচনা করেছিলেন।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর তোপ

    রাজ্যকে লেখা চিঠিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লিখেছেন, ‘যেমন দেখা যাচ্ছে, আপনার চিঠিতে থাকা এ সংক্রান্ত তথ্য ফ্যাকচুয়ালি ইনকারেক্ট। রাজ্যে ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশাল কোর্ট চালু করার ক্ষেত্রে যে দেরি হচ্ছে, সেই ব্যর্থতা ঢাকতেই এটি একটি পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।’ ১১টি অতিরিক্ত ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশাল কোর্ট চালু না করায়ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নিন্দে করেন অন্নপূর্ণা। তিনি জানান, রাজ্যে বকেয়া রয়েছে ৪৮ হাজার ৬০০ ধর্ষণ এবং পকসো মামলা। কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী চিঠিতে লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে সব মিলিয়ে নিষ্পত্তি হয়নি ৮১ হাজার ১৪১টি মামলার। এই পরিসংখ্যান গত ৩০ জুন পর্যন্ত। রাজ্যে ৪৮ হাজার ৬০০ ধর্ষণ এবং পকসো মামলা বকেয়া রইলেও, রাজ্য এখনও ১১টি অতিরিক্ত ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশাল কোর্ট চালু করেনি। অথচ পকসো কোর্ট কিংবা ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে এই আদালত এক্সক্লুসিভ হতে পারে।’

    আরও পড়ুন: সায়ন লাহিড়িকে মুক্তির নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, স্বাগত জানালেন শুভেন্দু

    ভারতীয় (PM Modi) ন্যায় সংহিতার অধীনে ইতিমধ্যেই কঠোর আইন রয়েছে বলেও চিঠিতে (Mamata Banerjee) মনে করিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এই আইনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং মৃত্যুদণ্ডের মতো সাজারও সংস্থান রয়েছে বলেও জানান (PM Modi) মন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • RG Kar: আরজি কর কাণ্ডে উত্তাল বাংলা, শাহের সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যপাল

    RG Kar: আরজি কর কাণ্ডে উত্তাল বাংলা, শাহের সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার আরজি কর (RG Kar) কাণ্ড নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। এই নিয়ে রাজভবনের সূত্রে জানানো হয় যে এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বেশ কিছু বিষয় জানিয়েছেন রাজ্যপাল (West Bengal Governor)। আরজি কর কাণ্ডের আবহে সারা বাংলা যেভাবে উত্তাল হয়েছে, সেই পরিস্থিতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ব্যাখা করেছেন রাজ্যপাল। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাতেই দিল্লিতে পৌঁছে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এর আগে গত ২০ অগাস্ট দিল্লিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করেছিলেন তিনি। তখনও আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজের নৃশংস ধর্ষণের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় যে আন্দোলন, সে সম্পর্কে তিনি অবহিত করেন রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতিকে।

    তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা (RG Kar) ফাস্ট ট্র্যাক মোডে বিচার হবে

    এদিন রাজ্যভবনের তরফে জানানো হয়, রাজ্যপাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের (West Bengal Governor) তরফে জানা গিয়েছে, আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ফাস্ট ট্র্যাক মোডে বিচার হবে। রাজ্যপাল আরও জানিয়েছেন, আরজি করের নিহত তরুণীর বাবা-মায়ের কাছ থেকে হৃদয় বিদারক চিঠি পাওয়ার পরেই তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে নির্যাতিতা তরুণীর বাবা-মায়ের বক্তব্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানান। এছাড়া, বাংলার পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ মিছিল ও জনরোষ প্রসঙ্গেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তিনি জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    বিজেপির প্রতিনিধিরা আগেই রাজভবনে যান

    আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে খুন এবং ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’ নামের একটি সংগঠন মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল। সেই কর্মসূচিকে সমর্থন করেছিল বিজেপি। তারপরে বুধবার তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেলাগাম আক্রমণ করেছিলেন বিজেপিকে। তাঁর অনেক মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে। বুধবার ওই মন্তব্যের প্রতিবাদে শাহকে (Amit Shah) চিঠি লিখেছিলেন সুকান্ত। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবিও জানিয়েছিলেন। মমতার মন্তব্য ‘বদলার রাজনীতিকেই প্রশ্রয় দিচ্ছে’, বলে অভিমত সুকান্তর। মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লেখার পর বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের সঙ্গেও দেখা করেছেন সুকান্ত। এরপরই দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন রাজ্যপাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “পাকিস্তানের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার যুগ শেষ”, সোজাসাপটা জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “পাকিস্তানের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার যুগ শেষ”, সোজাসাপটা জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার যুগ শেষ।” পাকিস্তানের প্রতি ভারতের বর্তমান অবস্থান বোঝাতে গিয়ে এ কথাই বললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “কর্মের ফল ভোগ করতে হবে।” পাকিস্তান স্পনসর্ড সন্ত্রাসবাদের প্রতি ইঙ্গিত করে নয়াদিল্লির অবস্থান ফের স্পষ্ট করে দিলেন তিনি। বললেন, “সন্ত্রাস এবং আলোচনা এক সঙ্গে চলতে পারে না।”

    কী বললেন জয়শঙ্কর? (S Jaishankar)

    এর পরেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার যুগ শেষ। কর্মের ফল আছে।” শুক্রবার দিল্লিতে একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে পাকিস্তান সম্পর্কে ভারতের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন বিদেশমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানেই তিনি বলেন, “যেহেতু জম্মু-কাশ্মীর এর সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাই বাতিল করা হয়েছে ৩৭০ ধারা। তাই এখন ইস্যু হল, আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে কীরকম সম্পর্ক স্থাপন করব।” সন্ত্রাসবাদ এবং আলোচনা যে এক সঙ্গে চলতে পারে না, এবং ভারত যে এর সঙ্গে কোনও কম্প্রোমাইজ করবে না, তা-ও স্পষ্ট করে দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)। 

    সন্ত্রাসের সঙ্গে আপোস নয়

    একইভাবে, পাকিস্তানের সঙ্গে ডিল করার ক্ষেত্রে ভারত যে নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে থাকবে না, এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “আমি আপনাদের এটা বলতে চাই যে, আমরা নিষ্ক্রিয় নই। ইতিবাচক বা নেতিবাচক, ঘটনাপ্রবাহ যেদিকেই গড়াক না কেন, আমরা প্রতিক্রিয়া দেব।” এর আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেছিলেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার প্রচেষ্টায় কেন্দ্র সন্ত্রাসবাদকে উপেক্ষা করতে পারে না।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদ শিল্পের পর্যায়ে চলে গিয়েছে।” ভারত আর এসব সহ্য করবে না বলেও জানান তিনি। ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানের কৌশল হল ভারতকে আলোচনার টেবিলে আনতে গেলে হাতিয়ার করতে হবে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসকে। কিন্তু ভারত এই শর্তে রাজি নয়। ভারত ওই নীতিকে বর্তমানে বাতিল করে দিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে এসসিও সম্মেলন, মোদিকে আমন্ত্রণ শরিফের, যোগ দেবেন কি প্রধানমন্ত্রী?

    এই অনুষ্ঠানেই বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও মুখ খুলেছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “বর্তমানে সে দেশে যে সরকার রয়েছে, আমরা তার সঙ্গেই ডিল করব।” দুই পড়শি দেশের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা ও সহযোগিতার ওপরও জোর দেন তিনি। বলেন, “প্রতিবেশীরা সব সময়ই প্রহেলিকা। আমায় এমন একটা দেশের উদাহরণ আপনারা (Pakistan) দিতে পারেন, যেখানে দুই পড়শি দেশের মধ্যে চ্যালেঞ্জ নেই (S Jaishankar)?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • India’s Rail Network: ভারতে প্রায় ১০০ শতাংশ রেলপথের বৈদ্যুতিকরণ সম্পন্ন, যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র ১%!

    India’s Rail Network: ভারতে প্রায় ১০০ শতাংশ রেলপথের বৈদ্যুতিকরণ সম্পন্ন, যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র ১%!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেলের নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে রয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্ক হল ভারতীয় রেল। দেশের সমস্ত ব্রডগেজ লাইনে ইলেক্ট্রিফিকেশনের কাজ শেষ করতে উদ্যোগী ভারত। ভারতীয় রেলে ইলেক্ট্রিফিকেশন বা বৈদ্যুতিকরণের কাজ শুরু হয়েছিল ১৯২৫ সালে। তখন দেড় হাজার ভোল্ট ডিসি লাইনের বৈদ্যুতিক লাইন বসানো হয়েছিল। পরে তা তিন হাজার ভোল্টে রূপান্তরিত হয়। ১৯৫৭ সালে রেল মন্ত্রক সব বৈদ্যুতিক লাইনকে ২৫ কিলোভোল্ট এসি ট্রাকশনে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যমাত্র নেয়। দেশের প্রথম বিদ্যুৎ চালিত ট্রেন চলেছিল সেন্ট্রাল রেলওয়েতে। বম্বে টার্মিনাস (এখন ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস) থেকে কুরলা পর্যন্ত চলেছিল সেই ট্রেন। এখন দেশে অধিকাংশ ইলেক্ট্রিক ইঞ্জিন বা ইএমইউ ট্রেন চলে। গত কয়েক বছর ধরেই প্রতি বছর ৬ হাজার কিলোমিটার রেলপথে ইলেক্ট্রিফিকেশন করা হয়েছে।  বর্তমানে এটি ৯৬ শতাংশেরও বেশি বিদ্যুতায়িত। এর বিপরীতে, যুক্তরাষ্ট্রে এই হার মাত্র ১ শতাংশ!

    ভারতের নেট-জিরো লক্ষ্য

    ভারতীয় রেলওয়ে, ২০৩০ সালের মধ্যে নেট-জিরো অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে ১০০ শতাংশ ব্রডগেজ লাইন বৈদ্যুতিক করবে রেল। সম্প্রতি রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই দেশের ৯৬ শতাংশ ব্রডগেজ লাইনে ইলেক্ট্রিফিকেশনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ৪ শতাংশ কাজও খুব শীঘ্রই শেষ করা হবে। গত কয়েক বছর ধরেই রেললাইনে ইলেক্ট্রিফিকেশনের কাজে জোর দেওয়া হয়েছে রেলের তরফে। সেই লক্ষ্যে কাজও চলছে নিরন্তর। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত, ভারতীয় রেলওয়ে ১৪,৫০০টি ট্রেনের মধ্যে ১০,০০০টিরও বেশি বৈদ্যুতিক ট্রেন পরিচালনা করছিল। কিছু ক্ষেত্রে, পুরানো ডিজেল ট্রেনগুলোকে বৈদ্যুতিক ট্রেনে রূপান্তরিত করা হয়েছিল, তবে বেশিরভাগই ছিল নতুন। গত বছর ১,৩০০টি নতুন বৈদ্যুতিন লোকোমোটিভের জন্য একটি অর্ডার ছিল, যা সিমেন্স মবিলিটি তাদের বৃহত্তম অর্ডার হিসেবে উল্লেখ করেছে।

    কেন বিদ্যুতায়ন

    ডিজেল ট্রেনের ব্যবহার বন্ধ করার প্রধান উদ্দেশ্য শুধুমাত্র জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করা নয় বা দূষণ থেকে স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব কমানো নয়। বৈদ্যুতিক ট্রেন চালানো সস্তাও। এসব ট্রেন বেশি পরিমাণ মাল বহন করতে পারে বা ডিজেল লোকোমোটিভগুলোর চেয়ে বেশি সংখ্যক যাত্রী পরিবহণ করতে সক্ষম। এছাড়া এই পরিবর্তন দেশের আমদানি করা অপরিশোধিত তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেয়। “ডিজেল রেল সিস্টেম থেকে বিদ্যুতায়িত রেল সিস্টেমে দ্রুত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ভারত একটি চমৎকার উদাহরণ” বলেছেন পরিবেশ সংরক্ষণে নিবেদিত অ-লাভজনক প্রতিষ্ঠান আর্থজাস্টিস-এর সিনিয়র অ্যাটর্নি ইয়াসমিন আগেলিডিস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি দুর্দান্ত মডেল হতে পারে ভারত, এমনই দাবি তাঁর। একসময় ভারতেও প্রচুর ডিজেল ট্রেন ছিল, এখন যুক্তরাষ্ট্রে সেই একই পরিস্থিতিতে রয়েছে।

    ভারত কীভাবে এগিয়ে গেল

    ২০১১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ভারতে ১২,০০০ মাইল রেলপথ বিদ্যুতায়িত হয়েছিল, এবং ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে আরও ১২,০০০ মাইল রেলপথ বিদ্যুতায়িত করা হয়েছে। এর জন্য সবরকম সাহায্য করেছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। আগেলিডিস-এর কথায়, “ভারতের প্রধানমন্ত্রী খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তিনি দেশের ১০০ শতাংশ রেলপথ বিদ্যুতায়িত চান। আমি মনে করি এই স্পষ্ট নির্দেশনা এবং নীতিগত লক্ষ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।” রেলপথ সরকারের মালিকানাধীন হওয়ার কারণে এই প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্ন হয়েছে। সরকার ভূমি, বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য সংশ্লিষ্ট অ্যাক্সেস এবং নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ডব্লিউআরআই ভারতের পরিবহণ কর্মসূচির প্রধান পাওয়ান মুলুকুটলা। 

    আরও পড়ুন: ভয় পাচ্ছে চিন-পাকিস্তান! পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম দ্বিতীয় ডুবোজাহাজ পেল নৌসেনা

    আমেরিকা কেন পিছিয়ে

    যুক্তরাষ্ট্রে, বেশিরভাগ রেলপথ বেসরকারি মালিকানাধীন, সেখানে বৈদ্যুতিক অবকাঠামোতে বিনিয়োগের প্রতি কম আগ্রহ দেখা গিয়েছে। আগেলিডিস বলেন, “সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, বৈদ্যুতিক রেল আসলে ডিজেলের চেয়ে সস্তা হতে পারে কারণ এটি একটি অনেক সস্তা জ্বালানি উৎস।”  তাঁর দাবি, “এটি একটি বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারীও বটে। তবে আমি মনে করি বেসরকারি রেলওয়ের মডেলটি শুধু স্বল্পমেয়াদী লাভের দিকে তাকিয়ে আছে এবং তারা তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কী দিতে পারে তার ওপর সবকিছু নির্ভর করছে। এটি একটি বড় সমস্যা, কারণ এটি শেয়ারহোল্ডারদের মুনাফাকে জনস্বাস্থ্য এবং আমাদের জলবায়ু লক্ষ্যগুলোর চেয়ে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: পাকিস্তানে এসসিও সম্মেলন, মোদিকে আমন্ত্রণ শরিফের, যোগ দেবেন কি প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: পাকিস্তানে এসসিও সম্মেলন, মোদিকে আমন্ত্রণ শরিফের, যোগ দেবেন কি প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কি তবে পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)? অন্তত এমনই জল্পনা দানা বেঁধেছে। কারণ ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সরকারিভাবে পাকিস্তানে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে শেহবাজ শরিফের সরকার। জানা গিয়েছে, এ বছর সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) সম্মেলনের আয়োজক দেশ পাকিস্তান। সম্মেলন হবে অক্টোবরের মাঝামাঝি। এই সম্মেলনেই (SCO Summit) যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে পাকিস্তানের সরকার।

    কী বলছে পাকিস্তান? (PM Modi)

    পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মুমতাজ জাহরা বালোচ বলেন, “এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে সব সদস্য দেশের সরকারকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও। ইসলামাবাদে এসসিও-র সদস্য দেশগুলোর সরকারের প্রধানদের নিয়ে কাউন্সিল অফ হেডস অফ গভর্নমেন্টের বৈঠক হবে।” এসসিও সম্মেলনে যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে, দিন দুই আগেই তা জানিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তিনি বলেছিলেন, “পাকিস্তান অবশ্যই এই আঞ্চলিক বৈঠকে (ভারতের) প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) আমন্ত্রণ জানাবে।” অক্টোবরের ১৫ ও ১৬ এই দুদিন ধরে সম্মেলন হবে ইসলামাবাদে।

    কী বলছে ভারত?

    গত বছর এসসিও সম্মেলনের আয়োজক দেশ ছিল ভারত। সম্মেলন হয় জুলাই মাসে। সেবার ভারত আমন্ত্রণ জানিয়েছিল পাকিস্তানকে। তার আগে মে মাসে গোয়ায় বৈঠকে বসেন এসসিও-র সদস্য রাষ্ট্রগুলির বিদেশমন্ত্রীরা। এই বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী বিলওয়াল জারদারি ভুট্টো। ভুট্টো এলেও, এসসিও-র মূল সম্মেলনে আসেননি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। এখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানে যান কিনা, সেটাই দেখার। যদিও বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে একটি খবর ঘুরে বেড়াচ্ছে, ‘পাকিস্তানে এসসিও-র বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন না। বা বিদেশমন্ত্রক পাকিস্তানে এই এসসিও বৈঠকে যাবে। স্পষ্ট করে দেওয়া ভালো যে, বিদেশমন্ত্রক এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। এই জাতীয় খবরগুলো উপেক্ষা করা উচিত।’

    আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযান-বন‍্ধে পুলিশি অত্যাচার, পুলিশকে নোটিশ মানবাধিকার কমিশনের

    প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের ১৫ জুন প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয় এসসিও-র। প্রথমে সদস্য দেশ ছিল পাঁচটি। বর্তমানে সদস্য দেশ ৯টি। এগুলি হল, ভারত, পাকিস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, চিন, রাশিয়া এবং ইরান। ফি বছর একটি করে (PM Modi) দেশ আয়োজন করে সম্মেলনের (SCO Summit)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মিলে গেল মোদির গ্যারান্টি, বাংলায় দুর্নীতির টাকা ফেরত দিতে শুরু করল ইডি

    PM Modi: মিলে গেল মোদির গ্যারান্টি, বাংলায় দুর্নীতির টাকা ফেরত দিতে শুরু করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় একাধিক দুর্নীতির টাকা ফেরত দেওয়া হবে, লোকসভা নির্বাচনের আগে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি কথা রাখলেন। টাকা ফেরাতে শুরু করল কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। রোজভ্যালির আমানতকারীদের টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া শুরু হল। অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটিকে ১৯ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আদালতের নির্দেশেই টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হল।

    মোদির প্রতিশ্রুতি

    লোকসভা ভোটের প্রচারে একাধিকবার বাংলায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। সেই প্রচার সভা থেকেই টাকা ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “এতদিন পর্যন্ত আবাস যোজনা-সহ বিভিন্ন দুর্নীতির তদন্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে। এই টাকা বাংলার মানুষের হাতে কীভাবে ফিরিয়ে দেওয়া যায়, তারই আইনি উপায় খুঁজছি আমরা। ক্ষমতায় ফিরলে, আইনি উপায়েই বাংলার মানুষকে সেই ৩০০০ কোটি টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।” রাজ্যে দুর্নীতির টাকা ফেরানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। বৃহস্পতিবারই রোজভ্যালি মামলায় বাজেয়াপ্ত করা ১৯.৫০ কোটি টাকা ফেরাল ইডি। আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য প্রথম ধাপ হিসেবে এই টাকা তুলে দেওয়া হল বিশেষ কমিটির হাতে। 

    আরও পড়ুন: ভয় পাচ্ছে চিন-পাকিস্তান! পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম দ্বিতীয় ডুবোজাহাজ পেল নৌসেনা

    দ্রুত পদক্ষেপ ইডির

    ইডি (ED) সূত্রে খবর, সংস্থার তিন উচ্চপদস্থ অফিসার, স্পেশাল ডিরেক্টর সুভাষ আগরওয়াল, জয়েন্ট ডিরেক্টর সুদেশ শেওরান এবং ডেপুটি ডিরেক্টর অজয় লুহাচ অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটির অফিসে যান। সেখানে জরুরি বৈঠক হয়। সেখানে আমানতকারীদের টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, রোজভ্যালির যে টাকা এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল, তার মধ্যে থেকে ১৯ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে মাথায় রেখে আগেই এই কমিটি তৈরি করা হয়েছিল। তারাই এবার আমানতকারীদের ফেরত দেবে ওই টাকা। আমানতকারীরা বৈধ কাগজ দেখালে তাঁদের টাকা দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর জন্য হাইকোর্টের নির্দেশে ওয়েবসাইটও খোলা হয়, যেখানে নিজেদের নথিপত্র জমা দিয়ে টাকা ফেরত চেয়ে আবেদন করতে পারেন আমানতকারীরা। সেই নথি যাচাই করে আমানতকারীদের প্রাপ্য টাকা মিটিয়ে দেওয়া হবে বলে ঠিক হয়। ইডি (ED) সূত্রে খবর, ধাপে ধাপে বাজেয়াপ্ত করা আরও টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share