Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Lok Sabha elections 2024: বায়ুসেনার প্রাক্তন প্রধান আরকেএস ভাদৌরিয়া যোগ দিলেন বিজেপিতে

    Lok Sabha elections 2024: বায়ুসেনার প্রাক্তন প্রধান আরকেএস ভাদৌরিয়া যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার বিজেপিতে যোগ দিলেন ভারতীয় বায়ুসেনার প্রাক্তন প্রধান, এয়ার চিফ মার্শাল আরকেএস ভাদৌরিয়া। তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ সিং। প্রসঙ্গত, আরকেএস ভাদৌরিয়া হলেন উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, যোগী রাজ্যের কোনও আসন (Lok Sabha elections 2024) থেকেই তিনি ভোটে লড়তে পারেন। সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে তাঁকে গাজিয়াবাদ আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।

    বায়ুসেনার প্রধান ছিলেন ২০১৯-২০২১ পর্যন্ত

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় বায়ুসেনার (Lok Sabha elections 2024) যে সমস্ত শীর্ষ স্থানীয় পাইলটরা প্রথম রাফাল যুদ্ধবিমান চালিয়েছিলেন, তাঁদের অন্যতম ছিলেন আরকেএস ভাদৌরিয়া। জানা গিয়েছে, এই যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ফ্রান্সের সঙ্গে ভারত যে চুক্তি করেছিল, সেই চুক্তি চূড়ান্ত করতেও তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি বায়ুসেনার প্রধানের দায়িত্ব সামলেছেন।

    কী বললেন প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান

    বিজেপিতে যোগ (Lok Sabha elections 2024) দিয়ে তিনি বলেন, “ফের দেশ গঠনে আমায় অবদান রাখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য, দলীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি চার দশকেরও বেশি সময় ধরে আইএএফ-এর চাকরি করেছি। কিন্তু আমার চাকরির সেরা সময় ছিল শেষ ৮ বছর, বিজেপি সরকারের নেতৃত্বে। সশস্ত্র বাহিনীকে ক্ষমতায়িত করতে এবং বাহিনীর আধুনিকীকরণ এবং বাহিনীকে স্বনির্ভর করতে, এই সরকার যে সকল কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে, তা বাহিনীতে এক নতুন সক্ষমতার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি, তাদের নতুন করে আত্মবিশ্বাসও জুগিয়েছে।”

    মোট ৪ হাজার ঘণ্টারও বেশি বিমান উড়িয়েছেন

    উত্তরপ্রদেশের আগ্রায় জন্ম আরকেএস ভাদৌরিয়ার। তাঁর পিতাও কর্মরত ছিলেন বায়ুসেনায়। পুনের ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির অত্যন্ত কৃতী ছাত্র হিসেবে বায়ুসেনায় যোগ দিয়েছিলেন (Lok Sabha elections 2024) ভাদোরিয়া। মোট চার হাজার ঘণ্টারও বেশি, সব মিলিয়ে ছাব্বিশ রকমের বিমান ওড়ানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। কাজ করেছেন দক্ষিণাঞ্চল বা ‘সাদার্ন এয়ার কমান্ড’-এর কর্তা হিসেবেও। এর পরে মস্কোয় ভারতের কূটনৈতিক মিশনের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন দীর্ঘদিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ed Raids: কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির পরে ফের ইডি হানা, শনিবার সকাল থেকে তল্লাশি আপ বিধায়কের বাড়িতে

    Ed Raids: কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির পরে ফের ইডি হানা, শনিবার সকাল থেকে তল্লাশি আপ বিধায়কের বাড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির পরে দিল্লির আপ বিধায়ক গুলাব সিংহ যাদবের বাড়িতে ইডির হানা (Ed Raids) চলছে (প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত)। শনিবার সকাল থেকে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা । তবে ঠিক কোন মামলায় এই তল্লাশি অভিযান চলছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আবগারি ‘দুর্নীতি’ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই তদন্ত নয় বলেই জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, আবগারি ‘দুর্নীতি’ মামলায় বৃহস্পতিবার রাতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপের সর্বোচ্চ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করেছে ইডি। প্রত্যাশিতভাবেই গুলাবের বাড়িতে ইডির তল্লাশির বিরোধিতা করেছে আম আদমি পার্টি (আপ)। তবে এব্যাপারে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি বিজেপির তরফে (Ed Raids)।

    ২১ মার্চ গ্রেফতার কেজরিওয়াল

    প্রসঙ্গত, ২১ মার্চ রাতেই ইডির হাতে গ্রেফতার হন কেজরিওয়াল। এর আগে ওই মামলায় তাঁকে আট বার সমন পাঠানো হয়েছিল। নবম বার সমনেও হাজিরা দেননি কেজরিওয়াল। বৃহস্পতিবারই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছে যান ইডির আধিকারিকরা। রক্ষাকবচ চেয়ে কেজরিওয়াল দিল্লি হাইকোর্টে গিয়েছিলেন। তবে সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এরপর রাতেই তাঁর বাসভবনে যায় ইডি (Ed Raids)। ঘণ্টা দুয়েক তল্লাশি অভিযানের পর কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে সংস্থা। রাউজ অ্যাভিনিউ আদালত, তাঁকে ছ’দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

    অরবিন্দ কেজরিওয়ালই দুর্নীতির কিংপিন

    কেজরিওয়াল মামলায় এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন ‘কনম্যান’ সুকেশ চন্দ্রশেখর। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর (Arvind Kejriwal) মুখোশ খুলে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও শোনা গিয়েছে জেলবন্দি এই ব্যবসায়ীর মুখে। সুকেশ চন্দ্রশেখর বলেন, ‘‘অরবিন্দ কেজরিওয়ালই দুর্নীতির কিংপিন। তবে পিকচার অভি বাকি হ্যায়। আমার প্রিয় কেজরিওয়ালজি, আপনি যত চেষ্টাই করুন না কেন, সময় ঘনিয়ে এসেছে। ক্লাইম্যাক্সের অপেক্ষায় আছি। আপনার সমস্ত মিথ্যা, নাটকের এবার অবসান হতে চলেছে। আপনার ভাই-বোনেদের সঙ্গে আপনিও তিহার ক্লাবের সদস্য।’’ সুকেশ চন্দ্রশেখরের দাবি, ‘‘আবগারি দুর্নীতি মামলায় এবার প্যান্ডোরার বাক্স খুলে যাবে। কবিতা আক্কার গ্রেফতারির পর এবার দুর্নীতির পর্দাফাঁস হতে শুরু করবে। দুর্নীতির রাজা, আমার প্রিয় অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সামনে এখন বড় বিপদ। তাঁর মুখোশ সকলের সামনে খুলে যাবে।’’

     

    আরও পড়ুন: ইন্ডি জোটে জট, কোচবিহার আসনে বামের বিরুদ্ধে কংগ্রেস প্রার্থী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালের আর্জি ফেরাল হাইকোর্ট, ‘‘মুখোশ খুলে দেবো’’, হুঙ্কার কনম্যান সুকেশের

    Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালের আর্জি ফেরাল হাইকোর্ট, ‘‘মুখোশ খুলে দেবো’’, হুঙ্কার কনম্যান সুকেশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) আবেদনের দ্রুত শুনানির আর্জি ফিরিয়ে দিল দিল্লি হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত, দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালত কেজরিওয়ালকে সাত দিনের ইডি হেফাজতে পাঠিয়েছিল। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। কিন্তু দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর আর্জিই খারিজ করল হাইকোর্ট। অন্যদিকে, কেজরিওয়াল মামলায় এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন ‘কনম্যান’ সুকেশ চন্দ্রশেখর। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর (Arvind Kejriwal) মুখোশ খুলে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও শোনা গিয়েছে জেলবন্দি এই ব্যবসায়ীর মুখে। সূত্রের খবর, সুকেশ রাজসাক্ষী হতেও আগ্রহী।

    কেজরিওয়ালের মুখোশ খুলে দেওয়ার হুঁশিয়ারি

    ২০০ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার সুকেশ বর্তমানে রয়েছেন তিহাড় জেলেই। জেলে কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) স্বাগতও জানিয়েছেন তিনি। সুকেশ বলেন, ‘‘সত্যিটা এবার বেরিয়ে এসেছে। আমি তাঁকে (কেজরিওয়ালকে) তিহাড় জেলে স্বাগত জানাচ্ছি।’’ কেজরিওয়ালের হাঁড়ির খবর জানা সুকেশের আরও মন্তব্য, ‘‘আমি তাঁর মুখোশ খুলে দেব। আমি সরকারি সাক্ষী হব। সব প্রমাণ দেওয়া হয়ে গিয়েছে।’’ প্রসঙ্গত, এই মামলায় নাম জড়িয়েছে বলিউডের অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজেরও। এছাড়া অপর এক বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফতেহির নামও উঠে এসেছিল এই মামলায়।

    অরবিন্দ কেজরিওয়ালই দুর্নীতির কিংপিন

    সুকেশ চন্দ্রশেখর আরও বলেন, ‘‘অরবিন্দ কেজরিওয়ালই (Arvind Kejriwal) দুর্নীতির কিংপিন। তবে পিকচার অভি বাকি হ্যায়। আমার প্রিয় কেজরিওয়ালজি, আপনি যত চেষ্টাই করুন না কেন, সময় ঘনিয়ে এসেছে। ক্লাইম্যাক্সের অপেক্ষায় আছি। আপনার সমস্ত মিথ্যা, নাটকের এবার অবসান হতে চলেছে। আপনার ভাই-বোনেদের সঙ্গে আপনিও তিহার ক্লাবের সদস্য।’’ সুকেশ চন্দ্রশেখরের দাবি, ‘‘আবগারি দুর্নীতি মামলায় এবার প্যান্ডোরার বাক্স খুলে যাবে। কবিতা আক্কার গ্রেফতারির পর এবার দুর্নীতির পর্দাফাঁস হতে শুরু করবে। দুর্নীতির রাজা, আমার প্রিয় অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সামনে এখন বড় বিপদ। তাঁর মুখোশ সকলের সামনে খুলে যাবে।’’

    আরও পড়ুন: ইন্ডি জোটে জট, কোচবিহার আসনে বামের বিরুদ্ধে কংগ্রেস প্রার্থী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Himachal Pradesh Crisis: হিমাচলে বিজেপিতে যোগ দিলেন কংগ্রেসের ৬ বিদ্রোহী বিধায়ক

    Himachal Pradesh Crisis: হিমাচলে বিজেপিতে যোগ দিলেন কংগ্রেসের ৬ বিদ্রোহী বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh Crisis) ছ’জন বিদ্রোহী কংগ্রেস বিধায়কের পাশাপাশি তিন নির্দল এমএলএ শনিবার যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে। শিমলায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের উপস্থিতিতে মোট ৯ বিধায়ক যোগ দিলেন বিজেপিতে। জানা গিয়েছে, ছ’জন কংগ্রেস বিধায়ক এবং তিন নির্দল এমএলএ ইস্তফা দিয়ে উপনির্বাচনের মুখোমুখি হবেন।

    বিজেপিতে আসা কংগ্রেস বিধায়করা

    বিজেপিতে যোগদানকারী (Himachal Pradesh Crisis) বিধায়করা হলেন— রবি ঠাকুর (লাহুল-স্পিতি), রাজেন্দ্র রানা (সুজনপুর), সুধীর শর্মা (ধরমশালা), ইন্দ্রদত্ত লক্ষণপাল (বারসার), চৈতন্য শর্মা (গগরেট), দেবেন্দ্র ভুট্টো (কুটলেহা)-কে প্রার্থী করবে বলে দলের একটি সূত্র জানিয়েছে। পাশাপাশি, তিন নির্দল— আশিস শর্মা (হামিরপুর), হোশিয়ার সিংহ (দেহরা) এবং কৃষ্ণলাল ঠাকুর (নালাগড়)। ছ’জন কংগ্রেস বিধায়ককে বরখাস্ত করেন হিমাচলের স্পিকার কুলদীপ সিংহ পঠানিয়া। তাঁর এহেন সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আবেদন জানানো হয়েছিল, বিচারপতি সঞ্জীব খন্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চে। তবে সেই আবেদন খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের ওই নির্দেশের পরেই গত ১৮ মার্চ নির্বাচন কমিশন জানায় আগামী ৭ মে ওই ছ’টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হবে।

    রাজ্যসভায় ‘ক্রস ভোটিং’

    হিমাচল বিধানসভায় কংগ্রেস (Himachal Pradesh Crisis) সরকারের বাজেট প্রস্তাব সংক্রান্ত অর্থবিলের পক্ষে ভোট না-দেওয়ার কারণে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘দলত্যাগ বিরোধী আইনে’ স্পিকার বিদ্রোহী ছ’জন বিধায়কের পদ খারিজ করেছিলেন। তবে তার ঠিক ২ দিন আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভা ভোটের সময় ওই ছ’জন কংগ্রেস বিধায়ক বিজেপির প্রার্থী হর্ষ মহাজনের সমর্থনে ‘ক্রস ভোটিং’ করেছিলেন বলে জানা যায়। তাঁদের সঙ্গেই বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন কংগ্রেস সরকারের সমর্থক তিন নির্দলও। নির্বাচনে ‘ক্রস ভোটিং’-র জেরে কংগ্রেস প্রার্থী তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি হেরে যান। ৬৮ সদস্যের হিমাচল বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ‘জাদুসংখ্যা’ ৩৫। এই মুহূর্তে কংগ্রেসের রইলেন ৩৪ জন বিধায়ক। বিজেপির রয়েছে ২৫ বিধায়ক। বিজেপির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন অনেক কংগ্রেস বিধায়কই (Himachal Pradesh Crisis)। এমনটাই দাবি গেরুয়া শিবিরের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: ২৮ মার্চ পর্যন্ত কেজরিওয়ালের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত

    Arvind Kejriwal: ২৮ মার্চ পর্যন্ত কেজরিওয়ালের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবারই আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। ইডি লকআপে গতকাল রাত কাটাতে হয়েছে আপ সুপ্রিমোকে। এদিন তাঁকে দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতে তোলা হয়। দিল্লির কোর্ট কেজরিওয়ালকে ৬ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয়। প্রসঙ্গত, এদিন ইডির আইনজীবী প্রথমে কেজরিওয়ালের ১০ দিনের ইডি হেফাজত চেয়েছিলেন। কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) পক্ষে আইনজীবী হিসেবে আদালতে সওয়াল করেন কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভি। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শুনে এদিন আদালত কেজরিওয়ালকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন। আদালতে ইডি জানিয়েছে, আবগারি নীতি প্রণয়নের সঙ্গে কেজরিওয়াল সরাসরি জড়িত ছিলেন।

    আরও পড়ুন: “ধরা পড়েছে মাফলার, এবার যাবে হাওয়াই চটি”, বলাগড়ের সভায় স্পষ্ট ইঙ্গিত শুভেন্দুর

    দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড কেজরিওয়াল 

    ১০০ কোটির আবগারি দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে আম আদমি পার্টির সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে। এর পাশাপাশি হাওয়ালার মাধ্যমে গোয়ায় ৪৫ কোটি টাকা পাঠানোর মারাত্মক অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সেই টাকা গোয়া নির্বাচনে দলীয় কাজে ব্যবহার করেছে আপ, এমনটাই অভিযোগ। দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতে কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) গ্রেফতারির বিষয়ে এমনটাই জানিয়েছেন ইডির আইনজীবী।

    মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেননি কেজরিওয়াল 

    ইডির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী নিবাসের খুব কাছেই থাকতেন বিজয় নায়ার নামের এক ব্যক্তি। তিনি কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে দাবি ইডির। লেনদেনের বিষয়ে তিনি মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতেন বলে দাবি ইডির। প্রসঙ্গত, ইডি-র হাতে গ্রেফতারের পরেও মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেননি কেজরিওয়াল।

    গতকাল গ্রেফতার, রক্ষাকবচ দেয়নি কোর্ট

    ইডি যাতে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না করে, সেই আর্জি নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কেজরিওয়াল। আদালতে পেশ করা আবেদনে কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) বলেন, “ইডি নিশ্চয়তা দিক যে তাদের সমনে সাড়া দিলে আমার বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না।” কিন্তু, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর যুক্তি ধোপে টেকেনি। মেলেনি রক্ষাকবচ। গতকালই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর দুয়ারে হাজির হয় ইডি। ঘণ্টা দুয়েক তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদের পর কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করা হয়।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JNUSU Elections 2024: ৪ বছর পর সম্পন্ন জেএনইউ-র ভোট, কী বলছেন এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী?

    JNUSU Elections 2024: ৪ বছর পর সম্পন্ন জেএনইউ-র ভোট, কী বলছেন এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ২২ মার্চ দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNUSU Elections 2024) ভোটগ্রহণ পর্ব সম্পন্ন হল। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে রবিবারই ঘোষণা হবে নির্বাচনের ফলাফল। প্রসঙ্গত, ৪ বছর পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল। নির্বাচনে ছাত্র সংসদের সভাপতি পদে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উমেশচন্দ্র আজমিরা। অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক পদে এবিভিপি প্রার্থী অর্জুন আনন্দ, সহ-সভাপতি পদে এবিভিপির হয়ে ময়দানে নেমেছেন দীপিকা শর্মা। যুগ্ম সম্পাদক পদের জন্য এবিভিপি প্রার্থী হয়েছেন গোবিন্দ দাঙ্গি। এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থীর কথায় উঠে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দেশদ্রোহী কার্যকলাপের মতো ইস্যু থেকে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন সবটাই। প্রসঙ্গত, দিল্লির এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বামপন্থী, অতি বামপন্থী ছাত্রদের বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে দেশদ্রোহী কার্যকলাপের। কিছু ক্ষেত্রে তা প্রমাণিতও হয়েছে।

    সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কী জানালেন এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী

    সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী উমেশচন্দ্র আজমিরা (JNUSU Elections 2024) জানিয়েছেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচনে দুটি উল্লেখযোগ্য ইস্যু রয়েছে। একটি হল ফেলোশিপ এবং অপরটি হল পরিকাঠামোগত উন্নয়ন। এ প্রসঙ্গে উমেশ জানিয়েছেন, ছাত্রছাত্রীরা ফেলোশিপ ঠিক সময়মতো পান না। এছাড়া যে পরিমাণ ফেলোশিপ পান পড়ুয়ারা, তার পরিমাণ অত্যন্ত কম। উমেশ আরও জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা অত্যন্ত কম। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশদ্রোহীদের কার্যকলাপ ক্রমশই বেড়ে চলেছে। সাম্প্রতিক অতীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে (JNUSU Elections 2024) এই ধরনের কার্যকলাপ যথেষ্ট চ্যালেঞ্জেরও কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

    মোট ভোটারের সংখ্যা ৭৭৫১

    উমেশ আরও জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো তাঁরা এমনভাবে গড়ে তুলতে চান, যাতে সেখানে বিশ্বমানের সমস্ত সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি তাঁদের লক্ষ্য রয়েছে, অ্যাকাডেমিক ব্লক-২ তৈরি করারও। নির্বাচনে জিতলে আন্তর্জাতিক মানের একটি লাইব্রেরী করারও পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী (JNUSU Elections 2024)। দিল্লির এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছ’টি নতুন হস্টেল তৈরি করারও কথা জানিয়েছেন উমেশ। প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরুর কথা থাকলেও প্রায় ঘণ্টাখানেক পর তা চালু হয়। দুপুরে একঘণ্টার বিরতির পর বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। জেএনইউয়ের ভোটে মোট ভোটারের সংখ্যা ৭৭৫১ পড়ুয়া।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sadhguru: মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন সদগুরু? আরোগ্য কামনা প্রধানমন্ত্রীর

    Sadhguru: মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন সদগুরু? আরোগ্য কামনা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সদগুরু। বুধবার দিল্লির এক নামি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার হয়েছে। ওই হাসপাতালের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, শারীরিক অবস্থার অনেকটাই উন্নতি হয়েছে সদগুরুর। ইশা ফাউন্ডেশনের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করা হয়েছে সদগুরুর শারীরিক অবস্থার আপডেট দিয়ে। অন্যদিকে, সদগুরুর (Sadhguru) সঙ্গে কথা বলার পরে তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। প্রধানমন্ত্রীর এই আরোগ্য কামনায় অভিভূত হতে দেখা গিয়েছে সদগুরুকে। প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট তিনি রিট্যুইটও করেছেন।

    সদগুরুর কন্যাও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন পিতার স্বাস্থ্যের আপডেট 

    ইতিমধ্যে ইশা ফাউন্ডেশনের তরফে এক ভিডিও বার্তায় সদগুরু নিজেই সকলকে আশ্বস্ত হতে বলেছেন। সদগুরুর (Sadhguru) কন্যা রাধে জগ্গি তাঁর পিতার স্বাস্থ্যের বিষয়ে আপডেট দিয়েছেন এবং সমাজ মাধ্যমের পাতায় লিখেছেন, ‘‘সকলকে জানানো হচ্ছে সদগুরু এখন ভালো আছেন এবং দ্রুত তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।’’ রাধে জগ্গি এই ইনস্টাগ্রাম স্টোরি বুধবার রাতেই পোস্ট করেন। সদগুরুর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্করও।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Sadhguru (@sadhguru)

    চার সপ্তাহ ধরে মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ চলছে সদগুরুর 

    দিল্লির ওই বেসরকারি হাসপাতালের সিনিয়র চিকিৎসক বিনীত সুরি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রায় চার সপ্তাহ ধরে মস্তিষ্কে যন্ত্রণা অনুভব করছিলেন সদগুরু (Sadhguru)। এরকম আবহে ৮ মার্চ তিনি শিবরাত্রির অনুষ্ঠানও করেন। পরবর্তীকালে ১৫ মার্চ থেকে যন্ত্রণা আরও তীব্র হয়। সে সময়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি। এরপরে গত সপ্তাহে বৃহস্পতিবার সদগুরু দিল্লিতে পৌঁছান। তখনই এমআরআই-তে ধরা পড়ে তাঁর মস্তিষ্কে তুমুল রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তার মধ্যেই শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি শুরু হয় সদগুরুর। মাথায় যন্ত্রণার সঙ্গে বমি শুরু হয়। দুর্বল হতে থাকে তার বাঁ পা। শেষ পর্যন্ত হাসপাতলে ভর্তি হন তিনি। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: সিএএ-তে স্থগিতাদেশ নয়, তিন সপ্তাহে কেন্দ্রের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের

    CAA: সিএএ-তে স্থগিতাদেশ নয়, তিন সপ্তাহে কেন্দ্রের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা সিএএ-তে (CAA) স্থগিতাদেশ দিল না দেশের শীর্ষ আদালত। ৯ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। ওই দিন হলফনামার আকারে কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত, সিএএ-র বিরোধিতা করে একাধিক মামলা দায়ের হয় দেশের শীর্ষ আদালতে। সেগুলিকে এক করে মঙ্গলবারই সিএএ নিয়ে শুনানি শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট (CAA)। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ এই মামলাগুলি শোনে। প্রধান বিচারপতি ছাড়া ওই বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি জেবি পরদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্র। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা হাজির ছিলেন সরকার পক্ষের আইনজীবী হয়ে। সলিসিটর জেনারেল এদিন আদালতে বলেন, “সিএএ-তে কারও নাগরিকত্ব যাবে না।”

    মোট ২৩৭টি আবেদন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে

    সিএএ (CAA) নিয়ে একাধিক মামলার মধ্যে সর্বশেষ মামলাটি দায়ের করে কেরলের বাম সরকার। রবিবার  সিএএ-র সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতে যায় তারা। সেসময় কেরল সরকার ঘোষণা করেছিল, রাজ্যে সিএএ কার্যকর করতে দেওয়া হবে না। অন্যদিকে এর আগে, শনিবার সিএএ-তে স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ‘অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন’ (মিম) দলের নেতা তথা হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। এর পাশাপাশি কংগ্রেসের তরফে জয়রাম রমেশ, তৃণমূলের ঘুষকাণ্ডে বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্র, সিপিএমের যুব সংগঠনও এই ইস্যুতে দ্বারস্থ হয় সুপ্রিম কোর্টে। প্রসঙ্গত, মোট ২৩৭টি আবেদন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে। এর মধ্যে ২০টি ক্ষেত্রেই সিএএ-র ওপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। কিন্তু শীর্ষ আদালত সিএএ-র ওপর স্থগিতাদেশ দিলনা এদিন।

    ৪ বছর পরে লাগু সিএএ

    ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর সিএএ (CAA) পাশ করে মোদি সরকার। কিন্তু মাঝখানে করোনা মহামারী চলে আসায়, আইন তখন কার্যকর করা যায় নি। চারবছর পরে ২০২৪ সালের ১১ মার্চ সিএএ লাগু করে সরকার। এই আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে এ দেশে আসা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেবে ভারত। এই ৬ সম্প্রদায় হল, হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি এবং খ্রিস্টান।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi News: ‘মিনডুম মোদি-ভেনডুম মোদি’! কোর্টের নির্দেশে কোয়েম্বাটোরে রোডশো প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi News: ‘মিনডুম মোদি-ভেনডুম মোদি’! কোর্টের নির্দেশে কোয়েম্বাটোরে রোডশো প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরে হুডখোলা গাড়িতে রোডশো করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News)। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন ১৯৯৮ সালে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৫৮ জন মানুষের প্রতি। প্রসঙ্গত, তামিলনাড়ু সরকার প্রধানমন্ত্রীর রোডশো-এর কোনওরকম অনুমতি দেয়নি। এবং এক্ষেত্রে পুলিশর যুক্তি ছিল যে সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নাকি বিঘ্ন হবে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে। কিন্তু পুলিশের এমন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণে জল ঢেলে দেয় মাদ্রাজ হাইকোর্ট। প্রধানমন্ত্রীর রোডশো-কে সবুজ সংকেত দেয় কোর্ট। ‘মিনডুম মোদি-ভেনডুম মোদি’- এই স্লোগানে মুখর ছিল রোডশো। তামিল ভাষায় যার অর্থ, স্বাগতম মোদি-আবার মোদি।

    আরও পড়ুুন: “দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে”, আমেরিকাকে ‘বার্তা’ জয়শঙ্করের

    হুডখোলা জিপে চেনা রোডশো দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীর

    হুডখোলা জিপে চেনা রোডশো দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীর। রাস্তার দুপাশে অসংখ্য মানুষ মোদি মোদি (PM Modi News) চিৎকার করতে থাকেন। এর পাশাপাশি তামিলনাড়ুর কিছু জনপ্রিয় গানও বাজানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে। রোডশো-তে হাজির ছিলেন বিজেপির তামিলনাড়ুর রাজ্যের সভাপতি কে আন্নামালাই, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এল মুরুগান এবং কোয়েম্বাটোর দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক তথা বিজেপি মহিলা মোর্চার জাতীয় সভাপতি বনথী শ্রীনিবাসন। প্রসঙ্গত, নির্বাচন ঘোষণার পর এই প্রথম দক্ষিণী এই রাজ্যে প্রচার করলেন নরেন্দ্র মোদি। কোয়েম্বাটুরের মেত্তুপালায়াম রোড থেকে এই রোডশো শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। আরএস পুরমে গিয়ে শেষ হয় যাত্রা।

    এনডিএ-তে সামিল পিএমকে

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi News) এই সফরের মাঝেই এনডিএ জোটে সামিল হল তামিলনাড়ুর পিএমকে দল। প্রসঙ্গত, আঞ্চলিক দল পিএমকে-এর উত্তর তামিলনাড়ুতে বেশ ভালো প্রভাব রয়েছে বলেই জানা যায়। জানা গিয়েছে, বিজেপির তরফ থেকে তৃতীয় মোদি সরকার গঠিত হলে পিএমকে-কে ক্যাবিনেট মন্ত্রকের অফার দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা আনবুমানি রামাদশ আগেও কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন।

     

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

  • Indian Railways: প্রতিনিয়ত উন্নত পরিষেবার লক্ষ্যে রেল, যাত্রীসুরক্ষায় জনপ্রিয় হচ্ছে এলএইচবি কোচ

    Indian Railways: প্রতিনিয়ত উন্নত পরিষেবার লক্ষ্যে রেল, যাত্রীসুরক্ষায় জনপ্রিয় হচ্ছে এলএইচবি কোচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেল দৈনন্দিন কয়েক কোটি মানুষকে পরিষেবা দিয়ে আসছে। আর এই পরিষেবা যাতে সুখকর হয়, আরামদায়ক হয়, সে কথা মাথায় রেখে রেল প্রতিনিয়ত তাদের পরিষেবা উন্নত থেকে উন্নততর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান যুগে দাঁড়িয়ে ভারতের রেল (Indian Railways) পরিষেবা অনেকটাই উন্নতমানের। কয়েক হাজার কিমি যাত্রা করলেও মানুষের শরীরে তার কোনও ছাপ পড়ে না। আর এই সবকিছু নির্ভর করে একটি ট্রেনের কোচ কী ধরনের, তার ওপর। আগে ভারতীয় রেলে নীল রঙের আইসিএফ কোচের দেখা মিলত, এখনও অনেক ট্রেনেই এই আইসিএফ (ICF) কোচ দেখা যায়। কিন্তু বর্তমানে মানুষের কাছে সব থেকে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এলএইচবি(LHB) কোচ, ঝাঁ চকচকে, রং বেরংয়ের কোচ, যেগুলিতে মানুষ সাধারণত চাপতে খুবই ভালোবাসে। বর্তমানে রাজধানী সহ বহু দূরপাল্লার ট্রেনে এই এলএইচবি (LHB) কোচের দেখা মেলে। শুধু সুখ স্বাচ্ছন্দ্য, ঝাঁ চকচকে বলে নয়, এই কোচের আছে অনেক গুরুত্ব যা ট্রেনকে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে। তাই যাত্রী নিরাপত্তার দিক থেকে এই কোচগুলি শীর্ষে। এই প্রতিবেদনে আমরা জানব সেইসব বিশেষত্বের কথা।

    কেন আলাদা এই এলএইচবি (LHB) কোচ?

    এলএইচবি-র পুরো নাম লিঙ্ক হফম্যান বুশ। এই কোচ জার্মানির কোম্পানি লিঙ্ক-হফমান-বুশ এর দ্বারা উৎপাদন করা হয়, যা বর্তমানে ভারতে কপুরথলাতে তৈরি হওয়া শুরু হয়েছে। ভারত সরকারের তরফ থেকে ২০০০ সালে প্রথম ভারতে এই কোচ নিয়ে আসা হয়েছিল। প্রথমে সাধারণত রাজধানীর সমগোত্রীয় ট্রেনে এর ব্যবহার  শুরু হয়। এই কোচের ট্রেনগুলি দুর্ঘটনার কবলে পড়লে খুব কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই কোচের (Indian Railways) ব্যবহার শুরু হয়। এই এলএইচবি কোচের কয়েকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন এই কোচ অ্যান্টি রোল, অ্যান্টি কোলাপ্স এবং অ্যান্টি টেলিস্কোপিক। এই কোচগুলি সাধারণত মাইল্ড স্টাইল দিয়ে তৈরি হওয়ায় এগুলি আইসিএফ (ICF) কোচের তুলনায় অনেকটাই হালকা। কারণ পুরানো কোচগুলিতে স্টেইনলেস স্টিল ব্যবহার করা হয়। এই ট্রেনে যাত্রা খুবই আরামদায়ক হয়। এই কামরাগুলিতে চাকায় লাগানো আছে উন্নতমানের ডিস্ক ব্রেক, যা দ্রুততম ট্রেনকে সহজেই ব্রেক করে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে। আইসিএফের তুলনায় দ্রুত গতিতে ছুটতে সক্ষম এই কোচের ট্রেনগুলি বর্তমানে ১৬০কিমি প্রতি ঘণ্টা পর্যন্ত গতিতে ছুটতে পারে। অপরদিকে ICF কোচের ট্রেনগুলি ঘণ্টায় ১১০ কিমির বেশি দৌড়াতে পারে না। আইসিএফ কোচে বসে থাকলে ট্রেন চলার সময় অনেক বেশি ঝাঁকুনি  অনুভব হত। কিন্তু এই উন্নত কোচগুলিতে সেই ঝাঁকুনির পরিমাণ অনেক কম।

    দুর্ঘটনার সময়ও এই কোচ দেয় বিশেষ নিরাপত্তা (Indian Railways) 

    পূর্বের অনেক রেল দুর্ঘটনার সময় আমরা লক্ষ্য করেছি একটি কোচের ওপর আরেকটি কোচের উঠে পড়া, ফলে অনেক মানুষ আহত এবং নিহত হন এবং দুর্ঘটনা এক ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। কিন্তু বিশেষ এলএইচবি কোচে এই সমস্যা হয় না। এই কোচের ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়লে তা আড়াআড়ি ভাবে লাইনচ্যুত হয়ে যায়। ফলে যাত্রীদের প্রাণহানির ঘটনা অনেকটাই কম হয়। বর্তমানে রেল মন্ত্রকের (Indian Railways) তরফ থেকে জানা গিয়েছে, যাত্রী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ভবিষ্যতে আইসিএফ কোচগুলির পরিবর্তে সমস্ত ট্রেনকেই এলএইচবি (LHB) কোচে রূপান্তরিত করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share