Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Uttarakhand: দাঙ্গাকারীদের কড়া বার্তা, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার কাজ শুরু উত্তরাখণ্ড পুলিশের

    Uttarakhand: দাঙ্গাকারীদের কড়া বার্তা, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার কাজ শুরু উত্তরাখণ্ড পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) পুলিশ হলদোয়ানির  বনভুলাপুরায় দাঙ্গাকারীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা রাস্তায় হাঁটল। প্রসঙ্গত, দাঙ্গায় সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার অভিযোগে ইতিমধ্যে ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পুরসভার তরফে সেই নোটিস ইতিমধ্যে পৌঁছে গিয়েছে মাস্টার মাইন্ড আব্দুল মালিকের কাছে।

    কী বলছে জেলা প্রশাসন?

    এ নিয়ে নৈনিতালের পুলিশ আধিকারিক প্রহ্লাদ নারায়ন মিনা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল মালিক এবং তাঁর ছেলে সহ আরও সাত অভিযুক্ত এখনও পুলিশের খাতায় পলাতক রয়েছে। আদালত তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছে। উল্লেখ্য আদালতের আদেশের পরেই জেলা প্রশাসন দাঙ্গাকারীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (Uttarakhand) করার রাস্তায় হাঁটতে শুরু করেছে। এদিন প্রচুর সংখ্যায় পুলিশ এবং পাশাপাশি আধার সামরিক বাহিনীর সদস্যরা পৌঁছে যান আব্দুল মালিকের প্রাসাদোপম বাড়িতে। এবং সেখানে এই মাস্টারমাইন্ডের প্রচুর জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

    বাজেয়াপ্ত হওয়া জিনিসের তালিকা

    পুলিশ এদিন বাজেয়াপ্ত করেছে ৩০ জোড়া চপ্পল এবং জুতা, জিমের সরঞ্জাম, বিপুল পরিমাণ টাকা। বাংলাদেশ, নেপাল সৌদি আরব এবং অন্যান্য দেশের মুদ্রাও সেখানে মিলেছে। তবে মোট টাকার পরিমান পুলিশ জানাতে পারেনি। এছাড়া বহু মূল্যের ঘড়ি এবং পারফিউমও সেখান (Uttarakhand) থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই নিয়ে পুলিশ জানিয়েছে যে বাজেয়াপ্ত করা জিনিসগুলির একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে যা আদালতে দাখিল করা হবে। দেখা যাচ্ছে বাজেয়াপ্ত করা জিনিসগুলির মধ্যে রয়েছে সোফা সেট ডাইনিং সেট, ফ্রিজ, আলমারি, এসি, কম্পিউটার, প্রিন্টার, গহনা ইত্যাদি।

    সম্প্রতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে উত্তরাখণ্ডের হলদোয়ানি

    সম্প্রতি হলদোয়ানিতে একটি মাদ্রাসা ভাঙাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পৌর প্রশাসন এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপরে হামলার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে কার্ফু জারি করতে হয় উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সরকারকে। দশ হাজার মানুষের বাস রয়েছে ওই স্থানে এবং তা পুরোটাই মুসলিম অধ্যুষিত। সরকার বেআইনি মাদ্রাসা ভাঙতে যাওয়া মাত্রই ওখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপর পাথর ছুড়তে থাকে। এই ঘটনায় অসংখ্য পুলিশ কর্মী, সাংবাদিক এবং সাধারণ নাগরিক গুরুতরভাবে জখম হন। প্রশাসনের অসংখ্য গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। পাঁচ হাজার ব্যক্তির নামে পুলিশ এফআইআর দায়ের করে (Uttarakhand)। যাদের মধ্যে ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arif Mohammed Khan: নিষিদ্ধ পিএফআই-এর সঙ্গে অলিখিত জোট রয়েছ বামেদের, বিস্ফোরক কেরলের রাজ্যপাল

    Arif Mohammed Khan: নিষিদ্ধ পিএফআই-এর সঙ্গে অলিখিত জোট রয়েছ বামেদের, বিস্ফোরক কেরলের রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের রাজ্যপাল (Arif Mohammed Khan) আরিফ মহম্মদ খান বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই এবং বেআইনি সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার মধ্যে সম্পর্ক থাকার বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আনলেন। এদিনই সাংবাদিক সম্মেলনে তিরুবনন্তপুরমে গভর্নর বলেন যে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী এটা প্রমাণ দিচ্ছে যে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সাথে যথেষ্ট যোগাযোগ রেখে চলেছেন বামপন্থী ছাত্র নেতারা। এ প্রসঙ্গে ২৭ জানুয়ারি তাঁকে কালো পতাকা দেখানোর বিষয়টিও সামনে আনেন তিনি (Arif Mohammed Khan)। এবং দাবি করেন যে ৭ জন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করতে পারা গেছে যারা ওই বিক্ষোভে হাজির  ছিল এবং তারা নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে যুক্ত।

    বিক্ষোভকারীদের দেখে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন রাজ্যপাল

    কালো পতাকা নিয়ে এসএফআই-এর সদস্যরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকলে, সে সময় রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান গাড়ি থেকে নেমে পড়েন এবং বিক্ষোভকারীদের (Arif Mohammed Khan) সামনাসামনি হন। এসময় উত্তেজনা যথেষ্ঠ বেড়ে যায়। বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্নও তুলতে দেখা যায় সেদিন আরিফ মহম্মদ খানকে। এছাড়াও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্নও তোলেন রাজ্যপাল। প্রসঙ্গত, পিএফআই এবং এসএফআই-এর হাতে কেরলের অসংখ্য বিজেপি-আরএসএস কর্মী খুন হয়েছেন। সমাজে বিভাজন, উস্কানি, জঙ্গি কার্যকলাপের কারণে পিএফআইকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কেন্দ্র।

    রাজভবনের সঙ্গে কেরল সরকারের সংঘাত চলছেই

    সাম্প্রতিক সময়ে কেরলের রাজভবনের (Arif Mohammed Khan) সঙ্গে কেরল সরকারের সংঘাত সামনে এসেছেবিভিন্ন ইস্যুতে। কেরালা ত্রিশূরে গভর্নর আরিফ মহম্মদ খান সমালোচনা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পীনারাই বিজয়নের। এবং তাঁকে ভন্ড বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন যে মুখ্যমন্ত্রী উস্কানি দিচ্ছেন বামপন্থী ছাত্র নেতাদের তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানোর জন্য। এবং একই সঙ্গে নিজের (মুখ্যমন্ত্রীর) নিরাপত্তার বিষয়টিও ভালোমতো বন্দোবস্ত করছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: প্রয়াত জৈন সন্ত আচার্য বিদ্যাসাগর মহারাজ, শোকজ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রীর

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Acharya Vidhyasagar Maharaj: প্রয়াত জৈন সন্ত আচার্য বিদ্যাসাগর মহারাজ, শোকজ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রীর

    Acharya Vidhyasagar Maharaj: প্রয়াত জৈন সন্ত আচার্য বিদ্যাসাগর মহারাজ, শোকজ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন জনপ্রিয় জৈন সন্ত আচার্য বিদ্যাসাগর মহারাজ (Acharya Vidhyasagar Maharaj)। ছত্তিসগড়ের দোনগারগড়ের চন্দ্রাগিরি তীর্থে রবিবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। জৈন সন্তের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উপবাসের মধ্যে দিয়ে নিজের জীবনকে মৃত্যুর আরও কাছে নিয়ে যেতে থাকেন তিনি। প্রসঙ্গত, উপবাসের এই রীতিকে জৈন ধর্মে সাল্লেঙ্খ বলা হয়। আত্মার শুদ্ধির জন্য উপবাস চলতে থাকে। উপবাসের মাধ্যমে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়াই সাল্লেঙ্খ। বিদ্যাসাগর মহারাজের (Acharya Vidhyasagar Maharaj) মৃত্যুর কথা চন্দ্রাগিরি তীর্থের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, ১৯৪৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এই জৈন সন্ত, সন্ন্যাস নেন ১৯৬৮ সালে।

    এক্স হ্যান্ডেলে স্মৃতিচারণা প্রধানমন্ত্রীর 

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত বিধানসভা ভোটের প্রচারে গিয়ে এই জৈন সন্তের (Acharya Vidhyasagar Maharaj) সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আশীর্বাদ নিয়েছিলেন। সেই ছবি নিজের এক্স হ্যান্ডলে থেকে শেয়ার করে স্মৃতিচারণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি লেখেন, ‘‘সমাজের প্রতি আচার্য বিদ্যাসাগর মহারাজের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’’

    চন্দ্রাগিরি তীর্থের বিবৃতি

    বিদ্যাসাগর মহারাজের প্রয়াণ সংক্রান্ত বিবৃতিতে চন্দ্রাগিরি তীর্থের তরফে জানানো হয়েছে, ‘‘গত ৬ মাস ধরেই চন্দ্রাগিরি তীর্থে থাকছিলেন মহারাজ (Acharya Vidhyasagar Maharaj)। গত কয়েক দিন ধরেই তাঁর শরীর বাল ছিল না। শেষ তিন দিন তিনি সাল্লেঙ্খ পালন করছিলেন। খাবার, জল খাওয়া বন্ধ করেছিলেন তিনি। জৈনধর্মে আত্মার শুদ্ধির জন্য এই প্রথা পালিত হয়।’’ রবিবার দুপুর ১টা নাগাদ মহারাজের শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান শুরু হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: সফলভাবেই মহাকাশে পাড়ি দিল ইসরোর ‘দুষ্টু ছেলে’, পূর্বাভাস দেবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের

    ISRO: সফলভাবেই মহাকাশে পাড়ি দিল ইসরোর ‘দুষ্টু ছেলে’, পূর্বাভাস দেবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার ঠিক বিকেল ৫.৩৫ মিনিট। অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ইনস্যাট-৩ডিএস উপগ্রহ নিয়ে মহাকাশের উদ্দেশে রওনা দেয় ইসরোর ‘নটি বয়’ বা ‘দুষ্টু ছেলে’ (ISRO)। ইসরো সূত্রে আগেই জানানো হয়েছিল, এখনও পর্যন্ত ১৫ বার মহাকাশে পাড়ি দিয়েছে জিএসএলভি রকেট। তবে তার মধ্যে ছ’বার যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য মহাকাশযাত্রা ব্যর্থ হয়। এবারের পরীক্ষা সফল হবে, এই আশাতেই বুক বেঁধেছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়েছে, নতুন স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ সফল হয়েছে। পৃথিবীর কক্ষপথে ওই উপগ্রহ নিরাপদে বসলেই ইসরোর মুকুটে ফের নতুন পালক জুড়বে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভয়ঙ্কর ঘুর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, প্রবল তুষারপাত, বন্যা বেড়েই চলেছে। ভয়ঙ্কর দাবানলের গ্রাসে ছাই হয়ে যাচ্ছে সবুজ বনভূমি। পৃথিবীর নিম্নকক্ষে বসে জলবায়ুর গতিপ্রকৃতির দিকে নজর রাখবে ইনস্যাট (ISRO)। লক্ষ্য করবে সাগর-মহাসাগরকে। দুর্যোগ আসবে কিনা তার আগাম বার্তা পাঠাবে।

    কী বললেন ইসরো চেয়ারম্যান?

    ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ বলেন, ‘‘আমি জানাতে চাই, GSLV-F14 INSAT-3DS-এর সফল উৎক্ষেপণ করতে পেরেছি আমরা। সকলকে অভিনন্দন। রকেটের সমস্ত যন্ত্রাংশই সঠিকভাবে কাজ করছে।’’

    দুষ্টু ছেলে নাম কেন?

    ‘দুষ্টু ছেলের’ ভালো নাম অবশ্য জিওসিঙ্ক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল (GSLV)। এই ডাকনাম ঠিক করেছেন ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। রকেটটির মতিগতি বুঝতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে ইসরোকে। তাই আদর করেই এমন নাম রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, এই রকেটের (ISRO) হাবভাবও নাকি দুষ্টু ছেলেরই মতো। যদি রকেটের মুড ঠিক থাকে তাহলেই মহাকাশযাত্রা সফল হয়, আর যদি বিগড়ে যায় তাহলেই ব্যর্থ। এইভাবে ছয় বার এই দুষ্টু ছেলে পরীক্ষায় ডাহা ফেল করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jnanpith Award 2023: সংস্কৃত-উর্দু ভাষা-সাহিত্যে অবদান, জ্ঞানপীঠে সম্মানিত গুলজার-জগদগুরু রামভদ্রাচার্য

    Jnanpith Award 2023: সংস্কৃত-উর্দু ভাষা-সাহিত্যে অবদান, জ্ঞানপীঠে সম্মানিত গুলজার-জগদগুরু রামভদ্রাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশকের পর দশক ধরে তাঁর সৃষ্টি মন জয় করে এসেছে পাঠক ও শ্রোতাদের। তাঁর লেখা কবিতা পড়ে, গান শুনে আবেগে ভেসেছে, ভালোবাসার অর্থ অনুধাবন করেছে প্রজন্মের পর প্রজন্ম। সেই গুলজারই এবার মনোনীত হলেন জ্ঞানপীঠ পুরস্কারের জন্য। উর্দু ভাষা ও সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য ৫৮তম জ্ঞানপীঠ পুরস্কার (Jnanpith Award 2023) পেতে চলেছেন বর্ষীয়ান এই উর্দু কবি। শনিবার জ্ঞানপীঠ সিলেকশন কমিটির তরফে এক বিবৃতি দিয়ে এই ঘোষণা করা হয়েছে। উর্দুভাষায় সাহিত্যকর্মের জন্যই প্রবীণ এই সাহিত্যিককে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে কমিটির তরফে জানানো হয়েছে। তাঁর সঙ্গেই এবছর জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পাচ্ছেন সংস্কৃত ভাষার পণ্ডিত জগদগুরু রামভদ্রাচার্য।

    গুলজার ও জগদগুরু রামভদ্রাচার্যের আবদান

    উর্দুভাষায় সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি হিন্দিভাষায় একের পর এক কালজয়ী গান রচনা করেছেন গুলজার। গীতিকার হিসাবে তাঁর লেখা সেইসব গান আজও সকলের ঠোঁটে ঠোঁটে ফেরে। ‘আঁধি’, ‘ইজাজত’, ‘মাসুম’-এর মতো ছবিতে গুলজারের লেখা গান ভারতীয় সংগীতচর্চাকে এক অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে বলা যায়। ‘মেরা কুছ সামান’, ‘তুম আ গায়ে হো’, ‘তেরে বিনা জিন্দেগি মে’, ‘আনে ওয়ালা পল’-এর মতো সব মণিমুক্ত জন্ম নিয়েছে গুলজারের কলম থেকে। গুলজারের আসল নাম সম্পূরাণ সিং কালরা। জন্ম ১৯৩৪ সালের ১৮ আগস্ট। উর্দু সাহিত্যের জগতে অন্যতম উজ্জ্বল নাম গুলজার। করেছেন আঁধি, খুশবু, মাসুমের মতো ছবির পরিচালনাও। পাঁচটি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন গুলজার। এছাড়াও সাহিত্য অকাদেমি, দাদাসাহেব ফালকে সম্মান রয়েছে প্রায় ৯০ বছর বয়সি গুলজারের ঝুলিতে। পেয়েছেন পদ্মভূষণ সম্মানও। ২০১০ সালে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডও পান গুলজার। অন্যদিকে, জগদগুরু রামভদ্রাচার্য চিত্রকূটের তুলসী পীঠের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান। তিনি একজন প্রখ্যাত হিন্দু আধ্যাত্মিক নেতা। শিক্ষাবিদও। ১০০ টিরও বেশি বইয়ের লেখক তিনি।

    জ্ঞানপীঠ নির্বাচন কমিটির বক্তব্য? (Jnanpith Award 2023)

    একটি বিবৃতিতে, জ্ঞানপীঠ (Jnanpith Award 2023) নির্বাচন কমিটি বলেছে, “দুটি ভাষার বিশিষ্ট লেখকদের (২০২৩ সালের জন্য) পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংস্কৃত সাহিত্যিক জগদগুরু রামভদ্রাচার্য এবং সুপরিচিত উর্দু সাহিত্যিক শ্রী গুলজার।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: দিল্লিতে বিজেপির রাষ্ট্রীয় অধিবেশন, কর্মীদের উদ্দেশ্যে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    BJP: দিল্লিতে বিজেপির রাষ্ট্রীয় অধিবেশন, কর্মীদের উদ্দেশ্যে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার নয়া দিল্লির ভারত মণ্ডপমে শুরু হয়েছে বিজেপির রাষ্ট্রীয় অধিবেশন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পার্টি কর্মীদের নির্দেশ দেন যে বিজেপি (BJP) নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার গঠন করতে আগামী ১০০ দিন তাঁদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন যে ৩৭০ শুধুমাত্র একটি সংখ্যা নয়, যেটা আমরা লোকসভায় পেতে চাই। কিন্তু এটা হল দলের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী এবং তাঁর আদর্শকে সম্মান জানানো।

    মহিলারা বিজেপির কাছে মা বোন

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন আরও বলেন যে মহিলারা শুধুমাত্র বিজেপির (BJP) কাছে ভোটার নয়। তারা হলেন বিজেপির কাছে মা এবং বোন। আশা করা যায় তাঁরাও তাঁদের আশীর্বাদ বর্ষিত করবেন আগামী লোকসভা ভোটে। প্রসঙ্গত আজ রবিবার বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক রয়েছে। সে বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপি সভাপতি বিজেপি নাড্ডা। ভারত মণ্ডপমে বিকাল ৩:৩০ নাগাদ এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ওই বৈঠকে আগামী লোকসভা ভোটের রণনীতি ঠিক করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। কীভাবে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের ডাবল ইঞ্জিন সরকার এগিয়ে চলেছে সেটাও তুলে ধরা হবে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে।

    উঠে এল রাম মন্দির প্রসঙ্গ

    শনিবারে বিজেপির (BJP) রাষ্ট্রীয় অধিবেশনে উঠে আসে রাম মন্দির প্রসঙ্গ। দিল্লিতে দলের সভাপতি জেপি নাড্ডা প্রাণ প্রতিষ্ঠার মুহূর্তকে উল্লেখ করেন এবং তিনি বলেন, ‘‘আমরা সেই সময়টাও দেখেছিলাম যে সময়ে পালমপুরে ১৯৮৯ সালে রাষ্ট্রীয় অধিবেশন বসেছিল এবং সেখানেই প্রস্তাব পাস হয়েছিল রাম মন্দিরের নির্মাণের। কিছু মানুষ ভেবেছিলেন যে এটা হয়তো সম্ভব হবে না এবং তাঁরা আমাদের জিজ্ঞাস করতেন যে তোমরা তারিখ বলো! আমরা এখন বলতে পারি যে সেটা ২২ জানুয়ারি ২০২৪ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছেন।’’ শনিবারে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের সম্মোধন করেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তিনি বলেন যে ভারতবর্ষ পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম সুস্থিত অর্থনীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারতবর্ষের অর্থনীতি বর্তমানে পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে। আমরা জাপান, জার্মানি, ব্রিটেনের পরেই এই স্থান পেয়েছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডেই রয়েছে ‘সাতশো পাহাড়ের দেশ’! ঘুরে আসবেন নাকি?

    Jharkhand: প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডেই রয়েছে ‘সাতশো পাহাড়ের দেশ’! ঘুরে আসবেন নাকি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) এক অপূর্ব সুন্দর, পাহাড়-অরণ্যে ঘেরা এই “কিরিবুরু-মেঘাতাবুরু”। প্রকৃতপক্ষে কিরিবুরু-মেঘাতাবুরু দুটি আলাদা পাহাড়ের চূড়া। যেন দুই যমজ বোন। সারান্ডা জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত কিরিবুরু-মেঘাতাবুরু তার আপন নৈসর্গিক সৌন্দর্য দিয়েই জয় করে নিতে পারে যে কোনও প্রকৃতি প্রেমিক পর্যটকের হৃদয়। চারদিকে, যেদিকে দু’চোখ যায়, ঢেউ খেলানো পাহাড়ের সারি। বলা হয়, এখান থেকে নাকি মোট সাতশোটি পাহাড়ের চূড়া দেখা যায়। তাই অনেকেই একে “সাতশো পাহাড়ের দেশ” বলে সম্বোধন করেন।

    পুন্ডুল ফলস, শাল মহাদেব মন্দির (Jharkhand)

    এই পাহাড়ের বুক চিরে চলে গেছে পথ। পথের দু’পাশে বিখ্যাত সারান্ডা-অরণ্য। শাল, সেগুন, জারুল গাছের নিবিড় অরণ্যের মাঝে বাস হাতি, ভালুক, চিতা, বাইসন, জঙলি কুকুর (যাকে স্থানীয় ভাষায় বলে “ঢোল”) প্রভৃতি প্রাণীর। আর মাঝে মধ্যেই দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির, যার মধ্যে রয়েছে তিতির, বন টিয়া, ময়ূর, ধনেশ প্রভৃতি। এক সঙ্গেই দেখে নেওয়া যায় পুন্ডুল ফলস, শাল মহাদেব মন্দির প্রভৃতি। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই অঞ্চলটি এক সময় ছিল পূর্ব সিংভূমের রাজা এবং তাঁদের জ্ঞাতি ও বন্ধুদের শিকারস্থল। আর বর্তমানে হয়েছে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। শুধু পর্যটন কেন্দ্র বললে অবশ্য ভুল হবে। ভারতের খনিজ সম্পদের এক বড়-সড় ভান্ডারও (Jharkhand) বলা যেতে পারে একে। এখান থেকে আকরিক লৌহ যাচ্ছে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে।

    যাতায়াত এবং থাকা-খাওয়া (Jharkhand)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে হাওড়া বরবিল জনশতাব্দী এক্সপ্রেস ট্রেন ধরে আসতে হবে বড়া জামদা স্টেশনে। সময় লাগে প্রায় ৬-৭ ঘন্টা। সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে যেতে হবে কিরিবুরু। সময় লাগে প্রায় ৩০-৪০ মিনিট। 
    থাকা-খাওয়া-এখানে রয়েছে সেইল (SAIL) এর গেস্ট হাউস (Jharkhand)। খালি থাকলে এটি পর্যটকদের ভাড়া দেওয়া হয়। বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ৮৯৮১৬১২১০০ নম্বরে। আর এইসব স্থানে বেড়াতে এলে সঙ্গে গাড়ি রাখা খুব প্রয়োজন। স্বল্প সংখ্যক পর্যটকের জন্য সেক্ষেত্রে ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে। তাই অধিকাংশ পর্যটকই এক্ষেত্রে প্যাকেজ ট্যুরের আশ্রয় নেন। সেক্ষেত্রে অর্থ যেমন সাশ্রয় হয়, থাকা-খাওয়া, জঙ্গলের মধ্যে ঘোড়াঘুড়ির ঝামেলাও অনেক কমে। এখানে গাড়ি অথবা প্যকেজের জন্য প্রয়োজনে ফোন করতে পারেন ৭৭৩৯০৮৯০৫২ নম্বরে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সম্মেলন, হাজির থাকবেন মোদি

    BJP: ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সম্মেলন, হাজির থাকবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের ১৭ ও ১৮ তারিখ দিল্লিতে ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) রাষ্ট্রীয় অধিবেশন রয়েছে। অধিবেশন ঘিরে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তুমুল ব্যস্ততা চলছে। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে লেগে রয়েছেন বিজেপি কর্মীরা। সূত্রের খবর, মোদি সরকারের একাধিক জনমুখী কর্মসূচিকে নিয়েই প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। জনমুখী কর্মসূচিগুলি রয়েছে থিমের আকারে। মোদি সরকারের উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে ১২টি অত্যন্ত জনপ্রিয় কর্মসূচিকে তুলে ধরা হচ্ছে। এই ১২টি থিম বিজেপির (BJP) সদর দফতর থেকে ভারত মণ্ডপের রাস্তা পর্যন্ত সাজানো হবে।

    ১২টি থিম কী কী?

    বিজেপির (BJP) সদর দফতরে বসানো হয়েছে একটি থিম সেখানে দেখা যাচ্ছে কাটআউট রয়েছে তেজোস বিমানের। সেখানে নরেন্দ্র মোদি এয়ার ফোর্সের ড্রেস পরে রয়েছেন। বাকি ১১টির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাবে থাকছে অযোধ্যার রাম মন্দির, মিশন চন্দ্রযান, কোভিড ১৯ ভ্যাকসিন, জনধন অ্যাকাউন্ট এবং মোদি সরকারের অন্যান্য কর্মসূচিগুলি। বিজেপির এই সর্বভারতীয় সম্মেলনে হাজির থাকবেন কমবেশি সমস্ত বিজেপি নেতা। সারাদেশের জেলা স্তরের বাছাই করা কর্মীরাও হাজির থাকবেন প্রতিনিধি হিসেবে। রাজ্য থেকেও সমস্ত জেলা সভাপতি, লোকসভার কনভেনরদের যাওয়ার কথা রয়েছে ওই সম্মেলনে। হাজির থাকবেন রাজ্যের নেতারাও। লোকসভা ভোটের প্রচারের সুর বেঁধে দেবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    বিজেপির স্লোগান কী হবে?

    বিভিন্ন সমীক্ষা মারফত এমনিতেই উঠে এসেছে, তৃতীয়বারের জন্য মোদি সরকারের গঠন হওয়া স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। এই আবহে দলীয় কর্মীদের বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে এই সর্বভারতীয় সম্মেলন। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। সূত্রের খবর, লোকসভায় বিজেপির স্লোগান হতে চলেছে, ‘তিসরি বার মোদি সরকার, আব কী বার চারশো পার’। প্রসঙ্গত ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ ৩৫৩ আসনে (BJP) জয়লাভ করে। ১০০-র গণ্ডি টপকাতে পারেনি ইউপিএ। তাদেরকে ৯১ টি আসন নিয়ে থামতে হয়। অন্যান্যরা জেতে ৯৮ টি আসনে। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচন সম্পন্ন হয় ৭ দফায়। শুরু হয় ১১ এপ্রিল এবং শেষ হয় ১৯ মে। চলতি বছরেও লোকসভা ভোট এপ্রিল মাসে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: পিছিয়ে জম্মু-কাশ্মীরও! লোকসভা ভোটে বাংলায় সর্বাধিক বাহিনী চাইল কমিশন

    Election Commission: পিছিয়ে জম্মু-কাশ্মীরও! লোকসভা ভোটে বাংলায় সর্বাধিক বাহিনী চাইল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে (Loksabha Vote) সারা দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের জন্যই সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ইতিমধ্যে এবিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠিও পাঠিয়েছে কমিশন। লোকসভা ভোটে বাংলায় ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চায় কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের বেড়ে চলা রাজনৈতিক সন্ত্রাসকে এভাবেই সিলমোহর দিল কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিক ভাবেই খুশি হয়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। কমিশনের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি।

    জম্মু ও কাশ্মীরের চেয়েও বাংলায় বেশি বাহিনী চাইল কমিশন

    কমিশনের (Election Commission) এদিনের সিদ্ধান্তে দেখা গিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের চেয়েও বেশি বাহিনী চাওয়া হয়েছে বাংলার জন্য। অর্থাৎ বাংলায় শান্তিতে ভোট করানো যে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং তা আরও একবার বোঝা গেল কমিশনের সিদ্ধান্তে (Loksabha Vote)। উপত্যকায় সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন করানোর জন্য ৬৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যের জন্য কমিশন চেয়েছে ২৫২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিহার এবং ছত্তিসগড়ের জন্য যথাক্রমে ২৯৫ ও ৩৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

    লোকসভার সঙ্গেই চার রাজ্যে বিধানসভা ভোট

    ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সঙ্গেই অন্ধ্রপ্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, ওড়িশা এবং সিকিমে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার জন্য ২৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, অরুণাচল প্রদেশ ও সিকিমের জন্য যথাক্রমে ৭৫ ও ১৭ কোম্পানি বাহিনী (Loksabha Vote), ঝাড়খণ্ড ও পঞ্জাবের জন্য ২৫০ কোম্পানি বাহিনী চেয়েছে কমিশন (Election Commission)। মণিপুরের জন্য কমিশন চেয়েছে ২০০ কোম্পানি। গুজরাটে ভোট করাতে ২০০ কোম্পানি বাহিনীই চাওয়া হয়েছে।

    যত দফায় ভোট হোক, ৯২০ কোম্পানি বাহিনী সবসময়ই মোতায়েন থাকবে রাজ্যে

    কমিশনের তরফ থেকে কেন্দ্রকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে তাতে দেশ জুড়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন করাতে অন্তত ৩ হাজার ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে সব থেকে বেশি বাহিনী থাকছে। এখনও পর্যন্ত ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়নি। ফলে এ রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে, তা এখনও অজানা। কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, যত দফাতেই ভোট হোক না কেন, সব দফাতেই ওই ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন (Loksabha Vote) থাকবে। গোটা ভোট পর্ব মিটলেই রাজ্য ছাড়বে তারা।

    কী বলছে বিজেপি?

    কমিশনের(Election Commission) এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘‘স্বাভাবিক ভাবেই বাংলায় অন্য রাজ্যের তুলনায় বেশি বাহিনী লাগবে। কারণ বাংলা চালায় তৃণমূল। সেখানে আইনশৃঙ্খলার কী পরিস্থিতি, তা আমরা দেখতে পাচ্ছি। গত বিধানসভা ভোট মিটতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে যাওয়ার পর আমরা ভোট পরবর্তী হিংসা দেখেছি। রাজ্যের মানুষ যাতে সুষ্ঠু ভাবে নিজের ভোট (Loksabha Vote) নিজে দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বেশি বেশি বাহিনী প্রয়োজন।’’ বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, ‘‘পঞ্চায়েত ভোটে বাংলায় কী ঘটেছে গোটা দেশ দেখেছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনও দেখেছে। তবে এই বাহিনী শুধু মোতায়েন করলেই হবে না, বাহিনী যেন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • UPI: দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কা ও মরিশাসে ইউপিআই ব্যবস্থা চালু করলেন মোদি

    UPI: দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কা ও মরিশাসে ইউপিআই ব্যবস্থা চালু করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার শ্রীলঙ্কা ও মরিশাসেও ভারতের ইউপিআই ব্যবস্থা (UPI) চালু হয়ে গেল। দুপুর ১টা নাগাদ একটি ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে ভারতের ইউনিফাইড পেমেন্ট ইন্টারফেস পরিষেবা চালু করা হয়। এদিন ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি, মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবীন্দ জগন্নাথ এবং শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতির অনিল বিক্রমসিংহ। প্রসঙ্গত, ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ারেও সম্প্রতি ইউপিআই ব্যবস্থা চালু হয়।

    আরও পড়ুন: কংগ্রেসে ফের ভাঙন! দল ছাড়লেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আশোক চহ্বাণ

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি?

    ইউপিআই ব্যবস্থা (UPI) চালু করার পরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘গত বছর শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহের ভারত সফরের সময় দুই দেশ একটি ভিশন ডকুমেন্ট গ্রহণ করেছিল। আর্থিক সংযোগ বাড়ানো এর একটি মূল অংশ ছিল। গত বছর মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবীন্দ জগন্নাথের সঙ্গেও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছিল। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, শ্রীলঙ্কা ও মরিশাস এই ঘটনা থেকে লাভবান হবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার ভারতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। আমাদের ছোট্ট গ্রামের ক্ষুদ্রতম ব্যবসায়ীও ডিজিটাল পেমেন্ট করছে. কারণ এতে সুবিধার পাশাপাশি গতিও রয়েছে।’’ 

    লেনদেনে সুবিধা হবে নাগরিকদের

    প্রসঙ্গত, এই পরিষেবা (UPI) চালু হওয়াতে দুই দেশের সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক অনেকটাই উন্নত হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এর ফলে ওই দুই দেশে ভ্রমণকারী ভারতীয় নাগরিকরা এবং ভারতে ভ্রমণকারী মরিশাস ও শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা ইউপিআই-এর সুবিধা ভালোভাবে নিতে পারবেন। সম্প্রতি ফ্রান্সে ইউপিআই ব্যবস্থা চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি মরিশাসে এদিন একসঙ্গে রূপে কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থাও চালু করেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share