Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Nitish Kumar: বিহারে আস্থা ভোটে জয়ী নীতীশ, পরাজয় নিশ্চিত জেনে আগেই ওয়াকআউট বিরোধীদের

    Nitish Kumar: বিহারে আস্থা ভোটে জয়ী নীতীশ, পরাজয় নিশ্চিত জেনে আগেই ওয়াকআউট বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আস্থাভোটে জয়ী হলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। পরাজয় নিশ্চিত জেনেই সোমবার বিহারের আস্থাভোটের আগেই কক্ষ থেকে পদত্যাগ করেন বিরোধীরা। তার পরে ১৩০টি ভোট পড়ে এনডিএ জোটের পক্ষে। নবমবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরে আস্থা ভোটে জয় পেলেন জেডিইউ সুপ্রিমো নীতীশ।

    আস্থা ভোট চলাকালীন কী বললেন নীতীশ

    বিহার বিধানসভায় আস্থা ভোটের প্রক্রিয়া চলাকালীন বক্তৃতাকালে, মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) বলেন, ‘‘লালু প্রসাদ এবং রাবড়ি দেবীর রাজ্যের জন্য ১৫ বছর কাজের সুযোগ পেয়েছিলেন। আমি নির্বাচিত হওয়ার পর তারা ১৫ বছর ধরে যা করেনি, আমি (Nitish Kumar) করে দেখিয়েছি। আমি সমাজের প্রতিটি স্তরের জন্য উন্নয়নের জন্য কাজ করেছি। বিহারে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি হয়েছে। মহিলারা গভীর রাত অবধি আজ ঘুরে বেড়াতে পারেন। তারা এখন আমার কাজের ক্রেডিট নেওয়ার চেষ্টা করছে।’’

    স্পিকার পদ থেকে অপসারণ আরজেডি নেতাকে

    অন্যদিকে বিহার বিধানসভার স্পিকার তথা আরজেডি নেতা আওধ বিহারী চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব রাজ্য বিধানসভায় পাস হয়েছে। ১২৫ জন সদস্য প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ১১২ জন। এবার স্পিকার পদটি আরজেডির হাত ছাড়া হতে চলেছে। প্রসঙ্গত, বিজেপি বিরোধী ইন্ডি জোটে প্রথম উদ্যোগ নীতীশ কুমারকে (Nitish Kumar) নিতে দেখা গিয়েছিল। গত মাসের ২৮ জানুয়ারি নীতীশ বেরিয়ে এসেছেন ইন্ডি জোট থেকে। তারপর থেকে বেশ বেসামাল জোট। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছেন, সারা দেশে ৪০টিও আসন পাবেনা কংগ্রেস আবার ইতিমধ্যে একলা চলার কথা ঘোষণা করেছেন আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha Election: রাজ্যসভা নির্বাচনে ১৪ জনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, জায়গা পেলেন কারা?

    Rajya Sabha Election: রাজ্যসভা নির্বাচনে ১৪ জনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, জায়গা পেলেন কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির তরফ থেকে রবিবার প্রকাশ করা হয়েছে রাজ্যসভায় ১৪ জন দলীয় প্রার্থীর নাম। প্রসঙ্গত রাজ্যসভায় ভোট রয়েছে ২৭ ফেব্রুয়ারি। সারা দেশের ১৫ রাজ্যের ৫৬টি আসনে এই ভোট হবে বলে জানা গিয়েছে।

    সব থেকে বেশি আসন উত্তরপ্রদেশে

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় (Rajya Sabha Election) বিজেপির প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। এর পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ থেকে প্রার্থী হয়েছেন ২০২২ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে আসা আরপিএন সিং। যোগী রাজ্যে অন্যান্যদের মধ্যে নাম রয়েছে সুধাংশু ত্রিবেদী, চৌধুরী তেজবীর সিং, সাধনা সিং, অমর পাল মৌর্য, সঙ্গীতা বলবন্ত, নবীন জৈনের। প্রসঙ্গত, ২৭ ফেব্রুয়ারি হতে চলা রাজ্যসভার নির্বাচনে সব থেকে বেশি আসন রয়েছে উত্তরপ্রদেশে, তা হল দশটি। উত্তরপ্রদেশের প্রার্থী বাছাইয়ে দারুণ ভারসাম্যতা দেখা গিয়েছে। যেখানে কুর্মি, ব্রাহ্মণ, নিশাদ, জৈন, রাজপুত মৌর্য এই সমস্ত বর্ণের ভারসাম্য রক্ষা করা হয়েছে। প্রার্থী তালিকায় এক্ষেত্রে কোনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়নি। জানা গিয়েছে উত্তরপ্রদেশ থেকে যাঁরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রয়েছেন তাঁরা লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    কোথায় কে প্রার্থী

    বিহারের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে সেখানে ছ’টি আসন রয়েছে। বিহারে বিজেপির সঙ্গে পুনরায় নীতীশের দলের জোট হয়েছে। এখান থেকে নাম পাঠানো হয়েছে ধর্মশিলা গুপ্তা এবং ভীম সিং-কে। বাদ পড়েছে সুশীলকুমার মোদির নাম। ছত্তিসগড় থেকে বিজেপি রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে রাজা দেবেন্দ্র প্রতাপ সিংকে। গন্ড রাজ পরিবারের সদস্য তিনি এবং রাজ্যসভায় বিজেপির সাংসদ থাকা সরোজ পান্ডের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি। হরিয়ানা থেকে বিজেপির (Rajya Sabha Election) প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুভাষ বারালার নাম যাচ্ছে। যিনি একজন জাঠ নেতা বলে পরিচিত। কর্নাটক থেকে রাজ্যসভার মনোনীত করা হচ্ছে নারায়ণ কৃষ্ণাসা ভান্ডাকেকে। উত্তরাখণ্ড থেকে রাজ্যসভায় বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন মহেন্দ্র ভট্ট। গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ এবং মহারাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এখনও নাম সামনে আসেনি। চলতি বছরের মে মাসের প্রথম সপ্তাহতেই ৫৮ জন রাজ্যসভার সাংসদ অবসর নেবেন। যাঁর মধ্যে আটজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রয়েছেন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহও। বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডাও অবসর গ্রহণ করবেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: হাসপাতালে ভর্তি মিঠুন, অসুস্থ অভিনেতার সঙ্গে ফোনে কথা প্রধানমন্ত্রীর

    Mithun Chakraborty: হাসপাতালে ভর্তি মিঠুন, অসুস্থ অভিনেতার সঙ্গে ফোনে কথা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতালে ভর্তি থাকা মিঠুন চক্রবর্তীর (Mithun Chakraborty) সঙ্গে ফোনে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রসঙ্গত শনিবারই অভিনেতা শ্যুটিং করতে গিয়ে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। সে সময় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার তাঁর সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খোঁজ তাঁর শারীরিক অবস্থার। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেতা-রাজনীতিবিদ মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁকে হাসপাতালে দেখতে রাজনীতি ও চলচ্চিত্র জগতের অনেকেই গিয়েছেন।

    রবিবার বিকাল নাগাদ ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী

    জানা গিয়েছে, রবিবার বিকাল নাগাদ মিঠুন চক্রবর্তীকে (Mithun Chakraborty) ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর প্রধানমন্ত্রীকে অভিনেতা জানিয়েছেন, তিনি আশা রাখছেন খুব তাড়াতাড়িই ছাড়া পাবেন হাসপাতাল থেকে। কিছুক্ষণ কথা বলার পরে, অভিনেতার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে ফোন রাখেন প্রধানমন্ত্রী।  প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ৭ মার্চ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী মোদির সভায় বিজেপিতে যোগদান করেন মিঠুন চক্রবর্তী। রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, প্রতি মুহূর্তে মিঠুন চক্রবর্তীর হেলথ আপডেট দিল্লিতে পাঠানো হচ্ছে। সামনেই লোকসভা ভোট। মিঠুন চক্রবর্তী বাংলা বিজেপির অন্যতম মুখ তথা স্টার ক্যাম্পেনার।

    হাসপাতালে খোঁজ নিয়েছেন সুকান্ত-শুভেন্দু

    হাসপাতালে গিয়ে অভিনেতার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী নিজের ফেসবুক পোস্টে অভিনেতাকে (Mithun Chakraborty) বাংলা ও বাঙালির আইকন বলে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করে সংবাদমাধ্যমকে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘মিঠুন চক্রবর্তী সুস্থ রয়েছেন। তাঁকে আগামিকালই ছেড়ে দেওয়া হবে। তারপরেই উনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন। হয়তো শ্যুটিংয়েও নেমে পড়তে পারেন। সবাই জানেন, উনি একজন লড়াকু মানুষ। কামব্যাক করা ওঁর জীবনের বৈশিষ্ট্য। মিঠুনদাকে দেখে আবার সেই পুরনো মিঠুনদাই মনে হল। উনি তো কাল থেকেই শ্যুটিংয়ে নেমে পড়তে চাইছিলেন। চিকিৎসকরাই বলেছেন একটা দিন বিশ্রাম নিয়ে নামতে। খুব তাড়াতাড়ি আমাদের সবার প্রিয় মিঠুনদাকে আবার পর্দায় এবং অন্যান্য জায়গাতেও দেখতে পাব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandipur: পূর্ণিমার রাতে ওড়িশার চাঁদিপুর যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি!

    Chandipur: পূর্ণিমার রাতে ওড়িশার চাঁদিপুর যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের নিকটতম প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশার এক অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র চাঁদিপুর (Chandipur)। ওড়িশার বালাসোর জেলার সৈকত পর্যটন কেন্দ্র এই চাঁদিপুর। অখণ্ড নির্জনতা, সুনীল আকাশ, বিস্তীর্ণ সোনালী বালুকাবেলা আর বঙ্গোপসাগরের নীল জল, এই হল চাঁদিপুরের সংসার। এই অনুপম সৌন্দর্যের মাঝেই ইতিউতি দেখা মেলে সাগরের বুকে ভেসে যাওয়া পাল তোলা নৌকা, মাছ ধরার ট্রলার, নাম না জানা বিভিন্ন প্রজাতির পাখির। আর পূর্ণিমার রাতে চাঁদিপুর যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা কোনও ছবি। এখনও এখানে কিছুটা হলেও রয়ে গেছে গ্রাম্য জীবনের সহজ-সরল ছবি। দেখা মেলে জেলেদের বাড়ি-ঘরেরও। আর আছে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত ঝাউগাছের সারি। চাঁদিপুর থেকে মাত্র ২ কিমি দূরে বলরামগড়ি। এখানেই বুড়িবালাম নদী এসে মিশেছে সাগরের সঙ্গে।

    চাঁদিপুরের অন্যতম দিক (Chandipur)

    এখানকার বঙ্গোপসাগরের বুকের জোয়ার-ভাটার খেলা দেখার মতো। জোয়ারের সময় এখানে সাগরের জল যেন “চরণ ছুঁয়ে যায়”, আবার সেই সাগরের জলই ভাটার টানে সরে যায় প্রায় ৫ কিমি দূরে। সাধারণত এতখানি দূরে সমুদ্রের জল সরে যেতে অন্য কোথাও বড় একটা দেখা যায় না। সেই দিক থেকে দেখলে চাঁদিপুরের (Chandipur) সমুদ্রকে একটু ব্যতিক্রমী বলা যেতেই পারে। দেখে নেওয়া যায় এখানকার মৎস্য বন্দরটি, বিভিন্ন রকমের সামুদ্রিক মাছের পসরা নিয়ে মাছের আড়ত প্রভৃতি। হাতে সময় এবং ইচ্ছে থাকলে দেখে নেওয়া যায় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর পদধূলিধন্য রেমুনার ক্ষীরচোরা গোপীনাথ মন্দির অথবা চাঁদিপুর থেকে প্রায় ৫০ কিমি দূরে ওড়িশার আর এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র পঞ্চ লিঙ্গেশ্বরও।

    যাতায়াত এবং থাকা-খাওয়া (Chandipur)

    হাওড়া থেকে কটক, ভুবনেশ্বর, পুরীগামী সব ট্রেন যাচ্ছে বালাসোরের ওপর দিয়ে। এর মধ্যে রয়েছে পুরী এক্সপ্রেস, জগন্নাথ এক্সপ্রেস, ধৌলি এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। এছাড়াও দক্ষিণ ভারতগামী প্রায় সব ট্রেনই যায় বালাসোরের ওপর দিয়ে। হাওড়া থেকে রেলপথে বালাসোরের দূরত্ব প্রায় ২৩৪ কিমি। বালাসোর থেকে প্রায় ১৫-১৬ কিমি দূরে চাঁদিপুর (Chandipur)। স্টেশন থেকে যেতে হবে অটো বা গাড়িতে।

    এখানে রয়েছে ওটিডিসি-র হোটেল “পান্থনিবাস”। ফোন-০৬৭৮২ ২৭০০৫১। এছাড়াও এখানে (Chandipur) থাকা-খাওয়ার জন্য রয়েছে বিভিন্ন দামের ও বিভিন্ন মানের প্রচুর হোটেল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Indi Alliance: ভাঙন পাঞ্জাবেও, ইন্ডি জোটে না থেকে একা লড়ার বার্তা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের

    Indi Alliance: ভাঙন পাঞ্জাবেও, ইন্ডি জোটে না থেকে একা লড়ার বার্তা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের একাধিক রাজ্যে আসন বোঝাপড়া নিয়ে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র (Indi Alliance) শরিক দলগুলির মধ্যে মতান্তরের বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে এসেছে। ইতিমধ্যেই বিরোধী জোট ছেড়ে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটে নাম লিখিয়েছেন জেডিইউ নেতা নীতীশ কুমার। এনডিএ-তে শামিল হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন আরএলডি নেতা জয়ন্ত চৌধুরীও। এই আবহের মধ্যে লোকসভায় পাঞ্জাবে কংগ্রেসের তেমন কোনও জোট হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় খারিজই করে দিলেন আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। চণ্ডীগড়ের মেয়র নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে জোট বেঁধে লড়াই করেছিল কংগ্রেস এবং আপ। তাই, পাঞ্জাবে লোকসভায় আপের ভূমিকা কী হয় তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল, তারমধ্যে আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়ে দিয়েছেন,পাঞ্জাবের সব আসনেই লড়াই করবে আপ। শীঘ্রই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

    পাঞ্জাবে সব আসনে এককভাবে প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা আপের (Indi Alliance)

    পাঞ্জাবে ১৩টি এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল চণ্ডীগড়ে একটি লোকসভা আসন রয়েছে। গত লোকসভায় কংগ্রেস পাঞ্জাবে ৮টি আসনে জয়ী হয়েছিল। শিরোমণি অকালি দল (এসএডি) এবং বিজেপি জোট বেঁধে লড়াই করে মোট ৪টি আসন পেয়েছিল। আপ পেয়েছিল একটি আসন। ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলে অবশ্য চমক দেয় আপ। ১১৭টি আসনের মধ্যে ৯২টিতে জয়ী হয়ে সে রাজ্যে ক্ষমতায় আসে তারা। মাত্র ১৮টি আসন পেয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় কংগ্রেসকে। শনিবার পাঞ্জাবে দাঁড়িয়ে কেজরিওয়াল বলেন, “রাজ্যের ১৩টি আসনে এবং চণ্ডীগড়ের একটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করবে আপ।” ফলে, কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে (Indi Alliance) জল ঢেলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

    কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন আপ প্রধান

    এ দিন কংগ্রেসকেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি কেজরিওয়াল। তিনি বলেন, ‘কংগ্রেস এত বছর ধরে শাসন করেছে। আপনারা যদি বলেন কংগ্রেসের একটা ভাল কাজ বলতে, আমার মনে পড়বে না। অকালি দল এত বছর ক্ষমতায় ছিল, তাদের কোনও ভাল কাজের কথা আপনাদের মনে পড়বে না।’ আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি ফের আপের একটি বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকেই গোয়া, হরিয়ানা, গুজরাতে দলের রণকৌশল ঠিক করবে। ইতিমধ্যেই গুজরাতের ভারুচ আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা কংগ্রেসের সঙ্গে আদৌ সমঝোতার পথে হাঁটবে কি না, তা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Migrant Worker: কাশ্মীরে ফের এক পরিযায়ী শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করল সন্ত্রাসবাদীরা

    Migrant Worker: কাশ্মীরে ফের এক পরিযায়ী শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করল সন্ত্রাসবাদীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে এক পরিযায়ী শ্রমিককে (Migrant Worker) গুলি করে খুন করল সন্ত্রাসবাদীরা। বুধবার জম্মু-কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগরে এই ঘটনাটি ঘটেছে। জানা গিয়েছে, নিহত ওই পরিযায়ী শ্রমিকের নাম অমৃতপাল সিং। জঙ্গিদের ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন অপর এক পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁর নাম রোহিত। পাঞ্জাবের অমৃতসরের বাসিন্দা ছিলেন অমৃতপাল। পেশায় ছিলেন একজন হকার। এই ঘটনায় ইতিমধ্যে বিবৃতি সামনে এসেছে কাশ্মীর পুলিশেরও।

    কী জানাল জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশ

    জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে শ্রীনগরের (Migrant Worker) শহিদগুঞ্জে। গোটা এলাকাকে ঘিরে ফেলা হয়েছে। সন্ত্রাসবাদীদের খোঁজে চলছে জোর তল্লাশি। জখম ব্যক্তিকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং চিকিৎসা চলছে।

    অক্টোবর মাসেও খুন করা হয় এক পরিযায়ী শ্রমিককে

    প্রসঙ্গত, গত অক্টোবর মাসেই উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক পরিযায়ী শ্রমিককে কাশ্মীরের পুলওয়ামাতে হত্যা করে সন্ত্রাসবাদীরা (Migrant Worker)। ঠিক চার মাসের মাথায় ফের একবার পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। প্রসঙ্গত ২ দিন আগেই নার্সারুর আহমেদ ওয়ানি নামের কাশ্মীরের এক ইনস্পেক্টরকে সামনে থেকে তিনটি গুলি করা হয়। ওই পুলিশ আধিকারিক তখন ক্রিকেট খেলছিলেন। মাঠেই লুটিয়ে পড়েন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভাইপোর হাতে এনসিপি, শরদ গোষ্ঠীকে নতুন নাম দিল নির্বাচন কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: ভাইপোর হাতে এনসিপি, শরদ গোষ্ঠীকে নতুন নাম দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরদ পাওয়ারের নিজের হাতে গড়া দল গেল ভাইপোর অজিত পাওয়ারের হাতে। অজিত পাওয়ারের গোষ্ঠীকেই ‘এনসিপি’ (ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি) নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক ‘ঘড়ি’ ব্যবহারের অধিকার দিল দেশের নির্বাচন কমিশন। তবে কাকা শরদ পাওয়ারের কী হবে? বুধবারই নির্বাচন কমিশনের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, শরদ গোষ্ঠীর নতুন নাম দেওয়া হবে ‘ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি-শরদচন্দ্র পওয়ার’। তবে দলের নির্বাচনী প্রতীক কী হবে, তা জানা যায়নি। প্রতীক পরে বরাদ্দ (Lok Sabha Election 2024) করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

    বুধবার প্রস্তাব পাঠায় শরদ গোষ্ঠী

    শরদ পাওয়ার গোষ্ঠীর তরফে বুধবারই দেশের নির্বাচন কমিশনের কাছে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তাতে নাম এবং প্রতীক হিসাবে তিনটি ‘পছন্দ’ জানানো হয় কমিশনকে। সূত্রের খবর, নতুন দলের নাম হিসাবে ‘এনসিপি শরদ পওয়ার’, ‘মি রাষ্ট্রবাদী’ এবং ‘শরদ স্বাভিমানী’-র মধ্যে যে কোনও একটি চেয়েছিল শরদ গোষ্ঠী। তবে নির্বাচন কমিশন নতুন দলে, শরদের প্রতিষ্ঠিত দলের সঙ্গে তাঁর নাম জুড়ে দিল। জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রতীক হিসাবে শরদ পাওয়ারের গোষ্ঠী তিনটি পছন্দ জানিয়েছে (Lok Sabha Election 2024) কমিশনকে— ‘কাপ-প্লেট’, ‘সূর্যমুখী ফুল’ এবং ‘উদীয়মান সূর্য’। এব্যাপারে কমিশন কিছু জানায়নি এখনও। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই ভারতের নির্বাচন কমিশন ভাইপো অজিত গোষ্ঠীকে ‘আসল এনসিপি’ বলে স্বীকৃতি দেয়। 

    কবে গঠিত হয় এনসিপি?

    ১৯৯৯ সালের জুন মাসে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বিরোধিতা করে কংগ্রেস ছেড়েছিলেন শরদ পাওয়ার। তখনই গড়েন নতুন দল এনসিপি। ২৫ বছর পরে সেই দলও হাতছাড়া হল তাঁর। দলের সমস্ত কিছু গেল ভাইপোর হাতে। ঘটনাচক্রে, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত বালাসাহেব ঠাকরের পুত্র উদ্ধবের আবেদন খারিজ (Lok Sabha Election 2024) করে দিয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের গোষ্ঠীকে দলের নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক তিরধনুক ব্যবহারের অধিকার দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। শিন্ডের মতোই মহারাষ্ট্রের অন্যতম উপমুখ্যমন্ত্রী অজিতও এবার পেলেন এনসিপির পুরো অধিকার। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ২ জুলাই এনসিপিতে বিরাট পটপরিবর্তন হয়। অজিত-সহ ন’জন বিদ্রোহী এনসিপি বিধায়কের মন্ত্রিত্ব বিজেপি-শিবসেনা জোটে ভিড়ে যান। এই পরিস্থিতিতে দলের বিধায়ক-সাংসদরাও তাঁর দিকে যান। দলের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অজিতের হাতে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Madhya Pradesh Crackers Factory: মধ্যপ্রদেশে ভয়াবহ বিস্ফোরণ বাজি কারখানায়, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১

    Madhya Pradesh Crackers Factory: মধ্যপ্রদেশে ভয়াবহ বিস্ফোরণ বাজি কারখানায়, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh Crackers Factory) আতসবাজির কারখানায় ভয়ানক বিস্ফোরণ। সে রাজ্যের হরদা জেলার বৈরাগড় গ্রামে এই বিস্ফোরণের  জেরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের  ঘটনা ঘটে। গোটা এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আগুনের লেলিহান শিখা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ৬ জনের। সময় যত দ্রুত যাচ্ছে ততই মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে। আগুনের দগ্ধ হয়েছেন ৬০ জন। এঁদের মধ্যেও অনেক জন আছেন যাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জানা গিয়েছে, আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আগুনের লেলিহান শিখার কারণে ক্রমাগত বিস্ফোরণ ঘটেই চলে ওই বাজি কারখানায়। এরফলে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন মানুষজন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা কী বলছেন?

    প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি যে বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে মনে হল যেন এলাকায় কোনও ভূকম্পন সংঘটিত হল। শুধু তাই নয়, এই ঘটনার পরে বেশ কিছু ভিডিও ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে (Madhya Pradesh Crackers Factory) ভাইরাল হয়েছে। ওই ভিডিওগুলোতে দেখা যাচ্ছে কারখানা থেকে আগুনের শিখা কীভাবে ছড়িয়ে পড়ছে আশেপাশে এবং কালো ঘন কালো ধোঁয়া আকাশে ছেয়ে গিয়েছে। আগুন লাগার সময় ওই কারখানাতেই কাজ করছিলেন এক জনৈক কর্মী। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান যে প্রথম বিস্ফোরণের পরে কোনওক্রমে তিনি প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন। ওই শ্রমিকের দাবি, কারখানায় তাঁরই মতো আরও দেড়শ জন কাজ করছিলেন।

    ঘটনার খোঁজ নিলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী

    মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট জেলার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে জানা গিয়েছে এবং বিস্তারিত খোঁজ নিয়েছেন ঘটনার। অন্যদিকে জেলাশাসক ঋষি গর্গ বলেছেন, “দমকলের বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ চলছে। পাশাপাশি চলছে উদ্ধার অভিযান। আমরা জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকেও (Madhya Pradesh Crackers Factory) ডেকেছি।” জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যেই ৭০টি অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছেছে। প্রশাসনিক ব্যস্ততাও চরম নজরে পড়ছে। সরকারের তরফ থেকে ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে, প্রয়োজন পড়লে আহতদের হেলিকপ্টারে করে কোনও উন্নত হাসপাতালে নিয়ে আসা হবে। তবে কীভাবে এই আগুন লাগল তার কারণ এখনও অজানা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Natwarlal: তাজমহল থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি ভবন পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছিলেন! জানেন কে সেই গুণধর?

    Natwarlal: তাজমহল থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি ভবন পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছিলেন! জানেন কে সেই গুণধর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতারণা শব্দটির সঙ্গে প্রায় সবাই পরিচিত। এই শব্দটি মোটেও সুখকর নয়। প্রতারণার চক্করে পড়ে অনেক মানুষের জীবন পর্যন্ত নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন পথ অবলম্বন করে প্রতারকরা মানুষকে ভুল বুঝিয়ে চলেছে। আবার এমন মানুষও আছেন, যাঁরা প্রতারণা করে গোটা বিশ্বের ইতিহাসে নিজের নাম তুলে ধরেছেন। আজ প্রতিবেদনে এমনই এক প্রতারকের সম্বন্ধে আলোচনা করব, যিনি ভারতের সর্বকালের সেরা ছদ্মবেশীদের মধ্যে একজন, তাঁকে সবাই মিস্টার নটবরলাল নামেই চেনে। যার আসল নাম মিথিলেশ কুমার শ্রীবাস্তব। মিথিলেশ শ্রীবাস্তব প্রতারণার দিক থেকে এতটাই দক্ষ এবং পারদর্শী ছিলেন যে তাঁকে ভারতের সর্বসেরা প্রতারকের আখ্যা দেওয়া হয়েছে। শুনলে অবাক হতে হয় যে তিনি তাজমহল থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি ভবন, এমনকি লালকেল্লা ও সংসদ ভবন পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছিলেন বিদেশিদের কাছে।

    কী পরিচয় মিথিলেশের? কীভাবে প্রতারণার হাতেখড়ি তাঁর?

    ১৯১২ সালে ভারতের বিহারের একটি জায়গা জিরাদাতে জন্ম এই মিথিলেশের। পড়াশোনাতে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। প্রথমে তিনি স্নাতক পাশ করার পরে আইন নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন, আর এই পড়াশুনা করার সময় থেকে তাঁর প্রতারণা করার ভাবনা মাথায় আসে। সর্বপ্রথম তিনি তাঁর গ্রামের এক লোকের সঙ্গে প্রতারণা শুরু করেন। সেই ব্যক্তি শহরের কোনও ব্যাংকে টাকা জমা করতে শ্রীবাস্তবকে দায়িত্ব দেন। ঠিক সেই সময় সেই ব্যক্তির ব্যাংক থেকে প্রায় এক হাজার টাকা তাঁর স্বাক্ষর নকল করে তুলে নেন এই শ্রীবাস্তব, সেই সময় ১০০০ টাকার বর্তমান মূল্য ছিল প্রচুর।

    তাজমহল থেকে লালকেল্লা, তিনি সব বেচে দিয়েছিলেন

    স্বাক্ষর নকল করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ছদ্মবেশ ধারণে পারদর্শী ছিলেন মিথিলেশ। তাঁর জন্ম থেকে প্রায় ৫০ টিরও বেশি ছদ্মবেশ ধারণ করে প্রতারণা করেছিলেন নটবরলাল। এই প্রতারণা করার খিদে তাঁর মধ্যে আস্তে আস্তে বাড়তে শুরু করে। তাই তিনি বড় কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি টাটা থেকে আম্বানি, বিড়লা সবার সই জাল করতে পারদর্শী ছিলেন। বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে প্রতারণার মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন ঐতিহাসিক জায়গা যেমন তাজমহল, লালকেল্লা, সংসদ ভবন  বিদেশিদের কাছে বহু মূল্যে বিক্রয় করে দিয়েছিলেন তিনি।

    গ্রেফতার হয়েছেন বহুবার, ছিল অসংখ্য মামলা

    এত প্রতারণা করার পর তিনি পুলিশের হাত থেকে কখনই ছাড় পাননি, প্রায় ১০০ টিরও বেশি মামলা ছিল তাঁর নামে। নয় বার আটক হয়েছিলেন নটবরলাল, কিন্তু প্রত্যেক বারেই তিনি পালিয়ে এসেছিলেন, কেউ ধরতেও পারেনি। একবার ১৯৯৬ সালে শরীর অসুস্থ বলে কানপুর জেল থেকে দিল্লি AIIMS এর উদ্দেশে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বেপাত্তা হয়ে যান।

    প্রতারক হয়েও তিনি জনপ্রিয় 

    বিভিন্ন প্রতারণামূলক ও অপরাধমূলক কাজ করা সত্ত্বেও তিনি গ্রামের মানুষদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন। বিভিন্ন সময় প্রচুর টাকা তিনি তার গ্রামবাসীদের মধ্যে বিলিয়ে দিতেন। তাঁকে নিয়ে ভারতে দুটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে, তার মধ্যে ১৯৭৯ সালে মিস্টার নটবরলাল ও ২০১৪ সালে রাজা নটবরলাল খুব জনপ্রিয়। এছাড়াও তাঁর জীবন নিয়ে ডকুমেন্টারিও তৈরি হয়েছে। ২০০৯ সালের ২৫ শে জুলাই মারা যান নটবরলাল, এই ক্ষেত্রেও তিনি ধাঁধায় ফেলে দেন মানুষকে। কারণ এখনও পর্যন্ত তাঁর আসল মৃত্যুর তারিখ কেউ জানতে পারেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uniform Civil Code: কথা রাখল বিজেপি, উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় পেশ হল অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল

    Uniform Civil Code: কথা রাখল বিজেপি, উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় পেশ হল অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ক্ষমতায় আসার আগে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। রাজ্যবাসী আস্থা রেখেছিলেন বিজেপি-র ওপর। এবার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার সময় এসেছে। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি-র হাত ধরেই মঙ্গলবার উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় পেশ করা হল অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য (Uniform Civil Code)

    ২৮ জানুয়ারি এই বিলকে অনুমোদন দিয়েছিল ধামি মন্ত্রিসভা। এবার, বিধানসভায় বিলটি পাশ হলে, দেশের প্রথম রাজ্য হিসেবে উত্তরাখণ্ডে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) চালু হবে। এই বিল পেশের জন্যই উত্তরাখণ্ড বিধানসভার এক বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়। বিশেষ অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে বিজেপি বিধায়কদের ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগানের মধ্যে বিলটি পেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। জানা গিয়েছে, ২০২২-এর ২৭ মে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনপ্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছিল ধামি সরকার। এই বিধি তৈরি এবং কীভাবে তা বাস্তবায়ন করা যায়, সেই সব দিক খতিয়ে দেখার দায়িত্ব ছিল এই কমিটির। চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি তাদের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়। এরপর, ২৯ জানুয়ারি উত্তরাখণ্ড সরকারের কাছে তাদের রিপোর্ট জমা দেয় কমিটি।

    কী রয়েছে এই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিলে?

    রাজ্য সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিলে (Uniform Civil Code) মৃত্যুর পর সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে পুত্র ও কন্যার সমান অধিকার, বৈধ ও অবৈধ সন্তানের সমান অধিকার, দত্তক নেওয়া এবং জৈবিকভাবে জন্ম নেওয়া সন্তানদের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া, বহুবিবাহ এবং বাল্যবিবাহ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে। সমস্ত ধর্মের মেয়েদের বিয়ের একটিই বয়স, সমস্ত ধর্মের জন্য বিবাহবিচ্ছেদের একই ধরনের ভিত্তি এবং পদ্ধতি প্রয়োগ করার কথা বলা হয়েছে।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    এদিন ভারতের সংবিধানের একটি প্রতিলিপি হাতে নিয়ে সরকারি বাসভবন থেকে বের হন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। তার আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের নাগরিকদের সমান অধিকার দেওয়ার লক্ষ্যে, মঙ্গলবার বিধানসভায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল (Uniform Civil Code) পেশ করা হবে। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে দেশের প্রথম রাজ্য হিসাবে আমরা পরিচিত হব। এটা রাজ্যের সকল মানুষের জন্য গর্বের মুহূর্ত।” অভিন্ন দেওয়ানি বিধি রিপোর্ট হাতে বিধানসভায় উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, “আজ আমাদের অপেক্ষা শেষ হতে চলেছে। উত্তরাখণ্ড থেকে দেশের নাগরিকদের সমান অধিকার দেএয়ার কাজ শুরু হচ্ছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share