Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Chhattisgarh Encounter: ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ২ মহিলা সহ ৭ মাওবাদী

    Chhattisgarh Encounter: ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ২ মহিলা সহ ৭ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মধ্যেই ফের মাওবাদী বিরোধী অভিযানে সাফল্য। আগামী ৭ মে তৃতীয় দফায় ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Encounter) সাতটি লোকসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ (Lok sabha vote 2024) হবে। আর তার আগেই ছত্তিশগড়ের (Chhatisgarh) বস্তার লাগোয়া জঙ্গলে একসঙ্গে ৭ মাওবাদীকে নিকেশ করল নিরাপত্তা বাহিনী। তাঁদের মধ্যে দুজন মহিলাও রয়েছে বলে জানা গেছে। জেলা রিজার্ভ গার্ড এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) যৌথ ভাবে নারায়ণপুর জেলায় অভিযান চালিয়ে ওই সাত জনকে নিকেশ করেছে।

    ঘটনার বিবরণ (Chhattisgarh Encounter)

    সূত্রের খবর, ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুর কাঙ্কের সীমান্তে অবুঝমাড়ের জঙ্গলে মাওবাদীদের (Maoists) আস্তানার খোঁজ পেয়ে সেখানে হানা দেন নিরাপত্তারক্ষীরা। এরপর মঙ্গলবার সকালে সেখানেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এরপর বেশ কয়েক ঘণ্টা লড়াইয়ের পরে নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে জখম হয়ে সাত জনের মৃত্যু হয়। এরপর নিরাপত্তারক্ষীরা ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু অস্ত্রশস্ত্রও উদ্ধার করে। জানা গেছে, একটি একে ৪৭ (AK47) এবং অন্যান্য অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে দুষ্কৃতী দলের বাকি সদস্যদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ (Police) জানিয়েছে, গুলির লড়াই এখনও চলছে। ইতিমধ্যেই ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Encounter) নারায়ণপুরের জঙ্গল থেকে ২ মহিলাসহ ৭ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ “পাকিস্তানকে সবার আগে ফোনে জানিয়েছিলাম”, বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে বড় খোলসা মোদির

    পুলিশের বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Encounter) বস্তার রেঞ্জের পুলিশ কর্তা জানান, “সকাল ৬টা নাগাদ সংঘর্ষ শুরু হয়। অবুঝমাড় জঙ্গলের টেকমেটা এবং কাকুর গ্রামের মাঝামাঝি এলাকায় বাহিনী দেখে গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। জঙ্গলে মাওবাদীদের কয়েকজন শীর্ষ নেতা ঘাপটি মেরে রয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর ছিল। সেই মতো রাত থেকেই তল্লাশি শুরু করে যৌথ বাহিনী।” তবে এই ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর (security forces) কেউ আহত হননি। উল্লেখ্য গত ১৫ দিনের মধ্যে এটাই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বড়সড় অভিযান। এর আগে গত ১৬ এপ্রিল কাঙ্কের জেলায় গুলির লড়াইয়ে ২৯ জন মাওবাদীকে খতম করেছিল জেলা রিজার্ভ গার্ড এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (STF) যৌথ বাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “মাতৃশক্তির বিষয়ে বিজেপির অবস্থান স্পষ্ট”, প্রোজ্জ্বলকাণ্ডে বললেন শাহ

    Amit Shah: “মাতৃশক্তির বিষয়ে বিজেপির অবস্থান স্পষ্ট”, প্রোজ্জ্বলকাণ্ডে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দেশের মাতৃশক্তির বিষয়ে বিজেপির অবস্থান খুব স্পষ্ট।” মঙ্গলবার অসমের গুয়াহাটিতে কথাগুলি বললেন বিদায়ী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়ার নাতি প্রোজ্জ্বল রেভান্নার (Prajwal Revanna) যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসায় হইচই পড়েছে দেশজুড়ে। সেই প্রসঙ্গেই এদিন মুখ খোলেন শাহ। তিনি বলেন, “আমি কংগ্রেস এবং প্রিয়ঙ্কাজি যিনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন, তাঁদের বলতে চাই, ওখানে কাদের সরকার রয়েছে? কংগ্রেসের সরকার রয়েছে। কেন তাঁরা এখনও পর্যন্ত ব্যবস্থা নেননি? এটা যেহেতু রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার বিষয়, তাই কেন তারা এতদিন ব্যবস্থা নেয়নি? এটা যেহেতু রাজ্যের বিষয়, তাই আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি না।”

    কী বললেন শাহ?

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “এই অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক। দেবগৌড়া ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামীর জনতা দল সেকুলার দলীয় কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিক।” তিনি বলেন, “এটা খুবই গুরুতর একটি অভিযোগ। আমরা এ জিনিস বরদাস্ত করব না। তবে কংগ্রেসকে আমরা জিজ্ঞাসা করতে চাই, ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও তারা কেন এখনও ব্যবস্থা নেয়নি? অথচ প্রিয়ঙ্কাজি জেডিএস নেতার যৌন কেলেঙ্কারি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কাঠগড়ায় তুলতে কসুর করেননি।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “যে তদন্ত শুরু হয়েছে আমরা তাকে সমর্থন করি এবং আমাদের জোটসঙ্গী জেডিএসও বলেছে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। আজ, মঙ্গলবারই কোর কমিটির বৈঠকে বসছে তারা। সেখানেই এ ব্যাপারে পদক্ষেপ করা হবে।”

    সাসপেন্ড প্রোজ্জ্বল  

    এদিকে, এদিনই কোর কমিটির বৈঠকে দেবগৌড়ার পুত্র এইচডি কুমারস্বামী প্রোজ্জ্বলকে (Prajwal Revanna) সাসপেন্ড করার কথা জানান। প্রোজ্জ্বলকে নোটিশ পাঠিয়ে জবাবও তলব করা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে। যদিও, সূত্রের খবর, ভিডিওর কথা ফাঁস হতেই দেশ ছেড়েছেন প্রোজ্জ্বল। জানা গিয়েছে, তিনি বেঙ্গালুরু থেকে ফ্রাঙ্কফুর্টের বিমান ধরেন। এদিন জেডিএসের কোর কমিটির প্রেসিডেন্ট জিটি দেবগৌড়া সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “আমরা প্রোজ্জ্বল রেভান্নার বিরুদ্ধে সিট-এর তদন্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। আমরা ঠিক করেছিলাম যে, দলের সর্বভারতীয় সভাপতি (দেবগৌড়া)-কে বলব তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত রেভান্নাকে সাসপেন্ড করতে।”

    প্রসঙ্গত, কর্নাটকের এক বিজেপি নেতার দাবি, তাঁর কাছে থাকা একটি পেন ড্রাইভে ৩ হাজারটি অশ্লীল ভিডিও রয়েছে। তাতে প্রোজ্জ্বলের (Prajwal Revanna) যৌন কেলেঙ্কারির প্রমাণ রয়েছে। ওই ভিডিও দেখিয়ে পরবর্তী সময়েও মহিলাদের যৌন নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে দেবগৌড়ার পৌত্রের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুুন: “লাঠি, ইট দিয়ে হামলা চালায় তৃণমূল”, বললেন প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Narendra Modi: “পাকিস্তানকে সবার আগে ফোনে জানিয়েছিলাম”, বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে বড় খোলসা মোদির

    PM Narendra Modi: “পাকিস্তানকে সবার আগে ফোনে জানিয়েছিলাম”, বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে বড় খোলসা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ময়দানে ফিরে এল বালাকোটের (Balakot Air Stikre) স্মৃতি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) কর্নাটকের নির্বাচনী প্রচারে বলেন, “বিশ্বের কাছে প্রকাশের আগেই পাকিস্তানকে ফোনে জানিয়েছি, মারার হলে সামনে থেকেই মারি।” পুলবামায় জঙ্গি হামলার পর পাক অধিকৃত কাশ্মীরে এয়ার স্ট্রাইক করেছিল ভারত। বিশ্বকে জানানোর আগে পাকিস্তানকে নিজেই টেলিফোনে এয়ার স্ট্রাইকের কথা জানিয়েছিলেন মোদি। 

    কী বললেন মোদি (PM Narendra Modi)?

    কর্নাটকের বগলাকোটের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi) বলেন, “মোদি কাউকে পিছন থেকে মারে না। যদি মারার হয় সামনে থেকে মারে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi News) এদিন বলেন আমি নিজেই সেনাবাহিনীকে বলেছিলাম সংবাদমাধ্যমকে জানাতে। গোটা বিষয়টি উপস্থাপন করতে। তার আগে পাকিস্তানকে আমি ফোনে জানাই, গতকাল রাতে যা হয়েছে তা আমরা ঘটিয়েছি। তাদের জানানোর পর আমরা সারা বিশ্বকে স্ট্রাইক (Balakot Air Strike) সম্পর্কে জানিয়েছিলাম।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “মোদি কখনই কোনও কিছু লুকোয় না। পিঠ পিছনে হামলা করে না। মোদির যা করার সব সামনে থেকে করে। যারা নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে তারা সাবধান হয়ে যাক। কারণ এটা নতুন ভারত। ঘরে ঢুকবেও মারবেও।”

    ২৫০ থেকে ৩০০ জঙ্গি মারা যায়

    প্রসঙ্গত ২০১৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের বায়ুসেনা (Indian Air Force) পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বালাকোটের (Balakot Air Strike) জয়েশ-ই-মহম্মদের (Jaish-E-Mohammad) জঙ্গি শিবিরে হামলা চালায়। ২৫০ থেকে ৩০০-র মত জঙ্গি এই হামলায় মারা গিয়েছিল। যদিও পাকিস্তান প্রথমে এই হামলার কথা স্বীকার করেনি। পরে অবশ্য চাপে পড়ে তারা ভারতের হামলার কথা স্বীকার করে। যদিও যত সংখ্যক জঙ্গি সেদিন মারা গিয়েছিল তা আজও স্বীকার করেনি পাকিস্তান। ভারতীয় বায়ুসেনা সেসময় জানিয়েছিল বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের ফলে জয়েশ-ই-মহম্মদের প্রশিক্ষণরত, প্রশিক্ষিত এবং সিনিয়র কামান্ডার র‍্যাঙ্কের অনেক জঙ্গিরা মারা গিয়েছিল। ওই জঙ্গি শিবিরের দায়িত্বে ছিল জয়েশ প্রধান মৌলানা মাসুদ আজহারের শ্যালক মাওলানা ইউসুফ আজহার ওরফে ওস্তাদ ঘোরি। সে-ও ওই হামলায় মারা যায়। প্রসঙ্গত এই হামলায় ভারতের ১২টি মিরাজ ২০০০ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়েছিল। এই বিমানগুলিকে এস্কর্ট করে ভারতের সুখোই-৩০এমকেআই বিমান। মৌলানা ইউসুফ আজহার ও মাসুদ আজহার ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বরে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স আইসি-৮১৪ বিমান অপহরণকাণ্ডে অভিযুক্ত। বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের ঘটনায় মোদির (PM Narendra Modi) নেতৃত্বে পাকিস্তান যে ভয় পেয়েছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    আরও পড়ুনঃ হাতে অলঙ্কার পরে আর চিকিৎসা নয় ! নয়া নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

    উদ্দেশ্য কী ছিল?

    বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের (Balakot Air Strike) উদ্দেশ্য ছিল, কোনও সাধারণ মানুষকে ক্ষতি না করে, শুধুমাত্র জঙ্গি শিবিরে হামলা করা। ভারত এর আগে এত বেশি সংখ্যায় বিমান বিদেশের মাটিতে এয়ার স্ট্রাইকের জন্য ব্যবহার করেনি। সফলভাবে এর স্ট্রাইক করার জন্য বায়ুসেনাকে ধন্যবাদ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। সেই সময় সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, বালাকোটে ঘন জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত ছিল জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির। এই এয়ার স্ট্রাইকের পর পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ওই জায়গা ঘিরে ফেলে এবং সাধারণ মানুষ কিংবা সাংবাদিক কাউকেই সেখানে প্রবেশ করার অধিকার দেয়নি। মাসখানেক পরে সব মেরামত করে সেখানে পছন্দের কয়েকজন সাংবাদিককে নিয়ে গিয়েছিল পাক সেনা। পরে ওই জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরকে স্কুল ও মাদ্রাসা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করে পাকিস্তান। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India US Relation: পান্নুনকে হত্যার চেষ্টা নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন, সাফ জানাল ভারত

    India US Relation: পান্নুনকে হত্যার চেষ্টা নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন, সাফ জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোস্ট ওয়ান্টেড খালিস্তানপন্থী জঙ্গি গুরুপতওয়ান্ত সিং পান্নুন খুনের চেষ্টার নেপথ্যে রয়েছেন র-এর এজেন্ট। মার্কিন (India US Relation) এক দৈনিকে প্রকাশিত এই রিপোর্ট খারিজ করে দিল ভারত। সাফ জানিয়ে দিল, মার্কিন দৈনিকের অভিযোগ অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন।

    বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া (India US Relation)

    প্রতিবেদনটির প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “সংগঠিত অপরাধী, সন্ত্রাসী ও অন্যদের নেটওয়ার্ক নিয়ে মার্কিন সরকারের নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু উদ্বেগের কথা আমাদের জানানো হয়েছিল। তা খতিয়ে দেখতে ভারত সরকার একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সেই কমিটির তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। এই আবহে বিষয়টি সম্পর্কে অনুমানমূলক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য একদমই সহায়ক নয়।”

    র-কে নিশানা

    সম্প্রতি মার্কিন (India US Relation) দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের একটি রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, বিক্রম যাদব নামে র-এর এক এজেন্ট নাকি পান্নুন হত্যার জন্য একটি হিট টিমকে টাকা দিয়েছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের চেষ্টার পরিকল্পনায় নাকি অনুমোদন দিয়েছিলেন তৎকালীন র-এর প্রধান সমন্ত গোয়েল। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও বিষয়টি জানতেন। ওয়াশিংটন পোস্টের এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে ভারত।

    গত বছরের শেষের দিকেও পান্নুন খুনের চেষ্টায় যে ভারত জড়িত নয় তা জানিয়ে দিয়েছিল নয়াদিল্লি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বলেছিলেন, “খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা খুনের ষড়যন্ত্রে ভারত যোগের অভিযোগ সংক্রান্ত প্রমাণ দিলেই সরকার তা খতিয়ে দেখতে প্রস্তুত।” আইনের শাসনের প্রতি তাঁর সরকারের দায়বদ্ধতার কথাও সেদিন মনে করিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ট্রুডোর বক্তৃতা চলাকালীনই খালিস্তানের দাবিতে স্লোগান, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    পান্নুন খুনের চেষ্টায় ভারতকে দোষারোপ আগেও করা হয়েছিল। এর আগেও একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, পান্নুন হত্যার ছক নিয়ে মার্কিন দাবির প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করে ভারত। সেই তদন্ত থেকেই জানা গিয়েছিল, র-এর এক প্রাক্তন এজেন্ট নাকি এই হত্যার ছক কষার নেপথ্যে থাকতে পারেন। যদিও ভারত সরকার নাকি এই ধরনের কোনও অভিযানের অনুমতি দেয়নি (India US Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Justin Trudeau: ট্রুডোর বক্তৃতা চলাকালীনই খালিস্তানের দাবিতে স্লোগান, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Justin Trudeau: ট্রুডোর বক্তৃতা চলাকালীনই খালিস্তানের দাবিতে স্লোগান, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালসা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো (Justin Trudeau)। টরেন্টোর সেই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা চলাকালীনই স্বাধীন ও সার্বভৌম খালিস্তান রাষ্ট্রের দাবিতে স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে। রবিবারের ওই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে ভারত।

    কী বলছে বিদেশমন্ত্রক? (Justin Trudeau)

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ঘটনা ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মাস সাতেক আগেই খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনের ঘটনায় কানাডার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ভারতকে নিশানা করেছিলেন ট্রুডো (Justin Trudeau)। তার জেরে ভারত-কানাডা সম্পর্ক গিয়ে ঠেকে তলানিতে। গত সাত মাসেও উন্নতি হয়নি নয়াদিল্লি-অটোয়ার(কানাডার রাজধানী) সম্পর্ক। এহেন পরিস্থিতিতে কানাডার মাটিতে ফের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন মাথা চাড়া দেওয়ায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ ভারত। ট্রুডোর বক্তৃতা চলাকালীনই খালিস্তানপন্থীদের এই ‘ঔদ্ধত্য’ ভালো চোখে দেখেনি নয়াদিল্লি।

    কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    সোমবার ভারতে নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ ও কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে বলে বলা হয়েছে বিদেশমন্ত্রকের জারি করা বিবৃতিতে। জানা গিয়েছে, ট্রুডো সরকারের প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী তথা বর্তমান প্রিভি কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট হরজিৎ সিং সজ্জন খালিস্তানপন্থী হিসেবেই পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে খালিস্তানপন্থীদের মদত দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কানাডার পার্লামেন্টে একটি সংখ্যালঘু সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ট্রুডো। গদি বাঁচাতে তাঁকে সাহায্য নিতে হচ্ছে নিউ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা জগমীত সিংয়ের। জগমীত নিজেও ঘোষিত খালিস্তানপন্থী। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই ভারতের চাপ সত্ত্বেও কার্যত অসহায় ট্রুডো। তাই খালিস্তানপন্থীদের বিরুদ্ধে ট্রুডো সরকার কড়া কোনও পদক্ষেপ করতে পারছে না বলেও ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আরও পড়ুুন: “লোহার রড, শাবল দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    কানাডার মাটিতেই খুন হন খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নিজ্জর। তার পরেই অটোয়ার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ভারতকে আক্রমণ শানান ট্রুডো। ঘটনার জেরে কানাডার এক কূটনীতিককে বহিষ্কার করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে মোদি সরকার কানাডার এক শীর্ষ কূটনীতিককে পাঁচ দিনের মধ্যে দিল্লি ছাড়ার নির্দেশ দেয়। নিজ্জর খুনে ভারতের যে কোনও হাত নেই, তাও সাফ জানিয়ে দেয় মোদি সরকার (Justin Trudeau)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: ভারসাম্য হারাল শাহের কপ্টার, তারপর…

    Amit Shah: ভারসাম্য হারাল শাহের কপ্টার, তারপর…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে আর একটু হলে বিপদের মুখে পড়ছিলেন বিদায়ী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি যখন কপ্টারের ভিতরে বসে ছিলেন, তখনই ভারসাম্য হারায় এই উড়ান। দ্রুত সেটি নিয়ন্ত্রণে চলে আসায় কোনও বিপদ ঘটেনি। অক্ষত রয়েছেন শাহও। বিশেষজ্ঞদের মতে, উড়ানের সময়ই এই বিপত্তি না হয়ে যদি মাঝ আকাশে হত, তাহলে বড় ধরনের কোনও বিপদ ঘটতে পারত।

    কপ্টার বিভ্রাট (Amit Shah)

    নির্বাচনী প্রচারে কার্যত চরকিপাক খাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই সেনাপতি (Amit Shah)। সোমবার তিনি গিয়েছিলেন বিহারের বেগুসরাইয়ে। সেখানেই ঘটে কপ্টার-বিভ্রাট। সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, উড়ানের সময়ই ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে শাহের কপ্টার। হঠাৎই সেটি ডানদিকে হেলে যায়, পরক্ষণেই আবার হেলে পড়ে বাঁদিকে। চালকের তৎপরতায় দ্রুত কপ্টারটি চলে আসে নিয়ন্ত্রণে।

    এটা কোনও ইস্যু নয়!

    সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এটা কোনও ইস্যুই নয়। রিপোর্টে জানানো (Amit Shah) হয়েছে, জোরালো বাতাসের জেরে শাহের কপ্টারটি এই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল। বছর ঊনষাটের এই নেতা নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়েছিলেন। সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, শাহের কপ্টার যখন বেগুসরাইয়ে উড়ান শুরু করছিল, তখন ভারসাম্য হারিয়েছিল বলে কোনও কোনও চ্যানেল সম্প্রচার করছে। দয়া করে লিখে রাখুন, এমন কোনও ইস্যু নয় এটা।

    আরও পড়ুুন: “একজনকে বাঁচাতে রাজ্য সরকার এগিয়ে আসবে কেন?” সন্দেশখালিকাণ্ড বিস্মিত সুপ্রিম কোর্ট

    এদিকে, এদিনই এক জনসভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, “তৃতীয়বারের জন্য নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী বানালে বিহারে কাস্টিজমের অবসান ঘটবে। মেধার ভিত্তিতে রাজনীতির যাত্রা শুরু হবে।” এদিনের সমাবেশে ইন্ডি জোটকেও আক্রমণ শানান শাহ। বলেন, “যদি ইন্ডি জোট জেতে, কে প্রধানমন্ত্রী হবেন? তারা কী লালু যাদবকে প্রধানমন্ত্রী করবে? স্ট্যালিন কিংবা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দেশকে সঠিক পথে চালিত করতে পারবেন, রাহুল বাবা? আপনি কি কখনও এই বিষয়টি নিয়ে ভেবেছেন?”

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই দেশ, বিহার এবং মিথিলাঞ্চলকে আধুনিক যুগে নিয়ে যেতে চান। আর লালু যাদব নিয়ে যেতে চান লণ্ঠনের যুগে। একমাত্র নরেন্দ্র মোদিই পারেন আপনাকে লণ্ঠনের যুগ থেকে এলইডির যুগে নিয়ে যেতে (Amit Shah)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Sandeshkhali Case: “একজনকে বাঁচাতে রাজ্য সরকার এগিয়ে আসবে কেন?” সন্দেশখালিকাণ্ড বিস্মিত সুপ্রিম কোর্ট

    Sandeshkhali Case: “একজনকে বাঁচাতে রাজ্য সরকার এগিয়ে আসবে কেন?” সন্দেশখালিকাণ্ড বিস্মিত সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একজন বেসরকারি ব্যক্তিকে বাঁচাতে রাজ্য সরকার এগিয়ে আসবে কেন?” সন্দেশখালিকাণ্ড মামলায় (Sandeshkhali Case) এমনই মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন সন্দেশখালিকাণ্ডে একজন বেসরকারি ব্যক্তির স্বার্থ রক্ষায় আদালতে আবেদনকারী হিসেবে দাঁড়াবে, তা নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করে দেশের শীর্ষ আদালত।

    বিস্মিত আদালত (Sandeshkhali Case)

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিআর গাভাই ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চে শুনানি চলছিল এই মামলার। সেই সময়ই রাজ্য সরকারের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভির কাছে বিস্ময় প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। প্রশ্ন তোলে, “একজন বেসরকারি ব্যক্তিকে বাঁচাতে রাজ্য সরকার এগিয়ে আসবে কেন?”

    কী বলল রাজ্য?

    রাজ্যের কৌঁসুলি জানান, এর (Sandeshkhali Case) কারণ হল, ঘটনার পর থেকে হাইকোর্টের নির্দেশে এমন কিছু মন্তব্য ছিল, যাতে তার মক্কেলের মর্যাদাহানি হয়েছে। কৌঁসুলি জানান, রাজ্য সরকার যখন সক্রিয়ভাবে পদক্ষেপ করেছে, তখন তার বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য করা ঠিক নয়। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের তরফে করা আবেদনে বলা হয়েছে, “হাইকোর্ট একটি খুব সাধারণ আদেশে রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে যে কোনও নির্দেশিকা ছাড়াই সিবিআইকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে হবে, যা সন্দেশখালি এলাকায় যে কোনও অপরাধ, জনস্বার্থ মামলাকারীদের অভিযোগের সঙ্গে তার সম্পর্ক যদি নাও থাকে, তার তদন্ত করার জন্য রাজ্য পুলিশের ক্ষমতা হরণ করার সমান।

    আরও পড়ুুন: সম্পদের পুনর্বণ্টন, সম্পত্তি কর, কংগ্রেসকে একেবারে ধুয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, এদিনই সুপ্রিম কোর্টে মুলতুবি হয়ে গিয়েছে সন্দেশখালি মামলার শুনানি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে গ্রীষ্মাবকাশের পর, জুলাই মাসে। সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই মামলাই আপাতত মুলতুবি রইল। হাইকোর্টের রায়েও হস্তক্ষেপ করেনি শীর্ষ আদালত। বিচারপতি বিআর গাভাই ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, এই মামলায় মহিলাদের ওপর নির্যাতন, জমি কেড়ে নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ রয়েছে। তার পরেই জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত এই মামলার শুনানি মুলতুবি রাখার কথা জানায় সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত  এও জানিয়েছে, মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে বলে তদন্ত প্রক্রিয়া ব্যাহত করা যাবে না। তা যেমন চলছিল, চলবে। হাইকোর্টে চলা মামলায় কোনও বাধা দেওয়া যাবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছে (Sandeshkhali Case) সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Artificial Intelligence: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে অগ্রণী ভারত, জানাল বিশেষ রিপোর্ট

    Artificial Intelligence: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে অগ্রণী ভারত, জানাল বিশেষ রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ব্যবহারে অগ্রণী দেশ হিসেবে উঠে আসছে ভারত। একটি বেসরকারি সংস্থার সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে এমনই তথ্য সামনে এসেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) সংক্রান্ত পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা ‘নেট অ্যাপ’ (Net App)  সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে জাপান, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানির মত দেশকে পিছনে ফেলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত ব্যবহার ও গবেষণায় এগিয়ে গিয়েছে ভারত (India)।

    ভারতের অবস্থান (Artificial Intelligence)

    সমীক্ষায় বিভিন্ন দেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence) ক্ষেত্রে গবেষণা, অগ্রগতি, তৎপরতা, সমস্যা সমাধান এবং ব্যবহারের বিষয় মাথায় রাখা হয়েছিলে। সমস্ত ক্ষেত্রেই ভারত এগিয়ে যাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence) ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেক দেশ এখনও চিন্তায় রয়েছে। তা সত্বেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই যে ভবিষ্যৎ তা মানছেন গবেষকরা। সাম্প্রতিক রিপোর্ট দেখা যাচ্ছে ভারত, সিঙ্গাপুর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত আবিষ্কার ও ব্যবহারে অগ্রণী স্থানে রয়েছে। ঠিক পিছনেই রয়েছে স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, জাপান এবং জার্মানির মত আধুনিক দেশ। দশটি দেশে এই সংস্থা তাদের সমীক্ষা চালিয়েছিল। রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, প্রথম চারটি দেশের ৬০ শতাংশ কোম্পানি সমস্ত স্তরে কোনও না কোনও ভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করছে। বাকি দেশ যেমন- স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জার্মানি ও জাপানের মত দেশে  এর ব্যবহার ৪০ শতাংশের নীচে। রিপোর্টে প্রকাশিত হয়েছে যে, যারা অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে এবং যারা পিছিয়ে রয়েছে এমন দেশের সংস্থাগুলির তফাৎ মানসিকতায়। যারা এগিয়ে রয়েছে তারা নতুন হাইব্রিড এনভায়রনমেন্ট এবং নয়া পদ্ধতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম। যারা পিছিয়ে পড়েছে তারা এখনও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে ভয় পাচ্ছে এবং তাঁদের জড়তা রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ এনআইটিতে ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে বিক্ষোভ! দায় নিয়ে পদত্যাগ ডিরেক্টরের

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপকারিতা

    প্রসঙ্গত আইটি ইন্ডাস্ট্রি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ব্যবহার করে ৫০ শতাংশের বেশি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারে যে কাজ আগে কয়েক ঘণ্টায় হতো তা এখন মিনিটে করা সম্ভব হচ্ছে। প্রসঙ্গত ভারতের মত দেশের যখনই আইটি সহ অন্য ইন্ডাস্ট্রিতে কোন বড় রদবদল হয়েছে কর্মীরা সেই বদলকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে না নিয়ে খুব সহজে গ্রহণ করেছে। দেশের কর্মসক্ষম মানুষের বেশিরভাগ যুবক। ফলে এই ক্ষেত্রে যতই বড় বদল আসুক না কেন ভারতীয়রা ঠিক তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম। আইটি ও ডেটা ইন্ডাস্ট্রিতে এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার ছাড়া যেন কাজ করাই অসম্ভব। উন্নত বহু দেশে এখনও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে জড়তা রয়েছে। যা এ দেশে নেই। সেই কারণেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গবেষণা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারত অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UPI transaction: ডিজিটাল ভারতের পথে আরও একধাপ, অনলাইন পেমেন্টে রেকর্ড গড়ল ইউপিআই

    UPI transaction: ডিজিটাল ভারতের পথে আরও একধাপ, অনলাইন পেমেন্টে রেকর্ড গড়ল ইউপিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিআই অর্থাৎ ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস অনলাইন পেমেন্টের (UPI transaction) জন্য বেশ বিখ্যাত। সেই খ্যাতিই এবার রেকর্ড গড়ল অনলাইন পেমেন্টের বাজারে। সোমবার অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন,  ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট ২০০ লক্ষ কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ১৩ হাজার কোটি ইউপিআই (UPI) লেনদেন করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে ভারত। ইউপিআই পরিচালনাকারী ন্যাশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (NPCI) থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে জানা গিয়েছে, আগের ২০২২-২৩ অর্থবছরে, ইউপিআই-এর মাধ্যমে ১৩৯ লক্ষ কোটি টাকা মূল্যের লেনদেন হয়েছিল।

    সীতারামনের বক্তব্য (UPI transaction)

    সম্প্রতি বিশাখাপত্তনমে ‘বিকশিত ভারত অ্যাম্বাসাডর’-এর একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সীতারামন বলেন, “অনলাইন পেমেন্ট (UPI transaction) এখন সব জায়গায় চলেছে। শহর থেকে গ্রাম— সব জায়গার মানুষই অনলাইন পেমেন্টের (Online Payment) প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে। শুধু আদানি-আম্বানিরাই নন, সাধারণ ক্রেতা থেকে বিক্রেতা— সকলেই নির্ভর করছে অনলাইন লেনদেনের উপর।” এদিন সীতারামন আরও বলেছেন যে, সরকার ইতিমধ্যেই ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতবর্ষকে একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। যার ফলে আগামী বছরগুলিতে দেশটি তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে।

    আরও পড়ুনঃ শাহজাহানের জমি দখলের টাকা নিয়েছেন রাজ্যের আরও ২ মন্ত্রীও, বিস্ফোরক দাবি ইডির

    ৫৫ শতাংশ বেড়েছে

    এনপিসিয়াই-এর তথ্য অনুসারে, জানা গিয়েছে বর্তমানে লেনদেনের সংখ্যার নিরিখে ইউপিআই (UPI transaction)-এর বাজার শেয়ার প্রায় ৮৬%। যার মধ্যে ফোন পে ৪৮.৩% এবং গুগুল পে ৩৭.৬%। যদিও জানুয়ারি মাসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) পেটিএম পেমেন্টসের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করার পরে বাজারের এর শেয়ার হ্রাস পেয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইউপিআই লেনদেনের সংখ্যা ১০ হাজার কোটি অতিক্রম করেছে এবং এবছর তা ১৩ হাজার কোটিতে পৌঁছেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment: এসএসসি মামলায় প্যানেল বাতিল! স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    SSC Recruitment: এসএসসি মামলায় প্যানেল বাতিল! স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি মামলায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কোনও স্থগিতাদেশ (SSC Recruitment) দিল না সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পর্দিওয়ালা, বিচারপতি মনোজ মিশ্রের এজলাস জানিয়েছে, আগামী সোমবার ফের এই মামলার শুনানি হবে। এর ফলে চাকরি বাতিলের নির্দেশই বহাল রইল। শুনানিতে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, ‘‘প্যানেলের বাইরে নিয়োগ করা হয়েছে। এটা তো সম্পূর্ণ জালিয়াতি।’’

    শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ

    এর পাশাপাশি দেশের শীর্ষ আদালত এদিন পর্যবেক্ষণে (SSC Recruitment) বলে, ‘‘কেন সুপার নিউমেরারি পোস্ট তৈরি করা হল?’’ এদিন চাকরিহারাদের আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, নির্বাচনের ডিউটিতে অনেকেই রয়েছেন তাই এই মামলার স্থগিতাদেশ দেওয়া হোক। কিন্তু তা শোনেনি সুপ্রিম কোর্ট। অন্যদিকে এসএসসির তরফ থেকে যোগ্য এবং অযোগ্যদের বাছাই করার বিষয়ে বলা হয়। সেক্ষেত্রে বিচারপতিদের বেঞ্চ প্রশ্ন করেন, ‘‘ওএমআর শিট তো সম্পূর্ণভাবে নষ্ট করা হয়েছে, তাহলে কীভাবে আপনারা কারা যোগ্য সেটাকে আলাদা করবেন!’’ তবে ওএমআর শিট সম্পূর্ণ হবে নষ্ট হয়ে গেলেও আজব দাবি জানিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং তাদের আইনজীবী বলেন, ‘‘আমরা যোগ্য-অযোগ্যদের আলাদা করতে প্রস্তুত রয়েছি।’’

    সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত এসএসসি

    রাজ্যের আইনজীবী শীর্ষ আদালতের এদিন সওয়াল করে বলেন, ‘‘এই সময় নির্বাচন চলছে, এখন সিবিআই তদন্ত করলে পুরো মন্ত্রিসভা জেলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে সুপার নিউমেরিক পোস্ট তৈরি নিয়ে তদন্তে স্থগিতাদেশ চায় রাজ্য (SSC Recruitment)। সুপ্রিম কোর্ট তা মঞ্জুর করে। এসএসসির আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী আদালতে প্রশ্ন তোলেন জানান, ৮ হাজার জনের নিয়োগ বেআইনি ভাবে হলেও ২৩ হাজার চাকরি কেন বাতিল করা হল?’’ পাল্টা প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, ‘‘বেআইনি ভাবে নিয়োগ হয়েছে, এমন অভিযোগ জানার পরেও কী ভাবে সুপার নিউমেরিক পোস্টের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা? কেন সুপার নিউমেরিক পোস্ট (বাড়তি পদ) তৈরি করা হল?’’

    হাইকোর্টের রায়

    প্রসঙ্গত, সোমবারই এসএসসি মামলা (SSC Recruitment) ২০১৬ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ বাতিল করে দেয়। কলকাতা হাইকোর্ট বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির রায়ের ফলে ২৫ হাজার ৭৫৩ জন  শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীর চাকরি চলে যায়। সাদা খাতা জমা দিয়ে যারা মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলে চাকরি পেয়েছিলেন, তাদেরকে ১২ শতাংশ সুদসহ বেতন ফেরত দিতে বলা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share