Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Congress: আরও দু’টি আয়কর নোটিশ কংগ্রেসকে, গাড্ডায় সোনিয়ার দল

    Congress: আরও দু’টি আয়কর নোটিশ কংগ্রেসকে, গাড্ডায় সোনিয়ার দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও দু’টি আয়কর নোটিশ পেল কংগ্রেস (Congress)। শনিবার এমনই দাবি করা হয়েছে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির তরফে। কংগ্রেসের দাবি, ২০১৪-’১৫ ও তার পরের অর্থবর্ষের জন্য আয়কর দফতর জরিমানা ধার্য করেছে ১ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা। এর আগে ১৯৯৪-’৯৫ অর্থবর্ষ এবং ২০১৭-’১৮ থেকে ২০২০-’২১ অর্থবর্ষের জন্যও নোটিশ পাঠিয়েছিল আয়কর দফতর। সব মিলিয়ে কংগ্রেসকে জরিমানা বাবদ আয়কর দফতরে দিতে হবে ৩ হাজার ৫৬৭ কোটি টাকা।

    সোনিয়া গান্ধীর দলকে নোটিশ (Congress)

    বৃহস্পতিবারই ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা চেয়ে আয়কর দফতর নোটিশ পাঠিয়েছিল সোনিয়া গান্ধীর দলকে (Congress)। তার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই ফের পাঠানো হল নোটিশ। কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশ বলেন, “শনিবার কংগ্রেসের দফতরে আবারও দু’টি আয়কর নোটিশ এসে পৌঁছেছে।” প্রসঙ্গত, শনিবারই কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন, কংগ্রেসকে আর্থিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। বিরোধী নেতাদের জেলে ভরে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে বিজেপি কোটি কোটি টাকা চাঁদা পকেটে পুরে ভোট বৈতরণী পার হতে চাইছে মোদি সরকার।

    অশনি সঙ্কেত দেখছে কংগ্রেস

    তার পরে পরেই আয়কর দফতরের তরফে ফের নোটিশ পাঠানোয় অশনি সঙ্কেত দেখছে কংগ্রেস। শুক্রবার মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ‘কর সন্ত্রাসে’র অভিযোগ এনেছিলেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠক করে তাঁরা নিশানা করেছিলেন বিজেপিকে। বলেছিলেন, কর সন্ত্রাস চালাচ্ছে মোদি সরকার।

    জানা গিয়েছে, প্রায় দশ বছরের ফাইল বের করে কংগ্রেসকে নোটিশ পাঠিয়েছে আয়কর দফতর। সেই নোটিশ চ্যালেঞ্জ করে রিঅ্যাসেসমেন্ট দাবি করে মামলা করা হয়েছিল কংগ্রেসের তরফে। বৃহস্পতিবার সেই মামলা খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। তার পরেই ফের পাঠানো হয় নোটিশ। আয়কর বিভাগের একটি সূত্রের দাবি, পর পর কয়েক বছরে নির্বাচনী বন্ড বা অন্যান্য খাতে কংগ্রেস যে অর্থ আয় করেছে, তাতে কর ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেসের (Congress) কাছে সেই টাকাই চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ধার্য করা হয়েছে জরিমানাও।

    আরও পড়ুুন: “এটা পরিবার বাঁচাও, দুর্নীতি লুকাও সমাবেশ”, ‘ইন্ডি’ জোটকে নিশানা বিজেপির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: “এটা পরিবার বাঁচাও, দুর্নীতি লুকাও সমাবেশ”, ‘ইন্ডি’ জোটকে নিশানা বিজেপির

    BJP: “এটা পরিবার বাঁচাও, দুর্নীতি লুকাও সমাবেশ”, ‘ইন্ডি’ জোটকে নিশানা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এটা গণতন্ত্র বাঁচাও সমাবেশ নয়, পরিবার বাঁচাও, দুর্নীতি লুকাও সমাবেশ।” রবিবার এই ভাষায়ই বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’কে নিশানা করল বিজেপি (BJP)। এদিন বিজেপির মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী ইন্ডি জোটের বিভিন্ন নেতার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির প্রসঙ্গ টানেন।

    ত্রিবেদীর নিশানায় ইন্ডি জোট (BJP)

    কংগ্রেসের যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের প্রসঙ্গও টানেন। ডিএমকে এবং আরজেডিও নিশানা করেন সুধাংশু। এক সময় অন্না হাজারের নেতৃত্বে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভারত’ শব্দবন্ধে গর্জে উঠেছিল রামলীলা ময়দান। ত্রিবেদী (BJP) বলেন, “এদিন সেই ময়দানের সমাবেশের মূল বক্তব্যই হল, প্রত্যেকেই দুর্নীতির সঙ্গে।” তিনি বলেন, “যিনি অনেক নেতাকে এক সময় চোর বলেছিলেন, তিনিও তাঁদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। এটা একটা অদ্ভুত দৃশ্য।” দিল্লির এই ময়দানের সমাবেশে এদিন বিজেপি বিরোধী অন্যান্য কয়েকটি দলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আপ নেতারাও। সুধাংশুর কটাক্ষ-বাণের অভিমুখ যে সেদিকেই, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    দুর্নীতি মামলা

    তিনি বলেন, “একাধিক দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত লালুপ্রসাদ যাদবও এখন তাঁদের নেতা। এঁরা সব এক জায়গায় জড়ো হয়েছেন তাঁদের পুরানো পাপ লুকোতে। এবং মনে রাখতে হবে, এঁরা প্রত্যেকেই রাম মন্দির নির্মাণের বিরুদ্ধাচরণ করেছিলেন। এঁদের মধ্যে অনেকে আবার হিন্দুত্ববাদের মূলোৎপাটন করতে চেয়েছিলেন।” বিজেপির এই মুখপাত্র বলেন, “এই রাজনৈতিক দলগুলি ভারতের রাজনীতির বিশ্বাসযোগ্যতাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। এমন একটা সময় তারা এটা করছে, যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে রাজনীতিতে একটা বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি হচ্ছে। এবং এই সরকার যখন প্রতিশ্রুতি পূরণ করে চলেছে।” তিনি বলেন, “ওরা হল এমন সব রাজনৈতিক দল, যারা কখনও দেশের উন্নতি চায়নি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে মানুষ তাদের মুখের মতো জবাব দেবে।”

    আরও পড়ুুন: দাবদাহে পুড়ছে অযোধ্যা, স্বস্তি দিতে রামলালাকে পরানো হচ্ছে সূতির পোশাক

    প্রসঙ্গত, শনিবারই রামলীলা ময়দানে সমাবেশ করেছিলেন ইন্ডি জোটের নেতারা। দিন কয়েক আগে দিল্লি আবগারি নীতি কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে ইডি। তার প্রেক্ষিতেই ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ সমাবেশের আয়োজন করেছিলেন বিরোধীরা (BJP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • LK Advani: আদবানির বাড়ি গিয়ে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করলেন রাষ্ট্রপতি, হাজির প্রধানমন্ত্রীও

    LK Advani: আদবানির বাড়ি গিয়ে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করলেন রাষ্ট্রপতি, হাজির প্রধানমন্ত্রীও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবানির (LK Advani) বাড়ি গিয়ে তাঁকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। রবিবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আদবানির বাড়িতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    এক্স হ্যান্ডেলের পোস্ট 

    রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফ থেকে এদিনই এ বিষয়ে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করা হয়। তাতে দেখা যাচ্ছে, বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবানির (LK Advani) ঠিক পাশে বসে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘‘রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করলেন লালকৃষ্ণ আদবানিকে। বর্ষীয়ান নেতার নিজের বাসভবনে এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং  লালকৃষ্ণ আদবানির পরিবারের সদস্যরা।’’

    পাশাপাশি ওই পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘‘লালকৃষ্ণ আদবানির গোটা জীবন কেটেছে দেশের সেবায়।  ৭ দশকেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি দেশকে সেবা দিয়েছেন। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবেই হোক অথবা উপ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে, লালকৃষ্ণ আদবানি (LK Advani) সর্বদাই দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। ভারতের সাংস্কৃতিক পুনরুত্থানে তাঁর আন্দোলনের ফসল হল রাম মন্দিরের পুনঃপ্রতিষ্ঠা।’’

    সংক্ষিপ্ত জীবন

    লালকৃষ্ণ আদবানির জন্ম হয় ১৯২৭ সালে, বর্তমান পাকিস্তানের করাচিতে। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় তাঁর পরিবার ভারতে আসেন। ৯৬ বছর বয়সী এই নেতা বাজপেয়ী সরকারের আমলে ২০০২ সালের জুন মাস থেকে ২০০৪ সালের মে মাস পর্যন্ত দেশের উপ প্রধানমন্ত্রীর (LK Advani) দায়িত্বভার সামলেছেন। এর পাশাপাশি তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দায়িত্বেও ছিলেন ১৯৯৯ সালের অক্টোবর মাস থেকে ২০০৪ সালের মে মাস পর্যন্ত। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯০,  ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ এবং ২০০৪ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত তিনি বিজেপির সভাপতি ছিলেন। জরুরি অবস্থা সময় এই বিজেপি নেতা ১৯ মাস জেলে বন্দি ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “শ্রীলঙ্কাকে কচ্ছতিভু দ্বীপ দিয়েছিল কংগ্রেস, ওদের বিশ্বাস নেই”, তোপ মোদির

    PM Modi: “শ্রীলঙ্কাকে কচ্ছতিভু দ্বীপ দিয়েছিল কংগ্রেস, ওদের বিশ্বাস নেই”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেসকে বিশ্বাস করবেন না। ওরা শ্রীলঙ্কার হাতে তুলে দিয়েছিল কচ্ছতিভু দ্বীপ।” রবিবার বোমা ফাটালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “চোখ খুলে দেওয়া ও চমকে ওঠার মতো বিষয়। নয়া তথ্য উঠে এসেছে। তাতে ফাঁস হয়ে গিয়েছে, দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে কচ্ছতিভু দান করে দেওয়া হয়েছিল। এতে প্রত্যেক ভারতীয় ক্ষুব্ধ। মানুষ বুঝে গিয়েছে, আমরা কখনও কংগ্রেসকে ভরসা করতে পারব না।”

    আরটিআইয়ে কী জানা গেল? (PM Modi)

    তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধান কে আন্নামালাই তথ্য জানার অধিকার আইনে জানতে চেয়েছিলেন, কীভাবে শ্রীলঙ্কার হাতে ‘মা ভারতীর’ অংশ কচ্ছতিভু দ্বীপ তুলে দিয়েছিলেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। তথ্য জানার অধিকার আইনে আবেদন করার পর তিনি জানতে পারেন, ১৯৭৪ সালে ইন্দো-শ্রীলঙ্কা সামুদ্রিক চুক্তির মাধ্যমে শ্রীলঙ্কার হাতে ১৬৩ একরের কচ্ছতিভু দ্বীপ তুলে দিয়েছিল ইন্দিরা গান্ধী সরকার। সেই সময় ভারত সরকারের তরফে বলা হয়েছিল, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। তথ্য জানার অধিকার আইনে দ্বীপ হস্তান্তরের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর কংগ্রেসকে তোপ দেগেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    কচ্ছতিভু দ্বীপ

    তথ্য জানার অধিকার আইনে জানা গিয়েছে, ১৯৬০ সালে ভারতের তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল এসম সি সেতালবাদ জানিয়েছিলেন, কচ্ছতিভু দ্বীপের বিষয়টি (PM Modi) নিয়ে দিনের আলোর মতো স্বচ্ছতা না থাকলেও, ওই দ্বীপের ওপর ভারতের বেশি অধিকার আছে। ভারতের হাতেই কচ্ছতিভু দ্বীপ রাখার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন সেতালবাদ। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তৎকালীন যুগ্ম সচিব কে কৃষ্ণ রাও জানিয়েছিলেন, কচ্ছতিভু দ্বীপ নিয়ে শ্রীলঙ্কা যে দাবি করছে, সেটার মজবুত ভিত্তি আছে। তবে কচ্ছতিভু দ্বীপে মাছ ধরার অধিকার পওয়ার জন্য ভারতের হাতে আইনি সুযোগ আছে বলেও সওয়াল করেছিলেন কে কৃষ্ণ রাও। যদিও এখনও কচ্ছতিভু দ্বীপ অঞ্চলে মাছ ধরতে গেলে তামিল মৎস্যজীবীদের ধরপাকড় করে (PM Modi) শ্রীলঙ্কা। অথচ ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত এই অঞ্চলে নির্বিঘ্নে মাছ ধরতে পারতেন তামিল মৎস্যজীবীরা। 

    আরও পড়ুুন: অনুব্রতের গড়ে বিজেপির প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর, প্রধান ইস্যু ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Punjab Girl Dies: অনলাইনে কেনা জন্মদিনের কেক খেয়ে অসুস্থ বালিকা, হাসপাতালেই নিভল জীবনদীপ

    Punjab Girl Dies: অনলাইনে কেনা জন্মদিনের কেক খেয়ে অসুস্থ বালিকা, হাসপাতালেই নিভল জীবনদীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মদিন। কেক কাটছে বছর দশেকের মানভি। হইহই করছে প্রতিবেশীদের বাচ্চারা। সমস্বরে গাইছে, ‘হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ’। অনলাইনে অর্ডার করা (Punjab Girl Dies) কেকের ওপর বড় বড় করে ইংরেজিতে লেখা ‘মানভি’।

    জন্মদিনের পার্টিতে কান্নার সুর (Punjab Girl Dies)

    কেক কাটার আগে প্রথা মেনে মোমবাতিও নিভিয়েছে বছর দশেকের ওই বালিকা। যদিও বার্থ-ডে পার্টিতে উপস্থিত কেউই জানতেন না যে মোমবাতির দীপ নিভে যাওয়ার পরে পরেই নিভে যাবে মানভির জীবনদীপও। জন্মদিনের পার্টির হুল্লোড়ে তখন শোকের পরিবেশ। যে মুখগুলো এতক্ষণ ধরে হ্যাপি বার্থ-ডে গাইছিল, সেই মুখগুলোতেই হাহাকার করা কান্নার সুর। ঘটনাটি তবে (Punjab Girl Dies) খুলেই বলা যাক। পাঞ্জাবের পাতিয়ালার বাসিন্দা বছর দশেকের মানভির জন্মদিনের পার্টি ছিল। জন্মদিন উপলক্ষে অনলাইনে অর্ডার দেওয়া হয়েছিল কেক।

    বরাত জোরে বেঁচে গেল মানভির বোন

    শনিবার সন্ধেয় কেক কাটা হয়। মানভির বাড়ি তখন কচিকাঁচার কলকাকলিতে ভরপুর। ওদিকে হেঁসেলে চলছে রকমারি রান্না। সুগন্ধে ম ম করছে মানভির বাড়ি। মোমবাতি নিভিয়ে কেক কেটে প্রথম টুকরোটি মুখে নেয় মানভি ও তার বোন। উপস্থিত বাচ্চারা অবশ্য কেক খায়নি। কিছুক্ষণের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়ে দুই বোন। ঘন ঘন বমি করতে থাকে। দ্রুত তাদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মানভিকে মৃত ঘোষণা করেন। মানভির দাদু হারবান লাল বলেন, “মানভির বোন বেঁচে গিয়েছে। গোটা কেকটা ও বমি করে বের করে দিয়েছিল। তাই চিকিৎসকরা ওকে বাঁচাতে পেরেছেন।”

    আরও পড়ুুন: “বিজেপির ভোট কাটতেই সিপিএম প্রার্থী দিয়েছে যাদবপুরে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    কেক প্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে মানভির পরিবারের তরফে। কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের কাছে। যদিও সংস্থার দাবি, মানভির পরিবারে কোনও কেক এদিন সরবরাহ করা হয়নি। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, মানভির পোস্টমর্টেম হয়েছে। পরীক্ষার জন্য কেকের নমুনা পাঠানো হয়েছে ল্যাবে। পোস্টমর্টেমের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে তারা (Punjab Girl Dies)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Himanta Biswa Sarma: “২০২৬ এর মধ্যে অসম কংগ্রেসে হিন্দু থাকবেন না”, বললেন হিমন্ত

    Himanta Biswa Sarma: “২০২৬ এর মধ্যে অসম কংগ্রেসে হিন্দু থাকবেন না”, বললেন হিমন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “২০২৬ সালের মধ্যে অসম কংগ্রেসে কোনও হিন্দু থাকবেন না।” লোকসভা নির্বাচনের প্রক্কালে কথাগুলি বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। শনিবার গুয়াহাটিতে রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে গিয়েছিলেন হিমন্ত। লোকসভা নির্বাচনে দলের প্রস্তুতি কেমন, তা খতিয়ে দেখতেই সদর দফতরে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। পরে নিশানা করেন কংগ্রেসকে।

    কী বললেন হিমন্ত? (Himanta Biswa Sarma)

    হিমন্ত বলেন, “২০২৬ সালের মধ্যে অসমে কোনও হিন্দু কংগ্রেসে থাকবেন না। আর ২০৩২ সালের মধ্যে প্রায় সব মুসলমানও কংগ্রেস ছেড়ে দেবেন। রাজীব ভবনে মহানগর বিজেপির শাখা খুলব আমরা। আগামিকাল (আজ, রবিবার) অনেক কংগ্রেস নেতা বিজেপিতে যোগ দেবেন।” তিনি বলেন, “গুয়াহাটিতে রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে ১২৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রভারিষদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। এদিনই কংগ্রেসের তিনজন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। বাকি কয়েকজন যোগ দেবেন রবিবার। আমি মাজুলিতে যাব। পয়লা এপ্রিল সেখানে সাইকেল মিছিল দিয়ে আমি লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করব।”

    ‘মুসলমান সমাজ সংস্কার করার চেষ্টা’

    মুসলমানদের উন্নয়নে যে তাঁর সরকার কাজ করছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sarma)। বলেন, “মুসলমানদের সমাজ সংস্কার করার চেষ্টা আমি করছি। অনেক মুসলমান যুবক আমায় সমর্থন করছেন। সেটা আপনারা ফেসবুকেই দেখতে পাবেন। তাঁরা একে স্বাগতও জানাচ্ছেন। কেউই এখনও এর বিরোধিতা করেননি।” লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি জোড়হাট কেন্দ্রে জয়ী হবে বলেও আশাবাদী হিমন্ত। বলেন, “একটা অংশ আমার বিরুদ্ধে বিরূপ পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। কিন্তু আসল সত্যটা সম্পূর্ণ ভিন্ন।”

    কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ

    এদিকে, শনিবারই কংগ্রেস ছেড়ে তিন নেতা যোগ দিলেন অসম বিজেপিতে। এঁরা হলেন অসম প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক মানস বোরা, গৌরব গগৈ এবং অসম প্রদেশ কংগ্রেসের আর এক সাধারণ সম্পাদক গৌরব সোমানি। দলীয় নেতৃত্বকে পাঠানো ইস্তফাপত্রে মানস লিখেছেন, “আমি মনে করি নতুন সুযোগ কাজে লাগানোর এটাই আমার কাছে সেরা সুযোগ। এলাকাবাসী এবং রাজ্যের কল্যাণেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” ইস্তফাপত্রে সোমানি আবার দুষেছেন (Himanta Biswa Sarma) দলের রাজ্য নেতৃত্বকেই।

    আরও পড়ুুন: “গোপাল ভাঁড়কে খুন করেছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র”, দাবি মন্ত্রীর, মামলার হুমকি রানিমার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Delhi Liquor Policy Case: আবগারি দুর্নীতিতে কেজরিওয়ালের মন্ত্রীকে ৫ ঘণ্টা জেরা ইডির

    Delhi Liquor Policy Case: আবগারি দুর্নীতিতে কেজরিওয়ালের মন্ত্রীকে ৫ ঘণ্টা জেরা ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতি মামলায় ক্রমশই জাল গুটিয়ে আনছে ইডি। গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। এ বার দিল্লির আপ সরকারের (Delhi Liquor Policy Case) মন্ত্রী কৈলাস গেহলটকে ৫ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, অধিকাংশ প্রশ্নেরই সদুত্তর দিতে পারেন নি গেহলট। ইডির দাবি, মোবাইলের সিম একটা ব্যবহার করলেও, কৈলাসের ফোনে তিনবার বদল করা হয়েছে IMEI নম্বর।

    আবগারি দুর্নীতিতে অভিযুক্ত কৈলাস

    জানা গিয়েছে, দিল্লি সরকারের বিতর্কিত আবগারি দুর্নীতিতে (Delhi Liquor Policy Case) যাঁরা যুক্ত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম কৈলাস গেহলট। এর আগেও তাঁকে এই মামলায় জেরা করতে করতে চেয়ে সমন পাঠিয়েছিল ইডি। কিন্তু দিল্লি বিধানসভার অধিবেশন চলছে, এই যুক্তি দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি। তার পর কৈলাসের কাছে যায় ইডির দ্বিতীয় সমন। শনিবার সেই সমনের ভিত্তিতেই হাজিরা দিলেন কৈলাস।

    কী বললেন কৈলাস

    আবগারি দুর্নীতি মামলায় ২০২২ সালেই গ্রেফতার হয়েছিলেন আপ নেতা বিজয় নায়ারকে। তখনই অভিযোগ ওঠে, দিল্লির সিভিল লাইনে কৈলাসের জন্য বরাদ্দ করা বাংলোয় থাকতেন বিজয়। এবিষয়ে কৈলাস বলেন, “আমি সর্বদাই বলে এসেছি যে, আমি কখনও সরকারের (Delhi Liquor Policy Case) দেওয়া বাংলোয় থাকিনি। কারণ, আমার স্ত্রী এবং সন্তানেরা বসন্ত কুঞ্জ থেকে সিভিল লাইনে আসতে চায়নি। আমি সিবিআইকেও এই কথা জানিয়েছিলাম। আজও একই কথা জানালাম।” এর পাশাপাশি কৈলাস জানিয়েছেন, বিজয় যে তাঁর বাংলোয় থাকতেন, সে কথা তিনি জানতেন না।

    ১০০ কোটির আবগারি দুর্নীতি

    ইডির দাবি, বিতর্কিত আবগারি নীতিতে (Delhi Liquor Policy Case) নির্দিষ্ট ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে সুবিধা পাইয়ে দিতে ১০০ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছিল আপ। সেই টাকার অনেকটাই খরচ করা হয় গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে। এই প্রসঙ্গে কৈলাসের দাবি, তিনি এই বিষয়ে কিছুই জানেন না। তাঁর কথায়, “আমি এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না। কারণ, আমি গোয়ার নির্বাচনী প্রচার পরিকল্পনার অংশ ছিলাম না। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে ইডি। আবগারি নীতি এমনভাবে তৈরি করা হয় যে খুচরো ব্যবসায়ীদের ১৮৫ শতাংশ লাভের কথা বলা হয় সেখানে। পাইকারি ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ লাভের কথা বলা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi News: প্লাস্টিক পুনর্নবীকরণের মাধ্যমে তৈরি জ্যাকেট পরেই গেটসের সঙ্গে বৈঠকে মোদি

    PM Modi News: প্লাস্টিক পুনর্নবীকরণের মাধ্যমে তৈরি জ্যাকেট পরেই গেটসের সঙ্গে বৈঠকে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির (PM Modi News) সঙ্গে ধনকুবের বিল গেটসের একটি বৈঠক সম্পন্ন হয়। জানিয়ে সর্বত্রই চর্চা চলছে। মোদি-গেটসের বৈঠকে একাধিক ইস্যুতে আলোচনা হয়। কিন্তু এর পাশাপাশি বৈঠকের অন্য আকর্ষণ রয়েছে। তা হল নরেন্দ্র মোদির পোশাক চয়ন। এটিই যেন ‘টক অফ দ্য টাউন’ হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি পরেছিলেন একটি সাদা কুর্তা-পাজামা। কুর্তার ওপরে চাপানো ছিল নীল রঙের স্লিভলেস সাদরি অথবা জ্যাকেট। এই জ্যাকেটের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল, এটি তৈরি হয়েছে প্লাস্টিক পুনর্নবীকরণের মাধ্যমে।

    প্ল্যাস্টিকের জ্যাকেট নিয়ে কী বললেন মোদি? 

    নরেন্দ্র মোদির জ্যাকেটটি (PM Modi News) সম্পর্কে কৌতূহল প্রকাশ করেন বিল গেটস। জ্যাকেট সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী মোদি বিল গেটসকে বলেন, ‘‘এটা তৈরি করা হয়েছে পুরনো কিছু কাপড় এবং ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বর্জ্য প্লাস্টিক পদার্থ দিয়ে।’’ ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, দূষণের বিস্তার থেকে জলবায়ুর পরিবর্তনে যখন অন্যতম উদ্বেগজনক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে প্লাস্টিক বর্জ্য, সেই সময় প্লাস্টিক বর্জ্য যে পুনর্নবীকরণের মাধ্যমে হাল ফ্যাশনের ব্যবহার্য সামগ্রী তৈরি করা সম্ভব, এদিন যেন সেই বার্তাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    আরও পড়ুুন: রাজনাথের নেতৃত্বে এবার ইস্তাহার কমিটি বিজেপির, কারা রয়েছেন জানেন?

    এর আগেও জি-৭ সামিটে প্ল্যাস্টিকের জ্যাকেট পরেছিলেন মোদি

    তবে এটাই প্রথম নয় এর আগেও এমন জ্যাকেট পরেছিলেন মোদি। গতবছরেই জাপানে বসে জি-৭ সামিট। সেখানেও দেখা যায় মোদিকে প্ল্যাস্টিকের জ্যাকেট (PM Modi News) পরতে। তার আগে ২০২৩ সালের  ৯ ফেব্রুয়ারি সংসদে একই প্ল্যাস্টিকে জ্যাকেট পরে আসেন তিনি। ইন্ডিয়ান অয়েল-এর তরফে ওই জ্যাকেটটি তৈরি করা হয়েছিল এবং ওই সংস্থা প্রতি বছর ১০০ মিলিয়ন প্লাস্টিক বোতল রিসাইকেল করার লক্ষ্য়মাত্রা নিয়েছে বলে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

     

    আরও পড়ুন: সাইকেল চালিয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Lalla: দাবদাহে পুড়ছে অযোধ্যা, স্বস্তি দিতে রামলালাকে পরানো হচ্ছে সূতির পোশাক

    Ram Lalla: দাবদাহে পুড়ছে অযোধ্যা, স্বস্তি দিতে রামলালাকে পরানো হচ্ছে সূতির পোশাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবদাহে পুড়ছে দেশ। প্রখর গরমে হাঁসফাঁস দশা মানুষের। কষ্ট পান ভগবানও। তাই অযোধ্যায় আজ, ৩০ মার্চ থেকে রাম মন্দিরের বিগ্রহ রামলালাকে (Ram Lalla) পরানো হচ্ছে সূতির পোশাক। রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্রের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে রামলালার সূতির পোশাক পরা ছবি পোস্ট করা হয়েছে। সঙ্গে লেখা হয়েছে, “যে বস্ত্র আজ প্রভু পরেছেন, সেটি হ্যান্ডলুম কটন মলমল, প্রাকৃতিক নীল রংয়ে রাঙানো। বিগ্রহকে সাজানো হয়েছে গোট্টা ফুল দিয়ে।”

    ‘আত্মবৎ’ সেবা (Ram Lalla)

    হিন্দু শাস্ত্রে দেব বিগ্রহকে ‘আত্মবৎ’ সেবার কথা বলা হয়েছে। এর অর্থ হল, ভক্ত তাঁর আরাধ্যকে পুজো করবেন সেইভাবে, যেভাবে তিনি নিজের আত্মার তৃপ্তি সাধন করেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই ধারণা থেকেই গ্রীষ্মের দাবদাহ থেকে যাতে রামলালাকে (Ram Lalla) কিছুটা স্বস্তি দেওয়া যায়, তাই পরানো হয়েছে সূতির পোশাক। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয় অযোধ্যার রাম মন্দিরের। সেদিনই মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত হন রামলালা। যেহেতু পাঁচ বছর বয়সের বালকের প্রতিমূর্তি এই বিগ্রহ, তাই নাম রাখা হয় ‘বালক রাম’। ৫১ ইঞ্চির এই মূর্তির রূপ অনিন্দ্যসুন্দর। এই মূর্তিকেই এদিন থেকে পরানো হচ্ছে সূতির পোশাক।

    দোরগোড়ায় রামনবমী

    এদিকে, এগিয়ে আসছে রামনবমী। তার দিন চারেক আগেই বাংলা নববর্ষ। তাই এই মরশুমে অযোধ্যায় নামবে ভক্তের ঢল। সেকথা মাথায় রেখেই শুক্রবার বৈঠকে বসেছিলেন হনুমানগড়ি মন্দির কর্তৃপক্ষ। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অযোধ্যার জেলা প্রশাসন ও পুলিশ। এই বৈঠকে পানীয় জলের ব্যবস্থা কী করা যায়, শৌচাগারেরই বা কী হবে, ভক্তদের পা যাতে প্রচণ্ড গরমে পুড়ে না যায়, তা নিয়ে কী করা হবে – এসব নিয়েই হয়েছে আলোচনা। প্রসঙ্গত, এই বৈঠকেরই দিন কয়েক আগে প্রখর তাপ ও জলের অভাবে কয়েকজন ভক্ত অচৈতন্য হয়ে পড়েছিলেন। এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতেই তড়িঘড়ি বৈঠকে বসেছিলেন হনুমানগড়ি মন্দির কর্তৃপক্ষ (Ram Lalla)।

    আরও পড়ুুন: রাজনাথের নেতৃত্বে এবার ইস্তাহার কমিটি বিজেপির, কারা রয়েছেন জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Elections 2024: রাজনাথের নেতৃত্বে এবার ইস্তাহার কমিটি বিজেপির, কারা রয়েছেন জানেন?

    Lok Sabha Elections 2024: রাজনাথের নেতৃত্বে এবার ইস্তাহার কমিটি বিজেপির, কারা রয়েছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীরা ছত্রখান। তবে ইতিমধ্যেই লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) রণাঙ্গনে আস্তিন গুটিয়ে নেমে পড়েছে বিজেপি। লোকসভার ৫৪৩টি আসনে হবে নির্বাচন। তার মধ্যে প্রায় ৪০০ কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে পদ্ম শিবির। অন্তত ৩৭০টি আসন জয়ের লক্ষ্যে নেমেছে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহের দল।

    ইস্তাহার কমিটি (Lok Sabha Elections 2024)

    এমতাবস্থায় ইস্তাহার প্রকাশের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করল গেরুয়া পার্টি। এই কমিটির মাথায় রয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। কমিটিতে রয়েছেন স্মৃতি ইরানিও। রাজনাথের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিতে সব মিলিয়ে রয়েছেন ২৭ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও। তিনি কমিটির আহ্বায়ক। সহযোগী আহ্বায়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।

    কারা রয়েছেন কমিটিতে?

    বিজেপির (Lok Sabha Elections 2024) এই হেভিওয়েট নেতারা ছাড়াও রয়েছেন আরও কয়েকজন দক্ষ নেতা। এঁরা হলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, অশ্বিনী বৈষ্ণু, রাজীব চন্দ্রশেখর, কিরেণ রিজিজু, অর্জুন মুণ্ডা। রয়েছেন অর্জুন রাম মেঘওয়াল, ভূপেন্দ্র যাদব, বিষ্ণু দেও সহি, ভূপেন্দ্র প্যাটেল, শিবরাজ সিং চৌহান, মোহন যাদব, বসুন্ধরা রাজে, রবিশঙ্কর প্রসাদ এবং অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

    আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে দলকে ৩৭০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এনডিএর বাকি শরিকদের তিনি বলেছেন অন্তত ৩০টি আসন পেতে। তাহলেই পূরণ হবে ৪০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা। লোকসভা নির্বাচনে জয়ের বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সেই প্রত্যয়ী সুর শোনা গিয়েছে একাধিক জনসভায়। উন্নয়নের কর্মযজ্ঞের কারণেই যে দেশবাসী তাঁকে হাত উপুড় করে ভোট দেবেন, সে বিষয়েও আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করা হল প্রাক্তন দুই প্রধানমন্ত্রী সহ চারজনকে

    মোদিই যে ক্ষমতায় ফিরছেন, তা আঁচ করে ফেলেছেন বিভিন্ন রাষ্ট্রনায়করা। মোদি ফের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ধরে নিয়ে তাঁকে আগাম আমন্ত্রণ জানিয়ে রেখেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নিমন্ত্রণ করে রেখেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কিও। ভুটান সরকার মোদিকে দিয়েছেন সে দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান। এসব সত্ত্বেও গত বারের চেয়ে এবার আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে বিজেপি। সেই কারণেই গঠন করা হয়েছে নানা কমিটি। রাজনাথের (Lok Sabha Elections 2024) নেতৃত্বে এবার গড়া হল ইস্তাহার কমিটিও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share