Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Joshimath: জোশীমঠের পর কি এবার নৈনিতাল ও মুসৌরিতে ফাটল!

    Joshimath: জোশীমঠের পর কি এবার নৈনিতাল ও মুসৌরিতে ফাটল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের ২ তারিখ থেকে জোশীমঠের (Joshimath) বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দেয়, যার ফলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র শহরে। কমবেশি ৯০০ এর বেশি বাড়িতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায় এই ফাটল। প্রশাসনিক উদ্যোগে সরানো হয় বিপজ্জনক বাড়ির বাসিন্দাদের। সরকার থেকে ২০০ এর বেশি ঘর বরাদ্দ করা হয়। জোশীমঠের (Joshimath) এই পরিস্থিতির রেশ কাটতে না কাটতেই হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলের বেশ কিছু শহরে এবং পর্যটন কেন্দ্রে ফাটল দেখা দিচ্ছে বলে কিছু সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গেছে।

    কোথায় কোথায় দেখা দিল ফাটল

     জোশীমঠের (Joshimath)  ফাটলের সঙ্গেই পার্শ্ববর্তী কর্ণপ্রয়াগের বহুগুণা নগরের ফাটলের ঘটনা সামনে আসে। হিমালয়ের কোলে অবস্থিত এই সমস্ত শহরগুলিতে শুধুমাত্র ভ্রমণপ্রিয় মানুষদেরই ভিড় দেখা যায় এমন নয়, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অসংখ্য তীর্থস্থান রয়েছে হিমালয়ের পার্বত্য উপত্যকায়, যেখানে সারাদেশ তথা বিশ্বের পুণ্যার্থীরা ভিড় করে সারা বছর ধরেই।
    ভ্রমণপ্রিয় বাঙালি যেভাবে পুরী, ভাইজ্যাগ, গোয়া ঘুরতে যায় একইভাবে বারাণসী, হরিদ্বার, ঋষিকেশ, গঙ্গোত্রী, বদ্রীনাথ, কেদারনাথ প্রভৃতি তীর্থস্থানগুলিতেও সারাবছর ধরে যাওয়া আসা চলতে থাকে বাঙালির।
    পার্বত্য অঞ্চলের এই সমস্ত স্থানগুলো যেমন কর্ণপ্রয়াগ, উত্তরকাশী, মুসৌরির মতো শহরে শীতের সময় তাপমাত্রা শুন্যের কাছাকাছি নেমে যায় আবার কোথাও কোথাও বরফপাত দেখতে শীতেও ভিড় জমায় বাঙালি। বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা যাচ্ছে যে নৈনিতালের এবং মুসৌরীর বেশ কিছু বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে, সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন। নৈনিতালে ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। শহরগুলোতে ব্যাপকভাবে নির্মাণ কাজ এখনও চলছে এবং শহরের উপর জনসংখ্যার চাপ ক্রমশ বেড়েই চলেছে। মাটির ধারণক্ষমতা যাচাই না করে ভারী নির্মাণ কাজ চালালে এমন ভূমি ধসের ঘটনা ঘটবে বলে ইতিমধ্যে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

    তেহারি গাড়ওয়াল, মুসৌরির ল্যান্ডৌর বাজার, নৈনিতালের লোয়ার মল রোড, রুদ্রপ্রয়াগের অগস্ত্যমুনি ব্লকের ঢালীমঠ বস্তি এবং গুপ্তকাশী শহরের মাটিতে ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে। সেখানকার বেশকিছু বাড়িঘর, দোকানপাটে ফাটল দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তাঁরা ভাবছেন যে এই সমস্ত জায়গাগুলির পরিণতি জোশীমঠের মতো হবে কিনা। প্রসঙ্গত, শিখদের অন্যতম তীর্থক্ষেত্র হেমকুণ্ড সাহিব রয়েছে উত্তরাখণ্ডে। যা যেতে হয় জোশীমঠের (Joshimath) পথ ধরে। এই পরিস্থিতিতে সেই তীর্থক্ষেত্রে যাওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  •  Banjara Mahakumbh: মহারাষ্ট্রে বানজারা মহাকুম্ভে ১০ লক্ষের সমাবেশ হবে: আরএসএস

     Banjara Mahakumbh: মহারাষ্ট্রে বানজারা মহাকুম্ভে ১০ লক্ষের সমাবেশ হবে: আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিশনারিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, হিন্দু সমাজের বিভিন্ন পিছিয়ে পড়া উপজাতিদের তারা ধর্মান্তরিত করে অর্থের বিনিময়ে, পশ্চিমবঙ্গের জনজাতি হোক অথবা মহারাষ্ট্রের যাযাবর জাতি বানজারা, সবক্ষেত্রেই মিশনারিদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ অনেক পুরনো। 
    এবার ওই বানজারা অধ্যুষিত মহারাষ্ট্রের জলগাঁও জেলায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের উদ্যোগে  আজ থেকে শুরু হল ‘বানজারা মহাকুম্ভ’  (Banjara Mahakumbh)।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় অংশ নিতে চায় ৩৮ লক্ষ শিক্ষার্থী!

    কতদিন ধরে চলবে এই মহাকুম্ভ (Banjara Mahakumbh)

     আরএসএস সূত্রে জানা গেছে ৬ দিন ধরে চলবে এই সম্মেলন। আনুমানিক ১০ লক্ষ লোকের সমাগম হবে বলে আশাবাদী আরএসএস। আরএসএস সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, সর কার্যবাহ  সুরেশ ভাইয়াজি যোশি, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে এবং উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

    আরও পড়ুন: মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্রের জের, কংগ্রেস ছাড়লেন এ কে অ্যান্টনির ছেলে  

    আয়োজকরা কী বলছেন

    এই মহাকুম্ভের স্থানীয় আয়োজকদের মতে, মিশনারিরা বানজারা সমাজকে লক্ষ্য বস্তু বানিয়েছে এবং ব্যাপকভাবে ধর্মান্তরিত করছে। এগুলো বন্ধ হওয়া দরকার। ১০ লক্ষেরও বেশি যাযাবর শ্রেণির মানুষ এই মহাকুম্ভে অংশ নেবেন বলে আমরা মনে করছি। শুধুমাত্র মহারাষ্ট্র নয় তার সঙ্গে গোয়ার একটা বিস্তীর্ণ অংশের যাযাবর শ্রেণির মানুষ এই মহাকুম্ভে যোগ দেবেন।

    আয়োজকদের অভিযোগ, মিশনারিরা বানজারা সমাজকে নানাভাবে বিভ্রান্ত করছে। ধর্মান্তরিত করছে, তাঁদের ইতিহাস, সংস্কৃতি, ধর্ম এবং ঐতিহ্য সম্পর্কে মিথ্যা প্রচার করছে। একথা ভুললে চলবেনা বানজারা শ্রেণি হিন্দু সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ।  

    জানা যাচ্ছে, বানজারা সমাজের তরুণরা এবং  প্রায় ৩০০০ হাজারের বেশি স্বয়ংসেবক এই মহাকুম্ভ  (Banjara Mahakumbh) আয়োজন করার কাজে দুমাস ধরে কাজ করেছেন। প্রসঙ্গত, জলগাঁও জেলার গোদরি গ্রামের প্রায় ৫০০ একরের মাঠে অনুষ্ঠিত হবে এই মহাকুম্ভ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

        
       

  • China Plus One: চায়না প্লাস ওয়ান নীতির সুবিধা পাচ্ছে ভারত! জানেন কী এই নীতি?

    China Plus One: চায়না প্লাস ওয়ান নীতির সুবিধা পাচ্ছে ভারত! জানেন কী এই নীতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপে পড়ে চিন থেকে কারখানা সরিয়ে নিচ্ছে বহু সংস্থা। এসব কোম্পানির বিনিয়োগ টানতে সমর্থ হচ্ছে ভারত। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ভারত এবং ভিয়েতনামকে বেছে নিচ্ছে প্রায় ৩৩ শতাংশ কোম্পানি। রফতানি বৃদ্ধিতে এগিয়ে আছে দেশ। বিশ্ব অর্থনীতিতে চায়না প্লাস ওয়ান নীতির সুবিধা ভোগ করছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিশ্ব বাজারে চায়না প্লাস ওয়ান হওয়ার দৌড়ে ক্রমাগত এগিয়েও চলেছে  ভারত। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সুফল পাচ্ছে দেশ।

    বিকল্প ভারত

     সম্প্রতি ভারত বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হিসেবে চিনকে অতিক্রম করেছে।  “ভারত বিশাল পরিবর্তনের সামনে” তা বলেছেন ইনফোসিস কর্তা নন্দন নিলেকানি। তাঁর দাবি, ভারত দ্রুত হাজার হাজার স্টার্টআপ, কয়েক বিলিয়ন স্মার্টফোন এবং ডেটা রেটকে তুলে ধরতে পারে। সাপ্লাই-চেইন বিশ্লেষকরা বলছেন, “চিন-প্লাস-ওয়ান” নীতির জন্য বিভিন্ন সংস্থা চিনের পরিবর্তে ভারতে বিনিয়োগ করতে চাইছে। অনেক দেশ এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথাও বলেছেন। বৈশ্বিক অর্থনীতিতে খুব শীঘ্রই বড় বাজি ধরবে ভারত, এমনই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মর্গ্যান স্ট্যানলি ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে ভারত এই দশকে বিশ্ব সম্প্রসারণের পঞ্চমাংশ চালাবে। ভারত বার্ষিক উৎপাদন বৃদ্ধিতে $400 বিলিয়নেরও বেশি উপার্জন করতে পারে। দেখা গিয়েছে, ভারতের সেনসেক্স সূচক গত ত্রৈমাসিকে এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ।

    আরও পড়ুুন: নেতাজিই আদর্শ! তাঁর দেখানো পথেই এগিয়ে চলার বার্তা দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    শুরুটা করেছিল আমেরিকা। ২০১৮ সালের ২২ জানুয়ারি ৩৪০ কোটি ডলারের চিনা পণ্যে শুল্কারোপ করে ওয়াশিংটন। এরপর থেকেই বাড়তি শুল্কবোঝা এড়াতে চিন থেকে কারখানা সরিয়ে নিচ্ছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। সবচেয়ে বেশি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করেছে ভিয়েতনামে। তারপর রয়েছে ভারত, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, মেক্সিকো। ভারতের উন্নয়নের প্রচেষ্টায় আস্থা রেখে এর আগে ২০১৮ সালেই দেশটিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক কারখানা খোলে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি। এখন ভারতে আইফোন-১৪ উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে অ্যাপল ইনকর্পোরেশন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Solar Power: এবার কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করবে সোলার প্লান্ট, জানুন বিস্তারিত

    Solar Power: এবার কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করবে সোলার প্লান্ট, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎকর্ষ ইন্ডিয়া লিমিটেড একটি বিশ্বমানের সংস্থা। পরিকাঠামোর সরঞ্জাম হোক, কৃষির বিভিন্ন সরঞ্জাম অথবা বাড়িতে জলের পাইপ লাইনের বসানোর সরঞ্জাম এসব কিছু সরবরাহের ব্যবসায় উৎকর্ষ ইন্ডিয়া লিমিটেডের জুড়ি মেলা ভার। এবার এই সংস্থা এক মেগাওয়াট শক্তি উৎপাদনের জন্য একটি সৌরশক্তি (Solar Power) প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে।

    কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অর্থ নয়ছয়! মামলায় রাজ্যের অর্থসচিবকে জুড়তে বলল হাইকোর্ট

    এই সৌর প্রকল্পের  (Solar Power) কোথায় হচ্ছে

     সংস্থা সূত্রে জানা যাচ্ছে যে এই সৌরশক্তি  (Solar Power) প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গের হুগলিতে শুরু হবে এবং ১৮২৪ টি সৌর প্যানেল পুরো এলাকাতে থাকবে। সমগ্র সৌর প্যানেলটি (Solar Power) বছরে ১২৫০ টন কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করতে পারবে বলে জানা যাচ্ছে। একটি পরিসংখ্যান বলছে এই পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইডকে শোষণ করাতে ৩৮,৭৫০ থেকে ৫৭,৫০০ বৃক্ষ রোপণ করতে হয় অর্থাৎ এই অর্ধেক লক্ষ গাছের কাজ করবে এই সৌর প্যানেল এবং কার্বন ডাই অক্সাইডকে শোষণ করে পরিবেশে অক্সিজেনের মাত্রাকে বাড়াবে। এই সৌর প্লান্টটি  (Solar Power) প্রতিবছর ১২.৫ লক্ষ ইউনিট শক্তি উৎপাদন করবে বলেও জানা যাচ্ছে। বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা কমাতেই এই ব্যবস্থা বলে জানিয়েছে সংস্থা।
    এ প্রসঙ্গে উৎকর্ষ ইন্ডিয়া লিমিটেডের ডিরেক্টর বলেন, এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ যে সৌরশক্তিকে  (Solar Power) আমরা এভাবে ব্যবহার করতে পারছি। এরপরে আরও এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য আমাদের রয়েছে এবং সৌরশক্তিকে  (Solar Power) আরও বিভিন্নভাবে পরিবেশগত দিক থেকে এবং মানুষের কী কী কাজে লাগানো যায় তা আমরা ভাবছি। পৃথিবীতে এখন কার্বন ডাই অক্সাইডের ব্যাপকবৃদ্ধির ফলে নানারকম জলবায়ুগত এবং পরিবেশগত সমস্যা দেখা দিয়েছে। এরফলে বিশ্বউষ্ণায়ন বাড়ছে, মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাচ্ছে। এখান থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতেই হবে এবং পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Maoism: মোদি সরকারের আমলে মাওবাদ মোকাবিলায় মিলেছে ব্যাপক সাফল্য, বলছে রিপোর্ট

    Maoism: মোদি সরকারের আমলে মাওবাদ মোকাবিলায় মিলেছে ব্যাপক সাফল্য, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের আমলে দেশে মাওবাদী (Maoism) সমস্যার অনেকটাই সমাধান হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে যে পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হচ্ছে যে গত ১০ বছরে মাওবাদী হিংসা ৫৫ শতাংশ কমেছে এবং মাওবাদীদের (Maoism) হাতে সাধারণ মানুষের হত্যা ৬৩ শতাংশ কমেছে। পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে ২০১৩ সালে ১০টি রাজ্যের ৭৬টি জেলার ৩৩০ টি থানাতে মাওবাদীদের প্রভাব ছিল এবং ২০২১ সালে দেখা যাচ্ছে যে মাওবাদীদের (Maoism) প্রভাব  রয়েছে ৮টি রাজ্যের ৪৬টি জেলায় এবং ১৯১টি থানাতে।

    তিন দশকের মাওবাদী (Maoism) ঘাঁটিগুলি আজ ধ্বংসের মুখে

    ছত্তিশগড় এবং ঝাড়খণ্ডের সীমান্ত এলাকা মাওবাদীদের (Maoism) শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল বিগত তিন দশক ধরে। এই অঞ্চলকে বুধা পাহাদ বলা হয়। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে মাওবাদীদের (Maoism) বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স পলিসি প্রয়োগ করেছে এখানে এবং তাতেই মিলেছে এই সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে। বিহার এবং ছত্তিশগড়ের সীমান্তবর্তী জঙ্গল এলাকাগুলিতে মাওবাদীরা মাটির নিচে মাইল পুঁতে রাখত যার ফলে সেনাবাহিনীর সেখানে প্রবেশ করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ছিল, ঠিক এই পদ্ধতিই তারা দণ্ডকারণ্যে প্রয়োগ করছে এখনও। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া পদক্ষেপের কারণে দণ্ডকারণ্য ধীরে ধীরে মাওবাদীদের প্রভাব মুক্ত হচ্ছে।

    ২০০৪ সাল থেকে নতুন ভাবে পথচলা শুরু করেছিল মাওবাদীরা (Maoism)

    ২০০৪ সাল পিপলস ওয়ার গ্রুপ এবং মাওয়িস্ট কমিউনিস্ট সেন্টার অফ ইন্ডিয়া (এমসিসিআই) এই দুটো সংগঠন এক হয়ে যায়। তৈরি হয় নতুন সংগঠন কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া (মাওয়িস্ট)। এই সময়ে তারা ভারতের খনিজ সম্পদে পরিপূর্ণ এলাকাগুলিতে একটি রেড করিডর তৈরি করার কথা চিন্তাভাবনা করে। রিপোর্ট অনুযায়ী তৎকালীন ৬৪০ টি জেলার মধ্যে এক তৃতীয়াংশ জেলাই মাওবাদীদের (Maoism) প্রভাবে চলে যায়।

    বেশিরভাগ মাওবাদী (Maoism) নেতা গ্রেফতার হয়েছে গত ১০ বছরে

    গত ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে ঝাড়খন্ড পুলিশ গ্রেপ্তার করে কিশান দা ওরফে প্রশান্ত বোস নামের মাওবাদী (Maoism) নেতাকে যার মাথার দাম ছিল ১ কোটি টাকা। ইতিমধ্যে মাওবাদীদের (Maoism) অনেক নেতাকে দেশের সেনাবাহিনী এবং পুলিশ ফোর্স গত এক দশকে গ্রেফতার করেছে অথবা এনকাউন্টারে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বর্তমানে ২৪ জন রয়েছেন। জানা যাচ্ছে এরমধ্যে ১৫ জনেরই বয়স ৬০ পেরিয়েছে। সারাদেশে ইতিমধ্যে মাওবাদীদের ১০,০০০ ক্যাডারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পরিসংখ্যান বলছে। জানা যাচ্ছে এই মুহূর্তে মাওবাদীরা (Maoism) নিজেদের ক্যাডার নিয়োগ করতে পারছে না কারণ তাদেরকে চারিদিক থেকে অবরুদ্ধ করতে পেরেছে কেন্দ্রীয় সরকার। অস্ত্রশস্ত্র জোগাড় করা মাওবাদীদের কাছে একটি চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। জানা যাচ্ছে কিছু পরিমাণে যুদ্ধ সরঞ্জাম এবং অস্ত্রপাতি তারা আনছে পাঞ্জাব থেকে। খালিস্তানি সমর্থকরা তাদের এই কাজে সাহায্য করছে বলে সূত্রের খবর। অস্ত্র আসছে মূলত ড্রোন এবং পাকিস্তানের আইএসআইয়ের মাধ্যমে।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন ২০১৪ থেকে মাওবাদী (Maoism) সমস্যা ধীরে ধীরে সমাধান হতে থাকে তার কারণ মোদি সরকারে উন্নয়ন। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা মাওবাদী প্রভাবযুক্ত অঞ্চলগুলিতে ব্যাপকভাবে পৌঁছাতে পেরেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই কারনে ওই অঞ্চলগুলির তরুণ সমাজ মাওবাদের পথকে বেছে নেয়নি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Narendra Modi: বিবিসির একপেশে ডকুমেন্টারি বিতর্কের মাঝে, ঐক্যের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    Narendra Modi: বিবিসির একপেশে ডকুমেন্টারি বিতর্কের মাঝে, ঐক্যের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার দিল্লি ক্যান্টনমেন্টের ক্যারিয়াপ্পা গ্রাউন্ডে ছিল ন্যাশনাল ক্যাডেট কর্পসের (এনসিসি) সমাবেশ , এখানেই বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এদিনের বক্তব্যে তিনি বলেন,  “দেশে বিভেদের বীজ বপন এবং বিভাজন তৈরির  প্রচেষ্টা করছে এক শ্রেণির মানুষ। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, তবে এটাও জানা দরকার তাদের এই অশুভ প্রয়াস কখনই সফল হবে না। ঐক্যের মন্ত্রেই আমাদের দেশ বিশ্বাস রাখে। ভারতের জনগণের মধ্যে কখনও বিভেদ হবে না, হতে পারেনা”।

    আরও পড়ুন: “বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে সমস্ত ব্রিটিশ এবং মুঘল নাম মুছে দেব”, বললেন শুভেন্দু

    বিবিসির বিতর্কিত ডকুমেন্টারির মাঝেই প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য

    প্রসঙ্গত, ২০০২ সালের গুজরাট হিংসার পরিপ্রেক্ষিতে বিবিসি একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করেছে। ইতিমধ্যে এই ডকুমেন্টারি নিয়ে সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে। অভিযোগ একপেশে এই ডকুমেন্টারি প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তিকে নষ্ট করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বানানো হয়েছে। এমন আবহাওয়াতে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

    আরও পড়ুন: সনাতন ধর্মই ভারতের রাষ্ট্রীয় ধর্ম, সাফ জানালেন যোগী আদিত্যনাথ 

    প্রধানমন্ত্রী এদিন আরও বলেন, “দেশের তরুণদের জন্যই সারা বিশ্ব আজ ভারতের দিকে তাকিয়ে আছে। কেন্দ্রীয় সরকার ডিজিটাল, স্টার্ট-আপ ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকল্প শুরু করেছে যা দেশের তরুণ সমাজের উপকার করছে”।

    সশস্ত্র বাহিনীতে নারীদের সংখ্যা বাড়ছে বলে এদিন  জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “পুলিশ এবং আধাসামরিক বাহিনীতে গত আট বছরে নারীর সংখ্যা আগের থেকে দ্বিগুণ । তিনটি সশস্ত্র সেনাবাহিনীতেই উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে নারীদের সংখ্যা। নারীরা এখন নৌবাহিনীতে নাবিক হিসেবেও নিয়োগ পাচ্ছেন এবং যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ণ হওয়ার জন্য তাঁরা প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন, পুনের ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমিতে মহিলা ক্যাডেটদের প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে”।

    আরও পড়ুন: ভারত-চিন যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে রাহুলকে একহাত নিলেন জয়শঙ্কর, কী বললেন বিদেশমন্ত্রী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Ramcharitmanas: সমাজবাদী পার্টি নেতার মুণ্ডচ্ছেদ করার ফতোয়া জারি, কে দিলেন এই ফতোয়া

    Ramcharitmanas: সমাজবাদী পার্টি নেতার মুণ্ডচ্ছেদ করার ফতোয়া জারি, কে দিলেন এই ফতোয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজবাদী পার্টির নেতা স্বামীপ্রসাদ মৌর্যের মুণ্ডচ্ছেদ যে করতে পারবে তাকে ২১ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে, এমনই ফতোয়া জারি করলেন অযোধ্যার এক পুরোহিত। জানা যাচ্ছে সমাজবাদী পার্টির নেতা স্বামী প্রসাদ মৌর্য সম্পর্কে অভিযোগ উঠেছে যে তুলসীদাস রচিত রামচরিত মানসকে (Ramcharitmanas) তিনি অবমাননা করেছেন এবং এতে সমাজের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। সমাজবাদী পার্টির নেতার, ২১ লক্ষ টাকার মাথার দাম ঘোষণা করেছেন অযোধ্যার হনুমান গড়ি মন্দিরের মহন্ত রাজু দাস।

    এর আগেও ফতোয়া জারি হয়েছে স্বামী প্রসাদ মৌর্যের বিরুদ্ধে

    তবে সমাজবাদী পার্টির নেতার বিরুদ্ধে এই ফতোয়া নতুন কিছু নয় এর আগেও পরমহংস দাস নামে অপর এক পুরোহিত বলেছিলেন যে সমাজবাদী পার্টির এই নেতার জিভ কেটে আনলে পাওয়া যাবে ৫০০ টাকা।

    সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের এই প্রাক্তন মন্ত্রী এবং সমাজবাদী পার্টির নেতা রামচরিত মানস সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। রামচরিত মানসের (Ramcharitmanas) বিভিন্ন শ্লোক সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে।
     

    কী বললেন মহন্ত পরমহংস দাস

    জিভ কেটে নেওয়ার ফতোয়া জারি করেছিলেন পরমহংস দাস, তিনি স্বামী প্রসাদ মৌর্যের পাশাপাশি সমালোচনা করেছেন সমাজবাদী পার্টিরও। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন “রামচরিত মানস (Ramcharitmanas) সম্পর্কে এমন অপমানজনক মন্তব্যের পরেও সমাজবাদী পার্টি কোন ব্যবস্থা স্বামী প্রসাদ মৌর্যের বিরুদ্ধে নেয়নি উল্টে তাকে পার্টির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও দিয়েছে। এটা লজ্জাজনক এবং দুর্ভাগ্যজনক”।

    স্বামী প্রসাদ মৌর্য কী বললেন

    কিন্তু যাঁর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ সেই স্বামী প্রসাদ মৌর্য কী বলছেন? তিনি বলেন  “আমার বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র চলছে তার মোকাবিলা আমি করে যাব, দলিতদের, বিভিন্ন উপজাতিদের এবং পিছিয়ে পড়া সমাজকে ধর্মের নামে দীর্ঘদিন ধরে শোষণ করা যাবে না। হাতি চলে বাজার তো কুত্তে ভোকে হাজার, কুকুরের জন্য হাতি কখনও তার রাস্তা বদল করে না আমিও একই ভাবে দলিতদের জন্য তাদের মর্যাদার জন্য লড়াই করব এবং আমার পথ কখনও বদলাবো না”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Hindu: ভারতে জন্মগ্রহনকারী প্রত্যেকেই হিন্দু: কেরলের রাজ্যপাল

    Hindu: ভারতে জন্মগ্রহনকারী প্রত্যেকেই হিন্দু: কেরলের রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান শনিবার বলেন যে ভারতে যাঁরা জন্মগ্রহণ করেছে তাঁরা প্রত্যেকেই হিন্দু (Hindu)। এবং তিনি নিজেও তাই। এদিন উত্তর আমেরিকায় বসবাসকারী কেরলের হিন্দুরা একটি হিন্দু (Hindu) সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন, তিরুবনন্তপুরমে এই সম্মেলনের  উদ্বোধনী ভাষণে একথা বলতে শোনা যায় রাজ্যপালকে।

    স্যার সৈয়দ আহমেদ খানের প্রসঙ্গও টেনে আনেন রাজ্যপাল

    আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা স্যার সৈয়দ আহমেদ খানের নামও এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করেন কেরলের রাজ্যপাল। তিনি বলেন, সৈয়দ আহমেদ খানও নিজেকে হিন্দু (Hindu) বলতেন। শুধু তাই নয় আর্যসমাজের সদস্যদের তিনি (স্যার সৈয়দ আহমেদ খান) বলতেন, “আপনারা আমাকে হিন্দু (Hindu) বলেন না কেন? এদেশের জল এবং খাবারে যারা পুষ্ট তারা সবাই হিন্দু। হিন্দু (Hindu) হল ভৌগোলিক শব্দ। তাই আপনারা আমাকে অবশ্যই হিন্দু বলবেন”।

    প্রসঙ্গত, কেরালা হিন্দুস (Hindu) অফ নর্থ আমেরিকা (KHNA) এই সম্মেলনের আয়োজন করেছিল। সম্মেলনের সমাপ্ত ভাষণ দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভি মুরালীধরন। তিনি বলেন, সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী সমস্ত মানুষদের এক ছাদের তলায় একত্রিত হওয়ার সময় এসেছে এবার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Lachit Barphukan: প্রজাতন্ত্র দিবসে অসমের ট্যাবলোতে লাচিত বরফুকন, জানেন কে ছিলেন তিনি?

    Lachit Barphukan: প্রজাতন্ত্র দিবসে অসমের ট্যাবলোতে লাচিত বরফুকন, জানেন কে ছিলেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে লাচিত বরফুকনের (Lachit Barphukan) বিভিন্ন কার্যকলাপের ট্যাবলো দেখা গেল। গত বছরে লাচিত বরফুকনের (Lachit Barphukan) ৪০০ তম জন্মদিনে নতুন দিল্লিতে একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। যেগুলিতে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হাজির ছিলেন।
    অসমের এই ট্যাবলোতে দেখা যাচ্ছে ১৬৭১ সালের বিখ্যাত সরাইঘাটের যুদ্ধের বিভিন্ন থিম। যেখানে লাচিত বরফুকনকে (Lachit Barphukan) দেখা যাচ্ছে তাঁর সেনাবাহিনীকে নেতৃত্ব দিতে। একটি নৌকার উপরে চড়ে আছেন তিনি, সঙ্গে রয়েছে তাঁর বাহিনী। অসমের ট্যাবলোতে এবার অবশ্য কামাখ্যা মন্দিরও উছে এসেছে।

    আরও পড়ুন: কালনাতে ব্যাপক জনপ্রিয় সরস্বতী পুজো, এবছর কোন ক্লাব কী থিম করল জানেন?

    আসামের কালচারাল অ্যাফেয়ার্স এর ডিরেক্টর মীনাক্ষী দাস নাথ বলেন এই ট্যাবলোতে কামাখ্যা মন্দিরকেও রেখেছি  আমরা। কামাখ্যা মন্দির হল নারী শক্তির অন্যতম প্রতীক।

    কে ছিলেন লাচিত বরফুকন (Lachit Barphukan)

    আহোম সাম্রাজ্যের সাহসী ও পরাক্রমী সেনাপতি ছিলেন লাচিত বরফুকন
    । ১৬৭১ সালে সরাইঘাটের যুদ্ধে তিনি বিশাল মোঘল সেনাবাহিনীকে পরাজিত করে মোঘল সাম্রাজ্যকে চিরকালের জন্য অসম থেকে দূর করেছিলেন বলে জানা যায়। লাচিত বরফুকনের (Lachit Barphukan) বীরত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রতিবছর ২৪ নভেম্বর তারিখ অসমে লাচিত দিবস পালন করা হয়।

    শোনা যায়, সরাইঘাট যুদ্ধের সময় লাচিত বরফুকন (Lachit Barphukan) মোঘলদের বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আহোম সেনাদের একটি দেওয়াল নির্মাণ করার আদেশ দিয়েছিলেন। লাচিতের নিজের মামা এই দেওয়াল নির্মাণের দ্বায়িত্বে ছিলেন কিন্তু অলসতার কারণে পর্যাপ্ত সময়ের মধ্যে দেওয়াল নির্মাণের কাজ সমাপ্ত করতে পারেননি। এই অপরাধে লাচিত তাঁর নিজের মামার শিরশ্ছেদ করেন। বিভিন্ন ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়, মামার শিরশ্ছেদ করার সময় লাচিতের (Lachit Barphukan) উক্তি ছিল “দেশতকৈ মোমাই ডাঙর নহয়” যার বাংলা মানে জন্মভূমি থেকে মামার স্থান বড় নয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

  • Narendra Modi: কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে ভারত মিশরের মধ্যে

    Narendra Modi: কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে ভারত মিশরের মধ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবসের অতিথি হয়ে মিশরীয় প্রেসিডেন্ট ভারতবর্ষে এসেছেন। আজকে দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের মূল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মিশরীয় প্রেসিডেন্ট। মিশরীয় সেনাবাহিনীর ছোট্ট একটি দলও এদিন কুচকাওয়াজে অংশ নেবে বলে জানা গেছে। গতকালই মিশরীয় প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতি ভবনে স্বাগত জানিয়েছেন দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সমেত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অন্যান্য মন্ত্রীর।

    কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে দুই দেশের মধ্যে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মিশরীয় প্রেসিডেন্টের মধ্যে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা যাচ্ছে। 
    বিশেষজ্ঞরা বলছেন মিশর হল আফ্রিকা মহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ক্ষেত্র। শুধুমাত্র তাই নয় বিভিন্ন আরব দেশগুলির সঙ্গে মিশরের সম্পর্কও বেশ ভাল। দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে কূটনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    ২০১৫ সালে ইন্ডিয়া-আফ্রিকা সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছিল নয়া দিল্লিতে। তখন বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের রাষ্টপ্রধানের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল। 

     ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সম্প্রতি পরিসংখ্যান বলছে ভারত এবং মিশরের মধ্যে ব্যবসা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। ২০২১-২০২২ আর্থিক বছরে এই ব্যবসা দাঁড়িয়েছে ৭২০ কোটি, ২০২০-২০২১ আর্থিক বছরের থেকে ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
    মিশরের কাছে ভারতের আর্থিক বাজার হল একটা বড় ব্যবসার ক্ষেত্র। জানা যাচ্ছে যে মিশর যে সমস্ত দেশগুলিতে পণ্য রপ্তানি করে সেই দেশগুলির মধ্যে ভারতের স্থান তৃতীয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত মজবুত হবে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাও বাড়বে দ্বিপাক্ষিক এই আলোচনার ভিত্তিতে।
    মিশরের অন্যতম সুবিধা হল এর ভৌগোলিক অবস্থান। ঠিক এই দেশের পাশেই সুয়েজ ক্যানাল। পরিসংখ্যান বলছে যে পৃথিবীর মোট যা বাণিজ্যিক পণ্য তার ১২ শতাংশই সুয়েজ ক্যানেলের উপর দিয়ে যাতায়াত করে। সরলভাবে বললে ৭০ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা সুয়েজ ক্যানেল এর উপর দিয়ে হয় প্রতি বছর। যার মধ্যে ১০ শতাংশ হল তেল এবং ৮% হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। ভারতের বিভিন্ন রকমের রপ্তানি সুয়েজ ক্যানেলের উপর দিয়ে হয়। যেগুলি ইউরোপ মহাদেশের বাজারে বিক্রি করা হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন মিশরীয় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

     

    প্রতিরক্ষা

    আরব দেশগুলির মধ্যে মিশরীয় সেনাবাহিনী অত্যন্ত শক্তিশালী বলেই মনে করে বিশেষজ্ঞরা। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত মিশরের সম্পর্ক ১৯৬০ এর দশক থেকেই চলছে বলে জানা যাচ্ছে , সেসময় HA-300 aircraft তৈরি করতে দুই দেশের যৌথ প্রচেষ্টা ছিল।
    ভারতীয় দূতাবাস সূত্রে জানা যাচ্ছে যে মিশরে এই মুহূর্তে কর্মসূত্রে থাকেন ৩২০০ ভারতীয়। প্রযুক্তিও দুই দেশের আলোচনার অন্যতম বিষয়। তার মধ্যে বায়োটেকনোলজি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সি রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
LinkedIn
Share