Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • RSS: জানুয়ারিতে দেশের ৫ লাখ গ্রামে রামমন্দিরের ছবি নিয়ে জনসংযোগ করবে আরএসএস

    RSS: জানুয়ারিতে দেশের ৫ লাখ গ্রামে রামমন্দিরের ছবি নিয়ে জনসংযোগ করবে আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের জানুয়ারিতেই ভক্তদের জন্য খুলে যাচ্ছে রামমন্দিরের দরজা। ঠিক তার আগে ১ থেকে ১৫ জানুয়ারি দেশের গ্রামে গ্রামে নির্মিত রামমন্দিরের ছবি নিয়ে জনসংযোগ করবেন স্বয়ংসেবকরা। জানা গিয়েছে, দেশের প্রায় ৫ লাখ গ্রামে চলবে এই প্রচারাভিযান। গুজরাটের ভুজে মঙ্গলবার এই ঘোষণা করতে শোনা গেল সঙ্ঘ নেতা দত্তাত্রেয় হোসাবলেকে। প্রসঙ্গত, রবিবার ৫ নভেম্বর গুজরাটের ভুজে শুরু রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সর্বভারতীয় কার্যকারিণী বৈঠক ছিল। মঙ্গলবার শেষ হয় বৈঠক। এদিনই সাংবাদিক সম্মেলন করেন সঙ্ঘের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে এবং প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর। প্রসঙ্গত, আগেই সঙ্ঘের তরফে জানানো হয়েছিল গুজরাটের কার্যকারিণী বৈঠকের মূল অ্যাজেন্ডা হতে চলেছে রামমন্দির। এছাড়াও দত্তাত্রেয় হোসাবলের সাংবাদিক বৈঠকে আরও বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।

    বাড়ছে সঙ্ঘের কাজ, সারা দেশে শাখা রয়েছে ৯৫,৫২৮

    সঙ্ঘ নেতা (RSS) দত্তাত্রেয় হোসাবলে এদিন পরিসংখ্যান দিয়ে জানান, দেশে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে সঙ্ঘের কাজ। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সাংগঠনিক দৃষ্টিতে দেশে বর্তমানে ৫৯,০৬০ মণ্ডল রয়েছে, যার মধ্যে ৩৮ হাজার মণ্ডলে বর্তমানে সঙ্ঘের কাজ পৌঁছেছে বলে জানান দত্তাত্রেয়। ২০২৫ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ ১০০ বছরে পা দিচ্ছে, সেসময় দেশের প্রতিটি মণ্ডলে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান দত্তাত্রেয়। সারাদেশে বর্তমানে ৯৫,৫২৮টি শাখা চলছে বলে জানান সঙ্ঘের সরকার্যবাহ।

    সঙ্ঘের বর্তমান সদস্য কত? 

    দত্তাত্রেয় হোসবালে এদিন বলেন, ‘‘সঙ্ঘের কোনও সদস্যতা হয়না। শাখায় যাঁরা আসেন তাঁরাই স্বয়ংসেবক (RSS)। আবার বেশ কিছু সঙ্ঘের আয়াম রয়েছে সেগুলিও দেশজুড়ে সেবাকাজ চালিয়ে থাকে। তবে প্রতিবছর গুরু পূজনে স্বয়ংসেবকরা অংশগ্রহণ করে থাকেন। চলতি বছরে গুরুপূজনে অংশ নিয়েছেন ৩৭ লাখেরও বেশি স্বয়ংসেবক।’’

    প্রসঙ্গ হিন্দুরাষ্ট্র

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দত্তাত্রেয় হোসাবলে এদিন বলেন, ‘‘ভারত প্রথম থেকেই হিন্দুরাষ্ট্র। আলাদাভাবে ঘোষণার কোনও দরকার নেই। সংবিধান State-এর কথা বলে। অন্যদিকে রাষ্ট্র হল সাংস্কৃতিক ধারনা। দেশে যখন ব্রিটিশরাজ চলতো তখনও ভারত হিন্দুরাষ্ট্র ছিল।’’ বিশেষজ্ঞ মহল এক্ষেত্রে মান্যতা দিচ্ছেন দত্তাত্রেয়র মতকেই। কারণ রাষ্ট্রবিজ্ঞানে State হল Sovereign Authority, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। অন্যদিকে, ভারতের ক্ষেত্রে ‘রাষ্ট্র’ সাংস্কৃতিক ধারনা বলা যেতেই পারে। তাই ব্রিটিশ শাসনকে State বলেছেন দত্তাত্রেয় এবং ভারত হল রাষ্ট্র। State রাজনৈতিক ক্ষমতা, এরফলে ভারত রাষ্ট্রের হিন্দুত্ব বৈশিষ্ট্যের কোনও বদল হয়না।

    পরিবেশ রক্ষায় সঙ্ঘ, বদল হচ্ছে প্রশিক্ষণবর্গেও

    পরিবেশ রক্ষায় সঙ্ঘের (RSS) বিশেষ অভিযান চলছে বলে জানান দত্তাত্রেয়। তিনি বলেন, ‘‘রাজস্থানে ইতিমধ্যে স্বয়ংসেবকরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন। পরিবেশ যাত্রায় ১৪ হাজার কিমি পথ অতিক্রমও করেছেন রাজস্থানের স্বয়ংসেবকরা। কর্নাটকের সঙ্ঘ কার্যকর্তারা ১ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি নিয়েছেন।’’ এদিন পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করতেও নিষেধ করেন এই সঙ্ঘনেতা। অন্যদিকে, সঙ্ঘের প্রশিক্ষণ বর্গগুলিতে বিষয়বস্তুর বদল হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Narendra Modi: দেশীয় পণ্য কিনে, সেলফি তুলে ‘নমো অ্যাপে’ পাঠাতে সকলকে আবেদন মোদির

    PM Narendra Modi: দেশীয় পণ্য কিনে, সেলফি তুলে ‘নমো অ্যাপে’ পাঠাতে সকলকে আবেদন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির আগে দেশীয় পণ্য সামগ্রী কিনে তার সঙ্গে ভিডিও এবং সেলফি তুলে ‘ভোকাল ফর লোকাল’ হ্যাশট্যাগ দিয়ে ‘নমো অ্যাপে’ পোস্ট করতে দেশবাসীকে আবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। বিশ্ব মহামারি করোনার সময় পর্ব থেকে স্থানীয় পণ্যদ্রব্য ব্যবহারের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন মোদি। সেই সময় থেকেই তাঁর শ্লোগান ছিল ‘আত্মনির্ভর ভারত’। স্থানীয় উৎপাদিত সামগ্রীর উপর বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিয়ে ‘ভোকাল ফর লোকালে’র ডাক দিয়েছিলেন তিনি। সরকারের নানাবিধ পরিকল্পনায় বিশেষ করে ‘মন কী বাত’ অনুষ্ঠানেও এই অভিযানের কথা বলেছিলেন তিনি।

    ভিডিও পোস্ট করলেন মোদি (PM Narendra Modi)?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) নিজের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করে দীপাবলি উৎসবে আঞ্চালিক পণ্যের উপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন। কেবল স্থানীয় পণ্য কেনা নয়, সেই সঙ্গে পণ্য বা দোকানদারের সঙ্গে মোবাইলে ভিডিও এবং সেলফি তুলে শেয়ার করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    ভিডিওতে কী দেখানো হয়েছে?

    মোদির পোস্ট (PM Narendra Modi) করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, টিভি সিরিয়লে খ্যাত অভিনেত্রী রূপালি গঙ্গোপাধ্যায় দীপাবলি উৎসবে লোকাল ফর ভোকাল বিষয়কে তুলে ধরতে আবেদন করছেন। এই উৎসবের সময়ে নিজের ঘরকে বর্ণাঢ্য সাজের জন্য ব্যবহার করার পণ্য বা নিজের জামা, কাপড়, জুতো ইত্যাদি বিষয়ে সেলফি তুলে হ্যাশট্যাগ দিয়ে লোকাল ফর ভোকালের কথা বলেন। ব্যবহার করা পণ্যের নাম, বিক্রেতার নাম এবং দোকানের নাম দিয়ে ‘নমো অ্যাপে’ পোস্ট করার আবেদন করেন রূপালি।

    ডিজিটাল ইন্ডিয়ার বার্তা

    কেন্দ্রের মোদি সরকার (PM Narendra Modi) দেশবাসীকে বারবার যেমন আত্মনির্ভর ভারতের গড়ে তোলার জন্য লোকাল ফর ভোকালের কথা বলেছে, আবার সেই সঙ্গে ডিজিটাল লেনদেনের কথাও বলা হয়। মোদি দেশের অর্থনীতি এবং উৎপাদিত সামগ্রীকে বিক্রির জন্য বিশেষ ভাবে নজর দিয়েছেন। আঞ্চলিক উৎপাদনকে ডিজিটাল মাধ্যমে গ্রাম-জেলা-রাজ্য-দেশ-বিশ্ব পরিসরে এক আন্তর্জাতিক বাজারের কেন্দ্র গড়ে তুলতে আহ্বান করেছেন তিনি। আর তাই সামজিক মাধ্যমে স্থানীয় পণ্য উৎপাদন এবং ব্যবহারের কথা প্রচার ও প্রসার করেছেন বলে মনে করেছেন অনেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: পুলিশের কনভয়ে জঙ্গি হামলা! মণিপুরে রুদ্ধশ্বাস অভিযান অসম রাইফেলসের

    Manipur Violence: পুলিশের কনভয়ে জঙ্গি হামলা! মণিপুরে রুদ্ধশ্বাস অভিযান অসম রাইফেলসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুর পুলিশের কমান্ডোদের একটি দলকে রক্ষা করতে এগিয়ে এল অসম রাইফেলসের জওয়ানরা। ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। দাবি করা হচ্ছে,ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩১ অক্টোবর। মণিপুর পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিককে জঙ্গিরা গুলি করে হত্যা করার পর থেকে তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল রাজ্য পুলিশের কমান্ডো বাহিনী। ওই দলটি ইম্ফল থেকে ১১৫ কিলোমিটার দূরে ভারত-মায়ানমার সীমান্তে টহল দিচ্ছিল। সেই সময় হাইওয়ের উপর কমান্ডো বাহিনীর কনভয়কে লক্ষ্য করে পাহাড়ের উপর থেকে আচমকাই হামলা চালায় জঙ্গিরা। 

    কী ঘটেছিল

    জানা গিয়েছে, মণিপুরের রাজধানী ইম্ফল থেকে ভারত-মায়ানমার সীমান্তবর্তী শহর মোরেহের দিকে যাচ্ছিল পুলিশের একটি কনভয়। টেংনোপাল থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরের সাইবোলের কাছে হঠাৎ পুলিশের কনভয়ের উপর অতর্কিত হামলা চালায় জঙ্গিরা। গুলিবর্ষণ করতে থাকে তারা। পুলিশের কনভয়ের উপর জঙ্গিদের হামলার খবর পান অসম রাইফেলসের জওয়ানরা। সঙ্গে সঙ্গে জওয়ানদের একটি দল ছুটে যায় ঘটনাস্থলে। জঙ্গিদের পালটা জবাব দেয় তারা। পুলিশের দলটিকে অতর্কিত হামলার হালার হাত থেকে রক্ষা করলেও, বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী গুরুতর জখম হন। তাদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে চিকিৎসার জন্য।

    কী বলছে পুলিশ

    পুলিশ সূত্রে খবর, কয়েকদিন আগে নতুন করে মণিপুরের হিংসায় এক পুলিশ অফিসারের মৃ্ত্যু হয়েছিল। এরপর নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য মনিপুর সরকার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছিল। সাইবোলের কাছে হেলিপ্যাডের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্যই পাঠানো হচ্ছিল মণিপুর পুলিশের একটি বিশেষ দলকে। জঙ্গিরা পাহাড়ের উপরে থাকায় বেশি সুবিধা পাচ্ছিল। কমান্ডোদের সব গতিবিধি নজর রেখে তাঁদের উপর হামলা চালাচ্ছিল। সেই সময় ওই হাইওয়েতেই টহল দিচ্ছিল অসম রাইফেলসের মাইন প্রতিরোধী গাড়ি। কমান্ডোদের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াইয়ে বিষয়টি চোখে পড়তেই অসম রাইফেলসের জওয়ানরা তাঁদের ‘কভার’ করতে এগিয়ে যান। মাইন প্রতিরোধী গাড়ি থেকে জঙ্গিদের লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি চালাতে থাকেন তাঁরা। আর সেই সুযোগেই একের পর এক কমান্ডোদের উদ্ধার করেন তাঁরা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi Pollution: কৃত্রিম মেঘ থেকে বৃষ্টি! দিল্লির দূষণ নিয়ন্ত্রণে অভিনব পরিকল্পনা কানপুর আইআইটির

    Delhi Pollution: কৃত্রিম মেঘ থেকে বৃষ্টি! দিল্লির দূষণ নিয়ন্ত্রণে অভিনব পরিকল্পনা কানপুর আইআইটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি সহ গোটা এনসিআরের দূষণ ঠেকাতে কৃত্রিম মেঘ থেকে বৃষ্টি (Artificial Rain) নামানোর পরিকল্পনা চলছে বলে জানা গিয়েছে। কৃত্রিম বৃষ্টি নামানোর এই প্রস্তুতির পিছনে বিশেষ ভাবনা রয়েছে কানপুর আইআইটির। গত পাঁচ বছর ধরে গবেষণা করে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। দূষণরোধে এই ভাবনা অত্যন্ত অভিনব। গবেষক মহল এই ভাবনায় যথেষ্টই আশাবাদী।

    কী বলেছে কানপুর আইআইটি (Artificial Rain)?

    কৃত্রিম বৃষ্টির (Artificial Rain) বিষয়ে কানপুর আইআইটির গবেষকরা জানিয়েছেন, “কৃত্রিম বৃষ্টির জন্য দরকার পর্যাপ্ত আর্দ্রতা এবং বাতাসে মেঘের উপস্থিতি। সাময়িক মেঘ তৈরি করে শীতের আগের মাসগুলিতে বৃষ্টিপাত করানো যায় কিনা, সেই বিষয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। এই কাজের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসপিজির অনুমতি নিতে হবে।” উল্লেখ্য গত সেপ্টেম্বর মাসেই কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী গোপাল রাই দিল্লির বায়ুদূষণ মোকাবিলায় শীতকালে কৃত্রিম বৃষ্টিপাতের কথা বলেছিলেন। আর তাই শহর জুড়ে কৃত্রিম বৃষ্টির কথা ভাবা হচ্ছে। কানপুর আইআইটির অধ্যাপক মণীন্দ্র আগারওয়াল জানিয়েছেন, ‘দূষণ রোধে এই কৃত্রিম বৃষ্টি বেশ কার্যকর হবে।’

    কেন এই ভাবনা?

    দিল্লির বায়ূদূষণ আরও মারাত্মক আকার নিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে যানবাহন চলাচলের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে জোড়-বিজোড় নম্বরের গাড়ি চালানোর কথা জানিয়েছে দিল্লির কেজরিওয়াল সরকার। দূষণের কথা ভেবে সাময়িক ভাবে স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে। কোভিডকালের মতো কর্মক্ষেত্রে জোর দেওয়া হয়েছে ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম পদ্ধতির ওপর। কিন্তু শীতের আগে বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ থাকে কম। আবার শীতের আগে বৃষ্টির সম্ভাবনা একদম কম থাকে। গবেষণায় জানা গিয়েছে দূষণ কমানোর উপায় হল বৃষ্টিপাত। এই জন্য কৃত্রিম বৃষ্টির (Artificial Rain) বিষয়ে গবেষণা করছে কানপুর আইআইআটি।

    এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুসারে দূষণে দিল্লি ৪০০ অঙ্ক অতিক্রম করে ফেলেছে। আবার সুইস গ্রুপের আইকিউ এআইআর সমীক্ষা করে জানিয়েছে যে দিল্লি, মুম্বই এবং কলকাতা সবথেকে বেশি দূষণের তালিকায় রয়েছে। তাই দূষণ নিয়ন্ত্রণ একান্ত প্রয়োজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন মহুয়ার! এথিক্স কমিটির বৈঠক পিছিয়ে হবে ৯ নভেম্বর

    Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন মহুয়ার! এথিক্স কমিটির বৈঠক পিছিয়ে হবে ৯ নভেম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্নকাণ্ডে’ তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে এথিক্স কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা ছিল আজ, মঙ্গলবার ৭ নভেম্বর। তবে সেই বৈঠক পিছিয়ে ৯ নভেম্বর হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, মহুয়াকে আগেই তলব করেছিল এথিক্স কমিটি। সেখানেও মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ এবং প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগের অভিযোগ আনে এথিক্স কমিটি। ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন মহুয়া, এই অভিযোগ সামনে এনেছিলেন ঝাড়খণ্ডের সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। ঝাড়খণ্ডের সাংসদের বক্তব্যও শোনে এথিক্স কমিটি। পরবর্তীকালে মহুয়ার বিরুদ্ধে রিপোর্ট তৈরি করার জন্য ৭ নভেম্বর বৈঠক ডাকে এথিক্স কমিটি, তবে তা দুদিন পিছিয়ে গেল। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবারই তদন্ত রিপোর্টের খসড়া তৈরি করতে পারে কমিটি।

    আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগের অভিযোগ মহুয়ার বিরুদ্ধে

    এথিক্স কমিটির সামনে হাজির হয়ে প্যানেলকে বিভ্রান্ত করারও চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকেন মহুয়া (Mahua Moitra)। এথিক্স কমিটির চেয়ারম্যান বিনোদ সোনকরের অভিযোগ, তদন্তে অসহযোগিতা করছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ (Mahua Moitra)। অপর প্যানেল সদস্যা অপরাজিতা সারঙ্গি জানান, সমস্ত রকমের শিষ্টাচারের মাত্রা লঙ্ঘন করেছেন মহুয়া মৈত্র। প্রসঙ্গত, মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে দেশের সংবাদমাধ্যম থেকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোট পরবর্তী সময়ে কৃষ্ণনগরের সাংসদ সংবাদমাধ্যমকে দু’পয়সার সাংবাদিক বলে অপমানজনক মন্তব্য করেছিলেন। এতে তাঁকে বয়কট করে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। মহুয়ার ঔদ্ধত্য যে একেবারেই বদলায়নি, তা এথিক্স কমিটির কথাতেও পরিষ্কার হয়েছে। এথিক্স কমিটির সামনে কেমন আচরণ করছিলেন মহুয়া? বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারেঙ্গির মতে, ‘‘হাবেভাবে খুবই উদ্ধত ছিলেন তিনি। খুবই রুক্ষ ছিলেন। তিনি ভুয়ো বক্তব্য তৈরি করে দেশের মানুষকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করেছেন। নিজেকে হেনস্থার শিকার হিসাবে তুলে ধরেছেন।’’ এর আগে মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ঝাড়খণ্ডের সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এবং আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রাইকে ডেকে পাঠিয়ে তাঁদের বক্তব্য শুনেছে এথিক্স কমিটি। অর্থাৎ ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে দুপক্ষের বক্তব্যই ইতিমধ্যে শোনা হয়ে গিয়েছে কমিটির। এবার সংসদের কাছে রিপোর্ট জমা দেবে এথিক্স কমিটি।

    টাকার বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করতেন মহুয়া?

    ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন মহুয়া, এই অভিযোগে গত মাসেই নিশিকান্ত দুবে চিঠি লেখেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে। এরপরই লোকসভার এথিক্স কমিটি মহুয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। নিশিকান্ত দুবের অভিযোগ ছিল, হীরানন্দানি শিল্পগোষ্ঠীকে সুবিধা পাইয়ে দিতে তাদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করতেন মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। পরবর্তীকালে ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানি নিজের হলফনামায় সে কথা স্বীকারও করেন। মোট ৬৩টি প্রশ্নের মধ্যে ৫০টি প্রশ্নই সাজিয়ে দিয়েছিলেন ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Assembly Elections 2023: ছত্তিসগড়, মিজোরামে শুরু ভোটগ্রহণ, সুকমায় বিস্ফোরণে আহত কোবরা জওয়ান

    Assembly Elections 2023: ছত্তিসগড়, মিজোরামে শুরু ভোটগ্রহণ, সুকমায় বিস্ফোরণে আহত কোবরা জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়েছে ছত্তিসগড় এবং মিজোরামে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। মিজোরামে এক দফাতেই নির্বাচন হচ্ছে। সে রাজ্যের ৪০টি বিধানসভা কেন্দ্রের (Assembly Elections 2023) প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ হবে। অন্যদিকে, ছত্তিসগড় রাজ্যে বিধানসভার মোট আসন রয়েছে ৯০টি, যার মধ্যে ২০টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। এই দুই রাজ্যেই ভোটগণনা হবে আগামী ৩ ডিসেম্বর। ছত্তিসগড় এবং মিজোরামের ভোটকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে। গতকালই আইডি বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে ছত্তিসগড়ের কাঙ্কের জেলা।

    ছত্তিসগড়ে প্রথম দফার ভোট

    ছত্তিসগড়ে মঙ্গলবার প্রথম দফার ভোট মূলত মাওবাদী অধ্যুষিত বস্তার ডিভিশনেই হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ২০টি বিধানসভার আসন, যেগুলিতে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ (Assembly Elections 2023) চলছে, তার প্রত্যেকটি মাওবাদী উপদ্রুত এলাকা। ২০টি বিধানসভায় মোট বুথের সংখ্যা রয়েছে ২৫,২৪৯টি। সকাল ৭টায় ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, চলবে বিকাল ৩ টে পর্যন্ত। অন্যদিকে, ২০টির মধ্যে ১০টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে, যেগুলিতে ভোট প্রক্রিয়া শুরু হবে সকাল ৮টা থেকে এবং চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, কুড়িটি আসনে ২২৩ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে। যার মধ্যে ২৫ জন মহিলা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রথম দফার ভোটে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবেন ৪০.৭ লাখ ভোটার।

    মিজোরামে এক দফাতেই ভোট

    অন্যদিকে, মিজোরামে এক দফাতেই ভোটগ্রহণ (Assembly Elections 2023) সম্পন্ন হচ্ছে। যেখানে ৮.৫৭ লাখ ভোটার রয়েছেন। যার মধ্যে ৪.৩ লাখ মহিলা। ৪০টি বিধানসভা আসনের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন ১৭৪ জন প্রার্থী। এই বিধানসভা আসনগুলিতে মিজোরামের ভোট সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তার জন্য ৭ হাজার নিরাপত্তা কর্মী মোতায়ন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ছত্তিসগড় ও মিজোরাম ভোট নিয়ে ট্যুইট প্রধানমন্ত্রীর

    এদিন সকালে এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে পোস্ট করেন নরেন্দ্র মোদি। সকলকে ভোট দেওয়ার আবেদন করার পাশাপাশি, নতুন ভোটারদের উৎসাহিত করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন—

     

    আইইডি বিস্ফোরণ ছত্তিসগড়ে

    অন্যদিকে, নির্বাচন শুরুর ঠিক পরই, সুকমায় মাওবাদীদের ঘটানো আইইডি বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন সিআরপিএফ-এর এলিট কোবরা জওয়ান। আহত কমান্ডোর নাম শ্রীকান্ত। তিনি ইনস্পেক্টর পদমর্যাদার অফিসার। এর আগে, গতকাল আইইডি বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাঙ্কের জেলা। সোমবার নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে বুথের দিকে রওনা দিয়েছিলেন ভোটকর্মীরা। সন্ধ্যায় বিস্ফোরণ ঘটে কাঙ্কেরের রেঙ্গাগোন্দি গ্রামে। গুরুতর জখম হন বিএসএফ কনস্টেবল চন্দ্রপ্রকাশ সেওয়াল ও দুই ভোটকর্মী। প্রসঙ্গত, প্রতিবারের মতো এবারও ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছে মাওবাদীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: অপরাধ ও পাচার রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ-এর অস্ত্র মৌমাছি

    BSF: অপরাধ ও পাচার রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ-এর অস্ত্র মৌমাছি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অপরাধ এবং যে কোনও ধরনের পাচার রুখতে বিএসএফের (BSF) অস্ত্র মৌমাছি। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এবার তাই মৌমাছি প্রতিপালনের উদ্যোগ নিল বিএসএফ। বিএসএফ সূত্রে খবর, সীমান্তে মৌমাছি প্রতিপালনের মাধ্যমে অপরাধ যেমন কমবে, তেমনই স্থানীয়রা এখান থেকে রোজগারও পাবে। বিএসএফের ৩২তম ব্যাটেলিয়ান পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলায় এই উদ্যোগ নিয়েছে এবং এর ফলে সেখানকার স্থানীয় জনগণের মধ্যে ভালোই সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএসএফের শীর্ষ আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটারের সীমানা রয়েছে, যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে ২,২১৭ কিলোমিটার। বিএসএফ-এর (BSF) এই প্রকল্পকে বাস্তবায়িত করতে হাত বাড়িয়েছে ভারত সরকারের আয়ুষ মন্ত্রকও।

    কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ভাইব্রান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম’

    ৩২তম বিএসএফের ব্যাটেলিয়নের শীর্ষ আধিকারিক সুজিত কুমারের মস্তিষ্কপ্রসূত এই মৌমাছি প্রতিপালন বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ভাইব্রান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে বিভিন্ন ঔষধি গাছ লাগানো হচ্ছে। যার ফলে সেই গাছগুলিতে ফুল ধরলে মৌমাছিরা সহজেই আকৃষ্ট হবে। গত ২ নভেম্বর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মৌমাছি প্রতিপালনের জন্য কাঠের বাক্স বসানো হয় বিএসএফ-এর (BSF) তরফ থেকে। জানানো হয়েছে, এই মৌচাকগুলিতে স্থানীয় মানুষরা সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন এবং এক্ষেত্রে তাঁদের এপিকালচারের মাধ্যমে রোজগারও হবে।

    অপরাধপ্রবণ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত

    প্রসঙ্গত, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত যে কোনও ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যে খবরে শিরোনামে আসে। গরু, সোনা, রুপো সমেত নেশাদ্রব্য সহ একাধিক বস্তু পাচারের অভিযোগ পাওয়া যায় ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে। বিএসএফ জানাচ্ছে, যখনও কোনও অপরাধ ওখানে সংঘটিত করার জন্য কেউ প্রয়াস চালাবে, তখনই তাকে মৌমাছির আক্রমণের মুখে পড়তে হবে। যদিও এখনও পর্যন্ত কত সংখ্যায় মৌমাছি প্রতিপালন সেখানে করা হবে তা জানানো হয়নি। কাঠের বাক্সের মাধ্যমে এই মৌমাছি প্রতিপালন চলছে। আয়ুষ মন্ত্রকের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত সৎমূলী, তুলসী, একাঙ্গী, অশ্বগন্ধা, অ্যালোভেরা এই সমস্ত কিছু গাছও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএসএফ। স্থানীয়দের সহায়তায় বিএসএফ (BSF) সেগুলিকে রোপনও করতে শুরু করেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন! মহুয়া ইস্যুতে রিপোর্ট জমা দিতে মঙ্গলবার বৈঠক এথিক্স কমিটির

    Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন! মহুয়া ইস্যুতে রিপোর্ট জমা দিতে মঙ্গলবার বৈঠক এথিক্স কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহুয়া ইস্যুতে রিপোর্ট তৈরি করতে চলেছে লোকসভার এথিক্স কমিটি। এনিয়ে মঙ্গলবার ৭ নভেম্বর ফের বৈঠক বসছে কমিটির। ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগ রয়েছে মহুয়ার বিরুদ্ধে। কৃষ্ণনগরের সাংসদের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্টের খসড়া তৈরি হতে পারে মঙ্গলবারই। ইতিমধ্যে মহুয়াকে (Mahua Moitra) এথিক্স কমিটির সামনে তলব করা হয়েছিল গত ২ নভেম্বর।

    আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগের অভিযোগ মহুয়ার বিরুদ্ধে

    অভিযোগ, প্যানেলের সদস্যদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগ করেছেন মহুয়া। প্যানেলকে বিভ্রান্ত করারও চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি। এথিক্স কমিটির চেয়ারম্যান বিনোদ সোনকরের অভিযোগ, তদন্তে অসহযোগিতা করছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ (Mahua Moitra)। অপর প্যানেল সদস্যা অপরাজিতা সারঙ্গি জানান, সমস্ত রকমের শিষ্টাচারের মাত্রা লঙ্ঘন করেছেন মহুয়া মৈত্র। প্রসঙ্গত, মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে দেশের সংবাদমাধ্যম থেকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোট পরবর্তী সময়ে কৃষ্ণনগরের সাংসদ সংবাদমাধ্যমকে দু’পয়সার সাংবাদিক বলে অপমানজনক মন্তব্য করেছিলেন। এতে তাঁকে বয়কট করে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। মহুয়ার ঔদ্ধত্য যে একেবারেই বদলায়নি, তা এথিক্স কমিটির কথাতেও পরিষ্কার হয়েছে। এথিক্স কমিটির সামনে কেমন আচরণ করছিলেন মহুয়া? বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারেঙ্গির মতে, ‘‘হাবেভাবে খুবই উদ্ধত ছিলেন তিনি। খুবই রুক্ষ ছিলেন। তিনি ভুয়ো বক্তব্য তৈরি করে দেশের মানুষকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করেছেন। নিজেকে হেনস্থার শিকার হিসাবে তুলে ধরেছেন।’’ এর আগে মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ঝাড়খণ্ডের সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এবং আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রাইকে ডেকে পাঠিয়ে তাঁদের বক্তব্য শুনেছে এথিক্স কমিটি। অর্থাৎ ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে দুপক্ষের বক্তব্যই ইতিমধ্যে শোনা হয়ে গিয়েছে কমিটির। এবার সংসদের কাছে রিপোর্ট জমা দেবে এথিক্স কমিটি।

    টাকার বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করতেন মহুয়া?

    মহুয়ার বিরুদ্ধে ঘুষের বিনিময়ে লোকসভায় প্রশ্ন করার অভিযোগ তোলেন ঝাড়খণ্ডের বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। গত মাসেই নিশিকান্ত দুবে এ নিয়ে চিঠি লেখেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে। এরপরই লোকসভার এথিক্স কমিটি মহুয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। নিশিকান্ত দুবের অভিযোগ ছিল, হীরানন্দানি শিল্পগোষ্ঠীকে সুবিধা পাইয়ে দিতে তাদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করতেন মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। পরবর্তীকালে ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানি নিজের হলফনামায় সে কথা স্বীকারও করেন। মোট ৬৩টি প্রশ্নের মধ্যে ৫০টি প্রশ্নই সাজিয়ে দিয়েছিলেন ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • GPS Anklet: ‘জিপিএস বেড়ি’ পরানো হল জঙ্গির পায়ে, ইতিহাস তৈরি জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের

    GPS Anklet: ‘জিপিএস বেড়ি’ পরানো হল জঙ্গির পায়ে, ইতিহাস তৈরি জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবার জঙ্গিদের গতিবিধি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে! সাধারণভাবে জিপিএস সিস্টেমকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজেই নির্ণয় করা যায় কোনও বস্তুর অবস্থান এবং গতিবিধি। এবার এই সিস্টেমকে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, তাও আবার সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ দমনের ক্ষেত্রে। জামিনে মুক্তি পাওয়া এক জঙ্গির গতিবিধির উপর নজর রাখার জন্য তার পায়ে পরানো হল ‘জিপিএস ট্র্যাকার অ্যাঙ্কলেট’ (GPS Anklet)। 

    কী এই ‘জিপিএস ট্র্যাকার অ্যাঙ্কলেট’?

    আদতে ‘জিপিএস ট্র্যাকার অ্যাঙ্কলেট’ (GPS Anklet) হল অনেকটা নুপূরের মতো। পায়ের গোড়ালিতে তা পরিয়ে দেওয়া হয়। এই যন্ত্রের সাহায্যে খুব সহজেই নির্ণয় করা যায় ওই ব্যক্তি কোথায় যাচ্ছে? কী তার গতিবিধি রয়েছে? ইত্যাদি। কোনও ব্যক্তি যদি এটা খুলে ফেলতে চায়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে সংকেত চলে আসে পুলিশের কাছে। যে স্থানে সে এটা খুলছে, সেই অবস্থানও জানতে পারে পুলিশ। জামিনে মুক্তি পাওয়া গুলাম মহম্মদ ভাটের পায়ে শনিবারই জিপিএস পরিয়েছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। আগামী দিনে এই যন্ত্রের আরও ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে ভূ-স্বর্গের প্রশাসন। ভারতে এই যন্ত্র প্রথমবারের জন্য ব্যবহার করা হলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মতো দেশে জামিনে মুক্ত আসামিদের কিংবা গৃহবন্দীদের গতিবিধির উপর নজর রাখতে জিপিএস সিস্টেম (GPS Anklet) ব্যবহার করা হয়।

    গুলাম মহম্মদের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ?

    জানা গিয়েছে, জঙ্গি গুলাম মহম্মদ ভাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, সন্ত্রাসবাদীদের আড়াই লাখ টাকা তহবিল দেওয়ার। সেই টাকা দিতে যাওয়ার আগেই অবশ্য গ্রেফতার করা হয় গুলাম মহম্মদকে। তার বিরুদ্ধে ইউএপিএ-এর বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে তার যোগসূত্রের প্রমাণও মিলেছে। জানা গিয়েছে, গুলাম মহম্মদ সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ছিল নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদি সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিনের। ওই সংগঠনের নির্দেশেই সে সন্ত্রাসবাদকে ফান্ডিং করত বলে অভিযোগ। সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ এবং নাশকতার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দিল্লির পাতিয়ালা হাউসের এনআইএ আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে। এরপর গুলাম মহম্মদ জামিনের আবেদন করে। সেই মামলার শুনানি মুলতবি থাকাকালীন সে অন্তবর্তী জামিনে মুক্তি চায়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে। তবে শনিবার তাকে মুক্তি দেওয়ার সময়ই ‘জিপিএস ট্র্যাকার অ্যাঙ্কলেট’ (GPS Anklet) পরিয়ে দেওয়া হয়েছে তার পায়ে।

    কী বলছে জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন?

    জম্মু-কাশ্মীরের কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় পুলিশ আধিকারিক জানাচ্ছেন, সম্প্রতি এনআইএ আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, ইউএপিএ আইনে জামিন পাওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর শর্তাবলী আরোপ করার। মুক্তির পরেও জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের উপর কড়া নজর রাখা উচিত বলে পর্যবেক্ষণে জানায় আদালত। তারপর এনআইএ আদালতের নির্দেশেই অভিযুক্তের পায়ে জিপিএস পরানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশে জঙ্গি দমনে নতুন প্রযুক্তির (GPS Anklet) ব্যবহার দেখা গেল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh Bjp: ভোটের মুখে মাওবাদীদের হাতে খুন ছত্তিশগড়ের বিজেপি নেতা

    Chhattisgarh Bjp: ভোটের মুখে মাওবাদীদের হাতে খুন ছত্তিশগড়ের বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন পরেই ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh Bjp) প্রথম দফায় কুড়িটি আসনে নির্বাচন রয়েছে। ঠিক তার আগে শনিবার খুন হয়ে গেলেন সে রাজ্যের বিজেপির এক স্থানীয় নেতা। অভিযোগ মাওবাদীরা খুন করেছে বিজেপি নেতা রতন দুবেকে। জানা গিয়েছে, শনিবার দুপুরে মাওবাদী অধ্যুষিত নারায়ণপুর জেলার কৌশলনগর এলাকায় দলের নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত ছিলেন বিজেপি নেতা রতন দুবে। স্থানীয় বিজেপি প্রার্থীর হয়ে প্রচার করছিলেন তিনি সেই সময় তাঁকে খুন করে অজ্ঞাতপরিচয় কিছু দুষ্কৃতী। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ৭ নভেম্বর ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh Bjp) প্রথম দফায় ২০টি আসনের নির্বাচন রয়েছে। ওই কুড়িটি আসনের মধ্যে ১২টি আসনই মাওবাদী অধ্যুষিত বস্তার ডিভিশনের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

    কীভাবে খুন করা হয় বিজেপি নেতাকে

    জানা গিয়েছে, শনিবার বিকাল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ঝাড়াঘাট থানার অন্তর্ভুক্ত কৌশলনগর গ্রামে বাজারের কাছে একটি জনবহুল এলাকায় তিনি বক্তব্য রাখছিলেন নিহত বিজেপি নেতা। এমনই সময় দুইজন ব্যক্তি ভিড়ের মধ্য থেকে আসে। রতন দুবের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিছন দিক থেকে আঘাত করে। আক্রমণ থেকে বাঁচতে রতন দুবে কোনওভাবে তাঁর গাড়ির কাছে ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সেই সময়ে আশেপাশে আরও অনেকজন দুষ্কৃতী জড়ো হয়ে যায় এবং তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে বিজেপি নেতাকে (Chhattisgarh Bjp)। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    দলীয় নেতা খুনের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ রমন সিং-এর

    এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Bjp) বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিং। তিনি বলেন, ‘‘বিধানসভা নির্বাচনের আগে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের পার্টি কর্মীদের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। আমাদের সহকর্মীদেরকে হত্যা করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই এই মাওবাদীরা ছত্তিশগড় থেকে মুছে যাবে। দোষীরা তাদের শাস্তি পাবে।’’ প্রসঙ্গত রতন দুবের আগেও চলতি ২০২৩ সালে আরও পাঁচজন বিজেপি নেতা-কর্মীকে খুন করে মাওবাদীরা। ছত্তিশগড় রাজ্য বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে নিহত রতন দুবে নারায়ণপুর জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি ছিলেন। ওই জেলার জেলা পরিষদের সদস্যও তিনি। জানা গিয়েছে, ওই এলাকা ইতিমধ্যে ঘিরে রয়েছে ছত্তিশগড় পুলিশের একটি বড় দল। রাস্তায় তারা টহলও দিচ্ছে। আশেপাশের সমস্ত জায়গাতে তল্লাশি অভিযানও চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share