Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Cabinet Reshuffle: চলতি মাসেই মোদি মন্ত্রিসভায় রদবদল! ঠাঁই পেতে পারেন কারা, জানেন?

    Cabinet Reshuffle: চলতি মাসেই মোদি মন্ত্রিসভায় রদবদল! ঠাঁই পেতে পারেন কারা, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে চলতি বছরেই নির্বাচন রয়েছে কয়েকটি রাজ্যে। সেই কারণে মোদি (PM Modi) মন্ত্রিসভায় রদবদল (Cabinet Reshuffle) হতে পারে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। তবে এ ব্যাপারে বিজেপি (BJP) কিংবা সরকারের তরফে অফিসিয়ালি কিছু জানানো হয়নি। দ্বিতীয়বার কেন্দ্রের কুর্সিতে আসীন হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২১ সালের জুলাই মাসে মন্ত্রিসভায় রদবদল করেছিলেন। তার পর থেকে এ পর্যন্ত আর মন্ত্রিসভায় রদবদল হয়নি। সামনে নির্বাচন রয়েছে বলে সংগঠনেও রদবদল হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

    মকর সংক্রান্তি…

    ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে পেশ হবে কেন্দ্রীয় বাজেট। জানা গিয়েছে, মন্ত্রিসভার রদবদল যদি কিছু হয়, তবে তা হবে ১৪ তারিখ মকর সংক্রান্তির পর। শোনা যাচ্ছে, ১৫ থেকে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে হতে পারে এই রদবদল। চলতি মাসের ১৬ ও ১৭ তারিখে দিল্লিতে রয়েছে বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক। সেই বৈঠকেই দলের সাংগঠনিক ক্ষেত্রে রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। মঙ্গলবারই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার নেতৃত্বে এক দফা আলোচনা হয়েছে।   

    আরও পড়ুুন: মোহন ভাগবতের বক্তব্য সমর্থন করলেন জামাতের জাতীয় সভাপতি, কী বললেন তিনি?

    চলতি বছর ভোট রয়েছে কর্নাটক, রাজস্থান এবং ছত্তিশগড়ে। তাই সংগঠনেও হতে পারে রদবদল। হিমাচল প্রদেশ বিধানসভা এবং দিল্লি পুরসভা নির্বাচনে বিজেপির ফলে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলন প্রধানমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে বিভিন্ন রাজ্যের তারকা প্রচারকের তালিকায় যে সব দলীয় নেতা, মন্ত্রী, সাংসদদের রাখা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে থেকে বেশ কয়েকজনকে সাংগঠনিক স্তরে বড় পদে নিয়ে আসা কিংবা মন্ত্রিসভায় জায়গা দেওয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। শোনা য়াচ্ছে, যেহেতু ১৫ মাস পরে লোকসভা নির্বাচন, তাই মন্ত্রিসভা রদবদলের (Cabinet Reshuffle) ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে বিহার, উত্তর প্রদেশ, পশ্চিম বাংলা এবং তেলঙ্গানার মতো বড় রাজ্যগুলিকে।

    মহরাষ্ট্রে বিজেপি ও শিবসেনার শিন্ডে শিবিরের সরকার রয়েছে। তাই রদবদল হলে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে পারেন শিবসেনার কেউ। বিহার থেকে চিরাগ পাশোয়ানকে মন্ত্রিসভায় জায়গা দেওয়া হতে পারে। এবারও রদবদলের সময় চমক থাকতে পারে। গতবার রদবদলের সময় আচমকাই বাদ পড়েছিলেন রবিশঙ্কর প্রকাশ এবং প্রকাশ জাভড়েকর। তার বদলে মন্ত্রিসভায় এসেছিলেন আইএএস অশ্বনী বৈষ্ণব। এবারও তেমন কিছু হতে পারে কিনা, তাই দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Joshimath: কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ চিন সীমান্তগামী সড়কেও ফাটল জোশীমঠে

    Joshimath: কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ চিন সীমান্তগামী সড়কেও ফাটল জোশীমঠে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চিন সীমান্তগামী জোশীমঠ (Joshimath)-মালারি সড়কে ফাটল ক্রমশ চওড়া হচ্ছে। উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার এই ব্য়স্ততম রাস্তার বেশ কিছু জায়গাতে ফাটল দেখা দিয়েছে।

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কী বলছেন

    ইতিমধ্যে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি নিজে উপস্থিত থেকে জোশীমঠের (Joshimath) অবনমন এবং ফাটল দেখেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি পর্যবেক্ষণও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ধসে যাওয়া বাড়িগুলির সদস্যদের সঙ্গে এদিন কথাও বলেন দেবভূমির মুখ্যমন্ত্রী ।
    এদিন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা চেষ্টা করছি প্রত্যেকেই যাতে নিরাপদ থাকেন, সমস্ত রকমের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সরকার থেকে করা হবে। দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীরা অনুসন্ধান করছেন বর্তমানে, ভূমির অবনমনের সঠিক কারণ খতিয়ে দেখার জন্য।

    উত্তরাখণ্ডে চামুলী জেলার জেলাশাসক হিমাংশু খুরানা বলেন, জোশীমঠের (Joshimath) সমস্ত রকমের নির্মাণ কাজ এই মুহূর্তে বন্ধ রাখা হয়েছে ভূমির অবনমন এবং ফাটলের জন্য । গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় বাসিন্দারা বদ্রিনাথ সড়ক অবরোধ করেন সরকার এবং প্রশাসন যাতে এই পরিস্থিতিতে সুষ্ঠ ব্যবস্থা নেয় সেজন্য।

    জোশীমঠ (Joshimath) পৌরসভার চেয়ারম্যান শৈলেন্দ্র পাওয়ার বলেন, ব্যাপক ফাটল দেখা দিয়েছে ভূগর্ভস্থ জলস্তর লিক করার কারণে।
    ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (NDRF) সেখানে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে এ কথা জানিয়েছেন চামোলি জেলার চিফ ডেভেলপমেন্ট অফিসার ললিত নারায়ণ মিশ্র।
    এদিন সংবাদমাধ্যমের সামনে জেলাশাসক আরও বলেন সমগ্র জোশীমঠ (Joshimath) জুড়ে এখনও কোন ফাটল দেখা যায়নি, শুধুমাত্র একটা অংশে এই ফাটল দেখা দিয়েছে। বিজ্ঞানীরা সঠিক কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।

    জোশীমঠ (Joshimath) পৌরসভার চেয়ারম্যান আরও জানিয়েছেন যে যাদের বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং যারা বর্তমানে গৃহহীন, তাদের জন্য ভাড়ায় বাড়ির ব্যবস্থা করেছে উত্তরাখন্ড সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Kashmir: কাশ্মীরের প্রত্যন্ত গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছাল স্বাধীনতার ৭৫ বছর পর   

    Kashmir: কাশ্মীরের প্রত্যন্ত গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছাল স্বাধীনতার ৭৫ বছর পর   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূ-স্বর্গের (Kashmir) ছোট্ট গ্রাম তেথান। সবমিলিয়ে ২০০ পরিবারের বাস গ্রামে। পার্বত্য উপত্যকার এই গ্রামে সূর্য ও চাঁদ ছাড়া বাকি কোনও আলোর উৎস ছিলনা এতদিন। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরে, মোদি সরকারের প্রাইম মিনিস্টার ডেভলপমেন্ট প্যাকেজ স্কিমের দৌলতে গ্রামে প্রথম এল বৈদ্যুতিক সংযোগ। দক্ষিণ কাশ্মীরের (Kashmir) অনন্তনাগ জেলার ডোরু ব্লকের এই প্রত্যন্ত গ্রাম এতদিন অবধি বঞ্চিত ছিল বৈদ্যুতিক সুবিধা থেকে, এবার সে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হওয়াতে স্বভাবতই খুশি হয়েছেন গ্রামবাসীরা। সমগ্র এলাকাতে কোনও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকার কারণে রাত্রিতে বেশিরভাগ বাড়িই অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকতো, সূর্য ডোবার পরে আলোর উৎস বলতে জ্বলতো হ্যারিকেন, লন্ঠন। কোনও কোনও বাড়িতে কাঠও জ্বালানো হত।

    গ্রামবাসীরা ধন্যবাদ জানাচ্ছেন মোদি সরকারকে…..
     
     

    উচ্ছ্বসিত গ্রামবাসীরা বৈদ্যুতিক সংযোগ পাওয়ার পরে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন মোদি সরকারকে। জনৈক গ্রামবাসী বলেন, ” আমাদের গ্রামকে অনেক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়েছে, শুধুমাত্র বিদ্যুৎ না থাকার কারণে। প্রজন্মের পর প্রজন্মকে এই সমস্যার মোকাবিলা করতে হয়েছে। স্থায়ী সমাধান হওয়ার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে”। জাফর খান নামের অপর একজন গ্রামবাসী বলেন, ” আমার ৬০ বছর বয়স হয়ে গেল, জন্মের পর গ্রামে প্রথমবারের জন্য বিদ্যুৎ-এর আলো দেখব, এটা ভাবলেই আনন্দ হচ্ছে। আমি দেখলাম অনেক গ্রামবাসী আবার আনন্দে নাচছে। এটাই স্বাভাবিক”।

    অনন্তনাগ শহর থেকে এই গ্রামের দূরত্ব প্রায় ৪৫ কিমি। দ্রুততার সঙ্গে সমস্ত প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ করার জন্য গ্রামবাসীরা এদিন ধন্যবাদ জানান বৈদ্যুতিক বিভাগকেও। বৈদ্যুতিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ৬৩ (KV) ট্রান্সফর্ম এখানে দেওয়া হয়েছে, সঙ্গে রয়েছে ৩৮টি হাইটেনশন তার। সমগ্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ব্যবহার করা হয়েছে ৯৭টি মতো বৈদ্যুতিক স্তম্ভ।

    আরও পড়ুন: এক হাজার কোটি টাকার পুরনো নোট বদলেছিলেন ‘ভাইপো’! বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

      

  • Sheena Bora: শিনা বোড়া জীবিত! চাঞ্চল্যকর দাবি ইন্দ্রানী মুখোপাধ্যায়ের

    Sheena Bora: শিনা বোড়া জীবিত! চাঞ্চল্যকর দাবি ইন্দ্রানী মুখোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১২ সালের ২৪ শে এপ্রিল খুন হন শিনা বোড়া। খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শিনা বোড়ার (Sheena Bora) মা ইন্দ্রানী মুখোপাধ্যায় বর্তমানে মুম্বই-এর বাইকুল্লা জেলে বন্দী। এবার সেই শিনা বোড়াকে নাকি দেখা গেছে গুয়াহাটি বিমানবন্দরে এমনই দাবি করলেন ইন্দ্রানী মুখোপাধ্যায়,শুধুমাত্র দাবি নয়, সেই সঙ্গে আদালতে আবেদনও করা হল। প্রসঙ্গত, হত্যার তিন বছর পরে ২০১৫ সালে এই ঘটনা প্রথম প্রকাশ্যে আসে যখন ইন্দ্রানী মুখোপাধ্যায়ের গাড়ি চালক শ্যামবর রাই অন্য একটি পুলিশি অভিযানের সময় গ্রেফতার হয়। তার কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়, সেই সূত্র ধরেই সামনে আসে হাড়হিম করা এই হত্যাকান্ড। শুনে তাজ্জব হয় গোটা দেশ।

    আদালতের কাছে কী আবেদন করলেন ইন্দ্রানী 

      কোর্টের কাছে ইন্দ্রানী আবেদন করেছেন যে কোর্ট যেন সিবিআইকে নির্দেশ দেয় যে গুয়াহাটি বিমানবন্দরের গত বৃহস্পতিবারের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ যাতে সংরক্ষিত হয়। যাত্রীদের বিষয়ে খোঁজখবর নিতেও কোর্টে আবেদন করেছেন ইন্দ্রানী। ইন্দ্রানী মুখোপাধ্যায়ের দাবি যে একজন আইনজীবী গত বৃহস্পতিবার এমন একজন মহিলাকে দেখেছেন একেবারে শিনা বোড়ার (Sheena Bora) মতো দেখতে। ইন্দ্রানী মুখোপাধ্যায়ের এই দাবি অবশ্য নতুন কিছু নয় এর আগেও ২০২১ সালে তিনি দাবি করেছিলেন একজন পুলিশ কর্মী যিনি বর্তমানে বাইকুল্লা জেলে তার প্রতিবেশী, তিনি নাকি শ্রীনগরে গ্রীষ্মকালীন ছুটি কাটাতে যাওয়ার সময় শিনা বোড়াকে (Sheena Bora) দেখেছেন। তখন সিবিআইকে চিঠিও লিখেছিলেন ইন্দ্রানী। যদিও সেই চিঠির প্রাপ্তি সিবিআই আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও অবধি স্বীকার করেনি। শিনা বোড়া (Sheena Bora) হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ইন্দ্রানীর বিচার প্রক্রিয়া এখনও চলছে। ৬৯ জন সাক্ষী এখনও পর্যন্ত সাক্ষ্যদান করেছে এই মামলায়।
    গত শুক্রবার এ নিয়ে ইন্দ্রানী আবেদন করেছেন কোর্টের কাছে তাঁর  আইনজীবী রঞ্জিত সাংলির মারফত।
    ওই আবেদনে ইন্দ্রানী মুখোপাধ্যায়ের আইনজীবী কোর্টের কাছে আবেদনের করেছেন যে সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করা হোক এবং সেটা আদালতের সামনে আনা হোক। তার সঙ্গে ইন্দ্রানীকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলতে দেওয়া হোক।
    একটি এফিডেফিডে, ইন্দ্রানীর আইনজীবী বলেছেন যে, একজন আইনজীবী শিনা বোড়ার (Sheena Bora) মত অবিকল একজনকে দেখতে পেয়েছেন, ওই আইনজীবির সহকর্মী একটি ভিডিও করে রেখেছেন ওই মহিলার।

    বিচারপতি এসপি নায়েক নিমবালকর, সিবিআই কে নির্দেশ দিয়েছেন , এই আবেদন সম্পর্কে তাদের বক্তব্য জানাতে এবং আদালত এই আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করেছে আগামী ১২ই জানুয়ারি।

     

  • Joshimath: জোশীমঠকে “ডুবতে থাকা অঞ্চল” ঘোষণা করল স্থানীয় প্রশাসন

    Joshimath: জোশীমঠকে “ডুবতে থাকা অঞ্চল” ঘোষণা করল স্থানীয় প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোশীমঠকে (Joshimath) একটি ডুবতে থাকা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করল সেখানকার প্রশাসন, ইতিমধ্যে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
    গত কয়েকদিন ধরে জোশীমঠের (Joshimath) বহু বাড়িতে ফাটল ধরেছে , এমনকি কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চিন সীমান্তগামী সড়কেও ফাটল দেখা দিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই প্রশাসনের তরফে এমন সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তরাখণ্ড দেবভূমি নামেও প্রসিদ্ধ। অর্থাৎ এখানে দেবতারা বাস করতেন একসময়, এমনটাই বিশ্বাস রয়েছে ভক্তদের। হিন্দু ধর্মের বহু তীর্থস্থান এবং পীঠস্থান উত্তরাখণ্ডে রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল জোশীমঠ (Joshimath)।  সারা বছর ধরেই ধর্মপ্রাণ ভক্তদের আনাগোনা চলতে থাকে এখানে। এছাড়া পার্বত্য এলাকার মনোরম আবহাওয়ার জন্যও অনেকে আসেন। 

    বর্তমানে কী পরিস্থিতি রয়েছে

    বর্তমানে এই এলাকার পরিস্থিতির জন্য উদ্বিগ্ন হয়েছে স্থানীয় সরকার। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ এবং উদ্ধার কাজ সুনিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি নিজে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল ঘুরে দেখেছেন এবং যে সমস্ত মানুষ গৃহহারা হয়েছেন তাদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। ভাড়াতে বাড়ির ব্যবস্থাও সেখানে করা হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জোশীমঠ (Joshimath) শহর তৈরি করা হয়েছিল একটি ভূমিধসের উপরে প্রায় এক শতাব্দী আগে, এমনটা বিভিন্ন কমিটির রিপোর্টেও প্রকাশ পেয়েছে। ব্যাপকভাবে নির্মাণ কাজ চলতে থাকায় শহরের উপরে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে এই পরিস্থিতিতে চামোলির জেলাশাসক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে নিয়ে প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলেছেন। চামোলির বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এখনও অবধি ৬৩টি বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। ৬৮ পরিবারকে অস্থায়ীভাবে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে যে তারা গত রবিবার ৪৬ টি পরিবারকে বিভিন্ন সাংসারিক সামগ্রী কেনার জন্য ৫০০০ টাকা করে দিয়েছে।  জোশীমঠ (Joshimath) শহরে এই মুহূর্তে ২২৯ টি ঘর বাসযোগ্য রয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে এমনটাই জানা গেছে। ওই ঘর গুলিতে সর্বোচ্চ ১২৭১ জনকে রাখা যেতে পারে। এছাড়া শহরের বেশিরভাগ সমস্ত জায়গা বিপজ্জনক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সেখান থেকে স্থানীয় মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এনটিপিসির তপোবন বিষ্ণুপুর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের অধীনে চলা সমস্ত নির্মাণ কাজও বন্ধ করা হয়েছে এবং শহরের অন্যান্য নির্মাণ কাজ যেগুলো চলছিল সেগুলোও বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

    জোশীমঠকে “ডুবতে থাকা অঞ্চল” ঘোষণা স্থানীয় প্রশাসনের

  • Goutam Adani: মুকেশ আম্বানিকে নিজের ভালো বন্ধু বললেন গৌতম আদানি 

    Goutam Adani: মুকেশ আম্বানিকে নিজের ভালো বন্ধু বললেন গৌতম আদানি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রির প্রতিষ্ঠাতা ধীরুভাই আম্বানি বাস্তবিক পক্ষে আমাদের কাছে একজন রোল মডেল, একথা বললেন দেশের অন্যতম ধনকুবের গৌতম আদানি (Goutam Adani)। এদিন এক সাক্ষাৎকারে গৌতম আদানি (Goutam Adani) আরও বলেন, “মুকেশ আম্বানি আমার খুব ভালো বন্ধু, আমি তাঁকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি, দেশের টেলিকম শিল্পে তাঁর অবদান ভোলার নয়, মুকেশ ভাই খুচরো ব্যবসা, পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পে এদেশে জোয়ার এনেছেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নে তাঁর যথেষ্ঠ অবদান রয়েছে”।

    আম্বানি এবং আদানি (Goutam Adani) দুজনেই গুজরাটের ভূমিপুত্র

    আম্বানি এবং আদানি দুজনেই গুজরাট থেকে উঠে এসেছেন। ব্যবসায়ী হিসেবে এই দুজনের খ্যাতি একেবারে বিশ্বজোড়া। সম্পত্তি এবং অর্থের দিক থেকে কখনও আদানি (Goutam Adani) এগিয়ে যান তো কখনও আম্বানি। কিন্তু দুজনেই বিশ্বের মানচিত্রে সেরা ধনকুবেরদের তালিকায় স্থান করে নেন প্রতিবারই। বিভিন্ন ক্ষেত্রের ব্যবসায় দুজনের মধ্যে টক্করও চলে সমানে সমানে। 

    দুই দশকের সমানে সমানে একই ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার পরে দুজনে এখন অবশ্য আলাদা ক্ষেত্রে ব্যবসায় মনোনিবেশ করেছেন। আদানি কয়লা খনির ব্যবসা এবং বন্দরের বাণিজ্যে বেশি আগ্রহী হয়েছেন অন্যদিকে মুকেশ আম্বানি গ্রিন এনার্জির দিকে বেশি ঝুঁকেছেন।

    আদানির (Goutam Adani) মোট সম্পত্তির মূল্য কত জানেন

    একটি সর্বভারতীয় টিভি চ্যানেলে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, গতবছর মুকেশ আম্বানিকে পিছনে ফেলে দেশের এক নম্বর ধনীর স্থান যখন তিনি দখল করলেন, তখন তাঁর কেমন অনুভূতি ছিল? এর উত্তরে ধনকুবের (Goutam Adani) বলেন, এক নম্বর দু নম্বর নিয়ে আমি কখনও ভাবিনা। প্রসঙ্গত আদানির (Goutam Adani) বর্তমানে মোট সম্পত্তির মূল্য ১১৭ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯ লক্ষ ৬২ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে গৌতম আদানি (Goutam Adani) এশিয়ার মধ্যে সবথেকে ধনী ব্যক্তি এবং পৃথিবীর মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। বিশ্বে তাঁর আগে রয়েছেন বার্নাড আর্নৌল্ট এবং এলন মাস্ক।

     

     

     

  • DGCA: বিমানে দুর্ব্যবহার হলে এবার কড়া হাতে দমন, নির্দেশিকা ডিজিসিএ-র

    DGCA: বিমানে দুর্ব্যবহার হলে এবার কড়া হাতে দমন, নির্দেশিকা ডিজিসিএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এয়ার ইন্ডিয়ার আন্তর্জাতিক একটি বিমানে সহযাত্রীর গায়ে প্রস্রাব পড়ার ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল কয়েকদিন আগে। এই ঘটনার রেশ কাটার আগেই  সারা দেশ জুড়ে এবার বিমান সংস্থাগুলোর উদ্দেশ্যে কিছু নির্দেশিকা জারি করল ডিরেক্টরের জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন ( DGCA)। বলা যেতে পারে কড়াবার্তা দেওয়া হল যে সমস্ত যাত্রী মাঝ আকাশে  অসভ্যতামি করছে তাদের উদ্দেশ্যে।

    কী নির্দেশ দিল  DGCA? 

     কোনও যাত্রী অসভ্য আচরণ করছে এমনটা দেখতে পেলেই তা কড়া হাতে দমন করতে হবে, এমনই নির্দেশিকা দিয়েছে এদিন DGCA. কারণ উড়ানের সময় যে ধরনের ঘটনা ঘটছে তাতে ভারতে বিমান ভ্রমণের ভাবমূর্তি বিশ্বের কাছে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছে  DGCA.

    এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন যদি ভবিষ্যতে কোন বিমান কর্মীকে হতে হয় তাহলে তিনি কী কী করবেন আর কী কী করবেন না তার একটি নির্দিষ্ট তালিকা বিমান সংস্থাগুলোর কাছে তুলে দিয়েছে  DGCA. নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হচ্ছে যে বিগত কিছুদিন ধরে দেখা যাচ্ছে মাঝ আকাশে কিছু অভদ্র  যাত্রী উৎপাত শুরু করেছেন, বিশেষ বিশেষ কয়েকটি ক্ষেত্রে এই গোলমাল সামাল দিতে ব্যর্থ হতে দেখা যাচ্ছে বিমান চালক এবং বিমান কর্মীদের। DGCA ওই নির্দেশিকায় আরও লিখেছে যে মুখে বোঝানোর পরও যদি দেখা যায় যে যাত্রীকে কোন অবস্থাতেই সংযত করা যাচ্ছে না তাহলে পরিস্থিতি অনুযায়ী তাকে দমন করার জন্য বিমানচালক এবং কর্মীরা নিজেদের মতো করে ব্যবস্থা নিতে পারেন। তবে কড়া হাতে দমনের মাধ্যমে ঠিক বোঝাতে চাইছে  DGCA সেটা পরিষ্কার নয়।  DGCA ওই নির্দেশিকায় আরও জানিয়েছে যে চলন্ত বিমানে শেষ কথা বলবেন চালকই, তিনিই বিমানের মধ্যে যে কোন উদ্ভূত পরিস্থিতির, যে কোন সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করবেন। তিনিই বিমানে শেষ সিদ্ধান্ত নেবেন। ওই নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে বিমান অবতরণের পর বিমানের প্রতিনিধিরা গোটা ঘটনার এফআইআর করতে পারবেন। তার সঙ্গে অভিযুক্ত যাত্রীকে তুলে দেওয়া হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হাতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Rajkot: প্রধানমন্ত্রীর মায়ের নামে নদীবাঁধ তৈরি হল গুজরাটে 

    Rajkot: প্রধানমন্ত্রীর মায়ের নামে নদীবাঁধ তৈরি হল গুজরাটে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মা হীরাবেন প্রয়াত হয়েছেন কয়েকদিন আগেই। পূর্ণ করেছেন তাঁর একশোতম জন্মবার্ষিকী। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মায়ের নামে গুজরাটে একটি নদী বাঁধের নামকরণ হতে চলেছে। 

    কোন নদীর উপর গড়ে তোলা হয়েছে এই বাঁধ

    জানা যাচ্ছে সৌরাষ্ট্রের রাজকোট (Rajkot) জেলায় নয়ারি নদীতে স্থানীয় কৃষকদের স্বার্থে ১৫ লক্ষ টাকা খরচ করে এই বাঁধটি তৈরি করেছে গির গঙ্গা পরিবার ট্রাস্ট নামে একটি জনসেবা সংস্থা। গত বুধবার এই বাঁধের উদ্বোধন ছিল। বাঁধটি গড়ে উঠেছে স্থানীয় ভগৌড়ার নামের একটি গ্রামে। এদিন এই বাঁধের উদ্বোধনে হাজির ছিলেন সংস্থার প্রধান দিলীপ সাক্য।  এদিনের উদ্বোধন কর্মসূচিতে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক দর্শিতা শাহ এবং রাজকোটের (Rajkot)  মেয়র প্রদীপ দেব। সেখানেই গিরগঙ্গা পরিবার ট্রাস্টের কর্ণধার প্রস্তাব দেন সদ্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর মায়ের নামে এই সরোবরের নামকরণ হবে “হীরাবেন স্মৃতি সরোবর”।  ওই সভায় উপস্থিত সকলেই সেই প্রস্তাবে সায় দেন। প্রসঙ্গত ১৮ই জুন হলো হীরাবেনের জন্মদিন। গত বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রীর মায়ের ১০০ তম জন্মদিনে তাঁর নামে একটি গুজরাটের রাস্তার নামকরণ হবে বলে ঠিক হয়ে গিয়েছিল। গান্ধীনগরের একটি রাস্তার নাম হীরাবেনের নামে করার কথাও জানিয়েছিল স্থানীয় প্রশাসন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই পরিকল্পনা বিশেষ কারণে পিছিয়ে যায়। গত ৩০ ডিসেম্বর আহমেদাবাদে প্রয়াত হন হীরাবেন।
    প্রধানমন্ত্রীর মায়ের নামে এই নদী বাঁধটি ৪০০ ফুট লম্বা এবং ১০০ ফুট চওড়া, জলধারটিকে এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে একবার জলাধার পূর্ণ করলে তা নয় মাসে শুকনো হবে না, এমনটাই বলছেন ট্রাস্টের কর্ণধার। জলধারটি তৈরি করতে সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে ১৫ লক্ষ টাকা। গঙ্গা পরিবার ট্রাস্ট সূত্রে জানা যাচ্ছে যে মোট ৭৫টি নদী বাঁধ তারা নির্মাণ করেছে গত চার মাসে। দাতাদের দানের টাকায় এই সমস্ত বাঁধগুলি নির্মাণ করা হয়েছে। যার মধ্যে একটি হলো নয়ারি নদীর ওপর এই নদী বাঁধ। এটির জল ধারণ ক্ষমতা আড়াই কোটি লিটার। জলাধার সংলগ্ন স্থানীয় কৃষকদের উপকার হবে বলে আশাবাদী সংস্থার কর্ণধার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Joshimath: জোশীমঠের ফাটল নিয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা ?

    Joshimath: জোশীমঠের ফাটল নিয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোশীমঠে (Joshimath) ফাটলের কারণ নৃতাত্ত্বিক এবং প্রাকৃতিক। এমনটাই বললেন ওয়াদিয়া ইনস্টিটিউট অফ হিমালয়ান জিওলজির ডিরেক্টর কালাচাঁদ সাঁই।

    আরও পড়ুন: শুধুই কি যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য? অন্যদের থেকে কোথায় আলাদা বন্দে ভারত এক্সপ্রেস?

    তাঁর আরও সংযোজন, “এই বিপর্যয়ের কারণ একদিনে গড়ে ওঠেনি। এর মূল কারণ হল, জোশীমঠ (Joshimath) গড়ে উঠেছে একটি দুর্বল ভিতের উপর। এক শতাব্দীরও বেশি আগে ভূমিধসের ধ্বংসাবশেষের উপর তৈরি হয়েছিল এই জোশীমঠ (Joshimath)। ভূগোলের ভাষায় এটি seismic zone V এর উপর অবস্থিত, যা ভূমিকম্প প্রবন বলেই মনে করা হয়”।

    আরও পড়ুন: কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ চিন সীমান্তগামী সড়কেও ফাটল জোশীমঠে

    এর আগেও অনেকেই বলে গেছেন জোশীমঠের (Joshimath)  বিপজ্জনক অবস্থান নিয়ে

    কালাচাঁদ সাঁইের মতে ইতিপূর্বে অনেকেই জোশীমঠের (Joshimath) বিপজ্জনক অবস্থান সম্পর্কে বলে গেছেন, যেমন ১৮৮৬ সালে অ্যাটকিন্স তাঁর প্রতিবেদনে লিখেছিলেন যে জোশীমঠ স্থাপন হয়েছে ভূমিধসের উপর।

    আরও পড়ুন: সামনেই চিনা নববর্ষ, করোনার মধ্যেই ভ্রমণ সংক্রান্ত একাধিক বিধিনিষেধ তুলে নিল জিনপিং সরকার

    আবার ১৯৭৬ সালে মিশ্র কমিটিরও ওই একই বক্তব্য ছিল।

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে একটা বড় অংশ যাঁরা হিন্দু, তাঁদের ভোটে আমি জিতেছি, বললেন শুভেন্দু 

    জোশীমঠ (Joshimath) হল বদ্রীনাথের প্রবেশদ্বার, এখানকার হেমকুন্ড সাহিব, আউলি প্রভৃতি অঞ্চলে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যাপক নির্মানকাজ চলেছে। শহরের চাপ মোকাবিলার ক্ষমতা যাচাই না করেই এগুলো চলেছে। অনেক কারনের মধ্যে এই কারনগুলিও ফেলে দেওয়ার মতো নয়, এমনটাই মত কালাচাঁদ বাবুর।

    আরও পড়ুন: ‘বিজেপি ছাড়ুন, নাহলে…’, লস্কর-ই-খালসার হুমকি আরএসএস এবং সেনাকেও 

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শহরের অনেক বাড়িই ধ্বংস হওয়ার মুখে। এ থেকে বাঁচার উপায় নেই। সকলকে নিরাপদে স্থানান্তরিত করার দায়িত্ব নিক সরকার।

    আরও পড়ুন: সহযাত্রীর গায়ে প্রস্রাবকাণ্ডে অভিযুক্ত শঙ্কর মিশ্রের খোঁজ দিল্লি পুলিশ কীভাবে পেল জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Aircraft Crash: মন্দিরের চূড়ায় ধাক্কা খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ল বিমান, মৃত চালক

    Aircraft Crash: মন্দিরের চূড়ায় ধাক্কা খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ল বিমান, মৃত চালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশিক্ষণরত বিমান উড়ছিল মধ্যপ্রদেশের আকাশে। হঠাৎই ঘটলো মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। মধ্যপ্রদেশের রেওয়া জেলার চোরহাটার ডুমরি গ্রামে এদিন মন্দিরে ধাক্কা খেয়ে প্রশিক্ষণরত বিমান মাটিতে ভেঙ্গে পড়ে (Aircraft Crash)
    , ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে প্রশিক্ষণরত বিমান চালকের, দুর্ঘটনার সময় বিমানে উপস্থিত ছিলেন আরও একজন, জানা যাচ্ছে তিনিও আহত হয়েছেন ব্যাপক গুরুতরভাবে। শুক্রবার ভোরে প্রশিক্ষণের সময় একটি মন্দিরের চূড়ায় ধাক্কা খায় বিমানটি (Aircraft Crash)

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঢাকে কাঠি! প্রকাশিত রাজ্যের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা
    । এরপরেই বিমানে আগুন লেগে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন যে বিমান ধাক্কা (Aircraft Crash)
     লাগার কারণে মন্দিরের একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ভেঙে পড়েছে । 

    পুলিশ কী বলছে ?

    পুলিশ ইতিমধ্যে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। জেলার পুলিশ সুপার নভনিত ভাসিন এদিন সাংবাদিকদের বলেন, “শুক্রবার ভোরে প্রশিক্ষণের জন্য বিমান নিয়ে বেরিয়েছিলেন চালক সঙ্গে ছিলেন আরও এক ব্যক্তি। বিমান চালানোর সময় হঠাৎই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চোরহাটার ডুমরি গ্রামে একটি মন্দিরের চূড়ায় ধাক্কা খেয়ে বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ে (Aircraft Crash)
    , এরপরই তাতে আগুন ধরে যায়”।

    আরও পড়ুন: গরু পাচার কাণ্ডে এবারে সিউড়ির ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে তলব সিবিআইয়ের
     গুরুতরভাবে জখম পাইলটকে স্থানীয়রা সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে সঞ্জয় গান্ধী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পাইলটের অন্যতম সহযোগী যিনি দুর্ঘটনার সময় বিমানে উপস্থিত ছিলেন তিনিও ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: প্রাথমিকে চাকরি হারালেন মোট ২৫২ জন! চাকরি হারিয়েও ফের নিয়োগ পেলেন জয়তী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

LinkedIn
Share