Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Hindus Under Attack: ভারতের পাশাপাশি বিদেশেও অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি…

    Hindus Under Attack: ভারতের পাশাপাশি বিদেশেও অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) অব্যাহত। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ১২ অক্টোবর থেকে এই মাসেরই ১৮ তারিখ পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে দেশ এবং বিদেশে।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। উত্তরপ্রদেশের চিত্রকূট জেলার ঘুনুয়া গ্রামে খ্রিস্টান ধর্মান্তর চক্র ভেঙে দিয়েছে চিত্রকূট পুলিশ। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের কর্মীরা জোরপূর্বক ধর্মান্তরের কার্যকলাপের বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করার পর পুলিশ এই পদক্ষেপ নেয়। দু’জনকে পুলিশ আটক করেছে। একজন অভিযুক্ত পালিয়ে গিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে খ্রিস্টান ধর্ম-সাহিত্য বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। উত্তরাখণ্ডের উদ্যম সিং নগরে উত্তেজনা ছড়ায় যখন সমাজের নেতৃবৃন্দ ও এক তরুণীর পরিবার পুলিশের এক সাব-ইনসপেক্টরের বিরুদ্ধে ‘লাভ জিহাদ’ মামলাটি সঠিকভাবে না সামলানোর অভিযোগ তোলেন। ঘটনাটি ছত্তিশগড়ের এক হিন্দু নারী ও এক মুসলিম পুরুষকে কেন্দ্র করে। বিষয়টি ‘লাভ জিহাদ’ নিয়ে ঘটে চলা বিভিন্ন ঘটনার স্মৃতি উসকে দেয়। প্রয়াগরাজে এক নাবালিকা হিন্দু অনাথকে জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও গণধর্ষণের এক মর্মান্তিক ঘটনা সামনে এসেছে।

    অব্যাহত নির্যাতন

    জানা গিয়েছে, প্রায় এক বছর আগে উভাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মহম্মদ আলম কাজ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ওই মেয়েটি ও তার ১০ বছর বয়সী ভাইকে নিয়ে যায়। প্রথমে তাদের এক স্থানীয় খাবারের দোকানে কাজ করানো হয়। কিছুদিন পরে মেয়েটিকে অপহরণ করে অভিযুক্তের বাড়িতে আটকে রাখা হয়, যেখানে তার ওপর নির্যাতন শুরু হয়। কোয়েম্বাটুরের জেলা কালেক্টরের কাছে এক হিন্দু মুন্নানির অভিযোগ, কীরনাথম গ্রামে একটি সিএসআই ক্রাইস্ট চার্চ সরকারি ‘আদিদ্রাবিড়’দের জন্য বরাদ্দ জমিতে জাল পাট্টা নথির মাধ্যমে অবৈধ নির্মাণ করেছে। উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপুরে আহাদ খান নামের এক মুসলিম যুবক নিজের ধর্ম গোপন করে এক হিন্দু নারীকে প্রলুব্ধ করে হোটেলে নিয়ে যায় (Roundup Week)। সতর্ক হিন্দু সংগঠনগুলির দ্রুত হস্তক্ষেপে ঘটনাটি প্রকাশ পায় এবং ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয় (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশের ছবি

    এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা অব্যাহত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের গবেষণা অনুযায়ী, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে আর কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, ধর্ষণ বা জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য – এসবই হিন্দুদের আতঙ্কিত করে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে (Hindus Under Attack)। দুর্গাপুজো নিয়ে ডেপুটি স্টেট মিনিস্টারের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে সাম্প্রদায়িক, বিভাজনমূলক ও বিপজ্জনক আখ্যা দিয়েছে ‘বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।’ ফরিদগঞ্জের মানিকরাজ গ্রামে উদ্ধার হয়েছে বছর তিরিশের সুজন দেবনাথের দেহ (Roundup Week)। পুলিশ সূত্রে খবর, বিকেল প্রায় সাড়ে ৪টে নাগাদ স্থানীয় একটি জলা থেকে উদ্ধার হয় তাঁর ভাসমান দেহ। গাইবান্ধা জেলার থেংগামারা এলাকায় ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক ঘটনায় আবারও বাংলাদেশের হিন্দু সংখ্যালঘুদের দুর্দশা প্রকাশ্যে এসেছে। পালপাড়া গ্রামের এক মহিলার পঞ্চম শ্রেণি পাঠরতা কন্যাকে অপহরণের পর শোকে মুহ্যমান ওই মহিলা। নোয়াখালির সুবর্ণচরে জনৈক সুব্রত দাসকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে খুন করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সবাই এই নিষ্ঠুর দৃশ্য দাঁড়িয়ে দেখলেও, ভয়ে কেউ তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেননি (Hindus Under Attack)।

    খবরে কানাডাও

    কানাডার একটি চিলডেন্স পার্কের কাছে বর্ণবাদী গ্রাফিতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। ওই গ্রাফিতিতে লেখা ছিল “ভারতীয় ইঁদুর”। অ্যাডভোকেসি গ্রুপ যাতে এই ঘটনার দ্রুত তদন্ত করে, সেই আহ্বানও জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে থাকে হিন্দুবিরোধী বিদ্বেষ, যা নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে নিহিত। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুবিদ্বেষ স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে, তবে তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির (যেমন ভারত) প্রতিষ্ঠান এবং জনপরিসরে আরও সূক্ষ্ম (Roundup Week) ধরনের হিন্দুবিরোধী মনোভাব কাজ করে। এই মনোভাব হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাচারণ ও অপরাধের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে (Hindus Under Attack)।

  • ORS: গুণমান ছাড়া শিশুদের পানীয়তে ওআরএস লেবেলিং নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র

    ORS: গুণমান ছাড়া শিশুদের পানীয়তে ওআরএস লেবেলিং নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI) আইন অমান্যের কারণ দেখিয়ে পানীয়ের ওপর থেকে ওআরএস (ORS) লেখা বাদ দেওয়ার নির্দেশ। কেন্দ্রশাসিত এবং রাজ্যগুলিতে এই নির্দেশিকা সমানভাবে কার্যকর হবে। চিনিযুক্ত পানীয় থেকে ওআরএস লেবেলিং সরিয়ে দেওয়ার জন্য হায়দ্রাবাদের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার শিবরঞ্জনী সন্তোষ ৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশেষ সচেতনতা অভিযান চালিয়ে সরব হয়েছিলেন। তাঁর কথায়, “চিনিযুক্ত পানীয় যা ওআরএস, তা কার্যত শিশুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।” অবশেষে মিলেছে সাফল্য। সাফল্যে অত্যন্ত আবেগপূর্ণ তিনি।

    আমরা জিতেছি!

    সরকারের তরফে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI) গত ১৪ অক্টোবর একটি নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছে, ওআরএস একটি স্বতন্ত্র শব্দ। এখন থেকে ওআরএসকে ট্রেডমার্ক হিসেবে ব্যবহার করলে ২০০৬ সালের আইন অনুযায়ী বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ সন্তোষ খুব স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা জিতেছি! আজ একটা নির্দেশিকা জারি হয়েছে। এখন থেকে শিশুদের পানীয়তে কোনও কোম্পানি আর ওআরএস ব্যবহার করতে পারবে না। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন দ্বারা স্বীকৃতি এবং তাদের ফর্মুলাকে অনুসরণ করেই ব্যবহার করতে হবে। আমি এফএসএসএআই, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাই। আজ রাত ১০টা ২০ মিনিটে আমি বলছি এবং যাঁরা শুনছেন প্রত্যেক শিশুর অভিভাবক, ডাক্তার, শিশু, প্রভাবশালী, শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, সাংবাদিক, অ্যাডভোকেট, অভিনেতা-অভিনেত্রী, পডকাস্ট, ইউটিউবার-সহ সকলকে আমার পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানাই।”

    কেন ক্ষতিকর পানীয় (ORS)?

    বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা প্রতি লিটার পানীয়তে ২৪৫ মোট অসমোলারিটি সহ একটি ওআরএস (ORS) দ্রবণ সুপারিশ করে। এতে প্রতি লিটার জলে ২.৬ গ্রাম সোডিয়াম ক্লোরাইড, ১.৫ গ্রাম পটাসিয়াম ক্লোরাইড, ২.৯ গ্রাম সোডিয়াম সাইট্রেট এবং ১৩.৫ গ্রাম ডেক্সট্রোজ অ্যানহাইড্রাস চিনি থাকাটাই দস্তুর। কিন্তু ওআরএস বলে দাবি করা অনেক বাণিজ্যিক পানীয়তে এই মানদণ্ড মেনে চলা হয় না বলে অভিযোগ। এই উপাদানগুলি ওই সব পানীয়তে উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকে। এই সব পানীয়তে প্রায়শই প্রতি লিটারে ১২০ গ্রাম চিনি থাকে এবং এর প্রায় ১১০ গ্রামই আসে অতিরিক্ত চিনি থেকে। এগুলির ইলেক্ট্রোলাইটের মাত্রাও অসামঞ্জস্যপূর্ণ, যেমন প্রতি লিটারে ১.১৭ গ্রাম সোডিয়াম, ০.৭৯ গ্রাম পটাসিয়াম এবং ১.৪৭ গ্রাম ক্লোরাইড, যা ডব্লুএইচও (WHO)-এর সুপারিশকৃত পরিমাণের চেয়ে ঢের কম।

    আইনি লড়াই

    ২০২২ সালে ডাক্তার সন্তোষ তেলেঙ্গনা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। তিনি নিজের করা পিআইএল-এ উল্লেখ করে বলেন, “ডব্লুএইচও (WHO)-এর মান পূরণ না করে কোনও কোম্পানি ফলের রসে ওআরএস বাজারজাত করতে পারবে না। কারণ এই সব পানীয়তে অতিরিক্ত পরিমাণে চিনি এবং অসাম্যঞ্জস্যপূর্ণভাবে ইলেক্ট্রোলাইটের সমীকরণ থাকে, যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভীষণ ক্ষতিকর। শিশুদের পানীয় হিসেবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এই লেবেল যুক্ত ওআরএস।” বিষয়টি প্রথম নজরে আসে তৎকালীন স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ দফতরের সচিব রাজেশ ভূষণের। তারপরেই শুরু হয় বিচার বিভাগীয় তদন্ত। পরবর্তীকালে ২০২২ সালের ৮ এপ্রিল সরকার নির্দেশিকা জারি করে এবং বিজ্ঞপানে ওআরএস লেবেল সীমিত করে। কিন্তু গত ১৪ জুলাই বেশ কিছু কোম্পানি পাল্টা মামলা করলে সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা হয়। চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত কোম্পানিগুলি পেটেন্ট, ডিজাইন এবং ট্রেড মার্কে পণ্যের নামে ওআরএস (ORS) ব্যবহার চালিয়ে যায়। এরপর  ১৪ অক্টোবর ২০২৫ আসে সেই চূড়ান্ত নির্দেশিকা।

  • DIG Harcharan Singh Bhullar: ৭.৫ কোটির বেশি নগদ টাকা, ২.৫ কেজি সোনা, ৫০ টি সম্পত্তি উদ্ধার হরিচরণ ভুল্লার বাড়িতে

    DIG Harcharan Singh Bhullar: ৭.৫ কোটির বেশি নগদ টাকা, ২.৫ কেজি সোনা, ৫০ টি সম্পত্তি উদ্ধার হরিচরণ ভুল্লার বাড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন পঞ্জাবের ডিআইজি হরিচরণ ভুল্লার (DIG Harcharan Singh Bhullar)। তাঁর মতো পুলিশ অফিসার যে দুর্নীতি করে বিপুল সম্পত্তির পাহাড় গড়েছিলেন সেই সত্যকেই এবার প্রকাশ করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই জানিয়েছে, ৭.৫ কোটির বেশি নগদ টাকা, ২.৫ কেজি সোনা, ৫০ টি সম্পত্তি এবং আরও নানা জিনিসের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। সিবিআই-এর (CBI) এই অভিযানে একশ্রেণীর মানুষের মনে প্রশ্ন উঠেছে সরকারি অফিসার এতো সম্পত্তির মালিক কীভাবে হলেন? স্তম্ভিত গোটা পুলিশ মহল এবং আমজনতা! উত্তর নেই ভুল্লারের কাছেও। অবশ্য ভুল্লার নিজেও দুর্নীতি দমনে খুব দক্ষ অফিসার ছিলেন, অথচ নিজেই সেই কাজে এখন অভিযুক্ত। এই প্রশ্নই এখন দেশজুড়ে সমাজমাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে।

    ১০০টি তাজা কার্তুজ সহ চারটি আগ্নেয়াস্ত্রও বাজেয়াপ্ত (DIG Harcharan Singh Bhullar)

    সিবিআই (CBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিআইজি ভুল্লারের (DIG Harcharan Singh Bhullar) বাসভবনে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে ৫ কোটি নগদ টাকা এবং ১.৫ কেজি সোনার অলঙ্কার। সেই সঙ্গে এই বাড়ি থেকে অভিযান চালিয়ে আরও বিপুল পরিমাণ মূল্যবান জিনিসপত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। আবার ভুল্লারের চণ্ডীগড়ের বাসভবন থেকে প্রায় ৭.৫ কোটি টাকা নগদ অর্থ, ২.৫ কেজি ওজনের সোনার গয়না, রোলেক্স এবং রাডোর মতো ব্র্যান্ড সহ ২৬টি বিলাসবহুল ঘড়িও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যের নামে সন্দেহজনক বেশকিছু বেনামী সম্পত্তিরও খোঁজ মিলেছে। এখনও পর্যন্ত ৫০টিরও বেশি স্থাবর সম্পত্তির নথি, লকারের চাবি এবং একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণের তথ্য উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও তাঁর বাড়ি থেকে ১০০টি তাজা কার্তুজ সহ চারটি আগ্নেয়াস্ত্রও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আবার সমরালায়ে ওঁই অফিসারের মালিকানাধীন খামারবাড়ি থেকে ১০৮ বোতল মদ, ৫.৭ লক্ষ টাকা নগদ অর্থ এবং ১৭টি তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

    ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে মোহালিতে গ্রেফতার

    সিবিআই (CBI) আরও জানিয়েছে, ভুল্লার (DIG Harcharan Singh Bhullar) আরও একজন সহযোগীর বাড়ি থেকে ২১ লক্ষ টাকা নগদ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর নথিও উদ্ধার হয়েছে। অভিযুক্ত পঞ্জাব পুলিশের রোপার রেঞ্জের ডিআইজি হরচরণ সিং ভুল্লার এবং তাঁর সহযোগীকে আজ চণ্ডীগড়ের সিবিআই আদালতে হাজির করা হয়েছে। আদালত অভিযুক্ত অফিসার এবং তাঁর সহযোগীকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। উল্লেখ্য ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় মোহালিতে সিবিআইয়ের  হাতে ধরা পড়েন ভুল্লার। এরপরই তথ্যের সূত্রে ধরে চলে অভিযান এবং অবৈধ সম্পত্তি টাকা উদ্ধারের কাজ।

  • Brahmos Missiles: ধনতেরাসেই ব্রহ্মসের প্রথম ব্যাচের ডেলিভারি, উদ্বোধন করবেন যোগী-রাজনাথ

    Brahmos Missiles: ধনতেরাসেই ব্রহ্মসের প্রথম ব্যাচের ডেলিভারি, উদ্বোধন করবেন যোগী-রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ১৮ অক্টোবর যোগী রাজ্য থেকে ডেলিভারি হবে ব্রহ্মসের (Brahmos Missiles) প্রথম ব্যাচের। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সময় পাকিস্তানের রাতের ঘুম ছুটিয়ে দিয়েছিল এই ব্রহ্মস। শক্তিশালী এই সুপারসনিক মিসাইলের ঘায়ে ছারখার হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানের অন্দরমহল। উত্তরপ্রদেশ ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডরের ভাটগাঁও এলাকায় রয়েছে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের লখনউ (Lucknow) ইউনিট। গত ১১ মে, জাতীয় প্রযুক্তি দিবসে এই ইউনিটটির উদ্বোধন করেছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    কী বলেছিলেন রাজনাথ? (Brahmos Missiles)

    ব্রহ্মস ইন্টিগ্রেশন ও টেস্টিং ফ্যাসিলিটি সেন্টারের ভার্চুয়াল উদ্বোধনী ভাষণে তিনি বলেছিলেন, “অপারেশন সিঁদুর শুধুমাত্র একটি সামরিক অভিযানই ছিল না, এটি ছিল ভারতের রাজনৈতিক, সামাজিক ও কৌশলগত দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক।” লখনউয়ের এই ইউনিটটি তৈরি করতে ব্যয় হয়েছে ৩০০ কোটি টাকা। ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই মিসাইল প্রথম দিকে বছরে ৮০-১০০টি তৈরি করার টার্গেট নেওয়া হয়েছিল। পরে এই লক্ষ্যমাত্রাই বাড়িয়ে করা হয় ১৫০টি। এই কারখানায় যেমন একদিকে মিসাইল উৎপাদন হয়, ঠিক তেমনই একই সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এবং তার চূড়ান্ত মানও নির্ণয় করা হয়। শনিবার, ধনতেরাসের দিন এই কারখানা থেকে বের হবে ব্রহ্মসের প্রথম ব্যাচ। জানা গিয়েছে, শুধু ভারতের জন্য মিসাইল উৎপাদন নয়, অস্ত্র রফতানির জন্যও ব্রহ্মস উৎপাদন করা হবে। বিশ্ব বাণিজ্যে সমরাস্ত্র রফতানিতে নয়া বাজার ধরতে চাইছে ভারত (Brahmos Missiles)।

    অনুষ্ঠানসূচি

    জানা গিয়েছে, এদিন মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগে উদ্বোধন করা হবে বুস্টার ভবনের। বুস্টার ডকিং প্রক্রিয়ার একটি প্রদর্শনীতেও যোগ দেবেন যোগ এবং রাজনাথ। এয়ারফ্রেম এবং এভিওনিক্স, ওয়ারহেড ভবনে পিডিআই এবং ব্রহ্মস সিমুলেটর সরঞ্জামের ওপর অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীও ঘুরে দেখবেন তাঁরা। পালিত হবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও। একটি স্টোরেজ ট্রলি প্রদর্শনী, জিএসটি বিল উপস্থাপনা এবং মোবাইল অটোনমাস লঞ্চারও প্রদর্শিত হবে। প্রসঙ্গত, লখনউয়ের ব্রহ্মস উৎপাদন ইউনিটটি ২০১৮ সালের গ্লোবাল ইনভেস্টরস সম্মেলনে ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর প্রকল্পের অংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয় ওই প্রকল্পের। এই প্রতিরক্ষা করিডরে ছ’টি কেন্দ্র রয়েছে। এগুলি হল (Lucknow), লখনউ, কানপুর, আলিগড়, আগ্রা, ঝাঁসি এবং চিত্রকূট (Brahmos Missiles)।

  • PM Modi on Unstoppable Bharat: “ভারতকে আর থামানো যাবে না, ভারত সব চ্যালেঞ্জকে জয় করেছে” দাবি প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi on Unstoppable Bharat: “ভারতকে আর থামানো যাবে না, ভারত সব চ্যালেঞ্জকে জয় করেছে” দাবি প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এখন থামার মেজাজে নেই। পথে অনেক ধরনের বাধা রয়েছে। তা সত্ত্বেও ভারতের অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে। দিল্লির ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৫-এ “অপ্রতিরোধ্য ভারত: বর্তমানের শক্তি” (Unstoppable Bharat: The Force of Now) শীর্ষক বক্তৃতায় এমনই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি বলেন, একসময়ের ‘ফ্র্যাজাইল ফাইভ’-এর অংশ থাকা ভারত আজ বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি অর্থনীতির একটি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের বিশ্বে নানা অনিশ্চয়তা ও সঙ্কট থাকলেও, ভারত থেমে নেই। ১৪০ কোটির বেশি ভারতবাসী দৃঢ় সংকল্পে এগিয়ে চলেছে।”

    ভারত সব চ্যালেঞ্জকে জয় করেছে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৪ সালের পূর্ববর্তী সময়কে স্মরণ করে বলেন, “আগে বিশ্ব ভাবত, ভারত এই দুর্যোগ সামলাতে পারবে তো? নীতি স্থবিরতা, দুর্নীতি, নারীদের নিরাপত্তাহীনতা, সন্ত্রাসবাদ ও মূল্যবৃদ্ধি ছিল দেশের বড় সমস্যা। কিন্তু গত ১১ বছরে ভারত সব চ্যালেঞ্জকে জয় করেছে।” প্রধানমন্ত্রী জানান, কোভিডের পর বিশ্ব যখন মন্দায় পড়েছিল, তখনও ভারত ৭.৮% গড় হারে প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে। তাঁর কথায়, “কোভিড, যুদ্ধ, বৈশ্বিক সঙ্কট — সবকিছুর মধ্যেও ভারত এগিয়ে গিয়েছে। আজ মূল্যস্ফীতি ২%–এর নিচে, আর প্রবৃদ্ধি ৭%–এর উপরে।”

    আত্মনির্ভর ভারত

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “চিপ থেকে জাহাজ পর্যন্ত, সর্বত্রই রয়েছে আত্মনির্ভর ভারত। আজ ভারত আত্মবিশ্বাসী, সক্ষম, এবং সারা বিশ্বে একটি নির্ভরযোগ্য, দায়িত্বশীল ও স্থিতিশীল অংশীদার।” প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতা নিয়েও মোদি বলেন, “ভারত আজ বিশ্বের অন্যতম দেশ যারা নিজেদের ৪জি স্ট্যাক তৈরি করেছে, এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ডিজিটাল নেটওয়ার্ক পৌঁছে দিচ্ছে।” তিনি জানান, গুগলসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ভারতের শক্তি ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে বিনিয়োগ করছে। জিএসটি ও আয়কর সংস্কারের ফলে নাগরিকদের ২.৫ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। ডিজিটাল অর্থনীতির ক্ষেত্রেও মোদি বলেন, “আজকের দিনে বিশ্বজুড়ে হওয়া ডিজিটাল লেনদেনের ৫০ শতাংশই ভারতে হচ্ছে, ইউপিআই ব্যবস্থার মাধ্যমে।”

    সন্ত্রাসবাদের যোগ্য জবাব

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের অবস্থান নিয়েও এদিন মোদি বলেন, “আজকের ভারত আর নীরব থাকে না, প্রত্যুত্তর দেয় সার্জিকাল স্ট্রাইক, এয়ার স্ট্রাইক ও ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মাধ্যমে।” নকশাল সন্ত্রাস প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নকশালবাদ ভারতের যুব সমাজের সঙ্গে এক ভয়ানক অবিচার, এক গর্হিত পাপ।” দেশজুড়ে মাওবাদী দমন অভিযানে ‘ঐতিহাসিক সাফল্য’ অর্জনের দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার রাতে এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৫-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০৩ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন। তিনি বলেন, তাঁর সরকার ‘দেশীয় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান’ নিয়েছে এবং ‘রক্তপাতের যে দীর্ঘ ইতিহাস’, তা শেষ করার প্রয়াস চলছে। মোদি বলেন, “গত ৫০-৫৫ বছরে হাজার হাজার মানুষ মাওবাদী সন্ত্রাসে প্রাণ হারিয়েছেন। এই নকশালরা স্কুল-হাসপাতাল গড়তে দিত না, চিকিৎসকরা যাতে গ্রামে যেতে না পারেন, তার জন্য হামলা চালাত, প্রতিষ্ঠান উড়িয়ে দিত। মাওবাদী সন্ত্রাস যুবসমাজের প্রতি এক ভয়ঙ্কর অন্যায় ছিল।”তিনি আরও যোগ করেন, “আমি বহুবার ভিতরে ভিতরে ক্ষুব্ধ হতাম। আজ প্রথমবার সেই বেদনা আমি প্রকাশ করছি।” তিনি জানান, গত এক দশকে নকশাল-প্রভাবিত জেলার সংখ্যা ১২৫ থেকে নেমে এসেছে মাত্র ১১-তে। তিনি বলেন, “এক সময়ের খবর ছিল — বস্তারে বিস্ফোরণে উড়ে যাওয়া গাড়ি, শহিদ জওয়ান। আজ সেখানে হচ্ছে ‘বস্তার অলিম্পিক’। এটি এক বিশাল পরিবর্তন।”

    ব্যাঙ্কিং সেক্টর থেকে গ্যাসের সংযোগ

    প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “আমরা ব্যাঙ্কিং সেক্টরে সংস্কার করেছি। আজ গ্রামে গ্রামে ব্যাঙ্ক পৌঁছে গিয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী মোদি ২০১৪ সালের উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, “২০১৪ সালে গ্যাসের সংযোগ জন্য মানুষকে হয়রান হতে হত। তখন সাংসদরা কুপন পেতেন, যার ভিত্তিতে গ্যাস কানেকশন পাওয়া যেত। সাংসদদের বাড়ির সামনে মানুষ লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকত। আজ বিজেপি সরকার ১০ কোটি গরিব মানুষকে বিনামূল্যে গ্যাস কানেকশন দিয়েছে।” সমাপ্তিতে মোদি বলেন, “বিশ্ব যখন অনিশ্চয়তার কিনারায় দাঁড়িয়ে, ভারত তখন সুযোগের দ্বারে। আমরা ঝুঁকিকে রূপান্তর করেছি সংস্কারে, সংস্কারকে রূপ দিয়েছি স্থিতিতে, আর স্থিতিকে এক বিপ্লবে।” এই সামিটে প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক এবং শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনী অমরসূরিয়া উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির ভূয়সী প্রশংসা করেন।

  • JK Accession: জম্মু-কাশ্মীরের ভারতভুক্তি কোন অবদান ছিল আরএসএসের গুরুজির?

    JK Accession: জম্মু-কাশ্মীরের ভারতভুক্তি কোন অবদান ছিল আরএসএসের গুরুজির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটিশ কবলমুক্ত হয়ে ভারত স্বাধীনতা লাভ করেছিল ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট। এরও দু’মাসেরও বেশি সময় পরে জম্মু-কাশ্মীর যুক্ত (JK Accession) হয়েছিল ভারতের সঙ্গে। দিনটি ছিল ২৬ অক্টোবর, ১৯৪৭।

    ভারত-ভঙ্গ (JK Accession)

    ভারতের স্বাধীনতা লাভ, দেশভাগ এবং পাকিস্তান সৃষ্টির ঘটনা এত দ্রুত ঘটে গিয়েছিল যে, এর সঙ্গে যুক্ত কারও জন্যই সময়টি সহজ ছিল না (Guruji Golwalkar)। ব্রিটিশদের জন্য তো নয়ই, নয় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দের জন্যও, যাঁরা স্বাধীনতা লাভ করতে জান-প্রাণ এক করেছিলেন। কারণ দেশপ্রেমিক ভারতীয়দের জন্য এই ভারত-ভঙ্গ ছিল এমন এক গভীর আঘাত, যা এর আগে কখনও অনুভব করেননি তামাম ভারতবাসী। দেশভাগ, যার ফলে জন্ম হয়েছিল পাকিস্তানের, তা আজও ভারতের জন্য এক দগদগে ঘায়ের মতো। ১৯৪৭ সালের অক্টোবরে এটি ছিল একটি তাজা ও গভীর ক্ষত, বিশেষ করে জম্মু ও কাশ্মীরের ক্ষেত্রে। সেই সময় দেশীয় রাজ্য ছিল ভূস্বর্গ। এর অর্ধেকেরও বেশি ভূখণ্ড পাকিস্তানের হাতে চলে গিয়েছিল এক বিশ্বাসঘাতক হামলার মাধ্যমে। পাকিস্তান মহারাজা হরি সিংকে ধোঁকা দিয়ে বিশ্বাস করিয়েছিল যে তাদের উদ্দেশ্য সম্মানজনক ও সৎ। অগাস্ট ১৯৪৭-এ যখন মহারাজা স্ট্যান্ডস্টিল চুক্তিতে সই করেছিলেন, পাকিস্তান তখন সেই কথাই বলেছিল।

    সংঘচালক বদ্রী দাস

    পাঞ্জাব ও বাংলায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও অস্থিরতা দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে পণ্ডিত প্রেম নাথ ডোগরা মহারাজাকে পরামর্শ দেন যাতে তিনি দ্রুত তাঁর রাজ্যকে ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত করেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি জনমত গঠন করেন এবং বহু রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি মহারাজার কাছে পেশ করেন। প্রতিবেশী পাঞ্জাবের সংঘচালক বদ্রী দাস স্বয়ং মহারাজার সঙ্গে দেখা করেন। তার পরেও সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলেন মহারাজা হরি সিং।

    হরি সিংয়ের প্রতি বৈরিতা

    কী কারণে মহারাজার এই দশা? এর উত্তর হল স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মহারাজা হরি সিংয়ের প্রতি বৈরিতা। সেই কারণেই মহারাজা দ্রুত স্বাধীন ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে আগ্রহ দেখাননি। এই হিংসার শেকড় মেলে ১৯৪৬ সালের গ্রীষ্মকালের কোহালা ঘটনায়। সেই সময় নেহরু, তাঁর বন্ধু (দেশদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত) শেখ মহম্মদ আবদুল্লাকে রক্ষা করতে শ্রীনগরে যাওয়ার (Guruji Golwalkar) চেষ্টা করেছিলেন। সেই সময় আবদুল্লা ছিলেন গারদে। পথে বাধা দেওয়া হয় নেহরুকে। তাঁকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, হরি সিংয়ের রাজ্যে আর এগোতে পারবেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এই ঘটনাই নেহরুর মানসিকতায় গভীর ছাপ ফেলেছিল। এর পর থেকে তিনি হরি সিংকে শত্রু হিসেবেই বিবেচনা করতে শুরু করেন (JK Accession)।

    জম্মু-কাশ্মীরের ইতিহাসে স্মরণীয় দিন

    ১৭ অক্টোবর, জম্মু-কাশ্মীরের ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। কারণ ১৯৪৭ সালের এই দিনেই শ্রী গুরুজি গোলওয়ালকর শ্রীনগরে মহারাজা হরি সিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। এজন্য গুরুজি দিল্লি থেকে বিমানে শ্রীনগর গিয়েছিলেন এবং মহারাজাকে তৎক্ষণাৎ ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে রাজি করিয়েছিলেন। গুরুজি তিন দিন শ্রীনগরে থেকে দিল্লিতে ফেরেন ১৯ অক্টোবর। এর পর তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের অসংখ্য কর্মীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। ১৯৪৭ সালে ভারতে ৫৬০টিরও বেশি দেশীয় রাজ্য ছিল। এই দেশীয় রাজ্যগুলির নিজ নিজ ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার ছিল। তারা চাইলে ভারত কিংবা পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হতে পারত। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমাও ছিল না। তা সত্ত্বেও হরি সিংয়ের প্রতি নেহরুর বৈরী মনোভাবের কারণেই সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলেন ভূস্বর্গের মহারাজা। অথচ, ১৯৩০-৩১ সালেই লন্ডনে অনুষ্ঠিত দেশীয় রাজ্যগুলির গোলটেবিল বৈঠকে মহারাজা স্পষ্টভাবে ভারতের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন (JK Accession)।

    নেহরুর চালাকি!

    মনে রাখতে হবে, নেহরু মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্ব পালন করেছিলেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। দেশীয় রাজ্যগুলিকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার দায়িত্ব ন্যস্ত হয়েছিল তাঁর ওপরই। অথচ, জম্মু-কাশ্মীর ছিল এমন এক দেশীয় রাজ্য, যেটির ব্যাপারে নেহরু নিজেই সিদ্ধান্ত নেন যে এটি তিনি তাঁর নিজের হাতে রাখবেন (Guruji Golwalkar)। নেহরু সরাসরি এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন। কারণ তিনি তাঁর বন্ধু শেখ আবদুল্লাকে একটি সুবিধাজনক চুক্তি দিতে চেয়েছিলেন। নেহরুর এই ব্যক্তিগত ইচ্ছাই জম্মু-কাশ্মীর সমস্যার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে দেয়। নেহরু চেয়েছিলেন হরি সিংহকে জব্দ করতে। ইচ্ছে পূরণে তিনি যেসব পদক্ষেপ করেছিলেন, তার জেরেই জম্মু-কাশ্মীর সম্পর্কিত বহু জটিল সমস্যার সৃষ্টি হয়, যার মোকাবিলা আজও করতে হচ্ছে ভারতকে। হরি সিং জানতেন, পাকিস্তানে যোগ দিলে হিন্দুরা নির্যাতনের শিকার হবেন। তাই পাকিস্তানের সঙ্গে যোগ দিতে চাননি তিনি।

    গুরুজির হাতযশ

    ক্রান্তিকাল। এহেন পরিস্থিতিতে গুরুজির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার ১০ দিনের মধ্যেই হরি সিং স্বাক্ষর করেন ভারতভুক্তির দলিলে। তাঁর পুরো রাজ্য একীভূত হয়ে যায় ভারতের সঙ্গে (Guruji Golwalkar)। তবে বিষয়টি এখানেই শেষ হয়নি, এ রাজ্যের বিরাট একটা অংশ, যেমন গিলগিট-বালতিস্তান, পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর (PoJK) এবং আরও কিছু অঞ্চল তৎকালীন সরকার রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছিল। এই অঞ্চলগুলি জোর করে দখল করে ফেলেছিল পাকিস্তান। যার মাশুল ভারতীয়দের গুণতে হচ্ছে আজও (JK Accession)।

  • Amit Shah: “বাংলায় এসআইআর হবেই”, মমতাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে অনড় বার্তা অমিত শাহের

    Amit Shah: “বাংলায় এসআইআর হবেই”, মমতাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে অনড় বার্তা অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় এসআইআর হবেই।” এবার মমতাকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জবাব দিলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা এবং ভুয়ো ভোটারদের ভোটার লিস্ট থেকে বাদ দিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশন নিবিড় সংশোধন করবে। আর এই কাজের সরাসরি বিরোধিতা করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। মমতার দাবি, কেন্দ্র নাকি এসএইআর-কে হাতিয়ার করে এনআরসি করার গভীর ষড়যন্ত্র করছে। ইতিমধ্যে রাজ্যের বিরোধী দলনেতাও নাগরাকাটায় সাফ জানিয়েছেন, এসআইআর-এ (SIR) বাধা দিলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে রাজ্যে।

    জালিয়াতি রুখতে এসআইআর

    প্রতিবেশী রাজ্য বিহারে নভেম্বরেই বিধানসভা নির্বাচন। ওই রাজ্যে এসআইআর-এর কারণে ৬৭ লক্ষের বেশি অবৈধ নাম বাদ পড়েছে। নির্বাচনের আবহেই পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রসঙ্গ নিয়ে আজতক সংবাদ মাধ্যমে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “বিহারেও অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব একই কথা বলেছিলেন। সেখানেও সকলেই নথি জমা দিয়েছেন। এখন নির্বাচনও হবে। আর একই বিষয় বাংলাতেও হবে। ভোট ব্যাঙ্কে প্রভাব পড়বে, তাই বিরোধীদের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচনে জালিয়াতি রুখতে এসআইআর (SIR) একান্ত প্রয়োজন।” শাহ খুব স্পষ্ট করে বলে দেন বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে এসআইআর হবেই।

    ১৯৫৩ সালে এই কাজ শুরু হয়েছে

    বাংলায় এসআইআর ইস্যু নিয়ে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে তোপ দেগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “দেশে এই প্রথমবার এসআইআর (SIR) হচ্ছে না। ১৯৫৩ সালে এই কাজ শুরু হয়েছে। অর্থাৎ রাহুল গান্ধির ঠাকুমার বাবার আমল থেকেই এই কাজ শুরু হয়েছে। আমাদের সংবিধান নির্মাতারাই এই ব্যবস্থা তৈরি করে দিয়ে গেছেন। ভোটার তালিকাকে সংশোধন করতেই এই কাজ করা হয়। গত ১০, ১২ এবং ১৭ বছরে অনেক ভোটারদের মৃত্যু হয়েছে। এই সত্য হয়তো রাহুলকে কেউ বলেননি। এমন অনেকে রয়েছেন যারা কাজের জন্য ঠিকানা বদল করে নিয়েছে। এই সমস্ত ভোটারদের নাম বাতিল করা প্রয়োজন। তাই এসআইআর হবেই।”

  • Gujarat: গুজরাট মন্ত্রিসভায় বিরাট রদবদল, বহু নতুন মুখ, মন্ত্রী হলেন ক্রিকেটার জাডেজার স্ত্রী

    Gujarat: গুজরাট মন্ত্রিসভায় বিরাট রদবদল, বহু নতুন মুখ, মন্ত্রী হলেন ক্রিকেটার জাডেজার স্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে (Gujarat) বিজেপি সরকারের বড়সড় প্রশাসনিক রদবদলে ২৬ জন নতুন মন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেছে। মন্ত্রী পদে একাধিক নতুন মুখ উঠে এসেছে। যার মধ্যে বিশেষ চমক রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটার রবীন্দ্র জাদেজার স্ত্রী রিভাবা জাদেজা। তবে মন্ত্রীপরিষদে এই রদবদলের আগে মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র প্যাটেল (Bhupendra Patel) ছাড়া বাকি সমস্ত মন্ত্রীকে ইস্তফাপত্র দিতে হয়েছিল। ২০২৭ সালে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এক কৌশলগত রণনীতির প্রয়োগ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। নরেন্দ্র মোদির হাত ধরেই লাগাতার গুজরাটে একক ভাবে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। তাই আগামী নির্বাচনে বিজেপির জয়কে আরও সুনিশ্চিত করতে আড়াই বছরের মাথায় এই রদবদল বিরাট ইঙ্গিত দেবে বলে মনে করেছে রাজ্যের ওয়াকিবহাল মহল।

    ২৬ জন মন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেছেন (Gujarat)

    বৃহস্পতিবার গুজরাট (Gujarat) বিজেপির এক প্রবীণ বিজেপি নেতা সাংবাদিক সম্মলেন করে জানিয়েছিলেন, দুপুরের মধ্যে সমস্ত মন্ত্রীরা পদত্যাগপত্র দেবেন। সেই মতোই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে দফতরও খালি করাও হয়েছিল। এরপর মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র প্যাটেল (Bhupendra Patel) রাজ্যপাল আচার্য দেবব্রতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং নতুন মন্ত্রিসভার নাম সহ তালিকা জমা করেছিলেন। শুক্রবার আনুষ্ঠানিক ভাবে গুজরাটের নতুন উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে হর্ষ সাংভি শপথ গ্রহণ করেন।

    নতুন মন্ত্রীসভায় ভুপেন্দ্রের নেতৃত্বে মোট ২৬ জন মন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেছেন। মন্ত্রীসভায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ত্রিকম বিজলি ছাঙ্গা, স্বরূপজি সরদারজি ঠাকোর, প্রভেণকুমার মালি, রুষিকেশ গণেশভাই প্যাটেল, পিসি বারাণ্ডা, দর্শনা এম ভাগেলা, কান্তারতালাল শিবলাল আমরুতিয়া, কুন্বরজি মোহনভাই বাভালিয়া, রিভাবা রবীন্দ্রসিনহ্ জাদেজা, অর্জুনভাই দেবাভাই মোঢ ভাডিয়া, ড. প্রদ্যুমান বাজা, কৌশিক কান্তিভাই ভেজারিয়া, পুরুষোত্তম ও. সোলাঙ্কি এবং জিতেন্দ্রভাই সাভজিভাই ভাগানি।

    এছাড়াও মন্ত্রী সভায় রয়েছেন রামনভাই ভিখাভাই সোলাঙ্কি, কামলেশভাই রমেশভাই প্যাটেল, সঞ্জয়সিনহ্ রাজয়সিনহ্ মাহিদা, রমেশভাই ভুরাভাই কাটারা, মনীষা রাজীবভাই ভাকিল, ঈশ্বরসিনহ্ ঠাকোরভাই প্যাটেল, প্রফুল পন্সেরিয়া, হর্ষ সাংঘভি (উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন), ড. জয়রামভাই চেমাভাই গামিত, নরেশভাই মাগনভাই প্যাটেল এবং কানুভাই মোহনলাল দেশাই। ১৮২ বিধানসভা আসনবিশিষ্ট গুজরাটের সর্বোচ্চ ২৭ জনকে মন্ত্রী করা যায়। আগের মন্ত্রীসভায় মোট ১৭ জন সদস্য ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও আটজন পূর্ণমন্ত্রী এবং আটজন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। এইবারে সংখ্যাটা বৃদ্ধি হওয়ায় একে সম্প্রসারণই বলা যায়।

    ফের ২০২৭ সালে ক্ষমতায়নের লক্ষ্য

    নতুন মন্ত্রীদের মধ্যে জাতি ভিত্তিক অঙ্ককেও মাথায় রেখে সমীকরণ করা হয়েছে। গুজরাটের (Gujarat) নতুন মন্ত্রীসভায় আটজন সদস্য ওবিসি তালিকা ভুক্ত। যার মধ্যে ছয়জন গুজরাটের প্রভাবশালী পাটিদারগোষ্ঠীর মানুষ। চারজন আদিবাসী সম্প্রদায় ভুক্ত, তিনজন তফশিলি জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ। মন্ত্রীদের মধ্যে দুজন ক্ষত্রিয় সম্প্রদায়, একজন ব্রাহ্মণ আর একজন জৈন। গুজরাট বিজেপির পর্যবেক্ষকদের অবশ্য মত নতুন মন্ত্রীসভা গঠনে দল আরও মজবুত হবে। দলের সাংগঠনিক কাজের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে। সরকারের নানা জনমুখী প্রকল্পের বাস্তবায়ন আরও দ্রুত হবে। রাজনৈতিক, প্রশাসনিক এবং সাংগঠনিক ভাবে বিজেপির শক্তিকে ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে আরও সুদূরপ্রসারী করতেই দলের এই সিদ্ধান্ত বলে বলে মনে করেছেন বিশেজ্ঞরা।

    রাজনৈতিক ওঠা-পড়া

    গুজরাটে (Gujarat) বিজেপির সাংগঠনিক এবং প্রশাসনিক রদবদল অবশ্য নতুন কিছু নয়। আগেও একাধিকবার পট পরিবর্তন হয়েছে। ২০১৪ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব গ্রহণের পর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন আনন্দীবেন প্যাটেল। তিনি অবশ্য পরবর্তী সময়ে উত্তর প্রদেশের রাজ্যপাল হিসেবে নিযুক্ত হন। কিন্তু ২০১৬ সালের অগাস্ট মাসেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে পদত্যাগপত্র দিলে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসেন বিজয় রুপাণী। বিজয়ের নেতৃত্বে সেই বছর বিধানসভা নির্বাচন লড়ে বিজেপি। কিন্তু বিজয়কে ২০২১ সালে দলের নির্দেশে নির্বাচনের আগেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হয়। পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হন ভুপেন্দ্র প্যাটেল (Bhupendra Patel) এবং তাঁর নেতৃত্বে ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় আসে। ২০২৭ সালের গুজরাট নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে বিজেপির এই রণকৌশল আরও সাফল্য অর্জন করবে বলে আত্মবিশ্বাসী বিজেপির কর্মী সমর্থকরা।

  • Tejas MK1A: আত্মনির্ভরতার পথে আরও এক ধাপ, রাজনাথের সামনে তেজস মার্ক-১এ ফাইটারের প্রথম উড়ান

    Tejas MK1A: আত্মনির্ভরতার পথে আরও এক ধাপ, রাজনাথের সামনে তেজস মার্ক-১এ ফাইটারের প্রথম উড়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:বায়ুসেনার অস্ত্রভাণ্ডারে যুক্ত হতে চলেছে তেজসের (Tejas MK-1A) উন্নততর সংস্করণ মার্ক-১এ। শুক্রবার নাসিকের বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে প্রথমবার আকাশে ডানা মেলল এই যুদ্ধবিমানটি। শুক্রবার নাসিকে তেজসের তৃতীয় উৎপাদন শাখা উদ্বোধন করলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। পাশাপাশি, এইচটিটি-৪০ প্রশিক্ষণ বিমানের দ্বিতীয় উৎপাদন শাখাও চালু করলেন তিনি। আত্মনির্ভর ভারতকে আরও শক্তিশালী করতে হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL)-এর নাসিক ক্যাম্পাসে এদিন উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh)।

    আত্মনির্ভর ভারতের প্রকৃত উদাহরণ

    এদিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh) হ্যাল-এর ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, “দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা বৃদ্ধিতে হ্যাল একটি মজবুত স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছে। আজকের দিনটি গর্বের দিন।” তিনি আরও বলেন, “এটি আমার প্রথমবার হ্যাল-এর নাসিক ক্যাম্পাসে আসা। এখানে কর্মীদের মুখে আমি গর্ব আর উচ্ছ্বাস দেখেছি। তেজস মার্ক-১এ (Tejas MK-1A) ও সুখোই-৩০ বিমানের পাইলটদের আমি শুভেচ্ছা জানাই। আজ সুখোই-৩০, মার্ক-১এ ও এইচটিটি-৪০ বিমানের উড়ান দেখে আমার হৃদয় গর্বে ভরে উঠেছে। এটি আত্মনির্ভর ভারতের প্রকৃত উদাহরণ। একসময় এই স্থানে মিগ বিমান তৈরি হতো, আর আজ এখান থেকে তৈরি হচ্ছে আধুনিক সুখোই জেট। এটা এক বিশাল অগ্রগতি।” তিনি আরও বলেন, “নাসিকের এই ভূমি ঐতিহাসিক। ত্রিম্বকেশ্বর রূপে এখানে অধিষ্ঠিত আছেন শিব ঠাকুর। এই ভূমি যেমন বিশ্বাস ও ভক্তির প্রতীক, তেমনই আজ আত্মনির্ভরতারও প্রতীক হয়ে উঠেছে। এখানে হ্যাল আমাদের প্রতিরক্ষা শক্তির প্রতিচ্ছবি।”

    বায়ুসেনার হাতে হস্তান্তর কবে

    ২০১৬ সালে ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে আসে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তেজস যুদ্ধবিমান। এরপর থেকে ক্রমে বিমানটিকে আরও উন্নত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে হ্যাল (হিন্দুস্তান এরোনটিক্স লিমিটেড )। এবার বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিমান তৈরিতে আত্মনির্ভর হওয়ার লক্ষ্যে দ্রুত এগোচ্ছে মোদি সরকার। জানা গিয়েছে, দশটি মার্ক-১এ বিমান তৈরি করে পরীক্ষা করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। কিন্তু এখনও এর চূড়ান্ত উড়ান পরীক্ষা এবং অস্ত্রসজ্জা বাকি রয়েছে। সেই কারণেই বায়ুসেনার হাতে এই বিমান হস্তান্তর করতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।

    ৬৫ শতাংশ মেক ইন ইন্ডিয়া

    এদিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, সুখোই-৩০, এলসিএ তেজস ও এইচটিটি-৪০ এই তিনটি বিমান নাসিক ইউনিটে তৈরি হওয়া মানে দেশের আত্মনির্ভরতার আকাশে উড্ডয়ন। তিনি জানান, ২০১৪ সালের আগে দেশের প্রায় ৬৫-৭০ শতাংশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানি করতে হতো, কিন্তু বর্তমানে প্রায় ৬৫ শতাংশ দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। রাজনাথ সিং আরও বলেন, “উদীয়মান প্রযুক্তি মানে শুধু নতুন সরঞ্জাম বা যন্ত্র নয়; এটি একটি নতুন মানসিকতারও প্রতীক। আমরা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছি, এবং এখন আমাদের চিন্তাভাবনাকে আরও প্রসারিত করার সময় এসেছে। এটাই আমাদের ভারতের জন্য সময়ের দাবি।”

    তেজস মার্ক-১এ তে কী আছে

    তেজস মার্ক-১-এর উন্নততর সংস্করণ তেজস মার্ক-১এ একক আসনের যুদ্ধবিমান। মার্ক-১এ ৪.৫-প্রজন্মের হালকা যুদ্ধবিমান। এটি একক ইঞ্জিনের বিমান। এই বিমানে উন্নত এভিওনিক্স যুক্ত ক্লরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি অ্যাক্টিভ ইলেকট্রনিকলি স্ক্যানড অ্যারে (AESA) রাডার এবং স্ট্যান্ডার্ড মার্ক-১-এর তুলনায় বেশি অস্ত্রসম্ভার থাকবে এই এই বিমানে। মার্ক-১এ বিমানের মূল বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে একটি জিই এফ৪০৪-আইএন২০ ইঞ্জিন। এই বিমানে সর্বোচ্চ ৫,৩০০ কেজি পেলোড বহন করা সম্ভব। মার্ক-১এ যুদ্ধবিমানের সর্বোচ্চ টেকঅফ ওজন প্রায় ১৩,৫০০ কেজি এবং সর্বোচ্চ গতি মাক ১.৮। বিমানটিতে এইএসএ রাডার, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার (EW) স্যুট এবং আকাশে ওড়ার সময়েই জ্বালানি ভরার মত উন্নত ক্ষমতা যুক্ত করা হয়েছে।

    তেজস মার্ক-১এ ঐতিহাসিক মাইলফলক

    হ্যালের দাবি, বায়ুসেনার হাতে তেজস তুলে দেওয়ার পথে প্রধান বাধা ইঞ্জিন। জিই-র ৪০৪ ইঞ্জিন আসার কথা রয়েছে মার্কিন মুলুক থেকে। এখনও পর্যন্ত মাত্র চারটি ইঞ্জিন পেয়েছে হ্যাল। অক্টোবরের শেষে আরও দুটি ইঞ্জিন আসার কথা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ইঞ্জিনের জোগানের সমস্যার সমাধান হলেই তেজসের সাপ্লাই সঠিক হবে। তেজস মার্ক-১এ বিমানের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিমানে অ্যাস্ট্রা এবং আসরাম ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করার ক্ষমতা। ২০২৯ সালের মধ্যে ৮৩টি মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান সরবরাহের জন্য চুক্তি করা হয়েছে হ্যালের সঙ্গে। ২৫ সেপ্টেম্বর একটি নতুন চুক্তিতে আরও ৯৭টি বিমান সরবরাহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই সংস্থাকে। ২০২৭ থেকে ২০৩৪ সালের মধ্যে এই বিমান তুলে দিতে হবে বায়ুসেনার হাতে। এদিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, তেজস এলসিএ মার্ক-১এ যুদ্ধবিমানের প্রথম সফল উড্ডয়ন ভারতীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদনে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।

     

     

     

     

  • India Pakistan: ‘‘প্রতিবেশীদের দোষারোপ পাকিস্তানের পুরনো অভ্যাস’’, পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    India Pakistan: ‘‘প্রতিবেশীদের দোষারোপ পাকিস্তানের পুরনো অভ্যাস’’, পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসবাদকে আশ্রয় ও মদত দিয়ে আসছে। নিজেদের ব্যর্থতার দায় প্রতিবেশী দেশের উপর চাপিয়ে দেওয়া তাদের পুরনো অভ্যাস। আফগানিস্তানের (Pakistan Afghanistan) সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের মধ্যেই সন্ত্রাস ইস্যুতে পাকিস্তানকে সরাসরি আক্রমণ শানাল ভারত। বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের (India Pakistan) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এমনই দাবি করেন। পাক-আফগান যুদ্ধে কার্যত আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়ে জয়সওয়াল বলেন, ‘‘আফগানিস্তান নিজেদের মাটিতে সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে। তাতে পাকিস্তান ক্ষুব্ধ। আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা এবং স্বাধীনতার প্রতি ভারত শ্রদ্ধাশীল।’’

    পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘর্ষ

    আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বাহিনীর সঙ্গে সীমান্তে সংঘর্ষ বেঁধেছে পাকিস্তানের। এই পরিস্থিতিতে গা বাঁচাতে ফের ভারতকেই ঢাল করতে চাইলেন পাক মন্ত্রী। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খওজা আসিফ। আফগানিস্তানের সঙ্গে বর্তমান সম্পর্কের সমীকরণের প্রেক্ষাপটে কি ভারতের সঙ্গে সীমান্তে উত্তেজনার কোনও সম্ভাবনা রয়েছে? এই প্রশ্নের জবাবে খওজা আসিফ বলেন, ‘পাকিস্তান দুই তরফের সঙ্গেই যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।’ এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও দাবি করেছেন, ‘সীমান্তে ভারতের নোংরা নীতি নেওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে’। তাঁর দাবি, তাঁরা যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।

    দিল্লির হয়ে ‘প্রক্সি যুদ্ধ’

    পাকিস্তানের (India Pakistan) প্রতিরক্ষামন্ত্রীর আরও অভিযোগ ছিল, দিল্লির হয়ে ‘প্রক্সি যুদ্ধ’ করছে তালিবান। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে নয়াদিল্লি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা ঢাকতে প্রতিবেশীদের উপর দোষ চাপানো পাকিস্তানের পুরোনো স্বভাব।’ পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে আশ্রয় দেয় এবং সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের পৃষ্ঠপোষকতা করে। আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং স্বাধীনতার প্রতি ভারত সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এই বার্তা ছিল বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্রের। উল্লেখ্য, পাকিস্তান আফগানিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে সেই দেশে হামলা চালিয়েছিল বলে দাবি করেছিল তালিবান সরকার। তালিবানের দাবি ছিল, পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, গত বুধবার দুপুরে কাবুলে পাকিস্তানের এয়ারস্ট্রাইকের পরে আফগান-পাকিস্তান সংঘর্ষে বিরতি ঘোষণা করা হয়েছে।

    চিন্তিত পাকিস্তান

    দুই সীমান্তে দুই পড়শি দেশকে নিয়ে চিন্তিত পাকিস্তান (India Pakistan)। আফগানিস্তান সীমান্তে তালিবানের সঙ্গে সংঘাতের পর আপাতত সংঘর্ষবিরতির পথে হেঁটেছে পাকিস্তান। কিন্তু আর এক পড়শি ভারতকে নিয়ে চিন্তিত ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই আশঙ্কার কথাই জানিয়েছেন সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তাঁর দাবি, তালিবানের মতো পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতে জড়াতে পারে নয়াদিল্লি। সে কথা মাথায় রেখেই দ্বিমুখী যুদ্ধের জন্য পাকিস্তান প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে বলে দাবি করেছেন তিনি। এমনকি বৃহস্পতিবার পাক মন্ত্রী আসিফ দাবি করেন, ভারতের মদতে যুদ্ধ চালাচ্ছে কাবুল। সংঘর্ষবিরতি ৪৮ ঘণ্টাও স্থায়ী হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহপ্রকাশ করেন তিনি। বলেন, ‘‘সংঘর্ষবিরতি আদৌ বজায় থাকবে কি না সন্দেহ আছে। এই সিদ্ধান্ত তো দিল্লি থেকে নেওয়া হচ্ছে।’’ তিনি আরও দাবি করেন, আফগান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির সাম্প্রতিক দিল্লি সফরের পিছনে “গোপন পরিকল্পনা” ছিল। উল্লেখ্য, ডুরান্ড লাইন বরাবর পাকিস্তানি ও আফগান সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের কেন্দ্রে রয়েছে ‘তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান’ (টিটিপি)। এদিকে তালিবানের অভিযোগ, পাকিস্তান সরকার এবং সেনা ইসলামিক স্টেটের মতো জঙ্গি সংগঠনকে সাহায্য করছে। এদিকে পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানের তালিবান সরকার টিটিপি সদস্যদের আশ্রয় দিচ্ছে, যারা পাকিস্তানে হামলা করছে।

    ভারতের পাল্টা

    বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের (India Pakistan) সাপ্তাহিক সাংবাদিক বৈঠকে পাক মন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়েছিল বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালের কাছে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছি। পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে আশ্রয় দেয়, সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে মদত দেয়। প্রতিবেশীদের দোষারোপ করা ওদের পুরনো স্বভাব।’’ তিনি আরও জানান, “আমরা পরিস্থিতির উপর ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছি। তিনটি বিষয় একেবারে পরিষ্কার — প্রথমত, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে আশ্রয় দেয় ও তাদের কার্যকলাপকে সমর্থন করে। দ্বিতীয়ত, নিজেদের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতার দায় প্রতিবেশীদের ঘাড়ে চাপানো পাকিস্তানের অভ্যাস। তৃতীয়ত, আফগানিস্তান যখন নিজস্ব সার্বভৌমত্বের প্রয়োগ করছে, তখন তাতে পাকিস্তান ক্ষিপ্ত হয়েছে।” রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন,“ভারত আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং স্বাধীনতার প্রতি সম্পূর্ণভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।”  ভারত বলছে, তালিবান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির দিল্লি সফর ছিল সম্পূর্ণরূপে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও সম্পর্ক উন্নয়ন বিষয়ক। প্রসঙ্গত, এটি প্রথম নয়, খাজা আসিফ প্রায়ই এ ধরনের ভিত্তিহীন এবং অযৌক্তিক অভিযোগ করে থাকেন, যা কোনও প্রমাণে টিকে না। সংবাদ সম্মেলনে রণধীর জানান, কাবুলে ভারতের একটি টেকনিক্যাল মিশন চালু রয়েছে। তিনি জানান, “এই মুহূর্তে কাবুলে আমাদের একটি টেকনিক্যাল মিশন কাজ করছে। খুব শিগগিরই এটি পূর্ণাঙ্গ দূতাবাসে রূপান্তরিত হবে।”

LinkedIn
Share